Tag: Siliguri

Siliguri

  • Siliguri: “ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    Siliguri: “ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে ভোটের ৭২  ঘণ্টার মধ্যে রক্ত ঝরল শিলিগুড়িতে। অভিযোগ, বিজেপির হয়ে ভোটে কাজ করা ও জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেওয়ার কারণে তৃণমূলের হাতে  গুরুতরভাবে আক্রান্ত হলেন বিজেপি বুথ সভাপতি সহ ছ’ জন কর্মী। এর মধ্যে দু’জন মহিলা রয়েছেন। আক্রান্তদের শিলিগুড়ি (Siliguri) জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার রাতে মাটিগাড়া ব্লকের কলাইবক্তিয়ারিতে এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগে এফআইআর করে আন্দোলনে নেমেছে বিজেপি। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে রবিবার রাতেই মাটিগাড়া থানায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার মাটিগাড়া ব্লক বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসিপি, হেড কোয়ার্টার তন্ময় সরকার বলেন, হামলার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী হয়েছিল? (Siliguri)

    মাটিগাড়া -নকশালবাড়ি বিধানসভা এলাকায় কলাইবক্তিয়ারিতে  বিজেপির স্থানীয় বুথ সভাপতি নন্দকিশোর ঠাকুরকে বিজেপির হয়ে কাজ করতে বারণ করেছিল তৃণমূল। সেই নিষেধ অমান্য করে এলাকায় তাঁরা প্রচার করেছিলেন। এমনকী ভোটের দিন বুথের কাছে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়েছিলেন। ভোট শেষ হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপির বুথ সভাপতিসহ ছ’জন বিজেপি কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা চালায় দুস্কুতিরা। দু’জন মহিলা সহ ছয়জন গুরুতর জখম হয়েছেন। এই ঘটনায় সরাসরি তৃণমূলকে দায়ী করেছে বিজেপি। বিজেপির শিলিগুড়ি (Siliguri) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরুণ মন্ডল বলেন, তৃণমূল নেতা স্থানীয় তৃণমূল নেতা কৈলাশ মণ্ডল ও তাঁর দলবল ভোটের আগে থেকেই আমাদের বুথ সভাপতি  নন্দকিশোর ঠাকুরকে হুমকি দিচ্ছিল। রবিবার সকালে বাড়ি গিয়ে নন্দকিশোরকে  প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে মাটিগাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। রাতেই প্রাণঘাতি হামলা চালায় তৃণমূল নেতা কৈলাশ মণ্ডল ও তাঁর দলবল। আক্রান্ত বিজেপি নেতা নন্দকিশোরবাবু বলেন, ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূল। আমার পাশাপাশি দু’জন মহিলা সহ আমাদের ছ’জন কর্মী গুরুতর জখম হন। এর প্রতিবাদে সোমবার আমরা মাটিগাড়া বনধের ডাক দিয়েছি। মানুষ তাতে সাড়া দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: তৃতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলতে রাজ্যে আসছেন মোদি-যোগী

    তৃণমূলের দালাল পুলিশের মদতেই এই ঘটনা, বললেন রাজু বিস্তা

    বিজেপির দার্জিলিং লোকসভা আসনের প্রার্থী ও বিদায়ী সাংসদ রাজু বিস্তা এই ঘটানার জন্য পুলিশের নিষ্ক্রিয়তাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, রবিবার সকালে পুলিশকে অভিযোগ জানানোর পর ব্যবস্থা নেওয়া হলে এই ঘটনা ঘটত না। পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে। সকালে অভিযোগ পেয়েও এই ঘটনা ঘটানোর জন্য পুলিশ নিশ্চুপ হয়ে বসেছিল। তৃণমূলের এই সন্ত্রাস এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ তদন্ত করার দাবি জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Recrutment Scam: “আমি যে যোগ্য কেউ তা বিশ্বাস করবে না”, চাকরি হারিয়ে আক্ষেপ চন্দননগরের কার্তিক ধারার

    SSC Recrutment Scam: “আমি যে যোগ্য কেউ তা বিশ্বাস করবে না”, চাকরি হারিয়ে আক্ষেপ চন্দননগরের কার্তিক ধারার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাবা সেলুন চালিয়ে সংসার চালান। বাম আমলে প্রাথমিকে চাকরি পান। কিন্তু, হাইস্কুলের চাকরি পেয়ে হুগলির কার্তিক ধাড়া এসে ওঠেন শিলিগুড়িতে। ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি প্রাথমিকের চাকরি ছেড়ে হাইস্কুলে যোগ দেন। ৭ বছরের বেশি সময়ের নিশ্চিত চাকরি ছেড়ে, বাড়ি ছেড়ে এসেছিলেন শিলিগুড়ি। এসএসসির নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) মামলায় হাইকোর্টের রায়ে এবার গেল সেই চাকরিও। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল কার্তিকের। দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

    প্রাইমারির চাকরি ছেড়ে হাইস্কুলে যোগ দিয়েছিলেন (SSC Recruitment Scam)

    পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কার্তিকবাবুর বাড়ি হুগলির চন্দননগরে। বাড়িতে বয়স্ক বাবা-মা। বাবার সেলুন আছে। কার্তিক গ্র্যাজুয়েশন করার পর বাবা বলেছিলেন, এবার একটু কাজের খোঁজ করতে। সেলুন চালিয়ে আর তিনি একা এত কিছু টানতে পারছিলেন না। কার্তিকবাবু টিউশন করে এম কম করেন। পরে, ফর্ম ফিলআপ করে হরিপালে প্রাইমারি স্কুলে চাকরি পান তিনি। ২০১১ সালে চাকরিতে যোগদান করেন তিনি। পরে, এডুকেশনে আবার এম.এ করেন। কমার্সে দু’বার নেট ক্লিয়ারও করেছেন তিনি, দাবি পরিবারের সদস্যদের। ইচ্ছা ছিল কলেজেও পড়ানোর। বিভিন্ন পরীক্ষার ফর্ম ফিলআপ করতেন তিনি। ২০১৬তে এসএসসির ফর্ম বেরোল। লিখিত পরীক্ষায় বসলেন তিনি। ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন, ভাইভা সবেতেই  পাশ করে ২০১৮ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রাথমিকের চাকরি ছেড়ে হাইস্কুলে যোগ দেন। প্রাথমিকের প্রায় সাড়ে সাত বছরের চাকরি ছেড়ে এসএসসি দিয়ে হাইস্কুলে পড়াতে শিলিগুড়ি এসেছিলেন তিনি। সোমবার কলকাতা হাইকোর্ট ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগের (SSC Recruitment Scam) গোটা প্যানেল বাতিল করে দেওয়ার পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

    আরও পড়ুন: ১৭টি বিভিন্ন উপায়ে নিয়োগে দুর্নীতি করেছে এসএসসি! কী বলল হাইকোর্ট?

    আমি যে যোগ্য কেউ তা বিশ্বাস করবে না

    কার্তিক বলেন, “তালিকায় নিশ্চয়ই কিছু গোলমাল হয়েছে। তা নিয়ে কোনও বক্তব্য নেই। কিন্তু, যারা কিছু করেনি, তাদের কথা কোর্ট একবারও ভাবল না। আমার তো মাথাই কাজ করছে না, কী করব। এখন মনে হচ্ছে আগের প্রাইমারি চাকরিটা না ছাড়লে আজ আমার এরকম অবস্থা হতো না। পরিবারের চিন্তা, সঙ্গে আবার লোনও নিয়েছেন। বাড়ি থেকে আমাকে ফোনও করেছে। তাঁরা ভয় পাচ্ছেন, আমি যদি কিছু করে বসি। খুব বড় ধাক্কা। আমরা যারা যোগ্য, তাদের কাছে তো এই রায় মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ার মতো। সবাইকে বাতিল করে দিল, তাতে তো আমরাও খাদে পড়লাম। কী করব তো বুঝতেই পারছি না। এবার লোকজনও অন্য চোখে দেখবে। আমি যে যোগ্য কেউ তো বিশ্বাসই করবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Rajnath Singh: “বাংলায় আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই,” বিস্ফোরক রাজনাথ সিং

    Rajnath Singh: “বাংলায় আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই,” বিস্ফোরক রাজনাথ সিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী গৌরীশংকর ঘোষের সমর্থনে জলঙ্গিতে জনসভা করলেন কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি বাংলায় তিনটি সভা করেন। প্রথম সভা মুর্শিদাবাদে। দ্বিতীয় সভা মালদা উত্তর এবং তৃতীয় জনসভা শিলিগুড়িতে। এদিন মুর্শিদাবাদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বিভিন্ন ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা করেন।

    সন্দেশখালির ঘটনা মানবতার জন্য লজ্জার (Rajnath Singh)

    এদিন রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, “বাংলা অরাজকতার পরিবেশ। বাংলায় আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই। সন্দেশখালির যে ঘটনা তা মানবতার জন্য লজ্জার। এই বাংলায় শিক্ষা, রেশন, আবাস যোজনায়, চাকরি ক্ষেত্রে সর্বত্র দুর্নীতি। এখানে মমতাদি গরিবকে আবাস যোজনা দেওয়ার কথা বলছেন, কিন্তু আবাস যোজনা ক্ষেত্রেও ভয়াবহ দুর্নীতি হয়েছে।  মমতাজি পশ্চিমবঙ্গের মানুষকে লালসা দেখাচ্ছেন। কিন্তু, আপনি বাংলার মানুষক কেন্দ্রের আয়ুষ্মান প্রকল্প চালু করতে দেননি, যেখানে গরিব মানুষ ৫ লক্ষ টাকার স্বাস্থ্য পরিষেবা পাবেন। মমতাদি, আপনার পাপের ঘড়া ভরে গিয়েছে, এবার আপনার পতন। আপনি যতই মানুষকে ভুল বোঝান না কেন মানুষ আপনার এই মিথ্যা প্রতিশ্রুতি শুনবে না।”

    আরও পড়ুন: “গোর্খারা ন্যায় বিচার পাবে”, সভায় যেতে না পেরে ফোনে বার্তা দিলেন অমিত শাহ

    নাগরিকত্ব আইন কার্যকরী হবে

    রাজনাথ (Rajnath Singh) বলেন, “আমাদের সরকার বাংলায় ইন্ডাস্ট্রি রিসোর্ট বানানোর জন্য পয়সা দিয়েছে, চিত্তরঞ্জন ক্যান্সার সেন্টারের জন্য পয়সা দিয়েছে, সত্যজিৎ এওয়ার্ড ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন সেন্টারের জন্য পয়সা দেওয়া হয়েছে, সেই পয়সা কোথায় গেল?” তিনি আরো বলেন, “২০২২ সালের ৩০ শে ডিসেম্বর আমাদের প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে এসে বন্দে মাতরম ট্রেন উদ্বোধন করেন। সেই দিনই ৭৮০০ কোটি টাকার যোজনার শিলান্যাস করেন। প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন করার জন্য অন্তর থেকে তৈরি আছেন। কিন্তু, মমতাদির এ বিষয়ে কোনও চিন্তা নেই।” রাজনাথ সিং এই জনসভা থেকে মমতাদির উদ্দেশ্যে বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ যদি কাউকে বিশ্বাস করে তিনি হচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিজি। তাঁকে সকলেই ভালোবাসেন এবং সম্মান করেন।” তিনি বলেন, “আমরা বলেছিলাম ধর্মের কারণে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানে যাদের হেনস্তা করা হয়েছে, সারা ভারতে এলে এক নাগরিকত্ব আইন করে দেওয়া হবে। আর মমতাদি, আপনি বলছেন আমি পশ্চিমবঙ্গে নাগরিকত্ব আইন করতে দেব না।” এরপর জনসভা থেকে হুংকার দিয়ে তিনি বলেন, “মমতাদি ভারতীয় জনতা পার্টি পশ্চিমবঙ্গে আসছে। নাগরিকত্ব আইন এই পশ্চিমবঙ্গে কার্যকরী করবই । দুনিয়ায় এমন কোনও শক্তি নেই এই নাগরিকত্ব আইন করতে বাধা দেবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri: “নাম নেই, আমি নাকি মরে গিয়েছি”! ভোট দিতে পারলেন না বৃদ্ধা, অভিযোগে তোলপাড়

    Dhupguri: “নাম নেই, আমি নাকি মরে গিয়েছি”! ভোট দিতে পারলেন না বৃদ্ধা, অভিযোগে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সকাল সাতটা নাগাদ ভোট দিতে গিয়েছিলেন। দেড় ঘণ্টা হয়ে গেলেও ভোট দিতে পারেননি। এরপর প্রিসাইডিং অফিসার বলেন, আপনার নাম বাতিল হয়ে গিয়েছে। এবছর কিছু হবে না। পরে দেখা যাবে। তিনি কাকে যেন ফোন করলেন, তবু কিছুই হল না। ঠিক এমনই অভিযোগ করলেন ধূপগুড়ির (Dhupguri) একজন বৃদ্ধা ভোটার। ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। জীবিত ভোটার খাতায় কলমে ‘মৃত’!

    ভোট দিতে গিয়ে দেখেন ভোটার ‘মৃত’ (Dhupguri)

    এদিন জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) লোকসভা কেন্দ্রের ধূপগুড়ি (Dhupguri) পুরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে বৈরাতিগুড়ি হাইস্কুলে ভোট কেন্দ্রে যান বাসন্তী দাস। সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ ১৫/১৮৬ নম্বর বুথে ভোট দিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, তিনি নাকি খাতায় কলমে মৃত। তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ হয়ে গেছে। কাঁদতে কাঁদতে এই ভোটার বলেন, “আমাকে বলেছে আমি নাকি মরে গেছি। আমার নাম কেটে দিয়েছে ওরা। ভোট দিতে দেবে না বলে মৃত দেখিয়ে দিল।”

    ভোটারের বক্তব্য

    ধূপগুড়ির (Dhupguri) ভোটার বাসন্তী দাস বলেন, “প্রিসাইডিং অফিসার আমাকে বলেছেন, তাঁর কিছু করার নেই। ভোটার তালিকায় নাম নেই। ডিলিট হয়ে গেছে। তাই ভোট দিতে পারবেন না। তাই ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে ওই আমাকে।” বৃদ্ধার ছেলে উজ্জ্বল দাস এই প্রসঙ্গে বলেন, “মা একা ভোট দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ওখানে বলে তোমার নাম নেই। তুমি মৃত। মা বাইরে এসে আমাদের জানায়। ফের কথা বললে জানায়, নামের জায়গায় মৃত লেখা আছে। আমরা পরে বুঝে নেব। মা প্রায় দেড় ঘণ্টা ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তারপরেও ভোট দিতে পারেননি। আমরা তো প্রতিবার এখানেই ভোট দিই। এবারে কী হল জানি না।”

    আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে তৃণমূল নেতা সুনীলের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ! ভোট শুরুর প্রথম দিনেই কী বার্তা দিলীপের?

    ভক্তিনগর এলাকায় একই ঘটনা ঘটেছে

    অন্যদিকে একই ভাবে খাতায় কলমে মৃত দেখিয়ে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ি পুরসভার ৩৪ নং ওয়ার্ডের বাল্মীকি বিদ্যাপীঠ স্কুলে। জানা গিয়েছে ভক্তিনগর এলাকার বাসিন্দা গোবিন্দ রায় নির্ধারিত সময়ে ভোট দিতে আসেন। লাইনে দাঁড়িয়ে তিনি যখন বুথে ঢোকেন তখন জানতে পারেন তালিকায় তাঁর নাম নেই। তিনি নাকি মৃত! তবে প্রশ্ন হচ্ছে যে ব্যক্তি নিজের পায়ে হেঁটে ভোটার লাইনে আসেন সেই ক্ষেত্রে কী করে তিনি মৃত হতে পারেন। এদিন গোবিন্দ রায় বলেন, “সকাল সকাল এসে ভোটের লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। বুথে পৌঁছাতেই জানতে পারি তালিকা অনুযায়ী আমি মৃত। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ভোট দিয়েছে। শুধু আমি ভোট দিতে পারলাম না।” বিজেপির অভিযোগ তৃণমূলের ভোটার নন। এমন সন্দেহ হলেই নাম বাদ দিয়ে দিচ্ছে প্রশাসন।

    ভোটের দিনেই অশান্তি

    প্রসঙ্গত এরকম একাধিক অভিযোগ উঠেছে তিন কেন্দ্রেই। বহু মানুষ ভোট দিতে পারেননি। এমনকি বিরোধী দলের এজেন্টকেও বসতে দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। শাসক দল তৃণমূলের নেতারা বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের ব্যাপক মারধর এবং অশান্তি করেছে খবর উঠে আসছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিজেপি অভিযোগ জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনে। ধুপগুড়িতে (Dhupguri) জীবিত ভোটার এখন মৃত। ঘটনায় চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছে। কোচবিহারের (Coochbehar) বিজেপি প্রার্থী (BJP) নিশীথ প্রামাণিক ভোট দিয়েই অভিযোগের সুরে বক্তব্য রেখে বলেন, উদয়ন গুহ যেখানে যাচ্ছেন অশান্তি পাকাচ্ছেন। সংবাদ মাধ্যমের গাড়িতেও হামলা করানো হচ্ছে। মানুষকে ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছে না। শুধু কোচবিহারে নয়, উত্তরবঙ্গের অন্যান্য কেন্দ্রেও উঠেছে রিগিং ও অনিয়মের অভিযোগ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dilip Ghosh: বর্ধমানে তৃণমূল নেতা সুনীলের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ! ভোট শুরুর প্রথম দিনেই কী বার্তা দিলীপের?

    Dilip Ghosh: বর্ধমানে তৃণমূল নেতা সুনীলের বাড়িতে গিয়ে সাক্ষাৎ! ভোট শুরুর প্রথম দিনেই কী বার্তা দিলীপের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে গেলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বৃহস্পতিবার রাতে বর্ধমানের উল্লাসে সুনীল মণ্ডলের বাড়িতে পৌঁছন দিলীপ। দু’জনের মধ্যে এক ঘণ্টারও বেশি সময় কথা হয়। প্রসঙ্গত দিলীপ ঘোষের জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটারও ব্যবস্থা করেছিলেন সুনীল। তবে বিষয়টিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলে উল্লেখ করেছেন দুজনেই। লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন দলের কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না এই তৃণমূল নেতাকে। তিনি বলেন, “দল ডাকেনি তাই নামিনি।” অপর দিকে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে প্রথম দফার ভোটে আক্রমণ করেন দিলীপ ঘোষ।

    কী কারণে সুনীল-দিলীপের সাক্ষাৎ (Dilip Ghosh)?

    বর্ধমান শহরে ঢোকার মুখেই দু-নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে সাংসদ সুনীল কুমার মণ্ডলের বাড়ি। তাঁর বাড়ির নাম অভিযান। কী কারণে সুনীল মণ্ডলের সঙ্গে সাক্ষাৎ? এই প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “সুনীলদা আমার পুরনো বন্ধু। আমার জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা হল। একই ভাবে সেই কেক খাওয়ানো হয়েছে আমাকে। কিছুই করছেন না তিনি। অনুরোধ না করতেই চলে এসেছি আমি। রাজনীতির সঙ্গে কোনও যোগ নেই। এখন দেখা যাক কী করেন তিনি, কোথায় যান।”

    প্রথম দফায় অশান্ত নির্বাচন! প্রতিক্রিয়া দিলীপের

    প্রথম দফা নির্বাচন প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) বলেন, “তৃণমূলের পুরনো অভ্যাস, কোথাও বোমা পাওয়া যাচ্ছে, বন্দুক পাওয়া যাচ্ছে। আমার যেটা মনে হচ্ছে এবার পশ্চিমবঙ্গের ভোট শান্তিপূর্ণ হবে। যেমন রাম নবমীর মিছিল শান্তিপূর্ণ হয়েছে। টিএমসির অভ্যাস ঝগড়া করা, ভয় দেখানোর চেষ্টাও করে থাকে। মানুষ বুঝে গিয়েছে, তাই জবাব দেবে মানুষ।” প্রসঙ্গত বর্ধমানের কার্জন গেট চত্বরে বিজেপির পতাকা ছেঁড়া হয়। এনিয়ে শুরু হয় অশান্তি। এপ্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ প্রতিক্রিয়া দিয়ে বলেন, “এসব ছিঁচকে চোরের মতো কোথাও দেওয়াল মুছে দিচ্ছে, পতাকা ছিঁড়ে দিচ্ছে। এসব করে ভোট হয়? যারা লড়তে পারে না, তারা এই ধরনের কাজ করে। তবে বেশিদিন চলবে না, ঠিক হয়ে যাবে। আমরাও দেখছি পুলিশ কী করছে, না হলে বাকিটা আমরাই করব।”

    আরও পড়ুনঃ কোথাও তৃণমূলের বুথ দখল, কোথাও ছাপ্পা, হামলা! ভোটে অশান্ত উত্তরবঙ্গ

    শীতলকুচি প্রসঙ্গে বক্তব্য

    শীতলকুচি প্রসঙ্গে দিলীপ (Dilip Ghosh) বলেন, “শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা উদয়ন গুহর জায়গা, গন্ডগোল হবেই। ওরা যেকটা আছে গন্ডগোল করে। গতবারের শিতলকুচি, সীতাইয়ের প্রার্থী এবারের লোকসভার প্রার্থী হয়েছে, সে লোকসভা ভোটের পরে পালিয়ে গিয়েছিল এলাকা ছেড়ে, ছ’মাস আসেনি। আমরা বলেছিলাম কাউকে তাড়াব না আমরা। দিনহাটা, কোচবিহারে বাংলাদেশ থেকে গুন্ডা নিয়ে আসা হয়, উৎপাত করা হয়। তারপরেও শীতলকুচি বিধানসভায় আমরা জিতেছি। এবার সব জায়গায় লিড পাবে বিজেপি।” অন্যদিকে প্রথম দফা ভোটের আগে বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি। সকাল থেকেই শুরু হয়েছে অশান্তি। রাজ্যের প্রথম দফার ভোটে কোচবিহারে সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়েছে নির্বাচন। এখনও পর্যন্ত ভোটের যা অভিযোগ, প্রায় সবই এই জেলা থেকে। রাজখরা, চান্দিমারি-সহ জেলার একাধিক জায়গা থেকে বিক্ষিপ্ত অশান্তির খবর পাওয়া গিয়েছে। শীতলকুচি থেকেও তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষের খবর পাওয়া গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যে হিংসা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ শুভেন্দুর 

    Suvendu Adhikari: রাজ্যে হিংসা প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার উত্তরবঙ্গে ভোটের (Loksabha Election 2024) প্রচারে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেই নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ভূমিকায় যে একেবারে খুশি নন, তা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি। তাঁর মতে, একাধিক বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের পদক্ষেপ আরও কঠোর হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু তা হয়নি। রাম নবমীর অশান্তির কারণ মমতা। তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত ছিল। ঠিক এমনটাই জানান শুভেন্দু।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari), মমতার উস্কানিমূলক ভাষণ প্রসঙ্গে বলেন, “সংখ্যালঘু ভোট হারাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। অশান্তি ছড়ানো হচ্ছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় গোলমাল পাকানোর চেষ্টা হচ্ছে। পুলিশ যদি আগেভাগে ব্যবস্থা নিত, তাহলে এই ঘটনা ঘটার কথাই নয়। হিংসা নিয়ে সাত দিন ধরে চিৎকার করে গেছেন মমতা। নির্বাচন কমিশনের সাহস থাকলে তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত ছিল।” রাম নবমীর অশান্তির কারণ হিসেবে মমতার ষড়যন্ত্রকেই দায়ী করেছেন বিরোধী দলনেতা। তিনি রাজ্যপালের উত্তরবঙ্গ সফর প্রসঙ্গে বলেন, “রাজ্যপালকে যে ভাবে উত্তরবঙ্গে আসা থেকে আটকেছে নির্বাচন কমিশন, সেটা সমর্থনযোগ্য নয়।”

    আরও পড়ুনঃ প্রথম দফা লোকসভা ভোটের আগেই কোচবিহারে কর্তব্যরত জওয়ানের মৃত্যু

    ফাঁসিদেওয়া ব্লকে নির্বাচনী প্রচারে শুভেন্দু

    বৃহস্পতিবার শিলিগুড়ি (Siliguri) মহকুমা পরিষদের ফাঁসিদেওয়া ব্লকে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। দার্জিলিং-এর বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার (Raju Bista) সমর্থনে প্রচার কর্মসূচি ছিল তাঁর। সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল নেতৃত্বকে কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর ভাষণে উঠে আসে রাজনৈতিক হিংসার প্রসঙ্গ। আগেভাগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন রাম নবমীতে হিংসা হবে। এরপরই দেখা যায় বুধবার রাম নবমীর দিন মুর্শিদাবাদে গোষ্ঠী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। অগ্নিসংযোগ করা হয়। আশপাশের বাড়ি থেকে মিছিলকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। এরপর নির্বাচন কমিশনের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mithun Chakraborty: “বিজেপির ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রীর মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে”, তোপ মিঠুনের, রোড শোয়ে জনজোয়ার

    Mithun Chakraborty: “বিজেপির ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রীর মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে”, তোপ মিঠুনের, রোড শোয়ে জনজোয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার শিলিগুড়িতে মিঠুন চক্রবর্তীর (Mithun Chakraborty) রোড শোয়ে জনজোয়ার। এদিন বেলা ১২ নাগাদ দার্জিলিং লোকসভা আসনে বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার সমর্থনে শিলিগুড়ির গুরুং বস্তি থেকে চম্পাসারি মোড় পর্যন্ত রোড শো করেন মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁকে সামনে থেকে দেখার জন্য এদিন সকাল থেকেই রাস্তার দু’ধারে নানা ভাষা, বর্ণ ও বয়সের মানুষ প্রতীক্ষায় ছিলেন। মিঠুন চক্রবর্তীর কনভয় ঢুকতেই উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন জনতা। আর জনতার এই উন্মাদনা দেখে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, সবখানেই বিজেপির মিটিং, মিছিলে প্রচুর ভিড় হচ্ছে। আর বিজেপির এই ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে।

    মমতার গর্দার বলার জবাব দিলেন মিঠুন (Mithun Chakraborty)

    এদিন শিলিগুড়ির রোড শো থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও কুণাল ঘোষকে আক্রমণ করেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপির সমর্থনে প্রচার শুরু করার পর থেকেই মিঠুন চক্রবর্তীকে (Mithun Chakraborty) নিশানা করেছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আক্রমণ করতে গিয়ে মিঠুন চক্রবর্তীকে গর্দার বলেছেন। এদিন এই প্রসঙ্গে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, হ্যাঁ, আমি গর্দার, সর্দার সবই। বিজেপির মিটিং মিছিলের ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রীর মাথা খারাপ হয়ে যাচ্ছে। যতদিন যাবে  বিজেপির মিটিং মিছিলে ভিড় দেখে মুখ্যমন্ত্রীর মাথা আরও খারাপ হবে। তৃণমূলের রাজ্য নেতা কুণাল ঘোষও তাঁকে আক্রমণ করেছেন। সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কুণাল ঘোষ একটা নর্দমা। ওর নাম নেবেন না। ওর নাম নিলে দিন খারাপ যায়।

    আরও পড়ুন: এবছর কি আপনার প্রথম ভোট? তাহলে জেনে নিন ভোটকেন্দ্রে কী কী করণীয়?

    রাজু বিস্তা জিতবে, বললেন মিঠুন

    লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয় তথা আসন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। এদিন রোড শো’র ফাঁকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, আমি চার জায়গায় প্রচারে গিয়েছি, সবখানে মানুষের কাছ থেকেই পজিটিভ রেসপন্স পাচ্ছি। মানুষ বিজেপিকে চাইছে। এদিন শিলিগুড়িতেও যেভাবে মানুষের মধ্যে উন্মাদনা দেখলাম তাতে আমি নিশ্চিত বিজেপি সব জায়গাতেই জিতবে। আর রাজু বিস্তা গত পাঁচ বছরে এখানে যে কাজ করেছে তাতে দার্জিলিং লোকসভা আসনে যোগ্য প্রার্থী রাজু। এবারও বিপুল ভোটে জিতবে রাজু।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ram Navami 2024: রাম নবমীর শোভাযাত্রায় বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে পা মেলালেন তৃণমূল নেত্রী!

    Ram Navami 2024: রাম নবমীর শোভাযাত্রায় বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে পা মেলালেন তৃণমূল নেত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট বড় বালাই। অবশেষে রামকে আঁকড়ে ধরল তৃণমূল। বুধবার শিলিগুড়িতে (Siliguri) বিজেপি প্রভাবিত রামনবমী মহোৎসব কমিটির মিছিলে বিদায়ী সাংসদ তথা দার্জিলিংয়ের বিজেপি প্রার্থী রাজুর বিস্তার সঙ্গে হাঁটলেন দার্জিলিং জেলা (সমতল) তৃণমূলের সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ। রাজু বিস্তা একা নন। সেই মিছিলে ছিলেন শিলিগুড়ি মহকুমার বিজেপির তিন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ, আনন্দময় বর্মন ও দুর্গা মুর্মু। সবাইকে চমকে দিয়ে সেই মিছিলে পা মেলালেন পাপিয়া ঘোষ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের ধারণা, লোকসভা নির্বাচনের দোরগোড়ায় ধসে যাওয়া ভোট ব্যাঙ্ক মেরামতের মরিয়া চেষ্টাতেই এদিন পাপিয়া ঘোষ বিজেপির রাম নবমীর মিছিলে হাঁটতে বাধ্য হয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটল? (Siliguri)

    এদিন সকাল থেকে শিলিগুড়িতে (Siliguri) রাম নবমীকে ঘিরে ছিল বাঁধ ভাঙা উচ্ছ্বাস। রামভক্তদের একের পর এক মিছিলে সরগরম হয়ে ওঠে গোটা শহর। আরএসএস প্রভাবিত রাম নবমী মহোৎসব কমিটির মিছিল তারই একটি। এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন রাজু বিস্তা, বিজেপির তিন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ,  আনন্দময় বর্মন ও দুর্গা মূর্মু। ছিলেন বিজেপির একাধিক নেতা।  শহরের কেন্দ্র স্থল এয়ারভিউ মোড়ে সেই মিছিলেই  পা মেলাতে দেখা গেল দার্জিলিং জেলা( সমতল) তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ, জেলা যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি নির্ণয় রায় সহ তৃণমূলের বেশ কয়েকজন নেতাকে। দু’পক্ষকই একে অপরকে উত্তরীয় পরিয়ে, প্রসাদ বিনিময় করেন। বিজেপি বিরোধিতায় এই রামনবমী ও রাম নাম নিয়ে সুর চড়িয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাম নাম শুনে তাঁকে মেজাজ হারাতেও দেখা গিয়েছে।  তাই এদিন রাম নামে সব ছুৎমার্গ ভুলে পাপিয়া ঘোষ বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে হাঁটায় শহরে চাঞ্চল্য ছড়ায়। বিস্মিত হন সাধারণ মানুষ। তবে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলের একাংশের কাছে এটা প্রত্যাশিত। তাদের বক্তব্য, রাম নাম ও রাম নবমী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর দলের আচরণে তৃণমূলের ভোটেব্যাঙ্কে বড় ধস নেমেছে। ভোটের মুখে রাম নবমী নিয়ে সেই অবস্থান ধরে রাখলে বিপদ বাড়বে। সেটা বুঝতে পেরেই ড্যামেজ কন্ট্রোলের জন্য এদিন পাপিয়া ঘোষ বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে রাম নবমীর মিছিলে হাঁটেন।

    আরও পড়ুন: সুকান্তর খাসতালুকে রাম নবমীতে তৃণমূল নেতাদের মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ বুলি, হতবাক বালুরঘাটবাসী

     কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    দার্জিলিংয়ের বিদায়ী সাংসদ এবারেরও বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা পাপিয়া ঘোষের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, অবশেষে তৃণমূলের বোধোদয় হয়েছে। তৃণমূল বুঝতে পেরেছে রাম নাম ছাড়া সব কিছু অসম্পূর্ণ। ধর্ম নিয়ে আমরা রাজনীতি করি না। এদিন সাধারণ মানুষের উচ্ছ্বাসই বলে দিচ্ছে ভারত দ্রুত রাম রামরাজ্যে পরিনত হতে চলেছে।

     রাম কারও একার নয়, বললেন তৃণমূল নেত্রী

    পাপিয়া ঘোষ বলেন, রাম কারও একার নয়। আমরা হিন্দু, আমরাও রামের ভক্ত। এদিন সকাল থেকে রামের পুজো দিয়েছি। আমরা ধর্ম নিয়ে রাজনীতি করি না। তাই রাম নবমীর মিছিলে কে আছে দেখিনি। রামভক্ত হিসেবেই রামনবমীর মিছিলে হেঁটেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: “তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে”, বিস্ফোরক অনুরাগ ঠাকুর

    Siliguri: “তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে”, বিস্ফোরক অনুরাগ ঠাকুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল সরকার রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে। তাই, দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে এরাজ্য। সোমবার শিলিগুড়িতে (Siliguri) দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তার সমর্থনে প্রচারে এসে এভাবেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন কেন্দ্রের ক্রীড়া ও যুব কল্যাণ এবং তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন, এরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী গরিব ও সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না।

     জঙ্গিদের আশ্রয় দেয় তৃণমূল সরকার (Siliguri)

    এদিন শিলিগুড়িতে (Siliguri) নির্বাচনী প্রচারে রাজু বিস্তাকে জেতানোর আহ্বান জানান অনুরাগ ঠাকুর। তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে দেশজুড়ে উন্নয়নের কাজ হয়েছে। তার শরিক হয়ে রাজু বিস্তাও গত পাঁচ বছরে এই অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়নের কাজ করেছেন। মানুষ বুঝেছেন যে নরেন্দ্র মোদি গরিব ও সাধারণ মানুষের জন্য কল্যাণকর কাজ করেছেন, আগামী দিনেও করবেন। সেখানে রাজ্যের তৃণমূল সরকার সম্পর্কে মানুষের মধ্যে ঘৃণা, বিরক্তি এসে গিয়েছে। কলকাতা থেকে রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে গেলে তৃণমূল সরকার সম্পর্কে শোনা যায় দুর্নীতিগ্রস্ত, নারী নির্যাতনকারীদের আশ্রয়দাতা। ক্রমে জঙ্গিদেরও আশ্রয়দাতা হয়ে উঠেছে। বেঙ্গালুরু বা দেশের যে কোনও প্রান্তে  নাশকতা ঘটিয়ে জঙ্গিরা পশ্চিমবঙ্গে এসে  আশ্রয় নিচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই সাধারণ মানুষের মনেও প্রশ্ন উঠেছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের জঙ্গিরা কেন পশ্চিমবঙ্গে আশ্রয় নিচ্ছে? সাধারণ মানুষ বুঝে গিয়েছে যে, তৃণমূল সরকার জঙ্গিদেরও আশ্রয় দেয়। 

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালির পথেই কি নন্দীগ্রাম? তৃণমূল নেতার বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ মহিলাদের 

    এরাজ্যের গরিবদের বঞ্চিত করছে তৃণমূল

    তৃণমূল রাজ্যে গরিব মানুষের ক্ষতি করে চলেছে বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত সহ কৃষকদের বিমা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি এরাজ্যে লাগু করেননি। অথচ ১০০ দিনের কাজের  টাকার জন্য তিনি চিৎকার করে যাচ্ছেন। এরাজ্যের গরিব ও সাধারণ মানুষ বুঝে গিয়েছেন, সরাসরি তাদের উপকার লাগে এমন কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলি মুখ্যমন্ত্রী এরাজ্যে কেন লাগু হতে দেননি। তাই এবার  রাজু বিস্তা সহ রাজ্যের সব বিজেপি প্রার্থীকে জেতানর জন্য ভোটাররা মনস্থির করে ফেলেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: “সবই তো আমি দিয়েছি, কেন বিজেপিকে ভোট দেন?,” আক্ষেপ মমতার

    Mamata Banerjee: “সবই তো আমি দিয়েছি, কেন বিজেপিকে ভোট দেন?,” আক্ষেপ মমতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গে খাতা খুলতে জেলায় জেলায় জনসভা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রীর সভায় জনজোয়ার দেখাতে ছোট ছোট মাঠে জনসভা করা হচ্ছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক এনে সেই ছোট মাঠ ভরাচ্ছেন। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। কিন্তু, মাঠ ভরা দেখেও স্বস্তিতে থাকছেন মুখ্যমন্ত্রী। মাঠ ভরলেই ভোট জয় নিশ্চিত তা মনে করছেন না তিনি। তাঁর সভায় যারা আসছেন, সবাই যে তৃণমূলকে ভোট দেবেন না তা মুখ্যমন্ত্রী বুঝে গিয়েছেন। শনিবার শিলিগুড়ি লাগোয়া জাবরকভিটা জুনিয়র হাইস্কুল মাঠে জলপাইগুড়ি আসনে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে প্রকাশ্য সভায় নিজের বক্তব্যে মুখ্যমন্ত্রী সেই আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

     ঠিক কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (Mamata Banerjee)

    এদিন ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকায় একটি ছোট মাঠে মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) নির্বাচনী জনসভা ছিল। সেখানে বক্তৃতা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “২০২১-র বিধানসভা নির্বাচনে আমি এখানে গৌতম দেবের হয়ে জনসভা করতে এসেছিলাম। বড় মাঠ ভরে গিয়েছিল। ভেবেছিলাম গৌতম জিতবে। কিন্তু, পরে দেখলাম বড় ব্যবধানে ভোটে গৌতম হেরেছে।” মাঠ ভরলেই যে তৃণমূলে জয় নিশ্চিত নয়, নিজের এই আশঙ্কা এভাবেই এদিন তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাই তিনি উত্তেজিত হয়ে প্রশ্নের সুরে বলেন, “বিজেপি কী দিয়েছে? সবই তো আমি দিয়েছি। কেন আপনারা বিজেপিকে ভোট দেন?”

    আরও পড়ুন: দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন, একের পর এক বিস্ফোরণ, দমদমে একী কাণ্ড?

    কী বলছে বিজেপি?

    ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি বিধানসভা এলাকার বিধায়ক বিজেপির শিখা চট্টোপাধ্যায় বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) কথা শুনতে আর লোক পছন্দ করছে না। কেননা সকলেই জেনে গিয়েছেন উনি মিথ্যা কথা বলেন। মিথ্যাবাদী ও চোরদের কথা আর মানুষ শুনতে চাইছেন না। সে কারণেই তাঁর জনসভায় সাধারণ মানুষ হয় না। লোক দেখাতে ছোট ছোট মাঠে জনসভা করা হচ্ছে। আইসিডএস কর্মী, আশা কর্মী এবং রাজ্য সরকারি কর্মীদের দিয়ে সেই ছোট মাঠ ভরিয়ে দেখানো হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর সভায় জনজোয়ার। সেটা মুখ্যমন্ত্রীও জানেন। আর সে কারণেই তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন মাঠ ভরলেই তৃণমূল জিতবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share