Tag: news in bengali

news in bengali

  • Indian Railways: ১০,০০০ ইঞ্জিন, ১৪,৩৭৫ কিমি ট্র্যাকে বসছে ‘কবচ ৪’ সুরক্ষা, বড় ঘোষণা রেলের

    Indian Railways: ১০,০০০ ইঞ্জিন, ১৪,৩৭৫ কিমি ট্র্যাকে বসছে ‘কবচ ৪’ সুরক্ষা, বড় ঘোষণা রেলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা দেশে ১৪,৩৭৫ রুট কিলোমিটারের বেশি ট্র্যাকে উন্নত ‘কবচ ৪’ (Kavach 4) স্বয়ংক্রিয় ট্রেন সুরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপন করার কথা ঘোষণা করেছে ভারতীয় রেল (Indian Railways)। শুক্রবার রেলের তরফ থেকে একটি সাংবাদিক বার্তায় এই কথা জানানো হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে রেলে ট্রেনের দুর্ঘটনা কমাতে একাধিক উদ্যোগের মধ্যে কবচ ৪ মোতায়েন হল একটি উল্লেখযোগ্য দিক। সারা দেশে রেলের ব্যবস্থাকে আরও সুন্দর, নিরাপদ এবং শাক্তিশালী করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    কবচ সিস্টেম স্থাপনের জন্য দরপত্র বা টেন্ডার (Indian Railways)

    মালিগাঁও ও অসম রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক একটি সাংবাদিক সম্মলেন করে জানিয়েছেন, “মোট ১৪,৭৩৫ রুট কিমি (আরকেএম) এর মধ্যে ১১০৫ আরকেএম সংযুক্তিকরণের জন্য বিড খোলা হয়েছে। বাকি দরগুলি চলতি মাসের শেষে প্রকাশ করা হবে। একই ভাবে ভারতীয় রেল (Indian Railways) ১০,০০০ ইঞ্জিনের কবচ সিস্টেম স্থাপনের জন্য দরপত্র বা টেন্ডারের আহ্বান করা হয়েছে। কবচের আগের মডেলগুলিকে সংস্করণ করে নতুন আঙ্গিকে লোকোমোটিভগুলিতে কবচ ৪ (Kavach 4) সিস্টেম আপগ্রেড করা হবে। উত্তরপূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে অঞ্চলে, কবচ বাস্তবায়নের জন্য মালদা টাউন থেকে ডিব্রুগড় পর্যন্ত প্রায় ১,৯৬৬ রুট কিমি (আরকেএম) চিহ্নিত করা হয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ঝাঁসির মেডিক্যাল কলেজে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত ১০ শিশু! শোক প্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    ২০২৬-২৮ সালের জন্য ৩০,০০০ রুট কিমির পরিকল্পনা

    ভারতীয় রেলের (Indian Railways) পক্ষ থেকে ২০২৫-২৬ সালে অতিরিক্ত ১৭০০০ রুট কিমি (আরকেএম) বিডের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই ভাবে ২০২৬-২৮ সালের জন্য নির্ধারিত হয়েছে মোট ৩০,০০০ রুট কিমি (আরকেএম)। এই উন্নত কবচ ৪ (Kavach 4) সিস্টেমটি জুলাই ২০২৪ সালে গবেষণা ডিজাইন এবং স্ট্যান্ডার্ড অর্গানাইজেশন দ্বার অনুমোদন করা হয়েছিল। প্রথম সফল ভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল, পশ্চিম-মধ্য রেলের কোটা থেকে সাওয়াই মাধোপুরের মধ্যে। মোট ১০৮ কিমি পথকে প্রসারিত করা হয়েছিল। এখন আবার পশ্চিম রেলের (Indian Railways) আমেদাবাদ এবং ভাদোদরার মধ্যে একটি ৮৪-কিমি সেকশেনেও ট্রায়ালের কাজ করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: ঝাঁসির মেডিক্যাল কলেজে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত ১০ শিশু! শোক প্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    Uttar Pradesh: ঝাঁসির মেডিক্যাল কলেজে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত ১০ শিশু! শোক প্রকাশ রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) হাসপাতালে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! ঝাঁসির মেডিক্যাল কলেজের (Jhansi Medical College) নিওনেটাল ইনটেনসিভ ইউনিটে ভয়াবাহ অগ্নিকেণ্ডে ১০ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। সেই সঙ্গে আরও ১৬ জন শিশুর অবস্থা অত্যন্ত সঙ্কটজনক, তাদের চিকিৎসা চলছে। আগুন লাগার স্থলে অক্সিজন সরবরাহের পাইপ লিক হয়ে আরও বিধ্বংসী রূপ নেয়। ঘটনার পর থেকেই মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রশাসনকে তৎপর হয়ে উদ্ধার এবং ত্রাণকাজের জন্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন। অপর দিকে, দেশের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী এই ঘটনায় মৃত শিশুর পরিজনদের প্রতি শোকবার্তা দিয়ে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। ইতিমধ্যে নিহতদের জন্য ২ লাখ করে টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে।

    অক্সিজেন কনসেনট্রেটরের ভিতরে হঠাৎ আগুন লেগে (Uttar Pradesh)

    ঝাঁসি (Uttar Pradesh) মেডিক্যাল সুপারিনটেনডেন্ট (Jhansi Medical College) শচীন মহর দুর্ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, “এনআইসিইউ ওয়ার্ডে ৫৪ জন শিশু ভর্তি ছিল। কিন্তু অক্সিজেন কনসেনট্রেটরের ভিতরে হঠাৎ আগুন লেগে যায়। আগুন নেভানোর চেষ্টা করা হয় কিন্তু ওই ঘরে অক্সিজেন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় মারাত্মক রূপ নেয় আগুন। বেশ কিছু শিশুকে উদ্ধার করা গেলেও ১০ জন সদ্যোজাতের মৃত্যু হয়। আহতদের দ্রুততার সঙ্গে চিকিৎসার কাজ চলছে। প্রশাসন সবরকম ভাবে সহযোগিতায় কাজ করে চলছে।”

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার রাত প্রায় পৌনে ১১টা নাগাদ আগুন লেগেছিল ওই হাসপাতালে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, হাসপাতালের নিকু ওয়ার্ড হঠাৎ ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছিল। দমকল পৌঁছনোর আগেই শিশু বিভাগের জানলা ভেঙে ৩৭ জন শিশুকে উদ্ধার করে বাইরে বার করা হয়েছিল। ঝাঁসির ডিভিশনাল কমিশনার এবং ডিআইজিকে ১২ ঘণ্টার মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।

    শিশু মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক বললেন যোগী

    অগ্নিকাণ্ডে মৃত শিশুদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিজের এক্স হ্যান্ডলে বলেন, “ঝাঁসি (Uttar Pradesh) জেলায় অবস্থিত মেডিক্যাল কলেজের (Jhansi Medical College) এনআইসিইউতে ঘটনা অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। শিশু মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং বিপর্যয় বাহিনীকে উদ্ধার-ত্রাণ কাজের জন্য সব রকম সহযোগিতা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মৃত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই।”

    ৩টি মৃত শিশুর ডিএনএ পরীক্ষা

    পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক বলেন, “এই দুর্ঘটনার কারণ সন্ধানের জন্য বিশেষ ভাবে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যারা এই ঘটনার জন্য প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে দায়ী তাদেরকে খোঁজ করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। পরিচালনার জন্য কোনও রকম ত্রুটি পাওয়া গিয়েছে কিনা তারও তল্লাশি করা হবে। একই ভাবে রাজ্যসরকারের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিবার পিছু ৫০,০০০ টাকা করে আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে।” উপ-মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের আরও বললেন, “মৃত ১০ শিশুর মধ্যে ৩টি শিশুর ক্ষেত্রে ডিএনএ পরীক্ষা করে দেখা হবে। ইতি মধ্যে মৃত ৭ শিশুর দেহকে শনাক্ত করা হয়েছে। একই ভাবে আরও বেশ কিছু শিশু গুরুতর ভাবে আহত হয়েছেন। পুলিশের ডিআইজিকে ইতিমধ্যে রিপোর্ট দেওয়ার কথা বলে তলব করা হয়েছে।”

    রাষ্ট্রপতির শোক প্রকাশ

    এই মর্মান্তিক ঘটনার প্রতি শোক প্রকাশ করে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু নিজের এক্স হ্যান্ডলে বলেন, “উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ঝাঁসির মহারানি লক্ষ্মীবাঈ মেডিক্যাল কলেজের (Jhansi Medical College) দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকটি নবজাতকের মৃত্যু খবর এসেছে। এই ঘটনা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। ঈশ্বর শোকাহত পিতামাতাকে আঘাত সহ্য করার শক্তি প্রদান করুন। আর আহত শিশুদের দ্রুত আরোগ্য কামনার জন্য ভগবানের কাছে প্রার্থনা করি।”

    আরও পড়ুনঃ সিঁদুর সরিয়ে মহিলাদের কপালে ক্রস, বিহারে ধর্মান্তকরণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩ মিশনারি

    প্রধানমন্ত্রীর দফতরের  বার্তা

    অত্যন্ত মর্মস্পর্শী এই দুর্ঘটনার প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পিএমও-র অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেলে লেখা হয়েছে, “উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) ঝাঁসি মেডিকেল কলেজে অগ্নিকাণ্ডের দুর্ঘটনা অত্যন্ত হৃদয় বিদারক। এতে যাঁরা তাঁদের নিষ্পাপ সন্তানদের হারিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আমি ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি যে তাঁরা যেন তাঁদের এই অভূতপূর্ব ক্ষতি সহ্য করার শক্তি পান। রাজ্য সরকারের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় প্রশাসন ত্রাণ ও উদ্ধারের জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করছে।” নিহতদের নিকটজনকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে এককালীন ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণাও করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • INDIA: টি টোয়েন্টিতে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোর, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজ জয় টিম ইন্ডিয়ার

    INDIA: টি টোয়েন্টিতে ভারতের সর্বোচ্চ স্কোর, দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজ জয় টিম ইন্ডিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে চার ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ সহজেই জিতে নিল ভারত (INDIA)। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ভারত এদিন দলগতভাবে সর্বোচ্চ স্কোরও করে। টার্গেট দেয় ২৮৪ রানের। প্রসঙ্গত, সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিতেছিল ভারত। তারপর দ্বিতীয় ম্যাচে হার। এরপরে সেঞ্চুরিয়ানের জয় পায় টিম ইন্ডিয়া। ভারতের দুই ব্যাটসম্যান তিলক ও সঞ্জুর সেঞ্চুরির কারণে শেষ দুটি ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। সেঞ্চুরিয়ানের সেঞ্চুরি হাকান তিলক (INDIA )। জোহানেসবার্গে ফের আবার তিলক-সঞ্জুর জুটি সেঞ্চুরি হাঁকায়।

    ম্যাচের বিবরণ

    লক্ষ্য তাড়া করতে মাঠে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa) প্রথম দুই ওভারেই দুটি উইকেট খুইয়ে ফেলে। এরপর ১০ রানের মাথায় চারটি উইকেট পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa)। তারপর থেকে আর ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হয়নি। ক্রিস্তান স্টাবস ও ডেভিড মিলারের জুটি মাঝখানে কিছুটা চেষ্টা করে। তাঁরা দুজনে ৭৩ রান তোলেন। কিন্তু ম্যাচ জয়ের সম্ভাবনা কখনও ছিলই না। শুধু বোঝা যাচ্ছিল যে কুড়ি ওভার অন্তত ব্যাট করতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপরে বোলার বরুণ চক্রবর্তী তুলে নেন মিলারের উইকেট। ২৭ বলে ৩৬ জনের ইনিংস খেলেন মিলার। এর পরেই আউট হন ত্রিস্তান স্টাবস। ৯৬ রানের মাথায় পরপর দুই বলে ২ উইকেট পড়ে। দক্ষিণ আফ্রিকার নবম উইকেটে পতন হয় ১৪১ রানে। অবশেষে ১৬৮ রানে শেষ হয় প্রোটিয়াদের ইনিংস। টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১৩৫ রানের বিরাট ব্যবধানে জিতে যায় টিম ইন্ডিয়া (INDIA )।

    তিলক-সঞ্জুর জোড়া সেঞ্চুরি 

    কোনও টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এই প্রথম ভারতের (INDIA) দু’জন ব্যাটার শতরান করলেন। তিলক ৪৭ বলে ১২০ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। সঞ্জুর পর ভারতের দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে পর পর দু’টি ২০ ওভারের ম্যাচে শতরান করার নজির গড়লেন তিলক। এদিকে, টানা দু’ম্যাচে ব্যর্থ হওয়ার পর শতরান এল সঞ্জুর ব্যাট থেকেও। ৫৬ বলে ১০৯ রান করে অপরাজিত ইনিংস খেললেন তিনি।

    পুত্র সন্তানের পিতা হলেন রোহিত

    অন্যদিকে, ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং তার স্ত্রী ঋতিকা দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিলেন। শুক্রবার ১৫ নভেম্বর তাঁরা একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, শর্মা দম্পতির বর্তমানে এক কন্যা রয়েছে। তার নাম সামাইরা। ২০১৮ সালে প্রথম সন্তানের জন্ম দেন ঋতিকা।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mass conversion: সিঁদুর সরিয়ে মহিলাদের কপালে ক্রস, বিহারে ধর্মান্তকরণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩ মিশনারি

    Mass conversion: সিঁদুর সরিয়ে মহিলাদের কপালে ক্রস, বিহারে ধর্মান্তকরণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩ মিশনারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিহারের বক্সার (Buxar) জেলায় হিন্দুদের ধর্মান্তরিত (Mass conversion) করার অভিযোগ সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, তিনজন খ্রিস্টান মিশনারী ৫০ থেকে ৬০ জন হিন্দুকে খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত করেছেন। এই রকমই একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে (যদিও ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ওই খ্রিস্টান মিশনারিরা হিন্দু মহিলাদের গঙ্গায় ডুব দেওয়ানোর পরে তাঁদের মাথায় ক্রস চিহ্ন এঁকে দিচ্ছেন এবং সিঁদুর সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দিচ্ছেন। এই ভিডিও ভাইরাল হতেই হিন্দু সংগঠনগুলি প্রতিবাদে নামে। তারপরেই অভিযোগের ভিত্তিতে বিহার পুলিশ তিনজন মিশনারিকে গ্রেফতার করে। মিশনারিদের অবশ্য দাবি, ওই হিন্দুরা তাঁদের নিজেদের ইচ্ছাতেই ধর্মান্তরিত হয়েছেন এবং বাইবেল পড়ে তাঁরা ধর্মান্তরিত (Mass conversion) হয়েছেন। বিষয়টি প্রথম সামনে আসে ১৪ নভেম্বর। জানা গিয়েছে, এটি বিহারের বক্সার জেলার সিমরি থানার অন্তর্গত নাগপুরা গ্রামের ঘটনা।

    মিশনারিদের পরিচয় (Mass conversion)

    অভিযুক্ত তিন জন মিশনারির মধ্যে দুইজনের বাড়ি বিহারে। তাঁদের নাম রাজুরাম এবং রাজীব রঞ্জন। তৃতীয় জনের বাড়ি তামিলনাড়ুতে তাঁর নাম স্যামুয়েল। বিহারের মিশনারি রাজুরাম বলেন, ‘‘অনেক হিন্দুই তাঁর কাছে এসেছিলেন এবং নিজেদের অসুস্থতার কথা বলেছিলেন। আমি তাঁদেরকে ওষুধ খেতে বলি। তারপর তাঁদেরকে বলি যে আমি যিশুর কাছে প্রার্থনা করব। যাতে তাঁদের অসুস্থতা সেরে যায়। যাঁদের কষ্ট লাঘব হয়েছে, যাঁরা সুস্থ হয়েছেন তাঁরা স্বাধীনভাবেই খ্রিস্টান ধর্মকে গ্রহণ করেছেন।’’

    কী বলছেন সিমলি থানার ইনচার্জ?

    অন্যদিকে, সিমলি থানার (Buxar) অফিসার ইনচার্জ কমল নয়ন পাণ্ডে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে যাঁদেরকে ধর্মান্তকরণ করা হয়েছে, তাঁদের প্রত্যেকেরই গ্রামে বাড়ি এবং বাইবেল অনুসারে তাঁদের ধর্মান্তকরণ করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিষয়টি দেখছে এবং ধর্মান্তকরণ বিরোধী আইন মোতাবেক কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    কী বলছেন গিরিরাজ?

    এই ঘটনায় বিবৃতি সামনে এসেছে (Mass conversion) বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিংয়ের। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘আগে আদিবাসীদের হয়রানি করা হত। এখন দরিদ্র আদিবাসীদের নানা প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে ধর্মান্তকরণ করা হচ্ছে। ধর্মান্তকরণ নিষিদ্ধ করার জন্য শক্তিশালী আইন প্রয়োজন। প্রতিটি জেলাতেই এই ধরনের ঘটনা ঘটছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: শিক্ষা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, তবে শিক্ষাকে হতে হবে ভারত-কেন্দ্রিক, মনে করেন মোহন ভাগবত

    RSS: শিক্ষা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, তবে শিক্ষাকে হতে হবে ভারত-কেন্দ্রিক, মনে করেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়, তবে শিক্ষাকে অবশ্যই ভারত-কেন্দ্রিক হতে হবে, এমনটাই জানালেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। একই সঙ্গে তিনি সামাজিক সম্প্রীতিরও বার্তা দিয়েছেন। একইসঙ্গে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন যে, ভারতকে এমন একটা মডেল দেশে পরিণত করা হোক, যাকে অনুসরণ করতে পারে গোটা বিশ্ব। প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) শাখা সংগঠন ভারতীয় শিক্ষণ মণ্ডলের তিনদিনের ‘ভিশন ফর বিকশিত ভারত’, সম্মেলন শুরু হয়েছে গুরুগ্রামে। অংশগ্রহণ করেছেন দেশের তরুণ গবেষকরা।

    ভাগবতের ভাষণ (RSS) 

    সেই সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) বলেন, ‘‘শিক্ষাকে বাদ দিয়ে উন্নয়ন সম্ভব নয়, কিন্তু শিক্ষাকে অবশ্যই ভারত-কেন্দ্রিক হতে হবে। আমাদের উচিত সারা বিশ্ব থেকে ভালো ভালো ভাবগুলিকে সংগ্রহ করা। কিন্তু কখনও আমরা অন্ধ অনুগামী হব না। প্রত্যেক শিক্ষকের দায়িত্ব হল, তাঁর ছাত্রদেরকে দিশা দেখানো। যাতে তাঁদের গবেষণা ভারত-কেন্দ্রিক হতে পারে।’’ রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান আরও বলেন, ‘‘আজকে সারা পৃথিবীব্যাপী মাত্র ৪ শতাংশ মানুষ, ৮০ শতাংশ সংস্থানকে ভোগ করছেন। বিশ্বব্যাপী উন্নয়ন এখন পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে বড় সমস্যার কারণ হলে দাঁড়িয়েছে।’’ মোহন ভাগবত আরও (RSS) বলেন, ‘‘সারা বিশ্বব্যাপী বিতর্ক চলছে যে তারা উন্নয়নকে নেবে নাকি পরিবেশকে রক্ষা করবে।’’ এদিন তিনি আরও বলেন, ‘‘আমাদের বস্তুগত বিষয়গুলির উন্নয়ন যেমন দরকার, তেমন আমাদের মনেরও উন্নয়ন দরকার। যাতে আমাদের ভিতরে সর্বদাই সমৃদ্ধি এবং সুখী ভাবটা থাকে।’’

    হাজির ইসরো চেয়ারম্যান ও নোবেলজয়ী কৈলাশ সত্যার্থী

    প্রসঙ্গত, এই সম্মেলনে হাজির ছিলেন ইসরো চেয়ারম্যান এস সোমনাথও। তিনি এই সম্মেলনকে সম্বোধন করে বলেন, ‘‘আমাদের চন্দ্রযান মিশন সফল হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য রয়েছে চাঁদে মানুষ পাঠানো ও ২০৪০ সালের মধ্যে নিজেদের নতুন স্পেস স্টেশন তৈরি করা।’’ এই সম্মেলনে হাজির ছিলেন নোবেল জয়ী কৈলাশ সত্যার্থীও। তিনি বলেন, ‘‘প্রথমবারের জন্য ১,২০০ গবেষক এবং দু লাখ অংশগ্রহণকারী এক ছাদের তলায় এসে জড়ো হয়েছেন। এটা পৃথিবীর বড় ইভেন্ট বলা যেতে পারে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • ICC: অধিকৃত কাশ্মীরে যাবে না চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, পাক বোর্ডের পরিকল্পনা বাতিল করে জানাল আইসিসি

    ICC: অধিকৃত কাশ্মীরে যাবে না চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি, পাক বোর্ডের পরিকল্পনা বাতিল করে জানাল আইসিসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক অধিকৃত কাশ্মীরের তিনটি শহরে যাবে না চ্যাম্পিয়নস ট্রফি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের পরিকল্পনা বাতিল করে এমনটাই জানাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল বা আইসিসি (ICC)। প্রসঙ্গত, পিসিবির পরিকল্পনা ছিল পাক অধিকৃত কাশ্মীরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নিয়ে যাওয়ার। তবে সেই পরিকল্পনাতে জল ঢেলে দিল আইসিসি। আগামীকাল ১৬ নভেম্বর থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানের বিভিন্ন শহরে ঘুরবে এই চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। সে দেশের স্কার্দু, মুরি, মুজফফরবাদ- এই তিন শহরেরই অবস্থান হল পাক অধিকৃত কাশ্মীরে। পিসিবি পরিকল্পনা করেছিল এই শহরগুলিতেও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC) নিয়ে যাওয়ার। একইসঙ্গে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে অবস্থিত পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম পর্বতশৃঙ্গ গডউইন অস্টিন বা  K2.  সেখানেও নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিটি (Champions Trophy)। তবে সেই পরিকল্পনাও বাতিল করল আইসিসি। আইসিসির তরফে সাফ জানানো হয়েছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরে যাবে না ট্রফি।

    ঘন কুয়াশার কারণে আরও তিন শহরে যাবে না ট্রফি

    জানা যাচ্ছে, ইসলামাবাদে ইতিমধ্যে পৌঁছে গেছে এই ট্রফি (ICC)। একই সঙ্গে লাহোর, করাচি ও রাওয়ালপিন্ডিতেও ট্রফি নিয়ে যাওয়া হবে না বলে জানিয়েছে আইসিসি। কারণ সেখানকার ঘন কুয়াশা। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি-মার্চ নাগাদ পাকিস্তানের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) হওয়ার কথা রয়েছে। সে কারণেই সে দেশের বিভিন্ন শহরের ট্রফি ট্যুরের আয়োজন করেছিল পিসিবি। তবে পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হবেই, একথা নিশ্চিতভাবে এখনই বলা যাচ্ছে না।

    পাকিস্তানে গিয়ে খেলতে রাজি নয় ভারত

    পাকিস্তানে গিয়ে ভারত চ্যাম্পিয়ন্স (ICC) ট্রফি খেলতে রাজি নয়। মোট আটটি দল খেলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। তবে সমস্যা দেখা দিয়েছে ভারত ও পাকিস্তানকে নিয়ে। কারণ এই দুই দেশের রাজনৈতিক সমস্যা। প্রসঙ্গত পাকিস্তানে ভারতীয় ক্রিকেটারদের নিরাপত্তার বিষয়টিও বড় করে দেখছে বিসিসিআই। তারা মনে করছে, সে দেশের জঙ্গিরা রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলিদের টার্গেট করতে পারে। তার কারণ পাকিস্তানে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেট বাসে আক্রমণের ঘটনা এর আগেও ঘটেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arsh Dalla: কানাডায় খালিস্তানি জঙ্গি আরশ ডাল্লা গ্রেফতার হতেই হস্তান্তরের আর্জি জানাল দিল্লি

    Arsh Dalla: কানাডায় খালিস্তানি জঙ্গি আরশ ডাল্লা গ্রেফতার হতেই হস্তান্তরের আর্জি জানাল দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানি জঙ্গি (Khalistani Terrorist) আরশ ডাল্লাকে হস্তান্তর করার জন্য ভারতের বিদেশমন্ত্রক কানাডা সরকারের কাছে দাবি জানাল। কানাডার এক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সে দেশের অন্টারিওর মিল্টনের গুলি চালানোর ঘটনায় গ্রেফতার করা হয়েছে আরশ ডাল্লাকে (Arsh Dalla)। সেই খবর প্রকাশ্যে আসতেই তাকে হস্তান্তর করার জন্য ভারত জোরালো দাবি তুলল। 

    কী বলছেন ভারতের বিদেশ দফতরের মুখপাত্র?

    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণদীপ জয়সওয়াল এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘ কানাডা সরকারের ওই গ্রেফতারির খবর সম্প্রতি প্রকাশ্যে আসে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা প্রত্যর্পণের অনুরোধ করছি। ভারতে আরশ ডাল্লার (Arsh Dalla) অপরাধমূলক অনেক অভিযোগ রয়েছে। তাই স্বাভাবিকভাবে এটা প্রত্যাশিত যে ভারতেও তার বিচার হওয়া উচিত।’’

    আরও পড়ুন: খাদ্যাভ্যাসে নিরামিষাশী, কণ্ঠস্থ ছিল রামায়ণ-মহাভারত, আজ বিরসা মুন্ডার ১৫০তম জন্মজয়ন্তী

    ২০২৩ সালেই তাঁকে গ্রেফতারির আবেদন জানায় দিল্লি

    প্রসঙ্গত, কানাডায় ২৮ অক্টোবর গুলি চালনার মামলায় তাঁকে (Arsh Dalla) অভিযুক্ত করা হয়। আরশ ডাল্লার (Khalistani Terrorist) বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, তোলাবাজি, সন্ত্রাসে অর্থ জোগানো সহ ৫০টিরও বেশি গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। ২০২৩ সালে তাঁকে সন্ত্রাসবাদী ঘোষণা করে ভারত। তখনই ভারত সরকার কানাডার সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিল তাকে গ্রেফতার করার জন্য। যদিও সেই আবেদন মানেনি কানাডা সরকার। অবশেষে ভারতের দাবিই মান্যতা পেল। গ্রেফতার করা হল আরশ ডাল্লাকে।

    ২০১৮ সালেই পাঞ্জাব থেকে কানাডায় পাড়ি দিয়েছিল ডাল্লা (Arsh Dalla)

    জানা গিয়েছে, কানাডাতে খুন হওয়া খালিস্তানি জঙ্গি নিজ্জরের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিল আরশ ডাল্লা। ২০২৩ সালের জুন মাসে কানাডায় বাইরে হত্যা করা হয় নিজ্জরকে। ২০১৮ সালেই পাঞ্জাব থেকে কানাডায় পাড়ি দিয়েছিল ডাল্লা (Khalistani Terrorist)। সেখানকার সারে নামে একটি জায়গাতে সে বসবাস করত। এমনটাই কানাডার সংবাদ মাধ্যম গ্লোব অ্যান্ড মেইল পত্রিকার প্রতিবেদনে ছাপা হয়েছে। সেখানে আরও বলা হয়েছে, ডাল্লা লক্ষ্যবীর নামের একটি গ্যাংয়ের সঙ্গেও যুক্ত।

     

    আরও পড়ুনঃ মণিপুরে নতুন করে হিংসা ছড়াতেই ৬টি থানা এলাকায় আফস্পা জারি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 194: “সত্ত্বগুণ যেন সিঁড়ির শেষ ধাপ, তারপরেই ছাদ, মানুষের স্বধাম হচ্ছে পরব্রহ্ম”

    Ramakrishna 194: “সত্ত্বগুণ যেন সিঁড়ির শেষ ধাপ, তারপরেই ছাদ, মানুষের স্বধাম হচ্ছে পরব্রহ্ম”

    ভক্তসঙ্গে শ্রীরামকৃষ্ণ

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ২২শে এপ্রিল

    শ্রীরামকৃষ্ণ ও আচার্য শ্রীবেচারাম — বেদান্ত ও ব্রহ্মতত্ত্ব প্রসঙ্গে

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যখন তিনি সৃষ্টি, স্থিতি, প্রলয় করেন তখন তাঁকে সগুণ ব্রহ্ম, আদ্যাশক্তি বলি। যখন তিনি তিন গুণের অতীত তখন তাঁকে নির্গুণ ব্রহ্ম, বাক্য-মনের অতীত বলা যায়; পরব্রহ্ম।

    “মানুষ তাঁর মায়াতে পড়ে স্ব-স্বরূপকে ভুলে যায়। সে যে বাপের অনন্ত ঐশ্বর্যের অধিকারী তা ভুলে যায়। তাঁর মায়া ত্রিগুণময়ী। এই তিনগুণই ডাকাত, সর্বস্ব হরণ করে; স্ব-স্বরূপকে ভুলিয়ে দেয়। সত্ত্ব, রজঃ, তমঃ—তিন গুণ। এদের মধ্যে সত্ত্বগুণই ঈশ্বরের পথ দেখিয়ে দেয়। কিন্তু ঈশ্বরের কাছে সত্ত্বগুণও নিয়ে যেতে পারে না।

    “একজন ধনী বনপথ দিয়ে যাচ্ছিল। এমন সময় তিনজন ডাকাত এসে তাকে ঘিরে ফেলল ও তার সর্বস্ব হরণ করলে। সব কেড়ে-কুড়ে নিয়ে একজন ডাকাত বললে, ‘আর একে রেখে কি হবে? একে মেরে ফেল’—এই বলে তাকে কাটতে এল। দ্বিতীয় ডাকাত বললে, ‘মেরে ফেলে কাজ নেই, একে আষ্টে-পিষ্টে বেঁধে এইখানেই ফেলে রেখে যাওয়া যাক। তাহলে পুলিসকে খবর দিতে পারবে না।’ এই বলে ওকে বেঁধে রেখে ডাকাতরা চলে গেল। খানিকক্ষণ পরে তৃতীয় ডাকাতটি ফিরে এল। এসে বললে, ‘আহা তোমার বড় লেগেছে, না? আমি তোমার বন্ধন খুলে দিচ্ছি।’ বন্ধন খুলবার পর লোকটিকে সঙ্গে করে নিয়ে ডাকাত পথ দেখিয়ে দেখিয়ে চলতে লাগল। সরকারী রাস্তার কাছে এসে বললে, ‘এই পথ ধরে যাও, এখন তুমি অনায়াসে নিজের বাড়িতে যেতে পারবে।’ লোকটি বললে, ‘সে কি মহাশয়, আপনিও চলুন; আপনি আমার কত উপকার করলেন। আমাদের বাড়িতে গেলে আমরা কত আনন্দিত হব।’ ডাকাতটি বললে, ‘না, আমার ওখানে যাবার জো নাই, পুলিশে ধরবে।’ এই বলে সে পথ দেখিয়ে দিয়ে চলে গেল।

    “প্রথম ডাকাতটি তমোগুণ, যে বলেছিল, ‘একে রেখে আর কি হবে, মেরে ফেল।’ তমোগুণে বিনাশ হয়। দ্বিতীয় ডাকাতটি রজোগুণ; রজোগুণে মানুষ সংসারে বদ্ধ হয়, নানা কাজ জড়ায়। রজোগুণ ঈশ্বরকে ভুলিয়ে দেয়। সত্ত্বগুণ যেন সিঁড়ির শেষ ধাপ। তারপরেই ছাদ। মানুষের স্বধাম হচ্ছে পরব্রহ্ম। ত্রিগুনাতীত না হলে ব্রহ্মজ্ঞান হয় না।”

    আচার্য—বেশ সব কথা হল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—(সহাস্যে)—ভক্তের স্বভাব কি জানো? আমি বলি তুমি শুন, তুমি বল আমি শুনি! তোমরা আচার্য, কত লোককে শিক্ষা দিচ্ছ। তোমরা জাহাজ, আমরা জেলেডিঙি। (সকলের হাস্য)

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BSNL: গ্রাহকদের আরও কাছে! দেশে প্রথম  ‘স্যাটেলাইট টু ডিভাইস’ পরিষেবা চালু করল বিএসএনএল

    BSNL: গ্রাহকদের আরও কাছে! দেশে প্রথম ‘স্যাটেলাইট টু ডিভাইস’ পরিষেবা চালু করল বিএসএনএল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিএসএনএল (BSNL) ভারতে ‘স্যাটেলাইট টু ডিভাইস’ (Satellite to Device Service) পরিষেবা চালু করেছে। গ্রাহকদের নিরবিচ্ছিন্ন সংযোগ দিয়ে পরিষেবাকে আরও উন্নত করতেই তারা এই উদ্যোগ নিয়েছে। টেলিকমিউকেশন বিভাগের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা করা হয়েছে। বিএসএনএলকে যাতে আরও সহজলভ্য করা যায়, সেই দিকে লক্ষ্য রেখেই এই ভাবনা বলে সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে।

    ভিয়াস্যাট (Viasat)-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ (BSNL)

    জানা গিয়েছে, ভারত সঞ্চার নিগম লিমিটেড (BSNL) ভারতে প্রথম স্যাটেলাইট সংযোগ পরিষেবা চালু করেছে। এই (Satellite to Device Service) যোগাযোগ পরিষেবা মার্কিননির্ভর প্রযুক্তি কোম্পানি ভিয়াস্যাট (Viasat)-এর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবে। এর মূল লক্ষ্য হল দেশের প্রত্যন্ত গ্রামীণ এলাকার ব্যবহারকারীদের সংযুক্ত করা। এই উদ্যোগে ভারতের ভূ-মণ্ডল পৃষ্ঠের সমান্তরাল বরাবর যোগাযোগ স্থাপন হবে। বিশ্বের আর বাকি যে দেশগুলিতে এই ধরনের প্রযুক্তির ব্যবহার হয়, এখন থেকে তাদের সঙ্গে ভারতের নামও যুক্ত হল। একে বিরাট চমক বলেই অনেকে মনে করছেন।

    আরও পড়ুনঃ মণিপুরে নতুন করে হিংসা ছড়াতেই ৬টি থানা এলাকায় আফস্পা জারি

    ইউপিআই ব্যবহার করার সুবিধা 

    ভিয়াস্যাট কোম্পানি অক্টোবর মাসেই ইন্ডিয়া মোবাইল কংগ্রেসে অংশগ্রহণকারীদের জন্য স্যাটেলাইট চালিত এই পরিষেবা নিয়ে সফল প্রদর্শনী করেছিল। ইতিমধ্যে ট্রায়ালে দেখা গিয়েছে, নন টেরেস্ট্রিয়াল নেটওয়ার্ক সংযোগের জন্য সক্ষম একটি বাণিজ্যিক স্মার্টফোন ব্যবহার করে দ্বিমুখী এবং জরুরি বার্তা নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে প্রেরণ করা যায়। এই ক্ষেত্রে বার্তাগুলি প্রায় ৩৬০০০ কিমি দূরে জিও স্টেশনারি এল-ব্যান্ড স্যাটেলাইটে পাঠানো হয়েছিল। বিএসএনএল-এর (BSNL) এই স্যাটেলাইট (Satellite to Device Service) পরিষেবা ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনীয় জরুরি কল, এসওএস বার্তা এবং ইউপিআই ব্যবহার করার সুবিধা পাবেন বলে জানা গিয়েছে। তবে জরুটি অবস্থার বাইরে দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য নিয়মিত কল বা এসএমএস করা যাবে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট করে বলা হয়নি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Manipur: মণিপুরে নতুন করে হিংসা ছড়াতেই ৬টি থানা এলাকায় আফস্পা জারি

    Manipur: মণিপুরে নতুন করে হিংসা ছড়াতেই ৬টি থানা এলাকায় আফস্পা জারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে সহিংসতার মধ্যেই মণিপুরে (Manipur) সশস্ত্র বাহিনী বিশেষ ক্ষমতা আইন (আফস্পা) আরোপ করা হয়েছে। সশস্ত্র বাহিনীর আইন জিরিবাম সহ ছয়টি থানায় পুনর্বহাল করা হয়েছে। উল্লেখ্য এখানেই শেষবার হিংসা সংগঠিত হয়েছিল। উল্লেখ্য গত সোমবার নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে কুকি জঙ্গিদের সংঘর্ষে ১০ জন সন্দেহভাজন দুষ্কৃতীর হত্যার ঘটনা ঘটেছিল। গোটা এলাকা এখনও থমথমে।

    কোন কোন থানায় পুনর্বহাল আফস্পা (Manipur)?

    সেনা বাহিনীর পক্ষ থেকে এই এলাকাকে অশান্ত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। নতুন করে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তাই নিরাপত্তা বিষয়ে কড়া নজর রাখা হয়েছে। এলাকায় আফস্পা আরোপ করা হয়েছে। এই ছয় থানা হল— ইম্ফল পশ্চিম জেলার সেকমাই, লামসাং, ইম্ফলপূর্ব জেলার জিরিবাম, কাংপোকপির লেইমাখং এবং বিষ্ণুপুরের মৈইরাং।

    পুলিশের বিবৃতি

    অশান্তির ঘটনা না ঘটায় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখে মণিপুরের ১৯টি থানায় আফস্পা প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছিল আগেই। কিন্তু ফের গত সপ্তাহে অশান্তির কারণে কড়া অবস্থান নিয়েছে সেনা। মণিপুর (Manipur) রাজ্যের পুলিশ একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছে, “গত ৯ সেপ্টেম্বর মেইতি এবং কুকিদের সঙ্গে সংঘর্ষে ভয়ঙ্কর বন্দুক দিয়ে লড়াই হয়। মৃতদের মধ্যে তিনজন চুরাচাঁদপুর জেলার কুকি বিদ্রোহী বলে জানা গিয়েছে। চতুর্থ মৃতদেহটি জিরবামের কুকি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে চিহ্নিত করা গিয়েছিল। আবার পঞ্চম মৃতদেহ মেইতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ইউনাইটেড ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট (পাম্বে)-এর সদস্য হিসেবে শনাক্ত করা গিয়েছে।”

    আরও পড়ুনঃ ‘হিংসার রাজধানী পশ্চিমবঙ্গ, তোষণের রাজনীতি করছেন মমতা’, তোপ গিরিরাজের

    সাসপেনশন অফ অপারেশনস চুক্তি

    ২০২৩ সালে হাইকোর্টের সংরক্ষণ বিষয়ক রায়কে ঘিরে মণিপুরের (Manipur) মেইতেই এবং কুকি গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত। প্রচুর পরিমাণে মাদকদ্রব্য চোরাচালান, ড্রাগ কারবারি এবং মায়ানমারের একাধিক জঙ্গি সংগঠন সক্রিয় হয়ে উঠেছিল। কিন্তু ভারত সরকার এবং মণিপুর সরকারের যৌথ আহ্বানে কুকি-জো উপজাতিদের প্রায় ২৪টি বিদ্রোহী গোষ্ঠী একটি যুদ্ধবিরতি স্বাক্ষর করেছিল আগেই। যার নাম সাসপেনশন অফ অপারেশনস চুক্তি। তাতে বলা হয়, বিদ্রোহীরা নির্ধারিত ক্যাম্পে থাকতে হবে এবং তাদের অস্ত্র জমা রাখতে হবে। নিয়মিত চলবে নজরদারি। যদিও এই চুক্তি গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হয়েছে। এখনও চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হয়নি। মণিপুরের পার্বত্য অঞ্চলে হিংসার ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২২০ জনেরও বেশি লোককে হত্যা করা হয়েছে। সেই সঙ্গে প্রায় ৫০,০০০ মানুষকে অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে। সবটা মিলিয়ে মণিপুরে অশান্তির কালো মেঘ এখনও কাটেনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share