Tag: Siliguri

Siliguri

  • Bhagavad Gita: শিলিগুড়িতে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের আসর যেন জনসমুদ্র! হিন্দুত্ববোধে জাগরিত বাংলা

    Bhagavad Gita: শিলিগুড়িতে লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠের আসর যেন জনসমুদ্র! হিন্দুত্ববোধে জাগরিত বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউনূস সরকারের আমলে অশান্ত বাংলাদেশ। দিনের পর দিন হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে। জোর করে হিন্দুদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করা চলছে। এই আবহের মাঝে রবিবার শিলিগুড়িতে বসল গীতা (Bhagavad Gita) পাঠের আসর। এক বছর আগে ব্রিগেডে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের পর কওয়াখালি ময়দানে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন করল সনাতন সংস্কৃতি সংসদ।

    কারা অংশ নিলেন গীতা পাঠে? (Bhagavad Gita)

    রবিবার বেলা বারোটায় কাওয়াখালির কুরুক্ষেত্র ময়দানে শুরু হয় লক্ষ কণ্ঠে গীতা পাঠ। সনাতনী সংস্কৃতি সংসদের আয়োজনে এই গীতা পাঠে (Bhagavad Gita) লক্ষ নয়, তারও বেশি কণ্ঠ সামিল হয়। কাওয়াখালির মাঠ থেকে এশিয়ান হাইওয়েতে মানুষের ঢল নামে সকাল থেকে। বেলা আড়াইটা পর্যন্ত চলে এই গীতা পাঠ। হাজির হয়ে গীতা পাঠ করেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত রায়, রাজু বিস্তা সহ একাধিক বিজেপি বিধায়ক। ছিলেন বহু সাধারণ ও অরাজনৈতিক মানুষ। এই জনসমুদ্রে আট থেকে আশি সব বয়সের মানুষ ছিলেন। উত্তরবঙ্গ বিজেপির গড়। সম্প্রতি সেখানে তৃণমূল দাগ কাটতে শুরু করলেও এখনও শক্তি বেশি বিজেপির। সেই কারণেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন শিলিগুড়িকে (Siliguri)  বেছে নেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুন: “বৈচিত্র্যের ভারতে বিভেদের বিষ ছড়াচ্ছে কেউ কেউ”, সংসদে তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    কী বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত মজুমদার এদিন বলেন, “গীতার বাণী (Bhagavad Gita) একমাত্র সারা পৃথিবীতে শান্তির বার্তা আনতে পারে। ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন, পথ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে, লক্ষ্য সবার এক। সেই লক্ষ্যে সবার চলা উচিত। বিশ্বে শান্তি আসা উচিত। এটা ভাবা উচিত নয়, আমরা এখন ৩৩ শতাংশ রয়েছি, ৬৩ শতাংশ করে সব দখল নেব। হিন্দুদের মন্দির পোড়াব। মূর্তি ভাঙব। এটা ঠিক নয়।” এরপর তিনি আরও বলেন, “একদিকে ফিরহাদ হাকিম হুংকার দিচ্ছেন, তারা ৩৩ শতাংশ হয়ে গিয়েছেন। এরপর সংখ্যাগুরু হবেন। আর মুখে বলেননি, যে তারপর তারা ছালে-চামড়া ছাড়াবেন। অন্যদিকে হুমায়ুন কবীর হুংকার দিচ্ছেন তিনি বাবরি মসজিদ তৈরি করবেন। ওই মুর্শিদাবাদে আমরা তার দ্বিগুণ আকৃতির রাম মন্দির তৈরি করব। হিন্দু সমাজকে গীতার বাণীকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে। ভয় ত্যাগ করে যুদ্ধ জয়ের জন্য লড়াই করতে হবে। কুরুক্ষেত্র যেভাবে পান্ডবরা লড়াই করেছিল, সেভাবে হিন্দুদের লড়াই করতে হবে। কেননা এই মুহূর্তে বাংলাদেশ তো বটেই বাংলারও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক।”

    সনাতনি ধর্মের আবহে উৎসবের আমেজ

    লক্ষাধিক কণ্ঠে  গীতা (Bhagavad Gita) শ্লোক, শঙ্খ ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে চারদিক। তৈরি হয় এক পবিত্র আবেগঘন সনাতনী হিন্দু সংস্কৃতির বাতাবরণ। এদিন সকাল থেকে পাহাড়-সমতল, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দলে দলে মানুষ ভিড় করেন এই কাওয়াখালির মাঠে। চড়া রোদকে উপেক্ষা করে মানুষের শৃঙ্খলাবদ্ধ উপস্থিতি হিন্দুত্ববোধে জাগরিত হয়। চারদিক উৎসবময় হয়ে ওঠে।

    শিলিগুড়িতে কেন এই গীতা পাঠ

    কাওয়াখালির ময়দান ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে। বাংলাদেশে হিন্দু ও হিন্দুত্বের ওপর আক্রমণ চলছে। কাওয়াখালি থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে ফুলবাড়ি-বাংলাবান্ধা সীমান্ত। এদিনের গীতা পাঠ (Bhagavad Gita) সীমান্ত পেরিয়ে ওপারেও ছড়িয়ে পড়ে। বাংলাদেশকে বার্তা দিতে ও ওপার বাংলার হিন্দুদের মনোবল বাড়াতে এই গীতা পাঠ। উদ্যোক্তাদের তরফে স্বামী নির্গুনানন্দ বলেন, “এদিন সীমান্তের কাছে লক্ষাধিক মানুষ হিন্দু ঐক্য ও শক্তির দৃষ্টান্ত রাখল। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাধুরা আজ জমায়েত হলেন। এরপরেও বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার বন্ধ না হলে কোটি কোটি সাধু সীমান্তে জমায়েত করব।”

    বনগাঁয় কেন গীতা পাঠ?

    শিলিগুড়ির পাশাপাশি বনগাঁয় গীতা পাঠের আয়োজন করা হয়। মূলত, বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অবগত সকলেই। সেখানকার সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর নির্বিচারে অত্যাচারের অভিযোগ প্রকাশ্যে আসছে। আর বনগাঁ হল বাংলাদেশের পার্শ্বস্ত একটি শহর। সেখানে এই গীতাপাঠ (Bhagavad Gita) ওপারের সংখ্যালঘু হিন্দুদের মনে যে মনোবল বাড়াবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Bengal Medical: ছিল ছেলে হল মেয়ে! সদ্যোজাত বদলের অভিযোগে তোলপাড় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল

    North Bengal Medical: ছিল ছেলে হল মেয়ে! সদ্যোজাত বদলের অভিযোগে তোলপাড় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিতর্কে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ (North Bengal Medical) হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগ। এবার শিশু (Newborn Babies) বদলের চেষ্টার অভিযোগ। জন্মের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সদ্যোজাতর লিঙ্গের পরিচয় বদলে দেওয়ার অভিযোগে শুক্রবার শোরগোল পড়ে যায়। হাসপাতালের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রসূতির বাড়ির লোকজন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (North Bengal Medical)

    বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ ফাঁসিদেওয়ার (North Bengal Medical) শৈলানি জ্যোতের বাসিন্দা বৃষ্টি বিশ্বাস নামে এক প্রসূতি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন।  তাঁর পরিবারের অভিযোগ, জন্মের পরপরই তাঁদের ডেকে পুত্র সন্তান দেখানো হয়েছে। শুক্রবার বলা হয়, কন্যা সন্তান হয়েছে। এখবর পেয়ে ওই প্রসূতির পরিবারের লোকজন উত্তরবঙ্গ মোডিক্যাল কলেজের প্রসূতি বিভাগে এসে জনে জনে জবাবদিহি করেন। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়। প্রসূতির এক আত্মীয়া ললিতা বিশ্বাস বলেন, ‘‘রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ আমাদের মেয়ে পুত্র সন্তানের জন্ম দেয়। সঙ্গে সঙ্গে লেবার রুমে আমাদের ডেকে দেখানো হয় ছেলে হয়েছে। সেই মতো একটি কাগজে ফর্ম ফিলআপ করে দিয়ে জরুরি বিভাগে জমা দিয়ে ভর্তির টিকিট আনতে বলা হয়। সব করে এদিন ভোরে বাড়ি ফিরে যাই। তার কিছুক্ষণ বাদে হাসপাতাল থেকে আমাদের খবর দেওয়া হয় বৃষ্টির ছেলে নয়, মেয়ে হয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ছুটে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতে প্রথমে খারাপ ব্যবহার করা হয়। পরে, চেপে ধরতেই প্রসূতি বিভাগের নার্স ও কর্মীরা ভুল স্বীকার করে জানান, পূত্র সন্তানই হয়েছে। লেখার ভুলে এই বিভ্রান্তি। সেই সদ্যোজাত এসএনসিইউতে রয়েছে। গিয়ে দেখে আসতে বলা হয়।  সেই মতো এসএনসিইউতি গিয়ে মেয়ের পূত্র সন্তান দেখে আমরা শান্ত হই।’’

    আরও পড়ুন: বিরাম নয় বারিধারায়! শনিবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস

    হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কী সাফাই দিল?

    এই ঘটনায় হাসপাতালের (North Bengal Medical) লেবার রুমে স্বাস্থ্য কর্মীদের শিশু বদল চক্রের সঙ্গে  যুক্ত থাকার অভিযোগ জোরালো হতে শুরু করেছে। কয়েক বছর আগে প্রসূতি বিভাগ থেকে এক সদ্যোজাতের চুরি যাওয়ার ঘটনায় রাজ্যজুড়ে তোলপাড় হয়েছিল। পরে পুলিশ উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়ার এক পরিবার থেকে সেই সদ্যোজাতকে উদ্ধার করলেও প্রসূতি বিভাগের চূড়ান্ত গাফিলতির দিকটি আড়াল করা যায়নি। এবার শিশু বদলের চেষ্টার অভিযোগে ফের গাফিলতির দিকটি প্রকাশ্যে আসায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নড়েচড়ে বসেছে। হাসপাতালের অ্যাডিশনাল সুপার নন্দন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘আমাদের হাসপাতালে প্রতিদিনই অনেক শিশুর জন্ম হচ্ছে। কিন্তু এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। তবে ফাঁসি দেওয়ার এক মহিলাকে প্রথমে পুত্র সন্তান দেখিয়ে পরে কন্যা সন্তান হওয়ার কথা বলার অভিযোগ আমরা পেয়েছি। কেন এমনটা হল, কোথাও গাফিলতি রয়েছে কিনা আমরা তা খতিয়ে দেখছি।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: রাস্তায় যুবতীকে চুম্বন ‘মদ্যপ’ মহিলা পুলিশকর্মীর! ভাইরাল ভিডিও, আক্রমণ বিজেপির

    Siliguri: রাস্তায় যুবতীকে চুম্বন ‘মদ্যপ’ মহিলা পুলিশকর্মীর! ভাইরাল ভিডিও, আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহিলাদের নিরাপত্তায় রাজ্যজুড়ে মহিলা পুলিশকর্মীদের নিয়ে পিঙ্ক মোবাইল ভ্যান চালুর উদ্যোগ নিয়েছিল রাজ্য সরকার। আর রাতে সেই পিঙ্ক মোবাইল ভ্যান নিয়ে টহলদারির সময় বিবাহিত যুবতীকে চুম্বন করার অভিযোগ উঠল মহিলা পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে! বুধবার রাতে চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরনিগমের ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডে। ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তীব্র শোরগোল পড়ে গিয়েছে শহরে। প্রশ্ন উঠছে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Siliguri)

     বুধবার রাত আটটা নাগাদ বিবাহিত এক যুবতী শ্রীগুরু বিদ্যামন্দিরের (Siliguri) মাঠে বসে একজনের সঙ্গে কথা বলছিলেন। সেই সময়েই পিঙ্ক ভ্যানে থাকা এক মহিলা পুলিশ (Police) আধিকারিক সেখানে হাজির হন। তিনি তাদের ‘এখানে কী করছিস’ জানতে চাওয়ার পরেই মারধর শুরু করেন বলে অভিযোগ। স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে ছুটে যান। তাঁরা পাল্টা প্রশ্ন করলে ওই পুলিশ আধিকারিক অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ শুরু করেন বলে অভিযোগ। স্থানীয়রা তখন মোবাইলে ভিডিও তুলতে শুরু করেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে (সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম), এক পুলিশ কর্মী গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। ওই যুবতী ছাড়াও আরও এক মহিলা পাশে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাঁরা কোনও কথা বলছিলেন। আচমকা যুবতীকে ওই মহিলা পুলিশকর্মী জড়িয়ে ধরে চুম্বন করেন। এর পরেই ওই আধিকারিক নিজের ভুল স্বীকার করে ভ্যানে ওঠার চেষ্টা করেন। ততক্ষণে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে এলাকার মহিলারা তাঁকে ঘেরাও করে হাত টেনে ধরে গাড়িতে উঠতে বাধা দেন। শেষ পর্যন্ত স্থানীয়দের চেষ্টায় আধিকারিক- সহ পিঙ্ক ভ্যানের পুলিশকর্মীরা এলাকা ছাড়তে সক্ষম হন। স্থানীয়দের দাবি ডিউটির সময় নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ছিলেন ওই মহিলা পুলিশকর্মী। ওই যুবতীর দাবি, ‘‘পড়াশোনা করছিলাম। ক্লান্ত লাগছিল বলে বাড়ির সামনের স্কুলের মাঠে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলাম। আমায় দেখে আমারই এক আত্মীয় সামনে এগিয়ে এসে কথা বলতে শুরু করে। এর মধ্যেই পুলিশ ভ্যানটি মাঠে ঢোকে। তারপরে আমাদের অশ্লীল গালিগালাজ করে এক মহিলা অফিসার মারধর শুরু করে দেয়। ’’ওই যুবতীর মা অভিযুক্ত পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: ‘দানা’র দাপটে উত্তাল দিঘা-মন্দারমণি, ভোর-রাত থেকেই নাগাড়ে বৃষ্টি কলকাতায়

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    এক অভিভাবক (Siliguri) বলেন, ‘‘চারদিকে মহিলাদের ওপরে কত অত্যাচারের কথা শুনতে পাই। সেগুলো থামাতে পারছে না পুলিশ। আর মহিলাদের ধরে মারধর করবে, এটা কেমন কথা!’’ মারধরের সময়ে স্থানীয় কাউন্সিলারকে ফোন করা হলেও তিনি সাহায্য করতে অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ। তৃণমূলের শিলিগুড়ি জেলা চেয়ারম্যান অলোক চক্রবর্তী বলেন, ‘‘এলাকার বাসিন্দারা সমস্যায় পড়লে কাউন্সিলারকে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। খোঁজ নেব। প্রয়োজনে পদক্ষেপ করা হবে।’’

    অভিযুক্ত পুলিশকর্মী সাসপেন্ড

    এদিকে, ভাইরাল ভিডিওর জেরে শোরগোল বেঁধে যায় শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে। পুলিশের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ ওঠায় চারদিকে ছিছিক্কার শুরু হতেই বাধ্য হয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুলিশ। শিলিগুড়ি (Siliguri) পুলিশ কমিশনারেটের উপ নগরপাল (ট্রাফিক) বিশ্বচাঁদ ঠাকুর বৃহস্পতিবার বলেন, ‘‘ঘটনাটি নজরে আসার পরে তানিয়া রায় নামে ওই মহিলা আধিকারিককে বৃহস্পতিবার সাসপেন্ড করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু হয়েছে।’’

    প্রশাসনকে তুলোধনা বিজেপির

    এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে মমতার পুলিশ-প্রশাসনকে তুমুল আক্রমণ করেছে রাজ্যের বিরোধী দল। বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের অবস্থা দেখে মানুষ কেঁপে উঠবে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটান পুলিশের পিঙ্ক ভ্যান বাহিনীর এএসআই তানিয়া রায় মদ্যপ অবস্থায় বুধবার এক মহিলাকে অসংলগ্ন অবস্থায় জড়িয়ে ধরেন যা ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। বহুবার ওনার বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় কাজে আসার অভিযোগও উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রশাসন দারুণ চলছে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Gita Path: ফের লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন, এবার শিলিগুড়িতে

    Gita Path: ফের লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আয়োজন, এবার শিলিগুড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের (Gita Path) আয়োজন। তবে এবার আর কলকাতা নয়। এবার লাখো কণ্ঠের গীতাপাঠের আয়োজন করা হয়েছে শিলিগুড়িতে। শিলিগুড়ির বিশ্ববাংলা শিল্পহাটের পাশে কাওয়াখালি ময়দানে লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ কর্মসূচির আয়োজন করছে সনাতন সংস্কৃতি সংসদ (Sanatan Sanskriti Sansad)। এবার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেন উপরাষ্ট্রপতি তথা বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তাঁর সঙ্গে গীতাপাঠের এই আসরে যোগ দিতে পারেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাও।

    লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আসর (Gita Path)

    গত বছরই ব্রিগেডে প্রথম বসেছিল লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠের আসর। সেবার উপস্থিত থাকার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সেই মতো প্রচারও করা হয়েছিল। একেবারে শেষ মুহূর্তে বিশেষ কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় ওই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেননি প্রধানমন্ত্রী। তবে নজরকাড়া ভিড় হয়েছিল ওই অনুষ্ঠানে। কলকাতার ওই আয়োজনে সাফল্যে উৎসাহী হয়ে এবার শিলিগুড়িতে একই অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে সনাতন সংস্কৃতি সংসদ।

    আমন্ত্রণ রাষ্ট্রপতি, মুখ্যমন্ত্রীকেও

    এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও আমন্ত্রণ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন আয়োজক সংঘের প্রধান তথা ভারত সেবাশ্রম সংঘের সন্ন্যাসী কার্তিক মহারাজ। তিনি বলেন, “ইতিমধ্যেই রাজ্যের সব হিন্দুত্ববাদী সংস্থা ও সংগঠনের সঙ্গে কথা হয়ে গিয়েছে। সব মঠ, মিশনেরও যোগদান থাকবে এই কর্মসূচিতে। খুব তাড়াতাড়ি গীতাপাঠের অভ্যাসও শুরু হবে।” তিনি জানান (Gita Path), ধনখড় ও হিমন্ত শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে কথা দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: দ্রুত এগিয়ে আসছে ‘দানা’, কলকাতায় জারি কমলা সতর্কতা, চালু হেল্পলাইন

    গত বছর ২৪ ডিসেম্বর ব্রিগেডে হয়েছিল গীতাপাঠের আয়োজন। সেবার বিভিন্ন মঠ-মিশনের সন্ন্যাসীদের সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির নেতানেত্রীরাও। আয়োজকদের দাবি ছিল, লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশ এবং এতজনের এক সঙ্গে গীতাপাঠে বিশ্বরেকর্ড তৈরি হয়েছে। জানা গিয়েছে, গতবারের মতো এবারও মূল অনুষ্ঠানের আগে সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হবে ‘হে পার্থসারথি’ নজরুলগীতিটি। পাঠ হবে প্রথম, দ্বিতীয়, দ্বাদশ, পঞ্চদশ এবং অষ্টাদশ অধ্যায়। ২০২৫ সালের গোড়ার দিকে ফের কলকাতায় হবে (Sanatan Sanskriti Sansad) লক্ষ কণ্ঠে গীতাপাঠ। তার আগে হবে বর্ধমানেও (Gita Path)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “বিজেপি সরকার ওয়াকফ বোর্ডের মধ্যে অন্যায় দূর করার চেষ্টা করছে”, বললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: “বিজেপি সরকার ওয়াকফ বোর্ডের মধ্যে অন্যায় দূর করার চেষ্টা করছে”, বললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওয়াকফ বৈঠকে বোতল ভেঙে বরখাস্ত হন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনার পর পরই ওয়াকফ বোর্ড নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এই বোর্ড নিয়ে বিজেপি সরকারের অবস্থানও তিনি স্পষ্ট করেছেন।

    কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    শিলিগুড়িতে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “বিজেপি সরকার ওয়াকফ বোর্ডের মধ্যে অন্যায় দূর করার চেষ্টা করছে। যেমন, তারা ১৫০০ বছরের পুরানো মন্দিরকে ওয়াকফ সম্পত্তি হিসেবে দাবি করছে। ইসলামের বয়স ১৪০০ বছর। আর ভারতে তার বয়স আরও অনেক কম। কিন্তু, ১৫০০ বছরের পুরানো মন্দির ওয়াকফ সম্পত্তি বলে দাবি করা হচ্ছে। এটা কি একটা ভোট ব্যাঙ্ক ছাড়া আর কিছুই নয়”? প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদকে ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল ২০২৪-এ জেপিসির এক অধিবেশনের জন্য বরখাস্ত করা হয়। সূত্রের মতে, ৯ জন সাংসদ সাসপেনশনের পক্ষে রায় দেন। আর ৭ জন বিপক্ষে রায় দেন। এরপরই ৩৪৭ বিধির অধীনে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে একদিনের জন্য বরখাস্ত করা হয়েছে। পরবর্তী বৈঠকে যোগ দিতে পারবেন না তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ।

    আরও পড়ুন: বিজেপির দাবিকেই মান্যতা, রাজ্যের ছয় জেলায় আবাস প্রকল্পের বাড়ি তৈরির কাজ বন্ধ

    ঠিক কী হয়েছিল?

    মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত ওয়াকফ (Waqf Board) বিল সংক্রান্ত যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠকে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সূত্রের খবর, তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য রাখছিলেন। পর পর তিনবার তিনি তাঁর বক্তব্য রেখেছেন। তারপরও আরও একবার বক্তব্য রাখার চেষ্টা করেন।  কিন্তু বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় আপত্তি করেন, যার ফলে তাদের মধ্যে উত্তপ্ত কথাবার্তা হয়। এরপরই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় একটি কাচের জলের বোতল তুলে নিয়ে টেবিলের ওপর আঘাত করেন এবং নিজেকে আহত করেন। এরপর ভাঙা বোতলটি চেয়ারম্যানের দিকে ছুড়ে দেন তিনি। ঘটনার জেরে বৈঠক মুলতবি করা হয়। ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল ২০২৪, রেকর্ডের ডিজিটাইজেশন, কঠোর অডিট, বর্ধিত স্বচ্ছতা এবং অবৈধভাবে দখলকৃত ওয়াকফ সম্পত্তি পুনরুদ্ধার করার জন্য আইনি প্রক্রিয়া সহ উল্লেখযোগ্য সংস্কার আনার লক্ষ্যেই এই বৈঠক করা হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Bengal Medical: ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে কাজে যোগ, গ্রেফতার ২

    North Bengal Medical: ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালে কাজে যোগ, গ্রেফতার ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি করকাণ্ড নিয়ে রাজ্যজুড়ে এখন তোলপাড় চলছে। এই আবহের মাঝে এবার জাল নিয়োগপত্র নিয়ে বিড়ম্বনায় রাজ্য। স্বাস্থ্য দফতরের লোগো, আধিকারিকের সই জাল করা নিয়োগপত্র প্রতারণা চক্র সক্রিয়। এক যুবক জাল নিয়োগপত্র নিয়ে শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল (North Bengal Medical) কলেজে কাজে যোগ দিতে এসে ধরা পড়ায় এই দিকটি প্রকাশ্যে এসেছে। গ্রেফতার করা হয়েছে ওই যুবক ও তার সঙ্গে আসা আর এক যুবককে। দু’জনেই উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের কুমারজল গ্রামের বাসিন্দা।

    কীভাবে ধরা পড়ল জাল নিয়োগপত্র? (North Bengal Medical)

    চতুর্থ শ্রেণির পদের একটি নিয়োগপত্র নিয়ে বৃহস্পতিবার কলেজের অধ্যক্ষ অফিসে কাজে যোগ দিতে আসেন মুস্তাক আলি নামে এক যুবক। নিয়োগপত্রটি দেখে অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিৎ সাহার সন্দেহ হয়। মুস্তাক আলি ও তাঁর সঙ্গী ইমরানকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন অধ্যক্ষ। মেডিক্যাল কলেজ (North Bengal Medical) ফাঁড়ির পুলিশ এসে অভিযুক্ত ও তার সঙ্গীকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, ‘‘কোনও নিয়োগপত্র ছাড়া হলে স্বাস্থ্যভবন থেকে পোর্টালে তা তোলা হয়। কিন্তু পোর্টালে এই নিয়োগপত্রের উল্লেখ নেই। নিয়োগপত্রে যে আধিকারিকের সই রয়েছে সেটিও সন্দেহজনক। এত অসঙ্গতি দেখে মেডিক্যাল কলেজ ফাঁড়ির পুলিশকে খবর দেওয়া দেয়।’’

    আরও পড়ুন: নিয়োগ থেকে টেন্ডার, স্বাস্থ্য দফতরে পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি! নথি হাতে নিয়ে সরব শুভেন্দু

    কীভাবে প্রতারিত হলেন মুস্তাক আলি?

     প্রায় এক বছর আগে গ্রামেরই এক পরিচিত ব্যক্তির সঙ্গে রায়গঞ্জের একটি বেসরকারি মেডিক্যাল ইনস্টিটিউটে দেখা হয় মুস্তাকের। ৫০ হাজার টাকার বিনিময়ে হাসপাতালে ওয়ার্ডবয়ের কাজের টোপ দেন সেই ব্যক্তি। মুস্তাক বলেন, ‘‘৫০ হাজার টাকা দেওয়ার পর দীর্ঘদিন তার দেখা পাইনি। হঠাৎই কিছুদিন আগে হোয়াটসঅ্যাপে একটি লিঙ্ক আসে। তাতে কাজে যোগ দেওয়ার কথা জানানো হয়। তারপর ওই ব্যক্তি আমার সঙ্গে যোগাযোগ করে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল (North Bengal Medical) কলেজের নিয়োগপত্র দিয়ে ছ’লক্ষ টাকা চান। ওই ব্যক্তি দাবি করেন, সরকারি চাকরি তাই বেশি টাকা দিতে হবে। বন্ধুদের কাছ থেকে ধার দেনা ৬০ হাজার টাকা ওই ব্যক্তিকে দিয়ে বলি বাকি টাকা পরে দেব। সেই নিয়োগপত্র নিয়ে কাজে যোগ দিতে আসি। বুঝতে পারিনি যে, আমাকে জাল নিয়োগপত্র দিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে।’’ 

    জাল নিয়োগপত্র চক্রে ফের উত্তর দিনাজপুর যোগ

    এই ঘটনায় স্বাস্থ্য দফতরে চাকরির প্রতারণা চক্রে ফের উত্তর দিনাজপুর যোগ উঠে এল। প্রায় দুবছর আগে জাল নিয়োগপত্র নিয়ে উত্তরবঙ্গ মোডিক্যাল (North Bengal Medical) কলেজ হাসপাতালে কাজে যোগ দিতে এসে গ্রেফতার হয়েছিলেন মালদার এক ব্যক্তি। সেই ঘটনাতেও জাল নিয়োগপত্র দেওয়ার পিছনে উত্তর দিনাজপুর জেলার একটি প্রতারণা চক্রের হাত ছিল। পুলিশ তদন্ত করে কয়েকজনকে গ্রেফতারও করেছিল। তারপরেও এই চক্রের সক্রিয়তায় উঠছে প্রশ্ন।

     কী বলছে পুলিশ?

    মেডিক্যাল ফাঁড়ির পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত যুবকদের জেরা করে জানা গিয়েছে, তাঁদের গ্রামেরই এক ব্যক্তি প্রতারণা করেছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, শুধু ওই ব্যক্তি একা নন। এই চক্রের জাল (North Bengal Medical) অনেক দূর বিস্তৃত। এর সঙ্গে আরও অনেকে জড়িত রয়েছে। নিয়োগপত্রে যেভাবে স্বাস্থ্যভবনের লোগো ও স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়েছে তাতে স্বাস্থ্যভবনের কোনও কর্মীর যুক্ত থাকার সম্ভাবনাও পুলিশ উড়িয়ে দিচ্ছে না। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। চক্রের মাস্টারমাইন্ডের খোঁজ চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Bengal Medical: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের হস্টেলে গড়ে উঠেছে ‘মসজিদ’! প্রতিবাদ করলেই হুমকি

    North Bengal Medical: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের হস্টেলে গড়ে উঠেছে ‘মসজিদ’! প্রতিবাদ করলেই হুমকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল (North Bengal Medical) কলেজের হস্টেলে (Siliguri) রীতিমতো মসজিদ গড়ে উঠেছে। আরজি করকাণ্ডের প্রতিবাদে থ্রেট কালচার নিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের চাপে এই দিকটি প্রকাশ্যে এসেছে। প্রাণনাশ ও দৈহিক অত্যাচারের হুমকির ভয়ে সকলে এতদিন এসব মুখ বুজে সহ্য করে গিয়েছে।

    কীভাবে হস্টেলে তৈরি হয়েছে মসজিদ? (North Bengal Medical)

    জানা গিয়েছে, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের বরখাস্ত চিকিৎসক নেতা অভীক দে-র নির্দেশে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল (North Bengal Medical) কলেজের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা চিকিৎসক শাহিন সরকার ও চিকিৎসক সোহম মণ্ডল মুসলিম সম্প্রদায়ের ছাত্রদেরকে বেছে বেছে ভালো ও একাধিক ঘর বণ্টন করতেন। একটি হল ঘর নমাজ পড়ার জন্য মসজিদের মতো করে তাঁরা সাজিয়ে নেন। সেই ঘরের মেঝেতে সারি সারি মসজিদের ছবি আঁকা, মাদুর পেতে রাখা হয়েছে। সেখানে ছাত্ররা গিয়ে নমাজ পড়েন। অন্যান্য মুসলিম ধর্মের আচার অনুষ্ঠানে অংশ নেন। মুসলিম ধর্ম গ্রন্থ নিয়ে লাইব্রেরি তৈরি করা হয়েছে। ধর্মীয় নানা অনুষ্ঠান সম্পর্কে ও নমাজ পাঠের সময় জানানোর জন্য নোটিশ বোর্ড রয়েছে। সেখানে নমাজের সময়সূচি লেখা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: নির্যাতিতার পরিবারকে টাকার অফার? ডিসি নর্থকে ডেকে প্রশ্ন সিবিআইয়ের

    প্রতিবাদ করলেই আসত হুমকি

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই ডাক্তারি (North Bengal Medical) পড়ুয়া বলেন, মুসলিম ছাত্রদের জন্য হস্টেলে নির্দিষ্ট একটা এলাকা তৈরি করা হয়েছে। সেখানে অন্য ধর্মের ছাত্রদের যাওয়ার সুযোগ ছিল না। এতদিন আমরা মুখ খুলতে পারিনি। কখনও কেউ সামান্য প্রতিবাদ করলেই তাঁদের হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে। শাহিন সরকার, সোহম মণ্ডলরা হস্টেল থেকে বের করে দেওয়ার এবং পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার হুমকি দিতেন। তাই মুখ বুজে সব সহ্য করেছিলাম। আরজি করকাণ্ডের জেরে যেভাবে সর্বত্র ছাত্রছাত্রীরা থ্রেট কালচার নিয়ে সরব হয়েছেন, তাতে আমরা সাহসী হয়ে তদন্ত কমিটির কাছে সবটা জানিয়ে হস্টেলে ধর্ম নিরপেক্ষ পরিবেশ তৈরির আবেদন জানাই।

    তদন্ত কমিটির কাছে নালিশ

    থ্রেট কালচার নিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের (North Bengal Medical) আন্দোলনের চাপে তদন্ত কমিটি গড়েন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিৎ সাহা। এমএসভিপি সঞ্জয় মল্লিকের নেতৃত্বে গড়া তদন্ত কমিটির সামনে একাধিক ছাত্র হস্টেলের মধ্যে মসজিদ তৈরি ও ধর্মের ভেদাভেদ তৈরি, ছাত্রদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ জানান। অভিযোগ জানানোর বিষয়টি গোপন না থাকায় তাঁদের কয়েকজনকে এখন হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান অভিযোগকারীরা।

     কী বললেন অধ্যক্ষ ?

    মেডিক্যাল কলেজের (North Bengal Medical) অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, তদন্ত কমিটির রিপোর্ট নিয়ে কলেজ কাউন্সিলের বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। তদন্ত কমিটির কাছে ছাত্ররা অনেক ধরেনের অভিযোগ করেছে। যার অনেক কিছু আমার জানা ছিল না। এতদিন ডিন আমাকে জানাননি। ছাত্রদের আশ্বাস দিয়েছি, এখন থেকে হস্টেলে ধর্মের ভেদাভেদে কোনও বিতর্কিত কাজ বা পরিবেশ বরদাস্ত করা হবে না। সব ধর্ম সমান গুরুত্ব পাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Bengal Medical: আন্দোলনের ঝাঁঝ! নম্বর দুর্নীতিতে প্রাক্তন ডিন সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    North Bengal Medical: আন্দোলনের ঝাঁঝ! নম্বর দুর্নীতিতে প্রাক্তন ডিন সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের মতো উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল (North Bengal Medical) কলেজেও টিএমসিপি নেতাদের ‘থ্রেট কালচার’-এর ফলে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। সেই সঙ্গে পরীক্ষায় কারচুপির বিস্তর অভিযোগ ছিল। বিশেষ করে নম্বর দুর্নীতির বিষয়টি সামনে আসতেই জুনিয়র ডাক্তার ও পড়ুয়াদের আন্দোলনের চাপে ১২ জনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। এর মধ্যে প্রাক্তন ডিন ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিন ও একজন আরএমও রয়েছেন।

     কীভাবে চলত থ্রেট কালচার? (North Bengal Medical)

    আন্দোলনকারী পড়ুয়া-চিকিৎসকদের অভিযোগ, টিএমসিপি নেতাদের হাতের পুতুল হয়েছিলেন মেডিক্যাল কলেজ (North Bengal Medical) কর্তৃপক্ষ। থ্রেট কালচারের পাশাপাশি টিএমসিপি নেতাদের নির্দেশে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে (Siliguri) এতদিন চলে এসেছিল পরীক্ষায় নম্বরে কারচুপি, নকলে মদত দেওয়ার ঘটনা। কলেজ অনুষ্ঠানে টাকা তোলার জন্য জুলুম ও হুমকি দেওয়া হত। সেই টাকার কোনওদিন অডিট হয়নি। ৫২ নম্বর পাওয়া এক পড়ুয়ার নম্বর বাড়িয়ে ৮২ করে দেওয়া হয়েছিল।

    গত ৪ সেপ্টেম্বর এর প্রতিবাদে পড়ুয়া ও জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনের চাপে একথা স্বীকার করে পদত্যাগ করেন মেডিক্যাল কলেজের প্রাক্তন ডিন সন্দীপ সেনগুপ্ত, সহকারি ডিন সুদীপ্ত শীল। এই দু’জনের সঙ্গে মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিত সাহার পদত্যাগের দাবিতে গত ৪ সেপ্টেম্বর আন্দোলনকারীরা তাঁদের ঘেরাও করে রাখেন। রাতে সন্দীপ সেনগুপ্ত, সহকারি ডিন সুদীপ্ত শীল পদত্যাগ করলেও আশ্চর্যজনকভাবে অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিত সাহার পদত্যাগের দাবি থেকে সরে আসেন জুনিয়র ডাক্তাররা।

    আরও পড়ুন: ‘থ্রেট কালচার’-এর অভিযোগ! আন্দোলনকারীদের প্রবল চাপে সন্দীপ-ঘনিষ্ঠ ৫১ জনকে নোটিস

     প্রাক্তন ডিন সহ ১২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা!

    আন্দোলনের (North Bengal Medical) চাপে সুপারের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেন অধ্যক্ষ। তদন্তে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নিয়ে আলোকপাত করা হয়নি। থ্রেট কালচারের হুমকি নিয়ে তদন্ত কমিটি সবপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সোমবার রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্টেই তিন আধিকারিক সহ মোট ১২ জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের ৯ ছাত্র নেতা। আধিকারিকদের মধ্যে প্রাক্তন ডিন সন্দীপ সেনগুপ্ত, সহকারি ডিন সুদীপ্ত শীল ও আরএমও নিলাব্জ ঘোষকে আপাতত ছুটিতে পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছে কলেজ কাউন্সিল। অধ্যক্ষ বলেন, তিন হাউসস্টাফ শাহিন সরকার, শাহিনুল ইসলাম ও রিতুরম্ভ সরকার, সোহম মণ্ডল, জয় লাকড়া, তীর্থঙ্কর রায়, অরিত্র রায়, ঐশি চক্রবর্তী, শ্রীজা কর্মকারকেও বহিষ্কার করার সুপারিশ করা হয়েছে। সোহম মণ্ডল সহ যাদের নম্বর কারচুপি করার অভিযোগ রয়েছে, তাদের সকলের খাতা ফের মুল্যায়ন করা হবে। এদের মধ্যে তৃণমূল ছাত্র নেতা সোহম মণ্ডল ইন্টার্ন। অরিত্র ও তীর্থঙ্কর ফাইনাল ইয়ারের ছাত্র। ঐশি, শ্রীজা ও জয় লাকড়া তৃতীয় বর্ষের পার্ট-১ এর ছাত্র।

    অধ্যক্ষ কেন তদন্তের বাইরে?

    অন্যতম অভিযুক্ত টিএমসিপির বরখাস্ত নেতা অভীক দে এখানে অবৈধভাবে অডিটোরিয়াম (North Bengal Medical) দখল করে তাঁর জন্মদিন পালন করেছিলেন। অধ্যক্ষ সেই অনুষ্ঠানে থেকেছেন। অভীকের হাত থেকে কেকও খেয়েছেন তিনি। সেকথা স্বীকার করেছেন অধ্যক্ষ। তাতেই প্রশ্ন, অধ্যক্ষ কেন তদন্তের বাইরে? এই প্রসঙ্গে অধ্যক্ষ ইন্দ্রজিত সাহা বলেন, ‘‘এখানে সবাই আমার অধস্তন। তাই আমার বিরুদ্ধে যা অভিযোগ রয়েছে, তার সবটাই রাজ্য স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।’’ এ প্রসঙ্গে আন্দোলনকারীদের তরফে শাহরিয়ার আলম বলেন,  ‘‘আমরা অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবি থেকে সরে আসছি না। তাঁর ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কী সিদ্ধান্ত নেয় দেখে আমরা পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ধর্ষণের পর স্কুলছাত্রীর মুখ থেঁতলে খুন, মুসলিম যুবককে ফাঁসির সাজা দিল শিলিগুড়ি আদালত

    Siliguri: ধর্ষণের পর স্কুলছাত্রীর মুখ থেঁতলে খুন, মুসলিম যুবককে ফাঁসির সাজা দিল শিলিগুড়ি আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির (Siliguri) মাটিগাড়ায় নাবালিকা স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ফাঁসির সাজা দিল দার্জিলিং জেলা আদালত। ঠিক এক বছর ১৪ দিনের মাথায় সাজা ঘোষণা করা হল। শনিবার শিলিগুড়ির অতিরিক্ত নগর দায়রা আদালতের বিচারক অনিতা মেহেত্রা মাথুর এই সাজা ঘোষণা করেন। পক্সো আইনে মামলা হয়েছিল। মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি মৃতার পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক। শনিবার সাজা শোনার জন্য মৃতার পরিবার এবং প্রতিবেশীরা আদালতে হাজির হয়েছিলেন। অপরাধীকে পুলিশ আদালতে নিয়ে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (Siliguri)

    আদালত (Court) সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালে একদিন বিকেলের দিকে একাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রী স্কুল থেকে বাড়ি ফিরছিল। পথে মহম্মদ আব্বাস নামে এক যুবক তাকে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। তাকে মাটিগাড়ার (Siliguri) জঙ্গলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল ওই মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। নির্যাতিতাকে যাতে চেনা না যায়, সে জন্য ইট দিয়ে থেঁতলে দেওয়া হয়েছিল তার মুখ। ওই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। ঘটনার পর পরই বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব পরিবারের পাশে এসে দাঁড়ায়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ রাজু বিস্তা, স্থানীয় বিধায়ক আনন্দ বর্মন সহ দলীয় নেতৃত্ব নির্যাতিতার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। এমনকী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস নির্যাতিতার বাড়িতে গিয়ে দোষীর শাস্তি হওয়ার আশ্বাস দিয়ে এসেছিলেন।

    আরও পড়ুন: চিনা রাষ্ট্রদূতের মুখে জামাত প্রশস্তি, বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা বেজিংয়ের!

    আদালতে কী হল?

    খুনের মামলায় একাধিক সাক্ষ্যগ্রহণ করে আদালত (Siliguri)। অবশেষে সমস্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখে আব্বাসকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। সরকারি পক্ষের আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বিভিন্ন ঘটনার নজির তুলে ধরে অপরাধীর ফাঁসির পক্ষে সওয়াল করেন। অন্যদিকে, অপরাধীর আইনজীবী বুলা রায় জানান, তাঁর মক্কেলের বাড়িতে বৃদ্ধা মা রয়েছেন। তাঁর পরিবারের কথা ভেবে ফাঁসির আবেদন বিবেচনা করার আর্জি রাখেন তিনি। আব্বাসের বিরুদ্ধে ওঠা স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ এবং খুনের অভিযোগ প্রমাণিত হয় বৃহস্পতিবারই। এরপরই শনিবার বিচারক ফাঁসির রায় দেন। সরকারি আইনজীবী বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, “খুব গুরুত্ব সহকারে প্রতিটি হাজিরায় আদালতে বোঝাবার চেষ্টা করেছি যে, এটা অন্যান্য মামলার তুলনায় ভিন্ন একটি মামলা। এই মামলায় দোষীর ফাঁসি হওয়া উচিত। আমরা ফাঁসির আবেদন জানিয়েছিলাম। আদালত মূলত দুটি বিষয়েব ওপর নজর দিয়ে মৃত্যুদণ্ড দিল। প্রথমত খুন এবং দ্বিতীয়ত নাবালিকাকে ধর্ষণ।”

    নির্যাতিতার মা কী বললেন?

    সাজা ঘোষণার পরে নির্যাতিতার মা বলেন, “আদালতের এই রায়ে আমরা খুশি। আমার মেয়ে শান্তি পাবে। ওই লোকটির (দোষী) দু’জন স্ত্রী এবং সন্তান রয়েছেন। তার পরেও এমন কাজ! ওর ফাঁসিই হওয়া উচিত। প্রথম থেকেই মাটিগাড়া থানা এবং আদালতের উপর আমাদের ভরসা ছিল। সেই ভরসাই আমার মেয়েকে আজ বিচার পাইয়ে দিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North Bengal Medical: নম্বর দুর্নীতি! ছাত্রদের লাগাতার আন্দোলনের জেরে পদত্যাগ করলেন ডিন

    North Bengal Medical: নম্বর দুর্নীতি! ছাত্রদের লাগাতার আন্দোলনের জেরে পদত্যাগ করলেন ডিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নম্বর দুর্নীতির অভিযোগে ছাত্রদের একটানা বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করলেন শিলিগুড়ির (Siliguri) উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের (North Bengal Medical) ডিন সন্দীপ সেনগুপ্ত এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিন সুদীপ্ত শীল। টাকার বিনিময়ে নম্বর বাড়িয়ে দেওয়া, চিকিৎসকদের বদলির হুমকি-সহ একাধিক অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামেন জুনিয়র ডাক্তাররা। বুধবার সকাল থেকেই বিক্ষোভে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে মেডিক্যাল কলেজ ক্যাম্পাস। নম্বর বাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে ডিনের বিরুদ্ধে। চাপের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন ডিন। তাঁর এই সিদ্ধান্তে খুশি পড়ুয়ারা।

    আন্দোলনের চাপে ডিনের পদত্যাগ! (North Bengal Medical)

    জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনে উঠে আসে অভীক দে’র নাম। চিকিৎসক অভীক দে এবং তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে সরব হন ওই মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের পড়ুয়ারা। বুধবার দুপুর ১টা থেকে ঘেরাও হন মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ, ডিন এবং অতিরিক্ত ডিন। অবিলম্বে হাসপাতালে ‘থ্রেট কালচার’ বন্ধের দাবি জানিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যান জুনিয়র ডাক্তাররা। এদিন মূলত অভীক দে-গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সরব হন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যালের চিকিৎসকরা। তাঁর বিরুদ্ধে পোস্টার দেওয়া হয় কলেজে। শুধু তাই নয়, অভীককে মেডিক্যাল কলেজে (North Bengal Medical) ঢুকতে না দেওয়ার দাবিও জানান জুনিয়র চিকিৎসক পড়ুয়ারা।

    এরই মধ্যে, অভিযোগ ওঠে যে, বিশেষ একজন ছাত্রনেতার নম্বর সাদা কালি দিয়ে মুছে বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এইচওডি-রা বলছেন, তাঁরা ৫২-৫৩ নম্বর দিয়েছিলেন। অথচ মার্কশিটে নম্বর লেখা ৮০। এই অভিযোগেই ছাত্র-ছাত্রীসহ অধ্যাপকরা ঘিরে ধরে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের ডিন ও অধ্যক্ষকে। পরে, সন্দীপ সেনগুপ্ত স্বীকার করে নেন যে অভীক দে-র ফোন যেত তাঁর কাছে। ছাত্রদের আন্দোলনের চাপে এরপরেই পদত্যাগ করেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের ডিন।

    আরও পড়ুন: ‘‘ঘরে মেয়ের দেহ, তখন পুলিশ টাকা দিতে চেয়েছিল’’, বিস্ফোরক নির্যাতিতার বাবা

    কী সাফাই দিলেন ডিন?

    মেডিক্যাল কলেজের ডিন সন্দীপ সেনগুপ্ত বলেন, “আমিও একদিন ছাত্র ছিলাম। তাই তাঁদের বক্তব্যকে অনুধাবন করতে আমার কোনও অসুবিধা হয় না। পরীক্ষা নিয়ে কিছু অভিযোগ উঠেছে। আমি পরীক্ষক ছিলাম না। তাই, সেই দায় আমার নয়। তবে, আমাদের আরও কড়া হওয়া উচিত ছিল।” এরপরেই তাঁর সংযোজন, “আমি দায়ভার নিয়ে নয়, ছাত্রদের দাবিকে মান্যতা দিয়ে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share