Tag: South 24 Parganas

South 24 Parganas

  • South 24 Parganas: এলাকাবাসীর চোখের সামনে দিয়ে খাল টপকে গেল বাঘ! এলাকায় তীব্র আতঙ্ক

    South 24 Parganas: এলাকাবাসীর চোখের সামনে দিয়ে খাল টপকে গেল বাঘ! এলাকায় তীব্র আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকাবাসীর চোখের সামনে দিয়ে খাল টপকে গেল বাঘ! জঙ্গলে গর্জন করে জানিয়ে দিল দক্ষিণরায় এখন উপেন্দ্রনগর জঙ্গলে রয়েছে। আর এই বাঘের গর্জন শুনেই দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) লোকালয়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এডিএফও অনুরাগ চৌধুরির নেতৃত্বে বনদফতরের একটি বিশেষ দল পৌঁছে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তিনি জানান, “নাইলনের জাল দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে গ্রাম লাগোয়া জঙ্গল।” রামগঙ্গা, ধনচি ও রায়দিঘি রেঞ্জের অফিসারেরা উপস্থিত হয়েছেন ঘটনাস্থলে।

    লোকালয়ে সংলগ্ন জঙ্গলে বাঘ (South 24 Parganas)

    লোকালয় সংলগ্ন জঙ্গলে বাঘের পায়ের ছাপ দেখে যেন বিশ্বাসই হচ্ছিল না প্রকৃত বাঘ আসতে পারে এই এলাকায়। কিন্তু এবার এলাকাবাসীর চোখের সামনে দিয়ে খাল টপকে গেল বাঘ এবং বনদফতরের কর্মীদের কানে পৌঁছালো বাঘের গর্জন। ঠিক তারপরেই বাঘ তাড়ানোর তোড়জোড় শুরু করল সুন্দরবন বনদফতর। এই প্রচন্ড ঠান্ডার মধ্যে সারা রাত্রি বনদফতর কর্মীদের সঙ্গে এলাকার মানুষেরা নদী বাঁধে পাহারা দেন। আজ সকাল থেকে শুরু হল নদীর জঙ্গলে জাল ঘেরার কাজ। এলাকায় বাঘকে ঘিরে তীব্র শোরগোল পড়েছে।

    দুমাস ধরে বাঘ ধরার প্রচেষ্টা

    উল্লেখ্য, দুমাস ধরে বাঘের আতঙ্ক চলছে পাথরপ্রতিমা এলাকায়। কখনও শ্রীধরনগর, কখনও সীতারামপুর ইন্দ্রপুর, রাখালপুর আবার উপেন্দ্রনগর এলাকায় বাঘের পায়ের ছাপ দেখা যাচ্ছে। বনদফতরের কর্মীরা গত দুমাস ধরে ঘর ছেড়ে জঙ্গলে নৌকায় বসবাস শুরু করেছে, বাঘের খোঁজে চলছে প্রতিদিন তল্লাশি। শেষ পর্যন্ত আজ উপেন্দ্রনগর ঠাকুরান নদীর চরে বাঘের গর্জন শুনে দক্ষিণ রায় সেইখানেই আছে বলে অনুমান করা হচ্ছে। এরপর শুরু হয়েছে বাঘ ধরার প্রস্তুতি। এখন দেখার দুমাস ধরে যে বাঘ খাঁচায় ঢোকেনি, শ্রীধরনগর (South 24 Parganas) জঙ্গলে খাঁচায় ঢোকে কিনা! এবার যদি খাঁচায় ঢুকে বনদফতর যেমন খুশি হবে তেমনি এলাকাবাসীরও আতঙ্ক কাটবে।

    স্থানীয় মানুষের বক্তব্য

    স্থানীয় (South 24 Parganas) চিত্তরঞ্জন মাইতি বলেন, “গতকাল থেকে আমরা বন দফতরের কর্মীর সঙ্গে রাতভর মশাল জ্বালিয়ে অভিযান করে তাল্লাশি চালিয়েছি। বাঘের গর্জনের শব্দ শুনতে পেয়েছি আমরা। আজ সকাল ৯ টা থেকে অভিযান চলছে। নদীর ধারে বনদফতরের সহযোগিতায় এলাকায় জাল দিয়ে ঘেরার কাজ চলছে। সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করবো অযথা আতঙ্কিত হবেন না বনদফতরের কর্মীরা সুরক্ষার বিষয়ে কাজ করছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: জয়নগর যেন বগটুই, শাসকদলের আক্রোশে জ্বলছে একের পর এক বাড়ি, এলাকায় আতঙ্ক

    South 24 Parganas: জয়নগর যেন বগটুই, শাসকদলের আক্রোশে জ্বলছে একের পর এক বাড়ি, এলাকায় আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলীয় কর্মী খুন হওয়ার জেরে শাসক দলের কর্মী-সমর্থকরা তাণ্ডব চালাল গ্রামে। সিপিএমের ২০-২৫টি বাড়িতে আগুন লাগানোর পাশাপাশি বামেদের মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এমনকী খুনের ঘটনা জানাজানি হতেই শাসকদলের রোষানলে পড়ে গণপিটুনিতে একজনের মৃত্যু হয়েছে বলেও অভিযোগ। যদিও পুলিশ ওই মৃত্যুর ঘটনা স্বীকার করেনি। সোমবার সকালে এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা ও আতঙ্ক দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে (South 24 Parganas)।

    উল্লেখ্য, এদিনই খুব ভোরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে খুন হন এখানকার এক পঞ্চায়েত সদস্য। নমাজ পড়তে যাওয়ার সময় তাঁকে দুষ্কৃতীরা ঘিরে ধরে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন সইফুদ্দিন লস্কর নামে বছর চল্লিশের ওই তৃণমূল নেতা, যিনি একইসঙ্গে বামুনগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য এবং অঞ্চল সভাপতি ছিলেন। তাঁর স্ত্রী ওই পঞ্চায়েতের প্রধান। এরপরই গ্রামের লোকজন তাড়া করে দু’জনকে ধরে ফেলে। এদের মধ্যেই একজনের গণপিটুনিতে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ। এরপরই শাসকদলের কর্মী-সমর্থকদের আক্রোশ গিয়ে পড়ে সিপিএমের ওপর। নির্বিচারে চলে ভাঙচুর, মারধর এবং অগ্নি সংযোগ।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা? (South 24 Parganas)

    ঘটনার বিবরণে জানা গিয়েছে, রোজকার মতো সোমবার ভোরে ওই তৃণমূল নেতা নমাজ পড়তে যাচ্ছিলেন। সেই সময়ই তাঁকে কাছ থেকে গুলি করে দুষ্কৃতীরা। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে দেখেন, ওই নেতা রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে পড়ে কাতরাচ্ছেন। তাঁকে সঙ্গে সঙ্গে পদ্মেরহাট গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি।

    বগটুইয়ের ছায়া?

    এই ঘটনার সঙ্গে অনেকেই বগটুইয়ের মিল খুঁজে পাচ্ছেন। এখানেও বেছে বেছে বিরোধী দলের কর্মী-সমর্থকদের (South 24 Parganas) ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে দীর্ঘক্ষণ দমকলের গাড়ি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেনি। বাড়ির পর বাড়ি দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকে। পুড়ে ছাই হয়ে যায় বহু বাড়ি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: কালীপুজোর আগের দিনেই বিজেপির উপর হামলা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, উত্তপ্ত ক্যানিং

    South 24 Parganas: কালীপুজোর আগের দিনেই বিজেপির উপর হামলা তৃণমূল দুষ্কৃতীদের, উত্তপ্ত ক্যানিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোকে ঘিরে বিজেপির উপর হামলা চালালো তৃণমূলের গুন্ডারা। কালীপুজোর ঠিক একদিন আগেই শাসকদলের দুষ্কৃতীরা বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ করেছে বলে অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠল ক্যানিং (South 24 Parganas)। বিজেপি কর্মীদের বাড়ি, দোকান ভাঙচুর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আরও অভিযোগ, ঘটনায় চলেছে কয়েক রাউন্ড গুলিও। শাসক দলের দৌরাত্ম্যে রাজ্যে গণতন্ত্র নেই বলে ফের একবার সরব বিজেপি।

    ঘটনা কীভাবে ঘটল (South 24 Parganas)?

    কালীপুজোর আগের দিন শনিবার সকালে ক্যানিংয়ের (South 24 Parganas) ইটখোলা গ্রাম পাঞ্চায়েতের হরিপদ মোড় নামক জায়গায় এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। এলাকায় বিজেপি কর্মীদের মধ্যে অনেকেই তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা ভীষণ ভাবে আহত হন। ইট, কাঠ, বাঁশ, রড ইত্যাদি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়াও দুষ্কৃতীদের দ্বারা কয়েক রাউন্ড গুলি চালানোর অভিযোগও জানা গিয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের অবশ্য বক্তব্য, কালীপুজোকে কেন্দ্র করে এই আক্রমণের সূত্রপাত। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছিলেন ক্যানিং থানার আইসি সৌগত ঘোষ।

    বিজেপির বক্তব্য

    কালীপুজোর পরিচালনা নিয়ে আক্রমণ হয় বলে জানা গিয়েছে। গ্রামের বিজেপি কর্মীরা জানিয়েছেন যে এলাকায় তাঁরা বহুদিন ধরে এই কালীপুজো করে আসছেন। কিন্তু এইবার জোর করে তৃণমূল দখল করতে চেয়েছিল। আর তার প্রতিবাদ করলে বহিরাগত দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রমণ করা হয়। মূল অভিযোগ স্থানীয় (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতা ইন্দ্রজিৎ সর্দার এবং অনুগামীদের বিরুদ্ধে। প্রথমে বচসা হলেও ক্রমেই মারামারি করতে শুরু করে তৃণমূলের গুন্ডারা। অভিযোগ আরও যে দুষ্কৃতীরা এলাকায় গুলি চালায়। এলাকায় বিজেপির দলীয় কার্যালয় এবং বাড়িঘরে ব্যাপক ভাবে ভাঙচুর চালায়।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ক্যানিং (South 24 Parganas) স্থানীয় তৃণমূলের নেতারা বলেন, ‘বিজেপি ইচ্ছে করে নিজেই তৃণমূলের উপর আক্রমণ করলে গোলমালের সুত্রপাত হয়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের ,  এবং Google News পেজ।

  • Justice Abhijit Gangopadhyay: দুই জেলার স্কুল পরিদর্শককে অপসারণের নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    Justice Abhijit Gangopadhyay: দুই জেলার স্কুল পরিদর্শককে অপসারণের নির্দেশ বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক দিনেই দুই জেলার স্কুল পরিদর্শককে অপসারণের নির্দেশ দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay)। মুর্শিদাবাদের স্কুল শিক্ষিকা নিজের সন্তানের অসুস্থের কথা বার বার জানালেও, স্কুল পরিদর্শক বদলির অনুমতি দেননি। এই অমানবিক আচরণের অভিযোগে বিচারপতি দুই সপ্তাহের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দিলেন। সেই সঙ্গে শিক্ষিকাকে তিন সপ্তাহের মধ্যে নিজের বাড়ির কাছের স্কুলে বদলি করার নির্দেশ দিলেন বিচারপতি। অপর দিকে হাইকোর্টে ভর্ৎসনার মুখে পড়ে অপসারণের নির্দেশ পেলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডিআই।

    মূল অভিযোগ কী (Justice Abhijit Gangopadhyay)?

    মুর্শিদাবাদের বালি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা বানানী ঘোষের সন্তান এক বিরল রোগে আক্রান্ত। তাঁর বাড়ি হল নদিয়ার কৃষ্ণনগরে। তাঁকে রোজ বাড়ি থেকে ১২৪ কিলোমিটার যাতায়েত করতে হতো। তাঁর সন্তান সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। ফুসফুস এবং হৃদপিণ্ডও ক্ষতিগ্রস্ত। ৬০ শতাংশ প্রতিবন্ধী। সমস্যার কথা জানিয়ে, স্কুল পরিদর্শকের কাছে স্কুল বদলির জন্য বারবার আবেদন করেন শিক্ষিকা। কিন্তু স্কুল পরিদর্শ, শিক্ষিকার আবেদন এবং সমস্যার কথায় কর্ণপাত করছিলেন না। অবশেষে নিরুপায় হয়ে হাইকোর্টে মামলা (Justice Abhijit Gangopadhyay) করেন শিক্ষিকা। 

    অপরে দক্ষিণ ২৪ পরগণার রবীন্দ্র হালদার নামক এক শিক্ষকের মৃত্যু হয় ২০১৯ সালে। তাঁর প্রথম স্ত্রী কুসুম হালদার এবং দ্বিতীয় স্ত্রী সুজাতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দ্বিতীয় স্ত্রীর বিবাহকে নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরি হয়। মামালা গড়ায় কোর্ট পর্যন্ত। অবশেষে দ্বিতীয় বিবাহ অবৈধ বলে কোর্ট রায় দেন। এইদিকে দ্বিতীয় স্ত্রীকে পেনশেনের টাকা পাওয়ার অনুমোদন দেন ডিআই সুজিত হাইত। এরপর মামলা কোর্টে গেলে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “ডিআই কীভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীকে পেনশেনের টাকা নেওয়ার অনুমতি দিলেন! তিনি কি জমিদার! আজ থেকে আর পদে থাকার দরকার নেই।”

    বিচারপতির নির্দেশ

    বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় (Justice Abhijit Gangopadhyay) মুর্শিদাবাদের এই স্কুল পরিদর্শককে অত্যন্ত অমানবিক বলে উল্লেখ করেছেন। সেই সঙ্গে পরিদর্শক হাইকোর্টে ভুল তথ্য পরিবেশন করেছেন বলে উল্লেখ করেছেন। বিচারপতি স্কুল সংক্রান্ত বিষয়ে হলফনামা দিতে বললেন। কিন্তু সেখানেও পরিদর্শক তথ্যের ক্ষেত্রে ভুল তথ্য দিয়েছেন। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় পর্যবেক্ষণে জানান যে শিক্ষিকার বদলি আটকানোর পিছনে সঠিক কারণ দিতে পারেননি পরিদর্শক। বিচারপতি খুব স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “সত্যই এটি বিরল রোগ। এই রোগের কথা আমি জানি। সব থেকে অবাক করার কথা হলে সব জেনেও পরিদর্শক কেন বদলির বিরোধিতা করলেন।” এরপর অভিযুক্ত পরিদর্শককে দুই সপ্তাহের মধ্যে অপসারণের নির্দেশ দেন। সেই সঙ্গে আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে মামালাকারী শিক্ষিকাকে নিজের বাড়ির কাছে কোনও স্কুলে বদলি করার নির্দেশ দেন।

    মামালাকারী শিক্ষিকার বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদের স্কুল মামালারীর শিক্ষিকা বলেন, “আমার বার বার আবেদন করেও সমস্যার সমাধান হয়নি। আদালতের নির্দেশকে (Justice Abhijit Gangopadhyay) নিয়েও গড়মসি হতে পারে। শিক্ষা দফতরের কাছে আমার আবেদন দ্রুত আদালতের নির্দেশকে কার্যকর করা হোক”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: মগরাহাটে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূলের বোর্ডে পঞ্চায়েত প্রধান হল বিজেপির, কী করে?

    South 24 Parganas: মগরাহাটে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূলের বোর্ডে পঞ্চায়েত প্রধান হল বিজেপির, কী করে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই বলে বোধ হয় ভাগ্য। বিজেপির ঝুলিতে আসন সংখ্যা মাত্র পাঁচটি। সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল। তাতে কী হয়েছে, নাম মাত্র আসন নিয়ে পঞ্চায়েতে প্রধান হল বিজেপি (BJP)। আর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও তৃণমূলকে কিছুটা বাধ্য হয়ে তা হজম করতে হল। এমনই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার শেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে। আর এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কী করে পঞ্চায়েত প্রধান হল বিজেপির? (South 24 Parganas)

    পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও বোর্ড গঠনে বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থীকে পঞ্চায়েত প্রধান করল তৃণমূল কংগ্রেস। জানা গিয়েছে, শেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েত (South 24 Parganas) প্রধান পদের আসনটি এসসি সংরক্ষিত। পঞ্চায়েতে মোট ২১টি আসন রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ১৩টি আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি পেয়েছে ৫টি, সিপিএম-১টি, কংগ্রেস-১টি এবং নির্দল-১টি আসনে জয়লাভ করেছে। তৃণমূল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও প্রধান হলেন বিজেপির জয়ী সদস্য। কারণ, হিসেবে জানা গিয়েছে, প্রধান পদের আসনটি এসসি সংরক্ষিত। শেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে একটিমাত্র আসন এসসি সংরক্ষিত রয়েছে। সেই আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের পদ্মা মিস্ত্রির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বিজেপির সুপ্রিয়া মণ্ডল। জয়লাভ করে বিজেপি প্রার্থী সুপ্রিয়া মণ্ডল। ফলে, তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও প্রধান পদের আসনটি এসসি সংরক্ষিত থাকায় তা বিজেপি প্রার্থীকে প্রধান নির্বাচিত করতে হয়েছে বলা জানা যায়।

    প্রধান নির্বাচিত হয়ে কী বললেন বিজেপির (BJP) জয়ী সদস্য?

    এই বিষয় নিয়ে বিজেপির (BJP) জয়ী সদস্য তথা পঞ্চায়েত প্রধান সুপ্রিয়া মণ্ডল বলেন, নিয়ম মেনেই এই পঞ্চায়েতে আমি প্রধান নির্বাচিত হয়েছি। আগামী দিনে দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত গড়তে আমি লড়াই চালিয়ে যাব। বিরোধীদের সঙ্গে নিয়েই একসাথে মানুষের পাশে থেকে আমরা কাজ করব। এলাকার উন্নয়ন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

    কী বললেন তৃণমূল নেতত্ব?

    মগরাহাট পশ্চিম যুব তৃণমূলের সভাপতি ইমরান হাসান বলেন, পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করেছে তৃণমূল। কিন্তু, প্রধান পদটি সংরক্ষিত থাকায় বিজেপির (BJP) জয়ী সদস্যকে প্রধান করা হয়েছে। তিনি আমাদের উন্নয়নে সামিল হয়ে মানুষের জন্যই কাজ করবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে ‘দুর্নীতি’! তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে ‘দুর্নীতি’! তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ।  তদন্ত করে ছয় সপ্তাহের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে হবে আদালতে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় প্রকল্পের নামে টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ছিল প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চে। 

    অনিয়মের অভিযোগ

    প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ক্ষেত্রে রাজ্যে বেনিয়ম হয়েছে বলে বিরোধীরা একাধিকবার অভিযোগ তুলেছিল। অভিযোগের জেরেই কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে টিম পাঠিয়ে ছিল। রাজ্যের বিভিন্ন গ্রাম ঘুরে রিপোর্ট জমা দেয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের কাছে। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার ক্ষেত্রে রাজ্যে বেনিয়ম হয়েছে বলে স্বীকার করেছিল কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকও ৷ জানানো হয়েছিল দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্র ৷ প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় (PM Awas Yojana) দুর্নীতির অভিযোগে জনস্বার্থ মামলা হয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court)। 

    আরও পড়ুন: ‘বাংলায় কুস্তি, বেঙ্গালুরুতে দোস্তি’! বিরোধী বৈঠককে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    আদালতের নির্দেশ

    এদিনের শুনানিতে মামলাকারীর তরফে সওয়াল করা হয়, ন্যায্য ব্যক্তি প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না। অথচ যাঁরা এই প্রকল্পের আওতায় আসছেনই না, তাঁদের নামে টাকা বরাদ্দ হয়েছে। এক ব্যক্তির বহু অ্যাকাউন্টে টাকা যাচ্ছে। আবার অনেক ক্ষেত্রে টাকা বরাদ্দ হয়েছে, অথচ টাকা পৌঁছয়নি। আবার অন্য এলাকার লোকের নামে বাড়ি বরাদ্দ হয়েছে। মামলাকারীর অভিযোগ, জেলায় আবাস যোজনার প্রাপকদের যে তালিকা তৈরি করা হয়েছে, তাতে বিস্তর গরমিল রয়েছে। আরও অভিযোগ, ন্যায্য প্রাপকদের বঞ্চিত করে বেআইনিভাবে একাধিক ব্যক্তির নাম তালিকায় তোলা হয়েছে। এরপরই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে অভিযোগ খতিয়ে দেখে তদন্ত করে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: পুলিশ নিয়ে মনোনয়ন দিতে গিয়েও আক্রান্ত বিজেপি, লাঠি, বাঁশ, রড নিয়ে হামলা

    Panchayat Election 2023: পুলিশ নিয়ে মনোনয়ন দিতে গিয়েও আক্রান্ত বিজেপি, লাঠি, বাঁশ, রড নিয়ে হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (panchayat election 2023) মনোনয়নের শেষ দিনেও উত্তাল রাজ্য। চোপড়ায় গুলিতে মৃত্যু হয়েছে বিরোধী রাজনৈতিক দলের দুই কর্মীর। ভাঙড় ২ তে যেসব প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা করতে পারেননি, হাইকোর্টের নির্দেশে তাঁদের পুলিশি নিরাপত্তা দিয়ে নিয়ে যাওয়ার সময় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে। একই ঘটনা ঘটে মিনাখাঁতে। হাইকোর্টের নির্দেশে বিজেপি প্রার্থীদের পুলিশ নিরাপত্তা দিয়ে মনোনয়ন করতে নিয়ে যাচ্ছিল। সেই সময় তাঁদের উপর আক্রমণ করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। রাজ্যে গণতন্ত্রের পরিবেশ নেই বলে মনে করছে বিরোধী দলগুলি।

    কী হয়েছে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (panchayat election 2023)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (panchayat election 2023) উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের হাড়োয়ায় বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা না করতে পারলে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, রাজ্য পুলিশ তাঁদের নিরাপত্তা দিয়ে মনোনয়ন করাতে নিয়ে যাবে। রাজ্য পুলিশ মোট ১১ জন বিজেপি প্রার্থীকে গাড়িতে করে মিনাখাঁ বিডিও অফিসে নিয়ে যায়। সেই সময় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আক্রমণ করে। গাড়ির কাচ ভাঙা হয়। বিজেপির অভিযোগ, হাইকোর্টের নির্দেশকে অমান্য করে এবং আইনের শাসনকে উপেক্ষা করে পঞ্চায়েতে মনোনয়ন জমা করতে দিল না রাজ্যর শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।

    বিজেপির জেলা ইনচার্জের বক্তব্য

    উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বিজেপির ইন চার্জ কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি বলেন, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আমরা ১১ জন বিজেপি প্রার্থীকে থানা থেকে পুলিশ প্রোটেকশন নিয়ে মিনাখাঁ বিডিও অফিসে নমিনেশন (panchayat election 2023) দিতে যাচ্ছিলাম। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আমাদের গাড়ি লক্ষ্য করে ইট মারা হয়। এর ফলে গাড়ির কাচ ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যায়। তারপর বেশ কিছু দুষ্কৃতী এসে কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে মারধর করে। বেশ কিছু মহিলা বিজেপি কর্মী ছিলেন। তাঁদেরকেও বেধড়ক মারধর করা হয়। তৃণমূল দুষ্কৃতীদের সংখ্যা ছিল প্রায় দেড়শোর বেশি। দুষ্কৃতীদের হাতে লাঠি, বাঁশ, রড ইত্যাদি ছিল। বিজেপি কর্মীদের মারধরের পাশাপাশি গাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় তারা। কৃষ্ণেন্দু মুখার্জি বলেন, পুরো জঙ্গলের রাজত্ব চলছে। তিনি বলেন, পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে জীবন সঙ্কটের কারণে আর বিডিও অফিসে মনোনয়ন জমা দেওয়া সম্ভবপর হয়নি। এই ঘটনার প্রতিবাদে ইতিমধ্যে হাড়োয়া থানায় বিজেপির পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: মনোনয়ন জমা দিতে এসে নিখোঁজ সিপিএম প্রার্থী, অপহরণের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    South 24 Parganas: মনোনয়ন জমা দিতে এসে নিখোঁজ সিপিএম প্রার্থী, অপহরণের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুপুর দেড়টা নাগাদ কাকদ্বীপ (South 24 Parganas) বিডিও অফিসের ভিতর থেকে সিপিএম প্রার্থীরা বাইরে বের হতে গেলে, বিডিও অফিসের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পুলিশের উপস্থিতিতেই সিপিএম প্রার্থীদের উপর হামলা চালায়। এমনকি রাস্তায় ফেলে দিয়ে মারধর করে জামা ছিঁড়ে দেয় বলে অভিযোগ করে সিপিএম। অশান্তি এখানেই থেমে থাকেনি, বিডিও অফিস থেকে ফেরার সময় এক সিপিএম প্রার্থী নিখোঁজ হয়েছেন বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগও করা হয়েছে বলে জানা গেছে এইদিন। 

    দক্ষিণ চব্বিশ (South 24 Parganas) পরগণায় কী হয়েছে?

    কাকদ্বীপে (South 24 Parganas) আজকে দুপুর বারোটার সময়, স্বামী বিবেকানন্দ গ্রাম পঞ্চায়েত বসন্তপুর এলাকার ১২৩ নম্বর বুথের সিপিএম প্রার্থী শান্তনু দাস বিডিও অফিসে মনোনয়ন জমা দিতে ঢোকেন। এরপরই তৃণমূলের কয়েকজন দুষ্কৃতী তাঁকে বিডিও অফিস থেকে তুলে নিয়ে যায় বলে জানা যায়। প্রথমে বিডিও অফিসের কাছে রঞ্জিত হাতির বাড়িতে নিয়ে যায় এবং তারপরে সেখান থেকে অন্যত্র নিয়ে চলে যায় বলে সিপিএমের অভিযোগ। এখনও পর্যন্ত ওই সিপিএম প্রার্থীর ফোন সুইচ অফ আছে, কোনও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। সিপিএমের পক্ষ থেকে বিডিও এবং কাকদ্বীপ আইসিকে অভিযোগ জানানো হয়। এরপর থেকে প্রশাসনের আধিকারিকরা ওই সিপিএম প্রার্থীর খোঁজ চালাচ্ছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও সন্ধান মেলেনি বলে জানা গেছে।

    কী বললেন সিপিএম নেতা?

    কাকদ্বীপের (South 24 Parganas) সিপিএম নেতা রাম দাস বলেন, প্রথম থেকেই বিরোধীদের মনোনয়নে বাধা দেওয়া হয়। আমাদের অনেকেই তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন। কিন্তু বিডিও অফিস থেকে সকলে ফিরে এলেও শান্তনু দাসকে আর সঙ্গে নিয়ে ফিরতে পারেননি। শান্তনুকে বিডিও অফিস থেকে তুলে নিয়ে গেছে বলে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তিনি অভিযোগ করেন। তিনি আরও বলেন, আমরা আমাদের প্রার্থীর নিখোঁজের বিষয়টি জানিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছি।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার (South 24 Parganas) তৃণমূলের সুন্দরবন সাংগঠনিক জেলার যুব সভাপতি বাপি হালদার বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে সিপিএম একটা সাজানো ঘটনা রচনা করছে। তিনি আরও বলেন, সিপিএম চাইছে ঝামেলা পাকিয়ে, হাইকোর্টে গিয়ে কেস করে, ভোট প্রক্রিয়াকে বন্ধ করে দিতে কিন্তু সিপিএমের এই আশা পূর্ণ হবে না।

    নিখোঁজ সিপিএম প্রার্থীকে পুলিশ কবে উদ্ধার করে বাড়িতে ফেরাবে, তাই এখন দেখার।  

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “বাংলায় মস্তানিরাজ খতম করব আমরা”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “বাংলায় মস্তানিরাজ খতম করব আমরা”, হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বাংলায় মস্তানিরাজ খতম করব আমরা।” রবিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরে এক প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে একথা বলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোনারপুর উত্তর ও দক্ষিণ বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক ফিরদৌসী বেগম ও লাভলী মৈত্র সহ একাধিক তৃণমূল নেতানেত্রীর নাম করে তিনি বলেন, “সব দলই ঝান্ডা তুলবে, মানুষ যাকে গ্রহণ করবে সে ক্ষমতায় থাকবে। আপনারা কত বড় মস্তান? আপনাদের থেকে অনেক বড় মস্তান কেষ্ট এখন তিহার জেলে রয়েছে। আপনারা থাকবেন, অন্য কেউ থাকবে না, তা চলতে পারে না। অন্যায়, দুর্নীতি, চুরির প্রতিবাদ হবে না, এটা হতে পারে না। এ জিনিস চলতে দেওয়া যাবে না, জেনে রাখুন মমতা। বাংলায় মস্তানিরাজ খতম করব আমরা।”

    সোনারপুর উত্তর কেন্দ্রের বিধায়কের সম্পত্তি বৃদ্ধি নিয়ে কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    রাজ্য সরকারের দুর্নীতি ও অপশাসন নিয়ে সোনারপুরে একটি প্রতিবাদ মিছিল করেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)। পরে, প্রতিবাদ সভা থেকে তিনি বলেন, “২০০৯ সালে সোনারপুর উত্তর কেন্দ্রের বিধায়ক ফিরদৌসী বেগমের সম্পত্তির পরিমাণ ছিল ১ লক্ষ ২২ হাজার ৫৫৮ টাকা। ২০১১ সালে বিধানসভা নির্বাচনের হলফনামায় তাঁর সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ৭১ লক্ষ ১৮ হাজার ৮০০ টাকা। ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনে ফিরদৌসী বেগমের সম্পত্তির পরিমাণ বেড়ে হয় ১ কোটি ৪৯ লক্ষ ৭৬০ টাকা। ২০২১ সালে সেই সম্পত্তির পরিমাণ এক ধাক্কায় বেড়ে দাঁড়ায় ৬ কোটি ৬৬ লক্ষ ৬৭ হাজার টাকা। রকেটের থেকেও বেশি গতিতে বেড়েই চলেছে বিধায়কের সম্পত্তির পরিমাণ। এর থেকেই প্রমাণিত বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি দুর্নীতি করে হয়েছে। এই চোরেদের উৎখাত করতে হবে।”

    শাসক দলের সঙ্গে কংগ্রেস, সিপিএমের যোগ নিয়ে কী বললেন বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজ্যের অন্য দুই দল কংগ্রেস ও সিপিএমের কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “শাসক দলের সঙ্গে সেটিং রয়েছে দুই দলের। ২০১১ সালে বিরোধী দলনেতা ছিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র। তখনও বিরোধিতার কোনও ছবি ধরা পড়েনি। ২০১৬ সালে বিরোধী দলনেতা হন আব্দুল মান্নান। রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তাঁরাও কোনও আন্দোলন করেননি। বর্তমানে বিরোধী দল বিজেপি। দুর্নীতি, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি বার বার সোচ্চার হয়েছে। তাই আগামী দিনে এই পশ্চিমবঙ্গকে রক্ষা করতে বিজেপিকে ক্ষমতায় আসতে হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: ভাঙড়ের মাঠে সরকারি নথি পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ! ঘটনাস্থলে পৌঁছে কী দেখল সিবিআই?

    SSC Scam: ভাঙড়ের মাঠে সরকারি নথি পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগ! ঘটনাস্থলে পৌঁছে কী দেখল সিবিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ের আন্দুল গড়িয়াতে পাঁচিল ঘেরা এলাকার মধ্যে সরকারি নথি পোড়ানোর অভিযোগ উঠল। রাতের অন্ধকারে কে বা কারা এই নথি পোড়ালো তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিবিআই-এর একটি দল। সিবিআই আধিকারিকরা আপাতত পুড়ে যাওয়া নথিতে কখনও বালি, কখনও নিজেদের বোতল থেকে জল ঢেলে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন। জ্বলন্ত কাগজ ধরতে গিয়ে হাত পুড়ছে আধিকারিকদেরও। 

    কী ঘটেছিল

    স্থানীয়দের অভিযোগ, স্থানীয় কয়েক জন তৃণমূল নেতা সকালে লরি বোঝাই কাগজপত্র নিয়ে যান ভাঙড়ের আন্দুলবেড়িয়ার বাগানবাড়ি সংলগ্ন এলাকার একটি মাঠে। সেখানে কাগজগুলি একসঙ্গে জড়ো করে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকেই খবর পায় সিবিআই। খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার একটি দল। কাগজে সরকারি স্ট্যাম্প দেখে তদন্তকারীদের অনুমান, সেগুলো নিয়োগ (SSC Scam) সংক্রান্ত কোনও নথির হতে পারে। কারণ যে তৃণমূল নেতারা লরিতে কাগজ এনেছিলেন, স্থানীয় এলাকায় তাঁরা আবার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। 

    আরও পড়ুন: ‘অহঙ্কারীকে ধ্বংস করার জন্য এক হাজার বার গুন্ডামি করব’! বিস্ফোরক শুভেন্দু

    নথি উদ্ধারের চেষ্টা

    আগুন নিভিয়ে অর্ধেক পুড়ে যাওয়া নথি উদ্ধারের চেষ্টা করছেন সিবিআই আধিকারিকরা। বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়েছে। আগুনে বালি ফেলে নিভিয়ে নথি উদ্ধারের চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। এই মুহূর্তে সেখানে রয়েছেন সাত থেকে আট জনের সিবিআই আধিকারিকের দল। গোটা বাগানবাড়ি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই নথিতেই হয়তো কোনও বড় ‘ক্লু’ ছিল, সেই প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা চলছিল। সকাল থেকেই স্থানীয় বাসিন্দাদের চোখে পড়েছে, লরি লরি কাগজ এনে জমা করা হয়েছে বাগানবাড়িতে। যে বাগানবাড়িতে নথি পোড়ানো হয়েছে, তার মালিকানা হিসাবে নাম উঠে আসছে স্থানীয় তৃণমূল নেতা গৌতম মণ্ডল ও রাকেশ রায় চৌধুরীর। বাগানবাড়ির চতুর্দিকে কালো ছাই পড়ে রয়েছে। সেখান থেকেই ঝলসে যাওয়া কাগজের অবশিষ্টাংশ উদ্ধার করছেন আধিকারিকরা। পুড়ে যাওয়া এই নথির সঙ্গে নিয়োগ দুর্নীতির (SSC Scam) সম্পর্ক থাকতে পারে,বলে মনে করছে সিবিআই। সেই কারণেই তারা তড়িঘড়ি এলাকায় ছুটে গিয়ে নথি উদ্ধারের চেষ্টা করছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share