Tag: tmc

tmc

  • Birbhum: সিভিক ভলান্টিয়ারকে ব্যাজ খুলে নেওয়ার হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা, শোরগোল

    Birbhum: সিভিক ভলান্টিয়ারকে ব্যাজ খুলে নেওয়ার হুমকি দিলেন তৃণমূল নেতা, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইন মেনে কাজ করতে গিয়ে তৃণমূল নেতার হুমকির মুখে পড়তে হল এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে অনুব্রতের গড় বীরভূমের (Birbhum) সিউড়ি এলাকায়। প্রকাশ্যে তৃণমূল নেতার ‘দাদাগিরি’ দেখলেন এলাকাবাসী। হুমকি সেই ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও তার সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। সিভিক ভলান্টিয়ারকে হুমকি দিলেও কোনও পুলিশ আধিকারিক তার প্রতিবাদ করার সাহস দেখায়নি। এই ঘটনা নিয়ে জেলা জুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকালবেলা বীরভূমের (Birbhum) সিউড়ি শহরে দুজন বাইক আরোহী হেলমেট ছাড়া গাড়ি চালাচ্ছিলেন। তা দেখতে পেয়ে কর্তব্যরত সিভিক ভলান্টিয়ার কৃষ্ণ গোপাল মণ্ডল ওই বাইক আরোহীদের জরিমানা করার জন্য গাড়ির ছবি তোলেন। অভিযোগ, এরপর বাইক থেকে নেমে অভিযুক্তরা কৃষ্ণকে হেনস্থা করে। শুধু তাই নয়, যে ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে এই ঘটনাটি ঘটেছে সেখানকার আইএনটিটিইউসির সাধারণ সম্পাদক শেখ ডালিম কাছে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি বিষয়টি জানার পরই সিভিক ভলান্টিয়ারকে ব্যাজ খুলে নেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ। সিভিক ভলান্টিয়ার কৃষ্ণ গোপাল মণ্ডল বলেন, “রাস্তা দিয়ে বাইক চড়ে হেলমেট ছাড়া যাচ্ছিল দেখে আমি ছবি তুলছিলাম। তখন ওরা বলল ভাল করে ছবি তোল। দেখে নেব বাকিটা। তারপর ডালিম বলে একজন এসে আমাকে বললেন, তোর ব্যাজ খুলে নেব। আমায় চিনিস তুই। আমি বললাম, না চিনি না। আইন মেনে কাজ করার জন্য আমাকে প্রকাশ্যে হুমকি দেওয়া হল। আমি বিষয়টি ওপরতলায় জানিয়ে দেব।”

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    সিউড়ির ট্যাক্সি স্ট্যান্ডের আইএনটিটিইউসির সাধারণ সম্পাদক শেখ ডালিম বলেন, “আমাদের ড্রাইভার বাইক নিয়ে যাচ্ছিলেন। ওর গাড়ির ছবি তোলে ওই সিভিক। তারপর ড্রাইভার বলেন দাদা আমি ভুলে গিয়েছি হেলমেট নিতে। ও স্বীকারও করে। তারপরও ওই সিভিক তাকে ছাড়েনি। আমি কোনও হুমকি দিইনি।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘সুন্দরী কম বয়সী বউদের পার্টি অফিসে পাঠিয়ে দিতে হত’, গর্জে উঠলেন মহিলারা

    Sandeshkhali: ‘সুন্দরী কম বয়সী বউদের পার্টি অফিসে পাঠিয়ে দিতে হত’, গর্জে উঠলেন মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) ছিল না মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার! বাড়ির কম বয়সী বউদের তুলে নিয়ে যেত তৃণমূলের নেতারা। এরপর পার্টি অফিসে রাতভর চলত বাড়ির মাহিলাদের উপর অমানবিক পৈশাচিক অত্যাচার। যৌনশোষণ করে তৃণমূল নেতাদের মন ভরলে তবেই ছাড় মিলত।” এই ভাবেই অভিযোগ করেন জেলিয়াখালির গ্রামবাসীরা। রেশন দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত তৃণমূলের পলাতক নেতা শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ অনুগামি উত্তম সর্দার এবং শিবু হাজরাদের বিরুদ্ধে গ্রামের মহিলারা ব্যাপকভাবে সরব হওয়ায় শোরগোল পড়েছে রাজ্যজুড়ে। প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার প্রথমে লাঠি, ঝাটা নিয়ে গ্রামবাসীদের বিক্ষোভ-প্রতিবাদে এবং শুক্রবার অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছিল সন্দেশখালি। সেই সঙ্গে অভিযোগ উঠেছে, গতকাল রাতভর প্রতিবাদী মহিলাদের টার্গেট করে ব্যাপক মারধর করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যে কয়েকজন মহিলা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

    বাড়ির বউকে ছেড়ে দিতে হত!

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মহিলাদের বক্তব্য বলেন, “তৃণমূল পার্টির লোকেরা আগে এসে দেখে যাবে কোন বাড়ির বউ বেশি সুন্দরী। এরপর তাঁদের মধ্যে যে কম বয়সী তাঁর বাড়িতে হুমকি চলে আসত। বাড়ির বউকে ছেড়ে দিতে হতো তাঁদের হাতে। তুমি স্বামী হতে পারো, কিন্তু তোমার কোনও অধিকার ছিল না। তুলে নিয়ে চলে যেত তৃণমূলের পার্টি অফিসে। এক দিনের জন্য নয়, রাতের পর রাত ভোগ করত নেতারা। ততক্ষণ পর্যন্ত রেহাই নেই ঠিক যতক্ষণ পর্যন্ত নেতাদের মন না ভরত। সারারাত পার্টি অফিসে রেখে, ভোর বেলায় ছেড়ে দেওয়া হতো বউদের। ঠিক এই ভাবে দিনের পর দিন আমাদের গ্রামবাসীর উপর অত্যাচার এবং যৌন নির্যাতন চালাতো সন্দেশখালির কুখ্যাত নেতা শাহজাহান বাহিনী।”

    সন্দেশখালি নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু

    শেখ শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরার বিরুদ্ধেই এলাকার মানুষের মূল অভিযোগ। তাঁর বিরুদ্ধে ইতিমধ্যে থানায় (Sandeshkhali) এফআইআর করা হয়েছে। প্রধান অভিযোগ হল, শাহজাহান শেখ, শিবু হাজরা এবং উত্তম সর্দারকে গ্রেফতার করতে হবে। এই দাবিতে এদিনও আগের মতোই লাঠি, বাঁশ, দা এবং কাটারি হাতে রাস্তায় নামেন মহিলারা। মানুষের সম্পত্তি জমি জোর করে দখল করে নিয়েছে তৃণমূলের গুন্ডারা। প্রাপ্য টাকা চাইতে গেলে প্রাণের ভয় দেখানো হত। আর তাই জেলিয়াখালিতে মূল অভিযুক্ত শিবু হাজরার পোল্ট্রি ফার্মে শুক্রবার উত্তেজিত জনতা আগুন লাগিয়ে দিয়েছিল। রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেছেন, “চোর মমতার বিরুদ্ধে বাংলায় হিন্দু সমাজের জনজাগরণ ঘটেছে। বাংলার মায়েরাই সেই রাস্তা দেখিয়েছেন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ১০০ দিনের তালিকায় স্কুল ছাত্রের নাম, সরকারি কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ

    South 24 Parganas: ১০০ দিনের তালিকায় স্কুল ছাত্রের নাম, সরকারি কর্মীদের ঘিরে বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০০ দিনের জব কার্ডের বেনিয়মের অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকার মহিলারা। শনিবার দিন করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঁটাবেনিয়া এলাকায় কুলপি ব্লক উন্নয়ন আধিকারিকের প্রতিনিধিরা ১০০ দিনের জব কার্ডের লিস্ট নিয়ে যায়। আর সেখানেই ঘটে বিপত্তি। সরকারি কর্মীদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভ দেখান।

    এলাকাবাসীর কী অভিযোগ? (South 24 Parganas)

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কুলপি বিধানসভার করঞ্জলী পঞ্চায়েত এলাকায় ১০০ দিনের তালিকায় রয়েছে একাধিক বেনিয়ম। যাঁরা কাজ করেছেন তাঁদের অনেকেরই নাম নেই, আবার যাঁরা কাজ করেননি এমন অনেকের নাম রয়েছে তালিকায়। তালিকায় নাম রয়েছে, বরণ হালদার। সে একাদশ শ্রেণির ছাত্র। স্কুলে যায়। কখনও কোদাল হাতে ধরেনি। অথচ তার নাম রয়েছে। আর চন্দনা সরকার, প্রভুরানি শিকারির মতো বাসিন্দার তালিকায় নাম নেই। আর তালিকার বিষয়টি জানতে পেরেই মহিলারা রীতিমতো ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁদের বক্তব্য, যাঁরা কাজ করেছেন অবিলম্বে তাঁদেরকে বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে হবে। আমরা এই তালিকা মানি না।

    দলের প্রাক্তন প্রধানের বিরুদ্ধে সরব পঞ্চায়েত সদস্য

    করঞ্জলী পঞ্চায়েতেরই কাটাবেনিয়া এলাকার পঞ্চায়েত সদস্যার পাশাপাশি তাঁর  স্বামী বুবুন চক্রবর্তী বলেন, প্রাক্তন প্রধান ১০০ দিনের কাজের টাকা নিয়ে নিজের স্বার্থে লাগিয়েছে। এমনকী নিজের ব্যক্তিগত কাজ এই ১০০দিনের মাধ্যমে তিনি করিয়েছেন। আবাস যোজনার বাড়ি তৈরির টাকাও আমরা পাইনি। কুড়ি হাজার টাকা করেও তিনি দেননি। পরে,  ঘটনাস্থলে কুলপি থানার পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের আশ্বস্ত করলে বিক্ষোভ ওঠে। করঞ্জলী গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান শান্তনু কয়াল বলেন, এলাকার মানুষ যে অভিযোগ করছেন তা সম্পূর্ণ সঠিক নয়।

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির মহিলা মোর্চার সভানেত্রী  আম্বিয়া বিবি বলেন, তৃণমূল টাকা লুটের জন্য এই তালিকা তৈরি করেছে। প্রশাসন ওদের হয়ে কাজ করছে। মানুষ আর ওদের মেনে নিচ্ছে না। তাই, ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন। যারা এই তালিকা তৈরি করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ‘কেষ্ট’র নাকি শনির দশা চলছে! ৫০ কেজি ঘি দিয়ে বিরাট হোম-যজ্ঞের আয়োজন বোলপুরে

    Birbhum: ‘কেষ্ট’র নাকি শনির দশা চলছে! ৫০ কেজি ঘি দিয়ে বিরাট হোম-যজ্ঞের আয়োজন বোলপুরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনির দশা কাটাতে শনিবারে কেষ্টর নামে বিরাট যজ্ঞের আয়োজন। এই যজ্ঞ মহোৎসবের মহাপ্রসাদ খাবেন ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তে বীরভূমের (Birbhum) জেলা তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার এবং কয়লা পাচার মামলায় দিল্লির তেহার জেলে বন্দি রয়েছেন। তৃণমূলের অবশ্য বক্তব্য, কেষ্ট বিহনে জেলা তৃণমূল কার্যত অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। আর তাই তাঁর অনুগামীরা মঙ্গল কামনায় বিশেষ হোম-যজ্ঞের আয়োজন করেছেন। আগামী ১০ ফেব্রুয়ারিতে হবে এই মহাযজ্ঞ। জেলায় এই নিয়ে তীব্র শোরগোল।

    কোথায় অনুষ্ঠিত হবে যজ্ঞ (Birbhum)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমের (Birbhum) বোলপুর রেলওয়ে ময়দানে সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে করা হবে এই মহাযজ্ঞ। তাকে ঘিরেই এখন জেলায় ব্যাপক প্রস্তুতি, সেই সঙ্গে চলছে বিশাল আয়োজন। দুর্গামন্দিরের সামনে যে পোস্টার দেওয়া হয়েছে তাতে স্পষ্ট করে লেখা রয়েছে, অনুব্রত মণ্ডল হলেন বীরভূমের রূপকার। তাঁর মঙ্গল কামনা করে দীর্ঘায়ুর জন্য শুভাকাঙ্খীগণ এই যজ্ঞের আয়োজন করেছেন। তাই সকলকে বিশেষ ভাবে আমন্ত্রণ।

    আয়োজকদের বক্তব্য

    বোলপুরের (Birbhum) স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুনীল সিংহ এই মহাযজ্ঞ সম্পর্কে জানিয়েছেন, “৫০ কেজি ঘি, ৫ কুইন্টাল বেলকাঠ প্রজ্বলন করে যজ্ঞ করা হবে। সকাল ৯ টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত চলবে এই যজ্ঞ। এরপর শুরু হবে মহাপ্রসাদ বিতরণ। প্রথমে ভেবেছিলাম ৫ থেকে ৬ হাজার লোকসমাগম হবে। কিন্তু দাদার ভক্তদের প্রবল উৎসাহে মনে হচ্ছে সংখ্যাটা ১০ হাজারের বেশি হবে।” তিনি এই প্রসঙ্গে আরও বলেন, “আমরা দাদার অন্ধভক্ত, তিনি আমাদের অভিভাবক। মিথ্যা মামলায় তাঁকে ফাঁসানো হয়েছে। এজেন্সি জোর করে তাঁকে ধরে রেখেছে। কেষ্টদার মঙ্গল কামনায় আমরা মা দুর্গার কাছে যজ্ঞের আয়োজন করেছি। আমরা আশা করছি তিনি যেন দ্রুত আমাদের কাছে ফিরে আসেন।”   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ব্যালটের পর এবার বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খেলেন তৃণমূল কর্মী!

    Jalpaiguri: ব্যালটের পর এবার বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খেলেন তৃণমূল কর্মী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক হিংসা কতটা নৃশংস হতে পারে, তা তৃণমূল নেতার আচরণে স্পষ্ট হল। এবার বিজেপি কর্মীর কান কামড়ে গিলে খাওয়ার ঘটনা ঘটল। অভিযুক্ত তৃণমূল কর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে জলাপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার মহকুমা ধূপগুড়ি এলাকায়। উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ছাপ্পা, লুট, মারধর, বোমাবাজির পাশপাশি গননা কেন্দ্রে ব্যালট গিলে খেয়ে নিজের জয়কে সুনিশ্চিত করেছিলেন এক তৃণমূল প্রার্থী। এবার ফের মানুষের কান খেয়ে নেওয়ার মতো অমানবিক ঘটনা ঘটেছে এই রাজ্যে। বিজেপির বক্তব্য, “আগে বালি, কয়লা, ব্যালট খেত, এখন মানুষের কান কামড়ে খাচ্ছে। দোষীর শাস্তি চাই।”

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Jalpaiguri)?

    স্থানীয় (Jalpaiguri) সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বৃহস্পতিবার ধূপগুড়ি স্টেশন মোড়ের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে এই অমানবিক ঘটনা ঘটে। ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হয়েছেন এলাকার এক তৃণমূল কর্মী রাশিদুল রহমান। স্টেশনের পাশে থাকা এক চপের দোকানে এসেছিলেন অপর এক যুবক। এরপর এই যুবককে নানা ভাবে উত্যক্ত করেছিলেন তৃণমূল নেতা। অভিযোগ এটাও ছিল যে তাঁকে উলঙ্গ করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। এরপর পাশেই বিনয় রায় নামে এক ব্যক্তি রশিদুলকে এই আচরণ করতে বাধা দেন। বিনয় নিজে এলাকায় বিজেপি করেন। এরপর ঘটনায় লাগে রাজনৈতিক রঙ। উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। ঠিক এরপর পরস্পরের মধ্যে মারামারি বাধে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, বিনয়ের কান কামড়ে ছিড়ে খান রশিদুল। এরপর অসুস্থ বিজেপি কর্মীকে স্থানীয় হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হয়।

    আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর বক্তব্য

    ঘটনায় আহত বিজেপি কর্মী বিনয় জানিয়েছেন, “একজনের প্যান্ট জোর করে খুলে দেওয়া হচ্ছিল। আমি বাধা দিতেই আমার কানের অংশ কামড়ে ছিড়ে খেয়ে নিয়েছে। আগে এই তৃণমূল নেতা হকারি করত, এখন এই সব করছে। আমি বিজেপি করি, তাই এই আচরণ করল।” আবার এক স্থানীয় (Jalpaiguri) প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, “কানের একটা অংশ ছিল না। কান সেলাই করার মতো অবস্থায় ছিল না।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    স্থানীয় (Jalpaiguri) তৃণমূল নেতা বিপুল ইসলাম বলেন, “ওরা কী খেয়ে নিজেদের মধ্যে মজা করছিল আমি জানি না। আমার জানার কথাও নয়।” তবে ঘটনার পর থেকে তৃণমূল নেতা এখন পলাতক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arabul Islam: গ্রেফতার হলেন ভাঙড়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা আরাবুল, নিয়ে যাওয়া হল লালবাজার

    Arabul Islam: গ্রেফতার হলেন ভাঙড়ের দাপুটে তৃণমূল নেতা আরাবুল, নিয়ে যাওয়া হল লালবাজার

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ের বেতাজ বাদশা আরাবুল ইসলামকে (Arabul Islam) পুলিশ গ্রেফতার করেছে। তবে, সঠিক কী কারণে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, দাপুটে এই নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে একাধিক ঝামেলার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। উত্তর কাশীপুর থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। ইতিমধ্যেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এর আগে ২০১৫ সালে গ্রেফতার হয়েছিলেন ভাঙড়ের এই দাপুটে নেতা। বোমাবাজি, তোলাবাজি, খুনের চেষ্টার অভিযোগ ছিল। লোকসভা ভোটের আগে আরাবুলের গ্রেফতারি নিয়ে জোর চর্চা শুরু।

    কেন গ্রেফতার আরাবুল? (Arabul Islam)

    সূত্রের খবর, পঞ্চায়েত ভোটে ঝামেলার ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় তাঁকে। একইসঙ্গে আইএসএফ কর্মী খুনের ঘটনাতেও আরাবুল ইসলামকে (Arabul Islam) গ্রেফতার বলে পুলিশ সূত্রে খবর। দু’টি ঘটনাতেই আরাবুলের নামে অভিযোগ দায়ের হয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন দেওয়ার সময় ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজারে যে ঝামেলা হয়েছিল তাতেই এই গ্রেফতারি বলে জানা যাচ্ছে। পাশাপাশি বৈদিক ভিলেজে তোলাবাজির অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। বামনঘাটায় রেজ্জাক মোল্লাকে মাথা ফাটানোর অভিযোগ রয়েছে। পঞ্চায়েত ভোটে আইএসএফ-তৃণমূল সংঘর্ষে খুন হয়। তাতেও নাম জড়ায় তাঁর। গত বছর ১৫ জুন বিজয়গঞ্জ বাজারে গন্ডগোলের ঘটনায় খুন, অস্ত্র আইন, খুনের চেষ্টা, সরকারি কর্মচারীদের কাজে বাধা-সহ একাধিক ধারায় মামলা হয়। সেই সূত্রে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উত্তর কাশীপুর থানায় তাঁকে ডাকা হয়। আরাবুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে আসেন উত্তর কাশীপুর থানায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ভাঙড় ডিভিশনের ডিসি সৈকত ঘোষ। মূলত, ১৫ জুন সেই পুরানো মামলায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রেফতার করা হয় আরাবুলকে। গ্রেফতারের পর লালবাজারে আনা হয় তাঁকে। পঞ্চায়েত ভোটে অশান্তির মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয় বলে খবর। শুক্রবার তাঁকে বারুইপুর আদালতে পেশ করা হবে।

    নিছক লোক দেখানো গ্রেফতারি, কটাক্ষ শুভেন্দুর

    আরাবুল (Arabul Islam) প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি এই বিষয়টিকে খুব বেশি গুরুত্ব দেননি। বরং, তিনি বলেন, “এই গ্রেফতারিকে নিছক লোক দেখানো। পুলিশ গ্রেফতার করেছে। একটু বিরিয়ানি দেবে, ভাল কম্বল দেবে। ও ওখানে ভালভাবেই থাকবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Hooghly: মেয়ের সামনে মাকে বিবস্ত্র করে মার! অভিযুক্ত তিন তৃণমূল নেতা

    Hooghly: মেয়ের সামনে মাকে বিবস্ত্র করে মার! অভিযুক্ত তিন তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রৌঢ়া মা এবং দুই মেয়েকে গণধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত তিন তৃণমূল নেতা। নিচুজাত বলে গালি দিলে প্রথমে থানায় ডায়েরি করা হয়। এরপর পুলিশ কোনও তদন্ত করেনি বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনায় পালাটা তৃণমূল নেতারা অত্যাচার শুরু করে ওই পরিবারের উপর। এমনকী থানায় ডায়েরি তুলে নেওয়ার জন্য প্রথমে হুমকি, এরপর ধর্ষণ করার চেষ্টাও করা হয়। বাড়িতে ঢুকে মাকে সন্তানদের সামনেই বিবস্ত্র করা অত্যাচার করা হয়। একই ভাবে দুই মেয়েকে গণধর্ষণের হুমকি দেওয়া হয়। এমন ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে হুগলিতে (Hooghly)।

    পুলিশ সূত্রে খবর (Hooghly)

    স্থানীয় (Hooghly) পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দুই মেয়ে এবং এক ছেলেকে নিয়ে ৫০ বছরের এক প্রৌঢ়া নিজের হুগলির বাড়িতে থাকতেন। ১২ বছর ধরে তাঁর স্বামী নিখোঁজ। মহিলা পরিচারিকার কাজ করতেন। এলাকায় তাঁকে নিচু জাত বলে খোঁটা দেওয়া শুরু করে এলাকারই তিন তৃণমূল নেতা। সম্প্রতি অত্যাচার বাড়ে, এলাকায় জল নেওয়া বন্ধ করে দেয় তৃণমূল নেতারা। এরপর একদিন অভিযুক্তরা বাড়িতে ঢুকে বিবস্ত্র করে ব্যাপক মারধর করে। সন্তানদেরও মারধর করা হয়। উচ্চ মাধ্যমিকে পড়া দুই মেয়েকে গণধর্ষণ করে মারার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর ফেব্রুয়ারির প্রথমেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়।

    প্রৌঢ়ার বক্তব্য

    চুঁচুড়া (Hooghly) আদালতে গোপন জবানবন্দি দিয়ে প্রৌঢ়া বলেন, “অত্যাচার থেকে বাঁচতে তৃণমূলের পঞ্চায়েত উপপ্রধানের পায়ে ধরি। কিন্তু কেউ প্রতিবাদ না করে বিষয় নিয়ে মজা করেন। আমি সুবিচার চাই। এই সব মামলা করার সামর্থ নেই।” আবার প্রৌঢ়ার এক মেয়ে বলেন, “বাড়ি ফিরতে ভয় লাগে। শ্লীলতাহানি করেছে বাড়িতে ঢুকে। বোনের সঙ্গে আমারাও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা, কীভাবে দেবো সেটা জানিনা।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    এলাকার (Hooghly) অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলেন, “হুমকি বা ধর্ষণের অভিযোগ মিথ্যা। জাত তুলে গালাগাল দেওয়া হয়নি। মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে।” আবার এলাকার উপপ্রধানের বক্তব্য, “এই বিষয় খুব একটা গুরুতর কিছু নয়। আমার কাছে কোনও অভিযোগ জানানো হয়নি। স্থানীয়রা আমাদের জানিয়েছেন বিষয়টি, বড় কিছু ঘটেনি।”

    বিজপির বক্তব্য

    এলাকার (Hooghly) বিজেপি নেতা ঘটনায় জানিয়েছে, “দলের নেতার না চাইলে এমন ঘটনা ঘটতে পাড়ে না। তৃণমূল এই নির্যাতনের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালিতেই শাহজাহানকে গ্রেফতারের উঠল দাবি, লাঠি হাতে মহিলাদের বিক্ষোভ

    Sheikh Shahjahan: সন্দেশখালিতেই শাহজাহানকে গ্রেফতারের উঠল দাবি, লাঠি হাতে মহিলাদের বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি বা কোনও বিরোধীরা নয়, সন্দেশখালির মানুষ এবার তৃণমূলের ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) গ্রেফতারের দাবিতে রাস্তায় নামলেন। রীতিমতো লাঠি, বাঁশ হাতে বৃহস্পতিবার  পথে নামলেন সন্দেশখালির মহিলারা। এ বার তাঁদের সরাসরি দাবি, তৃণমূলের স্থানীয় নেতা শেখ শাহজাহান, ব্লক সভাপতি শিবপ্রসাদ হাজরা এবং আরও এক তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দারকে গ্রেফতার করতে হবে।

    কেন ফের পথে নামলেন মহিলারা? (Sheikh Shahjahan)

    ক্ষোভে ফুঁসছে সন্দেশখালিতে শাহজাহান (Sheikh Shahjahan) বিরোধী ক্ষোভ দানা বাঁধছিল। সেটা টের পেয়ে বুধবার শাহজাহানের নিজস্ব বাহিনী এলাকায় মিছিল করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করেন। আর সেটাই বুমেরাং হয়।  স্থানীয় বাসিন্দারা তাড়া করে শাহজাহান বাহিনীকে ভাগানোর পর বৃহস্পতিবার দাপুটে ওই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারি চেয়ে আবার পথে নামলেন এলাকাবাসী, বিশেষত মহিলারা। বুধবার রাতের দিকে তৃণমূল নেতাদের পোলট্রি ফার্মে আগুন লাগানোর অভিযোগ ওঠে। তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দার এবং শিবু হাজরার লোকজন নিজেদের পোল্ট্রি ফার্মে ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এমনই অভিযোগ আন্দোলনকারীদের। আর এই হামলার দায় ঠেলে গ্রামবাসীদের বিরুদ্ধে। তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন এলাকার মহিলারা। বৃহস্পতিবার লাঠি, বাঁশ হাতে সন্দেশখালি থানা ঘেরাও করার চেষ্টা করেন মহিলারা। পুলিশ তাঁদের আটকে দেয়। প্রতিবাদে রাস্তায় বসে পড়েন মহিলারা। পর পর দুদিন তৃণমূল বিরোধী যে ক্ষোভ মাথাচাড়া দিয়েছে তা এর আগে দেখেননি সন্দেশখালির মানুষ।

    বিক্ষোভকারী মহিলাদের কী বক্তব্য?

    বিক্ষোভরত মহিলাদের বক্তব্য, “শাহজাহানেরা (Sheikh Shahjahan)  দিনের পর দিন ধরে জমি দখল করেছেন। মানুষের উপর অত্যাচার চালিয়েছেন। তাঁকে ও তাঁর অনুগামীদের গ্রেফতার করতে হবে। না হলে আমরা যাব না। এতদিন শিবপ্রসাদ, শাহজাহানদের ভয়ে মুখ বুজে সমস্ত অত্যাচার সয়েছি। বাইরে থেকে গুন্ডা এনে আমাদের উপর অত্যাচার করত। এখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছে, তাই রাস্তায় নেমেছি। কারণ,  পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে বলে শাহজাহানের কাছে যাও। শাহজাহান বলে শিবু হাজরার কাছে যাও। আমরা কোথায় যাব? এটা চলতে পারে না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বালুরঘাট থেকে দিল্লি পর্যন্ত ট্রেনের দাবি, রেলমন্ত্রীর দ্বারস্থ সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: বালুরঘাট থেকে দিল্লি পর্যন্ত ট্রেনের দাবি, রেলমন্ত্রীর দ্বারস্থ সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট থেকে এবার সরাসরি দিল্লি পর্যন্ত ট্রেনের দাবিতে সরব হলেন বালুরঘাটের সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। এনিয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের হাতে লিখিতভাবে দাবিপত্র তুলে দিয়েছেন তিনি। মূলত, বালুরঘাট- গুয়াহাটি এবং বালুরঘাট-দিল্লি -এই দুই ট্রেনের দাবি জানিয়েছেন তিনি। এবার দূরপাল্লার ট্রেন চালু হবে বলে রেলমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন।

    কী বললেন সুকান্ত? (Sukanta Majumdar)

    এবিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, জেলার রেল উন্নয়নের একাধিক দাবি-দাওয়া নিয়ে আমি রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে দেখা করেছি। বালুরঘাট থেকে দিল্লি, বেঙ্গালুরু এবং গুয়াহাটির ট্রেনের দাবি রয়েছে। সরাসরি দিল্লি ও অন্যান্য ট্রেনগুলির দাবির বিষয়ে আমি রেলমন্ত্রীকে চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছি। রেলমন্ত্রী আমাকে আশ্বাস দিয়েছেন, এই প্রান্তিক জেলা থেকে এই ট্রেনগুলি চলবে। আগামীতে জেলাকে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় অন্যতম বিশিষ্ট জায়গায় পৌঁছানোর ব্যবস্থা করবেন বলে রেলমন্ত্রীর আশ্বাস দিয়েছেন। দেশের রাজধানী দিল্লি পর্যন্ত সরাসরি ট্রেন চালু হয়ে গেলে এই জেলার বাসিন্দারা চিকিৎসা থেকে শুরু করে পর্যটন ক্ষেত্রেও সুবিধা পাবে। এমনকী ব্যবসার ক্ষেত্রেও জেলাবাসীর সুবিধা হবে।

    পিট লাইনের কাজ শেষ পর্যায়ে

    রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাট রেল স্টেশনে পিট লাইনের কাজ শেষ লগ্নে এসেছে। ফলে ওই লাইনে একাধিক ট্রেন রাখা যাবে। এদিকে দুদিন আগেই বালুরঘাট রেল স্টেশন পরিদর্শনে এসে উত্তর পূর্ব কাটিহার ডিভিশনের ডিআরএম সুরেন্দ্র কুমার বালুরঘাট – গুয়াহাটির নতুন ট্রেনের প্রস্তাবের কথা জানিয়েছেন। ফলে, ফেব্রুয়ারিতেই নতুন ট্রেন চালু হতে পারে। অন্যদিকে, বালুরঘাট থেকে দূরপাল্লার ট্রেন চালুর কথা আগেই ঘোষণা করেছিল উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল। বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারও (Sukanta Majumdar) একাধিকবার পিট লাইনের কাজ খতিয়ে দেখে দ্রুত এ কাজটি সম্পন্ন করার নির্দেশও দিয়েছিলেন। তাই এই কাজ শেষ লগ্নে।

    বিজেপি জেলা সভাপতির কী বক্তব্য?

    বিজেপির জেলার সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) জেলার উন্নয়নের জন্য যে ধরনের কাজ করছেন। পূর্বের কোনও সাংসদ বিধায়ক, এমনকী এই জেলার বর্তমান রাজ্যের মন্ত্রীও এমন উন্নয়ন করতে পারেনি। শাসকদলের মন্ত্রী বা বিধায়করাই বা কর্মসংস্থান বা যোগাযোগের জন্য কি করছেন? আসলে সুকান্ত মজুমদারের উন্নয়ন দেখে তৃণমূলের হিংসা হচ্ছে। তাই ভুল ভাল কথা বলছেন।

    তৃণমূলের জেলা সভাপতি কী বললেন?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, সুকান্তবাবু রেল দিয়ে উন্নয়ন করছেন খুব ভালো কথা। দূরপাল্লার ট্রেনের জন্য দাবি করছেন। অথচ জেলার ছেলেমেয়েদের কর্মসংস্থানের জন্য বুনিয়াদপুরের রেল ওয়াগন কারখানার কথা কেন লিখছেন না? রেলমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে এই কারখানার কথা বলা হোক। প্রয়োজনে আমরাও সুকান্তবাবু সঙ্গে দিল্লিতে ধরনা দেব। সামনেই ভোট তাই নতুন নতুন রেলের চিঠি দিয়ে জেলা বাসীর মন জয় করার চেষ্টা করছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে তাড়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ তৃণমূল কর্মীর, চলল গুলি, পোলট্রি ফার্মে আগুন

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে তাড়া খেয়ে নদীতে ঝাঁপ তৃণমূল কর্মীর, চলল গুলি, পোলট্রি ফার্মে আগুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলাকায় দাদাগিরি দেখাতে গিয়েছিল ফেরার “বেতাজ বাদশা” শেখ শাহজাহানের বাহিনী। তারপরই এলাকাবাসীর তাড়া খেয়ে পালিয়ে বাঁচলেন তৃণমূল কর্মীরা। এমনকী দুই তৃণমূল কর্মী তো নদীতে লাফ মেরে লঞ্চে উঠে প্রাণে বাঁচেন। সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali) তৃণমূল মাটি হারাচ্ছে। এই ঘটনা তার জ্বলন্ত প্রমাণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sandeshkhali)

    গত কয়েক দিন ধরে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) দুই তৃণমূল নেতা তথা উত্তর ২৪ পরগনার জেলা পরিষদের সদস্য শিবুপ্রসাদ হাজরা ও উত্তম সর্দারের বিরুদ্ধে এলাকার মানুষ দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তাঁরা শেখ শাহজাহানের অনুগামী হিসেবে এলাকায় পরিচিত। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, এই দুই তৃণমূল নেতা জোর করে এলাকার মানুষদের সম্পত্তি দখল করে মাছ চাষ করছেন। মাছের ভেড়ির লিজের টাকা পর্যন্ত দিচ্ছেন না। ফলে লিজের টাকা দেওয়া ও জমি ফেরতের দাবি  তুলে গত কয়েকদিন ধরে স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখিয়েছিলেন। বিক্ষোভকারীদের ভয় দেখাতে বুধবার দুপুরে সন্দেশখালির ত্রিমোহিনীতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। এই বিক্ষোভ সমাবেশ শেষ হওয়ার পরেই তৃণমূলের বাইক বাহিনী সন্দেশখালির বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে বাসিন্দাদের নানা রকম হুমকি দিতে শুরু করে। তারপরেই এলাকার মানুষ একত্রিত হয়ে তৃণমূলের বাইক বাহিনীকে লাঠি নিয়ে তাড়া করে এলাকাছাড়া করেন। দুজন তৃণমূল কর্মী তো নদীতে ঝাঁপ দেন।

    তৃণমূল নেতার পোলট্রি ফার্মে আগুন, চলল গুলিও

    এই ঘটনার পর সন্ধ্যায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে বাসিন্দাদের ভয় দেখানোর জন্য শূন্যে গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। বুধবার রাতে কয়েক হাজার এলাকাবাসী একত্রিত হয়ে থানার সামনে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের দাবি, তৃণমূল বহিরাগত দুষ্কৃতী এনে এলাকায় অত্যাচার শুরু করেছে। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শান্তি ফেরানোর জন্য অবিলম্বে ওই দুই তৃণমূল নেতা শিবু হাজরা ও উত্তম সর্দারকে গ্রেফতার করতে হবে। বুধবার রাতে শিবু হাজরার পোলট্রি ফার্মে উত্তেজিত জনতা আগুন ধরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নামানো হয়েছে র‍্যাফও।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিধায়ক সুকুমার মাহাত বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করে বাড়িতে ফিরছিলেন। সেই সময় সিপিএম ও বিজেপির পক্ষ থেকে তাঁদের ওপর হামলা করা হয়। ১৫ জন তৃণমূল কর্মী আহত হয়েছেন।” বসিরহাট বিজেপি সাংগঠনিক জেলার অবজারভার বিকাশ সিংহ বলেন, ‘এলাকার মানুষ বেশ কিছু দাবি নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন। তৃণমূল পরিকল্পনা করে সেই বিক্ষোভকারীদের ওপর অত্যাচার চালানোর চেষ্টা করে। এলাকার ভিতরে ঢুকে তৃণমূলের বাইক বাহিনী শূন্যে গুলি চালিয়েছে। পুলিশ তৃণমূল কর্মীদের হামলা চালাতে সাহায্য করেছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share