Tag: pakistan

pakistan

  • PM Modi: পাকিস্তানে এসসিও সম্মেলন, মোদিকে আমন্ত্রণ শরিফের, যোগ দেবেন কি প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: পাকিস্তানে এসসিও সম্মেলন, মোদিকে আমন্ত্রণ শরিফের, যোগ দেবেন কি প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার কি তবে পাকিস্তান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)? অন্তত এমনই জল্পনা দানা বেঁধেছে। কারণ ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে সরকারিভাবে পাকিস্তানে যাওয়ার আমন্ত্রণ জানিয়েছে শেহবাজ শরিফের সরকার। জানা গিয়েছে, এ বছর সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশন (SCO) সম্মেলনের আয়োজক দেশ পাকিস্তান। সম্মেলন হবে অক্টোবরের মাঝামাঝি। এই সম্মেলনেই (SCO Summit) যোগ দেওয়ার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে পাকিস্তানের সরকার।

    কী বলছে পাকিস্তান? (PM Modi)

    পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মুমতাজ জাহরা বালোচ বলেন, “এসসিও সম্মেলনে যোগ দিতে সব সদস্য দেশের সরকারকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। ইসলামাবাদে এসসিও-র সদস্য দেশগুলোর সরকারের প্রধানদের নিয়ে কাউন্সিল অফ হেডস অফ গভর্নমেন্টের বৈঠক হবে।” এসসিও সম্মেলনে যে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে, দিন দুই আগেই তা জানিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। তিনি বলেছিলেন, “পাকিস্তান অবশ্যই এই আঞ্চলিক বৈঠকে (ভারতের) প্রধানমন্ত্রীকে (PM Modi) আমন্ত্রণ জানাবে।” অক্টোবরের ১৫ ও ১৬ এই দুদিন ধরে সম্মেলন হবে ইসলামাবাদে।

    কী বলছে ভারত?

    গত বছর এসসিও সম্মেলনের আয়োজক দেশ ছিল ভারত। সম্মেলন হয় জুলাই মাসে। সেবার ভারত আমন্ত্রণ জানিয়েছিল পাকিস্তানকে। তার আগে মে মাসে গোয়ায় বৈঠকে বসেন এসসিও-র সদস্য রাষ্ট্রগুলির বিদেশমন্ত্রীরা। এই বৈঠকে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন পাকিস্তানের তৎকালীন বিদেশমন্ত্রী বিলওয়াল জারদারি ভুট্টো। ভুট্টো এলেও, এসসিও-র মূল সম্মেলনে আসেননি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। এখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে যান কিনা, সেটাই দেখার। যদিও বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে একটি খবর ঘুরে বেড়াচ্ছে, ‘পাকিস্তানে এসসিও-র বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী যোগ দেবেন না। বা বিদেশমন্ত্রক পাকিস্তানে এই এসসিও বৈঠকে যাবে। স্পষ্ট করে দেওয়া ভালো যে, বিদেশমন্ত্রক এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। এই জাতীয় খবরগুলো উপেক্ষা করা উচিত।’

    আরও পড়ুন: নবান্ন অভিযান-বন‍্ধে পুলিশি অত্যাচার, পুলিশকে নোটিশ মানবাধিকার কমিশনের

    প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের ১৫ জুন প্রাণপ্রতিষ্ঠা হয় এসসিও-র। প্রথমে সদস্য দেশ ছিল পাঁচটি। বর্তমানে সদস্য দেশ ৯টি। এগুলি হল, ভারত, পাকিস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, চিন, রাশিয়া এবং ইরান। ফি বছর একটি করে (PM Modi) দেশ আয়োজন করে সম্মেলনের (SCO Summit)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দাঁড় করিয়ে গুলি, পাকিস্তানে নিহত ২৩

    Pakistan: বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দাঁড় করিয়ে গুলি, পাকিস্তানে নিহত ২৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিনের বেলায় জাতীয় সড়কের ওপর সন্ত্রাসবাদীদের অতর্কিত হামলা। ট্রাক ও বাস (Bus Attack) থেকে যাত্রী নামিয়ে পরিচয় যাচাই করে পরপর গুলি করে ২৩ জনকে খুন করা হল পাকিস্তানে (Pakistan)। সোমবার সকালে বালুচিস্তান প্রদেশের মুসাখাইল জেলায় এ ঘটনা ঘটে। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এই হামলার নিন্দা করে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন। এই অঞ্চলে হিংসা মোকাবিলার অঙ্গীকার করেছেন তিনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Pakistan)

    পাকিস্তানের (Pakistan) সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুচিস্তানের মুসাখেলে রারাশামের কাছে আগে থেকেই হাইওয়ে আটকে দাঁড়িয়েছিল জঙ্গিরা। এই পথে আসা সমস্ত বাস ও ট্রাক থেকে যাত্রীদের নামতে বাধ্য করে তারা। এরপর এক এক করে সকলের পরিচয়পত্র খতিয়ে দেখে বেছে বেছে ২৩ জন যাত্রীকে গুলি করে মারা হয়। নিহতেরা সকলেই পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা। এর পর আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় বাস ও ট্রাকগুলিতে। জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে কমপক্ষে ১০টি গাড়ি। বালুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এর দায় স্বীকার করেছে। তাদের দাবি, নিহতরা সাধারণ পোশাকে সামরিক কর্মী ছিল। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই পাঞ্জাবি শ্রমিক এবং দুই আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য রয়েছেন। সহকারি কমিশনার মুসাখাইল নজিব কাকারের বলেন, সশস্ত্র দুষ্কৃতীরা মুসাখেলের রারাশাম জেলার হাইওয়ে অবরোধ করে। বাস থেকে যাত্রীদের নামিয়ে দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার আগে দুষ্কৃতীরা ১০টি গাড়িতে আগুনও দেয়।

    আরও পড়ুন: বঙ্গোপসাগরে ক্রমশ ঘনাচ্ছে নিম্নচাপ, জন্মাষ্টমীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দক্ষিণবঙ্গে

    আগেও হামলা!

    বালুচিস্তানের (Pakistan) বিচ্ছিন্নতাবাদীরা প্রায়ই পাকিস্তানের পূর্ব পাঞ্জাব অঞ্চলের শ্রমিক ও অন্যদের দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য করার প্ররোচণা দেয় দেয় বলে অভিযোগ। এদিনের এই হত্যালীলা তারই অংশ বলেই ধরা হচ্ছে। পাক পাঞ্জাবের মানুষদের লক্ষ্য করে একই ধরনের হামলা আগেও হয়েছে। প্রায় চার মাস আগে মুসাখেলে একই ধরনের হামলা হয়েছিল। এপ্রিলে নোশাকির কাছে ১১ জন পাঞ্জাবি শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছিল। তার আগে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে তুরবাতে ছয়জন পাঞ্জাবি শ্রমিককে হত্যা করা হয়েছিল। অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মহসিন নকভি এই হামলাকে “বর্বর” বলে অভিহিত করেছেন। যে বা যারা এর পিছনে রয়েছে, তাদের বিচার হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। পাক তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার সন্ত্রাসবাদীদের বর্বরতার তীব্র নিন্দা করেছেন। প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অপরাধীদের সাজা হবেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan News: পাকিস্তানে পুলিশের কনভয়ে রকেট হামলা জঙ্গিদের, নিহত ১১, পণবন্দি বেশ কয়েকজন

    Pakistan News: পাকিস্তানে পুলিশের কনভয়ে রকেট হামলা জঙ্গিদের, নিহত ১১, পণবন্দি বেশ কয়েকজন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan News) পাঞ্জাব প্রদেশে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে জঙ্গিদের ছোড়া রকেটে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে (Terrorist Attack)। আরও, ৭ জন গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি বলে জানা গিয়েছে। এই হামলার ঘটনায় স্থানীয় দুষ্কৃতীদের হাত রয়েছে বলে মনে করছে পাক প্রশাসন। লাহোর থেকে ৪০০ কিমি দূরে এই ঘটনা ঘটেছে। পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। কড়া হাতে দুষ্কৃতীদের দমন করার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।

    এখনও বেশি কিছু পুলিশকর্মী পণবন্দি (Pakistan News)!

    পাকিস্তানের সংবাদপত্র ‘ডন’-এর একটি প্রতিবেদন সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার পাঞ্জাব প্রদেশের মচকা এলাকায় তল্লাশি অভিযানে বের হয়েছিল পুলিশের একটি কনভয়। কনভয়ে থাকা দুটি পুলিশভ্যান রহিম ইয়ার খান জেলা থেকে ফিরছিল। কিন্তু সেগুলি কাদায় আটকে খারাপ হয়ে যাওয়ায় রাস্তায় দাঁড়িয়ে পড়েছিল। সেই সময় আচমকা রকেট হামলার শিকার হয় (Terrorist Attack)। কয়েকজন পুলিশকর্মী ঘটনাস্থলেই মারা যান। আরও বেশ কয়েকজনকে পুলিশকে পণবন্দি করা হয় বলে জানা যায় (Pakistan News)। পাক পাঞ্জাব পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে হামলা চালিয়েই পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। পুলিশের আইজি উসমান আনারওয়ারাকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম। একই সঙ্গে অপহৃত পুলিশকর্মীদেরন মুক্তির বিষয়টি সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    আরও পড়ুনঃ ‘‘যুদ্ধে কোনও সমস্যার উত্তর মেলে না’’, ইউক্রেন সফরের আগেই বার্তা মোদির

    ডাকাতি এবং লুটপাটের ঘটনা মাঝে মাঝেই ঘটে

    উল্লেখ্য, পাকিস্তানের (Pakistan News) পূর্ব পাঞ্জাব, দক্ষিণ সিন্ধু অঞ্চল এবং পাখতুনখোয়া প্রদেশে দুষ্কৃতী ও  জঙ্গিদের ব্যাপক বাড়বাড়ন্ত। এই দুষ্কৃতীরা জঙ্গলে আত্মগোপন করে থাকে বলে জানা গিয়েছে। তবে প্রশাসনের তেমন কোনও মাথাব্যথা নেই বলে অভিযোগ। এই এলাকায় ডাকাতি এবং লুটপাটের ঘটনা মাঝে মাঝেই ঘটে থাকে। একই ভাবে এই এলাকায় ওই দেশের সেনাবাহিনীর ওপর একাধিক হামলার ঘটনা আগেও ঘটেছিল। তবে একসঙ্গে এত পুলিশের মৃত্যু এই প্রথম ঘটেছে (Terrorist Attack)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jana Gana Mana: ব্রিটিশ-ভূমে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন পাকিস্তানিরাও!

    Jana Gana Mana: ব্রিটিশ-ভূমে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইলেন পাকিস্তানিরাও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৫ অগাস্ট, বৃহস্পতিবার। ব্রিটেনের রাস্তায় দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত জন-গণ-মন (Jana Gana Mana) গাইছেন এক দল ভারতীয়। তাঁদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন কয়েকজন পাকিস্তানিও (Pakistanis)। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইছেন তাঁরাও। এঁদের মধ্যে কয়েকজনের হাতে ধরা পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা। ভাইরাল ভিডিওয় শোরগোল।

    ভারতের স্বাধীনতা দিবস (Jana Gana Mana)

    বৃহস্পতিবারই স্বাধীনতার ৭৮তম বর্ষ উদযাপন করেছে ভারত। দেশজুড়ে ভারতবাসী কেমনভাবে স্বাধীনতা দিবস পালন করছে, সেই ছবি সম্বলিত নানা ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এমনই একটা ভিডিওই নজর কেড়েছে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের। ভাইরাল হওয়া ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে, স্বাধীনতা দিবসে ব্রিটেনের পিকাডেলি সার্কাস এলাকায় জড়ো হয়েছেন অনেক ভারতীয়। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে তাঁরা গাইছেন জন-গণ-মন। এই অনুষ্ঠানেই পাকিস্তানের জাতীয় পতাকা হাতে যোগ দিয়েছেন কয়েকজন। জাতীয় পতাকা ছাড়াও যোগ দিয়েছেন আরও কয়েকজন পাকিস্তানি। জন-গণ-মন-র সঙ্গে গলা মিলিয়েছেন তাঁরাও। ভারতীয়দের মতোই মাথা নিচু করে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত গাইছেন তাঁরা (Jana Gana Mana)।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Farid Qureshi (@faridqureshi_uk)

    কী বললেন পাক সাংবাদিক

    পাকিস্তানের একটি সংবাদ মাধ্যমের এক সাংবাদিক ইনস্টাগ্রামে ভিডিওটি পোস্ট করে লিখেছেন, “ব্রিটেন আলাদা করেছিল। আবার ব্রিটেনেই তাঁরা একত্রিত হয়েছেন।” ফরিদ কুরেশি নামের ওই সাংবাদিক আরও লিখেছেন, “পাকিস্তানি ও ভারতীয়রা এক সঙ্গে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করছে। এই ভিডিওয় শ্রোতারা ভারতের জাতীয় সঙ্গীতের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করছেন। আগের ভিডিওটি পিকাডলি সার্কাসে পাকিস্তানি ও ভারতীয় উভয় সম্প্রদায়কেই সমানভাবে পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতকে সম্মান করার। এর কৃতিত্ব গায়ক আমির হাশমির।”

    ইতিমধ্যেই ভিডিওটি দেখে ফেলেছেন তিন লাখেরও বেশি মানুষ। একজন সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী লিখেছেন, “শিক্ষিত মানুষরা এমনটাই করেন।”

    ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয় ভারত ও পাকিস্তান। ব্রিটিশ শাসন থেকে একই সঙ্গে মুক্তি পেলেও, পাকিস্তান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে ১৪ অগাস্ট, ভারতের স্বাধীনতা দিবসের একদিন আগে (Pakistanis)। ভারতের জাতীয় সঙ্গীত জন-গণ-মন। কবিগুরু রচিত সেই সঙ্গীতই গাইলেন পাকিস্তানিরাও (Jana Gana Mana)।

     

      

  • Murshidabad: বহরমপুরে পাকিস্তানের পতাকার ওপর হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণের হুমকি, শোরগোল

    Murshidabad: বহরমপুরে পাকিস্তানের পতাকার ওপর হিন্দু মেয়েদের ধর্ষণের হুমকি, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে রাজনৈতিক পালা বদলের পর হিন্দুদের ওপর অকথ্য অত্যাচারের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। এই ঘটনায় বিশ্ব দরবারে নিন্দার ঝড় উঠেছে। এপার বাংলায় প্রতিবাদ আন্দোলন হয়েছে। এই আবহের মধ্যে এবার পাকিস্তানের পতাকার ওপর হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি দিয়ে পোস্টার পড়ল মুর্শিদাবাদে। শুক্রবার সকালে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বহরমপুর থানার হাতিনগর এলাকার একটি স্কুলের গেটে এই পোস্টার দেখতে পাওয়া যায়। এরকম ২টি পোস্টার পাওয়া গিয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে শহর জুড়ে। কে বা কারা এই ধরণের পোস্টার সাঁটল, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। খতিয়ে দেখা হচ্ছে আশেপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    উদ্ধার হওয়া একটি পোস্টারের ছবি প্রকাশ্যে এসেছে, তাতে হিন্দু মহিলাদের ধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়েছে। পোস্টারের ওপরে লেখা ‘পাকিস্তান (Pakistan) জিন্দাবাদ’। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে পোস্টারগুলি খুলে নিয়ে যায়। ওদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। আতঙ্কে ভুগতে শুরু করেছেন মহিলারা। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, বৃহস্পতিবার রাতে এই পোস্টার লাগিয়েছে কেউ বা কারা। তবে, কারা এই পোস্টার লাগিয়েছে তা বলতে পারেনি কেউ। তদন্তে নেমে স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, এই ঘটনায় আমরা আতঙ্কিত। রাজ্য সরকারের ওপর ভরসা নেই। তাই মুর্শিদাবাদকে (Murshidabad) কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হোক বা বিএসএফ অথবা কেন্দ্রীয় কোনও বাহিনীর ওপর নিরাপত্তার ভার দেওয়া হোক। তবে এই নিয়ে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মধ্যরাতে আরজি করে তাণ্ডব, ভয়ে রোগীর চাদরের তলায় লুকিয়েছিল মমতার পুলিশ!

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বিধায়ক বিজেপির গৌরীশঙ্কর ঘোষ বলেন, “এই ধরনের কাজ যাঁরা করছেন, তাঁদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া উচিত। প্রকাশ্যে শাস্তি দেওয়া উচিত। রাজ্যজুড়ে এই ধরনের ঘটনা ঘটছে। প্রশাসন চুপ করে রয়েছে। এখানে আইনের শাসন নেই।” প্রাক্তন সাংসদ তথা কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, “কিছু শক্তি মুর্শিদাবাদের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের ঘটনার পর এর প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। কারণ, বাংলাদেশে অনেক ভারত বিরোধী শক্তি, সাম্প্রদায়িক শক্তি, মৌলবাদী শক্তি মাথাচাড়া দিচ্ছে। সেখানে হিন্দুদের ওপর হামলা হচ্ছে।” এই নিয়ে বহরমপুর জেলা তৃণমূলের সাংগঠনিক সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, “এই ঘটনা কোনওভাবেই অভিপ্রেত নয়। আমরা জেলা পুলিশকে জানিয়েছি। দোষীদের অবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনি পদক্ষেপ করা হোক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arshad Nadeem: অলিম্পিক্সে সোনা জয়ী নাদিমের সঙ্গে লস্কর-যোগ! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

    Arshad Nadeem: অলিম্পিক্সে সোনা জয়ী নাদিমের সঙ্গে লস্কর-যোগ! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈবার এক নেতার সঙ্গে দেখা গেল প্যারিস অলিম্পিক্সে জ্যাভলিনে সোনা জয়ী পাক তারকা আরশাদ নাদিমকে (Arshad Nadeem)। সম্প্রতি সোশ্যাল সাইটে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়, যেখানে দেখা যাচ্ছে, নাদিম মিলি মুসলিম লিগের যুগ্ম সম্পাদক মহম্মদ হারিস দারের সঙ্গে কথা বলছেন। মিলি মুসলিম লিগকে লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে ধরা হয়। 

    নাদিমের সঙ্গে সম্পর্ক

    এই মুহূর্তে পাকিস্তানের ক্রীড়াজগতে আলোচনার কেন্দ্রে আরশাদ নাদিম (Arshad Nadeem)। অলিম্পিক্সে দেশকে প্রথম ব্যক্তিগত সোনা এনে দিয়েছেন এই জ্যাভলিন থ্রোয়ার। অলিম্পিক্স রেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছেন তিনি। ৯২.৯৭ মিটার দূরে জ্যাভলিন ছোড়েন নাদিম। তাঁকে ১০ কোটি টাকা পুরস্কার দিয়েছে পাকিস্তান। ভাইরাল ওই ভিডিওতে দেখা যায়, নাদিমকে অলিম্পিক্সে সোনা জয়ের জন্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) ওই নেতা। নাদিমের এই জয় পুরো মুসলিম সম্প্রদায়ের মাথা উঁচু করেছে বলে মত প্রকাশ করেন মিলি।

    প্রশ্নের মুখে পাক প্রশাসন

    এই ঘটনার পর থেকেই সন্দেহের ছায়া পড়েছে আরশাদ নদিমের (Arshad Nadeem) ওপর। তাঁর সঙ্গে হারিস দারের সম্পর্ক কী ধরনের ছিল, সেই নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। অন্যদিকে, পাকিস্তান সরকার এই বিষয়ে কতটা সচেতন, সেই প্রশ্নও তোলা হচ্ছে। হারিস দারের বিরুদ্ধে ভারত-বিরোধী বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। তিনি বলেছেন, ভারতকে কাশ্মীর ছেড়ে যেতে হবে। এই ঘটনার পর থেকে ভারতেও তোলপাড় শুরু হয়েছে। এই ঘটনা স্পষ্ট করে দিয়েছে, সন্ত্রাসবাদ ক্রীড়া জগতকেও প্রভাবিত করতে পারে। লস্কর-ই-তৈবা একটি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন। ২০১৮ সালে আমেরিকা সরকার মিলি মুসলিম লিগকেও জঙ্গি সংগঠন হিসাবে ঘোষণা করে। মহম্মদ হারিস দার সেই সময় থেকেই জঙ্গি তালিকায় রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar-e-Taiba) স্টুডেন্ট উইং আল-মহম্মাদিয়া স্টুডেন্টসের একজন নেতা ছিলেন। এই সংগঠনটিকেও আমেরিকা সরকার ২০১৬ সালে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসাবে ঘোষণা করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

     

  • Neeraj Chopra: জীবনের সেরা থ্রো করেও অধরা সোনা, রুপো জয়ের পর নীরজকে শুভেচ্ছা মোদির

    Neeraj Chopra: জীবনের সেরা থ্রো করেও অধরা সোনা, রুপো জয়ের পর নীরজকে শুভেচ্ছা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশার চাপ সামলাতে পারলেন না নীরজ চোপড়া (Neeraj Chopra)। টোকিওয় সোনা জিতলেও প্যারিসে রুপোতেই সন্তুষ্ট থাকতে হল নীরজকে। রুপো জিতে প্যারিস (Paris Olympics 2024) থেকে ফিরতে হচ্ছে ভারতীয় তারকাকে। তবে পর পর দুটো অলিম্পিক্সে সোনা ও রুপো জিতলেন ভারতীয় তারকা। তিনিই একমাত্র ভারতীয় খেলোয়াড় যিনি অলিম্পিক্সে একটি সোনা ও একটি রুপো জিতলেন। নীরজের সাফল্যে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এক্সে তিনি লিখেছেন, ‘‘নীরজ চোপড়া এক শ্রেষ্ঠ ব্যক্তি! বারবার তিনি তাঁর শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছেন। ভারত উচ্ছ্বসিত যে তিনি আরও একটি অলিম্পিক্সে সফল হলেন। রুপো পাওয়ার জন্য তাঁকে অভিনন্দন। তিনি অগণিত আসন্ন ক্রীড়াবিদদের স্বপ্নকে অনুসরণ করতে সাহায্য করবেন। নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রেরণা দেবেন। আমাদের দেশকে গর্বিত করবেন।’’

    পাঁচটা থ্রো-ই ফাউল

    এদিনটা নীরজের (Neeraj Chopra) ছিলই না, এমনই মনে করছেন অনেকে। প্যারিসে (Paris Olympics 2024) ফাইনালের শুরুটা ভালো হয়নি ভারতীয় তারকার। প্রথম থ্রো করতে গিয়ে পড়ে যান তিনি। দাগে পা লেগে যাওয়ায় প্রথম থ্রো বাতিল হয়। ফলে চাপ আরও বাড়ে। বাকি দু’টি থ্রোয়ের মধ্যে ভাল করতে হত তাঁকে। পাকিস্তানের আরশাদ নাদিম নিজের দ্বিতীয় থ্রোয়ে ছোড়েন ৯২.৯৭ মিটার। নতুন অলিম্পিক্স রেকর্ড গড়েন তিনি। ফলে চাপ আরও বেড়ে যায় নীরজের উপর। সোনা জিততে হলে নিজের সেরা থ্রো করতে হত তাঁকে। দ্বিতীয় থ্রো ভাল করেন নীরজ। ৮৯.৪৫ মিটার ছোড়েন তিনি। চলতি মরসুমের সেরা থ্রোয়ের পরেও নীরজের থেকে সোনা তখনও দূরে ছিল। নীরজের তৃতীয় থ্রো-ও বাতিল হয়। দ্বিতীয় রাউন্ডেও শুরুটা ভাল হয়নি তাঁর। চতুর্থ থ্রো-ও বাতিল হয় নীরজের। পরের থ্রোয়েও একই ছবি। মেজাজ হারাতে দেখা যায় ভারতীয় খেলোয়াড়কে। শেষ থ্রো-ও ভাল হয়নি। আরশাদ শেষ থ্রো-ও করেন ৯০ মিটারের বেশি। দ্বিতীয় স্থানে শেষ করেন নীরজ।

    চোট রয়েছে নীরজের

    টোকিও-য় সোনা জয়ের পর নীরজকে (Neeraj Chopra) নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিল ভারতবাসী। প্যারিসের কথা ভেবে নীরজে জন্য প্রায় ৬ কোটি টাকা খরচ করেছে ভারত সরকার। কোনও ফাঁক রাখা হয়নি।  তবু এক একটা দিন এক একজনের হয়। এদিনটা ছিল পাকিস্তানের আরশাদ নাদিমের। নীরজ হেরে গেলেন তাঁর কাছে। নীরজের বাবা সতীশ কুমার জানান, ‘ওর কুঁচকিতে চোট রয়েছে। আমার মনে হয় সেটার জন্যই অস্বস্তিতে ছিল নীরজ।’

    নাদিমের সোনা

    ১৯৯২ সালের বার্সেলোনা গেমসের ৩২ বছর পর আবার অলিম্পিক্সে পদক পেল পাকিস্তান। সে বার হকির ব্রোঞ্জের পর এ বার পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রোয়ে সোনা জিতলেন আরশাদ নাদিম। ৯২.৯৭ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন ছুড়ে নতুন অলিম্পিক্স রেকর্ডও গড়লেন। পাকিস্তানের প্রথম খেলোয়াড় হিসাবে অলিম্পিক্সে ব্যক্তিগত সোনা জিতলেন। পাকিস্তানের ক্রীড়া ইতিহাসে নতুন ইতিহাস লিখলেন নাদিম।

    নীরজের সাফল্যে মিষ্টিমুখ

    সোনা না পেলেও রুপো জমিতেছেন নীরজ (Neeraj Chopra)। তাঁর  মা সরোজ দেবী ছেলের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত। গত অলিম্পিকের পর থেকে যে ভাবে চোট আঘাতে পড়েছেন নীরজ, তারপরও রুপো। সরোজ দেবী বলছেন, ‘আমরা সকলেই খুব খুশি। আমাদের কাছে এই রুপোর পদকও সোনার সমান। ওর চোট ছিল। যে ভাবে পরিশ্রম করেছে, আগামীতে ও আবারও সোনা জিতবে। আমরা ওর পারফরম্যান্সে খুবই খুশি।’

    টোকিও অলিম্পিকে সোনা জিতে বাড়ি ফেরার পর বিশেষ আয়োজন ছিল নীরজের জন্য। এবারও (Paris Olympics 2024) নীরজের পছন্দের খাবার হবে, ছেলের বাড়ি ফেরার অপেক্ষায় মা সরোজ দেবী। নীরজের সাফল্যে রাতেই মিষ্টিমুখ শুরু হয় তাঁর পাড়ায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Bangladesh Violence: উত্তাল বাংলাদেশ, ভারতের আর কোন পড়শির বাড়িতে লেগেছে অশান্তির আগুন?

    Bangladesh Violence: উত্তাল বাংলাদেশ, ভারতের আর কোন পড়শির বাড়িতে লেগেছে অশান্তির আগুন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষণকে কেন্দ্র করে উত্তাল (Protests) বাংলাদেশ। তার জেরে সোমবারই প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন (Bangladesh Violence) শেখ হাসিনা। বোনকে নিয়ে তিনি আশ্রয় নিয়েছেন ভারতে। হাসিনার পদত্যাগের খবর জানান সে দেশের সেনা প্রধান ওয়াকের-উজ-জামান। রাজধানী ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে হামলা চালায় বিক্ষোভকারীরা। লাঠিচার্জ করেও তাদের নিরস্ত করতে পারেনি বাংলাদেশ প্রশাসন। তার জেরেই সপ্তাহখানেক ধরে অশান্তির আগুনে পুড়ছে ভারতের প্রতিবেশী এই দেশ। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, মাঝ-জুলাইয়ের এই আন্দোলনে অন্তত ৯১ জন প্রাণ হারিয়েছেন। ডামাডোলের বাজারে চলছে হিন্দু নিধন যজ্ঞও।

    ‘দক্ষযজ্ঞ’ শ্রীলঙ্কায়

    বাংলাদেশের মতো এমন আন্দোলন বছর দুয়েক আগে দেখেছিল দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কাও। ঘটনাচক্রে সেটাও ছিল জুলাই মাস। দেশে (Protests) অথনৈতিক সঙ্কট চরমে। ব্ল্যাক আউট করে বিদ্যুৎ সঙ্কটের সমাধানের চেষ্টা করছে সরকার। খাবার এবং জ্বালানির অভাবে দ্বীপরাষ্ট্রবাসীর প্রাণ ওষ্ঠাগত। দেশকে দেউলিয়া ঘোষণা করে দেয় সরকার। এ খবর ছড়িয়ে পড়তেই পথে নেমে পড়েন শ্রীলঙ্কাবাসী। তাঁরা তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষের সরকারি বাসভবনে হামলা চালান। জনরোষের আঁচ পেয়ে তার আগেই অবশ্য দেশ ছেড়ে ভিন দেশে পালিয়ে বাঁচেন রাজাপক্ষে।

    পাকিস্তানে অশান্তি

    ব্যাপক অশান্তি দেখেছে ভারতের আর এক পড়শি দেশ পাকিস্তানও। দেশের অর্থনৈতিক সঙ্কট যখন চরমে, তখনই সরিয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির প্রধান ইমরান খানকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে। সেটাও দু’বছর আগে। তবে মাসটা ছিল এপ্রিল। আস্থা ভোটে হেরে যাওয়ায় সরানো হয় ইমরানকে। জোট সরকারের নেতৃত্ব দেন শাহবাজ শরিফ। ওই বছরই (Bangladesh Violence) নভেম্বর মাসে পঞ্জাব প্রদেশে এক প্রতিবাদ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার সময় ইমরানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। তিনটি গুলি লাগে প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর পায়ে। প্রাণে বেঁচে যান ইমরান। তবে কলঙ্কের দাগ লাগে পাক রাজনীতির গায়ে।

    আন্দোলনের আঁচ সর্বত্র

    তোষাখানা মামলা-সহ একাধিক মামলায় গ্রেফতার করা হয় ইমরানকে। ২০২৩ সালের মে মাসের ওই ঘটনার আগে পরে ব্যাপক আন্দোলন হয় পাকিস্তানে। প্রতিবাদী এই আন্দোলনের ঢেউ গিয়ে আছড়ে পড়ে আর্মি হেডকোয়ার্টার এবং আইএসআইয়ের হেডকোয়ার্টারে। তবে বন্দিদশা ঘোচেনি প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরানের। একের পর এক মামলা চলায় জেলের ঘানি টানছেন পাকিস্তানের এই ক্রিকেট তারকা-রাজনীতিক। চলতি বছরের মার্চে পাকিস্তানের মসনদে বসেন শরিফ। দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হন তিনি। শাসক বদলেছে। তবে দুঃখ ঘোচেনি পাকিস্তানের। দেনার দায়ে সর্বস্বান্ত হওয়ার জোগাড় দেশটার। দেশের অর্থনীতির হাঁড়ির হালের দশা কাটাতে ২৩ মার্কিন বিলিয়ন ডলার ঋণ করার পরিকল্পনা করেছে পাক সরকার। অর্থ সাহায্যের জন্য দোরে দোরে হাত পেতেছে শরিফের দেশ। আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডার থেকেও সাহায্য মেলেনি। সব মিলিয়ে বেসামাল দশা পাক অর্থনীতির।

    অশান্তির আগুন মায়ানমারেও

    অশান্তির আগুনে পুড়েছে ছবির মতো সাজানো দেশ মায়ানমারও। সে দেশের জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ আন্দোলনে নেমেছেন মায়ানমারবাসী। সরকারের সঙ্গে সাধারণ মানুষের এই লড়াইয়ে কখনও পিছু হটেছে সেনা, কখনও আবার পিছু হটেছেন আন্দোলনকারীরা। ২৫ জুলাই মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি (সামরিক শাসক বিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জোট) ঘোষণা করে, জুন্টা সরকারের বিরুদ্ধে (Bangladesh Violence) জয় পেয়েছে তারা। টানা ২৩ দিনের লড়াই শেষে লাসিওর দখল নিয়েছে মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি। পুরোপুরি স্বাধীন হয়েছে লাসিও।

    আরও পড়ুন: অর্থ সংগ্রহ করতে আরএসএসের ভরসা গুরুদক্ষিণা!

    মাইলফলক জয়

    যদি প্রতিবাদীদের দাবি সত্য হয়, তাহলে তা হবে টানা তিন বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধের একটা মাইলফলক জয়। জুন্টা সরকার যেভাবে সাধারণ মানুষের ওপর নিপীড়ন চালিয়েছিল, তার প্রতিবাদে পথে নেমেছেন মায়ানমারবাসী। সেখানেই ঘোষিত হয়েছে জনতা জনার্দনের জয়। তবে সেজন্য কম খেসারত দিতে হয়নি মায়ানমারবাসীকে। প্রচুর প্রাণের বিনিময়ের পাশাপাশি ভিটে ছাড়া হয়েছেন ৩ মিলিয়নের বেশি মানুষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় লাসিও জয়ের ভিডিও পোস্ট করেছে মায়ানমার ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স আর্মি। তাতে দেখা যাচ্ছে, সর্বত্রই অ্যালায়েন্স আর্মির ভিড়। রেলস্টেশন, কারাগার, ব্রডকাস্ট স্টেশন কোথায় নেই তারা! মায়ানমারের সামরিক সরকার সোমবার স্বীকার করেছে যে তারা উত্তর-পূর্বে একটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সেনা দফতরের কমান্ডারদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে (Bangladesh Violence) পারছেন না।

    জনগণ খেপে গেলে কীই (Protests) না হয়!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: বালোচদের ওপর দমনপীড়ন, করাচির রাস্তায় প্রতিবাদ সমাজকর্মীদের

    Pakistan: বালোচদের ওপর দমনপীড়ন, করাচির রাস্তায় প্রতিবাদ সমাজকর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আমেরিকার ঢেউ এসে আছড়ে পড়ল পাকিস্তানে (Pakistan)! গত বছর ‘ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার’ স্লোগান উঠেছিল মার্কিন মুলুকে। এবার পাকিস্তানে (Karachi Activists) আওয়াজ উঠল ‘বালোচ লাইভস ম্যাটার’। পাকিস্তানের বালোচ প্রদেশে দমন পীড়ন চালাচ্ছে পাকিস্তান প্রশাসন। তার প্রতিবাদেই শনিবার করাচির রাস্তায় নামেন সে দেশের সমাজকর্মীরা। সেখানেই আওয়াজ ওঠে ‘বালোচ লাইভস ম্যাটার’।

    করাচির রাস্তায় সমাজকর্মীরা (Pakistan)

    পাকিস্তানের কবল থেকে মুক্তি পেতে চাইছেন বালুচিস্তানবাসী। তার জেরেই চলছে প্রতিবাদ। সিন্ধ এবং বালুচিস্তানেও জ্বলছে প্রতিবাদের আগুন। বিক্ষোভকারীদের কড়া হাতে দমন করতে চাইছে পাক প্রশাসন। চলছে দমন-পীড়ন। এরই প্রতিবাদে করাচির রাস্তায় নামেন সমাজকর্মীরা। মুন্ডুপাত করেন পাক সরকারের। সরকারের ভীরুতা ও হিপোক্র্যাসির বিরুদ্ধেও সোচ্চার হন তাঁরা। গদওয়ারে নিপীড়ন বন্ধের দাবিও জানান তাঁরা। পাক সরকারের দমন পীড়নের প্রতিবাদে তাঁরা যে এককাট্টা, তা স্পষ্ট সমাজকর্মী বীরসা পিরজাদোর কথায়।

    কী বললেন আন্দোলনকারীরা?

    তিনি বলেন, “যতক্ষণ না সরকার দমন পীড়ন বন্ধ করছে, ততক্ষণ আমরা ফিরে যাব না।” বীরসা প্রতিবাদী আন্দোলনের অন্যতম মুখ। সিন্ধ কমিশন অন দ্য স্টেটাস অফ উইমেনের সদস্যও তিনি। প্রতিবাদীদের সাফ কথা, রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা মেনে নেওয়া যায় না। তারা যেভাবে প্রতিবাদীদের গ্রেফতার করছে, তাও মেনে নেওয়া যায় না। যেভাবে বালোচ নারী ও শিশুদের মারধর করা হচ্ছে, তাও সহ্য করা যায় না। তাঁরা জানান (Pakistan), নিখোঁজ ব্যক্তিদের ইস্যুটি জেনুইন।

    আরও পড়ুন: গণধর্ষণকাণ্ডে ডিএনএ টেস্ট চান, অখিলেশের মুসলিম তোষণে ক্ষুব্ধ বিজেপি

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার রাতে আর্টস কাউন্সিল গোলচত্বর থেকে গ্রেফতার করা হয় বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটির কয়েকজন কর্মকর্তাকে। ওই এলাকায় তাঁরা জড়ো হয়েছিলেন গোয়াদরে নির্যাতন ও আটকের ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে। সেই সময়ই কর্মকর্তাদের গ্রেফতার করে পাক প্রশাসন। বালোচ ইয়াকজেহতি কমিটির অভিযোগ, মহিলা-সহ প্রায় ৫০ জনকে আটক করেছে পুলিশ। কেপিসি এলাকায় মিছিল করার চেষ্টা করতেই আটক করা হয় তাঁদের। যদিও পাক পুলিশের দাবি, সংগঠকরা রেড জোনে বেআইনি সমাবেশ করার নিষেধাজ্ঞা ভেঙেছেন। ১৪ জন আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মহিলা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে সঙ্গেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    পুলিশের দাবি যে সত্য নয়, তা স্পষ্ট করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক রিয়াজ আহমেদের কথায়। তিনি বলেন, “গতকাল রাতে শান্তিপূর্ণ সমাবেশে যোগ দিয়েছিলেন ১৫০ বালোচ আন্দোলনকারী (Karachi Activists)। এঁদের মধ্যে ছাত্রছাত্রীরাও ছিলেন। কোনও কারণ ছাড়াই পুলিশ তাঁদের লাঠিপেটা করে। কোনও কারণ ছাড়াই করা হয় গ্রেফতার (Pakistan)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

      

  • Harbhajan Singh: রোহিত-কোহলিদের জন্য কেন নিরাপদ নয় পাকিস্তান? বোঝালেন ভাজ্জি

    Harbhajan Singh: রোহিত-কোহলিদের জন্য কেন নিরাপদ নয় পাকিস্তান? বোঝালেন ভাজ্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে ভারত কেন পাকিস্তানে যাবে না, তা ফের খোলসা করলেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার হরভজন সিং (Harbhajan Singh)। ভাজ্জি মনে করেন, পাকিস্তানের মতো দেশে ভারতীয় ক্রিকেটারদের খেলতে যাওয়ার বিরাট ঝুঁকি রয়েছে। কোনও দেশের ক্রিকেটাররাই সেখানে নিরাপদ নন। পাকিস্তানে শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের উপর হামলার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে একথা লেখেন তিনি। 

    হরভজনের গুগলি

    সম্প্রতি পাকিস্তানে ভারতীয় দলের খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছিলেন ভাজ্জি। তাঁর এই মতে বেজায় চটেছিল পাকিস্তানের একাংশ। ফরিদ খান নামে এক নেটিজেন সোশ্যাল সাইটে ভাজ্জিকে ট্রোল করেন। ২০০৬ সালে লাহোরের একটি ম্যাচের ভিডিও তুলে ধরেন তিনি। সেই ম্যাচে হরভজনকে (Harbhajan Singh) পরপর চারটি ৬ মেরেছিলেন প্রাক্তন পাক অধিনায়ক শাহিদ আফ্রিদি। এরই পাল্টা হিসেবে ভাজ্জি লেখেন, ক্রিকেটে হার-জিত রয়েছে। এ জন্য তিনি কোনও দেশে খেলতে না যাওয়ার কথা বলবেন না। পাল্টা লাহোরেই শ্রীলঙ্কার টিম বাসে হামলার ছবি দিয়ে ভাজ্জি লেখেন, ২০০৯-এর ৩ মার্চ পাকিস্তানে জঙ্গি হামলার মুখে পড়ে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল। টিম বাস ঘিরে ধরে এলোপাথাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। আহত হন কয়েকজন ক্রিকেটার। এই ঘটনায় স্তম্ভিত হয়ে যায় গোটা বিশ্ব। শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের মধ্যে আহত হন থিলন সমরবীরা, চামিন্ডা ভাস, মাহেলা জয়বর্ধনে, কুমার সঙ্গাকারা, থরঙ্গা পরনভিতানা, অজন্তা মেন্ডিস ও সারুঙ্গা লাকমল। আঘাত গুরুতর হওয়ায় সমরবীরা ও পরনভিতানাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এজন্যই পাকিস্তানের মাটিতে কোনও দল নিরাপদ নয়, বলে জানান ভাজ্জি।

    ভাজ্জির অভিমত

    আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে ভারত যাবে পাকিস্তানে?‌ গোটা বিষয়টিই অনিশ্চিত। বিসিসিআই জানিয়ে দিয়েছে, কেন্দ্র অনুমতি দিলে যাবে। নইলে নয়। প্রয়োজনে দুবাই কিংবা শ্রীলঙ্কায় খেলবে ভারত। কিন্তু পাকিস্তান এই যুক্তি মানতে রাজি নয়। পিসিবির দাবি, ভারতকে খেলতে আসতে হবে পাকিস্তানেই। নিরাপত্তার জন্য ভারতের সমস্ত ম্যাচ রাখা হয়েছে লাহোরে।  

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ভাজ্জি (Harbhajan Singh) স্পষ্ট বলে দিয়েছিলেন, ‘‌ভারতীয় দল কেন যাবে পাকিস্তানে?‌ ওখানে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে। পাকিস্তানে প্রতিনিয়ত কিছু না কিছু ঘটনা ঘটেই চলেছে। সেখানে কোনও দলই সুরক্ষিত নয়। বিসিসিআই একদম সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্রিকেটারদের নিরাপত্তা সবার আগে। বিসিসিআইয়ের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করি।’‌ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share