Author: ishika-banerjee

  • Assembly Election 2026: বাংলার ছাড়াও অসম, কেরলম, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে  চলছে গণনা, সেখানেও ক্ষমতায় কে, জানা যাবে আজ

    Assembly Election 2026: বাংলার ছাড়াও অসম, কেরলম, তামিলনাড়ু ও পুদুচেরিতে চলছে গণনা, সেখানেও ক্ষমতায় কে, জানা যাবে আজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার পাশাপাশি আজ ভোটগণনা (Assembly Election 2026) চলছে আরও ৩ রাজ্য ও ১টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও আজ সকাল থেকেই ভোটগণনা শুরু হয়েছে। অসমে বিজেপি সরকার ফিরে আসার বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী। তামিলনাড়ুতে এমকে স্ট্যালিনের প্রত্যাবর্তন ঘটতে পারে। কেরলের ভোটের ফলাফলে আপাতত পিছিয়ে বামেরা। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ ১০ বছর পরে ক্ষমতায় ফিরতে চলেছে বলে এগজিট পোলে পূর্বাভাস মিলেছে। নির্বাচন কমিশনের (ECI) সরকারি ওয়েবসাইট eci.gov.in-এ নাগরিকরা সোমবার সকাল ৮টা থেকে সরাসরি ফলাফলের লাইভ আপডেট দেখতে পাবেন।

    কোথায় কে এগিয়ে

    কমিশন সকাল সকাল সাড়ে ৯টায় যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে, সেই অনুসারে, অসমে ১৬টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। কেরলে ২৪টি আসনে এগিয়ে কংগ্রেস জোট। তামিলনাড়ুতে ৯টি আসনে আপাতত এগিয়ে এডিএমকে। টিভিকে পাঁচটি আসনে এগিয়ে। পুদুচেরিতে এনডিএ এগিয়ে ২টি আসনে। অসমের জালুকবাড়ি আসনে এগিয়ে হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। জোরহাটে এগিয়ে কংগ্রেসের গৌরব গগৈ। তামিলনাড়ুর বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী স্ট্যালিন এগিয়ে। উদয়নিধি স্ট্যালিনও এগিয়ে। পেরাম্বুর আসনে এগিয়ে বিজয়। তবে ত্রিচিতে পিছিয়ে।

    অসমে ফের বিজেপি

    ২০১৬, ২০২১ সালের পরে আবার অসমে ক্ষমতা দখল করতে চলেছে বিজেপি। গত দু’বার অসম গণপরিষদের সঙ্গে জোট গড়ে সরকারে এসেছিল বিজেপি। তবে মনে করা হচ্ছে, এবার একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ক্ষমতায় আসবেন হিমন্ত। কংগ্রেসের জন্য বড় পরীক্ষা অসমে। অসমে ১৯৫১ সালের পর থেকে সর্বোচ্চ ৮৫.৩৮ শতাংশ ভোট পড়েছে। ভোটের দিন রাজ্যে হিংসার ঘটনায় কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। অসমে ৬৮টি আসনে এগিয়ে বিজেপি। অসমে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ৬৪ আসনের সীমা অতিক্রম করে ফেলেছে ইতিমধ্যেই । কংগ্রেস জোট এগিয়ে ১৯টি আসনে।

    জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা

    কেরলে ভোটগণনার জন্য নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তামিলনাড়ুতে চলছে ত্রিশঙ্কু লড়াই। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে ছয়টি গণনা কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে দেশের এই ৩ রাজ্য ও ১টি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের আগামী ৫ বছরের ভবিষ্যৎ। কেরলের ১৪০টি আসনে গত ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে ৭৯.৬৩ শতাংশ মানুষ ভোট দিয়েছেন। সেখানে মূল লড়াই বামপন্থী এলডিএফ (LDF) এবং কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউডিএফ-এর (UDF) মধ্যে। তামিলনাড়ুতে ২৩ এপ্রিল এক দফায় ভোট হয়েছে এবং সেখানে ৮৪.৬৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। এনডিএ (NDA) ও ইন্ডিয়া (INDIA) জোটের পাশাপাশি অভিনেতা বিজয়-এর দলের উপস্থিতিতে সেখানে ত্রিমুখী লড়াইয়ের সম্ভাবনা প্রবল। পুদুচেরিতেও রেকর্ড ৮৯.৮৭ শতাংশ ভোট পড়েছে, যেখানে বিশেষভাবে নজর কেড়েছে তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারদের ৯১.৮১ শতাংশ অংশগ্রহণ। সব মিলিয়ে, সোমবারের ফলাফল ভারতের জাতীয় রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে চলেছে।

  • India Bangladesh Relation: ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কে বরফ গলছে, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ভিসা পরিষেবা

    India Bangladesh Relation: ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্কে বরফ গলছে, ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে ভিসা পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ কয়েক মাসের টানাপোড়েনের পর আবারও সম্পর্কের উন্নতির পথে হাঁটছে ভারত ও বাংলাদেশ (India Bangladesh Relation)। মহম্মদ ইউনূসের পরবর্তী জমানায় ঢাকায় নতুন সরকারের গঠন ঘিরে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক ইতিবাচক দিকে মোড় নিয়েছে। এরই অংশ হিসেবে দুই দেশ ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য এরই মধ্যে বাংলাদেশ ভারতীয় নাগরিকদের স্বার্থে সব ধরনের ভিসা পুনরায় চালু করেছে। অন্যদিকে, ভারত সরকারও ধাপে ধাপে তাদের ভিসা কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

    বাংলাদেশে ভারতীয়দের জন্য ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি চালু

    বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সব ধরনের ভিসা দেওয়া শুরু করেছে। নয়াদিল্লি, কলকাতা, আগরতলা, মুম্বই এবং চেন্নাইয়ের ভিসা সেন্টারগুলো এখন পুরোপুরি কার্যকর। বাংলাদেশের হাই কমিশনার রিয়াজ হামিদুল্লাহ (Riaz Hamidullah) জানিয়েছেন, গত ডিসেম্বর মাসে যে পরিষেবাগুলি বন্ধ হয়েছিল, সেগুলি ফেব্রুয়ারি থেকেই ধাপে ধাপে চালু হয়েছে। গত দুই মাসেই ১৩ হাজারের বেশি ভারতীয় নাগরিককে পর্যটন, ব্যবসা, চিকিৎসা এবং পারিবারিক কারণে ভিসা দেওয়া হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, নয়াদিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাই কমিশন এবং ত্রিপুরার আগরতলায় অবস্থিত বাংলাদেশের সহকারী হাই কমিশন থেকে ফের ভারতীয় নাগরিকেরা বাংলাদেশের ভিসা পাবেন। ভিসা ও দূতাবাস সংক্রান্ত (কনস্যুলার) অন্যান্য সুযোগসুবিধা ভারতীয়দের জন্য ফের চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা।

    ভেবেচিন্তে এগোচ্ছে ভারতও

    বাংলাদেশ দ্রুত সিদ্ধান্ত নিলেও ভারত এখনও সতর্ক অবস্থান নিচ্ছে। বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা প্রক্রিয়াকরণ বর্তমানে আগের তুলনায় মাত্র ১৫–২০ শতাংশ হারে চলছে। জরুরি ও চিকিৎসাজনিত আবেদনগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি ভারতের সফরে এসে ভিসা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমান (Khalilur Rahman)। এর কিছুদিন পরই ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি (Vikram Misri) ঢাকায় যান। তিনি লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Tarique Rahman) শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। সূত্রের খবর, আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ভিসা পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক করার লক্ষ্যে কাজ চলছে। এছাড়া নতুন ভারতীয় হাই কমিশনার হিসেবে দীনেশ ত্রিবেদীর (Dinesh Trivedi) নিয়োগ এই প্রক্রিয়াকে আরও দ্রুত করবে বলে মনে করা হচ্ছে। হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর বাংলাদেশে নানাবিধ অশান্তির প্রেক্ষাপটে ভারত সরকার বাংলাদেশিদের ভিসা পরিষেবায় কড়াকড়ি করেছিল। কেবল চিকিৎসার প্রয়োজন এবং ‘ডবল-এন্ট্রি’ ছাড়া বাকি সব ধরনের ভিসা পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল অনির্দিষ্ট কালের জন্য। তবে এ বার সেই পরিষেবাও চালু হচ্ছে। সে দেশে অবস্থিত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত অনিরুদ্ধ দাস জানিয়েছেন, ভিসা পরিষেবা চালু করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।

    ফের পর্যটনে সাড়া

    বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের অন্যতম বড় বিদেশি পর্যটক উৎস। ২০২৩ সালে প্রায় ২১.২ লক্ষ বাংলাদেশি ভারতে এসেছিলেন, যা ২০২৪ সালে কমে দাঁড়ায় ১৭.৫ লক্ষে। তবে ২০২৫ সালে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ভিসা সীমাবদ্ধতার কারণে এই সংখ্যা তীব্রভাবে নেমে আসে প্রায় ৪.৭ লক্ষে। চট্টগ্রাম ও সিলেটের মতো শহরে ভারতীয় মিশনের সামনে বিক্ষোভের জেরে পরিষেবা কমানো হয়েছিল। কূটনৈতিক মহলের মতে, ভিসা পরিষেবা সহজ করা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার প্রথম ধাপ। এর পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং জ্বালানি সহযোগিতা বাড়ানোর দিকেও নজর দিচ্ছে দুই দেশ। সম্প্রতি পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের সময় বাংলাদেশে জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারত ডিজেল সরবরাহ করেছে। সব মিলিয়ে, নয়াদিল্লি ও ঢাকা—দুই পক্ষই সম্পর্ক নতুন করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে এগোচ্ছে, যা ভবিষ্যতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে পারে।

  • Islamabad: পরপর খতম ৩ জঙ্গি! পাকভূমে ‘অজ্ঞাত হামলা’য় মৃত কাশ্মীরে বহু সন্ত্রাসের মাস্টারমাইন্ড সাজ্জাদ

    Islamabad: পরপর খতম ৩ জঙ্গি! পাকভূমে ‘অজ্ঞাত হামলা’য় মৃত কাশ্মীরে বহু সন্ত্রাসের মাস্টারমাইন্ড সাজ্জাদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে (Pakistan) ফের সক্রিয় অজ্ঞাত হামলাকারীদের রহস্যময় নেটওয়ার্ক। রহস্যমৃত্যু আরও এক ভারতশত্রুর। দিল্লির হিট লিস্টে থাকা হিজবুল মুজাহিদিন জঙ্গি সাজ্জাদ আহমেদের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। দাবি করা হচ্ছে, পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে কোনও অজ্ঞাত আততায়ীর হামলায় মৃত্যু হয়েছে এই জঙ্গির। জানা যাচ্ছে, কাশ্মীরি এই জঙ্গি উপত্যকায় একাধিক সন্ত্রাসী হামলার মাস্টারমাইন্ড। তার মৃত্যু পাকিস্তানে সক্রিয় ভারত-বিরোধী নেটওয়ার্কের জন্য বিরাট ধাক্কা।

    অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে হামলা

    সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক টার্গেটেড হামলায় লস্কর ও জইশ-ই-মহম্মদের মতো জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের হত্যা করা হচ্ছে। এবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে, অজ্ঞাত বন্দুকধারীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন হিজবুল মুজাহিদিনের এক কমান্ডার সাজ্জাদ আহমেদ। এ নিয়ে পাকিস্তানের তরফে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি। তবে স্থানীয় প্রশাসন মৃত্যুর (Death) কারণ খতিয়ে দেখার পাশাপাশি তদন্ত শুরু করেছে বলে খবর। অনেকে মনে করছেন, এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে থাকতে পারে অভ্যন্তরীণ কোনও সংঘাত। সাজ্জাদের প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর নামে এক ব্যক্তি এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। জানা গিয়েছে, সাজ্জাদ আদতে কাশ্মীরের বাসিন্দা ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে ভারত-বিরোধী জঙ্গি কার্যকলাপে যুক্ত ছিল। তার ঘনিষ্ঠদের মতে, আততায়ীরা অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায় এবং ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

    কে এই সাজ্জাদ

    সাজ্জাদ আহমেদ কাশ্মীরের বারামুলার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরেই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ১৯৯৭ সালে জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ধীরে ধীরে সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে উঠে আসে সাজ্জাদ। এরপর ধীরে ধীরে হিজবুল মুজাহিদিনে সক্রিয় হয়ে ওঠে। বলা হচ্ছে, বর্তমানে সে সংগঠনে কমান্ডার স্তরের দায়িত্বে ছিল। কয়েক বছর আগে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে চলে যায় সাজ্জাদ। সেখানে বসেই ভারতীয় বিরোধী সন্ত্রাসী কার্যকলাপে নামে। সূত্রের খবর, জম্মু ও কাশ্মীর-সহ ভারতের নানা প্রান্তে জঙ্গি হামলার ষড়যন্ত্র ও তা বাস্তবায়নে বড় ভূমিকা ছিল এই জঙ্গির। দেশের গোয়েন্দা বিভাগের হিট লিস্টে দীর্ঘদিন ধরে নাম ছিল এই জঙ্গির। ভারতে সন্ত্রাসী হামলাগুলির অন্যতম অপারেটর হিসেবে গণ্য করা হত এই জঙ্গিকে। তার মৃত্যু দেশের নিরাপত্তা বিভাগের জন্য নিশ্চিতভাবে স্বস্তির।

    ভারত-বিরোধীদের মৃত্যু

    সাম্প্রতিক সময়ে পাকভূমে অজ্ঞাত বন্দুকবাজের হামলায় মৃত্যু হয়েছে একাধিক ভারত-বিরোধী সন্ত্রাসীর। আড়ালে থাকা এই হামলাকারীদের হিরো হিসেবে গণ্য করছে ভারতের জনগণ। সাজ্জাদের হত্যাও এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন গত কয়েকদিনে পাকিস্তানে বেশ কয়েকজন বড় জঙ্গি নেতা রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মারা গিয়েছে।

    শেখ ইউসুফ আফ্রিদির হত্যা: সম্প্রতি পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে অজ্ঞাত হামলায় মৃত্যু হয়েছিল লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি সংগঠনের অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার শেখ ইউসুফ আফ্রিদির। জানা যায়, খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে লস্করের সংগঠনের প্রধান ছিল আফ্রিদি। মূলত এখান থেকে মুজাহিদদের (আত্মঘাতী জঙ্গি) প্রশিক্ষণ দিয়ে কাশ্মীর-সহ অন্যান্য জায়গায় পাঠানোর দায়িত্ব ছিল এর উপরেই। বহুবার হাফিজ সইদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা এই আফ্রিদিকে।

    সালমান আজহারের মৃত্যু: দু’দিন আগে জইশ-ই-মহম্মদের শীর্ষ কমান্ডারদের মধ্যে অন্যতম সালমান আজহারের মৃত্যুও আলোচনার কেন্দ্রে ছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, একটি অজ্ঞাত গাড়ির ধাক্কায় তার মৃত্যু হয়। সালমান আজহারকে জইশ প্রধান মাসুদ আজহারের ঘনিষ্ঠ বলে মনে করা হত। তাকে বাহাওয়ালপুরের সুবহানআল্লাহ মরকজে কবর দেওয়া হয়েছে।

    ২০১৯ সাল থেকে চলছে রহস্যজনক হত্যার ধারা

    বিশ্লেষকদের মতে, ২০১৯ সালের পর থেকে পাকিস্তানে টার্গেট কিলিংয়ের মাধ্যমে অনেক জঙ্গিকে নিশানা করা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ২০ জনেরও বেশি জঙ্গি অজ্ঞাত আততায়ীদের হাতে মারা গিয়েছে। আশ্চর্যের বিষয় হল, এই ঘটনাগুলি নিয়ে পাকিস্তান সরকার বা তাদের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে খুব কমই সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তদন্তের অবস্থাও স্পষ্ট নয়। গোয়েন্দা সংস্থাগুলির রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানে লস্কর এবং জইশের মতো সংগঠনের হাজার হাজার জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে। এই সংগঠনগুলির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরেই ভারতে জঙ্গি কার্যকলাপে মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, পাকিস্তানের পঞ্জাব, গিলগিট এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীর (POK) এলাকায় অনেক ট্রেনিং ক্যাম্প সক্রিয় রয়েছে, যেখানে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। আসলে পাকিস্তানে হাজার হাজার জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে। তাদের মৃত্যু নিয়ে তদন্ত হলে আরও সমস্যায় পড়তে পারে পাক সরকার। তাই পুরোটাই লুকিয়ে রাখার চেষ্টা হয়।

  • Assembly Election 2026: ভোট গণনা নিয়ে সতর্ক বিজেপি, কর্মীদের প্রস্তুত করতে বিশেষ কর্মশালা

    Assembly Election 2026: ভোট গণনা নিয়ে সতর্ক বিজেপি, কর্মীদের প্রস্তুত করতে বিশেষ কর্মশালা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী। মানুষও ঢেলে ভোট (Assembly Election 2026) দিয়েছেন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাতে সফল কমিশন। ৪ মে হবে ভোট গণনা। ভোট গণনার সময় যাতে কোনওরকম কারচুপি তৃণমূল না করতে পারে তাই কাউন্টিং নিয়ে সতর্ক বিজেপি। শিলিগুড়ি ও মালদায় বিশেষ বৈঠকে বসেছে গেরুয়া শিবির। শিলিগুড়ি, মালদায় এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদব। এ প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা ও প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ বলেন, ‘‘এটা সাংগঠনিক মিটিং। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এসেছিলেন। মূলত, ভোটদান হওয়ার পর আর যে যে বিষয় নিয়ে প্রস্তুতি..কাউন্টিংয়ের প্রস্তুতি-সহ…কীভাবে আমরা সাংগঠনিক যে দায়-দায়বদ্ধতা রয়েছে সেগুলো পালন করব, মূলত এটা রেগুলার অর্গানাইজেশনাল মিটিং। যেখানে প্রাথমিক কিছু কথা বলা হয়েছে। তারপরে আমরা আমাদের যে কাজ দেওয়া হয়েছে সেগুলি করব।’’

    গণনাকে কেন্দ্র করে বিশেষ কর্মশালা

    গণনাকে কেন্দ্র করে বিশেষ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে বিজেপির তরফ থেকে। ১০টি সাংগঠনিক বিভাগের জন্য ১০টি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের নেতৃত্বে শিলিগুড়ি ও মালদায় কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল। শিলিগুড়িতে যে কর্মশালার আয়োজন করা হয় সেখানে- শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার…এই পাঁচ সাংগঠনিক জেলার অন্তর্গত ২৮টি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপির গণনাকর্মীরা ছিলেন। তাঁদের নিয়ে কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এখানে ভূপেন্দ্র যাদব ছাড়াও সাংসদদের মধ্যে মনোজ টিগ্গা, জয়ন্ত রায়-রা উপস্থিত ছিলেন। এরপরেই ভূপেন্দ্র যাদব চলে যান মালদায়। একইভাবে সেখানেও ২৮টি বিধানসভা কেন্দ্রের গণনাকর্মীদের নিয়ে আরও একটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছিল।

    গণনাকর্মীদের নিয়ে দুই দিন কর্মশালা

    সার্বিকভাবে রাজ্য বিজেপির তরফে জানা যাচ্ছে, ১০টি বিভাগে এভাবেই ২৮-৩০টি করে বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে আলোচনা হবে। গণনাকর্মীদের নিয়ে দুই দিন কর্মশালার করা হবে। সেখানে গণনা-কর্মীদের বিশেষভাবে প্রস্তুত করবে বিজেপি নেতৃত্ব। ভোট শেষ হয়ে গেছে। দুই দফায় রেকর্ড হারে ভোট পড়েছে রাজ্যজুড়ে। যা নিয়ে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের বাকি পর্বটুকু নির্বিঘ্নে শেষ করতে মরিয়া তারা। অর্থাৎ, গণনাও যাতে সুষ্ঠুভাবে হয়। কিন্তু, তার আগে কলকাতা থেকে জেলা, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে স্ট্রংরুমকে কেন্দ্র করে নানা অভিযোগ সামনে আসছে। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ লেগেই রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন তৃণমূল কংগ্রেস দলীয় কর্মীদের সতর্ক করছে, অন্যদিকে সতর্ক রয়েছে অন্যান্য দলও। মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটদানের পর রাজ্যে বিজেপির সরকার গড়া এখন শুধুই সময়ের অপেক্ষা।

  • Donald Trump: ট্রাম্প কি ‘মানসিকভাবে সুস্থ?’ মার্কিন আইনপ্রণেতার প্রশ্নে ক্ষিপ্ত আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    Donald Trump: ট্রাম্প কি ‘মানসিকভাবে সুস্থ?’ মার্কিন আইনপ্রণেতার প্রশ্নে ক্ষিপ্ত আমেরিকার প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)-এর মানসিক স্থিতিশীলতা নিয়ে সরব হলেন বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা। কংগ্রেসের শুনানিতে (US Congress) এই প্রশ্ন ঘিরে তীব্র বাকবিতণ্ডা দেখা যায়। প্রশ্নের মুখে পড়েন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ (Pete Hegseth)। ইরানকে কেন্দ্র করে চলা সংঘাতের আবহে ট্রাম্পের সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য—বিশেষ করে “পুরো সভ্যতা শেষ হয়ে যাবে” এই ধরনের হুমকি—নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই প্রেক্ষিতেই কংগ্রেসে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন ডেমোক্র্যাট সাংসদ সারা জেকব্স (Sara Jacobs)। তাঁর প্রশ্ন ছিল, ট্রাম্প কি “কমান্ডার-ইন-চিফ” হওয়ার মতো মানসিকভাবে স্থিতিশীল?

    প্রেসিডেন্টকে রক্ষার চেষ্টা

    ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ-পরিস্থিতির মধ্যে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথকে কংগ্রেসে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘মানসিক স্থিতিশীলতা’ এবং তাঁর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ‘অসংলগ্ন’ পোস্টগুলো নিয়ে কঠোর জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর একটি পোস্টে এমনকি ইরানের ‘পুরো সভ্যতা’ ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন। ক্যাপিটল হিলে শুনানির সময় এই প্রশ্নের জবাবে হেগসেথ যা বলেছেন, তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। সেখানে তিনি সরাসরি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ উত্তর না দিয়ে প্রেসিডেন্টকে রক্ষার চেষ্টা করেন।

    ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রশ্ন

    ভিডিও ক্লিপে দেখা যায়, ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা সারা জেকব্স প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথকে জিজ্ঞেস করছেন, ‘কমান্ডার ইন চিফ’ হওয়ার মতো ট্রাম্প ‘মানসিকভাবে যথেষ্ট স্থিতিশীল’ কি না। সারা বলেন, “আমাদের রাষ্ট্রপতি সম্পর্কে এই প্রশ্নটি করতেও আমার কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষের জীবন ঝুঁকির মুখে, আপনারা কি মনে করেন যে রাষ্ট্রপতি সর্বাধিনায়ক হওয়ার জন্য মানসিকভাবে যথেষ্ট স্থিতিশীল?” এ সময় অনেকটা বিরক্ত মুখে প্রতিরক্ষামন্ত্রী দ্রুত প্রেসিডেন্টের সমর্থনে এগিয়ে আসেন। তিনি উল্টো প্রশ্ন করেন, ট্রাম্পের পূর্বসূরি জো বাইডেনের ক্ষেত্রেও কি চার বছর ধরে একই প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। জেকব্স উত্তর দেন, জো বাইডেন এখন প্রেসিডেন্ট নন। ট্রাম্প দেড় বছর ধরে প্রেসিডেন্টের দায়িত্বে আছেন। রাগান্বিত হেগসেথ বলেন, ‘আপনি কমান্ডার ইন চিফকে যেভাবে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করছেন, আমি সেই পর্যায়ে তর্কে জড়াব না।’ পরে তিনি আরও যোগ করেন, ট্রাম্প একজন ‘অসাধারণ কমান্ডার ইন চিফ, যিনি আমাদের সৈন্যদের স্বার্থকে সবার আগে দেখেন। জেকব্স যুক্তি দেন যে ট্রাম্পের আচরণ নিয়ে উদ্বেগ দলমত নির্বিশেষে সবার মধ্যেই রয়েছে এবং এ প্রসঙ্গে তিনি মার্জোরি টেইলর গ্রিন, ক্যান্ডেস ওয়েন্স, মেগিন কেলি, টাকার কার্লসন, অ্যালেক্স জোনস এবং স্টেফানি গ্রিশামের মতো ব্যক্তিত্বদের সমালোচনার কথা উল্লেখ করেন।

    আমেরিকার সামরিক বাজেট

    হাউস ও সেনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির সদস্যরা ট্রাম্প প্রশাসনের ২০২৭ সালের সামরিক বাজেট প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এই প্রস্তাবে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়িয়ে ঐতিহাসিকভাবে ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। সেনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির সামনে হেগসেথ বলেন, এই রেকর্ড পরিমাণ বাজেটের অনুরোধ বছরের পর বছর ধরে চলা ‘অল্প বিনিয়োগ এবং অব্যবস্থাপনা’ দূর করে ‘আমাদের বাহিনীকে বর্তমান ও ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত করবে।’ হেগসেথ বলেন, ১ লাখ ৫০ হাজার কোটি ডলারের এই বাজেট নিশ্চিত করবে, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সক্ষম সামরিক বাহিনী হিসেবে টিকে থাকবে। মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই প্রস্তাবকে মার্কিন সামরিক শক্তির একটি নতুন যুগের সূচনা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি শিল্প সক্ষমতা, উন্নত অস্ত্রশস্ত্র এবং সৈন্যদের কল্যাণে বিনিয়োগের বিষয়টি তুলে ধরেন। তিনি তরুণ তালিকাভুক্ত কর্মীদের বেতন ৭ শতাংশ বৃদ্ধি করার কথা জানিয়ে বলেন, এই বাজেটের মাধ্যমে ‘নিম্নমানের বা জরাজীর্ণ সব ব্যারাক’ নির্মূল করা হবে। হেগসেথ আরও বলেন, একটি জাতির দ্রুত ও বড় পরিসরে উদ্ভাবন করা, নির্মাণ করা এবং যোদ্ধাদের সংকটকালীন প্রয়োজনগুলো মেটানোর সক্ষমতাই হলো তার প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং টিকে থাকার মূল ভিত্তি।

    ট্রাম্পের মানসিক অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগ কেন

    ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা স্থবির হয়ে পড়ার মধ্যে ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যমে বেশ কিছু হুমকিমূলক এবং উত্তেজনাকর পোস্ট করেন। এর মধ্যে অনেক পোস্ট মাঝরাতে করা হয়েছে, যখন অধিকাংশ মার্কিন নাগরিক ঘুমিয়ে থাকেন, যা তাঁর মানসিক সুস্থতা নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে, এমনই অভিমত সেনেটের। একটি বিশেষ ঘটনায় ট্রাম্প পুরো সভ্যতা ধ্বংস করে দেওয়ার হুমকি দেন। তিনি ঘোষণা করেন, ইরান যদি তাঁর দাবি মেনে না নেয়, তবে ‘এক রাতে একটি আস্ত সভ্যতা ধ্বংস হবে’। ট্রাম্প এআই-প্রযুক্তি দিয়ে তৈরি নিজের একটি ছবিও পোস্ট করেছিলেন, যেখানে তাঁকে যিশুখ্রিষ্টের মতো একটি ঐশ্বরিক অবয়বে দেখানো হয়েছে এবং তাঁর হাত থেকে পবিত্র আলো বিচ্ছুরিত হচ্ছিল। ব্যাপক সমালোচনার মুখে ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত ছবিটি সরিয়ে নেন। তবে নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, ‘ছবিটিতে আমাকে একজন চিকিৎসক হিসেবে দেখানোর কথা ছিল, যে মানুষকে সুস্থ করার কাজ করছে।’

  • Assembly Election 2026: শনি-সকালেও ভোটারদের লম্বা লাইন! মগরাহাট, ডায়মন্ড হারবারের ১৫টি বুথে চলছে পুনর্নির্বাচন

    Assembly Election 2026: শনি-সকালেও ভোটারদের লম্বা লাইন! মগরাহাট, ডায়মন্ড হারবারের ১৫টি বুথে চলছে পুনর্নির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Pargana) দুই গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্রের ১৫টি বুথে নতুন করে ভোট (Repolling) গ্রহণ চলছে। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) নির্দেশ মেনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তায় সকাল ৭টা থেকেই শুরু হয়ে গিয়েছে পুনর্নির্বাচন (West Bengal Assembly Election 2026 Repolling)। ভোটগ্রহণ চলবে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত। মগরাহাট পশ্চিম (Magrahat Paschim) কেন্দ্রের ১১টি বুথে এবং ডায়মন্ড হারবার (Diamond Harbour) কেন্দ্রের ৪টি বুথে পুনর্নির্বাচন চলছে। ফলতার ক্ষেত্রে কোনও সিদ্ধান্তের কথা এখনও জানায়নি নির্বাচন কমিশন।

    কোথায় কোথায় চলছে পুনর্নির্বাচন

    মগরাহাট পশ্চিম কেন্দ্রের ১১টি বুথ যেমন উত্তর ইয়ারপুর এফপি স্কুল, নাজরা এফপি স্কুলের দু’টি বুথ এবং একতারা মালয়া এফপি স্কুলের দু’টি বুথের মতো একাধিক বুথে চলছে ভোটগ্রহণ। অন্যদিকে হাই-প্রোফাইল ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রের ৪টি বুথে পুনর্নির্বাচন। বাগদা জুনিয়র হাই স্কুল এবং রায়নগর এফপি স্কুলের মতো বুথগুলিতে ফের লাইন দিয়েছেন ভোটাররা। শনিবার সকাল থেকেই সারিবদ্ধভাবে ভোট দিতে সামিল হতে দেখা গিয়েছে ভোটারদের। ১৫টি বুথে একই চিত্র দেখা গিয়েছে। নির্বিঘ্নেই চলছে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া। পুনর্নির্বাচনেও তৎপর কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ। বুথের সামনে কোনও জমায়েত করতে দেওয়া হচ্ছে না। এলাকায় জওয়ানরা টহল দিচ্ছেন।

    কেন এই পুনর্নির্বাচন

    কমিশন সূত্রে খবর, সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং অফিসার এবং পর্যবেক্ষকদের দেওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ২৯ এপ্রিল ভোটের দিন এই সব বুথ থেকে গোলমালের খবর এসেছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার মগরাহাট পশ্চিম এবং ডায়মন্ড হারবার বিধানসভা কেন্দ্রের বেশ কিছু বুথে ২৯ এপ্রিলের ভোট বাতিল করা হয়েছে। যাবতীয় পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তবেই পুনর্নির্বাচনের নির্দেশ দিয়েছেন কমিশন। এখনও ফলতা বিধানসভার কোন‌ও বুথে রিপোলের অর্ডার দেওয়া হয়নি। তবে কমিশন সূত্রে খবর, ফলতার একাধিক বুথে গোলযোগের বিষয় নিয়ে স্ক্রুটিনির রিপোর্ট জমা পড়লে সেক্ষেত্রে তারপরেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফলতা বিধানসভার প্রায় ৩০টার বেশি বুথের সিসি ক্যামেরা খতিয়ে দেখা হয়েছে। কোথাও ইভিএমে টেপ লাগানো, কোথাও বুথের সিসি ক্যামেরা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। আবার কোন‌ও বুথে ১০০ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পড়েছে। এই বিষয়গুলিই একাধিকবার খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তারপর সেই রিপোর্ট কমিশনের কাছে জমা দেবেন ফলতা বিধানসভার রিটার্নিং অফিসার, সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে কমিশন।

  • Assembly Election 2026: ইভিএমে টেপ থেকে বন্ধ ক্যামেরা! ডায়মন্ড হারবার-মগরাহাট-পশ্চিম ফলতায় একাধিক বুথে রিপোলের সুপারিশ

    Assembly Election 2026: ইভিএমে টেপ থেকে বন্ধ ক্যামেরা! ডায়মন্ড হারবার-মগরাহাট-পশ্চিম ফলতায় একাধিক বুথে রিপোলের সুপারিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Assembly Election 2026) দিন ফলতায় ইভিএমে টেপ লাগানো শুধু নয় একাধিক বুথে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ক্যামেরাও। রিপোল স্ক্রুটিনিতে উঠে আসছে এমনই কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগ, একাধিক বুথে ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেলেও ওয়েব কাস্টিংয়ের কন্ট্রোল রুমে আসেনি। কারণ, হিসাবে উঠে আসছে নেটওয়ার্ক সমস্যার কথা। তবে, সূত্রের খবর, নেটওয়ার্কের কারণে কন্ট্রোল রুমে ক্যামেরা বন্ধ সংক্রান্ত কোনও তথ্য আসেনি। ফলতার পাশাপাশি নজরে ডায়মন্ড হারবার, মগরাহাট পশ্চিমও। মগরাহাট পশ্চিমের ১১টি বুথে পুনর্নিবাচনের প্রস্তাব উঠেছে।

    ফলতায় বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত

    ফলতায় রয়েছে মোট ২৩৮টি বুথ। সূত্রের খবর, বেশ কিছু বুথে ১০০ শতাংশ ভোট পড়েছে। অনেক জায়গা থেকেই একাধিক অভিযোগ এসেছিল। সন্ধ্যায় তো গোটা ফলতা বিধানসভাতেই পুনর্নিবাচনের দাবি ওঠে। অভিযোগ এতটাই গুরুতর ছিল যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ফোন পেয়ে পরের দিন সরাসরি সেখানে চলেও যান বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত। কমিশনের কর্তা প্রিসাইডিং অফিসারের খাতাও দেখেন। সেখানে দেখা যায় দুপুর ১টা পর্যন্ত তিনি রিপোর্ট পাঠান। সেখানে বলা হয়েছিল ইভিএম থেকে টেপ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। বেলা ১টা পর্যন্ত আবার সেখানে প্রায় ৫৮ শতাংশের বেশি ভোট পড়ে যায়। অর্থাৎ সেই সময় যাঁরা গিয়েছিলেন তাঁরা একটি দল ছাড়া আর কোনও অপশন পাননি বলেই মনে করা হচ্ছে। সে কারণেই পুনর্নিবাচনের দাবি জোরালো হচ্ছে। ফলতায় বুথের সংখ্যা প্রায় ৩০টি বলে জানা যাচ্ছে।সবকটিতেই পুনর্নির্বাচন হতে পারে। কারণ, শুরুতেই কমিশন বলেছিল ক্যামেরা যদি কোনওভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়, কালো কাপড় দিয়ে দেওয়া হলেই রিপোল হবে।

    সবদিক খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত

    ডামন্ড হারবারের অবজার্ভার ও রিটার্নিং অফিসার চারটি রিপোলের প্রস্তাব দিয়েছেন। এবার রিপোর্ট দেখে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নেবে। অন্যদিকে, ইতিমধ্যেই এগুলি ছাড়াও একাধিক বুথে পুনর্নিবাচনের সুপারিশও করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সুব্রত গুপ্ত বলেন, বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছে, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সমস্ত ফুটেজ পর্যবেক্ষণ শেষ হওয়ার পর পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তৈরি করে আগামীকাল সকালেই নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হবে। বিরোধী দলগুলো ইতিমধ্যেই অভিযোগ তুলেছে যে একাধিক বুথে ইভিএম ব্যবস্থাপনায় গুরুতর ত্রুটি ও সম্ভাব্য কারচুপি হয়েছে। তাদের দাবি, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং সাধারণ ভোটারদের আস্থা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। (EVM Tampering) অন্যদিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা প্রতিটি অভিযোগ অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করছে। শুধুমাত্র মৌখিক অভিযোগের ভিত্তিতে নয়, বরং প্রযুক্তিগত প্রমাণ যেমন ওয়েবকাস্টিং ফুটেজ, ইভিএম লগ, এবং পর্যবেক্ষকদের রিপোর্ট বিশদভাবে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। কমিশনের মতে, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা বজায় রাখা তাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

  • Assembly Election 2026: কলকাতার ৭টি স্ট্রং রুমের বাইরে ১৬৩ ধারা, ২৪ ঘণ্টা থাকবেন কমিশনের আধিকারিকরা

    Assembly Election 2026: কলকাতার ৭টি স্ট্রং রুমের বাইরে ১৬৩ ধারা, ২৪ ঘণ্টা থাকবেন কমিশনের আধিকারিকরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট (Assembly Election 2026) শেষ। এবার পালা গণনার। জনমত এই মুহূর্তে ইভিএমে সুরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভোট-পরবর্তী নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে উদ্যোগী হয়েছে নির্বাচন কমিশন। নিরাপত্তা বাড়ছে স্ট্রং রুমের। স্ট্রং রুমের সামনে এ বার ২৪ ঘণ্টা থাকবেন কমিশনের (Election Commission) আধিকারিকরা। নজরদারিতে থাকবেন রিটার্নিং অফিসার বা অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার মনোনীত একজন আধিকারিক। এতদিন থাকতেন পুলিশ বা পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, স্ট্রং রুমে যে ঢুকবেন তাঁকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুমতি নিয়ে তবেই ঢুকতে হবে। স্ট্রং রুমের ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর যে ঘেরাটোপ রয়েছে, সেখানে বাড়ানো হচ্ছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা। পাশাপাশি স্ট্রং রুমে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা-র ১৬৩ ধারাও জারি করা হচ্ছে। স্ট্রং রুমের নিরাপত্তার জন্য এই তিন পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

    নজিরবিহীন নিরাপত্তা বেষ্টনী

    ইভিএম, স্ট্রংরুম এবং গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। এর আগে ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হলেও, কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে সেই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। প্রাথমিকভাবে মোতায়েন করা ২০০ কোম্পানির মধ্যে ছিল ১০০ কোম্পানি সিআরপিএফ, ২০ কোম্পানি বিএসএফ, ১৫ কোম্পানি আইটিবিপি এবং ১৫ কোম্পানি এসএসবি। প্রতিটি স্ট্রংরুমে ন্যূনতম ২৪ জন কেন্দ্রীয় জওয়ান পাহারায় রয়েছেন। রাজ্যের মোট ২০২টি স্ট্রংরুমে ইভিএম সংরক্ষিত রয়েছে এবং সেগুলির নিরাপত্তায় মোতায়েন রয়েছে মোট ৬০৭ সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    ৭টি স্ট্রং রুমের বাইরেই ১৬৩ ধারা জারি

    কলকাতার ৭টি স্ট্রং রুমের বাইরেই জারি হয়েছে ১৬৩ ধারা। ৩০ এপ্রিল থেকে ৪ মে পর্যন্ত জারি থাকবে ১৬৩ ধারা। স্ট্রং রুমের ২০০ মিটারের মধ্যে কোনও জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার রাতে প্রায় চার ঘণ্টা শাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনাকেন্দ্রের স্ট্রং রুমে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। মমতা জানান, রাজ্য পুলিশ নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে না পারলে সেটা তাদের দোষ। পুলিশ এখন আর তাঁর হাতে নেই। তার পরেই তিনি অভিযোগ করেন, ‘পোস্টাল ব্যালট এ দিক-ও দিক করা হচ্ছে।’

    ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে বসেছে গার্ডরেল

    ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রং রুমের ভিতরে ‘সন্দেহজনক গতিবিধির’ অভিযোগ তুলে তৃণমূলের দুই প্রার্থী ও এজেন্টরা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের গেটের বাইরে অবস্থানে বসেন। তৃণমূলের জমায়েতের খবর পেয়ে রাতে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের বাইরে পৌঁছে যান দুই বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠকও। শুক্রবারই ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র ঘিরে বসেছে গার্ডরেল। অপ্রয়োজনীয় কোনও ব্যক্তি যাতে ঢুকতে না পারে, কড়া হাতে নিশ্চিত করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। সকাল থেকেই কেন্দ্রের বাইরে নজিরবিহীন নিরাপত্তা বেষ্টনী।

    কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কমিশন?

    ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রকে দুর্গে পরিণত করা হয়েছে। বিধানসভা অভিযান বা নবান্ন অভিযানে যে ব্যারিকেড ব্যবহার করা হয় সেগুলো ব্যবহার করা হয়েছে। তালা এবং শিকল দিয়ে বন্ধ করে রাখা হয়েছে। বাইরে প্রচুর কলকাতা পুলিশের আধিকারিক ও বাহিনী এবং ভেতরে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ছেয়ে দেওয়া হয়েছে। একটি গেট বানানো হয়েছে। এই গেট দিয়ে শুধুমাত্র নিজের পরিচয়পত্র দেখিয়ে এজেন্ট ও প্রার্থীরা প্রবেশ করতে পারবেন। তারপর আবার একজন অফিসার কথা বলে তাঁকে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। একমাত্র সার্টিফায়েড রাজনৈতিক নেতাদের প্রবেশের অনুমতি আছে। আর কাউকেই ধরে কাছে আসতে দেওয়া হচ্ছে না। পরিচয় পত্র ক্ষতিয়ে দেখা হচ্ছে আর লিখে রাখা হচ্ছে। স্কুলের ২০০ মিটারের মধ‍্যে স্থানীয়দের গাড়ি ছাড়া অন‍্যদের প্রবেশ নিষেধ রয়েছে। ২০০ মিটারের মধ‍্যে ঢুকতে হলে দেখাতে হচ্ছে পরিচয় পত্র।

    কমানো হল গণনা কেন্দ্রের সংখ্যা

    গতকালের তৃণমূলের তৈরি করা গণ্ডগোলের থেকে শিক্ষা নিয়ে গণনাকেন্দ্রের সংখ্যা আরও কমিয়ে ফেলছে নির্বাচন কমিশন। আগে ৮৭টি জায়গায় গণনা হওয়ার কথা থাকলেও, নতুন তালিকায় তা কমিয়ে ৭৭টি করা হয়েছে। তুলনামূলকভাবে ২০১৬ সালের নির্বাচনে ছিল ৯০টি এবং ২০২১ সালে ছিল ১০৮টি গণনাকেন্দ্র। কমিশন ইতিমধ্যেই জেলা ভিত্তিক গণনাকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করেছে। রাজ্যে সবচেয়ে বেশি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনায়। সূত্রের খবর, কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫টি ছোট গণনাকেন্দ্রকে একটি বড় কেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে একটি কেন্দ্রেই ১০টি বিধানসভা আসনের গণনা চলবে। পুরো এলাকাতেই সর্বক্ষণ চলবে সিসিটিভি-র নজরদারি। ইতিমধ্যেই গণনাকেন্দ্র ও ইভিএম রাখা স্ট্রং রুমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে কমিশন।

    তৃণমূলের অভিযোগ ভিত্তিহীন

    শুক্রবার সকালে পুরুলিয়া জেলার দু’টি গণনাকেন্দ্র পরিদর্শনে যান রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘পোস্টাল ব্যালট নিয়ম মেনে এক্সচেঞ্জ করা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলিকে নিয়ম মেনে মেসেজ করা হয়েছে। তারপর রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলের অভিযোগ ভিত্তিহীন।’

  • Jabalpur Tragedy: একটা লাইফ জ্যাকেটে সন্তানকে বুকে আগলে মা! জবলপুরের নৌকাডুবিতে মর্মান্তিক দৃশ্য

    Jabalpur Tragedy: একটা লাইফ জ্যাকেটে সন্তানকে বুকে আগলে মা! জবলপুরের নৌকাডুবিতে মর্মান্তিক দৃশ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোবার মুহূর্তেও সন্তানকে আগলে রেখেছিলেন মা। মধ্যপ্রদেশের জবলপুরের কাছে বরগি বাঁধে পর্যটকবাহী ক্রুজ উল্টে যাওয়ার ঘটনায় সামনে এল এক অত্যন্ত হৃদয়বিদারক দৃশ্য। শুক্রবার সকালে উদ্ধারকারীরা যখন নর্মদা নদী থেকে এক মহিলা ও তাঁর চার বছরের সন্তানের নিথর দেহ উদ্ধার করেন, দেখা যায় মৃত্যুর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত মা তাঁর সন্তানকে বাঁচানোর চেষ্টায় বুকের সঙ্গে শক্ত করে জাপটে রেখেছিলেন। একটি লাইফজ্যাকেট। সেই লাইফজ্যাকেটে চার বছরের সন্তানকেও ঢুকিয়ে নিয়েছিলেন। তার পর জাপটে ধরে রেখেছিলেন। শেষ সময়েও আলগা হয়নি মায়ের হাত। এই দৃশ্য উদ্ধারকারীদেরও কাঁদিয়ে দিয়েছে। শুক্রবার সকাল উদ্ধার হয়েছে ওই মহিলা ও তাঁর সন্তানের দেহ। মৃত মা ও শিশুটি দিল্লির বাসিন্দা। তাঁরা সপরিবারে নর্মদায় ভ্রমণে এসেছিলেন। চার জনের ওই পরিবারটিতে বাবা ও মেয়ে কোনওক্রমে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন।

    কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা

    বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রদেশের জবলপুরে নৌকাডুবি হয়েছে। সেই দুর্ঘটনায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ন’জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ওই মহিলা এবং তাঁর চার বছরের সন্তান। এখনও নিখোঁজ অনেকে। উদ্ধারকাজ চলছে। ঘটনাস্থলে রয়েছেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র লোধী। বিজেপি বিধায়ক আশিস দুবে। তিনি বলেন, ‘‘বেশির ভাগ পর্যটককেই উদ্ধার করা হয়েছে।’’ জানা গিয়েছে, জবলপুরের এই বাঁধটি পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ। বাঁধের জলে নৌকাসফরের বন্দোবস্ত আছে। ছোট ছোট ক্রুজ়ে করে পর্যটকদের ঘোরানো হয়। বৃহস্পতিবার বিকেলে একটি ক্রুজ নর্মদার মাঝ বরাবর যেতেই হঠাৎ ঝড় শুরু হয়ে যায়। নদীর জলের ঢেউ বাড়তে থাকে। জল উথালপাথাল করতে থাকে। এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, প্রচণ্ড বেগে হাওয়া চলছিল। বেশ কিছু ক্ষণ ঢেউয়ের সঙ্গে লড়াই করার পর ক্রুজ়টি এক দিকে হেলে যায়। তার পর সেটি ধীরে ধীরে জলে তলিয়ে যায়।

    সবরকম সহায়তার আশ্বাস সরকারের

    স্থানীয়েরা কয়েক জনকে দড়ির সাহায্যে উদ্ধার করেন। তাঁদের পরনে লাইফজ্যাকেট ছিল। ক্রুজ়টির ছাদের দিক জলের নীচে চলে যায়। ফলে অনেকে লাইফজ্যাকেট পরে থাকা সত্ত্বেও ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, সব যাত্রীকে লাইফজ্যাকেট দেওয়া হয়নি। কয়েক জন পেয়েছিলেন। তবে মৃতের আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছে প্রশাসন। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ), রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এসডিআরএফ) এবং আরও কয়েকটি উদ্ধারকারী দল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে। প্রশাসন সূত্রে খবর, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। আহতদের মধ্যে ১৭ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এখনও ৫ শিশু-সহ মোট ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ক্রুজটির ক্যাপ্টেন মহেশ প্যাটেল লাইফ জ্যাকেট পরে থাকায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন। মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব (Mohan Yadav) ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে সবরকম সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, “রাজ্য সরকার পূর্ণ সহানুভূতির সঙ্গে পাশে রয়েছে। নিখোঁজদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধারকাজ শেষ হলে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে। দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

  • Suvendu Adhikari: ‘এক্সিট পোলের দরকার নেই, মানুষের ভোটে বিজেপি আসছেই’, মমতাকে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘এক্সিট পোলের দরকার নেই, মানুষের ভোটে বিজেপি আসছেই’, মমতাকে স্পষ্ট বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পরিবর্তনের (Assembly Election 2026) ঢেউ উঠেছে এবং বিজেপি সরকার গঠন করতে চলেছে। বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল দেখার প্রয়োজন নেই, প্র্যাকটিক্যাল পোল-এর উপর ভরসা রাখলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বৃহস্পতিবার, নন্দীগ্রামে দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, হিন্দুরা জোটবদ্ধ হয়ে ভোট দিয়েছে এবং মুসলিম ভোটের একটি বড় অংশও (প্রায় ৮ শতাংশ) বিজেপির পক্ষে এসেছে। মানুষ রাজ্যে উন্নয়ন চায়, তাই বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। ২০১১ সালের থেকেও এবার পরিবর্তনের তীব্র আকাঙ্ক্ষা মানুষের মধ্যে অনেক বেশি।

    তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা নেই

    বুথ ফেরত সমীক্ষা বা তৃণমূলের প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিয়েছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুরে তৃণমূলের এজেন্ট খুঁজে না পাওয়া এবং গণনাকেন্দ্রে গণ্ডগোল করার আশঙ্কার কথা উল্লেখ করে তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। শুভেন্দু বলেন, ‘ভবানীপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের এজেন্টরা বসতে না চাওয়ায় ছোট ছোট ছেলেদের ২-৩ হাজার টাকা দিয়ে এজেন্ট হিসেবে বসানো হয়েছিল। গণনার দিনও তৃণমূলের লোকই খুঁজে পাওয়া যাবে না।’ তৃণমূলের পক্ষ থেকে ইভিএম চুরির আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে, সেই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা তাদের দীর্ঘ ১৫ বছরের পুরনো অভ্যাস যা সহজে যাবে না।’ ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামে বুথ ভিত্তিক পর্যালোচনা শেষ করেছে বিজেপি। এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু জানান, তাঁরা গণনার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত এবং তৃণমূলের কোনও বাধা কাজে আসবে না।

    কোনওরকম কারচুপি নয় মমতাকে, শুভেন্দু

    দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের ভোটগণনা কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে চার ঘণ্টা ধরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ‘কোনও নিয়ম বহির্ভূত কাজ’ করতে পারেননি মমতা। শুক্রবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে শুভেন্দু লিখেছেন, ‘‘ভবানীপুর নির্বাচনী এলাকা-সহ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গবাসী ভোটার ভদ্রমণ্ডলীকে আশ্বস্ত করতে চাই যে, এই কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তথা বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী, মাননীয়াকে কোনওরকম বাড়তি সুবিধা নেওয়া থেকে বিরত থাকতে বাধ্য করা হয়েছে।’’ এর পরেই মমতাকে নিশানা করে শুভেন্দুর ‘আশ্বাসবার্তা’— ‘‘উনি যতই চেষ্টা চালান না কেন, কোনও রকম নিয়ম বহির্ভূত কাজ তিনি করতে পারেননি। উনি যতক্ষণ স্ট্রংরুম প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন, আমার ইলেকশন এজেন্ট অ্যাডভোকেট সূর্যনীল দাস নিজে উপস্থিত থেকে ওঁকে কড়া নজরদারির মধ্যে রেখেছিলেন যাতে উনি কোনও অসৎ উপায় অবলম্বন করতে না পারেন।’’

LinkedIn
Share