Tag: news in bengali

news in bengali

  • Lok Sabha Elections 2024: ‘কেন্দ্রে ফের বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার’, বলছে সমীক্ষা

    Lok Sabha Elections 2024: ‘কেন্দ্রে ফের বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার’, বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ-ই ফের আসছে কেন্দ্রের ক্ষমতায়। ‘মুড অফ দ্য নেশনে’র সমীক্ষায় উঠে এসেছে এই তথ্য। এর আগে দেশ-বিদেশের একাধিক সংস্থার সমীক্ষাতেও জানা গিয়েছিল, তৃতীয়বারের জন্য কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। কেন্দ্রে তৃতীয়বার বিজেপির ক্ষমতায় ফেরাটা যে স্রেফ সময়ের অপেক্ষা, তা বিভিন্ন সময় বলেওছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং। তাঁর সেই দাবিতেই এবার শিলমোহর দিল ‘মুড অফ দ্য নেশন’ও।

    আরও বেশি আসন

    গত দু’বারের চেয়েও এবার (Lok Sabha Elections 2024) আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে কেন্দ্রের কুর্সিতে ফিরতে চাইছেন নরেন্দ্র মোদি। মাস দুয়েক আগে দিল্লিতে দলের সদর দফতরে গিয়ে সে ইচ্ছে প্রকাশও করেছিলেন তিনি। তার পরেই প্রচারের সুর বেঁধে নেয় পদ্মশিবির। জন্ম হয় নয়া স্লোগানের – ‘আব কি বার, চারশো পার’। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, ৪০০ না হলেও, কিছু আসন কম পেয়ে ক্ষমতায় ফিরবে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার।

    ‘মুড অফ দ্য নেশনে’র সমীক্ষা

    ‘মুড অফ দ্য নেশনে’র সমীক্ষায় প্রকাশ, যদি এখনই লোকসভা নির্বাচন হয়, তবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ পেতে পারে ৩৩৫টি আসন। যদিও সরকার গড়তে প্রয়োজন ২৭২টি আসন। জানা গিয়েছে, দেশের সব লোকসভা কেন্দ্রের ৩৫ হাজার ৮০১ জন ভোটারের ওপর সমীক্ষাটি করা হয়েছিল। তাতেই জানা গিয়েছে এনডিএর জয়জয়কারের খবর।

    উল্টো দিকের ছবিটা বড় করুণ। বিজেপিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে জোট বেঁধেছিল ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছে ‘ইন্ডি’। সেই জোটের কোন্দলের জেরে প্রায়ই খবরের শিরোনামে চলে আসে ইন্ডি। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, এই ইন্ডি জোট সব মিলিয়ে ১৬৬টি আসন। প্রত্যাশিতভাবেই বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানাতে গেলে যে শক্তির প্রয়োজন, সেই শক্তি থাকবে না বিরোধী শিবিরের। লোকসভার ৫৪৩টি আসনের মধ্যে বিজেপি একাই পেতে পারে ৩০৪টি আসন।

    আরও পড়ুুন: অবৈধ মাদ্রাসা ভাঙাকে কেন্দ্র করে অশান্ত উত্তরাখণ্ড, মৃত ৪, আহত ২৫০, জারি কারফিউ

    উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছিল ৩০৩টি কেন্দ্রের রাশ। পদ্ম শিবিরের জয়রথের চাকা যখন গড়গড়িয়ে চলবে, তখন কংগ্রেস হাঁটবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে। অন্তত সমীক্ষার ফলের ইঙ্গিত তেমনই। জানা গিয়েছে, এবার কংগ্রেস পেতে পারে ৭১টি আসন, গতবারের চেয়ে ১৯টি আসন বেশি। সমীক্ষা থেকে জানা গিয়েছে, রাম মন্দির নির্মাণ, ভূস্বর্গ থেকে ৩৭০ ধারা লোপ এবং দেশজুড়ে উন্নয়নের জোয়ার, সব মিলিয়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির ওপরই ভরসা রাখছেন দেশের সিংহভাগ মানুষ (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Repo Rate Unchanged: মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিয়ে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    Repo Rate Unchanged: মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিয়ে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঋণের চাপ থেকে মধ্যবিত্তকে স্বস্তি দিতে রেপো রেট (Repo Rate Unchanged) বাড়ানোর পথে হাঁটল না রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। আগের মতো রেপো রেট ৬.৫০ শতাংশই থাকছে। এই নিয়ে টানা ৬ বার রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখল দেশের শীর্ষ ব্যাঙ্ক। 

    কী বললেন শক্তিকান্ত দাস?

    গত ৬ তারিখ থেকে শুরু হয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের আর্থিক নীতি নির্ধারণ কমিটির (এমপিসি) বৈঠক (RBI Monetary Policy)। এই দ্বিমাসিক বৈঠকে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক রেপো রেট নিয়ে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকে নজর ছিল সকলের। তিনদিনের বৈঠক শেষে বৃহস্পতিবার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। তিনি বলেন, ‘‘এবারের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এবং কমিটি রেপো রেট (Repo Rate Unchanged) ৬.৫০ শতাংশে স্থির রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ছয় সদস্যের মধ্যে পাঁচজন এর পক্ষে রায় দিয়েছেন।’’ একইভাবে, স্ট্যান্ডিং ডিপোজিট ফেসিলিটি ও মার্জিনাল স্ট্যান্ডিং ফেসিলিটির হারও যথাক্রমে ৬.২৫ ও ৬.৭৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। 

    শীর্ষ ব্যাঙ্কের ঘোষণায় স্বস্তিতে মধ্যবিত্ত

    রেপো রেট (অর্থাৎ, যে সুদের হারে বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকে স্বল্প মেয়াদে ঋণ দেয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক) অপরিবর্তিত (Repo Rate Unchanged) থাকার ফলে, গৃহ ঋণ থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত ঋণ, গাড়ির ঋণ ও শিক্ষা ঋণে সুদের হার একই থাকবে। তা বাড়বে না। রেপো রেট বৃদ্ধি পেলে, মধ্যবিত্তদের সমস্যা বাড়ত। কারণ, বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিও ঋণের ক্ষেত্রে সুদের হারও বাড়িয়ে দিত। কিন্তু, রেপো রেট স্থির থাকায়, আশা করা যাচ্ছে যে, ব্যাঙ্কগুলি সুদের হার বৃদ্ধি করবে না। 

    মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে প্রচেষ্টা অব্যাহত

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের মতে, রেপো রেট স্থির (Repo Rate Unchanged) থাকলে, মুদ্রাস্ফীতির মোকাবিলা করা সহজ হবে। যে কারণে, গত ৬ বার রেপো রেট এক রাখার ফলে, দেশের খুচরো মুদ্রাস্ফীতিতে আংশিক লাগাম পরানো গিয়েছে। শক্তিকান্ত দাস বলেন, ‘‘বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট বিশ্লেষণ করে মিশ্র সংকেত পাওয়া যাচ্ছে। মূদ্রাস্ফীতিও কিছুটা কমবে বলে মনে হচ্ছে (RBI Monetary Policy)। মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।’’ এরসঙ্গেই তাঁর দাবি, জিডিপি বৃদ্ধির সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা আগে ৬.৫ শতাংশ রাখা হলেও তা বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মঙ্গলের পর বুধেও উত্তাল বিধানসভা, “অধিবেশন কীসের জন্য?”, প্রশ্ন পদ্মের

    BJP: মঙ্গলের পর বুধেও উত্তাল বিধানসভা, “অধিবেশন কীসের জন্য?”, প্রশ্ন পদ্মের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নারী নির্যাতনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তাল রাজ্য বিধানসভা। মঙ্গলবার সিএজি রিপোর্ট নিয়ে বিজেপির দাবি না মানায় বিধানসভার বাইরে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি (BJP) বিধায়করা। বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় ঘটে চলা নারী নির্যাতনের ঘটনায় আলোচনা করতে চেয়ে অধিবেশন মুলতুবির প্রস্তাব আনে বিজেপি। এদিনও স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেন। ক্ষোভে ফেটে পড়েন পদ্ম-বিধায়করা।

    ধর্ষকদের শাস্তির দাবি

    কিছুদিন আগেই মালদা ও দিঘায় ঘটেছে ধর্ষণের ঘটনা। ধর্ষকদের শাস্তির দাবিতে পথে নেমেছে বিজেপি (BJP)। বুধবার এই নারী নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে আলোচনা চেয়ে অধিবেশন মুলতুবি প্রস্তাব আনেন ২ বিজেপি বিধায়িকা মালতি রাভা ও অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁদের এই প্রস্তাব খারিজ করে দেন বিধানসভার স্পিকার। বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। স্পিকার সকলকে শান্ত থাকার আর্জি জানান। পরে বিধানসভা কক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখান গেরুয়া-বিধায়করা।

    নারী সুরক্ষা তলানিতে

    অগ্নিমিত্রা বলেন, “শুধু জল বা রাস্তা নিয়ে কথা বলতে আসিনি। নারী সুরক্ষা তলানিতে ঠেকেছে। ধর্ষণ করে খুন নিয়ে বিচার হবে না আলোচনা হবে না।” তিনি বলেন, “রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নারী নির্যাতন হচ্ছে, শিশুদের ওপর আক্রমণ হচ্ছে। বিধানসভায়ও আপনারা বলতে দেবেন না। তাহলে কীসের জন্য বিধানসভা রেখেছেন? সব বন্ধ করে দিন।” তাঁরা জানান, এভাবে চলতে থাকলে বিধানসভার বাজেট অধিবেশন বয়কট করবেন তাঁরা। নারী নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিবৃতিও দাবি করেছে বিজেপি। স্পিকারকে কালো পতাকাও দেখান বিজেপি বিধায়করা।

    আরও পড়ুুন: মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে এরাজ্যে রোহিঙ্গারা, এনআইএ-র জালে ১৬ বাংলাদেশি টাউট

    প্রসঙ্গত, বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি এবং মহিলা ও শিশুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে যে এদিন মুলতুবি প্রস্তাব জমা করা হবে, তা আগেই জানিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সেই মতো এদিন প্রশ্নোত্তর পর্বের শেষে এই প্রস্তাব উত্থাপন করেন মালতি রাভা, সুমিতা সিনহা, চন্দনা বাউরি, শিখা চট্টোপাধ্যায়, তাপস মণ্ডল, অগ্নিমিত্রা পাল (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Rohingya Infiltration: মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে এরাজ্যে রোহিঙ্গারা, এনআইএ-র জালে ১৬ বাংলাদেশি টাউট

    Rohingya Infiltration: মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে এরাজ্যে রোহিঙ্গারা, এনআইএ-র জালে ১৬ বাংলাদেশি টাউট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় যে রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ (Rohingya Infiltration) করেছে বিভিন্ন সময়ে, তা আগেই দাবি করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। রোহিঙ্গারা যে এ রাজ্যে ঘাঁটি গেড়েছে, তা অনেক বার বলতে শোনা গিয়েছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকেও। তাঁদের দাবি যে নিছক গল্পকথা কিংবা কষ্টকল্পনা নয়, তার প্রমাণ মিলল এনআইএ রিপোর্টে।

    এনআইএর চার্জশিটে দাবি

    জানা গিয়েছে, মানব পাচার চক্রের মাধ্যমে মায়ানমার থেকে এ রাজ্যে ঢুকছে রোহিঙ্গারা। এনআইএ-র চার্জশিটেই এই দাবি করা হয়েছে। চার্জশিটে আরও দাবি (Rohingya Infiltration) করা হয়েছে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তকে ব্যবহার করে রমরমিয়ে চলছে মানবপাচার। এই পাচার চক্রের৩৬ জনের বিরুদ্ধে দু’রাজ্যের দু’টি মামলায় এনআইএ চার্জশিট দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৬ জন বাংলাদেশি, একজন রোহিঙ্গাও। 

    মামলা দায়ের অসম পুলিশের

    ১৯৬৭ সালের পাসপোর্ট আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করেছিল অসম পুলিশ। তার পরেই উঠে আসে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, মায়ানমার থেকে ভারতে প্রবেশ করছে রোহিঙ্গারা (মায়ানমারের মুসলমানরা)। এর পরেই মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করে এনআইএ। সেই মামলায়ই অসমের এনআইএ আদালতে পেশ করা হয় ওই চার্জশিট। এনআইএর পেশ করা চার্জশিটে দাবি করা হয়েছে, ভুয়ো পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অসম, ত্রিপুরা, পশ্চিমবঙ্গ এবং জম্মু-কাশ্মীরে ঢুকে পড়েছে রোহিঙ্গারা। অভিযান চালিয়ে গ্রেফতারও করা হয়েছে ৩৬ জনকে। এরা পশ্চিমবঙ্গের কাছে বাংলাদেশের বেনাপোল ও যশোর দিয়ে এবং ত্রিপুরার কাছে বাংলাদেশের আখাউড়া দিয়ে ভারতে ঢুকেছে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া। উদ্ধার করা হয়েছে প্রচুর ভুয়ো নথি, ব্যাঙ্কের নথি এবং ডিজিটাল ডিভাইস।

    আরও পড়ুুন: অশান্তির আগুন মায়ানমারে, দেশে ফিরুন, প্রবাসীদের আবেদন ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের

    তদন্তকারীরা জেনেছেন, ভালো কাজ ও উন্নত জীবন যাপনের টোপ দিয়ে রোহিঙ্গাদের ঢোকানো হচ্ছে এ দেশে। কয়েকজন রোহিঙ্গা মহিলাকে বিয়ের নামে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে বয়স্ক পুরুষদের কাছে। পাচার চক্রের লোকজনই অনুপ্রবেশকারীদের ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে দিচ্ছে। সেই পরিচয়পত্র নিয়ে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা (Rohingya Infiltration)।

    ভারতে রোহিঙ্গাদের ঢুকিয়ে যে জঙ্গি কার্যকলাপে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা অনেক আগেই দাবি করেছিল এনআইএ। এদের মূলে পৌঁছতে ১১টি রাজ্যে তল্লাশি চালায় এনআইএ। কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল (Rohingya Infiltration)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Myanmar: অশান্তির আগুন মায়ানমারে, দেশে ফিরুন, প্রবাসীদের আবেদন ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের

    Myanmar: অশান্তির আগুন মায়ানমারে, দেশে ফিরুন, প্রবাসীদের আবেদন ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুন মায়ানমারের (Myanmar) রাখাইন প্রদেশে। সরকারি সেনার সঙ্গে পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। রাখাইন প্রদেশের দুটি শহরের সেনা ঘাঁটির দখল নিয়েছেন বিদ্রোহীরা। এমতাবস্থায় রাখাইন প্রদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের দ্রুত ভারতে ফিরে আসার পরামর্শ দিয়েছে বিদেশমন্ত্রক।

    নির্দেশিকা জারি

    অশান্ত মায়ানমারে যেতে নিষেধ করা হয়েছে ভারতীয় পর্যটকদেরও। মঙ্গলবার এ ব্যাপারে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, রাখাইন প্রদেশের (Myanmar) আইনশৃঙ্খলা ভেঙে পড়েছে। নষ্ট হয়ে গিয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থাও। নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের আকাল দেখা দিয়েছে। তাই রাজ্যটি আপাতত প্রবাসী ভারতীয়দের বসবাসের জন্য নিরাপদ নয়। সেই কারণেই ভারতীয় নাগরিকদের দ্রুত মায়ানমার ছেড়ে ভারতে ফেরার আবেদন জানানো হয়েছে।

    গণতন্ত্র ফেরানোর দাবি

    ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে সামরিক অভ্যুত্থানের পর থেকেই গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে সোচ্চার হন মায়ানমারবাসী। গত অক্টোবর মাস থেকে সশস্ত্র জাতিগোষ্ঠী ও মায়ানমারের সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে। নভেম্বর মাস থেকে ‘তাং ন্যাশনাল লিবারেশন আর্মি’, ‘আরাকান আর্মি’ ও ‘মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি’র নয়া জোট ‘ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স’ সামরিক জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। তার জেরেই একের এক এলাকায় শুরু হয়েছে (Myanmar) তুমুল সংঘর্ষ।

    সম্প্রতি যুদ্ধ বেঁধেছে রাখাইন প্রদেশে। এখানকার রামরি শহরে রয়েছে বায়ুসেনার একটি ঘাঁটি। ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স সেটি দখল করতে চাইছে। মায়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া কয়েকটি গ্রাম পিপলস ডিফেন্স ফোর্সের দখলে এসেছে। এই অঞ্চলের সরকারি সেনা শিবিরগুলির দখলও বিদ্রোহীরা নিয়েছেন বলে খবর।

    আরও পড়ুুন: ‘ইন্ডি’ জোট ছেড়ে এনডিএ শিবিরে ভিড়ছে জয়ন্ত চৌধুরীর রাষ্ট্রীয় লোক দল!

    এদিকে, মায়ানমারের সংঘর্ষ নিয়ে শেষতক মুখ খুলল রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। অসামরিক ব্যক্তি ও পরিকাঠামোয় যাতে সরকারি সেনা হামলা না করে সেজন্য মায়ানমার সরকারকে নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সোমবার নিরাপত্তা পরিষদের তরফে এ সংক্রান্ত একটি বিবৃতিও জারি করা হয়েছে। বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছে আমেরিকা, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, স্লোভেনিয়া, সুইজারল্যান্ড, ইকুয়েডর ও মাল্টা। ভারত-মায়ানমার সীমান্তবর্তী কয়েকটি অঞ্চলও অশান্ত হয়ে উঠেছে। মণিপুর ও মিজোরামের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এর প্রভাব পড়েছে। যা হয়ে উঠছে ভারতের মাথাব্যথার কারণ (Myanmar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • RLD: ‘ইন্ডি’ জোট ছেড়ে এনডিএ শিবিরে ভিড়ছে জয়ন্ত চৌধুরীর রাষ্ট্রীয় লোক দল!

    RLD: ‘ইন্ডি’ জোট ছেড়ে এনডিএ শিবিরে ভিড়ছে জয়ন্ত চৌধুরীর রাষ্ট্রীয় লোক দল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভাঙনের মুখোমুখি হতে পারে ‘ইন্ডি’ জোট। বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দিতে পারেন রাষ্ট্রীয় লোক দলের (RLD) নেতা জয়ন্ত চৌধুরী। সূত্রের খবর, জয়ন্ত ইতিমধ্যেই দিল্লিতে গিয়ে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে ফেলেছেন। বিজেপির তরফে তাঁকে উত্তরপ্রদেশে চারটি আসন দেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। এই আসনগুলি হল কৈরানা, বাগপত, মথুরা এবং আমরোহা।

    উত্তরপ্রদেশেও ভাঙন ইন্ডি জোটে

    গেরুয়া হঠাতে বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দল চলে আসে এক ছাতার তলায়। জোটের নাম হয় ‘ইন্ডি’। সেই জোটেই শোনা যাচ্ছে ভাঙনের ‘ঝপাং ঝপাং’ শব্দ। জয়ন্তর রাষ্ট্রীয় লোক দল যেমন বিজেপি-জোটে নাম লেখানোর তোড়জোড় শুরু করেছে, তেমনি উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসকে না জানিয়েই একতরফাভাবে ১৬টি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে অখিলেশ যাদবের দল সমাজবাদী পার্টি। ইন্ডি জোটের অন্যতম উদ্যোক্তা বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার মহাগটবন্ধন ছেড়ে ভিড়ে গিয়েছেন বিজেপি শিবিরে। জোটে থেকেও বেসুরো গাইছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেস এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি।

    গেরুয়া শিবিরে নৌকা

    জয়ন্তর দল (RLD) যে গেরুয়া শিবিরে নৌকা ভেড়াতে চলেছে, তার প্রমাণও মিলেছে। ইতিমধ্যেই ‘ইন্ডি’ জোটের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেছেন জয়ন্ত। পার্লামেন্টের বাজেট অধিবেশনেও অংশ নেননি তিনি। তাঁর দাদু চৌধুরী চরণ সিংহের একটি মূর্তির আবরণ উন্মোচন উপলক্ষে উত্তরপ্রদেশের ছাপ্রাউলিতে ‘ইন্ডি’ জোটের সমাবেশ হওয়ার কথা ছিল। তা স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, বিজেপির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধা হয়ে গেলেই মূর্তির আবরণ উন্মোচনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং।

    আরও পড়ুুন: রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ, ভোটের ঘোষণা কবে?

    কেন এনডিএ শিবিরে আসতে চাইছে আরএলডি?

    প্রশ্ন হল, কেন এনডিএ শিবিরে ভিড়তে চাইছে জয়ন্ত চৌধুরীর দল (RLD)? সূত্রের খবর, বিজেপির সঙ্গে থাকলে ‘জাত’ হবে উঁচু। জাঠ ভোটও তো আসবেই দলের ঝুলিতে, এমনকী জাঠ নন এমন মানুষের ভোটও পড়বে জয়ন্তর দলের প্রার্থীর পাশে। সেক্ষেত্রে দলীয় প্রার্থীদের জয় হবে নিছক ‘কেক-ওয়াক’। বর্তমানে, উত্তরপ্রদেশের জাঠ ভোট ভাগাভাগি হচ্ছে আরএলডি ও বিজেপির মধ্যে। রাষ্ট্রীয় লোক দল বিজেপির সঙ্গে হাত মেলালে জাঠ ভোটের সিংহভাগই চলে আসবে এনডিএ-র পক্ষে। তাতে উত্তরপ্রদেশে বিজেপি তো বটেই, পায়ের নীচের মাটি শক্ত হবে রাষ্ট্রীয় লোক দলেরও (RLD)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

       

     

  • Amit Shah: অনুপ্রবেশ রুখতে মায়ানমার সীমান্তে বেড়া দেওয়া হবে, জানালেন শাহ

    Amit Shah: অনুপ্রবেশ রুখতে মায়ানমার সীমান্তে বেড়া দেওয়া হবে, জানালেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্তি চলছে পড়শি দেশ মায়ানমারে। হিংসাদীর্ণ দেশটির বহু মানুষ প্রাণ বাঁচাতে আশ্রয় নিচ্ছে ভারতে। যুদ্ধ ফেলে শরণার্থীর ভিড়ে মিশে গিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েছিল মায়ানমারের বেশ কিছু সেনাও। পরে অবশ্য (Amit Shah) তাঁদের ফেরত পাঠানো হয় স্বদেশে।

    অনুপ্রবেশ রুখতে বেড়া

    প্রাণ বাঁচাতে যারা সে দেশ থেকে চলে আসছে ভারতে, তাদের অনেকেই আবার জড়িয়ে পড়ছে এ দেশে বিভিন্ন অসামাজিক কাজকর্মে। এসব রুখতেই এবার ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার এলাকায় বেড়া দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, ‘ফ্রি মুভমেন্ট রেজিমে’র দিন শেষ হতে চলেছে। এক্স হ্যান্ডেলে শাহ লিখেছেন, “নিশ্ছিদ্র সীমান্ত তৈরি করতে বদ্ধপরিকর মোদি সরকার। ঠিক হয়েছে, ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ১ হাজার ৬৪৩ কিলোমিটার দীর্ঘ বেড়া দেওয়া হবে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সীমান্তে চলবে টহলদারি। গোটা সীমান্তের মধ্যে মণিপুরে ইতিমধ্যেই দশ কিলোমিটার এলাকায় তারের বেড়া দেওয়া হয়েছে। আরও ২০ কিলোমিটার বেড়া দেওয়ার কাজ শীঘ্রই শুরু হবে।”

    পাইলট প্রজেক্ট

    অত্যাধুনিক নজরদারির দুটি পাইলট প্রজেক্টও শুরু করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, সেপ্টেম্বর (Amit Shah) মাসেই মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিং কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানিয়েছিলেন অনুপ্রবেশ রুখতে ভারত-মায়ানমারের সীমান্তের ৩৯০ কিলোমিটার  অংশে বেড়া দেওয়ার। তার মধ্যে বেড়া দেওয়া রয়েছে বড়জোর ১০ কিলোমিটার অংশে।

    মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ড ও অরুণাচল প্রদেশ— ভারতের এই চার রাজ্যের সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে মায়ানমারের। দুই দেশের বোঝাপড়া মোতাবেক সীমান্তে বসবাসকারী উপজাতিরা দুই দেশের সীমান্তের ১৬ কিলোমিটার ভেতর পর্যন্ত যেতে পারেন। বর্ডারপাস দেখিয়ে এঁরা দুই দেশে দু’সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারেন। এই দুই ব্যবস্থাই তুলে দেওয়ার আবেদন জানান মণিপুরের রাজ্যপাল।

    আরও পড়ুুন: প্রকাশ করা হবে ইউপিএ জমানার ‘কেলেঙ্কারি’, বাড়ছে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) জানান, বেড়া দেওয়ার জন্য একটি হাইব্রিড সারভেল্যান্স সিস্টেমের মাধ্যমে দুই পাইলট প্রজেক্টের কাজ দ্রুত রূপায়ন করা হবে। এই প্রজেক্টে মণিপুর ও অরুণাচল প্রদেশের এক কিলোমিটার করে অংশে দ্রুত বেড়া দেওয়ার কাজ শুরু হবে। মণিপুর সীমান্তে প্রায় ২০ কিলোমিটার অংশেও বেড়া দেওয়ার কাজের অনুমোদন মিলেছে। শীঘ্রই কাজ শুরু হবে (Amit Shah)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Loksabha Elections 2024: রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ, ভোটের ঘোষণা কবে?

    Loksabha Elections 2024: রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ, ভোটের ঘোষণা কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাদ্যি বাজতে চলেছে লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Elections 2024)! নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, মার্চের দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে যেতে পারে লোকসভার। এই মাসের প্রথম সপ্তাহেই রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, মার্চের ১০ তারিখের মধ্যেই আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশিত হতে পারে। উনিশের লোকসভা নির্বাচন শুরু হয়েছিল ১১ এপ্রিল। সেবার ভোট হয়েছিল সাত দফায়। নির্বাচন-পর্ব শেষ হয়েছিল ১৯ মে। ফল প্রকাশ হয়েছিল ২৩ মে।

    নির্বাচনের ঢাকে কাঠি!

    সূত্রের খবর, রাজ্যে এসে নির্বাচন কমিশনার একাধিক বৈঠক করবেন। পুলিশ এবং প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন তিনি। নির্বাচনের (Loksabha Elections 2024) সময় আইন-শৃঙ্খলা ঠিক রাখা থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলবেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, মাঝ-এপ্রিলে নির্বাচন হতে পারে বলে আগেই জানিয়েছিল মাধ্যম। সেই মতোই প্রস্তুতি চলছে বলে সূত্রের খবর। ইতিমধ্যেই কোমর বেঁধে ময়দানে নেমে পড়েছে বিজেপি। গতবারের চেয়ে এবার আরও বেশি সংখ্যক আসন নিয়ে ক্ষমতায় ফিরতে চাইছে গেরুয়া শিবির।

    আব কি বার ৪০০ পার!

    দিন দুই আগে সংসদে প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বলেওছিলেন, বিজেপি একাই পাবে ৩৭০টি আসন। এনডিএ পার করবে ৪০০-র গণ্ডী। অবশ্য এই প্রথম নয়, মাস দুয়েক আগে দিল্লিতে দলের সদর দফতরে আয়োজিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দলীয় নেতাকর্মীদের বলে দিয়েছিলেন, এবার (Loksabha Elections 2024) ৪০০-র বেশি আসন পেতে হবে। তার পরেই প্রচারের সুর বেঁধে ছিল বিজেপি-‘আব কি বার চারশো পার।’

    আরও পড়ুুন: প্রকাশ করা হবে ইউপিএ জমানার ‘কেলেঙ্কারি’, বাড়ছে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ

    কেন্দ্রের শাসক দলের প্রস্তুতি যখন তুঙ্গে, তখন ছন্নছাড়া দশা বিরোধী শিবিরে। অথচ মাস ছয়েক আগেই বিজেপিকে হারাতে জোট বেঁধেছিল ২৬টি রাজনৈতিক দল। জোটের নাম হয়েছিল ‘ইন্ডি’। তার পর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রকট হয়েছে ‘ইন্ডি’র অন্দরের ফাটল। কখনও আসন রফা নিয়ে, কখনও আবার প্রধানমন্ত্রী মুখ কাকে করা হবে, তা নিয়ে অশান্তি লেগেই রয়েছে। পরিস্থিতি এমনই দাঁড়িয়েছে যে, বাংলায় ন্যায় যাত্রায় এসে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে। উত্তরপ্রদেশে আবার ১৬টি আসনে একতরফাভাবে প্রার্থী ঘোষণা করে দিয়েছে অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টি। আর বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার, যিনি কিনা ‘ইন্ডি’ জোটের অন্যতম মূল উদ্যোক্তা, তিনি তো ফিরে এসেছেন এনডিএ শিবিরে (Loksabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

       

     

  • Budget Session: প্রকাশ করা হবে ইউপিএ জমানার ‘কেলেঙ্কারি’, বাড়ছে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ

    Budget Session: প্রকাশ করা হবে ইউপিএ জমানার ‘কেলেঙ্কারি’, বাড়ছে বাজেট অধিবেশনের মেয়াদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাড়ছে সংসদের বাজেট অধিবেশন (Budget Session)। অধিবেশন চলার কথা ছিল ৯ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার পর্যন্ত। সেটা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১০ ফেব্রুয়ারি, শনিবার পর্যন্ত। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী জানান, বাজেট অধিবেশন বাড়ানো হয়েছে ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

    শ্বেতপত্র প্রকাশ

    ইউপিএ সরকারের আমলের আর্থিক অনিয়ম শীর্ষক একটি শ্বেতপত্র সংসদে পেশ করতে পারে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সেই কারণেই মেয়াদ বৃদ্ধি করা হচ্ছে বাজেট অধিবেশনের। শ্বেতপত্রটির মাধ্যমে ইউপিএ আমলের অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা, সেই সময়ের ভারতের অর্থনৈতিক দুর্দশা ও অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাবগুলি বিস্তারিত তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ সরকার। বাজেট অধিবেশন (Budget Session) শুরু হয়েছিল ৩১ জানুয়ারি। ১ ফেব্রুয়ারি পেশ হয় অন্তর্বর্তী বাজেট। যেহেতু লোকসভা নির্বাচন রয়েছে এ বছর, তাই পূর্ণাঙ্গ বাজেট নয়, পেশ করা হয়েছে ভোট অন অ্যাকাউন্ট বা অন্তর্বর্তীকালীন বাজেট। ওই দিন পেশ হয়েছে রেল বাজেটও।

    কংগ্রেসকে নিশানা

    সংসদে রাষ্ট্রপতির বৃক্তৃতার ওপর জবাবী ভাষণ দিতে গিয়ে সোমবার কংগ্রেসকে নিশানা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর জমানায় কাজের খতিয়ান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “কংগ্রেস ভাবতেই পারবে না কী গতিতে কাজ হয়েছে। এই সরকার ১০ বছরে যে কাজ করেছে, কংগ্রেসের তা করতে লাগবে ১০০ বছর।” ইউপিএ জমানার সঙ্গে এনডিএ জমানার তুলনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “ভারত যে গতিতে এগোচ্ছে, তাতে আমি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি যে আমাদের তৃতীয় মেয়াদে ভারত হবে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনৈতিক শক্তি। এটা মোদির গ্যারান্টি।”

    আরও পড়ুুন: মমতা সরকারের ২ লক্ষ ২৯ হাজার কোটির দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে দ্রুত শুনানির আর্জি বিজেপির

    মঙ্গলবার রাজ্যসভায় পাশ হয়েছে সংবিধান (তফশিলি জনজাতি) নির্দেশিকা (সংশোধন) বিল, ২০২৪ ও সংবিধান (তফশিলি জাতি ও তফশিলি জনজাতি) নির্দেশিকা (সংশোধন) বিল, ২০২৪। এদিন রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ জ্ঞাপক প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয় সংসদে (Budget Session)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “বাঙালির মান-সম্মান জলাঞ্জলি দিয়েছেন এই মুখ্যমন্ত্রী”, মমতাকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “বাঙালির মান-সম্মান জলাঞ্জলি দিয়েছেন এই মুখ্যমন্ত্রী”, মমতাকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাঙালির মান-সম্মান-ইজ্জত সব কিছু জলাঞ্জলি দিয়েছেন এই মুখ্যমন্ত্রী।” সোমবার এই ভাষায়ই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। লোকসভা অধিবেশনে যোগ দিতে এদিন দিল্লির উদ্দেশে রওনা দেন বালুরঘাটের সাংসদ। তার আগে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রীকে।

    কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত বলেন, “যে ধরনের শব্দ মুখ্যমন্ত্রীর মুখ থেকে বেরিয়েছে, এ ধরনের শব্দ মুখ্যমন্ত্রীর মুখ থেকে বেরনো উচিত নয়, অন্তত পক্ষে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর মুখ থেকে তো নয়ই।” এর পরেই তিনি বলেন, “বাঙালির মান-সম্মান-ইজ্জত সব কিছু জলাঞ্জলি দিয়েছেন এই মুখ্যমন্ত্রী।” নাম না করে এদিন তৃণমূলের মুখপাত্রকেও আক্রমণ শানিয়েছেন সুকান্ত। তৃণমূলের এই মুখপাত্র বলেছিলেন, “ভোটে জেতার পর চড়াম চড়াম ঢাক বাজবে।” সে প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar) বলেন, “আগে যে বাঘ চড়াম চড়াম বলত, সে এখন ছাগ হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে তিহাড় জেলে। এখন এই নতুন অনুব্রত, কলকাতার অনুব্রত কবে ছাগ হবে সেটাই দেখার।”

    ‘সন্ত্রাসের এপিসেন্টার’

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে বিজেপি সমর্থক এক পরিবারের সদস্যদের তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। এ প্রসঙ্গে বালুরঘাটের সাংসদ বলেন, “সব জায়গায়ই এটা হচ্ছে, বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও উত্তর ২৪ পরগনার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে এখনও সন্ত্রাসের বাতাবরণ রয়েছে। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা হচ্ছে সন্ত্রাসের এপিসেন্টার। এই লোকসভায়ই সব চেয়ে বেশি সন্ত্রাস হয়।”

    প্রসঙ্গত, শনিবার কেন্দ্রকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে কুরুচিকর মন্তব্য করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছিলেন, “রোজ মোদিজি বলছে, পাকা বাড়ি করে দিচ্ছি। *** তুমি প্রাসাদ অট্টালিকায় থাকবে, আর এই গরিব লোকের মাথার ছাদটা কেড়ে নিয়েছো, তাঁকে দিচ্ছ না।”

    আরও পড়ুুন: “শুধু অ্যাকশন-রিঅ্যাকশনে নজর রাখতে হবে”, শাহি বৈঠক শেষে বললেন শুভেন্দু

    মুখ্যমন্ত্রীর এহেন কুরুচিকর মন্তব্যের প্রতিবাদে রবিবার বর্ণ পরিচয় হাতে কলকাতায় মিছিল করে বিজেপির যুব মোর্চা। সেই ছবিতে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে দেওয়া হয় মধু। বিজেপির যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি ইন্দ্রনীল খাঁ বলেন, “মোদিজি দেশের প্রধানমন্ত্রী। তিনি আমাদের দেশের ১৪০ কোটি মানুষের প্রতিনিধিত্ব করছেন। তাঁর উদ্দেশে যেভাবে কু-শব্দ প্রয়োগ করলেন, তা দুর্ভাগ্যজনক। পশ্চিমবঙ্গবাসী হিসেবে, বাংলাভাষী হিসেবে আমরা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কাছে (Sukanta Majumdar) ক্ষমাপ্রার্থী।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share