Tag: South 24 Parganas

South 24 Parganas

  • South 24 Parganas: গণনার দিনেও উত্তপ্ত রায়দিঘি, প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর

    South 24 Parganas: গণনার দিনেও উত্তপ্ত রায়দিঘি, প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট শেষেও জারি মৃত্যু মিছিল। ভোট পরবর্তী হিংসায় দুষ্কৃতীদের আক্রমণে এবার প্রাণ গেল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) আরও এক তৃণমূল কর্মীর। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে রক্ত ঝরেছে সারা পশ্চিমবঙ্গে। এই নির্বাচনে অবশ্য সবচেয়ে বেশি রক্ত ঝরেছে শাসক দলেরই। এই আবহে ফের আরও এক শাসক দলের কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠল।

    কোথায় খুনের ঘটনা ঘটল (South 24 Parganas)?

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) রায়দিঘি বিধানসভার কাশীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপাশা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতের নাম বিপ্লব হালদার। জানা গিয়েছে, বিপ্লবের বুথে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হন। এরপরই দুষ্কৃতীরা এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূলের অভিযোগ, দুই দলের সংঘর্ষের আবহে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিপ্লবকে কুপিয়ে খুন করে। যদিও খুনের ঘটনা অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির বক্তব্য, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষেই খুন হন এই তৃণমূল কর্মী। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। বিপ্লবের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে খুন হয়েছিল বাসন্তীতেও

    এর আগে ভোটগ্রহণ চলাকালীন দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বাসন্তীতে প্রাণ হারিয়েছিলেন এক ভোটার। মৃত ব্যক্তির নাম আনিসুর রহমান। দাবি করা হয়, তিনি তৃণমূল প্রার্থীর আত্মীয়। বোমার আঘাতে প্রাণ হারান তিনি। উল্লেখ্য, যুব ও তৃণমূলের মূল সংগঠনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে এর আগেও বাসন্তীর মাটি রক্তে লাল হয়েছিল। সেখানে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল নিজে। ভোটের দিনও রক্তাক্ত হয় বাসন্তী! যদিও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উড়িয়ে দেয় ঘাসফুল শিবির। এবার ভোটপর্বের সময়ই বাংলার মোট ৪২ জনের প্রাণ গিয়েছে। ভোটের দিন মারা গিয়েছিলেন ১৬। ভোটের দিনের হিংসায় জখম আরও দুই ব্যক্তি মারা যান পরে। আর এবার ভোট পরবর্তী হিংসার বলি আরও এক তৃণমূল কর্মী। অপর দিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমাতেও দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব চলল।

    পাথরপ্রতিমায় বাড়িতে ঢুকে হামলা

    ভোট শেষেও হিংসা অব্যাহত জেলার বিভিন্ন জায়গায়। পাথরপ্রতিমায় (South 24 Parganas) তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পাথরপ্রতিমার পূর্বশ্রীধর নগর বালিখালপাড়া এলাকায়। স্থানীয় তৃণমূল জানায়, মঙ্গলবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অর্ধেন্দু ভূঁইয়া সহ একাধিক তৃণমূল কংগ্রেসের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায় বিজেপির দুষ্কৃতীরা। তারা বাঁশ, রড থেকে শুরু করে একাধিক অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয়। আর তার ফলেই তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অর্ধেন্দু ভূঁইয়া সহ ৮ থেকে ৯ জন কর্মী গুরুতর আহত হয়। আহত অবস্থায় পাথরপ্রতিমা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন চিকিৎসকেরা। অন্যদিকে এই ঘটনার দায় অস্বীকার করা হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। বিজেপির অভিযোগ, যুব তৃণমূল এবং মাদার তৃণমূলের সংঘর্ষের কারণেই এই হিংসার ঘটনা ঘটে। তবে এই ঘটনায় পাথরপ্রতিমা থানা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গোটা বিষয়ের তদন্ত শুরু করেছে পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ।

    বিজেপির বক্তব্য

    মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি প্রদ্যুৎ কুমার বৈদ্য বলেন, তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের ফলেই রায়দিঘিতে মৃত্যু হয়েছে। বিজেপি বুথে জিতলেও আমরা কোনও হিংসার আশ্রয়কে বিশ্বাস করি না। তিনি আরও বলেন, পাথরপ্রতিমাতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ প্রতিরোধ হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ভাঙড়ে আরাবুলের খাস তালুকে হারল তৃণমূল, উচ্ছ্বাস জমি কমিটির

    South 24 Parganas: ভাঙড়ে আরাবুলের খাস তালুকে হারল তৃণমূল, উচ্ছ্বাস জমি কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ে নিজের খাস তালুকে হারলেন তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম। হারের পর ভাঙড়ের গণনা কেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন তিনি। ভাঙড়ের পোলেরহাট (South 24 Parganas) দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত ছাতছাড়া হল তৃণমূলের। গতবারের পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল জমি কমিটি। উচ্ছ্বাস জমি কমিটির কর্মীদের মধ্যে।

    কীভাবে হারল তৃণমূল (South 24 Parganas)?

    ভাঙড়ের পোলেরহাট (South 24 Parganas) ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে হারল তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে জয় পেল জমি কমিটির প্রার্থী। জয়ের প্রবণতা স্পষ্ট হতেই গণনা কেন্দ্র ছাড়েন আরাবুল ইসলাম। পোলেরহাট ২ নম্বর অঞ্চলে হার হয়েছে বলে স্বীকারও করে নেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল। পোলেরহাট ২ নম্বর পঞ্চায়েতে এবার আসন সংখ্যা বেড়ে হয়েছিল ২৪। সব আসনেই এবার প্রার্থী দিয়েছিল জমি কমিটি। পঞ্চায়েত সমিতিতে তিনটি এবং জেলা পরিষদের একটি আসনেও মনোনয়ন দাখিল করেছিল জমি কমিটি।

    জয় জমি কমিটির

    ২০১৬ সালে ভাঙড়ে (South 24 Parganas) পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলনের সময় তৈরি হয়েছিল জমি, জীবিকা ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষা কমিটি বা জমি কমিটি। গতবারও পঞ্চায়েত ভোটে লড়াই করেছিল তারা। তাদের মনোনয়নপত্র পেশে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। তারপর হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন জমি কমিটির সদস্যরা। এবার অবশ্য তেমন অভিযোগ ওঠেনি। সংবাদ মাধ্যমে কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মির্জা হাসান বলেছিলেন,’ প্রথম দিন বাধা দিতে চেয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু আমরা বলেছিলাম, আমাদের উপরে হামলা হলে পাওয়ার গ্রিডই অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেব।’ ২০১৮ সালেও পোলেরহাটে দাপট দেখিয়েছিল জমি কমিটি। সেবার পোলেরহাট ২ পঞ্চায়েতের ১৬টি আসনের মধ্যে তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৮টি আসনে জিতেছিল। বাকি ৮টিতে জমি কমিটির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল। তার মধ্যে পাঁচটি আসন পেয়েছিল জমি কমিটি। তৃণমূল জিতেছিল ৩টি আসনে। তৃণমূল ১৬টির মধ্যে ১১টি আসন জিতলেও পঞ্চায়েত অফিসে কার্যত ঢুকতে পারেননি জয়ীরা। প্রধান, উপ প্রধানদের পঞ্চায়েত অফিসে ঢোকার সময় বাধা দিয়েছিল জমি কমিটির সদস্যরা।

    পিছনে কি আইএসএফ?

    ২০১৮ সালের সঙ্গে এবার অনেকটাই ফারাক রয়েছে। কারণ ২০২১ সালে ভাঙড়ে জয়লাভ করেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। তারপর থেকে ভাঙড়ে (South 24 Parganas) দাপট বেড়েছে আইএসএফের। এবারও ভাঙড়ে মনোনয়নপত্র পেশ ঘিরে তৃণমূলের সঙ্গে সংঘর্ষ বেধেছিল আইএসএফের। তার ফলে জমি কমিটির সঙ্গে তৃণমূলের বিবাদ আর নেই। কিন্তু পঞ্চায়েত ভোটের ফল বলছে, পোলেরহাটে এখনও জমি কমিটির একটা বড় সমর্থন রয়েছে।

    প্রক্তন বিধায়কের বক্তব্য?

    তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলাম বলেন, ভাঙড় কেন্দ্রে জিতেছি। কিন্তু পোলেরহাটে (South 24 Parganas) হেরেছি। আমাদের ৭জন প্রার্থী মাত্র ৫, ৭, ১০টি করে ভোটে হেরেছে। দেখা যাক কী হয়!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: গণনার দিনেও ভাঙড়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস

    South 24 Parganas: গণনার দিনেও ভাঙড়ে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ের (South 24 Parganas) কাঁঠালিয়া হাইস্কুলের গণনা কেন্দ্রে গেলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। মঙ্গলবার তিনি ভাঙড়ের ওই গণনা কেন্দ্রের সামনে পরিদর্শনে যান। তিনি এদিন গণনা কেন্দ্রের বাইরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন, তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখে যান। এরপর তিনি এখান থেকে বেরিয়ে ক্যানিং, বাসন্তী যাচ্ছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে।

    হিংসা রুখতে রাজ্যপাল (South 24 Parganas) জেলায়

    রাজ্য জুড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ঘিরে যে তাণ্ডব চলেছে, সেই হিংসার বিরুদ্ধে কলকাতার রাজভবনকে মোবাইল রাজভবনে পরিণত করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। পাহাড়, কোচবিহারের দিনহাটা থেকে মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম এবং ভাঙড় থেকে বাসন্তী-সর্বত্র হিংসা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছিলেন রাজ্যপাল। নিপীড়িত, আর্ত এবং স্বজনহারা পরিবারের মানুষের সঙ্গে দেখা করে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেন তিনি। দোষীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতারের বিষয়েও সরব হয়েছিলেন তিনি। ভোটের দিনে যেমন সক্রিয় ছিলেন রাজ্যপাল, ঠিক তেমনি ভোট গণনার দিনেও দক্ষিণের (South 24 Parganas) জেলাগুলিতে পরিদর্শন করবেন বলে জানা গেছে। 

    দিল্লি থেকে ফিরেই গণনা কেন্দ্রে পরিদর্শন  

    ভোটের আগে-পরে ঘটনা এবং রাজ্য জুড়ে হিংসার ঘটনার বিশেষ রিপোর্ট নিয়ে ৯ই জুলাই দিল্লি গিয়েছিলেন রাজ্যপাল। দিল্লিতে নেমেই কটাক্ষের সুরে বলেছিলেন, হিংসার বাতাবরণ থেকে মুক্ত বাতাস নিতে চান! এরপর গতকাল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করেন। আর বৈঠক শেষ করেই দিল্লি থেকে ফিরে সরাসরি দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভাঙড়ে পৌঁছান। হিংসা এবং অশান্তির বাতাবরণ থেকে বাংলার গণতন্ত্রকে সুরক্ষার বিষয়ে বিশেষ সক্রিয়তা দেখিয়েছেন তিনি। রাজভবনে পিস রুম তৈরি করেন। রাজ্যের যে কোনও প্রান্তে ঘটা হিংসার জন্য অভিযোগ জানানোর বিশেষ ব্যবস্থা করেন রাজ্যপাল। ভোটের দিন সব থেকে বেশি প্রাণহানি ঘটেছিল মুর্শিদাবাদে। রাজ্যপাল বার বার নির্বাচন কমিশন এবং প্রশাসনকে রাজধর্ম পালনের কথা মনে করিয়ে দেন। বন্দুক-গুলি নয়, গণতন্ত্রে মত প্রকাশের উপর জোর দিয়েছেন বেশি করে। আর তাই মানুষের মন ভয়মুক্ত করে প্রশাসনের প্রতি আস্থা এবং বিশ্বাসকে ফেরানোর উপর বেশি গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি। আর এই জন্যই দক্ষিণের জেলা পরিদর্শনে রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস।    

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: গ্রামে পুলিশ ঢুকতেই লাঠি ও বঁটি নিয়ে চড়াও মহিলারা, কুলপিতে চাঞ্চল্য

    South 24 Parganas: গ্রামে পুলিশ ঢুকতেই লাঠি ও বঁটি নিয়ে চড়াও মহিলারা, কুলপিতে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট অশান্তিতে গ্রামে পুলিশ ঢুকতেই লাঠি ও বঁটি নিয়ে পুলিশের উপর চড়াও হলেন সাধারণ মহিলারা ভোটাররা। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কুলপির (South 24 Parganas) উদয়রামপুর ৭৪ নং বুথ। ভোটের পরের দিন তৃণমূল-নির্দলের সংঘর্ষ হলে পুলিশ দোষীদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। হিংসার পরিস্থিতিকে সঠিক সময়ে নিয়ন্ত্রণ করেনি পুলিশ। সাধারণ ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগ না করতে দেওয়ার জন্য এই ঘটনা ঘটে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ। রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই জেলা জুড়ে ভোট পরবর্তী হিংসার কথা উঠে আসছে। শুধু তাই নয়, মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে, মগরাহাটে পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছোড়া হয় এবং পুলিশ উত্তপ্ত এলাকায় মার খায় বলেও জানা যায়।

    মূল অভিযোগ কী (South 24 Parganas)?

    এলাকার (South 24 Parganas) নির্দল কর্মী-সমর্থকদের অভিযোগ, রবিবার এলাকার তৃণমূল প্রার্থী আবুল হোসেন গাজি দলবল নিয়ে নির্দল প্রার্থী চম্পা হালদারের উপর চড়াও হন। এরপরেই দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক লড়াই বেধে যায়। ঘটনায় কুলপি থানার পুলিশ নির্দল প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে থেকে বেশ কয়েকজনকে আটক করে। আর এই আটকের পরেই গ্রামের মহিলারা লাঠি, ঝাঁটা, বঁটি নিয়ে গ্রামে পুলিশ ঢুকতেই প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। ঘটনা ঘটার সময় কেন পুলিশ এসে নিয়ন্ত্রণ করেনি, সেই রাগেই পুলিশের উপর চড়াও হন সাধারণ মানুষ।

    পুলিশের বক্তব্য

    অন্যদিকে পুলিশের (South 24 Parganas) পক্ষ থেকে জানানো হয়, তৃণমূল ও নির্দল দুটি দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। উদয়রামপুর এলাকায় পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে আপাতত। 

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্থানীয় (South 24 Parganas) তৃণমূল নেতৃত্ব। তৃণমূলের এক স্থানীয় নেতার বক্তব্য, এলাকায় নির্দল প্রার্থীর পরাজয় বুঝে এই রকম ঘটনা ঘটিয়েছে। দল আমদের এই সব কাজকে অনুমোদন করে না। পুলিশের উপর আঘাত করে আইন হাতে তুলে নেওয়াটা ভীষণ অন্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ভাঙড়ে বোমা ফেটে আহত দুই শিশু, আতঙ্কিত সাধারণ ভোটার

    South 24 Parganas: ভাঙড়ে বোমা ফেটে আহত দুই শিশু, আতঙ্কিত সাধারণ ভোটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগণার (South 24 Parganas) ভাঙর এলাকা উত্তপ্ত হয়ে ছিল। তৃণমূল এবং আইএসএফ কর্মীদের সংঘর্ষ, বোমাবাজি এবং বন্দুকের গুলিতে মৃত্যু পর্যন্ত হয়েছে বলে সংবাদ মাধ্যমে শিরোনাম হয়েছিল। পরিস্থিতি এতাটাই খারপ ছিল যে রাজ্যপাল ঘটনাস্থল পরিদর্শন পর্যন্ত করেছিলেন। আজ পঞ্চায়েত ভোটের দিনে ফের উত্তপ্ত হয়ে পড়েছে ভাঙড় দু নম্বর ব্লকের কাশীপুর এলাকা। এলাকায় বোমা ফেটে দুই শিশু আহত হয়েছে। আইএসএফ প্রার্থীদের ভোট কেন্দ্রে ভোট দানে বাধা দিল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। প্রতিবাদ করে এলাকার মানুষ রাস্তায় অবস্থান বিক্ষোভ করেন। সেই সঙ্গে চলে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে আইএসএফ কর্মীদের মারামারি

    বোমা ফেটে আহত দুই শিশু (South 24 Parganas)

    নির্বাচনের দিনে ভাঙড়ের (South 24 Parganas) ছয়ানিতে বল ভেবে খেলতে গিয়ে বোমা ফেটে আহত দুই শিশু। আহত ৭ বছর ও ৪ বছরের দুই শিশুকে জিরানগাছা হসপিটালে নিয়ে আসা হয়েছে। দুজেই খুব গুরুতর আহত বলে জানা গেছে।

    ভোট দানে বাধা অভিযুক্ত তৃণমূল

    আইএসএফ প্রার্থীদের ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ কাশীপুরে (South 24 Parganas)। সেই অভিযোগ তুলে দক্ষিণ কাশীপুরে রাস্তা অবরোধ করল আইএসএফ কর্মী সমর্থকরা। মূলত তাদেরকে ভোট কেন্দ্রে যেতে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা, এমনটাই অভিযোগ তুলে রাস্তা অবরোধ করে স্থানীয় গ্রামবাসীরা। যখন আইএসএফ কর্মীরা অবরোধ করছিল সেই সময় এক তৃণমূল কর্মী সেখান দিয়ে যাচ্ছিল। আর তাকে ধরে ব্যাপক মারধর করা হয়েছে বলে জানা গেছে। পরে ঘটনাস্থলে কাশীপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে অবরোধ তুলে দেয়।

    তিন কোম্পানি বাহিনী পৌঁছাল ভাঙড়ে

    ভাঙড় দু নম্বর ব্লকের কাশীপুর থানা (South 24 Parganas) এলাকায় মোট ১৬১টি বুথ রয়েছে। সেই বুথের নিরাপত্তার জন্য দু কোম্পানি বিএসএফ জওয়ান এসেছে বলে জানা গেছে। এর আগে এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এসেছিল। আর আজ সকালে দু কোম্পানি মোট তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ঢুকল।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তৃণমূলের জামাই এবং বিজেপির শ্বশুর প্রার্থী! তীব্র লড়াইয়ে কে জিতবেন?

    South 24 Parganas: তৃণমূলের জামাই এবং বিজেপির শ্বশুর প্রার্থী! তীব্র লড়াইয়ে কে জিতবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট যুদ্ধে জোর লড়াই শ্বশুর ও জামাইয়ের। শেষ হাসি কে হাসবে, শশুর নাকি জামাই, তা সময়ই বলবে। মথুরাপুর (South 24 Parganas) ২ নম্বর ব্লকের নন্দকুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৭৩ নম্বর বুথে শ্বশুর-জামাইয়ের লড়াইয়ে মজেছেন এলাকার মানুষজন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে উভয় প্রার্থীর মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও নেই পারিবারিক বিরোধ। দুই প্রার্থীর নির্বাচনী লড়াই নিয়ে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা।

    কেমন নির্বাচনী লড়াই

    বর্তমানে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী জামাই সুষেন জিৎ মণ্ডল, অন্যদিকে বিজেপির প্রার্থী শ্বশুর পালান পাইক। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, নন্দকুমারপুরের (South 24 Parganas)  এই বুথের পঞ্চায়েত নির্বাচনে মূলত বাম ঘেঁষা। আজ পর্যন্ত সিপিএমের হাতছাড়া হয়নি বলে জানা গেছে। সিপিএমের বিগত দুবারের প্রাক্তন প্রধান পালান পাইক, বর্তমানে দলবদল করে বিজেপিতে নাম লিখিয়েছেন। বর্তমানে তিনি বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন নিজের জামাইয়ের বিরুদ্ধে। একই বুথে তাই সকাল থেকে জামাই-শশুরের প্রচার চলছে জোর কদমে।

    বিজেপি প্রার্থীর বক্তব্য

    বিজেপি প্রার্থী পালান পাইক (South 24 Parganas) বলেন, বর্তমানে শাসক দল যেভাবে দুর্নীতি করেছে, তাতে সাধারণ মানুষ পাশে নেই। সেই কারণে দুর্নীতিমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে এলাকার মানুষ তাঁর সাথে আছেন। তিনিই জিতবেন বলে ১০০ শতাংশ আশাবাদী। তবে রাজনীতির বাইরে গিয়ে শশুর-জামাই-মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো। এক্ষেত্রে সম্পর্কের কোনও ঘাটতি হবে না, জানিয়েছেন তিনি।

    তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্য

    অপর দিকে তৃণমূল প্রার্থী (South 24 Parganas) জামাই সুষেন জিৎ মণ্ডলের দাবি, বর্তমানে দিদির যে উন্নয়ন, সেই উন্নয়নকে হাতিয়ার করেই তিনি জিতবেন। এলাকার মানুষ তাঁকেই ভোট দেবেন বলে ব্যাপক আশাবাদী তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, শশুরের সঙ্গেও সম্পর্ক ঠিকই থাকবে। তবে বিজেপির প্রার্থী পালনবাবুর মেয়ে তথা তৃণমূলের প্রার্থীর স্ত্রী, আপাতত স্বামীর পাশেই আছেন বলে জানিয়েছেন। ৮ই জুলাই নির্বাচনের পর গণনা হলে শেষ হাসি এখন কে হাসেন, সেটা ভবিষ্যতই বলবে। নির্বাচনে ভোটারদের মন জয় করতে উভয় পক্ষ প্রচার অভিযানে ভীষণ ব্যস্ত রয়েছেন বলে জানা গেছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের হাস্যকর পরিণতি, একই বুথে দলের দুজন প্রার্থী!  

    Panchayat Election: শাসকদলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের হাস্যকর পরিণতি, একই বুথে দলের দুজন প্রার্থী!  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুর বিধানসভার মধুসূদন চকের মাঝিপাড়া। এখানকার ২৮১ নম্বর বুথে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল (Panchayat Election) প্রকাশ্যে। এই বুথে তৃণমূলের পক্ষে দুজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এমনই দাবি করছেন দুই প্রার্থী। দুজনেই আবার শাসকদলের অনুগামী বলেও দাবি করছেন। ভারতীয় সংবিধানে এমন নজির কি আছে, যেখানে একই দলের দুজন প্রার্থী লড়বেন একই দলের হয়ে? এটা হাস্যকর বলে ব্যঙ্গ করতে ছাড়েনি অনেকেই।

    কীভাবে প্রকাশ্যে এল গোষ্ঠী কোন্দল (Panchayat Election)?

    বহুদিন ধরেই মথুরাপুর ২ নম্বর ব্লকের নন্দকুমারপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের (Panchayat Election) খবর সামনে উঠে আসছে। বিগত দিনে জ্যোৎস্না পাত্র ছিলেন শাসক দলের প্রধান। হঠাৎ করেই গত বছর দল তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা এনে বিরোধীদের সাহায্য নিয়ে অন্য আরেক জনকে প্রধান করে। আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে সেই গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আরও প্রকাশ্যে এল। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২৮১ নম্বর বুথে মনোরঞ্জন জানা পঞ্চায়েত সদস্য ছিলেন শাসকদলের। এবার তাঁর স্ত্রী তারামণি মণ্ডল জানা শাসকদলের হয়ে নমিনেশন জমা করেন। তাঁর স্বামী মনোরঞ্জন জানার দাবি, নির্দল হিসাবে তাঁর স্ত্রী নমিনেশন করতে গিয়েছিলেন। সেখানে দলের পক্ষ থেকে বলা হয়, তাঁকে তৃণমূলের প্রার্থী হতে হবে। সেই মতো তাঁর স্ত্রী নমিনেশন জমা করেন। পরবর্তী কালে দেখা যায়, প্রিয়াঙ্কা মাইতিও সেখানে শাসকদলের হয়ে নমিনেশন জমা করেছেন। তবে এখনও পর্যন্ত দলের পক্ষ থেকে কাউকে প্রতীক দেওয়া হয়নি। ওয়েবসাইটে দেখা যাচ্ছে, দুজনই টিএমসি প্রার্থী। তবে নমিনেশনের শেষ দিনে প্রকৃত কে তৃণমূলের প্রতীক পাবে, সেটাই এখন দেখার। দলের প্রতীক না পেলে তাঁর স্ত্রী নির্দল হয়ে লড়বে বলে জানিয়ে দিয়েছেন মনোরঞ্জন জানা।

    একই আসনে আরেক প্রার্থী কে (Panchayat Election)?

    অন্যদিকে দলীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রিয়াঙ্কা মাইতিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ থেকে প্রার্থী (Panchayat Election) করা হয়েছে। তিনি দলীয় প্রতীক পাবেন। আর প্রতীক না পেলে তিনিও নমিনেশন তুলবেন না, নির্দল হয়ে লড়বেন, এমনটাই জানা গেছে। একমাত্র আগামীকালই জানা যাবে প্রকৃত তৃণমূলের প্রার্থী কে। কারণ আগামীকাল নমিনেশন তোলার শেষ দিন। তবে যাই হোক না কেন, শাসকদলের কোন্দলের মধ্যে বিজেপি প্রার্থী শেষ হাসি হাসেন কিনা, সেটাই এখন দেখার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • South 24 Parganas: মথুরাপুরে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণ, জখম তৃণমূলের এক যুবক

    South 24 Parganas: মথুরাপুরে বোমা বাঁধতে গিয়ে বিস্ফোরণ, জখম তৃণমূলের এক যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বোমা বাঁধতে গিয়ে তা ফেটে গুরুতর জখম তৃণমূলের এক যুবক। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে মথুরাপুর থানার ঘোড়াদল এলাকায়। আহত যুবকের নাম আরিফ হোসেন মোল্লা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার ভোরে বাড়ির কাছেই বোমা বাঁধছিল আরিফ হোসেন মোল্লা। তখনই বিস্ফোরণ হয়। বিকট শব্দে স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে দেখেন, বোমা বিস্ফোরণের জেরে ঝলসে গেছে আরিফ। এর পরেই তাঁকে উদ্ধার করে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ (South 24 Parganas) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় মথুরাপুর থানার পুলিশ। তবে কী কারণে এই বোমা বিস্ফোরণ, তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    মায়ের বক্তব্য

    মা সমিয়ন বিবি বলেন, আমার দুই ছেলে। বড় ছেলে মধ্যমগ্রামে কাজ করে, আর ছোট এই ছেলে কলকাতায় বই বাঁধাইয়ের কাজ করত। কিন্তু নির্বাচনের জন্য বাড়িতে (South 24 Parganas) এসেছে। হোসেন রাজনীতির কারণেই বোমা বাঁধার কাজ করছিল বলে জানান মা। তিনি আরও বলেন, তাঁদের পরিবার তৃণমূল পার্টি করে। রাত তখন বাজে ৩ টে। সেই সময় আমরা বাড়িতে সবাই ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ ছেলে বাবা গো, মা গো বলে চেঁচিয়ে ওঠে। গিয়ে দেখি সারা শরীর ঝলসে গেছে। এর পর ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে আসি। এখান থেকে ডাক্তাররা কলকাতায় নিয়ে যেতে বলেছে। কিন্তু বুঝতে পারছি না, ছেলের এখন কী হবে!

    পঞ্চায়েত নির্বাচন কতটা সুরক্ষিত?

    রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পর্ব থেকেই সারা রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাসের বাতাবরণ, এমনই অভিযোগ করছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। বিরোধীরা বলছেন, গত ৯ দিনে রাজনৈতিক সংঘর্ষে মারা গেছেন ৭ জন। মুহূর্মুহূ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে কোচবিহারের দিনহাটা, উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া, মালদার চাঁচল, মুর্শিদাবাদের ডোমকল, বীরভূমের নানুর, পূর্ব মেদিনীপুরের বকচা, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার (South 24 Parganas) ক্যানিং, মিনাখাঁ এবং ভাঙড়। সর্বত্রই বিরোধীরা মনোনয়ন করতে গিয়ে বার বার আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ভাঙড়, ক্যানিং এবং দিনহাটাতে হয়েছে ব্যাপক বোমাবাজি। শুধু তাই নয়, হুগলির খানাকুল থেকে উদ্ধার হয়েছে ড্রাম ভর্তি তাজা বোমা। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছে। কমিশন এই নির্দেশের বিপক্ষে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করার পর বিরোধীরা মনে করছেন, নির্বাচন কমিশন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট করাতে চায় না। অপর দিকে, মনোনয়নের সময় রাজনৈতিক হিংসা কবলিত এলাকাগুলি পরিদর্শন করেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। সেই সঙ্গে বিরোধীদের মনোনয়ন করাকে সুনিশ্চিত করেন তিনি। রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ নির্বাচন করতে কড়া বার্তা দিয়েছেন রাজ্যপাল। নির্বাচন কেমন কাটে, সেটাই এখন দেখার।       

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coromandel Express: আধার কার্ড থেকে জানা গেল, মৃতদেহটি তাঁদের নিখোঁজ ছেলের নয়!

    Coromandel Express: আধার কার্ড থেকে জানা গেল, মৃতদেহটি তাঁদের নিখোঁজ ছেলের নয়!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রেল দুর্ঘটনায় মৃতদেহ নিয়ে নতুন করে জটিলতা। এক যুবকের মৃতদেহ কাকদ্বীপের এক নিখোঁজ যুবকের বলে পাঠিয়েছিল প্রশাসন। কিন্তু পরে জানা গেল, সেটি আদৌ কাকদ্বীপের নয়। শেষমেশ পরিচয় মেলায় ফিরে গেল সেই মৃতদেহ। অন্যদিকে, নিখোঁজ ছেলের সন্ধান না পেয়ে উদ্বিগ্ন কাকদ্বীপের পরিবার। তাঁরা শুধু কেঁদেই চলেছেন। 

    কী হয়েছিল?

    ওড়িশা রেল দুর্ঘটনার (Coromandel Express) পর প্রায় সাত দিন অতিক্রান্ত। কাকদ্বীপ বিধানসভার অন্তর্গত মধুসূদনপুর ৬৪ নম্বর বুথের পাঁচ সদস্যের মধ্যে দুজনের মৃতদেহ শনাক্তকরণ হয়েছে। কিন্তু বাকি ৩ সদস্যের কোনও সন্ধান পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার বিকেলে কাকদ্বীপে একটি মৃতদেহ এসে পৌঁছায়। বলা হয়, সেটি নিখোঁজদের মধ্যে একজনের। প্রাথমিক ভাবে জানা যায়, নিখোঁজ ব্যক্তির (Coromandel Express) নাম শামসুল হুদা শেখ, বয়স আনুমানিক ৩০। মৃতের বাড়ির লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কাকদ্বীপ পুলিশ মর্গে ওই মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করার সময় পোশাকের মধ্যে থেকে একটি আধার কার্ড পাওয়া যায়। তাতে জানা যায়, মৃত ব্যক্তির নাম রাজা সাহানিয়া, বিহারের বাসিন্দা তিনি। তারপরই শুরু হয় জটিলতা। মৃতদেহ নিতে অস্বীকার করে শামসুল হুদার পরিবার। এভাবেই প্রথমে বিভ্রান্তি এবং পরে তার নিরসন হওয়ায় পরিবারের লোকজন তা গ্রহণ করতে পারলেন না। 

    কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবারগুলি

    অগত্যা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাতে মৃতদেহটি পাঠিয়ে দেওয়া হয় বালেশ্বরে (Coromandel Express)। সামসুল হুদা শেখ ছাড়া আরও যে দুজনের এখনও পর্যন্ত কোনও খোঁজ মেলেনি, তাঁরা হলেন আব্দুল মাজিত শেখ (৪৭) ও গিয়াসুউদ্দিন শেখ (৩৪)। তিনজনকে না পেয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছে পরিবারগুলি। এদেরই একটি পরিবারের আক্ষেপ, যাও বা পাওয়া গেল, সেটা আবার অন্য রাজ্যের মৃতদেহ। পরিবার সহ এলাকার মানুষজনের আক্ষেপ, সাত দিন কেটে যাওয়া সত্ত্বেও এখনও পর্যন্ত মৃতদেহ কেন পাওয়া যাচ্ছে না, তা তাঁরা বুঝে উঠতে পারছেন না। কবে এঁদের খোঁজ মেলে, সেই আশায় দিন গুনছেন পরিবারের লোকজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Life Imprisonment: ফলতার মিষ্টি ব্যবসায়ী খুনে ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    Life Imprisonment: ফলতার মিষ্টি ব্যবসায়ী খুনে ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফলতার সহরারহাটে মিষ্টি ব্যবসায়ী খুনে সাজা ঘোষণা করলেন ডায়মন্ড হারবারের এডিজি জয়প্রকাশ সিংহ। অভিযুক্ত ৮ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে ৭ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড (Life Imprisonment) এবং ১ জনকে ১৪ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন তিনি।

    কী ঘটনা ঘটেছিল?

    প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২৯ শে মার্চ সন্ধ্যায় দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতার সহরারহাটের একটি মিষ্টির দোকানের মালিক কার্তিক ঘোষকে দোকানে ঢুকে খুন করে দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনার পর মোট ১১ জনের নামে অভিযোগ দায়ের করা হয়। এদের মধ্যে দুজন ফেরার থাকলেও ৯ জনকে গ্রেফতার করে ফলতা থানার পুলিশ। এরই মাঝে জেল হেফাজতে থাকা অবস্থায় এক বন্দির মৃত্যু হয়। 
    গত সোমবার ডায়মন্ড হারবার এডিজি আদালতে অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করেন বিচারক। মঙ্গলবার সেই মামলার রায়ে অভিযুক্ত রাজা খানকে ১৪ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন বিচারক জয়প্রকাশ সিংহ। অন্যদিকে বাকি সাতজন অভিযুক্ত মুজফফর মিস্ত্রী, উত্তম দোলুই, সবেদ আলি সেখ, সাহাজাদা পাইক, আক্তার উদ্দিন মোল্লা, কাদের সেখ এবং সাইদুল সেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের (Life Imprisonment) নির্দেশ দেন বিচারক।

    খুশি নন নিহতের মেয়ে

    অবশ্য নিজের বাবার খুনিদের সাজা ঘোষণার পর নিহত কার্তিক ঘোষের মেয়ে বলেন, তাঁর মৃত বাবা বিচার পেল না। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত রাজা খানের মাত্র ১৪ বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। আগামী দিনে মূল অভিযুক্ত রাজা খানের সর্বোচ্চ শাস্তির (Life Imprisonment) দাবি জানিয়ে উচ্চ আদালতে যাবেন তাঁরা। অপরদিকে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের আইনজীবী সুদীপ চক্রবর্তী বলেন, তাঁর মক্কেলদের ফাঁসানো হয়েছে। এডিজি আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চ আদালতে যাবেন তাঁরা।

    কী বললেন সরকারি আইনজীবী?

    এই ঘটনায় সরকারি আইনজীবী স্বপনকুমার কপাট বলেন, ২০১৪  থেকে কার্তিক ঘোষ খুনের মামলা চলছিল। এই মামলায় মোট ৩৫ জন সাক্ষী ছিলেন। সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখার পর বিচারক মঙ্গলবার সাজা (Life Imprisonment) ঘোষণা করেন। সরকারি আইনজীবী পুলিশ ও বিচার ব্যবস্থাকে ধন্যবাদ জানান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share