Tag: tmc

tmc

  • Paschim Medinipur: সেচ দফতরের জমি প্লট করে বিক্রি করছেন তৃণমূল বিধায়কের ভাই! শোরগোল

    Paschim Medinipur: সেচ দফতরের জমি প্লট করে বিক্রি করছেন তৃণমূল বিধায়কের ভাই! শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্রি হয়ে যাচ্ছে সরকারি জায়গায়! এবার সরাসরি শাসক দলের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে সরব হয়েছেন এলাকার মানুষ। ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ডেবরার (Paschim Medinipur) কংসাবতী নদীর পাশের বারাসতী গ্রামে বাঁধের সেচ দফতরের জায়গা দখল করে প্লট করে বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। আর এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    ঠিক অভিযোগ কী (Paschim Medinipur)?

    জানা গিয়েছে, এলাকার বাঁধের পাড়ে থাকা গাছ কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। অথচ এই জায়গাটা সরকারি জায়গা। ডেবরা (Paschim Medinipur) ব্লকের বারাসতী এলাকায় কংসাবতী নদী বাঁধের জায়গা বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে। এই সেঁচের জায়গাও সরকারি জায়গা। জায়গা দেখিয়ে পছন্দ অনুসারে জায়গাকে চিহ্নিত করে কোনটা ৪০ হাজার, কোনটা ৫০ হাজার এবার কোনটা ৭০ হাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। এলাকার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের নামে তাঁর ভাইয়েরা এই কাজ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গ্রামবাসীদের অবশ্য অভিযোগ বিডিও, জেলার আধিকারিক এমনকি মুখ্যমন্ত্রীর দফতরেও জানিয়ে লাভ হচ্ছে না।

    বিধায়কের ভাইয়ের বক্তব্য

    ঘটনায় অভিযোগের কথা অস্বীকার করে ডেবরার (Paschim Medinipur) তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুনের ভাই এলাকাবাসীর অভিযোগকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, “অভিযোগ একেবার মিথ্যা। কেউ কিছু প্রমাণ করতে পারবেন না। যে ব্যক্তি আমাদের বিরুদ্ধে আঙুল তুলছে তিনি নিজেই সেচ দফতরের সরকারি জায়গা দখল করে রেখেছে।”

    এলাকাবাসীর অভিযোগ

    স্থানীয় (Paschim Medinipur) পঞ্চায়েত সদস্য বলেন, কিছু লোক পঞ্চায়েতে টিকিট না পেয়ে দলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করছে। যারা আজ অভিযোগ করছে তারা আগে তৃণমূল করত। পরে নির্দল হয়ে নির্বাচনে লড়াই করে।” তবে সেচের জমিকে অবৈধ ভাবে দখলের বিরুদ্ধে সরকার কোনও পদক্ষেপ কেন গ্রহণ করছেন না? এই বিষয়ে স্পষ্ট করে উত্তর দিতে পারেননি এই পঞ্চায়েত সদস্য।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Dev: ‘দেব কাজের কমিশন চাইছে’, তৃণমূল নেতার অডিও ভাইরাল, জেলাজুড়ে শোরগোল

    Dev: ‘দেব কাজের কমিশন চাইছে’, তৃণমূল নেতার অডিও ভাইরাল, জেলাজুড়ে শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনটি সরকারি পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন ঘাটালের সাংসদ দেব (Dev)। বকেয়া টাকা না পেয়ে করোনার সময় হাসপাতালে কাজ করা মহিলারা বিক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন। কারণ, ঘাটাল হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান ছিলেন দেব। তিনি বকেয়া টাকা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলেছিলেন। তিনি পদ থেকে ইস্তফা দিতেই মহিলারা টাকা ফেরতের দাবি জানিয়েছিলেন সাংসদের কাছে। যা নিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা রাজনীতিতে জোর চর্চা শুরু হয়। এই আবহের মধ্যে একটি অডিও ক্লিপ সামনে এসেছে। যাতে সাংসদ দেবের নামে বিস্ফোরক অভিযোগ করা হয়েছে। সেই অডিও ভাইরাল হয়েছে। ফলে, নতুন করে আবার চর্চায় উঠে এসেছেন অভিনেতা দেব।

    কী রয়েছে অডিও ক্লিপে?

    জেলারই দাপুটে তৃণমূল নেতার কথোপকথন রয়েছে অডিও ক্লিপে।  যদিও অডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। গলার স্বর শুনে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বই অনুমান করছেন, অডিওটি যাঁর, তিনি ঘাটালের তৃণমূল নেতা শঙ্কর দোলই। শঙ্কর ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক। তিনি বর্তমানে ঘাটাল সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি। সেই অডিয়োতে শোনা যাচ্ছে, এক ব্যক্তি কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলছেন। তিনি সেখানে বলছেন, “আমি দিদিকে বলেছি, দেব (Dev) আমার কাছ থেকে কাজের কমিশন চাইছে। আমি তো দিদিকে বিষয়টি বলেছি। দিদি জানে তারপরেও ওকে এমপি করেছেন।” কথা প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, “কেন ওকে আমাদের রাজনীতিতে প্রয়োজন, এখানে সততা বলে কিছু নেই।” সাংসদ প্রতিনিধি রাম পদ মান্না বলেন, অডিওটি শঙ্কর দোলইয়ের।  এই বিষয়টি দেবের নজরেও আনা হয়েছে।

    এটা একটা চক্রান্ত!

    এই বিষয়ে জেলা তৃণমূল নেতা শঙ্কর দোলইয়ের বিরুদ্ধে আহুল উঠছে। তিনি এই প্রসঙ্গে বলেন, “এই ভাইরাল অডিও নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। কোথাও কোনও একটা চক্রান্ত রয়েছে। এটা মিথ্যা না সত্য, তা যাচাই না করে কিছু বলব না। আমার সঙ্গে দেবের কোনও ঝগড়া নেই।”

    অডিও নিয়ে মুখ খুললেন দেব (Dev)

    ভাইরাল অডিও নিয়ে সাংসদ দেব (Dev) বলেন, “আমার ওপর কিছু নির্ভর করে নেই। আমার যা করার, যা বলার, তা আমি দলকে বলে দিয়েছি। যে অডিও ক্লিপটি বেরিয়েছে, সেই মতো দেখলে, দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) আর ওর মধ্যে কিছু কথা হয়েছে। দিদিই উত্তরটা দেবেন। আমার কিছু বলার নেই।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: শিল্পতালুকে কাজ চেয়ে আক্রান্ত স্থানীয়রা, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    Durgapur: শিল্পতালুকে কাজ চেয়ে আক্রান্ত স্থানীয়রা, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রমিক নিয়োগকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্বে উত্তপ্ত হয়ে উঠল দুর্গাপুরের (Durgapur) পানাগড় শিল্প তালুকের  রাষ্ট্রায়ত্ব তেল সংস্থার বটলিং প্লান্ট চত্বর। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের মারধর করার অভিযোগ উঠল ব্লক নেতৃত্বদের বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানতে পেরে বুদবুদ থানার পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে, স্থানীয়দের বাধায় কাজ করতে বাধা পান ঠিকাদার সংস্থা। স্থানীয়রা তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। আর ঠিকাদারের হয়ে ব্লক নেতৃত্ব দালালি করতে আসে বলে অভিযোগ। তারা হামলা চালায়। ফলে, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Durgapur)

    জানা গিয়েছে, দুর্গাপুরের (Durgapur) পানাগড় শিল্পতালুকে বটলিং প্লান্টে নতুন ঠিকাদার সংস্থা কাজের বরাত পেয়েছে। বুধবার বহিরাগত শ্রমিকদের দিয়ে কাজ শুরু করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। বিষয়টি জানতে পেরে এলাকার লোকজন জোটবদ্ধ হয়ে কারখানার সামনে জড়ো হন। তাঁরা বহিরাগতদের কার্যত ঢুকতে বাধা দেন। এরপরই ঠিকাদারের হয়ে দাঁড়ান তৃণমূলের ব্লক নেতৃত্ব। ব্লক নেতৃত্বে পক্ষ থেকে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়। হামলায় চারজন জখম হন। স্থানীয়দের বক্তব্য, কারখানায় বহিরাগতদের নিয়ে এসে কাজ করাচ্ছে ঠিকাদার। আমরা সবাই তৃণমূল করি। অথচ আমাদের কাজ না দিয়ে বাইরের লোকজনকে দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। এটা আমরা মেনে নেব না। তাই, আমরা বাধা দিতে গেলে ওরা হামলা চালায়। আসলে ঠিকাদারের হয়ে তৃণমূলের একাংশ দালালি করতে এসেছে। ওরা হামলা চালিয়েছে।

    তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    তৃণমূল নেতা জগবন্ধু বাউরি বলেন, নিয়ম মেনে ঠিকাদার কাজের বরাদ পেয়েছেন। তিনি কাজ করতে এলে কিছু মানুষ তাদের বাধা দেয়। আর বহিরাগতদের যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা ঠিক নয়। এটা মেনে নেওয়া যায় না। সামান্য উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। পরে, তা মিটে গিয়েছে। আমরা চাই, যে ঠিকাদার কাজ পেয়েছেন, তিনি যাতে সুষ্ঠভাবে কাজ করতে পারেন।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি নেতা রমণ শর্মা বলেন, শিল্পতালুকে গোষ্ঠী কোন্দলে নতুন নয়। আর টাকার বিনিময়ে কারখানায় নিজের লোক ঢোকানো হয়। বিরুদ্ধ গোষ্ঠীদের ঢুকতে দেওয়া হয় না। এবার সেই ঘটনা ঘটেছে। তৃণমূলের কোন্দলের জেরে প্লান্টের কাজ না বন্ধ হয়ে যায়।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: পুলিশি সন্ত্রাসের অভিযোগ, ওসির বিরুদ্ধে এফআইআর-এর দাবি করলেন শুভেন্দু

    Purba Medinipur: পুলিশি সন্ত্রাসের অভিযোগ, ওসির বিরুদ্ধে এফআইআর-এর দাবি করলেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুলিশের বিরুদ্ধে ফের সন্ত্রাসের অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেছেন, “ওসির বিরুদ্ধে জাতীয় তফশিলি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান অরুণ হালদারের কাছে এফআইআর করার দাবি জানাবো।” পুরাতন মামলায় অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে গিয়ে বিজেপি সমর্থক পরিবারকে হেনস্থা করার অভিযোগ উঠল খোদ ওসির বিরুদ্ধেই। ঘটনা ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) ভগবানপুর-২ ব্লকের জুখিয়া পঞ্চায়েতের এক্তারপুর গ্রামে।

    ঘটনা কী ঘটেছিল (Purba Medinipur)?

    গত রবিবার পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) এক্তারপুর গ্রামের ভূপতিনগর থানার পুলিশ গত বছর এলাকায় ঘটা একাধিক অশান্তির ঘটনায় বিজেপির স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সুজিত দেবনাথকে অভিযুক্ত করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। পুলিশ এরপর সোমবার দুপুরে এলাকায় তল্লাশি করে। শুধু তাই নয় এলাকার আরও দুই বিজেপি নেতা অনুপ দেবনাথ এবং মঙ্গল দেবনাথ নামক দুই ব্যক্তির বাড়িতে পুলিশ হামলা চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। পুলিশ পরিবারের মানুষের খাবার ছুড়ে ফেলে দেয়। বাধা দিতে গেলে বাড়ির মহিলাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে পুলিশ।

    স্থানীয় বিজএপির বক্তব্য

    এলাকার (Purba Medinipur) বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে শাসক দল তৃণমূল পুলিশকে কাজে লাগিয়ে বিজেপির রাজনৈতিক কর্মসূচিকে বন্ধ করার চেষ্টা করছে। চক্রান্ত করে বিজেপি কর্মীদের মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। ভূপতিনগর থানার ওসি গোপাল পাঠক, বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে ঢুকে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেছে। পুলিশ পরিবারের খাবারের থালা ছুড়ে মেরেছে।”

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    ঘটনার তীব্র নিন্দা করে নিজের এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করে শুভেন্দু বলেন, “রাজ্যের দলিতেরা সুরক্ষিত নন। মমতার পুলিশ আইন ভেঙে তফশিলি জাতির মানুষের উপর হামলা করেছে। মারধর করা হয়েছে। অনুপ দেবনাথ ও মঙ্গল দেবনাথের বাড়ির মহিলাদের সঙ্গে অভব্য আচরণ করেছে। এটা একটা সংগঠিত অপরাধ। ওসির (Purba Medinipur) বিরুদ্ধে এফআইআর করার দাবি জানাই।” উল্লেখ্য আজ বুধবার আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে বাড়িতে যান শুভেন্দু।

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ঘটনায় পুলিশের পাশে দাঁড়িয়ে তৃণমূলের জেলা (Purba Medinipur) সভাধিপতি বলেন, “এলাকায় যারা সন্ত্রাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করছে, পুলিশ তাদের ধরতে অভিযান চালিয়েছে। বিধায়ক এবং বিরোধী দলনেতার অভিযোগ মিথ্যা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: ফের কাজল-কেষ্ট দ্বন্দ্ব, মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর, নিন্দার ঝড়

    Birbhum: ফের কাজল-কেষ্ট দ্বন্দ্ব, মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হল দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীর, নিন্দার ঝড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে জেলবন্দি অনুব্রত মণ্ডলের গুরুত্ব বাড়তে শুরু করে বীরভূমে (Birbhum)। কেষ্টর অনুগামীরা চাঙা হয়ে ওঠেন। জেলার কোর কমিটি থেকে বাদ দিয়ে কেষ্ট বিরোধী গোষ্ঠীর নেতা হিসেবে পরিচিত কাজল সেখের ডানা ছাঁটা হয়। কিন্তু তারপরও শিক্ষা হয়নি! ফের অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। কাঠগড়ায় কাজল শেখের অনুগামীরা। সূত্রের খবর, হাতাহাতিতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মঙ্গলবার চাঞ্চল্যকর এই ঘটনা নানুরের থুপসারা অঞ্চলের ব্রাহ্মণখণ্ড গ্রামে। এই ঘটনায় তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে আসে।

    কেন হামলা? (Birbhum)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বীরভূমে (Birbhum) কাজল-কেষ্ট বিবাদ নতুন নয়। মুকুল শেখ নামে এক তৃণমূল কর্মী কেষ্ট অনুগামী হিসেবে পরিচিত। কাজল শেখের অনুগামীদের সঙ্গে তিনি মেলামেশাও করেন না। কাজলের হয়ে তিনি কেন কাজ করেন না, এটাই তাঁর অপরাধ। আর সেই জন্যই তাঁর ওপর হামলা চালানো হয়। কাজল অনুগামীদের হামলায় আহত হয়েছেন মুকুল শেখ। তিনি আবার থুপসরা পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য। অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী সরিনা বিবিকেও বাঁশ-লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারা হয়েছে। হামলার জেরে ফেটেছে মাথা। হাতও ভেঙে গিয়েছে সরিনা বিবির। ছাড় পায়নি তাঁদের দুই মেয়ে। সব থেকে নির্মম ঘটনা হচ্ছে, তৃণমূল কর্মীর দুই মেয়ে এবার মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। কাজল অনুগামীরা তাদের মেরে মাথা ফাটিয়ে দেয়। তাদের তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা হয়। দুই মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী চরম আতঙ্কিত। তারা ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছে। পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে এই ধরনের আচরণের নিন্দা করেছেন সকলে। থুপসারা অঞ্চলের যুব নেতা সেখ আজাহার, থুপসারা পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জামরুল শেখ ও তৃণমূল নেতা আলম শেখের নেতৃত্বে এই মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ। আহতের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় নানুর থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে কাজল শেখ কোনও মন্তব্য করতে চাননি। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, অভিযোগ হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: তৃণমূলের দ্বন্দ্বে তালাবন্ধ উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, এক বছর পর হুঁশ ফিরল প্রশাসনের

    Durgapur: তৃণমূলের দ্বন্দ্বে তালাবন্ধ উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, এক বছর পর হুঁশ ফিরল প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কার দখলে থাকবে উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র, তাই নিয়ে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব। আর ওই গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে দীর্ঘ এক বছর ধরে তালাবন্ধ উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্র। তার জেরে পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে পড়েছিলেন প্রসূতি ও যক্ষারোগীরা। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের তালা ভাঙতে দৌড়তে হল বিডিওতে। এমনই নজিরবিহীন ঘটনাে ঘটেছে দুর্গাপুর (Durgapur) মহকুমার বুদবুদের দেবশালা অঞ্চলের পশ্চিম চণ্ডীপুরে।

    তৃণমূলের কোন্দলে তালা ঝুলেছিল উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে! (Durgapur)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বছরখানেক আগে আউশগ্রাম জঙ্গলমহলবাসীর সুবিধার্থে দুর্গাপুর (Durgapur) মহকুমার বুদবুদের দেবশালার কাঁকোড়ায় পশ্চিম চণ্ডীপুরে উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি তৈরি করা হয়। সেখানে দেবশালা অঞ্চলের কাঁকোড়া, কলমডাঙা, সহ ১০ টি গ্রামের প্রায় ৪ হাজার মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা পেতেন। মূলত প্রসূতি, বয়স্ক ও যক্ষা রোগীরা বেশী উপকৃত হতেন। গত ২০২৩ সালের ১২ জানুয়ারি উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। জানা গিয়েছে, এলাকাটি জঙ্গলমহল। অনগ্রসর সম্প্রদায়ের বসবাস। সরকারি ওই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির একাংশ দখল করে তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব ক্লাবঘর করতে চেয়েছিল। তাই নিয়ে দুই গোষ্ঠীর বিবাদের জেরে তালা ঝুলে যায়। অভিযোগ, উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি কার দখলে থাকবে তা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ শুরু হয়েছিল। বিবাদের জেরে শেষ পর্যন্ত তালা ঝুলে যায় উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। তার জেরে চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হন সাধারণ মানুষ। বিপাকে পড়েন গর্ভবতী মা’য়েরা ও যক্ষা রোগীরা। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার আউশগ্রাম-২ বিডিও চিন্ময় দাস বুদবুদ থানার পুলিশকে নিয়ে দেবশালা অঞ্চলের পশ্চিম চন্ডিপুর উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে  আসেন। তালা ভেঙে দেওয়া হয়।

    স্বাস্থ্যকর্মী কী বললেন?

    পশ্চিম চন্ডিপুর উপ স্বাস্থ্যকেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মী সোমা ঘোষ জানান, খুব অসুবিধে হচ্ছিল। বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলারা সমস্যায় পড়ছিলেন। নিয়মিত ভ্যাকসিন দেওয়া সম্ভব হচ্ছিল না। যক্ষা রোগীদের জামতাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে ওষুধের ব্যবস্থা করা হচ্ছিল। ব্লক প্রশাসনের উদ্যোগে ফের পরিষেবা চালু হল।

    উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল কংগ্রেসের আউশগ্রাম-২ ব্লক সভাপতি আব্দুল লালন বলেন, “দল কখনই এধরনের কাজে মদত দেয় না। যারা তালা ঝুলিয়েছিল, তারা সমাজবিরোধী।” বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলার ওবিসি মোর্চার সহ সভাপতি সৌমেন পাত্র বলেন,” তৃণমূলের কোন্দলের জন্য ভুগতে হয় সাধারণ মানুষকে। এটা অমানবিক, বেদনাদায়ক ঘটনা। আশ্চর্যের বিষয়, বহু আবেদনের পর বন্ধ তালা ভাঙতে পুলিশ-প্রশাসনের এক বছর সময় লাগল। শাসকদলের কাছে কত’টা অসহায় পুলিশ ও প্রশাসন, এটা তারই প্রমাণ।”

    এবার তালা মারলে কড়া ব্যবস্থা

    আউশগ্রাম-২ নম্বর ব্লকের বিডিও চিন্ময় দাস বলেন, “কে বা কারা তালা ঝুলিয়েছিল, পুলিশকে তদন্ত করে রিপোর্ট দিতে বলেছি। এরপর যদি কেউ তালা মারে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে, তাহলে তার বা তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: বিজেপি প্রার্থীর রহস্যমৃত্যুর তদন্ত, আদালতে ভর্ৎসিত রাজ্য পুলিশ

    South 24 Parganas: বিজেপি প্রার্থীর রহস্যমৃত্যুর তদন্ত, আদালতে ভর্ৎসিত রাজ্য পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কলকাতা হাইকোর্টে ভর্ৎসিত রাজ্য পুলিশ। মঙ্গলবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বিষ্ণুপুরের বিজেপি প্রার্থীর রহস্যমৃত্যু নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্তের এজলাসে মামলার শুনানি ছিল। বিচারক পুলিশি তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। প্রয়োজনে অন্য তদন্তকারী সংস্থাকে তদন্তভার দেওয়ার কথা তিনি বলেন। মূলত পুলিশি তদন্তে ওপর বিচারকের যে ভরসা নেই, তা এদিনের স্পষ্ট বুঝিয়ে দিয়েছেন।

    আদালতের কী পর্যবেক্ষণ? (South 24 Parganas)

    জানা গিয়েছে, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas)  বিষ্ণুপুর ১ ব্লকের দড়িকাওয়াডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০৯ নম্বর বুথের বিজেপি প্রার্থী হয়েছিলেন ভোলানাথ মণ্ডল। নির্বাচনের পর ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকাকালীন তাঁর মৃত্যু হয়। পরিবার ও বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ তোলা হয়, তৃণমূলের মারের ফলেই মৃত্যু হয়েছে ভোলানাথের। যদিও হাসপাতালের তরফে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে বলা হয়, লিভারজনিত সমস্যার কারণেই মৃত্যু হয়েছে ভোলানাথের। যদিও হাইকোর্টে সেই রিপোর্টের যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। এদিন সেই মামলার শুনানি ছিল। এদিনের শুনানিতে বিচারপতি বলেন, “একজন চিকিৎসকের ১৬১ ধারায় পুলিশ জবানবন্দি নিয়েছে। কিন্তু, সেই বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে মামলাকারীর।” মামলাকারীর বক্তব্য, বয়ান গ্রহণের কোনও ভিডিয়ো রেকর্ডিং করা হয়নি। কেন করা হয়নি সেটা স্পষ্ট নয়। তদন্তকারী অফিসার, ডিএসপিকে স্বচ্ছভাবে ভরসাযোগ্য তদন্ত করতে হবে। মামলাকারীদের প্রশ্নে যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে, তাই পুলিশ স্বচ্ছভাবে, বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত করে আগামী শুনানিতে রিপোর্ট দেবে। না হলে অন্য এজেন্সিকে তদন্তের দায়িত্ব দেবে আদালত।”বিচারপতি জানিয়ে দিয়েছেন, এই মামলার পরবর্তী শুনানি ১৩ মার্চ। তার আগে মামলাকারী তাঁদের যাবতীয় অভিযোগ নিয়ে হলফনামা জমা দেবে।

    মামলাকারীর আইনজীবী কী বললেন?

    মামলাকারীর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার বলেন, “চিকিৎসক থেকে সাক্ষী সবাইকে পুলিশ নিজের মতো করে বয়ান বলিয়ে নিয়েছে। তাই ভিডিয়োগ্রাফ করা হয়নি। আর ঠিক একই কারণে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়নি। উল্টে সাক্ষীদের ভয় দেখাতে কোনও কারণ ছাড়াই নোটিস পাঠিয়ে চাপে রাখছে পুলিশ।

    রাজ্যের পক্ষ থেকে আদালতকে কী বলা হল?

    রাজ্যের তরফে অবশ্য বলা হয়, “কোর্টের নির্দেশ মতো আমরা সব তদন্ত করছি। এখানে একটা অসুস্থ লোকের মৃত্যুকে রাজনীতির মোড়ক দিতে গিয়ে অন্য মাত্রায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: তৃণমূলের দুর্নীতি বোঝাতে হাইকোর্টে ইডি’র আইনজীবীর মুখে সোনার কেল্লা, ফেলুদা প্রসঙ্গ

    Abhishek Banerjee: তৃণমূলের দুর্নীতি বোঝাতে হাইকোর্টে ইডি’র আইনজীবীর মুখে সোনার কেল্লা, ফেলুদা প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কোম্পানি লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের আরও সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টে একই কথা জানাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। অপর দিকে প্রাথমিকে শিক্ষক-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন করলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। তদন্তের প্রক্রিয়ায় একদম সন্তুষ্ট নন তিনি। ফলে চাপ বাড়ল ইডি’র। মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ মার্চ।

    হাইকোর্টে ইডির বক্তব্য (Abhishek Banerjee)

    আজ হাইকোর্টে ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী তৃণমূল সাংসদ অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সম্পত্তি সম্পর্কে জানিয়ে বলেন, “আরও কিছু সম্পত্তি চিহ্নিত করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে অপরাধও নিশ্চিত করার কাজ চলছে। এক অভিযুক্তের কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার জন্য দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। তা এলেই তদন্তের আরও অগ্রগতি ঘটবে।”

    কী বললেন বিচারপতি?

    বিচারপতি অমৃতা সিনহা এদিন প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার (Abhishek Banerjee) দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তকারী অফিসারদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “এভাবে সময় চলে গেলে প্রত্যেকে তদন্তের বাইরে চলে যাবে। তখন আর কিছু পাবেন না। এত দিনের সব পদক্ষেপ কাজে লাগবে না। আর কত দিন লাগবে?” উত্তরে আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী বলেন, “প্রত্যেক পদক্ষেপে আমরা মামলায় জড়িয়ে পড়ছি। যে কোনও নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে।” আবার বিচারপতি বলেন, “আপনারা কি মনে করছেন খুব সহজ? অপারাধ যত সামনে আসবে, এই ধরনের মামলার চাপ আরও বাড়বে।” আবার উত্তরে আইনজীবী বলেন, “আমরা সিঙ্গল বেঞ্চ থেকে সুপ্রিম কোর্টে লড়াই করছি। আমাদের নখ, দাঁত বের করে লড়াই করছি। পরবর্তী শুনানির দিন আমরা বিস্তারিত রিপোর্ট দেব।”

    সিবিআই-এর মুখে ‘সোনার কেল্লা’

    তৃণমূল নেতাদের (Abhishek Banerjee) দুর্নীতি নিয়ে সত্যজিৎ রায়ের সোনার কেল্লার উদাহরণ টেনে আইনজীবী বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে বলেন, “এখানে আমার সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত সোনার কেল্লার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। সেখানেও গোয়েন্দারা যখন সোনার কেল্লায় যাচ্ছেন, তখন তাঁদের কাঁটা বিছানো পথ পেরিয়ে যেতে হয়েছিল। তাঁরা (ফেলুদা) সত্য অনুসন্ধান করতে পেরেছিলেন। এখানে দুর্নীতির মামলায় আমরাও আশাবাদী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “আগে চোর শুনলে রাগ করতেন, এখন ক্যাগ শুনলেই রেগে যান” মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আগে চোর শুনলে রাগ করতেন, এখন ক্যাগ শুনলেই রেগে যান” মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আগে চোর শুনলে রাগ করতেন, এখন ক্যাগ শুনলেই রেগে যান”। কার্যত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে এমন মন্তব্য করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি বিধানসভায় বাজেট অধিবেশনের সূচনা হবে। আজ মঙ্গলবার বিধানসভায় ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে আলোচনা চেয়ে বিজেপির বিধায়করা ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    আজ বিধানসভায় ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে আলোচনার অনুমতি না মেলায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগে চোর চোর শুনলে রেগে যেতেন, এখন ক্যাগ শুনলে রেগে যান। চোর শব্দ শুনলে মুখ্যমন্ত্রী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ওঁর ঘুম ছুটে যায়। এখন ক্যাগ শব্দ শুনলে মুখ্যমন্ত্রী এবং শাসক দল লাফালাফি করছে। আমাদের প্রতিবাদ এবং সোচ্চারে স্পিকার অধিবেশন মুলতুবি করতে বাধ্য হয়েছেন। ক্যাগ রিপোর্টে ভয়ঙ্কর ভয়ঙ্কর তথ্য রয়েছে। কয়েকশো ভুয়ো অ্যাকাউন্টের তথ্য দেওয়া হয়েছে। প্রচুর মানি ডাইভারশনের তথ্য দেওয়া হয়েছে। আমাদের আজ বিধানসভায় ক্যাগ নিয়ে আলোচনা করতে দেওয়া হয়নি।”

    এফআইআর করার দাবি

    বিধানসভায় সাংবাদিক সম্মলেন করে বলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “আমরা ৮ তারিখ বাজেটে অংশগ্রহণ করব। এরপর ৯ তারিখ রাজ্যপালের কাছে যাব। ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবং ক্যাবিনেটকে পার্টি করে এফআইআর করার দাবি জানাব।”

    বাজেটে শুভেন্দুর প্রত্যাশা

    পাশাপাশি বিধানসভায় বাজেট অধিবেশন নিয়ে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) প্রত্যশা করে বলেন, “টাটা গোষ্ঠীকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনবে সরকার।” সেই সঙ্গে আরও বলেন, “আগামী বাজটে রাজ্য সরকারি কর্মীদের কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দিতে পারবে, লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে ৫০০ থেকে ২০০০ টাকা করবে সরকার। আশা করবো রান্না এবং পেট্রোপণ্যের যে কর রাজ্য সরকার নেয় তা বাজটে মুকুব করবে। সিভিক পুলিশ এবং আশা কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি করবে। সরকারি শূন্যপদে অবিলম্বে নিয়োগ করবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • CAG Report: মমতা সরকারের ২ লক্ষ ২৯ হাজার কোটির দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে দ্রুত শুনানির আর্জি বিজেপির

    CAG Report: মমতা সরকারের ২ লক্ষ ২৯ হাজার কোটির দুর্নীতি! ক্যাগ রিপোর্ট নিয়ে দ্রুত শুনানির আর্জি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্যাগ রিপোর্টে (CAG Report) ২ লক্ষ ২৯ হাজার কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে মমতার সরকারের বিরুদ্ধে। এই নিয়ে গত বছর হাইকোর্টে মামলা হয়েছিল। এবার দ্রুত শুনানি চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বিজেপির তরফে। আগামী ১৯ তারিখের পর শুনানির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে আজ বিধানসভায় ওই একই ইস্যুতে আলোচনা চেয়ে শাসক দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি।

    জনস্বার্থ মামলা হাইকোর্টে (CAG Report)

    ক্যাগ বা সিএজির রিপোর্টে (CAG Report) রাজ্যে হিসেবের গোলমাল মিলেছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। কেন্দ্র থেকে পাওয়া টাকার হিসেবের কোনও শংসাপত্র দেওয়া হয়নি। রাজ্যের পুর, নগরোন্নয়ন, শিক্ষা এবং পঞ্চায়েত দফতরের হিসেবে ব্যাপক গরমিল পাওয়া গিয়েছে। উল্লেখ্য, হাইকোর্টে সিবিআই তদন্ত চেয়ে জনস্বার্থ মামলা করা হয়েছে। সিএজি রিপোর্ট মামলায় এবার দ্রুত শুনানির আবেদন করে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন বিজেপির রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। 

    বিজেপি রাজ্য সভাপতির দাবি

    বিজেপির পক্ষ থেকে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “রাজ্যের হিসেব নিয়ে কেন্দ্র যে সিএজি বা ক্যাগ রিপোর্ট পাঠিয়েছে, সেখানে অনিয়ম রয়েছে।” এবার একে সামনে রেখেই আজ বিধানসভায় বিজেপি বিধায়করা ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান। একই ভাবে সরকারের সমালোচনা করেন রাজ্যের বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    শুভেন্দুর বক্তব্য

    বিধানসভায় বিজেপির আনা আলোচনার প্রস্তাবকে স্পিকার বাতিল করলে শুভেন্দু বলেন, “ক্যাগের রিপোর্টে সর্বত্র দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে। কয়েকশো ভুয়ো অ্যাকাউণ্টের তথ্য মিলেছে। ভয়ঙ্কর সব তথ্যের উল্লেখ করা হয়েছে। সরকারের ক্যাগ-আতঙ্ক শুরু হয়েছে। এই রিপোর্টের কথা শুনেই তৃণমূল লাফাচ্ছে।” 

    তৃণমূলের বক্তব্য

    রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা পালটা বিজেপিকে আক্রমণ করে বলেছেন, “শুভেন্দু গতকাল দিল্লিতে গিয়ে ধমকানি চমকানি দিয়েছেন। বিভিন্ন নেতা এবং দফতরে গিয়ে দেখা করেছেন। কী আলোচনা হয়েছে বলছেন না। আগামী দিনে ইডি, সিবিআইকে পরিচালনা করা হবে। মমতা ২১ লাখ মানুষকে ১০০ দিনের কাজের সুযোগ করে দিয়েছেন। তাই বিজেপি বদলার রাজনীতি করেছে।”

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share