Tag: tmc

tmc

  • Siliguri: তৃণমূল নেতার অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে গেলে বাধা, ফিরে এল পুরসভা

    Siliguri: তৃণমূল নেতার অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে গেলে বাধা, ফিরে এল পুরসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল নেতার বাধায় অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে গিয়ে  ফিরে এলো তৃণমূল পরিচালিত শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভা। কারণ, সেই অবৈধ নির্মাণ হওয়া বাড়ির মালিক হচ্ছেন স্বয়ং তৃণমূল নেতা। শাসক দলের নেতা বলেই পিছু হটতে বাধ্য হল পুরসভা। এটা নিয়ে শিলিগুড়ি জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Siliguri)

    জানা গিয়েছে, প্রতিবেশীদের অভিযোগের ভিত্তিতে আইন মেনে নোটিশ জারি করে শুক্রবার শিলিগুড়ি (Siliguri) পুরসভার কর্মীরা ওই বাড়ি ভাঙতে যায়। বাড়ির মালিক সৌমিত্র দেবনাথ তৃণমূলের ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক। এই বিতর্কিত বাড়ির নিচে তৃণমূলের নির্বাচনী কার্যালয় খোলা হয়েছে। পুরসভার কর্মীরা তার বাড়ি ভাঙতে গেলে  তিনি প্রতিবাদ করে রুখে দাঁড়ান। এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। শিলিগুড়ি পুরসভার ইঞ্জিনিয়াররা মহকুমা শাসকের দফতরে গিয়ে ম্যাজিস্ট্রেটদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। তারপর বাড়ি ভাঙার অভিযান স্থগিত রেখে ফিরে যান পুরসভার কর্মী ও ইঞ্জিনিয়াররা।

    দলের কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে তোলাবাজি ও চক্রান্তের অভিযোগ

    অবৈধ নির্মাণের অভিযোগে বাড়ি ভাঙার অভিযানে দলেরই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে চক্রান্তের অভিযোগ করেন ত়়ৃণমূল নেতা সৌমিত্র দেবনাথ। তিনি ও তাঁর স্ত্রী মামনী দেবনাথ তৃণমূল কাউন্সিলর অমরআনন্দ দাসের বিরুদ্ধে তোলাবাজিরও অভিযোগ করেন। সৌমিত্র দেবনাথ বলেন, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে অধিকাংশ বাড়ির জমিরই পাট্টা নেই। অধিকাংশ বাড়ির অনুমোদিত প্ল্যান নেই। আমার বাড়ি ভাঙতে হলে আরও অনেক বাড়ি ভাঙা পড়বে। এলাকার বাসিন্দারা কোনও দিন কারও বিরুদ্ধে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ করেননি। অমরআনন্দ দাস কাউন্সিলর হওয়ার পর গত এক বছর ধরে তিনি তার নিজের কিছু লোককে দিয়ে বাড়ি বেছে বেছে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ করাচ্ছেন পুরসভায়। তারপর অভিযোগ তোলার নাম করে ঘুরিয়ে মোটা টাকা আদায়ের জন্য চাপ সৃষ্টি  করা হচ্ছে। 

     কী বলছেন তৃণমূল কাউন্সিলর?

    তৃণমূল কাউন্সিলর অমরআনন্দ দাস বলেন, আমার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ভিত্তিহীন। আমি এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে কোনওভাবেই যুক্ত নই। আমার বিরুদ্ধে টাকা চাওয়ার অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে  সৌমিত্র দেবনাথ ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে যাব। পাশাপাশি তিনি প্রশাসন ও আদালতের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেন, ৪৭ নম্বর ওয়ার্ডে অধিকাংশ বাড়ির জমির পাট্টা নেই।  মানুষ সাধ্যমতো বাড়ি বানিয়ে শান্তিতে বসবাস করছেন। তাই ওয়ার্ডের বাসিন্দারা যেন  কোনও বাড়ি নিয়ে অবৈধ নির্মাণ অভিযোগে না করেন। কারও বাড়ি যাতে ভাঙ্গা না পড়ে।

     কী বললেন মেয়র?

    নোটিশ জারি করে অভিযানে গিয়ে তৃণমূল নেতার বাধায় ফিরে আসতে হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছে পুরসভা। তৃণমূলও অস্বস্তিতে। কেননা দলের নেতার বিরুদ্ধে অবৈধ নির্মাণের অভিযোগ। আর সেই বাড়ি মালিক বলছেন, তৃণমূলের কাউন্সিলর তার বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে এসব করে তোলাবাজি করছেন। মেয়র গৌতম দেব বলেন, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। পদ্ধতি মেনেই কাজ হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “তোকে বিধবার কাপড় খুব তাড়াতাড়ি পরতে হবে”, হুমকি দিয়েছিলেন উত্তম সর্দার

    Sandeshkhali: “তোকে বিধবার কাপড় খুব তাড়াতাড়ি পরতে হবে”, হুমকি দিয়েছিলেন উত্তম সর্দার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডির ওপর হামলার পরই ফেরার শেখ শাহজাহান। এখনও খোঁজ নেই শাহজাহানের। তবে, শাহজাহানের অন্যতম অনুগামী শিবু হাজরা-উত্তম সর্দারের অত্যাচারের কাহিনি সামনে আসতে শুরু করেছে। পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে সুন্দরী মহিলাদের কীভাবে যৌন নির্যাতন চালানো হত, তা নিয়ে এর আগে মহিলারা গর্জে উঠেছেন। যদিও উত্তম এখন জেলে রয়েছেন। আর শিবু ফেরার। এবার উত্তমের বিরুদ্ধে আরও বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন সন্দেশখালির মহিলারা।

    বিজেপি সদস্যের স্ত্রীকে হুমকি! (Sandeshkhali)  

    বিরোধী রাজনীতি করলে উত্তম যে তার কী হাল করতেন, তা নিয়ে মুখ খুললেন সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলারা। শোনালেন জীবনের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতার কথা। কীভাবে একপ্রকার জোর করেই তাঁদের তৃণমূল করতে বাধ্য করা হয়, সেকথা বললেন মহিলারা। পঞ্চায়েত ভোটের সময় তাঁর এলাকায় বিজেপির দিকে পাল্লা ভারী ছিল। জিতেও গিয়েছিল বিজেপি ওই এলাকায়। এরপরই ওই বিজেপি প্রার্থীর স্ত্রীকে উত্তম সর্দার হুমকি দিয়েছিলেন। এক মহিলা বলেন, “বিরোধী পার্টি করার সাহস ছিল না কারও। বিজেপি প্রার্থী ভোটে জয়ী হওয়ায় উত্তমের চক্ষুশূল হয়ে ওঠে। যিনি ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁর স্ত্রীকে উত্তম বললেন, তোকে বিধবার কাপড় খুব তাড়াতাড়ি পরতে হবে। আমি উত্তম সর্দার।” এমন নয় যে আড়ালে-আবডালে হুমকি দেওয়া হয়েছে। সবার সামনেই বন্দুক দেখিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলে দাবি সন্দেশখালির ওই মহিলার। তিনি বললেন, ‘লোকজনের সামনে বন্দুক দেখিয়ে উত্তম বলে গেল, আমি কিন্তু ওকে মার্ডার করে দেব। ২৭টা করেছি, ওকে নিয়ে ২৮টা হবে। তুই সাবধান হয়ে যা।’ এ তো গেল হুমকির কথা। এছাড়া ভোটের সময় দেদার ছাপ্পা চলত বলেও অভিযোগ ওই মহিলার। উত্তম-শিবু মতো শাহজাহান বাহিনী সন্দেশখালি জুড়ে তাণ্ডব চালাত। জোর করেই তৃণমূলের পক্ষে ভোট করাত। সন্দেশখালি জুড়ে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছিল ওরা।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মিলবে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ থেকে বেশি টাকা, বিজেপি-র প্রচারে এবার ‘লাডলি বহেনা’

    BJP: মিলবে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডারের’ থেকে বেশি টাকা, বিজেপি-র প্রচারে এবার ‘লাডলি বহেনা’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীর ভান্ডারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিজেপির (BJP) হাতিয়া ‘লাডলি বহেনা যোজনা’। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ঠেকাতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লক্ষ্মীর ভান্ডারের মহিলাদের জন্য ভাতা ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে এক হাজার টাকা করেছেন। লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে তৃণমূল এনিয়ে ঢালাও প্রচারে নেমেছে। এই টাকা বৃদ্ধিকে সামনে রেখে তৃণমূল যাতে ফায়দা তুলতে না পারে, তার জন্য ‘লাডলি বহেনা যোজনা’ নিয়ে বিজেপি জোরকদমে প্রচারে নামছে বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে।

    লাডলি বহেনা যোজনা কী? (BJP)

    সম্প্রতি শিলিগুড়িতে বিজেপির (BJP) উত্তরবঙ্গের জ়োনের বৈঠক হয়েছে। বৈঠকে দলের রাজ্যের সহ পর্যবেক্ষক আশা লাকড়া, সাধারণ সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী উপস্থিত ছিলেন। সেখানে এবারের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে লাডলি বহেনা প্রকল্প নিয়ে প্রচার করার কথা বলা হয়েছে। লক্ষ্মীর ভান্ডারে যা দিচ্ছে, তার থেকে অনেক বেশি টাকা পাওয়া যাবে লাডলি বহেনা প্রকল্পে। দেশের বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে মহিলাদের মাসে আড়াই হাজার টাকা করে ভাতা দেওয়া হয়। এই প্রকল্পের নাম লাডলি বহেনা যোজনা। এই প্রকল্পের মতো পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকার লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প চালু করেছিল। তফসিলি জাতি ও উপজাতির মহিলারা পেতেন ১০০০ টাকা। আর বাকিদের ৫০০ টাকা করে দেওয়া হত। এবারের বাজেটে ৫০০ টাকার জায়গায় ১০০০ টাকা ও ১০০০ টাকার জায়গায় ১২০০ টাকা করা হয়েছে। তাতেও লাডলি বহেনা যোজনার থেকে অনেকটা পিছিয়ে লক্ষ্মীর ভান্ডার । বিজেপি ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভান্ডারের থেকে দেড় হাজার টাকা বেশি পাবেন এই রাজ্যের মহিলারা।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপির (BJP) শিলিগুড়ি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরুণ মণ্ডল বলেন, তৃণমূল সরকার এরাজ্যে কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু করতে দেয়নি। এতে এই রাজ্যের মানুষ চিকিৎসায় বিপুল খরচের চাপমুক্ত হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে সাধারণ মানুষ এই প্রকল্পে উপকৃত হচ্ছেন। সেরকম লাডলি বহেনা প্রকল্প থেকেও এরাজ্যের মহিলরা বঞ্চিত। তৃণমূল ক্ষমতায় থাকলে এসব পাওয়া যাবে না। তাই তৃণমূলকে সরাতে হবে। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে এরাজ্য থেকে ৩৫ টি আসন দিলে সেই পথ প্রশস্ত হবে। তাই নিজেদের উন্নয়নে এরাজ্যের মহিলাদের কাছে আমরা লাডলি বহেনা প্রকল্পের কথা তুলে ধরবো। কেননা মহিলা ভোটারের সংখ্যা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষ্মীর ভান্ডারে কম টাকা দিয়েও তৃণমূল একতরফা ফায়দা নিতে চাইছে। এতে মহিলারাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

     কী বলছে তৃণমূল?

    তৃণমূলের দার্জিলিং জেলা (সমতল) সভাপতি পাপিয়া ঘোষ বিজেপির এই প্রচারকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। তিনি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহিলা ও সাধারণ মানুষের জন্য যত সামাজিক প্রকল্প চালু করেছেন, তা কোথাও নেই। তাই বিজেপি যতই প্রচার করুক, লাভ হবে না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: তিনি নাকি ভাঙড়ের বেতাজ বাদশা! ৩ ঘণ্টা পুলিশি জেরায় ঘেমে-নেয়ে একশা আরাবুল

    South 24 Parganas: তিনি নাকি ভাঙড়ের বেতাজ বাদশা! ৩ ঘণ্টা পুলিশি জেরায় ঘেমে-নেয়ে একশা আরাবুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভাঙড়ে তিনি নাকি বেতাজ বাদশা। তাঁর কথায় এলাকা কাঁপে। দাপুটে সেই তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামের একী হাল। কাশীপুর থানায় ডেকে তাঁকে টানা তিনি ঘণ্টা জেরা করা হয়। পুলিশি জেরায় তিনি কার্যত ঘেমে যান। বার বার তিনি জল চান। দাপুটে নেতার অবস্থা দেখে তাঁর অনুগামীরা হতবাক হয়ে যান।

    থানায় এনে জেরা করল পুলিশ (South 24 Parganas)

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর পঞ্চায়েত ভোট উপলক্ষে মনোনয়ন পর্বের শেষ দিন, ১৫ জুন দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভাঙড় বিজয়গঞ্জ বাজার মেলার মাঠে আইএসএফ ও তৃণমূলের বোমা-গুলির সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছিল তিন জনের। এঁদের মধ্যে দু’জন তৃণমূল কর্মী, রশিদ মোল্লা ও রাজু নস্কর। অন্য দিকে মৃত্যু হয় আইএসএফ কর্মী মহিউদ্দিন মোল্লার। মহিউদ্দিনের বাবা কুতুবুদ্দিন মোল্লার অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা পুলিশের ডিটেক্টিভ ডিপার্টমেন্ট গত বৃহস্পতিবার ভাঙড় ২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তথা তৃণমূলের বেতাজ বাদশা আরাবুল ইসলামকে গ্রেফতার করে। আপাতত তিনি লালবাজারে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। গ্রেফতারের প্রায় এক সপ্তাহ পর আরাবুলকে কাশীপুর থানায় আনা হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনী ছিল। ওসির ঘরে তাঁকে দফায় দফায় তদন্তকারী জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জানা গিয়েছে, সে দিন ভাঙড় বিজয়গঞ্জ বাজারে ঘটনা নিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে প্রশ্ন করেন তদন্তকারী অফিসারেরা। প্রশ্ন বাণে কার্যত ভেঙে পড়েন দাপুটে তৃণমূল নেতা। থানা থেকে লালবাজারে যাওয়ার আগে আরাবুলের অনুগামীরা থানার বাইরে ভিড় জমান। কিন্তু কড়া পুলিশি বেষ্টনীর মধ্যে কেউ ধারেকাছে পৌঁছতে পারেনি।

    পরিবারের লোকজনের সঙ্গে থানায় কথা

    আরাবুল গ্রেফতার হওয়ার পরে তাঁকে ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য ভাঙড় বিজয়গঞ্জ বাজারে আনার কথা ছিল। কিন্তু এ দিন থানাতেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লালবাজারে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। থানায় পরিবারের লোকজন এসেছিলেন। বিশেষ করে তাঁর স্ত্রী ছিলেন। পরিবারের বিষয়ে কিছু কথা হয়। তারপর পুলিশি নিরাপত্তায় তাঁকে ফের লালবাজার নিয়ে চলে যায় পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kalyani: সেচমন্ত্রীর গাড়ির সামনে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের, পার্থকে দেখে উঠল চোর চোর স্লোগান

    Kalyani: সেচমন্ত্রীর গাড়ির সামনে বিক্ষোভ বিজেপি কর্মীদের, পার্থকে দেখে উঠল চোর চোর স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতিতে তৃণমূলের একাধিক তৃণমূল নেতা জেলে রয়েছে। এরইমধ্যে সন্দেশখালি কাণ্ডে মুখ পুড়েছে পুলিশের। এবার বিজেপি কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। তাঁকে দেখে চোর চোর স্লোগান দিলেন বিজেপি কর্মীরা। বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কল্যাণীতে (Kalyani)।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Kalyani)

    সন্দেশখালি কাণ্ডে উত্তাল রাজ্য। জেলায় জেলায় বিজেপির বিক্ষোভে পুলিশি বাধা দেওয়ার অভিযোগ। পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জ করার অভিযোগ রয়েছে। এই আবহের মধ্যে বৃহস্পতিবার কল্যাণীতে (Kalyani) বিজেপি-র কর্মসূচি ছিল। এদিন হুগলির উদ্দেশে যাওয়ার সময় বিজেপি কর্মীদের বাধার মুখে পড়েন রাজ্যের সেচ মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। তাঁকে লক্ষ্য করে উঠল চোর চোর স্লোগান। বিক্ষোভের জেরে মন্ত্রীর গাড়ি বেশ কিছুক্ষণ আটকে যায়। যদিও পুলিশের তৎপরতায় বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপরই কোনওরকমে মন্ত্রীর গাড়ির চালক গতি বাড়িয়ে এলাকা ছেড়ে চলে যায়। এরপরই পুলিশের সামনেই বিজেপি কর্মীরা মন্ত্রীর গা়ড়ির পিছনে ফের চোর চোর স্লোগান দিতে থাকেন। মন্ত্রী প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়ায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    কী বললেন সেচমন্ত্রী?

    বিক্ষোভ প্রসঙ্গে মুখ খোলেন সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক। তাঁকে বিজেপি কর্মীরা চোর বলেননি তা তিনি স্পষ্ট করে দেন। তিনি বলেন, ওরা আমাকে চোর চোর বলেনি। ওরা তৃণমূলকে চোর চোর বলেছে। আর সন্দেশখালি নিয়ে বিজেপি চক্রান্ত করে লোক ভাড়া করে এই নোংরামো করছে। সন্দেশখালির ঘটনায় যারা অভিযুক্ত তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আরও তদন্ত চলছে। এখন শান্ত রয়েছে সন্দেশখালি। আর যারা টিভির সামনে বক্তব্য রাখছে তারা সন্দেশখালির বাসিন্দা নয়। এটা প্রমাণিত হয়ে গিয়েছে। আসলে উস্কানি দিয়ে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করছে। আমরা সেখানে মিটিং করব। ৫০ হাজার কর্মীর সেখানে জমায়েত হবে। সন্দেশখালির মানুষ যে আমাদের সঙ্গে রয়েছে ফের তা প্রমাণিত হয়ে যাবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: পাট্টার ‘রেকর্ডের’ লোভ দেখিয়ে সন্দেশখালিতে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা তৃণমূলের

    Sandeshkhali: পাট্টার ‘রেকর্ডের’ লোভ দেখিয়ে সন্দেশখালিতে ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি (Sandeshkhali) কাণ্ডে মুখ পুড়েছে তৃণমূলের। যতদিন যাচ্ছে শাসক দলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়়ছে গ্রামবাসীদের। শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছেন মহিলারা। পাট্টার রেকর্ড করে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে আগুনে জল ঢালার চেষ্টা করছে তৃণমূল। যা নিয়ে সন্দেশখালি জুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    কী উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল? (Sandeshkhali)

    জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি বারাসতে জেলা পরিষদ ভবনে জেলা সভাধিপতির ঘরে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এমন গ্রামবাসীদের আসতে বলা হয়েছে, যাঁরা পাট্টা পাওয়া সত্তেও জমির ‘রেকর্ড’ করাতে পারেননি। তাঁদের যাতায়াত ও খাওয়া খরচ জেলা সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী নিজেই বহন করবেন বলে জানিয়েছেন। সন্দেশখালি-কাণ্ডের তদন্তে তৃণমূল নেতৃত্ব স্থানীয় এবং জেলা পর্যায়ে দু’টি কমিটি গড়েছে। জেলা পর্যায়ের কমিটিতে আছেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু, খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ, শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং জেলা সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী।আর স্থানীয় কমিটিতে সন্দেশখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান গণেশ হালদার, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য অষ্টমী সর্দার এবং তৃণমূলের এসসি- এসটি-ওবিসি সেলের নেতা মহেশ্বর সর্দার রয়েছেন। জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী বলেন, উত্তম পাট্টার জমি ইজারা নিয়ে মেছোভেড়ি করে মাছ চাষ করতেন। অনেকেরই সেই জমি ‘রেকর্ড’ হয়নি। অভিযোগ, উত্তম ভূমি দফতরে প্রভাব খাটিয়ে সেই সব জমির ‘রেকর্ড’ করাতে দেননি। ইজারার টাকাও দেননি। নারায়ণের কথায়, “রেকর্ড করাতে গিয়ে পাট্টাপ্রাপকদের খালি হাতে ফিরতে হয়েছে বহু ক্ষেত্রে।” তিনি আরও বলেন, “জেলা ভূমি দফতরের কর্তাদের সঙ্গে কথা বলে ওঁদের জমির রেকর্ড করে দেওয়ার ব্যবস্থা করব। জেলাশাসককে নিয়ে ২০ ফেব্রুয়ারি সন্দেশখালির দু’টি ব্লকেই যাব।” সেচমন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন, “গত দু’বছর ইজারার টাকা, ভেড়ির টাকা না দেওয়ার অভিযোগ আছে। আমরা বলেছি, ইজারার টাকা ফেরত না পাওয়া মানুষের তালিকা তৈরি করতে। সেই টাকা ফেরত দেওয়ার দায়িত্ব দলের।”

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, শাহজাহান বাহিনীর তাণ্ডবের বিরুদ্ধে গ্রামবাসীরা বার বার সোচ্চার হয়েও কোনও লাভ হয়নি। শাহজাহান ও তাঁর ঘনিষ্ঠ শিবপ্রসাদ হাজরা, উত্তম সর্দাররা ওই সব জমি দখল করে রেখেছেন বলে অভিযোগ। ফলে, পাট্টা পেয়ে জমি দখলে রাখতে পারেননি গ্রামবাসীরা। আর রেকর্ড করার উদ্যোগ নেয়নি সরকার। ফলে, শাহজাহান বাহিনীর লোকজন জমি ভোগ করে আসছিল। এতদিন পর হুঁশ ফিরল।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য তাপস মিত্র বলেন, পাট্টা রেকর্ড করার কথা বলে এলাকাবাসীকে লোভ দেখাচ্ছে। তৃণমূল ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমেছে। এসব করে কোনও লাভ হবে না। মানুষ ওদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malda: সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলে হাতাহাতি, পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

    Malda: সরস্বতী পুজোকে কেন্দ্র করে বিজেপি-তৃণমূলে হাতাহাতি, পুলিশের লাঠিচার্জের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরস্বতী পুজো করাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে ব্যাপক হাতাহাতি। প্রথমে শুরু হয় বচসা এবং পরে হাতাহাতি হয় উভয় পক্ষের মধ্যে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে, পুলিশের বিরুদ্ধে মারধর, লাঠিচার্জের অভিযোগ তোলেন বিজেপি সমর্থক গ্রামবাসীরা। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হবিবপুর থানার শ্রীরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের শীর্ষি এলাকায়। ের জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা।

    স্থানীয়দের বক্তব্য (Malda)

    এলাকায় (Malda) সরস্বতী পুজোকে ঘিরে মারধরের প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি সমর্থক উত্তম মন্ডল অভিযোগ করে বলেন, “আমরা এলাকায় পুজো করছিলাম। আচমকা তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের উপর আক্রমণ করে। আমাদের পুজোর সামগ্রী ফেলে দেয় তারা। এরপর আমাদেরকে মারধর করে। ঘটনায় পুলিশে খবর দিলে হবিবপুর থানার পুলিশ এসে উলটে আমাদের উপর লাঠিচার্জ করে।”

    বিজেপির বক্তব্য

    বিজেপির অভিযোগ, এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রত্যক্ষ মদতে পুলিশ এই ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছে। ইতিমধ্যে ১১ জন আহত হয়েছেন। তাঁদেরকে মালদা (Malda) মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয়। ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিজেপির জেলা সভাপতি উজ্জ্বল দত্ত। তিনি বলেন, “পুলিশ দোষীদের না ধরে বিজেপি সমর্থক গ্রামবাসীদের ব্যাপক লাঠিচার্জ করে। পুলিশ অফিসার বৈদ্যনাথ চক্রবর্তী স্থানীয় তৃণমূল নেতার নির্দেশে এই কাজ করেছেন। আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাই।” পরে অবশ্য গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে হবিবপুর থানা ও জেলার পুলিশ সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় সরস্বতী পুজো হয়ে থাকে একটি জমিতে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী দেব মন্ডল দাবি করেন ওই জমিটি তাঁর। আর এই নিয়ে শুরু হয় বিবাদ। ঘটনায় বিবাদ থামাতে হবিবপুর (Malda) থানার পুলিশ পৌঁছে সামাল দেয় গ্রামবাসীদের। স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিপ্লব মন্ডল বলেন, “সরস্বতী পুজো করে গায়ের জোরে অশান্তি তৈরি করেছে বিজেপি।” আবার জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি বলেন, “সারা বাংলায় তৃণমূলের উন্নয়নের কাজে বিজেপি উস্কানি দিয়ে চলেছে। সরস্বতী পুজোর দিনে এই সংঘর্ষ কাম্য নয়। পুলিশকে আরও সংযত হয়ে কাজ করতে হবে। আমরা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: পুলিশ নাকি খুঁজে পাচ্ছে না! শাহজাহানের মতো অন্তরালে থেকেই ‘বাণী’ দিলেন শিবু হাজরাও

    Sandeshkhali: পুলিশ নাকি খুঁজে পাচ্ছে না! শাহজাহানের মতো অন্তরালে থেকেই ‘বাণী’ দিলেন শিবু হাজরাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ইডি ওপর হামলার পর থেকে ফেরার শেখ শাহজাহান ফেরার। এখনও পুলিশ তার টিকি ছুঁতে পারেনি। তবে, তিনি অন্তরালে থেকে কখনও কর্মীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কখনও স্পিডবোটে করে এলাকায় ঘুরতে দেখা গিয়েছে। এবার তাঁর সাগরেদ শিবু হাজরাকে গ্রেফতারের দাবিতে অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালি। তারপরও পুলিশ তাকে ধরতে পারেনি। শাহজাহানের মতো তিনি অন্তরালে রয়েছেন। সেখান থেকে বাণী দিলেন। যা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।

    মহিলাদের পার্টি অফিসে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন! সাফাই শিবুর (Sandeshkhali)

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শিবু হাজরার বিরুদ্ধে এলাকায় মহিলাদের অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছে। ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগও শোনা যাচ্ছে। তাঁকে গ্রেফতার করার দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ আন্দোলন শুরু হয়েছে। বুধবার সংবাদমাধ্যমের সামনে আসেন শিবু। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “সবই ভিত্তিহীন অভিযোগ। এর নেপথ্যে রয়েছেন সিপিএমের নিরাপদ সর্দার এবং বিজেপির বিকাশ সিংহ। ওঁরা মানুষকে উত্ত্যক্ত করছেন। আমাদের বিরুদ্ধে উস্কে দিচ্ছেন। মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।” মহিলাদের পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন প্রসঙ্গে শিবু বলেছেন, “আমি কখনওই কাউকে রাতে ডাকিনি। কেন ডাকতে যাব? দলের মিটিং থাকলে খবর দেওয়া হত। সেখানে থাকার জন্য কাউকে জোর করা হয়নি কখনও।” সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মানুষের প্রশ্ন, পুলিশ শিবুকে খুঁজে পাচ্ছে না। অথচ ও বহাল তবিয়তে রয়েছে। নিজের মতো করে বক্তব্য রাখছেন। বোঝাই যাচ্ছে, তৃণমূলের নির্দেশে পুলিশ শিবুকে গ্রেফতার করার সাহস দেখাচ্ছে না।

    গ্রেফতারির দাবি উঠলেও অধরা শিবু

    শিবুর পোলট্রি ফার্মে গত বৃহস্পতিবার আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। উত্তেজিত জনতা ভাঙচুর করে তাঁর বাড়ি, বাগানবাড়ি। অভিযোগ, এলাকায় জমি জবরদখল করে শিবু, শাহজাহান, উত্তমরা মাছের ভেড়ি তৈরি করেছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে পথে নেমেছিলেন মূলত মহিলারা। বঁটি, কাটারি, বাঁশ, লাঠি হাতে তাঁরা সন্দেশখালি (Sandeshkhali) থানার সামনে বসে পড়েছিলেন। শিবুর গ্রেফতারির দাবিতে বিক্ষোভ দেখান বাসিন্দারা। তারপরও শিবুর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি। গোপন ডেরায় দিব্যি আছেন শিবু।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে সন্দেশখালি, তারকা-সাংসদ নুসরতের ফোন ‘সুইচড অফ’

    Sandeshkhali: ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে সন্দেশখালি, তারকা-সাংসদ নুসরতের ফোন ‘সুইচড অফ’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরে অগ্নিগর্ভ সন্দেশখালি (Sandeshkhali)। তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের লাগামছাড়া অত্যাচারের বিরুদ্ধে ফুঁসছে সন্দেশখালি। মহিলাদের ওপর নির্যাতনের কথা শুনলে হাড়হিম হয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। এই পরিস্থিতিতে সেখানকারই সাংসদ, একজন মহিলা, তিনি কোথায়? কোথায় বসিরহাটের সাংসদ নুসরত জাহান? সেখানকার মানুষরা এবার সাংসদের বিরুদ্ধেই মুখ খুলছেন। অভিযোগ করছেন, এত সবের পরও নুসরত জাহানের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তাঁর ফোন সুইচ অফ।

    সাংসদের মোবাইল সুইচড অফ, সরব মহিলারা (Sandeshkhali)

    সাংসদকে নিয়ে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) প্রত্যন্ত গ্রামের মহিলারা বিস্ফোরক সব অভিযোগ করছেন। রাতবিরেতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নিগ্রহেরও অভিযোগ উঠছে। গ্রামের এক মহিলা বলেন, “নুসরত জাহানকে তো ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না। ফোন বন্ধ করে রেখেছেন। আমরা তো অন্য পার্টি করি না। আমরা টিএমসি পার্টিই করি। ভোট দিই টিএমসি- কে। না দিলে তো হবে না। আমরা না দিলেও ভোট পড়ে যায়।” সাংসদ গ্রামে শেষ কবে এসেছেন, স্মৃতি হাতড়েও মনে করতে পারছেন না গ্রামের মহিলারা। গ্রামের আরেক মহিলা বলেন, “সাংসদকে আমাদের সমস্যার কথা বলতে গেলে শোনেন না তো! অনেক দিন আগে এসেছেন। দু-তিন বছরেরও বেশি আগে এসেছিলেন। একেবারে বাড়ির মেয়ের মতো আমাদের কাছে এসে কথা বলেন। কাউকে মা সম্বোধন করেছিলেন। সব সময় পাশে থাকার কথা বলেছিলেন। কিন্তু, সমস্যায় পড়লে জানানোর কথা বলেছিলেন। এখন নিজেই ধরাছোঁয়ার বাইরে। আর এক মহিলা বলেন, নিজের জন্য তিনি সাংসদ হয়েছেন। আমাদের মতো অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে তিনি সাংসদ হয়নি।

    সাংসদ অডিওবার্তায় কী বলেছিলেন?

    সন্দেশখালিজুড়ে (Sandeshkhali) তোলপাড় চলছে। একবারের জন্য এই মাটিতে পা দেওয়ার প্রয়োজনবোধ করেননি সাংসদ নুসরত জাহান। কেবল অডিও বার্তায় নুসরত বলেছেন, “আমি আগুনে ঘি ঢালব না। আমি সংসদের কাজে দিল্লিতে ছিলাম। কিছুদিন আগে ফিরেছি। দিল্লি থেকে ফিরে নিজের কাজে ব্যস্ত ছিলাম। তবে, প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছি। প্রশাসনকে সবরকমভাবে সাহায্য করছি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: “কোলের একরত্তিদেরও মারধর করা হয়েছে”, চোয়ালে রক্তের দাগ নিয়ে বিস্ফোরক মহিলা

    Sandeshkhali: “কোলের একরত্তিদেরও মারধর করা হয়েছে”, চোয়ালে রক্তের দাগ নিয়ে বিস্ফোরক মহিলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) প্রতিবাদী মহিলারা তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের নির্মম অত্যাচার এবং শোষণের বিরুদ্ধে আরও বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। মহিলাদের অভিযোগ, “লুট করেছে, শোষণ চালিয়েছে, রাতবিরাতে ঘর থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে নিগ্রহ করেছে। তারা সন্দেশখালির বাইরের লোক।”

    অপরে এই অভিযোগের ভিত্তিতে বিরোধীরা সন্দেশখালি নির্যাতিত মানুষের পাশে দাঁড়াতে গেলে পুলিশের সঙ্গে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি এলাকায়। অবশেষে মামলায় হাইকোর্ট থেকে ১৪৪ ধারা তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    অত্যাচারিত মহিলার বক্তব্য (Sandeshkhali)

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) এক মহিলা তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে বলেন, “গ্রামের বাঁধ নির্মাণের জন্য আমাদের কাছে থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে। এই টাকা আমাদের দেওয়ার কথা নয়। আমাদের জীবন জীবিকা রয়েছে। আমরা মার খাওয়ার হাত থেকে রক্ষা পেতে বাধ্য হয়ে টাকা দিয়েছি। আর টাকা না দিলে রাতবিরেতে লোক ঘরে এসে ঢুকে যাবে। তুলে নিয়ে যাবে আমাদের। আমাদের বাড়ির পুরুষ মানুষদের মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়।”

    আর কী অভিযোগ?

    গ্রামের (Sandeshkhali) এক বয়স্ক মহিলা বলেন, “আমরা ১০০০ টাকার কাজ করলে ৫০০ করে টাকা দিত। না দিলে রাতে এসে তুলে নিয়ে যেত। বাড়ির সামনে কোদালের বাঁট মেরে দিয়ে যাচ্ছে। শিবু হাজরা, উত্তম সর্দার আমাদের এলাকার লোক নয়। আমাদের টাকা দিতে বাধ্য করা হচ্ছে। আবার ক্যামেরার সামনে মুখ খুললে আমাদের অত্যাচারের শিকার হতে হচ্ছে। বেছে বেছে টার্গেট করা হচ্ছে। আমার চোয়ালে এখনও রক্তের দাগ লেগে রয়েছে। কোলের একরত্তি বাচ্চাদের পর্যন্ত মারধর করা হয়।” এই প্রসঙ্গে আরও এক মহিলা বলেছেন, “শেখ শাহজাহান কোনও মুসলমান মহিলাদের তুলে নিয়ে যায় না, বেছে বেছে হিন্দু মহিলাদের তুলে নিয়ে যায়।” এদিকে শিবু হাজরা এখনও নিখোঁজ। অপর দিকে উত্তম সর্দার সোমবার জামিন পেলেও রাতে আবার তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। আবার তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহানের অবশ্য দাবি, “আমার কাজ আগুনে ঘি ঢালা নয়। আমি প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। প্রশাসনকে সব রকম ভাবে সহযোগিতা করছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share