Author: ishika-banerjee

  • Dhurandhar-2: “আয়ের অর্ধেক চাই”, ‘ধুরন্ধর-২’-র সাফল্যে অদ্ভুত দাবি পাকিস্তানের লিয়ারির বাসিন্দাদের

    Dhurandhar-2: “আয়ের অর্ধেক চাই”, ‘ধুরন্ধর-২’-র সাফল্যে অদ্ভুত দাবি পাকিস্তানের লিয়ারির বাসিন্দাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধুরন্ধর ব্লকবাস্টার। আর ধুরন্ধর ২- (Dhurandhar: The Revenge) আরও বড় হিট। বক্স অফিসে একের পর এক রেকর্ড ভেঙে চলেছে আদিত্য ধরের এই ছবি। ইতিমধ্যেই ১৩০০ কোটির গণ্ডি পার করে গিয়েছে ধুরন্ধর-২ এর বক্সঅফিস কালেকশন। মার্কিন মুলুকেও ধুরন্ধর-২ সবথেকে হিট ভারতীয় সিনেমা। আর ভারতীয় সিনেমার এই সাফল্য দেখে, এবার আজব দাবি পাকিস্তানের বাসিন্দাদের। বিশ্বজুড়ে ধুরন্ধর ২ যে ব্যবসা করছে, সেই লাভের টাকা থেকে ভাগ চাই পাকিস্তানবাসীর। পাকিস্তানের লিয়ারির উপরে তৈরি ধুরন্ধর ও ধুরন্ধর ২-র গল্প। তাই সাফল্যের ভাগ দিতে হবে লিয়ারিবাসীকেও। ওমনই দাবি এলাকার বাসিন্দাদের।

    ভারত টাকা দিলেই উন্নতি সম্ভব

    রণবীর সিংয়ের সিনেমা ব্লকবাস্টার হিট হতেই লিয়ারির বাসিন্দারা সিনেমার লাভের টাকায় ভাগ চেয়ে বসলেন। তাদের দাবি, লিয়ারির রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য ধুরন্ধর: দ্য় রিভেঞ্জ সিনেমার আয়ের ভাগ দেওয়া হোক তাদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিয়োয় লিয়ারির স্থানীয় বাসিন্দাদের বলতে শোনা যাচ্ছে যে সিনেমায় যেহেতু লিয়ারির নাম ও ব্যাকড্রপ ব্যবহার করা হয়েছে, তাই লিয়ারির বাসিন্দাদের লাভবান হওয়া উচিত। এক বাসিন্দা বলেই বসেন যে ভারত যদি টাকা দেয়, তাহলেই একমাত্র রাস্তাঘাটের উন্নতি সম্ভব। আবার অনেকে বলেন যে লিয়ারির জনগণের উন্নয়নের জন্য অন্তত কয়েকশো কোটি টাকা পাঠানো উচিত। যেহেতু পাকিস্তানে সত্যি লিয়ারি নামক জায়গাটি রয়েছে এবং সেখানকার গল্পের উপরে ভর করেই আদিত্য ধরের তৈরি এই দুই সিনেমা বিপুল আয় করেছে, তাই ধুরন্ধর-২ সাফল্যে তাদেরও ভাগ রয়েছে।

    অন্তত ৫০০ কোটি লিয়ারির মানুষদের দিন!

    সম্প্রতি, সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে পাকিস্তানের লিয়ারির বাসিন্দারা ‘ধুরন্ধর ২’-এর সাফল্যে মুখ খুলেছেন। তাঁদের মতে, ‘‘যদি ১০০০ কোটি টাকা আয় করেন , তাহলে অন্তত ৫০০ কোটি লিয়ারির মানুষদের দিন। যদি আপনাদের আয়ের অর্ধেকও দেন, তাহলে এখানকার রাস্তাগুলো তৈরি হয়ে যাবে। বাচ্চারা এগুলোর উপর দিয়ে হাঁটলে পায়ে ফোস্কা পড়ে যায়।’’ ঘটনার সূত্রপাত ছবির চিত্রনাট্য ও চিত্রায়ণ নিয়ে। লিয়ারি এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, ছবিটিতে তাঁদের এলাকা এবং সেখানকার সংস্কৃতিকে অত্যন্ত নেতিবাচকভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তাঁদের দাবি, ‘ধুরন্ধর ২’ ছবিতে লিয়ারিকে অপরাধের মূল কেন্দ্র এবং সন্ত্রাসবাদের আখড়া হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা সেখানকার সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ওপর চরম অপমানজনক প্রভাব ফেলেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, একটি বাণিজ্যিক ছবি নিজের মুনাফার জন্য একটি নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর সম্মান ধুলোয় মিশিয়ে দিতে পারে না।

  • Election Commission: তৃণমূল পার্টি অফিসে ক্যারাম খেলার মাশুল! কমিশনের নির্দেশে সাসপেন্ড ৩ সিআরপিএফ জওয়ান

    Election Commission: তৃণমূল পার্টি অফিসে ক্যারাম খেলার মাশুল! কমিশনের নির্দেশে সাসপেন্ড ৩ সিআরপিএফ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্তব্যে গাফিলতি এবং নিরপেক্ষতা ভঙ্গের অভিযোগে তিন সিআরপিএফ জওয়ানকে সাসপেন্ড করল নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ, রাজ্যে শাসকদল তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে বসে ঘাসফুল শিবিরের কর্মীদের সঙ্গে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ওই জওয়ানেরা ক্যারম খেলছিলেন। ভোটমুখী বাংলায় (West Bengal Assembly Election 2026) কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে যখন টানাপড়েন চলছে, ঠিক তখনই বীরভূমের এই ছবি ঘিরে দানা বাঁধল নতুন বিতর্ক। সম্প্রতি এমনই দৃশ্য ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। উল্লেখ্য, এর আগে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) নিমতিতাতেও এক তৃণমূল নেতার (TMC Iftar) ইফতার পার্টিতে যোগ দিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সাতজন বিএসএফ জওয়ান। তাঁদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল কমিশন।

    ভাইরাল ভিডিওয় কী ছবি

    সূত্রের খবর, শনিবার বীরভূমের এক এলাকায় টহল দেওয়ার কথা ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর। কিন্তু ডিউটি চলাকালীন আচমকাই তিন জওয়ান ঢুকে পড়েন তৃণমূল কংগ্রেসের একটি স্থানীয় কার্যালয়ে। সেখানে বসে থাকা কর্মীদের সঙ্গে আড্ডায় মেতে ওঠেন বলে অভিযোগ। পাশাপাশি শুরু হয় জোরদার ক্যারাম খেলা। প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে সেই খেলা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে একেবারে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে ঢুকে স্থানীয় যুবকদের সঙ্গে ক্যারাম খেলছেন দুজন জাওয়ান। কেন্দ্রীয় বাহিনীর পোশাক পরিহিত একজন পাশেই একটি চেয়ারে বসে রয়েছেন। কোনও দিকে মন না দিয়ে ক্যারামে ফোকাস করেছেন সকলেই। যদিও এই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম। রাজ্যে আদর্শ আচরণবিধি বলবৎ থাকাকালীন নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা জওয়ানেরা কীভাবে শাসকদলের কার্যালয়ে ঢুকে আড্ডা জমালেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিজেপি।

    কমিশনের কড়া বার্তা

    বিজেপির তরফে কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার পর বিষয়টি নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়। কমিশন সূত্রে খবর, প্রাথমিক তদন্ত ও ভিডিওর সত্যতা যাচাইয়ের পর ওই তিন জওয়ানকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ছাব্বিশের নির্বাচনে আর কোনও ডিউটিতে থাকতে পারবেন না এই তিন জওয়ান। এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর এমন ‘উদাসীন’ ও ‘পক্ষপাতমূলক’ আচরণে ক্ষুব্ধ কমিশনের কর্তারা।এর আগেও বিএসএফ-এর কয়েকজন জওয়ানের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠায় তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছিল কমিশন। কিন্তু সেই ঘটনা থেকে যে কোনও শিক্ষাই নেওয়া হয়নি, বীরভূমের ঘটনা তারই প্রমাণ। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ভোটের মুখে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভাবমূর্তি যাতে কোনওভাবেই কালিমালিপ্ত না হয়, সে বিষয়ে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন।

  • Shabbir Ahmad Lone: পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা, বাংলাদেশ থেকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ! দিল্লি থেকে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার লোন

    Shabbir Ahmad Lone: পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা, বাংলাদেশ থেকে ভারত-বিরোধী কার্যকলাপ! দিল্লি থেকে গ্রেফতার লস্কর কমান্ডার লোন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে ফের বড়সড় জঙ্গি হামলার ছক বানচাল করল নিরাপত্তাবাহিনী। দিল্লি পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগ দিল্লির সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করেছে লস্কর-ই-তইবা (Lashkar-e-Taiba) জঙ্গি-কমান্ডার শাব্বির আহমেদ লোনকে। অভিযোগ, বাংলাদেশে (Bangladesh) বসেই ভারতে হামলা চালানোর ছক কষেছিলেন শাব্বির (Shabbir Ahmad Lone)। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে দিল্লি পুলিশে বিশেষ শাখা তাঁকে গ্রেফতার করেছে। শাব্বির ওরফে রাজা ওরফে কাশ্মীরি আসলে শ্রীনগর জেলার কাঙ্গানের বাসিন্দা। পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নির্দেশে ভারত-বিরোধী জঙ্গি ক্রিয়াকলাপ পরিচালনাই ছিল তার উদ্দেশ্য।

    বাংলাদেশে ডেরা ছিল লোনের

    সূত্রের খবর, বাংলাদেশে ডেরা ছিল লোনের। অভিযোগ, বাংলাদেশে বসে সেখানকার তরুণদের লস্করের জঙ্গি হিসেবে নিয়োগ করত লোন। ভারতে যে বাংলাদেশের নাগরিকেরা বেআইনি ভাবে বসবাস করত, তাঁদেরও সন্ত্রাসের কাজে লাগানো হত। দিন কয়েক আগে লস্করের সঙ্গে যুক্ত একটি গোষ্ঠীর সদস্যদের ধরতে অভিযান চালায় পুলিশ, গোয়েন্দা। ওই গোষ্ঠী দিল্লি এবং আশপাশের এলাকায় সক্রিয় ছিল। সূত্রের খবর, ওই গোষ্ঠী দিল্লি এবং কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় দেশ-বিরোধী পোস্টার লাগিয়েছিল। সেই গোষ্ঠীর সূত্র ধরেই লোনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    দু’দশকের বেশি সময় ধরে লস্করের সঙ্গে যোগ

    গোয়েন্দাদের সূত্র বলছে, দু’দশকের বেশি সময় ধরে লস্করের সঙ্গে যোগ রয়েছে লোনের। মুজফ্‌ফরাবাদে জঙ্গি শিবিরে তার প্রশিক্ষণ হয়েছিল বলেও খবর। ‘দওড়া-এ-আম’ (প্রাথমিক) এবং ‘দওড়া-এ-খাস’ (উচ্চ পর্যায়ের)— দু’ধরনের প্রশিক্ষণই তার হয়েছিল। ২০০৭ সালে অস্ত্র-সহ লোনকে প্রথম বার গ্রেফতার করা হয়েছিল। তার কাছে ছিল একে-৪৭-এর মতো অস্ত্রও। আধিকারিকেরা জানিয়েছিলেন, লস্করের কমান্ডার জাকি-উর-রহমান লাকভি, জামাত-উদ-দাওয়া এবং ২৬ নভেম্বরের মুম্বই হামলার মূলচক্রী হাফিজ সইদের সঙ্গে যোগ ছিল তার। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিহাড় জেলে ছিল লোন। তার পরে জামিনে ছাড়া পায়।

    তিহাড় থেকে বাংলাদেশে

    গোয়েন্দাদের তথ্য অনুযায়ী, তিহাড় থেকে বেরিয়ে বাংলাদেশে চলে যায় শাব্বির। সেখানে লশকরের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলে। সদস্যদের নিয়ে ভারতে হামলার ছক কষতে থাকে। পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখতে থাকে সে। সম্প্রতি লস্করের এক নয়া মডিউলের হদিশ পেয়েছিলেন গোয়েন্দারা। দিল্লি থেকে দক্ষিণ ভারত পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা এই সন্ত্রাসী মডিউলটি দিল্লি ও কলকাতার বহু জায়গায় ভারত বিরোধী পোস্টারও সাঁটায়। যেখানে কাশ্মীরের বুরহান ওয়ানি থেকে পাকিস্তানের উল্লেখ ছিল। এহেন জঙ্গির গ্রেফতারি নিঃসন্দেহে দিল্লি পুলিশের বিরাট সাফল্য। অনুমান করা হচ্ছে দিল্লি ও তার আশপাশ এলাকায় লোনের একাধিক সঙ্গী এখনও সক্রিয় তাদের সন্ধানে শুরু হয়েছে তল্লাশি। পাক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআইয়ের নির্দেশ দিল্লিতে বড় জঙ্গি হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল লোন। যদিও তার আগেই গোয়েন্দা বিভাগের তৎপরতায় গ্রেফতার হল ভয়ঙ্কর এই জঙ্গি।

    পুলিশের জালে শাব্বির

    তদন্তকারীদের তরফে জানা যাচ্ছে, শুধু জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা নয় লস্করের নয়া এই মডিউলে সদস্য বাড়ানোরও দায়িত্ব ছিল লোনের উপর। ভারতে অবৈধভাবে আসা বাংলাদেশিদের জঙ্গি সংগঠনে নিয়োগ করত সে। এখন তাকে জেরা করছে পুলিশ। ভারতে কোথায় কোথায় তাদের হামলার ছক ছিল, সঙ্গে কারা ছিল, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে খবর। এখন লোনকে জেরা (interrogation) করে গোটা চক্রের খোঁজ করছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি— নিয়োগের পথ (recruitment channels), অর্থের উৎস (funding routes) ও সম্ভাব্য টার্গেট (targets) সবই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দিল্লি ও তার আশপাশের এলাকায় তার আরও কতজন সহযোগী লুকিয়ে আছে তা জানতে তদন্তকারী সংস্থাগুলো তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।

    পাকিস্তানকে আড়ালের চেষ্টা

    পুলিশ সূত্রে খবর, রাজা বাংলাদেশে বসে ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গি আক্রমণের পরিকল্পনা করছিল। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর মদতে, লস্করের এই ভারত বিরোধী চক্রান্ত চলছিল। রাজার মূল কাজ ছিল ভারতে হামলার জন্য বাংলাদেশিদের সন্ত্রাসবাদী সংগঠনে নিয়োগ করা। পাকিস্তানের নাম এই আক্রমণে যাতে সরাসরি জড়িয়ে না পড়ে সেজন্যই এই ব্যবস্থা। এই বাংলাদেশিদের মধ্যে অনেকেই ভারতে বসবাস করত। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে অভিযান চালিয়ে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতে বড়সড় হামলার পরিকল্পনা করা হচ্ছিল, যা সময়মতো ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

    পহেলগাঁও-হামলার অনুরূপ হামলা!

    উল্লেখ্য, গত বছর এপ্রিলের ২২ তারিখ পহেলগাঁও-তে জঙ্গি আক্রমণ হয়। সাধারণ পর্যটকদের উপরে গুলি করা হয়। সেই আক্রমণে প্রাণ হারিয়েছিলেন ২৬ জন এবং গুরুতরভাবে আহত হয়েছিলেন ২০ জন। তদন্তে জানা যায়, পরোক্ষভাবে হলেও এই আক্রমণের সঙ্গে যুক্ত ছিল লস্কর-ই-তইবা। তার সঙ্গে শাব্বিরের যোগ রয়েছে কি না তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চলতি বছর এপ্রিলে ফের এই ধরনের হামলার ছক কষছে কি না জঙ্গিরা, তা-ও জানার চেষ্টা চলছে। বর্তমানে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে পুলিশ। চেষ্টা চলছে গোটা লস্করের খবর জানার। ভারতে আর কোথায় কোথায় এই জঙ্গি সংগঠন ঘাঁটি তৈরি করেছে, কী ধরণের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে, দেশে জঙ্গি আক্রমণ কবে কোথায় হতে পারে ইত্যাদি জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

  • Supplementary list: বাদ ১৮ লক্ষ, দু’লক্ষ নাম-সহ চতুর্থ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ কমিশনের, মোট কত নাম কাটা গেল?

    Supplementary list: বাদ ১৮ লক্ষ, দু’লক্ষ নাম-সহ চতুর্থ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ কমিশনের, মোট কত নাম কাটা গেল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রায় ৬০ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের মধ্যে এখনও পর্যন্ত ১৮ লক্ষের নাম বাদ পড়েছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাত পর্যন্ত ৪২ লক্ষ ভোটারের তথ্য নিষ্পত্তি হয়েছে। আর ২০ লক্ষের মতো ভোটারের নাম এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনের আগে সেগুলি নিষ্পত্তি হয়ে যাবে। এবার থেকে প্রতিদিন সাপ্লিমেন্টারি তালিকা বের করা হবে, বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেইমতো রবিবার কমিশন চতুর্থ সাপ্লিমেন্টারি তালিকা (Supplementary list) প্রকাশ করে। এদিন ২ লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    ১৮ লক্ষের নাম বাদ

    গত বছরের ৪ নভেম্বর থেকে বাংলায় এসআইআর প্রক্রিয়ায় এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু হয়েছিল। এরপর গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছিল কমিশন। সেইসময় ৫৮ লক্ষের নাম বাদ যায়। এর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়। সেখানে আরও সাড়ে ৫ লক্ষের মতো নাম বাদ যায়। চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় ৬০ লক্ষের নাম বিবেচনাধীন তালিকা রয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টের তত্ত্বাবধানে জুডিশিয়াল অফিসাররা বিবেচনাধীন ভোটারদের তথ্য খতিয়ে দেখছে। গত ২৩ মার্চ প্রথম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা (Supplementary list) প্রকাশ হয়। কমিশন সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় ১৮ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে। অর্থাৎ খসড়া তালিকা থেকে ধরলে এখনও পর্যন্ত ৮১ লক্ষের বেশি নাম বাদ গিয়েছে। এখনও ১৮ লক্ষের বেশি নামের নিষ্পত্তি হওয়া বাকি। শেষপর্যন্ত কত নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।

    ট্রাইবুনালে আবেদন

    কমিশন জানিয়েছে, যাঁদের নাম বাদ পড়ছে, তাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করতে পারবেন। জানা গিয়েছে, কলকাতাতেই ট্রাইবুনালের অফিস হচ্ছে। জেলা থেকে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদনের জন্য কলকাতা আসার প্রয়োজন নেই। অনলাইনে আবেদন জানানোর জন্য, https://voters.eci.gov.in/ ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। অফলাইনে জেলাশাসকের অফিসে গিয়ে ফর্ম ফিলাম করে আবেদন জানাতে পারবেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি। কিন্তু ট্রাইবুনাল কবে কাজ শুরু করবে, স্পষ্ট করেনি হাইকোর্ট। এসআইআর শুরু হওয়ার আগে রাজ্যে ভোটারের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯।

  • Rahul Arunoday Death: চোরাবালিতে আটকে অস্তাচলে অরুণোদয়! শ্যুটিংয়ের অনুমতি ছিল না, দাবি ওড়িশা পুলিশের

    Rahul Arunoday Death: চোরাবালিতে আটকে অস্তাচলে অরুণোদয়! শ্যুটিংয়ের অনুমতি ছিল না, দাবি ওড়িশা পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: থেমে গেল “সহজ কথা”। শ্যুটিং করতে গিয়ে সমুদ্রে তলিয়ে গেলেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় (Rahul Arunoday Death)। রবিবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ দুর্ঘটনা ঘটে। রবিবার ‘ভোলে বাবা পার করেগা’ ধারাবাহিকের শুটিং করছিলেন ৪৩ বছরের অভিনেতা। জানা গিয়েছে, শ্যুটিঙের পর তালসারির সমুদ্রে নামেন তিনি। জলে ডুবেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান। সূত্রের খবর, আজ সোমবার কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে তাঁর দেহের ময়নাতদন্ত হবে। তারপর দুপুরেই বাড়িতে নিয়ে আসা হবে অভিনেতার মরদেহ।

    কী ঘটেছিল রাহুলের সঙ্গে

    সূত্রের খবর, ওড়িশা পুলিশের তরফে দাবি করা হয়েছে, আজকের গোটা ঘটনা তারা জানতে পেরেছে দিঘা থানার থেকে। এর পাশাপাশি, ওড়িশার বালাসোর জেলার পুলিশ সুপারের দাবি, যেখানে দুর্ঘটনা ঘটেছে, সেখানে শ্যুটিং করার, জলে নেমে শ্যুটিং করার কোনও অনুমতি পুলিশের কাছ থেকে নেওয়া হয়নি। পুলিশ সূত্রে এও জানা গিয়েছে, আজ যে জায়গায় শ্যুটিং হয়েছে সেটি তালসারি বিচ। এটা তালসারি মেরিন থানার আওতাধীন। সাধারণত যেখানে এই থানা রয়েছে বা যেখানে পর্যটকরা থাকেন, তার থেকে বেশ কিছুটা দূরে, আজ দুপুরবেলায় নিরবিলি ফাঁকা জায়গায় তালসারি বিচে সমুদ্রে নেমে শ্যুটিং চলছিল। স্থানীয়দের দাবি, সমুদ্রের অনেকটা ভিতরে শ্যুটিং চলছিল। সেই সময় জোয়ারের প্রভাব ছিল। চোরাবালির খাঁজ ছিল। সেখানে পড়ে রাহুল তলিয়ে যান। উপস্থিত ক্রু মেম্বাররাই কোনওমতে রাহুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ডাক্তাররা অভিনেতাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, সমুদ্রের বেশ কিছুটা ভিতরে একটি নাচের দৃশ্যের শ্যুটিং চলছিল। অনুমান, সেই সময় চোরাবালিতে পড়ে ডুবে তলিয়ে যান অভিনেতা।

    হঠাতই জল বাড়ে

    স্থানীয় সূত্রে এও শোনা যাচ্ছে, রাহুল (Rahul Arunoday Banerjee) যখন সমুদ্রে নেমেছিলেন, তখন শান্তই ছিল সমুদ্র। তবে ৪টে নাগাদ আচমকাই জল বেড়ে যায়। অনুমান হয়তো জোয়ারের প্রভাবে এমন ঘটনা ঘটেছিল। এমনিতেও তালসারির সমুদ্র সম্পর্কে এ কথা প্রচলিত যে আচমকা সেখানে জল বেড়ে যায়। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ টলিপাড়া। সিনেমা এবং সাহিত্য জগতের অপূরণীয় ক্ষতি। ৪৩ বছর বয়সে সমুদ্রে ডুবে মৃত্যু রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ২০০০ সালে ‘চাকা’ ছবিতে অভিনয় দিয়ে কেরিয়ার শুরু। রাহুলকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দিয়েছিল ‘চির দিনই তুমি যে আমার’। ২০০৮ সালে ‘আবার আসব ফিরে’ ও ‘জ্যাকপট’ ছবিতে অভিনয়। ‘জুলফিকার’, ‘বিদায় ব্যোমকেশ’, ‘ব্যোমকেশ গোত্র’ ছবিতে অভিনয় করেছিলেন রাহুল। ২০০৮ সাল। কৃষ্ণ ও পল্লবীর প্রেম দেখে একটা গোটা প্রজন্ম নতুন করে বাংলা ছবির প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল। পর্দার জুটির প্রেম বাস্তবেও পরিণতি পায়। ২০১০ সালে বিয়ে হয় রাহুল-প্রিয়াঙ্কার। তার পরে পুত্রসন্তানের জন্ম। দাম্পত্যে দূরত্বও আসে একসময়। কিন্তু, তখনও দর্শকের কাছে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা জুটি অটুট। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভাঙা সম্পর্ক আবার জোড়া লাগতে থাকে।

    মৃত্যুর কারণে একাধিক অসংগতি

    বিভিন্ন ব্যক্তিরা যা যা বলছেন, তাতে একাধিক অসংগতি রয়েছে। শ্যুটিং সেটে যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁদের কেউ কেউ বলছেন যে, শ্যুটিং চলাকালীনই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। তবে সেই সময়ে শট চলছিল না। শট চেঞ্জ হচ্ছিল। সেই সময়টা সমুদ্রের জলেই দাঁড়িয়েছিলেন রাহুল আর তাঁর সহ-অভিনেত্রী শ্বেতা। তাঁরা ২ জনেই সমুদ্রের দিকে এগোচ্ছিলেন। হঠাৎই টাল সামলাতে না পেরে জলের মধ্যে পড়ে যান ২ জনেই। শ্যুটিং ক্রু-রা সঙ্গে সঙ্গে জলে ঝাঁপ দিয়ে পড়েন। শ্বেতাকে ধরা গেলেও, সেই সময়ের মধ্যে অনেকটা জল খেয়ে ফেলেন রাহুল। তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। অনেকেই বলছেন, যে সময়ে রাহুলকে জল থেকে উদ্ধার করা হয় ও গাড়ি করে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, সেই সময় ও তাঁর জ্ঞান ছিল। কথাও বলেছেন।

    অভিনেতা, লেখক, সঞ্চালক

    টলিউডের পর্দায় এক আলাদা স্বকীয়তা নিয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় (Rahul Arunoday Banerjee)। নায়ক হিসেবে তাঁর যাত্রা শুরু হলেও খুব দ্রুতই প্রমাণ করেছিলেন, শুধু রোম্যান্টিক হিরো নন, চরিত্রের গভীরে ঢুকে অভিনয় করতে পারাই ছিল তাঁর প্রকৃত ইউএসপি। মঞ্চ থেকে অভিনয়ে হাতেখড়ি রাহুলের। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি ছিলেন একজন লেখকও। বিভিন্ন পত্রিকায় তাঁর লেখালেখি প্রকাশিত হয়েছে। বহুমুখী সত্তাই যেন তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছিল। অভিনয় ছাড়াও সম্প্রতি ‘সহজ কথা’ নামক একটি পডকাস্ট শো সঞ্চালনা করতেন রাহুল। সেটিও তুমুল জনপ্রিয় হয়েছিল। রাহুলের অকাল প্রয়াণ যেন অসময়ে থেমে যাওয়া এক সম্ভাবনাময় যাত্রা। তবুও তাঁর কাজ, তাঁর সংলাপ বলার ভঙ্গি, আর চরিত্রের প্রতি তাঁর নিষ্ঠা—সব মিলিয়ে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে থাকবেন দর্শকের স্মৃতিতে।

    শোকস্তব্ধ টলিউড

    রাহুলের প্রথম ছবি ‘চিরদিনই তুমি যে আমার’। রাজ চক্রবর্তীর পরিচালনায় প্রথম ছবিতেই নায়ক তিনি। পরিচালক হিসেবেও রাজের সেই ছবিতেই হাতেখড়ি। রাজের কথায়, “এখনও মনে হচ্ছে খবরটা ভুল। আমাদের প্রথম ছবি একসঙ্গে। ১৮ বছর হয়ে গিয়েছে সেই ছবির। ও মঞ্চেও ভালো কাজ করেছে। ভালো লেখালিখি করত। খুব গুণী ছেল। আমাদের ইন্ডাস্ট্রির জন্য বড় ক্ষতি। ওর পরিবারেরও বড় ক্ষতি।” ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন রুদ্রনীল ঘোষ। রাহুল প্রয়াণে আজ চোখে জল তাঁর। বলেন, “ওর সঙ্গে চিরদিনই তুমি যে আমারের সেটে আলাপ। বন্ধু বলব না, ভাই ছিল, বড্ড ভালো ছাত্র ছিল। শেষ একসঙ্গে অ্যাকাডেমি অফ ফাইন আর্টস করলাম। কী করে বুঝব এমন হবে? আমরা একসঙ্গে বসে আড্ডা দেওয়ার খাওয়া-দাওয়া করার প্ল্যান করেছিলাম ক’দিন ধরে। ওর সঙ্গে তো আত্মার সম্পর্ক ছিল।”

    বিনোদন জগতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি

    অভিনেতার প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। সমাজমাধ্যমে লেখেন, “টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকাল প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। মাত্র ৪৩ বছর বয়সে তাঁর এই আকস্মিক মৃত্যু বাংলা বিনোদন জগতের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর অসাধারণ অভিনয়, প্রাণবন্ত ব্যক্তিত্ব এবং স্পষ্ট মতামত আমাদের মনে চিরকাল অম্লান হয়ে থাকবে। ছোটপর্দা থেকে বড়পর্দা— সর্বত্র তিনি নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গিয়েছেন। এই কঠিন সময়ে তাঁর পরিবার, সহকর্মী এবং অনুরাগীদের প্রতি রইল আন্তরিক সমবেদনা।”  অভিনেতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

  • US Iran Conflicts: রণাঙ্গন মধ্যপ্রাচ্য! ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ, কী ভাবছে আমেরিকা? কতটা প্রভাব বিশ্বে?

    US Iran Conflicts: রণাঙ্গন মধ্যপ্রাচ্য! ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধের এক মাস পূর্ণ, কী ভাবছে আমেরিকা? কতটা প্রভাব বিশ্বে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরান যুদ্ধের (US Iran Conflicts) একমাস পার। ইরান-ইজরায়েল যুদ্ধে (Iran‑Israel War) গোটা মধ্যপ্রাচ্য রণাঙ্গন হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের জেরে বিশ্বের ‘তৈলধমনী’ হরমুজ প্রণালী বন্ধ, আকাশসীমা বন্ধের প্রভাব গড়িয়েছে বহু দূর। পরিবেশই বদলে গিয়েছে। আতঙ্কিত যুদ্ধ কবলিত দেশের মানুষজন। যেসব দেশের যুদ্ধের প্রত্যক্ষ প্রভাব নেই, তাঁরা আশঙ্কায়। গত ২৮ মার্চ আমেরিকা ও ইজরায়েল যৌথ হামলায় তেহরানে প্রথম ক্ষেপনাস্ত্র নিক্ষেপ করে। এতেই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনেই-সহ শীর্ষ একাধিক নেতৃত্ব নিহত হন। এই হামলার আসল উদ্দেশ্য ছিল, ইরানে শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো। ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে সরিয়ে একটি পশ্চিমপন্থী সরকার প্রতিষ্ঠা করা। এই হামলার পরিকল্পনা চলছিল গত কয়েক মাস ধরেই। কিন্তু যুদ্ধ শুরুর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যেই আমেরিকা ও ইজরায়েল বুঝতে পারে যে, তারা এমন এক প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হয়েছে, যারা ডোনাল্ড ট্রাম্প ও নেতানিয়াহুর ধারণার চেয়েও অনেক বেশি সহনশীল ও বিধ্বংসী।

    যুদ্ধের শুরু ও বিস্তার

    ফেব্রুয়ারি ২৮ তারিখে ওয়াশিংটন ও তেল আভিভ যৌথভাবে তেহরান, মিনাবসহ একাধিক শহরে বিমান হামলা শুরু করে। হামলায় নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেই এবং সামরিক ও গোয়েন্দা বিভাগের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। তবে এত বড় আঘাতের পরও তেহরান নতিস্বীকার করেনি। প্রতিশোধে ইরান ইজরায়েল ছাড়াও উপসাগরীয় দেশগুলো—কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব ও জর্ডান—এর দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। আবুধাবিতে ভূপাতিত ড্রোনের ধ্বংসাবশেষে দুজন নিহত হন, আর কুয়েতের শুওয়াইক বন্দরেও হামলার ঘটনা ঘটে। টমাহক ক্ষেপণাস্ত্র, বাঙ্কার-বাস্টার এবং আরও নানা ধরণের মারণাস্ত্রের অবিরাম আঘাতে জর্জরিত হওয়া সত্ত্বেও, ইরান স্বল্পমূল্যের অসংখ্য ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করে উপসাগরীয় দেশগুলোকে নাজেহাল করে চলেছে এবং হরমুজ প্রণালী অবরোধ করে বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের ওপর নিজেদের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছে।

    হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতি

    সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১২টিরও বেশি দেশে প্রায় ৪,৫০০ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ইরানেই মারা গিয়েছেন প্রায় ১,৯০০ জন। লক্ষাধিক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ইরানের দুটি বড় ইস্পাত কারখানা ধ্বংস হয়েছে এবং পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালানো হয়েছে। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহ-কে ঘিরে ইজরায়েলের সঙ্গে লেবাননে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে ১,১০০-র বেশি মানুষ নিহত এবং লক্ষ লক্ষ মানুষ ঘরছাড়া। আমেরিকা-ভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংস্থার মতে, ইরানে এ পর্যন্ত ৩,৩০০-এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে প্রায় ১,৪০০ জনই সাধারণ নাগরিক।

    মার্কিন ক্ষয়ক্ষতি ও ব্যয়

    মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ১০,০০০-র বেশি লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে এবং ইরানের ১৫০টিরও বেশি নৌযান ডুবিয়েছে। প্রাক্তন পেন্টাগন কর্মকর্তা ইলেইন ম্যাককাস্কার-এর মতে, যুদ্ধের প্রথম তিন সপ্তাহেই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষয়ক্ষতির খরচ ১.৪ থেকে ২.৯ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে হতে পারে। এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে যে, আইআরজিসি এবং অন্যান্য সামরিক ইউনিটগুলো কোনও একক বা কেন্দ্রীয় কমান্ড ছাড়াই তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। কূটনৈতিক আঙিনায় ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং দেশটির পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাকের গালিবাফই মূলত নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে।

    অর্থনৈতিক চাপ ও তেলের বাজার

    ইরান তার কৌশলগত অবস্থান ব্যবহার করে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করছে। স্ট্রেইট অফ হরমুজ—যেখানে দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০% তেল পরিবাহিত হয়—সেখানে জাহাজ চলাচলে বাধা দিয়ে তারা সরবরাহ ব্যাহত করেছে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে গিয়েছে। বিশ্ব-বাজারে তেলের দাম ৪০ শতাংশেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় ট্রাম্প শেষমেশ আলোচনার পথে ঝুঁকতে বাধ্য হন। ৬ এপ্রিল পর্যন্ত (মোট ১০ দিন) ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা স্থগিত রাখার ঘোষণা করেন তিনি। এক মাসের মধ্যে এই সংঘাত শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক সংকটে পরিণত হয়েছে। সামরিক, মানবিক ও অর্থনৈতিক—সব দিক থেকেই পরিস্থিতি ক্রমশ আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠছে।

    যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, শান্তি আলোচনা “ভালোই এগোচ্ছে।” তবে ইরান মার্কিন প্রস্তাবকে “একপাক্ষিক ও অন্যায্য” বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে স্ট্রেইট অব হরমুজে পূর্ণ সার্বভৌমত্ব এবং যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ। এদিকে, ইজরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় কোনওরকম শিথিলতা আসবে না। যুদ্ধে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ইরান এখনও অদম্য মনোবলে বলীয়ান। তেহরান বারবার জোর দিয়ে বলেছে যে, এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটবে একমাত্র তাদের শর্তেই। এই ঘোষণার সঙ্গে সাদুর্য রেখে তারা যুদ্ধবিরতির লক্ষ্যে গোপন বা ‘ব্যাক-চ্যানেল’ আলোচনাও শুরু করেছে। তবে এই আপাত শান্তির আড়ালেই লুকিয়ে আছে ইরানে মার্কিন স্থল অভিযানের এক ভয়াবহ আশঙ্কা। যার প্রস্তুতি হিসেবে হাজার হাজার মেরিন সেনা ও প্যারাট্রুপার ইতিমধ্যেই মধ্য এশিয়ার দিকে এগিয়ে আসছে।

    ভারতের কৌশলগত অবস্থানের দিকে তাকিয়ে বিশ্ব

    মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কালো মেঘ ঘনিয়ে আসতেই বিশ্ব রাজনীতির মানচিত্রে ফের একবার উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে ভারতের নাম। সূত্রের খবর, ইরান ও ইজরায়েলের মধ্যে সম্ভাব্য পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধ রুখতে এবার সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে টেলিফোনে দীর্ঘ আলোচনা করেছেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউ ইয়র্ক টাইমসের খবর অনুযায়ী, মোদি ও ট্রাম্পের এই অতি গুরুত্বপূর্ণ ফোনালাপে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি তথা ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ইলন মাস্কও। ২০২৬-এর এই উত্তাল সময়ে দাঁড়িয়ে বিশ্বশান্তি ফেরাতে মোদি-ট্রাম্প-মাস্ক ত্রয়ীর এই ‘কানেকশন’ এক নয়া সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ইরান-ইজরায়েল সংঘাত যাতে কোনওভাবেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, সে বিষয়ে মোদির পরামর্শ চেয়েছেন ট্রাম্প। ভারতের কৌশলগত অবস্থান ও ইরানের সঙ্গে দিল্লির সুসম্পর্ককে কাজে লাগিয়ে যুদ্ধের আগুন নেভাতে মরিয়া আমেরিকা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরান সংকটে ভারতের মধ্যস্থতা এখন বিশ্বের কাছে সবথেকে বড় ভরসা। প্রধানমন্ত্রী মোদি আগেই ‘টিম ইন্ডিয়া’র আদলে বিশ্বব্যাপী সমন্বিত প্রয়াসের কথা বলেছিলেন, এবার ট্রাম্পের সঙ্গে এই কথা সেই পথকেই আরও প্রশস্ত করল।

  • IPl 2026: অপেক্ষার অবসান! বাইশ গজে ফিরছেন কিং কোহলি, আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ মুখোমুখি আরসিবি বনাম এসআরএইচ

    IPl 2026: অপেক্ষার অবসান! বাইশ গজে ফিরছেন কিং কোহলি, আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে আজ মুখোমুখি আরসিবি বনাম এসআরএইচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান! শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএল ২০২৬-এর ১৯তম মরশুম (IPl 2026)। প্রথম ম্যাচেই নামছে বিরাট কোহলির বেঙ্গালুরু (Royal Challengers Bengaluru) এবং ঈশান কিশনের হায়দরাবাদ (SunRisers Hyderabad)। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়া কোহলিকে আবার সংক্ষিপ্ততম ফরম্যাটে দেখা যাবে। গত আইপিএলে আরসিবির হয়ে সর্বোচ্চ রান করেছিলেন বিরাট। ৬৫৭। যা আঠারো বছরের খরা কাটিয়ে আরসিবিকে তাদের প্রথম আইপিএল ট্রফি জিতিয়ে দেয়। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু কোচ অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার এবারও কোহলির সেই রুদ্ররূপ প্রত্যাশা করছেন। তবে, গত জানুয়ারি মাসের পর আর প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ক্রিকেট খেলতে দেখা যায়নি বিরাটকে। কিন্তু তাতে কী? তিনি তো কিং কোহলি।

    কিছুক্ষণ পরই শুরু আইপিএল

    মঞ্চ তৈরি। আর কিছুক্ষণ পরই শুরু আইপিএল (IPl 2026)। এই মরশুমের শুরুটা কিছুটা ব্যতিক্রমী। গত বছরের ট্র্যাজেডির কথা মাথায় রেখে কোনও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান রাখা হয়নি। গতবার আরসিবি-র বিজয় উদযাপনের সময় ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় ১১ জন সমর্থকের মৃত্যু হয়েছিল। তাঁদের স্মৃতিতে আরসিবি ভবিষ্যতে স্টেডিয়ামে ১১টি আসন খালি রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বেঙ্গালুরুতে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা সবসময় থাকে। ম্যাচ চলাকালীন প্রায়শই বৃষ্টি হয়। কিন্তু বেশিক্ষণ না। তবে শনিবারের আবহাওয়া ক্রিকেটের জন্য আদর্শ। আকাশ পরিষ্কার থাকবে। ম্যাচের সময় তাপমাত্রা ২৪ থেকে ২৮ ডিগ্রির মধ্যে ঘোরাফেরা করবে। বাতাসে আর্দ্রতা ৬০ শতাংশ। এদিন ম্যাচ বৃষ্টিতে বিঘ্নিত যাওয়ার সম্ভাবনা নেই বলা যায়। দীর্ঘদিন পর আবার ক্রিকেট ফিরছে বেঙ্গালুরুর স্টেডিয়ামে। একটি হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের অপেক্ষায় থাকবে সবাই।

    হাই-স্কোরিং ম্যাচের ইঙ্গিত

    আরসিবি বনাম এসআরএইচ ম্যাচ মানেই বড় রান—সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এই দুই দলের লড়াইয়ে রানের বন্যা দেখা গেছে। এবারের ম্যাচেও তার ব্যতিক্রম হওয়ার সম্ভাবনা কম। বিশেষ করে দুই দলের বোলিং আক্রমণ কিছুটা দুর্বল হওয়ায় ব্যাটারদের দাপট দেখার আশা করা হচ্ছে। দেখতে গেলে, শক্তি বিচারে দু’টো টিমের ব্যাটিং প্রায় সমানে-সমানে। আরসিবিতে ফিল সল্ট, রজত পাতিদার, ভেঙ্কটেশ আইয়ার, উইল জ্যাকস, বিরাট কোহলিরা রয়েছে। হায়দরাবাদে আবার রয়েছেন অভিষেক শর্মা, ঈশান কিষান, ট্রাভিস হেড, হেনরিক ক্লাসেনরা। আরসিবি ব্যাটিং লাইন-আপে প্রচুর বিকল্প থাকলেও বোলিংয়ে কিছুটা ঘাটতি রয়েছে। অন্যদিকে এসআরএইচ-ও তাদের অধিনায়ক প্যাট কামিন্স-কে প্রথমদিকে পাচ্ছে না, যা তাদের বোলিং শক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে। এই মরশুমের প্রথম ভাগে এসআরএইচ-কে নেতৃত্ব দেবেন ঈশান কিষাণ। তাঁর এই নতুন দায়িত্ব নিয়ে আগ্রহ তৈরি হয়েছে ক্রিকেটমহলে। যদিও তিনি ঘরোয়া ক্রিকেটে সফল নেতৃত্ব দিয়েছেন। তবে আইপিএল-এর চাপ সম্পূর্ণ ভিন্ন।

  • Assembly Elections 2026: নির্বাচনের আগে ও পরে হিংসা আটকাতেই হবে! পুলিশকে কড়া নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

    Assembly Elections 2026: নির্বাচনের আগে ও পরে হিংসা আটকাতেই হবে! পুলিশকে কড়া নির্দেশিকা নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন নির্বাচন (Assembly Elections 2026)। ভোটের মুখে রাজ্য পুলিশের শীর্ষকর্তা থেকে নিচু স্তরের কর্মীদের একগুচ্ছ নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। জামিন অযোগ্য পরোয়ানা কার্যকর করা নিয়েও কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে কমিশনের। সূত্রের খবর, গত নির্বাচনের সময় যে সব অপরাধমূলক মামলা হয়েছিল সেগুলির তদন্ত দ্রুত শেষ করতে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। চার্জশিট বা ফাইনাল রিপোর্ট জমা দিতে হবে। পাশাপাশি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এসডিপিও-দেরও। পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের চিঠি দিয়েছে কমিশন। এসডিপিও-দের নিজের কর্মক্ষেত্রের পাশের মহকুমা ও জেলার পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করতে হবে। নির্বাচন কমিশনের লক্ষ্য একটাই ভোট যেন হয় সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ।

    এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নির্দেশিকা

    রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী দফতরের তরফে কড়া নির্দেশিকা, আগেরবারের ভোটের (Assembly Elections 2026) সময় দায়ের হওয়া সমস্ত ফৌজদারি মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে হবে। সমস্ত জামিন-অযোগ্য ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে হবে। কোনও ওয়ারেন্ট ১০ দিনের বেশি ঝুলিয়ে রাখা যাবে না বলেও নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। এছাড়া, থানায় থানায় সমস্ত ঘোষিত ‘পলাতক’ ও ‘ওয়ান্টেড’ আসামিদের তালিকা তৈরি করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশ, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের তরফে সমস্ত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অতীতে যে সব জায়গায় রাজনৈতিক সংঘর্ষ, বিক্ষোভ বা গোলমালের ইতিহাস রয়েছে সেখানে বিশেষ পদক্ষেপ করতে হবে। কারা সম্ভাব্য গোলমালকারী, তাও চিহ্নিত করে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

    অপরাধপ্রবণ ও মাদক কারবারিদের চিহ্নিত করতে হবে

    নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশ, অপরাধপ্রবণ ও মাদক কারবারিদের এলাকা চিহ্নিত করে, সেখানে সারাক্ষণ টহল ও পিকেটিং চালাতে হবে। দুষ্কৃতী বা সমাজবিরোধীরা থাকতে পারে এমন সন্দেহজনক হোটেল, বার, ধর্মশালা ইত্যাদি জায়গায় নিয়মিত তল্লাশি চালাতে হবে। নির্বাচনী অপরাধ বা আইনশৃঙ্খলার ঘটনার খবর পেলেই দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যেতে হবে এবং সঙ্গে সঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে লুক আউট নোটিস জারি করতে হবে পুলিশকে।

    আন্তঃজেলাভিত্তিক নাকা চেকিং

    আন্তঃজেলাভিত্তিক বেআইনি কার্যকলাপ, বিশেষ করে অবৈধ মদের কারবারের তথ্য দুই জেলার পুলিশদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। সেইসঙ্গে আন্তঃজেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমান্তে দিনরাত নাকা চেকিং চালু রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে, সীমান্তবর্তী সমস্ত রাস্তা, একাধিক লিঙ্ক রোড ও কাঁচা রাস্তায় পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নজরদারি জারি রাখতে হবে, নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। থানায় থানায় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, নাকা পয়েন্টে গাড়িতে গাড়িতে তল্লাশি জোরদার করতে হবে। নাকায় লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরা ২৪ ঘণ্টা সচল আছে কি না, তাও নিশ্চিত করতে হবে।

    রাজনৈতিক সভায় নজরদারি

    রাজনৈতিক দলের সভা-জমায়েতও নজর রাখতে বলা হয়েছে। প্রার্থী, সভা, রোড শো, পথসভা ইত্যাদির নিরাপত্তা নিয়মিত খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের তরফে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, ভোটের প্রচারে আসা হুমকির মুখে থাকা ভিআইপি বা নিরাপত্তাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। পর্যবেক্ষক ও নির্বাচন আধিকারিকদের সফরেও তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচন সংক্রান্ত অপরাধ ঘটলে দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে পুলিশকে।

    কমিশনের নিয়ন্ত্রণে

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) স্পষ্ট বার্তা, ভোটের সময় সকল সরকারি কর্মচারী কমিশনের অধীনে কাজ করেন। তাঁরা কমিশনের নিয়ন্ত্রণে থাকেন। তাই তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে কমিশন। কমিশনের বার্তা, এই নির্দেশ শুধু কাগজে নয়, বাস্তবেও কঠোর ভাবে পালন করতে হবে। যদি কেউ নিজের কাজ ঠিক ভাবে না করেন, তা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে। শুধু ভোটের দিনেই নয়, ভোট পরবর্তী পরিস্থিতিতেও সতর্ক থাকতে হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। গণনা পর্ব শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে নজরদারি চালিয়ে যেতে হবে ও প্রয়োজনে দ্রুত রিপোর্ট পাঠাতে হবে কমিশনের কাছে।

    বুথে বুথে ওয়েবকাস্টিং পরিকাঠামো

    ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে রাজ্য জুড়ে। স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা হয়েছে একাধিক নির্দেশ। প্রচারের উত্তাপে জমে উঠেছে রাজনৈতিক ময়দান। ঠিক এই আবহেই ভোট প্রক্রিয়াকে নিখুঁত ও নিরপেক্ষ রাখতে একের পর এক কড়া পদক্ষেপ করছে নির্বাচন কমিশন। বুথে পাঁচ মিনিট ক্যামেরা বন্ধ থাকলে রিপোল হতে পারে বলে জানিয়েছে কমিশন। সেই মর্মেই এবার বুথে বুথে ওয়েবকাস্টিং পরিকাঠামো তৈরি করা হচ্ছে।

    বিশেষ পর্যবেক্ষকদের দায়িত্ব

    কমিশন সূত্রে খবর, সাধারণ নির্বাচন হোক বা উপনির্বাচন, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার গুরুদায়িত্ব থাকবে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের উপর। বিশেষ করে স্পর্শকাতর ও অশান্তি প্রবণ এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় রেখে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ভোটের আগেই সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘুরে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে হবে। বুথভিত্তিক প্রস্তুতি যাচাইয়ের পাশাপাশি ভোটের দিন সার্বক্ষণিক নজরদারি চালাতে হবে। কোথাও কোনও অনিয়ম বা অভিযোগের খবর মিললেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। একই সঙ্গে ভোটারদের নিরাপদ ও নির্ভয়ে ভোটদানের পরিবেশ নিশ্চিত করাও পর্যবেক্ষকদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব।

     

     

     

     

  • Assembly Election 2026: কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণ! রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব কমিশনের

    Assembly Election 2026: কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মুখ্যমন্ত্রীর আক্রমণ! রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2026) আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে পরোক্ষে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি নকশালবাড়িতে জনসভা করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী। সেই সভার একটি বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এনিয়ে রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে দিল্লি থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠানো হয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ

    অভিযোগ, গত ২৫ মার্চ দার্জিলিং জেলার নকশালবাড়ির নন্দপ্রসাদ গার্লস’ হাই স্কুলের মাঠে একটি জনসভায় কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই সভায় তিনি সিআরপিএফ জওয়ানদের উদ্দেশে পরোক্ষ ভাবে হুঁশিয়ারি দেন এবং মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে বলেন। প্রয়োজনে গৃহস্থালির রান্নার সামগ্রী ব্যবহার করার কথাও উল্লেখ করেন বলে অভিযোগ। এক্ষেত্রে, সিআরপিএফ জওয়ানেরা যদি পরিস্থিতি সামাল দিতে হস্তক্ষেপ করেন, তবে তাঁরা আইনি জটিলতা বা ফৌজদারি অভিযোগের মুখে পড়তে পারেন বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। কমিশনের মতে, ওই মন্তব‍্যকে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। তাই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব

    উল্লেখ্য, গত ২৫ মার্চ দুপুরে মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি কেন্দ্রের প্রার্থী শঙ্কর মালাকারের সমর্থনে সভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে মা-বোনেদের ভোটকেন্দ্র পাহারার দায়িত্ব দেন তিনি। যত ক্ষণ না ইভিএম গণনা কেন্দ্রে পৌঁছে যাচ্ছে তত ক্ষণ হাতা-খুন্তি নিয়ে সেখানে পাহারা দেওয়ার কথাও বলেন তৃণমূল নেত্রী। মমতার আশঙ্কা, ভোট লুট হতে পারে, কেউ ভয় দেখাতে পারে। তাই মা-বোনেদের কেউ ভয় দেখাতে এলে রান্না ঘরের নানা সামগ্রী নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে বলেছেন তিনি। এনিয়ে বিরোধীদের তরফে অভিযোগ করা হয়েছিল। আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। যেহেতু এখানে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে নিয়ে বলা হয়েছে, বাহিনীর জওয়ানরা কোনও সংঘাতের পরিস্থিতিতে হস্তক্ষেপ করলে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে মনে করছে কমিশন। সেই কারণে কমিশন ইতিমধ্যে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছেন। এই রিপোর্ট গেলেই বোঝা যাবে নির্বাচন কমিশন কী পদক্ষেপ নেয়।

  • Amit Shah in Bengal: ঝেঁপে বৃষ্টি সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া, দুর্যোগের মধ্যে কলকাতার আকাশে চক্কর কাটল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিমান

    Amit Shah in Bengal: ঝেঁপে বৃষ্টি সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া, দুর্যোগের মধ্যে কলকাতার আকাশে চক্কর কাটল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিমান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্যোগের মুখে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। খারাপ আবহাওয়া, দুর্যোগের কারণে বিমানবন্দরে অবতরণে বাধা, মাঝ আকাশেই চক্কর খেতে হল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। দীর্ঘক্ষণ আকাশে পাক দেওয়ার পর অবশেষে রাত ১টা ২০ মিনিট নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে অবতরণ করে অমিত শাহের (Amit Shah in Bengal) চার্টার্ড বিমান। বঙ্গ সফরে এসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আজ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে তাঁর চার্জশিট প্রকাশ করার কথা। এর আগে বৃহস্পতিবার পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে কর্মসূচি সেরে কলকাতায় ফিরতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিমানও ঝড়বৃষ্টির মুখে পড়েছিল।

    ৪৫ মিনিট মাঝ আকাশে চক্কর

    শুক্রবার রাত পৌনে ১২টা নাগাদ কলকাতায় শাহের বিমান অবতরণ করার কথা ছিল, তবে খারাপ আবহাওয়ার কারণে দেরি হচ্ছিল। রাত ১২টা ২৫ মিনিট নাগাদ কলকাতায় আসে বিমান, কিন্তু লাগাতার প্রবল ঝড়-বৃষ্টির কারণে অবতরণ করা যাচ্ছিল না। জানা গিয়েছে, মধ্যরাতে যখন কলকাতায় তুমুল ঝড়বৃষ্টি হচ্ছে, সেই সময় ঠাকুরনগরের আকাশে চক্কর খায় অমিত শাহের বিমান। ঠাকুরনগরের কাছ থেকে ভীমপুরের আকাশে এক পাক ঘোরে বিমানটি। এরপর সেখান থেকে ধুবুলিয়ার দিকে যায়। প্রতিকূল আবহাওয়া, প্রবল ঝড়-বৃষ্টি ও বজ্রপাতের কারণে বেথুয়াডহরির আকাশেও চক্কর খেতে হয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিমানকে। অবশেষে রাত ১টা ২০ মিনিট নাগাদ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিমানটি অবতরণ করে। দুর্যোগের কারণে প্রায় ৪৫ মিনিট মাঝ আকাশে চক্কর খায় বিমানটি।

    কেন সমস্যা হচ্ছিল

    সাধারণত বিএসএফের বিমানে যাতায়াত করেন শাহ। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী আচরণবিধির কারণে শুক্রবার তিনি সেই বিমানে আসেননি। এসেছেন ছোট আকারের একটি বেসরকারি বিমানে। সেই কারণেই দুর্যোগে তা অবতরণ করাতে সমস্যায় পড়েছিলেন পাইলটেরা। শাহের সঙ্গে তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা ছিলেন। বিমানবন্দরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সহ রাজ্য বিজেপির নেতৃত্বরা।

    রাতেই ঝেঁপে বৃষ্টি, বিপর্যস্ত শহর

    দিনভর গুমোট গরমের পর রাতেই ঝেঁপে বৃষ্টি (Rain in Kolkata) নেমেছিল কলকাতা ও শহরতলিতে। সঙ্গে ছিল অনবরত মেঘের গর্জন। ঝড়ও ওঠে। উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় মুষলধারে বৃষ্টি শুরু হয়। দুর্যোগের কারণে অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর রাতে ছয় জেলায় লাল সতর্কতা জারি করে। সেই তালিকায় কলকাতাও ছিল। লাল সতর্কতা জারি করা হয় হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে। শুক্রবার রাতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হয়েছে বেহালা, গড়িয়া, বরানগর, যাদবপুর, কালিকাপুর, নিউ টাউন, কালিন্দিতে। ডানকুনি, শ্যামনগরের মতো এলাকায় ঝড়বৃষ্টি শুরু হওয়ার পর থেকেই বিদ্যুৎ পরিষেবা বিঘ্নিত হয়। ডানলপ, সিঁথির মতো এলাকায় বজ্রপাতের সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার শোঁ শোঁ শব্দও শোনা গিয়েছে। টেকনিশিয়ান স্টুডিয়োর সামনে উত্তম কুমার সরণিতে একটি গাড়ির উপরে গাছ পড়ে যায়। শুক্র বার রাতে গল্ফগ্রিনেও গাছ পড়ার ঘটনা ঘটেছে। ঝড়বৃষ্টির জেরে এন্টালিতে একটি পাঁচিল ভেঙে গিয়েছে।

LinkedIn
Share