Tag: pti

pti

  • POJK Polls: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ইমরানের দলের, কারচুপির অভিযোগে সরব বিলাওয়াল

    POJK Polls: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ইমরানের দলের, কারচুপির অভিযোগে সরব বিলাওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে সাম্প্রতিক নির্বাচনকে প্রত্যাখ্যান করেছে জেলবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। ২৯ জুলাই দলটি পুরো নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে “প্রহসন” বলে অভিহিত করেছে। একই সঙ্গে ওই অঞ্চলে সাম্প্রতিক হিংসার নিন্দা করে পিটিআই বলেছে, গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের কারণে আন্তর্জাতিক মহলে পাকিস্তান সম্পর্কে ভুল বার্তা যাচ্ছে। পিটিআই চেয়ারম্যান গওহর আলি খানের সঙ্গে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী সর্দার কাইয়ুম নিয়াজি বলেন, কাশ্মীরিদের নজিরবিহীন নিপীড়ন ও বর্বরতার মুখে পড়তে হচ্ছে। সংবাদমাধ্যম দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে তিনি বলেন, “কাশ্মীরিদের এমনভাবে পিষে ফেলা হচ্ছে, যার কোনও নজির নেই।” তিনি বলেন, জম্মু ও কাশ্মীর যৌথ আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির বিক্ষোভকারীরা সমঝোতায় পৌঁছানোর জন্য সব ধরনের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু নিজেদের দাবিদাওয়া আর শোনা হচ্ছে না বুঝতে পেরে তাঁরা ৯ জুন বিক্ষোভের কথা ঘোষণা করেন। নিয়াজির কথায়, “তাঁরা শান্তিপ্রিয় মানুষ এবং আজও শান্তিপূর্ণ রয়েছেন। বলুন তো, সেখানে আমাদের বাহিনীর কোনও সদস্য গুলিতে নিহত হয়েছেন, কিংবা লাঠির ঘায়ে আহত হয়েছেন? এই মানুষগুলি গুলি খাচ্ছেন, তবুও শান্তিপূর্ণভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছেন।”

    তিন দফায় নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন (POJK Polls)

    পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরে তিন দফায় নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলেন নিয়াজি। তাঁর দাবি, ওই অঞ্চলের জনসংখ্যা মেরেকেটে ৩৫ থেকে ৪০ লাখ। অথচ ২৫ কোটি মানুষের পাকিস্তানে এক দফায়ই নির্বাচন হয়। তিনি প্রশ্ন করেন, “পাকিস্তানের জনসংখ্যা ২৫ কোটি এবং সেখানে এক দফায় নির্বাচন হয়। এখানে তিন দফার কী প্রয়োজন? কাশ্মীরে কী ধরনের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে?” তিনি ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গও তোলেন। ওই নির্বাচনে একই সঙ্গে প্রাদেশিক পরিষদ ও জাতীয় পরিষদের ভোট হয়েছিল। নিয়াজির অভিযোগ, সেই নির্বাচনে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের পক্ষে ব্যাপক কারচুপি করা হয়েছিল। দলটির প্রধান নওয়াজ শরিফকে লন্ডন থেকে পাকিস্তানে ফিরে এসে নির্বাচনী প্রচারে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।

    গওহরের বক্তব্য

    গওহরও সাম্প্রতিক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার তীব্র সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, ২৭ জুলাইয়ের নির্বাচন ওই অঞ্চলের মানুষের সঙ্গে “প্রহসন” করা হয়েছে। তিনি বলেন, “২৭ তারিখে যে নির্বাচন হয়েছে, তা আপনারা সবাই দেখেছেন। নির্বাচনের নামে এটি ছিল একটি প্রহসন। এখন সবাইকে মেনে নিতে হবে যে গুলি ও লাঠি ব্যবহার করে, মানুষকে দমন করে, তাদের কণ্ঠরোধ করে এবং প্রতিবাদ করতে বাধা দিয়ে সমস্যার সমাধান করা যায় না। মানুষের কথা শোনাই গণতন্ত্র।” পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের পরিস্থিতির নিন্দা করে গওহর পাকিস্তান পিপলস পার্টি এবং পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের বিরুদ্ধেও রাজনৈতিক স্বার্থে পরিস্থিতিকে ব্যবহার করার অভিযোগ তোলেন। তিনি বলেন, “আমরা প্রকাশ্যেই বলছি, সেখানে মৃতদেহ পড়ে ছিল, মানুষ রক্তে ভেসে যাচ্ছিল, আর রাজনৈতিক দলগুলি তা নিয়ে রাজনীতি করেছে। একজন আর একজনকে অভিনন্দন জানিয়েছে, অন্যজন অভিযোগ করেছে যে তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কারচুপি করা হয়েছে।” গওহরের দাবি, এই দুই দলই গত ৪০ বছর ধরে চলা রাজনৈতিক ব্যবস্থার অধীনে ক্ষমতায় থেকেছে এবং নিজেদের প্রদেশগুলিতে পরাজিত হয়েছে। তাঁর মতে, নির্বাচনে কম ভোটার উপস্থিতিই এই দুই দলের প্রতি মানুষের প্রত্যাখ্যানের প্রতিফলন। তিনি বলেন, “এত কম ভোটার উপস্থিতি পুরো ব্যবস্থা এবং এই দুই দলের ওপর অনাস্থার প্রতিফলন। এটি তাদের বিরুদ্ধে গণভোটের সমান।” গওহর আরও বলেন, বর্তমান রাজনীতি মূলত ব্যক্তিগত স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

    পিপিপি ও পিএমএল-এনের সংঘাত

    এদিকে মিরপুর বিভাগের নির্বাচনী ফল নিয়ে পাকিস্তান পিপলস পার্টি এবং পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজের মধ্যে অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ শুরু হয়েছে। পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির অভিযোগ, সর্বত্র কারচুপি করে, ভয় দেখানো এবং রাজনৈতিক ঘুষকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে পিএমএল-এন জনগণের রায় চুরি করেছে। পিএমএল-এনের নির্বাচনী বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিলাওয়াল। পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের প্রথম দফার ভোটে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানান তিনি। ২৯ জুলাই মুজাফফরাবাদে পিপিপির এক কর্মী সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিলাওয়াল নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশে বলেছিলেন, “আপনারা যদি এই কারচুপির সঙ্গে জড়িত না থাকেন, তাহলে মিরপুরে পুনর্নির্বাচনের আয়োজন করুন।” নির্বাচন কমিশনের কথিত নিরপেক্ষতার বিরুদ্ধে এটিই এখন পর্যন্ত তাঁর সবচেয়ে সরাসরি ও কঠোর চ্যালেঞ্জ বলে মনে করা হচ্ছে।

    শাহবাজ-মরিয়ম জনগণের ভোটে ক্ষমতায় আসেননি’

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী মরিয়ম নওয়াজ শরিফকে সরাসরি কটাক্ষ করেন বিলাওয়াল। তিনি বলেন, “আজ কেউ যদি প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসে থাকেন, কিংবা কেউ মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসে থাকেন, তা জনগণের ভোটে বা আপনাদের কর্মদক্ষতার কারণে নয়—এটি একটি ফর্ম-৪৭-এর ফল, এটা একটি শিশুও জানে।” ফর্ম-৪৭ হল কোনও নির্বাচনী এলাকার সব ভোটকেন্দ্রে গণনা করা ভোটের ফলের প্রাথমিক সমন্বিত বিবরণী, যা সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং আধিকারিক প্রস্তুত করেন। ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনের পর থেকে পিটিআই-সহ বিরোধীরা এই শব্দটি ব্যবহার করে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ তুলে আসছে। বিলাওয়ালের অভিযোগ, পাঞ্জাব ও জাতীয় পরিষদের একাধিক আসনে পিএমএল-এন পরাজিত হলেও, রিটার্নিং আধিকারিকরা মিথ্যাভাবে দলটিকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। তাঁর দাবি, নিরাপত্তা বাহিনীর সহায়তায় এই কারচুপির ফলেই শাহবাজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী এবং মরিয়ম নওয়াজ পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের আগে বিলাওয়াল দাবি করেছিলেন, দেশজুড়ে ব্যাপক জনসমর্থনের কারণে তাঁর দল কেন্দ্রীয় সরকার গঠন করবে। তবে পরে ইমরানের পিটিআইও অভিযোগ করে, তাদের নির্বাচনী প্রতীক ক্রিকেট ব্যাটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে না দেওয়া-সহ বিভিন্ন উপায়ে প্রাদেশিক পরিষদ ও জাতীয় পরিষদে তাদের জনগণের রায় থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে।

    এটা আপনার কথা নয়, ফর্ম-৪৭ কথা বলছে’

    বিলাওয়ালের বক্তব্যের আগেই মরিয়ম নওয়াজ সোশ্যাল মিডিয়ায় পিপিপিকে কটাক্ষ করে বলেন, “কারচুপির সূক্ষ্ম শিল্পে ওস্তাদ পিপিপি এখন অন্যায় হয়েছে বলে কান্নাকাটি করছে। প্রলয় কবে আসবে?” এর জবাবে পিপিপির শরজিল মেমন বলেন, “এটা আপনি বলছেন না, ফর্ম-৪৭ কথা বলছে। প্রলয় এসেছিল ২০২৪ সালে, যখন জনগণের রায় দান হিসেবে বিলিয়ে দেওয়া হচ্ছিল।” বিলাওয়ালও পিএমএল-এনকে “কারচুপির ফসল” বলে আখ্যা দেন। নিজের দলের সঙ্গে পিএমএল-এনের তুলনা করে তিনি বলেন, পিপিপির রাজনৈতিক ইতিহাস তিন প্রজন্মের। তাঁর দাবি, “এমন একটি নির্বাচনও নেই, যেখানে পিএমএল-এন জনগণের ভোটে জিতেছে—সবসময় কারচুপির মাধ্যমে জিতেছে।”

    কাশ্মীরের মানুষের রায় চুরি করতে দেওয়া হবে না’

    বিলাওয়াল প্রশ্ন করেন, “তারা কি মনে করে, কাশ্মীরে আমরা তাদের নির্বাচন কারচুপি করতে দেব?” তিনি আরও বলেন, “কাশ্মীরের মানুষ মাথা নত করবে না এবং কাউকে তাদের রায় চুরি করতে দেবে না।” মুজাফফরাবাদের উদ্দেশে ইঙ্গিত করে বিলাওয়াল বলেন, “এটি মুজাফফরাবাদ, শ্রীনগর নয়।” তাঁর দাবি, বিরোধী পক্ষের কারচুপির চেষ্টা ব্যর্থ করতে তাঁর দল সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। তিনি আরও দাবি করেন, ৩০টি ভোটকেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৯০ শতাংশ, অথচ অধিকাংশ নির্বাচনী এলাকায় ভোটার উপস্থিতি ছিল ৪০ থেকে ৫০ শতাংশের মধ্যে। পিপিপি কর্মীদের উদ্দেশে বিলাওয়ালের প্রতিশ্রুতি, “আমি চুরি যাওয়া প্রতিটি ভোট ফিরিয়ে আনব”। তিনি বলেন, “আমি পরাজয় মেনে নিতে প্রস্তুত। কিন্তু আপনারা যদি নির্বাচন কারচুপি করে আমাদের রায় চুরি করতে চান, তাহলে আমি এই ফল মেনে নিতে পারি না।”

    সত্য ও পুনর্মিলন কমিশনের প্রস্তাব

    পাক-অধিকৃত জম্মু ও কাশ্মীরের চলমান অস্থিরতা মোকাবিলায় সত্য ও পুনর্মিলন কমিশন গঠনের প্রস্তাবও পুনর্ব্যক্ত করেন বিলাওয়াল। তিনি বলেন, “আমি এই প্রস্তাব রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বা বিক্ষোভকারীদের পক্ষ থেকে দিচ্ছি না। আমি এটি দিচ্ছি সেই প্রতিটি কাশ্মীরির পক্ষ থেকে, যারা এই দু’পক্ষের কোনওটির সঙ্গে যুক্ত নন।” সরকার এবং বর্তমানে নিষিদ্ধ ঘোষিত যৌথ আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি—উভয় পক্ষকেই এই দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। বিলাওয়ালের প্রশ্ন, “আপনারা যদি সঠিক পথে থাকেন এবং সত্যের পক্ষে থাকেন, তাহলে কমিশন গঠন করছেন না কেন?”

    কাশ্মীরের অর্থনৈতিক সঙ্কট নিয়েও সরব বিলাওয়াল

    কাশ্মীরে কর্মসংস্থানের কথা পিপিপি কেন বলছে, তার ব্যাখ্যায় বিলাওয়াল বলেন, তাঁর দল এই অঞ্চলের “অর্থনৈতিক সঙ্কট” সম্পর্কে সচেতন। এরপরেও পিএমএল-এনকে আক্রমণ করে তিনি দাবি করেন, দলটির অর্থনৈতিক দর্শন মূলত “ধনীদের আরও ধনী করা” নীতির ওপর নির্ভরশীল। বিলাওয়াল বলেন, “তারা আমাদের কটাক্ষ করে বলে, আমরা নাকি কাশ্মীরকে সিন্ধে পরিণত করতে চাই। না, আমি চাই কাশ্মীর কাশ্মীরই থাকুক এবং মানুষই তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুক।” তিনি আরও বলেন, “পাঞ্জাব, ইসলামাবাদ, খাইবার পাখতুনখোয়া, সিন্ধ বা বালুচিস্তান কাশ্মীরের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে না।” নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন পিপিপি নেতা। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকার সঙ্গে পাঞ্জাবের অপরাধ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের ভূমিকার তুলনাও করেন তিনি।

     

  • BJP: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রথম দিনই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের

    BJP: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে প্রথম দিনই ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান, দাবি কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে বিক্ষোভ (Student Protest) শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদে ইস্তফা দিতে চেয়েছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। অন্তত এমনই দাবি করলেন মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রী কৈলাস বিজয়বর্গীয় (BJP)। তাঁর বক্তব্য, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের নির্দেশেই তখন ইস্তফা দেননি প্রধান। পরে দল সিদ্ধান্ত নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তিনি পদত্যাগ করেন।

    কৈলাস বিজয়বর্গীয়ের দাবি (BJP)

    শনিবার ইন্দোরে সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিজয়বর্গীয় বলেন, “ছাত্র আন্দোলন শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই ধর্মেন্দ্র প্রধান বিজেপি সভাপতিকে জানিয়েছিলেন, যদি দলের মনে হয় তাঁর ইস্তফা দেওয়া প্রয়োজন, তাহলে তিনি শিক্ষামন্ত্রীর পদ ছাড়তে প্রস্তুত।” বিজয়বর্গীয়র দাবি, সেই সময় বিজেপি সভাপতি প্রধানকে ইস্তফা দিতে বারণ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, এ বিষয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি এবং বিষয়টি নিয়ে আর আলোচনা না করাই ভালো। মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রীর দাবি, পরে যখন দল সিদ্ধান্ত নেয় যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দেওয়া উচিত, তখন তিনি এক মুহূর্ত দেরি না করে পদত্যাগ করেন। ধর্মেন্দ্র প্রধানের প্রশংসা করে বিজয়বর্গীয় বলেন, তাঁর ওপর অর্পিত প্রতিটি দায়িত্ব তিনি সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন।

    “বিদেশি শক্তির” পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে

    একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ফলে সেই সব “বিদেশি শক্তির” পরিকল্পনা ভেস্তে গিয়েছে, যারা বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার মতো পরিস্থিতি তৈরি করে ভারতে অস্থিরতা ছড়াতে চেয়েছিল। তাঁর কথায়, “ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা সেই বিদেশি শক্তির ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে, যারা হিংসা ছড়িয়ে ভারতকে অস্থিতিশীল করতে চেয়েছিল। তিনি যা করেছেন, তার জন্য আমি তাঁকে অভিনন্দন জানাই।” শনিবার নিট-ইউজি ২০২৬ প্রশ্নপত্র ফাঁস বিতর্কে নৈতিক দায় স্বীকার করে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। এরপরই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম এবং (BJP) নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে টানা ৩৬ দিন ধরে চলা আন্দোলন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করে ককরোচ জনতা পার্টি। এই আন্দোলনে লক্ষাধিক মানুষ অংশ নিয়েছিল বলে দাবি উদ্যোক্তাদের।

    দায়িত্বে প্রহ্লাদ জোশী

    ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রকের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রবীণ বিজেপি নেতা প্রহ্লাদ জোশীকে। বর্তমানে তিনি ভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও গণবণ্টন এবং নব ও পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। শিক্ষামন্ত্রকের দায়িত্বের পাশাপাশি ওই মন্ত্রকগুলির দায়িত্বও তাঁর কাছেই থাকবে। নিট বিতর্কের পর পরীক্ষা ব্যবস্থায় একাধিক সংস্কার কার্যকর করার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে এই দায়িত্ব পেলেন জোশী। দায়িত্ব নিয়ে জোশী বলেন, “আমি কর্তব্যবোধ এবং বিনয়ের সঙ্গে এই দায়িত্ব নিচ্ছি। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। গত চার থেকে (Student Protest) পাঁচ বছরে ধর্মেন্দ্র প্রধান জাতীয় শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমি আমার সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে নিষ্ঠার সঙ্গে এই দায়িত্ব পালন করব (BJP)।”

     

  • Pakistan: পাকিস্তানে জঙ্গি হামলায় হত ১৫ নিরাপত্তাকর্মী, পাল্টা অভিযানে খতম ১৫ জঙ্গি

    Pakistan: পাকিস্তানে জঙ্গি হামলায় হত ১৫ নিরাপত্তাকর্মী, পাল্টা অভিযানে খতম ১৫ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ট্যাঙ্ক জেলায় যৌথ নিরাপত্তা চেকপোস্টে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় (TTP Attack) অন্তত ১৫ জন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ১২ জন সেনাকর্মী, দু’জন পুলিশ সদস্য এবং বন দফতরের এক সরকারি আধিকারিক। পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান এই হামলা চালিয়েছে। হামলার এই ঘটনা ঘটে শুক্রবার ভোরে।

    “ফিতনা-আল-খাওয়ারিজ” (Pakistan)

    সেনাবাহিনীর তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলাটি চালিয়েছে “ফিতনা-আল-খাওয়ারিজ” নামে চিহ্নিত জঙ্গিরা। পাকিস্তান সরকার বর্তমানে নিষিদ্ধ তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের সদস্যদের বোঝাতে এই পরিভাষা ব্যবহার করে। এক সময় এই সংগঠনের প্রতি পাকিস্তান সরকারের নরম মনোভাব ছিল বলে দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ উঠেছে। কারণ, সংগঠনটির বহু সদস্য আফগানিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ পশ্চিমী দেশগুলির সেনাদের বিরুদ্ধে হামলায় জড়িত ছিল। সেই সময় পাক প্রশাসন তাদের কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে অনীহা দেখিয়েছিল বলে বিভিন্ন মহলে সমালোচনাও হয়েছিল। ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, জঙ্গিরা প্রথমে যৌথ চেকপোস্টের নিরাপত্তা বলয় ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। কিন্তু সেখানে মোতায়েন নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত এবং দৃঢ় প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। তাঁদের সতর্কতা, সাহসিকতা ও পেশাদারিত্বের কারণে জঙ্গিদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরপর পাল্টা অভিযানে নিরাপত্তাবাহিনী ১৫ জন জঙ্গিকে হত্যা করে।

    ভয়াবহ বিস্ফোরণ

    তবে প্রথম আক্রমণে ব্যর্থ হওয়ার পর জঙ্গিরা কৌশল পাল্টায়। বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি নিয়ে তারা চেকপোস্টের সীমানা প্রাচীরে গিয়ে সজোরে ধাক্কা মারে। সঙ্গে সঙ্গে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে চেকপোস্টের পরিকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই বিস্ফোরণেই ১২ জন সেনাসদস্য, দু’জন পুলিশ সদস্য এবং বন দফতরের এক সরকারি আধিকারিক নিহত হন। পাক সেনাবাহিনী নিহতদের “শহিদ” আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, তাঁরা দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় সর্বোচ্চ আত্মত্যাগ করেছেন। সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, হামলার পর গোটা এলাকায় তল্লাশি ও সাঁড়াশি অভিযান শুরু হয়েছে। হামলায় জড়িত অন্য কোনও জঙ্গি আশপাশে লুকিয়ে রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাকিস্তানের নিরাপত্তাবাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলি “আজম-ই-ইস্তেহকাম” কর্মসূচির আওতায় সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান আরও জোরদার করবে বলেও জানানো হয়েছে। জাতীয় কর্মপরিকল্পনা সংক্রান্ত ফেডারেল শীর্ষ কমিটির অনুমোদিত এই কর্মসূচির লক্ষ্য, বিদেশি মদতপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ সম্পূর্ণ নির্মূল করা (Pakistan)। সেনাবাহিনীর জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “আমাদের সাহসী সেনাদের এই আত্মত্যাগ দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় আমাদের অটল অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করেছে। যে কোনও মূল্যে দেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ (TTP Attack)।”

    আত্মঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনা বেড়েছে

    এদিকে, গত সপ্তাহেও খাইবার পাখতুনখোয়ার বান্নু জেলা এবং সংলগ্ন এলাকায় নিরাপত্তাবাহিনী বড়সড় অভিযান চালায়। সেনাবাহিনীর দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে সংঘর্ষে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের ২৪ জন জঙ্গি নিহত হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বান্নু জেলায় পুলিশকে লক্ষ্য করে হামলা এবং আত্মঘাতী বিস্ফোরণের ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই ধরনের হামলার নেপথ্যে থাকা জঙ্গি এবং তাদের সহায়ক নেটওয়ার্ককে চিহ্নিত করতে যৌথ গোয়েন্দা-তথ্যভিত্তিক ব্যাপক অভিযান শুরু হয়েছে। বান্নু জেলা এবং সংলগ্ন এলাকায় তীব্র গোলাগুলির পর ২৪ জন জঙ্গিকে হত্যা করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে সেনাবাহিনী (Pakistan)। চলতি বছরের মে মাসেও বান্নু জেলার ফতেহ খেল পুলিশ পোস্টে আত্মঘাতী হামলায় অন্তত ১৫ জন পুলিশকর্মী নিহত হয়েছিলেন। সেই হামলায়ও বিস্ফোরক বোঝাই একটি গাড়ি গিয়ে পুলিশ পোস্টে ধাক্কা মেরে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল। বর্তমান হামলার কৌশলের সঙ্গে সেই ঘটনার মিল রয়েছে বলে নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের একাংশের অভিমত।

    একের পর এক জঙ্গি হামলা 

    গত এক বছরে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে জঙ্গি হামলার ঘটনা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছে। বর্তমানে প্রদেশটি পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তানের বিরুদ্ধে কী ধরনের কৌশল নেওয়া উচিত, তা নিয়ে কেন্দ্রের সরকার এবং প্রাদেশিক সরকারের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই মতপার্থক্য রয়েছে। এই রাজনৈতিক বিভাজনও সন্ত্রাস দমনের কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা (TTP Attack)। গবেষণা ও নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের ২০২৫ সালের বার্ষিক নিরাপত্তা প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক ছবি উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খাইবার পাখতুনখোয়ায় হিংসার মাত্রা গত বছর থেকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গিয়েছে। ২০২৪ সালে যেখানে হিংসায় মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৬২০, ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৩৩১-এ। বিশেষজ্ঞদের মতে, খাইবার পাখতুনখোয়া এবং বালুচিস্তানে জঙ্গি কার্যকলাপ নতুন করে মাথাচাড়া দেওয়ায় পাকিস্তানের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এসব এলাকায় হামলার প্রধান লক্ষ্য থাকে সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং অন্যান্য সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা। ফলে জঙ্গি দমনে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী সাম্প্রতিক সময়ে অভিযান আরও জোরদার করেছে। তবে ধারাবাহিক হামলা প্রমাণ করছে, জঙ্গিগোষ্ঠীগুলি এখনও উল্লেখযোগ্য সংগঠনগত সক্ষমতা ধরে রেখেছে (TTP Attack) এবং নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে (Pakistan)।

     

  • Pakistan: ইসলামাবাদের রাজপথে লক্ষ লক্ষ ইমরান সমর্থক! সেনা-জনতা সংঘর্ষে নিহত ৬

    Pakistan: ইসলামাবাদের রাজপথে লক্ষ লক্ষ ইমরান সমর্থক! সেনা-জনতা সংঘর্ষে নিহত ৬

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিগর্ভ পাকিস্তান (Pakistan)। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan) মুক্তির দাবিতে উত্তাল ইসলামাবাদ। পথে নেমেছেন হাজার হাজার মানুষ। ইতিমধ্যে ইসলামাবাদমুখী বিক্ষোভ সহিংস আকার নিয়েছে। ইমরানের স্ত্রী বুশরা বিবির নেতৃত্বে আন্দোলনে সংঘর্ষে ৬ জন নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি শামাল দিতে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে প্রশাসন। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থলে দেখামাত্র গুলি চালানোরও নির্দেশ জারি করা হয়েছে বলে খবর।

    ইমরানকে ছাড়ানোর হুঙ্কার

    রবিবার ইমরানের (Imran Khan) স্ত্রী বুশরা বিবির নেতৃত্বে রাজধানীর উদ্দেশে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন পাকিস্তান (Pakistan) তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর কর্মী-সমর্থকরা। গোটা দেশ থেকে ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা দেন দলীয় সমর্থকরা। সোমবার সন্ধ্যায় মিছিল ইসলামাবাদে পৌঁছয়। বিক্ষোভকারীরা আরও এগোনোর সিদ্ধান্ত নিলে নামানো হয় সেনাবাহিনী। লক্ষ লক্ষ সমর্থক রাজধানী শহরে ঢোকার চেষ্টা করলে নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। তাতেই সেনা ও পুলিশকর্মীর মত্যু হয়েছে বলে খবর। এখনও পর্যন্ত আহত হয়েছেন ১১৯ জন। অভিযোগ, পুলিশের ২২টি গাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেন সমর্থকরা। ইতিমধ্যে তেহরিক-ই-পাকিস্তানের ৪ হাজার কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছোড়া হয়েছে কাঁদানে গ্যাস। এমনকী, ইমরানের সমর্থকদের দেখামাত্রই গুলি করার নির্দেশিকা জারি করেছে পাক-সেনা।

    খাইবার পাখতুনখোয়ার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ইমরান খান যতক্ষণ না মুক্তি পাচ্ছেন, ততক্ষণ আমরা পিছু হটব না। এগিয়েই যাব। সবাই প্রস্তুত হন। আমাদের আরও বাধা পেরোতে হবে।” প্রথম থেকেই বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ইমরানের স্ত্রী বুশরা বিবি। সোমবার তিনি বলেন, “খান সাহেবকে (ইমরান খান) ফিরিয়ে নিয়ে যেতে আমরা এখানে এসেছি। ইমরান খানকে নিয়েই ফিরব।” ইসলামাবাদের প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান উসমান আনোয়ার জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন পুলিশের এক কর্মকর্তা। আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আরও দুই পুলিশ কর্মী। সম্প্রতি কারাবন্দি অবস্থাতেই রাজধানী ইসলামাবাদ-সহ পাকিস্তানের (Pakistan) বড় শহরগুলি জুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছিলেন প্রাক্তন পাক-প্রধানমন্ত্রী তথা পিটিআই নেতা ইমরান (Imran Khan)। তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েই এবার ইসলামাবাদের রাজপথে অগনিত মানুষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PTI Banned In Pakistan: নিষিদ্ধ করা হবে ইমরানের দলকে, ঘোষণা পাক সরকারের, অথঃ কিম?

    PTI Banned In Pakistan: নিষিদ্ধ করা হবে ইমরানের দলকে, ঘোষণা পাক সরকারের, অথঃ কিম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের পার্টি পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে (PTI Banned In Pakistan)। যার জেরে আরও গাড্ডায় পড়বেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। বছর একাত্তরের ইমরান পিটিআই গঠন করেছিলেন ১৯৯৬ সালে। ২০১৮ সালে পাকিস্তানের (Shahbaz Government) মসনদে বসে পিটিআই সরকার, যার নেতৃত্ব দেন ক্রিকেটার-রাজনীতিক ইমরান স্বয়ং।

    ইমরানের দলের বিরুদ্ধে অভিযোগ (PTI Banned In Pakistan)

    ইমরানের সরকারের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাবে হারের জেরে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি খোয়াতে হয় ইমরানকে। ২০২২ সালের এপ্রিল মাসে পতন ঘটে ইমরান সরকারের। তার পরেই তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয় একাধিক মামলা। যার জেরে এখনও বন্দিদশা কাটাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে তিনি রয়েছেন রাওয়ালপিন্ডি কারাগারে। ইমরানের দলকে যে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে, তার আঁচ মিলেছিল গত বছরই, মে মাসে। সেই সময়ই পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আশিস জানিয়েছিলেন, পাক সরকার ইমরানের পার্টি তেহরিক-ই-ইনসাফকে নিষিদ্ধ করার কথা ভাবনাচিন্তা করছে। তিনি এ-ও বলেছিলেন, ৯ই মে (২০২৩) পিটিআই সমর্থকরা দেশে যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তারপর তাদের রাজনৈতিক দলের স্বীকৃতি থাকতে পারে না।

    কেন নিষিদ্ধ করা হবে পিটিআইকে?

    পিটিআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণার (PTI Banned In Pakistan) সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে পাকিস্তানের তথ্য বিষয়ক মন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানান, গত মে মাসের ওই ঘটনায়  প্রাক্তন ক্ষমতাসীন দলের জড়িত থাকার অভিযোগ এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সঙ্গে পাকিস্তানের চুক্তিতে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ানোয় পিটিআইয়ের প্রাক্তন বা বর্তমান নেতাদের প্রচেষ্টার প্রেক্ষিতে এই দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। পাকিস্তানের অর্থনীতির হাঁড়ির হাল। এহেন আবহে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাত পেতেছে শাহবাজ খানের সরকার। তারপরেও সাহায্য মেলেনি।

    আরও পড়ুন: বাড়িতে তৃণমূলের ঝান্ডা পুঁতে বিজেপি কর্মীদের সামাজিক বয়কটের ডাক! শোরগোল

    পরিস্থিতি সামাল দিতে ফের একবার আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের সঙ্গে চুক্তি করতে চলেছে পাকিস্তানের সরকার। সেই প্রক্রিয়ায় পিটিআই নেতারা বাগড়া দিচ্ছে বলে অভিযোগ। তার জেরেই ইমরানের দলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হতে পারে বলে ধারণা পাক রাজনৈতিক মহলের। তারার জানান, ফেডারেল গভর্নমেন্ট পিটিআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে জানাবে।প্রসঙ্গত, এই মুহূর্তে পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে সবচেয়ে বড় দল ইমরানের পার্টি তেহরিক-ই-ইনসাফই। পাক সুপ্রিম কোর্টেরও সাম্প্রতিক (Shahbaz Government) একাধিক নির্দেশ গিয়েছে পিটিআইয়ের (PTI Banned In Pakistan) ফেভারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

  • Imran Khan: তোষাখানা মামলায় স্বস্তি পেলেন সস্ত্রীক ইমরান খান, কেন জানেন?

    Imran Khan: তোষাখানা মামলায় স্বস্তি পেলেন সস্ত্রীক ইমরান খান, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তোষাখানা মামলায় (Toshakhana Case) স্বস্তি মিলল প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan)। তাঁর স্ত্রী বুসরা বিবিকেও স্বস্তি দিয়েছে ইসালামবাদ হাইকোর্ট। ৩১ জানুয়ারি পাকিস্তানের দুর্নীতি দমন পুনর্বিবেচনা সংক্রান্ত বিশেষ আদালত ইমরান ও তাঁর স্ত্রীকে ১৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। সোমবার বিশেষ আদালতের সেই রায়ে স্থগিতাদেশ দিয়েছে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট। স্বাভাবিকভাবেই স্বস্তি পেলেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ সুপ্রিমো ইমরান ও তাঁর স্ত্রী।

    ইমরানের সাজা (Imran Khan)

    কারাদণ্ডের পাশাপাশি পাকিস্তানের ওই বিশেষ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, ইমরান বা তাঁর স্ত্রী কেউই ১০ বছরের জন্য সরকারি কোনও পদে বসতে পারবেন না। পাকিস্তানি মুদ্রায় খান দম্পতির প্রায় ৭৯ কোটি টাকাও জরিমানা করা হয়। প্রসঙ্গত, দেশের প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় গোপন তথ্য পাচারের অভিযোগ ওঠে ইমরানের (Imran Khan) বিরুদ্ধে। তার জেরে পাকিস্তানের বিশেষ আদালত প্রাক্তন তারকা ক্রিকেটার তথা প্রধানমন্ত্রীকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেয়। পরের দিনই ফের তাঁকে ১৪ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

    তোষাখানা মামলা

    পাকিস্তানের আইন মোতাবেক, বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের কাছ থেকে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কোনও মন্ত্রী যদি উপহার পান, তা জমা করতে হবে সরকারি কোষাগারে। দশ হাজার টাকার কম মূল্যের উপহার হলে, প্রধানমন্ত্রী তা নিজের কাছে রাখতে পারেন। এর বেশি মূল্যের কোনও উপহার প্রধানমন্ত্রীর পছন্দ হলে বাজার মূল্যের সমপরিমাণ অর্থ তোষাখানায় জমা করে সেই উপহার নিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান সেই নিয়মের তোয়াক্কাই করেননি বলে অভিযোগ।

    আরও পড়ুুন: “মনে হল রামলালা আমায় বলছেন, দেশের স্বর্ণযুগ শুরু হয়েছে”, বললেন মোদি

    ইমরান গদিচ্যুত হওয়ার পরেই প্রকাশ্যে আসে তোষাখানা মামলা। দুবাইয়ের এক ব্যবসায়ীর দাবি, বিদেশ থেকে উপহার হিসেবে পাওয়া একটি মূল্যবান ঘড়ি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তাঁকে বিক্রি করেছেন ২০ লক্ষ ডলারে। ২০১৯ সালে সৌদি আরবের রাজা মহম্মদ বিন সলমন পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরানকে ওই ঘড়িটি উপহার দিয়েছিলেন। গত বছরের অগাস্ট মাসের পাঁচ তারিখে তোষাখানা মামলায় ইমরানকে দোষী সাব্যস্ত করে ইসলামাবাদের বিশেষ আদালত। তিন বছরের কারাদণ্ডও দেয়। এর পরেই গ্রেফতার হন পাকিস্তানের তারকা-রাজনীতিক। পাঠানো হয় গারদে। ইমরানের দলের দাবি, এই মামলার সঙ্গে বুসরা বিবির কোনও সম্পর্কই নেই (Imran Khan)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের WhatsappTelegramFacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistan General Polls: প্রতীক ফিরে পেল ইমরানের দল, ক্রিকেট ব্যাট চিহ্নেই লড়বে পিটিআই

    Pakistan General Polls: প্রতীক ফিরে পেল ইমরানের দল, ক্রিকেট ব্যাট চিহ্নেই লড়বে পিটিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একটি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মিলেছিল মুক্তি। এবার হাইকোর্টের নির্দেশে ‘ক্রিকেট ব্যাট’ প্রতীক ফিরে পেল পাকিস্তানের (Pakistan General Polls) প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল। জেলবন্দি হওয়ার পর পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছিল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টি ব্যাট প্রতীকে প্রার্থী দিতে পারবে না।

    কমিশনের সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক

    কমিশনের সেই সিদ্ধান্তকে বুধবার অসাংবিধানিক আখ্যা দিল পাকিস্তানের পেশোয়ার হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে জানিয়ে দিল, ক্রিকেট ব্যাট চিহ্নেই লড়তে পারবেন ইমরান খানের দলের প্রার্থীরা। প্রসঙ্গত, ক্রিকেট ব্যাট চিহ্নে নির্বাচনে লড়তে চেয়ে পাক সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল ইমরানের দল। এদিনই সেই মামলা প্রত্যাহারও করা হয়েছিল। তার পরে পরেই প্রতীক ফিরে পেল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টি।

    আদালতে পিটিআই

    তোষাখানা (Pakistan General Polls) মামলায় গ্রেফতার হন ইমরান। বন্দি হন জেলে। তারপর ২২ ডিসেম্বর পাক নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দেয়, ক্রিকেট ব্যাট প্রতীকে লড়তে পারবে না ইমরানের দল। পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা ৮ ফেব্রুয়ারি। এর পরেই আদালতের দ্বারস্থ হন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির ভোট ম্যানেজাররা। এদিন পেশোয়ার হাইকোর্টের বিচারপতি ইজাজ আনোয়ার ও বিচারপতি আরশাদ আলির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত ভুল। ক্রিকেট ব্যাট প্রতীকেই আসন্ন নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির প্রার্থীরা।

    আরও পড়ুুন: মলদ্বীপে বাড়তে পারে মৌলবাদ, জঙ্গি কার্যকলাপ, মাদক পাচার, বলছেন গোয়েন্দারা

    মঙ্গলবারই পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির তরফে আইনজীবী আলি জাফর আদালতে বলেছিলেন, “নির্বাচন কমিশন কেবল নির্বাচনে নজরদারি করতে পারে। কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতীক কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা তার নেই।” প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ পার্টির আইনজীবীর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের আইনজীবীর সওয়াল-যুদ্ধ চলে। দু’ পক্ষের সওয়াল জবাব শুনে আদালত জানিয়ে দেয়, ক্রিকেট ব্যাট প্রতীকেই লড়বে পিটিআই। আদালতের রায়ের পর পিটিআইয়ের মুখপাত্র জাফর বলেন, “এবার আর নির্বাচনে জয় থেকে পিটিআইকে কেউ আটকাতে পারবে না।” আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন পিটিআই সেনেটরও। তিনি বলেন, “আদালত পিটিআইকে ক্রিকেট ব্যাট প্রতীক ফিরিয়ে দিয়েছে। এতে আমরা খুশি (Pakistan General Polls)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Pakistan Election 2024: কাড়া হল প্রতীক! তাও জনমত সমীক্ষায় পাক জনতার পছন্দ ইমরানের দলই

    Pakistan Election 2024: কাড়া হল প্রতীক! তাও জনমত সমীক্ষায় পাক জনতার পছন্দ ইমরানের দলই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান নির্বাচন (Pakistan Election 2024) কমিশন মনোনয়ন বাতিল করায় পার্লামেন্টের আসন্ন নির্বাচনে লড়তে পারবেন না প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এমনকী পাকিস্তানের বিশ্বজয়ী ক্রিকেট অধিনায়কের দলের নির্বাচনী প্রতীক ‘ব্যাট’ও কেড়ে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু পাকিস্তানে ভোটের আগে জনমত সমীক্ষায় এখনও এগিয়ে রয়েছে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan) দল  পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। 

    পছন্দের দল পিটিআই

    কয়েক মাস আগে আমেরিকার একটি জনমত সমীক্ষা সংস্থা পাকিস্তানের (Pakistan Election 2024) বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং নেতাদের জনপ্রিয়তা নিয়ে একটি সমীক্ষা করেছিল। তার ফল বলছে, ৩৮ শতাংশ পাকিস্তানি ভোটদাতার পছন্দের দল পিটিআই। প্রাক্তন দুই প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ ও শাহবাজ শরিফের দল ‘পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ (পিএমএলএন)-এর প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন ১৮ শতাংশ পাক ভোটদাতা। এ ছাড়া নিহত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর দল ‘পাকিস্তান পিপলস পার্টি’ (পিপিপি) ১৫ শতাংশ, তেহরিক-ই-লব্বাইক পাকিস্তান (টিএলপি) ১০ শতাংশ, জামাতে ইসলামি (জেআই) ৯ শতাংশ এবং মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট-পাকিস্তান (এমকিউএম-পি)-র প্রতি ৬ শতাংশ ভোটারের সমর্থন রয়েছে বলে ওই জনমত সমীক্ষায় জানা গিয়েছে। ওই সমীক্ষায় ‘পছন্দের প্রধানমন্ত্রী’ হিসাবে ৬০ শতাংশ ভোটার ইমরানের (Imran Khan) নাম করেছিলেন। 

    আরও পড়ুন: ভোটে লড়তে পারবেন না ইমরান! প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়ন বাতিল কমিশনের

    পিটিআই-এর প্রতীক নিয়ে সমস্যা

    ওএসএ মামলার কারণে  ইমরান জেলে থাকলেও তাঁর দল পিটিআই ভোটে অংশ নেবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নভেম্বরে। কিন্তু  পিটিআইয়ের সাংগঠনিক বিধি মেনে ইমরানের উত্তরসূরি নির্বাচন হয়নি। এই যুক্তি দেখিয়ে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর নির্বাচনী প্রতীক ‘ব্যাট’ কেড়ে নেওয়ার বিষয়ে ‘ইলেকশন কমিশন অব পাকিস্তান’ (ইসিপি) যে পদক্ষেপ করেছিল, বুধবার পেশোয়ার হাইকোর্ট তা পুনর্বহাল করেছে। এর ফলে আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনের আগে বড় ধাক্কা খেল প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পিটিআই। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: ভোটে লড়তে পারবেন না ইমরান! প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়ন বাতিল কমিশনের

    Imran Khan: ভোটে লড়তে পারবেন না ইমরান! প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর মনোনয়ন বাতিল কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের (Imran Khan) দাখিল করা দু’টি মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিল নির্বাচন কমিশন। এর ফলে নির্বাচনে (Pakistan General Election 2024) ব্যাকফুটে চলে গেল  পাকিস্তান-তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) পার্টি। মরানের মনোনয়ন বাতিলকে ‘রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস’ বলেছে তাঁর দল পিটিআই। ইমরানের মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে দল নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হতে পারে বলে ইঙ্গিত।

    মনোনয়ন বাতিল

    পাক পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির আসন্ন নির্বাচনের (Pakistan General Election 2024) প্রার্থী হিসাবে ‘পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ’ (পিটিআই)-এর প্রতিষ্ঠাতা ইমরান লাহোরের এনএ–১২২ এবং মিয়াঁওয়ালির এনএ–৮৯ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন।শনিবার নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে সেই মনোনয়নপত্র অবৈধ বলে জানানো হয়েছে। পাক নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, যে দু’টি কেন্দ্র থেকে ইমরান খান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন, সেখানকার বৈধ ভোটার নন তিনি। এছাড়া, বর্তমানে দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। জেলবন্দি কেউ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অধিকার নেই। সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখার পর তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন। 

    আরও পড়ুন: ৬ মাস জেল! শ্রম আইনে দোষী সাব্যস্ত নোবেলজয়ী মহম্মদ ইউনুস

    পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত

    এ প্রসঙ্গে ইমরানের (Imran Khan) দল পিটিআই মহাসচিব ওমর আয়ুব খান বলেন, ‘‘সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনে পিটিআইয়ের মুখোমুখি হওয়ার সাহস না থাকায় এই ধরনের অসাধু পদ্ধতি অবলম্বন করছেন ক্ষমতাসীনেরা। নির্বাচন কমিশন পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে।’’ ঘটনার জেরে পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেছেন পিটিআই কর্মী-সমর্থকেরা। উল্লেখ্য, ৩০ ডিসেম্বর ছিল পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচন উপলক্ষ্যে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনির শেষ দিন। মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের বিরুদ্ধে আগামী ৩ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনে আপিল করা যাবে। আগামী ১০ জানুয়ারি ওই আপিলের বিষয়ে নেওয়া হবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে ১১ জানুয়ারি।  আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পাক পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ ‘ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি’ এবং প্রাদেশিক আইনসভাগুলির নির্বাচন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Imran Khan: ‘পাকিস্তানের অবস্থা হতে পারে পূর্ব পাকিস্তানের মতো’, বললেন ইমরান  

    Imran Khan: ‘পাকিস্তানের অবস্থা হতে পারে পূর্ব পাকিস্তানের মতো’, বললেন ইমরান  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পাকিস্তানের (Pakistan) সামনে বিপদের ঘণ্টি বাজছে। পূর্ব পাকিস্তানের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে এবারও।”কথাগুলি বললেন পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান (Imran Khan)। দুর্বৃত্তের সঙ্গে তুলনাও করলেন পাকিস্তানের বর্তমান শাসকদের। ট্যুইট-বার্তায় দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে আমজনতাকে প্রতিবাদে শামিল হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (PTI) পার্টি সুপ্রিমো। তিনি লিখেছেন, বর্তমানে দেশ গভীর আর্থিক সংকটের মুখে। জঙ্গি হানা থেকে শুরু করে নানা সমস্যায় জর্জরিত। কিন্তু এ নিয়ে বর্তমান শাসক দলের কোনও মাথাব্যথা নেই।

    ‘বড়লোক হওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে’, বললেন ইমরান (Imran Khan)

    প্রাক্তন পাক প্রেসিডেন্টের অভিযোগ, সরকারের মধ্যে বড়লোক হওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে। এই অবস্থা চললে আগামী দিনে দেশ আরও গভীর সমস্যার মুখোমুখি হবে। তাই, দেরি না করে এখনই সরকারের বিরুদ্ধে আমজনতাকে প্রতিবাদে শামিল হওয়ার আবেদন জানান ইমরান। পাকিস্তানের ক্ষমতায় রয়েছে শাহবাজ শরিফের সরকার। সেই সরকারের বিরুদ্ধে সেনাকে অপব্যবহারের অভিযোগ করেছেন প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী। তাঁর দলের বিরুদ্ধে সেনাকে লেলিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁর। ইমরানকে গ্রেফতার করার পরে বিক্ষোভ দেখান তাঁর দলের নেতা-কর্মী-সমর্থকরা। সেই সময় গুলি চালায় পাক সেনা। সেই ঘটনায়ও নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন পিটিআই সুপ্রিমো। পাক সেনার ওই গুলিতে ২৫ জন প্রতিবাদীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। জখম হয়েছেন শতাধিক।

    আরও পড়ুুন: সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা রাজ্যের! রামনবমীতে হিংসার ঘটনায় বহাল এনআইএ তদন্ত!

    ৯ মে জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিল ইমরানকে। এরই প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা পাকিস্তান। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখান ইমরানের অনুগামীরা। তাঁদের নিশানায় ছিল পাক সেনা দফতর। বহু জায়গায় হামলার পাশাপাশি অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। চলে লুঠপাটও। দেশের বিভিন্ন জায়গায় সেনার সঙ্গে সংঘর্ষও হয় বিক্ষোভকারীদের। যদিও দলীয় সমর্থকদের বিরুদ্ধে ওঠা হিংসার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইমরান। 

    ইমরানের বাড়ি ঘিরে রেখেছে সেনা

    এদিকে, বৃহস্পতিবার ভোর থেকেই লাহোরে ইমরানের জামান পার্কের বাড়ি ঘিরে ফেলেছে পাকিস্তান পুলিশ ও সেনা। তবে এখনও পর্যন্ত ইমরানের বাড়িতে ঢোকেনি তারা। পাক পুলিশ-প্রশাসনের দাবি, ইমরানের বাড়িতেই আশ্রয় নিয়েছেন ৯ মে-র বিক্ষোভকারীরা। এমন ৪০ জন জঙ্গিকে বাড়িতে আশ্রয় দিয়ে রাষ্ট্রদ্রোহিতার কাজ করেছেন ইমরান। এদিন ভিডিও বার্তায় ইমরান বলেন, আপনারা নিজের চোখে দেখে নিন, আমার বাড়িতে কেউ লুকিয়ে নেই। এদিকে, আল কাদির ট্রাস্ট মামলায় ইমরানের স্ত্রী বুশরাকে তলব করেছে ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিবিলিটি ব্যুরো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
LinkedIn
Share