Tag: tmc

tmc

  • Nusrat Jahan: ‘নায়িকা তো ১৪৪ ধারাকে ১৭৪ বলেন’, নুসরতকে তীব্র কটাক্ষ সন্দেশখালিবাসীর

    Nusrat Jahan: ‘নায়িকা তো ১৪৪ ধারাকে ১৭৪ বলেন’, নুসরতকে তীব্র কটাক্ষ সন্দেশখালিবাসীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি জুড়ে গত দেড় মাস অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি ছিল। তৃণমূলের স্থানীয় সাংসদ নুসরত জাহান (Nusrat Jahan) একবারের জন্যও সেখানে যাননি। ভোটের সময় সন্দেশখালিতে এসে এলাকায় মহিলাদের নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে বলেছিলেন, “বিপদে পড়লেই ফোন করবেন। পাশে থাকব।” সন্দেশখালি উত্তাল হতেই বহু মহিলাই সাংসদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু, তাঁর ফোন ‘নট রিচেবল’ ছিল। ফলে, সন্দেশখালির মহিলারা স্থানীয় তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। এবার নুসরতের নতুন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যা নিয়ে সন্দেশখালির মহিলারা তাঁকে খোঁচা দিতে শুরু করেছেন।

    কী বলেছেন নুসরত? (Nusrat Jahan)

    সন্দেশখালির গন্ডগোল সামাল দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দফায় দফায় ১৪৪ ধারা করা হয়েছে। আর এই ১৪৪ ধারা নিয়ে সম্প্রতি বসিরহাটের সাংসদ নুসরত জাহানের (Nusrat Jahan) একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সন্দেশখালিতে ১৪৪ ধারা জারি হওয়া এবং সেখানকার পরিস্থিতি নিয়ে নুসরতকে সেখানে বলতে শোনা গিয়েছে, “সন্দেশখালিতে ১৭৪ ধারা রয়েছে।” এরপর নেটপাড়ায় শুরু হয়েছে ট্রোলিং। আর সেই ভিডিওবার্তা দেখে সন্দেশখালির মহিলারা হেসে লুটোপুটি খাচ্ছেন। অনেকে সেই ভিডিও নিজেদের মধ্যে শেয়ারও করেছেন।

    এবার সাংসদকে খোঁচা দিলেন সন্দেশখালির মহিলারা

    বৃহস্পতিবার শাহজাহান গ্রেফতারের পরই সন্দেশখালির বিভিন্ন গ্রামে রং-আবির খেলা শুরু হয়। স্থানীয় এক মহিলা বলেন, “আমরা দারুণ খুশি। তাই হইহই করে রাস্তায় নেমেছি, আবির খেলছি।” এরপর সাংসদের উদ্দেশে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আমরা নায়িকা তো তাই নাচতে বেরিয়েছি। নায়িকা তো ১৪৪ ধারাকে ১৭৪ বলছেন। ওনারা তো শেখানো পড়ানো বুলি বলতে পারেন। নিজেদের তো সাধারণ জ্ঞান নেই। এতই যদি শিক্ষিত, তাহলে ১৪৪ কে ১৭৪ বলতেন না। সন্দেশখালিতে গত দেড় মাস ধরে এত ঘটনা। বসিরহাট সাংসদের এলাকার মধ্যে পড়ে এই ব্লক। তবে একদিনও এলাকায় যাননি সাংসদ নুসরত জাহান।” যদিও ইতিমধ্যেই নুসরতও জানিয়েছেন, দলের নির্দেশ মেনে যা যা করার তা তিনি করেন। সাংসদের এসব কথায় খুশি নন সন্দেশখালির মহিলারা। তাঁদের বক্তব্য, মহিলা সাংসদ আমাদের পাশে এসে দাঁড়াতে পারতেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: সাপের বিষ পাচারে নাম জড়াল তৃণমূলের ব্লক সভাপতির ভাইয়ের, শোরগোল

    TMC: সাপের বিষ পাচারে নাম জড়াল তৃণমূলের ব্লক সভাপতির ভাইয়ের, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার, কয়লা পাচারে অনেক তৃণমূল (TMC) নেতা-কর্মীদের জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। অনুব্রত মণ্ডল তো গরু পাচার মামলায় তিহার জেলে রয়েছেন। এবার সাপের বিষ পাচারে নাম জড়াল তৃণমূলের ব্লক সভাপতির ভাইয়ের। মঙ্গলবার ফাঁসিদেওয়ার মুরলিগছে সাপের বিষ-সহ উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের বাসিন্দা তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃতদের মধ্যে একজন ইসলামপুরের তৃণমূল ব্লক সভাপতি জাকির হোসেনের ভাই ফজলে রব্বি সিদ্দিকের ‘ঘনিষ্ঠ’। ফজলে রব্বি পেশায় ঠিকাদার। তিনি আগডিমঠি খুন্তি অঞ্চল কমিটির সদস্য।

    তৃণমূল নেতার ভাইয়ের গাড়িতেই সাপের বিষ পাচার! (TMC)

    গাড়ি এবং একটি স্কুটার থেকে কাচের দু’টি জার উদ্ধার হয়। বন দফতরের বাগডোগরা রেঞ্জ, কার্শিয়াং ডিভিশনকে নিয়ে ‘ওয়াইল্ড লাইফ ক্রাইম কন্ট্রোল বুরো’র তরফে যৌথ অভিযান চালানো হয়। দুটি কাচের জারে সাপের বিষ পাচারের আগে, মুরলিগছ এলাকা থেকে ধরা পড়েন মহম্মদ শাহানওয়াজ, তৌহিদ আলম এবং মহম্মদ আজমল। তিনজনই উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের বাসিন্দা। মহম্মদ তৌহিদ আলম নামে ধৃত ওই যুবক তৃণমূল নেতার ভাই রব্বি সিদ্দিকের গাড়ি চালানো থেকে শুরু করে বাড়ির বাজার-সহ রোজকার কাজকর্ম করতেন। ঘটনার দিন অভিযুক্তের কাছেই তৃণমূলের (TMC) ব্লক সভাপতির ভাইয়ের গাড়িটিও ছিল। সেই গাড়িতেই সাপের বিষ পাচার হচ্ছিল বলে অভিযোগ। ‘ক্রাইম কন্ট্রোল বুরো’র এক আধিকারিক বলেন, কয়েক দিন ধরে অভিযুক্তদের উপরে নজরদারি চলছিল। বহুমূল্য সাপের বিষ আগেও পাচার করেছে কি না, চক্রে আরও কারা জড়িত, সব দেখা হচ্ছে।

    তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ও তাঁর ভাই কী সাফাই দিলেন?

    শাসক দলের ব্লক সভাপতি জাকির বলেন, গাড়ি যাঁর, তিনি বলতে পারবেন। তৃণমূল (TMC) নেতার ভাই ফজলে রব্বি সিদ্দিকের কথায়, আমার বাড়ির তিনটি বাড়ি পরেই তৌহিদের বাড়ি। আমার গাড়ি চালায়, বাজার করে, বাড়িতেও থাকে। ঘটনার দিন আমি বাড়িতে ছিলাম না। স্ত্রীর কাছ থেকে ও গাড়ির চাবি নিয়ে যায়। এমন কাজে জড়িত বুঝতেই পারিনি। আমাকে বদনাম করে দিল। আমি এসবে কোনওভাবে জড়িত নই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে দিত না শিবুরা, সন্দেশখালিতে গর্জে উঠলেন মহিলারা

    Sandeshkhali: ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে দিত না শিবুরা, সন্দেশখালিতে গর্জে উঠলেন মহিলারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালি (Sandeshkhali) জুড়ে শাহজাহান ও তাঁর বাহিনী দাপিয়ে বেড়িয়েছে। বিরোধীদের কথা বলার সাহস ছিল না, জয় শ্রীরাম ধ্বনি তো দূরের কথা। শাহজাহান গ্রেফতার হতেই সন্দেশখালি জুড়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাস হয়। জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে মেতে ওঠেন সন্দেশখালির মানুষ।

    জয় শ্রীরাম বলতে দিত না শিবুরা

    সন্দেশখালির (Sandeshkhali) পাত্রপাড়া, বেড়মজুর, কর্ণখালি, পুকুরপাড়া-সব জায়গা থেকেই এই ভাবে বেরিয়ে এসেছে জমা রাগ। কখনও মেয়েদের প্রতি অত্যাচারের বিরুদ্ধে, কখনও ছেলেদের মারধরের বিরুদ্ধে, কখনও আবার ভিটেমাটি দখলের বিরুদ্ধে। সন্দেশখালি দ্বীপের ভিতরে যত যাওয়া যায়, এমনই সব ঘটনা পরতে পরতে খুলে আসে। চোখের জলের সঙ্গে বেরিয়ে আসে রাগও। ৮ নম্বর কর্ণখালির এক বাসিন্দা বলেন, “আমরা বরাবর জানি, রাম আমাদের আরাধ্য দেবতা। কিন্তু, ত্রিমণি বাজারে গিয়ে আমরা ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে পারি না। বললে শিবুর (শিবপ্রসাদ হাজরা) লোকজন ধাওয়া দিত।” আমাদের তো ‘জয় শ্রীরাম’ বলার অধিকার আছে। সেটা এতদিন বলতে পারিনি। পাত্রপাড়ার এক মহিলা বলেন, ওরা ‘জয় শ্রীরাম’ বলতে দিত না আমাদের ছেলেদের। ধামাখালির খেয়াঘাট দিয়ে সন্দেশখালি যাওয়ার পথে তৃণমূলের পতাকার সঙ্গে গেরুয়া রং পাল্লা দিয়ে বেড়েছে। আর এতদিন জয় শ্রীরাম বলতে না পারার জ্বালা মিটিয়েছেন এলাকাবাসী।

    সন্দেশখালি জু়ড়ে বাড়়ছে ক্ষোভ

    সন্দেশখালি (Sandeshkhali) জুড়ে ক্ষোভের আগুন বেড়েই চলেছে। শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার পরও বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সন্দেশখালি জুড়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েছেন মহিলারা। তাঁরা সাফ বলেন, রাজ্য পুলিশের ওপর আমাদের কোনও আস্থা নেই। শাহজাহানকে গ্রেফতারের পর তাঁকে জামাই আদর করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা জ্বলন্ত প্রমাণ। এখনও শাহজাহানের ভাই সিরাজ বাইরে। সিদ্দিক মোল্লার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। অথচ এই বাহিনীর লোকজনই গ্রামে অত্যাচার করত। খাল কাটার ১৫ কোটি টাকা মেরেছে। রাস্তা না করে টাকা হাতিয়েছে ওরা। জব কার্ডের টাকা মেরেছে। ওরা জেলের বাইরে থাকলে আমরা ভয়ে থাকব। অবিলম্বে তাদের গ্রেফতার করতে হবে। তাদের গ্রেফতারে দাবিতে আমরা ফের পথে নামব। এদিন অভিযোগ জমা দিতে পারিনি। তবে, আগামীদিনে ফের ক্যাম্পে এসে অভিযোগ জানাব। এতদিন ধরে তারা এলাকায় যে তাণ্ডব চালিয়েছে, তার তালিকা সব আমাদের কাছে রয়েছে। এবার সব তথ্য দিয়ে অভিযোগ জানাব। তাঁরা আরও বলেন, আর শাহজাহানকে জামাই আদর করে রাখা চলবে না। ও কুখ্যাত দুষ্কৃতী। ওর ফাঁসি চাই। আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের মহিলাদের বিক্ষোভ, উঠল শাহজাহানের ‘ফাঁসির’ দাবি

    Sandeshkhali: সন্দেশখালিতে ফের মহিলাদের বিক্ষোভ, উঠল শাহজাহানের ‘ফাঁসির’ দাবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের নতুন করে সন্দেশখালির (Sandeshkhali) বেড়মজুর এলাকায় মহিলারা শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন। এমনিতেই গত কয়েকদিন ধরে জনরোষ কমাতে গ্রামে অভিযোগপত্র জমা নেওয়ার জন্য পুলিশ ক্যাম্প করা হয়েছিল। সেখানে বৃহস্পতিবার বিকালে মিছিল করে শাহজাহান বাহিনীর অন্য সদস্য সিদ্দিক মোল্লা, সিরাজ মাস্টারদের গ্রেফতারের জানানোর জন্য অভিযোগ জানাতে এসেছিলেন। কিন্তু, পুলিশ ক্যাম্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাঁরা অভিযোগ না জানিয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হন। এদিন শাহজাহান গ্রেফতার হওয়ার পরই আন্দোলনকারীরা উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। আবির খেলায় মেতে ওঠেন মহিলারা।

    শাহজাহানের ফাঁসির দাবি উঠল! (Sandeshkhali)

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, রাজ্য পুলিশের ওপর আমাদের কোনও আস্থা নেই। শাহজাহানকে গ্রেফতারের পর তাঁকে জামাই আদর করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা জ্বলন্ত প্রমাণ। এখনও শাহজাহানের ভাই সিরাজ বাইরে। সিদ্দিক মোল্লার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি পুলিশ। অথচ এই বাহিনীর লোকজনই গ্রামের অত্যাচার করত। খাল কাটার ১৫ কোটি টাকা মেরেছে। রাস্তা না করে টাকা হাতিয়েছে ওরা। জব কার্ডের টাকা মেরেছে। ওরা জেলের বাইরে থাকলে আমরা ভয়ে থাকব। অবিলম্বে তাঁদের গ্রেফতার করতে হবে। তাঁদের গ্রেফতারে দাবিতে আমরা ফের পথে নামব। এদিন অভিযোগ জমা দিতে পারিনি। তবে, আগামীদিনে ফের ক্যাম্পে এসে অভিযোগ জানাব। এতদিন ধরে তারা এলাকায় য়ে তাণ্ডব চালিয়ে, তার তালিকা সব আমাদের কাছে রয়েছে। এবার সব তথ্য দিয়ে অভিযোগ জানাব। তাঁরা আরও বলেন, আর শাহ জাহানকে জামাই আদর করে রাখা চলবে না। ও কুখ্যাত দুষ্কৃতী। ওর ফাঁসি চাই। আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

    ভোট দিতে দিত না শাহজাহান ও তাঁর বাহিনী!

    এই শাহজাহান ও তাঁর বাহিনীর দাপটের কারণে বছরের পর বছর সন্দেশখালির (Sandeshkhali) মানুষ ভোট দিতে পারতেন না। তাঁদের অভিযোগ, কেউ ৩ বছর, কেউ ১০ বছর আবার কেউ ১১ বছর নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। কী হত ভোটের দিনগুলো এই সন্দেশখালিতে? মাঝেরপাড়ার এক মহিলার ভোটার বলেন, ভোটের দিন এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতাম। ভোটের ঘরের ভিতরে ঢুকতেই কাগজপত্র নিয়ে নখে কালি লাগিয়ে দিত শাহজাহানের লোকজন। এরপরই ভোটের কাগজটা হাত থেকে নিয়ে নিত ওরা। ইভিএমে বোতাম আর টিপতে পারতাম না। ওরা সব করত। আমরা কথা বলতে পারতাম না। তাঁরা বলছেন, যতদিন না শেখ শাহাজাহানকে ইডির হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে, ততদিন তাঁরা একটু ভয় পাচ্ছেন বলেও জানান কেউ কেউ। পুকুরপাড়ার এক বাসিন্দা বলেন, শাহজাহানের সাজা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের ভয় আছে। আমরা আজ আনন্দ করছি ঠিকই, কিন্তু এটা এখনও দীর্ঘস্থায়ী বলতে পারব না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: এবার গ্রেফতার শাহজাহানের ডান হাত তৃণমূল নেতা আমির আলি গাজি

    Sandeshkhali: এবার গ্রেফতার শাহজাহানের ডান হাত তৃণমূল নেতা আমির আলি গাজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার গ্রেফতার শাহজাহানের ডান হাত আমির গাজি। সন্দেশখালিকাণ্ডে (Sandeshkhali) অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত ছিলেন এই তৃণমূল নেতা। আজ ভিন রাজ্য থেকে গ্রেফতার করেছে বসিরহাট থানার পুলিশ। তিনি শেখ শাহজাহানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে পরিচিত। তাঁকে আজ ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে বসিরহাট আদালত। সন্দেশখালির নিপীড়িত এক মহিলা ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মহিলার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছিল বসিরহাট আদালতে। সেই গোপন জবানবন্দিতে স্পষ্ট ছিল আমির আলি গাজির নাম। 

    রাউরকেল্লা থেকে গ্রেফতার (Sandeshkhali)

    আমিরের বাড়ি সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali)। ইতিমধ্যে এই কাণ্ডে গ্রেফতার হওয়া উত্তম সর্দার, শিব প্রসাদ হাজরার সঙ্গে খুব নিবিড় সম্পর্ক ছিল তাঁর। তাঁর বিরুদ্ধেও এলাকায় জমি দখল, চাষের জমি নষ্ট করা, মারধর করা, বাড়ির মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার করা, এমনকি খুনের হুমকি এবং ধর্ষণের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার সকালে ওড়িশার রাউরকেল্লা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। মোবাইল টাওয়ারের সূত্র ধরে পুলিশ জানতে পেরেছে রাউরকেল্লায় রয়েছেন আমির, আর তারপর তাঁকে নিয়ে আসা হয় আজ।

    ৫৫ দিন পর গ্রেফতার

    দক্ষিণবঙ্গের আধিকারিক পুলিশের এডিজি সুপ্রতিম সরকার জানিয়েছেন, সন্দেশখালির (Sandeshkhali) শেখ শাহজাহানের বিরুদ্ধে ১৪৭, ১৪৮, ১৪৯ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের উপর আক্রমণের ৫৫ দিন পর পলাতক নেতা শাহজাহানকে গ্রেফতার করা হয়। ফলে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই গ্রেফেতারকে ‘মিউচুয়াল অ্যাডজাস্টমেন্ট’ বলেছেন। বসিরহাট আদালতে ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাঁকে। এই তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে মামলার তদন্তভার সিআইডির হাতে দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সঙ্গে ভাবানী ভবনে তাঁকে রাখা হয়েছে। একই ভাবে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ এই সংক্রান্ত মামলার তদন্ত করবে। অপর দিকে তৃণমূলের তরফ থেকে গ্রেফতারের পর সাংবাদিক সম্মলেন করে বলা হয়েছে, শাহজাহানকে আগামী ৬ বছরের জন্য দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহানের গ্রেফতারির পর সন্দেশখালির ২৩টি জায়গায় জারি হল ১৪৪ ধারা

    Sandeshkhali: শাহজাহানের গ্রেফতারির পর সন্দেশখালির ২৩টি জায়গায় জারি হল ১৪৪ ধারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেখ শাহজাহান প্রায় দুমাস ফেরার থাকার পর গ্রেফতার হলেন। আর দাপুটে তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মাতলেন সন্দেশখালিবাসী। মহিলাদের নাচতে দেখা যায়। সন্দেশখালি এলাকায় হয় মিষ্টি বিতরণ। আর শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারির পর সন্দেশখালির (Sandeshkhali) ২৩টি জায়গায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।

    কোথায় জারি করা হল ১৪৪ ধারা (Sandeshkhali)

    শেখ শাহজাহানকে গ্রেফতারির পর এই প্রথম সন্দেশখালি (Sandeshkhali)  ১ নম্বর ব্লকেও জারি করা হল ১৪৪ ধারা। তৃণমূল নেতার বাড়ি সংলগ্ন এলাকা-সহ ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৬টি জায়গায় ৩ মার্চ পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লকের ৮টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২৩টি এলাকায় ৩ মার্চ পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। এর মধ্যে কয়েকটি এলাকার ১৪৪ ধারার মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। সন্দেশখালির দুটি ব্লক মিলিয়ে ৪৯টি এলাকায় জারি হয়েছে ১৪৪ ধারা। এগু্লি হল পঞ্চায়েতের ত্রিমণি বাজার, খুলনা ঘাট, ভোলাখালি ঘাট, সন্দেশখালি ঘাট ও পাত্রপাড়া, দুর্গামণ্ডপ গ্রাম পঞ্চায়েতের গাববেড়িয়া বাজার, দাউদপুর ও ডুগডুগি বাজার, খুলনা গ্রাম পঞ্চায়েতের শীতুলিয়া বাজার, খুলনা বাজার ও হাটগাছা বাজার, বেড়মজুর ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ধামাখালি ঘাট, আতাপুর, পোলপাড়া ও রামপুর, জেলিয়াখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের আজিজের ঘাট, পিঁপড়েখালি ঘাট ও হালদার পাড়া, বেড়মজুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কাঠপােল, বটতলা ও কাছারি ঘাট, মণিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালের ঘাট এবং কোড়াকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ধুচনিখালি বাজার।

    এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) কী বললেন?

    এডিজি (দক্ষিণবঙ্গ) সুপ্রতীম সরকার বলেন, ‘গত ৭-৮-৯ ফেব্রুয়ারি কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে। এরপর ইডি-র উপর হামলা ছাড়াও বেশ কয়েকটি অভিযোগ জমা পড়ে। কয়েকটি ধারায় মামলাও শুরু হয়। তবে এই মামলাগুলি সব দু’বছরের পুরনো ঘটনা। দু’দিন বছর আগে যে অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা হয় তাতে তদন্ত করতে, তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে কিছু সময় লাগে। তবে যে মামলায় আমরা তদন্ত করতে পারতাম (ইডি-র উপর হামলা) সেই মামলায় আমাদের স্থগিতাদেশ ছিল। তাই জন্য গ্রেফতার করা যায়নি। এদিন নতুন করে বেশকিছু এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: সাদা পোশাক, সাদা স্নিকার্স পরে আদালতে শাহজাহান, ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ

    Sheikh Shahjahan: সাদা পোশাক, সাদা স্নিকার্স পরে আদালতে শাহজাহান, ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডি-র ওপর হামলার পর ফেরার ছিলেন সন্দেশখালির ডন শেখ শাহজাহান। প্রায় দুমাস ধরে চলেছে লুকোচুরি খেলা। ইডি-র ওপর হামলার পর তার গোটা প্রশাসনকে কার্যত ঘোল খাইয়েছেন শেখ শাহজাহান। দেড় মাস ধরে সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে ছিলেন তিনি। কিন্তু, সব ছবিই তাঁর পুরনো, কোনটা ফেসবুক প্রোফাইল থেকে নেওয়া, কিংবা সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা তাঁর ভিডিয়ো ফুটেজ! কারণ, প্রত্যন্ত দ্বীপের দাপুটে এই তৃণমূল নেতার নাম আগে সেভাবে শোনেনি বাংলা। গ্রেফতারির পর শেখ শাহজাহান সংবাদমাধ্যমের ফেস টু ফেস সন্দেশখালির বাঘ শেখ শাহজাহান। পরনে ছিল ধবধবে সাদা পোশাক, পায়ে স্নিকার্স। গ্রেফতারির পরও স্বমেজাজেই রয়েছেন তিনি। তবে, এদিন আদালতে তোলার সময় কোনও কথা বললেননি তিনি।

    ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ

    বৃহস্পতিবার ভোরবেলায় মিনাখাঁ বামনপুকুর বাজার এলাকায় খ্রিস্টান পাড়া থেকে গ্রেফতার হন শেখ শাহজাহান। গ্রেফতারির পর তাঁকে সোজা আনা হয়েছিল বসিরহাট মহকুমা আদালতের গারদে (কোর্ট লকআপ)। বৃহস্পতিবার সকালে বসিরহাট মহকুমা আদালতের কোর্ট লকআপ থেকে বার করে কিছু ক্ষণের জন্য শাহজাহানকে আনা হয় এজলাসে। প্রথমবার ক্যামেরার সামনে শেখ শাহজাহান। তখনও তাঁর সেই মেজাজ। পুলিশি ঘেরাটোপ, আদালত চত্বরে জনভার ভিড়। পিছনে পুলিশ। সামনে রাজনৈতিক নেতার মতো হাঁটতে হাঁটতে এজলাসে ঢোকেন তিনি। তাঁকে দেখে পাশ দিয়ে ধেয়ে আসে একের পর এক প্রশ্নবাণ। শাহজাহান সাংবাদিক এবং উৎসুক জনতার দিকে তাকিয়ে স্রেফ আঙুল নাড়ালেন। সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্ন উত্তর দিলেন না তিনি। শুনানি শেষে শাহজাহানকে নিয়ে আদালত থেকে বেরিয়ে যায় পুলিশ। বিশাল কনভয় কোথায় যাচ্ছে তা নিয়ে জল্পনা ছিল। কারণ, শাহজাহানের গ্রেফতারি নিয়ে প্রথম থেকেই পুলিশ চূড়ান্ত গোপনীয়তা অবলম্বন করছে। স্বভাবতই, তাঁকে কোথায় রাখা হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। আপাতত ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতেই থাকছেন শেখ শাহজাহান।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: সন্দেশখালি জুড়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস, মিষ্টি বিতরণ, উঠল ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি

    Sandeshkhali: সন্দেশখালি জুড়ে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস, মিষ্টি বিতরণ, উঠল ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন প্রতীক্ষার অবসান। সন্দেশখালির (Sandeshkhali) অত্যাচারের মূলচক্রী দাপুটে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান গ্রেফতার। এতদিন শুধুই চোখের জল দেখেছে সন্দেশখালি। এখন হাসছে সেখানকার মানুষজন। শাহজাহানের গ্রেফতারির খবর পেতেই বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। চলছে মিষ্টি বিতরণ। ফাটছে বাজি। উঠল জয় শ্রী রাম স্লোগান।

    বসিরহাট লকআপে শাহজাহান

    ইডি-র ওপর হামলার পর থেকে ফেরার ছিল শাহজাহান। তাঁর অন্যতম শাগরেদ উত্তম সর্দার, শিবু হাজরা গ্রেফতার হওয়ার পরও মহিলারা রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছিলেন। পুলিশ প্রশাসন থেকে রাজ্যের মন্ত্রীদের কাছে শাহজাহানের গ্রেফতারির দাবি জানিয়েছিলেন। তারপরও পুলিশ শাহজাহানকে গ্রেফতারে কোনও গা করেনি। সন্দেশখালি (Sandeshkhali) জুড়়ে জনরোষ আছড়ে পড়েছিল। তৃণমূল নেতা অজিত মাইতির ওপর হামলা চালানো হয়। তাঁর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পরে, পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। ফেরার থাকার দেড় মাস পর অবশেষে শাহজাহানকে পুলিশ গ্রেফতার করল। বসিরহাট লকআপে শেখ শাহজাহানকে রাখা হয়। সেখানে মোতায়েন রয়েছেন প্রচুর পুলিশ আধিকারিক। রয়েছেন মহিলা পুলিশও। গার্ডরেল বসানো হয়েছে। একাধিক পুলিশ কর্তা বসিরহাট মহকুমা আদালতে আসতে শুরু করেছেন। নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বসিরহাট। আর গ্রেফতার হওয়ার পরই এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করা হয়। অনেক মহিলা বাড়ি থেকে বেরিয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন। বয়স্ক মহিলাদের রাস্তায় নাচ করতে দেখা যায়।

    আন্দোলনকারীরা কী বললেন? (Sandeshkhali)

    আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, পুলিশ ইচ্ছাকৃত শাহজাহানকে ধরেনি। আমরা এতদিন ধরে চিৎকার করছি, তারপরও পুলিশের টনক নড়েনি। আদালত নির্দেশ দিল। এরপর তাঁকে না ধরলে ভাবমূর্তি খারাপ হবে বুঝতে পেরে পুলিশ গ্রেফতার করল। এলাকার মানুষ বার বার বলেছিলেন সন্দেশখালিতেই লুকিয়ে রয়েছেন শাহজাহান। তাতে কোনও লাভ হয়নি। তবে তৃণমূলের তরফে গ্রেফতারির সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পরই রাতারাতি পুলিশের জালে উঠে এল শাহজাহান। কীভাবে সম্ভব হল এটা? আর শাহজাহান যে সন্দেশখালির বাইরে যাননি তাও গ্রেফতারির মধ্যে প্রকাশিত হল। ও যে অত্যাচার করেছে তার বিরুদ্ধে আমরা ওর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: তৃণমূলের জেলা সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানার গাড়ি ও হোটেল খরচ কত জানেন?

    Murshidabad: তৃণমূলের জেলা সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানার গাড়ি ও হোটেল খরচ কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা পরিষদের বাজেট অধিবেশনে, তৃণমূলের জেলা পরিষদের সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গাড়ির ডিজেল খরচে লাগাম ছাড়া হিসাব দেখিয়ে কারচুপি করেছেন বলে অভিযোগে সরব হয়েছেন দলেরই জেলা পরিষদের প্রাক্তন সহকারী সভাপতি তথা জেলা পরিষদের সদস্য শাহনাজ বেগম। একই সঙ্গে আরও অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, “সভাধিপতি কলকাতার নামী দামি হোটেলে মোটা অঙ্কের টাকা মিটিয়েছেন জেলা পরিষদের তহবিল থেকেই।” ফলে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে তৃণমূল সদস্যের আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে জেলায়। তৃণমূলে দলের অন্দরেই অস্বস্তির ছায়া ফের একবার স্পষ্ট।

    কত লিটার ডিজেল খরচ করেন সভাধিপতি (Murshidabad)?

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা পরিষদের সদস্য শাহনাজ বগেম, রুবিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে বলেন, “জেলা পরিষদের সভাধিপতি গত অক্টোবর মাসে ২২০৯ লিটার, নভেম্বর মাসে ১৮১৫ লিটার, ডিসেম্বর মাসে ১৯১০ লিটার ডিজেল নিজের গাড়ির জন্য ব্যবহার করেছেন। এতো ডিজেল কোথায় ব্যবহার করলেন? আবার ২১ অক্টোবর ৬৬৮২০ টাকা, ১৭ নভেম্বর ৫৩৩২০ টাকা এবং ১৬ ডিসেম্বর ৩৫৮৪০ টাকা কলকাতার হোটেলে খরচ করেছেন। অথচ সেখানে সার্কিট হাউসে থাকা যায়। এত অতরিক্ত খরচ কেন? আমি জানতে চাইবো, এটা ঠিক না ভুল! ভুল হলে আমি খুশি হবো। জেলা পরিষদের অঙ্গ হিসাবে জানতে চাই আমি।”

    সভাধিপতির বক্তব্য

    জেলার (Murshidabad) সভাধিপতি রুবিয়া সুলতানা বলেন, “কোনও সদস্য আক্ষেপ করতেই পারেন। অভিযোগের যুক্তি খতিয়ে দেখতে হবে। দায়িত্ব পেল যেমন পক্ষে কথা ওঠে, তেমনি বিপক্ষেও কথা ওঠে। তবে এই সব বিষয়কে আমি গুরুত্ব দিই না। আপনাদের বিষয়টি ভেবে দেখা উচিত।” জেলার আরেক তৃণমূল নেতা বলেছেন, “অভিযোগকারী সভাধিপতি হতে পারেননি, তাই নিজের রাগ এবং ঝাল মেটাতে এই অভিযোগ তুলেছে।”

    জেলা কংগ্রেসের বক্তব্য

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলা যুব কংগ্রেসের সভাপতি তথা জেলা পরিষদের সদস্য তৌহিদুর রহমান সুমন বলেন, “জেলা পরিষদের সদস্য যে অভিযোগ তুলেছেন, তা মারাত্মক বড় ধরনের দুর্নীতি। আমরা চাই সকল দুর্নীতির সঠিক তদন্ত হোক। সরকারি টাকার অপচয় হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে শাস্তি চাইবো।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: অসুস্থতার অজুহাতে কি কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন বিধায়ককে পদ থেকে সরাল তৃণমূল?

    Birbhum: অসুস্থতার অজুহাতে কি কেষ্ট-ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন বিধায়ককে পদ থেকে সরাল তৃণমূল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে কেষ্ট-ঘনিষ্ঠকে পদ থেকে সারল তৃণমূল। অবশ্য অপসৃত প্রাক্তন বিধায়কের দাবি “আমি সুস্থ”। গরুপাচার মামলায় জেলবন্দী বীরভূমের (Birbhum) নেতা অনুব্রত মণ্ডলের হাত ধরেই তৃণমূলে এসেছিলেন নরেশ বাউড়ি। তাঁর বিধায়ক হওয়ার পিছনেও কেষ্ট মণ্ডলের হাত ছিল বিরাট। তাঁকে পদ থেকে অপসারণের ফলে দলের মধ্যেই উঠছে প্রশ্ন। তাঁকে কি গ্রেফতার করতে পারে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা? এই ভয়েই কি অপসারণ? নাকি দলের গোষ্ঠী কোন্দল? উঠছে নানা প্রশ্ন। 

    কেষ্ট-কাজল দ্বন্দ্ব (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) রাজনীতিতে তৃণমূলের মধ্যে অনুব্রত মণ্ডল এবং কাজল শেখের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এখন ব্যাপক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। গ্রেফতারের পর থেকে ক্রমশ দলের মধ্যে অনুব্রতের গুরুত্ব কমে গিয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল। অপর দিকে অনুব্রতের অনুপস্থিতিতে কাজল শেখের গুরুত্ব অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। অবশ্য তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলার সভাপতির পদ থেকে কেষ্টকে এখনও আনুষ্ঠানিক অব্যাহতি দেননি। এই পরিস্থিতির মধ্যে দুবরাজপুরের প্রাক্তন বিধায়ক নরেশকে বোলপুর টাউন সভাপতির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কাজল শেখ এবং মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহের ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর সুকান্ত হাজরাকে। ফেলে অনেকের অনুমান, দলের মধ্যে কোন্দল স্পষ্ট। 

    বেসুরো নরেশ বাউড়ি

    ঘটনায় দলের সুরে সুর না মিলিয়ে বীরভূমের (Birbhum) অনুব্রতপন্থী নরেশ বাউড়ি বলেন, “শরীরিক ভাবে আমি যথেষ্ট সক্ষম। আমি অসুস্থ নই। দলের যা সিদ্ধান্ত তা মেনে চলবো।” তবে তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে, তাই দলের পদ থেকে সরানো হয়েছে, এমনটা অনেকেই মনে করছেন। বস্তুত লোকসভার আগে এই দলের পরিবর্তনে তৃণমূলের অন্দরে ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    তৃণমূল মন্ত্রী বক্তব্য

    মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিংহ অবশ্য দলের দায়িত্ব প্রসঙ্গে বলেন, “নরেশ বাবু শারীরিক ভাবে অসুস্থ। তিনি নিজেই সরে যাবার আবেদন করেছিলেন। তাঁকে পদ থেকে সরানো হয়নি। তাঁকে জেলায় (Birbhum) অন্য পদের দায়িত্ব দেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share