Tag: pakistan

pakistan

  • Team India: পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে শীর্ষে ভারত! জিম্বাবোয়েকে ৪-১ সিরিজ হারিয়ে রেকর্ড গিলদের

    Team India: পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে শীর্ষে ভারত! জিম্বাবোয়েকে ৪-১ সিরিজ হারিয়ে রেকর্ড গিলদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশের মাটিতে আয়োজক দেশের বিরুদ্ধে সর্বাধিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জয়ের নজির গড়ল ভারত (Team India)। এক্ষেত্রে পাকিস্তানকে পিছনে ফেলে শীর্ষস্থান দখল করল টিম ইন্ডিয়া। জিম্বাবোয়ের (India vs Zimbabwe) বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের সিরিজ আগেই জিতে নিয়েছিল ভারত। রবিবারের জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে ম্যাচটা ছিল ভারতের কাছে নিয়মরক্ষার। সেই নিয়মরক্ষার ম্যাচেও ভারত শেষ হাসি হাসল। জিম্বাবোয়েকে হারাল ৪২ রানে। 

    ভারতের নজির (Team India)

    এতদিন বিদেশে, আয়োজক দেশের বিপক্ষে সবচেয়ে বেশি টি-টোয়েন্টি জয়ের নজির ছিল পাকিস্তানের। ৫০টি ম্যাচ জিতেছিল প্রতিবেশীরা। কিন্তু জিম্বাবোয়ে সফরে ৪টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে এক্ষেত্রে ৫১টি ম্যাচ জয়ের নজির গড়ল ভারত (Team India)। আয়োজক দেশের বিরুদ্ধে ৩৯টি ম্যাচ জিতে তৃতীয় স্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

    ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত (Team India)

    হারের আশঙ্কা দিয়ে জিম্বাবোয়ে  সফর শুরু করেছিল ভারত। ব্যাটিং ফ্লপ শোয়ে সমালোচনার মুখে পড়ে যায় শুভমান গিলের ইয়াং ব্রিগেড। চাপ সামলে বাকি চার ম্যাচে দুরন্ত প্রত্যাবর্তন। তারুণ্যের তেজে জিম্বাবোয়েকে উড়িয়ে দিয়ে গিলরা বুঝিয়ে দিলেন বিশ্ব জয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে কিং কোহলি ঠিকই বলেছেন। ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিতই। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা, রবীন্দ্র জাদেজা-একাধিক জায়গা পূরণের দৌড়টা যে আকর্ষণীয় হতে চলেছে তা পরিষ্কার। ২৭ জুলাই থেকে ভারতের পরবর্তী সিরিজ। শ্রীলঙ্কা সফরে সাদা বলের ফর্ম্যাটে জোড়া সিরিজ। হার্দিক পান্ডিয়া, সূর্যকুমার যাদবদের পাশে কে বা কারা জায়গা করে নেন, সেটাই দেখার। 

    ম্যাচ আপডেট

    জয়ের হ্যাটট্রিকে শনিবারই সিরিজ জয় নিশ্চিত করে নেয় তরুণ ভারত (India vs Zimbabwe)। রবিবার জয়ের মেজাজেই সফরে ইতি টানল টিম ইন্ডিয়া। মুকেশ কুমারের বলে রিচার্ড এনগারাভার উইকেট ছিটকে যেতেই ৪-১ ব্যবধানে সিরিজ জয় সম্পন্ন হয় ‘মেন ইন ব্লু’-র। ভারতের ১৬৭/৬ স্কোরের জবাবে ১২৫ রানেই শেষ প্রতিপক্ষ। বল হাতে প্রতিপক্ষকে ১২৫ রানে গুটিয়ে দেওয়ার কারিগর মুকেশ কুমার। ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে ৪ টি উইকেট নেন তিনি। টি২০ কেরিয়ারের এখনও পর্যন্ত সেরা পারফরম্যান্স বাংলা রনজি ট্রফি দলের পেস তারকার। প্রথম স্পেলেই জিম্বাবোয়েকে চাপে ফেলে দিয়েছিলেন মুকেশ। শেষ স্পেলেও তা বজায় রেখে বাজিমাত। ব্যাটিংয়ের পর বোলিং-সাফল্যের সুবাদে এদিন অবশ্য ম্যাচের সেরা হন শিবম দুবে। সিরিজ সেরার পুরস্কার জেতেন ওয়াশিংটন সুন্দর।

    ভারতের লেজেন্ডদের কাছেও হার পাকিস্তানের

    ভারতের লেজেন্ডদের হাতেও বধ পাকিস্তান, ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ানশিপের শিরোপা জিতে ইতিহাস যুবিদের। সম্প্রতি বিশ্বকাপ জিতেছে টিম ইন্ডিয়া। তার রেশ এখনও ফুরিয়ে যায়নি। তার মধ্যেই ফের ক্রিকেটে বিশ্বজয়ের স্বাদ। শনিবার বার্মিংহ্যামে পাকিস্তান চ্যাম্পিয়ন্স দলকে দাপটের সঙ্গে হারিয়ে কিংবদন্তিদের বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপের খেতাব জিতে নেয় ইন্ডিয়া চ্যাম্পিয়ন্স দল। লিগের ম্যাচে এই পাকিস্তানের কাছেই হারের মুখ দেখতে হয়েছিল যুবরাজ সিংদের। সেদিক থেকে লেজেন্ডস লিগের খেতাবি লড়াইয়ে শাহিদ আফ্রিদিদের ৫ উইকেটে হারিয়ে ভারতীয় দল হিসাব সুদে-আসলে মিটিয়ে নিল বলা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistani cook Minhaj Hussain: দিল্লিতে ভারতীয় পরিচারিকার শ্লীলতাহানির চেষ্টায় অভিযুক্ত পাকিস্তানি কুক

    Pakistani cook Minhaj Hussain: দিল্লিতে ভারতীয় পরিচারিকার শ্লীলতাহানির চেষ্টায় অভিযুক্ত পাকিস্তানি কুক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ভারতীয় এক মহিলাকে শ্লীলতাহানির (Attempt to Molest) চেষ্টার অভিযোগ উঠল পাকিস্তানি কূটনৈতিকের রাঁধুনির বিরুদ্ধে। ওই কূটনৈতিক সাদ আহমেদ ওয়ারাইচের দিল্লির বাসভবনের এক পরিচারিকার সঙ্গে রাঁধুনি অশ্লীল ব্যবহার করার ঘটনায় ইতিমধ্যেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজধানীতে। দিল্লি পুলিশের কাছে দায়ের হয়েছে অভিযোগও। ৫৪ বছর বয়সী ওই পাকিস্তানি নাগরিকের নাম মিনহাজ হুসেন (Pakistani cook Minhaj Hussain)। পুলিশ সূত্রে খবর, মধ্য দিল্লির তিলক মার্গ এলাকায় ওই রাঁধুনি পাকিস্তানি এক কূটনীতিবিদের জন্য রান্না করতেন। সেই বাড়িতেই গৃহ পরিচারিকা হিসেবে কাজ করত ওই নির্যাতিতা। সেই বাড়িতেই শ্লীলতাহানির চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। 

    নির্যাতিতার অভিযোগ  

    নির্যাতিতার অভিযোগ, সেই বাড়িতেই তাঁর সঙ্গে বার বার দুর্ব্যবহার করতেন মিনহাজ (Pakistani cook Minhaj Hussain)। এমনকি, একা থাকার সুযোগ নিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টাও করেন। বার বার একই ঘটনা ঘটায় নির্যাতিতা আহমেদকে বিষয়টি জানান। কিন্তু আহমেদ তেমন পাত্তা দেননি বলেই অভিযোগ। উল্টে অভিযুক্তকে ইদের সময় পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়ে দেন। পরে আহমেদ নির্যাতিতাকেই কাজ ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। ৩০ জুনের মধ্যে তাঁর বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তার মধ্যেই মিনহাজ আবার ফিরে আসেন ওই পাকিস্তানি কূটনৈতিকের বাড়িতে। যা দেখে ভয়েই থানায় যান নির্যাতিতা।

    আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ ধস নেপালে! রাস্তা থেকে নদীতে পড়ল ২টি বাস, নিখোঁজ ৬৩ জন

    রাঁধুনির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ (Pakistani cook Minhaj Hussain) 

    এরপর গত ২৮ জুন তিলক মার্গ থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতিতা। অভিযোগ পাওয়ার পর ঘটনার তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৩৫৪ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। এটা হল মূলত কোনও মহিলার মর্যাদাহানি (Attempt to Molest) করার জন্য তার উপর অত্যাচার করা। তবে এরই মধ্যে খবর পাওয়া গিয়েছে, গত ৩০ জুন মিনহাজকে আবারও পাকিস্তানে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন আহমেদ। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে ঘুরছে পাকিস্তান, অথচ ভিক্ষুকদের পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত!

    Pakistan: ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে ঘুরছে পাকিস্তান, অথচ ভিক্ষুকদের পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশবাসীর মুখে দু’মুঠো অন্ন জোগাতে নিজেই ভিক্ষের ঝুলি নিয়ে বিশ্বের দরবারে ঘুরছে পাকিস্তান (Pakistan)। সেই পাকিস্তান সরকারই কিনা এবার বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দু’হাজারেরও বেশি ভিক্ষুকের (Beggars) পাসপোর্ট। পুণ্যার্থীর ছদ্মবেশে পাকিস্তানের বহু মানুষে ছোটেন সৌদি আরব, ইরান এবং ইরাকের মতো ইসলামিক রাষ্ট্রগুলিতে। সেখানে গিয়েই খুলে ফেলেন তীর্থযাত্রীর মুখোশ।

    ‘বেওসা’ বন্ধে পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত (Pakistan)

    পুণ্যার্থীর বেশে যিনি এসেছিলেন এই সব দেশে, সে-ই তিনিই কিনা মুখোশ সরিয়ে রেখে হয়ে পড়েন ভিখিরি! এতে বিশ্বের দরবার কলঙ্কিত হচ্ছে পাকিস্তানের ভাবমূর্তি। সেই কারণেই দু’হাজারেরও বেশি ভিক্ষুকের পাসপোর্ট বাতিল করতে চলেছে পাক সরকার। পাকিস্তানের ‘ডন’ সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আগামী সাত বছরের জন্য বাতিল করা হবে এই পাসপোর্টগুলি। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে এরকম একাধিক চক্র রয়েছে। এই চক্রের মাধ্যমেই পুণ্যার্থীর বেশে বিদেশে নিয়ে যাওয়া হয় ভিক্ষুকদের। তার পরেই দিব্যি চলে ‘বেওসা’। পাক সংবাদ মাধ্যমের খবর, এই এজেন্টদেরও পাসপোর্ট বাতিল করার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে সরকার।

    তীর্থে যাওয়ার নাম করে গিয়ে ভিক্ষে!

    সৌদি আরব, ইরাক এবং ইরানে রয়েছে ইসলামিক একাধিক তীর্থক্ষেত্র। সেই তীর্থ দর্শনে যাওয়ার নাম করে গিয়ে তীর্থক্ষেত্রগুলিতে ভিক্ষে করতে বসে যান এজেন্টের মাধ্যমে পাকিস্তান থেকে যাওয়া লোকজন (Pakistan)। পাক সংবাদ মাধ্যম সূত্রেই খবর, সৌদি আরব, ইরাক এবং ইরানের শতকরা ৯০ শতাংশ ভিক্ষুকই পাকিস্তানি নাগরিক। এদের অনেকের কাছেই বৈধ কাগজপত্র না থাকায় প্রায়ই ঠাঁই হয় বিভুঁইয়ের জেলে। ফলে ওই দেশগুলিতে ক্রমেই বাড়ছে ভিনদেশি বন্দির সংখ্যা।

    গেল অক্টোবরে মুলতান বিমানবন্দরে বিমান থেকে নামিয়ে দেওয়া হয় ১৬ জন পাকস্তানিকে। এঁদের মধ্যে নারীদের পাশাপাশি ছিল কয়েকজন শিশুও। তীর্থযাত্রার নাম করে এঁদের ভিক্ষে করতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। গত ডিসেম্বরেও মুলতান বিমানবন্দর থেকে বের করে দেওয়া হয় ন’জন ভিক্ষুককে।

    আর পড়ুন: গাড়ি চালাচ্ছেন পুতিন, সওয়ার মোদি, রাশিয়ায় ‘দুই হুজুরের গপ্পো’

    পাকিস্তানের অর্থনীতির ভিত নড়বড়ে। সৌদি আরব, চিন মায় আন্তর্জাতিক অর্থ ভান্ডারের দুয়ারেও বারংবার হাত পেতেছে পাকিস্তানের সরকার। কেউ বাড়িয়ে দেয়নি সাহায্যের হাত। রাজনৈতিক অস্থিরতা, ইসলামি সন্ত্রাসবাদ, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ভুল অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত পাকিস্তানকে ঠেলে দিয়েছে খাদের কিনারে। তা সত্ত্বেও বিদেশে দেশের সম্মান বাঁচাতে মরিয়া পাক (Pakistan) সরকার। সেই কারণেই পাসপোর্ট বাতিলের সিদ্ধান্ত ভিক্ষুকদের (Beggars)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ না থাকলে পশ্চিমবঙ্গ যেত পাকিস্তানে, জানুন সেই ইতিহাস

    Shyama Prasad Mukherjee: শ্যামাপ্রসাদ না থাকলে পশ্চিমবঙ্গ যেত পাকিস্তানে, জানুন সেই ইতিহাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯০১ সালের ৬ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shyama Prasad Mukherjee)। তাঁকে ‘ভারত কেশরী’ বলেও সম্বোধন করা হয়। ঐতিহাসিকদের মতে, তিনিই ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের জনক। মুসলিম লিগের পাতা ফাঁদ থেকে তিনি উদ্ধার করতে সমর্থ হয়েছিলেন বাঙালি হিন্দুদের। মূলত তাঁর প্রচেষ্টাতেই অখণ্ড বাংলার হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ পশ্চিমাংশ থেকে যায় ভারতে। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অখণ্ড বাংলাকে নিয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনে সুরাবর্দীর প্রস্তাবও ব্যর্থ করেন তিনি। আজ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনে আমরা জানব কীভাবে তিনি পশ্চিমবঙ্গকে (West Bengal) ভারতে রাখতে সমর্থ হলেন!

    পাকিস্তানের দাবিতে ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ ও নোয়াখালি গণহত্যা

    ১৯৪৬ সালের ১৬ অগাস্ট দিনটি ছিল শুক্রবার। বাঙালি হিন্দুর জীবনে সেদিন নেমে আসে এক ভয়ঙ্কর বিপর্যয়। ‘প্রত্যক্ষ সংগ্রাম দিবসে’র নামে, পাকিস্তানের দাবিতে মুসলিম লিগ শুরু করল হিন্দু নিধনযজ্ঞ। অবিভক্ত বাংলায় তখন ছিল সুরাবর্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিম লিগের সরকার। মুসলিম লিগের গুন্ডারা হিন্দুদের ওপর ভয়াবহ সম্প্রদায়িক হামলা শুরু করে। পুলিশকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়। কয়েক হাজার হিন্দুকে হত্যা করা হয়। হাজার হাজার হিন্দু নারী ধর্ষিতা হন। লুট করা হয় সম্পত্তি। ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’-এর পরেই নোয়াখালিতে মুসলিম লিগ শুরু করে ফের এক হিন্দু নিধনযজ্ঞ। উদ্দেশ্য একটাই, পাকিস্তান। বর্তমান বাংলাদেশের নোয়াখালি, লক্ষ্মীপুর, ফেনী জেলা নিয়ে মেঘনার বাম তীরে অবস্থিত ছিল ব্রিটিশ আমলের নোয়াখালি জেলা। এই জেলাতে তৎকালীন সময়ে হিন্দুদের জনসংখ্যা ছিল ১৮ শতাংশ। ১৯৪৬ সালের ১০ অক্টোবর ছিল কোজাগরী লক্ষ্মী পুজো। স্থানীয় হিন্দু বাড়িগুলিতে ঝাঁপিয়ে পড়ে লিগের গুন্ডারা। গণহত্যা, লুট, গৃহে অগ্নিসংযোগ, অপহরণ ,নারী ধর্ষণ-এই সমস্ত কিছুই চলতে থাকে মুসলিম লিগের নেতা মওলানা গোলাম সারোয়ারের নেতৃত্বে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এক নোয়াখালিতেই হত্যা করা হয়েছিল ১০ হাজার হিন্দু বাঙালিকে। এর থেকেও বেশি সংখ্যক মানুষকে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করা হয়। অগণিত মহিলাকে ধর্ষিতা হতে হয়।

    হিন্দু বাঙালির অস্তিত্ব বিপন্ন করতে মুসলিম লিগের ফাঁদ 

    অবিভক্ত বাংলায় তখন মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। মুসলিম লিগ নেতৃত্বের দাবি, কলকাতা সহ সমগ্র বাংলাকেই পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সেই দাবিতেই ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ ও ‘নোয়াখালি গণহত্যা’। এদিকে সমগ্র বাংলাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্তিকরণের বিরুদ্ধে হিন্দু বাঙালিদের মধ্যেও গড়ে উঠেছে প্রবল জনমত। মুসলিম লিগের নেতা তথা ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’- এর খলনায়ক সুরাবর্দী তখন এক ফাঁদ পাতলেন। দুই বাংলাকে নিয়ে অখণ্ড স্বাধীন রাষ্ট্র তৈরি করার প্রস্তাব রাখলেন তিনি। অর্থাৎ অখণ্ড বাংলা, না হবে ভারতের, না পাকিস্তানের। কিন্তু এরপরেও বাংলাতে হিন্দুরা সংখ্যালঘু হয়ে যেত। আশ্চর্যজনকভাবে অখণ্ড বাংলা রাষ্ট্রের দাবিতে সম্মতি দিলেন মহম্মদ আলি জিন্না। অর্থাৎ যেনতেন প্রকারেন তৎকালীন অখণ্ড বঙ্গের পশ্চিমাংশ যা বর্তমানের পশ্চিমবাংলা, যেখানে হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, সেটিকে ভারত থেকে আলাদা করতেই হবে। সুরাবর্দীর এমন পাতা ফাঁদে পা দেন কংগ্রেসের দুই নেতা শরৎচন্দ্র বসু ও কিরণশঙ্কর রায়। এমন সময়ে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বুঝতে পারলেন যে হিন্দু বাঙালির অস্তিত্ব বিপন্ন করতে ফাঁদ পেতেছে মুসলিম লিগ। হয়তো পাকিস্তানে নিয়ে যেতে চাইছে অথবা স্বাধীন রাষ্ট্রের নামে একটি ইসলামিক রাষ্ট্রে হিন্দুদের তারা সংখ্যালঘু করে রাখতে চাইছে।

    আন্দোলনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shyama Prasad Mukherjee) 

    সেই সময় থেকেই শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তাঁর সমস্ত শক্তিকে নিয়োজিত করলেন হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ পশ্চিমবঙ্গকে ভারতে রাখার জন্য। ১৯৪৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই হিন্দু মহাসভার নেতৃত্বে তিনি একটি কমিটি গঠন করেন এবং সারা বাংলা জুড়ে সফর শুরু করেন। বড় বড় জনসভাগুলিতে বক্তব্য রাখেন। মানুষকে বাংলা ভাগের প্রয়োজনীয়তা তিনি বোঝাতে থাকেন। কংগ্রেসের নেতাদের কাছেও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় (Shyama Prasad Mukherjee) আবেদন রাখেন যে তাঁরা যেন বাংলা ভাগের দাবিকে সমর্থন জানান। ১৯৪৭ সালের ১৫ মার্চ কলকাতায় হিন্দু মহাসভা একটি দু-দিনব্যাপী আলোচনাসভার আয়োজন করে। এতে হাজির ছিলেন ঐতিহাসিক রমেশচন্দ্র মজুমদার, ভাষাবিদ সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, হেমেন্দ্রচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ। এই সভায় সর্বসম্মতিক্রমে একটি প্রস্তাব গ্রহণ করে হিন্দু মহাসভা। অখণ্ড বাংলার হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলগুলিকে নিয়ে একটি আলাদা প্রদেশ গঠন করার কথা লেখা হয় প্রস্তাবে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে ওই প্রস্তাব পেশও করে হিন্দু মহাসভা। ঠিক এমন আবহে তৎকালীন জনপ্রিয় দৈনিক ‘অমৃতবাজার পত্রিকা’ ১৯৪৭ সালের ২৩ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত একটি সমীক্ষা করে। বিষয় ছিল, বাংলা ভাগ করা উচিত কিনা। এই সমীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয় ১৯৪৭ সালের ২৩ এপ্রিল। জানা যায়, এতে মোট ৫ লাখ ৩৪ হাজার ২৪৯ জন মানুষ নিজেদের মতামত রাখেন। ৯৮. ৩ শতাংশ মানুষই বাংলা ভাগের পক্ষে কথা বলেন। অন্যদিকে, বাংলা ভাগের বিপক্ষে কথা বলেন ০.৬ শতাংশ মানুষ। ১.১ শতাংশ মানুষের মতামত বাতিল হয়।

    মাউন্টব্যাটেন-শ্যামাপ্রসাদ বৈঠক

    এমন সময় ১৯৪৭ সালের ২৩ এপ্রিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Shyama Prasad Mukherjee) সঙ্গে বড়লাট মাউন্টব্যাটেনের একটি বৈঠক হয়। সেখানে ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে বোঝান, ‘কেন বাংলা ভাগ করা প্রয়োজন’। আবার ১৯৪৭ সালের ২ মে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় মাউন্টব্যাটেনকে বাংলা ভাগের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে একটি দীর্ঘ পত্র লেখেন। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের এমন আন্দোলন সে সময় খবরের শিরোনামেও আসে। তৎকালীন কলকাতার দৈনিক ‘দ্য স্টেটসম্যান’ ১৯৪৭ সালের ২৪ এপ্রিল একটি খবর প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদনে তারা জানায়, বাংলা ভাগ করার আন্দোলন একটি বিশাল ঝড়ে পরিণত হয়েছে। এই ঝড় আরম্ভ করেছিল হিন্দু মহাসভা। ঝড়ের কেন্দ্রভূমি হচ্ছে কলকাতা। ১৯৪৭ সালের মে মাসের প্রথম দিকে ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, বাংলা ভাগের প্রয়োজনীয়তার কথা মহাত্মা গান্ধী ও জওহরলাল নেহরুকেও বলেন। তবে তাঁরা এ বিষয়টি খুব একটা আমল দেননি বলেই জানা যায়। ১৯৪৭ সালের ১৩ মে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সোদপুরে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করেন। সেখানেও তাঁকে একই কথা বলেন।

    বল্লভভাই প্যাটেলের চিঠি

    তৎকালীন কংগ্রেস নেতা সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে চিঠি লেখেন এবং সেখানে তিনি বলেন, ‘‘শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের দুশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই। বাংলার হিন্দুরা যতদিন নিজেদের স্বার্থ বুঝছে এবং নিজেদের অবস্থান থেকে না সরছে, ততদিন ভয়ের কোনও কারণও নেই। স্বাধীন সার্বভৌম বাংলার ডাক মুসলিম লিগের পাতা ফাঁদ ছাড়া কিছু নয়। বাংলাকে কখনই ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।’’ এই সময়ে বাংলা ভাগের দাবিতে বারোটিরও বেশি জনসভা করেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। পাঁচটি করেন কংগ্রেসের সঙ্গে যৌথভাবে। কংগ্রেস বাংলা ভাগের দাবিকে শেষ মুহূর্তে সমর্থন জানায়। তার কারণ ছিল একটাই যে তাদের হিন্দু ভোটাররা যেন না সরে যায়।

    শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াসে পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) গঠন

    দীর্ঘ আন্দোলন এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াসের পরে ১৯৪৭ সালের ২০ জুন বঙ্গীয় আইন পরিষদের পশ্চিমাংশের সদস্যরা বাংলার দ্বিখণ্ডীকরণের প্রস্তাব বা পশ্চিমবঙ্গের (West Bengal) প্রস্তাব ৫৮-২১ ভোটে পাশ করান। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় মুসলিম লিগের পাতা ফাঁদ থেকে বের করে আনেন হিন্দু বাঙালিকে। হিন্দু বাঙালি পায় তার নিজস্ব হোমল্যান্ড। ‘গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং’ ও নোয়াখালির দাঙ্গার পরেও মুসলিম লিগ সমগ্র বাংলাকে পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত করতে ব্যর্থ হয়। ব্যর্থ হয় স্বাধীন বাংলা রাষ্ট্র গঠনের নামে হিন্দু বাঙালিকে দাস করে রাখার পরিকল্পনা। মুসলিম লিগের যাবতীয় চক্রান্তকে প্রতিহত করতে সমর্থ হন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistan: “প্রতিদিন গুম হয়ে যাচ্ছে সাধারণ বালোচ নাগরিকরা” দাবি মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীনের

    Pakistan: “প্রতিদিন গুম হয়ে যাচ্ছে সাধারণ বালোচ নাগরিকরা” দাবি মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীনের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: অপরাধ, স্বাধীনতার দাবি জানানো। অন্যায়, নিজেদের অধিকারের জন্য লড়াই করা। এই কারণেই প্রতিদিন পাকিস্তানের বৃহত্তম প্রদেশ বালুচিস্তান থেকে নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছেন শয়ে সয়ে মানুষ। পাক পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে পাকিস্তানের (Pakistan) গোয়েন্দারা ধরে নিয়ে গুম করে দিচ্ছেন আন্দোলনকারীদের (Baloch Activist)। তাঁরা বেঁচে রয়েছেন, না মরে গিয়েছেন তা-ও জানতে পারছে না পরিবারের লোকজনেরা। সংবাদ সম্মেলনে এমনই দাবি করলেন মানবাধিকার কর্মী নিখোঁজ ডক্টর দ্বীন মুহাম্মাদ বালোচের মেয়ে সামি দ্বীন বালোচ।

    চিনের হাতে লুট হচ্ছে সম্পদ

    পাকিস্তানের (Pakistan) বৃহত্তম প্রদেশ বালুচিস্তান (Baloch Activist) প্রাকৃতিক ভাবে সবচেয়ে সম্পদশালী। কিন্তু ধীরে ধীরে তা বেহাত হয়ে যাচ্ছে বালোচ নাগরিকদের। ‘চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর’ (সিপিইসি) তৈরির পরে গত কয়েক বছরে সেই লুট আরও বেড়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের একাংশের। পশ্চিম চিনের শিনজিয়াং প্রদেশের কাশগড় থেকে শুরু হওয়া ওই রাস্তা কারাকোরাম পেরিয়ে ঢুকেছে পাকিস্তানে। প্রায় ১,৩০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে শেষ হয়েছে বালুচিস্তান প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে চিন নিয়ন্ত্রিত গ্বদর বন্দরে। ওই রাস্তা ব্যবহার করেই ইসলামাবাদ এবং বেজিংয়ের শাসকেরা বালুচিস্তানের প্রাকৃতিক সম্পদ লুট করছে বলে দাবি সেখানকার বাসিন্দাদের।

    নিখোঁজ কয়েক হাজার মানুষ

    শুক্রবার করাচি প্রেসক্লাবে মানবাধিকার কর্মী সামি দ্বীন বালোচ জানান, ১৫ বছর আগে পাকিস্তান (Pakistan) পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে তাঁর বাবা ডঃ দ্বীন মুহম্মদ বালোচকে পাকিস্তানের গোয়েন্দারা তুলে নিয়ে যায়। এখনও তাঁর কোনও খোঁজ নেই। ছোট বোন মেহলাব দ্বীন বালোচকে সঙ্গে নিয়ে সামি জানান ২৮ জুন ২০০৯ সালের সেই রাতের কথা এখনও ভোলেননি তাঁরা। তাঁদের বাবা বেঁচে রয়েছেন কিনা তা-ও জানেন না তাঁরা। পেশায় ডাক্তার তাঁর বাবা সরকারি কর্মচারী ছিলেন, তা-ও তাঁর উদ্ধারে নিষ্ক্রিয় সরকার। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের শিকার তাঁরা।

    আরও পড়ুন: অপহৃত নাবালিকার জন্য জাতিসংঘের কাছে আবেদন সিন্ধি ফাউন্ডেশনের! দাবি স্বাধীন তদন্তের

    রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস

    ১৯৪৭ সালের ১১ অগস্ট ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল দেশীয় রাজ্য কালাত। ১২ অগস্ট কালাতের শাসক মির সুলেমান দাউদ স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু সেই স্বাধীনতার মেয়াদ ছিল মাত্র সাত মাস। ১৯৪৮-এর ২৭ মার্চ পর্যন্ত। বালুচিস্তানের (Baloch Activist) মানুষের কাছে সেই দিনটা আজও যন্ত্রণার ‘পরাধীনতা দিবস’! সাত দশক আগে ওই দিনেই পাকিস্তানি (Pakistan) সেনা দখল করেছিল বালুচিস্তান। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তৎকালীন শাসককে বাধ্য করেছিল পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হতে। বালুচিস্তানের পরবর্তী ইতিহাস ফের নতুন স্বাধীনতার যুদ্ধের। রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস আর কয়েক হাজার মানুষের নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • LIC: এলআইসির গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ পাকিস্তানের জিডিপির দ্বিগুণ!

    LIC: এলআইসির গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ পাকিস্তানের জিডিপির দ্বিগুণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাইলস্টোন ছুঁল লাইফ ইনস্যুরেন্স কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (এলআইসি)। বৃদ্ধি পেয়েছে এলআইসির (LIC) গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ। জানা গিয়েছে, গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ৫০ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এটি পাকিস্তানের জিডিপির দ্বিগুণ। এলআইসির এইউএম-এর পরিমাণ ছাড়িয়ে গিয়েছে ৫০ লাখ কোটি টাকার গণ্ডি।

    এলআইসির গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ (LIC)

    শতাংশের হিসেবে এক বছরে ১৬.৪৮ বেড়ে গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ হয়েছে ৫১ লাখ ২১ হাজার ৮৮৭ কোটি টাকা। মার্কিন ডলারে এর পরিমাণ হল ৬১৬ বিলিয়ন। ২৩ অর্থবর্ষে এলআইসির গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ছিল ৪৩ লাখ ৯৭ হাজার ২০৫ কোটি টাকা। এক বছরে এই টাকার পরিমাণই ছাড়িয়ে গিয়েছে ৫০ লাখ কোটি টাকার গণ্ডি। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের মূল্য ৩৩ হাজার কোটি ডলার। ভারতীয় মুদ্রায় এর মূল্য ২৯ লাখ কোটি টাকার কাছাকাছি। আর ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থার (LIC) গচ্ছিত অর্থরাশির পরিমাণ এর দ্বিগুণ।

    ছাপিয়ে গেল কয়েকটি দেশের অর্থনীতিকে

    কেবল পাকিস্তান নয়, এলআইসির গচ্ছিত অর্থের পরিমাণ ছাড়িয়ে গিয়েছে আরও দুই দেশের অর্থনীতিকেও। এই দুটি দেশের একটি রয়েছে এশিয়ায়, অন্যটি ইউরোপে। এশিয়ার দেশ সিঙ্গাপুর। এদেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের পরিমাণ ৫২ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। ইউরোপের ডেনমার্কের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের পরিমাণ ৪১ হাজার কোটি মার্কিন ডলার। এই দুই দেশের অর্থনীতিকেই ছাপিয়ে গিয়েছে এলআইসি। ভারতের এই রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থার এইউএম-এর পরিমাণ পাকিস্তান-সহ ভারতের তিন পড়শি দেশের সম্মিলিত অর্থনীতির চেয়েও বেশি। এই লিস্টে রয়েছে শ্রীলঙ্কা ও নেপাল। বর্তমানে শ্রীলঙ্কার জিডিপি ৭ হাজার ৫০০ কোটি ডলার। আর নেপালের মোট অর্থনীতির পরিমাণ ৪ হাজার ৪০০ কোটি ডলার।

    আর পড়ুন: “জনতা কাজ চায়, স্লোগান নয়”, লোকসভা অধিবেশনের আগে বললেন মোদি

    জানা গিয়েছে, গত অর্থবর্ষে ভারতের অর্থনীতির মোট পরিমাণ ছিল ৪৩ লাখ কোটি টাকা। বিশ্বের অন্যান্য দেশে যখন জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল দুই থেকে তিন শতাংশ, তখন গত এক বছরে ভারতের জিডিপি বেড়েছে ১৬ শতাংশের বেশি। অর্থনীতিবিদদের মতে, এলআইসির এই গচ্ছিত অর্থ বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে শেয়ার বাজারে তার অগ্রগতি। তথ্য বলছে, গত এক বছরে স্টক থেকে এলআইসি রিটার্ন পেয়েছে ৭১.৭৪ শতাংশ। এতে সুনিশ্চিত হয়েছে সংস্থার নির্ভরযোগ্যতা ও বৃদ্ধি। যা আকর্ষণ করেছে বিনিয়োগকারীদের। তার ফলেই চড়চড়িয়ে বেড়েছে অর্থনীতির পারদ (LIC)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • China-Pakistan nexus: চিন-পাকিস্তান যোগসাজশ! কাশ্মীরে জঙ্গিদের থেকে উদ্ধার চিনা টেলিকম সরঞ্জাম

    China-Pakistan nexus: চিন-পাকিস্তান যোগসাজশ! কাশ্মীরে জঙ্গিদের থেকে উদ্ধার চিনা টেলিকম সরঞ্জাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর এনকাউন্টারে জঙ্গি মৃত্যুর পর সেখান থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে চিনা টেলিকম সরঞ্জাম-“আল্ট্রা সেট” (Chinese telecom gear)। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনার পর প্রশ্ন উঠছে যে, জঙ্গিদের কাছে কীভাবে এই চিনা টেলিকম যন্ত্র গুলি এল? তবে কী সন্ত্রাসবাদে এই জঙ্গিদের সঙ্গে চিনের কোনও যোগসাজশ (China-Pakistan nexus) রয়েছে! এই সবকিছু মিলিয়ে তৈরি হচ্ছে ধোঁয়াশা। 

    জঙ্গিদের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত চীনা সরঞ্জাম 

    এ প্রসঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, জঙ্গিদের দ্বারা ব্যবহৃত এই মোবাইল হ্যান্ডসেটগুলি, প্রাথমিকভাবে পাকিস্তান এবং পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ফলে এটা পরিষ্কার ইঙ্গিত (China-Pakistan nexus) করছে যে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি পাকিস্তান থেকেই অস্ত্র এবং গোলাবারুদ সম্পর্কে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, নিরাপত্তা বাহিনী জম্মু ও কাশ্মীরে দুটি পৃথক এনকাউন্টারে জঙ্গিদের কাছ থেকে এই চিনা সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করেছে। এই বিশেষ হ্যান্ডসেটগুলি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জন্য শুধুমাত্র চিনা কোম্পানি দ্বারা কাস্টমাইজ করা হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।    

    আরও পড়ুন: শেষ মুহূর্তের গোলে কোনও মতে মানরক্ষা জার্মানির! আর অন্যদিকে ইউরো থেকে ছুটি হল স্কটল্যান্ডের

    কীভাবে ব্যবহৃত হয় এই টেলিকম যন্ত্রগুলি? (Chinese telecom gear) 

    জানা গিয়েছে বাজেয়াপ্ত হওয়া টেলিকম যন্ত্রগুলি একটি বিশেষ রেডিও সরঞ্জামের সঙ্গে সেল ফোনের ক্ষমতাকে একত্রিত করে যা গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল (GSM) বা কোড-ডিভিশন মাল্টিপল অ্যাক্সেস (CDMA) এর মতো প্রথাগত মোবাইল প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে না। এ প্রসঙ্গে কর্মকর্তারা বলেছেন যে, ডিভাইসটি বার্তা প্রেরণ এবং অভ্যর্থনার জন্য রেডিও তরঙ্গে কাজ করে। প্রতিটি “আল্ট্রা সেট” (Chinese telecom gear) সীমান্তের ওপারে অবস্থিত একটি স্টেশনের সাথে সংযুক্ত। তবে দুটি “আল্ট্রা সেট” একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে না। এছাড়াও জানা গিয়েছে যে চীনা স্যাটেলাইটগুলি মূলত নিজেদের মধ্যে বার্তাগুলি বহন করার জন্যই ব্যবহার করা হয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Pakistani Spies: ব্রহ্মসের প্রাক্তন বিজ্ঞানীর ল্যাপটপ হ্যাক করতে পাক চররা ব্যবহার করত ৩টি অ্যাপ!

    Pakistani Spies: ব্রহ্মসের প্রাক্তন বিজ্ঞানীর ল্যাপটপ হ্যাক করতে পাক চররা ব্যবহার করত ৩টি অ্যাপ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ব্রহ্মসে’র প্রাক্তন বিজ্ঞানী নিশান্ত আগরওয়ালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে সেশন কোর্ট। অভিযোগ, তিনি ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য ফাঁস করে দিয়েছেন পাকিস্তানের (Pakistani Spies) কাছে। নিশান্ত চাকরি করতেন ভারতের নাগপুরে মিসাইল অ্যাসেম্বলিতে। পুরস্কারপ্রাপ্ত এই বিজ্ঞানীর বিরুদ্ধে অভিযোগ, পাকিস্তানকে ভারতীয় সেনার গোপন তথ্য পাচার করেছিলেন। ক্রিমিনাল প্রসিডিওর কোডের ২৩৫ নম্বর ধারায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। কেবল তথ্য পাচারই (Pakistani Spies) নয়, ভারতের অস্ত্রসম্ভার সংক্রান্ত খবরাখবরও তিনি পাচার করেছেন বিদেশি শক্তির কাছে।

    গ্রেফতার নিশান্ত (Pakistani Spies)

    ২০১৮ সালে ব্রহ্মস ক্ষেপণাস্ত্র সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের হাতে তুলে দিয়েছিলেন এই অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল নিশান্তকে। সেই সময় তিনি নাগপুরে ব্রহ্মসের ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্রের প্রযুক্তিগত গবেষণা বিভাগে নিযুক্ত ছিলেন। চাকরি করতেন সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির দলেই। এই বিজ্ঞানীকে গ্রেফতার করেছিল সামরিক গোয়েন্দা এবং উত্তরপ্রদেশ ও মহারাষ্ট্র পুলিশের সন্ত্রাসবাদ বিরোধী স্কোয়াডের এক যৌথ দল। জানা গিয়েছিল, নেহা শর্মা ও পূজা রঞ্জন নামে দুটি ফেসবুক প্রোফাইলের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল নিশান্তের। এই ফেক দুই প্রোফাইলের নেপথ্যে ছিল পাক গোয়েন্দারা। প্রোফাইল দুটি চালাত আইএসআই এজেন্টরাই, ইসলামাবাদ থেকে।

    কী বলেছিলেন তদন্তকারী অফিসার?

    উত্তরপ্রদেশ এটিএসের তদন্তকারী আধিকারিক পঙ্কজ আওয়াস্থি অবশ্য আদালতে জানিয়েছিলেন, পাকিস্তান থেকে জনৈক সেজাল একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন। সেই ফাঁদেই পড়েন নিশান্ত। এই ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে সে চ্যাট করত তার পাকিস্তানি অপারেটিভ এবং ভারতীয় ‘শিকারে’র সঙ্গে। নিশান্ত-সেজালের চ্যাট খতিয়ে দেখে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সেজাল একটি গ্রুপের অংশ, যার মাধ্যমে ভারতীয় প্রতিরক্ষা দফতরের পদস্থ কর্তাদের ফাঁদে ফেলে গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হত।

    আর পড়ুন: পাকিস্তানের চেয়ে বেশি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে ভারতের হাতে, বলছে রিপোর্ট

    আওয়াস্থি আদালতে জানিয়েছেন, সেজালের নির্দেশেই আগরওয়াল তাঁকে পাঠানো লিঙ্কে ক্লিক করতেন। এভাবে তিনি তিনটি অ্যাপস ইনস্টল করেছিলেন তাঁর পার্সোনাল ল্যাপটপে, ২০১৭ সালে। এই অ্যাপগুলি হল ‘কিউহুইস্পার’, ‘চ্যাট টু হায়ার’ এবং ‘এক্স ট্রাস্ট’। এই তিনটি অ্যাপের মাধ্যমেই নিশান্তের ল্যাপটপ থেকে তথ্য চুরি করত পাক হ্যাকাররা। তদন্তে জানা গিয়েছে, বিএপিএলের সিকিউরিটি নর্মস উপেক্ষা করে ব্রহ্মস মিসাইল সম্পর্কিত তথ্য রাখা ছিল নিশান্তের ল্যাপটপে। নিশান্তকে বলা হয়েছিল লিঙ্কদিনেও সেজালের সঙ্গে চ্যাট করতে (Pakistani Spies)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • T20 World Cup: বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পাকিস্তানের, দল থেকে বাদ পড়ছেন প্রথম সারির ৬ ক্রিকেটার?

    T20 World Cup: বিশ্বকাপ থেকে বিদায় পাকিস্তানের, দল থেকে বাদ পড়ছেন প্রথম সারির ৬ ক্রিকেটার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি জল ঢালল পাকিস্তানের আশায়। গ্রুপ পর্যায়ে নিজেদের শেষ ম্যাচ না খেলেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিল পাকিস্তান। সুপার এইটে ওঠা হল না গতবারের রানার্সদের। গ্রুপ ‘এ’র দ্বিতীয় দল হিসাবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শেষ আটে জায়গা করে নিল আমেরিকা। ইতিহাস গড়ল এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম আয়োজকেরা। একই সঙ্গে ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup) খেলার যোগ্যতা অর্জন করে ফেলল আমেরিকা। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দলের প্রথম সারির ৬ ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে পিসিবি। 

    গ্রুপ স্তর থেকে বিদায়

    চলতি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) প্রথম দু-ম্যাচে হারের খেসারত দিলেন বাবর আজমরা। টুর্নামেন্টে নিজেদের প্রথম ম্যাচে অন্যতম আয়োজক আমেরিকার কাছে হেরেছিল পাকিস্তান। বোর্ডে বড় স্কোর করলেও পাকিস্তানের সেরা বোলিং লাইন আপ ম্যাচ জেতাতে পারেনি।  দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের কাছেও হার। গত ম্যাচে কানাডার বিরুদ্ধে জিতেছিল পাকিস্তান। তবে জটিল অঙ্ক ছিল তাদের সামনে। প্রথমত ফ্লোরিডা ম্যাচে আমেরিকাকে হারতে হত আয়ারল্যান্ডের কাছে। এরপর আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে জিততেই হত পাকিস্তানকে। সেক্ষেত্রে আমেরিকার সঙ্গে নেট রান রেটে এগিয়ে থাকার সুবাদে পাকিস্তান সুপার এইটে যেত। ফ্লোরিডায় ম্যাচ ভেস্তে যাওয়ায় পয়েন্ট ভাগ হয়েছে। আমেরিকার এখন ৫ পয়েন্ট। পাকিস্তান যদি শেষ ম্যাচে আয়ারল্যান্ডকে হারায়ও তাতে তারা সর্বাধিক ৪ পয়েন্ট অবধিই পৌঁছতে পারবে। ফলে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বিদায় হয়ে গেল পাকিস্তানের।

    পাক দলে পরিবর্তন

    পিসিবি সূত্রে খবর, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup) দলের থাকা অন্তত ছ’জন ক্রিকেটারকে জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়া হবে। তাঁদের সকলের বিরুদ্ধে দলের মধ্যে রাজনীতি করার অভিযোগ রয়েছে। উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্সও নেই কারও। পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ রয়েছে অধিনায়ক বাবরের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, শুধু তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু হওয়ার সুবাদে পারফর্ম না করেও দু’তিন জন নিয়মিত খেলে চলেছেন জাতীয় দলের হয়ে। খতিয়ে দেখা হবে তাঁর নেতৃত্বও। পাকিস্তানের একাধিক ক্রিকেটার নাকি বাবরের নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তুষ্ট। তাঁরা অভিযোগ জানিয়েছেন পিসিবি কর্তাদের কাছে। জাতীয় দলের কয়েক জন ক্রিকেটারের পারফরম্যান্স এবং মানসিকতায় পিসিবি কর্তারা হতাশ এবং ক্ষুব্ধ। তাঁদের আর সুযোগ দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে না। পরিবর্তে তরুণ ক্রিকেটারদের জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়া হবে। আগামী বছর দেশের মাটিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির কথা মাথায় রেখে করা হবে রদবদল। পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নকভি বোর্ডের একাধিক কর্তার সঙ্গে আলোচনা করেছেন। কয়েক জন প্রাক্তন ক্রিকেটারের সঙ্গেও কথা বলেছেন।

    হতাশ প্রাক্তন ক্রিকেটার

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) গতবারের রানার্স পাকিস্তান প্রথম রাউন্ড থেকেই ছিটকে যাওয়ায় হতাশ পাক ক্রিকেট মহল। বাবরদের পারফরম্যান্স নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার কামরান আকমল, শোয়েব আখতাররা। মহম্মদ হাফিজ শুধু ক্রিকেটারদের নয় অফিসিয়ালদেরও সমালোচনা করেছেন। 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্রুপ

    বিশ্বকাপ থেকে পাকিস্তানের দ্রুত বিদায়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্রুপের বন্যা। এক ক্রিকেটপ্রেমী লিখেছেন, ‘বাবর আজ়ম ও পাকিস্তান দল সুপার এইটের যোগ্যতা অর্জন না করলেও করাচি বিমানবন্দরে যাওয়ার যোগ্যতা পেয়ে গিয়েছে। ঘরে ফেরার পালা।’বাই বাই পাকিস্তান এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রেন্ডিং।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 World Cup 2024: বাতিল অনুশীলন, রোহিতদের হোটেলও জলমগ্ন! ফ্লোরিডায় বন্যা, ম্যাচ সরানোর আর্জি

    T20 World Cup 2024: বাতিল অনুশীলন, রোহিতদের হোটেলও জলমগ্ন! ফ্লোরিডায় বন্যা, ম্যাচ সরানোর আর্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত ফ্লোরিডায়। শনিবার ফ্লোরিডার সেন্ট্রাল ব্রোয়ার্ড রিজিয়োনাল পার্ক স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) ভারত-কানাডা খেলা হওয়ার কথা। এই মাঠে ভারত এবং কানাডা ছাড়াও পাকিস্তান এবং আয়ারল্যান্ডের ম্যাচ খেলার কথা। কিন্তু ফ্লোরিডার (Florida) বন্যা পরিস্থিতির কারণে সেই সব ম্যাচ আদৌ হবে কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। 

    ঘরবন্দি ভারতীয় দল

    ভারতীয় দল ফ্লোরিডায় যে হোটেলে উঠেছে, সেখানও জলে ডুবে গিয়েছে। শেষ ম্যাচ খেলতে নামার আগে প্র্যাকটিস করার কোনও সম্ভাবনা নেই। শুক্রবার হোটেলেই ঘরবন্দি রোহিত-কোহলিরা। যে মাঠে খেলা হবে, সেখানে জল থৈ থৈ করছে। পুরো আউটফিল্ডকে মনে হচ্ছে পুকুর। হড়পা বানে ভাসছে হোটেল, দোকানপাট, হাসপাতাল চত্বর। এই পরিস্থিতিতে সেখানে ম্যাচ হওয়া ঘোর অনিশ্চয়তার। ভারত ইতিমধ্যেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 202) সুপার ৮-এ জায়গা পাকা করে নিয়েছে। তাই এই ম্যাচ নিয়ে চিন্তিত নন রোহিতরা। কিন্তু ফ্লোরিডায় ম্যাচ ভেস্তে গেলে সমস্যায় পড়বে পাকিস্তান। টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে যাবে তারা। 

    সমস্যায় পাকিস্তান

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2024) গ্রুপ এ-তে ভারত, পাকিস্তান ছাড়াও রয়েছে আমেরিকা, কানাডা এবং আয়ারল্যান্ড। ভারত নিজেদের তিনটি ম্যাচ জিতে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে আমেরিকা। ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট পেয়েছে তারা। পাকিস্তান এবং কানাডা তিন ম্যাচে ২ পয়েন্ট পেয়েছে। আয়ারল্যান্ড এখনও পর্যন্ত কোনও ম্যাচ জিততে পারেনি। তাদের যদিও এখনও দু’টি ম্যাচ বাকি রয়েছে। সুপার ৮-এ উঠতে হলে পাকিস্তানকে নিজেদের শেষ ম্যাচ জিততেই হবে। কিন্তু খেলা না হলে আমেরিকা পৌঁছে যাবে সুপার ৮-এ। ফ্লোরিডার (Florida) লডারহিলে ১৬ জুন পাকিস্তানের সঙ্গে ম্যাচ রয়েছে আয়ারল্যান্ডের। সেই ম্যাচ কোনও কারণে বাতিল হলে পাক দলের বিদায় নিশ্চিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share