Tag: news in bengali

news in bengali

  • Cancer In Indians: চল্লিশের নীচে ভারতীয়দের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে, সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

    Cancer In Indians: চল্লিশের নীচে ভারতীয়দের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ছে, সতর্ক করলেন চিকিৎসকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মারণ ব্যাধি ক্যান্সার (Cancer In Indians)। নামটা শুনলেই আঁতকে ওঠেন না এমন মানুষ নেই বললেই চলে। ফি বছর তামাম বিশ্বে ক্যান্সারের করাল গ্রাসে মৃত্যু হয় বহু মানুষের। ভারতেও ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, নিম্নমানের খাবার খাওয়ার পাশাপাশি বেহিসেবি জীবনযাপনের কারণে চল্লিশের নীচে ভারতীয়দের ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে।

    ক্যান্সার আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার কারণ (Cancer In Indians)

    ভারতে ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার অনেকগুলি কারণ রয়েছে। তার মধ্যে চিকিৎসকরা মূল কারণ হিসেবে বেছে নিয়েছেন নিম্নমানের খাবার এবং জীবনযাপনের ধরনকেই। চিকিৎসকদের মতে, ভারতীয়দের মধ্যে প্রসেসড (Cancer In Indians) ফুড খাওয়ার প্রবণতা বাড়ছে। বাড়ছে তামাক এবং মদ্যপানের প্রবণতাও। স্থূলত্ব, স্ট্রেস এবং বেহিসেবি জীবনযাপনও তাঁদের ক্যান্সারের কারণ। গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো রয়েছে পরিবেশ দূষণ। ভারতীয় শহরগুলিতে দূষণের পরিমাণ অত্যন্ত বেশি।

    কী বলছেন চিকিৎসকরা?

    চিকিৎসকদের মতে, এ থেকেও হচ্ছে নানা ধরনের ক্যান্সার। বায়ু দূষণ এবং জল দূষণও ক্রমেই বাড়িয়ে তুলছে ভারতীয় জীবনে ক্যান্সারের ঝুঁকি। বিশিষ্ট চিকিৎসক রাহুল ভার্গব বলেন, “আল্টা-প্রসেসড খাবার খাওয়া এবং বেহিসেবি জীবনযাপন কম বয়সী ভারতীয়দের জীবনে কারণ হচ্ছে ক্যান্সারের। প্রচুর পরিমাণে এই জাতীয় খাবার খাওয়া, অস্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করা এবং এই দুইয়ের সঙ্গে কায়িক পরিশ্রম না করা ভারতীয় তরুণদের স্বাস্থ্যে সৃষ্টি করছে নানা সমস্যা।” তাঁর মতে, এসব খাবার থেকে দূরে থাকা এবং জীবনযাপনের ধরন বদলালেই থাকা যাবে সুস্থ।

    আর পড়ুন: ‘‘হিন্দুরা নয়, শুধুমাত্র একটি ধর্মই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়’’, তোপ হিমন্তের

    ‘ক্যান্সার মুক্ত ভারত ফাউন্ডেশনে’র সমীক্ষায় প্রকাশ, প্রতি একশো জনের মধ্যে ২০ জন ভারতীয় তরুণ ক্যান্সারে আক্রান্ত হচ্ছেন চল্লিশের নীচেই। এঁদের মধ্যে ৬০ শতাংশই পুরুষ। বাকি ৪০ শতাংশ নারী। প্রবীণ ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ তথা বিশিষ্ট চিকিৎসক আশিস গুপ্ত বলেন, “আমাদের দেশে স্থূলত্বের হার বাড়ছে। বদলাচ্ছে খাদ্যাভ্যাস। আল্ট্রা-প্রসেসড খাবার খাওয়ার চলও বাড়ছে। এর সঙ্গে রয়েছে বেহিসেবি জীবনযাপন। এসবের কারণেই বাড়ছে ক্যান্সারের ঝুঁকি।” জীবন যাপনের ধরনে বদল আনলেই যে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমবে, তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। আশিস বলেন, “দূষণমুক্ত পরিবেশ, কায়িক শ্রম, নিয়মিত ব্যায়ামের পাশাপাশি খাদ্যাভ্যাসে বদলও কমিয়ে দেবে ক্যান্সারের ঝুঁকি (Cancer In Indians)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Ramakrishna 55: “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

    Ramakrishna 55: “পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে নরেন্দ্রাদি অন্তরঙ্গ ও অন্যান্য ভক্তসঙ্গে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    গুরুশিষ্য-সংবাদ—গুহ্য কথা

    আদ্যাশক্তি মহামায়া ও শক্তিসাধনা

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—তাঁর কৃপা পেতে গেলে আদ্যাশক্তিরূপিণী তাঁকে প্রসন্ন করতে হয়। তিনি মহামায়া। জগৎকে মুগ্ধ করে সৃষ্টি স্থিতি প্রলয় করছেন। তিনি অজ্ঞান করে রেখে দিয়েছেন। সেই মহামায়া দ্বার ছেড়ে দিলে তবে অন্দরে যাওয়া যায়। বাহিরে পড়ে থাকলে বাহিরের জিনিস কেবল দেখা যায়।–সেই নিত্য সচ্চিদানন্দ পুরুষকে জানতে পারা যায় না। তাই পুরাণে কথা আছে—চণ্ডীতে—মধুকৈটভ বধের সময় ব্রহ্মাদি দেবতারা মহামায়ার স্তব করছেন।

    শক্তিই জগতের মূলাধার। সেই আদ্যাশক্তির (Ramakrishna) ভিতরে বিদ্যা ও অবিদ্যা দুই আছে,–অবিদ্যা—মুগ্ধ করে। অবিদ্যা—যা থেকে কামিনী-কাঞ্চন—মুগ্ধ করে। বিদ্যা-যা থেকে ভক্তি, দয়া, জ্ঞান, প্রেম–ঈশ্বরের পথে লয়ে যায়।  

    সেই অবিদ্যাকে প্রসন্ন করতে হবে। তাই শক্তির পূজা পদ্ধতি।

    তাঁকে প্রসন্ন করার জন্য নানাভাবে পূজা—দাসীভাব, বীরভাব, সন্তানভাব। বীরভাব-অর্থাৎ রমণ দ্বারা তাঁকে প্রসন্ন করা।

    শক্তিসাধনা—সব ভারী উৎকট সাধনা ছিল, চালাকি নয়।

    আমি মার দাসীভাবে, সখীভাবে দুই বৎসর ছিলাম। আমার কিন্তু সন্তানভাব, স্ত্রীলোকের স্তন মাতৃস্তন মনে করি।

    মেয়েরা এক একটি শক্তির রূপ। পশ্চিমে বিবাহের সময় বরের হাতে ছুরি থাকে, বাংলাদেশে জাঁতি থাকে; অর্থাৎ ওই শক্তিরূপা কন্যার সাহায্যে বর মায়াপাশ ছেদন করবে। এটি বীরভাব। আমি বীরভাবে পূজা করি নাই। আমার সন্তানভাব।

    কন্যা শক্তিরূপা (Ramakrishna)। বিবাহের সময় দেখে নাই—বর বোকাটি পিছনে বসে থাকে? কন্যা কিন্তু নিঃশঙ্ক।

    দর্শনের পর ঐশ্বর্য ভুল হয়—নানা জ্ঞান, অপরা-বিদ্যা- “Religion and Science”—

    আরও পড়ুনঃ “ছেলেটি পেট ভরে খেলে তবেই মা সন্তুষ্ট, যশোদা কৃষ্ণ খাবে বলে ননী হাতে করে বেড়াতেন”

    আরও পড়ুনঃ “ঈশ্বরলাভ-এর মানে কি? ঈশ্বরদর্শন কাকে বলে? কেমন করে হয়?”

    আরও পড়ুনঃ “সচ্চিদানন্দলাভ হলে সমাধি হয়, তখন কর্মত্যাগ হয়ে যায়”

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: প্রশ্ন ফাঁস থেকে শিক্ষা! কড়া আইন আনছে যোগী সরকার

    Uttar Pradesh: প্রশ্ন ফাঁস থেকে শিক্ষা! কড়া আইন আনছে যোগী সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘নিট’ এবং ‘নেট’ পরীক্ষা নিয়ে বিতর্ক চরমে। উঠছে জালিয়াতির অভিযোগ এবং প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ। কেন্দ্রীয় শিক্ষা দফতরের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ আনছে বিরোধীরা। এমতাবস্থায় উত্তরপ্রদেশ সরকার একটি নতুন আইন আনতে চলেছে। পরীক্ষার আগে প্রশ্ন ফাঁস রুখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে যোগী সরকারের তরফে।  

    প্রশ্ন ফাঁস রুখতে যোগী রাজ্যে আসছে আইন

    জানা গিয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকার প্রশ্ন ফাঁস রুখতে এমন একটি কড়া আইন আনতে চলেছে, যেখানে থাকছে কঠিন শাস্তির বিধান। থাকবে মোটা অংকের জরিমানা থেকে জেলের ব্যবস্থা। এমনকি বুলডোজার দিয়ে বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার বিধানও থাকতে পারে। সূত্রের খবর ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি ‘নেট’ এবং ‘নিট’ পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করতেই উত্তরপ্রদেশ সরকার এ বিষয়ে কঠোর আইন আনতে তৎপর হয়েছে। পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আলাদা প্রিন্টার থেকে ছাপানো হবে দুটি সেটে প্রশ্নপত্র।  এমনকি উত্তর পত্রে কোডিং-এর ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা ব্যবস্থা থাকবে। পরীক্ষার কেন্দ্র হবে একমাত্র সরকারি স্কুল ডিগ্রী কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, পলিটেকনিক এবং ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, কিংবা মেডিকেল কলেজ। তাও আবার যে সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড ভালো সেগুলিকে সেন্টার হিসেবে বেছে নেওয়া হবে। প্রত্যেকটি সেন্টারে সিসিটিভি থাকবে। চারটি ভিন্ন এজেন্সি নিয়োগ করা হবে যারা পরীক্ষার যাবতীয় দায়িত্বে থাকবে। বাড়ির কাছে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা বন্ধ করার পরিকল্পনা নিয়েছে উত্তর প্রদেশ সরকার। পরীক্ষা কেন্দ্র হোম ডিভিশনের বাইরে থাকবে। তবে বিশেষভাবে সক্ষম ও মহিলাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না। কিন্তু এই নিয়মের ফাঁক গলে কেউ যাতে টুকলি না করে তার জন্য সুরক্ষা ব্যবস্থা কড়া রাখা হবে।

    আইনে থাকছে কড়া শাস্তির বিধান

    যদি কোন ক্ষেত্রে ৪ লক্ষের বেশি পরীক্ষার্থী হয়, তাহলে দুই ভাগে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করতে করা হবে। রেজাল্টে যাতে কোন অনিয়ম না থাকে, তার জন্য কমিশন ও বোর্ড ও এমআর শিট স্ক্যান করার দায়িত্বে থাকবে। প্রশ্নপত্রে থাকবে সিক্রেট কোড। পাশাপাশি ইউনিক বারকোড, কিউআর কোড এবং সিরিয়াল নম্বরও থাকবে । প্রশ্নপত্র ট্যাম্পার প্রুফ, মাল্টিলেয়ার প্যাকেজিং করে

    আরও পড়ুন: ‘‘হিন্দুরা নয়, শুধুমাত্র একটি ধর্মই সাম্প্রদায়িকতা ছড়ায়’’, তোপ হিমন্তের

    বহন করে নিয়ে যাওয়া হবে। এছাড়াও পরীক্ষা কেন্দ্রে কোন স্মার্টফোন কিংবা ক্যামেরা নিয়ে ঢোকা যাবে না। প্রিন্টিং প্রেসেও স্মার্টফোন এবং ক্যামেরা নিয়ে প্রবেশ নিষেধ থাকবে। প্রেস চত্বরে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো থাকবে। এবং সেই রেকর্ডিং এক বছরের জন্য সংরক্ষণ করে রাখা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Afghanistan Vs Australia: অস্ট্রেলিয়াকে ২১ রানে হারিয়ে কামাল করল আফগানরা

    Afghanistan Vs Australia: অস্ট্রেলিয়াকে ২১ রানে হারিয়ে কামাল করল আফগানরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে দিল আফগানিস্তান। ২১ রানে হেরেছে অজিরা। রবিবার ২৩ শে জুন কিংস টাউন গ্রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়াকে (Afghanistan Vs Australia) ১৫৯ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল আফগানিস্তান। হ্যাটট্রিক করেছিলেন কামিন্স। কিন্তু অস্ট্রেলিয়া পুরো ২০ ওভার খেলতে পারেনি। ১৯.২ অভারে ১২৭ রানে অলআউট হয়ে যায় অজিরা। আফগান বোলারদের দাপটে দাঁড়াতে পারেনি অজি বাহিনী।  

    আফগানদের কাছে সেমিফাইনালে ওঠার সুযোগ  

    আফগানিস্তানের এই জয়ের ফলে গ্রুপ ১-এর সমীকরণ বদলে গেছে। রাশিদ খানদের (Afghanistan Vs Australia) জয়ের ফলে গ্রুপের চারটি দলই এখন সেমিফাইনালে দৌড়ে। তবে এই গ্রুপ থেকে সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ পাবে মাত্র দুটি দল। এই ম্যাচে যদি আফগানিস্তানকে অস্ট্রেলিয়া হারিয়ে দিত তাহলে ভারত এবং অস্ট্রেলিয়া দুটো দল সেমিফাইনালে চলে যেত। কিন্তু তা না হওয়ায় আফগানিস্তান এবং বাংলাদেশ দুটি দলই সেমিফাইনালে দৌড়ে এখনও টিকে রয়েছে।

    ফিল্ডিং-এর ভুল সিদ্ধান্ত অজিদের (Afghanistan Vs Australia)

    টস জিতে (Afghanistan Vs Australia) প্রথমে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ক্যাপ্টেন মিচেল মার্শ। কিন্তু তাঁর সিদ্ধান্ত এদিন ভুল প্রমাণিত হয়ে গেল। প্রথম দিকে আফগানদের ঝটকা দিয়ে ব্যর্থ হয় অজি বোলাররা। আফগানিস্তানের দুই ওপেনার ১১৮ রানের জুটি তৈরি করলেন। রহমানউল্লাহ গুরবাজ করলেন ৪৯ বলে ৬০ রান। মারলেন ৪ টি চার এবং ১ টি ছক্কা। ওপেনার ইব্রাহিম খেললেন ৪৮ বলে ৫১ রানের ইনিংস। তাঁর ব্যাট থেকে এল ৬টি চার। এই দুটি আফগান ব্যাটাররা  ভিত তৈরি করে দিয়েছিলেন। বাকি ব্যাটসম্যানরা তেমন রান পাননি অবশ্য। এমনকি শেষের দিকে প্যাট কমিন্স হ্যাটট্রিক করেন।

    ১৯ তম ওভারে হারে অজিরা

    ১৫৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামে অস্ট্রেলিয়া। প্রথমদিকে কোন ব্যাটসম্যানই বেশ সুবিধা করতে পারেননি। ওপেনার  ট্র্যাভিস হেড ০ রানে এবং ডেভিড ওয়ার্নার ৩ রানে প্যাভেলিয়ন ফিরে যান। পরবর্তীতে মাঠে নেমে মার্শও রান পাননি। ১২ রানে তিনি আউট হয়ে যান। একমাত্র লড়াই করার চেষ্টা করেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ৪১ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। স্টাইনিস ১৭ বলে ১১ রান করেন। বাকি কেউই  (Afghanistan Vs Australia) দুই অঙ্কের রান করতে পারেনি। ১৯.২ অভারে অল আউট হয়ে অজি দম্ভ চূর্ণ হয়ে যায় আফগানদের হাতে।  এই জয়ের ফলে এই মুহূর্তে পয়েন্ট টেবিল এর তিন নম্বরে উঠে এল আফগানিস্তান। তারা তিন ম্যাচের মধ্যে একটিতে জয়ী হয়ে দুটি পয়েন্ট পেল। যেই দেশ দীর্ঘদিন ধরে সন্ত্রাসবাদ ও অর্থনৈতিক অসামঞ্জস্যপূর্ণ

    আরও পড়ূন: অর্ধশত রানে হার! সেমিফাইনাল প্রায় পাকা ভারতের

    বাতাবরণের মধ্য দিয়েও সেই দেশের ক্রিকেটাররা ইদানিং ভালো খেলছে। নিজ দেশে ভালো ক্রিকেট গ্রাউন্ড না থাকা সত্ত্বেও প্রতিকূল পরিস্থিতিকে হার মানিয়ে ভালো ক্রিকেট খেলে আফগানরা বুঝিয়ে দিয়েছে আগামী দিনে ক্রিকেট দুনিয়ায় তাঁরাই উঠছি সূর্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: “আজ যে বাংলায় মমতা রাজত্ব করছেন, তা শ্যামাপ্রসাদের জন্যই”, তোপ দিলীপের

    Dilip Ghosh: “আজ যে বাংলায় মমতা রাজত্ব করছেন, তা শ্যামাপ্রসাদের জন্যই”, তোপ দিলীপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ রবিবার মুর্শিদাবাদ জেলা বিজেপির পক্ষ থেকে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির আত্মবলিদান দিবস পালন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই দিন পশ্চিমবঙ্গ দিবসও পালন করা হয়েছে বহরমপুরে। এদিন এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “শ্যামপ্রসাদ খণ্ডিত বাংলা চাননি, অখণ্ড ভারতের জন্য লড়াই করেছিলেন।” তাঁর সঙ্গে আরও একাধিক জেলা নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।

    কী বললেন দিলীপ (Dilip Ghosh)?

    এদিন বহরমপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জির মূর্তিতে ম্যালদান ও রাষ্ট্রীয় সঙ্গীতের পাশাপাশি বক্তৃতা রাখেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মুর্শিদাবাদ জেলা সংগঠনের সভাপতি শাখারভ সরকার, কেন্দ্রীয় হজ কমিটির সদস্যা মহাফুজা খাতুন সহ একাধিক বিজেপির কার্যকর্তা। দিলীপ ঘোষ সভায় বলেন, “শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় খণ্ডিত বাংলা চাননি। তিনি অখণ্ড ভারতের জন্য সংগ্রাম, করেছিলেন। এক দেশ, এক নিশান ও এক প্রধান নিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন। ১৯৪৭ সালের ২০ শে জুন হিন্দু বাঙালির জন্য হোমল্যান্ড চেয়ে ছিলেন বাংলার বিধানসভাতে। এরপর জিন্নাহের প্রস্তাবিত পাকিস্তান থেকে পশ্চিমবঙ্গকে ছিনিয়ে নেন। আমরা যে জায়গায় দাঁড়িয়ে রয়েছি তা হল শ্যামপ্রসাদের জন্য, আজ যে বাংলায় মমতা রাজত্ব করছেন তাও শ্যামাপ্রসাদের জন্যই। তাই তাঁকে ভুলে গেলে আমাদের চলবে না। বামপন্থী এবং তৃণমূল সব সময় চেষ্টা করছেন বাংলার এই মহাপুরুষকে ভুলিয়ে দিতে। কিন্তু জাতীয়তাবাদী মানুষ এই অপচেষ্টাকে রুখে দেবেন।”

    আরও পড়ুনঃ অয়নের মহাকাশ গবেষণায় বিরাট সাফল্য, বাঁকুড়া থেকে আমেরিকায় পাড়ি

    আর কী বললেন?

    দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এদিন আরও বলেন, “বাংলার পিছিয়ে থাকা জেলাগুলির মধ্যে মুর্শিদাবাদ জেলা অন্যতম জেলা। সিএএ আইন পাশের পর সবথেকে বেশি হিংসা হয়েছে এই জেলায়। বেলডাঙ্গা স্টেশন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। হাজার দুয়ারি এক্সপ্রেসে আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। কোনও বিচার হয়নি। এই রাজ্যে রাষ্ট্রবিরোধী সরকার প্রবল হয়ে উঠছে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। জাতীয়তাবাদী মানুষদের বাড়িতে বাড়িতে বেশি করে যেতে হবে। সকলকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসতে হবে। গত নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী শক্তি বনাম দেশ বিরোধী শক্তির লড়াই হয়েছে। তবুও বিজেপির সমতুল্য হতে পারেনি।”

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Bangladesh Match: অর্ধশত রানে হার বাংলাদেশের! সেমিফাইনাল প্রায় পাকা ভারতের

    India Bangladesh Match: অর্ধশত রানে হার বাংলাদেশের! সেমিফাইনাল প্রায় পাকা ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কাছে রীতিমত ল্যাজেগোবরে হয়ে হারল বাংলাদেশ। ৫০ রানে বাংলাদেশকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছানো প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে ভারত। (India Bangladesh Match) ব্যাটে বলে দুই বিভাগেই কামাল দেখিয়েছে রোহিত বাহিনী।

    ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত রোহিত-কোহলির

    টস জিতে  (India Bangladesh Match) ভারত প্রথমে ব্যাট করে পাঁচ উইকেটে ১৯৬ রান তোলে। বিরাট কোহলি-রোহিত শর্মার জুটি ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিয়েও প্রত্যাশা পূরণে ব্যার্থ হন। রোহিত বড় রান করতে ব্যর্থ। ভাল খেলে হঠাৎ আউট কোহলি। চার ওভারের মধ্যেই ৩৯ রানে চলে যায় ভারতের প্রথম উইকেট। ভালই শুরু করেছিলেন শর্মাজি। ১১ বলে ২৩ রান করে সাকিবের বলে ক্যাচ তুলে দেন রোহিত। এরপর ফেরেন বিরাটও। আইপিএলে আগুন জ্বালানো কোহলি একেবারে নিস্প্রভ বিশ্বকাপে। তবে এদিন কোহলি ছন্দে ফিরলেন। রোহিতের সঙ্গে ওপেন করতে নেমে ২৮ বলে ৩৭ রানের ইনিংস খেলে ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত দিলেন। আধ ঘণ্টার উপর ক্রিজে থেকে বিরাট তিনটি ছয় ও একটি চার মারলেন কোহলি। এদিন রানে ফেরা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিরাট-রোহিত ফেরার পর ঋষভ পন্থ (২৪ বলে ৩৬) শিবম দুবে (২৪ বলে ৩৪) ও হার্দিক পান্ডিয়ার (২৭ বলের অপরাজিত ৫০) মিলিত প্রয়াসে ভারত বড় রান তুলতে পারে স্কোরবোর্ডে।

    ৫০ রানে হারল বাংলাদেশ (India Bangladesh Match)

    এই ম্যাচে  বাংলাদেশকে ১৯৭ রানের টার্গেট দিয়েছিল ভারত। পাওয়ার প্লেতেই বোলিং করতে নামেন হার্দিক পান্ডিয়া। এই বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ওপেনিং পার্টনারশিপ ভালো হয়নি। পাওয়ার প্লে তেই উইকেট পতন হয় বাংলাদেশের। কামাল দেখাতে ব্যর্থ হন লিটন দাস। মিড উইকেটে ক্যাচ থামিয়ে প্যাভিলিয়ন ফিরে যান লিটন। ৩৫ রানে (India Bangladesh Match) ওপেনিং জুটি ভেঙ্গে যায় বাংলাদেশের। এরপর রিষভ পন্থ ক্যাচ না মিস করলে বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন নাজমুল হাসান শান্ত ব্যক্তিগত ১ রানেই আউট হয়ে যেতে পারতেন। ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে আস্কিং রেট। চাপ বাড়তে শুরু হয় বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের উপর। এরপর দশম ওভারে কুলদীপ যাদবের কাছে পরাস্ত হন তানজিদ হাসান। বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ২ উইকেটের ৬৭। দরকার ছিল

    আরও পড়ুন: শুরু করলেন অনুশীলন, চলতি বছরেই কি জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে ফিরবেন শামি?

    আরও ১৩০ রান। ঝোড়ো ব্যাট করতে হত বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের পাওয়ার হিটার তৌহিদ হৃদয় ৪ রান করে ফিরে যান। সাকিব আল হাসানও কুলদীপ যাদবের ঘূর্ণিবলের শিকার হয়ে যান। ১৪ ওভারে বাংলাদেশের ১০০ রান সম্পূর্ণ হয়। এরপর ১৬ তম ওভারে বুমরা আসতেই আউট হয়ে যান নাজমুল হাসান শান্ত। ফেরার আগে ৩২ বলে ৪০ রান করে একটু লড়াই দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। কিন্তু নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়তে থাকায় বাংলাদেশের পরাজয় ছিল সময়ের অপেক্ষা। ২০ ওভারে ৮ উইকেটে বাংলাদেশ ১৪৬ রান করতে সক্ষম হয় টাইগাররা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Abhishek Banerjee: অভিষেক ৭ লক্ষ ভোটে জিতলেও ডায়মন্ড হারবারের ৪টি ওয়ার্ডে বাজিমাত বিজেপির!

    Abhishek Banerjee: অভিষেক ৭ লক্ষ ভোটে জিতলেও ডায়মন্ড হারবারের ৪টি ওয়ার্ডে বাজিমাত বিজেপির!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়মন্ড হারবারে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) পেয়েছেন ১০ লক্ষের বেশি ভোট। জয়ী হয়েছেন ৭ লক্ষ ভোটের বেশি পেয়ে। কিন্তু তবুও পুরসভা এলাকার বেশ কিছু ওয়ার্ডে পিছিয়ে ধরাশায়ী হয়েছে তৃণমূল, আবার পাল্টা বাজিমাত করেছে বিজেপি। শুরু হয়েছে তৃণমূলের তরফে বিশ্লেষণ। বিজেপির দাবি, যেখানে যেখানে তৃণমূল পিছিয়ে রয়েছে সেখানে সেখানে ছাপ্পা মারতে পারেনি রাজ্যের শাসক দল।

    কোন কোন ওয়ার্ডে পিছিয়ে অভিষেক (Abhishek Banerjee)?

    ফল প্রকাশের পর জানা গিয়েছে, ডায়মন্ড হারবার পুরসভার ২, ৬, ৯ এবং ১১ এই চারটি ওয়ার্ডে শাসকদলের থেকে বেশি ভোটে পেয়েছে। এই পুরসভার মোট ১৬টি ওয়ার্ড। এই চার ওয়ার্ড বাদে বাকি ১২টি ওয়ার্ডে অবশ্য এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল। গতবার ২০১৯ সালেও বেশ কয়েকটি পুর এলাকায় পিছিয়ে ছিলেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)। কিন্তু সেই সময়ে তিনি তাঁর অনুগামীদের কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু এই বারের নির্বাচনের পরও বেশ কিছু পুর এলাকায় পিছিয়ে রয়েছেন। সূত্রের খবর এই নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে অসন্তোষ ব্যক্ত করেছেন এই তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ডায়মন্ড হারবার বিধানসভার তৃণমূল পর্যবেক্ষক শামিম আহমেদ বলেছেন, “ওয়ার্ড ভিত্তিক ভোটের ফলাফল বিশ্লেষণ করার কাজ চলছে। যে ওয়ার্ডগুলোতে আমাদের প্রার্থী (Abhishek Banerjee) পিছিয়ে রয়েছেন, তার কারণ বিশ্লেষণ করে দেখা হবে। কেন সেখানকার মানুষ আমাদের ভোট দেননি, সেটাও দলীয়ভাবে খতিয়ে দেখে অবশ্যই আমরা তাঁদের কাছে খুব শীঘ্রই পৌঁছে যাব।”

    বিজেপির বক্তব্য

    আবার বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস, অভিষেকের (Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে ছাপ্পা ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন আগেই। তিনি বলেন, “ওই চারটে ওয়ার্ড ছাড়া বাকি ওয়ার্ডগুলোতে ভোট করতে দেয়নি তৃণমূলের গুন্ডারা। ২ নম্বর ওয়ার্ডে আমাদের কাউন্সিলর ছিলেন। আর এই চারটে ওয়ার্ডে ছাপ্পা মারতে পারেনি গুন্ডারা। আমাদের কমপক্ষে ১২টা ওয়ার্ডে লিড পাওয়ার কথা।”

    আরও পড়ুনঃ অয়নের মহাকাশ গবেষণায় বিরাট সাফল্য, বাঁকুড়া থেকে আমেরিকায় পাড়ি

    কলকাতায় ৪২টি ওয়ার্ডে এগিয়ে বিজেপি

    ২০১৪ সাল থেকে টানা তিনবারের জন্য সাংসদ হয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। ২০১৯ সালে তিনি ৩ লক্ষ ২০ হাজারের বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু এইবার ২০২৪ সালের ৪ জুন ফল প্রকাশের পর দেখা গিয়েছে, মোট ভোট পেয়েছেন ১০ লক্ষ ৪৮ হাজার ২৩০টি ভোট। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী অভিজিৎ দাস পেয়েছেন ৩ লক্ষ ৩৭ হাজার ৩০০ ভোট। অভিষেকের জয়ের ব্যবধান বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ লক্ষ ১০ হাজার ৯৩০ ভোট। কলকাতার ১৪৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে বিজেপি ৪২ ওয়ার্ডে এগিয়ে। অপর দিকে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেছেন, “গ্রাম বাংলায় যত ভোট পেয়েছে, শহরে তত ভোট পায়নি তৃণমূল। শহরের ভোট সুইং করে।”

       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISRO: তৃতীয়বার সফল অবতরণ ‘পুষ্পকে’র, ইসরোর মুকুটে নয়া পালক

    ISRO: তৃতীয়বার সফল অবতরণ ‘পুষ্পকে’র, ইসরোর মুকুটে নয়া পালক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার, ২৩ জুন তৃতীয়বার সফল অবতরণ করল ইসরোর (ISRO) পুষ্পক। এটি আদতে পুনর্ব্যবহারযোগ্য একটি মহাকাশযান। মহাকাশ বিজ্ঞানের পরিভাষায় ‘রিইউজেবল লঞ্চ ভেহেক্যাল’। ইসরোর বিজ্ঞানীরা এর নাম রেখেছেন ‘পুষ্পক’। পৌরাণিক আখ্যানে যে পুষ্পক রথের কথা বলা হয়েছে, তার নামেই নামকরণ করা হয়েছে এই রিইউজেবল লঞ্চ ভেহেক্যালের।

    ‘পুষ্পকে’র অবতরণ (ISRO)

    ‘আরএলভি এলইএক্স-০৩’ নামে পরিচিত এই মিশনটি কর্নাটকের চিত্র দুর্গার অ্যারোনটিক্যাল টেস্ট রেঞ্জ থেকে পরিচালনা করা হয়। ভারতীয় বায়ুসেনার চিনুক হেলিকপ্টার থেকে ৪. কিলোমিটার উচ্চতায় নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় পুষ্পককে। ইসরোর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এলইএক্স-০৩ সিরিজের তৃতীয় এবং চূড়ান্ত পরীক্ষা হয়েছিল ভারতীয় সময় অনুযায়ী ৭টা ১০ মিনিটে। কর্নাটকের চিত্র দুর্গার অ্যারোনটিক্যাল টেস্ট রেঞ্জে পরীক্ষাটি চালানো হয়েছিল। দ্রাঘিমা ও পার্শ্বীয় সমতল ত্রুটি সংশোধনের জন্য মিশনটিতে উন্নত নির্দেশিকা যুক্ত অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়েছে।

    এক ঢিলে মরবে একাধিক পাখি

    এই মিশনে আগেরবারের মিশন আরএলভি এলইএক্স-০২-র উইং বডি এবং ফ্লাইট সিস্টেমগুলি ব্যবহার করা হয়েছে। এই মিশনটি ইসরো (ISRO), ভারতীয় বিমান বাহিনী ও অন্য কয়েকটি সংস্থার একটি যৌথ প্রচেষ্টা। ইসরোর এই মিশন সফল হওয়ায় এক ঢিলে অনেকগুলি পাখি মরবে। প্রথমত, পুনর্ব্যবহারযোগ্য যান হওয়ায় মহাকাশে দূষণ কমবে। সর্বোপরি, মহাকাশ অভিযানের খরচ একলপ্তে কমে যাবে অনেকখানি। ইসরো সূত্রের দাবি, ‘পুষ্পকে’র মতো আরএলভিকে মহাকাশ থেকে মাটিতে ফিরিয়ে আনার প্রযুক্তি ভারতের হাতে এসে গিয়েছে। পরে সেটিকে আবারও মহাকাশে ফেরত পাঠানো যাবে।

    আর পড়ুন: নিট কেলেঙ্কারির শেকড়ে পৌঁছতে এবার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ

    ‘পুষ্পক’ মিশন সফল হওয়ায় টিম ইসরোকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ইসরোর চেয়ারম্যান এস সোমনাথ। তিনি বলেন, “পুষ্পকের সফল অবতরণ হ্যাটট্রিক করেছে। এটা ইসরোর বড় সাফল্য। পুষ্পকের অরবিটাল টেস্ট চলছে। মহাকাশে এটিকে একটি রকেটে লঞ্চ করা হবে। তাহলেই এটি নিরাপদে ফিরে আসবে পৃথিবীতে।” তিনি বলেন, “এটি প্রকৃতই একটি গেম চেঞ্জার প্রযুক্তি। এতে মহাকাশে যান পাঠানো অনেক সস্তা হয়ে যাবে। এটি ইসরোর আত্মনির্ভর প্রচেষ্টার সুফল। একবিংশ শতাব্দীতে সম্পূর্ণ স্বদেশি পথে লঞ্চ করা হল রিইউজেবল লঞ্চ ভেহেক্যাল পুষ্পকের।” ভিএসএসসির ডিরেক্টর এস উন্নীকৃষ্ণণ নায়ার বলেন, “এই ধারাবাহিক সাফল্য ভবিষ্যতের অরবিটাল রি-এন্ট্রি মিশনের জন্য প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির প্রতি ইসরোর আস্থা অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে (ISRO)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bankura: অয়নের মহাকাশ গবেষণায় বিরাট সাফল্য, বাঁকুড়া থেকে আমেরিকায় পাড়ি

    Bankura: অয়নের মহাকাশ গবেষণায় বিরাট সাফল্য, বাঁকুড়া থেকে আমেরিকায় পাড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঁকুড়া (Bankura) থেকে আমেরিকা পাড়ি দেবেন দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র অয়ন। মহাকাশ নিয়ে বরাবর আগ্রহ ছিল তাঁর। আকাশ গঙ্গার নানা রহস্য নিয়ে পড়াশুনা করতে এবং ভাবতে প্রছন্দ করতেন তিনি। আমেরিকার আলবামা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনাইটেড স্পেস রকেট সেন্টারের কর্মশালায় যোগদান করবেন তিনি। তাঁর এই সাফল্যে জেলায় খুশির আবহ এবং পরিবার উচ্ছ্বসিত।

    পাড়ি দেবে ইন্টারন্যশানাল স্পেস স্টেশনে

    বাঁকুড়ার (Bankura) ছাতনার একটি গ্রাম কমলপুরের বাসিন্দা অয়ন দেঘরিয়া। সেখানেই তাঁর বড় হয়ে ওঠা। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র হিসাবে গ্রামে খ্যাত হয়েছেন তিনি। অঙ্ক, বাংলা, ইংরেজি থেকে মহাকাশ নিয়ে বেশি পড়াশুনা করতে ভালোবাসতেন তিনি। এই মহাকাশ ঢাকা হাজার একটা রহস্যে। স্টিফেন হকিং-এর লেখায় তিনি দারুণ ভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। নানা গল্পের মধ্যে দিয়ে নিজের স্বপ্নের ভুবন তৈরি করেছিলেন তিনি। অবশেষে ডাক পেলেন। অয়নের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে নানা পদক্ষেপ করেছেন অয়ন। এবার আমেরিকার আলবামা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনাইটেড স্পেস রকেট সেন্টারে ওই কর্মশালায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছেন তিনি। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া তাঁর নির্বাচিত প্রজেক্টে পাড়ি দেবে ইন্টারন্যশানাল স্পেস স্টেশনে।

    অয়নের বক্তব্য

    এই সুযোগের কথা বলতে গিয়ে অয়ন (Bankura) বলেছেন, “মহাকাশ বর্জ্য নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিলাম ২০২২ সালে থেকে। আমার মনে হয়েছিল, যদি এই নিয়ে ভাবনা চিন্তা না করা হয় সেক্ষেত্রে একটা সময় স্যাটেলাইট পাঠানোর জায়গা থাকবে না। সেক্ষেত্রে কী ভাবে তা পৃথিবীতে ফিরিয়ে এনে পুনরায় ব্যবহার করা যায়, সেই বিষয়টি ভেবে দেখতে চেয়েছিলাম আমি। ২০২২ সালের নভেম্বরে এই কাজ শুরু করে ছিলাম। পরবর্তীতে ২০২৩ সালে দেরাদুনের উইনিভার্সিয়াটি অফ পেট্রোলিয়াম এনার্জি স্টাডিজে আমার এই প্রজেক্ট উপস্থাপনা করি। সেখানে ন্যাশনাল স্পেস কনভেনশেনে আমার প্রজেক্ট উপস্থাপন করি। পরে আরও অনেক কাজ করি। শেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আলবামা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইউনাইটেড স্পেস রকেট সেন্টারের কর্মশালায় যোগদেওয়ার সুযোগ পাই।”

    আরও পড়ুনঃ স্থগিত নিট-পিজি পরীক্ষাও! ফের নেওয়া হচ্ছে নিট, আরেকবার প্রশ্ন ফাঁস নয় তো? প্রশ্ন পরীক্ষার্থীদের

    পরিবারের বক্তব্য

    অয়নের মা শিপ্রা দেঘরিয়া বলেছেন, “ছেলে ছোট বেলা থেকে মহাকাশ নিয়ে গবেষণা করতে চাইতো। কিন্তু ছেলের মেধার সামনে পরিবারের (Bankura) আর্থিক সঙ্কট একটা বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাবা তো সামান্য টাকায় একটা বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। হাতে মাত্র আর কয়েকটা মাস। যাতায়াতে আনুসঙ্গিক খরচ হবে অনেক। সবটা মিলিয়ে টাকা জোগাড় করা খুব মুশকিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Hasina: বাংলাদেশিদের জন্য ই মেডিক্যাল ভিসা চালু, ১০ টি চুক্তি করে দেশে ফিরলেন হাসিনা

    Sheikh Hasina: বাংলাদেশিদের জন্য ই মেডিক্যাল ভিসা চালু, ১০ টি চুক্তি করে দেশে ফিরলেন হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই দিনের ভারত সফর শেষে বাংলাদেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) । দেশে ফেরার আগে ১০টি গুরুত্বপূর্ণ মৌ চুক্তি সঙ্গে নিয়ে ফিরেছেন তিনি। এর মধ্যে ৭টি নতুন মৌ চুক্তি রয়েছে। এবং ৩টি চুক্তি পুনর্নবীকরণ হয়েছে। দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠকে নানা বিষয়ে ফলপ্রসূ আলাপ আলোচনা হয়েছে।

    বাংলাদেশীদের জন্য চালু ‘ই মেডিক্যাল ভিসা’

    যে কটি মৌ চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয়েছে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ই-মেডিক্যাল ভিসা (E Medical Visa) চালুর সিদ্ধান্ত। এছাড়াও বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের সুবিধার জন্য রংপুরে একটি নতুন হাইকমিশন খোলার কথা ও ঘোষণা করা হয়েছে। দু’দেশের রাষ্ট্রনেতা এবং প্রতিনিধিদের এই বৈঠকে চূড়ান্ত হয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি। এর মধ্যে ভারতের দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় সমুদ্র অঞ্চলে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা চুক্তি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) এ বিষয়ে শেখ হাসিনাকে (Sheikh Hasina) ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন এই সমুদ্র সহযোগিতার মাধ্যমে নীল অর্থনীতির পথে একসঙ্গে চলবে দুই দেশ।

    গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি সম্পাদন করলেন হাসিনা (Sheikh Hasina)

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina) বৈঠক শেষে বলেন, “আজ আমাদের দুই পক্ষের মধ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়েছে। আমরা রাজনীতি, নিরাপত্তা, বাণিজ্য, যোগাযোগ, জল বন্ধন, বিদ্যুৎ এবং জ্বালানি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা সহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা করেছি। উভয় দেশ শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের দিকে দিকনির্দেশনা দিতে ভিশন স্টেটমেন্টকে সমর্থন করেছে। ভারত ও বাংলাদেশ ডিজিটাল পার্টনারশিপ ও টেকসই ভবিষ্যতের জন্য সবুজ অংশীদারিত্বের জন্য একটি অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি রাখতে সম্মত হয়েছে।”

    দুই দেশের সহযোগিতার প্রশংসা করলেন মোদি

    প্রসঙ্গত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi) দায়িত্ব নেবার পর এটি প্রথম কোনও রাষ্ট্রপ্রধানের ভারত সফর। বাংলাদেশেও এ বছরের শুরুর দিকে ভোট ছিল। সেখানে ফের ক্ষমতায় এসেছে হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লিগ। একদিকে প্রধানমন্ত্রী ২০৪৭ এর বিকসিত ভারতের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছেন। অন্যদিকে হাসিনাও (Sheikh Hasina) রূপকল্প ২০৪১কে পাখির চোখ করেছেন।  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বৈঠক শেষ বলেন, “বাংলাদেশ আমাদের নেবারহুড ফার্স্ট পলিসি, অ্যাক্ট ইস্ট পলিসি, ভিশন সাগর এবং ইন্দো পেসিফিকের সঙ্গমস্থলে অবস্থিত। গত এক বছরে আমরা একসঙ্গে অনেক জনকল্যাণমূলক প্রকল্প সম্পাদন করেছি। ভারতীয় রুপিতে বাণিজ্য শুরু হয়েছে। বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে গঙ্গা নদীতে দীর্ঘতম রিভার ক্রুজ নৌ চলাচল শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের বাড়ল বাংলাদেশ-কলকাতা ট্রেনের ভাড়া, জানুন তালিকা

    আখাউড়া আগরতলা রেল লিঙ্ক শুরু হয়েছে। খুলনা-মংলা পোর্টের মাধ্যমে ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির জন্য কার্গো পরিষেবা শুরু হয়েছে। মংলা বন্দরকে রেলের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয়েছে। ১৩২০ মেগাওয়াটের দুটি মৈত্রী থার্মাল প্লান্ট দুটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র কাজ শুরু হয়েছে করেছে। দুই দেশের মধ্যে পাইপ্লাইনের কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া নেপাল থেকে ভারত হয়ে বাংলাদেশের মধ্যে বিদ্যুতের গ্রিডের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এতগুলি কাজ একসঙ্গে করা আমাদের দুই দেশের সম্পর্কের বাঁধনকে মজবুত করেছে এবং দুই দেশের কর্ম ক্ষমতার যোগ্য নিদর্শন রেখেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share