Tag: tmc

tmc

  • WB Assembly Row: রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়া হয়নি শোভনদেবকে, তৃণমূলের অভিযোগের জবাবে কী বললেন বিধানসভার সচিব?

    WB Assembly Row: রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মর্যাদা দেওয়া হয়নি শোভনদেবকে, তৃণমূলের অভিযোগের জবাবে কী বললেন বিধানসভার সচিব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের আগেও, যে ঘরটায় বসতেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী, সেই ঘরটা এখনও অবধি তালাবন্দি (WB Assembly Row)। যদিও ইতিমধ্যেই শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে তৃণমূল পরিষদীয় দলের তরফে বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত করার কথা জানানো হয়েছে।

    বিধানসভার সচিবের বক্তব্য (WB Assembly Row)

    এহেন পরিস্থিতিতে আরটিআই করেছিলেন এই প্রবীণ তৃণমূল নেতা। এই বিষয়ে জবাব দিলেন বিধানসভার সচিব সৌমেন্দ্রনাথ দাস। তাঁর সাফ কথা, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে (Shovondeb Chattopadhyay) বিরোধী দলনেতা করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় নিয়ম মানেনি তৃণমূল কংগ্রেস।শোভনদেবের আরটিআইয়ের জবাবে সচিব মনে করিয়ে দেন, বিধানসভার ভেতরে অধ্যক্ষের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। তাঁর সিদ্ধান্তকে কোনওভাবেই চ্যালেঞ্জ করা যায় না। স্পিকার নির্বাচনের দিন শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতার প্রথাগত রীতি পালনের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল ঠিকই, তবে তার মানে এই নয় যে বিধানসভা কর্তৃপক্ষ পরবর্তীকালে তাঁর পদের সপক্ষে প্রয়োজনীয় কোনও নথি চাইতে পারবে না।

    ‘রেজুলিউশন কপি’ কোথায়?

    একটি চিঠি পেশ করে তিনি জানান, তৃণমূলের তরফে যে আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছিল, তার সঙ্গে বিধায়কদের কোনও ‘রেজুলিউশন কপি’ (সমর্থনপত্র) অ্যাটাচ করা ছিল না। তাই জানা যায়নি শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে দলের ঠিক কতজন বিধায়ক সমর্থন করছেন। একই ত্রুটি ছিল ফিরহাদ হাকিমকে চিফ হুইপ করার আবেদন পত্রের ক্ষেত্রেও। সচিবের বক্তব্য, এই আইনি ও প্রশাসনিক ত্রুটির কারণেই বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্র বসু নিয়ম মেনে (WB Assembly Row) দলীয় সিদ্ধান্তের রেজুলিউশন কপি চেয়েছিলেন। যদিও তা এখনও জমা দেওয়া হয়নি। বিধানসভার সচিব চিঠিটা দেখিয়ে বলেন, “এই চিঠির সঙ্গে কোনও রেজুলিউশন কপি যুক্ত ছিল না। শোভনদেবকে বিরোধী দলনেতা হিসাবে  ক’জন বিধায়ক তাঁর (Shovondeb Chattopadhyay) মত ব্যক্ত করেছেন, সেটা উল্লেখ নেই।” ফিরহাদ হাকিমকেও চিফ হুইপ করতে কতজন তাঁদের মতামত ব্যক্ত করেছেন, তারও উল্লেখ নেই। সেই কারণেই সমস্যা হচ্ছে বলে জানান বিধানসভার সচিব (WB Assembly Row)।

     

  • TMC: প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের কঙ্কালসার চেহারা! দলীয় কর্মসূচিতে গরহাজির সিংহভাগ বিধায়ক

    TMC: প্রকাশ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের কঙ্কালসার চেহারা! দলীয় কর্মসূচিতে গরহাজির সিংহভাগ বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার বিধানসভায় ধরা পড়ল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) কঙ্কালসার চেহারাটা! ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির কাছে গোহারা হেরে গিয়ে কালীঘাটের ঘরে সেঁধিয়ে গিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। বাকি ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভার সদস্য, বিধানসভার নন। এহেন দুই হেভিওয়েট ‘বন্দ্যোপাধ্যায়’ পর্দার আড়ালে চলে যাওয়ায় ফাঁপরে পড়েছেন ঘাসফুল প্রতীকে জয়ী বিধায়করা (MLAs Skip Protest Programme)। ২৯৪টি আসন রয়েছে বিধানসভায়। ভোট হয়েছে ২৯৩টিতে। বৃহস্পতিবার, ২১ তারিখে পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে। এই ২৯৩টির মধ্যে মাত্র ৮০টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন ঘাসফুলের প্রতিনিধিরা। বুধবার দলীয় কর্মসূচিতে দেখা গেল না তাঁদেরই ৪৬ জনকে। তার জেরে মাত্র আধঘণ্টার মধ্যেই নমো নমো করে কর্মসূচি সেরে পাততাড়ি গুটিয়ে পালাতে হল তৃণমূলকে।

    ‘ফ্লপ’ তৃণমূলের কর্মসূচি (TMC)

    ফেরা যাক খবরে। এদিন ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস, হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে বিধানসভার আম্বেডকর মূর্তির পাদদেশে অবস্থান-বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করেছিলেন তৃণমূল বিধায়করা। এই বিক্ষোভ কর্মসূচিতে দেখা গেল না তৃণমূলের ৮০ জন বিধায়কের অর্ধেকেরও বেশিকে। প্রশ্ন হল, কেন? এ প্রসঙ্গে বেলেঘাটার বিধায়ক তৃণমূলের কুণাল ঘোষ বলেন, “আমাদের পরিষদীয় দলের বৈঠক থেকে এই কর্মসূচিটা হয়েছে। আমরা সেটা ভাগ করে নিয়েছি (TMC)। কয়েকজন আমরা এখানে বসব, যাঁরা এলাকা সামলেও আসতে পারবেন। আবার বহু এলাকায় মানুষ ঘরছাড়া, যেখানে মানুষ এখনও বাড়িই ঢুকতে পারছেন না, থানার সঙ্গে কো-অর্ডিনেট করা দরকার, সেই বিধায়কদের বলা হয়েছে অবিলম্বে সেখানে চলে যেতে।”

    শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা তৃণমূলের!

    কুণাল বলেন, “মানুষের পাশে বসে না থেকে, সবাই এখানে থাকবেন? আবার এরকমও হতে পারে ক’দিন বাদে, তাঁরা এসে কোনও ইস্যুতে বসবেন, আমরা এলাকায় থাকব।” কুণালের শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বুঝতে পেরে বালিগঞ্জের বিধায়ক তৃণমূলের শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের অনেক নেতা-কর্মীকে কেস দেওয়া হচ্ছে। তাই বহু বিধায়কই এসব ঝামেলা সামাল দিতে গিয়ে আটকে পড়েছেন৷ বিভিন্ন কারণে দলের বিধায়করা ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন (MLAs Skip Protest Programme)৷ তাই অনেকে আসতে পারেননি৷” তিনি বলেন, “আমরা সবাই একসঙ্গেই আছি। এটা ভাবার কোনও কারণ নেই যে আমরা আলাদা আছি (TMC)৷”

    তৃণমূলে ভাঙন ধরছে…!!

    তবে, তৃণমূলের বিধায়করা যা-ই বলুন না কেন, বিধায়কের দলে অর্ধেকেরও বেশি সদস্যের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে তীব্র জল্পনা। অনেকেই আশঙ্কা করছেন, এবার কি তৃণমূলে বড়সড় ভাঙন ধরতে চলেছে? বিজেপির দাবি, নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের ভিতরে অসন্তোষ বাড়ছে। অনেক বিধায়কের অনুপস্থিতিকে সেই অস্বস্তিরই প্রতিফলন বলে কটাক্ষ করেছে তাঁরা।  ভাঙনের জল্পনা ছড়িয়েছে দলের অন্দরেও। কারণ, ধর্না মঞ্চে রাজনৈতিক স্লোগানের মধ্যেও বিশেষভাবে নজর কাড়ে একটি বিষয়। কর্মসূচিতে ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ’ ধ্বনি শোনা গেলেও, একসময় তৃণমূলের সভা-সমাবেশে নিয়মিত উচ্চারিত হওয়া ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জিন্দাবাদ’ স্লোগান এদিন প্রায় শোনা যায়নি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই পরিবর্তন দলের অন্দরমহলের বর্তমান সমীকরণেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    জাহাঙ্গিরকে নিয়েও অসন্তোষ দলে…

    এই প্রথম নয়। সম্প্রতি, ফলঘোষণার পর কালীঘাটে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে হওয়া বৈঠকেও অনুপস্থিত ছিলেন একাধিক তৃণমূল নবনির্বাচিত বিধায়ক।  বিধায়কের দলে অর্ধেকেরও বেশি সদস্যের অনুপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় তীব্র জল্পনা। তার ওপর, মঙ্গলবারের বৈঠকে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরাও জাহাঙ্গির খানের বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সম্প্রতি ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের অন্দরে বিতর্ক তীব্র হয়েছে। ওই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানকে ঘিরে দলের ভিতরেই অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, জাহাঙ্গির খানকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই দেখা হয়। তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহার নিয়ে হওয়া মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই দলের একাংশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছে। একাধিক বিধায়কও দাবি তুলেছেন, জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে দল যেন কড়া পদক্ষেপ করে। ফলে, সবমিলিয়ে বিরাট পরাজয়ের পর দলের অন্দরে বিদ্রোহ ও বিক্ষোভের আঁচ প্রকট হয়ে উঠেছে।

  • CM Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বার্তা পেয়েই নড়েচড়ে বসল পুলিশ, নিরাপত্তার খোলনলচে বদলাচ্ছে রাজ্যের পাঁচ সরকারি হাসপাতালে

    CM Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর বার্তা পেয়েই নড়েচড়ে বসল পুলিশ, নিরাপত্তার খোলনলচে বদলাচ্ছে রাজ্যের পাঁচ সরকারি হাসপাতালে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেই বাম-তৃণমূল জমানার ঘুণ ধরা সমাজব্যবস্থাটাকে আমূল বদলে দিতে কোমর কষে মাঠে নেমে পড়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। এর আগে রাজ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশকে ফ্রি-হ্যান্ড খেলতে দিয়েছেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। তার পর উদ্যোগী হয়েছেন রাজ্যের হাসপাতালগুলির (Hospital Security Guidelines) ভোল বদলাতে। সেই কারণেই দিন কয়েক আগে এসএসকেএম হাসপাতালে হাই-প্রোফাইল বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। তার রেশ কাটার আগেই ‘অ্যাকশনে’ নেমে পড়েছে লালবাজার।

    দালাল-রাজ নির্মূলে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী (CM Suvendu Adhikari)

    সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা জোরদার করতে এবং দালাল-রাজ নির্মূল করতে শহরের পাঁচটি বড় সরকারি হাসপাতালে নিরাপত্তা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুলিশ। আজ, বুধবার থেকেই নয়া নিয়ম কার্যকর হয়েছে বলে লালবাজার সূত্রে খবর। গত শুক্রবারই স্বাস্থ্য দফতরের পদস্থ কর্তা এবং মেডিক্যাল কলেজগুলির প্রিন্সিপাল-সুপারদের নিয়ে ম্যারাথন বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বহিরাগতদের প্রবেশ রোখার ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সেই বার্তা পাওয়ার পরেই নড়েচড়ে বসে পুলিশ-প্রশাসন।

    বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা কলকাতার পাঁচ হাসপাতালে

    পুলিশ সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে কলকাতার পাঁচটি বড় সরকারি হাসপাতালে এই বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলবৎ করা হচ্ছে। এই হাসপাতালগুলি হল আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, এসএসকেএম হাসপাতাল, কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল, নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল এবং কলকাতা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। জানা গিয়েছে, হাসপাতালের ভেতরে যাতে কোনওভাবেই অপ্রীতিকর পরিস্থিতি কিংবা চিকিৎসকদের ওপর হামলার ঘটনা না ঘটে, তাই গুচ্ছের গাইডলাইন জারি করা হয়েছে লালবাজারের তরফে (Hospital Security Guidelines)।

    আঁটোসাঁটো নিরাপত্তার বলয়

    আগে হাসপাতালে যে কেউ, যখন তখন দালালদের হাত ধরে হাসপাতালে ঢুকে পড়ত। নয়া ব্যবস্থায় হাসপাতালে ঢুকতে গেলেই কড়া চেকিংয়ের মুখে পড়তে হবে। ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পাশাপাশি রোগী এবং তাঁদের পরিজনদেরও পরিচয়পত্র বা নির্দিষ্ট কালার-কোডেড ব্যান্ড খতিয়ে দেখে তবেই দেওয়া হবে হাসপাতালে ঢোকার ছাড়পত্র। বহিরাগতদের প্রবেশ রুখতেই এই সিদ্ধান্ত (CM Suvendu Adhikari)। হাসপাতাল চত্বরে সর্বক্ষণ নজরদারির জন্য সক্রিয় থাকবে কলকাতা পুলিশের বিশেষ ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেম। কোনওরকম অশান্তির আঁচ পেলেই মুহূর্তের মধ্যে খবর চলে যাবে কন্ট্রোল রুমে। রাতের শিফটে ডিউটিতে থাকা জুনিয়র ডাক্তার ও নার্সদের সুরক্ষায় হাসপাতাল চত্বরে চলবে পুলিশের বিশেষ ‘নাইট পেট্রলিং’। মহিলা চিকিৎসকদের রেস্ট রুম এবং ডিউটি রুমের আশপাশে নজরদারি করা হয়েছে দ্বিগুণ।

    বাড়ানো হচ্ছে নজরদারিও

    করা নিরাপত্তার বলয় তৈরির পাশাপাশি ঢেলে সাজানো হচ্ছে হাসপাতালগুলির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাও। পরিকাঠামো ব্যবস্থা খতিয়ে দেখে তা আরও উন্নত করা হচ্ছে। আপৎকালীন পরিস্থিতির মোকাবিলায় এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে। হাসপাতালগুলিতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র ও হাইড্র্যান্ট প্রস্তুত থাকবে। দমকল বিভাগের সঙ্গেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সমন্বয় রাখার কথা বলা হয়েছে লালবাজারের তরফে জারি করা ওই নির্দেশিকায় (CM Suvendu Adhikari)। হাসপাতালগুলিতে সিসিটিভি নজরদারি বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরাগুলি ঠিকঠাক কাজ করছে কিনা, নিয়মিত তা পরীক্ষা করতে হবে। হাসপাতালের সব জায়গা যাতে সিসিটিভির আওতায় চলে আসে, তাও নিশ্চিত করাতে হবে। ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্য পদক্ষেপ করার কথাও বলা হয়েছে লালবাজারের তরফে জারি করা ওই নির্দেশিকায়। সব জায়গায় সুষ্ঠুভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে (Hospital Security Guidelines)। পুলিশকর্মী ছাড়াও হাসপাতালগুলির নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বেসরকারি সংস্থাকে নির্দিষ্টি ডিউটি রোস্টার বানানোর নির্দেশও দিয়েছে লালবাজার। সেই হিসেবেই তাদের কর্মী নিয়োগ করতে বলা হয়েছে। হাসপাতাল চত্বরে অবৈধ পার্কিংও বন্ধ করা হচ্ছে। রোগীর পরিবার, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ছাড়া অন্য কারও গাড়ি রাখা যাবে না। হাসপাতালের প্রধান গেটগুলির সামনের এলাকা হকারমুক্ত করা হবে। হাসপাতালজুড়ে চিকিৎসক, নার্স ও রোগীদের জন্য বড় বড় করে লেখা থাকবে হেল্পলাইন নম্বর।

    ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি

    পুলিশ সূত্রে খবর, ওই পাঁচটি হাসপাতালের সুপার ও অধ্যক্ষের সঙ্গে স্থানীয় থানা, ডিভিশনাল ও লালবাজার কন্ট্রোল রুমের যোগাযোগ থাকবে। প্রতি রাতে প্রতিটি হাসপাতালে টহল দেবে পুলিশকর্মী এবং নিরাপত্তা কর্মীর যৌথ দল (CM Suvendu Adhikari)।  ওয়াকিবহাল মহলের মতে, তৃণমূল জমানায় আরজি করকাণ্ডের জেরে তৈরি হওয়া ক্ষতে প্রলেপ দিতে এবং হাসপাতালে দালাল-রাজে ইতি টানতে শুভেন্দুর সরকার যে কোনও আপস করতে রাজি নয়, লালবাজারের এই তৎপরতাই তার প্রমাণ। দুর্নীতি এবং দাদাগিরি বন্ধে নয়া মুখ্যমন্ত্রী নিয়েছেন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি। সেই বার্তা পেয়েই পুলিশ-প্রশাসনের সর্বস্তরেই শুরু হয়েছে খোলনলচে বদলানোর কাজ (Hospital Security Guidelines)।

    প্রসঙ্গত, বছর দুই আগে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে এক তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও নৃশংসভাবে খুনের ঘটনা নাড়িয়ে দিয়েছিল গোটা দেশকে। তারপর থেকেই জুনিয়র ও সিনিয়র চিকিৎসকদের আন্দোলনে হাসপাতালের নিরাপত্তা ও পরিকাঠামোর বেহাল দশা নিয়ে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়। মমতা জমানার এই ঘটনায় সোচ্চার হয়েছিল রাজ্যের তৎকালীন বিরোধী দল বিজেপি। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলকে গোহারা হারিয়ে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে নবান্নে এসেছে শুভেন্দুর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। তার পরেই রাজ্যের নানা ভেঙে পড়া ব্যবস্থাকে স্বমহিমায় ফেরাতে উদ্যোগী হয়েছে পদ্ম-পার্টি (CM Suvendu Adhikari)।

  • OBC Quota Row: ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে তৃণমূল সরকারের নীতি বাতিলে সিলমোহর শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    OBC Quota Row: ওবিসি সংরক্ষণ নিয়ে তৃণমূল সরকারের নীতি বাতিলে সিলমোহর শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাতিল করে দেওয়া হল ওবিসি সংরক্ষণ (OBC Quota Row) নিয়ে রাজ্যের পূর্বতন তৃণমূল সরকারের নীতি। নজিরবিহীন এই পদক্ষেপ করল বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকারের মন্ত্রিসভা। ওবিসি সংরক্ষণ কমিয়ে করা হল ৭ শতাংশ (TMC Govt Policy)। আগে ওবিসি ‘এ’ ক্যাটেগরিতে ১০ শতাংশ সংরক্ষণের সুযোগ মিলত। ওবিসি ‘বি’ ক্যাটেগরিতে ছিল ৭ শতাংশ সংরক্ষণের সুবিধা। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে ২০১০-সালের আগের সংরক্ষণ নীতিই বহাল রাখল রাজ্য সরকার। সরকারের দাবি, এই সিদ্ধান্তের ফলে রাজ্যের প্রকৃত অনগ্রসর হিন্দু জাতি তাদের নায্য অধিকার ফিরে পাবে। ৭ শতাংশ সংরক্ষণের জন্য অনগ্রসর হিসেবে ৬৬টি জাতির তালিকাও প্রকাশ করেছে রাজ্যে বিজেপি পরিচালিত প্রথম সরকার।

    ওবিসি সংরক্ষণের হার (OBC Quota Row)

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণের লক্ষ্যে একলপ্তে রাজ্যের ওবিসি সংরক্ষণের হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করার সিদ্ধান্তও নেয় রাজ্যের নয়া মন্ত্রিসভা। মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য থাকা ওবিসি সংরক্ষণ আপাতত বাতিল করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে এই মন্ত্রিসভা। জানা গিয়েছে, কেবল তফশিলি জাতি এবং উপজাতির বাইরে থাকা প্রকৃত অনগ্রসর হিন্দু সম্প্রদায়ই পাবেন নয়া সংরক্ষণ ব্যবস্থার সুবিধা। সরকারি চাকরি এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে অবিলম্বে কার্যকর হতে চলেছে এই নয়া নিয়ম। মঙ্গলবারই এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়েছে। রাজ্যপালের নির্দেশে প্রকাশ করা হয়েছে সেই তালিকাও।

    ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের সুযোগ!

    বাম রাজত্বের শেষ পর্বে এবং তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের প্রথম দিকে ২০১০-এর মার্চ থেকে ২০১২-র মে মাসের মধ্যে রাজ্যে ৭৭টি সম্প্রদায়ের নাম তোলা হয়েছিল ওবিসির তালিকায়। বাম জমানায় ৪২টি মুসলিম সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকাভুক্ত হয়েছিল। এদের ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে মামলা দায়ের হয় (OBC Quota Row)। তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় এসে তুষ্টিকরণে রাজনীতি করতে গিয়ে আরও ৩৫টি সম্প্রদায়কে ওবিসি তালিকায় জায়গা দেয়। ২০২৩ সালে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওবিসি সংরক্ষণ আইন জারি করে এই ৭৭টি সম্প্রদায়কে ওই তালিকায় নিয়ে আসে। ফলে সব মিলিয়ে মোট ওবিসি সম্প্রদায়ের সংখ্যা পৌঁছয় ১৭৯-এ।

    শুভেন্দুর সরকারের ফরমান

    ক্ষমতায় এসেই তৃণমূল সরকারের আমলে যত ওবিসি শংসাপত্র দেওয়া হয়েছিল, সেগুলি ফের যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছিল শুভেন্দুর সরকার। সোমবারের বৈঠকে সেই তালিকা যাচাই এবং উপ-শ্রেণিবিভাগের তালিকা বাতিল করার সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেয় ক্যাবিনেট। তার পর মঙ্গলবারই জারি করা হয় বিজ্ঞপ্তি। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ২২ মে কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্যের ওবিসি তালিকায় ৬৬টি সম্প্রদায়কে রেখে বাকি ১১৩টি সম্প্রদায়কে ওই তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত খারিজ করে দিয়েছিল। আদালতের যুক্তি ছিল, ধর্মের ভিত্তিতে এই সম্প্রদায়গুলিকে ওবিসি তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে ২০১০ থেকে বিলি হওয়া ৫ লাখের মতো ওবিসি শংসাপত্র বাতিল হয়ে যায়। হাইকোর্টের সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল তৃণমূল পরিচালিত (TMC Govt Policy) রাজ্য সরকার। সেই মামলার এখনও নিষ্পত্তি হয়নি বলেই অসমর্থিত সূত্রের খবর (OBC Quota Row)।

  • TMC: মুখ লুকিয়েছেন তৃণমূলের মাথারা, বিপদ আঁচ করেই কি ফলতার নির্বাচন থেকে সরে গেলেন জাহাঙ্গির?

    TMC: মুখ লুকিয়েছেন তৃণমূলের মাথারা, বিপদ আঁচ করেই কি ফলতার নির্বাচন থেকে সরে গেলেন জাহাঙ্গির?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পরেই এলাকা ছেড়েছিলেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভা পুনর্নির্বাচনের তৃণমূল প্রার্থী (TMC) জাহাঙ্গির খান। জাহাঙ্গির (Jahangir Khan) গা ঢাকা দেওয়ার আগেই বড়সড় কোনও বিপর্যয়ের আশঙ্কায় কর্পূরের মতো উবে গিয়েছেন তাঁর মাথায় যাঁর আশীর্বাদী হাত ছিল, তৃণমূলের সেই ‘সেকেন্ড ইন কমান্ড’ বা ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জোড়া (কমান্ডার) বন্দ্যোপাধ্যায় রাতারাতি ‘হাওয়া’ হয়ে যাওয়ায় প্রমাদ গুণতে শুরু করেন ফলতার তৃণমূল প্রার্থী। গ্রেফতারির আশঙ্কায় কাঁটা হয়ে থাকা জাহাঙ্গির মঙ্গলবার ভোটপ্রচারের শেষ দিনে ঘোষণা করেন, ‘‘আমি এই ভোটে লড়ছি না।’’ তাঁর এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে অভিষেক কিংবা ঘাসফুল শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্বের কোনও নির্দেশ রয়েছে কি না, তা জানাননি ফলতার ‘বাদশা’।

    বিজেপির কাছে গোহারা (TMC)

    ওয়াকিবহাল মহলের মতে, বিজেপির কাছে গোহারা হেরে গিয়ে এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে পাঙ্গা নিতে গিয়ে কার্যত মুখ পুড়িয়েছেন তৃণমূল অ্যান্ড কোং-এর (অন্তত, লোকে তো তাই বলে) কর্ণধার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার পর থেকে মুখ লুকিয়েছেন বুয়া-ভাতিজা। অবশ্য, এর মধ্যে একদিন সহানুভূতি কুড়োতে এবং অবশ্যই জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে আইনজীবীর সাজ-পোশাক পরে কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হয়েছিলেন মমতা। সেখানে নিজের কানে ‘চোর-চোর’ স্লোগান শুনে (এই প্রথম নয়, আগেও শুনেছেন, তবে এত জোরালোভাবে নয়), সেই যে কালীঘাটের বাড়িতে সেঁধিয়েছেন, তার পর থেকে আর তাঁকে দেখা যায়নি টিভি কিংবা সংবাদপত্র মায় হ্যান্ডবিলেও। এই যখন স্বয়ং দলনেত্রীর দশা, তখন আর কোন ভরসায় ফলতার নির্বাচনী ময়দানে খেলতে নামেন জাহাঙ্গির! অগত্যা তিনিও মুখ লুকোলেন।

    জাহাঙ্গিরের বোধোদয়!

    ফলতা বিধানসভায় পুনর্নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টারও কম সময় আগে মঙ্গলবার সকালে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির (Jahangir Khan) বলেন, ‘‘ফলতার উন্নয়নের জন্য স্পেশ্যাল প্যাকেজের কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাই আমি এই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছি।’’ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন (TMC) পেরিয়ে গিয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করলেও ইভিএমে জাহাঙ্গির এবং তাঁর দল তৃণমূলের বোতাম জ্বলজ্বল করবে। তৃণমূলের রাজত্বে কেউটে জাহাঙ্গির প্রথমবার নির্বাচনের সময় কোনও ইভিএমে টেপ আটকে দিয়েছিলেন পদ্ম-প্রতীকের পাশে, কোথাও আবার বিজেপি প্রার্থীর বোতামে লাগিয়ে দিয়েছিলেন আতর। ভোটাররা কাকে ভোট দিচ্ছেন, তা জানতেই এই ‘ডায়মন্ড হারবার দাওয়াই’ অ্যাপ্লাই করেছিলেন বলে অভিযোগ।

    ‘কেউটে’ থেকে ‘হেলে’

    রাজ্যে পালাবদলের সরকার ক্ষমতায় আসার পরে সেই জাহাঙ্গিরই বদলে গিয়ে ‘কেউটে’ থেকে ‘হেলে’ হয়ে গিয়েছেন! মঙ্গলবারই ফলতায় রোড-শো করেন ‘সিংহম’ মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে প্রচারে এসেছিলেন তিনি। সেই সময় প্রচারে না বেরিয়ে বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করেন অভিষেক-ঘনিষ্ঠ ‘পুষ্পা’ জাহাঙ্গির। তিনি বলেন, ‘‘আমি ফলতার ভূমিপুত্র। আমি চাইব ফলতা শান্তিতে থাকুক, সুস্থ থাকুক এবং ভালো থাকুক (TMC)। ফলতায় আরও বেশি বেশি উন্নয়ন হোক।’’ গলার কাছে দলা পাকানো কান্নাটা আটকে কোনওক্রমে ধরা গলায় তিনি বলেন, ‘‘আমার স্বপ্ন ছিল সোনার ফলতার। তাই আমাদের সম্মানীয় মুখ্যমন্ত্রী ফলতার উন্নয়নের জন্য স্পেশ্যাল প্যাকেজ দিচ্ছেন। সেই জন্য আমি ২১ মে যে পুনর্নির্বাচন আছে, সেই লড়াই থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে নিলাম।’’ জাহাঙ্গিরের এহেন ভোল বদলে যারপরনাই বিস্মিত ফলতায় তৃণমূলের ‘দুধেল গাই’রাও।

    প্রসঙ্গত, পুনর্নির্বাচন শুরু হওয়ার আগেই হাতকড়া পড়েছে জাহাঙ্গিরের ভায়রাভাইয়ের হাতে (Jahangir Khan)। গ্রেফতার হয়েছেন ফলতা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি। রাজনীতির কারবারিদের মতে, জাহাঙ্গির ভেবেছেন এবার হয়তো তাঁর পালা। তাই লড়াইয়ের ময়দান ছেড়ে পগার পার হয়েছেন ‘ঐতিহাসিক’ চরিত্র জাহাঙ্গির (TMC)।

    বেচারা! কারা যেন জাহাঙ্গিরকে গাছে তুলে মইটা কেড়ে নিল!

     

  • Suvendu Adhikari: “আমি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় বেশি চাপে পড়েছে বাংলাদেশের জামাতরা”, বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “আমি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় বেশি চাপে পড়েছে বাংলাদেশের জামাতরা”, বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বেরিয়ে রাজ্যের প্রায় সব সভায় বিজেপির ‘সঙ্কল্প-বার্তা’ ছিল, ক্ষমতায় এলে রুখে দেওয়া হবে বাংলাদেশিদের বঙ্গে অনুপ্রবেশ। পশ্চিমবঙ্গবাসী হাত উপুড় করে ভোট দেওয়ায় এ রাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পদ্ম-রাজ। মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তার পরেই শুরু করে দিয়েছেন ‘অ্যাকশন’। সেই শুভেন্দুই এবার আক্রমণ শানালেন বাংলাদেশের জামাত-ই-ইসলামিকে (Jamaat)।

    ‘বাংলাদেশে যাও’ (Suvendu Adhikari) 

    তিনি বলেন, “আমি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস, সিপিএম, কংগ্রেস তো টেনশনে আছেই। তার চেয়েও বেশি চাপে পড়েছে বাংলাদেশের জামাতরা। দেখুন ভাই, আমি ভয় পাই না। তাই ওই সব চেষ্টা করেও লাভ নেই। বিজেপি যা যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সব পালন করব। আমার কাছে দেশ আগে। অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকায় চিহ্নিত করা হয়েছে। তারপর তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। এবার তাড়িয়ে দেওয়ার পালা।” মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বর্ডারকে সুরক্ষিত করা, অ-ভারতীয়দের দরজা দেখিয়ে দেওয়া, অনুপ্রবেশকারীদের হটাও… যাও যেখান থেকে এসেছিলে, সেই রাস্তা দিয়ে ফেরত যাও। বাংলাদেশে যাও।”

    পুলিশের ওপর হামলা চালানো নিয়েও বার্তা

    মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার জন্য বিএসএফকে জমি পাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে রাজ্যে পালাবদলের সরকার। বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে শুরু হওয়া পুরোহিত-ইমাম-মোয়াজ্জেমদের মাসিক ভাতা (Suvendu Adhikari)। শুধু অনুপ্রবেশকারী নয়, পুলিশের ওপর হামলা চালানো নিয়েও বার্তা দিয়েছেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী ‘জায়ান্ট কিলার’ শুভেন্দু। রবিবার পার্ক সার্কাসে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়। সে প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শ্রীনগরেও পাথর ছোড়া বন্ধ হয়েছে। কলকাতায়ও বন্ধ হবে। যদি মনে করেন, আগের সরকার আছে, আগের মতো পুলিশ ফোর্সকে হাত-পা বেঁধে রেখে দেওয়া হবে, তাহলে ভুল করছেন। গুন্ডামি, অসামাজিক কাজকর্মে অনুমতি দেব না। পুলিশমন্ত্রী হিসেবে বলে দিলাম, পুলিশের গায়ে হাত পড়লে সরকার আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে। এজন্য যতদূর যেতে হয়, যাব (Jamaat)। শুধু গ্রেফতারি নয়, শাস্তি দেওয়া পর্যন্ত মনিটরিং করবে সরকার (Suvendu Adhikari)।”

  • Agnimitra Paul: জুন থেকেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পুরোহিত-ইমাম ভাতা, জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

    Agnimitra Paul: জুন থেকেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে পুরোহিত-ইমাম ভাতা, জানালেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তুষ্টিকরণের রাজনীতিতে ইতি পড়বে বলে নানা সময় জানিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। নবান্নের কুর্সি আঁকড়ে (Agnimitra Paul) থাকতে এই রাজনৈতিক সংস্কৃতির ‘আমদানি’ করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ, সোমবার (Religious Assistance) হয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভার ক্যাবিনেট বৈঠক। সেখানে একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, জুন মাস থেকেই বন্ধ হচ্ছে ধর্মীয় সব সহায়তামূলক প্রকল্প। ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল।

    কী জানালেন মন্ত্রী

    সোমবার অনুষ্ঠিত রাজ্য মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই নীতিগত সিদ্ধান্তে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। পরিবর্তনের সরকারের দ্বিতীয় মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সাংবাদিক সম্মেলনে এসে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন। তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, কোনও ধরনের স্কলারশিপ বা শিক্ষামূলক অনুদান বন্ধ করা হচ্ছে না; শুধুমাত্র ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে দেওয়া ভাতাগুলিই বন্ধ করা হচ্ছে।

    নবান্নে আয়োজিত এই বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী জানান, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের আওতায় ধর্মীয় শ্রেণিভিত্তিক যেসব আর্থিক সহায়তা বা ভাতা চালু ছিল, সেগুলি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি মাস পর্যন্ত বর্তমান সুবিধাভোগীরা ভাতা পেলেও আগামী মাস থেকে এই প্রকল্পগুলি সম্পূর্ণরূপে বাতিল করা হবে।

    পুরোহিত ভাতা ও ইমাম ভাতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে অগ্নিমিত্রা পাল বলেন, খুব শীঘ্রই সরকারিভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত জানানো হবে। একইসঙ্গে তিনি পুনরায় আশ্বস্ত করেন, ছাত্রছাত্রীদের জন্য চালু থাকা বিভিন্ন স্কলারশিপ, বৃত্তি বা শিক্ষা-সহায়তা প্রকল্পের ওপর এই সিদ্ধান্তের কোনও প্রভাব পড়বে না।

    সপ্তম পে-কমিশন ও অন্নপূর্ণা ভান্ডার

    মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজ্যের সরকারি কর্মীদের বেতন কাঠামো পুনর্বিবেচনার লক্ষ্যে সপ্তম পে কমিশন গঠনের সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যা সরকারি কর্মচারীদের জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি, অন্নপূর্ণা যোজনারও অনুমোদন মিলেছে। এছাড়াও, রাজ্যের সমস্ত সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য বিনামূল্যে যাতায়াতের নীতিগত সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আগামী ১ জুন থেকে এই পরিষেবা আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    সোমবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ঘোষণা করা হয়েছে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পাঁচ মন্ত্রী—দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, নিশীথ প্রামাণিক, অশোক কীর্তনিয়া এবং ক্ষুদিরাম টুডু। এছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজকুমার অগ্রবাল।

  • Ashok Kirtania: লক্ষ্য ‘দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন’, জাল রেশন কার্ড নিয়ে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    Ashok Kirtania: লক্ষ্য ‘দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন’, জাল রেশন কার্ড নিয়ে কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি মন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের বঙ্গ-বিধানসভার নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে রাজ্যকে ‘দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন’ উপহার দেওয়ার কথা বলেছিলেন (Ration Card) বিজেপির শীর্ষ নেতারাও। পালাবদলের পর প্রতিনয়ত এই চেষ্টাই করে চলেছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। মন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই খাদ্য দফতরকে দুর্নীতিমুক্ত করার ডাক দিয়েছিলেন বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক বিজেপির অশোক কীর্তনিয়া (Ashok Kirtania)।

    জাল রেশন কার্ড নিয়েও হুঁশিয়ারি (Ashok Kirtania)

    জাল রেশন কার্ড নিয়েও এবার কড়া পদক্ষেপ করার কথা জানালেন তিনি। সাফ জানিয়ে দিলেন, ভারতের নাগরিক না হলে সমস্তরকম সুযোগ-সুবিধা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হবে। রবিবার বনগাঁয় এক সাংবাদিক বৈঠকে খাদ্য ও সমবায়মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া জানান, এসআইআরে যাঁদের নাম বাদ যাবে, তাঁরা কোনও সরকারি সুবিধা পাবেন না। রেশনও পাবেন না। এসআইআরের পরেও ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম ওঠেনি, তাঁদের রেশন কার্ড বাতিল করা হবে। তবে, যেসব ভোটার ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, তাঁদের পরিষেবা চালু থাকবে। এসআইআর-উত্তর পর্বে মতুয়া সম্প্রদায়ের অনেকেরই নাম বাদ গিয়েছে ভোটার তালিকা থেকে। সেই সব ভোটারদের অবিলম্বে সিএএ-র জন্য আবেদন করার আর্জি জানান মন্ত্রী।

    মতুয়া সম্প্রদায়কে বার্তা

    তিনি বলেন, “যাঁরা উদ্বাস্তু মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ, তাঁদের কোনও সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হবে না। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে অনেক মানুষ সিএএ-তে আবেদন করেননি। আমি তাঁদের বার বার বলছি, শীঘ্রই আবেদন করুন। সিএএতে আবেদন করলেও তাঁরা কোনও সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না।’ নয়া খাদ্যমন্ত্রী আরও জানান, অনেক সরকারি কর্মীর নামে রয়েছে বিপিএল তালিকাভুক্ত রেশন কার্ড। তাঁদের দ্রুত কার্ড জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। না হলে কড়া পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারিও দেন মন্ত্রী। দু’-এক দিনের মধ্যেই আধিকারিকদের না জানিয়ে খাদ্য দফতরের বিভিন্ন অফিসে সারপ্রাইজ় ভিজ়িট হবে বলেও জানান তিনি (Ashok Kirtania)।

    আদর্শ মুখ্যমন্ত্রী, লালবাতি গাড়ি ছাড়লেন খাদ্যমন্ত্রী

    এদিকে, মন্ত্রী হওয়ার পর লালবাতি লাগানো গাড়ি পেয়েছেন অশোক। যদিও তিনি চান না তাঁর গাড়িতে লালবাতি থাকুক। বলেন, “আমি সাধারণ মানুষের সঙ্গে থাকতে চাই।” তিনি বলেন, “আমাদের মুখ্যমন্ত্রী লালবাতি ব্যবহার করছেন না। তাই আমিও করছি না।” বনগাঁ উত্তরের দু’বারের বিধায়ক অশোক মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। মন্ত্রী হওয়ার পরেও একটুও বদলাননি মাটির কাছাকাছি থাকা এই মানুষটি। সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দিতে বদ্ধপরিকর রাজ্যের ডাবল ইঞ্জিন সরকার। সেই ব্যবস্থা করতেই রবিবার বনগাঁয় গিয়েছিলেন মন্ত্রী। জমি অধিগ্রহণ করতে স্থানীয়দের সঙ্গে সরকারি তরফে কথা বলাও শুরু হয়েছে। মন্ত্রী জানান, দেশের (Ration Card) সুরক্ষার স্বার্থে, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য জমি প্রয়োজন। মালিকদের জমি দেওয়ার অনুরোধও করেন তিনি (Ashok Kirtania)।

     

  • Chandranath Rath Murder: ‘বিচার হবে’, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে গিয়ে কান্নাভেজা চোখে কথা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    Chandranath Rath Murder: ‘বিচার হবে’, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে গিয়ে কান্নাভেজা চোখে কথা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রতিটি অন্যায়ের ‘বিচার হবে’। খুন হওয়া আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের (Chandranath Rath Murder) বাড়িতে গিয়ে আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সদ্য নির্বাচনের ফলাফল জানা গিয়েছে তখন। বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে বিজেপি। তখনও সিদ্ধান্ত হয়নি যে, শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) হবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। তার মধ্যেই ঘটে যায় ভয়াবহ ঘটানা। মধ্যমগ্রামের কাছে রাস্তার ওপর গাড়ি দাঁড় করিয়ে, নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে। ভয়ঙ্কর সেই রাতের পর ১১ দিন অতিবাহিত। রবিবার, চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানে তাঁর বাড়ি গিয়ে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী। জলে ভিজল তাঁর চোখও।

    মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা আছে

    রবিবার চন্দ্রনাথের শ্রাদ্ধানুষ্ঠানের আয়োজন হয়েছে তাঁর দেশের বাড়ি, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে। সন্ধ্যায় চণ্ডীপুর এলাকায় চন্দ্রনাথের বাড়িতে পৌঁছন শুভেন্দু। আপ্তসহায়কের ছবিতে মালা দিয়ে তিনি কথা বলেন চন্দ্রনাথের মা-সহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে কান্নায় ভেঙে পড়েন পুত্রহারা হাসিরানি রথ। মুখ্যমন্ত্রী বেরিয়ে যাওয়ার পর চন্দ্রনাথের মা বলেন, ‘‘উনি যে আমার বাড়িতে এসেছেন, সেটা আমার পরম সৌভাগ্য। আমার ছেলেকে মনে রেখেছেন উনি। অনেকেই পদ পাওয়ার পর সব ভুলে যান। কিন্তু উনি এসে কান্নাকাটি করেছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, তিনি আমাদের পাশে আছেন। দোষীদের কঠোরতম শাস্তি দেবেন উনি। মুখ্যমন্ত্রীর উপর আস্থা আছে। আশা রাখছি, ছেলের খুনের বিচার হবে।’’

    দোষীদের কঠোরতম শাস্তি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী

    চন্দ্রনাথের খুনের তদন্তে রাজ্য পুলিশ সিট গঠন করে। সুদূর উত্তরপ্রদেশ থেকে দু’জন এবং বক্সার থেকে এক ‘শার্প শুটার’কে গ্রেফতার করে আনে তারা। কিন্তু মূল চক্রী কে, কার ষড়যন্ত্রে এই খুন, তা এখনও জানা যায়নি। আপাতত এই মামলার তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে। হাসি জানান, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে বলেছেন চন্দ্রনাথকে তিনি নিরাপত্তার মধ্যে থাকতে বলেছিলেন। কিন্তু সে কথায় আমল দেননি তাঁর পুত্র। মহিলার কথায়, ‘‘হয়তো ভবানীপুরের হার মেনে নিতে পারেনি মাননীয়া। সে জন্য আমার ছেলেকে খুন হতে হল। যাঁরা আমার ছেলেকে মেরেছে, তাদের কঠোর শাস্তি হোক। মুখ্যমন্ত্রীর উপর আমাদের আস্থা আছে। উনিও দোষীদের কঠোর শাস্তি চেয়েছেন। আমরা বিচার চেয়েছি। সিবিআইয়ের তদন্ত এগোলে সবটা জানতে পারব।’’

  • TMC Rule: তৃণমূল রাজত্বে ইস্যু হওয়া সব কাস্ট সার্টিফিকেট ফের যাচাই করার নির্দেশ রাজ্যের

    TMC Rule: তৃণমূল রাজত্বে ইস্যু হওয়া সব কাস্ট সার্টিফিকেট ফের যাচাই করার নির্দেশ রাজ্যের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১১ সাল থেকে রাজ্যে ইস্যু হওয়া সমস্ত কাস্ট সার্টিফিকেট ফের যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যে পালাবদলের সরকার। ওই শংসাপত্রগুলির সত্যতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। শুভেন্দু অধিকারী সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী জেলাশাসকদের ১.৬৯ কোটি তফশিলি জাতি (SC), তফশিলি উপজাতি (ST) এবং অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির (OBC) শংসাপত্র (Caste Certificates) আবার যাচাই করতে হবে। গত কয়েক বছরে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজত্বে (TMC Rule) ইস্যু হওয়া বহু কাস্ট সার্টিফিকেট নিয়ে অভিযোগ ওঠার পরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের নির্দেশিকা (TMC Rule)

    ১৪ মে অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ দফতরের সচিবের জারি করা এক নির্দেশে বলা হয়েছে, “আপনারা অবগত আছেন যে ২০১১ সাল থেকে প্রায় ১.৬৯ কোটি কাস্ট সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছে। বর্তমানে লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, ২০১১ সালের পর ইস্যু হওয়া কিছু শংসাপত্রের সত্যতা ও বৈধতা বিভিন্ন মহলে প্রশ্নের মুখে পড়েছে।” নির্দেশে আরও বলা হয়েছে, “অতএব, মহকুমা শাসকদের (যাঁরা সার্টিফিকেট দেন) ২০১১ সাল থেকে ইস্যু হওয়া সমস্ত কাস্ট সার্টিফিকেট পুনরায় যাচাই করার পরামর্শ দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।” যেসব ব্যক্তির নাম বিশেষ সংশোধিত তালিকা (SIR) প্রক্রিয়ার সময় ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের দেওয়া শংসাপত্রও খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনে বাতিল করা হতে পারে।

    ‘দুয়ারে সরকার’

    উল্লেখ্য, ১.৬৯ কোটির মধ্যে প্রায় ৪৭.৮০ লাখ শংসাপত্র ‘দুয়ারে সরকার’ ক্যাম্পের মাধ্যমে পাওয়া আবেদনের ভিত্তিতে ইস্যু করা হয়েছিল। চিঠি অনুযায়ী, এই পর্বে কিছু দ্বিতীয় প্রজন্মের কাস্ট সার্টিফিকেটও ইস্যু হয়ে থাকতে পারে। মোট শংসাপত্রের মধ্যে প্রায় ১ কোটি তফশিলি জাতির জন্য, ২১ লাখ তফশিলি উপজাতির জন্য এবং ৪৮ লাখ অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণির জন্য ইস্যু করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত (TMC Rule), ‘দুয়ারে সরকার’ ছিল তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকারের একটি জনসংযোগমূলক কর্মসূচি। এটি চালু হয়েছিল ১ ডিসেম্বর, ২০২০। এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল গ্রাম পঞ্চায়েত, পুরসভা এবং ওয়ার্ড স্তরে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করে সরকারি প্রকল্প, কাস্ট সার্টিফিকেট এবং অন্যান্য জনসেবামূলক সুবিধা সরাসরি নাগরিকদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে।

    পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সচিব আরও জানান, ফের যাচাই করার সময় যদি দেখা যায় যে কোনও শংসাপত্র বেআইনিভাবে ইস্যু (Caste Certificates) করা হয়েছে, তাহলে পশ্চিমবঙ্গ তফশিলি জাতি ও তফশিলি উপজাতি (শনাক্তকরণ) আইন, ১৯৯৪-এর ধারা ৯ ও ১০ এবং ১৯৯৫ সালের সংশ্লিষ্ট বিধির ৩ থেকে ৭ নম্বর নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে (TMC Rule)।

     

LinkedIn
Share