Tag: pakistan

pakistan

  • Pakistan: “সাত দিনের মধ্যে বন্দি বিনিময়ে সম্মত হন, নাহলে পাক সেনাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে”, দাবি বিএলও-র

    Pakistan: “সাত দিনের মধ্যে বন্দি বিনিময়ে সম্মত হন, নাহলে পাক সেনাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে”, দাবি বিএলও-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) বালুচ লিবারেশন আর্মি (Balochistan Liberation Army) দাবি করেছে যে তারা পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর সাত সদস্যকে আটক করেছে। সেইসঙ্গে ইসলামাবাদকে একটি কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে সাফ জানিয়েছে, “সাত দিনের মধ্যে বন্দি বিনিময়ে সম্মত হন, নাহলে পাক সেনাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।”

    মাত্র ছয় দিন বাকি (Pakistan)

    মিডিয়া শাখা হাক্কালের এক বিবৃতির মাধ্যমে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বার্তার মধ্যে একটি ভিডিও বার্তাও রয়েছে। সেখানে বিএলএ (Balochistan Liberation Army) জানিয়েছে, “সময়সীমা শেষ হতে আর মাত্র ছয় দিন বাকি আছে, ঘড়ির কাঁটা ইতিমধ্যেই টিক টিক করছে।” ‘অপারেশন হেরোফ’-এর দ্বিতীয় পর্যায়ে বন্দীদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন ফ্রন্টে ১৭ জন পাকসেনাকে আটক করা হয়েছিল। তবে তাঁদের মধ্যে দশজনকে স্থানীয় (Pakistan) পুলিশ ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত এবং জাতিগত বালুচ হিসেবে চিহ্নিত করার পর পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

    বালুচ জাতীয় আদালতে বিচার

    বিএলএ দাবি করেছে, বাকি সাতজন নিয়মিত পাকিস্তানি (Pakistan) সেনাবাহিনীর সদস্য এবং এখনও তাদের হেফাজতে রয়েছে। আটক করা পাক সেনাদের বালুচ জাতীয় আদালতে বিচার হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে অভিযানে জড়িত থাকা থেকে শুরু করে জোরপূর্বক অপহরণ এবং বালুচ জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যায় অংশগ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। মামলার সময় প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে, অভিযুক্তদের জবাব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

    আটক পাকসেনাদের দোষী সাব্যস্তকরণ এবং মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা সত্ত্বেও, বিএলএ (Balochistan Liberation Army) জানিয়েছে, সাত দিনের অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে। যদি পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে এই সময়ের মধ্যে বন্দি বিনিময়ে সম্মত হয়, তাহলে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না। তবে ইসলামাবাদ এখনও কোনও ইতিবাচক ভাবে সাড়া দেয়নি।

  • Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের (Pakistan)! শেষমেশ ধরে ফেলল আমেরিকার (US) ‘চাল’। এবং পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে তা স্বীকারও করে নিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, “ওয়াশিংটন আমাদের কৌশলগত স্বার্থে ইসলামাবাদকে ব্যবহার করেছে এবং পরে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।”

    কী বললেন আসিফ? (Pakistan)

    পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসিফ বলেন, “১৯৯৯ সালের পর বিশেষ করে আফগানিস্তান ইস্যুতে আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়েছে।” তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার প্রচেষ্টা ছিল একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত, যার পরিণতি পাকিস্তান (Pakistan) আজও বহু দশক পর বহন করে চলেছে।” দীর্ঘদিনের সরকারি বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আসিফ দাবি করেন, “আফগানিস্তান সংঘাতে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ ধর্মীয় দায়িত্ববোধ থেকে পরিচালিত হয়েছিল—এই বক্তব্য ঠিক নয়।” তিনি কবুল করেন, “জেহাদের ব্যানারে পাকিস্তানিদের সংগঠিত করে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল।” এই সিদ্ধান্তকে তিনি বিভ্রান্তিকর ও ধ্বংসাত্মক আখ্যা দেন।

    যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাও পুনর্গঠন

    আসিফ বলেন, “এমনকি এসব যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাকেও পুনর্গঠন করা হয়েছিল এবং সেই মতাদর্শগত পরিবর্তনের অনেকাংশ আজও রয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “আটের দশকে আফগানিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধ মূলত (Pakistan) আমেরিকার ভূরাজনৈতিক স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল, কোনও প্রকৃত ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার কারণে নয়।” তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতিতে ‘জেহাদ’ ঘোষণার কোনও যৌক্তিকতাও ছিল না। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতে, পাকিস্তানের নিজস্ব নয় এমন সংঘাতে অংশগ্রহণ দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা ও সামাজিক ক্ষতির জন্ম দিয়েছে, যার প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব (US) হয়নি। আসিফ বলেন, “বিশেষ করে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর ১৯৯৯-পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় ঘনিষ্ঠতা স্থাপনের মূল্য ছিল ভয়াবহ।” তিনি প্রয়াত সামরিক শাসক জিয়াউল হক ও পারভেজ মুশারফের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তাঁরা পাকিস্তানকে বহিরাগত যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছিলেন, যার ফল দেশকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করতে হয়েছে, এমনকি মিত্ররা সরে যাওয়ার পরেও।

    টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপ!

    এর পরেই আসিফ আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বলেন, “পাকিস্তানকে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, প্রয়োজন ফুরোলে ফেলে দেওয়া হয়েছে।” ২০০১ এর পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গে আশিফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ সমর্থন করতে পাকিস্তান (Pakistan) তালিবানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন সরে গেলেও, পাকিস্তান হিংসা, উগ্রবাদ ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে নিমজ্জিত অবস্থায় থেকে যায়।” তিনি বলেন, “আমরা যে ক্ষতির শিকার হয়েছি, তার কোনও ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়।” তিনি এসব সিদ্ধান্তকে অপরিবর্তনীয় ভুল হিসেবে (US) উল্লেখ করেন, যা পাকিস্তানকে অন্যদের পরিচালিত সংঘাতে একটি ‘ঘুঁটি’তে পরিণত করেছে (Pakistan)।

     

  • India: চেনাব নদীর ওপর সাওয়ালকোট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু ভারতের, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান

    India: চেনাব নদীর ওপর সাওয়ালকোট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু ভারতের, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের চেনাব নদীর ওপর ৫,১২৯ কোটি টাকার সাওয়ালকোট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু করে দিল ভারত (India)। সংবাদ সংস্থার খবর, সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের অনুমোদন পাওয়া এটিই প্রথম নতুন প্রকল্প। জাতীয় জলবিদ্যুৎ শক্তি নিগম (NHPC) ৫ ফেব্রুয়ারি উধমপুর ও রামবান জেলাজুড়ে এই (Pakistan) বৃহৎ প্রকল্প নির্মাণের জন্য বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে দরপত্র চেয়েছে।

    সাওয়ালকোট প্রকল্প (India)

    জানা গিয়েছে, সাওয়ালকোট প্রকল্পটি দুটি ধাপে গড়ে তোলা হবে। প্রথম ধাপে ১,৪০৬ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় ধাপে ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এতে মোট উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে ১,৮৫৬ মেগাওয়াট। চেনাব নদীর উজানে বাগলিহার প্রকল্প এবং ভাটিতে সালাল প্রকল্পের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা এই প্রকল্পটি রান-অব-দ্য-রিভার পদ্ধতিতে নির্মিত হবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্রুততম সময়ে প্রকল্প চালু করার লক্ষ্যে নির্মাণ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতি নির্বাচন করা হয়েছে, যা প্রকল্পটির জরুরি গুরুত্বকে তুলে ধরে।
    সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত হওয়ার পর গত বছরের অক্টোবরে পরিবেশমন্ত্রকের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি প্রকল্পটিকে ছাড়পত্র দেয়। এরপরই এনএইচপিসি দরপত্র প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। নথিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক প্রস্তুতির পর বড় আকারের নির্মাণকাজ শুরু হবে। ভূগর্ভস্থ কাজ সারা বছর চলবে, তবে ভূপৃষ্ঠে নির্মাণকাজ বর্ষাকালের পরে পূর্ণগতিতে এবং বর্ষাকালে প্রায় ৫০ শতাংশ সক্ষমতায় চলবে। পুরো প্রকল্পটি শেষ হতে বছর নয়েক লাগবে (India)।

    ভারতের বৃহত্তর জলবিদ্যুৎ কৌশলের অংশ

    সাওয়ালকোট প্রকল্পটি চেনাব নদীকে ঘিরে ভারতের বৃহত্তর জলবিদ্যুৎ কৌশলের অংশ। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় সরকার এই অঞ্চলের চারটি গুরুত্বপূর্ণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে (Pakistan)। সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পাকাল দুল ও কিরু প্রকল্প চালু করতে, ২০২৮ সালের মার্চের মধ্যে কোয়ার প্রকল্প শেষ করতে এবং
    কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাটলে বাঁধ নির্মাণের কাজ আরও দ্রুত করতে। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে কিস্তওয়ারে অবস্থিত ১,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার পাকাল দুল প্রকল্পটি সবচেয়ে বড়। এতে ১৬৭ মিটার উঁচু বাঁধ রয়েছে, যা ভারতের সর্বোচ্চ। এটি পাকিস্তানে প্রবাহিত কোনও পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীতে ভারতের প্রথম জলাধার প্রকল্প, যা নয়াদিল্লিকে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাই নয়, জলপ্রবাহের সময়সূচি নিয়ন্ত্রণের সুযোগও দেয়, যা নিয়ে ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বিগ্ন।

    প্রকল্পের উদ্বোধন ২০১৮ সালে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৮ সালের মে মাসে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন। এটি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হওয়ার কথা (India)। কিস্তওয়ারের আর একটি রান-অব-দ্য-রিভার প্রকল্প কিরু, যার বাঁধের উচ্চতা ১৩৫ মিটার। উজান ও ভাটির একাধিক প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এর কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। সরকার কিরুর ক্ষেত্রেও ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে (Pakistan)। চেনাব নদীর ওপর ১০৯ মিটার উঁচু বাঁধযুক্ত কোয়ার প্রকল্প ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বড় সাফল্য অর্জন করে, যখন নির্মাণের সুবিধার্থে নদীর গতিপথ পরিবর্তন করা হয়—যা পাকিস্তানে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। সর্বশেষ নির্দেশ অনুযায়ী, এটি ২০২৮ সালের মার্চে চালু হওয়ার কথা। ৮৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রাটলে প্রকল্পটি সবচেয়ে বিতর্কিত। এতে ১৩৩ মিটার উঁচু বাঁধ রয়েছে এবং স্পিলওয়ে নকশা নিয়ে পাকিস্তান বারবার আপত্তি জানিয়েছে। গত বছর সুড়ঙ্গের মাধ্যমে চেনাব নদীর প্রবাহ ঘুরিয়ে দেওয়ার পর নির্মাণকাজে গতি আসে। প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে।

    উদ্বেগ বেড়েছে পাকিস্তানের

    এছাড়া, গত ডিসেম্বরে পরিবেশগত ছাড়পত্র পাওয়ার পর ভারত চেনাব নদীর ওপর দুলহস্তি স্টেজ-২ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, এই বিষয়ে তাদের কিছু জানানো হয়নি। পাকিস্তানের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ভারত। দ্রুতগতিতে এই প্রকল্পগুলি এগোনোর ফলে পাকিস্তানের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ চেনাব নদী সিন্ধু অববাহিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং দেশটির কৃষি ও জলপরিকাঠামোর বড় অংশ এই নদীর ওপর নির্ভরশীল (India)। পাকিস্তানের মোট জলসম্পদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভারত হয়ে প্রবাহিত পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীগুলি থেকে আসে, ফলে উজানে ভারতের প্রকল্পগুলি (Pakistan) রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
    পহেলগাঁও হামলার পর ভারত সিন্ধু জলচুক্তির সব ধরনের প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ বন্ধ রেখেছে, যার ফলে এই প্রকল্পগুলিকে ঘিরে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে।

  • ICC: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    ICC: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে আইসিসি (ICC)। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে লাহোরে পৌঁছন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সূত্রের খবর, আইসিসি যখন মোহসিন নকভির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে সমঝোতামূলক সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক তখনই পাকিস্তান ও বাংলাদেশ একসঙ্গে অবস্থান নিয়েছে। লক্ষ্য একটাই, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে লাভজনক ম্যাচ, অর্থাৎ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে পাকিস্তানকে সরানো।

    জুমের মাধ্যমে বৈঠক! (ICC)

    রবিবার রাতে জুমের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হতে পারে এই বৈঠক। এতে আইসিসির সিইও সংযোগ গুপ্ত, পিসিবি প্রধান মোহসিন নকভি এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত থাকার কথা। টুর্নামেন্টের সূচির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় সংকট তৈরি হওয়ায় আইসিসি এখন পরিস্থিতি সামাল দিতে মরিয়া। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পিসিবি এমন একটি সমঝোতার চেষ্টা করছে যেখানে বাংলাদেশকেও আলোচনার টেবিলে রাখা হবে। যদিও বাংলাদেশ ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে যাচ্ছে না। এর আগে, ২ ফেব্রুয়ারি, বিশ্বকাপ শুরুর এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে, পাকিস্তান ঘোষণা করে যে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে না। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়। এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল, যখন নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে সফর করতে অস্বীকার করে বাংলাদেশ (ICC)।

    আইসিসির কাছে অনুরোধ

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সমর্থিত অবস্থান থেকে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছিল, যেন তাদের ম্যাচগুলি টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করা হয়। আইসিসি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে এবং বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এর ফলেই একের পর এক প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে (T20 World Cup)। বাংলাদেশ স্পষ্ট করে জানায়, ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থানে তারা পাকিস্তানের সঙ্গে একমত। বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল প্রকাশ্যে ইসলামাবাদকে ধন্যবাদ জানান। ফেসবুকে আসিফ নজরুল লেখেন, “ধন্যবাদ, পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার দেশ (ICC)।” আসিফ নজরুল বর্তমানে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টের গণআন্দোলনের ফলে শেখ হাসিনার সরকার উৎখাত হওয়ার পর এই সরকার গঠিত হয়। কার্যত তিনি বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রীর ভূমিকা পালন করছেন।

    শাহবাজ শরিফের সরকারের নির্দেশ

    এদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে শাহবাজ শরিফের সরকারের নির্দেশ, বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার প্রেক্ষিতে ভারতের বিরুদ্ধে যেন ম্যাচে অংশ না নেওয়া হয়। ইসলামাবাদে এক সরকারি বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, “টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। আমরা ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলব না, কারণ খেলাধুলোর ময়দানে রাজনীতি হওয়া উচিত নয়।” সব পক্ষকে নিয়ে আইসিসি যখন এখন সংকটকালীন আলোচনায় বাধ্য হয়েছে, তখন লাহোরে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের উপস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে, এই ইস্যু আর শুধু ক্রিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। একই সঙ্গে, উত্তেজনাপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে সামঞ্জস্য বজায় রেখে সিদ্ধান্ত (T20 World Cup) কার্যকর করা আইসিসির জন্য কতটা কঠিন হতে চলেছে, সেটাও পরিষ্কার হয়ে উঠছে (ICC)।

  • Pakistan: বালুচ লিবারেশন আর্মি ‘অপারেশন হেরোফ’ সমাপ্তি ঘোষণা করেছে, ঘরে-বাইরে চরম অস্বস্তিতে পাকিস্তান

    Pakistan: বালুচ লিবারেশন আর্মি ‘অপারেশন হেরোফ’ সমাপ্তি ঘোষণা করেছে, ঘরে-বাইরে চরম অস্বস্তিতে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) বালুচ ‘স্বাধীনতা-পন্থী’ সংগঠন বালুচ লিবারেশন আর্মি (BLA) গত ৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) জানিয়েছে, তাদের ‘অপারেশন হেরোফ’ (Operation Herof)-এর দ্বিতীয় পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দ্য বালুচিস্তান পোস্ট (TBP)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, জানা গিয়েছে, “বালুচিস্তানের বেশ কয়েকটি শহরে টানা ছয় দিন ধরে চলা সমন্বিত নগর যুদ্ধের পর এই ঘোষণা করা হয়েছে।”

    নির্ধারিত লক্ষ্য সফল ভাবে অর্জিত হয়েছে (Pakistan)

    বিএলএর মুখপাত্র (Pakistan) জীয়ান্দ বালুচ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “এই অভিযান ৩১ জানুয়ারি ভোর ৫টায় শুরু হয়েছিল এবং ৬ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টায় শেষ হয়েছে।” তিনি আরও দাবি করেছেন, “আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যগুলি সফলভাবে অর্জিত হয়েছে।” বালুচদের উপর পাকসেনা বহুদিন ধরে অত্যাচার করে বলে বারবার অভিযোগ করেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মানবাধিকার লুণ্ঠনেরও অভিযযোগে সোচ্চার হয়েছে বেলুচরা।

    অভিযানে বিরাট ধাক্কা

    জীয়ান্দ বালুচ জানান যে, এই অভিযান বালুচিস্তানের (Pakistan) ১৪টি শহরে বিস্তৃত ছিল এবং এটি ছিল সংগঠনের ইতিহাসের ‘বৃহত্তম এবং সবচেয়ে সংগঠিত সামরিক অভিযান’ (Operation Herof)। পাকসেনার কাছে বালুচদের এই অভিযান বিরাট ধাক্কা।

    শহরগুলোর নিয়ন্ত্রণ

    বিএলএ সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বেশ কিছু নিরাপত্তা চৌকি, সামরিক ঘাঁটি এবং শহরাঞ্চলের (Pakistan) কিছু অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। কোনও কোনও শহরে তারা টানা ছয় দিন অবস্থান করে পাকিস্তানি সেনা বাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে।

    ক্ষয়ক্ষতি

    বিএলএ দাবি করেছে, এই অভিযানে পাকিস্তানের (Pakistan) সেনাবাহিনী, ফ্রন্টিয়ার কোর এবং পুলিশের ৩৬২ জনেরও বেশি সদস্য নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, বিএলএর ৯৩ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে। এছাড়াও ১৭ জন নিরাপত্তা কর্মীকে আটক করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে ১০ জন বালুচ (Operation Herof) হওয়ায় তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    অস্ত্র ও স্থাপনা

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযানে ডজনখানেক সামরিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। পাকসেনার (Pakistan) পাল্টা অভিযানের আরও বড়সড় মোকাবিলা এবং প্রতিহত করতে সক্ষম।

    অভিযানের লক্ষ্য

    বিএলএ মুখপাত্র জীয়ান্দ বালুচ এই অভিযানের তিনটি প্রধান লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেছেন: ১. আমাদের প্রমাণ করা যে বালুচ যোদ্ধারা যে কোনও সময় এবং যে কোনও স্থানে পাকিস্তানি শহরগুলিতে আঘাত হানা ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

    ২. সাধারণ বালুচ জনগণের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা।

    ৩. বালুচিস্তানে পাকিস্তানি (Pakistan) বাহিনীর একাধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানানো।

    আন্তর্জাতিক সংস্থা যেন সাহায্য না করে

    বিএলএ মুখপাত্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে বেলুচিস্তানে পাকিস্তানি বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, বিদেশি কোম্পানি বা বিনিয়োগকারীরা যেন পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে মিলে বালুচিস্তানের খনিজ সম্পদ উত্তোলনে লিপ্ত না হয়; অন্যথায় তাদের উপস্থিতিকে সামরিক কার্যকলাপ হিসেবে গণ্য করা হবে। বিবৃতিটি বালুচ জনগণকে সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করা হয় এবং বলা হয় যে এটি ‘কেবল শুরু’। আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফিরে আসার অঙ্গীকার করেছে বিএলএ।

  • Dhurandhar: খোদ পাকিস্তানেই সুপারহিট পাক-বিরোধী ভারতীয় ছবি ‘ধুরন্ধর’! কীভাবে সম্ভব হল?

    Dhurandhar: খোদ পাকিস্তানেই সুপারহিট পাক-বিরোধী ভারতীয় ছবি ‘ধুরন্ধর’! কীভাবে সম্ভব হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান-বিরোধী (Pakistan) বক্তব্যের জন্য সমালোচিত ভারতীয় বলিউড ছবি ‘ধুরন্ধর’ পাকিস্তানের নেটফ্লিক্স (Dhurandhar)চার্টে এক নম্বর স্থানে পৌঁছে গিয়েছে। আর এই খবর ফলাও করে প্রকাশ করেছে সেদেশেরই সংবাদমাধ্যম।  পাক সংবাদ মাধ্যম ‘পাকিস্তান টুডে’ প্রকাশিত খবরে আবারও মুখ পুড়ল পাকিস্তানের। এই ভারতীয় সিনেমা পাকিস্তানের জন্য রাজনৈতিক ভাবে অত্যন্ত অস্বস্তির। ভারতের বিরুদ্ধে হাজার ষড়যন্ত্র করেও ভারতীয় ছবিটি পাকিস্তানি দর্শকদের পছন্দের তালিকায় এক নম্বর স্থান দখল করে নিয়েছে।

    পাক বিরোধী অ্যাকশন-ভিত্তিক সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ (Dhurandhar)

    পাকিস্তান (Pakistan) টুডে নিজের একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতীয় জাতীয়তাবাদী থিমকে কেন্দ্র করে নির্মিত অ্যাকশন-ভিত্তিক সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ (Film Dhurandhar) বর্তমানে পাকিস্তানে নেটফ্লিক্সের সর্বাধিক দেখা সিনেমাগুলির শীর্ষে রয়েছে। ছবিটিতে পাকিস্তানকে একটি কেন্দ্রীয় প্রতিপক্ষ হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে, যেখানে আঞ্চলিক শত্রুতার পরিচিত রূপগুলি তুলে ধরা হয়েছে। যদিও দীর্ঘদিন ধরে মূলধারার ভারতীয় সিনেমার একটি অংশ পাকিস্তানের কার্যকলাপকে এই ভাবেই চিহ্নিত করা হয়। তবে পাকিস্তানে এই ছবির বিপুল জনপ্রিয় হওয়ার বিষয়টি অনেক সমালোচকদের রীতিমতো অবাক করেছে। কারণ এই ধরণের আখ্যান নতুন নয়, বরং ছবিটি কোথায় এবং কীভাবে কোন বিষয়কে তুলে ধরা হয়েছে সেটাও বিশেষ ভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। এমনটাই মনে করেছেন অনেক সিনেমা সমালোচকরা।

    এক অদ্ভুত বৈপরীত্য

    যখন পাকিস্তান ও ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্ক চরম  উত্তেজনাপূর্ণ  অবস্থায় রয়েছে, ঠিক সেই সময় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বৈরী দৃষ্টিভঙ্গিতে নির্মিত একটি ভারতীয় ছবির পাকিস্তানেরই স্ট্রিমিং চার্টে সাফল্য ডিজিটাল যুগের এক অদ্ভুত বৈপরীত্যকে তুলে ধরছে। জাতীয় শত্রুতার আবহে নির্মিত একটি ছবিই এখন সবচেয়ে বেশি দেখা হচ্ছে সেই দেশের দর্শকদের মধ্যেই, যাদের লক্ষ্য করেই ছবিটি তৈরি করা হয়েছে, তা বিস্ময়ের বৈকি! পাকিস্তান বিরোধিতার উপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি ভারতীয় ছবি পাক দর্শকদের সবচেয়ে বেশি আকর্ষিত করেছে— এই ট্রেন্ড নির্ঘাত পাক প্রশাসনের রাতের ঘুম উড়িয়ে নিয়েছে।

    নেটফ্লিক্সে পাক নাগরিকদের ব্যাপক ভিড়

    শিল্প বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, নেটফ্লিক্সের র‍্যাঙ্কিং অনুমোদন মোট দর্শক সংখ্যার উপর নির্ভর করে। কৌতূহল, বিতর্ক এবং সোশ্যাল মিডিয়া আলোচনার ফলে প্রায়শই দর্শকদের দেখার আকর্ষণ বাড়িয়ে তোলে। তবে ছবির বার্তার সঙ্গে সকলে একমত হবেন এমনটা নাও হতে পারে। ‘ধুরন্ধর’ (Film Dhurandhar) সিনামা যখন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল সেই সময় পাক সরকার সিনেমার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু পরে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেলে পাকিস্তানে (Pakistan) ঐতিহাসিকভাবে আগ্রহ দেখা যায়। সমস্ত নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধকে উপেক্ষা করে নেটফ্লিক্সের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিতে পাক দর্শকরা ভিড় জমান। কৌশলগত ভাবে এটাও ঠিক।

    বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হচ্ছে

    এই সিনেমা সমসাময়িক মিডিয়াকে ব্যবহারের মধ্যে একটি বৃহত্তর দ্বন্দ্বকে তুলে ধরেছে। আধিপত্য বা শত্রুতাকে জাহির করার জন্য তৈরি জাতীয় আখ্যানগুলি আর সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হচ্ছে। পাকিস্তানে (Pakistan) ‘ধুরন্ধর’ (Film Dhurandhar)  যখন ট্রেন্ডিং করে চলেছে, তখন এর সাফল্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়, স্ট্রিমিং যুগে সাংস্কৃতিক প্রভাব আর কেবল উদ্দেশ্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। চলচ্চিত্র শক্তি প্রদর্শনের জন্য তৈরি করা যেতে পারে। সীমান্তের ওপারে ওপারের দর্শকের সংখ্যাটাও তুলনামূলক কম নয়। ভাবনাকে প্রভাবিত করতে সিনেমার ভাষা কতটা শক্তিশালী তা আরও একবার প্রমাণিত হয়।

    বিশদে জানতে পড়ুন…

    Anti-Pakistan film Dhurandhar tops Netflix chart in Pakistan, highlighting a streaming-era irony

  • EU Trade Agreement: ইইউ-ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, মোদির চালে কুপোকাত তিন দেশ

    EU Trade Agreement: ইইউ-ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি, মোদির চালে কুপোকাত তিন দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে ভারতের বাণিজ্য চুক্তি (EU Trade Agreement) শুধু প্রতিবেশী দেশগুলির মধ্যেই নয়, খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ভারত–ইইউয়ের (India) এই ঐতিহাসিক বাণিজ্য চুক্তির প্রভাব শুধু বাংলাদেশ বা পাকিস্তানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, আমেরিকা এবং তুরস্কের গায়েও লাগবে এর আঁচ।

    ৯০ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে শুল্ক প্রত্যাহার (EU Trade Agreement)

    এই চুক্তির আওতায় ইইউ থেকে ভারতে রফতানি হওয়া পণ্যের ৯০ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে শুল্ক সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার বা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হবে। এর মধ্যে রয়েছে যন্ত্রপাতির ওপর সর্বোচ্চ ৪৪ শতাংশ, রাসায়নিক পণ্যে ২২ শতাংশ এবং ওষুধে ১১ শতাংশ পর্যন্ত উচ্চ শুল্ক—যেগুলি ধাপে ধাপে প্রায় পুরোপুরিই তুলে নেওয়া হবে। ইউরোপীয় বিয়ারের ওপর শুল্ক কমিয়ে ৫০ শতাংশ করা হবে। পাশাপাশি রাসায়নিক দ্রব্য, বিমান ও মহাকাশযানের ক্ষেত্রে প্রায় সব পণ্যের ওপর শুল্ক সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা হবে। ইইউয়ের হিসাব অনুযায়ী, এই চুক্তির ফলে ২০৩২ সালের মধ্যে ভারতে ইইউয়ের রফতানি দ্বিগুণ হতে পারে এবং ইউরোপীয় পণ্যের ক্ষেত্রে বছরে সর্বোচ্চ ৪ বিলিয়ন ইউরো শুল্ক সাশ্রয় হবে। অবশ্য এই চুক্তি ভারতের প্রতিপক্ষ দেশগুলির জন্য নেতিবাচক প্রভাবও বয়ে আনবে।

    তুরস্কে তোলপাড়

    অপারেশন ‘সিঁদুরে’র পর ভারত ও তুরস্কের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ওই অভিযানের সময় আঙ্কারা পাকিস্তানকে ড্রোন ও লয়টারিং অ্যামুনিশন সরবরাহ করেছিল। এরপর থেকেই দুই দেশের সম্পর্ক টানাপোড়েনের মধ্যে রয়েছে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে ভারত–ইইউ বাণিজ্য চুক্তি তুরস্কের জন্যও ক্ষতিকর হয়ে উঠতে পারে। উল্লেখ্য, ইইউ–তুরস্ক কাস্টমস ইউনিয়নের চুক্তি অনুযায়ী, ইইউ যে কোনও অংশীদার দেশের সঙ্গে যে অভিন্ন বহির্শুল্ক নির্ধারণ করে, তা অনুসরণ করতে হয় তুরস্ককে। এ নিয়ে তুরস্ক আগে থেকেই ইইউর কাছে আপত্তি জানিয়ে আসছে। যদিও এখনও কোনও রফাসূত্র বের হয়নি। তাই সমাধান হয়নি সমস্যারও। ইইউ যখন কোনও মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) অংশীদার—যেমন ভারতের—জন্য শুল্ক কমায়, তখন তুরস্ককেও সেই দেশের জন্য একই শুল্কছাড় দিতে বাধ্য হতে হয়। কিন্তু ভারত তুরস্কের ক্ষেত্রে পাল্টা কোনও শুল্কছাড় দিতে বাধ্য নয়। এই পরিস্থিতিতে তুরস্ক কী প্রতিক্রিয়া দেখায়, সেটিই দেখার (EU Trade Agreement)।

    বিপাকে বাংলাদেশ

    তুরস্কের পাশাপাশি এর প্রভাব পড়বে ভারতের পড়শি বাংলাদেশের ওপরও। কয়েক মাস আগে এক সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভারতের ওপর বেশি এবং বাংলাদেশের ওপর কম শুল্ক আরোপের কারণে ভারতীয় কোম্পানিগুলি তাদের উৎপাদন ঘাঁটি বাংলাদেশে স্থানান্তর করতে পারে। পাশাপাশি স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) হওয়ায় বাংলাদেশ ইইউতে রফতানির ক্ষেত্রে শূন্য শুল্ক সুবিধা পায়, যেখানে ভারতকে তুলনামূলকভাবে বেশি শুল্ক দিতে হত (India)। এর ফলে ইউরোপের বাজারে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছিল (EU Trade Agreement)। ইইউয়ের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল বলেন, “ভারত খুব দ্রুত ইউরোপে বস্ত্র রফতানি ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ৩০–৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে পারে। আমাদের সবসময় প্রশ্ন করা হত, বাংলাদেশ কীভাবে ইউরোপে এত বেশি রফতানি করে। তারা শূন্য-শুল্ক সুবিধা পেয়েছে এবং ৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বাজার দখল করেছে।” ইইউয়ের বাজারে ভারতীয় পোশাক রফতানি যখন বাংলাদেশের পণ্যের সঙ্গে সরাসরি প্রতিযোগিতায় নামবে, তখন মূল্য ও মানের দিক থেকে বাংলাদেশের বাজারের অংশীদারিত্ব যে কমবে, তা এক প্রকার নিশ্চিত (EU Trade Agreement)।

     পাকিস্তান কুপোকাত

    টিকে থাকার লড়াইয়ে থাকা দুর্বল অর্থনীতির পাকিস্তানও ইইউয়ের সঙ্গে ভারতের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক নিয়ে ক্ষুব্ধ। ভারত–ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি পাকিস্তান-সমর্থিত খালিস্তানপন্থী গোষ্ঠীগুলোকেও অস্বস্তিতে ফেলেছে। তাদের আশঙ্কা, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক দিল্লিকে খালিস্তানি তৎপরতার বিরুদ্ধে আরও শক্ত অবস্থান নেওয়ার সুযোগ করে দেবে (India)। কানাডা, জার্মানি ও ব্রিটেনের মতো দেশগুলিকে ঘাঁটি করে গড়ে ওঠা খালিস্তানি গোষ্ঠীগুলির ধারণা, ইইউ এবং ভারতের এই ঘনিষ্ঠতা তাদের আন্দোলনের জন্য ক্ষতিকর হবে। ভারত–ইইউ প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বের আওতায় সন্ত্রাসবাদবিরোধী সহযোগিতাও রয়েছে, যা খালিস্তানি সন্ত্রাসীদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে (EU Trade Agreement)।

    এদিকে, এই চুক্তি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রও অসন্তুষ্ট। ওয়াশিংটনের চাপ সত্ত্বেও ভারত নতি স্বীকার না করায় ভারত–মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্য চুক্তি এখনও অচলাবস্থায় রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য সত্ত্বেও নয়াদিল্লি তার অবস্থান বদলায়নি। এখন ভারত–ইইউ বাণিজ্য চুক্তি ট্রাম্পের ওপর তার সমর্থক ও রাজনৈতিক নেতাদের চাপ আরও বাড়াবে। কারণ আমেরিকা একটি গুরুত্বপূর্ণ (India) কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি হাতছাড়া করছে (EU Trade Agreement)।

     

  • T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    T-20 World Cup 2026: ভারত ম্যাচ বয়কট, পাশে নেই বাকি বোর্ড! আইসিসির সঙ্গে সংঘাতে বিপাকে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের পাশে নেই অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। আইসিসির বিরুদ্ধে অসহায় পাকিস্তান। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T-20 World Cup 2026) ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করে বিপাকে পড়েছে পিসিবি। টি-২০ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করলেও ভারত ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে পাকিস্তান। কিন্তু সরাসরি আইসিসিকে কিছু জানায়নি। নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় সিদ্ধান্ত জানানো হয়। কিন্তু তারপরই রক্তচক্ষু রাঙায় আইসিসি। এই প্রসঙ্গে আন্তর্জাতিক সমর্থন পেতে বিভিন্ন ক্রিকেট বোর্ডের দ্বারস্থ হয় পাকিস্তান। কিন্তু কোনও সাপোর্ট মেলেনি। পাশে দাঁড়ায়নি অন্য কোনও ক্রিকেট বোর্ড। পিসিবি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে ভারত ম্যাচ বয়কটের কথা আইসিসিকে জানায়নি। যার ফলে আরও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

    কোনও আইনি অবস্থানও নেই পাকিস্তানের

    সূত্রের খবর, পিসিবির পাশে দাঁড়াতে চায়নি অন্যান্য ক্রিকেট বোর্ড। পাকিস্তানের কোনও লোকাস স্ট্যান্ডি নেই। কোনও আইনি অবস্থানও নেই। পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বাকি ক্রিকেট বোর্ডগুলো। পাকিস্তানের উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। সম্প্রতি ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সেখানে বয়কটের প্রসঙ্গ ওঠেনি। পাকিস্তানের মেয়েদের দলের ভারতীয় এ দলের বিরুদ্ধে খেলার কথা। এইক্ষেত্রে কোনও আপত্তি জানায়নি পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। রাইজিং স্টার্স এশিয়া কাপ থেকে নাম প্রত্যাহারের কোনও ইঙ্গিতও দেওয়া হয়নি। সেখানে শুধুমাত্র বিশ্বকাপে ভারত ম্যাচ বয়কট কেন? আসন্ন বিশ্বকাপে পাকিস্তান সব ম্যাচ কলম্বোয় খেলবে। শ্রীলঙ্কা নিরপেক্ষ ভেন্যু। তাই কোনও সমস্যা হওয়ার কথা না পাকিস্তানের। বাংলাদেশের সমর্থনে পাকিস্তানের এই অবস্থান মানতে পারছে না বাকি বোর্ডগুলো।

    পাকিস্তানের ওপর কী কী শাস্তি

    পাকিস্তান যদি ভারতের বিপক্ষে মাঠে না নামে তাহলে আইসিসি’র নিয়ম অনুযায়ী, ম্যাচটি ভারতকে ওয়াকওভার হিসেবে দেওয়া হবে। ভারতকে পয়েন্ট পেতে হলে তাদের মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে। যদি ভারতের অধিনায়ক (Suryakumar Yadav) টসের জন্য মাঠে আসেন এবং পাকিস্তান অধিনায়ক (Salman Ali Agha) না আসেন, তাহলে ম্যাচ রেফারি আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাচ এবং ২ পয়েন্ট ভারতকে দিয়ে দেবে। ডিফল্ট করা দল (পাকিস্তান) কে ২০ ওভারের পুরো ইনিংস খেলেছে কিন্তু ০ রান করেছে বলে ধরা হবে। এতে তাদের নেট রান রেট অনেক কমে যাবে, ফলে তারা অন্য ম্যাচগুলো জিতলেও শেষ ৮-এ ওঠা খুব কঠিন হবে। তবে, আর্থিক ও বাণিজ্যিক শাস্তিই পিসিবি-র আসল সমস্যা। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুধু টুর্নামেন্ট নয়, পুরো ক্রিকেট ইকোসিস্টেমে টাকা রোজগারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রচারকারী সংস্থা আনুমানিক $২৫ মিলিয়ন থেকে $৩০ মিলিয়ন বিজ্ঞাপন আয় হারাবে। তারা আইসিসি-র কাছে ছাড় চাইতে পারে। আইসিসি এই আইনি দাবি ও আর্থিক ক্ষতি সরাসরি পিসিবি-র ওপর চাপিয়ে দিতে পারে। আইসিসি পিসিবি-র বার্ষিক আয়ের অংশ আটকে রাখতে পারে, যা পাকিস্তানের ক্রিকেট বাজেটের প্রায় ৭০-৮০%। এতে বোর্ড আর্থিক সংকটে পড়তে পারে।

    আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন

    আইসিসির “সরকারি হস্তক্ষেপ” ধারা অনুযায়ী, সদস্য বোর্ডগুলোকে স্বতন্ত্রভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে, সরকারি হস্তক্ষেপ এড়াতে হবে। যদিও প্রাক্তন পিসিবি চেয়ারম্যান এহসান মানি বলেছেন, সরকারি নির্দেশ মানলে পাকিস্তান আইসিসি-র শাস্তি থেকে রক্ষা পাবে, কিন্তু পাকিস্তানের “নির্বাচিত অংশগ্রহণ” এখনও টুর্নামেন্টের সততার লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে। আগে (১৯৯৬ ও ২০০৩)-এ নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে দলগুলো ম্যাচ বয়কট করেছিল (যেমন Australia, Sri Lanka-র ম্যাচ বাদ দিয়েছিল)। তবে, পাকিস্তান শ্রীলঙ্কা-তে, যেটা নিরপেক্ষ ভেন্যু, ম্যাচ বয়কট করছে, তাই সরকারি হস্তক্ষেপের কোনো কারণ নেই। তাই, এই পদক্ষেপ সরাসরি আইসিসি সংবিধানের লঙ্ঘন।

  • India US Trade Deal: ধাক্কা পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও চিনের! ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে কমল শুল্ক, সুবিধা দিল্লির

    India US Trade Deal: ধাক্কা পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও চিনের! ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তিতে কমল শুল্ক, সুবিধা দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাণিজ্য চুক্তিতে সহমত হয়েছে ভারত এবং আমেরিকা (India US Trade Deal)। যার ফলে ভারতের শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হয়েছে বলে খবর। আর তাতেই ফাঁপড়ে পড়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও চিন। কারণ, তাদের থেকে ভারতের শুল্ক অনেকটাই কম। যার ফলে ভারতের বাণিজ্য বাড়বে বলেই আশা করছেন বিশেষজ্ঞরা। সোমবার সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনালাপের পর এই চুক্তি চূড়ান্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল কিনবে এবং প্রয়োজনে ভেনেজুয়েলা থেকেও তেল আমদানি করতে পারে।

    স্বাগত বার্তা মোদির

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, “আজ আমার প্রিয় বন্ধু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলে দারুণ আনন্দিত। ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ পণ্যের ওপর শুল্ক ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনার এই ঘোষণায় আমি অত্যন্ত খুশি। ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের পক্ষ থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে আন্তরিক ধন্যবাদ।” তিনি আরও বলেন, বিশ্বের দুই বৃহৎ গণতন্ত্র ও অর্থনীতি একসঙ্গে কাজ করলে তা সাধারণ মানুষের উপকারে আসে এবং পারস্পরিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হয়।

    ঐতিহাসিক চুক্তি, শাহ

    অমিত শাহ (Amit Shah) তাঁর পোস্টে এই চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক’ (Historic Deal) বলে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘শুল্ক ১৮ শতাংশে নামায় ভারত–মার্কিন বাণিজ্য (India-US Trade) নতুন মাত্রা পাবে। উভয় দেশের মানুষই এর সুফল পাবেন।’ দুই দেশের তুলনামূলক শুল্ক নিয়ে সরকারি সূত্র জানায়, এখন ভারতের শুল্ক ইন্দোনেশিয়া (১৯%), ভিয়েতনাম (২০%), বাংলাদেশ (২০%), এবং চিনের (৩৪%) চেয়ে কম। ফলে বিশ্ববাজারে ভারতীয় পণ্যের চাহিদা আরও বাড়বে।

    ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির প্রভাব

    ভারত-মার্কিন বহু প্রতীক্ষিত বাণিজ্য চুক্তি (India US Trade Deal) সম্পন্ন হওয়ায় আজ ভারতীয় শেয়ার বাজারে বড়সড় উত্থানের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ৫০% শুল্ক কমে ১৮%-এ নামিয়ে আনার সিদ্ধান্তে অটোমোবাইল (Auto Stocks), আইটি (IT Stocks), ডিফেন্স (Defence Stocks) এবং ফার্মার (Pharma Stocks) মতো রফতানি-নির্ভর সেক্টরগুলি বিনিয়োগকারীদের (Investment) নজরে রয়েছে।ভারত-আমেরিকা শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তের ফলে রফতানি বাণিজ্যে নতুন জোয়ার আসবে। বিশেষ করে আইটি এবং ডিফেন্স স্টকগুলোতে ভালো মুভমেন্ট দেখা যেতে পারে, বলে মত অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

    অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতের অবস্থান

    এই চুক্তির ফলে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে ভারত এখন এমন কয়েকটি দেশের মধ্যে পড়ল, যাদের ওপর যুক্তরাষ্ট্র তুলনামূলকভাবে কম শুল্ক আরোপ করছে। চিন, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও ভিয়েতনামের তুলনায় ভারতের শুল্কহার কম। তবে ইউরোপিয় ইউনিয়ন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার তুলনায় ভারতের শুল্ক সামান্য বেশি। এর আগে রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতের ওপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র, যা আগের ২৫ শতাংশ ‘রেসিপ্রোকাল ট্যারিফ’-এর সঙ্গে যোগ হয়েছিল। নতুন চুক্তির ফলে এই অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

    বেশি ট্যারিফ যাদের উপর

    চিন- ৩৭ শতাংশ

    ব্রাজিল- ৫০ শতাংশ

    দক্ষিণ আফ্রিকা- ৩০ শতাংশ

    মায়ানমার- ৪০ শতাংশ

    লাওস- ৪০ শতাংশ

    কম ট্যারিফ রয়েছে যাদের উপর

    ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন- ১৫ শতাংশ

    জাপান ১৫ শতাংশ

    দক্ষিণ কোরিয়া- ১৫ শতাংশ

    সুইৎজারল্যান্ড- ১৫ শতাংশ

    ইউকে- ১০ শতাংশ

    দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন শুল্ক

    বাংলাদেশ- ২০ শতাংশ

    ভিয়েতনাম- ২০ শতাংশ

    মালেয়শিয়া- ১৯ শতাংশ

    কম্বোডিয়া- ১৯ শতাংশ

    থাইল্যান্ড- ১৯ শতাংশ

    পাকিস্তান- ১৯ শতাংশ

    ভারত-মার্কিন চুক্তির শর্ত

    সূত্রের খবর, ভারত রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে যে অতিরিক্ত শুল্কের মুখে পড়েছিল, তা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমেরিকা। একই সঙ্গে ভারত যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি পরিমাণে জ্বালানি, কয়লা, প্রযুক্তি, কৃষিপণ্যসহ বিভিন্ন পণ্য কিনতে সম্মত হয়েছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ভারতের মোট মার্কিন জ্বালানি ক্রয় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের বেশি হতে পারে। ট্রাম্প আরও বলেন, ভারত ধাপে ধাপে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর শুল্ক ও অশুল্ক বাধা শূন্যের দিকে নিয়ে যাবে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প পুনরায় ক্ষমতায় আসার আগে ভারতের গড় শুল্কহার ছিল বিশ্বের অন্যতম উচ্চ—সাধারণভাবে প্রযোজ্য হার ১৫.৬ শতাংশ এবং কার্যকর হার ৮.২ শতাংশ।

    রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ!

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে বাণিজ্য চুক্তি হওয়ায় ভারতের উপর শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৮ শতাংশ করা হবে। বাণিজ্যে আরও সুবিধা হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও শুল্ক কমার কথা জানিয়েছেন। অন্যদিকে, ট্রাম্প দাবি করেছেন যে ভারত এবার থেকে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনা বন্ধ করে দেবে। তার বদলে আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলার কাছ থেকে তেল কিনবে। যদিও প্রধানমন্ত্রী মোদির পোস্টে এ কথা উল্লেখ নেই।

    এখনো যেসব বিষয় স্পষ্ট নয়

    এই চুক্তি কবে থেকে কার্যকর হবে, রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধের সময়সীমা কী, কিংবা কোন কোন মার্কিন পণ্য ভারত কিনবে—এসব বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো ঘোষণা আসেনি। সোমবার বিকেল পর্যন্ত হোয়াইট হাউস এ নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বিজ্ঞপ্তি বা ফেডারেল রেজিস্টার নোটিস জারি করেনি। ভারত বা যুক্তরাষ্ট্র—কোনো পক্ষই এখনো চুক্তির বিস্তারিত শর্ত প্রকাশ করেনি। একই সঙ্গে রাশিয়াও ভারতের তেল আমদানি বন্ধের বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি। উল্লেখ্য, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আগের বাণিজ্য চুক্তিগুলোতে শত শত বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি ছিল। তবে ভারতের সঙ্গে ঘোষিত এই চুক্তিতে তেমন কোনো বিনিয়োগের উল্লেখ নেই। উল্লেখ্য, গত এক বছরে দু’দেশের মধ্যে একাধিক দফায় আলোচনা হলেও উচ্চ শুল্ক এবং কূটনৈতিক মতবিরোধে সম্পর্ক কিছুটা চাপের মধ্যে ছিল। শেষ পর্যন্ত এই সমঝোতাকে ভারত-আমেরিকা সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলেই মনে করছেন কূটনৈতিক মহল।

     

     

     

     

     

  • T20 World Cup 2026: বাইশ গজে এক ঘরে পাকিস্তান! মোটা টাকা ক্ষতিপূরণ, ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে পিসিবি-কে কী বার্তা আইসিসির?

    T20 World Cup 2026: বাইশ গজে এক ঘরে পাকিস্তান! মোটা টাকা ক্ষতিপূরণ, ভারত ম্যাচ বয়কট নিয়ে পিসিবি-কে কী বার্তা আইসিসির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup 2026) খেললেও ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে খেলবে না পাকিস্তান। পাক সরকারের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে আইসিসি। এই ভাবনা খেলার পরিপন্থী। পিসিবি এই সিদ্ধান্ত না বদলালে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে হবে মহসিন নকভিদের। আইসিসির সূত্র জানিয়েছে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সমস্যার সমাধান করতে চাইছে তারা। মঙ্গল বা বুধবার তারা বৈঠকে বসবে। সেখানেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পাকিস্তান যদি নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকে তাহলে কড়া শাস্তি হবে তাদের। নির্বাসিত করা হতে পারে পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে। সত্তরের দশকে দক্ষিণ আফ্রিকাকে যে ভাবে আইসিসি নির্বাসিত করেছিল, সেই পদক্ষেপ আরও এক বার করতে পারে তারা।

    আইসিসির বার্তা

    রবিবার পাকিস্তান সরকার এক্স মাধ্যমে পোস্ট করে তাদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। তারা বলেছে, “পাকিস্তান ক্রিকেট দলকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যোগ দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে পাকিস্তান সরকার। কিন্তু ১৫ ফেব্রুয়ারি ভারতের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে না পাকিস্তান।” অবশ্য যদি ফাইনালে দু’দল মুখোমুখি হয় তখন পাকিস্তান কী করবে, এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু বলেনি পাক সরকার বা সে দেশের বোর্ড। যদি সত্যিই তেমন পরিস্থিতি তৈরি হয় তা হলে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও আইসিসি, দুই সংস্থারই সমস্যা আরও বাড়বে। সে ক্ষেত্রে বিশ্বকাপে জটিলতা আরও বাড়বে। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তানকে কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছে আইসিসি। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থা বলেছে, “জাতীয় নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের ভূমিকাকে আইসিসি সম্মান করে। কিন্তু পাকিস্তানের এই সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেটের স্বার্থের পরিপন্থী। গোটা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ ক্রিকেটপ্রেমী, যাঁদের মধ‍্যে পাকিস্তানের সমর্থকেরাও রয়েছেন, তাঁদের ভালর কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নয়।” আইসিসি জানিয়েছে, তারা প্রত‍্যাশা করে পাকিস্তান সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আইসিসি লিখেছে, “পিসিবি তাদের দেশের ক্রিকেটের উপর এর সুদূরপ্রসারী এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবের কথা বিবেচনা করবে। কারণ এটি বিশ্ব ক্রিকেটের বাস্তুতন্ত্রকে প্রভাবিত করতে পারে, যার অন্যতম সদস্য এবং সুবিধাভোগী পিসিবি নিজেই।”

    আর্থিক জরিমানা

    আগেই বিক্রি হয়ে যাওয়া বিজ্ঞাপন এবং স্পনসরশিপ ইন্টিগ্রেশনের জন্য ৩৮ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩৪৭.৮৯ কোটি টাকা) ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আইসিসি-র থেকে বছরে ৩৪.৫ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৩১৫.৮৯ কোটি টাকা, ৫.৭৫% অংশ) পায় পাকিস্তান। চুক্তি লঙ্ঘন হলে সেই টাকা আটকে যেতে পারে। ম্যাচের দিনের বিজ্ঞাপনের সরাসরি ক্ষতি; ১০ সেকেন্ডের স্লটের দাম ৪০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে সেই টাকার পরিমাণ দাঁড়াতে পারে ২০০-২৫০ কোটি টাকা অংশগ্রহণ ফি বাজেয়াপ্ত এবং আইসিসি কর্তৃক ২ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত সম্ভাব্য জরিমানা হতে পারে পাকিস্তানের।

    ব্রাত্য পাকিস্তান ক্রিকেট

    আইসিসি সদস্য বোর্ডগুলিকে পাকিস্তান সুপার লিগের জন্য বিদেশি খেলোয়াড়দের অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দেওয়া বন্ধ করার পরামর্শ দিতে পারে। যা লিগটির বাণিজ্যিক মূল্যকে মারাত্মক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। দুই দল যোগ হওয়ায় এই মুহর্তে পিএসএলের বাণিজ্যিক মূল্য প্রায় ৩৩ হাজার কোটি টাকা। ভবিষ্যতে পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক সিরিজ এবং আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের আয়োজক স্বত্ব বাতিল হতে পারে! যার ফলে বহু বছর ধরে রাজস্বে ধারাবাহিক ক্ষতি হবে। পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে না খেললে ওই ম্যাচের পয়েন্ট হারাবে এবং ২০২৭ সালের বিশ্বকাপ-সহ ভবিষ্যতের আইসিসি ইভেন্টে নিষেধাজ্ঞার সম্মুখীন হতে পারে পাকিস্তান। তেমনটা হলে পাকিস্তান ক্রিকেট পিছিয়ে যাবে বেশ কয়েক বছর। অন্ধকার হয়ে যাবে পাকিস্তান ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ।

LinkedIn
Share