Tag: news in bengali

news in bengali

  • Sukanta Majumdar: প্রচারে বেরিয়ে শরীর সুস্থ রাখতে সুকান্তর ডায়েট চার্ট কী জানেন?

    Sukanta Majumdar: প্রচারে বেরিয়ে শরীর সুস্থ রাখতে সুকান্তর ডায়েট চার্ট কী জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই লোকসভা ভোট। হাতে সময় খুব কম। তাই এই এপ্রিল-মে মাসের সূর্যের তেজেও দমে নেই বালুরঘাটের হেভিওয়েট বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের ভোট প্রচার। লড়াইয়ের ময়দানে মাথার ওপর চড়া রোদ নিয়ে প্রচারে নেমেছেন তিনি। তাই শরীর ঠিক রাখতে মানছেন কোন ডায়েট? (diet) মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে জীবনের অজানা কথা জানালেন  সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    কী বললেন সুকান্ত

    প্রিয় খাবার থেকে ডায়েট চার্ট(Diet Chart), প্রচারে বেরিয়ে শরীর সুস্থ রাখতে মানছেন কোন ডায়েট সব নিজেই জানালেন বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী। সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘আমি সাধারণত হালকা খাবার পছন্দ করি। এখন প্রচারের ব্যস্ততায় কর্মীদের বাড়ি খেতে হচ্ছে। তবে বাড়ির খাবার পেলে বেশি ভাল হয়।’ উল্লেখ্য ১৯ এপ্রিল উত্তরবঙ্গে(north bengal) রয়েছে প্রথম দফার ভোট। ফলত হাতে ভোট প্রচারের সময় কমে আসছে ক্রমশ। তাই এই সময় প্রচণ্ড গরমেও প্রচারে পিছুপা হটছেন না সুকান্ত। আর প্রচারে নেমে জন সাধারনের মাঝে ঝড় তুলতে হলে, নিজেকে ফিট রাখাটাও একান্তই প্রয়োজন। খাওয়া-দাওয়ার ক্ষেত্রেও তাই অত্যন্ত সতর্ক বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    আরও পড়ুন: ‘দলের কোনও দিশা নেই, সনাতন ধর্ম বিরোধী’, ইস্তফা দিলেন কংগ্রেস মুখপাত্র গৌরব বল্লভ

    মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সুকান্ত

    বুধবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার(sukanta majhumdar)। আর মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে প্রতিপক্ষের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি বদলে তার গলায় শোনা গেল ইলিশ, চিংড়ির গল্প। সুকান্তর কথায়, “আমি বাঙাল। পছন্দের তালিকায় ইলিশ। তবে ইলিশ সিজানাল বলে বেশি চিংড়ি হয়। ” এই প্রচন্ড গরমে যখন চিকিৎসকেরা (doctor) শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন বেশি করে জল ,টক দই ও তরল জাতীয় খাবার খেতে বলছেন, সেই সময় বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী (balurghat BJP candidate) কি ডায়েটে রয়েছেন  সে কথাও জানালেন নিজেই। মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার দিন  তিনি দুপুরে কি খেয়েছেন তা ভাগ করে নিলেন সকলের সঙ্গে।  জানালেন ভাত,আলু পটলের তরকারি, সজনে ডাটার তরকারি, মাছের ঝোল, কুলের চাটনি ও টক দই দিয়ে সেরেছেন দুপুরের মধ্যাহ্নভোজ (lunch), অতএব লড়াইয়ের ময়দানে শরীর ঠিক রাখতে সঠিক পথেই আছেন বালুরঘাটের হেভিওয়েট বিজেপি প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: বঙ্গে দুর্নীতি নিয়ে ফের সরব মোদী, দিলেন টাকা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি 

    PM Modi: বঙ্গে দুর্নীতি নিয়ে ফের সরব মোদী, দিলেন টাকা ফেরানোর প্রতিশ্রুতি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কোচবিহারের(CoochBehar) সভার আগে রাজ্যের বিজেপি(BJP) কর্মীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। ভার্চুয়াল বার্তায় তার মুখে শোনা গেল বাংলায় ঘুষের রেট চার্ট। কোথাও ১ লাখ তো কোথাও ৫০ হাজার। কোন চাকরিতে কেমন ঘুষ সেই প্রসঙ্গ উঠে এল প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) কথায়। এমনকি নিয়োগের ক্ষেত্রে ঘুষের (Education Scam) টাকা ফেরানোর ফের প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    ফের দুর্নীতি প্রসঙ্গ (PM Modi)

    বঙ্গ সফরের আগে ফের দুর্নীতি প্রসঙ্গকে জন মানসে উস্কে দিলেন নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদী। বিজেপি কর্মীদের প্রধানমন্ত্রীর বার্তা  এদিনের ভার্চুয়াল বার্তা প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট(ED)। চাকরির জন্য নেওয়া ঘুষের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। কেউ এক লাখ টাকা দিয়েছিল কেউ দিয়েছিল পঞ্চাশ হাজার।  বিভিন্ন ধরনের চাকরির বিভিন্ন ধরনের রেট ছিল। আমি খোঁজ খবর নিতে বলেছি। যদি প্রমাণ হয়ে যায় গরিবের টাকা গিয়েছে ঘুষখোরদের পকেটে। তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত গরীবদের টাকা ফেরত দেব।

    দুর্নীতি দমনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

    এর জন্য আইনজ্ঞদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।” দুর্নীতি দমনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ প্রধানমন্ত্রী  প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগেই কৃষ্ণনগরের (Krishnanagar) বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়ের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সময় প্রধানমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছিলেন বাংলা থেকে ইডির বাজেয়াপ্ত করা প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত গরীব মানুষদের মধ্যে আইনের বাধা পেরিয়ে ফেরত দেওয়া যায় সেই বিষয়ে চিন্তাভাবনা করছেন তিনি। এরপর ফের এদিন বঙ্গ বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে কথা বলার সময় ফের প্রধানমন্ত্রী ফের টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে আশ্বাস দেন। 

    আরও পড়ুুন: কংগ্রেস থেকে ছ’বছরের জন্য বহিষ্কার সঞ্জয় নিরুপম, যোগ দিচ্ছেন শিন্ডে-শিবিরে?

    বঙ্গে চাকরি দুর্নীতির সূত্রপাত প্রসঙ্গত বাংলায় চাকরি চুরির অভিযোগ ২০১৬ সালের পর থেকে জোরালো হতে শুরু করে। শিক্ষা, পুরসভা, স্বাস্থ্য, খাদ্য দফতর সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিয়োগে দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। শিক্ষা ও পুরসভার নিয়োগ মামলাটি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। আদালতের নির্দেশে রাজ্যের একের পর এক মন্ত্রী, আমলা, বিধায়করা গ্রেফতার হয়েছেন বিভিন্ন ধরনের দুর্নীতি মামলায়। শুধু নিয়োগ দুর্নীতি নয় গরীবের রেশন পর্যন্ত চুরির অভিযোগ উঠেছে। এই মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী। সিবিআই (CBI) ও ইডি (ED) দুর্নীতির তদন্ত চালাচ্ছে। তবে ২০১৬ এর আগে দুর্নীতির অভিযোগ যে ছিল না তা নয়। তার আগে বিভিন্ন ধরনের চিট ফান্ড মামলায় একাধিক তৃণমূল নেতার নাম আসে এবং তারা গ্রেফতার হন। ২০১১ থেকেই দুর্নীতির সূত্রপাত বলে অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Shahjahan Sheikh: শাহজাহানের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, নিজাম প্যালেসে হাজিরা দুই তৃণমূল নেতার

    Shahjahan Sheikh: শাহজাহানের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ, নিজাম প্যালেসে হাজিরা দুই তৃণমূল নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার সন্দেশখালির শাহজাহান শেখের (Shahjahan Sheikh) ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করল ইডি। সূত্রের খবর, যে দুটি অ্যাকাউন্ট ইডি ফ্রিজ করেছে, তার একটি ব্যক্তিগত, অন্যটি ‘মেসার্স শেখ সাবিনা ফিশ সাপ্লাই ওনলি’র অ্যাকাউন্ট। শাহজাহানের আরও বেশ কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের লেনদেন সংক্রান্ত তথ্যও চেয়েছে ইডি।

    ইডির নজর শাহজাহানের ১৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে (Shahjahan Sheikh)

    প্রাথমিকভাবে শাহজাহানের একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে ১৩৭ কোটি টাকা লেনদেনের তথ্য হাতে পেয়েছেন ইডির তদন্তকারীরা। তাঁদের শ্যেন দৃষ্টি শাহজাহানের (Shahjahan Sheikh) প্রায় ১৫টি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ওপর। তদন্তকারীরা জেনেছেন, এই অ্যাকাউন্টগুলির মাধ্যমেও লেনদেন হয়েছে কোটি কোটি টাকা। নিয়ম মেনে এই অ্যাকাউন্টগুলিতে আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখছে ইডি। এই বিপুল পরিমাণ টাকা শাহজাহান কাদের পাঠিয়েছিল, তা জানতেই এসকে সাবিনা নামের সংস্থার অ্যাকাউন্টটিও ফ্রিজ করেছে ইডি। প্রসঙ্গত, শাহজাহানের এই সংস্থাটির নাম রাখা হয়েছে তাঁর মেয়ের নামে।

    কীর্তিমান শাহজাহান!  

    শাহজাহান ছিলেন তৃণমূলের নেতা। পরে ইডির তদন্তকারীদের মারধরের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়ার পরে পরেই তাঁকে ঝেড়ে ফেলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। দলীয় নেতৃত্বের আশীর্বাদী হাত থাকায় কার্যত বেপরোয়া হয়ে উঠেছিলেন শাহজাহান। মাছের কারবারের আড়ালে নানা কুকর্মও করে বেড়াতেন বলে অভিযোগ। এভাবে কামানো কালো টাকা সাদা করতেন শাহজাহান। জানা গিয়েছে, শাহজাহান প্রথমে নগদ অর্থ তুলে দিতেন কোনও ব্যক্তি বা সংস্থার হাতে। পরে সেই টাকাই জমা করাতে বলতেন তাঁর অ্যাকাউন্টে।

    আরও পড়ুুন: কংগ্রেস থেকে ছ’বছরের জন্য বহিষ্কার সঞ্জয় নিরুপম, যোগ দিচ্ছেন শিন্ডে-শিবিরে?

    এদিকে, শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে ইডির আধিকারিকরা আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় বুধবার ইডি তলব করেছিল ১৩ জনকে। ওই ঘটনায় ইডি সমন পাঠিয়েছিল হাটগাছি ৬৪ নম্বর বুথের সভাপতি আকবর মোল্লা এবং স্থানীয় তৃণমূল কর্মী আবদুল মতিন শেখকে। বৃহস্পতিবার নিজাম প্যালেসে হাজিরা দিতে এসেছেন তাঁরা।

    প্রসঙ্গত, রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান বনমন্ত্রী তৃণমূলের জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। তাঁকে জেরা করায় উঠে আসে তৃণমূল নেতা শাহজাহানের নাম। তাঁর বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছিলেন ইডির দুই আধিকারিক। তাঁদের বাঁচাতে গিয়ে জখম হন কেন্দ্রীয় বাহিনীর দুই জওয়ানও। এই ঘটনায়ই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে গিয়েছে তৃণমূলের নাম। তাই কেবল শাহজাহানকে (Shahjahan Sheikh) ছেঁটে ফেলে আদৌ কোনও লাভ হবে কিনা, সে প্রশ্ন উঠেছে সন্দেশখালির তৃণমূলের অন্দরেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Hindu Nababarsa 2024: অপেক্ষার শেষ, ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে কবে শুরু হচ্ছে হিন্দু নববর্ষ?

    Hindu Nababarsa 2024: অপেক্ষার শেষ, ক্যালেন্ডারের পাতা উল্টে কবে শুরু হচ্ছে হিন্দু নববর্ষ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামনেই পয়লা বৈশাখ (bengali new year), ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুসারে পয়লা জানুয়ারি থেকে নতুন বছর শুরু হলেও হিন্দু ধর্মে নতুন বছরের ক্যালেন্ডার আলাদা হয়। বৈদিক পঞ্জিকা অনুসারে চৈত্র মাসের শুক্লপক্ষের প্রতিপদ তিথি থেকে শুরু হয় হিন্দু নববর্ষ। এ বছর ৮ এপ্রিল থেকে হিন্দু নববর্ষ (hindu nababarsa) শুরু হচ্ছে। প্রতিপদ তিথি শুরু হচ্ছে সোমবার, ৮ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে।  উল্লেখ্য এই হিন্দু নববর্ষ গুড়ি পাড়োয়া, উগাদি, বৈশাখাদি, বৈশাখী, নভরোজের মতো নামেও পরিচিত।

    সম্রাট বিক্রমাদিত্য ৫৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এই পদ্ধতি প্রথম অনুশীলন শুরু করেছিলেন

    হিন্দু ক্যালেন্ডারে (hindu calender) রয়েছে ১২টি মাস, যার মধ্যে প্রথম মাস হল চৈত্র। এরপর বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ়, শ্রাবণ, ভাদ্র, আশ্বিন, কার্তিক, অগ্রহায়ন, পৌষ, মাঘ এবং শেষ মাস হল ফাল্গুন। ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু এবং শিখরা যেই ক্যালেন্ডার পদ্ধতি অনুসরণ করে তাকে বলা হয় বিক্রম সংবত। ‘সংবত’ অর্থাৎ বছর। সম্রাট বিক্রমাদিত্য ৫৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এই পদ্ধতি প্রথম অনুশীলন শুরু করেছিলেন। হিন্দু নববর্ষ (hindu nababarsa) আসার সাথে সাথেই প্রকৃতিও সেজে ওঠে। এই মুহূর্তে পাতাঝরার মরশুম চলছে। পাতা ঝরার মরশুম শেষ হলেই প্রকৃতি আবার নিজেকে নতুন রূপে সাজাতে শুরু করে। এই সময় প্রকৃতি নিজের জীর্ণ রূপ ত্যাগ করে ধীরে ধীরে সবুজ হতে থাকে। 

    হিন্দু নববর্ষের গুরুত্ব –

    তবে বিশেষজ্ঞদের মতে হিন্দু নববর্ষের গুরুত্ব অনেক। বিক্রম সংবত ২০৮১ সালের অধিপতি মঙ্গল ও শনি, তাই এই বছরে থাকবে অশান্তির ছায়া। ভারতে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব হলেও দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই নতুন বছরে। 
    এ প্রসঙ্গে বালিয়ার বিখ্যাত হনুমান মন্দিরের পুরোহিত আচার্য পণ্ডিত বিজয় নারায়ণ শরণ আমাদের জানিয়েছেন যে, এই পাতাঝরার মরশুম হিন্দু নববর্ষের আগমন বার্তা বয়ে আনে। শুধু তাই নয়, এই সময় গ্রহের অবস্থানও পরিবর্তন হয়। হিন্দুদের নতুন বছর অর্থাৎ চৈত্র শুক্ল প্রতিপদে, হিন্দু ক্যালেন্ডারও (hindu calender) পরিবর্তিত হয় এবং নবরাত্রির পূজার মাধ্যমে প্রকিতির এই নতুন রূপের উদযাপন হয়। এই নবরাত্রিতে (navaratri) প্রতিটি বাড়িতে মহাসমারোহে পুজো করা হয় দেবীর।

    ৩০ বছর পর এই বার নববর্ষে (nababarsa) একটি শুভ রাজযোগ তৈরি হচ্ছে

    অন্যদিকে এই বছরের হিন্দু নববর্ষ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে- কারণ জ্যোতিষশাস্ত্রের গণনা অনুসারে, প্রায় ৩০ বছর পর এই বার নববর্ষে(nababarsa) একটি শুভ রাজযোগ তৈরি হচ্ছে। অমৃত সিদ্ধি যোগ, সর্বার্থ সিদ্ধি যোগ এবং শশ রাজযোগ ৯ এপ্রিল গঠিত হবে। এই বছর জুড়েই শনি ও মঙ্গল গ্রহের প্রভাব দেখা যাবে। হিন্দু নববর্ষে (hindu nababarsa)গঠিত এই শুভ যোগগুলি বৃষ রাশির জাতকদের ভাগ্যকে উজ্জ্বল করতে চলেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Sanjay Nirupam: কংগ্রেস থেকে ছ’বছরের জন্য বহিষ্কার সঞ্জয় নিরুপম, যোগ দিচ্ছেন শিন্ডে-শিবিরে?

    Sanjay Nirupam: কংগ্রেস থেকে ছ’বছরের জন্য বহিষ্কার সঞ্জয় নিরুপম, যোগ দিচ্ছেন শিন্ডে-শিবিরে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে দল থেকে বহিষ্কার করা হল মুম্বই কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি সঞ্জয় নিরুপম (Sanjay Nirupam)। ছ’বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে তাঁকে। লোকসভা নির্বাচনে মহারাষ্ট্রের তারকা প্রচারক তালিকা থেকে আগেই বাদ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। এবার করা হল বহিষ্কার। মুম্বইয়ে আসন সমঝোতা নিয়ে উদ্ধব ঠাকরের নেতৃত্বাধীন শিবসেনার আচরণে ক্ষুব্ধ নিরুপম প্রকাশ্যে দলবিরোধী মন্তব্য করেছিলেন। তার জেরেই বহিষ্কার করা হল তাঁকে।

    কংগ্রেসের প্রার্থী হওয়া নিয়ে অশান্তি! (Sanjay Nirupam) 

    মুম্বইয়ের একটি আসনে কংগ্রেসের প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন নিরুপম (Sanjay Nirupam)। আপত্তি জানায় উদ্ধবের দল। তার পরেই উদ্ধবের বিরুদ্ধে খাদ্য দুর্নীতির অভিযোগে সরব হন তিনি। এর পরেই পদক্ষেপ করেন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্ব। প্রথম জীবনে বালাসাহেব ঠাকরের শিবসেনা দল করতেন নিরুপম। পরে যোগ দেন কংগ্রেসে। প্রথমে রাজ্যসভা ও ২০০৯ সালে মুম্বই উত্তর লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ হন তিনি। ২০১৪ ও তার পরের লোকসভা নির্বাচনে গোহারা হারেন নিরুপম। তার পরেও দলে তাঁর গুরুত্ব বিশেষ কমছিল না। দিন কয়েক আগে প্রকাশ্যে দলীয় অবস্থানের বিরুদ্ধে গিয়ে মন্তব্য করায় বহিষ্কার করা হয় তাঁকে।

    শিন্ডে শিবিরে যোগ দিচ্ছেন নিরুপম?

    জানা গিয়েছে, কংগ্রেস থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে খবর পেয়েই শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন নিরুপম। শেষ পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী, শিন্ডে শিবিরেই যোগ দিচ্ছেন নিরুপম। যদিও এ ব্যাপারে তিনি নিজে কিছু বলেননি। মুম্বইয়ের একটি আসন থেকে শিন্ডের দল নিরুপমকে টিকিট দেবে বলেও জল্পনা ছড়িয়েছে। জল্পনার কারণও রয়েছে, কারণ মুম্বইয়ের ওই আসনে এখনও কোনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি শিন্ডে শিবির (Sanjay Nirupam)।

    আরও পড়ুুন: কেন বিজেপিতে? ‘কৈফিয়ত’ দিলেন অভিজিৎ, কী লিখলেন জানেন?

    প্রসঙ্গত, উনিশের লোকসভা নির্বাচনে উত্তর-পশ্চিম মুম্বই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন নিরুপম। সেবার তিনি পরাস্ত করেছিলেন শিন্ডে শিবিরের প্রার্থীকে। এবার সেই শিন্ডে শিবিরেই নাম লেখাচ্ছেন তিনি। কংগ্রেসের প্রচারকের তালিকা থেকে বাদ পড়ার পরেও গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিকে একহাত নিয়েছিলেন নিরুপম। বলেছিলেন, “নিজেকে বাঁচানোর জন্য নিজের কর্মশক্তি ব্যবহার করা উচিত ওদের (কংগ্রেসের)। কারণ চরম আর্থিক সঙ্কটের মুখে রয়েছে কংগ্রেস। আমি দলকে যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলাম, সেটার মেয়াদ আজ (বুধবার) শেষ হল। আগামিকাল (বৃহস্পতিবার) আমার পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে করব (Sanjay Nirupam)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Abhijit Gangopadhyay: কেন বিজেপিতে? ‘কৈফিয়ত’ দিলেন অভিজিৎ, কী লিখলেন জানেন?

    Abhijit Gangopadhyay: কেন বিজেপিতে? ‘কৈফিয়ত’ দিলেন অভিজিৎ, কী লিখলেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি (Abhijit Gangopadhyay)। তাঁর একের পর এক রায়ের জেরে কাঁপন ধরেছিল দুর্নীতি-বৃক্ষের শিকড়ে। ভয়ে তাঁকে তাক করতে শুরু করেছিলেন বাংলার শাসক দলের হেদিপেঁচিরাও। তা সত্ত্বেও তাঁকে টলানো যায়নি দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর লড়াই থেকে। এহেন এক বিচারপতি একদিন আচমকাই ইস্তফা দিয়ে হাতে তুলে নিলেন পদ্ম আঁকা ঝান্ডা।

    অভিজিতের ‘কৈফিয়ত’ (Abhijit Gangopadhyay)

    কেন তিনি বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন সম্প্রতি এক্স হ্যান্ডেলে সেই ‘কৈফিয়ত’ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি তথা তমলুক লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। তিনি লিখেছেন, “আমার জন্মস্থান, আমার প্রিয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, এক সময় সংস্কৃতি, বাণিজ্য ও সৃজনশীলতার কেন্দ্র হিসেবে খ্যাত ছিল। পশ্চিমবঙ্গের মানুষ সর্বদা ঐশ্বর্যের চেয়ে জ্ঞানের মহিমাকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছে। যাই হোক, বর্তমান রাজ্য সরকারের অপশাসন রাজ্যকে দুর্নীতিতে আচ্ছন্ন করে ফেলেছে। তা জীবনের প্রতিটি স্তরকে প্রভাবিত করেছে এবং সম্মিলিতভাবে রাজ্যের মর্যাদাকে টেনে নামিয়েছে। এক সময় এ রাজ্য ছিল শিল্পায়নের কেন্দ্র, যার জন্য ছিল প্রচুর কর্মসংস্থান, যা এ রাজ্যকে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের থেকে আলাদা পরিচিতি দিত। কিন্তু সেই রাজ্য এখন প্রচণ্ড আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছে। পরিযায়ী শ্রমিকরা হয়ে উঠেছেন এ রাজ্যের সব চেয়ে বড় রফতানির বস্তু।”

    নিশানা টিএমসিকে

    অভিজিৎ (Abhijit Gangopadhyay) লিখেছেন, “টিএমসি দলের নেতারা রাজ্যের ইকোসিস্টেমটাকেই দুর্নীতিগ্রস্ত করে তুলেছে। রাজ্যের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা ও যুব সমাজের ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করেছে। বাছাইয়ের ক্ষেত্রে যোগ্যতা আর মাপকাঠি নয়, বরং আর্থিক সামর্থ্যই এখন নির্ণায়ক।” তিনি লিখেছেন, “প্রোটোকল ও নিয়মাবলীর কারণে উচ্চ আসনে বসে আমায় অনেক ক্ষেত্রে নীরব দর্শক হয়ে থাকতে হয়েছে, যা আমার বিবেককে নাড়া দিচ্ছিল। তাই আমি আমার পথ পরিবর্তন করেছি। এবং এমন একটি পদক্ষেপ করেছি, যার মাধ্যমে এখন আমি রাজ্যের নৈতিক, সাংস্কৃতিক ও আর্থিক অবক্ষয় বন্ধ করার লড়াইয়ে যোগ দিতে পেরেছি, যা দীর্ঘকাল ধরে রাজ্যকে জর্জরিত করেছে।” পোস্টের শেষে তিনি (Abhijit Gangopadhyay) ট্যাগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডাকেও।

    আরও পড়ুুন: “মহিলা-তরুণদের কাছে যান”, ভিডিও-বার্তায় বঙ্গ বিজেপিকে নির্দেশ মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “মহিলা-তরুণদের কাছে যান”, ভিডিও-বার্তায় বঙ্গ বিজেপিকে নির্দেশ মোদির

    PM Modi: “মহিলা-তরুণদের কাছে যান”, ভিডিও-বার্তায় বঙ্গ বিজেপিকে নির্দেশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচন হবে আর ঠিক ১৪ দিন পরে। এই দফায় দেশের একাধিক কেন্দ্রের সঙ্গে সঙ্গে নির্বাচন হবে বাংলার তিন আসনেও। উত্তরবঙ্গের এই তিন আসনেই যখন তুঙ্গে নির্বাচনী প্রচার, মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই সময় বাংলার বুথ সভাপতিদের কাছে বার্তা এল স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)।

    ‘মহিলা-তরুণদের কাছে যান’ (PM Modi)

    বলা হল, আরও বেশি করে মহিলা এবং তরুণ ভোটারদের কাছে যাও। আজ, লক্ষ্মীবারেই প্রধানমন্ত্রী আসবেন কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে, বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে জনসভা করতে। তার আগের দিনই ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী মিলিত হন বাংলার বুথ সভাপতিদের সঙ্গে। প্রধানমন্ত্রী তাঁদের বলেন, “কীভাবে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পগুলির সুবিধা থেকে পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে তৃণমূল সরকার বঞ্চিত করছে, তা প্রতিটি বুথের যুব সম্প্রদায় ও মহিলাদের বোঝান। এ জন্য বাড়ি বাড়ি ঘুরুন বুথ সভাপতিরা।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ভোটারদের এই বলে ভরসা দিতে হবে যে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে আমি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, কোনওভাবেই তা থেকে পিছপা হব না। এর পাশাপাশি আপনাদের প্রতিটি লোকসভা কেন্দ্রের সাধারণ মানুষকে বোঝাতে হবে যে বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের যে সব শরিক পশ্চিমবঙ্গে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করার দাবি করছে, তারা আসলে জাতীয় স্তরে বিজেপি বিরোধিতায় একজোট হয়েছে। আর তাদের প্রধান ও একমাত্র উদ্দেশ্য হল, পরিবারবাদের রাজনীতি ও দুর্নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।” বুথস্তরের কর্মীদের নিয়ে ছোট ছোট দল গঠনের পরামর্শও দেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিটি দলে অন্তত একজন বা দু’জন মহিলা কর্মী রাখার নির্দেশও দেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: পাখির চোখ বাংলা, বিজেপির পালে ঝড় তুলতে বাংলার আসরে মোদি-শাহ

    বলেন, “প্রতিটি দলের ওপর দায়িত্ব থাকবে ১০-১৫টি নির্দিষ্ট পরিবারের সঙ্গে জনসংযোগের। এই পরিবারগুলির সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগে থাকতে হবে বুথস্তরের ওই ছোট ছোট টিমগুলিকে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ওই পরিবারগুলির ভোট পাকা করতে হবে আমাদের। যে দল পোলিং বুথ জিতবে, সেই দলই লোকসভায় জিতবে, সেই দলই দেশের ভোট জিতবে।” তিনি বলেন, “বাংলায় প্রতিটি নির্বাচনের আগে বিজেপি কর্মীদের যেনতেন প্রকারে আটকানোর চেষ্টা করে তৃণমূল। গোটা দেশ তা দেখেছে। এখানে জীবন বাজি রেখে লড়াই করেন বিজেপি কর্মীরা (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Balurghat: জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত সুকান্ত, ভাবছেন এখন মার্জিন নিয়ে

    Balurghat: জয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত সুকান্ত, ভাবছেন এখন মার্জিন নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভা আসনে বিজেপির (BJP) মনোনীত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার আগে বালুরঘাট শহরে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন সুকান্ত মজুমদার এবং তার সঙ্গে ছিলেন ত্রিপুরার (Tripura) মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (Manik Saha)।

    সুকান্তর মনোনয়নপত্র জমা (Balurghat)

    এছাড়াও উপস্থিত বিজেপির গঙ্গারামপুর, তপন, বালুরঘাট বিধানসভা বিধায়করা। বালুরঘাট শহরের বিজেপি মোড় এলাকা থেকে মিছিল করে বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার সহ অন্যান্য নেতৃত্ব জেলা শাসকের দপ্তরে এসে পৌঁছান। মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার সময় প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা সহ বিজেপির অন্যান্য নেতৃত্ব। বিজেপি পার্টির সূত্রের খবর আজকের এই মিছিলে অন্তত ১৫ হাজার মানুষের জমায়েত হয়েছিল। বিশাল মিছিল ও কর্মী সমর্থকদের ভিড়ে স্পষ্টতই খুশি বিজেপি জেলা নেতৃত্ব।

    কী বললেন সুকান্ত?

    মনোনয়ন পত্র জমা করে বাইরে বেরিয়ে এসেই সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আগেরবারের তুলনায় এবারে ভোটের ফলাফল আরও ভালো হবে এবং বালুরঘাটের আসনে বিজেপির জয়লাভ করবে। উন্নয়নের মিছিলে যেভাবে মানুষের উচ্ছ্বাস ও উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে তাতে এটাই প্রমাণ করে যে এবারেও এই আসলে বিজেপিরই জয় সুনিশ্চিত।” এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “আমরা এই আসনে বিপুল ভোটে জিতব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে আমরা এই আসন উপহার দেব আজকে মানুষের উচ্ছাস দেখে বোঝায় যাচ্ছে এই সিটটা কে দখল করবে। আজকে আমার সঙ্গে মনোনয়ন জমাতে উপস্থিত ছিল ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। তিনিও আমাদের সাথে এই রোদের মধ্যে প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা হেঁটেছে।” প্রসঙ্গত লোকসভার সেরা সাংসদের পুরষ্কার পেয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। কেন্দ্র সরকারের বহু প্রকল্প বালুরঘাটকে উপহার দিয়েছেন সুকান্ত বাবু। সেই কারণে তার জয়ের ব্যাপারে সন্দেহ নেই বালুরঘাটবাসীর।
     
     
     
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • CGHS-ABHA Link: সিজিএইচএস-এবিএইচএ আইডি সংযুক্তিকরণের কাজ বাধ্যতামূলক, জানাল কেন্দ্র

    CGHS-ABHA Link: সিজিএইচএস-এবিএইচএ আইডি সংযুক্তিকরণের কাজ বাধ্যতামূলক, জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এপ্রিলের তিরিশ তারিখের মধ্যেই সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট হেল্থ স্কিম বেনিফিশিয়ারি আইডির সঙ্গে আয়ুষ্মান ভারত হেল্থ অ্যাকাউন্ট আইডি সংযোগ (CGHS-ABHA Link) করতে হবে। সম্প্রতি এই মর্মে নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রক।

    শেষ করতে হবে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে (CGHS-ABHA Link)

    সংযুক্তিকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে পয়লা এপ্রিল। শেষ হবে চলতি মাসেরই ৩০ তারিখে। সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এটা স্থির করা হয়েছে যে সিজিএইচএস বেনিফিশিয়ারি আইডির সঙ্গে এবিএইচএ আইডি সংযুক্তিকরণের কাজ বাধ্যতামূলকভাবে শেষ করতে হবে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে। সিজিএইচএস বেনিফিশিয়ারি (CGHS-ABHA Link) যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের এই কাজটি করতেই হবে। সিজিএইচএস বেনিফিশিয়ারি আইডির সঙ্গে এবিএইচএ আইডি সংযুক্তিকরণের কাজ শেষ হলে হেল্থ কেয়ার সার্ভিসের ডিজিটাল ইনফ্রাস্ট্রাকচার আরও সমৃদ্ধশালী হবে। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্ত রেকর্ড থাকবে সরকারের নখদর্পণে। কেন্দ্রীয় সরকার সূত্রে খবর, সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট হেল্থ স্কিমের উপভোক্তাদের যাতে ডিজিটালি চিহ্নিত করা যায়, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট হেল্থ স্কিমের উপভোক্তাদের স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য ডিজিটালি রাখা থাকবে।

    সিজিএইচএস

    সিজিএইচএস চালু হয়েছিল ১৯৫৪ সালে। সরকারি কর্মীদের নিখরচায় ওষুধ এবং চিকিৎসা পরিষেবা দিতেই কেন্দ্র এই প্রকল্প শুরু করেছিল। সরকারি কর্মীদের পাশাপাশি এই পরিষেবা পান সরকারি অবসরপ্রাপ্ত কর্মীরাও। কর্মরত কিংবা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মীদের পোষ্যরাও এই প্রকল্পের সুবিধা ভোগ করেন। দেশের ৭৫টি শহরে ৪১ লাখেরও বেশি সরকারি কর্মী কিংবা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী এই সুযোগ পান। সেন্ট্রাল গভর্নমেন্ট হেল্থ স্কিমের বৈশিষ্ট্যগুলি হল, থাকার ব্যবস্থা সহ ডিসপেনসারি সার্ভিস, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের কনসাল্টেশনের সুবিধা, ইসিজি, এক্সরের মতো ল্যাবরেটরি পরীক্ষা, হাসপাতালে ভর্তি, ওষুধ ও অন্যান্য মেডিক্যাল সরবরাহ, বেনিফিশিয়ারিদের স্বাস্থ্য শিক্ষা, মেটারনিটি এবং চাইল্ড কেয়ার, পরিবার কল্যাণ সেবা (CGHS-ABHA Link)।

    আরও পড়ুুন: পাখির চোখ বাংলা, বিজেপির পালে ঝড় তুলতে বাংলার আসরে মোদি-শাহ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: পাখির চোখ বাংলা, বিজেপির পালে ঝড় তুলতে বাংলার আসরে মোদি-শাহ

    Lok Sabha Election 2024: পাখির চোখ বাংলা, বিজেপির পালে ঝড় তুলতে বাংলার আসরে মোদি-শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024)। বাংলার ৪২টি আসনের সবক’টিতেই জিততে হবে বলে বঙ্গ বিজেপিকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলাকে যে তিনিও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন, তার প্রমাণ ইতিমধ্যেই বাংলায় তিনটি জনসভা সেরে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী।

    মোদি-শাহের জনসভা (Lok Sabha Election 2024)

    বৃহস্পতিবার সভা করবেন কোচবিহারে, বিদায়ী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কেন্দ্রে। বিজেপি সূত্রে খবর, এ রাজ্যে অন্তত ১৫টি সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এর মধ্যে কেবল উত্তরবঙ্গেই তিনি সভা করতে পারেন ৬টি। রাজ্যে আসছেন (Lok Sabha Election 2024) মোদির ‘সেনাপতি’ অমিত শাহও। তিনিও প্রায় ১৫টি সভা করবেন বাংলায়। এ রাজ্যে প্রচারে আসবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাও। এঁরা প্রত্যেকেই বাংলায় সভা করবেন পাঁচ থেকে সাতটি করে। রোড-শো করবেন রাজনাথ সিংহ, স্মৃতি ইরানি এবং মানিক সাহার মতো বিজেপির তারকা প্রচারকরা।

    শহিদ মিনারেও জনসভা

    কলকাতার শহিদ মিনারেও একটি জনসভার আয়োজন করা হবে বিজেপির তরফে। সেই সভায় প্রধানমন্ত্রী নাকি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন, তা জানা যায়নি। যেমন যানা যায়নি, ঠিক কবে হবে শহিদ মিনারের জনসভা।বাংলার লোকসভার আসন ৪২টি। গত ডিসেম্বরে বঙ্গ সফরে এসে শাহ বলেছেন, অন্তত ৩৫টি আসন পেতে হবে বঙ্গ বিজেপিকে। মাসখানেক আগে বাংলার নির্বাচনী প্রচারে এসে ৪২টি লোকসভা কেন্দ্রের সবক’টিতেই বিজেপিকে জেতাতে হবে বলে নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই কোমর কষে লড়াইয়ের ময়দানে নেমে পড়েছেন বিজেপির বাংলার পদ্ম নেতারা।

    আরও পড়ুুন: বঙ্গে রামের দলের নয়া মুখপাত্র রাধিকা, চেনেন তাঁকে?

    ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে এ রাজ্যে বিজেপির আসন বাড়ছে বলেই আশাবাদী গেরুয়া শিবির। ঠিক দু’বছর পরে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে পালাবদল হবে ছাব্বিশেই। তাই আপাতত বাংলাই পাখির চোখ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের। সেই কারণেই ঘন ঘন বাংলা সফরে এসে বিজেপির পালে জোরালো হাওয়া তুলতে চাইছেন গেরুয়া পার্টির ভোট ম্যানেজাররা (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share