Tag: Siliguri

Siliguri

  • Siliguri: সরকারি হলে দলীয় প্রচার তৃণমূলের, বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

    Siliguri: সরকারি হলে দলীয় প্রচার তৃণমূলের, বিধিভঙ্গের অভিযোগ তুলে কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিলিগুড়িতে (Siliguri) তৃণমূলের বিরুদ্ধে নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ উঠল। এই নিয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানাবে বিজেপি। শনিবার উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের লেকচার থিয়েটার হলে তৃণমূলের রাজ্য সরকারি কর্মচারী সমিতির সাংগঠনিক সভা ডাকা হয়েছিল। সেখানে দার্জিলিং আসনের তৃণমূল প্রার্থী গোলাম লামার সঙ্গে সকলের পরিচয় করানো হয়। পাশাপাশি সেখানে বিভিন্ন নেতারা বক্তব্য রাখেন। শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র গৌতম দেব মূল বক্তা ছিলেন। মেডিক্যাল কলেজের মতো সরাকারি জায়গায় এধরনের অনুষ্ঠানকে নির্বাচন বিধি ভেঙে করা হয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

     রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের দলীয় প্রচারে নামার নির্দেশ গৌতমের (Siliguri)

    রাজনৈতিক বক্তব্য রাখার পাশাপাশি বেশকিছু প্রতিশ্রুতির কথা বলেন মেয়র। শিলিগুড়ির (Siliguri) কাওয়াখালিতে অফিসপাড়া তৈরি করার মতো বেশ কিছু প্রতিশ্রুতি দেন গৌতম দেব। এই সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা, স্বাস্থ্য সহ রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতরের কর্মচারীরা। তাদের উদ্দেশ্যে গৌতম দেব বলেন, আপনারা এখান থেকে গিয়ে পাড়ায়-পাড়ায় ছোট ছোট বৈঠকের মধ্য দিয়ে আমাদের প্রার্থীকে জেতানোর আবেদনে প্রচার চালাবেন।

    আরও পড়ুন: মোদির সভা ঘিরে উন্মাদনা তুঙ্গে, আশায় বুক বাঁধছেন দলের কর্মী-সমর্থকরা

     কি বলছে বিজেপি?

    বিজেপির শিলিগুড়ি (Siliguri) বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, মালদাতেও একই ঘটনা ঘটিয়েছে তৃণমূল। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের মধ্যে সভা করে তৃণমূল নির্বাচনী প্রচার করল। সেখানে তৃণমূলের প্রার্থী সহ তাদের শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এটা নির্বাচন বিধিভঙ্গের মধ্যে পড়ে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে এ নিয়ে নালিশ জানাবো। পাশাপাশি তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে আমার প্রশ্ন, যে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ দিতে পারছে না তৃণমূল সরকার, সেখানে কোন মুখে তাদের নিয়ে ভোট প্রচার করার পাশাপাশি তাদেরকে ভোটের কাজে নামারও আবেদন জানান? তৃণমূল দু’কান কাটা, তাই তাদের মধ্যে কোনও লজ্জা নেই।

    কী বলছে তৃণমূল?

    সরকারি জায়গায় দলীয় প্রচার করে চরম বেকায়দায় পড়ে গিয়েছে তৃণমূল। তবে, দলীয় নেতারা কেউ মুখ খুলতে চাইছে না। তবে,এদিন এই সভার শেষে গৌতম দেবকে সাংবাদিকরা নির্বাচন বিধিভঙ্গ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি এই বিষয় নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: দোকানে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুমকি তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    Siliguri: দোকানে ঢুকে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুমকি তৃণমূল নেতার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের মুখে অস্ত্র দেখিয়ে ব্যবসায়ীকে হুঁশিয়ারির অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এই পঞ্চায়েত সদস্যর বিরুদ্ধে। সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ল সেই ছবি। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির (Siliguri) বাগডোগরার গোঁসাইপুর এলাকায়। প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতার হাতে অস্ত্র নিয়ে হুমকি দিতে দেখে সাধারণ মানুষ তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Siliguri)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার শিলিগুড়ির (Siliguri) বাগডোগরার গোঁসাইপুরের এক হার্ডওয়্যার ব্যবসায়ীর দোকানে যান আপার বাগডোগরার গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য কুলপ্রসাদ শর্মা ওরফে উজ্জ্বল শর্মা। জানা গিয়েছে, ব্যবসায়ীর দোকান থেকে রড কেনার পর তার গুণগুত মান খারাপ হওয়ায় টাকা ফেরতের দাবি করেন অভিযুক্ত উজ্জ্বল। দোকানে ঢুকে কর্মরত কর্মচারী ও ক্রেতাদের ধাক্কাধাক্কি করার পাশাপাশি জিনিসপত্র ভাঙচুর ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে অভিযুক্ত পঞ্চায়েত সদস্যদের বিরুদ্ধে। তাঁর এই কুকর্মে কার্যত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন দোকানের কর্মচারী সহ ক্রেতারা। এরপরই সিসিটিভি ক্যামেরাবন্দি এই ছবি নিয়ে বাগডোগরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই ব্যবসায়ী। এ দিকে, এই ঘটনার পর উজ্জ্বলের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে দল। উজ্জ্বল শর্মাকে অঞ্চল যুব সভাপতির পদ থেকে এবং সমস্ত দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করেছে দার্জিলিং জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেস সমতল। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলেন, ব্যবসায়ী দোকান থেকে খারাপ সামগ্রী দিয়েছে। তবে তাঁকে ভয় দেখানোর জন্য অস্ত্র নিয়ে গিয়েছিলাম। হামলা করার কোনও উদ্দেশ্য ছিল না।

    আরও পড়ুন: ভোটের আগে ফের উত্তপ্ত কোচবিহার! বিজেপি কর্মীকে ব্যাপক মারধর তৃণমূলের

    ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের কী বক্তব্য?

    এই ঘটনার পর ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে ব্যবসায়ী মহল। বাগডোগরা ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যদের বক্তব্য, এভাবে দিনেদুপুরে অস্ত্র নিয়ে দোকানে ঢুকলে রাতে কী হবে? তৃণমূল নেতা বলে কী পুলিশ কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করবে না। আমাদের দাবি, অবিলম্বে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। নাহলে আগামীদিনে এই ধরনের ঘটনা আরও ঘটবে। আমরা আর ব্যবসা করতে পারব না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Darjeeling: মন্দিরে পুজো দিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা

    Darjeeling: মন্দিরে পুজো দিয়ে চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটে জেতার জন্য নয়। একশো শতাংশ মানুষের মন জয় করার জন্য আমি দুয়ারে দুয়ারে কাছে যাব। দার্জিলিং (Darjeeling) লোকসভা আসনে বিজেপির প্রার্থী ঘোষণার পর মঙ্গলবার দিল্লি থেকে ফিরে বাগডোগরা বিমানবন্দরে একথা বললেন বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা।

     মন্দিরে পুজো দিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী (Darjeeling)

    বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে বেরিয়েই জনজোয়ারে ভাসলেন দার্জিলিংয়ের (Darjeeling) বিদায়ী সাংসদ তথা বিজেপি প্রার্থী রাজু বিস্তা। রাজু বিস্তাকে এদিন দুপুরে স্বাগত জানাতে বাগডোগরা বিমানবন্দর চত্বরে জন সমুদ্রের ঢেউ  আছরে পড়েছিল। শুধু সমতল নয়, পাহাড় থেকেও এসেছিলেন বহু মানুষ। হাজার হাজার মানুষে ভিড়ে ছেয়ে ছিল বিজেপির পতাকা। ভিড় ঠেলে হুড খোলা জিপে ওঠেন রাজু বিস্তা।  বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে শিলিগুড়ি, ১২ কিলোমিটার পথে সাত  জায়গায় বিজেপি প্রার্থীর লম্বা কনভয়কে থামতে হয়। প্রত্যেক জায়গায় মানুষ সকাল থেকেই ফুল ও আবিরে স্বাগত জানানোর জন্য অধীর হয়ে ছিলেন। মানুষের এই ভালোবাসাকে মর্যাদা দিতে রাজু বিস্তা সকলের কাছ থেকে ফুল নেন। বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে তিনি প্রথমে আসেন শিলিগুড়ির মাল্লাগুড়িতে  সঙ্কটমোচন মন্দিরে। সেখানে পুজো দিয়ে মানুষের সঙ্গে আবীর খেলায় মেতে ওঠেন কিছুক্ষণ। তারপর যান বিজেপির শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা দফতরে। সেখানেও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে রঙ খেলেন। তারপর গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক বৈঠক করে চলে যান মাটিগাড়ায় তাঁর বাড়িতে। একটু বিশ্রামের পর ব্যস্ত হয়ে পড়েন ভোট প্রচার ও রণ কৌশল ঠিক করতে।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে উদয়নের গড়ে ধস নামালেন নিশীথ, বিজেপিতে যোগ দিলেন তৃণমূল নেতা

    মানুষের ভালোবাসা দেখে আপ্লুত হয়ে পড়েন বিজেপি প্রার্থী

    রাস্তার দুপাশে স্বাগত জানাতে হাজার হাজার মানুষের ভিড় দেখে আপ্লুত হয়ে পড়েন রাজু বিস্তা। সকলেই বিজেপির নেতা-কর্মী নন, বহু সাধারণ মানুষ ছিলেন এই জন সমুদ্রে। রাজু বিস্তা বলেন, মানুষের এই ভালোবাসা বলে দিচ্ছে তাঁরা বিজেপিকে ভালোবাসেন। বিজেপির প্রতি সকলের ভরসা। রাজ্য থেকে তৃণমূলকে উৎখাত করার জন্য মানুষের এই ভালোবাসাকে হাতিয়ার করে আমরা এগোতে চাইছি।  মানুষের এই ভালোবাসা প্রমাণ করে দিচ্ছে তৃণমূলকে আর এরাজ্যের মানুষ চাইছে না। তাই ভোটে জেতার জন্য নয়, প্রতিটি মানুষের মন জয় করার জন্য আমি দুয়ারে দুয়ারে যাব। গত পাঁচ বছরে সাংসদ হিসেবে এলাকার উন্নয়নের জন্য অনেক কাজ করেছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: ভোটের মুখে তৃণমূলে ভাঙন! দল ছাড়ার হুমকি দিলেন শিলিগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্য়ান

    Siliguri: ভোটের মুখে তৃণমূলে ভাঙন! দল ছাড়ার হুমকি দিলেন শিলিগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্য়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দল বিরোধী কার্যকলাপের জন্য বহিষ্কৃত নেতাকে দলে ফেরানোয় লোকসভা ভোটের আগে শিলিগুড়িতে (Siliguri) তৃণমূলে বিদ্রোহ শুরু হয়েছে। দার্জিলিং জেলা (সমতল) তৃণমূলের প্রথম সভাপতি ও রাজ্যের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক প্রতুল চক্রবর্তী দল ছাড়ার হুমকি দিয়েছেন। তৃণমূল পরিচালিত শিলিগুড়ি পুর নিগমের চেয়ারম্যান পদ থেকেও সরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে লোকসভা নির্বাচনের মুখে শিলিগুড়িতে ভাঙনের মুখে তৃণমূল।

     কেন এই বিদ্রোহ? (Siliguri)

    গত পুরসভা নির্বাচনে টিকিট না পেয়ে ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে প্রতুল চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী হয়েছিলেন তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা যুব সভাপতি বিকাশ সরকার। দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে নির্দল প্রার্থী হওয়ার জন্য তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। সেই বহিষ্কৃত নেতাকে শুক্রবার সন্ধ্যায় শিলিগুড়িতে (Siliguri) রাজসিক সংবর্ধনা দিয়ে দলে ফিরিয়ে নেওয়ায় তৃণমূলে বিদ্রোহ দেখা দিয়েছে। সরাসরি মুখ খুলেছেন প্রতুল চক্রবর্তী। শুধু প্রতুলবাবুই নন, দলের একটি বড় অংশ বিকাশ সরকারকে ফেরানোয় বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তাঁরা তৃণমূল ছাড়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন। প্রতুলবাবু বলেন, বিকাশ সরকারকে দল বহিষ্কার করার পর থেকে বিকাশ সরকার যেভাবে দলের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দল সম্পর্কে কুৎসা রটিয়েছে, আমাকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করেছেন, আমার সম্পর্কে নানা ধরনের অপপ্রচার চালিয়েছেন। বিজেপি ঘনিষ্ঠও হয়েছিলেন। তারপর তাঁকে দলে ফেরানোটা তৃণমূল নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সমগ্র তৃণমূলের কাছে অসম্মানজনক। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে পারব না। বিকাশ সরকারকে আমি ঘৃনা করি। ও ফিরলে আমি সমস্ত পদ থেকে পদত্যাগের পাশাপাশি দলও ছেড়ে দেব। 

     অভিষেকের নির্দেশে বিকাশ ফের তৃণমূলে!

    বিকাশ সরকারকে দলে ফেরনোর সিদ্ধান্ত নিয়ে তৃণমূলের মধ্যে বিতর্ক মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। দলের জেলা সভানেত্রীও নেননি। তৃণমূলের মমতা পন্থীদের বক্তব্য, দলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে দলনেত্রীকে অসম্মান করার জন্য বিকাশ সরকারকে বহিষ্কার করা হয়েছিল। সেই নেতাকে দলে ফেরানো কখনই উচিত কাজ হয়নি। এই বিতর্ক সামাল দিতে দার্জিলিং জেলা( সমতল) সভানেত্রী পাপিয়া ঘোষ বলেন, এবার  ময়নাগুড়িতে  এসে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিকাশ সরকারকে দলে নিতে বলেছেন। তাই তাঁকে দলে ফেরানো হয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার মেয়র ও তৃণমূলের রাজ্য নেতা গৌতম দেব বলেন, প্রতুল চক্রবর্তী দার্জিলিং জেলা তৃণমূলের প্রথম সভাপতি। দলের সর্বস্তরের নেতা কর্মীদের কাছে তিনি শ্রদ্ধার আসনে রয়েছেন। তাঁর হাত আমরা ছাড়তে চাই না। তাঁর ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে, তাই এই ধরনের কথা বলছেন। আমি তাঁর সঙ্গে আলোচনায় বসবো। অভিমানে দল এবং পুরসভার চেয়ারম্যান পদ না ছাড়ার জন্য অনুরোধ করব।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Mamata Banerjee: সিএএ-র প্রতিবাদে শিলিগুড়িতে মহামিছিলের ডাক দিয়েও পিছিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী!

    Mamata Banerjee: সিএএ-র প্রতিবাদে শিলিগুড়িতে মহামিছিলের ডাক দিয়েও পিছিয়ে এলেন মুখ্যমন্ত্রী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটি টাকারও বেশি সরকারি অর্থের কার্যত অপচয় করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)! লোকসভা নির্বাচনের আগে শিলিগুড়িতে দলের নেতা-কর্মীদের ধাক্কা দিয়ে গেলেন দলের সুপ্রিমো। দু’দিনের প্রশাসনিক সফরে মঙ্গলবার বিকেলে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার পৌঁছে দীনবন্ধু মঞ্চে বিভিন্ন উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে বৈঠক করেন। তারপরে ঘোষণা করেন, বুধবার শিলিগুড়িতে সিএএ’র প্রতিবাদে মহামিছিল করবেন। সেই মিছিল শেষে উত্তরবঙ্গের মিনি সচিবালয় উত্তরকন্যার পাশের মাঠে প্রশাসনিক সভার নামে প্রকাশ্য জনসভা করার কথা ছিল। কিন্তু, হঠাৎ সেই কর্মসূচি বাতিল করেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার উত্তরকন্যার অডিটোরিয়ামে প্রশাসনিক সভার নামে হাতে গোনা কয়েকজনকে জমির পাট্টা ও গরিবদের জন্য তৈরি ফ্ল্যাটের চাবি দিয়ে দুপুরে কলকাতার উদ্দেশে রওনা হন।

    কোটি টাকা জলে! (Mamata Banerjee)

    মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) ছবি দেওয়া ফেস্টুন, প্ল্যাকার্ড দিয়ে মঞ্চ, মাঠের চারদিক ও গোটা  রাস্তা সাজিয়ে তোলা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই প্রশাসনিক সভার আয়োজন সফল করার জন্য প্রস্তুতি ছিল তুঙ্গে। বুধবার সকালে সেখানে শ্মশানের নিস্তব্ধতা নেমে আসে। ডেকরেটর কর্মীরা ব্যস্ত হয়ে পড়েন প্যান্ডেল খুলে ফেলার কাজে। প্রশাসনিক সভার জন্য বিপুল আয়োজন ছিল। মাঠ জুড়ে বিশাল মঞ্চ ও প্যান্ডেল তৈরি হয়েছিল। এতে সব মিলিয়ে খরচের পরিমাণ কোটি টাকারও বেশি হবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। কেননা মুখ্যমন্ত্রীর ছবি দেওয়া বিভিন্ন ধরনের ফ্লেক্স, হোর্ডিং বানাতেই ২০ লক্ষ টাকার বেশি খরচ হয়েছে বলে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে। এছাড়া প্যান্ডেল, লাইট ও মাইকের জন্য বিশাল খরচ হয়েছে। প্রশাসনিক সভা ছিল তাই সবটাই সরকারের খরচ। কোটি টাকা জলে চলে যায়।

    আরও পড়ুন: দেড় বছর অপেক্ষা নয়, তার আগেই বিধানসভার ভোট, জনসভায় জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু

    মুষড়ে পড়েছেন তৃণমূল নেতা-কর্মীরা

    মাঠ ভরানোর জন্য নির্দেশ মতো দলের নেতারা গাড়ি ভাড়া করে দলে দলে লোক আনার ব্যবস্থাও পাকা করে ফেলেছিলেন। হঠাৎ করে সেই কর্মসূচি বাতিল হয়ে যাওয়ায় স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের মাথায় হাত পড়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার এক তৃণমূল নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর শিলিগুড়ি সফরের পরপর মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) এই সভা আমাদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাই মুখ্যমন্ত্রীর সভাকে সফল করার জন্য আমাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল লোক এনে মাঠ ভরানোর। গাড়ি ভাড়া করে বিভিন্ন জায়গা থেকে লোক আনার ব্যবস্থাও হয়ে গিয়েছিল। এভাবে হঠাৎ কোনও কারণ ঘোষণা না করেই সভা বাতিল হওয়ায় সেইসব মানুষের কাছে জবাবদিহি করতে হচ্ছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে এটা আমাদের কাছে বড় ধাক্কা। এর পরে মিটিং-মিছিলে লোক আনতে সমস্যায় পড়তে হবে। এভাবেই সরকারি অর্থ বাজে খরচের জন্যও ভোট প্রচারে দলকে কথা শুনতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ABVP: এবিভিপি-র শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর নির্মমভাবে লাঠিচার্জ, চ্যাংদোলা করে নিয়ে গেল পুলিশ

    ABVP: এবিভিপি-র শান্তিপূর্ণ মিছিলের ওপর নির্মমভাবে লাঠিচার্জ, চ্যাংদোলা করে নিয়ে গেল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার শিলিগুড়িতে এবিভিপির শান্তিপূর্ণ মিছিলে লাঠি চালাল পুলিশ। পুলিশের লাঠিতে জখম হলেন অসংখ্য ছাত্র ছাত্রীর। এদিন এবিভিপি (ABVP) উত্তরকন্যা অভিযানের ডাক দিয়েছিল। সেই মিছিরকে আটকাতেই  উত্তরকন্যার আগে  তিনবাত্তি মোড়ে নির্মমভাবে লাঠি চালায় পুলিশ।

    কেন উত্তরকন্যা অভিযান? (ABVP)

    রাজ্যের নারী নির্যাতন সহ সন্দেশখালি ঘটনার ন্যায় বিচারের দাবিতে এদিন উত্তরকন্যা অভিযানের ডাক দিয়েছিল এবিভিপি। এই কর্মসূচির তিনদিন আগেই ঘোষণা করেছিল এবিভিপি (ABVP)। রাজ্যে একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনার মাঝে সন্দেশখালি ঘটনা উঠে এসেছে। তাতে নবান্নে চরম বার্তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই অভিযান কর্মসূচি ছিল।  তাই কোনও স্মারকলিপি নয়, প্রতিবাদি মিছিল নিয়ে উত্তরকন্যায় পৌঁছে সেই বার্তা দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছিল এবিভিপি।

    জারি করা হয় ১৪৪ ধারা

    উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারে হাজারে ছাত্র-যুব এদিন এবিভিপির (ABVP) এই মিছিলে অংশ নেয়। দিল্লি থেকে আসেন এবিভিপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক  যাজ্ঞবাল্ক শুক্লা। এই বিশাল মিছিল দেখে চিন্তায় পড়ে পুলিশ প্রশাসন। যে কোনওভাবে মিছিল আটকাতে তৎপর ছিল পুলিশ। শিলিগুড়ি থেকে উত্তরকন্যা যাওয়ার মূল রাস্তার জায়গায় জায়গায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। জলপাই মোড় থেকে তিনবার মোড় ব্যারিকেড করে রেখেছিল বিশাল পুলিশবাহিনী। তিনবাত্তি মোড় এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।  বেলা দুটোর পর বিভিন্ন জায়গা থেকে মিছিল এসে জলপাই মোড়ে  জমায়েত হয়। শুরু হয় উত্তরকন্যা অভিমুখে যাত্রা।

    কীভাবে মিছিল আটকাল পুলিশ?

    নৌকাঘাট অতিক্রম করার মুখেই প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে চলে মিছিল। তিনবাত্তি মোড়ে মিছিল পৌঁছতেই দেখা যায় দলবেঁধে পুলিশ লাঠি উঁচিয়ে মিছিলের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। বিনা প্ররোচনাতেই এবিভিপি (ABVP) মিছিলের ওপর পুলিশের নির্মমভাবে লাঠি চালায়। এই আক্রমণে বহু ছাত্র ছাত্রী রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে অনেকে দৌঁড়ে পালান। দেখা যায় অলিতে গলিতে চলে যাওয়া এবিভিপি সমর্থকদের পুলিশ টেনে-হিঁচড়ে টেনে আনছে মারতে মারতে। এবিভিপি বহু ছাত্র-যুব সদস্যকে পুলিশ আটক করে নিয়ে যায়। এর মধ্যে সংগঠনের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক  যাজ্ঞবাল্ক শুক্লা রয়েছেন।  তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় দেখা যায় পুলিশ তাকে টেনে হিঁচড়ে গাড়িতে তোলে।

    আরও পড়ুন: প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরই তৃণমূলের সব পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সায়ন্তিকা

      এবিভিপি-র নেতৃত্ব কী বললেন?

    এবিভিপি-র উত্তরবঙ্গ জোনের সভাপতি বিশ্বজিৎ রায় বলেন, আমাদের আন্দোলন সফল। কেননা এবিভিপির মিছিলকে আটকাতে এদিন পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে যেভাবে  বর্বরোচিত আক্রমণ করেছে। আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক  যাজ্ঞবাল্ক শুক্লাকে পুলিশ যেভাবে টেনে হিঁচড়ে মেরে গাড়িতে তুলেছে, এতে প্রমাণ হয় সত্যকে চাপা দিতে পুলিশ দিয়ে তৃণমূল সরকার ন্যায় বিচারের দাবিতে এবিভিপি আন্দোলনকে দমিয়ে রাখতে চেয়েছে। পুলিশ যেভাবে লাঠি চালিয়েছে, তাতে প্রমাণ হয়েছে এবিভিপির আন্দোলন সফল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘এখানে মিনি ভারতের দর্শন হয়’, জনজোয়ার দেখে আপ্লুত মোদি

    Narendra Modi: ‘এখানে মিনি ভারতের দর্শন হয়’, জনজোয়ার দেখে আপ্লুত মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানুষের ভালবাসাকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে নিরাপত্তার কড়াকড়ি ও সরকারি অনুষ্ঠানের সময়ের তাড়া ভুলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। শনিবার শিলিগুড়ির কাওয়াখালি মাঠে একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধনের পাশাপাশি জনসভা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। সেই সময় ধরেই বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে তিনি সড়ক পথে রওনা হয়েছিলেন উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের পাশে কাওয়াখালি মাঠের উদ্দেশ্যে। কিন্তু, বাগডোগড়া বিমানবন্দর থেকে বের হতেই প্রধানমন্ত্রী দেখেন রাস্তার দু’ধারে অগণিত মানুষ তাঁকে দেখার জন্য অধিক প্রতীক্ষায় দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাই জেট গতিতে কনভয় না ছুটিয়ে ধীর গতিতে শিলিগুড়ির উদ্দেশে রওনা দেন। গাড়ি থেকে সাধারণ মানুষের উদ্দেশে হাত নেড়ে সৌজন্য বিনিময় করেন মোদি।

    মোদিকে দেখতে রাস্তার দুধারে জনজোয়ার (Narendra Modi)

    বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে কাওয়াখালি মাঠ পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার কনভয়ে ধীর গতিতে মোদি সভাস্থলে যান। ফলে, নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪৫ মিনিট পরে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছন সভাস্থলে। সেখানেও  প্রধানমন্ত্রীকে (Narendra Modi) দেখার জন্য লাখো মানুষের ভিড় ছিল। তাই, বক্তব্যের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করে বলেন, রাস্তার ধারে মানুষ ভালোবাসার টানে অপেক্ষা করেছিলেন।  মানুষের ভালবাসাকে শ্রদ্ধা জানাতে হয়। রাস্তা দিয়ে ধীর গতিতে আসতে গিয়ে এখানে পৌঁছতে কিছুটা দেরি হয়েছে। তারজন্য আমি আপনাদের কাছে ক্ষমা চাইছি।

    মিনি ভারতবর্য!

    প্রধানমন্ত্রীকে সামনে থেকে দেখা ও তাঁর বার্তা শোনার জন্য এদিন সকাল থেকে  নানা ভাষা ও বর্ণের মানুষ উত্তরবঙ্গের প্রতিটি প্রান্ত থেকেই মিলিত হয়েছিলেন এই কাওয়াখালির মাঠে। দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পং, মিরিক পাহাড়ের প্রতিটি প্রান্ত থেকে সকাল হতেই গাড়ির মিছিল এসে মিলেছে কাওয়াখালি মাঠে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, মাথাভাঙ্গা, ময়নাগুড়ি, দিনহাটা, ডুয়ার্সের চালসা মেটেলি থেকেও এসেছেন দলে দলে মানুষ। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষের এই সমাবেশে কাওয়াখালির মাঠ কার্যত এদিন মিনি ভারতবর্ষের চেহারা নেয়। সমাবেশের ভিড় দেখে মিনি ভারতবর্ষের কথা বলতে শোনা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, এখানে মিনি ভারতের দর্শন হয়।

    আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মোদি

    তৃণমূলকে উৎখাতের ডাক (Narendra Modi)

    সকাল থেকেই দলে দলে মানুষ এসেছেন। মাঠে ঢোকার আগে সকলের মধ্যে ছিল বিজেপির পতাকা, নরেন্দ্র মোদির মুখোশ টুপি কেনার হিড়িক। সময় যত গড়িয়েছে জনসভায় ভিড় তত বেড়েছে। দল বেঁধে মতুয়ারা এসেছেন ঢাকঢোল পিটিয়ে উৎসবের মেজাজে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে। এদিন উত্তরবঙ্গের প্রতিটি প্রান্ত থেকে মানুষ যে তৃণমূলকে উৎখাত করা শপথ নিতে এসেছিলেন তা তাদের প্রতিক্রিয়াতেই ধরা পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী  তৃণমূলের দুর্নীতি, অপশাসন নিয়ে সমালোচনায় সরব হলেই সকলে জোটবদ্ধ হয়ে তৃণমূল বিরোধী স্লোগান দিয়েছেন। দেশের উন্নয়নের বার্তা এবং রাজ্যে তৃণমূলের অপশাসনের অবসানের শপথ নিতে প্রধানমন্ত্রীর আবেদনে সাড়া দিয়ে সকলে নিজের নিজের মোবাইল ফোনের টর্চ জ্বালান। শনিবার গোধূলি বেলায় কাওয়াখালির মাঠে অকাল দেওয়ালি নেমে আসে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhijit Gangopadhyay: “তৃণমূলকে একটাও ভোট নয়”, শপথ নেওয়ার ডাক দিলেন অভিজিৎ

    Abhijit Gangopadhyay: “তৃণমূলকে একটাও ভোট নয়”, শপথ নেওয়ার ডাক দিলেন অভিজিৎ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “একটাও ভোট নয়, এই রাজ্য থেকে তৃণমূলের নাম মুছে দিতে হবে” কার্যত এই ভাবেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে শিলিগুড়িতে বিজপির মঞ্চ থেকে সোচ্চার হলেন প্রাক্তন বিচারপতি তথা বিজেপি নেতা অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay)। তিনি শিক্ষা, খাদ্য, আবাস দুর্নীতির বিরুদ্ধে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “৪২ টা লোকসভা আসনে তৃণমূলকে একটাও ভোট নয়।”

    কী বললেন প্রাক্তন বিচারপতি (Abhijit Gangopadhyay)?

    হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) আজ শিলিগুড়িতে প্রধানমন্ত্রীর সভামঞ্চ থেকে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ করে বলেন, “আমি সদ্য বিজেপিতে একজন কর্মী হিসাবে যোগদান করেছি। আমার কিছু বলার আছে সেই প্রসঙ্গে। আমরা এমন এক রাজ্যে বসবাস করছি যেখানে এমন একটি দল শাসন করছে তার নাম উচ্চারণ করতে চাই না। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে বিদায় দিতে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করতে হবে। এই তৃণমূলকে একটাও ভোট নয়। এই রাজ্যের দল পুরোপুরি দুর্বৃত্ত দ্বারা গঠিত। আমি যখন মামলা শুনেছিলাম সেই সময় দেখতে পায়েছি, এই সরকারের দুর্নীতি কতটা ভয়ানক। ধরিয়ে না দিলে বুঝতেই পারবেন না। আজ বহু চাকরি প্রার্থী অনেক নম্বর পেয়েও চাকরি থেকে বঞ্চিত। তুলনায় কম নম্বর পেয়ে দুর্নীতি করে পকেটে টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছে অনেকেই। ফলে দুর্বৃত্তের দৌরাত্ম্যে পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থাকে শেষ করার দিকে নিয়ে গিয়েছে।”

    দুর্নীতি নিয়ে আর কী বললেন?

    এদিন বিজপির সভা থেকে তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ করে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Gangopadhyay) বলেন, “আমাদের প্রথামিক চাহিদা হল খাদ্য, বস্ত্র এবং বাসস্থান। খাদ্য দুর্নীতিতে তৃণমূলের খাদ্যমন্ত্রী জেলে রয়েছেন। শিক্ষা দুর্নীতিতে শিক্ষামন্ত্রী জেলে রয়েছেন। বাড়িতে কেউ নেই। আর বাসস্থানের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া বাড়ি চুরি করছে এই তৃণমূলের নেতারা। সামনেই নির্বাচন তাই দুর্নীতিগ্রস্ত দুর্বৃত্তদের একটা শিক্ষা দিতে হবে। তাঁদের উচিত শিক্ষা হবে পশ্চিমবঙ্গ উৎখাতের শিক্ষা। তৃণমূলের জালিয়াতির মূল্য তৃণমূলকেই দিতে হবে।”

    শথ নিতে বলেলেন অভিজিৎ

    অভিজিৎ (Abhijit Gangopadhyay) আজকের কাওয়াখালির সভা থেকে সকল পশ্চিমবঙ্গবাসীর উদ্দেশে বলেন, “আজকে এখান থেকে শপথ নিয়ে যান। এই তৃণমূলকে আর ভোট নয়। আমাদের ৪২ আসনের মধ্যে ৪২ আসন দখল করতে হবে। এই রাজ্য থেকে তৃণমূলের নাম মুছে দিতে হবে। তৃণমূলের বহু নেতা পালিয়ে যাচ্ছে। দলে কেউ থাকছে না। এলাকায় এলাকায় প্রচার করুন। ওরা নারী নির্যাতন করে, সন্দেশখালির মতো ঘটনা ঘটায়। ২০২৬ সালের বিধানসভায় ওদের বিদায়ের পথ দেখিয়ে দিতে হবে। এই লোকসভা থেকেই উদ্যোগ নিতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: ‘তৃণমূল সরকার পদে পদে আপনাদের লুটছে’, শিলিগুড়ির সভা থেকে তোপ মোদির

    Narendra Modi: ‘তৃণমূল সরকার পদে পদে আপনাদের লুটছে’, শিলিগুড়ির সভা থেকে তোপ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূল সরকার মহিলা বিরোধী সরকার দলিত, আদিবাসী, ওবিসির রেশন যোজনাতেই দুর্নীতি করেছে। এদের নেতা মন্ত্রী রেশন দুর্নীতিতে এখন জেলে রয়েছে। শনিবার শিলিগুড়ির সভা থেকে তৃণমূলকে এভাবেই আক্রমণ করলেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) । তিনি বলেন, মোদি সরকার তাঁর গরিব পরিবারগুলিকে রেশনের সঙ্গে সঙ্গে বিনা খরচে চিকিৎসার গ্যারান্টিও দিয়েছে। কিন্তু, দুর্নীতিগ্রস্ত গরিব বিরোধী তৃণমূল সরকার এখানে আয়ুষ্মান যোজনা কার্যকর করছে না। তৃণমূল সরকার পদে পদে আপনাদের লুটছে।

    ১৪ লক্ষ বোনকে গ্যাস সংযোগ দিচ্ছে না তৃণমূল সরকার (Narendra Modi)

     নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) বলেন, এই ময়দানে আমি বহুবার এসেছি। এখানে এসে মিনিভারতের দর্শন হয়। যে বর্ণাঢ্যতা এখানে দেখি, খুব কম জায়গায় তা নজরে আসে। আমি যখনই উত্তরবঙ্গে এসেছি আশীর্বাদ পেয়েছি। বিশেষ করে আমাদের মা, বোন, মেয়েরা যে স্নেহ পাই বলার নয়। জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, উত্তর দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদহের অনেক সাথী এখানে এসেছেন। নিজের পরিবারের লোকের মাঝে এসে খুব ভাল লাগছে। বিনামূল্যের রেশনের এই যোজনাকে মোদি ৫ বছর আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। এর লাভ চাবাগানের শ্রমিকসাথিরা পাবেন। কিন্তু, তৃণমূল, কংগ্রেস, বামেদের ইন্ডি জোট আপনাদের নিখরচায় রেশন দেওয়ার বিরোধিতা করছে। এখানকার সমস্যা প্রথমে বামেরা শোনেনি। পরে, তৃণমূলও সরিয়ে রেখেছে। তৃণমূল তো গরিবের জমি দখলে ব্যস্ত। সে কারণে আপনারা যখন আমাকে সুযোগ দিলেন, আমি আমার পরিবারের সব সদস্যদের মানে আপনাদের সেই সুবিধা দিয়েছি। উজ্জ্বলা গ্যাস দিলাম। কিন্তু, এখানকার তৃণমূল সরকার ১৪ লক্ষের বেশি বোনকে উজ্জ্বলার কানেকশন নিতে দিচ্ছে না। নারী দিবসে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, গ্যাস সিলিন্ডার ১০০ টাকা আরও কমে যাবে। আমি জানি করোনার কারণে আমার গরিব পরিবার কত চিন্তায় পড়েছিলেন। সেকারণে মোদি দেশের পরিবারজনকে বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার যোজনা শুরু করে। আমার লক্ষ্য ছিল, কোনও গরিবের সন্তানকে যেন রাতে না খেয়ে না ঘুমোতে হয়।

    আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে সাড়ে চার হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মোদি

    সন্দেশখালি ইস্যুতে তৃণমূলকে ফের তোপ

    বারাসতের সভা থেকে সন্দেশখালি ইস্যুতে তৃণমূলকে তুলোধনা করেন মোদি। পরে, সেখানে নির্যাতিতাদের সঙ্গে তিনি কথা বলেছিলেন। এবার শিলিগুড়ি সভা থেকে ফের নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)  বলেন, সন্দেশখালিতে আদিবাসী মহিলাদের ওপর অত্যাচার তৃণমূলের নেতারা যা করেছে তা দেশজুড়ে চর্চা চলছে। সেখানকার মহিলারা তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: শনিবার ফের রাজ্যে মোদি, শিলিগুড়ির সভায় কী বার্তা দেন, অধীর অপেক্ষায় উত্তরবঙ্গবাসী

    Siliguri: শনিবার ফের রাজ্যে মোদি, শিলিগুড়ির সভায় কী বার্তা দেন, অধীর অপেক্ষায় উত্তরবঙ্গবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার শিলিগুড়ি (Siliguri) সফরে এসে উত্তরবঙ্গবাসীকে আরও একটি নতুন ট্রেন উপহার দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে শিলিগুড়িতে প্রস্তুতি তুঙ্গে। লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের দিকে রাজনৈতিক মহল তাকিয়ে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নতুন কী বার্তা দেন, তা শোনার জন্য অধীর প্রতীক্ষায় উত্তরবঙ্গবাসী।

    প্রধানমন্ত্রীর শিলিগুড়ি সফরে কী কর্মসূচি?

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের কাছে কাওয়াখালি মাঠে শনিবার বিকেলে সরকারি অনুষ্ঠানের পর জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিকেল তিনটেয় বাগডোগরা বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। সেখান থেকে সড়ক পথে যাবেন কাওয়াখালি ময়দানে। প্রথমে সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী। এই অনুষ্ঠানে শিলিগুড়ি জংশন-রাধিকাপুর ডেমু ট্রেনের উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী রেলের আরও আটটি বিভিন্ন প্রকল্পেরও (Siliguri) উদ্বোধন করবেন। এই মঞ্চ থেকেই প্রধানমন্ত্রী ঘোষপুকুর-ধুপগুড়ি পর্যন্ত চার লেনের রাস্তা এবং ইসলামপুরে জাতীয় সড়কের বাইপাসের উদ্বোধন করবেন। আধ ঘন্টার এই সরকারি অনুষ্ঠানের পর জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এজন্য কাওয়াখালির মাঠে দুটি মঞ্চ করা হয়েছে। একটি মঞ্চ সরকারি অনুষ্ঠানের জন্য, অপরটিতে হবে জনসভা। জনসভা করে সড়ক পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে যাবেন তিনি।

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা (Siliguri)

    নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি জন্য দুদিন আগেই এসপিজি’র একটি দল পৌঁছে গিয়েছে। মঞ্চ তৈরি ও যাবতীয় প্রস্তুতির কাজ তারা তদারকি করছে। শুক্রবার স্নিফার ডগ দিয়ে মঞ্চ ও গোটা মাঠ তল্লাশি চালায় তারা। রয়েছে রাজ্য পুলিশও। শনিবার দুপুর দুটোর মধ্যেই সকলকে জনসভার মাঠে (Siliguri) উপস্থিত হতে হবে। তারপর থেকে রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ থাকবে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার জন্য।

    প্রধানমন্ত্রীর সফরে উজ্জীবিত উত্তরবঙ্গ বিজেপি (Siliguri)

    গতবার  লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপি ভালো ফল করেছে। আটটি আসনের মধ্যে সাতটি জিতেছে বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনেও ভালো ফল হয়েছে। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে এবারের লোকসভা নির্বাচনের আগে এই সফরে প্রধানমন্ত্রী উত্তরবঙ্গবাসীর উদ্দেশে নতুন কী বার্তা দেন, তা নিয়ে সব মহলেই উৎসাহ রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এই জনসভা সফল করতে বিজেপির প্রচার তুঙ্গে। উত্তরবঙ্গের সব জেলা থেকেই (Siliguri) লোক আসবে বলে এদিন জানান দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা। তাঁর দাবি, দুই লাখ লোক হবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায়। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গে বিজেপির সব বিধায়ক, সাংসদ এবং জেলা নেতৃত্ব প্রধানমন্ত্রীর সভায় উপস্থিত থাকবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share