Tag: Siliguri

Siliguri

  • Siliguri: শিলিগুড়িতে সরকারি জমি দখল করে তৃণমূল নেতার ভেড়ি, দখল নিল প্রশাসন

    Siliguri: শিলিগুড়িতে সরকারি জমি দখল করে তৃণমূল নেতার ভেড়ি, দখল নিল প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেবাশিস প্রামাণিকের পর এবার কি রঞ্জন শীলশর্মার পালা? সরকারি জমি দখল ও জমির অবৈধ কারবারের অভিযোগে ফুলবাড়ির বেতাজ বাদশা,সদ্য বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা দেবাশিস প্রামাণিক সম্প্রতি গ্রেফতার হয়েছেন। তারপর মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে দখল হয়ে যাওয়া সরকারি জমি পুনরুদ্ধারে  ঝাঁপিয়ে পড়েছে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতর। সেই অভিযানে মঙ্গলবার গজলডোবায় ঝুলন্ত সেতুর পাশে আট বিঘা জমি দখলমুক্ত করে সরকারি সাইন বোর্ড টাঙিয়ে দেওয়া হয়। এই জমি শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর রঞ্জন শীল শর্মা দখল করেছিলেন। সেখানে ভেরি তৈরি করেছিলেন তিনি। একটি ঘরও ছিল। সেখানে নিয়মিত দলের নেতারা আসতেন। সেই জমি প্রশাসন দখল করে নেওয়ায় তাতে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, এবার কি তাহলে রঞ্জন শীলশর্মার গ্রেফতার হওয়ার পালা?

    কেন পদক্ষেপ? (Siliguri)

    লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরপরই মুখ্যমন্ত্রী সরকারি জমি দখল ও জমি মাফিয়ারাজের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। জমির অবৈধ কারবার বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে। তাহলে এতদিন কেন নীরব ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী? এই প্রশ্নে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় তৃণমূলের ভরাডুবি হয়েছে। শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার ৪৭ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৪৬ টি ওয়ার্ডেই বিজেপির থেকে তৃণমূল অনেকটা পিছিয়ে। মেয়র সহ তৃণমূল কাউন্সিলরদের ওয়ার্ডেও একচেটিয়া ভোট পেয়ে বিজেপি বড় লিড নিয়েছে। বাদ নেই এই নেতার ওয়ার্ডও। এটা মুখ্যমন্ত্রী মেনে নিতে পারেননি। তাই, এলাকার শীর্ষ নেতা ও কাউন্সিলরদের অবৈধ কারবারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সকলকে বার্তা  দিতে চাইছেন বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    আরও পড়ুন: গণপিটুনির নায়ক তৃণমূল নেতা জয়ন্ত সিং, জুয়া-সাট্টা, মধুচক্র কোনটায় নেই তিনি!

     কে এই রঞ্জন শীলশর্মা?

    জানা গিয়েছে, রঞ্জন শীলশর্মা শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের দীর্ঘদিনের কাউন্সিলর। পেশায় তিনি প্রাথমিক স্কুল শিক্ষক। এলাকায় তাঁর বিশাল প্রভাব-প্রতিপত্তি। একবার দলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নির্দল প্রার্থী হিসেবে জিতে কাউন্সিলর হয়েছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে জমির অবৈধ কারবার করা ও মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু, তাতে রঞ্জনের কোনও সমস্যা হয়নি। বরাবরই তিনি ডাকাবুকো নেতা হিসেবে পরিচিত। গৌতম দেবের বিরুদ্ধে পুরসভার বোর্ড মিটিংয়ে তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলর হয়েও তিনি বারবার সরব হয়েছেন। তিনি সব সময় নিজের সিদ্ধান্তেই চলেন। প্রকাশ্যে দলের মেয়রের সমালোচনা করতে তাঁর গলা কাপে না। তাই সরকারি জমি প্রশাসন ফিরিয়ে পরও তিনি নির্বিকার। তিনি শুধু বলেন, সরকারের জমি সরকার নিয়েছে।

     আতঙ্কে তৃণমূলের অন্য কাউন্সিলররা

    জলপাইগুড়ি লোকসভা আসনে তৃণমূল (Trinamool Congress) প্রার্থী নির্মল চন্দ্র রায়কে তিনি এগিয়ে রাখতে পারেননি। লোকসভা নির্বাচনে এই ব্যর্থতাকে হাতিয়ার করে এবার বিতর্কিত রঞ্জন শীলশর্মাকেও কি কোনও কোনও তৃণমূল নেতার স্বার্থে ছেটে ফেলা হবে? এ প্রশ্ন দলের অন্দরে। আর এই প্রশ্নেই শিলিগুড়ি পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলররা এখন রীতিমত আতঙ্কে রয়েছেন। কেননা এবারের লোকসভা নির্বাচনে অধিকাংশ কাউন্সিলরই তৃণমূল প্রার্থীকে লিড দিতে পারেননি। আর অনেকের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অনৈতিক কাজের অভিযোগও রয়েছে। ফলে, কার ওপর এবার রোষ পড়ে সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে সকলে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: চোপড়াকাণ্ডের ছায়া যেন শিলিগুড়িতেও! সালিশি সভায় মারধরের পর আত্মঘাতী গৃহবধূ

    Siliguri: চোপড়াকাণ্ডের ছায়া যেন শিলিগুড়িতেও! সালিশি সভায় মারধরের পর আত্মঘাতী গৃহবধূ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতেও (Siliguri) যেন চোপড়া কাণ্ডের ছায়া! বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে বসেছিল সালিশি সভা। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগে মহিলা এবং তাঁর স্বামীকে ডেকে এনে বেধড়ক মারধর করা হয়। কিন্তু এই সালিশি সভায় অত্যাচারের পরই ঘর থেকে উদ্ধার হয় মহিলার দেহ। অপামানে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তবে এলাকার মহিলারা নির্যাতন করেছে বলে স্বামীর অভিযোগ। ইতিমধ্যে পুলিশ চারজনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনা ঘটেছে শিলিগুড়ির ফুলবাড়ি ১ নম্বর অঞ্চলের বকরাভিটা এলাকায়।

    যাচ্ছেতাইভাবে মারধর করা হয়েছে (Siliguri)!

    মৃত মহিলার (Housewife) স্বামী, বাড়ির পাশের কয়েকজন মহিলা সম্পর্কে অভিযোগ করে বলেছেন, “আমাকে স্বপ্না এবং টুম্পা বলেছিল, তুই বউকে সঙ্গে করে নিয়ে আয়, আমরা একটু সাবধান করে দেবো। এরপর আমি শ্বশুর বাড়ি থেকে স্ত্রীকে নিয়ে আসি। তারপরই আমাকে ভয় দেখিয়ে ওরা বলে, বউকে ঘরে তুললে তোকে শেষ করে দেব, বাড়ি-ঘর জ্বালিয়ে দেবো। এরপর যাচ্ছেতাইভাবে মারধর করেছে আমার স্ত্রীকে। সেই সঙ্গে আমাকেও মারধর করেছে ওরা। এরপর আমি এনজেপি (Siliguri) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।”

    পুলিশ সূত্রে খবর

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বকরাভিটে গ্রামের নিগৃহীত মহিলার সঙ্গে পাশের গ্রামেরই এক যুবকের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। কয়েকদিন আগে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এদিকে পরিবারের তরফ থেকে থানায় মিসিং ডায়েরি করা হয়। কিন্তু পুলিশ কোনও খবর দিতে পারেনি। পরে জানা গিয়েছে ৮ দিন পর স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসেন মহিলা। স্বামীও তাঁকে ফিরিয়ে নেন। এরপর এলাকার মানুষ সালিশি সভা বসায়। এই সভায় মারধর করা হয়েছে ওই মহিলাকে। ঠিক তারপরই বিষ খেয়ে আত্মঘাতী হন মহিলা।

    আরও পড়ুনঃ রাজ্যে একেরপর এক গণপিটুনির ঘটনার মাঝেই ডাইনি অপবাদে বধূকে মারধর!

    মহিলারা দু’-তিনটি চড়-থাপ্পড় মেরেছে (Siliguri)

    স্থানীয় (Siliguri) তৃণমূল নেতা শম্ভু রায় বলেছেন, “অতীতেও মহিলা (Housewife) অন্য আরও এক যুবকের সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিলেন। তারপর আবার ফিরে এসেছিলেন। বারবার এই ঘটনা ঘটায় আশেপাশের মহিলারা দু’-তিনটি চড়-থাপ্পড় মেরেছে। সে দিতেই পারে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্তাকে খুনের হুমকি! পুলিশকে জানিয়েও হচ্ছেনা লাভ! চাঞ্চল্য

    Siliguri: অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্তাকে খুনের হুমকি! পুলিশকে জানিয়েও হচ্ছেনা লাভ! চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রমোটারের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন রাজ্যের অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশকর্তা। তাঁর অভিযোগ, “পুলিশকে ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানালে কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না কেউ। এমনকী পুরসভার অফিসে জানিয়েও লাভ হচ্ছে না।” প্রতিনিয়ত খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এরপর নিজেকে অসহায় ভেবে কার্যত কেঁদে ফেললেন। ঘটনা ঘটেছে শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে।

    অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারের বক্তব্য (Siliguri)

    অভিযোগকারী অবসরপ্রাপ্ত পুলিশকর্তার নাম অভিজিৎ সাহা। তিনি রাজ্যের ডিসিপি পদ মর্যাদার অফিসার ছিলেন, গত ডিসেম্বরে অবসর গ্রহণ করেছেন। তাঁর অভিযোগ, “শিলিগুড়িতে (Siliguri) বাড়ির পাশেই এক বহুতলের প্রোমোটার গণেশ দাস নামে এক ব্যক্তি, ঠিক তাঁর বাড়ির গা ঘেষে নির্মাণ কাজ চালাচ্ছে। প্রতিবাদ করায় বাড়িতে ঢিল পড়ছে। ফোন করে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই প্রমোটার অত্যন্ত প্রভাবশালী। পুলিশ, স্থানীয় পুরসভার কাছে অভিযোগ জানিয়েছি কিন্তু কোনও লাভ হয়নি। জীবনের এতটা সময় পুলিশের হয়ে কাজ করলাম, আজ পুলিশই আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। আমি হাইকোর্টে মামলা করেছি এই বেআইনি নির্মাণ নিয়ে। এই নিয়ে মেয়র গৌতম দেব, পুলিশ কমিশনার এবং রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে আমার অভিযোগ জানিয়েছি। অবসরের পর এই ভাবে হেনস্থার শিকার হতে হবে ভাবতে পারিনি।” একই সঙ্গে তাঁর স্ত্রী পলি সাহা বলেছেন, “অত্যাচারে আমরা একেবারে অতিষ্ঠ। রাস্তায় বের হতে আমাদের ভয় হচ্ছে। পাড়ার সকলে জানেন বিষয়টা, আর তাই প্রভাবশালী প্রমোটার ভেবে সকলে চুপ করে আছেন। সন্ধ্যে বেলায় মাস্ক পড়ে তিনজন এসে শাসিয়ে গেছে। খুন করবে বলে হুমকি দিয়ে গিয়েছে। বলেছে গুলি করে হত্যা করবে। ভয়ে আমাদের ঘুম হচ্ছে না। অত্যন্ত অসহায় বোধ করছি।”

    আরও পড়ুনঃ শনি-রবি ৪৪টি লোকাল ট্রেন বাতিল শিয়ালদা শাখায়, জানালো পূর্ব রেল

    প্রমোটারের বক্তব্য

    এদিকে শিলিগুড়ির (Siliguri) প্রমোটার গণেশ দাস বলেছেন, “আমি জায়গা না ছেড়েই কাজ করেছি। চাইলে পুরসভা ভেঙে দিক না। আপত্তি নেই। আইনি পথেই এগোচ্ছি।” স্থানীয় তৃণমূলের কাউন্সিলর সিক্তা বসু রায় বলেছেন, “দুজনেই ওয়ার্ডের বাসিন্দা। সহ নাগরিক। আইন আইনের পথেই চলবে। আদালতের নির্দেশ দেখিছি। অভিজিৎ সাহার অভিযোগের ভিত্তিতে প্রোমোটারকে নোটিশ দিয়েছি। সব খতিয়ে দেখছি। বেআইনি নির্মাণ ভেঙে দেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: তৃণমূলের মদতেই সরকারি জমি বিক্রি! শিলিগুড়িতে মিলল বড় চক্রের হদিশ

    Siliguri: তৃণমূলের মদতেই সরকারি জমি বিক্রি! শিলিগুড়িতে মিলল বড় চক্রের হদিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি জমি লক্ষ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দিয়েছে জমি হাঙররা। তৃণমূলের মদতেই সরকারি জমি বেহাত হয়েছে। এখন  জমি-মাফিয়াদের গ্রাসে চলে যাওয়া সেই সরকারি জমি উদ্ধারে মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় ক্ষোভে ফুঁসছেন শিলিগুড়ির (Siliguri) ফুলবাড়ির পূর্ব ধনতলা। বছরের পর বছর ধরে তৃণমূল নেতাদের মদতে জমি-মাফিয়ারা এখানে জমি লুট করে বিক্রি করেছে। কোটি কোটি টাকা কামিয়েছেন। চোখের সামনে এসব ঘটনা দেখার পরও এতদিন নীরব থেকে এখন কেন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? এই প্রশ্নেই ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকার পূর্ব ধনতলার স্যাটেলাইট টাউনশিপে ৪৮৬ টি পরিবার উচ্ছেদের আশঙ্কায় ক্ষোভে ফুঁসছেন।

    ঠিক কী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী? (Siliguri)  

    ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে  (Siliguri) জমি-মাফিয়াদের দাপট নিয়ে  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরব হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার হন ফুলবাড়ির প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা দেবাশিস প্রামাণিক। তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি ও বেসরকারি জমি লুট করে বিক্রি করে দেওয়া, জমি মাফিয়ারাজ চালানো, মারধর ও খুনের চেষ্টা অভিযোগ রয়েছে। তার পরপরই মুখ্যমন্ত্রী হুঁশিয়ারি দেন, সরকারি জমি দখল করে যারা বসে রয়েছেন, তাঁদের জমি মিউটেশন হবে না। সরকারি জমি উদ্ধারের জন্য তিনি ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দফতরের শীর্ষ আধিকারিকদের কড়া নির্দেশ দেন। পুলিশকে কড়া ব্যবস্থা নিতে বলেন।

    আরও পড়ুন: বিজেপির বুথ এজেন্টের ওপর হামলা, অভিযোগ তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি, অভিযুক্ত তৃণমূল

     কীভাবে লুট হয়েছে সরকারি জমি ?

    শিলিগড়ির (Siliguri) পূর্ব ধনতলার স্যাটেলাইট টাউনশিপের ৪৮৬ টি পরিবার যে জমিতে পাকাবাড়ি বানিয়ে বসবাস করছে, তার সামনে রাজ্য আবাসন দফতরের জমি অধিগ্রহণের সাইনবোর্ড হয়েছে। সেই সাইনবোর্ডকে কিছুটা ছেড়ে গড়ে উঠেছে বসতি। কিছু বড় ব্যবসায়ী অনেক জমি উঁচু পাঁচিল দিয়ে ঘিরে ফেলে রেখেছেন। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, স্থানীয় পঞ্চায়েত ও তৃণমূল নেতাদের ভরসায় আমরা এক থেকে তিন লাখ টাকায় জমি কিনেছি। কিন্তু, কোনও কাগজ পাইনি, রেজিষ্ট্রিও হয়নি। মেলেনি পাট্টাও। তা সত্ত্বেও গৃহ নির্মাণ সহ সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের সুযোগ সুবিধা পেয়েছি। সবই শাসক দলের মদতেই হয়েছে। এখন উচ্ছেদ করলে আমরা কোথায় যাব?

     মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানালেন বাসিন্দারা

    সরকারি জমিতে বসতির পাশেই রয়েছে পুলিশ আবাসন। তাহলে কীভাবে সরকারি জমি দখল পুলিশের নজর এড়াল? একই প্রশ্ন উঠেছে, আবাসন দফতরের বিরুদ্ধে। তাদের জমি ঠিক আছে কি না তা দেখার দায়িত্ব তো আবাসন দফতরের। তার থেকেও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেন এলাকার বাসিন্দা গোপাল মহন্ত, মধু সেন। তাঁরা বলেন, পাশেই খোলা মাঠে রয়েছে  মুখ্যমন্ত্রীর হেলিপ্যাড। নিয়মিত তিনি এই মাঠে সভা করেন। তখন কেন তাঁর ও সরকারি আধিকারিক, পুলিশ প্রশাসনের নজরে পড়েনি সরকারি জমি দখলের ঘটনা। কয়েক বছর আগে এখানকার নতুন রাস্তা ও ড্রেনের উদ্বোধন করে আশ্বাস দিয়েছিলেন, যারা বসবাস করছে  তাদের কাউকে উচ্ছেদ করা হবে না। তাহলে তিনি সব জেনেও আজ কেন উল্টো কথা বলছেন? আমরা তো তৃণমূলকে (Trinamool Congress) ভোট দিয়ে এসেছি। কষ্টের উপার্জন দিয়ে জমি কিনেছি। আমাদের কী অপরাধ?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়ির জমি কেলেঙ্কারির রহস্যভেদে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক

    Siliguri: শিলিগুড়ির জমি কেলেঙ্কারির রহস্যভেদে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির (Siliguri) ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে জমির মাফিয়ারাজ নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি করল বিজেপি। তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতা দেবাশিস প্রামাণিক গ্রেফতার হতেই ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ি এলাকায় শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের মদতে জমি মাফিয়াদের সরকারি জমি দখল করে বিক্রি করার ঘটনায় শিলমোহর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, তাঁর এই সরব হওয়া ও দলের প্রভাবশালী নেতাকে গ্রেফতার করানোর ঘটনার পিছনে অন্য অভিসন্ধি দেখছে বিজেপি। শিলিগুড়ি জুড়ে জমি কেলেঙ্কারির সঠিক তদন্তের জন্য সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল বিজেপি।

     মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ দাগলেন বিজেপি বিধায়ক (Siliguri)

    শিলিগুড়ির (Siliguri) বিজেপি বিধায়ক তথা বিধানসভার বিজেপির মুখ্য সচেতক শঙ্কর ঘোষও এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত চান। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী এমন ভাব দেখাচ্ছেন তাতে মনে হয়, ২০১১ সালে তিনি শপথ নেওয়ার পর বিদেশ চলে গিয়েছিলেন। এখন ফিরে এসে তিনি জানতে পারছেন, তাঁর দলের নেতারা ডাবগ্রাম-ফুলবাড়িতে জমি কেলেঙ্কারিতে যুক্ত। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নিজেকে বাঁচাতে ও সৎ প্রমাণ করতে তাঁর দলের নিচুতলার কর্মীদের বলির পাঁঠা করছেন। সৎ সাহস থাকলে নিরপেক্ষ তদন্ত করে এই জমি মাফিয়ারাজে যারা যুক্ত তাদের সকলকে গ্রেফতার করুন। শুধু আইসি-ওসি নয়, পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরাও যেন রেহাই না পান।

    আরও পড়ুন: ব্যাঙ্ক লোন নিয়ে ফ্ল্যাট! বেআইনি জানতে পেরে ঘুম উড়েছে আবাসিকদের

      ওসি, আইসিদের তালিকা তৈরি করা হচ্ছে!

    দেবাশিস প্রামাণিককে গ্রেফতারের পর পুলিশ প্রথমে ঠিক করে বলতে পারেনি কোন অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রথমে বলা হয়েছিল মারধর, খুনের চেষ্টার অভিযোগ। পরবর্তীতে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে মান্যতা দিতে জমি কেলেঙ্কারির দিকটি প্রকাশ্যে আনা হয়। এই ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে পুলিশ প্রশাসনও চিন্তায় পড়ে গিয়েছে। কেননা দেবাশিস ও তাঁর বাহিনী  দিনের পর দিন এভাবে সরকারি জমি দখল করে বিক্রি করে দিয়েছে, তা পুলিশের শীর্ষ কর্তারা জানতেন না, এটা কেউ বিশ্বাস করতে চাইছে না। পুলিশ সূত্রে খবর, শিলিগুড়ি (Siliguri) পুলিশ কমিশনারেটের উঁচুতলরার কর্তাদের বাঁচাতে এনজেপি থানায় এই সময়কালে যারা ওসি, আইসি ছিলেন তাদের ভূমিকা নিয়ে তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

    কী বলছেন শিখা চট্টোপাধ্যায়?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, পুলিশের মদতে তৃণমূল নেতারা এখানে বুক ফুলিয়ে জমির কারবার ফেঁদেছে। শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের শীর্ষ কর্তারা যদি বলেন, তারা জানতেন না তাহলে তারা এই চাকরি করার যোগ্য নন। সব থেকে বড় কথা,  মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়ের পরিবার আদিগঙ্গায় জমি দখল করে রেখেছে। পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতিতে ডুবে রয়েছেন। তাই, শিলিগুড়ির এই জমি কেলেঙ্কারির সঠিক তদন্তের জন্য সিবিআই তদন্ত হওয়া দরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: বিজেপির লিড ৭২ হাজার! শিলিগুড়িতে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি গ্রেফতার

    Siliguri: বিজেপির লিড ৭২ হাজার! শিলিগুড়িতে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশ গ্রেফতার করল তৃণমূলের ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির ব্লকের সভাপতি দেবাশিস প্রামাণিককে। বুধবার রাতে এনজেপি থানায় গ্রেফতার করে তাঁকে শিলিগুড়ি (Siliguri) থানায় নিয়ে আসা হয়। থানার সামনে তৃণমূল নেতার অনুগামীরা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তৃণমূল দল আর করব না বলে অনুগামীরা হুঁশিয়ারি দেন।

    কে দেবাশিস প্রামাণিক? (Siliguri)

    দেবাশিস একসময় এলাকার কংগ্রেস নেতা ছিলেন। কংগ্রেসের টিকিটে এলাকার দীর্ঘদিন পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন। ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পর তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। তারপর তৃণমূলের শিলিগুড়ির এক শীর্ষ নেতার আশীর্বাদ ধন্য হয়ে তাঁর প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়তে থাকে। ক্রমে তিনি পঞ্চায়েত সদস্য থেকে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ হন। এবার তাঁর আসন সংরক্ষিত হওয়ায় তিনি দাঁড়াতে পারেননি। চারমাস আগে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি ব্লক তৃণমূলের সভাপতি করা হয়। এলাকার মানুষের অভিযোগ, ফুলবাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের বর্ডার রপ্তানি সহ এলাকার জমির অবৈধ কারবার, শিল্প স্থাপন, উন্নয়নের কাজ, সবকিছুতেই শেষকথা ছিলেন দেবাশিস। বাহিনী বানিয়ে অনৈতিক কাজ করে ফুলে-ফেঁপে উঠেছেন। পেশায় ঠিকাদার ছিলেন। শিলিগুড়ির (Siliguri) এক শীর্ষনেতার ঘনিষ্ঠ হওয়ার সুবাদে বড় বড় কাজের বরাত তিনি পেয়ে যেতেন। 

    আরও পড়ুন: বীরভূমের পর বর্ধমান! রেললাইনের ধারে বিজেপি নেতার দেহ, শোরগোল

     কেন গ্রেফতার? 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাহুডাঙ্গির পাগালু পাড়ার বাসিন্দা বিমল রায় নামে এক ব্যক্তি দেবাশিসের বিরুদ্ধে মারামারি ও খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতেই পুলিশ তাঁকে গেফতার করেছে। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে একাধিক ধারা যুক্ত করেছে পুলিশ। সামান্য মারামারির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা মানতে চাইছেন না নেতার অনুগামীরা। সূত্রে জানা গিয়েছে, লোকসভা নির্বাচনে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় বিজেপি ৭২ হাজার ২৪৫ ভোটে লিড পেয়েছে। জলপাইগুড়ির আসনে বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়ের ৮৬ হাজার ৭৭৭ ভোটে জয়ের ক্ষেত্রে ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির লিড বিশেষ ভূমিকা নেয়। মুখ্যমন্ত্রী সভা করে যাওয়ার পরও তৃণমূলের এই ভরাডুবিতে তৃণমূলের শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেবও দেবাশিসকেই দোষারোপ করেন। দলের এই হার মুখ্যমন্ত্রী  মেনে নিতে পারেননি। সম্প্রতি, মুখ্যমন্ত্রী জমির অবৈধ কারবার নিয়ে দলের নেতাদের কঠোর পদক্ষেপের বার্তা দেন। তিনি ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ির নাম করে জমির অবৈধ কারবারের সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশকে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। জমি মাফিয়াদের রমরমার ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী গৌতম দেবকেও দোষারোপ করেন। দেবাশিসকে মূলত দলের বিপর্যয়ের জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে। এর পিছনে শিলিগুড়ির এক শীর্ষ তৃণমূল নেতার মদত রয়েছে।   

    কেউ তৃণমূল করবে না, ক্ষোভ

    বুধবার রাতে শিলিগুড়ি (Siliguri) থানায় দেবাশিসের অনুগামীরা এসে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। এক অনুগামী ফোনে ফুলবাড়ি এলাকার তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যকে নির্দেশ দেন অবিলম্বে পদত্যাগ করার জন্য। তারপর চিৎকার করে তিনি বলতে থাকেন, দেবাশিসকে গ্রেফতারের  মাশুল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শিলিগুড়ির মেয়রকে দিতে হবে। গ্রেফতারের পিছনে প্রকৃত কারণ কী, কাদের মদত রয়েছে সব প্রকাশ্যে আনা হবে। এরপর আর কেউ তৃণমূল করবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: তিলক কেটে ছাত্রীকে স্কুলে না আসার ফতোয়া! অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    Siliguri: তিলক কেটে ছাত্রীকে স্কুলে না আসার ফতোয়া! অভিযুক্ত শিক্ষিকাকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের পর এবার শিলিগুড়ি (Siliguri)। সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রী স্কুলে তিলক কেটে যাওয়ায় এক শিক্ষিকা তাতে আপত্তি করেন। এই ঘটনায় বিতর্ক তৈরি হয়। এই বিতর্ককে সামনে রেখে বুধবার স্কুলে বিক্ষোভ দেখালেন অভিভাবকরা। সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির মাটিগাড়া ব্লকের মেডিক্যাল মোড় ঠিকনিকাটা জুনিয়র হাইস্কুলে। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি মুর্শিদাবাদেও একই ধরনের ঘটনা ঘটে। প্রতিবাদে অভিভাবক ও এলাকার বাসিন্দারা খোল-কর্তাল নিয়ে নাম-সংকীর্তণ করে স্কুলে বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। 

     ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Siliguri)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ঠিকনিকাটা (Siliguri) জুনিয়র হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী রত্না বর্মন ও তার পরিবারের সকলে ইসকনের ভক্ত। মঙ্গলবার স্কুলে রত্না কপালে তিলক কেটে স্কুলে গিয়েছিল। রত্না বলে, শিউলি ম্যাম আমাকে স্কুলে তিলক কেটে আসতে মানা করেন। বাড়িতে গিয়ে মা’কে বলি। তারপর বাবা ও পাড়ার সকলে বিষয়টি জানতে পারে। বাবা-মা,পাড়ার সকলে এবং ইসকনের সদস্যরা বুধবার স্কুলে এসে মঙ্গলবারের ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদ জানায়। তাই এদিন তিলক কেটে স্কুলে এসেছি। ম্যাম আর কিছু বলেননি। 

    আরও পড়ুন: ২০ টাকায় রাজি হয়নি! পুলিশের তোলাবাজি থেকে বাঁচতে দুর্ঘটনার কবলে পিকআপ ভ্যান

     অভিভাবকদের কী বক্তব্য?

    এদিন সকালে স্কুল খুলতেই দল বেধে অভিভাবক ও ইসকনের শিষ্যরা জমায়েত হন। অভিযুক্ত শিক্ষিকা শিউলি পালকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান। জানতে চান, কেন রত্না বর্মনকে তিলক কেটে আসতে মানা করা হয়েছে। এক অভিভাবক মলয় সরকার বলেন, স্কুলের শিক্ষিকা  এভাবে তিলক কেটে আসতে মানা করায় হিন্দুধর্মের আবেগে আঘাত করেছেন। এর প্রতিবাদ জানাতে এদিন আমরা স্কুলে এসে ওই শিক্ষিকার কাছে জানতে চাই, স্কুলের কোন নিয়মে লেখা রয়েছে যে তিলক কেটে কেউ স্কুলে আসতে পারবে না। শিক্ষিকা এব্যাপারে সদুত্তর দিতে পারেননি। এতে উত্তেজনা বাড়তে থাকে। শেষে সকলের সামনে তিনি ক্ষমা চেয়ে নেওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

     ক্ষমা চাইলেও অভিযোগ মানছেন না শিক্ষিকা

    শিক্ষিকা শিউলি পাল বলেন, এদিন অভিভাবকরা স্কুলে জমায়েত হওয়ায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে। তাতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য আমি ক্ষমা চেয়ে নিই। তবে, আমি ওই ছাত্রীকে তিলক কেটে আসতে মানা করিনি। রত্নার বাবা নির্মল বর্মন বলেন, আমার মেয়ে মিথ্যা কথা বলে না। নিজেকে বাঁচাতে শিক্ষিকা এখন এসব কথা বলছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: বাবা-মার সঙ্গে আর বাড়ি ফেরা হল না, ট্রেন দুর্ঘটনা কেড়ে নিল ৬ বছরের স্নেহার প্রাণ

    Train Accident: বাবা-মার সঙ্গে আর বাড়ি ফেরা হল না, ট্রেন দুর্ঘটনা কেড়ে নিল ৬ বছরের স্নেহার প্রাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মামাবাড়িতে কাটানো সেই আনন্দের গল্প আর বন্ধুদের বলা হল না ছোট্ট স্নেহার। সোমবার সকালে বাবা-মায়ের হাত ধরে আনন্দে গদগদ হয়ে বাড়ি ফিরছিল স্নেহা। অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে (Train Accident) সে চেপেছিল সে। তারপর সব শেষ। মালদার ছ’বছরের স্নেহা মণ্ডলের নিথর দেহ এখন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মর্গে শুয়ে রয়েছে।

    স্নেহার বাবা-মা ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে (Train Accident)

    সোমবার রাঙাপানি এলাকায় মর্মান্তিক ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘার যাত্রী ছিল স্নেহা। বাবা- মা’র সঙ্গে বাড়ি ফিরছিল সে। কয়েকদিন আগে শিলিগুড়ির মাটিগাড়ায় মামাবাড়ি এসেছিল। সোমবার বাড়ি ফিরছিল। ট্রেন দুর্ঘটনায় স্নেহার বাবা মণিলাল মণ্ডল ও ছবি মণ্ডলও জখম হয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্নেহা সঙ্কটজনক অবস্থায় পিকু ওয়ার্ডে ভেন্টিলেশনে ছিল। পাশাপাশি সোমবার কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ভয়াবহ দুর্ঘটনার পর মোট ৩৭ জন ভর্তি হয় উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তার মধ্যে একজনের মৃত্যু হয় ট্রমা কেয়ার ইউনিটে। আর আশঙ্কাজনক ছিল ছ’বছরের ওই স্নেহা। শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম ছিল তার। সোমবার থেকে তার শারীরিক পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে চলছিল শিশু রোগ বিশেষজ্ঞদের একটি দল। তবে, শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি তাকে। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক সন্দীপ সেন বলেন, “পায়ে আঘাত থাকার পাশাপাশি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। কালকে থেকেই মেডিক্যাল টিম অস্ত্রোপচার করে বাচ্চাটির রক্তক্ষরণ বন্ধের চেষ্টা করে। পিকুতে ভর্তি ছিল। আজ সকালে তাকে হারিয়েছি আমরা।”

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    মেয়েকে হারিয়ে মুষড়ে পড়েছেন বাবা

    এদিন সকালে মৃত্যুর খবর শোনার পর চোখের জল মুছে চলেছেন বাবা মণিলাল মণ্ডল। সামনে কেউ গেলে বলছেন, আমরা এখন কাকে নিয়ে বাঁচব? কারও কাছে এর উত্তর নেই। তিনি বলেন, শিলিগুড়ির মাটিগাড়া আমার শ্বশুরবাড়ি। ক’টাদিন সেখানে স্নেহা কত আনন্দই না করেছে। সোমবার বাড়ি ফিরছিলাম। আর ওকে নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারব না।

     হাসপাতালে পরিজনদের ভিড়়

    এদিকে এদিন সকালে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জখম যাত্রীর পরিজনরা একে একে আসতে শুরু করেন। কেউ প্রিয়জনকে জখম অবস্থায় বেডে শুয়ে থাকতে দেখে ডুকরে কেঁদে উঠছেন। কেউ বা মরদেহ নিয়ে যাওয়ার জন্য মর্গের সামনে অপেক্ষা করছেন। তাদের চোখে জল নেই। নির্বাক হয়ে তাকিয়ে রয়েছেন। সকলেরই প্রশ্ন, কীভাবে এই সর্বনাশ হল?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kanchanjunga Accident: দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে লোকো পাইলট অনিলের জীবন, জানেনই না সহকর্মী মনু

    Kanchanjunga Accident: দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে লোকো পাইলট অনিলের জীবন, জানেনই না সহকর্মী মনু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকালে একইসঙ্গে মালগাড়ির ইঞ্জিনের উঠেছিলেন লোকো পাইলট অনিল কুমার। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সহকারি লোকো পাইলট মনু কুমার। অভিশপ্ত মালগাড়িটি শিলিগুড়ির রাঙাপানি এলাকায় কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে গিয়ে ধাক্কা মারে। আর তাতেই সব কিছু শেষ হয়ে যায়। ভয়াবহ দুর্ঘটনায় (Kanchanjunga Accident) অনিল কুমারের মৃত্যু হয়। আর গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মনু কুমার।

    সহকর্মীর মৃত্যুর খবর কানে পৌঁছয়নি (Kanchanjunga Accident)

    হাসপাতালের বেডে শুয়ে বড় কিছু ঘটেছে তা বুঝতে পেরেছিলেন মনু কুমার। তবে, তাঁর চোট গুরুতর হওয়ায় দুর্ঘটনার (Kanchanjunga Accident) বিষয়ে তাঁকে কেউ খুব বেশি কিছু বলছেন না। তাই, তাঁর সহকর্মীর মৃত্যুর খবর কানে পৌঁছয়নি। কিন্তু, আন্দাজ করেছিলেন। বড় কিছু তো ঘটেইছে। হাসপাতালের বেডে শুয়ে তখনও নিজের সহকর্মীর খোঁজ নিচ্ছিলেন মনু। আশঙ্কা করছিলেন কী হয়েছে ঠিক! তবে সেটা বুঝতে পারছিলেন না তিনি। হাসপাতালের বেডে শুয়ে চোখ বন্ধ করে কিছু একটি চিন্তা করছেন। তবে, তিনি খুব বেশি কথা বলছেন না।

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়ে নিয়েছে লোকো পাইলট অনিলের জীবন

    জানা গিয়েছে, একসঙ্গেই যাত্রা শুরু করেছেন মালগাড়ির অ্যাসিস্ট্যান্ট লোকো পাইলট মনু কুমার এবং লোকো পাইলট অনিলবাবু। অনেকখানি পথ গিয়েছিলেন একসঙ্গে। কিন্তু, বাধ সাধল দুর্ঘটনা (Train Accident)। গুরুতর আহত অবস্থায় মনু শুয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের হাসপাতালের বেডে। আর অনিলবাবু নেই। দুর্ঘটনা কেড়ে নিয়েছে তাঁর প্রাণ। বেডে শুয়ে মনু কুমার বলেন,”‘ড্রাইভার সাহাব ক্যাসে হ্যায়”। অপর প্রান্ত থেকে উত্তর এল, “এখনও ওঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি।” এই উত্তর শুনে বাকিটা বুঝতে অসুবিধা হল না হল তাঁর। চোখ বুঝলেন। আর কোনও প্রশ্ন করলেন না। হয়ত তিনি বুঝেই গিয়েছেন, তাঁর সহকর্মী আর নেই। তাই, আর কিছু বললেন না। মনু শুধু বললেন, “আমি কিচ্ছু জানি না। মোবাইল নম্বর মনে নেই। আমার কিছু মনে পড়ছে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Train Accident: মেয়ের জন্মদিনে বালিগঞ্জের বাড়িতে আর ফেরা হল না, শুভজিতের নিথর দেহ শিলিগুড়ির মর্গে

    Train Accident: মেয়ের জন্মদিনে বালিগঞ্জের বাড়িতে আর ফেরা হল না, শুভজিতের নিথর দেহ শিলিগুড়ির মর্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেয়ের জন্মদিন পালনের জন্য বাড়িতে আনন্দ উৎসবের তোড়জোড় চলছিল। মেয়ের কথা মেনে তাড়াতাড়ি বাড়ি পৌঁচ্ছাতে অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চড়ে বসেছিলেন কলকাতার বালিগঞ্জের শুভজিৎ মালি। আর মেয়ের আবদার রাখতে পারলেন না শুভজিৎ। শিলিগুড়িতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন দুশ্চিন্তায় ছিলেন। পরে, মৃত্যু সংবাদ বাড়িতে আসতেই শোকের ছায়া নেমে আসে পরিবারে।

    মেয়ের জন্মদিনে আর ফেরা হল না, শুভজিতের নিথর দেহ শিলিগুড়ির মর্গে (Train Accident)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শুভজিতবাবু একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। কাজের সূত্রে প্রায়শই ভিন রাজ্যে যেতে হয় তাঁকে। সম্প্রতি গিয়েছিলেন নাগাল্যান্ডে। গিয়েছিলেন চার চাকার গাড়ি চালিয়ে। সেখানে গাড়ি সাপ্লাই দিয়ে ফিরছিলেন কলকাতায়। প্রায় পাঁচ বছর ধরে তিনি এই কাজ করে আসছেন। গাড়ি নিয়ে ভিন রাজ্যে যান, সাপ্লাই দিয়ে আবার ফিরে আসেন। কিন্তু, এবার মেয়ের আবদার মেটাতে দ্রুত বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেনে চেপেই বাড়ি ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। কারণ, বাড়িতে ১১ বছরের মেয়ে রয়েছে তাঁর। সোমবারই ছিল মেয়ের জন্মদিন। ছোট্ট মেয়েটা আবদার করেছিল, বাবা বাড়ি এলে তবেই কেক কাটবে। সেই টানেই তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরার জন্য উঠেছিলেন অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে। কিন্তু, আর মেয়ের সঙ্গে দেখা হল না। মেয়ের জন্মদিনও উদযাপন করা হল না। নিউ জলপাইগুড়ি ছেড়ে আসার পর কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় (Train Accident) কাড়ল কলকাতার শুভজিৎ মালির প্রাণ। তাঁর নিথর দেহ শিলিগুড়িতে (Siliguri) উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মর্গে পড়ে রয়েছে। বালিগঞ্জের জামির লেনের বাড়িতে এখন শুধুই কান্নার রোল আর স্বজন হারানোর যন্ত্রণা।

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    মেয়ের জন্মদিনে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলেছিল

    স্বামীর মৃত্যু সংবাদ পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর স্ত্রী। তিনি বলেন, “রবিবার রাতেও ফোন ওর সঙ্গে অনেকক্ষণ কথা হয়েছে। মেয়ের জন্মদিন নিয়ে আমাদের অনেক পরিকল্পনা করা হয়েছিল। জন্মদিনে বাবা আসছে শুনে মেয়েও খুব খুশি ছিল। বাড়িতে ফিরে ঘুরতে যাওয়ার কথাও বলেছিল। তবে, সোমবার সকালে ও ট্রেনে ওঠার পর ফোন করেনি। আমার সঙ্গে আর কথা হয়নি। এরপরই ট্রেন দুর্ঘটনার (Train Accident) খবর পাই। ফলে, সারাক্ষণ টিভির পর্দায় নজর ছিল। অবশেষে সব শেষ।” এরপর কান্নায় চোখ বুজে এল তাঁর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share