Tag: tmc

tmc

  • TMC: ব্যুমেরাং! তৃণমূলে যোগ দিয়ে তবেই বাড়ি ফেরার ছাড়পত্র জয়ী সিপিএম প্রার্থীর

    TMC: ব্যুমেরাং! তৃণমূলে যোগ দিয়ে তবেই বাড়ি ফেরার ছাড়পত্র জয়ী সিপিএম প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ যেন ঠিক ‘ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি’। ৩৪ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের অত্যাচার যেন ফিরে এসেছে তৃণমূলের নামে। সিপিএম না তৃণমূল (TMC) কার সন্ত্রাস বেশি? এনিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে দিকে দিকে। কেউ সিপিএমকে এগিয়ে রাখছেন তো কেউ তৃণমূলকে। এই আবহে তৃণমূলের অত্যাচারে বাড়ি থাকতে পারছেন না বলে অভিযোগ সিপিএমের জয়ী প্রার্থীর। অবশেষে তৃণমূলে যোগদান করার পর বাড়ি ফেরার আশ্বাস মিলেছে। ঘটনাটি নদীয়ার শান্তিপুর থানার গয়েশপুর টেংরিডাঙ্গা এলাকার।

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ

    জানা গিয়েছে, এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ওই এলাকা থেকে সিপিএমের প্রার্থী ছিলেন আব্দুল শেখ। সেখানে তিনি জয়লাভও করেন। উল্লেখ্য গয়েশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ২১ টি রয়েছে। তার মধ্যে বিজেপি পেয়েছে দশটি আসন। আর তৃণমূল (TMC) পেয়েছে নয়টি আসন। পাশাপাশি সিপিএমের আসন সংখ্যা ছিল একটি এবং অন্যান্য একটি। অভিযোগ ওঠে সিপিএম প্রার্থীর জয় লাভের পরেই প্রাক্তন তৃণমূল প্রধানঁ তার দলবল নিয়ে সিপিএম প্রার্থীর বাড়ির উপর চড়াও হয়। বাড়ি ভাঙচুর সহ প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে লাগাতার। অবশেষে বাধ্য হয়ে তিনি সেদিন শান্তিপুর বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামীর হাত ধরে তৃণমূলে (TMC) যোগদান করলেন। তৃণমূলে যোগদান করার পরেই তিনি সরাসরি শান্তিপুর থানায় চলে আসেন। প্রশাসনের তরফ থেকে তাঁকে নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়া হয়।

    কী বলছেন সিপিএম প্রার্থী?

    এ বিষয়ে সিপিএম প্রার্থী আব্দুল শেখ বলেন, ‘‘আমি জয়লাভ করার পর থেকেই ওই এলাকার প্রাক্তন তৃণমূল প্রধান হেরে যাওয়ার কারণে আমার বাড়ির উপরে অত্যাচার চালাচ্ছিল। আমি বাড়িতে ঠিকমত থাকতে পারছিলাম না। অবশেষে বাধ্য হয়ে তৃণমূলে (TMC) যোগদান করি।’’ শান্তিপুরের তৃণমূল বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামী বলেন, ‘‘তৃণমূল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের উন্নয়ন দেখে অনেকে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং তারা তৃণমূলে যোগদান করছেন। ঠিক সেই রকম গয়েশপুরের এই সিপিএম প্রার্থী উন্নয়নের সামিল হতে তৃণমূলে (TMC) যোগদান করলেন।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC:”‘রাজ্যসভায় ভোট দেব না,” কেন এই হুমকি দিলেন তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী?

    TMC:”‘রাজ্যসভায় ভোট দেব না,” কেন এই হুমকি দিলেন তৃণমূল বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর ব্লকে রাজনৈতিক সংঘর্ষ বন্ধ না হলে রাজ্যসভার ভোটে অংশ নেব না। সাফ জানিয়ে দিলেন ইসলামপুরের তৃণমূল (TMC) বিধায়ক আব্দুল করিম চোধুরী। এমনকী তিনি বিধানসভার কোনও বিলকে সমর্থন করবেন না বলে জানিয়ে দেন। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে তৃণমূল বিধায়কের এই বিস্ফোরক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। যদিও তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব এই বিষয়ে কেউ কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

    পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে কী বললেন তৃণমূল (TMC) বিধায়ক?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে অধিকাংশ পঞ্চায়েতে তাঁর মনোনীত প্রার্থীদের দল অনুমোদন করেনি। বাধ্য হয়ে তাঁর নির্দেশে সকলেই নির্দল হিসেবে ভোটে লড়াই করেন। নির্বাচনের দিন অধিকাংশ বুথে তৃণমূলের (TMC) সঙ্গে করিম সাহেবের দেওয়া নির্দল প্রার্থীদের লড়াই হয়। এদিন করিমসাহেব বলেন, তৃণমূল ভোট করতে দিল না। সকালের দিকে দুঘণ্টার মধ্যে ২৮টি বুথে ভোট হয়ে গেল। এটা কি সম্ভব? আমরা প্রশাসনের কাছে ভোট বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছি।

    ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে কী বললেন করিমসাহেব?

    ইসলামপুরের তৃণমূল (TMC) বিধায়ক বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে ইসলামপুরে একাধিক জায়গায় রাজনৈতিক হিংসা হয়েছে। ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটছে। পুলিশ প্রশাসনকে জানানো সত্বেও পুলিশ আমার কথায় গুরুত্ব দেয়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল এবং ব্লক সভাপতি জাকির হোসেন সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত হলেও দল তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

    নির্দলদের জমি দখল নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    করিমসাহেব বলেন, সিপিএমের আমলে দেখতাম বিরোধীদের  জমিতে পতাকা টাঙিয়ে তা দখল করে নিত। ভয়ে কেউ কিছু বলতে পারত না। প্রশাসনও কিছু করত না। এখন যারা নির্দলের প্রার্থী হয়েছিলেন। নির্দলদের সমর্থন করেছিলেন, তৃণমূলের (TMC) লোকজন তাঁদের জমিতে তৃণমূলের পতাকা লাগিয়ে দিয়ে জোর করে জমি দখল করে নিচ্ছে। ফসল কেটে নিচ্ছে। প্রশাসনকে জানিয়ে কোনও কাজ হচ্ছে না।

    মৃতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে কী বললেন করিমসাহেব?

    নির্বাচনে অশান্তির জেরে মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা ও পরিবার প্রতি একজনের চাকরি দেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মমতার এই প্রলোভনের জন্য আগামীতে মানুষ মরনঝাঁপ দেবে। এগুলো না করে মমতা নির্বাচন পিছিয়ে দিতে পারতেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Dakshin Dinajpur: প্রার্থীকে ভোটে জেতাতে বিডিওর উপর চড়াও তৃণমূল, সুকান্তর ট্যুইটে তোলপাড়

    Dakshin Dinajpur: প্রার্থীকে ভোটে জেতাতে বিডিওর উপর চড়াও তৃণমূল, সুকান্তর ট্যুইটে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলার বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূলের পরাজিত প্রার্থী স্নেহলতা হেমব্রমকে রিকাউন্টিং করে জিতিয়ে দিতে হবে। এরকমই দাবি তুলে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা বিডিও অফিসে চড়াও হয়। বিডিও অনুজ সিকদার প্রশাসনের পঞ্চায়েত ইলেকশন হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে এমনই একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। সেই অভিযোগপত্র ও কিছু সিসি টিভির ভিডিও নিয়ে সুকান্ত মজুমদার ট্যুইট করেছেন। আর তাই নিয়ে তোলপাড় জেলায়।  

    কোথায় ঘটল (Dakshin Dinajpur)?

    সুকান্ত মজুমদারের ট্যুইটে  জানা যায়, বালুরঘাটের (Dakshin Dinajpur) পঞ্চায়েত সমিতির তৃণমূল প্রার্থী স্নেহলতা হেমব্রম হেরে যাওয়ায়, পরদিন বিডিওকে রিকাউন্টিং করার চাপ দেয় তৃণমূল কর্মীরা। বিষয়টি প্রশাসনিক স্তরের হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে বিডিও নিজে প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, গণনার দিনেই এই বিডিওর বিরুদ্ধে কারচুপির অভিযোগে সুকান্ত মজুমদার দীর্ঘ সময় গণনা কেন্দ্রের সামনে দাঁড়িয়েছিলেন। এবার সেই বিডিওকেই চাপ দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় নেতৃত্ব এবং বিডিও নিজে আতঙ্কিত হয়েছেন বলে জানা গেছে। যদিও এই বিষয়ে বিডিওকে সংবাদমাধ্যম ফোন করলে তিনি ফোন ধরেননি।

    সুকান্ত মজুমদার কী বললেন?

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, আমাদের প্রার্থী জেতার পর থেকেই তাঁকে সার্টিফিকেট না দিয়ে নানান রকম চক্রান্ত চলছিল। সেই চক্রান্ত ভোটের ফলাফল হবার পরও শেষ হয়নি। তৃণমূলের গুন্ডারা বিডিওকে গিয়ে ফোন করে ধমকাচ্ছে। এই বিডিও জোর করে আমাদের বিজেপি প্রার্থীদের পঞ্চায়েত ভোটে হারিয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। সেই বিডিও তাঁর অফিসিয়াল গ্রূপে লিখতে বাধ্য হয়েছেন, তৃণমূলের কিছু গুন্ডা তাঁকে ধমকাচ্ছে চমকাচ্ছে, যাতে তিনি স্নেহলতা হেমব্রমকে সার্টিফিকেট দেন। ফলে বোঝাই যাচ্ছে নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে এবং বিডিও এই প্রহসনের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত। অনেক জায়গায় বিজেপি প্রার্থীদের হারিয়ে তৃণমূলে সার্টিফিকেট দিয়ে দেন।

    তৃণমূল প্রার্থী কী বললেন?

    এই বিষয় স্নেহলতা হেমব্রম বলেন, আমি ওখানে গিয়েছিলাম রিকাউন্টিং-এর আবেদন করাতে এবং গিয়ে দেখি বিডিও সাহেব অফিসে নেই। তিনি অসুস্থ থাকার কারণে বাড়িতে ছিলেন। আমি সঙ্গে কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে নিয়ে গিয়েছিলাম তাঁর বাড়িতে। কোনও রকম চাপ দেওয়া হয়নি, বিডিও এটা সত্য বলছেন না। উনি তো আমাদেরই লোক। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা (Dakshin Dinajpur) সহ-সভাপতি সুভাষ চাকী জানান, সুকান্ত মজুমদার সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন।

    জেলাশাসক কী বললেন

    জেলাশাসক (Dakshin Dinajpur) বিজিন কৃষ্ণা সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এই বিষয়ে এখনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখবো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: ভোটের হিংসায় ফের খুন কোচবিহারের এক বিজেপি কর্মী

    Cooch Behar: ভোটের হিংসায় ফের খুন কোচবিহারের এক বিজেপি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগের দিন তুফানগঞ্জের (Cooch Behar) নয়ারহাটে শালবাড়ি-২ এর বিজেপি কর্মী জয়ন্ত বর্মনকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধারালো দা দিয়ে আক্রমণ করা হয়। গুরুতর আহত হন তিনি। এরপর ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। আর তার পরেই তুফানগঞ্জ থানার পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে তুফানগঞ্জ হাসপাতালে এবং তার পর কোচবিহারের বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। পুরো ঘটনাটি তৃণমূল পঞ্চায়েত প্রার্থী ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। ৭ই জুলাই আক্রান্ত হন এবং আজ ১৩ ই জুলাই মৃত্যু হয় তাঁর। ফলে ভোটের হিংসায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪৮।

    পরিবারে বক্তব্য (Cooch Behar)

    মৃত বিজেপি কর্মী জয়ন্ত বর্মনের ভাই অনন্ত বর্মন বলেন, আমাদের বাড়ি শালবাড়ির বজরাগ্রামে। গত ৭ই জুলাই ভোটের আগের দিন রাত ১২ টার সময় আমার দাদাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এরপর দাদাকে ধরালো দা দিয়ে কোপানো হয়। এই আঘাতে গুরুতর অসুস্থ হয়ে যায় দাদা। এতদিন হাসপাতালে (Cooch Behar) ভর্তি ছিলেন। আজ দুপুরের পরে মৃত্যু হয়। দাদার মৃত্যুর পর ভাই অনন্ত বলেন, যারা দাদাকে খুন করছে, তাদের কঠিন শাস্তি চাই। আরও বলেন, আমার দাদার দুই মেয়ে, একজনের বয়স ১৮ অপর একজনের বয়স ১২। এই অবস্থায় পরিবার কীভাবে চলবে! তাই সরকারি সাহায্য চাই।

    অপর দিকে একই দিনে ভোট পরবর্তী হিংসার চিত্র ধরা পড়ল মুর্শিদাবাদে। নির্দলের বাড়ির কাছেই কান্দিতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল।

    মুর্শিদাবাদে বোমা বিস্ফোরণ

    এক দিকে কোচবিহারে (Cooch Behar) যেমন বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, ঠিক তেমনি অপর দিকে মুর্শিদাবাদ জেলার কান্দি থানার অন্তর্গত মুনিগ্রামের পশ্চিমপাড়ায় আজ বৃহস্পতিবারেই দুপুরে হঠাৎই মজুত করে রাখা বোমায় বিস্ফোরণ ঘটে। যার ফলে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয় পশ্চিমপাড়া এলাকায়। নির্দলের প্রার্থী মতিহার বিবি বলেন, আমি রান্না করছিলাম। হঠাৎ তীব্র শব্দ হয়। এরপর দেখি বিস্ফোরণ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, খুব আতঙ্কে রয়েছি আমরা। নির্দলের উপর তৃণমূলের আক্রমণ চলছে। অন্যদিকে এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় কান্দি থানার আইসি সুভাষচন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এরপর পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে বলে জানা গেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: হিংসার শিকার একাদশ শ্রেণির ছাত্র! গলা টিপে ধরার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    Paschim Medinipur: হিংসার শিকার একাদশ শ্রেণির ছাত্র! গলা টিপে ধরার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দলের হিংসার শিকার একাদশ শ্রেণির ছাত্র, শাসক দলের নেতার মারে গুরুতর আহতও সে। মামা বিজেপি করে, তাই স্কুলছাত্র ভাগ্নেকে ব্যাপক মারধর করা হয়। প্রতিবাদ করায় টিউশনের শিক্ষকদেরও হুমকি দেয় তৃণমূলের কর্মী। পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বুধবার রাতেই তৃণমূল-বিজেপির মধ্যে হাতাহাতি পর্যন্ত হয় বলে খবর। আর এই খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়।

    কোথায় ঘটল ঘটনা (Paschim Medinipur)?

    ঘটনা পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলা চন্দ্রকোনা ১ নম্বর ব্লকের বাঁকা এলাকায়। বাঁকা এলাকার বাসিন্দা শিবনাথ ঘোষ একজন বিজেপির কর্মী। শিবনাথবাবুর অভিযোগ, তাঁর ভাগ্নে বিপ্লব খাঁড়া বুধবার সকালে টিউশন পড়তে যায়। টিউশন পড়তে গেলে তাঁর ভাগ্নেকে তৃণমূলের কর্মী অনুপ পাল ও তোতন কারক ব্যাপক মারধর করে বলে অভিযোগ। মামা ঘটনাস্থলে এলে মামাকেও মারধর করা হয়। বিজেপি নেতা এবং ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় সরব হয়েছেন শিক্ষক ও সহপাঠীরা। পরে এই ঘটনার কথা ক্যামেরার সামনে স্বীকার করেছেন সকলেই।

    আক্রান্ত ছাত্রের বক্তব্য

    শিবনাথবাবুর ভাগ্নে বিপ্লব খাঁড়া বলে, আমি ছোটবেলা থেকে মামাবাড়িতে (Paschim Medinipur) থেকে পড়াশুনা করি। মামা বিজেপি পার্টি করেন। আমি টিউশন পড়তে গেলে সেখানে কয়েকজন এসে আমার মামাকে ডাকতে বলে। এরপর আমাকে চড় থাপ্পড় এবং চুলের মুঠি ধরে টানাটানি করে। আমার বই নিয়ে যাওয়ার ব্যাগটাও ছিঁড়ে দেয়, এমনকি হুমকি দেয় পড়াশুনা বন্ধ করে দেওয়ার। শেষে আমার গলা টিপে ধরে ওই লোকগুলি। বিপ্লব আরও বলে, এইভাবেই আমাকে মেরে আহত করে দেয়। মারের কারণ হিসাবে বিপ্লব জানায়, মামা কেন বিজেপি করে! এটাই মূল বিষয়। সে আরও বলে, যারা মারধর করে প্রত্যকেই তৃণমূল করে এলাকায়।

    বিজেপির বক্তব্য

    ঘটনায় বিজেপি নেতা শিবনাথ ঘোষ বলেন, এই বিষয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ প্রথমে অভিযোগ নিলেও, রাজনৈতিক কারণ দেখিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে গেছে। যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ছাত্রকে মারধরের ঘটনায় বুধবার রাতে বিজেপি ও তৃণমূল কর্মী, দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে চন্দ্রকোনার (Paschim Medinipur) ক্ষীরপাই ফাঁড়ির পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেয়। যদিও একজন ছাত্রকে এইভাবে মারধরের ঘটনায় ইতিমধ্যে শোরগোল পড়ে গেছে এলাকায়।

    অপর দিকে অভিযুক্ত তৃণমূলের কর্মী অনুপ পাল বলেন, সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা, আমি কেন বাচ্চা ছেলেদের মারধর করব! আমাকে বদনাম করার চেষ্টা করছে, বিজেপির লোকজন মিথ্যা কথা বলছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: ভোটের ফল ঘোষণার পরই ইটাহারে তৃণমূল-নির্দল সংঘর্ষ, জখম ১০

    TMC: ভোটের ফল ঘোষণার পরই ইটাহারে তৃণমূল-নির্দল সংঘর্ষ, জখম ১০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত উত্তর দিনাজপুর জেলায়। নির্বাচনে জেতার পরই নির্দল সমর্থকদের মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের (TMC) বিরুদ্ধে। এরপরই নির্দলরাও পাল্টা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তৃণমূল এবং নির্দল সমর্থকদের এই সংঘর্ষে জখম হয়েছেন উভয়পক্ষের প্রায় ১০ জন। তাঁদের রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার ব্লকের সুরুন-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ডামডোলিয়া গ্রামে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্বাচনের দিন থেকেই এলাকায় চাপা উত্তেজনা ছিল। বুধবার তৃণমূল ডামডোলিয়া এলাকায় একটি বিজয় মিছিল করে। রাতে হঠাৎই নির্দল সমর্থকদের ওপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। তৃণমূলের (TMC) টিকিট না পেয়ে নির্দল প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িয়েছিল। তাঁকে বহু তৃণমূল কর্মী সমর্থন করেছিলেন। ভোটে জেতার পর নির্দলকে সমর্থন করায় স্থানীয় এক হাতুড়ে ডাক্তার মহম্মদ আলিমুদ্দিন আহমেদকে বাড়িতে ঢুকে লোহার রড, ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয় বলে অভিযোগ। বাবাকে বাঁচাতে আসলে মেয়ে নাসিমা খাতুনকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

    কী বললেন আক্রান্ত নির্দল সমর্থক?

    আক্রান্ত নির্দল সমর্থক মহম্মদ আলিমুদ্দিন আহমেদ বলেন, নির্দলকে ভোট দেওয়ার অপরাধে ওরা হামলা চালিয়েছে। আমাদের বেধড়ক পেটায়। আমার মেয়েকে বেধড়ক মেরেছে। অপর এক নির্দল সমর্থক রেফাজুদ্দিন আহমেদ বলেন, ভোটে জিতেই নির্দল সমর্থকদের ওপরে আক্রমণ চালায় তৃণমূলের লোকেরা। তৃণমূলের (TMC) প্রার্থী মুজাহিদ আলমের নেতৃত্বেই এই ঘটনা ঘটেছে।

    কী বললেন তৃণমূল (TMC) কর্মী?

    এই সংঘর্ষে জখম তৃণমূল (TMC) কর্মী কাজিমুল হক বলেন, ভোটে হেরে যাওয়ার কারণে নির্দল সমর্থকরাই আমাদের উপরে হামলা চালায়। বাঁশ, লাঠি দিয়ে মারধর করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ইটাহার থানার বিরাট পুলিশ বাহিনী। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বিজয় মিছিলে হামলা! আতঙ্কিত এলাকাবাসী

    Howrah: তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বিজয় মিছিলে হামলা! আতঙ্কিত এলাকাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফলাফলের পরেই রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাসের আবহ। তৃণমূল কংগ্রেসের বিজয় মিছিলে হামলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়াল হাওড়ার (Howrah) ডোমজুড়ের কলোড়া দু’নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের লস্কর পাড়ায়। তৃণমূলের বিজয়ী প্রার্থীর স্বামীর বক্তব্য, মিছিলে ইট-বোতল যারা ছুড়ে হামলা করেছে, তারাও তৃণমূল। এলাকায় তীব্র উত্তেজনা।

    কী ঘটেছে ডোমজুড়ে (Howrah)?

    বুধবার সন্ধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা স্থানীয় সদ্য বিজয়ী পঞ্চায়েত সদস্যের নেতৃত্বে বিজয় মিছিল বের করেন। পাড়ার (Howrah) মধ্যে দিয়ে যখন মিছিল এগোতে থাকে, সেই সময় বেশ কিছু দুষ্কৃতী মিছিলকে লক্ষ্য করে বড় বড় ইট এবং বোতল ছোড়ে বলে অভিযোগ। এমনকী রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি অ্যাম্বুলেন্স এবং একটি বাইকেও ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে ডোমজুড় থানার পুলিশ।

    তৃণমূলের প্রাক্তন উপপ্রধানের বক্তব্য

    স্থানীয় (Howrah) তৃণমূল পঞ্চায়েতের প্রাক্তন উপপ্রধান অভিযোগ করেন, সিপিএম আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ভোটের আগে থেকেই গন্ডগোল পাকানোর চেষ্টা করছিল। গতকাল বিজয় মিছিলে যেমন হামলা হয়, তেমনি মিছিলের পর সন্ধ্যায় তৃণমূল কর্মীরা যখন রাস্তার ধারে বসে চা খাচ্ছিলেন, সেই সময় সিপিএম কর্মীরা পরিকল্পনামাফিক গন্ডগোল সংগঠিত করে। এরপর ইট দিয়ে আঘাত করে বেশ কয়েক জনকে। এরপরে বেশ কিছু তৃণমূল কর্মী আহত হন। তিনি আরও বলেন, দোষীদের বিরুদ্ধে যাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তার জন্য পুলিশের দ্বারস্থ হবে তৃণমূল।

    বিজয়ী তৃণমূল প্রার্থীর স্বামীর বক্তব্য

    স্থানীয় (Howrah) তৃণমূল পঞ্চায়েতের বিজয়ী সদস্যের স্বামী অবশ্য স্বীকার করেছেন, মিছিলে হামলা করে তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরাই। এর পিছনে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব কাজ করছে। ঘটনাস্থলে দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। চাপা উত্তেজনা থাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এলাকায়।

    সিপিএমের বক্তব্য

    এদিকে সিপিএমের পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী (Howrah) তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, আমি জিতলেও জোর করে তৃণমূল হারিয়ে দেওয়া দিয়েছে। চোরেরা ভোট চুরি করেছে। তিনি আরও বলেন, সিপিএম কেন হামলা করবে! এই ঘটনার পেছনে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: বিজয় মিছিল ঘিরে রণক্ষেত্র এলাকা, বাড়ি ভাঙচুর, বোমাবাজি, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    TMC: বিজয় মিছিল ঘিরে রণক্ষেত্র এলাকা, বাড়ি ভাঙচুর, বোমাবাজি, তৃণমূলের কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের ফল বের হওয়ার পর বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের (TMC) গোষ্ঠী প্রকাশ্যে চলে এল। একাধিক বাড়িতে ভাঙচুর করার পাশাপাশি বোমাবাজি করার ঘটনাও ঘটেছে। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদ জেলার রঘুনাথগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের সেকেন্দ্রা গ্রাম পঞ্চায়েতের খেজুরতলা মাঠপাড়া এলাকায়। গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে এক মহিলা সহ ১০ জন জখম হয়েছেন।

    কী কারণে হামলার ঘটনা ঘটেছে?

    রঘুনাথগঞ্জ-২ নম্বর ব্লকের সেকেন্দ্রা গ্রাম পঞ্চায়েতের খেজুরতলা মাঠপাড়া এলাকায় বরাবরই তৃণমূলের (TMC) দুটি গোষ্ঠী রয়েছে। এবার মহিউদ্দিন সেখকে তৃণমূলের প্রার্থী করা হয়। তাঁর অপর গোষ্ঠীর লোকজন তা মেনে নিতে পারেননি। তাঁকে হারানোর জন্য অপর গোষ্ঠীর লোকজন সবরকম চেষ্টা করেন। কিন্তু, বুধবার গণনা শেষ হতে দেখা যায়, মহিউদ্দিন সাহেব ভাল ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। এর পরই তাঁর অনুগামীরা এলাকায় বিজয় মিছিল বের করেন। সেই মিছিল শেষ হওয়ার পর দলীয় কর্মীরা নিজের বাড়ি চলে যান। আচমকা দলের অপর গোষ্ঠীর লোকজন বিজয় মিছিলে অংশগ্রহণকারী সকলের বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ি ভাঙচুরের পাশাপাশি বোমোবাজিও করা হয়। সোনার গয়না এবং লক্ষ লক্ষ টাকা লুট করা হয় বলে অভিযোগ। একাধিক মোটর বাইক, আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। বোমার আঘাতে একাধিক কর্মী জখম হন।

     কী বললেন আক্রান্ত এক তৃণমূল (TMC) কর্মী?

    বোমার আঘাতে তৈমুর হক নামে এক তৃণমূল (TMC) কর্মী জখম হন। তিনি বলেন, বিজয় মিছিল শেষ হওয়ার পর পাড়াতেই একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলাম। তখন ফোন করে হামলা চালানোর বিষয়টি জানানো হয়। আমি ছুটে ঘটনাস্থলে আসি। এসে দেখি এলাকায় ব্যাপক বোমাবাজি করা হয়েছে। আসলে ওরা আমাদের প্রার্থীকে হারানোর অনেক চেষ্টা করেছিল। সেটা করতে পারেনি। এরপর বিজয় মিছিল দেখার পরই ওরা এই হামলা চালিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের প্রথমে ধমক, রাজি না হলে বাড়ি-গাড়ির প্রলোভন!

    Paschim Medinipur: বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের প্রথমে ধমক, রাজি না হলে বাড়ি-গাড়ির প্রলোভন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম মেদিনীপুরে (Paschim Medinipur) পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করার জন্য বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের বাড়িতে গিয়ে ধমক দিচ্ছে তৃণমূলের নেতারা। শুধু তাই নয়, বোর্ড গঠনের জন্য বাড়ি-গাড়ি দেওয়ারও প্রলোভন দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। তৃণমূলের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনলেন বিজেপির বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়।

    কোথায় ঘটল ঘটনা (Paschim Medinipur)?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পরের দিন,পশ্চিম মেদিনীপুর (Paschim Medinipur) জেলার খড়্গপুর ১ নম্বর ব্লকের গোপালী বাজারে পৌঁছে যান খড়্গপুর সদরের বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। ১১ জন পঞ্চায়েত প্রার্থী ও একজন পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী জয়ী হওয়ায় স্থানীয় লোকেদের মধ্যে মিষ্টি বিতরণ করেন তিনি। ঠিক তার পরেই বোর্ড গঠনের জন্য তৃণমূল প্রলোভন দিচ্ছে বলে বিস্ফোরক হন বিজেপির এই বিধায়ক।

    কত আসন?

    গোপালী গ্রাম পঞ্চায়েতে (Paschim Medinipur) মোট আসন সংখ্যা ২৪ টি। তৃণমূল কংগ্রেসর ১১ জন প্রার্থী জয়ী হয়েছেন। বিজেপির জয়ী হয়েছেন ১১ জন প্রার্থী। আর রয়েছেন সিপিএমের ১ জন এবং নির্দলের ১ জন প্রার্থী।

    কেন প্রলোভন?

    নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর গ্রাম পঞ্চায়েত (Paschim Medinipur) এখন ত্রিশঙ্কু অবস্থায় রয়েছে। যে দল বোর্ড গঠন করুক না কেন, অন্য দল থেকে নিজেদের দলে ২ জন পঞ্চায়েত প্রার্থীকে যোগ দেওয়ার পরেই গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করতে পারবে। এছাড়াও গোপালীতে বিজেপির ১ জন পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থী জয়ী হয়েছেন বলে জানা গেছে।

    বিজেপি বিধায়কের অভিযোগ কী?

    খড়গপুর (Paschim Medinipur) সদরের বিজেপির বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, এখানকার কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেছিলাম। ফল প্রকাশ হওয়ার পর এখানে এসে আমরা সবাই শপথ নিলাম। চোরেদের বিরুদ্ধে লড়াই করে আমরা জয়ী হয়েছি। তৃণমূলের হার্মাদ বাহিনী গতকাল রাত থেকে বিজেপির জয়ী প্রার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভয় দেখাচ্ছে, হুমকি দিচ্ছে, প্রলোভন দেখাচ্ছে গাড়ি-বাড়ি-টাকা দেবে বলে। কিন্তু চোরেদের দলে আমরা যাব না। ওরাও ১১ টায় জয়ী হয়েছে, আমরাও ১১ টায় জয়ী হয়েছি। বোর্ড গঠনের জন্য আমাদের দল ভাঙতে ওরা এই পথ নিয়েছে। তাই আমাদের সচেতন থাকতে হবে। হিরণ আরও অভিযোগ করেন, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে! এটাই তো নির্বাচন কমিশনারের চরিত্র। প্রতিদিন সন্ধ্যাবেলা হলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইয়ের সঙ্গে উনি মদ্যপান করতে বসে যান। এই নির্বাচন কমিশনার কী করবে! পা চাটবে। এই কমিশনার কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ভোটে কাজে লাগায়নি‌।

    উল্টো দিকে এই অভিযোগকে অস্বীকার করেছে তৃণমূল। তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব অজিত মাইতি বলেন, বিজেপির এই অভিযোগ ভিত্তিহীন। পালে হাওয়া নেই, তাই এমন অভিযোগ তুলছেন বিধায়ক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: জয়ী বিজেপিকে হারিয়ে তৃণমূলকে জিতিয়েছে বিডিও, অভিযোগে সরব দেবশ্রী

    Uttar Dinajpur: জয়ী বিজেপিকে হারিয়ে তৃণমূলকে জিতিয়েছে বিডিও, অভিযোগে সরব দেবশ্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) গণনা কেন্দ্রে কারচুপি করে বিজেপির জেতা প্রার্থীদের হারিয়ে তৃণমূল প্রার্থীদের জেতানো হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই সঙ্গে গণনা কেন্দ্রে অস্বচ্ছতার অভিযোগ এনে রায়গঞ্জ পলিটেকনিক কলেজের গণনা কেন্দ্রে বিডিও-র অস্থায়ী কার্যালয়ে বিক্ষোভ দেখাল বিজেপি নেতৃত্ব। বিক্ষোভে উপস্থিত ছিলেন সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরি এবং জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার।

    গণনা কেন্দ্রে কী হয়েছে (Uttar Dinajpur)?

    বুধবার রায়গঞ্জের (Uttar Dinajpur) সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী, জেলা বিজেপি সভাপতি বাসুদেব সরকার, বিজেপি প্রার্থীরা বিডিও-র অস্থায়ী কার্যালয়ে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। ছুড়ে ফেলা হয় টেবিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে রায়গঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই বিক্ষোভের ঘটনায় রায়গঞ্জের বিডিও শুভজিৎ মণ্ডল আহত হন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে। আপাতত তাঁকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বিজেপি সাংসদ কী বললেন?

    রায়গঞ্জের (Uttar Dinajpur) সাংসদ দেবশ্রী চৌধুরী বলেন, জেলার প্রতিটি গণনা কেন্দ্রে সারা রাত ধরে তৃণমূল কারচুপি করেছে এবং তাতে মদত দিয়েছে প্রশাসনিক কর্তারা। তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের গণনা কেন্দ্রের ভেতরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয় বলে তিনি অভিযোগ করেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে কার্যত বসিয়ে রাখা হয়েছিল। বিজেপির জেতা প্রার্থীদের কমিশন ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা করে বসিয়ে রেখেছে। সার্টিফিকেট দেয়নি! বিডিও নিজের মতো ইচ্ছে করে পুনরায় গণনা করে তৃণমূলের প্রার্থীদের জয়ী করেছে। বিজেপিকে কারচুপি করে হারানো হয়েছে বলে দাবি করেন রায়গঞ্জের সাংসদ। এতে মদত দিয়েছে জেলার প্রশাসনিক কর্তারাই বলে অভিযোগ দেবশ্রী দেবীর। পাশাপাশি গণনা কেন্দ্রে এই কারচুপির বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এই বিজেপি নেত্রী।

    বিডিও-র বক্তব্য

    অপরদিকে, রায়গঞ্জের বিডিও শুভজিৎ মণ্ডল বলেন, গণনা প্রক্রিয়ার কাজ চলাকালীন কিছু বোঝার আগেই তাঁর ওপরে চড়াও হয়। চেয়ার টেবিল ছুড়ে মারা হয় বলে জানান তিনি। এই নিয়ে গণনা কেন্দ্রে তীব্র উত্তেজনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share