Tag: news in bengali

news in bengali

  • Bengal Coal Scam Case: কয়লাকাণ্ডে ১০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেন অনুপ মাঝি

    Bengal Coal Scam Case: কয়লাকাণ্ডে ১০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেন অনুপ মাঝি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচারকাণ্ডে (Bengal Coal Scam Case) শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন লালা। নিজের বাড়ি পুরুলিয়ার নিতুরিয়া থানা এলাকা থেকে ৫০ কিলোমিটারের বাইরে যেতে পারবেন না। ট্রায়াল শেষ না হওয়া পর্যন্ত এমন আদেশ থাকবে। ১০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে শর্ত সাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন তিনি। আগামী ২১ মে চূড়ান্ত ফাইনাল চার্জশিট জমা দেওয়ার পর এই মামলার ট্রায়াল শুরু হবে।

    ভোটের দিন আত্মসমর্পণ করে করে ছিলেন লালা (Bengal Coal Scam Case)

    আজ মঙ্গলবার কয়লা পাচার মামলায় আত্মসমর্পণ করেছিলেন অনুপ মাঝি ওরফে লালা। এই কয়লা পাচার মামলায় প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে তিনি রয়েছেন। এদিন আসানসোল সিবিআই আদলাতে হাজিরা দেন। এই কয়লা পাচার মামলায় গুরুপদ সহ মোট চারজন প্রথমে গ্রেফতার হয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনজন মামলায় জামিন পেয়েছিলেন।

    গ্রেফতারিতে ছিল রক্ষা কবচ

    জানা গিয়েছে, আগেই সুপ্রিম কোর্ট থেকে লালা রক্ষাকবচ নিয়ে ছিলেন। সিবিআই সেই জন্য তাঁকে গ্রেফতার করেনি। কিন্তু কয়লা পাচার (Bengal Coal Scam Case) তদন্তের চার্জ গঠন করার নির্দেশ দেয় আসানসোলের বিশেষ আদালত। বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী মামলায় অত্যন্ত তৎপর ছিলেন। আগামী ২১ তারিখ ছিল এই চার্জ পেশ করার সময়। কিন্তু সিবিআই আদালতে জানায় যে লালাকে জিজ্ঞাসাবাদ না করলে মামলায় চূড়ান্ত চার্জশিট গঠন সম্ভব নয়। আবার বিচারক জানান, গ্রেফতারির ক্ষেত্রে রক্ষা কবচ রয়েছে কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে বাধা নেই। এরপর লালার খোঁজে অভিজান শুরু হয়। গতকাল আসানসোলে ভোট পর্ব ছিল। ভোট শেষ হেতেই লালা আদলাতে আত্মসমর্পণ করেন। অপর দিকে এই মামলায় আবার ইডি তদন্ত করছে। সেখানে অবশ্য রক্ষা কবচ নেই। ফলে লালার আবার গ্রফতার হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

    আরও পড়ুনঃ“তৃণমূল নেতাদের বাড়ি গিয়ে কলার ধরে টাকা আদায় করুন”, তোপ সুকান্তর

    মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন অনুব্রত

    ২০২০ সালে কয়লা পাচার মামালার (Bengal Coal Scam Case) তদন্ত শুরু হয়েছিল। রেলের বিভিন্ন সাইডিং থেকে কয়লা চুরি করার ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় তদন্ত। লালার বাড়ি, অফিসে তল্লাশি চালিয়ে সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়। লালার সঙ্গী গুরুপদ এখনও তিহাড় জেলে বন্দি। গরু পাচারের সময় এনামুলের সঙ্গে সিন্ডিকেটের সাহায্য নিতেন লালা। উত্তরবঙ্গ সহ একাধিক রাজ্যে গরু পাচারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। উল্লেখ্য কয়লা পাচারকাণ্ডে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইতিমধ্যে বেশ কয়েকবার জেরার মুখে পড়েছেন তৃণমূল নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যে এই গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল।     

          

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “পাকিস্তান যদি চুড়ি না পরে, আমরা পরাব”, ‘ইন্ডি’ নেতাদের জবাব মোদির

    PM Modi: “পাকিস্তান যদি চুড়ি না পরে, আমরা পরাব”, ‘ইন্ডি’ নেতাদের জবাব মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তান যদি চুড়ি না পরে, আমরা তাদের পরাব।” সোমবার এই ভাষায়ই ইন্ডিয়া ব্লকের নেতা ফারুক আবদুল্লা ও মণিশঙ্কর আইয়ারের ‘পাকিস্তান-স্তুতি’র জবাব দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।সম্প্রতি প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং বলেছিলেন, “পাক-অধিকৃত কাশ্মীর আমরা ফিরিয়ে আনবই।”

    কী বলেছিলেন ফারুক?

    দিন কয়েক আগে তারই জবাব দিয়েছিলেন ইন্ডি জোটের শরিক দল ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ফারুক আবদুল্লা। তিনি বলেছিলেন, “প্রতিবেশি দেশ(পাকিস্তান) হাতে চুড়ি পরে বসে নেই।” এদিন বিহারের মুজফফরপুরের জনসভায় ফারুকের এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। ফারুকের নাম না নিয়েই তিনি বলেন, “পাকিস্তান যদি চুড়ি না পরে, আমরা তাদের পরাব। তাদের কাছে ময়দা নেই, বিদ্যুৎ নেই। এখন আমি জেনেছি যে, তাদের চুড়িরও অভাব রয়েছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    এর পরেই প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “ইন্ডিয়া ব্লকে বোধহয় এমন কিছু নেতা রয়েছেন যাঁরা পাকিস্তানের ভয়ে ভীত। পাকিস্তানে পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে এমন দুঃস্বপ্নও দেখেন তাঁরা।” ফারুকের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর নিশানায় যে ইন্ডি জোটের আরও এক শরিক কংগ্রেসের মণিশঙ্কর আইয়ারও, তা বুঝতে অসুবিধা হয় না। দিন কয়েক আগে প্রবীণ এই কংগ্রেস নেতা বলেছিলেন, “পারমাণবিক বোমা থাকায় ভারতের উচিত পাকিস্তানকে সমঝে চলা।” কংগ্রেসের এই নেতার মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “কংগ্রেস জনগণের মধ্যে ভয়ের বাতাবরণ সৃষ্টি করতে চাইছে। কংগ্রেসের এই ভীরু মনোভাবই আগে সীমান্তে সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করেছিল।” নিম্নমানের হওয়ায় পাকিস্তানের পরমাণু বোমা যে কেউ কিনছে না, সেকথাও জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।   

    আরও পড়ুুন: চতুর্থ দফায় ভোট পড়ল প্রায় ৬৩ শতাংশ, বাংলায় ছাপ্পা রুখল এআই

    এই সভার আগে প্রধানমন্ত্রী জনসভা করেন হাজিপুরে। সেখানেও তাঁর চাঁদমারি ছিলেন বিরোধী নেতারা। প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে যে টাকা উদ্ধার হয়েছে, তা দেশের গরিব মানুষের টাকা। আমি আপনাদের বলব, ইডির মতো সংস্থা ব্যবস্থা নিতেই কেন তাঁরা কান্নাকাটি শুরু করেছেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পূর্বতন কংগ্রেস জমানায় ইডি উদ্ধার করেছিল মাত্র ৩৫ লাখ টাকা। এই পরিমাণ টাকা স্কুল ব্যাগেই রাখা যায়। আর আমাদের জমানায় সংস্থা উদ্ধার করেছে ২ হাজার ২০০ কোটি টাকা। এই পরিমাণ টাকা বয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজন ৭০টি ছোট ট্রাকের (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Israel Gaza War: যুদ্ধের মাঝে রাষ্ট্রসংঘে কর্মরত ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হল রাফায়

    Israel Gaza War: যুদ্ধের মাঝে রাষ্ট্রসংঘে কর্মরত ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু হল রাফায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর গাজার রাফায় ইজরায়েল ও হামাস যুদ্ধের (Israel Gaza War) মাঝে পড়ে গিয়ে রাষ্ট্রসংঘে (United Nations) কর্মরত এক ভারতীয় ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ওই ব্যক্তি রাষ্ট্রসংঘের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা (Safty and Security Dept) বিভাগে কর্মরত ছিলেন বলে সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর। জানা গিয়েছে রাফায় রাষ্ট্রসংঘের মানব কল্যাণমূলক কাজ করার সময় তাঁদের গাড়ি যুদ্ধের মাঝে হামলার শিকার হয়। অক্টোবর মাস থেকেই হামাস ও ইজরায়েলের মাঝে অনবরত যুদ্ধ চলছে।

    মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রসংঘ মহাসচিব

    রাষ্ট্রসংঘের (UN) তরফে জানানো হয়েছে ওই হামলায় তাঁদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা বিভাগের এক কর্মী নিহত ও আরও এক কর্মী আহত হয়েছেন। রাষ্ট্রসংঘের ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক জানিয়েছেন “রাষ্ট্রসংঘের কর্মীরা সকলেই রাফায়ে অবস্থিত ইউরোপিয়ান হাসপাতালের দিকে যাচ্ছিলেন। তখনই হামলা হয়।” রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেস এই হামলার নিন্দা করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, “রাষ্ট্রসংঘের একটি গাড়ি গাজায় আটকে পড়ে। তাতে আমাদের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এখন পর্যন্ত রাষ্ট্রসংঘের ১৯০ জন কর্মী গাজায় (Israel Gaza War) মৃত্যুবরণ করেছেন। মানবিক কারণে যারা কর্মরত তাদের সুরক্ষা করতেই হবে।”তবে ঠিক কারা এই হামলা চালিয়েছে তা এখনও পরিষ্কার নয়।

    ভারতের বক্তব্য (Israel Gaza War)

    রাষ্ট্রসংঘে নিযুক্ত ভারতের প্রতিনিধি রুচিরা কম্বোজ ইজরায়েল হামাস (Israel Gaza War) যুদ্ধে মৃত্যুর নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি রাষ্ট্রসংঘের দশম জরুরি অধিবেশনে বলেছেন, “ইজরায়েল এবং হামাসের (Israel Gaza War)  যুদ্ধে প্রচুর জীবনহানি হয়েছে। বিশেষ করে মহিলা ও শিশুর মৃত্যু কাম্য নয়। এই মানবিক সংকট কোনওভাবেই কাম্য নয়। আন্তর্জাতিক আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংক্রান্ত আইন সকলের অবশ্যই পালন করা উচিত।”

    আরও পড়ুন: প্যালেস্তাইনে ফের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইজরায়েলের, শিশুসহ হত ২১

    ইজরায়েল হামাস যুদ্ধের ইতিহাস (Israel Gaza War)

    গত বছরে ৭ই অক্টোবর ইজরায়েলে সারা দেশজুড়ে অনুষ্ঠান চলাকালীন হামাসের জঙ্গিরা কাঁটাতার পেরিয়ে ইজরায়েলের সীমান্তবর্তী শহর ও গ্রামে ঢুকে পড়ে। একতরফা নিধনযজ্ঞ চালায়। কয়েক ঘণ্টার জঙ্গি অভিযানে প্রায় দেড় হাজার মানুষকে খুন করে হামাস। পুরুষ, নারী ও শিশু সহ মোট ২৫২ জনকে অপহরণ করে গাজায় নিয়ে যায় তাঁরা। এরপর পর টাকা রকেট হামলা করে হামাস। অপহৃত মহিলা ও শিশুদের উপর পাশবিক অত্যাচার করে তাঁদের মেরে ফেলে হামাস জঙ্গিরা। সেই ভিডিও তাঁরা ছড়িয়ে দেয় সমাজ মাধ্যমে। এর প্রতি আক্রমণে ইজরায়েলও হামলা চালায় এবং সকল অপহৃতদের ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাবে বলে ঘোষণা করেছে। এখন পর্যন্ত ইজরায়েল হামার যুদ্ধে ৩৫ হাজার প্যালেস্তাইন নাগরিকের প্রাণ গিয়েছে। প্রাণ গিয়ে হাজারের উপর ইজরায়েলি নাগরিক ও সামরিক বাহিনীরও। সারা বিশ্ব ইজরায়েলকে যুদ্ধবিরতির জন্য চাপ দিলেও তাঁরা শেষ অপহৃত নাগরিক ফিরে না পাওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে। তবে যত সাধারণ মানুষ এই যুদ্ধে নিহত হয়েছেন তাতে হোয়াইট হাউসও যুদ্ধবিরতির পক্ষে এবং তাঁরা ইতিমধ্যেই ইজরায়েলকে গোলাবারুদ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। যদিও ইজরায়েল জানিয়েছে তাঁরা নিজের দমেই যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mumbai hoarding collapse: ঝড়ে বিশালাকায় হোর্ডিং ভেঙে বিপত্তি মুম্বইয়ে, মৃত ১৪, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা শিন্ডের

    Mumbai hoarding collapse: ঝড়ে বিশালাকায় হোর্ডিং ভেঙে বিপত্তি মুম্বইয়ে, মৃত ১৪, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা শিন্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ ঝড়ে বিধ্বস্ত মুম্বই। সাংঘাতিক ধুলো ঝড়ে বিলবোর্ড উপড়ে (Mumbai hoarding collapse) পড়ে মৃত্যু হয় অনেকের। মুম্বাইয়ের ঘাটকোপর এলাকার এই ঝড়ে এখনও পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে৷ জখম অন্তত ৭০।  

    কী ঘটেছিল? (Mumbai hoarding collapse) 

    সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ হঠাৎই আকাশ কালো করে তীব্র ঝড় ওঠে মুম্বইয়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই শুরু হয় ধুলো ঝড়। সেই ঝড়ের ধাক্কায় ঘাটকোপর এলাকায় ছেদ্দানগর জংশনে একটি পেট্রল পাম্পে উপড়ে যায় প্রায় ১০০ ফুট উঁচু বিলবোর্ড। এর জেরে বেশি কিছু গাড়ি ওই পেট্রল পাম্পের মধ্যেই আটকে পড়ে। অনেকেই প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে ছুটতে শুরু করে। ফলে ভেঙে পড়া সেই বিলবোর্ডের (Mumbai hoarding collapse) নীচে চাপা পড়েন অনেকেই। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে পুলিশ। খবর দেওয়া হয় এনডিআরএফকে। বিলবোর্ড সরিয়ে একে একে বের করা হয় মৃতদেহ।

    কোম্পানির বিরুদ্ধে এফআইআর  

    এই ঘটনায় পুলিশ বিলবোর্ড প্রস্তুতকারী সংস্থা মেসার্স ইগো মিডিয়া এবং এর মালিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে। হোর্ডিং মালিক ভাবেশ ভিন্ডে এবং অন্যদের বিরুদ্ধে আইপিসির(Indian Penal Code-IPC) ৩০৪, ৩৩৮, ৩৩৭ ধারার অধীনে পন্ত নগর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং গোটা ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তদন্ত করা হচ্ছে। 

    শিন্ডের বার্তা 

    অন্যদিকে বিধ্বংসী এই ঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি (Mumbai hoarding collapse) পরিদর্শন করতে ঘাটকোপর এলাকায় পৌঁছেছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। সেখানে গিয়ে তিনি আধিকারিকদের বেশ কিছু নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “মানুষের প্রাণ বাঁচানোই আমাদের অগ্রাধিকার। এ ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করবে সরকার। যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লাখ টাকা দেওয়া হবে। আমি মুম্বইতে এই ধরনের সমস্ত হোর্ডিং অডিট করার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছি।”  

    আরও পড়ুন: ‘মা গঙ্গা ডেকেছেন, বারাণসীর সঙ্গে আত্মিক-যোগ’, মনোনয়নের সকালে আবেগঘন পোস্ট মোদির

    দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ রাষ্ট্রপতির (Draupadi Murmu)

    একই সঙ্গে ঘাটকোপরের এই দুর্ঘটনায় (Mumbai hoarding collapse) শোক প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে তিনি (Draupadi Murmu) লিখেছেন, শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আমি আহত ব্যক্তিদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি এবং ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযানের সাফল্য কামনা করছি। পাশাপাশি এই দুর্ঘটনায় জগদীপ ধনখড়ও আহত ব্যক্তিদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন এবং উদ্ধারকার্যের সাফল্য কামনা করেছেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতাদের বাড়ি গিয়ে কলার ধরে টাকা আদায় করুন”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নেতাদের বাড়ি গিয়ে কলার ধরে টাকা আদায় করুন”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) নিয়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকার বিরাট চাপের মুখে। এই মামলায় আপাতত সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। এখনও চাকরি থাকলেও ১৬ জুলাই সুপ্রিম কোর্টে ফের শুনানি রয়েছে। এরপরই প্রকৃত ভাগ্য নির্ধারণ হবে চাকরি প্রার্থীদের। ভোট প্রচারের আবহেই পথসভায় বিস্ফোরক মন্তব্য করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “টাকা দিয়ে পাওয়া চাকরি বেশি দিন বাঁচবে না।”

    ঠিক কী বললেন সুকান্ত(Sukanta Majumdar)?

    সোমবার সন্ধ্যায় বাঁকুড়ার কোতুলপুর নেতাজী মোড়ে বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থী সৌমিত্র খাঁর সমর্থনে একটি পথসভায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) তৃণমূলের বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “টাকা দিয়ে দুর্নীতি করে পাওয়া চাকরি বেশি দিন টিকবে না। এটাই সুযোগ, তাই তৃণমূল নেতাদের বাড়ি গিয়ে কলার ধরে টাকা আদায় করুন। একা না পারলে সঙ্গে বিজেপির কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে যান। বিজেপি ঝান্ডা এবং ডান্ডা নিয়ে গিয়ে সেই টাকা উদ্ধার করে দেবে।”

    আরও পড়ুনঃ দলীয় প্রার্থী প্রসূনকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ তৃণমূল কর্মীদের, ভোটের মুখে কোন্দল প্রকাশ্যে

    আর কী বললেন?

    টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার প্রতিবাদে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) আরও বলেন, “বেকার ছেলেদের অনেকে জমি বিক্রি করে চাকরির জন্য তৃণমূল নেতাদের টাকা দিতে হয়েছে। এখন চাকরি চলে গেলে তাঁরা কী করবেন? তাঁকে তো টাকাটা আদায় করতেই দিতে হবে। সে একা না পারলে আমরাও সঙ্গে যাব। উল্টো করে ঝুলিয়ে বমি করিয়ে টাকা বের করব।” পুলিশকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি আরও বলেন, “এখন বিজেপির পক্ষে হাওয়া, এরপর সুনামি আসবে। তাই আগেভাগে ঘুরে যান। এবার ৩০ এর উপর আসন পেলে এক বছরের মধ্যে নবান্নে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী বসবে। হামলা হলে ব্যবস্থা নিন। না হলে বিজেপি ব্যবস্থা নেবে।” পাল্টা তৃণমূলের পক্ষ থেকে সমালোচনা করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি সুকান্ত সমাজে উস্কানি দিচ্ছেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 16: “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির..”

    Ramakrishna 16: “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির..”

    নবম পরিচ্ছেদ

    চতুর্থ দর্শন

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) আনন্দ করিতেছিলেন ও মাস্টারকে এক-একবার দেখিতেছেন। দেখিলেন, তিনি অবাক হইয়া বসিয়া আছেন। তখন রামলালকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, দেখ এর একটু উমের বেশি কিনা, তাই একটু গম্ভীর। এরা এত হাসিখুশি করছে, কিন্তু এ চুপ করে বসে আছে। মাস্টারের বয়স তখন সাতাশ বৎসর হইবে।

    কথা কহিতে কহিতে পরম ভক্ত হনুমানের কথা উঠিল। হনুমানের পট একখানি ঠাকুরের ঘরের দেওয়ালে ছিল। ঠাকুর বলিলেন, দেখ হনুমানের কি ভাব! ধন, মান, দেহসুখ কিছুই চায় না; কেবল ভগবান চায়! যখন স্ফটিকস্তম্ভ থেকে ব্রহ্মাস্ত্র নিয়ে পালাচ্ছে তখন মন্দোদরী অনেকরকম ফল নিয়ে লোভ দেখাতে লাগল। ভাবলে ফলের লোভে নেমে এসে অস্ত্রটা যদি ফেলে দেয়; কিন্তু হনুমান ভুলবার ছেলে নয়; সে ভাবলে।

    আমার কি ফলের অভাব।

    পেয়েছি যে ফল, জনম সফল,

    মোক্ষ-ফলের বৃক্ষ রাম হৃদয়।।

    শ্রীরামকল্পতরুমূলে বসে রই—

    যখন যে ফল বাঞ্চা সেই ফল প্রাপ্ত হই।

    ফলের কথা কই, (ধনি গো), ও ফল গ্রাহক নই;

    যাব তোদের প্রতিফল যে দিয়ে।।

    ঠাকুর এই গান গাহিতেছেন। আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির! বসিয়া আছেন—ফটোগ্রাফে যে রূপ ছবি দেখা যায়। ভক্তেরা এইমাত্র এত হাসিখুশি করিতেছিলেন, এখন সকলেই একদৃষ্টি হইয়া ঠাকুরের সেই অদ্ভুত অবস্থা নিরীক্ষণ করিতেছেন। দেহ শিতল হইল। মুখ সহাস্য হইল। ইন্দ্রিয়গণ আবার নিজের নিজের কার্য করিতেছে। চক্ষের কোণ দিয়া আনন্দাশ্রু বিসর্জন করিতে করিতে ঠাকুর (Ramakrishna) রাম রাম, এই রাম উচ্চারণ করিতেছেন।

    মাস্টার ভাবিতে লাগিলেন, এই মহাপুরুষ কি ছেলেদের সঙ্গে ফচকিমি করিতেছিলেন? তখন যেন পাঁচ বছরের বালক!

    ঠাকুর পূর্ববৎ প্রকৃতিস্থ হইয়া আবার প্রাকৃত লোকের ন্যায় ব্যবহার করিতেছেন। মাস্টারকে ও নরেন্দ্রকে সম্বোধন করিয়া বলিলেন, তোমরা দুজনে ইংরেজিতে কথা কও ও বিচার কর আমি শুনব।

    মাস্টার ও নরেন্দ্র উভয়ে এই কথা শুনিয়া হাসিতেছেন। দুইজনে কিছু কিছু আলাপ করিতে লাগিলেন, কিন্তু বাংলাতে। ঠাকুরের (Ramakrishna) সামনে মাস্টার বিচার আর সম্ভব নয়। তাঁহার তর্কের ঘর ঠাকুরের কৃপায় এরকম বন্ধ। আর কিরূপ তর্ক-বিচার করিবেন? ঠাকুর আর একবার জিদ করিলেন, কিন্তু ইংরেজিতে তর্ক করা হইল না।

     

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “দুরন্ত ছেলে বাবার কাছে যখন বসে, যেমন জুজুটি, আবার চাঁদনিতে যখন খেলে, আর এক মূর্তি”

    আরও পড়ুনঃ “দু-চারটা মাছ এমন সেয়ানা যে, কখনও জালে পড়ে না”

    তথ্যসূত্রঃ শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণকথামৃত, ৯ম পরিচ্ছেদ

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: চতুর্থ দফায় ভোট পড়ল প্রায় ৬৩ শতাংশ, বাংলায় ছাপ্পা রুখল এআই

    Lok Sabha Election 2024: চতুর্থ দফায় ভোট পড়ল প্রায় ৬৩ শতাংশ, বাংলায় ছাপ্পা রুখল এআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষিপ্ত হাতে গোণা কয়েকটি ঘটনা ছাড়া নির্বিঘ্নেই পার হল চতুর্থ দফার লোকসভা নির্বাচনও (Lok Sabha Election 2024)। হাতে রয়েছে আরও তিনটি দফা। সোমবার, ১৩ মে নির্বাচন হয়েছে দেশের ৯৬টি লোকসভা কেন্দ্রে। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ভোট পড়েছে ৬২.৩০ শতাংশ।

    বেশি ভোট বোলপুরে (Lok Sabha Election 2024)

    এদিন নির্বাচন হয়েছে রাজ্যের ৮টি কেন্দ্রেও। সব চেয়ে বেশি ভোট পড়েছে বোলপুরে। বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত সেখানে ভোট পড়েছে ৭৭.৭৭ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্র। এখানে ভোটদানের হার ৭৭.৪৬ শতাংশ। এই সময়ের মধ্যে ভোট পড়েছে বহরমপুরে ৭৫.৩৬ শতাংশ, কৃষ্ণনগরে ৭৭.২৭ শতাংশ, বর্ধমান পূর্বে ৭৭.৩৬ শতাংশ, বর্ধমান-দুর্গাপুরে ৭৫.০২ শতাংশ, আসানসোলে ৬৯.৪৩ শতাংশ এবং বীরভূমে ৭৫.৪৫ শতাংশ।

    ছাপ্পা রুখল এআই

    এদিকে, এআই প্রযুক্তির সাহায্যে বাংলায় ছাপ্পা ভোট (Lok Sabha Election 2024) রুখে দিল নির্বাচন কমিশন। বীরভূম লোকসভা কেন্দ্রের ইলামবাজারের ২৫ নম্বর বুথে সকাল থেকে চলছিল দেদার ছাপ্পা। ওয়েব কাস্টিং ব্যবস্থা ও এআই প্রযুক্তির সাহায্যে ছাপ্পা ভোট রুখে দেয় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। ইলামবাজারের ২৫ নম্বর বুথের প্রিসাইডিং অফিসারকে সরিয়েও দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওয়েব কাস্টিং ব্যবস্থায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর দেখতে পায় ২৫ নম্বর বুথে এক ব্যক্তি একাধিকবার ঢোকার চেষ্টা করছে। লাইনে দাঁড়ানো ভোটারদের প্রভাবিতও করছিল সে। ঘটনাটি নজরে পড়তেই নেওয়া হয় ব্যবস্থা।

    এবারের নির্বাচনী-ক্যানভাসে অনুপস্থিত তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট। তিহাড় জেলে বন্দি রয়েছেন তিনি। তবে কেষ্ট না থাকলে কী হবে, ছিল তাঁর গুড় বাতাসা নিদান। দুবরাজপুরে গুড় বাতাসা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ ওঠে। সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকের কাছে দ্রুত রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন।

    আরও পড়ুুন: গণবিদ্রোহে উত্তাল পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর, ভারতভুক্তির দাবি, উড়ল তেরঙ্গাও

    এদিন বিজেপি নেতা তথা প্রার্থী দিলীপ ঘোষকে ঘিরে মন্তশ্বরে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের। এলাকাটি বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে পড়ে। ভাঙচুর করা হয় সংবাদ মাধ্যমের গাড়ি। সংশ্লিষ্ট জেলা শাসকের কাছ থেকে দু’ঘণ্টার মধ্যে অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট তলব করে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর (Lok Sabha Election 2024)। এই দফার ভোটে ৬৯ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সব মিলিয়ে কমিশনের কাছে জমা পড়েছে ১ হাজার ৭০৫টি অভিযোগ।

    অন্যদিকে, ভোটের ডিউটি করতে করতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন বছর পঁয়তাল্লিশের মহেন্দ্র সিং। তিনি উত্তরাখণ্ডের বাসিন্দা। পাইকরের ২০৩ নম্বর বুথে ডিউটি করছিলেন তিনি। রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন (Lok Sabha Election 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • POJK Violence: গণবিদ্রোহে উত্তাল পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর, ভারতভুক্তির দাবি, উড়ল তেরঙ্গাও

    POJK Violence: গণবিদ্রোহে উত্তাল পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর, ভারতভুক্তির দাবি, উড়ল তেরঙ্গাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণবিদ্রোহের জেরে উত্তাল পাকিস্তান অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর (POJK Violence)। অন্তত একজন পুলিশ কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন ৯০ জন। রবিবারও প্রতিবাদ মিছিল হয়েছে। পালিত হয়েছে হরতালও। সামাহিনি, সেহানসা, মিরপুর, রাওয়ালকোট, খুরিট্টা, তত্তপানি হাট্টিয়ান বালা – পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের এই সব অঞ্চলেই হয়েছে প্রবল প্রতিবাদ।

    পাকিস্তানে উড়ল তেরঙ্গা (POJK Violence)

    রাওয়ালকোটে ভারতের তেরঙ্গা ঝান্ডা উড়িয়েছেন প্রতিবাদকারীরা। পাকিস্তানের ইতিহাসে এই ঘটনা এই প্রথম। মিরপুরের পুলিশ সুপার কামরন আলি আডনান কুরেশি ডিউটি করছিলেন ইসলামগড়ে। সেখানে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। প্রতিবাদকারীদের বাধা দেওয়ায় গুলিবিদ্ধ হন তিনি। এদিন কোটলি এবং পুঞ্চ জেলায় প্রতিবাদ মিছিল হয়েছে জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির ব্যানারে। পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের (POJK Violence) মুজফফরবাদে উত্তেজিত জনতা বেধড়ক পেটায় পাক রেঞ্জার্সের জওয়ান ও পুলিশ কর্মীদের। তাঁদের ইউনিফর্ম ছিঁড়ে দেয়। আজাদির স্লোগানও দেন আন্দোলনকারীরা। ভারতভুক্তির দাবির পাশাপাশি তাঁরা ওড়ান ভারতের তিরঙ্গা পতাকাও।

    অশান্তির সূত্রপাত

    মে মাসের ৮-৯ তারিখে জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির প্রায় ৭০ জন কর্মীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার আগে তল্লাশি চালানো হয় তাঁদের বাড়িতে। তার পরেই করা হয় গ্রেফতার। এর পরেই ১০ মে চাক্কা জ্যাম ও হরতালের ডাক দেয় কমিটি। রবিবার মুজফফরবাদের দিকে মিছিলও করেন প্রতিবাদীরা। ১০ তারিখের এই হরতালের মধ্যে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। মুজফফরবাদের বিভিন্ন পকেটে ছড়িয়ে পড়ে সংঘর্ষের আগুন। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে শুরু করে উত্তেজিত জনতা। প্রতিবাদীদের দমন করতে এবং নিরাপত্তার খাতিরে কর্তৃপক্ষ ইন্টিরিয়র ডিভিশনের সেক্রেটারিকে কয়েক প্লেটুন সিভিল আর্মড ফোর্স পাঠানোর অনুরোধ জানায়।

    আরও পড়ুুন: শুভেন্দুর পোস্টারে আপত্তি! বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা তৃণমূলের, প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতা আমজাদ আয়ুব মির্জা বলেন, “পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরের এই পরিস্থিতিতে হাত গুটিয়ে থাকতে পারে না ভারত। অবিলম্বে পদক্ষেপ করুক।” জারি করা বিবৃতিতে তিনি বলেন, “এই মুহূর্তে আমাদের লোকজন লড়াই করছে। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীরা তামাম পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীরে হরতাল পালন করছেন। পাকিস্তানি পুলিশ, পাঞ্জাব পুলিশ, এফসি এবং আজাদ কাশ্মীর পুলিশ তাদের পেটাচ্ছে, গুলি চালাচ্ছে।” তিনি বলেন, “ভারত সরকার যদি এখনই পদক্ষেপ না করে পাক অধিকৃত জম্মু-কাশ্মীর ও গিলগিট বাল্টিস্তানকে পাকিস্তানের খপ্পর থেকে মুক্ত করার সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যাবে (POJK Violence)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rashid Khan: এখনই ছাড়া পাবে না রশিদ, বউবাজার বিস্ফোরণে অভিযুক্তের মামলা ছুটির পর শুনবে আদালত

    Rashid Khan: এখনই ছাড়া পাবে না রশিদ, বউবাজার বিস্ফোরণে অভিযুক্তের মামলা ছুটির পর শুনবে আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বউবাজার বিস্ফোরণ মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত রশিদ খানকে (Rashid Khan) মুক্তি দেওয়া যায় কি না তা বিবেচনা হবে হাইকোর্টের গ্রীষ্মকালীন অবকাশের পর। এ মামলার শুনানি হবে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। ইতিমধ্যেই ৩১ বছর জেল খেটেছে রশিদ খান ও তাঁর সঙ্গী খালিদ। ১৯৯৩ সালে বউ বাজারে বিস্ফোরণে (Bow Bazar Blast) ৬৯ জন নিহত ও অনেকে আহত হয়েছিলেন। তখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন জ্যোতি বসু।  

    আদালতে সওয়াল জওয়াব

    বিচারপতি সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চ বিস্ফোরণ (Bow Bazar Blast) মামলায় অভিযুক্ত রশিদকে (Rashid Khan) এপ্রিল মাসে মুক্তি দেওয়া নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আইনি জটিলতায় তাঁকে মুক্তি দেওয়া যায়নি। পরবর্তীতে ২৪ শে জুন পর্যন্ত তাঁর সাগরেদ মোহাম্মদ খালিদকে ছাড়ার সিঙ্গেল বেঞ্চের (Calcutta High Court) নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ জারি করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। আদালতে রশিদ খানের আইনজীবী জানিয়েছেন, “অভিযুক্তের বয়স ৫৯ বছর। ১৫ বারের বেশি প্যারোলে মুক্তি পেয়েছেন। সামাজিক ক্ষেত্রে কোনও রকম ক্ষতিকর কিছু করেননি তিনি (Rashid Khan)। এই আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি বলেন এই মর্মে জেল কর্তৃপক্ষের কাছে তিনি আবেদন করতে পারেন যে ৩১ বছর ধরে তিনি জেলে আছেন। জেলে থাকাকালীন তার ভূমিকা ভাল ছিল। কিন্তু এই ধরনের কোন আইন কি রাজ্যে আছে? রাজ্যের কি কোন স্পষ্ট নীতি আছে? এই মর্মে রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্তের কাছে এই মর্মে জানতে চেয়েছেন। প্রধান বিচারপতিকে এডভোকেট জেনারেল আদালতে জানিয়েছেন, “রিভিউ বোর্ডের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে ১৯৯৩ সালের ঘটনায় ৬৯ জনের মৃত্যু হয়। ৯ অক্টোবর ২০২৩ মেদিনীপুরের (Medinipur) জেল সুপার জানান রশিদ খানের (Rashid Khan) ব্যবহার খুবই ভাল জানিয়েছেন। কিন্তু কলকাতা পুলিশ জানিয়েছে রশিদ খানকে ছাড়লে সমাজে তার প্রভাব পড়তে পারে। পরবর্তীতে এলাকায় ফের অশান্তি সৃষ্টি হতে পারে। যেভাবে মানুষের মধ্যে তিনি অতীতে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিলেন সেদিকে তাকিয়ে তাঁকে ছাড়া উচিত নয়।”

    আরও পড়ুন: শুভেন্দুর গড়ে বিজেপির রোড শোয়ে বোমাবাজি তৃণমূলের! এনআইএ তদন্তের দাবি জানালেন সৌমেন্দু

    ১৯৯৩ সালের সেই কালো রাত

    উল্লেখ্য ১৯৯৩ সালের ১৬ই মার্চ বাম আমলে ২৬৭ বিবি গাঙ্গুলী স্ট্রিটের দোতলা একটি বাড়িতে রাত্রিবেলা ভয়ংকর বিস্ফোরণ (Bow Bazar Blast) হয়। গোটা বাড়ি গুঁড়িয়ে যায়। মৃত্যু হয় ৬৯ জনের। সেই মামলায় কলকাতার তৎকালীন সাট্টার বেতাজ বাদশা রশিদ খানের (Rashid Khan) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। পুলিশের তরফ থেকে সেই সময় দাবি করা হয়েছিল, “রশিদের কাছে যে পরিমাণ বিস্ফোরক মজুত ছিল তা কলকাতার একটা বড় অংশ উড়িয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট।” এই মামলাতেই রশিদের ছায়া সঙ্গে মোঃ খালিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল। ৩১ বছর জেল খাটার পর খালিদ জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার দাবিতে রাজ্য সরকারের সেন্টেন্স রিভিউ বোর্ডে আবেদন করেছিল। সেই আবেদন খারিজ হয়ে যায়। এরপর কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলে বিচারপতি সব্যসাচীর ভট্টাচার্য তাঁকে এপ্রিল মাসে ১৫ দিনের মধ্যে ছাড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু রাজ্যের তরফে সেই নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষেত্রে আইনি জটিলতা রয়েছে দাবি করে এক মাসের জন্য নির্দেশ কার্যকর করার বিষয়ে স্থগিতাদেশ জারি করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: ভারতে অশান্তি পাকাতে চাইছে পাঁচ খালিস্তানপন্থী জঙ্গি, কঠোর ব্যবস্থার পথে এনআইএ

    NIA: ভারতে অশান্তি পাকাতে চাইছে পাঁচ খালিস্তানপন্থী জঙ্গি, কঠোর ব্যবস্থার পথে এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খালিস্তানপন্থী পাঁচ জঙ্গির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে চলেছে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা, সংক্ষেপে এনআইএ (NIA)। এদের প্রত্যেকেরই যোগ রয়েছে খালিস্তান টাইগার ফোর্সের সঙ্গে। খালিস্তান টাইগার ফোর্স নিষিদ্ধ সংগঠন। জানা গিয়েছে, এই পাঁচ জঙ্গি সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং পাকিস্তান থেকে চালাচ্ছে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ। এই পাঁচ জঙ্গিকে চিহ্নিতও করেছে এনআইএ। এরা হল বলজিৎ সিং ওরফে বলজিৎ মউর, গুজরান্ত সিং, প্রিন্স চৌহান, আমন পুরেওয়াল এবং বিলাল মানসের। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশেই শুরু হয়েছে নতুন করে তদন্ত।

    পাঁচ জঙ্গির ষড়যন্ত্র (NIA)

    সম্প্রতি এনআইএ (NIA) জানতে পেরেছে ভারতে অশান্তির সৃষ্টির পরিকল্পনা করছে এই পাঁচ জঙ্গি। এনআইএ তদন্তের লক্ষ্যই হল, বিদেশের মাটিতে বসে এই জঙ্গিরা যে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপের ছক কষছে, তা দুরমুশ করে দেওয়া। এই পাঁচ জঙ্গি সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত। এর পাশাপাশি অস্ত্র সংগ্রহ, মাদক পাচার, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালাতে যে অর্থের প্রয়োজন, সেই অর্থ সংগ্রহ, ভারত বিরোধী কার্যকলাপে যুবকদের উদ্বুদ্ধ করা, তাদের জঙ্গি দলে নিয়োগ করা, হাওয়ালার মাধ্যমে লেনদেন-সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে এদের বিরুদ্ধে। আমেরিকা ও কানাডার মাটিতে বসে খালিস্তানি টাইগার ফোর্সের যে জঙ্গিরা ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ চালাচ্ছে, তা বন্ধ করাই এনআইএর এই অপারেশনের উদ্দেশ্য।

    সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিদেশে আশ্রয় নেওয়া এই জঙ্গিদের সঙ্গে বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে। ভারতের নিরাপত্তার পক্ষে এই জঙ্গিরা ক্রমেই হয়ে উঠছে বিপজ্জনক। তদন্ত চালাতে গিয়ে এনআইএ দেখেছে, পাঞ্জাবের জেলে বন্দি খালিস্তানপন্থীদের কাছ থেকে মদত পাচ্ছে বিদেশে আশ্রয় নেওয়া ওই পাঁচ জঙ্গি। কমলজিৎ শর্মা নামে এক জঙ্গিকে এনিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে এনআইএ। তাকেই মূল চক্রী বলে ঠাউরেছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, খালিস্তান টাইগার ফোর্সের সঙ্গে কোঅর্ডিনেট করছে ভারতের জেলে বন্দি এই জঙ্গিরা।

    আরও পড়ুুন: দল লড়ছে মাত্র ১৭টি আসনে, কেজরিওয়াল দেশবাসীকে দিচ্ছেন ফ্রি বিদ্যুতের ‘গ্যারান্টি’!

    তদন্তে জানা গিয়েছে, জেলবন্দি এই সন্ত্রাসবাদীরা খালিস্তানি আন্দোলনের জন্য অর্থ সংগ্রহ করে। এজন্য অপরাধমূলক নানা কাজকর্ম করে তারা। সংগৃহীত অর্থ লেনদেন হয় হাওয়ালার মাধ্যমে। বিদেশে বসে সেই টাকায় অস্ত্রশস্ত্র কিনে ভায়া পাকিস্তান পাঠানো হয় ভারতে (NIA)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share