Tag: tmc

tmc

  • Hooghly: পঞ্চায়েতের ফলাফল ঘোষণা হতেই হিংসা আরামবাগে, অনেক বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া

    Hooghly: পঞ্চায়েতের ফলাফল ঘোষণা হতেই হিংসা আরামবাগে, অনেক বিজেপি কর্মী ঘরছাড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরই তৃণমূলের সন্ত্রাস আরামবাগের (Hooghly) মলয়পুরের পূর্বপাড়া এলাকায়। মারধর, গাড়ি ভাঙচুর ও গুলি চালানোর অভিযোগও উঠেছে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। শাসক দলের দৌরাত্ম্যে ঘরছাড়া বহু বিজেপি কর্মী। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুরো ঘটনায় এলাকায় (Hooghly) দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এরপর আরামবাগ থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। এই ঘটনার জেরে এখনও এলাকায় চাপা উত্তেজনা রয়েছে। এলাকায় চলছে পুলিশি টহল। এলাকার লোকজন বলছেন, সিপিএমের আমলে যে ঘটনা ঘটত, তৃণমূলের জমানায় তার কোনও পরিবর্তন হল না!

    আরামবাগের (Hooghly) ফলাফল কেমন?

    আরামবাগের (Hooghly) মলয়পুর ১ নং গ্রাম পঞ্চায়েতের মোট আসন সংখ্যা ১৭টি। এর মধ্যে বিজেপির দখলে ৮টি আসন এবং বাকি ৯টি দখল করেছে তৃণমূল। তবে মলয়পুরের পূর্বপাড়া বুথে এবারে জয়ী হয়েছে বিজেপি। বিজেপির অভিযোগ, ফলাফল ঘোষণার পর অনেক বিজেপি কর্মীকে ঘরছাড়া করেছে তৃণমূল। শাসক দলের সন্ত্রাসে ভীত এলাকাবাসী।

    বিজেপির বক্তব্য

    আরামবাগের (Hooghly) বিজেপির বিধায়ক মধুসূদন বাগ বলেন, তৃণমূলের লোকজন বহিরাগত দুষ্কৃতীদের নিয়ে এলাকায় অশান্তি করতে এসেছিল। আর তাই গ্রামের মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে! ভারতীয় জনতা পার্টির সঙ্গে হিংসার কোনও সম্পর্ক নেই। বিজেপির বিধায়ক বলেন, তৃণমূলের সন্ত্রাসে আমাদের অনেক বিজেপি কর্মীরা ঘরছাড়া হয়ে আছেন। শাসক দল যেখানে যেখানে জয়ী হয়েছে, সেখানে সেখানে তীব্র সন্ত্রাস চলছে। 

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের পাল্টা দাবি, বিজেপিই হামলা চালিয়েছে। দুষ্কৃতীদের প্রত্যেকের হাতে ধারালো অস্ত্র, লাঠিসোটা, বন্দুক ছিল। এমনকী জেলার সহ সভাপতির গাড়ির উপর হামলা চালানো হয়। ভাঙচুর করা হয় তাঁর গাড়ি। অন্যান্য তৃণমূল কর্মীদের পিছনে ছুটে ধাওয়া করে দুষ্কৃতীরা। কোনও রকমে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয় সকলে। তৃণমূল প্রার্থী (Hooghly) শ্যামসুন্দর কোয়ালের বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছে। বেধড়ক মারধর করা হয় তৃণমূল প্রার্থীর বাবা নিমাই কোয়ালকে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Uttar Dinajpur: মেয়ে নির্দল প্রার্থী! গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে গিয়ে পুলিশের লাঠি খেলেন তৃণমূল বিধায়ক

    Uttar Dinajpur: মেয়ে নির্দল প্রার্থী! গণনা কেন্দ্রে ঢুকতে গিয়ে পুলিশের লাঠি খেলেন তৃণমূল বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরে (Uttar Dinajpur) নিজের মেয়ে নির্দল প্রার্থী। তার হয়ে গণনা কেন্দ্রে ঢোকার সময় পুলিশি বাধার মুখে চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমান। পুলিশি লাঠিচার্জের অভিযোগ। ঘটনায় গুরুতর আহত চোপড়ার এই তৃণমূল বিধায়ক। অবৈধ জমায়েত ও জোর পূর্বক গণনা কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টার কারণে পুলিশ লাঠিচার্জ করে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুর মহকুমার ইসলামপুর হাই স্কুল প্রাঙ্গণে।

    কেন ঢুকতে চেয়েছিলেন বিধায়ক (Uttar Dinajpur)?

    উল্লেখ্য, উত্তর দিনাজপুর (Uttar Dinajpur) জেলা পরিষদের চার নম্বর আসনে ইসলামপুরের বিদ্রোহী বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরী সমর্থিত নির্দল প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চোপড়ার তৃণমূল বিধায়ক হামিদুল রহমানের মেয়ে আর্জুনা বেগম। মঙ্গলবার গভীর রাতে ইসলামপুর হাই স্কুলে গণনা কেন্দ্রে জমায়েত করেছিলেন বিধায়ক হামিদুল রহমান সহ তাঁর অনুগামীরা। জানা গেছে, গণনা কেন্দ্রে প্রবেশের সময় বিপুল পরিমাণ লোকজন থাকায় পুলিশ প্রবেশে বাধা দেন। সেই সময় পুলিশের সাথে বচসায় জড়িয়ে পড়ে হামিদুল রহমান সহ তাঁর অনুগামীরা। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

    পুলিশের বক্তব্য

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জোরপূর্বক গণনা কেন্দ্রে প্রবেশের চেষ্টা করলে পুলিশ প্রথমে বাধা দেয় এবং পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশের মারে আহত হন খোদ বিধায়ক সহ তাঁর বেশ কয়েকজন অনুগামীরা। তাঁদের তড়িঘড়ি ইসলামপুর (Uttar Dinajpur) মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। বিধায়ক সহ ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে এলাকা জুড়ে।

    বিধায়কের বক্তব্য

    যদিও বিধায়ক হামিদুল রহমানের (Uttar Dinajpur) অভিযোগ, “ইসলামপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে বিনা প্ররোচনায় তার অনুগামীদের ওপরে চড়াও হয় পুলিশ এবং লাঠিচার্জ করে।” তবে গোটা ঘটনায় তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলকেই দায়ী করছে রাজনৈতিক মহল। ঘটনাস্থলে মোতায়েন রয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী সহ কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।

    প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    গণনার দিন মঙ্গলবার এই ঘটনা ঘটলে পরের দিন বুধবার সকালে বিধায়ক হামিদুল রহমান সহ তাঁর অনুগামীদের ওপরে পুলিশি লাঠিচার্জের প্রতিবাদে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলের একাংশ। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মীদের উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে চোপড়ার ৩১ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। বিধায়ক সহ তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের শিলিগুড়িতে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ জাতীয় সড়ক অবরোধের ফলে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে চোপড়া থানার পুলিশ। পুলিশি আশ্বাসে প্রায় দুই ঘন্টা পরে অবরোধ তুলে নেয় স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • South 24 Parganas: গণনার দিনেও উত্তপ্ত রায়দিঘি, প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর

    South 24 Parganas: গণনার দিনেও উত্তপ্ত রায়দিঘি, প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট শেষেও জারি মৃত্যু মিছিল। ভোট পরবর্তী হিংসায় দুষ্কৃতীদের আক্রমণে এবার প্রাণ গেল দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) আরও এক তৃণমূল কর্মীর। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণার পর থেকেই দুষ্কৃতীদের তাণ্ডবে রক্ত ঝরেছে সারা পশ্চিমবঙ্গে। এই নির্বাচনে অবশ্য সবচেয়ে বেশি রক্ত ঝরেছে শাসক দলেরই। এই আবহে ফের আরও এক শাসক দলের কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠল।

    কোথায় খুনের ঘটনা ঘটল (South 24 Parganas)?

    দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) রায়দিঘি বিধানসভার কাশীনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের চাঁদপাশা গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। মৃতের নাম বিপ্লব হালদার। জানা গিয়েছে, বিপ্লবের বুথে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হন। এরপরই দুষ্কৃতীরা এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূলের অভিযোগ, দুই দলের সংঘর্ষের আবহে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বিপ্লবকে কুপিয়ে খুন করে। যদিও খুনের ঘটনা অস্বীকার করেছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির বক্তব্য, তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে সংঘর্ষেই খুন হন এই তৃণমূল কর্মী। ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। বিপ্লবের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে খুন হয়েছিল বাসন্তীতেও

    এর আগে ভোটগ্রহণ চলাকালীন দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) বাসন্তীতে প্রাণ হারিয়েছিলেন এক ভোটার। মৃত ব্যক্তির নাম আনিসুর রহমান। দাবি করা হয়, তিনি তৃণমূল প্রার্থীর আত্মীয়। বোমার আঘাতে প্রাণ হারান তিনি। উল্লেখ্য, যুব ও তৃণমূলের মূল সংগঠনের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে এর আগেও বাসন্তীর মাটি রক্তে লাল হয়েছিল। সেখানে গিয়েছিলেন রাজ্যপাল নিজে। ভোটের দিনও রক্তাক্ত হয় বাসন্তী! যদিও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উড়িয়ে দেয় ঘাসফুল শিবির। এবার ভোটপর্বের সময়ই বাংলার মোট ৪২ জনের প্রাণ গিয়েছে। ভোটের দিন মারা গিয়েছিলেন ১৬। ভোটের দিনের হিংসায় জখম আরও দুই ব্যক্তি মারা যান পরে। আর এবার ভোট পরবর্তী হিংসার বলি আরও এক তৃণমূল কর্মী। অপর দিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমাতেও দুষ্কৃতীদের তাণ্ডব চলল।

    পাথরপ্রতিমায় বাড়িতে ঢুকে হামলা

    ভোট শেষেও হিংসা অব্যাহত জেলার বিভিন্ন জায়গায়। পাথরপ্রতিমায় (South 24 Parganas) তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে পাথরপ্রতিমার পূর্বশ্রীধর নগর বালিখালপাড়া এলাকায়। স্থানীয় তৃণমূল জানায়, মঙ্গলবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী অর্ধেন্দু ভূঁইয়া সহ একাধিক তৃণমূল কংগ্রেসের বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায় বিজেপির দুষ্কৃতীরা। তারা বাঁশ, রড থেকে শুরু করে একাধিক অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয়। আর তার ফলেই তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী অর্ধেন্দু ভূঁইয়া সহ ৮ থেকে ৯ জন কর্মী গুরুতর আহত হয়। আহত অবস্থায় পাথরপ্রতিমা গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন চিকিৎসকেরা। অন্যদিকে এই ঘটনার দায় অস্বীকার করা হয়েছে বিজেপির পক্ষ থেকে। বিজেপির অভিযোগ, যুব তৃণমূল এবং মাদার তৃণমূলের সংঘর্ষের কারণেই এই হিংসার ঘটনা ঘটে। তবে এই ঘটনায় পাথরপ্রতিমা থানা অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। গোটা বিষয়ের তদন্ত শুরু করেছে পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ।

    বিজেপির বক্তব্য

    মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার বিজেপির সভাপতি প্রদ্যুৎ কুমার বৈদ্য বলেন, তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের ফলেই রায়দিঘিতে মৃত্যু হয়েছে। বিজেপি বুথে জিতলেও আমরা কোনও হিংসার আশ্রয়কে বিশ্বাস করি না। তিনি আরও বলেন, পাথরপ্রতিমাতে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ প্রতিরোধ হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Poll: গণনার দিনও অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, গুলিতে মৃত ৩ আইএসএফ কর্মী, গুলিবিদ্ধ পুলিশ আধিকারিক

    Panchayat Poll: গণনার দিনও অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, গুলিতে মৃত ৩ আইএসএফ কর্মী, গুলিবিদ্ধ পুলিশ আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন (Panchayat Poll) থেকেই উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়। দফায় দফায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। এবার গণনার দিনও অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠল ভাঙড়। গণনা কেন্দ্রের বাইরে পুলিশ ও আইএসএফের মধ্যে ব্যাপক বোমা ও গুলির লড়াইকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। গণ্ডগোলে তিনজন আইএসএফ কর্মীর গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এক পুলিশ আধিকারিক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম হাসান আলি মোল্লা, রাজু মোল্লা, রেজাউল গাজি। হাসান, রাজু এলাকায় চিনে পুকুর এলাকায় থাকত। আর রেজাউল থাকত ভোগালি-১ পঞ্চায়েত এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    মঙ্গলবার রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অশান্তি বাড়তে থাকে এলাকায়। সূত্রের খবর, ভাঙড়ে ততক্ষণে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Poll) জেলা পরিষদের একটি আসনের ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। বাকি দুটি আসনের ফল ঘোষণা বাকি রয়েছে। গণনা চলছিল জেলা পরিষদ আসনের। জানা গিয়েছে, একটি আসনে আইএসএফ এগিয়েছিল। সেই আসনে তৃণমূল জয়ী ঘোষণা করার পর পরই আইএসএফ কর্মীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। আচমকাই ভাঙড়ের কাঁঠালিয়া স্কুলের বাইরে ঘিরে ফেলে আইএসএফরা। এই স্কুলেই গণনা চলছিল। সেই গণনা কেন্দ্র লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়তে থাকে তারা। পাল্টা তাদেরকে হটাতে পুলিশের পক্ষ থেকে টিয়ার গ্যাসের শেল, রাবার বুলেট ফাটানো হয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পুলিশ ও আইএসএফের মধ্যে খণ্ড যুদ্ধে বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন। তিনজন আইএসএফ কর্মীর মৃত্যু হয়। এক পুলিশ কর্তাও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে সূত্রের খবর। সব মিলিয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি ভাঙড় ২ ব্লক জুড়ে। এই ব্লকের মোট ১৯ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে তৃণমূল ১৮ টি পঞ্চায়েত দখল করলেও ১ টি পঞ্চায়েত দখল করেছে আইএসএফ ও জমি কমিটির জোট।

    কী বললেন আইএসএফ নেত্রী?

    আইএসএফ নেত্রী রেশমা খাতুনের অভিযোগ, ভোটের দিন (Panchayat Poll) থেকেই তৃণমূলকে সাহায্য করছে প্রশাসন। আমাদের জেলা পরিষদের এক প্রার্থী জাহানারা খাতুন পাঁচ হাজার ভোটে এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু, রাত সাড়ে বারোটার সময় বিডিও জানিয়ে দেন সে ৩৬০ ভোটে হেরেছে। আইএসএফের দাবি, পুলিশ ও তৃণমূল সেটিং করে তাদেরকে হারিয়ে দিচ্ছে। তাঁরা এই সিটে পুনরায় গণ্নার দাবি জানান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ভাঙড়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর গড়ে গেরুয়া ঝড়, আবির মেখে উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মীদের

    Purba Medinipur: নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর গড়ে গেরুয়া ঝড়, আবির মেখে উচ্ছ্বাস বিজেপি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুভেন্দুর বিধানসভা (Purba Medinipur) কেন্দ্রে দুটি ব্লকের ১৭ টি অঞ্চলের মধ্যে দশটি অঞ্চলে জয় বিজেপির। আর বাকি সাতটি অঞ্চল তৃণমূলের দখলে গেল। নন্দীগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় খেলা হল গেরুয়া আবির। নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ফলাফলের পর এলাকায় জয়ের তীব্র উত্তেজনা দেখা গেল।

    নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) ফলাফল কেমন হল বিজেপির?

    ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটে ১৯৫৬ ভোটে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। ৮ই জুলাই ভোটের দিন নন্দীগ্রামের (Purba Medinipur) বিভিন্ন জায়গায় সন্ত্রাসের খবর উঠে আসছিল বিরোধীদের মুখে। নন্দীগ্রামে ১০ই জুলাই পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তার পরেই মঙ্গলবার সকাল থেকে থমথমে পরিবেশ ছিল নন্দীগ্রামে। নন্দীগ্রাম বিধানসভার দুটি ব্লক। নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লক ও রিয়াপাড়া ব্লক। নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লকে দশটি অঞ্চল এবং রেয়াপাড়া ব্লকে ৭ টি অঞ্চল। নন্দীগ্রাম ১ নং ব্লকে ১০ টি অঞ্চলের মধ্যে ৫ টি অঞ্চল তৃণমূলের দখলে ও বিজেপি বাকি ৫ টি অঞ্চল দখল করে। রেয়াপাড়া ব্লকের ৭ টি অঞ্চলের মধ্যে তৃণমূল ২ টি অঞ্চল ও বিজেপি ৫ টি অঞ্চল দখল করেছে। নন্দীগ্রাম ১ নং ব্লকে হরিপুর অঞ্চলে খাতা খুলতে পারল না তৃণমূল। এখানে ১৫ টি আসনের মধ্যে ১৫ টিই বিজেপির দখলে।

    অন্য দিকে কাঁথিতেও জয়ী বিজেপি

    অপর দিকে পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) কাঁথিতেও উড়ল গেরুয়া আবির। কাঁথি ১ নং ব্লকের ৬ টি গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করেছে বিজেপি। তাই জয়ের পরেই শান্তিকুঞ্জের সামনে অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির সামনে বিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা গেরুয়া আবির মেখে উল্লাসে মেতে ওঠে। সবার মুখেই একটাই কথা ‘শুভেন্দু ম্যাজিক’ কাজে লেগেছে। রাজ্যের মন্ত্রী অখিল গিরির রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি পাঁচটি অঞ্চল দখল করেছে। এখন দেখার বিষয় জেলার ২৫ টি পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ কার দখলে যায়!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: “দাদা আমাকে বাঁচান”, নিশীথ প্রামাণিকের পা জড়িয়ে অঝোরে কান্না বিজেপি প্রার্থীর

    Cooch Behar: “দাদা আমাকে বাঁচান”, নিশীথ প্রামাণিকের পা জড়িয়ে অঝোরে কান্না বিজেপি প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিতাই ব্লকে (Cooch Behar) কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের পা জড়িয়ে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বিজেপি প্রার্থী। ওই মহিলা বললেন, তাঁর বাড়ি ভেঙে দেওয়া হতে পারে। বোমা মারার হুমকিতে আতঙ্কে আছেন তিনি। ফলাফল ঘোষণার পর এইভাবেই মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন ওই বিজেপি প্রার্থী। ভোটে হেরেছেন। তার জন্য তৃণমূলকে দিতে হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা জরিমানা। না হলে মেয়েকে তুলে নিয়ে যাবে তৃণমূলের গুন্ডারা। এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।

    কেন পায়ে ধরে সুরক্ষা চাইলেন (Cooch Behar)?

    সিতাই বিধানসভার (Cooch Behar) ৬/১০৪ নম্বর বুথে বিজেপির মহিলা প্রার্থী ছিলেন বিউটিবালা দাস। নির্বাচনে কারচুপি করে তাঁকে হারানো হয়েছে। আর এর পর থেকেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে ব্যাপক হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের পা জড়িয়ে ধরে আশ্রয় চান তিনি! প্রার্থী বলেন, দাদা আমাকে বাঁচান! মন্ত্রীর পায়ে ধরে মাটিতে লুটিয়ে পড়লেন এই বিজেপি প্রার্থী। প্রার্থী আশঙ্কা করছেন, নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পর বাড়িতে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা হামলা করবে। বাড়িঘর ভাঙচুর করবে! ইতিমধ্যেই লুটপাটের হুমকি আসছে বলে অসহায় হয়ে আশ্রয় চাইলেন। প্রার্থী আরও বলেন, গণনা কেন্দ্রে আমাদের না ডেকেই গণনা করা হয়েছে। একতরফা আমদের ঢুকতে না দিয়ে জোর করে নিজেদের জয়ী বলে ঘোষণা করেছে তৃণমূল। মন্ত্রী পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। এমনকি তিনি আরও জানান, যদি মন্ত্রী তাঁর পাশে না দাঁড়ান, তাহলে তাঁর আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোনও উপায় থাকবে না। যদিও দলীয় প্রার্থীর মুখে এমন আর্তনাদ শুনে তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক।

    কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বক্তব্য

    এত সন্ত্রাসের পরে এই ফল! সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Cooch Behar) বলেন, এত সন্ত্রাসের চোখ রাঙানি, বোমা-বারুদ, মারামারি-হানাহানি-লড়াইয়ের মধ্যেও মানুষ ঘর থেকে বেরিয়ে লড়াইতে নেমেছেন, এটা কম বড় বিষয় নয়। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে জয়-পরাজয় বড় কথা নয়। কিন্তু সাহস দেখিয়ে চোখে চোখ দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করাটাই আসল কথা। তৃণমূল যেখানে যেখানে ছাপ্পা মেরেছে, সেখানে সেখানে জয়ী হয়েছে। প্রশ্ন করা হয়, ছাপ্পা হবে বুঝতে পেরে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কেন প্রতিরোধ করতে পারল না বিজেপি? উত্তরে নিশীথ বলেন, যেখানে পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে সন্ত্রাস করে, সেখানে সাধারণ মানুষ কীভাবে লড়াই করবে! প্রশাসন দুষ্কৃতীদের প্রত্যক্ষ মদত দেয়, বিরোধীদের মিথ্যা কেসে তুলে নিয়ে যায়। তৃণমূলের গুন্ডাদের সঙ্গে লড়াই সম্ভব। কিন্তু পুলিশের সঙ্গে লড়াই কী করে সম্ভব? সুতরাং তৃণমূলের শাসন শেষ না হলে এই ব্যবস্থার বদল ঘটবে না। তিনি আরও বলেন, আগামী লোকসভার ভোটে তৃণমূল ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: জয়ী নির্দলকে হারাতে ব্যালট পুকুরে ফেলে দিল তৃণমূলের দুষ্কৃতী

    North 24 Parganas: জয়ী নির্দলকে হারাতে ব্যালট পুকুরে ফেলে দিল তৃণমূলের দুষ্কৃতী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন জেলা জুড়ে অনেক জায়গায় ব্যালট বাক্স তুলে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু এবার গণনার পর পুনরায় গণনা করতে গেলে তৃণমূলের এজেন্ট ব্যালট নিয়ে ফেলে দিল পুকুরে। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় অশোকনগর (North 24 Parganas) বয়েজ স্কুলের গণনা কেন্দ্রে।

    কীভাবে ঘটল এই মারাত্মক ঘটনা (North 24 Parganas)?

    এবার গণনা কেন্দ্রের ভিতর থেকে ব্যালট পেপার নিয়ে পালাল তৃণমূলের এক দুষ্কৃতী। সরাসরি ব্যালট পেপার নিয়ে দৌড়ে ঝাঁপ দিল পাশের পুকুরে‌। এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল অশোকনগর বয়েজ সেকেন্ডারি স্কুলের গণনা কেন্দ্রে। ভুরকুন্ডা (North 24 Parganas) পঞ্চায়েতের ১৮ নম্বর বুথে তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন, নির্দল প্রার্থী শওকত মণ্ডলের কাছে হেরে যান। কিন্তু গণনায় ভুল হয়েছে বলে দাবি করে দ্বিতীয়বার গণনা করতে বলেন তৃণমূল প্রার্থী। এরপর গণনা শুরু হতেই ব্যালট পেপার নিয়ে পাশের পুকুরে ফেলে দেয় তৃণমূল প্রার্থীর এজেন্ট মুন্না মণ্ডল। এরপর এই নিয়ে গণনা কেন্দ্রের বাইরে শুরু হয় বিক্ষোভ। সিপিআইএম ও আইএসএফ কর্মীরাই ব্যালট পেপারওগুলো উদ্ধার করেন। জয়ী নির্দল প্রার্থী অবশ্য সিপিএম, আইএসএফের সমর্থনে প্রার্থী হয়েছিলেন। নির্দলের জয় আটকাতে ব্যালট ফেলা হল পুকুরে। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করল নির্দল প্রার্থী।

    নির্দল প্রার্থীর বক্তব্য

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) ভরকুন্ডা পঞ্চায়েতের পুমলিয়া ১৮ নম্বর বুথে নির্দল প্রার্থী আম চিহ্নে দাঁড়িয়ে ছিলেন। আম চিহ্নের নির্দল প্রার্থীর সওকাত মণ্ডল বলেন, গণনার শেষে তাঁর জয় নিশ্চিত হতেই পুনরায় গণনার দাবি তোলে তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন ও তাঁর অনুগামীরা। এরই মধ্যে ব্যালট পেপার ছিনতাই করে একটি পুকুরে ছুড়ে ফেলা হয়।

    স্থানীয়দের বক্তব্য

    স্থানীয় (North 24 Parganas) এক ব্যক্তি আতাউর রহমান জানিয়েছেন, এক যুবক দৌড়ে এসে আমাকে ধাক্কা মেরে ব্যালট পেপারগুলিকে পুকুরে ছুড়ে ফেলে। যে ফেলেছিল তার হাতে অনেকগুলি ব্যালট পেপার ছিল। অনেকেই ধরার জন্য চিৎকার করেছিল, কিন্তু ধাক্কা মারায় আমি ধরতে পারিনি। অপর আরেকজন স্থানীয় সালাম মণ্ডল বলেন, আম প্রার্থী জিতে গিয়েছিল। কিন্তু তৃণমূল ব্যালট নিয়ে পুকুরে ফেলে দেয়। তিনি আরও বলেন, যে ছেলেটা ব্যালট ফেলেছে পুকুরে, তাকে পরে ধরলেও সে আবার পালিয়ে যায়। পরে অবশ্য জল থেকে উদ্ধার করা হয় ব্যালট গুলোকে।

    এছাড়াও আইএসএফ প্রার্থীকে বেরাবেরি পঞ্চায়েতের ৫৬ /৫৭ নম্বর বুথে বুথের গণনা কেন্দ্র থেকে টেনে হিচঁড়ে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল। কিন্তু নিঃশ্চুপ প্রশাসন।  ভোট গণনার সময় কেন্দ্র থেকে টেনে বের করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। প্রশাসন নিজেরাই সরে গেছে, পুলিশের কোনও খোঁজ নেই গণনা কেন্দ্রে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: ভাঙড়ে আরাবুলের খাস তালুকে হারল তৃণমূল, উচ্ছ্বাস জমি কমিটির

    South 24 Parganas: ভাঙড়ে আরাবুলের খাস তালুকে হারল তৃণমূল, উচ্ছ্বাস জমি কমিটির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাঙড়ে নিজের খাস তালুকে হারলেন তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলাম। হারের পর ভাঙড়ের গণনা কেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন তিনি। ভাঙড়ের পোলেরহাট (South 24 Parganas) দুই নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত ছাতছাড়া হল তৃণমূলের। গতবারের পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল জমি কমিটি। উচ্ছ্বাস জমি কমিটির কর্মীদের মধ্যে।

    কীভাবে হারল তৃণমূল (South 24 Parganas)?

    ভাঙড়ের পোলেরহাট (South 24 Parganas) ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে হারল তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে জয় পেল জমি কমিটির প্রার্থী। জয়ের প্রবণতা স্পষ্ট হতেই গণনা কেন্দ্র ছাড়েন আরাবুল ইসলাম। পোলেরহাট ২ নম্বর অঞ্চলে হার হয়েছে বলে স্বীকারও করে নেন তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল। পোলেরহাট ২ নম্বর পঞ্চায়েতে এবার আসন সংখ্যা বেড়ে হয়েছিল ২৪। সব আসনেই এবার প্রার্থী দিয়েছিল জমি কমিটি। পঞ্চায়েত সমিতিতে তিনটি এবং জেলা পরিষদের একটি আসনেও মনোনয়ন দাখিল করেছিল জমি কমিটি।

    জয় জমি কমিটির

    ২০১৬ সালে ভাঙড়ে (South 24 Parganas) পাওয়ার গ্রিড বিরোধী আন্দোলনের সময় তৈরি হয়েছিল জমি, জীবিকা ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষা কমিটি বা জমি কমিটি। গতবারও পঞ্চায়েত ভোটে লড়াই করেছিল তারা। তাদের মনোনয়নপত্র পেশে বাধা দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। তারপর হাইকোর্টের হস্তক্ষেপে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন জমি কমিটির সদস্যরা। এবার অবশ্য তেমন অভিযোগ ওঠেনি। সংবাদ মাধ্যমে কমিটির যুগ্ম সম্পাদক মির্জা হাসান বলেছিলেন,’ প্রথম দিন বাধা দিতে চেয়েছিল তৃণমূল। কিন্তু আমরা বলেছিলাম, আমাদের উপরে হামলা হলে পাওয়ার গ্রিডই অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেব।’ ২০১৮ সালেও পোলেরহাটে দাপট দেখিয়েছিল জমি কমিটি। সেবার পোলেরহাট ২ পঞ্চায়েতের ১৬টি আসনের মধ্যে তৃণমূল বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৮টি আসনে জিতেছিল। বাকি ৮টিতে জমি কমিটির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়েছিল। তার মধ্যে পাঁচটি আসন পেয়েছিল জমি কমিটি। তৃণমূল জিতেছিল ৩টি আসনে। তৃণমূল ১৬টির মধ্যে ১১টি আসন জিতলেও পঞ্চায়েত অফিসে কার্যত ঢুকতে পারেননি জয়ীরা। প্রধান, উপ প্রধানদের পঞ্চায়েত অফিসে ঢোকার সময় বাধা দিয়েছিল জমি কমিটির সদস্যরা।

    পিছনে কি আইএসএফ?

    ২০১৮ সালের সঙ্গে এবার অনেকটাই ফারাক রয়েছে। কারণ ২০২১ সালে ভাঙড়ে জয়লাভ করেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। তারপর থেকে ভাঙড়ে (South 24 Parganas) দাপট বেড়েছে আইএসএফের। এবারও ভাঙড়ে মনোনয়নপত্র পেশ ঘিরে তৃণমূলের সঙ্গে সংঘর্ষ বেধেছিল আইএসএফের। তার ফলে জমি কমিটির সঙ্গে তৃণমূলের বিবাদ আর নেই। কিন্তু পঞ্চায়েত ভোটের ফল বলছে, পোলেরহাটে এখনও জমি কমিটির একটা বড় সমর্থন রয়েছে।

    প্রক্তন বিধায়কের বক্তব্য?

    তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক আরাবুল ইসলাম বলেন, ভাঙড় কেন্দ্রে জিতেছি। কিন্তু পোলেরহাটে (South 24 Parganas) হেরেছি। আমাদের ৭জন প্রার্থী মাত্র ৫, ৭, ১০টি করে ভোটে হেরেছে। দেখা যাক কী হয়!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: পিছিয়ে থাকায় গণনা কেন্দ্রে ঢুকে ব্যালট বক্সে জল ঢেলে দিলেন তৃণমূল প্রার্থী!

    Cooch Behar: পিছিয়ে থাকায় গণনা কেন্দ্রে ঢুকে ব্যালট বক্সে জল ঢেলে দিলেন তৃণমূল প্রার্থী!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের দিন ব্যালট বাক্সে জল ঢেলে দেওয়া, বাক্স লুট করা এবং আগুন জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনা প্রচুর ঘটেছিল। ঠিক একই ভাবে গণনার দিনেও কোচবিহারের (Cooch Behar) ফলিমারি জিপির ৪/৪১ নম্বর গণনা কেন্দ্রের ভিতরে ঢুকে ব্যালটে জল ঢেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ করেলেন কাউন্টিং অফিসার রফিকুল ইসলাম। তীব্র চাঞ্চল্য গণনা কেন্দ্রে। 

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Cooch Behar)?

    গণনা কেন্দ্রে (Cooch Behar) গণনা চলাকালীন এক তৃণমূল প্রার্থী পিছন দিয়ে ঢুকে, গণনার টেবিলে রাখা ব্যালট বক্সে আচমকা জল এবং কালি ঢেলে সমস্ত ব্যালট নষ্ট করে দিয়েছেন বলে জানা যায়। গণনা কেন্দ্রে কীভাবে অনুমতি ছাড়া ঢুকে এই অপকর্ম হল! সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। সূত্রে জানা গেছে, গণনায় ওই বুথে বিজেপি অনেক এগিয়ে ছিল, কিন্তু সেই তুলনায় তৃণমূল অনেকটাই পিছনে ছিল। তৃণমূল ভোটে হারার ভয়ে এই অপকর্ম করেছে বলে পাল্টা অভিযোগ করে বিজেপি। সেই সঙ্গে যাঁরা গণনা করছেন তাঁদের পক্ষ থেকে বলা হয়, গণনা কেন্দ্র সুরক্ষিত নয়! কোনও নিরাপত্তা নেই। ভোট কর্মীরা এরপর নিরাপত্তা চেয়ে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। গণনা কেন্দ্রে নিরপত্তার অভাবেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে মনে করছেন ভোট কর্মীরা।

    কাউন্টিং অফিসারের বক্তব্য

    গণনা কেন্দ্রে (Cooch Behar) কাউন্টিং অফিসার রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার পিছন দিয়ে এক মহিলা তৃণমূল প্রার্থী এসে ব্যালট বক্সে জল ঢেলে দেন। সেই সঙ্গে ব্যালট বক্সে জলের পর কালি ঢেলে দিয়ে সব ব্যালট পেপারকে নষ্ট করে দেন। তিনি আরও বলেন, এই কেন্দ্রে কোনও পুলিশ নেই। আমরা যখন ঢুকি তখন আমাদের কত কিছু পরীক্ষা করে ঢোকানো হয়। আর গণনা শুরু হতেই বেপাত্তা পুলিশ। অত্যন্ত অসুরক্ষিত বোধ করছি!

    বিজেপির বক্তব্য

    বুথের (Cooch Behar) বিজেপির এজেন্ট জিতেন্দ্র চন্দ্র দাস বলেন, ৪১ নম্বর বুথে বিজেপি গণনায় অনেক এগিয়ে ছিল। একটি বাক্সে গণনায় দেখা যায় ১০০ টি ব্যালটের মধ্যে বিজেপি ৯৭ টা ভোট পেয়েছে। আর মাত্র ৩ টি ভোট তৃণমূল পেয়েছে। এই গণনায় তৃণমূলের হার বুঝেই তৃণমূল প্রার্থী হিংসার আশ্রয় নেয়। তিনি আরও বলেন, এই ভাবে জল ঢেলে মানুষের রায়কে আটকানো যাবে না। তৃণমূলের চরিত্র সবাই বুঝে গেছে।      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: গণনার দিনও ফিরল ভোটের সন্ত্রাস! জেলায় জেলায় আক্রান্ত বিরোধীরা

    Panchayat Vote: গণনার দিনও ফিরল ভোটের সন্ত্রাস! জেলায় জেলায় আক্রান্ত বিরোধীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গণনার দিনও বদল হল না বাংলার চিত্র। শাসক দলের লাগামছাড়া সন্ত্রাসের সাক্ষী থাকল জেলাগুলি। গণনা কেন্দ্রগুলি থেকে বিরোধীদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠল কমবেশি সব জায়গাতেই। কোথাও কোথাও তৃণমূলের বিরুদ্ধে গণনা কেন্দ্রের সামনে বোমাবাজির অভিযোগও এনেছে বিরোধীরা। সব মিলিয়ে শনিবারের পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Vote) সন্ত্রাসেরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে জেলায় জেলায়।

    ডায়মন্ড হারবারে সকাল থেকেই বোমাবাজির অভিযোগ বিরোধীদের

    গণনার শুরুতেই উত্তেজনার খবর আসতে থাকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার থেকে। এখানকার ফকির চাঁদ কলেজে সিপিএমের এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। গণনা কেন্দ্রের সামনে বোমাবাজি করে তৃণমূল, এমন অভিযোগ সিপিএম-বিজেপি নির্বিশেষে সব বিরোধীদেরই। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল। এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ সিপিএমের।

    পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরেও ব্যাপক উত্তেজনা

    পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের গণনা কেন্দ্রে ঢোকার মুখে বিরোধী প্রার্থীদের বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এজেন্টদের ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ বিজেপির নেতৃত্বের। প্রতিবাদে মেদিনীপুরে জেলাশাসকের দফতরে ধর্নায় বসেছে বিজেপি।

    হুগলির জাঙ্গিপাড়াতেও পরিস্থিতি ব্যাপক উত্তপ্ত

    হুগলির জাঙ্গিপাড়াতেও সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়ায় গণনাকে কেন্দ্র করে। জানা গিয়েছে, ডিএন হাইস্কুলের গণনা কেন্দ্র থেকে সিপিএম এবং আইএসএফের এজেন্টদের মারধর করে বার করে দেয় তৃণমূল। বিরোধী প্রার্থীদের গাড়ি ভাঙচুরেরও অভিযোগ করা হয়েছে। ফুরফুরা পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান তথা জেলা পরিষদের তৃণমূল প্রার্থী শামিম আহমেদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগ এনেছে বিরোধীরা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল। 

    হাওড়ার বাগনানেও সন্ত্রাসের অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে

    হাওড়ার বিভিন্ন এলাকায় গণনা কেন্দ্রে বিরোধী এজেন্টদের ঢুকতে না দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। তাঁদের মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে। সিপিএম নেতৃত্বের অভিযোগ, শাসকদল এবং প্রশাসন একসঙ্গে এই কাজ করছে। বাগনান, জগদীশপুর, আমতার বিভিন্ন এলাকায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত। বাগনানে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ করা হয় এদিন। থানার সামনে অবস্থান বামেদের।

    হাওড়ার ডোমজুড়ে শাসকদলের ওপর হামলার অভিযোগ

    হাওড়ার ডোমজুড়ে খোদ তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির প্রার্থীর ওপর হামলা। বাড়ি ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ সিপিএমের বিরুদ্ধে। তৃণমূল প্রার্থী শেখ সুলতানার অভিযোগ, তাঁর বাড়িতে সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চালায় একদল সিপিএম কর্মী। বাড়ি লক্ষ্য় করে ইট ছোড়া হয়। এমনকী প্রার্থীকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। যদিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে সিপিএম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share