Tag: Siliguri

Siliguri

  • Rail Accident: শতাব্দী এক্সপ্রেসের কল বুক ফিরিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার ডিউটি নেওয়া কাল! মৃত্যু হল গার্ডের

    Rail Accident: শতাব্দী এক্সপ্রেসের কল বুক ফিরিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার ডিউটি নেওয়া কাল! মৃত্যু হল গার্ডের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বামী আশিস দে-র মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না তাঁর স্ত্রী গীতিকা দে। রবিবার রাতেও স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে বেরিয়ে ফুচকা খেয়েছেন। বাড়িতে এসে দুজনে গান করেছেন। সোমবার সকালেই ডিউটি যাওয়ার সময় দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দিয়েছিলেন গীতিকাদেবী। স্বামী চলে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সব শেষ। শিলিগুড়ির কাছে রাঙাপানি এলাকায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় (Rail Accident) কেড়ে নিয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের গার্ডের জীবন।

    শতাব্দী এক্সপ্রেসের কল বুক ফিরিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘার ডিউটি নেওয়া কাল! (Rail Accident)

     অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের গার্ড ছিলেন আশিস দে। সোমবার রাঙাপানি এবং নিজ বাড়ির মাঝে ট্রেন দুর্ঘটনাটি (Rail Accident) ঘটে। শিলিগুড়ি পুরসভার ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের বলাকা মোড়ে থাকতেন আশিসবাবু। খবরে পেয়ে  উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাগলের মতো ছুটে আসেন তাঁর স্ত্রী গীতিকাদেবী। সঙ্গে ছিলেন তাঁর মেয়ে। তাঁদেরকে কেউ সামলাতে পারছিলেন না। গীতিকাদেবী কাঁদতে কাঁদতে বলেন, “এদিন সকালে শতাব্দী এক্সপ্রেস নিয়ে যাওয়ার কল বুক এসেছিল। ওই ডিউটি নিলে আর কিছু হত না। সেই ডিউটি ফিরিয়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের ডিউটি নেয়। পরে, ফোনে আমাকে এসব ও জানিয়েছিল। কে ভেবেছিল এই সিদ্ধান্তে আমার সংসার, স্বপ্ন সবকিছুই তছনছ হয়ে যাবে।”

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    দুজনে একসঙ্গে গানও করেছিলেন

    গীতিকাদেবী আরও বলেন, “রবিবার আমরা ঘুরতে বেরিয়েছিলাম। বাড়ি ফিরে কত গল্প করলাম। রাতে বাড়ি ফিরে ডিমের ওমলেট বানাই। ও কোনওদিন রান্না করত না। ভালো গান গাইত। গান বলতে পাগল ছিল। অনেকদিন পর আমরা দুজনে বসে রবিবার রাতে অনেক্ষণ গান করি। বাড়িতে একটা সুন্দর আনন্দের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। সেই আনন্দ বিষাদে পরিণত হয়ে যাবে ভাবতেও পরিনি। আশিস সকালে ডিউটি যাবে। সেই মতো উঠে সব কিছু ব্যবস্থা করে দিয়েছিলাম। ডিউটিতে যাওয়ার কয়েক ঘন্টা বাদে সেই মানুষটা আর নেই, তা ভাবতেই পারছি না।” এরপর তিনি ফের কান্নায় ভাসালেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Accident: ছুটি কাটিয়ে আর কাজে ফেরা হল না, ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় কেড়ে নিল আবগারি ওসি-র প্রাণ

    Rail Accident: ছুটি কাটিয়ে আর কাজে ফেরা হল না, ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় কেড়ে নিল আবগারি ওসি-র প্রাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন ছুটি কাটিয়ে ফের কাজের জায়গায় ফিরছিলেন মালদার মানিকচক সার্কেলের আবগারি দফতরের ওসি সালেব সুব্বা। সোমবার সকালেও তিনি বুঝতে পারেননি অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে চাপা তাঁর কাল হবে। বাড়ি থেকে আর চাকরির জায়গায় ফেরা হল না তাঁর। শিলিগুড়ির রাঙাপানিতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় (Rail Accident) কেড়ে নিয়েছে তাঁর প্রাণ। রেল ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে ওই আবগারি আধিকারিকের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। পরিবারের লোকজনকেও জানানো হয়েছে। তাঁরা ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁচ্ছেছেন।

    নিহত সরকারি আধিকারিকের বাড়ি গরুবাথানে (Rail Accident)  

    জানা গিয়েছে, আবগারি আধিকারিক সালেব সুব্বার বাড়ি কালিম্পঙের গরুবাথানে। এদিন অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের যাত্রী ছিলেন তিনি। ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় (Rail Accident) মৃত্যু হয়েছে তাঁর। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে তাঁর রক্তাক্ত দেহ। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, সালেব মানিকচকে কর্মরত ছিলেন। তবে, সঠিক কতদিন আগে ছুটি নিয়ে তিনি বাড়িতে ছিলেন তা স্পষ্ট করে কোনও কিছু জানা যায়নি। তবে, এদিন ট্রেনে কর্মস্থলেই ফিরছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলাশাসকও। সোমবারই তাঁর কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার কথা ছিল। সেই মতো সকালে ট্রেনে উঠেছিলেন তিনি। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে দুর্ঘটনার আগে শেষবার কথা হয়েছে কি না তা জানা যায়নি। কিন্তু, আর তাঁর কাজে যাওয়া হল না। শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে এসে তখনও পৌঁছতে পারেননি।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    মৃত্যু হয়েছে মালগাড়ির লোকো পাইলটের

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ৮ জনের দেহ রয়েছে। দেহাংশ উদ্ধার হয়েছে। পিটিআই সূত্রে খবর, মৃতের সংখ্যা ১৫। আহত হয়েছেন বহু। সোমবার সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের অদূরে রাঙাপানি এলাকায় শিয়ালদাগামী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে এসে ধাক্কা মারে মালগাড়ি। প্রাথমিকভাবে সিগন্যালের গন্ডগোলের জন্যই এই ট্রেন দুর্ঘটনা বলে জানা যাচ্ছে। যদিও কারণ এখনও তদন্ত সাপেক্ষ। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে, মালগাড়ির লোকো পাইলট সহকারি লোকো পাইলটের। মৃত্যু হয়েছে কাঞ্চনজঙ্ঘার গার্ডেরও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Accident: দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন রেলমন্ত্রীর, অশ্বিনীকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জখম যাত্রীরা

    Rail Accident: দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন রেলমন্ত্রীর, অশ্বিনীকে কাছে পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন জখম যাত্রীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়ির রাঙাপানি এলাকায় ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় (Rail Accident) জখম যাত্রীদের পাশে দাঁড়ালেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। সোমবার বিকেল নাগাদ বাগডোগরা বিমানবন্দরে নেমে তিনি সোজা রাঙাপানির দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে রেলমন্ত্রী  হাসপাতালে ট্রেন দুর্ঘটনায় জখম যাত্রীদের দেখতে যান।

     রেলমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে জখম যাত্রীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন (Rail Accident)

    এদিন ঘটনাস্থলে গিয়ে রেলমন্ত্রী উদ্ধারকার্যের তদারকি করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত রেল আধিকারিকদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। জখম রোগীরা কোথায় রয়েছেন তা তিনি জানতে চান। পরে, রেলমন্ত্রী উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ট্রেন দুর্ঘটনায় জখম যাত্রীদের সঙ্গে তিনি কথা বলেন। বিশেষ করে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন জখম যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন রেলমন্ত্রী। তাঁকে কাছে পেয়ে জখম যাত্রীরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। তাঁদের পাশে থাকা ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার আশ্বাস দেন রেলমন্ত্রী। জখম যাত্রীদের হাতে ফল তুলে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

     কী বললেন রেলমন্ত্রী?

    রেলমন্ত্রী বলেন, “আমরা এখন জোর দিয়েছি উদ্ধারকার্যে। এখনও সেই কাজ চলছে। এপর্যন্ত মোট আট জনের মৃত্যু হয়েছে। এখানে জখমদের চিকিৎসা চলছে। দুর্ঘটনার পর পর স্থানীয় মানুষ, স্থানীয় জেলা প্রশাসন, এনডিআরএফ এবং রেল কর্মীরা তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধারকার্য চালিয়ে যাচ্ছে। তাই, এখন রাজনীতি করার সময় নয়। এখন সবার আগে উদ্ধারকাজের ওপর নজর দেওয়া দরকার। যাত্রী নিরাপত্তার দিকে সম্পূর্ণ ফোকাস রয়েছে।” সিগনালিং ব্যর্থতার কারণেই কি এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা? যদিও এই নিয়ে এখনই কোনও মন্তব্য করতে চাননি রেলমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কমিশনার অব রেলওয়ে সেফটির রিপোর্ট এলেই এই বিষয়ে মন্তব্য করা যাবে। তার আগে কিছু বলা যাচ্ছে না। দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখে, এই ধরনের ঘটনা যাতে ভবিষ্যতে কখনও পুনরাবৃত্তি না হয়, সেটা নিশ্চিত করা হবে।” প্রসঙ্গত, কলকাতাগামী কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে এসে ধাক্কা মেরেছে মালগাড়ি। ট্রেনের একাধিক কামরা প্রচণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Accident: “নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলাম”, বললেন রেল দুর্ঘটনায় জখম যাত্রী বিশ্বনাথ

    Rail Accident: “নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরলাম”, বললেন রেল দুর্ঘটনায় জখম যাত্রী বিশ্বনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিশ্চিত মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরলাম। বেঁচে আছি বিশ্বাসই হচ্ছে না। নিজের গায়ে চিমটি কেটে দেখছি সত্যিই বেঁচে আছি তো। হাসপাতালের বেডে শুয়ে একথায় বললেন শিলিগুড়ির রাঙাপানিতে রেল দুর্ঘটনায় (Rail Accident) জখম যাত্রী বিশ্বনাথ শর্মা। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। তাঁর বাড়ি নদিয়ার কৃষ্ণনগরে।  

    ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল আস্ত কামরা (Rail Accident)

    সোমবার এনজেপির কাছে রাঙাপানি ও নিজবাড়ি স্টেশনের মাঝে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পিছনে ধাক্কা মারে একটি মালগাড়ি। রেল দুর্ঘটনায় (Rail Accident) বহু যাত্রী জখম হন। সর্বশেষ পাওয়া খবরে, আটজন জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সেই অভিশপ্ত কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের যাত্রী ছিলেন বিশ্বনাথ শর্মা। তিনি বলেন, “আমি ট্রেনের পিছনের দিক থেকে দুনম্বর কোচে ছিলাম। ঘুম থেকে ভোরবেলায় উঠেছি। অসম থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। এনজেপি স্টেশন ছাড়ার পর চা-বিস্কুট খেয়ে বসেছিলাম। হঠাৎ একটা ধাক্কায় ঝাঁকুনি দিয়ে উঠল আমার বগি। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই দেখি ট্রেনের বগির দুধারে দেওয়াল, সিট আমাকে দুদিক দিয়ে চেপে ধরছে। ওপরে তাকাতেই দেখি বগির সিলিং তিন ভাগ হয়ে ত্রিশূলের মতো আকৃতি নিয়ে আমার বুকের ওপর নেমে আসছে। সঙ্গে সঙ্গে দুই হাত দিয়ে তা ঠেকানোর চেষ্টা করি। সেই চেষ্টায় একটা রড ধরতে পারি। সেই রড ধরেই এক ঝটকা মেরে পাশ কাটিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করলাম। কোনওরকমে বাইরে ছিটকে পড়লাম। তারপর আর কিছু মনে নেই। জ্ঞান ফিরতেই দেখি হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছি।  যেভাবে সিলিং ভেঙে তিনটি ফলা ত্রিশূলের মতো হয়ে নেমে আসছিল,আমি যদি না ধরতাম তাহলে তার একটি আমার বুকে ঢুকে যেত। ঢুকলেই আমার মৃত্যু নিশ্চিত ছিল।”

    আরও পড়ুন: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

      জানি না কোন শক্তি দিয়ে, ভেঙে পড়া কোচের সিলিং আটকাতে পারলাম! 

    জানা গিয়েছে, বিশ্বনাথ শর্মা পেশায় পাচক। ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন জায়গায় রান্নার কাজ করেন। গুয়াহাটি থেকে অসম, ডিব্রুগড় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে রান্নার কাজ করে বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি বলেন, “এখন হাতে কোনও কাজ ছিল না। তাই বাড়ি ফিরছিলাম। এদিন রাতে শিয়ালদা স্টেশনে নেমে লোকাল ট্রেন ধরে কৃষ্ণনগরে বাড়ি পৌঁছে যাওয়ার কথা ছিল। বাড়িতে সকলে অপেক্ষা করছে, আমি কতক্ষণে বাড়ি যাব। জানি না এখন বাড়ির লোক খবর পেয়েছে কিনা। ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞ, আমার ও আমার পরিবারের কথা ভেবে আমাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন। আমি এখনও ভেবে উঠতে পারছি না, কোন শক্তি দিয়ে, দুর্ঘটনায় ভেঙে পড়া কোচের সিলিং আটকাতে পারলাম।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rail Accident: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    Rail Accident: শিলিগুড়িতে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা, কাঞ্চনজঙ্ঘায় ধাক্কা মালগাড়ির, মৃত ৮, জখম ৬০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সকালে এনজেপির কাছে রাঙাপানি  রেল স্টেশন এলাকায় ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনা ঘটে। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের কামরায় পিছন দিক থেকে একটি মালগাড়ি সজোরে এসে ধাক্কা মারে। যার জেরে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের দুটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় বেসরকারি সূত্রে এখনও পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহতের সংখ্যা ৬০ জন। তবে রেল সূত্রে এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা আট। দুর্ঘটনাগ্রস্ত মালগাড়ির চালক মৃত।বহু যাত্রী আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি (Rail Accident) ঘটে এনজেপি থেকে রাঙাপানির কাছে ১১ কিলোমিটারের মধ্যে। ঘটনাস্থলে রেলের পদস্থ কর্তারা ইতিমধ্যে পৌঁচ্ছে গিয়েছেন। যে লাইনে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, কলকাতা থেকে শিলিগুড়ির সঙ্গে রেল যোগাযোগের প্রধান লাইন সেটাই। ফলে, আপাতত দূরপাল্লার ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

    কী ভাবে এই দুর্ঘটনা? (Rail Accident)

    সোমবার সকালে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে নির্ধারিত সময়েই রওনা দিয়েছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। সকাল ন’টার কিছু পরে রাঙাপানি স্টেশন থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস বেরিয়ে যাওয়ার সময় পিছন থেকে একটি মাল গাড়ি এসে ধাক্কা মারে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।  কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস এর দুটি বগি দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে। মালগাড়ির লোকো পাইলট ভিতরে আটকে পিষ্টঅবস্থায় আটকে রয়েছে। রেল সূত্রে ৮ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। স্থানীয় মানুষরা উদ্ধারকার্যে এগিয়ে এসেছেন। রেলের পদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছলেও ঠিক কী কারণে দুর্ঘটনা সেই নিয়ে এখনও তাঁরা কিছু  বলা পারছেন না। একই লাইনে দুটি ট্রেন কিভাবে এল এটা নিয়ে সকলেরই প্রশ্ন।

     কী পরিস্থিতি?

    এদিন সকাল  বৃষ্টি থাকায়  উদ্ধারকাজও ব্যাহত হচ্ছে। এই দুর্ঘটনার জেরে কলকাতা – শিলিগুড়ির  সহ  দূরপাল্লার ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। একটি কামরা লাইন থেকে ওপরের দিকে উঠে রয়েছে। তার নীচে ঢুকে রয়েছে মালগাড়ির ইঞ্জিন। বৃষ্টি সেই সঙ্গে লাগোয়ায় জমা জলে পরিস্থিতি প্রতিকূল হয়ে ওঠে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ট্রেন থেকে ছিটকে যাওয়া কামরাদু’টি দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে। এলাকায় বৃষ্টিও চলছে। অনেকে ছাতা মাথায় দিয়ে ঘটনাস্থলে রয়েছেন।

    শিয়ালদা স্টেশনে রেলের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম

    রেল দুর্ঘটনার (Rail Accident) পর পরই যাত্রীর পরিবারের লোকজনের সহযোগিতার জন্য রেলের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। যাত্রীদের পরিবারের লোকজন শিয়ালদা স্টেশনে ভিড় করা শুরু করেছেন। যাত্রীদের পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, দুর্ঘটনায় কতজন মারা গিয়েছেন। জখম কতজন হয়েছেন। তা আমরা জানতি পারিনি। চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NEET Exam 2024: নিট-এ দেশের সেরা বাংলার রূপায়ণ- সক্ষম, দুজনেই এইমসে পড়তে চান

    NEET Exam 2024: নিট-এ দেশের সেরা বাংলার রূপায়ণ- সক্ষম, দুজনেই এইমসে পড়তে চান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মেডিক্যালে ভর্তির সর্বভারতীয় প্রবেশিকা নিট-এ (NEET Exam 2024) দেশের সেরাদের মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের তিনজন। এরমধ্যে মুর্শিদাবাদের বহরমপুরের রূপায়ণ মণ্ডল এবং শিলিগুড়ির সক্ষম আগরওয়াল। এছাড়া কলকাতার একজন রয়েছেন। তিনজনই ৭২০ নম্বরের মধ্যে ৭২০ নম্বর পেয়েছেন। দেশের মধ্যে সেরা হওয়ায় পরিবারে খুশির হাওয়া।

    ভালো সার্জেন হতে চান রূপায়ন (NEET Exam 2024)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রূপায়ণের বাড়ি মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে। তিনি মাধ্যমিকে ৯৮ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন। উচ্চমাধ্যমিকে ৯৫ শতাংশ নম্বর পান। তিনি লালবাগ নবাব বাহাদুর ইনস্টিটিউশনের ছাত্র। যদিও মাধ্যমিকে ডন বস্কো স্কুল থেকে পড়াশুনা করেছেন। বাবা জ্যোতিকান্ত মণ্ডল পেশায় স্কুল শিক্ষক। তিনি ছোট থেকেই ছেলেকে পড়াতেন। পড়াশুনার পাশাপাশি গল্পের বই পড়তে তিনি ভালোবাসেন। মা রুবি বিশ্বাসও পেশায় শিক্ষিকা। তিনি বলেন, পড়াশোনা চালানোর পাশাপাশিই ‘নিট’-এর (NEET Exam 2024) প্রস্তুতির জন্য একটি কোচিংয়েও যোগ দেয়। সেখানে নিয়মিত মক টেস্ট সে দিত। পড়াশুনার পাশাপাশি এই প্রস্তুতি চালানো বেশ কঠিন ছিল। ছেলের এই সাফল্যে আমরা গর্বিত। ও একজন ভালো সার্জেন হতে চায়।

    সফলতা নিয়ে কী বার্তা দিলেন সক্ষম?

    শিলিগুড়ির সক্ষম আগরওয়ালের পড়াশোনায় প্রিয় বিষয় পদার্থবিদ্যা হলেও পেশায় এক জন সফল চিকিৎসক হতে চান সক্ষম। ‘নিট’-এ বহরমপুরের রূপায়নের মতো ৭২০ পেয়ে দেশের সেরা হয়েছেন তিনি। শিলিগুড়ির মাটিগাড়ার একটি উপনগরীর বাসিন্দা। সক্ষমের বাবা চেতন আগরওয়াল পেশায় চিকিৎসক। অ্যানাস্থেসিস্ট হিসাবে তিনি একটি নার্সিংহোমে কাজ করছেন। সক্ষমের মা মায়া কুমারী গৃহবধূ। বিহারের মধুরপুরায় জন্ম সক্ষমের। ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ার সময় শিলিগুড়িতে চলে আসা। এখানে দাগাপুরে সিবিএসসি বোর্ডের একটি স্কুলে পড়াশোনা। একাদশ শ্রেণিতে নির্মাণ বিদ্যাজ্যোতি স্কুলে ভর্তি হন সক্ষম। স্কুলে পড়াশোনা চালানোর পাশাপাশিই ‘নিট’-এর (NEET Exam 2024) প্রস্তুতির জন্য একটি কোচিংয়েও যোগ দেন তিনি। স্কুলের সঙ্গে দুই বছর কোচিংয়ের পড়ার তাল মেলানো কঠিন ছিল। সক্ষমের কথায়, “নতুন চ্যাপ্টার পড়ার সঙ্গে কিন্তু পুরনো পড়াগুলো নিয়মিত ঝালিয়ে নিতে হবে। না হলে ভুলে গেলে পরিশ্রম মাটি হবে। তাই নিয়মানুবর্তিতা খুবই জরুরি।” খুব কঠিন হলে বাড়িতে ছয়-সাত ঘণ্টা পড়ার জন্য রাখতেন সক্ষম।

    দিল্লির এইমস-এ সক্ষম পড়তে চান

    প্রস্তুতির সময় গল্পের বইপড়া বা সিনেমা দেখে সময় নষ্ট করতে রাজি নন সক্ষম। তাই সমাজমাধ্যম থেকেও নিজেকে সংযত করে রাখতেন। পড়ার ফাঁকে কখনও ফুটবল বা ব্যাডমিন্টন বা টেবল টেনিস খেলতে ভালবাসেন তিনি। সক্ষমের সাফল্যে খুশি বাবা চেতন আগরওয়াল। তিনি বলেন, “চিকিৎসক হিসাবে একদিন মানুষের উপকার করবে সেটাই আশা করি।” দিল্লির এমস-এ সক্ষম পড়তে চান। এখন সেই প্রস্তুতি চলছে ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শিলিগুড়িতে ধরাশায়ী গৌতম দেব, ডেপুটি মেয়র! অধিকাংশ ওয়ার্ডে বাজিমাত করল বিজেপি

    Siliguri: শিলিগুড়িতে ধরাশায়ী গৌতম দেব, ডেপুটি মেয়র! অধিকাংশ ওয়ার্ডে বাজিমাত করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রার্থী না হয়েও দুটি লোকসভা আসনে পরাজিত শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র তথা তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। এর পরেও শিলিগুড়ির মেয়র পদে থাকার ক্ষেত্রে গৌতম দেবের নৈতিক দায়িত্ব নিয়ে দলের মধ্যেই প্রশ্ন উঠেছে। শুধু গৌতম দেবের ওয়ার্ড নয়, গোটা শিলিগুড়ি পুরসভার অধিকাংশ ওয়ার্ডে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে বাজিমাত করেছে বিজেপি।

    প্রার্থী না হয়েও কেন পরাজিত গৌতম দেব? (Siliguri)

    দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের অধীনে রয়েছে শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার ৩৩টি ওয়ার্ড। আর জলপাইগুড়ি লোকসভার অধীনে রয়েছে ১৪ টি ওয়ার্ড। শিলিগুড়ি পুরসভার তৃণমূলের দখলে থাকার পরেও ৪৬ টি ওয়ার্ডে বিজেপি বিপুল ভোটে লিড নিয়েছে। দার্জিলিং আসনে পুরসভার ৩৩  টি ওয়ার্ডে  গতবার ৬৫ হাজার ৪৮৬ ভোটে এগিয়ে ছিল বিজেপি। এবার তা বেড়ে ৬৬ হাজার ৯ ভোট হয়েছে। এরমধ্যে মেয়রের নিজের পাড়া ও ডেপুটি মেয়রের ওয়ার্ডও রয়েছে। একমাত্র ছয় নম্বর ওয়ার্ডের সামান্য কিছু ভোটে তৃণমূল প্রার্থী লিড নিয়েছেন। অন্যদিকে, জলপাইগুড়ি আসনে শিলিগুড়ি পুরসভার সংযোজিত ১৪ টি ওয়ার্ডেও একই অবস্থা। মেয়র গৌতম দেবের নিজের ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডেও তৃণমূল প্রার্থী পিছিয়ে রয়েছেন। এই ১৪ টি ওয়ার্ড ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকার মধ্যে পড়ে। এই এলাকায় দলের নির্বাচনী দায়িত্বে ছিলেন গৌতম দেব। এই বিধানসভা এলাকায় তিনি এর আগে ১০ বছর বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী ছিলেন। তারপরেও এবার এই বিধানসভা এলাকায় বিজেপি ৭২ হাজার ২৪৫ ভোটে লিড নিয়েছে।

    আরও পড়ুন: বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে গুলি করে তৃণমূল কর্মীকে খুন, নদিয়ায় কোন্দল প্রকাশ্যে

    পুরসভা চালাতে ব্যর্থ মেয়র!

    মেয়র গৌতম দেব ও তাঁর কাউন্সিলারদের ব্যর্থতা ও ব্যবহারের জন্যই শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভা এলাকায় তৃণমূলের এই ভরাডুবি বলে মনে করছেন দলের একাংশ। তৃণমূলের এক জেলা নেতা বলেন, “মেয়র হয়ে গৌতম দেব  নিজের সুবিধা ও প্রচার ছাড়া তিনি কিছু বোঝেন না। এবার নিজের মতো করে বিক্ষিপ্তভাবে ভোটের প্রচার করেছেন। কতটা প্রচার করছেন তা দেখানোর জন্য সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়েছেন। আর্থিক সঙ্কটের কারণে শহরে পরিষেবা যখন ব্যাহত হচ্ছে, তখন তিনি কোটি কোটি টাকা খরচ করে পুরসভার ঝাঁ চকচকে নতুন ভবন তৈরি করেছেন। নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর চেম্বারের অনুকরণে নিজের চেম্বার বানিয়েছেন। এর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর ব্যবহার ভালো নয়। তৃণমূল কাউন্সিলরদের বিরুদ্ধেও নানা ধরনের অভিযোগ রয়েছে। এসবের কারণেই এই ভরাডুবি। ” দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি জেলা তৃণমূল নেতৃত্বও নির্বাচনে গৌতম দেবের ভূমিকা নিয়ে দলের রাজ্য নেতৃত্বকে রিপোর্ট দিচ্ছে।

    কী বলছেন মেয়র তৃণমূল নেতা গৌতম দেব?

    শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র বলেন, দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্র ২০০৯ সাল থেকে বিজেপির দখলে রয়েছে। এই আসনে আমরা কেন ভালো ভোট জোগাড় করতে পারছি না তা বুঝতে পারছি না। কেন এরকম বারবার হচ্ছে তা পর্যালোচনা করে দেখতে হবে। জলপাইগুড়ি সহ সমগ্র উত্তরবঙ্গে তৃণমূলের ফল নিয়ে পর্যালোচনা করে দেখা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: বিষ জল কাণ্ড! পুলিশের সঙ্গে বিজেপির মহিলা মোর্চার ব্যাপক ধস্তাধস্তি, উত্তেজনা শিলিগুড়িতে

    Siliguri: বিষ জল কাণ্ড! পুলিশের সঙ্গে বিজেপির মহিলা মোর্চার ব্যাপক ধস্তাধস্তি, উত্তেজনা শিলিগুড়িতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাথায় মাটির কলসি মাথায় নিয়ে শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার সামনে শনিবার বিক্ষোভ দেখাল বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলার মহিলা মোর্চা। মেয়র গৌতম দেবের পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দেন। মেয়রের কুশপুতুল পোড়াতে গেলে পুলিশ তা কেড়ে নেয়। মহিলা মোর্চার এই আন্দোলনকে পুলিশ দিয়ে ভেস্তে দেওয়ার চেস্টায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরসভা চত্বর। পুলিশের সঙ্গে মহিলা মোর্চার সদস্যদের ব্যাপক ধস্তধস্তি হয়। বিজেপি মহিলা মোর্চা সদস্যদের মারধর করার অভিযোগ ওঠে।

    কেন এই আন্দোলন? (Siliguri)

    জলের জন্য হাহাকার চলছে শিলিগুড়ি (Siliguri) জুড়ে। পানীয় জল চাইছেন মানুষ। ১৫ দিন দূষিত জল পান করিয়ে এখন শহরবাসীকে জল দিতে পারছেন না শিলিগুড়ির তৃণমূল মেয়র। এর প্রতিবাদে শনিবার শিলিগুড়ি পুরসভা অভিযানের ডাক দিয়েছিল বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা মহিলা মোর্চা।  ডাবগ্রাম- ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শেখা চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এদিন বাঘাযতীন পার্ক থেকে বিশাল মিছিল করে মহিলা মোর্চা শিলিগুড়ি পুরসভার সামনে উপস্থিত হয়। সকলের মাথায় ছিল মাটির কলসি। পুরসভায় ঢোকার মুখে পুলিশের বাধার মুখে পড়তে হয়। বিশাল পুলিশবাহিনী এদিন মোতায়েন করা ছিল পুরসভার গেটের সামনে।  অভিযোগ পুলিশের ভিড়ে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী ছিল। পুলিশের সামনেই তারা বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মারধর করে।

    মেয়র এখন ময়ূর হয়ে বসে রয়েছেন, কটাক্ষ বিজেপির

    শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র গৌতম দেব নাগরিক পরিষেবা দিতে ব্যর্থ। শহরের মানুষকে  বিষাক্ত করিয়ে এখন ময়ূর হয়ে তিনতলায় বসে রয়েছেন। এই মেয়র অপদার্থ। অবিলম্বে তাঁর পদত্যাগ চাই। তিনি মানুষের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছেন। তাই পুলিশ দিয়ে মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কাড়া হচ্ছে। মানুষ তাঁর কাছে জল চাইতে এসেছিলেন।

    মেয়রকে এক গ্লাস করে জল খাওয়ানোর আবেদন সুকান্তর

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, শহরবাসীর কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা একগ্লাস করে দূষিত জল নিয়ে গিয়ে মেয়রকে খাওয়ান। তাহলে তিনি বুঝতে পারবেন শহরবাসীকে তিনি ২৫ দিন ধরে কী খাইয়েছেন। বিজেপি এই বিষ জলপান নিয়ে জনস্বার্থ মামলা করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ ।                                                        

  • Siliguri: বিষ জল ইস্যুতে বিজেপির আন্দোলনে ধুন্ধুমার, মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি শঙ্করের

    Siliguri: বিষ জল ইস্যুতে বিজেপির আন্দোলনে ধুন্ধুমার, মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২০ দিন ধরে বিষ জল পান করানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল পরিচালিত শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার বিরুদ্ধে। এরই প্রতিবাদে শুক্রবার আন্দোলনে নামে বিজেপি। সেই আন্দোলন আটকে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। আর তা নিয়ে চরম উত্তেজনা দেখা দেয় এলাকায়।

    বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি (Siliguri)

    পুরসভার জল কেলেঙ্কারিতে বৃহস্পতিবার থেকে শিলিগুড়িতে (Siliguri) পানীয় জলের হাহাকার। এর প্রতিবাদ জানাতে শুক্রবার পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা কমিটি। পুরসভার বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি কাউন্সিলর অমিত জৈনের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল পুরসভার গেটের সামনে হাজির হয়। ঘটনাস্থলে থাকা বিশাল পুলিশ বাহিনী মিছিল আটকানোর চেষ্টা করে। অভিযোগ, পুলিশ বলপূর্বক এই মিছিল আটকাতে গেলে বিজেপির কাউন্সিলর, নেতা, কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয়। ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

    আরও পড়ুন: প্রাক বর্ষার বৃষ্টি শুরু রাজ্যে! শনিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস জেলায় জেলায়

    কেন পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপি?

    গত বুধবার সাংবাদিক সম্মেলন করে শিলিগুড়ির (Siliguri) মেয়র গৌতম দেব ঘোষণা করেন, দুই সপ্তাহ ধরে শিলিগুড়ি শহরে পুরসভা থেকে যে পানীয় জল সরবরাহ করা হয়েছে তা ভয়ঙ্কর মাত্রায় দূষিত। সেই জল যেন আর কেউ পান না করেন। মেয়রের মুখ থেকে একথা শোনার পর শহরবাসী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সেই সঙ্গে দেখা দেয় পানীয় জলের হাহাকার। পুরসভার এই দায়িত্ব জ্ঞানহীন কাজ এবং  মানুষকে বিপদে ফেলে দেওয়ায় প্রতিবাদ জানাতে এদিন পুরসভা ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছিল বিজেপি।

    মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলার হুমকি

    পরিস্থিতি সামাল দিতে শিলিগুড়ি (Siliguri) জুড়ে যে জল দেওয়া হচ্ছে তার শুদ্ধতা নিয়েও প্রশ্ন তুললেন বিজেপি বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি বলেন, মেয়র গৌতম দেবকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে। তৃণমূলের মেয়র মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছেন। জল মানে জীবন। তিনি মানুষকে দূষিত জল পান করিয়েছেন। এটা ভয়ঙ্কর অপরাধ। এখন পাউচে, পুরসভার ট্যাঙ্কে যে জল দেওয়া হচ্ছে তার শুদ্ধতা নিয়েও আমাদের সন্দেহ রয়েছে। কেননা নোংরা জলের ট্যাঙ্কে জল দেওয়া হচ্ছে। নোংরা ফেলার গাড়ি করে জলের পাউচ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মেয়রকে এই অধিকার কে দিয়েছে? আমাদের প্রশ্ন, মহানন্দার জল ব্যবহার করার আগেই কেন নমুনা পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা হয়নি। তিনি দূষিত জল মানুষকে খাওয়ানোর পর নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠান। এটা ক্ষমাহীন অপরাধ। গৌতম দেবের আর মেয়রের চেয়ারে বসার অধিকার নেই। অবিলম্বে তাঁকে পদত্যাগ করতে হবে। এখন সত্যের মুখোমুখি হতে তিনি ভয় পাচ্ছেন। মেয়রের বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলা করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ঘোষণার পরও মেলেনি পাউচ, এক লিটার জলের দাম ৮০ টাকা! মেয়রকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    Siliguri: ঘোষণার পরও মেলেনি পাউচ, এক লিটার জলের দাম ৮০ টাকা! মেয়রকে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল হতেই শিলিগুড়িরবাসী হাতে বালতি, জ্যারিকেন, বোতল নিয়ে রাস্তায় জনে জনে জিজ্ঞেস করছেন, কোথায় জল পায়? অবাক জলপান নয়, এ আতঙ্কের জলপান! বৃহস্পতিবার দিনভর এই দৃশ্য দেখা গিয়েছে শহর শিলিগুড়িতে। পানীয় জলের জন্য হাহাকার করছে শহর শিলিগুড়ি (Siliguri)। আর এই জলকষ্টের জন্য এদিন পুরসভায় চরম বিক্ষোভের মুখে পড়লেন মেয়র গৌতম দেব ও ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার। নিজের গাড়ি ছেড়ে এক মেয়র পারিষদ সদস্যের গাড়িতে এক প্রকার পালিয়ে যান মেয়র। শুনলেন চোর চোর স্লোগানও।

     হঠাৎ কেন জলের হাহাকার?(Siliguri)

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভা এলাকায় সরবরাহ হওয়া পানীয় জলে ভয়ঙ্কর মাত্রায় দূষণ রয়েছে। গত দু’সপ্তাহ ধরে শহরবাসী দূষিত জল পান করেছেন। বুধবার সাংবাদিক সম্মেলনে সেকথা কবুল করেন মেয়র তথা তৃণমূল নেতা গৌতম দেব। শহরবাসীকে পুরসভার নলবাহিত জল পান না করার তিনি আবেদনও জানান। মেয়রের এই ঘোষণায় শহরবাসী একদিকে যেমন আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন, সেরকম পানীয় জলের চরম সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ফের ইডির জেরার মুখে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা, এবার তলব রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে

    ঘোষণার পরও মেলেনি জলের পাউচ, এক লিটার জলের দাম ৮০ টাকা!

    বুধবার মেয়র ঘোষণা করেছিলেন, পাড়ায় পাড়ায় পর্যাপ্ত জলের পাউচ দেওয়া হবে। থাকবে পুরসভার জলের ট্যাঙ্কও। কিন্তু, এদিন সকালে কোথাও জলের পাউচ বিতরণ করা হয়নি। সকাল ১০ টা নাগাদ কিছু জায়গায় জলের ট্যাঙ্ক দেওয়া হয়। কিন্তু, সেখানেও লম্বা লাইন। কাজ ফেলে অফিস টাইমে এভাবে লাইন দিয়ে জল নেওয়ার ঘটনায় সকলেই ক্ষুব্ধ। এই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি দামে জল বিক্রি করছেন।  অভিযোগ, লিটার পিছু জলের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা। সেই জল বিক্রি হচ্ছে ৭০থেকে ৮০ টাকায়। তাও সবখানে জল মিলছে না।

    এ যে আতঙ্কের জলপান!

    পুরসভার (Siliguri) ট্যাঙ্কের জলে অধিকাংশ মানুষ আর ভরসা করতে পারছেন না। সকলেরই প্রশ্ন, কোথা থেকে আনা হচ্ছে এই জল। আদৌ কি নিরাপদ এই জল? দোকান থেকে কেনা বোতল, জ্যারিকেন বন্দি জল নিয়েও মানুষের মনে একই প্রশ্ন। শহরে জলের হাহাকার দেখা দেওয়ায়, মুনাফা করতে দূষিত জল ভরে বিক্রি করার আশঙ্কাও রয়েছে শহরবাসীর। তাই,কষ্টে জল জোগার করলেও সেটাও আতঙ্কের জলপান বলে মনে করেন সকলে।

     মেয়রকে ঘিরে উঠল চোর-চোর স্লোগান

    এই জল কেলেঙ্কারিতে গোটা শহর (Siliguri) ক্ষোভে ফুঁসছে। মেয়রের সমালোচনায় সরব গোটা শহর। বৃহস্পতিবার প্রাক্তন মেয়র অশোক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে পুরসভায় বিক্ষোভ দেখায় সিপিএম। তাতে সাধারণ মানুষও শামিল হন। মেয়র, ডেপুটি মেয়র পুরসভায় গেলে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়েন। তাঁদের উদ্দেশ্য করে চোর চোর স্লোগান ওঠে। কোনও মতে এক মেয়র পারিষদ সদস্যের গাড়ি করে এলাকা ছেড়ে কার্যত পালিয়ে যান মেয়র গৌতম দেব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share