Tag: news in bengali

news in bengali

  • Ram Temple: রামনবমীতে অতিরিক্ত ভিড়ের আশঙ্কা, সামাল দিতে গুচ্ছ সিদ্ধান্ত রাম মন্দির ট্রাস্ট্রের

    Ram Temple: রামনবমীতে অতিরিক্ত ভিড়ের আশঙ্কা, সামাল দিতে গুচ্ছ সিদ্ধান্ত রাম মন্দির ট্রাস্ট্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ এপ্রিল রাম নবমী। তার আগে রয়েছে বাঙালির নববর্ষ। স্বাভাবিকভাবেই অযোধ্যার রাম মন্দির (Ram Temple) দর্শন করতে ভিড় করবেন দেশ-বিদেশের বহু মানুষ। রাম নবমীর ভিড় সামাল দিতে একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। শুক্রবার অযোধ্যার মণিরাম ছাবনিতে বৈঠকে বসেছিলেন ট্রাস্টের কর্তারা।

    প্রসার ভারতীতে অনুষ্ঠান সম্প্রচার (Ram Temple)

    রাম মন্দিরের অসমাপ্ত নির্মাণ কার্য নিয়েও হয়েছে আলোচনা। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান নৃপেন্দ্র মিশ্র, কোষাধ্যক্ষ গোবিন্দ দেব গিরি এবং অন্য সদস্যরা। বৈঠকে স্থির হয়েছে, প্রসার ভারতীর অনুষ্ঠান দেখানো হবে ১০০ এলইডি স্ক্রিনে। অযোধ্যা শহরজুড়েই বসানো হবে এই স্ক্রিনগুলি। রামনবমীর অনুষ্ঠানও প্রদর্শিত হবে ওই স্ক্রিনগুলিতে। মন্দিরের প্রথম তলে রাম দরবার নির্মাণের বিষয়েও এদিন আলোচনা হয়েছে। রামনবমী উপলক্ষে অতিরিক্ত ভিড় সামাল দিতে দেব-দর্শনের জন্য সাতটি লাইন করা হবে। এই লাইনগুলি দিয়েই ভক্তরা করতে পারবেন দেব দর্শন।

    বাড়ছে দেব-দর্শনের সময়!

    দেব-দর্শনের সময় নিয়েও আলোচনা হয়েছে এদিনের বৈঠকে (Ram Temple)। ট্রাস্টের সম্পাদক চম্পত রাই বলেন, “বর্তমানে মন্দির খোলা থাকে ১৪ ঘণ্টা। রাম নবমী উপলক্ষে সেটা বাড়িয়ে ২০ ঘণ্টা করা যায় কিনা, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা চলছে। রামনবমীর দিন দর্শনার্থীরা প্রসাদ পাবেন। রামনবমীর অনুষ্ঠান সম্প্রচারিত হবে প্রসার ভারতীতে। অযোধ্যা শহরের বিভিন্ন জায়গায় বসানো হবে ১০০টি এলইডি স্ক্রিন। রাম নবমীর অনুষ্ঠান প্রদর্শিত হবে ওই স্ক্রিনগুলিতে।” রামনবমীর অনুষ্ঠান নিজের নিজের এলাকায় পালন করার পরামর্শও দেন চম্পত। তিনি বলেন, “রামনবমী উপলক্ষে অযোধ্যায় জমায়েত হবে কয়েক লাখ মানুষের। ভক্তরা যাতে নির্বিঘ্নে দেব-দর্শন করতে পারেন, তাই আমরা সাতটি লাইন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। বর্তমানে চারটি লাইন রয়েছে। রামনবমী উপলক্ষে যোগ হবে অতিরিক্ত তিনটি লাইন।”

    আরও পড়ুুন: ‘আমি অভিভূত’, গাজিয়াবাদে রোড-শো করে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রখর গ্রীষ্মের জেরে ভক্তরা যাতে কষ্ট ভোগ না করেন, সেজন্য শেডের ব্যবস্থা করা হচ্ছে মন্দির কমিটির তরফে। শেড নির্মাণ করা হবে বিড়লা ধর্মশালা থেকে রাম মন্দির মার্গ পর্যন্ত। এই শেডের নীচেই লাইন দিয়ে দাঁড়াবেন দর্শনার্থীরা (Ram Temple)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • Lok Sabha Elections 2024: ‘আমি অভিভূত’, গাজিয়াবাদে রোড-শো করে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    Lok Sabha Elections 2024: ‘আমি অভিভূত’, গাজিয়াবাদে রোড-শো করে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। তার আগে এই প্রথম রোড-শো করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে প্রধানমন্ত্রীর ওই রোড-শোয়ে অংশ নিয়েছিলেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও। গাজিয়াবাদে এবার পদ্ম-প্রার্থী অতুল গর্গ। তাঁর সমর্থনেই এদিন রোড-শো করেন প্রধানমন্ত্রী।

    প্রধানমন্ত্রীর হাতে পদ্ম (Lok Sabha Elections 2024)

    প্রধানমন্ত্রীর হাতে ধরা ছিল দলীয় প্রতীক পদ্ম। প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে এদিন গাজিয়াবাদে ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। জনতার উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী যখন হাত নাড়াচ্ছেন, তখন এলাকা কাঁপছে ‘হর হর মোদি’ এবং ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনিতে। প্রধানমন্ত্রীর (Lok Sabha Elections 2024) রোড-শো শুরু হয় মালিবাদ চকে। শেষ হয় দেড় কিলোমিটার দূরের চৌধুরী মডে গিয়ে। রোড-শোয়ে যোগ দিয়ে আমজনতার যে সমর্থন তিনি পেয়েছেন, তাতে আপ্লুত প্রধানমন্ত্রী। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক চোখের দেখা দেখতে ভিড় করেছিলেন প্রচুর সাধারণ মানুষও।

    ‘নব ভারতের রূপকার’কে এক ঝলক দেখতে ভিড়

    মহিলাদের অনেকেই হলুদ শাড়ি পরেছিলেন। মাথায় পাগড়ি বেঁধেছিলেন গেরুয়া রংয়ের। প্রখর রোদ উপেক্ষা করেও তাঁরা দাঁড়িয়েছিলেন ‘নব ভারতের রূপকার’কে এক ঝলক দেখতে। জনতার এই আবেগ ছুঁয়ে গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকেও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “বিশেষত যুব শক্তি ও নারী শক্তিকে রোড-শোয়ে প্রচুর পরিমাণে অংশ নিতে দেখে আমি আপ্লুত। এতেই স্পষ্ট যে, আমাদের সুশাসনে মানুষ খুশি।” তিনি বলেন, “আগামী বছরগুলিতে আমরা গাজিয়াবাদে আরও অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করব। আমার লক্ষ্যই হল কীভাবে জীবনের মানোন্নয়ন করা যায়, কীভাবে মানুষকে আরও বেশি করে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নানা সুযোগ-সুবিধা দেওয়া যায়। শিক্ষা, পরিবহণ এবং আরও অনেক কিছুর মানোনয়ন্নন ঘটাতে হবে। আমরা গাজিয়াবাদ থেকে তরুণদের চাই, যারা ভারতের বৃদ্ধিকে নিয়ে যাবে উন্নতির শিখরে। গাজিয়াবাদ সব সময় বিজেপিকে সমর্থন করে এসেছে। আমাদের পার্টি সর্বদা গাজিয়াবাদের উন্নয়নে সচেষ্ট। গত দশ বছরে উন্নয়নমূলক কাজ, বিশেষত শহুরে পরিকাঠামোর উন্নয়ন, যোগাযোগ ও হাউজিংয়ের ক্ষেত্রে উন্নতি হয়েছে। তার জেরে এই অঞ্চলের মানুষের জীবন হয়েছে অনায়াস।” প্রসঙ্গত, গাজিয়াবাদে নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) হবে ২৬ এপ্রিল, দ্বিতীয় দফায়।

    আরও পড়ুুন: “মোদিই আমাদের রক্ষাকর্তা, ভোটটা তাঁকেই দেব”, বলছেন উত্তরপ্রদেশের হিন্দু শরণার্থীরা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     

  • PM Modi: “মোদিই আমাদের রক্ষাকর্তা, ভোটটা তাঁকেই দেব”, বলছেন উত্তরপ্রদেশের হিন্দু শরণার্থীরা

    PM Modi: “মোদিই আমাদের রক্ষাকর্তা, ভোটটা তাঁকেই দেব”, বলছেন উত্তরপ্রদেশের হিন্দু শরণার্থীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমাদের হয়ে কেউ কথা বলে না।” কথাগুলি বললেন উত্তরপ্রদেশের তেরাই অঞ্চলের বাঙালি উদ্বাস্তুরা। এখানকার (PM Modi) ২৩টি গ্রামে রয়েছেন প্রায় ৪০ হাজার বাঙালি উদ্বাস্ত। যদিও সংখ্যাটা এক লাখের কাছাকাছি বলে দাবি সংবাদ মাধ্যমের।

    পিলভিটে আশ্রয়

    এঁদের অনেকেই পূর্ব পাকিস্তান (অধুনা বাংলাদেশ) থেকে চলে এসেছেন ভারতে। এঁদের মধ্যে অনেকেই ফিরে গিয়েছেন। বাকিরা ছিলেন উদ্বাস্তু শিবিরে। এঁদের মধ্যে অনেকেই উধম সিংহ নগর ও পিলভিটে আশ্রয় নিয়েছিলেন। যদিও তাঁরা কেউই ভারতীয় নাগরিকত্ব পাননি। ২০১৩ সালে পিলভিট থেকে জয়ী হয়েছিলেন বরুণ গান্ধী। তিনি জানান, তাঁর ঠাকুমা প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী অত্যাচারিত হিন্দুদের ইনস্ট্যান্ট নাগরিকত্ব দিয়ে ভারতে নিয়ে আসেন। তার পরেও পূর্ববঙ্গ থেকে অনেকেই অবৈধভাবে এসেছেন ভারতে।

    সিএএ

    সম্প্রতি দেশে সিএএ লাগু করেছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। এই (PM Modi) আইন এঁদের অনেকের কাছেই আশীর্বাদ স্বরূপ। তাই এই শরণার্থীদের অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা এবার ভোট দেবেন বিজেপিকে। পিলভিটের নেওরিয়া, গাবিয়া, রামনগর এবং রামপুরিয়াকে ‘মিনি বেঙ্গল’ বলে ডাকেন স্থানীয়রা। সিএএ লাগু হওয়ার পর স্থানীয় প্রশাসনের তরফে এঁদের কাগজপত্র নিয়ে প্রস্তুত হতে বলেছে। উত্তরপ্রদেশের ১৯টি জেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছেন এঁরা। এঁদের মধ্যে ৩৭ হাজারই থাকেন পিলভিটে।

    আরও পড়ুুন: “কংগ্রেসের ইস্তাহারে মুসলিম লিগের ভাবনা”, তোপ মোদির

    বিজেপির প্রতি সামান্য হলেও, ক্ষোভ রয়েছে এঁদের। কারণ পিলভিট থেকে পদ্ম চিহ্নে জয়ী হয়েছেন বরুণ ও তাঁর মা মানেকা। তাঁরা পিলভিটের প্রতি তেমন নজর দেননি বলে অভিযোগ। তবে তাতেও খুব একটা সমস্যা হবে না পদ্ম শিবিরের। কারণ এঁদের সিংহভাগই রয়েছেন বিজেপির সঙ্গে। তাঁরা জানান, মন্ত্রী থাকাকালীন ২০১২ সালে এখানে এসেছিলেন প্রয়াত প্রণব মুখোপাধ্যায়ও। তার পরেও পিলভিট থেকে গিয়েছে পিলভিটেই। এবার তাই হাত উপুড় করে বিজেপিকে ভোট দিতে চাইছেন এঁরা। কারণ সিএএ। স্থানীয় এক প্রবীণ বলেন, “তবুও আমরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দল বিজেপিকেই ভোটটা দেব। আমাদের প্রতিটি ভোটই পড়বে পদ্ম ঝুলিতে। কারণ কেউই আমাদের হয়ে কথা বলেননি। ইন্দিরা গান্ধী সাহায্য করার পরে আমরা কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছিলাম। কিন্তু তাঁর উত্তরসূরি কিংবা স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব আর আমাদের গুরুত্ব দেয়নি।”

    সিএএ চালু হওয়ায় খুশি এঁরা। তাঁরা বলেন, “আমরা এই ইস্যুটিকেই সব চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি। বিভিন্ন দলের এই এলাকার অনেক নেতা আমাদের সঙ্গে দেখা করে গিয়েছেন। তবে তাতে চিঁড়ে ভিজবে না। আমরা বিজেপিকেই ভোট দেব। আমরা মোদিজি ও যোগীবাবাকে সমর্থন করি। মোদিজিই আমাদের (PM Modi) রক্ষাকর্তা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “কংগ্রেসের ইস্তাহারে মুসলিম লিগের ভাবনা”, তোপ মোদির

    PM Modi: “কংগ্রেসের ইস্তাহারে মুসলিম লিগের ভাবনা”, তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে ইস্তাহার প্রকাশ করেছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি কংগ্রেস। তাতে দেওয়া হয়েছে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি। শনিবার উত্তরপ্রদেশের সাহরানপুরের এক জনসভা থেকে কংগ্রেসের সেই ইস্তাহারকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ‘মুসলিম লিগের ভাবনা’

    তিনি বলেন, “স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় মুসলিম লিগের যে ভাবনা ছিল, সেই ভাবনা প্রতিফলিত হয়েছে কংগ্রেসের ইস্তাহারে। কংগ্রেসের ইস্তাহারে সম্পূর্ণভাবে মুসলিম লিগের ছাপ রয়ে গিয়েছে।” সাহারানপুরের ওই সভায় কংগ্রেসকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “কংগ্রেস যে ইস্তাহার প্রকাশ করেছে, তাতে এটাই প্রমাণ হয় যে আজকের দিনে ভারতের আশা-আকাঙ্খার সঙ্গে কংগ্রেসের দূর-দুরান্তেও কোনও যোগ নেই। বর্তমানে ভারতের আশা-আকাঙ্খার থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে কংগ্রেস।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মুসলিম লিগের ভাবনায় পুষ্ট এই ইস্তাহারে যে অংশটুকু বাকি রয়েছে, সেখানেও সম্পূর্ণভাবে বামপন্থী ভাবনার প্রভাব রয়েছে।” তিনি বলেন, “দূর-দুরান্ত পর্যন্ত এখানে কোথাও কংগ্রেসকে দেখা যাচ্ছে না। একবিংশ শতাব্দীতে এসে এই কংগ্রেস ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে না।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেসের ইস্তাহার দেখলে বুঝতে পারবেন, তারা দেশকে একশো বছর পিছিয়ে দেবে। নারীশক্তিকে কোনওদিন গুরুত্ব দেয়নি কংগ্রেস। স্বাধীনতার পর থেকে মহিলারা কষ্ট করেছেন। কংগ্রেসকে কি শাস্তি দেওয়া উচিত নয়?”

    আরও পড়ুুন: “শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে গুন্ডামির”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া রাজ্যপালের

    বিজেপি সরকারের একাধিক জনদরদি প্রকল্পের উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমাদের সাহসী মেয়েরা সেনায় যোগ দিতে পারেন। তাঁদের জন্য সৈনিক স্কুলের দরজা খুলে দিয়েছি। মহিলাদের ছ’মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি ঘোষণা করেছি। সংসদে মহিলাদের সংরক্ষণের ব্যবস্থাও হয়েছে। গ্রামের মহিলারা সাইকেল চালাতে পারতেন না, তাঁরা এখন ড্রোন চালান। ইসরোর প্রকল্পও সামলাচ্ছেন মহিলারা। আপনারা ভাবতে পারেন, অনেক করেছি। বিশ্বাস করুন, এটা ট্রেলার। আরও কাজ হবে। আপনাদের স্বপ্নপূরণের জন্য আমি দায়বদ্ধ। ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারতকে উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করব (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • CV Ananda Bose: “শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে গুন্ডামির”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া রাজ্যপালের

    CV Ananda Bose: “শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে গুন্ডামির”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রতিক্রিয়া রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির পর এবার ভূপতিনগর। ইডির পরে এবার এনআইএ। আবারও (CV Ananda Bose) তদন্ত করতে গিয়ে আক্রান্ত সরকারি সংস্থার আধিকারিকরা। ঘটনাচক্রে, দুটি ক্ষেত্রেই কাঠগড়ায় তৃণমূল। সন্দেশখালিকাণ্ডে অবশ্য মূল অভিযুক্ত শেখ শাহজাহান গ্রেফতার হতেই তাকে ঝেড়ে ফেলতে বহিষ্কার করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল। ভূপতিনগরে অবশ্য এখনও সেরকম কিছুই হয়নি। ভূপতিনগরের ঘটনার প্রেক্ষিতে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। শনিবার তিনি বলেন, “এ ধরনের গুন্ডামি চলতে দেওয়া উচিত নয়…বিষয়টিকে শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে।”

    এনআইএর ওপর হামলা (CV Ananda Bose)

    ঘটনার সূত্রপাত এদিন কাকভোরে। ভূপতিনগরে বিস্ফোরণকাণ্ডে অভিযুক্ত বলাই মাইতি ও মনোব্রত জানা নামে দুই তৃণমূল নেতাকে আটক করতে গিয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ। অভিযোগ, সেই সময় গ্রামবাসীদের একাংশ এনআইএর আধিকারিকদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। তাঁদের গাড়ি ভাঙচুরও করা হয় বলে অভিযোগ। এই ঘটনা প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রাজ্যপাল বলেন, “এনআইএ অফিসারদের ওপর আক্রমণ একটি খুবই গুরুতর বিষয়। তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে হুমকি দেওয়ার চেষ্টা মোটেই কোনও কৃতিত্বের বিযয় নয়।” তিনি (CV Ananda Bose) বলেন, “বিষয়টিকে লোহার মতো শক্ত হাতে মোকাবিলা করতে হবে। এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর পরিস্থিতি। সম্পূর্ণ গুরুত্ব সহকারে এর মোকাবিলা করতে হবে।” রাজ্যপালের সাফ কথা, “এ ধরনের গুন্ডামি চলতে দেওয়া উচিত নয়। পেশি শক্তির আইনি ক্ষমতা প্রতিস্থাপন করা উচিত নয়।”

    এনআইএর দাবি

    প্রাথমিক তদন্তের পর এনআইএর দাবি, ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এই দুই তৃণমূল নেতাই মূল চক্রী। এনআইএর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বোমা তৈরির ষড়যন্ত্র করেছিলেন বলাই ও মনোব্রত। এলাকায় আতঙ্ক ছড়াতেই ঘটানো হয়েছিল বিস্ফোরণ। সূত্রের খবর, এদিন এলাকার পাঁচটি জায়গায় হানা দিয়ে আটক করা হয় এই দুজনকে। ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে নাড়ুয়াবিল্লার বাসিন্দা রাজকুমার মান্নার বাড়িতে বিস্ফোরণ হয়। ঘটনায় মৃত্যু হয় তিনজনের। ৩ ডিসেম্বর এফআইআর দায়ের করে রাজ্য পুলিশ। পরে এনআইএ তদন্তের দাবিতে মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। গত ৪ জুন তদন্তভার নেয় (CV Ananda Bose) এনআইএ।

    আরও পড়ুুন: হিন্দু-বিরোধী প্রচার করছে মুসলমান বনে যাওয়া বামুনের ছেলে!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pinaki Bhattacharya: হিন্দু-বিরোধী প্রচার করছে মুসলমান বনে যাওয়া বামুনের ছেলে!

    Pinaki Bhattacharya: হিন্দু-বিরোধী প্রচার করছে মুসলমান বনে যাওয়া বামুনের ছেলে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম পিনাকি ভট্টাচার্য (Pinaki Bhattacharya)। ছিল বর্ণহিন্দু। বাংলাদেশি বামুনের ছেলে। ধর্ম বদলে সে-ই হয়ে যায় মুসলমান। শুধু তাই নয়, তালিবানি জামাতের আদর্শে উদ্ধুব্ধ হয়ে শুরু হয় ভারত-বিরোধী ও হিন্দু-বিরোধী প্রচার। পাশাপাশি, চলতে থাকে জাল ওষুধ থেকে শুরু করে চিনা যৌন-উদ্দীপক ট্যাবলেট এবং ইয়াবা সহ মাদক পাচার। এর পর বাংলাদেশে তার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হতেই স্বদেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। বর্তমানে ফ্রান্সে ঘাঁটি গেড়েছে এই হিন্দু-বিরোধী মুসলমান। ইউটিউব এবং অন্যান্য সোশ্যাল মাধ্যম ব্যবহার করে সে চুটিয়ে চালিয়ে যাচ্ছে ভারত বিরোধী প্রচার।

    পিনাকিকে অর্থ সাহায্য করছে কারা?

    জানা গিয়েছে, মুসলমান বনে যাওয়া পিনাকিকে অর্থ সাহায্য করছে জামাত-ই-ইসলামি। আল কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে যে বিএনপির, তারাও অর্থ সাহায্য করছে পিনাকিকে (Pinaki Bhattacharya)। তার জেরেই সে শুরু করেছে ‘ইন্ডিয়া আউট’ প্রোপাগান্ডা। তার চ্যানেলের দর্শকদের হিন্দু-বিরোধী ও ভারত-বিরোধী কাজ করতে উৎসাহ দিচ্ছে বলেও অভিযোগ। আমেরিকা, ইজরায়েল, ব্রিটেন, ইউরোপিয় ইউনিয়নেও হিন্দু ও ভারত বিরোধী প্রচার চালাচ্ছে সে। পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন, যারা জম্মু-কাশ্মীরে সক্রিয়, তারাও সমর্থন করছে পিনাকিকে। আফগান তালিবানের ঘোরতর বিরোধী সে।

    পিনাকির বায়োডেটা

    বাংলাদেশের বোগরা জেলার জলেশ্বরী তলায় ১৯৬৭ সালে জন্ম পিনাকির। বাবা শ্যামল ভট্টাচার্য ছিলেন স্কুল শিক্ষক। পড়াশোনায় ভালো পিনাকি ভর্তি হয়েছিল রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে। পাশ করে বের হয় ১৯৯২ সালে। অধঃপাতের সূত্রপাত সেখানেই। কলেজে পড়াকালীনই জামাতের সংস্পর্শে আসে পিনাকি। পরে হয় মুসলমান। এর পরেই পিনাকির সঙ্গে সমস্ত রকম সম্পর্ক ছিন্ন করেন শ্যামলবাবু। পিনাকির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন তার স্ত্রীও, যখন তিনি জানতে পারেন তাঁর স্বামীর যোগাযোগ রয়েছে আইএসআই, জিহাদি এবং জঙ্গিদের সঙ্গে।

    আরও পড়ুুন: ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডের মূলে ধৃত ২ তৃণমূল নেতাই, বিবৃতি প্রকাশ এনআইএ-র

    ফ্রান্সে ঘাঁটি গেড়ে বসা পিনাকি হাওয়ালার ব্যবসা শুরু করেছে, সঙ্গে চালাচ্ছে ইউটিউব চ্যানেলও। তার চ্যানেলের সিংহভাগ দর্শকই অর্ধশিক্ষিত। মূলত বাংলাদেশি শ্রমিক যাঁরা কর্মসূত্রে ছড়িয়ে রয়েছেন মালয়েশিয়া এবং মধ্য প্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে। সম্প্রতি একটি ভিডিওয় পিনাকির দাবি, বাংলাদেশের ইন্ডিয়া আউট ক্যাম্পেন থামাতে ভারত প্রচুর অর্থ লগ্নি করেছে।

    ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের দাবি, পিনাকি উগ্রপন্থী। সেই হিন্দু এবং ভারত-বিরোধী সেন্টিমেন্টে সুড়সুড়ি দিচ্ছে। হিন্দু ধর্মের অপমান করতে নিরন্তর চেষ্টা করে চলেছে সে। হিন্দুদের সে বেজন্মা বলে গালিও দিচ্ছে। বাংলাদেশের যেসব মানুষ এবং সংবাদ মাধ্যম ভারতপন্থী, তাদেরও খিস্তি-খেউড় করছে সে। হিন্দু ধর্মকে ছোট করতে নিয়মিত কনটেন্ট আপলোড করছে পিনাকি। হিন্দুদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করতে বাংলাদেশি তরুণদের উদ্বুদ্ধও করছে এই বিধর্মী (Pinaki Bhattacharya)!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Indian Post Office at Antarctica: বরফে ঢাকা আন্টার্কটিকায় তৃতীয় ডাকঘর খুলল ভারত

    Indian Post Office at Antarctica: বরফে ঢাকা আন্টার্কটিকায় তৃতীয় ডাকঘর খুলল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বরফে ঢাকা আন্টার্কটিকায় ফের একটি ডাকঘর (Indian Post Office at Antarctica) খুলল ভারত। ৩৪ বছর পরে ফের খোলা হল একটি পোস্ট অফিস। সেখানে চিঠি পাঠানোর নতুন পিন কোড হল MH-1718. আপাতত পরীক্ষামূলক ভাবে এই পিন কোডটি ব্যবহার করা হচ্ছে।  আসলে ভারত আন্টার্কটিকায় একটি গবেষণা মিশনে রয়েছে। যাতে ভারত থেকে প্রায় ৫০-১০০ জন বিজ্ঞানী জনমানব শুন্য আন্টার্কটিকায় কাজ করছেন।

    কে উদ্বোধন করলে পোস্ট অফিসটি?

    মহারাষ্ট্রের চিফ পোস্টমাস্টার (Indian Post Office at Antarctica) জেনারেল কে কে শর্মা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অ্যান্টার্কটিকায় ভারতের এই তৃতীয় পোস্ট অফিস উদ্বোধন করেন। তিনি জানিয়েছেন, ভারত অ্যান্টার্কটিকায় এর আগে ১৯৮৪ সালে দক্ষিণ গঙ্গোত্রী স্টেশনে প্রথম পোস্ট অফিস খুলেছিল। এবং দ্বিতীয় পোস্ট অফিসটি ১৯৯০ সালে মৈত্রী স্টেশনে খোলা হয়েছিল। আর এখন তৃতীয় পোস্ট অফিসটি খোলা হল। এই নয়া ডাকঘরটি (Indian Post Office at Antarctica) খোলা হয়েছে আন্টার্কটিকায় ভারতের ‘ভারতী গবেষণা কেন্দ্র স্টেশনে’। ‘মৈত্রী’ এবং ‘ভারতী’, আন্টার্কটিকায় ভারতের এই দুই ডাকঘরের মধ্যে দূরত্ব ৩০০০ কিলোমিটার। তবে দু’টি ডাকঘরই গোয়া ডাক বিভাগের শাখা।

    চিঠি এখনও নস্টালজিয়া

    যদিও বর্তমানে ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপের (Indian Post Office at Antarctica) যুগ। মানুষ কয়েক সেকেন্ডে তাদের প্রিয়জনের সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে। কিন্তু অ্যান্টার্কটিকায় এখনও চিঠি আদান প্রদানের উন্মাদনা রয়েছে বলেই জানা যায়। চিঠির নস্টালজিয়া ও চিঠির মাধ্যমে পাওয়া অ্যান্টার্কটিকার পোস্টাল স্ট্যাম্প (Indian Post Office at Antarctica) জমাতে সেদেশের মানুষ এখন সমান ভাবে উৎসাহী। তাই  খামের উপর আন্টার্কটিকার ডাকঘরের স্ট্যাম্প সংগ্রহে রাখার জন্যও চিঠি পাঠান বহু মানুষ।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির ছায়া ভূপতিনগরে, তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত এনআইএ-র আধিকারিকরা, ভাঙচুর করা হল গাড়ি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “বিজেপি ‘নেশন ফার্স্ট’ নীতিতে কাজ করেছে”, প্রতিষ্ঠা দিবসে বললেন মোদি

    PM Modi: “বিজেপি ‘নেশন ফার্স্ট’ নীতিতে কাজ করেছে”, প্রতিষ্ঠা দিবসে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে সব কার্যকর্তাকে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এক্স হ্যান্ডেল প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, “আজ, বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে আমি দেশজুড়ে দলের সমস্ত কার্যকর্তাকে শুভেচ্ছা জানাই। যারা কঠোর পরিশ্রম, লড়াই ও আত্মত্যাগ করে এত দিন ধরে দলকে গঠন করেছেন, তাঁদেরও স্মরণ করছে। আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি, আমরা ভারতের সব চেয়ে পছন্দের দল, যারা সর্বদা ‘নেশন ফার্স্ট’ নীতিতে কাজ করেছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    তিনি (PM Modi) আরও বলেন, “এটা অত্যন্ত আনন্দের যে বিজেপি উন্নয়নমূলক দৃষ্টিভঙ্গি, সুশাসন ও দেশের প্রতি দায়ব্ধতার মাধ্যমে নিজেদের পরিচয় তৈরি করতে পেরেছে। আমাদের দল দেশের ১৪০ কোটি জনগণের স্বপ্ন ও আকাঙ্খারই প্রতিফলন। দেশের যুব প্রজন্ম আমাদের দলকে তাদের লক্ষ্যপূরণ ও একবিংশ শতাব্দীতে ভারতকে নেতৃত্ব দেওয়ার দল হিসেবেই দেখে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কেন্দ্রেই হোক বা রাজ্যে, আমাদের দল বরাবর সুশাসনকেই প্রতিষ্ঠা করেছে। আমাদের প্রকল্প ও নীতিগুলি দেশের গরিব ও পিছিয়ে পড়া মানুষকে শক্তি জুগিয়েছে। যারা দশকের পর দশক ধরে অবদমিত হয়ে এসেছে, তারাও কণ্ঠ খুঁজে পেয়েছে, আশা দেখতে পেয়েছে আমাদের দলের মধ্যে দিয়ে। সকল ভারতীয়ের জীবনযাত্রাকে সহজ করার লক্ষ্যেই আমরা সব ক্ষেত্রে উন্নয়নের কাজ করেছি। আমাদের দল ভারতকে দুর্নীতি, জাতপাত, সম্প্রদায়িকতা ও ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির সংস্কৃতি থেকে মুক্ত করেছে। আজকের ভারত স্বচ্ছ শাসনের ওপরে জোর দেয়, যা গরিবদের কাছে কোনও ভেদাভেদ ছাড়াই উন্নয়নের ফসল পৌঁছে দিয়েছে।”

    নির্বাচন নিয়ে বার্তা

    দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। এদিন সে প্রসঙ্গেও বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “এনডিএর অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে আমরা গর্বিত। জাতীয় স্তরে উন্নয়ন ও আঞ্চলিক আকঙ্খার মেলবন্ধন এনডিএ। এই জোট ভারতের বিভিন্নতাকেই তুলে ধরেছে। আমরা এই অংশীদারিত্বকে গুরুত্ব দিই এবং আগামিদিনে এই জোট আরও শক্তিশালী হবে। ভারত নতুন লোকসভা নির্বাচন করতে প্রস্তুত। সাধারণ মানুষ আমাদের ফের আশীর্বাদ করে ক্ষমতায় আনবেন, এই বিষয়ে আমরা আশাবাদী। বিগত এক দশকে আমরা যা কাজ করেছি, তার ওপর ভিত্তি করেই নতুন কাজ শুরু করতে পারি। বিজেপি এবং এনডিএ-র সমস্ত কার্যকর্তাকে শুভেচ্ছা জানাই।”

    BJP national president JP Nadda tweets “On the foundation day of the BJP, I pay my respects to all my senior leaders, who gave the organisation nationwide expansion through their sacrifice, dedication and hard work. On this occasion, heartiest wishes of the foundation day to all… pic.twitter.com/4UqP2yM4UU

    — ANI (@ANI) April 6, 2024

    আরও পড়ুুন: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok Sabha Elections 2024: ‘এআই’ দিয়ে লোকসভা ভোটে কলকাঠি নাড়তে চায় চিন, সতর্কবার্তা মাইক্রোসফটের

    Lok Sabha Elections 2024: ‘এআই’ দিয়ে লোকসভা ভোটে কলকাঠি নাড়তে চায় চিন, সতর্কবার্তা মাইক্রোসফটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশে নির্বাচন বানচাল করতে ওত পেতে রয়েছে চিনা হ্যাকাররা। এবার লোকসভা নির্বাচন যাতে বিঘ্নহীন হয়, সেজন্য এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর এই এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করেই হ্যাক করার ছক কষছে ড্রাগনের দেশের হ্যাকাররা।

    মাইক্রোসফ্টের সতর্কতা

    ভারত সরকারকে এই মর্মে সতর্ক করে দিয়েছে টেক জায়েন্ট মাইক্রোসফ্ট। ব্লগ পোস্টে মাইক্রোসফ্টের প্রধান ফোকাসই হল, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনেও ভোটারদের প্রভাবিত করতে চলেছে চিনা হ্যাকাররা। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের শেষেই নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। ভাগ্য নির্ধারণ হবে জো বাইডেনের। পোস্টে মাইক্রোসফ্টের তরফে লেখা হয়েছে, ‘চলতি বছর বিশ্বের যেসব দেশে নির্বাচন রয়েছে, বিশেষত ভারত, সাউথ কোরিয়া এবং আমেরিকা, আমরা জেনেছি, চিন এআই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে সুফল কুড়নোর চেষ্টা করতে পারে।’

    হ্যাকারদের কাছে এআই প্রযুক্তিই প্রধান হাতিয়ার

    হ্যাকারদের কাছে এআই প্রযুক্তি যে ক্রমেই প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠছে, তাও জানিয়েছে টেক জায়েন্ট। তারা এও জানিয়েছে, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে হ্যাকাররা অনায়াসেই ভিডিওর রূপদান করতে পারে, বদলে দিতে পারে বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের কণ্ঠস্বর, সেগুলিকে জনসমক্ষে শেয়ারও করে। বিকৃত এই ভিডিও ভাইরাল করে দেয়। ভিউয়ার হয় লক্ষ লক্ষ। চিনের সঙ্গে দ্বন্দ্ব রয়েছে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের। ২০২০ সাল থেকে চিনের সঙ্গে বাণিজ্যেও নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আমেরিকা। তার পর থেকেই মাইক্রোসফ্টের থ্রেট অ্যানালিসিস সেন্টার নিয়মিত তাদের পাওয়া তথ্য শেয়ার করে চলেছে।

    আরও পড়ুুন: “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই এনআইএ-র উপর হামলা হয়েছে”, ভূপতিনগরের ঘটনায় সরব সুকান্ত-শুভেন্দু

    সেখান থেকেই জানা গিয়েছে, এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভারত ও আমেরিকার ভোটে নাক গলাতে চাইছে চিনের হ্যাকাররা। মাইক্রোসফ্টের পোস্টে বলা হয়েছে, ‘ভোটারদের প্রভাবিত করতে চিন জাল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করছে। মানুষের মধ্যে বিভাজনের বিষবৃক্ষ রোপন করছে। এভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভোটারদেরও প্রভাবিত করতে চাইছে।’ প্রসঙ্গত, ভারতে এবার লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024) হবে সাত দফায়। প্রথম দফার ভোট হবে ১৯ এপ্রিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Central Force for Election: অবাঙালি জওয়ানদের কাছে হিট বাংলার সজনে ডাঁটা

    Central Force for Election: অবাঙালি জওয়ানদের কাছে হিট বাংলার সজনে ডাঁটা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ মাস থেকেই শুরু হবে লোকসভা নির্বাচন। আর লোকসভা নির্বাচনের (Central Force for Election) প্রায় এক মাস আগে থেকেই রাজ্যে এসে গিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। বিভিন্ন জেলায় ক্যাম্প করা হয়েছে তাঁদের। আগামী ১৯ এপ্রিল প্রথম দফায় উত্তরবঙ্গে নির্বাচন। ইতিমধ্যেই আলিপুরদুয়ার লোকসভা কেন্দ্রের জন্য প্রায় ৩ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হয়েছে। সেখানে একটি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটশনে ক্যাম্প করে রয়েছেন তাঁরা। আর ক্যাম্পের রান্নাঘরে সিআরপিএফ জাওয়ানদের প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় জায়গায় করে নিয়েছে টাটকা তাজা সজনে ডাঁটা।

    সজনে ডাটার বিভিন্ন পদ

    বাঙালি এলাকায় যখন ডিউটি পড়েছে তখন বাঙালি খাবার থেকে কি আর দূরে থাকা যায়। নির্বাচনী ডিউটি (Central Force for Election) করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছে বংলায়। আর বাঙালি এলাকায় যখন ডিউটি পড়েছে তখন বাঙালি খাবার থেকে কি আর দূরে থাকা যায়। তাই সজনে ডাঁটা, আলু, বেগুন ও বড়ি দিয়ে পাতলা ঝোল হোক কিংবা আলু, কাঁচকলা, উচ্ছে, বেগুন দিয়ে সজনে ডাঁটার শুক্তো অথবা সজনে ডাঁটার সর্ষে-পোস্ত বিভিন্ন স্বাদে জমিয়ে চলছে সজনে ডাটা খাওয়া।

    গরম পড়তেই সজনে ডাঁটার চাহিদাও রয়েছে বাংলায়

    গরমে টাটকা তাজা সবজির মধ্যে সজনে ডাঁটা অন্যতম। গরম পড়তেই সজনে ডাঁটার চাহিদাও রয়েছে (Central Force for Election) বাংলায়। আর সজনে ডাঁটার পুষ্টিগত গুণও নেহাত কম নয়। শরীর সতেজ এবং সুস্থ রাখতে তাই সজনে ডাঁটাকে আপন করে নিয়েছেন জওয়ানরাও। পাঞ্জাবের সুরিন্দর সিংই হোক বা ঝাড়খণ্ডের যশ পান্ডে অথবা বিহারের রাজেশ কুমার, রাজ্যের বাইরে থেকে আসা এই জাওয়ানদের কাছে সজনে ডাঁটার স্বাদ অবশ্য একেবারেই নতুন। তাই পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটশনের সামনের বাজারে সকাল হলেই ভিড় জমিয়ে নানা শাক সবজি ব্যাগ ভর্তি করে কিনছেন তাঁরা। লাল শাক, বেগুন, পাট শাকের সঙ্গে বাজারের তালিকায় অবশ্যই থাকছে সজনে ডাঁটাও।

    ৮৬ জনের কোম্পানিতে রয়েছে, নাপিত-ধোপা-রাঁধুনিও

    প্রসঙ্গত, আলিপুরদুয়ারে জওয়ানদের মধ্যে ২ জন রাঁধুনি, একজন সাফাইকর্মী, একজন ধোপা ও একজন নাপিত রয়েছেন (Central Force for Election)। সকলে মিলে ৮৬ জনের কোম্পানি। কোম্পানি কমান্ডান্ট  হিসেবে আছেন সুরিন্দর। আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই ক্যাম্পে রান্নার দায়িত্বে রয়েছেন  বিহারের বাসিন্দা রাজেশ কুমার। তাঁর হাতেই এখন বাংলার নিজস্ব সজনে ডাঁটা এবং অন্য শাকসবজি সুস্বাদু হয়ে উঠেছে। টাটকা রান্না করা সবজিতেই এখন মজেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর এই জওয়ানরা।

    কী বলছেন জনৈক জওয়ান

    রান্নার দায়িত্বে থাকা জওয়ান রাজেশ কুমার জানায়, “রোজ মেনু চার্ট মেনেই রান্না করা হয়। তবে আলিপুরদুয়ারে কিছুদিন ধরে সজনে ডাঁটা এবং বিভিন্ন ধরনের শাকও রান্না করছি। এগুলো খেতেও খুব স্বাদ। জওয়ানরা চেটেপুটেই খাচ্ছেন।” উল্লেখ্য জওয়ানদের কেউ গুজরাট, কেউ পাঞ্জাব কেউ বা হিমাচল প্রদেশের বাসিন্দা। ফলে বাঙালি খাবারের সঙ্গে তাঁদের দূর দূরান্তে কোনও সম্পর্ক নেই। তবুও তপ্ত গরমে বাংলায় এসে কেন্দ্রীয় বাহিনীদের ক্যাম্পের হেঁসেলে জায়গা করে নিয়েছে সজনে ডাটা। অর্থাৎ অবাঙালি জাওয়ানদের কাছে এখন হিট টাটকা তাজা সজনে ডাটা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share