Tag: pakistan

pakistan

  • Murshidabad: সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে পাচার! বহরমপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত, পশ্চিমবঙ্গ কি ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল?

    Murshidabad: সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে পাচার! বহরমপুরে গ্রেফতার অভিযুক্ত, পশ্চিমবঙ্গ কি ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদার পর এবার মুর্শিদবাদ (Murshidabad)! পশ্চিমবঙ্গ কি জঙ্গি-ভারতবিরোধিতার আখড়া হয়ে উঠল? তা না হলে, কীভাবে একের পর এক ভারত বিরোধী কার্যকলাপ এরাজ্যে ঘটে চলেছে? এরাজ্যে এসে বড়সড় নাশকতার ষড়যন্ত্র ফাঁস করেছে দিল্লি পুলিশ। মালদা থেকে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল ২ জনকে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনার মধ্যে মুর্শিদাবাদে দুই যুবকের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Pakistani Spy) অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। ইতিমধ্যে দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ। তার মধ্যে একজনকে কিছুদিন আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই অভিযুক্তকে জেরা করে সূত্র ধরে বহরমপুর থেকে অন্য আরেক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত যুবেকের নাম সুমন শেখ। অভিযোগ, তারা পাকিস্তানে সিম কার্ডের ওটিপি পাচার করত।

    চব্বিশ বছরের বয়সী যুবক (Murshidabad)

    জানা গিয়েছে, গত সপ্তাহে মুর্শিদাবাদের বাসিন্দা জুহাব শেখকে গ্রেফতার করেছিল এসটিএফ। এই অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করে চব্বিশ বছরের সুমনের নাম জানতে পারেন তদন্তকারী অফিসাররা। বহরমপুরের গির্জার মোড় এলাকা থেকে প্রথমে সুমনকে আটক করা হয়। এরপর তার বাড়িতে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। ধৃত দুজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় সিম কার্ডের ওটিপি পাকিস্তানে (Pakistani Spy) পাচার করার অভিযোগ রয়েছে। কোন অভিপ্রায়ে চলত ওটিপি পাচার? জানা গিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে বহু পাকিস্তানিদের সঙ্গে যোগ রয়েছে সুমনের। রবিবার সুমনকেও গ্রেফতার করা হয়। কার্যত পাকিস্তানি গুপ্তচর হিসাবেই কাজ করছিল এই যুবক। হোয়টসঅ্যাপে নম্বর ভেরিফিকেশনের জন্য যে ওটিপি আসে, তা পাকিস্তানে পাঠিয়ে দিত তারা। তাতে সেখানেই এই নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ খুলে যেত। আর এর বিনিময়ে তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকত।

    হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত

    ধৃত সুমন শেখের পরিবারের তরফে বলা হয়েছে, ছেলে ডেলিভারির কাজ করত। তদন্তকারী অফিসারদের বক্তব্য, ধৃত দুই জনই সিম কার্ড বিক্রেতা। সাধারণ মানুষের নথি ব্যবহার করে সিম কার্ড দিত। এই নম্বর দিয়ে হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট খুলত। নম্বর ভেরিফাইয়ের জন্য যে ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড বা ওটিপি আসত সেগুলি পাকিস্তান হ্যান্ডেলারদের (Pakistani Spy) পাঠিয়ে দিত। তার বিনিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা পেত। ওই সিমগুলি যারা ব্যবহার করে তাদের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চলে পাকিস্তান থেকে। ছেলে অপকর্মে গ্রেফতার হওয়ায় মা মেনকা বিবি বলেন, “বহরমপুরে ডেলিভারির কাজ করত। কিসের জন্য পুলিশ গ্রেফতার করেছে তা জানা নেই। জুহাবকে আগে ধরেছে পুলিশ। সেই আমার ছেলের নাম বলেছে। আমি চাই ছেলে ছাড়া পাক।” জানা গিয়েছে, সুমনের বাবা বহরমপুরে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করেন। বর্তমানে তিনি বাড়িতে নেই। জেঠু গোলাম হোসেন বলেন, “সুমনকে কোথায় নিয়ে গিয়েছে আমরা জানি না, আমাদের পুলিশ কিছু বলেনি। আমরা বহরমপুরে গিয়েছিলাম।”

    কলকাতায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে

    এর আগে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল মালদা থেকে ২ জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের নাম উমর ফারুক এবং রবিউল ইসলাম। উমর মালদার বাসিন্দার কিন্তু রবিউল বাংলাদেশি। প্রত্যেকেই লস্করের সদস্য। এছাড়া তামিলনাড়ু থেকে গ্রেফতার হয়েছে মিজানুর রহমান, মহম্মদ শব্বত, উমর, মহম্মদ লিটন, মহম্মদ শহিদ ও মহম্মদ উজ্জ্বল। উল্লেখ্য এরা সবাই বাংলাদেশি। শাব্বির আহমেদ লোন নামে একজন হ্যান্ডলার নির্দেশে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ঢুকে জঙ্গি কর্মকাণ্ডের ছক করেছিল তারা। এই শাব্বির লোন হল কাশ্মীরি। ২০০৭ সালে এক আত্মঘাতী হামলার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে যায়। এরপর সেখানে গিয়ে ঘাঁটি গড়ে তোলে। সম্প্রতি কলকাতায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে। বড়সড় এক জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা করছিল এই শব্বির। আর সেই ছকের ঘুঁটি ছিল এই বাংলাদেশি জঙ্গিরা (Pakistani Spy)।

    উল্লেখ্য গত কয়েক মাস আগেই ওয়াকফের নামে ধুলিয়ান, সামশেরগঞ্জে কট্টরপন্থী মুসলিমরা হিন্দু সাম্প্রদায়ের উপর ব্যাপক ভাবে হিংসার ঘটনা ঘটায়। গত কয়েক মাসে আল কায়দা, আইএসআই, জেএমবি, লস্কর, পিএফআই সহ একাধিক জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত বেশকিছু জঙ্গিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। সম্প্রতি এই জেলায় জঙ্গিদের ধরপাকড়ের ঘটনায় রাজ্যের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার বিষয়ে অত্যন্ত চিন্তা এবং উদ্বেগের চিত্র সামনে এসেছে।

  • CAA: সিএএ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করল কেন্দ্র, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    CAA: সিএএ অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করল কেন্দ্র, কেন তাৎপর্যপূর্ণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন (CAA) অনুযায়ী নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া কার্যকর করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। একই সঙ্গে রাজ্যে আইনটির অধীনে আবেদনগুলি প্রক্রিয়াকরণের জন্য একটি ‘এমপাওয়ার্ড কমিটি’ গঠনের কথাও জানানো হয়েছে। এই পদক্ষেপটি এমন একটা সময়ে নেওয়া হল, যখন পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূল কংগ্রেস সরকার বিভিন্ন ইস্যুতে কেন্দ্রের সঙ্গে মতবিরোধ রয়েছে এবং সিএএকে বৈষম্যমূলক বলে বিরোধিতা করে আসছে।

    সরকারি নির্দেশিকা (CAA)

    অতিরিক্ত সচিব নীতেশ কুমার ব্যাস জারি করা এক নির্দেশিকায় বলেন, “নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫-এর ধারা ৬বি(১) এবং নাগরিকত্ব বিধি, ২০০৯-এর বিধি ১১এ(১) ও (৩) অনুসারে প্রাপ্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে কেন্দ্র পশ্চিমবঙ্গের সেনসাস অপারেশন্স দফতরের ডেপুটি রেজিস্ট্রার জেনারেলকে কমিটির প্রধান হিসেবে নিয়োগ করছে।” নির্দেশিকা অনুযায়ী, কমিটির সদস্যদের মধ্যে থাকবেন— সাবসিডিয়ারি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর একজন ডেপুটি সেক্রেটারি পর্যায়ের আধিকারিক, সংশ্লিষ্ট বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন আধিকারিকের (FRRO) মনোনীত প্রতিনিধি, পশ্চিমবঙ্গের ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টারের স্টেট ইনফরমেটিক্স অফিসার (উভয়েই আন্ডার সেক্রেটারি পর্যায়ের নীচে নন), এবং পোস্টমাস্টার জেনারেল বা মনোনীত ডেপুটি সেক্রেটারি পর্যায়ের ডাক বিভাগের আধিকারিক।

    নাগরিকত্ব আইন

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এই নির্দেশের মাধ্যমে নাগরিকত্ব আইনের ধারা ৬বি এবং নাগরিকত্ব বিধির ১১এ/১৩এ অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে ‘এমপাওয়ার্ড কমিটি’ আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করে সিএএ-র কাঠামো কার্যকর করা হল। এর আগে ২০২৪ সালের ১১ মার্চ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক বিজ্ঞপ্তিতে সারা দেশে নাগরিকত্ব আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য একটি সর্বভারতীয় কাঠামো তৈরি করা হয়েছিল। তবে বাস্তবে কার্যকর করার জন্য রাজ্যভিত্তিক কমিটি গঠনের প্রয়োজন ছিল। এই কমিটির কাজ হবে— সিএএ-তে নির্ধারিত যোগ্য নির্যাতিত সংখ্যালঘু আবেদনকারীদের আবেদন যাচাই করা, জেলা পর্যায়ের যাচাইকরণ সংস্থাগুলির সঙ্গে সমন্বয় করা এবং নাগরিকত্ব মঞ্জুর বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া। আরও বলা হয়েছে, বৈঠকে দু’জন আমন্ত্রিত সদস্য থাকবেন। একজন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (গৃহ) বা অতিরিক্ত মুখ্য সচিব (গৃহ) দফতরের একজন প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজারের একজন মনোনীত প্রতিনিধি।

    কী বলছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের মতে, এই বিজ্ঞপ্তি ২০২৪ সালের ১১ মার্চের নির্দেশিকার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার মাধ্যমে অন্যান্য রাজ্যেও একই ধরনের কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এই কমিটিগুলির কাজ হল পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৪-এর আগে ভারতে প্রবেশ করা নির্যাতিত অ-মুসলিম অভিবাসীদের নাগরিকত্ব যাচাই ও প্রদান করা। ২০২৪ সালে সরকার নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন, ২০১৯ কার্যকর করে এবং সংশ্লিষ্ট বিধি জারি করে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আগত অনথিভুক্ত অ-মুসলিম অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুততর করে। এখন সিএএর অধীনে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে আগত নির্যাতিত অ-মুসলিম অভিবাসী— হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্শি ও খ্রিস্টানদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

     

  • Pakistan: “টয়লেট পরিষ্কার করার পর আমরা কীভাবে খেলতে পারি?” পাকিস্তান হকি ফেডারেশন সভপতির পদত্যাগ

    Pakistan: “টয়লেট পরিষ্কার করার পর আমরা কীভাবে খেলতে পারি?” পাকিস্তান হকি ফেডারেশন সভপতির পদত্যাগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান (Pakistan) হকিতে অত্যাশ্চর্য সংকটের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফেডারেশনের (Hockey Federation) সভাপতি তারিক হুসেন বুগতি বৃহস্পতিবার পদত্যাগ করেছেন। অস্ট্রেলিয়ায় সাম্প্রতিক এফআইএইচ প্রোলিগ সফরে ফেডারেশনের পরিচালনার প্রকাশ্যে সমালোচনা করার জন্য জাতীয় দলের অধিনায়ক আম্মাদ শাকিল বাটকে দুই বছরের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার পরপরই তিনি পদত্যাগ করেন। এই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে।

    বুধবার পাকিস্তান পুরুষ হকি দল এফআইএইচ প্রো লিগের শেষে অস্ট্রেলিয়া থেকে লাহোরে ফিরে আসার পর বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। সেখানে আর্জেন্টিনা এবং নেদারল্যান্ডসের মতো শীর্ষ দলগুলির কাছে খুব খারাপ ভাবে পরাজয়ের শিকার হতে হয়। আটটি ম্যাচের সবকটিতেই হারে পাকিস্তান।

    হোটেলে থাকা খাওয়ার জন্য টাকা দেওয়া হয়নি (Pakistan)

    পাকিস্তান (Pakistan) স্পোর্টস বোর্ড পিএসবিকে তহবিলের অব্যবস্থাপনা এবং বিদেশে দলের অপমানজনক অভিজ্ঞতার জন্য দায়ী করে বুগতি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন তারিক হুসেন বুগতি। সংবাদ মাধ্যমকে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে হকির জন্য ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করলেও এই টাকা পাকিস্তান স্পোর্টস বোর্ডের কাছেই রয়েছে। টাকা ঠিক করে খরচ করা হয়নি। বোর্ডে (Hockey Federation) বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক সমস্যাও রয়েছে। পাকিস্তান স্পোর্টস বোর্ডের আর্থিক ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে করতে ব্যর্থ হয়েছে। দলের হোটেলে থাকা খাওয়ার জন্য সঠিক ভাবে টাকা দেওয়া হয়নি। আমি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছি। ফিল্ড মার্শাল অসীম মুনিরকে অস্ট্রেলিয়ায় প্রো লিগ চলাকালীন ঘটে যাওয়া পুরো ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করার জন্য অনুরোধ করছি।”

    বিল পরিশোধ না করার কারণে হোটেল থেকে বের করা হয়

    অপর দিকে পাকিস্তান (Pakistan) দলের অধিনায়ক আম্মাদ শাকিল বাট সংবাদিক সম্মেলনে পিএইচএফে ব্যর্থতার কারণ হিসেবে খেলোয়াড়দের মানসিক হয়রানিকে উল্লেখ করেছেন। হকি দলের অধিনায়ক (Hockey Federation) বাট বলেন, “বিল পরিশোধ না করার কারণে হোবার্টের হোটেল থেকে দলকে বের করিয়ে দেওয়া হয়েছিল। খেলোয়াড়দের লাগেজ নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা রাস্তায় ঘুরে বেড়াতে বাধ্য করা হয়েছিল। শুধু তাই নয়, তারপরে একটি নিম্নমানের গেস্ট হাউসে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সেখানে থালা-বাসন ধোয়া, টয়লেট পরিষ্কার করা সহ ম্যাচের আগে তুচ্ছ অনেক কাজ করতে বাধ্য করা হয়েছিল। খেলোয়াড়দের মনোযোগ এবং কর্মক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছিল এই সব ঘটনা। টয়লেট পরিষ্কার করার পর আমরা কীভাবে খেলতে পারি?”

  • India: ‘রাভি নদীর অতিরিক্ত জল আর যাবে না পাকিস্তানে’, সাফ জানালেন জম্মু-কাশ্মীরের জলসম্পদ মন্ত্রী

    India: ‘রাভি নদীর অতিরিক্ত জল আর যাবে না পাকিস্তানে’, সাফ জানালেন জম্মু-কাশ্মীরের জলসম্পদ মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পাঞ্জাব সীমান্তে শাহপুর কান্দি বাঁধের কাজ সম্পন্ন হবে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে। এর (India) ফলে রাভি (সংস্কৃত নাম ইরাবতী) নদীর অতিরিক্ত জল আর প্রবাহিত হবে না পাকিস্তানে (Pakistan)। এমনই জানালেন জম্মু-কাশ্মীরের জলসম্পদ মন্ত্রী জাভেদ আহমেদ রানা। গত বছরের ২২ এপ্রিল পহেলগাঁওয়ে  জঙ্গি হামলায় ২৫ জন পর্যটক ও একজন স্থানীয় গাইড নিহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে একাধিক শাস্তিমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন, যার মধ্যে ১৯৬০ সালের ইন্দাস জলচুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তও ছিল।

    কী বললেন জাভেদ আহমেদ রানা? (India)

    একটি টেলিভিশন চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে রানা বলেন, “হ্যাঁ, রাভি নদীর অতিরিক্ত জল পাকিস্তানে যাওয়া বন্ধ করা হবে। এটি বন্ধ করতেই হবে।” তিনি এও বলেন, “কাঠুয়া ও সাম্বা জেলা খরাপ্রবণ এলাকা, কান্দি অঞ্চলের জন্য এই অগ্রাধিকারভিত্তিক প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে।” নদীর জল সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী মোদি জম্মু অঞ্চলের জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলির কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেন। শাহপুর কান্দি ব্যারাজ, যা একটি জাতীয় প্রকল্প, প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে চার দশক পর সংশোধিত হয়। গত বছর পহেলগাঁওয়ের বৈসরান উপত্যকায় জঙ্গি হামলার পর চেনাব নদীর ওপর জম্মু ও কাশ্মীরে চারটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পে ভারত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে, এবং সেগুলি ২০২৭-২৮ সালের মধ্যে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে (India)।

    সিন্ধু জলচুক্তি

    বিশ্বব্যাঙ্কের মধ্যস্থতায় সম্পাদিত ত্রুটিপূর্ণ সিন্ধু জলচুক্তি অনুযায়ী ছ’টি নদী দুই দেশের মধ্যে ভাগ করা হয়েছিল। পূর্বাঞ্চলীয় নদীগুলি (ইরাবতী, বিপাশা, শতদ্রু) ভারতের জন্য বরাদ্দ করা হয় এবং পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীগুলি (সিন্ধু, ঝিলম, চন্দ্রভাগা) পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত হয়। তবে পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীগুলির জল সীমিত ব্যবহারের অনুমতি ভারতকে দেওয়া হয়েছিল (Pakistan)। ৬ ডিসেম্বর ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা শাহপুর কান্দি প্রকল্প বাস্তবায়নের অনুমোদন দেয় এবং সেচ অংশের জন্য ৪৮৫.৩৮ কোটি টাকা কেন্দ্রীয় সহায়তা মঞ্জুর করে। প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে পাঞ্জাবে ৫,০০০ হেক্টর এবং জম্মু ও কাশ্মীরের কাঠুয়া ও সাম্বা জেলায় ৩২,১৭৩ হেক্টর জমিতে সেচের সুবিধা হবে। পাঞ্জাবের সঙ্গে যৌথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে মাধোপুর হেডওয়ার্কসের নিম্নপ্রবাহ দিয়ে পাকিস্তানে অপচয় হওয়া রাভি নদীর জল উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে (India)। এছাড়াও, পাঞ্জাবের ১.১৮ লক্ষ হেক্টর জমিতে সেচের জন্য যে জল ছাড়া হয়, তা এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত হবে। প্রকল্পটি রূপায়ন হলে পাঞ্জাব ২০৬ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনেও সক্ষম হবে।

    দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল আগেই

    এই প্রকল্পের সূচনা হয়েছিল কয়েক দশক আগে। ১৯৭৯ সালে পাঞ্জাব ও জম্মু-কাশ্মীরের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার অধীনে রণজিৎ সাগর বাঁধ (থেইন বাঁধ) ও শাহপুর কান্দি বাঁধ নির্মাণের দায়িত্ব পাঞ্জাবের ওপর ন্যস্ত হয়। ২০০১ সালে পরিকল্পনা কমিশন প্রকল্পটি অনুমোদন করে। ২০০৯ সালে কেন্দ্রীয় সরকার সংশোধিত ব্যয় অনুমোদন করে। তবে বিদ্যুৎ অংশের জন্য পাঞ্জাব সরকারের অর্থাভাব এবং পরে জম্মু-কাশ্মীরের সঙ্গে আন্তঃরাজ্য সমস্যার কারণে (India) কাজ বিশেষ এগোয়নি। একাধিক বৈঠকের পর অবশেষে ২০১৮ সালে দিল্লিতে পাঞ্জাব ও জম্মু-কাশ্মীরের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হয়। ১৯৯৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পিভি নরসিমা রাও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন (Pakistan)। ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে কেন্দ্রীয় জলসম্পদ মন্ত্রক প্রকল্পটিকে জাতীয় প্রকল্প ঘোষণা করে। ব্যারাজ সম্পন্ন না হওয়ায় বহু বছর আগে নির্মিত প্রায় ৮০ কিমি রাভি খাল এবং জম্মু-কাশ্মীরে ৪৯২.৫ কিমি জলবণ্টন নেটওয়ার্ক দীর্ঘদিন অব্যবহার্য অবস্থায় ছিল।

     

  • Pakistan: “সাত দিনের মধ্যে বন্দি বিনিময়ে সম্মত হন, নাহলে পাক সেনাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে”, দাবি বিএলও-র

    Pakistan: “সাত দিনের মধ্যে বন্দি বিনিময়ে সম্মত হন, নাহলে পাক সেনাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হবে”, দাবি বিএলও-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) বালুচ লিবারেশন আর্মি (Balochistan Liberation Army) দাবি করেছে যে তারা পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর সাত সদস্যকে আটক করেছে। সেইসঙ্গে ইসলামাবাদকে একটি কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে সাফ জানিয়েছে, “সাত দিনের মধ্যে বন্দি বিনিময়ে সম্মত হন, নাহলে পাক সেনাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।”

    মাত্র ছয় দিন বাকি (Pakistan)

    মিডিয়া শাখা হাক্কালের এক বিবৃতির মাধ্যমে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বার্তার মধ্যে একটি ভিডিও বার্তাও রয়েছে। সেখানে বিএলএ (Balochistan Liberation Army) জানিয়েছে, “সময়সীমা শেষ হতে আর মাত্র ছয় দিন বাকি আছে, ঘড়ির কাঁটা ইতিমধ্যেই টিক টিক করছে।” ‘অপারেশন হেরোফ’-এর দ্বিতীয় পর্যায়ে বন্দীদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযানের সময় বিভিন্ন ফ্রন্টে ১৭ জন পাকসেনাকে আটক করা হয়েছিল। তবে তাঁদের মধ্যে দশজনকে স্থানীয় (Pakistan) পুলিশ ইউনিটের সঙ্গে যুক্ত এবং জাতিগত বালুচ হিসেবে চিহ্নিত করার পর পরে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।

    বালুচ জাতীয় আদালতে বিচার

    বিএলএ দাবি করেছে, বাকি সাতজন নিয়মিত পাকিস্তানি (Pakistan) সেনাবাহিনীর সদস্য এবং এখনও তাদের হেফাজতে রয়েছে। আটক করা পাক সেনাদের বালুচ জাতীয় আদালতে বিচার হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে অভিযানে জড়িত থাকা থেকে শুরু করে জোরপূর্বক অপহরণ এবং বালুচ জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যায় অংশগ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। মামলার সময় প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে, অভিযুক্তদের জবাব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

    আটক পাকসেনাদের দোষী সাব্যস্তকরণ এবং মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা সত্ত্বেও, বিএলএ (Balochistan Liberation Army) জানিয়েছে, সাত দিনের অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে। যদি পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে এই সময়ের মধ্যে বন্দি বিনিময়ে সম্মত হয়, তাহলে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না। তবে ইসলামাবাদ এখনও কোনও ইতিবাচক ভাবে সাড়া দেয়নি।

  • Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    Pakistan: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের! ‘ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে আমেরিকা’, কবুল খোয়াজা আসিফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিলম্বিত বোধোদয় পাকিস্তানের (Pakistan)! শেষমেশ ধরে ফেলল আমেরিকার (US) ‘চাল’। এবং পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে তা স্বীকারও করে নিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খোয়াজা আসিফ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলেন, “ওয়াশিংটন আমাদের কৌশলগত স্বার্থে ইসলামাবাদকে ব্যবহার করেছে এবং পরে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে।”

    কী বললেন আসিফ? (Pakistan)

    পার্লামেন্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আসিফ বলেন, “১৯৯৯ সালের পর বিশেষ করে আফগানিস্তান ইস্যুতে আবারও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে অবস্থান নেওয়ার সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কারণ হয়েছে।” তিনি বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পাওয়ার প্রচেষ্টা ছিল একটি গুরুতর ভুল সিদ্ধান্ত, যার পরিণতি পাকিস্তান (Pakistan) আজও বহু দশক পর বহন করে চলেছে।” দীর্ঘদিনের সরকারি বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আসিফ দাবি করেন, “আফগানিস্তান সংঘাতে পাকিস্তানের অংশগ্রহণ ধর্মীয় দায়িত্ববোধ থেকে পরিচালিত হয়েছিল—এই বক্তব্য ঠিক নয়।” তিনি কবুল করেন, “জেহাদের ব্যানারে পাকিস্তানিদের সংগঠিত করে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছিল।” এই সিদ্ধান্তকে তিনি বিভ্রান্তিকর ও ধ্বংসাত্মক আখ্যা দেন।

    যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাও পুনর্গঠন

    আসিফ বলেন, “এমনকি এসব যুদ্ধকে বৈধতা দিতে পাকিস্তানের শিক্ষাব্যবস্থাকেও পুনর্গঠন করা হয়েছিল এবং সেই মতাদর্শগত পরিবর্তনের অনেকাংশ আজও রয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “আটের দশকে আফগানিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধ মূলত (Pakistan) আমেরিকার ভূরাজনৈতিক স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল, কোনও প্রকৃত ধর্মীয় বাধ্যবাধকতার কারণে নয়।” তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতিতে ‘জেহাদ’ ঘোষণার কোনও যৌক্তিকতাও ছিল না। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মতে, পাকিস্তানের নিজস্ব নয় এমন সংঘাতে অংশগ্রহণ দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদি অস্থিতিশীলতা ও সামাজিক ক্ষতির জন্ম দিয়েছে, যার প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব (US) হয়নি। আসিফ বলেন, “বিশেষ করে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পর ১৯৯৯-পরবর্তী সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় ঘনিষ্ঠতা স্থাপনের মূল্য ছিল ভয়াবহ।” তিনি প্রয়াত সামরিক শাসক জিয়াউল হক ও পারভেজ মুশারফের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন, তাঁরা পাকিস্তানকে বহিরাগত যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলেছিলেন, যার ফল দেশকে দীর্ঘদিন ধরে ভোগ করতে হয়েছে, এমনকি মিত্ররা সরে যাওয়ার পরেও।

    টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপ!

    এর পরেই আসিফ আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে বলেন, “পাকিস্তানকে টয়লেট পেপারের চেয়েও খারাপভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, প্রয়োজন ফুরোলে ফেলে দেওয়া হয়েছে।” ২০০১ এর পরবর্তী সময়ের প্রসঙ্গে আশিফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ সমর্থন করতে পাকিস্তান (Pakistan) তালিবানের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ওয়াশিংটন সরে গেলেও, পাকিস্তান হিংসা, উগ্রবাদ ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে নিমজ্জিত অবস্থায় থেকে যায়।” তিনি বলেন, “আমরা যে ক্ষতির শিকার হয়েছি, তার কোনও ক্ষতিপূরণ সম্ভব নয়।” তিনি এসব সিদ্ধান্তকে অপরিবর্তনীয় ভুল হিসেবে (US) উল্লেখ করেন, যা পাকিস্তানকে অন্যদের পরিচালিত সংঘাতে একটি ‘ঘুঁটি’তে পরিণত করেছে (Pakistan)।

     

  • India: চেনাব নদীর ওপর সাওয়ালকোট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু ভারতের, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান

    India: চেনাব নদীর ওপর সাওয়ালকোট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু ভারতের, সিঁদুরে মেঘ দেখছে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের চেনাব নদীর ওপর ৫,১২৯ কোটি টাকার সাওয়ালকোট জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ শুরু করে দিল ভারত (India)। সংবাদ সংস্থার খবর, সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারের অনুমোদন পাওয়া এটিই প্রথম নতুন প্রকল্প। জাতীয় জলবিদ্যুৎ শক্তি নিগম (NHPC) ৫ ফেব্রুয়ারি উধমপুর ও রামবান জেলাজুড়ে এই (Pakistan) বৃহৎ প্রকল্প নির্মাণের জন্য বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে দরপত্র চেয়েছে।

    সাওয়ালকোট প্রকল্প (India)

    জানা গিয়েছে, সাওয়ালকোট প্রকল্পটি দুটি ধাপে গড়ে তোলা হবে। প্রথম ধাপে ১,৪০৬ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় ধাপে ৪৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এতে মোট উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়াবে ১,৮৫৬ মেগাওয়াট। চেনাব নদীর উজানে বাগলিহার প্রকল্প এবং ভাটিতে সালাল প্রকল্পের মাঝামাঝি অবস্থানে থাকা এই প্রকল্পটি রান-অব-দ্য-রিভার পদ্ধতিতে নির্মিত হবে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দ্রুততম সময়ে প্রকল্প চালু করার লক্ষ্যে নির্মাণ পদ্ধতি ও যন্ত্রপাতি নির্বাচন করা হয়েছে, যা প্রকল্পটির জরুরি গুরুত্বকে তুলে ধরে।
    সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত হওয়ার পর গত বছরের অক্টোবরে পরিবেশমন্ত্রকের একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি প্রকল্পটিকে ছাড়পত্র দেয়। এরপরই এনএইচপিসি দরপত্র প্রক্রিয়ায় অগ্রসর হয়। নথিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক প্রস্তুতির পর বড় আকারের নির্মাণকাজ শুরু হবে। ভূগর্ভস্থ কাজ সারা বছর চলবে, তবে ভূপৃষ্ঠে নির্মাণকাজ বর্ষাকালের পরে পূর্ণগতিতে এবং বর্ষাকালে প্রায় ৫০ শতাংশ সক্ষমতায় চলবে। পুরো প্রকল্পটি শেষ হতে বছর নয়েক লাগবে (India)।

    ভারতের বৃহত্তর জলবিদ্যুৎ কৌশলের অংশ

    সাওয়ালকোট প্রকল্পটি চেনাব নদীকে ঘিরে ভারতের বৃহত্তর জলবিদ্যুৎ কৌশলের অংশ। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, কেন্দ্রীয় সরকার এই অঞ্চলের চারটি গুরুত্বপূর্ণ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প দ্রুত সম্পন্ন করতে কড়া নির্দেশ দিয়েছে (Pakistan)। সরকারি আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে পাকাল দুল ও কিরু প্রকল্প চালু করতে, ২০২৮ সালের মার্চের মধ্যে কোয়ার প্রকল্প শেষ করতে এবং
    কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাটলে বাঁধ নির্মাণের কাজ আরও দ্রুত করতে। এই প্রকল্পগুলির মধ্যে কিস্তওয়ারে অবস্থিত ১,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার পাকাল দুল প্রকল্পটি সবচেয়ে বড়। এতে ১৬৭ মিটার উঁচু বাঁধ রয়েছে, যা ভারতের সর্বোচ্চ। এটি পাকিস্তানে প্রবাহিত কোনও পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীতে ভারতের প্রথম জলাধার প্রকল্প, যা নয়াদিল্লিকে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাই নয়, জলপ্রবাহের সময়সূচি নিয়ন্ত্রণের সুযোগও দেয়, যা নিয়ে ইসলামাবাদ দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বিগ্ন।

    প্রকল্পের উদ্বোধন ২০১৮ সালে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ২০১৮ সালের মে মাসে প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন। এটি ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হওয়ার কথা (India)। কিস্তওয়ারের আর একটি রান-অব-দ্য-রিভার প্রকল্প কিরু, যার বাঁধের উচ্চতা ১৩৫ মিটার। উজান ও ভাটির একাধিক প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকায় এর কৌশলগত গুরুত্ব রয়েছে। সরকার কিরুর ক্ষেত্রেও ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের সময়সীমা নির্ধারণ করেছে (Pakistan)। চেনাব নদীর ওপর ১০৯ মিটার উঁচু বাঁধযুক্ত কোয়ার প্রকল্প ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে বড় সাফল্য অর্জন করে, যখন নির্মাণের সুবিধার্থে নদীর গতিপথ পরিবর্তন করা হয়—যা পাকিস্তানে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। সর্বশেষ নির্দেশ অনুযায়ী, এটি ২০২৮ সালের মার্চে চালু হওয়ার কথা। ৮৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রাটলে প্রকল্পটি সবচেয়ে বিতর্কিত। এতে ১৩৩ মিটার উঁচু বাঁধ রয়েছে এবং স্পিলওয়ে নকশা নিয়ে পাকিস্তান বারবার আপত্তি জানিয়েছে। গত বছর সুড়ঙ্গের মাধ্যমে চেনাব নদীর প্রবাহ ঘুরিয়ে দেওয়ার পর নির্মাণকাজে গতি আসে। প্রকল্পটি ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে।

    উদ্বেগ বেড়েছে পাকিস্তানের

    এছাড়া, গত ডিসেম্বরে পরিবেশগত ছাড়পত্র পাওয়ার পর ভারত চেনাব নদীর ওপর দুলহস্তি স্টেজ-২ প্রকল্পের কাজ এগিয়ে নিচ্ছে। পাকিস্তানের অভিযোগ, এই বিষয়ে তাদের কিছু জানানো হয়নি। পাকিস্তানের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ভারত। দ্রুতগতিতে এই প্রকল্পগুলি এগোনোর ফলে পাকিস্তানের উদ্বেগ বেড়েছে। কারণ চেনাব নদী সিন্ধু অববাহিকার গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং দেশটির কৃষি ও জলপরিকাঠামোর বড় অংশ এই নদীর ওপর নির্ভরশীল (India)। পাকিস্তানের মোট জলসম্পদের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ ভারত হয়ে প্রবাহিত পশ্চিমাঞ্চলীয় নদীগুলি থেকে আসে, ফলে উজানে ভারতের প্রকল্পগুলি (Pakistan) রাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল।
    পহেলগাঁও হামলার পর ভারত সিন্ধু জলচুক্তির সব ধরনের প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ বন্ধ রেখেছে, যার ফলে এই প্রকল্পগুলিকে ঘিরে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে।

  • ICC: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    ICC: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে বসছে আইসিসি (ICC)। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে লাহোরে পৌঁছন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। সূত্রের খবর, আইসিসি যখন মোহসিন নকভির নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) সঙ্গে সমঝোতামূলক সমাধানের চেষ্টা চালাচ্ছে, ঠিক তখনই পাকিস্তান ও বাংলাদেশ একসঙ্গে অবস্থান নিয়েছে। লক্ষ্য একটাই, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে লাভজনক ম্যাচ, অর্থাৎ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে পাকিস্তানকে সরানো।

    জুমের মাধ্যমে বৈঠক! (ICC)

    রবিবার রাতে জুমের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত হতে পারে এই বৈঠক। এতে আইসিসির সিইও সংযোগ গুপ্ত, পিসিবি প্রধান মোহসিন নকভি এবং বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল উপস্থিত থাকার কথা। টুর্নামেন্টের সূচির বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বড় সংকট তৈরি হওয়ায় আইসিসি এখন পরিস্থিতি সামাল দিতে মরিয়া। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, পিসিবি এমন একটি সমঝোতার চেষ্টা করছে যেখানে বাংলাদেশকেও আলোচনার টেবিলে রাখা হবে। যদিও বাংলাদেশ ২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের মাটিতে খেলতে যাচ্ছে না। এর আগে, ২ ফেব্রুয়ারি, বিশ্বকাপ শুরুর এক সপ্তাহেরও কম সময় আগে, পাকিস্তান ঘোষণা করে যে তারা ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোয় ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে না। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়। এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল, যখন নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে ভারতে সফর করতে অস্বীকার করে বাংলাদেশ (ICC)।

    আইসিসির কাছে অনুরোধ

    বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার সমর্থিত অবস্থান থেকে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানানো হয়েছিল, যেন তাদের ম্যাচগুলি টুর্নামেন্টের সহ-আয়োজক দেশ শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করা হয়। আইসিসি সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে এবং বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এর ফলেই একের পর এক প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করে (T20 World Cup)। বাংলাদেশ স্পষ্ট করে জানায়, ভারতের বিরুদ্ধে অবস্থানে তারা পাকিস্তানের সঙ্গে একমত। বাংলাদেশের ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল প্রকাশ্যে ইসলামাবাদকে ধন্যবাদ জানান। ফেসবুকে আসিফ নজরুল লেখেন, “ধন্যবাদ, পাকিস্তান। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেছেন, বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার দেশ (ICC)।” আসিফ নজরুল বর্তমানে মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অনির্বাচিত অন্তর্বর্তী সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা। ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্টের গণআন্দোলনের ফলে শেখ হাসিনার সরকার উৎখাত হওয়ার পর এই সরকার গঠিত হয়। কার্যত তিনি বাংলাদেশের ক্রীড়ামন্ত্রীর ভূমিকা পালন করছেন।

    শাহবাজ শরিফের সরকারের নির্দেশ

    এদিকে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে শাহবাজ শরিফের সরকারের নির্দেশ, বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেওয়ার প্রেক্ষিতে ভারতের বিরুদ্ধে যেন ম্যাচে অংশ না নেওয়া হয়। ইসলামাবাদে এক সরকারি বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, “টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ নিয়ে আমরা খুব পরিষ্কার অবস্থান নিয়েছি। আমরা ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলব না, কারণ খেলাধুলোর ময়দানে রাজনীতি হওয়া উচিত নয়।” সব পক্ষকে নিয়ে আইসিসি যখন এখন সংকটকালীন আলোচনায় বাধ্য হয়েছে, তখন লাহোরে আমিনুল ইসলাম বুলবুলের উপস্থিতি স্পষ্ট করে দিচ্ছে, এই ইস্যু আর শুধু ক্রিকেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। একই সঙ্গে, উত্তেজনাপূর্ণ এই পরিস্থিতিতে সামঞ্জস্য বজায় রেখে সিদ্ধান্ত (T20 World Cup) কার্যকর করা আইসিসির জন্য কতটা কঠিন হতে চলেছে, সেটাও পরিষ্কার হয়ে উঠছে (ICC)।

  • Pakistan: বালুচ লিবারেশন আর্মি ‘অপারেশন হেরোফ’ সমাপ্তি ঘোষণা করেছে, ঘরে-বাইরে চরম অস্বস্তিতে পাকিস্তান

    Pakistan: বালুচ লিবারেশন আর্মি ‘অপারেশন হেরোফ’ সমাপ্তি ঘোষণা করেছে, ঘরে-বাইরে চরম অস্বস্তিতে পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) বালুচ ‘স্বাধীনতা-পন্থী’ সংগঠন বালুচ লিবারেশন আর্মি (BLA) গত ৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) জানিয়েছে, তাদের ‘অপারেশন হেরোফ’ (Operation Herof)-এর দ্বিতীয় পর্যায় সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দ্য বালুচিস্তান পোস্ট (TBP)-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, জানা গিয়েছে, “বালুচিস্তানের বেশ কয়েকটি শহরে টানা ছয় দিন ধরে চলা সমন্বিত নগর যুদ্ধের পর এই ঘোষণা করা হয়েছে।”

    নির্ধারিত লক্ষ্য সফল ভাবে অর্জিত হয়েছে (Pakistan)

    বিএলএর মুখপাত্র (Pakistan) জীয়ান্দ বালুচ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, “এই অভিযান ৩১ জানুয়ারি ভোর ৫টায় শুরু হয়েছিল এবং ৬ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টায় শেষ হয়েছে।” তিনি আরও দাবি করেছেন, “আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যগুলি সফলভাবে অর্জিত হয়েছে।” বালুচদের উপর পাকসেনা বহুদিন ধরে অত্যাচার করে বলে বারবার অভিযোগ করেছে। আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে মানবাধিকার লুণ্ঠনেরও অভিযযোগে সোচ্চার হয়েছে বেলুচরা।

    অভিযানে বিরাট ধাক্কা

    জীয়ান্দ বালুচ জানান যে, এই অভিযান বালুচিস্তানের (Pakistan) ১৪টি শহরে বিস্তৃত ছিল এবং এটি ছিল সংগঠনের ইতিহাসের ‘বৃহত্তম এবং সবচেয়ে সংগঠিত সামরিক অভিযান’ (Operation Herof)। পাকসেনার কাছে বালুচদের এই অভিযান বিরাট ধাক্কা।

    শহরগুলোর নিয়ন্ত্রণ

    বিএলএ সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বেশ কিছু নিরাপত্তা চৌকি, সামরিক ঘাঁটি এবং শহরাঞ্চলের (Pakistan) কিছু অংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। কোনও কোনও শহরে তারা টানা ছয় দিন অবস্থান করে পাকিস্তানি সেনা বাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে।

    ক্ষয়ক্ষতি

    বিএলএ দাবি করেছে, এই অভিযানে পাকিস্তানের (Pakistan) সেনাবাহিনী, ফ্রন্টিয়ার কোর এবং পুলিশের ৩৬২ জনেরও বেশি সদস্য নিহত হয়েছে। অন্যদিকে, বিএলএর ৯৩ জন যোদ্ধা নিহত হয়েছে। এছাড়াও ১৭ জন নিরাপত্তা কর্মীকে আটক করা হয়েছিল, যাদের মধ্যে ১০ জন বালুচ (Operation Herof) হওয়ায় তাদের সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

    অস্ত্র ও স্থাপনা

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, অভিযানে ডজনখানেক সামরিক কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। পাকসেনার (Pakistan) পাল্টা অভিযানের আরও বড়সড় মোকাবিলা এবং প্রতিহত করতে সক্ষম।

    অভিযানের লক্ষ্য

    বিএলএ মুখপাত্র জীয়ান্দ বালুচ এই অভিযানের তিনটি প্রধান লক্ষ্যের কথা উল্লেখ করেছেন: ১. আমাদের প্রমাণ করা যে বালুচ যোদ্ধারা যে কোনও সময় এবং যে কোনও স্থানে পাকিস্তানি শহরগুলিতে আঘাত হানা ও নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ক্ষমতা রাখে।

    ২. সাধারণ বালুচ জনগণের মধ্যে আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে আনা।

    ৩. বালুচিস্তানে পাকিস্তানি (Pakistan) বাহিনীর একাধিপত্যকে চ্যালেঞ্জ জানানো।

    আন্তর্জাতিক সংস্থা যেন সাহায্য না করে

    বিএলএ মুখপাত্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলোকে বেলুচিস্তানে পাকিস্তানি বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আরও সতর্ক করেছেন যে, বিদেশি কোম্পানি বা বিনিয়োগকারীরা যেন পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে মিলে বালুচিস্তানের খনিজ সম্পদ উত্তোলনে লিপ্ত না হয়; অন্যথায় তাদের উপস্থিতিকে সামরিক কার্যকলাপ হিসেবে গণ্য করা হবে। বিবৃতিটি বালুচ জনগণকে সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করা হয় এবং বলা হয় যে এটি ‘কেবল শুরু’। আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফিরে আসার অঙ্গীকার করেছে বিএলএ।

  • Dhurandhar: খোদ পাকিস্তানেই সুপারহিট পাক-বিরোধী ভারতীয় ছবি ‘ধুরন্ধর’! কীভাবে সম্ভব হল?

    Dhurandhar: খোদ পাকিস্তানেই সুপারহিট পাক-বিরোধী ভারতীয় ছবি ‘ধুরন্ধর’! কীভাবে সম্ভব হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান-বিরোধী (Pakistan) বক্তব্যের জন্য সমালোচিত ভারতীয় বলিউড ছবি ‘ধুরন্ধর’ পাকিস্তানের নেটফ্লিক্স (Dhurandhar)চার্টে এক নম্বর স্থানে পৌঁছে গিয়েছে। আর এই খবর ফলাও করে প্রকাশ করেছে সেদেশেরই সংবাদমাধ্যম।  পাক সংবাদ মাধ্যম ‘পাকিস্তান টুডে’ প্রকাশিত খবরে আবারও মুখ পুড়ল পাকিস্তানের। এই ভারতীয় সিনেমা পাকিস্তানের জন্য রাজনৈতিক ভাবে অত্যন্ত অস্বস্তির। ভারতের বিরুদ্ধে হাজার ষড়যন্ত্র করেও ভারতীয় ছবিটি পাকিস্তানি দর্শকদের পছন্দের তালিকায় এক নম্বর স্থান দখল করে নিয়েছে।

    পাক বিরোধী অ্যাকশন-ভিত্তিক সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ (Dhurandhar)

    পাকিস্তান (Pakistan) টুডে নিজের একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ভারতীয় জাতীয়তাবাদী থিমকে কেন্দ্র করে নির্মিত অ্যাকশন-ভিত্তিক সিনেমা ‘ধুরন্ধর’ (Film Dhurandhar) বর্তমানে পাকিস্তানে নেটফ্লিক্সের সর্বাধিক দেখা সিনেমাগুলির শীর্ষে রয়েছে। ছবিটিতে পাকিস্তানকে একটি কেন্দ্রীয় প্রতিপক্ষ হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে, যেখানে আঞ্চলিক শত্রুতার পরিচিত রূপগুলি তুলে ধরা হয়েছে। যদিও দীর্ঘদিন ধরে মূলধারার ভারতীয় সিনেমার একটি অংশ পাকিস্তানের কার্যকলাপকে এই ভাবেই চিহ্নিত করা হয়। তবে পাকিস্তানে এই ছবির বিপুল জনপ্রিয় হওয়ার বিষয়টি অনেক সমালোচকদের রীতিমতো অবাক করেছে। কারণ এই ধরণের আখ্যান নতুন নয়, বরং ছবিটি কোথায় এবং কীভাবে কোন বিষয়কে তুলে ধরা হয়েছে সেটাও বিশেষ ভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। এমনটাই মনে করেছেন অনেক সিনেমা সমালোচকরা।

    এক অদ্ভুত বৈপরীত্য

    যখন পাকিস্তান ও ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্ক চরম  উত্তেজনাপূর্ণ  অবস্থায় রয়েছে, ঠিক সেই সময় পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বৈরী দৃষ্টিভঙ্গিতে নির্মিত একটি ভারতীয় ছবির পাকিস্তানেরই স্ট্রিমিং চার্টে সাফল্য ডিজিটাল যুগের এক অদ্ভুত বৈপরীত্যকে তুলে ধরছে। জাতীয় শত্রুতার আবহে নির্মিত একটি ছবিই এখন সবচেয়ে বেশি দেখা হচ্ছে সেই দেশের দর্শকদের মধ্যেই, যাদের লক্ষ্য করেই ছবিটি তৈরি করা হয়েছে, তা বিস্ময়ের বৈকি! পাকিস্তান বিরোধিতার উপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি ভারতীয় ছবি পাক দর্শকদের সবচেয়ে বেশি আকর্ষিত করেছে— এই ট্রেন্ড নির্ঘাত পাক প্রশাসনের রাতের ঘুম উড়িয়ে নিয়েছে।

    নেটফ্লিক্সে পাক নাগরিকদের ব্যাপক ভিড়

    শিল্প বিশ্লেষকরা উল্লেখ করেছেন, নেটফ্লিক্সের র‍্যাঙ্কিং অনুমোদন মোট দর্শক সংখ্যার উপর নির্ভর করে। কৌতূহল, বিতর্ক এবং সোশ্যাল মিডিয়া আলোচনার ফলে প্রায়শই দর্শকদের দেখার আকর্ষণ বাড়িয়ে তোলে। তবে ছবির বার্তার সঙ্গে সকলে একমত হবেন এমনটা নাও হতে পারে। ‘ধুরন্ধর’ (Film Dhurandhar) সিনামা যখন প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল সেই সময় পাক সরকার সিনেমার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল। কিন্তু পরে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেলে পাকিস্তানে (Pakistan) ঐতিহাসিকভাবে আগ্রহ দেখা যায়। সমস্ত নিষেধাজ্ঞা বা বিধিনিষেধকে উপেক্ষা করে নেটফ্লিক্সের মতো প্ল্যাটফর্মগুলিতে পাক দর্শকরা ভিড় জমান। কৌশলগত ভাবে এটাও ঠিক।

    বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হচ্ছে

    এই সিনেমা সমসাময়িক মিডিয়াকে ব্যবহারের মধ্যে একটি বৃহত্তর দ্বন্দ্বকে তুলে ধরেছে। আধিপত্য বা শত্রুতাকে জাহির করার জন্য তৈরি জাতীয় আখ্যানগুলি আর সীমানার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হচ্ছে। পাকিস্তানে (Pakistan) ‘ধুরন্ধর’ (Film Dhurandhar)  যখন ট্রেন্ডিং করে চলেছে, তখন এর সাফল্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়, স্ট্রিমিং যুগে সাংস্কৃতিক প্রভাব আর কেবল উদ্দেশ্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না। চলচ্চিত্র শক্তি প্রদর্শনের জন্য তৈরি করা যেতে পারে। সীমান্তের ওপারে ওপারের দর্শকের সংখ্যাটাও তুলনামূলক কম নয়। ভাবনাকে প্রভাবিত করতে সিনেমার ভাষা কতটা শক্তিশালী তা আরও একবার প্রমাণিত হয়।

    বিশদে জানতে পড়ুন…

    Anti-Pakistan film Dhurandhar tops Netflix chart in Pakistan, highlighting a streaming-era irony

LinkedIn
Share