Tag: pakistan

pakistan

  • S Jaishankar: এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে পাকিস্তানে পৌঁছলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে পাকিস্তানে পৌঁছলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩তম সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন, (সংক্ষেপে এসসিও) সামিটে (SCO Summit) যোগ দিতে ইসলামাবাদে পৌঁছলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। চলতি মাসের ১৫-১৬ তারিখ এই দুদিন ধরে হবে সম্মেলন। সেই সম্মেলনে যোগ দিতেই এদিন ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে পাকিস্তানে গিয়েছেন জয়শঙ্কর। ৯ বছর পরে এই প্রথম পাকিস্তানের মাটিতে পা রাখলেন কোনও বিদেশমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, ক্যালেন্ডারের হিসেবে জয়শঙ্করের সফর দুদিনের হলেও, আসলে তিনি ইসলামাবাদে (এখানেই হচ্ছে এসসিও সম্মেলন) থাকবেন ২৪ ঘণ্টারও কম সময়।

    হচ্ছে না পার্শ্ববৈঠক (S Jaishankar)

    ভারত আগেই জানিয়ে দিয়েছিল, জয়শঙ্কর ইসলামাবাদে গেলেও, ভারত-পাক পার্শ্ববৈঠকে যোগ দেবেন না। রবিবার পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার বলেন, “ভারতের বিদেশমন্ত্রকের কাছ থেকে কোনও পার্শ্ববৈঠকের অনুরোধ পাইনি। আমরাও এই মর্মে কোনও আবেদন করিনি। তবে প্রোটোকল মেনে সব দেশের নেতার মতোই স্বাগত জানানো হবে ভারতের বিদেশমন্ত্রীকেও।” বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত সক্রিয়ভাবে এসসিও ফরম্যাটে যুক্ত রয়েছে, যার মধ্যে এসসিও কাঠামোর বিভিন্ন প্রক্রিয়া ও উদ্যোগ অন্তর্ভু্ক্ত রয়েছে।

    কড়া নিরাপত্তা

    এদিকে, পাকিস্তানের এক মন্ত্রী আহসান ইকবালের অভিযোগ, ইমরান খানের দল পিটিআইয়ের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করে নাকি ইসলামাবাদে এসসিও বানচালের চেষ্টা করছে ভারত। তবে (S Jaishankar) সতীর্থের এই বক্তব্যকে গুরুত্ব দেয়নি শাহবাজ সরকার। তবে সম্মেলন উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে ইসলামাবাদ ও লাগোয়া রাওয়ালপিণ্ডি এলাকায়। তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে এই এলাকায়। পাঁচটি জেলায় জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। প্রসঙ্গত, সাম্প্রতিক অতীতে পিটিআইয়ের প্রতিবাদ আন্দোলনের পাশাপাশি ছোটবড় জঙ্গি সন্ত্রাস চলছে পাকিস্তানে। সেই কারণেই ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তার। জানা গিয়েছে, সম্মেলনে যোগ দিতে উপস্থিত হবেন প্রায় ৯০০ প্রতিনিধি। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য মোতায়েন করা হয়েছে ১০ হাজার পুলিশ ও প্যারা মিলিটারি।

    আরও পড়ুন: “ডিজিটাল বিশ্বেও নিয়ম-কানুন প্রয়োজন”, বললেন মোদি, ব্যাখ্যা করলেন কারণও

    ২০১৫ সালে ইসলামাবাদে গিয়েছিলেন তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। আফগানিস্তান নিয়ে একটি সম্মেলনে যোগ দিতে পাকিস্তানে গিয়েছিলেন তিনি। তার পরের বছর পাকিস্তানে গিয়েছিলেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। তার পর এই সে দেশের মাটিতে পা রাখলেন (SCO Summit) জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • S Jaishankar: মঙ্গলে এসসিও সামিটে যোগ দিতে পাকিস্তানে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর, কোন বার্তা দেবেন?

    S Jaishankar: মঙ্গলে এসসিও সামিটে যোগ দিতে পাকিস্তানে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর, কোন বার্তা দেবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসসিও সামিটে (SCO Summit) যোগ দিতে পাকিস্তানে যাচ্ছেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। মঙ্গলবারই ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা তাঁর। এ মাসেরই ১৫ ও ১৬ তারিখে ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হবে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন সম্মেলন। এই সম্মেলনে যেসব আঞ্চলিক দেশের শীর্ষনেতারা যোগ দেবেন, তাঁরা হলেন চিনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুসটিন এবং জয়শঙ্কর।

    নৈশভোজের আয়োজন (S Jaishankar)

    সম্মেলনের আগে নৈশভোজের আয়োজন করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এই ওয়েলকাম ডিনারে যোগ দিতে পারেন জয়শঙ্কর। তবে পাক প্রধানমন্ত্রীর ওয়েলকাম ডিনারে যোগ দিলেও, ভারত-পাক প্রতিনিধিদের পার্শ্ববৈঠকের সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছিল দুই দেশেরই বিদেশমন্ত্রক। চলতি মাসের শুরুর দিকে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছিল, জয়শঙ্কর একটি প্রতিনিধি দলকে নেতৃত্ব দেবেন। ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এসসিও শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেবেন। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) নিজেও তাঁর সফরের সময় দ্বিপাক্ষিক আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। প্রায় একই ধরনের বক্তব্য শোনা গিয়েছিল পাকিস্তানের গলাতেও।

    এসসিও-র সদস্য দেশ

    ভারত ও পাকিস্তান ছাড়াও চিন, রাশিয়া, তাজিকিস্তান, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান-সহ বেশ কয়েকটি দেশ এই এসসিও-র সদস্য। এই দেশগুলোই ঘুরিয়ে ফিরিয়ে আয়োজন করে শীর্ষ বৈঠকের। প্রথা মাফিক পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ আমন্ত্রণ জানান এসসিও-র সব সদস্য রাষ্ট্রের প্রধানকেই। অগাস্ট মাসে আমন্ত্রণ আসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছেও। তার পরেই প্রশ্ন ওঠে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী কি আদৌ পাকিস্তানে যাবেন? এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে পরে ভারতের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয় সম্মলেন যোগ দিতে যাবেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তবে পাক প্রতিনিধির সঙ্গে পার্শ্ববৈঠকে যোগ দেবেন না।

    আরও পড়ুন: মুম্বইয়ে বাবা সিদ্দিকি খুনে ফের আলোচনায় বলিউড-আন্ডারওয়ার্ল্ড যোগ

    জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই পাকিস্তানে পৌঁছে গিয়েছে ভারতের চার প্রতিনিধির একটি দল। কিরঘিজস্তানেরও চার প্রতিনিধি দলও চলে এসেছে। চিনা প্রতিনিধি দলে রয়েছেন ১৫ জন সদস্য। ইরানের দুই প্রতিনিধিও পৌঁছে গিয়েছে ইসলামাবাদে। প্রসঙ্গত, বিদেশমন্ত্রী হিসেবে এটাই জয়শঙ্করের প্রথম পাকিস্তান সফর। এর আগে রাষ্ট্রসঙ্ঘ থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক (SCO Summit) নানা মঞ্চে সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ইসলামাবাদকে তুলোধনা করেছেন তিনি। এমতাবস্থায় জয়শঙ্করের (S Jaishankar) এই সফর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistan: প্রেমিকের সঙ্গে বিয়েতে বাধা! খাবারে বিষ মিশিয়ে পরিবারের ১৩ জনকে চিরঘুমে পাঠাল যুবতী

    Pakistan: প্রেমিকের সঙ্গে বিয়েতে বাধা! খাবারে বিষ মিশিয়ে পরিবারের ১৩ জনকে চিরঘুমে পাঠাল যুবতী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাবারে বিষ (Poison) মিশিয়ে নিজের পরিবারেরই ১৩ জন সদস্যকে খুন করার অভিযোগ উঠেছে এক যুবতীর বিরুদ্ধে। মৃতের তালিকায় অভিযুক্তের মা-বাবাও রয়েছেন। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে পাকিস্তানের (Pakistan) সিন্ধ প্রদেশে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত যুবতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। কী কারণে এই ধরনের নির্মম সিদ্ধান্ত নিল ওই যুবতী, তা নিয়েও চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিশ খুনের কারণও জানতে পেরেছে।

    কেন এই কাণ্ড ঘটাল ধৃত যুবতী? (Pakistan)

    জানা গিয়েছে, ওই যুবতীর বাড়ি সিন্ধ প্রদেশের (Pakistan) খয়েরপুরের কাছে হাইবত খান ব্রোহী গ্রামে। সে তার প্রেমিককে বিয়ে করতে চেয়েছিল। কিন্তু, তার পরিবার ওই ছেলের সঙ্গে বিয়ে দিতে রাজি হয়নি। আর এই রাগ থেকেই গত ১৯ অগাস্ট পরিবারের ১৩ জনকেই চিরঘুমে পাঠিয়ে দেয় ওই যুবতী। পুলিশ জানিয়েছে, তার পছন্দের ছেলেকে বিয়ে করতে না দেওয়ায় মেয়েটি তার পরিবারের সকলের ওপর প্রচণ্ড খেপে গিয়েছিল। এরপর সে তার প্রেমিকের সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের বিষ খাওয়ানোর ষড়যন্ত্র করে। যার মধ্যে মেয়েটির বাবা-মা-ও ছিল। কীভাবে তাঁদের বিষ খাওয়ালো? পুলিশ তদন্ত করে জানতে পারে, ওই বাড়িতে গম থেকে রুটি তৈরি করা হত। সেই গমেই বিষ মিশিয়েছিল মেয়েটি এবং তার প্রেমিক। পুলিশের জেরার মুখে মেয়েটি তার প্রেমিকের সঙ্গে গমে বিষ মেশানোর কথা স্বীকারও করেছে। এরপরই, রবিবার তাকে আটক করে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: সংজ্ঞাহীন অবস্থায় নির্যাতিতাকে ধর্ষণ! চার্জশিটে উল্লেখ করল সিবিআই

    পুলিশের কর্তা কী বললেন?

    খয়েরপুরের (Pakistan) পদস্থ পুলিশ কর্তা ইনায়েত শাহ বলেন, “১৩ জন সদস্যের সকলেই ওই বিষ মেশানো খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তাঁদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু কাউকেই বাঁচানো যায়নি। চিকিৎসা চলাকালীন সকলেরই মৃত্যু হয়। সকলের দেহ ময়নাতদন্ত করে দেখা গিয়েছে, প্রত্যেকেরই মৃত্যু হয়েছে বিষক্রিয়ায়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Women’s T20 WC 2024: রেকর্ড সংখ্যক দর্শক, বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়েও সেমির পথ সহজ নয় ভারতের

    Women’s T20 WC 2024: রেকর্ড সংখ্যক দর্শক, বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে হারিয়েও সেমির পথ সহজ নয় ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়েদের টি২০ বিশ্বকাপে (Women’s T20 WC 2024) পাকিস্তানকে হারিয়েও শেষ চারের লড়াই সহজ নয় ভারতের (India vs Pakistan)। পরবর্তী দুটো ম্যাচে ভারতকে বড় ব্যবধানে জিতলে তবেই সেমির টিকিট পাকা করতে পারবেন হরমনপ্রীতরা। ভারতের বাকি দুটো ম্যাচ রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে। শ্রীলঙ্কা ছন্দে না থাকলেও অস্ট্রেলিয়া কিন্তু কঠিন প্রতিপক্ষ।

    কঠিন অঙ্কের সামনে টিম ইন্ডিয়া

    মেয়েদের টি২০ বিশ্বকাপে (Women’s T20 WC 2024) পরবর্তী দুটো ম্যাচে জিতলে ভারতের পয়েন্ট হবে ৬। অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড তাদের বাকি ম্যাচগুলো জিতলে মোট ৬ পয়েন্টের মালিক হবে। তাই, বাকি ম্যাচগুলোতে ভারতকে জিততে হবে এবং বড় ব্যবধানে জিততে হবে। তাহলে নেট রান রেটের দিক থেকে পজিটিভ হবে। গ্রুপ এ-তে ভারত ও পাকিস্তানের সঙ্গে রয়েছে শ্রীলঙ্কা, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। শ্রীলঙ্কা একটিও ম্যাচে জেতেনি। বাকি প্রতিটা দল একটি করে ম্যাচ জিতেছে। ভারতের নেট রান রেট -১.২১৭। নেগেটিভ নেট রান রেট একমাত্র রয়েছে ভারত ও শ্রীলঙ্কার। ৯ তারিখ পরের ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে বড় ব্যবধানে হারানোই এখন ভারতের পরবর্তী লক্ষ্য।

    জয়ের রেকর্ড অব্যাহত

    মেয়েদের টি২০ বিশ্বকাপে (Women’s T20 WC 2024) পাকিস্তানকে হারিয়ে জয়ের রেকর্ড ধরে রেখেছে টিম ইন্ডিয়া। নিউজিল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর পাকিস্তানকে হারিয়ে জয়ে ফিরেছে ভারত। রবিবার দুবাইয়ে চলতি টি২০ বিশ্বকাপের এ-গ্রুপের ম্যাচে টস জিতে শুরুতে ব্যাট করতে নামে পাকিস্তান। তারা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটের বিনিময়ে ১০৫ রান সংগ্রহ করে। নিদা দার দলের হয়ে সব থেকে বেশি ২৮ রান করেন। এছাড়া মুনিবা আলি ১৭, ফতিমা সানা ১৩ ও সায়েদা আরুব শাহ ১৪ রানের যোগদান রাখেন। ভারতের হয়ে ৪ ওভারে ১৯ রানের বিনিময়ে ৩টি উইকেট নেন অরুন্ধতী রেড্ডি। ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান খরচ করে ২টি উইকেট নেন শ্রেয়াঙ্কা পাতিল। এছাড়া ১টি করে উইকেট সংগ্রহ করেন রেনুকা সিং, দীপ্তি শর্মা ও আশা শোভনা। পালটা ব্যাট করতে নেমে ভারত ১৮.৫ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ১০৮ রান তুলে ম্যাচ জিতে যায়। অর্থাৎ ৭ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেটে ম্যাচ জেতে ভারতীয় দল। শেফালি বর্মা ৩২, জেমিমা রডরিগেজ ২৩ ও হরমনপ্রীত কৌর ২৯ রান করেন।

    রেকর্ড দর্শক

    ক্রিকেটের ময়দানে ভারত-পাকিস্তানের (India vs Pakistan) সম্মুখসমর সর্বদাই হটকেক। ক্রিকেটপ্রেমীরা কার্যত হামলে পড়েন ভারত-পাক ম্য়াচের উত্তেজনায় গা ভাসাতে। ব্যতিক্রমী ছিল না রবিবারের দুবাইয়ের ম্যাচও। মাঠে ভিড় জমান প্রচুর সংখ্যক দর্শক। তাতেই তৈরি হয় মেয়েদের টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন এক রেকর্ড। এর আগে মেয়েদের টি-২০ বিশ্বকাপের কোনও গ্রুপ লিগের ম্যাচে এত দর্শক হয়নি। এদিন ভারত-পাক ম্যাচের সময় গ্যালারিতে উপস্থিত ছিলেন ১৫৯৩৫ জন দর্শক, যা গ্রুপ পর্যায়ে সর্বকালীন রেকর্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Zakir Naik: ‘কন্যা বলা যাবে না’! অনাথ মেয়েদের মঞ্চ থেকে নেমে পড়লেন ঘৃণাভাষণকারী জাকির

    Zakir Naik: ‘কন্যা বলা যাবে না’! অনাথ মেয়েদের মঞ্চ থেকে নেমে পড়লেন ঘৃণাভাষণকারী জাকির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুষ্ঠান চলাকালীন মঞ্চ থেকে নেমে পড়লেন পলাতক ঘৃণাভাষণকারী ইসলামি প্রচারক জাকির নায়েক (Zakir Naik)। ভারতের জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র ওয়ান্টেড তালিকায় রয়েছেন তিনি। বর্তমানে জাকির রয়েছেন পাকিস্তানে (Pakistan)। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে অনাথ মেয়েদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে যান তিনি।

    মঞ্চ থেকে নেমে পালালেন (Zakir Naik)

    সেখানে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। সেই সময় আচমকাই মঞ্চ থেকে নেমে পড়েন তিনি। তাঁর এই মঞ্চ-ত্যাগের ছবি ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পাকিস্তানের গবেষক উসমান চৌধুরির শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, মঞ্চে অনাথ মেয়েরা জাকিরকে অভ্যর্থনা জানাচ্ছিল। সেই সময় তাঁকে একটি স্মারক দিতে যান উদ্যোক্তারা। সেই স্মারক না নিয়েই ত্রস্ত্র পায়ে মঞ্চ ছেড়ে চলে যান তিনি (Zakir Naik)।

    জাকিরের মঞ্চ ত্যাগের কারণ

    কী কারণে স্মারক না নিয়েই মঞ্চ ত্যাগ করলেন জাকির? জানা গিয়েছে, উদ্যোক্তারা ওই অনাথ আশ্রমের মেয়েদের ‘কন্যা’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। এতেই আপত্তি করেন জাকির। তাঁর বক্তব্য, “আপনি তাদের স্পর্শ করতে পারবেন না বা তাদের আপনার কন্যা বলতে পারবেন না।” এই মেয়েদের জাকির ‘নন-মাহরাম’ বলে উল্লেখ করেন। জাকিরের যুক্তি, এই ছোট মেয়েরাই বিবাহযোগ্যা হয়ে গিয়েছে। তাই তাদের আর কন্যা হিসেবে পরিচয় দেওয়া যায় না। ইসলামে ‘মাহরাম’ শব্দটি এসেছে ‘হারাম’ শব্দ থেকে। এর অর্থ, এমন একজনকে বোঝায় যাকে বিয়ে করা যায় না, যেমন পিতা-পুত্রী। ‘নন-মাহরাম’ বলতে বোঝায় এমন একজনকে যাকে কেউ বিয়ে করতে পারে অথবা সেই ব্যক্তিকে বিয়ে করা হারাম নয়।

    আরও পড়ুন: সুষমার পরে এবার জয়শঙ্কর, ৯ বছর পরে পাকিস্তানে যাচ্ছেন ভারতের কোনও বিদেশমন্ত্রী

    সোমবারই মাসখানেকের জন্য ইসালামাবাদ সফরে গিয়েছেন জাকির। ভারতের এই শত্রুকে রেড কার্পেটে বরণ করে পাকিস্তানের সরকার। তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন পাকিস্তানের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা।

    এদিকে, জাকিরের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিল ভারত। বিদেশমন্ত্রক সূত্রে খবর, পাকিস্তান যেভাবে জাকিরকে সম্মানিত করেছে, তার নিন্দা করার কয়েক ঘণ্টা পরেই জাকিরের এক্স অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা রিপোর্টে দেখেছি, জাকিরকে নিয়ে পাকিস্তানে কীভাবে মাতামাতি হচ্ছে। কীভাবে তাঁকে সেখানে (Pakistan) স্বাগত জানানো হচ্ছে (Zakir Naik)।”

     

      দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

     

  • Pakistan: দেড় লক্ষ সরকারি কর্মীর চাকরি গেল, বন্ধ ছয় মন্ত্রক! ফের ঋণ চাইল ‘ভিখারি’ পাকিস্তান

    Pakistan: দেড় লক্ষ সরকারি কর্মীর চাকরি গেল, বন্ধ ছয় মন্ত্রক! ফের ঋণ চাইল ‘ভিখারি’ পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশ দেউলিয়া হওয়ার মুখে দাঁড়িয়ে থাকলেও তা মানতে রাজি নয় ইসলামাবাদ। গত বছর প্রায় দেউলিয়া অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছিল পাকিস্তান (Pakistran)। অর্থনীতি বাঁচাতে আইএমএফের কাছে হাত পাতে ইসলামাবাদ। আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার থেকে ওই সময় ৩০০ কোটি ডলার ঋণ পেয়েছিল পশ্চিমের এই প্রতিবেশী দেশ। বছর ঘুরতে না ঘুরতে অর্থনীতির কঙ্কালসার চেহেরা ফের প্রকাশ্যে। অর্থনীতি বাঁচাতে আইএমএফের কাছে ফের হাত পাতে শাহবাজ শরিফ সরকার। আর্থিক বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই ঋণ না পেলে নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করা ছাড়া পাকিস্তানের কাছে আর কোনও দ্বিতীয় রাস্তা খোলা ছিল না।

    দেড় লক্ষ সরকারি কর্মচারীর চাকরি বাতিল (Pakistran)

    দেড় লক্ষ সরকারি কর্মচারীর চাকরি বাতিলের পাশাপাশি ছ’টি মন্ত্রক পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসলামাবাদ (Pakistran)। ২৯ সেপ্টেম্বর যা ঘোষণা করেন পাক অর্থমন্ত্রী মহম্মদ অওরঙ্গজেব। যে মন্ত্রকগুলি বন্ধ হচ্ছে সেখানকার সিংহভাগ কর্মীকেই ছাঁটাইয়ের তালিকায় রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এ ছাড়া খরচ কমাতে দু’টি মন্ত্রক মিলিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছে পাক সরকার। ফলে সেখানকার কর্মীদের কাজ হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। যদিও এই নিয়ে স্পষ্ট ভাবে কিছু জানায়নি ইসলামাবাদ। সূত্রের খবর, এখনই ওই দুই মন্ত্রকের কর্মচারীদের ছাঁটাই করবে না শরিফ সরকার। আগামী এক-দেড় মাসের মধ্যে সেই প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমের প্রতিবেশী দেশটিতে গণবিক্ষোভের জন্ম দিতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞেরা।

    আরও পড়ুন: শিশুকন্যাকে ধর্ষণ-খুনে ৬ বছর পর মিলল বিচার, তান্ত্রিকের মৃত্যুদণ্ড দিল আদালত

    ফের ৭০০ কোটি ডলার ঋণ

    চরম আর্থিক সঙ্কট থেকে বেরিয়ে আসতে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডার বা ইন্টারন্যাশনাল মানিটারি ফান্ড (আইএমএফ) থেকে ঋণ নিতে চলেছে ইসলামাবাদ। সেই টাকা দেওয়ার শর্ত হিসেবে পাকিস্তানকে (Pakistran) বেশ কিছু কড়া সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়েছে। যে কারণে মন্ত্রক তুলে দিয়ে কর্মচারীদের ছাঁটাই করতে হয়েছে বলে জানিয়েছে শরিফ সরকার। আইএমএফের থেকে ৭০০ কোটি ডলার ঋণ বাবদ পেতে চলেছে পাকিস্তান। চলতি বছরের ২৬ সেপ্টেম্বর যার অনুমোদন দিয়েছে এই আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা। ঋণ পেতে পাক সরকারকে খরচ কমাতে বলেছিল আইএমএফ। পাশাপাশি, কর-জিডিপির অনুপাত বৃদ্ধি, কৃষি ও রিয়েল এস্টেটের মতো অপ্রচলিত খাতে কর বসানো এবং ভর্তুকি কমিয়ে দেওয়ার মতো শর্তও মানতে হচ্ছে ইসলামাবাদকে।

    কী বললেন পাক অর্থমন্ত্রী?

    এ প্রসঙ্গে পাক অর্থমন্ত্রী বলেছেন, “আইএমএফের সঙ্গে একটি ত্রাণ প্যাকেজ চূড়ান্ত করা হয়েছে, যা পাকিস্তানের জন্য শেষ প্যাকেজ হবে। আমরা আমাদের অর্থনীতির উন্নতির জন্য আইএমএফের সব দাবি মেনে নিয়েছি।” পাকিস্তান জি-২০ ভুক্ত দেশগুলির সংগঠনে যোগ দিতে চাইছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে তার জন্য দেশের অর্থনীতিকে অনেক বেশি সমৃদ্ধিশালী করার কথা বলেছেন অওরঙ্গজেব। অর্থমন্ত্রী অওরঙ্গজেব আরও জানিয়েছেন, “অর্থনীতি সঠিক পথে চলছে। দেশের বিদেশি মুদ্রার ভান্ডার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।” পাকিস্তানের জাতীয় রফতানি বৃদ্ধি পেয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

    গাড়ি-সম্পত্তি কেনায় নিষেধাজ্ঞা জারি

    দেশের (Pakistran) করদাতাদের পরিসংখ্যান তুলে ধরেন পাক অর্থমন্ত্রী। অওরঙ্গজেব জানিয়েছেন, “গত বছরের (২০২৩) নতুন করদাতার সংখ্যা ছিল আনুমানিক তিন লক্ষ। এ বছর এখনও পর্যন্ত নতুন করদাতা হিসেবে নাম নথিভুক্ত করেছেন ৭ লক্ষ ৩২ হাজার জন। অর্থাৎ দেশে করদাতার সংখ্যা এক লাফে দ্বিগুণ হয়েছে।”যাঁরা করদাতা নন, তাঁদের সম্পত্তির ক্ষেত্রে নতুন নিয়ম চালু হতে চলেছে বলে জানিয়েছে পাক অর্থমন্ত্রী। এই ধরনের বাসিন্দারা আর সম্পত্তি বা গাড়ি কিনতে পারবেন না বলেও জানিয়েছেন তিনি। পাকিস্তান বার বার আইএমএফের থেকে টাকা পাওয়ায় সিঁদুরে মেঘ দেখছে নয়াদিল্লি। কারণ ইসলামাবাদের সিন্দুকে টাকা এলেই তা যে সন্ত্রাসবাদের পিছনে খরচ হয়, তা কারও অজানা নয়। সে ক্ষেত্রে এ দেশে জঙ্গি হামলার মাত্রা বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siraj Mohammed Khan: “মুসলমান হওয়ায় ভারতে কখনও অপমানিত হইনি”, অকপট পাকিস্তানির ভারতীয় স্ত্রী

    Siraj Mohammed Khan: “মুসলমান হওয়ায় ভারতে কখনও অপমানিত হইনি”, অকপট পাকিস্তানির ভারতীয় স্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মুসলমান হওয়ার জন্য ভারতে কোনও দিন অপমানিত হয়নি।” অকপটে কথাগুলো বললেন সিরাজ মহম্মদ খানের (Siraj Mohammed Khan) স্ত্রী। বাইশ বছর ধরে ভারতে রয়েছেন সিরাজ (Pakistan)। স্বদেশে তাঁকে ‘কাফের’ (বিধর্মী) বলে দেগে দেওয়া হয়েছে। ভারতে দিব্যি ছিলেন তিনি।

    ভুল করে ভারতে আসা (Siraj Mohammed Khan)

    সিরাজের বয়স ৩৮। ছোটবেলায় ভুল করে ভারতে ঢুকে পড়েন তিনি। দিল্লিগামী সমঝোতা এক্সপ্রেসে করে ১৯৯৬ সালে ভারতে চলে আসেন। খাইবার পাখতুনখাওয়া অঞ্চলের বাসিন্দা সিরাজ করাচি দেখবেন বলে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন। ভুল করে চড়ে পড়েন ভারতগামী ট্রেনে। তার পর থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত সিরাজ ঘুরে বেড়িয়েছেন দিল্লি, মুম্বই এবং আমেদাবাদ। জীবনের ২২টা বছর সিরাজ কাটিয়েছেন মুম্বইয়ে। বিয়ে করেছেন এক ভারতীয়কে। স্ত্রীর নাম সাজিদা। তার পর ভারতকে ভালোবেসে ‘ভারতীয়’ই হয়ে গিয়েছেন সিরাজ।

    পাকিস্তানে ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা

    স্বদেশে ফিরে তাঁর আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করতে যাবেন বলে ভেবেছিলেন সিরাজ। গিয়েওছিলেন ২০১৮ সালে। সেখানে জেলে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। তিনদিন লাগাতার জেরা করার পর সিরাজকে মনসেরায় তাঁর আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করতে যেতে দেওয়া হয়। সিরাজ জানান, আত্মীয়-স্বজন তাঁকে সন্দেহের চোখে দেখতে শুরু করেন। তাঁকে কাফের, হিন্দু মায় ভারতীয় চরের তকমাও দেন তাঁর আত্মীয়-স্বজন। পৈত্রিক সম্পত্তির ভাগ নিতে এসেছেন বলে অভিযোগ করতে শুরু করেন সিরাজের (Siraj Mohammed Khan) নিজের ভাই।

    আরও পড়ুন: ভয়েই মৃত্যু নাসরাল্লার! ইজরায়েলি হানায় নিহত হিজবুল্লা প্রধানের দেহ উদ্ধার

    ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা শোনালেন সিরাজের স্ত্রী। ভারতীয় বলে সিরাজের বাড়ির লোক তাঁদের বাসনকোসন ব্যবহার করতে দেননি তাঁদের। সিরাজ যাতে তাঁকে তালাক দেন, সেজন্য ব্রেনওয়াশও করা হতে থাকে। সাজিদা বলেন, “ওঁরা আমার গায়ের রং নিয়েও কটূক্তি করেন।” তিনি বলেন, “আমাদের বলা হয় মুসলমানদের জন্য নিরাপদ নয় ভারত। তবে পাকিস্তানে নিজের শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে যে ঘৃণা আমরা পেয়েছি, ভারতে তা কল্পনাও করতে পারিনি।” ভারতীয় হওয়ায় সিরাজের ছেলেমেয়েদের সে দেশের স্কুলে ভর্তি নেওয়া হয়নি। স্ত্রী, ছেলেমেয়েদের নিয়ে ভারতেই ফিরতে চান সিরাজ। কিন্তু সেজন্য মোটা টাকা ঘুষ চাওয়া হয়েছে। অগত্যা পাকিস্তানেই (Pakistan) কষ্টে দিন কাটছে ভারতীয় সিরাজের (Siraj Mohammed Khan)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rajnath Singh: “সুসম্পর্ক রাখলে আইএমএফের চেয়েও বেশি সাহায্য পেত পাকিস্তান”, বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: “সুসম্পর্ক রাখলে আইএমএফের চেয়েও বেশি সাহায্য পেত পাকিস্তান”, বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নয়াদিল্লির সঙ্গে বন্ধুত্বের সম্পর্ক বজায় রাখলে পাকিস্তান (Pakistan) আইএমএফের চেয়ে ঢের বেশি সাহায্য পেত।” রবিবার কথাগুলি বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি বলেন, “আমি আমার পাকিস্তানি বন্ধুদের বলতে চাই, কেন সম্পর্ক স্বাভাবিক করছেন না? আমরা তো প্রতিবেশী।” এর পরেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “যদি আমাদের মধ্যে সুস্পর্ক বজায় থাকত, আমরা আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের চেয়ে অনেক বেশি অর্থ দিতাম।”

    কী বললেন রাজনাথ (Rajnath Singh)

    এদিন রাজনাথ বান্দিপোরা জেলার গুরেজ বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি আয়োজিত সভায় বক্তব্য রাখছিলেন। তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়নে সরকার উৎসর্গীকৃত।” তিনি জানান, ২০১৪-২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৯০ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এই প্রতিশ্রুতিগুলি স্পষ্টতই আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তার ওপর পাক-নির্ভরতার উল্টো পিঠ।”

    আরও পড়ুন: “বিশ্বকে আর সন্ত্রস্ত্র করতে পারবে না”, নাসরাল্লাহকে খতম করে দাবি ইজরায়েলের

    পাকিস্তানকে পরামর্শ রাজনাথের

    এদিন রাজনাথের ভাষণে প্রত্যাশিতভাবেই উঠে আসে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর নাম। প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, “আমরা বন্ধু পরিবর্তন করতে পারি, কিন্তু আমরা কখনওই আমাদের প্রতিবেশী বদলাতে পারি না।” ভারতের সঙ্গে তলানিতে ঠেকে যাওয়া সম্পর্ক পুনরুদ্ধার করার পরামর্শও দেন রাজনাথ। ভারতের সঙ্গে হারানো সম্পর্ক ফিরে পাওয়া যায় কিনা, পাকিস্তানকে তা-ও ভাবনা চিন্তা করার কথা বলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়নের জন্য আর্থিক সাহায্য দেওয়া হয়েছে।” উপত্যকাটি আবার পৃথিবীর স্বর্গ হয়ে উঠতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

    রাজনাথ বলেন, “এটা বাজপেয়ীজির ইনসানিয়াত, জামহুরিয়াত ও কাশ্মীরিয়াত পুনঃপ্রতিষ্ঠার দৃষ্টিভঙ্গীর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh) বলেন, “সন্ত্রাসবাদকে ভারতের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করার জন্য পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মঞ্চে এক ঘরে হয়ে গিয়েছে। তাদের ঐতিহ্যবাহী মিত্ররাও দূরত্ব বজায় রাখছে।” তিনি বলেন, “যখনই আমরা সন্ত্রাসবাদের তদন্ত করেছি, আমরা পাকিস্তানের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছি।” প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনে করিয়ে দেন, “পাকিস্তানের কেউ যদি ভারতের ওপর আক্রমণ করে, তাহলে আমরা সীমান্ত (Pakistan) পেরিয়ে গিয়ে তার জবাব দিতে পারি (Rajnath Singh)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “ওরা মৌলবাদ দিয়ে জিডিপি মাপে”, এবার পাকিস্তানকে তোপ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “ওরা মৌলবাদ দিয়ে জিডিপি মাপে”, এবার পাকিস্তানকে তোপ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ওরা মৌলবাদ দিয়ে জিডিপি মাপে!” বিশ্বমঞ্চে এই ভাষায়ই পাকিস্তানকে (Pakistan) তোপ দাগলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। শনিবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার ৭৯তম অধিবেশনে বক্তব্য রাখছিলেন তিনি। সেখানেই জয়শঙ্কর বলেন, “পাকিস্তান তার কর্মের জন্যই ক্রমেই পিছিয়ে পড়ছে বিশ্বের তালিকায়।”

    পাকিস্তানকে নিশানা করেছিলেন ভাবিকাও (S Jaishankar)

    শুক্রবারই রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি ভাবিকা মঙ্গলনন্দন নিশানা করেছিলেন পাকিস্তানকে। বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন, “আমরা এমন এক দেশকে নিয়ে কথা বলছি, যে দেশটা সেনা চালায়। সন্ত্রাসের জন্য দেশটা সারা বিশ্বে পরিচিত। এমন দেশ যেখানে ওসামা বিন লাদেন আশ্রয় নিয়েছিল। এমন এক দেশ যার আঙুলের ছাপ বিশ্বের সব জঙ্গি হামলায় রয়েছে।”

    জয়শঙ্করের তোপ 

    এর ঠিক পরের দিনই ফের পাকিস্তানকে নিশানা করলেন জয়শঙ্কর। বলেন, “দুঃখজনকভাবে ওদের খারাপ কাজের ফল অন্যদেরও প্রভাবিত করে। বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশগুলোকে। যখন রাজনীতি জনগণের মধ্যে ধর্মান্ধতা জাগিয়ে তোলে, তখন দেশের জিডিপি শুধুমাত্র মৌলবাদের পরিপ্রেক্ষিতে ও সন্ত্রাসবাদের আকারে এর রফতানির ভিত্তিতেই পরিমাপ করা হয়।” তিনি বলেন, “বহু দেশ পিছিয়ে পড়ে এমন কিছু পরিস্থিতির জন্য, যা তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। কিন্তু আবার নিজেদের ভেবেচিন্তে নেওয়া সিদ্ধান্তের কারণেও পিছিয়ে পড়ে অনেক দেশ। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ হল পাকিস্তান।” জয়শঙ্কর বলেন, “পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য অন্য কাউকে দোষ দেওয়া উচিত নয়। বরং এটা তার কর্মের ফল।” তিনি (S Jaishankar) বলেন, “যে দেশ অন্যের জমি দখল করার চেষ্টা করে, তাদের মুখোশ খুলে দেওয়া ও পাল্টা জবাব দেওয়া জরুরি।”

    আরও পড়ুন: ফের অশান্ত মণিপুর, জিরিবামে কুকি-মেইতেই সংঘর্ষে চলল গুলি, হতাহতের খবর নেই

    রাষ্ট্রসংঘের এই মঞ্চেই পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ কাশ্মীরের পরিস্থিতিকে প্যালেস্তাইনের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে জয়শঙ্কর বলেন, “আমি ভারতের অবস্থান স্পষ্ট করে দিতে চাই। পাকিস্তানের এই সীমান্তের ওপার থেকে সন্ত্রাসবাদ পরিচালনের নীতি কখনওই সফল হবে না। ওরা এর দায়ও এড়াতে পারে না। কর্মের ফল ওদের (Pakistan) ভুগতেই হবে (S Jaishankar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bhavika Mangalanandan: “এত ঔদ্ধত্য”! রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিলেন ভাবিকা মঙ্গলানন্দন

    Bhavika Mangalanandan: “এত ঔদ্ধত্য”! রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিলেন ভাবিকা মঙ্গলানন্দন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্ত্রাসের জন্য পরিচিত পাকিস্তানের এত ঔদ্ধত্য!” রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ অধিবেশনে কথাগুলি বললেন ভারতের ফার্স্ট সেক্রেটারি ভাবিকা মঙ্গলানন্দন। তিনি বলেন, “যে দেশের সন্ত্রাসবাদের কথা তামাম বিশ্ব জানে, তারা ভারতের মতো দেশের বৃহত্তম গণতন্ত্রকে আক্রমণ করে কীভাবে?” সন্ত্রাস বাড়ালে তার ফল ভুগতে হবে বলেও এদিন ফের একবার পাকিস্তানকে (Shahbaz Sharif) হমকি দিয়েছে ভারত।

    পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত (Bhavika mangalanandan)

    রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ অধিবেশনে কাশ্মীর প্রসঙ্গ উঠতেই পাকিস্তানকে একেবারে ধুয়ে দিল নয়াদিল্লি। প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন পাক প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। তিনি ভারতের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। কার্যত, তার পরেই পাকিস্তানকে আক্রমণ শানান ভাবিকা (Bhavika mangalanandan)। ২০১৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে নেয়। সে প্রসঙ্গও তোলেন শরিফ। তার পরেই পাকিস্তানকে চাঁদমারি করেন রাষ্ট্রপুঞ্জে ভারতের প্রতিনিধি। ভাবিকা বলেন, “যে দেশটি সেনার দ্বারা পরিচালিত হয় এবং যে যাদের সন্ত্রাসবাদের কথা সবারই, সে দেশের ঔদ্ধত্য সবারই জানা।”

    কী বললেন ভাবিকা

    এর পরেই ভাবিকা বলেন, “ওদের এত ঔদ্ধত্য যে ভারতের মতো বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক একটা দেশকে আক্রমণ করে!” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের চেহারাটা যে ঠিক কেমন, তা সবারই জানা।” এ প্রসঙ্গে তিনি ২০০১ সালের সংসদে হানা এবং ২০০৮ সালে মুম্বই হামলার প্রসঙ্গ টানেন। ভাবিকা বলেন, স্মৃতি এখনও আমাদের মলিন হয়নি।” ভারতীয় এই কূটনীতিক বলেন, “পাক প্রধানমন্ত্রীর কথা যে ফাঁকা আওয়াজ, তা সকলেরই জানা। সত্যি কথার জবাব দিতে পাকিস্তান বারবার মিথ্যা কথা বলে। মনে রাখতে হবে, আমাদের অবস্থান খুব স্পষ্ট।”

    আরও পড়ুন: ‘গান পয়েন্টে ধর্ষণ আইএএসের স্ত্রীকে’! পুলিশকে ভর্ৎসনা আদালতের, রাজ্যকে আক্রমণ মালব্যর

    তিনি বলেন, “পাকিস্তান হল সেই দেশ, যারা গোটা বিশ্বের ত্রাস ওসামা বিন লাদেনকে বছরের পর বছর ধরে আশ্রয় দিয়েছিল। একাত্তরের যুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ভাবিকা বলেন, “১৯৭১ সালে পাকিস্তান যেভাবে দেশের পূর্বপ্রান্তে সংখ্যালঘুদের নিকেশ করার চেষ্টা করেছিল, এখনও সেভাবেই করে চলেছে। পাকিস্তানে সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন চলছে আজও।” তাঁর প্রশ্ন, “এমন একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক মঞ্চে (Shahbaz Sharif) দাঁড়িয়ে ভারতের দিকে আঙুল তোলেন কোন সাহসে (Bhavika mangalanandan)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     
LinkedIn
Share