Author: ishika-banerjee

  • Madan Mitra: সিআইডির পর এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল ইডি! কেন কামারহাটির বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি?

    Madan Mitra: সিআইডির পর এবার মদন মিত্রের বাড়িতে পৌঁছল ইডি! কেন কামারহাটির বিধায়কের বাড়িতে তল্লাশি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শনিবার সকালে মদন মিত্রর (Madan Mitra) বাড়িতে পৌঁছল ইডি। এদিন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্রের কামারহাটি, ভবানীপুরের ঠিকানায় যায় ইডি আধিকারিকরা। সন্তোষপুরের একটি ক্লাব ও বেলেঘাটার একটি ফ্ল্যাটেও পৌঁছেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী দল। এখনও পর্যন্ত খবর মোট ৮টি জায়গায় তল্লাশি চালাচ্ছ ইডি (ED Raid)। শুক্রবারই মদন মিত্রের বাড়িতে যায় সিআইডি-র একটি দল। বিধানসভায় সই জাল কাণ্ডের জন্যই তাঁর বাড়িতে গোয়েন্দারা এসেছিলেন বলে জানান মদন।

    কেন মদন মিত্রর বাড়িতে ইডি

    সিআইডি-র পর রাত পোহাতেই আবার মদন মিত্রের বাড়িতে হানা দিল ইডি। পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেই তাঁর বাড়িতে অভিযান চলছে বলে জানা যাচ্ছে। পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রচণ্ড সক্রিয় ইডি। তারা ইতিমধ্যেই রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছে। আর সেই মামলাতেই আবার মদন মিত্রের বাড়িতে গেল ইডি। তারা সেখানে তল্লাশি চালাচ্ছে বলেই জানা যাচ্ছে। শনিবার সকাল থেকেই কলকাতা ও তার আশপাশের ৬ থেকে ৭টি জায়গায় অভিযান চালিয়েছে ইডি। মদনের ভবানীপুর এবং কালীঘাটের বাড়িতে সকাল থেকে তল্লাশি চলছে বলে সূত্রের খবর। মদন কোন বাড়িতে আছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। জানা গিয়েছে, অয়ন শীলের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মদন মিত্রের বাড়িতে এই অভিযান।

    সই-জাল কাণ্ডে মদনের বাড়িতে সিআইডি

    বাড়িতে সিআইডি প্রসঙ্গে তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র বলেন, ‘‘আমার বাড়িতে এসেছিল সিআইডি। সই জাল কাণ্ড নিয়ে আমাকে সহযোগিতা করতে বলে। আমাকে নোটিস নিতে বলেছে। আমাকে বলেছে আপনি এই নোটিসটা শুধু রিসিভ করে নিন। আমি রিসিভ করলাম। আমাকে একটা নোটিস দিয়ে চলে গেছে। দেড় মিনিট ছিল।’’ শুক্রবার বিধায়কদের সই জালিয়াতি কাণ্ডে কুণাল ঘোষকেও তলব করে সিআইডি। রবিবার বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষকে ভবানী ভবনে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রবিবার বেলা ১২টায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও ফের সিআইডি দফতরে যেতে বলা হয়েছে।

  • India US: ওমান উপকূলে ফের হামলা, ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! মার্কিন কূটনীতিককে তলব ভারতের

    India US: ওমান উপকূলে ফের হামলা, ভারতীয় নাবিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ! মার্কিন কূটনীতিককে তলব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওমান উপকূলে ভারতীয় বাণিজ্যিক জাহাজগুলির (India US) উপর আমেরিকার ধারাবাহিক হামলার ঘটনায় তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে নয়াদিল্লি। বিদেশ মন্ত্রক শুক্রবার আমেরিকান চার্জ ডি’অ্যাফেয়ার্স জেসন মিকসকে তলব করেছে। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, মন্ত্রকের অতিরিক্ত সচিব (আমেরিকা) আমেরিকান কূটনীতিককে ডেকে পাঠান এবং এই হামলার বিষয়ে ভারতের আপত্তির কথা জানান। পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী সংলগ্ন অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজগুলির উপর ধারাবাহিক হামলার পর নয়াদিল্লি কূটনৈতিক তৎপরতা আরও বাড়িয়েছে।

    আমেরিকান কূটনীতিককে তলব

    এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই নিয়ে দ্বিতীয় বার ভারত সরকার নয়াদিল্লিতে অবস্থিত আমেরিকান কূটনীতিককে তলব করল। এর আগে, বুধবার ওমান উপকূলের কাছে একটি বাণিজ্যিক জাহাজে আরও একটি হামলায় তিন জন ভারতীয় নাবিক নিখোঁজ হওয়ার পরে ভারত আমেরিকান দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অব মিশন জেসন মিকসকে তলব করে ‘কড়া প্রতিবাদ’ জানায়। নিখোঁজ নাবিকদের মৃত্যুর খবর পরে পাওয়া গিয়েছে। সর্বশেষ হামলার মুখে যে বাণিজ্যিক জাহাজটি পড়েছিল, তাতে ছিলেন ২০ জন ভারতীয় নাবিক।

    আক্রান্ত এমটি জলভীর

    অন্যদিকে, ভারতীয় নৌপরিবহন দফতর (DGS) হরমুজ প্রণালী, ওমান উপসাগর এবং সংলগ্ন জলসীমায় কর্মরত প্রায় ১৮ হাজার ভারতীয় নাবিকের জন্য নতুন নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে। সাম্প্রতিক তিনটি হামলার ঘটনার প্রেক্ষিতেই এই নির্দেশিকা প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম হামলার ঘটনা ঘটে ৮ জুন। এমটি মারিভেক্স (MT Marivex) নামের একটি তেলবাহী জাহাজে সন্দেহজনক আঘাতের পর আগুন ধরে যায়। জাহাজে থাকা ২৪ জন ভারতীয় নাবিকই নিরাপদে উদ্ধার হন। দ্বিতীয় ঘটনা ঘটে ১০ জুন। এমটি সেট্টেবেলো (MT Settebello)-র উপর ওমান উপসাগরে হামলা হয়। জাহাজটিতে ২৪ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২১ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও নিখোঁজ তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর খবর পরে নিশ্চিত করা হয়। তৃতীয় হামলার ঘটনা সামনে আসে বৃহস্পতিবার। ওমান উপকূলের কাছে আরও একটি বাণিজ্যিক জাহাজ আক্রমণের মুখে পড়ে। বিভিন্ন সূত্রের দাবি, জাহাজটির নাম এমটি জলভীর (MT Jalveer)। এতে ২০ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। যদিও হামলার প্রকৃতি সম্পর্কে এখনও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেনি প্রশাসন।

    কত জন ভারতীয় নাবিক হরমুজের আশেপাশে

    সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে হরমুজ প্রণালীর পূর্ব ও পশ্চিমাংশে ১৩টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে মোট ৬২২ জন ভারতীয় নাবিক কর্মরত রয়েছেন। পাশাপাশি গোটা উপসাগরীয় অঞ্চলে শতাধিক বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজে প্রায় ১৮ হাজার ভারতীয় নাবিক কাজ করছেন। বর্তমানে আনুমানিক তিন লক্ষেরও বেশি ভারতীয় নাবিক বিশ্বের বিভিন্ন বাণিজ্যিক জাহাজে কর্মরত। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলের ক্রমবর্ধমান সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংকট ভারতের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।

  • TMC Rebel MP: অবশেষে প্রকাশ্যে এল নথি! ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের চিঠিতে তৃণমূলের কে কে সই করেছেন?

    TMC Rebel MP: অবশেষে প্রকাশ্যে এল নথি! ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের চিঠিতে তৃণমূলের কে কে সই করেছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর কোনও জল্পনা নয়। প্রকাশ্যে এল তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের (TMC Rebel MP) চিঠির সই করা অংশ। সেই কাগজের ছবি দেখলেই স্পষ্ট হয়ে যাবে, কোন কোন তৃণমূল সাংসদ সই করেছেন বিক্ষুব্ধ হিসেবে। কাকলি ঘোষ দস্তিদারের নেতৃত্বে সেই চিঠি লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার ঘরে জমা পড়েছে বলে সূত্রের খবর। গত সোমবার থেকে দফায় দফায় দিল্লিতে বৈঠক বসছে। তৃণমূলের একাধিক সাংসদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কোনও কোনও সাংসদ সরাসরি বিষয়টি স্বীকার করলেও, অনেকেই মুখ বন্ধ রেখেছিলেন। কাউকে মুখ ঢেকে চলাফেরা করতেও দেখা যায়। আবার কেউ মুখে বলেছেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে আছেন, অথচ তাঁর সইও দেখা যাচ্ছে চিঠিতে।

    কবে জমা পড়ে চিঠি

    গত সোমবার, ৮ জুন এই চিঠি জমা পড়ার কথা জানান বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তবে চিঠিতে দেখা যাচ্ছে, ১৮ মে তারিখের উল্লেখ রয়েছে। উল্লেখ্য, ১৮ মে পর্যন্ত লোকসভার দলনেতা ছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। ১৯ মে তাঁকে সরিয়ে দলনেতা করা হয় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে। এ ক্ষেত্রে মমতা-পন্থী সাংসদদের তরফে সাংসদদের এই সই নিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হতে পারে বলে সূত্রের খবর। সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, ১৯ জন সংসদের স্বাক্ষর সম্বলিত চিঠি গত ১৮মে স্পিকার অফিসে জমা দিয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সেখানে তিনি দাবি করেছিলেন, অফিশিয়ালি তিনিই চিফ হুইপ। অর্থাৎ কল্যাণকে চিফ হুইপ করার আগেই কাকলি চিফ হুইপ হিসেবে ওই চিঠি জমা দিয়েছেন। অন্যদিকে, তৃণমূল সূত্রের দাবি, তৃণমূলের তরফে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিফ হুইপ করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে যে চিঠি দেওয়া হয়, তা স্পিকারের কাছে জমা পড়ে ২০মে। সেই চিঠি গৃহীত হয় ২৯ মে।

    কে কে সই করেছেন চিঠিতে?

    খবর ছড়িয়েছিল, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে কয়েক দিন আগে চিঠি দিয়েছেন ‘বিদ্রোহী’ তৃণমূল সাংসদেরা। তাঁরা এনডিএ ব্লকের সদস্য হতে চান বলেও জানা গিয়েছিল। সেই চিঠিতে কারা সই করেছেন, তা নিয়ে জল্পনা ছিল। এ বার ১৯ জনের সই করা চিঠির ছবি সামনে এসেছে। যাতে স্পষ্ট কারা মমতার থেকে দূরত্ব তৈরি করেছেন। তালিকায় রয়েছেন, দেব, রচনা, জুন থেকে শুরু করে অভিষেক ঘনিষ্ঠ সায়নী ঘোষ, বাপি হালদাররাও। শোনা যাচ্ছিল, ২০ জন তৃণমূল সাংসদ এনডিএ শিবিরে যোগ দিতে চেয়ে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিয়েছেন। সেই তালিকায় কারা রয়েছেন, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিস্তর জল্পনা চলছিল। শুক্রবার প্রকাশ্যে এল সাংসদদের সই করা চিঠি। নথি অনুযায়ী, সই করেছেন ১৯ সাংসদ। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার। রয়েছেন দীপক অধিকারী ও ওরফে দেব। সায়নী ঘোষও সই করেছেন। এছাড়া রয়েছেন রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়, জুন মালিয়া, শতাব্দী রায়। দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদ মালা রায়, আবু তাহের খান, খলিলুর রহমান, কালীপদ সোরেন, পার্থ ভৌমিক, মিতালি বাগ, অরূপ চক্রবর্তী, জগদীশ বর্মা বসুনিয়া, প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়, শর্মিলা সরকার, অসিত মাল, ইউসুফ পঠান।

  • Rajya Sabha: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভার ১৯টি আসনে জয় এনডিএ-র, শক্তি বাড়ল উচ্চকক্ষে

    Rajya Sabha: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভার ১৯টি আসনে জয় এনডিএ-র, শক্তি বাড়ল উচ্চকক্ষে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভা নির্বাচনে বড় সাফল্য পেল বিজেপি নেতৃত্বাধীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোট (এনডিএ)। বৃহস্পতিবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১৯টি আসনে জয়ী হয়েছে বিজেপি ও তার সহযোগী দলগুলি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে, বিশেষ করে কংগ্রেসের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে প্রধান বিরোধী দল। এবারের নির্বাচনে মোট ২৪টি আসনে কোনও ভোটগ্রহণ ছাড়াই প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৬টি আসন ছিল এনডিএ-র দখলে, আর বাকি ৮টি আসন বিরোধী শিবিরের হাতে ছিল।

    কোথায় কার কত আসন

    আন্ধ্রপ্রদেশে চারটি আসনের সবকটিই জিতেছে এনডিএ। এর মধ্যে তিনটি আসন পেয়েছে তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি) এবং একটি আসন গেছে জনসেনা পার্টির ঝুলিতে। গুজরাটেও চারটি আসনের সবকটিতে জয় পেয়েছে বিজেপি। এর ফলে কংগ্রেসের দখলে থাকা একটি আসনও বিজেপি পুনর্দখল করতে সক্ষম হয়েছে। রাজস্থানে বিজেপির সতীশ পুনিয়া ও অলকা গুর্জর এবং কংগ্রেসের নীরজ ডাঙ্গি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে সেখানে রাজনৈতিক সমীকরণে বড় কোনও পরিবর্তন ঘটেনি। উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতেও শাসক দলগুলির প্রভাব স্পষ্ট হয়েছে। মিজোরামে শাসক জোরাম পিপলস মুভমেন্ট (জেডপিএম) একটি আসন জয়ের পথে রয়েছে। অন্যদিকে, মেঘালয়ে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) এবং অরুণাচল প্রদেশে বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসন নিশ্চিত করেছে।

    মধ্যপ্রদেশ-ঝাড়খণ্ডে বিতর্ক

    সবচেয়ে বেশি বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে মধ্যপ্রদেশে। সেখানে রাজ্যসভার তিনটি আসনের মধ্যে কংগ্রেস প্রার্থী মীনাক্ষী নটরাজনের মনোনয়নপত্র পুনর্বহাল করা হয়নি। রিটার্নিং অফিসারের এই সিদ্ধান্তকে ‘পরিকল্পিত’ ও ‘অন্যায়’ বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস। দলের দাবি, যে আইনি নোটিশের ভিত্তিতে মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, তা কোনও সরকারি এফআইআর ছিল না। ঝাড়খণ্ডের দুটি আসন নিয়ে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। সেখানে নির্দল প্রার্থী পরিমল নাথওয়ানির মনোনয়নকে চ্যালেঞ্জ করেছে কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, নাথওয়ানির বিজেপির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে এবং তাঁর মনোনয়নপত্রে একাধিক অসঙ্গতি রয়েছে। বিরোধীরা না মানলেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এবারের রাজ্যসভা নির্বাচন একদিকে এনডিএ-র সাংগঠনিক শক্তির পরিচয় তুলে ধরেছে।

  • Jaspal Rana Dies: ‘ভারতীয় ক্রীড়াজগতে বিরাট ক্ষতি’ দেশের অন্যতম সেরা শুটার যশপল রানার মৃত্যুতে শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    Jaspal Rana Dies: ‘ভারতীয় ক্রীড়াজগতে বিরাট ক্ষতি’ দেশের অন্যতম সেরা শুটার যশপল রানার মৃত্যুতে শোকবার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী শ্যুটার ও কোচ যশপাল রানা প্রয়াত (Jaspal Rana Dies)। দিল্লি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। যশপালের বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৯ বছর। জার্মানিতে শ্যুটিং বিশ্বকাপ থেকে ফেরার সময় হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁকে দিল্লি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছিল। তবে শেষমেশ ৪৯ বছর বয়সেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন যশপাল। এই যশপাল রানার কোচিংয়েই কিন্তু অলিম্পিক্সে জোড়া পদক জেতেন মনু ভাকের। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ক্রীড়াজগত। শোকজ্ঞাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও।

    প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা

    যশপাল রানার প্রয়াণে এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, ‘শ্রী যশপাল রানা জির প্রয়াণে গভীরভাবে শোকাহত। ভারতীয় ক্রীড়াজগতের জন্য এটি এক বিরাট ক্ষতি (Sports News Bangla)। শুটিংয়ে তাঁর অসাধারণ সাফল্য দেশের গৌরব বৃদ্ধি করেছে। একইসঙ্গে একজন মেন্টর হিসেবে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে বহু তরুণ ক্রীড়াবিদকে গড়ে তুলেছেন।’ যশপাল রানার মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতের প্রথম অলিম্পিক স্বর্ণপদকজয়ী শুটার অভিনব বিন্দ্রা (Abhinav Bindra)। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, যশপাল শুধু একজন অসাধারণ শুটারই ছিলেন না, তিনি ছিলেন ভারতীয় শুটিংয়ের এক অনুপ্রেরণার নাম। তাঁর মৃত্যু ভারতীয় ক্রীড়া তথা শুটিং জগতের জন্য এক বিরাট ক্ষতি। দেশের অসংখ্য তরুণ শুটারের কাছে তিনি চিরকাল আদর্শ হয়ে থাকবেন।

    সোনালি কেরিয়ার

    ১৯৭৬ সালের ২৮ জুন উত্তরাখণ্ডে জন্ম তাঁর। ১৯৯৪ সালে প্রথম বার দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। সে বছর মিলানে আয়োজিত জুনিয়র বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছিলেন। এশিয়ান গেমসে ২৫ মিটার সেন্টার ফায়ার পিস্তলে সোনা জেতেন। ২০০৬ সালের দোহা এশিয়ান গেমসে তিনটি সোনা জিতে নজর কাড়েন। একটি ইভেন্টে বিশ্বরেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন। আন্তর্জাতিক স্তরে ১৫টি পদক রয়েছে তাঁর। তার মধ্যে ৯টি সোনার। মাত্র ১৮ বছর বয়সে অর্জুন হন। পরে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানও দেয়।

    অর্জুন থেকে দ্রোণাচার্য

    এক সময় বিশ্বের অন্যতম সেরা শুটার রানা নতুন করে সংবাদ শিরোনামে উঠে আসেন ২০২৪ সালের অলিম্পিক্সের সময়। প্যারিসে জোড়া পদকজয়ী মনুর কোচ হিসেবে তাঁকে নিয়েও হইচই শুরু হয়। ভারতীয় শুটিংয়ের হাই পারফম্যান্স কোচ হিসাবে কাজ করা রানার হাত ধরে উঠে এসেছেন বেশ কয়েক জন সেরা মানের শুটার। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছাত্রদের মধ্যে রয়েছেন সৌরভ চৌধরি, অনীশ ভানওয়ালা, চিঙ্কি যাদবের মতো শুটারেরা। ২০১২ সালে কোচিং শুরু করেন। খেলোয়াড় হিসাবে অর্জুন পুরস্কার পাওয়ার পাশাপাশি কোচ হিসাবে দ্রোণাচার্য পুরস্কারও পেয়েছেন রানা। মিউনিখ শুটিং বিশ্বকাপ থেকে দেশে ফেরার সময় বিমানে হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন রানা। দিল্লির ম্যাক্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন প্রাক্তন অলিম্পিয়ান। শুক্রবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসকেরা একটি স্টেন্ট বসিয়েছিলেন। কিছু দিন পর আরও একটি স্টেন্ট বসানোর কথা ছিল। কিন্তু চিকিৎসকদের সেই সময় দিলেন না এশিয়ান গেমসে সোনাজয়ী শুটার।

  • FIFA World Cup 2026: উদ্বোধনে মাঠ মাতালেন শাকিরা-বার্নবয়, জিতলেও মন ভরাতে পারল না মেক্সিকোর খেলা

    FIFA World Cup 2026: উদ্বোধনে মাঠ মাতালেন শাকিরা-বার্নবয়, জিতলেও মন ভরাতে পারল না মেক্সিকোর খেলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়ে গেল ফুটবল বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026)। বৃহস্পতিবার রাতে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ঢাকে কাঠি পড়ল বিশ্বকাপের। কলম্বিয়ার পপ তারকা শাকিরার গান, নাচ এবং নাইজেরিয়ার পপ তারকা বার্না বয়ের গানে ঝলমলে উদ্বোধন। ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনোর সঙ্গে বিশ্বকাপ ট্রফির উন্মোচনে ছিল আরও গ্ল্যামারের ছোঁয়া। হাজির ছিলেন হলিউড তারকা এবং মেক্সিকোর ঘরের মেয়ে সালমা হায়েক। গ্যালারির ৮০ হাজারের বেশি দর্শক তখন মাতোয়ারা। মেক্সিকান সময় সকাল সাড়ে এগারোটায় ছিল উদ্বোধন। কিন্তু সকাল সাতটা থেকেই মেক্সিকো সিটির অলি–গলি ধরে মানুষের ভিড় হেঁটে এগোচ্ছিল স্টেডিয়ামের দিকে। সেই স্টেডিয়াম যেখানে ১৯৭০ ফাইনালে বিশ্বকাপ ট্রফি জিতেছিল পেলের ব্রাজিল, ১৯৮৬ ফাইনালে দিয়েগো মারাদোনা।

    জমকালো উদ্বোধন

    ভারতীয় সময় রাত ১১ টা নাগাদ শুরু হয় অনুষ্ঠান। শুরু হয় মেক্সিকোর রক ব্যান্ড ‘মানা’কে দিয়ে। স্থানীয় ভাষায় জনপ্রিয় ‘ওয়ে মি আমোর’ গান গেয়ে মেক্সিকোর জনতার হৃদয় জিতে নেয় মানা। গোটা স্টেডিয়াম গাইছিল তাঁদের সঙ্গে। এর পর ভেনেজুয়েলার গায়ক ড্যানি ওসান মঞ্চে ওঠেন। তিনিও স্পেনীয় গান এবং তাঁর জমকালো পোশাকে মাতিয়ে দেন দর্শকদের। এর পরেই যাঁর জন্য অপেক্ষা ছিল, তিনি হাজির হন স্টেডিয়ামে। হলুদ জামা, সাদা মিনিস্কার্ট এবং চোখে রোদচশমা নিয়ে হাজির হন শাকিরা। সঙ্গে ছিলেন বার্না বয়। বিশ্বকাপের ‘থিম সং’ গেয়েছেন তাঁরা। স্টেডিয়াম ফেটে পড়েছে উল্লাসে। শাকিরা এবং বার্না বয়ের নাচ এবং গান মাতিয়ে দেয়।

    মেক্সিকোর জয়

    এক ম্যাচে তিন-তিনটে লাল কার্ড! বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে দেখা গেল নাটক। দক্ষিণ আফ্রিকার দু’জন ফুটবলার লাল কার্ড দেখলেন। মেক্সিকোর একজন। দক্ষিণ আফ্রিকাকে ২-০ হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করল মেক্সিকো। তবে উদ্বোধনী ম্যাচে যে রকম ফুটবল প্রত্যাশা করা হয়েছিল তা দেখা গেল না। হয়তো ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে কিছুটা নীচের দিকে থাকা দল বলেই আকর্ষণীয় ফুটবল দেখা গেল না। দুই দলের মধ্যেই সেই ঝাঁজের অভাব ছিল। তবে মেক্সিকোর খেলোয়াড়দের দাপট গোড়া থেকেই বেশি ছিল। আগ্রাসী ফুটবলের রাস্তাই তারা বেছে নিয়েছিল। ৯ মিনিটে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন জুলিয়ান কিনোনেস। চার নম্বর বিশ্বকাপ খেলতে নেমে প্রথম গোল করলেন জিমেনেজ। তা-ও আবার ঘরের মাঠের দর্শকদের সামনে। আবেগ ধরে রাখতে না পেরে কেঁদে ফেলেন জিমেনেজ। তবে, ব্রাজিলের রেফারি উইল্টন সাম্পাইয়োর একাধিক সিদ্ধান্ত বিতর্কিত হয়ে থাকবে। এই প্রথম বার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে তিন জন ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানো হল। ২০০৬-এর পর্তুগাল বনাম নেদারল্যান্ডস ম্যাচের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের একটি ম্যাচে এত জন লাল কার্ড দেখলেন।

    জয় দক্ষিণ কোরিয়ার

    ভারতীয় সময় শুক্রবার সকালে, মেক্সিকোতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘এ’-এর উদ্বোধনী ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়া দল পিছিয়ে পড়েও চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে পরাজিত করেছে। ৫৯তম মিনিটে চেক প্রজাতন্ত্রের কাছে পিছিয়ে পড়লেও, দক্ষিণ কোরিয়া দল হোয়াং ইন বম (৬৭তম মিনিট) এবং ওহ হিয়ন গিউয়ের (৮০তম মিনিট) করা দুটি দ্রুত গোলের মাধ্যমে ২০২৬ বিশ্বকাপে তাদের প্রথম জয় নিশ্চিত করে।

  • Abhishek Banerjee: মধ্যরাতেও ছাতার তলায়! জিজ্ঞাসাবাদে অসযোগিতা? ১৪ তারিখ ফের অভিষেককে তলব সিআইডির

    Abhishek Banerjee: মধ্যরাতেও ছাতার তলায়! জিজ্ঞাসাবাদে অসযোগিতা? ১৪ তারিখ ফের অভিষেককে তলব সিআইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে (Abhishek Banerjee) টানা সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদেও সন্তুষ্ট নন সিআইডি-র তদন্তকারীরা। সে কারণেই আগামী ১৪ তারিখ বেলা ১২টার সময় ফের তাঁকে তলব করেছে সিআইডি। এর আগে একাধিকবার নোটিস পেয়েও হাজিরা দেননি অভিষেক। হাইকোর্টের নির্দেশের পর বৃহস্পতিবার বিকেলে সিআইডি (CID) দফতরে হাজিরা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সূত্রের খবর, সই জাল-কাণ্ডে বিরোধী দলনেতা বাছাইয়ের রেজোলিউশন নিয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। একবার চায়ের বিরতি নিয়ে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। সিআইডি সূত্রে খবর, প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মাঝেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন অভিষেক।

    টানা সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ

    প্রবেশ করেছিলেন সন্ধ্যা ৫টা ৪৯ মিনিট নাগাদ, প্রস্থান প্রায় রাত সাড়ে ১১টা! এদিন নির্ধারিত সময়ের আগেই ভবানীভবনে পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিমানবন্দর থেকে প্রথমে কালীঘাটের বাড়িতে যান তিনি। এরপর সেখান থেকে সোজা সিআইডি সদর দফতর ভবানীভবনে পৌঁছন। হাইকোর্টের নির্দেশ এবং সিআইডি-র একাধিক তলবের পর অবশেষে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন তিনি। সই জালিয়াতি কাণ্ডে এর আগে তিন তিনবার অভিষেককে ডেকে পাঠিয়েছিল সিআইডি। হাজিরা দেননি অভিষেক। শেষে জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। হাইকোর্ট থেকে রক্ষাকবচ মিলতেই দিল্লি থেকে ফিরে সোজা বাড়ি ঘুরে ভবানীভবনে চলে যান অভিষেক। রাতে সেখান থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকরা তাঁকে গুচ্ছ গুচ্ছ প্রশ্ন করলেও কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দিতে চাননি অভিষেক।

    কেন বারবার মেজাজ হারান অভিষেক?

    সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সিআইডি দফতরে প্রথমে ছয়-সাত জন অফিসার অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তারপর একসঙ্গে ১০ জন আধিকারিক প্রশ্নের ঝুলি নিয়ে হাজির হন তাঁর সামনে। ছিলেন সিআইডির এডিজি সুপ্রতিম সরকারও। জানা গিয়েছে, একাধিক কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে অভিষেককে। বৈঠকে না থাকার পরও বিধায়কদের সই কীভাবে চিঠিতে রইল? কে বা কারা সই করেছেন? কেন করেছেন? রেজোলিউশন কপি কোথায়? এ ছাড়াও একাধিক কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে তাঁকে। জানা যাচ্ছে, অধিকাংশ প্রশ্নের জবাবেই নাকি অভিষেক বলেছেন, জানি না। সূত্রের খবর, তদন্তকারী অফিসাররা তাঁকে বলেন, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিজের দায় কোনওভাবেই এড়াতে পারেন না তিনি। এ কথা শুনে নাকি মেজাজ হারান অভিষেক। স্পিকারের মতো সাংবিধানিক পদাধিকারীকে কোনও চিঠি দেওয়ার আগে ভালোভাবে জানা প্রয়োজন ছিল, এ কথা শুনেও মেজাজ হারিয়ে ফেলেন তিনি। তাঁর উত্তরে সন্তুষ্ট নন সিআইডি আধিকারিকরা। জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অভিষেক কিছুই জানেন না এটা মানতে পারছেন না তদন্তকারীরা। আর যদি না-জানেন তাহলে বারবার এত মেজাজ হারান কেন অভিষেক? এই প্রশ্নও উঠছে।

    কী এই সই জাল কাণ্ড?

    বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর, গত ৬ মে বিধায়কদের নিয়ে কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রী বৈঠক করেন। তাতে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Sovandeb Chattopadhyay) নাম প্রস্তাব করা হয়। ওইদিন যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা সকলে হাত তুলে শোভনদেবকে সমর্থন জানান। কিন্তু বিধানসভায় এই সংক্রান্ত যে প্রস্তাবনা জমা দিতে হয়, তা দেয়নি তৃণমূল। এরপর ১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের শপথগ্রহণ হয়। শপথের পর নিয়ম মেনে সই করেন বিধায়করা। বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূলের কাছ থেকে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে প্রস্তাবপত্র চান বিধানসভার সচিব। তা জমা দিতে ১৯ মে ফের কালীঘাটে বৈঠক ডাকা হয় বিধায়কদের। ওইদিন কেউ ছিলেন, কেউ ছিলেন না। উপস্থিত সকলের সই নেওয়া হয় দলের তরফে। মিলিয়ে দেখা হয় ক’জন গরহাজির। পরে দলের প্রস্তাবিত বিরোধী দলনেতার নামে সমর্থন জানিয়ে ৭০ জনের সই করা একটি কাগজ জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, ওটাই বিরোধী দলনেতার প্রস্তাবনাপত্র। আর এখানেই গরমিল শুরু। দুই জায়গায় তৃণমূল বিধায়কদের সই না মেলায় সন্দেহ হয় সচিবের। জল গড়ায় থানায়। দায়ের করা হয় এফআইআর। তদন্তভার পেয়ে কাজ শুরু করে সিআইডি। একাধিক বিধায়ককে জেরা করা হয়। দলের ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কের অভিযোগের তির ছিল অভিষেকের দিকে। সেই কারণেই তাঁকে তলব করে সিআইডি।

    কেন ফের তলব অভিষেককে

    সূত্রের খবর, অভিষেকের দেওয়া জবাবে অসন্তুষ্ট সিআইডি-র তদন্তকারীরা। জবাবে অসঙ্গতি থাকাতেই ফের তাঁকে আরও একবার হাজিরা দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। যে রেজোলিউশন নিয়ে এত শোরগোল সেই রেজোলিউশনের কপি সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও তথ্য অভিষেক তদন্তকারীদের দিতে পারেননি। বারবার তাঁর কাছে এই নির্দিষ্ট বিষয়েই জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু প্রতি ক্ষেত্রেই তিনি ‘জানি না’, ‘তার পক্ষে বলা সম্ভব নয়’, ‘বলতে পারব না’, এই জাতীয় উত্তর দিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই এই জিজ্ঞাসাবাদে খুশি নিন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই কারণেই রবিবার ফের তলব করা হয়েছে তাঁকে। রেজোলিউশন সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি নিয়ে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে।

    মধ্যরাতেও ছাতার তলায় মুখ ঢাকলেন

    রাত ১১টা ২৮ মিনিটে ভাবনীভবন থেকে বেরিয়ে সোজা কালীঘাটের রাস্তা ধরেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। সেখানে বেশ কয়েকজন বর্ষীয়ান নেতার উপস্থিতিতে হয় বৈঠক। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র, কুণাল ঘোষ। বারোটা বেজে দশ মিনিট নাগাদ দলনেত্রীর বাড়ি থেকে বের হন অভিষেক। তবে ছাতায় মুখ ঢেকে। তাঁকে দেখতে পাননি কেউ।

  • Mount Everest Expedition: কঠিন অভিযান! ৩০ বছর পর এভারেস্ট থেকে ফিরতে পারে ভারতীয় জওয়ানের দেহাবশেষ

    Mount Everest Expedition: কঠিন অভিযান! ৩০ বছর পর এভারেস্ট থেকে ফিরতে পারে ভারতীয় জওয়ানের দেহাবশেষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় তিন দশক আগে মাউন্ট এভারেস্টের ‘ডেথ জোন’-এ (Mount Everest Expedition) নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এক ভারতীয় জওয়ানের দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে আনতে ঐতিহাসিক উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। ১৯৯৬ সালের ভয়াবহ এভারেস্ট বিপর্যয়ের সময় প্রাণ হারিয়েছিলেন ইন্দো-তিব্বত সীমান্ত পুলিশ (ITBP)-র ল্যান্স নায়েক দোরজি মরুপ। এবার তাঁর দেহাবশেষ উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে আইটিবিপি।

    অন্যতম কঠিন অভিযান

    পাহাড় আরোহন বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি ভারতের ইতিহাসে অন্যতম কঠিন মৃতদেহ উদ্ধারের অভিযান হতে চলেছে। ইতিমধ্যেই উচ্চতর পর্বতাঞ্চলে উদ্ধারকাজে দক্ষ সংস্থা নিয়োগের জন্য টেন্ডার জারি করেছে আইটিবিপি। সরকারি নথি অনুযায়ী, মরুপের দেহাবশেষ এভারেস্টের উত্তর ঢালে, তিব্বত-সংলগ্ন অংশে প্রায় ২৭,৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত বলে মনে করা হচ্ছে। এই অঞ্চলটি ‘ডেথ জোন’ নামে পরিচিত, যেখানে অক্সিজেনের মাত্রা এতটাই কম যে দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকা প্রায় অসম্ভব। জুন থেকে সেপ্টেম্বরের মধ্যে উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    ৩০ বছর ধরে হিমাঙ্কের নিচে দেহাবশেষ

    অভিযানের জন্য অন্তত ছয়জন অত্যন্ত দক্ষ নেপালি শেরপার প্রয়োজন হবে, যাঁদের অধিকাংশই এভারেস্টজয়ী এবং ৮,০০০ মিটারের ওপরে প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ধারকাজের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। উদ্ধারকারী সংস্থাকে তিব্বতে চীনা প্রশাসনের অনুমতি সংগ্রহ, তিব্বত-নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে দেহাবশেষ পরিবহণ, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং প্রায় ৩০ বছর ধরে হিমাঙ্কের নিচে থাকা দেহাবশেষ সংরক্ষণের দায়িত্বও নিতে হবে। পুরো প্রক্রিয়াটি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক রীতিনীতি মেনেই সম্পন্ন করতে হবে। ১৯৯৬ সালের ১০ মে এভারেস্টের উত্তর দিক দিয়ে শৃঙ্গ জয়ের চেষ্টা করছিলেন আইটিবিপি-র ছয় সদস্যের একটি দল। প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে তিনজন ফিরে এলেও সুবেদার সেওয়াং সামানলা, ল্যান্স নায়েক দোরজি মরুপ এবং হেড কনস্টেবল সেওয়াং পালজোর এগিয়ে যান। পরে ভয়াবহ তুষারঝড়ে তাঁরা নিখোঁজ হয়ে যান এবং আর শিবিরে ফিরতে পারেননি।

    ‘ডেথ জোন’ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার

    পরবর্তী সময়ে এভারেস্টের উত্তর-পূর্ব রিজের একটি গুহার কাছে পড়ে থাকা এক আরোহীর দেহ ‘গ্রিন বুটস’ নামে পরিচিতি পায়। মৃতদেহটির পায়ে থাকা সবুজ রঙের কফলাখ বুটের কারণেই এই নামকরণ। বহু বছর ধরে পর্বতারোহী মহলে বিতর্ক রয়েছে, ওই দেহটি আসলে সেওয়াং পালজোরের নাকি দোরজি মরুপের। তবে আইটিবিপি-র টেন্ডার নথিতে ‘গ্রিন বুটস’-এর উল্লেখ মরুপের নামের পাশেই থাকায় বাহিনীটি দেহটিকে মরুপের বলেই মনে করছে। উল্লেখ্য, ‘ডেথ জোন’ থেকে মৃতদেহ উদ্ধার বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পর্বতারোহী অভিযানের মধ্যে অন্যতম। উদ্ধারকারীদের তুষারধস, ঝড়, খাদে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা এবং অক্সিজেনের তীব্র অভাবের মতো বিপদের মুখোমুখি হতে হয়। এমন উচ্চতায় অল্প দূরত্বে একটি মৃতদেহ নামিয়ে আনতেও একাধিক শেরপার প্রয়োজন হয়। ফলে এই ঐতিহাসিক অভিযানের সাফল্য অনেকটাই নির্ভর করবে আগামী কয়েক মাসের আবহাওয়ার উপর।

  • FIFA World Cup 2026: আজ শুরু ফুটবল বিশ্বকাপ, উদ্বোধনের আকর্ষণ শাকিরা! কখন-কোথায় দেখবেন মেসি-রোনাল্ডোদের?

    FIFA World Cup 2026: আজ শুরু ফুটবল বিশ্বকাপ, উদ্বোধনের আকর্ষণ শাকিরা! কখন-কোথায় দেখবেন মেসি-রোনাল্ডোদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চার বছর পর ফের উপস্থিত ফুটবলের মাহেন্দ্রক্ষণ। ২০২২ সালে কাতারে মেসির আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ের পর ফের আজ, বৃহস্পতিবার শুরু হতে চলেছে ফিফা বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026)। এই বিশ্বকাপই শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে অনেক তারকার, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য নাম, লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, নেইমার জুনিয়র, লুকা মদ্রিচ প্রমুখ। ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ১২টায় প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি অন্যতম আয়োজক দেশ মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা (Mexico vs South Africa)। তার আগে রয়েছে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান।

    শাকিরার সুরে বিশ্বকাপের উদ্বোধন

    মেক্সিকো সিটিতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ আন্তর্জাতিক পপস্টার শাকিরা (Shakira)। বিশ্বকাপ ফুটবল যেন কলম্বিয়ার তারকাকে ছাড়া অসম্পূর্ণ। বিশ্বকাপের থিম সং ‘দাই দাই’ গেয়েছেন শাকিরা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সেটাই পারফর্ম করবেন তিনি। তবে শাকিরা একা নন, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের চমক বার্না বয় (Burna Boy), জে বালভিন (J Balvin), তাইলা মানা (Tyla, Maná), আলেজ়ান্দ্রো ফার্নান্দেজ় (Alejandro Fernández), বেলিন্দা (Belinda)। আয়োজক দেশ মেক্সিকোর সঙ্গীতের পাশাপাশি লাতিন পপ, রেগ্গায়েটন, অ্যাফ্রোবিটস, আমাপিয়ানো গাওয়া হবে। প্রথম ম্যাচের আগে জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ামক সংস্থা ফিফা। ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ১০টায় শুরু হবে অনুষ্ঠান।

    তিনটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

     এ বারই প্রথম তিন দেশে তিনটি উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হবে। তিনটি অনুষ্ঠানই দেখতে পাবেন ভারতের ফুটবলপ্রেমীরা। এই বিশ্বকাপের আয়োজক তিন দেশ অর্থাৎ মেক্সিকো, আমেরিকা ও কানাডাতেই হবে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। থাকবেন ভারতীয় অভিনেত্রী নোরা ফতেহীও।

    কোন কোন স্টেডিয়ামে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান

    মেক্সিকো— এস্তাদিয়ো আজ়টেকা (মেক্সিকো সিটি) ১১ জুন ভারতীয় সময় রাত ১০.৩০ মিনিট থেকে হবে অনুষ্ঠান। তার পরেই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি মেক্সিকো ও দক্ষিণ আফ্রিকা।

    কানাডা— বিএমও ফিল্ড (টরন্টো)  ১২ জুন ভারতীয় সময় রাত ১১টা থেকে শুরু অনুষ্ঠান। তার পর কানাডার মুখোমুখি বসনিয়া ও হারজেগোভিনা।

    আমেরিকা— সোফি স্টেডিয়াম (লস অ্যাঞ্জেলেস) ১৩ জুন ভারতীয় সময় ভোর ৫টা থেকে শুরু উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। তার পর আমেরিকার মুখোমুখি হবে পানামা।

    প্রথমবার খেলবে ৪৮টি দেশ

    এই বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো খেলবে ৪৮টি দেশ। ১২টি গ্ৰুপে ভাগ করা হয়েছে এই দেশগুলিকে। প্রতি গ্ৰুপে রয়েছে ৪টি করে দল। প্রতি গ্রুপ থেকে প্রথম ২ দল যাবে রাউন্ড অফ ৩২-এ। সেই সঙ্গে যাবে সেরা আটটি তৃতীয় স্থানের দল। ২০১০ বিশ্বকাপেও দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ও মেক্সিকো। ১৬ বছর পর আবার মুখোমুখি হচ্ছে এই দুই দেশ।

    ১৬টি ভেন্যুতে খেলা

    যেহেতু এই বিশ্বকাপের তিনটি আয়োজক দেশ, তাই তিনটি ম্যাসকট বানানো হয়েছে। ম্যাপল (কানাডা), জায়ু (মেক্সিকো) ও ক্লাচ (আমেরিকা)। এর মধ্যে ম্যাপল একটি গরু, জায়ু একটি জাগুয়ার ও ক্লাচ একটি ঈগল। বিশ্বকাপে তিন দেশ মিলিয়ে মোট ১৬টি ভেন্যুতে খেলা হবে। এর মধ্যে ১১টি মাঠ আমেরিকার, ৩টি মেক্সিকোর ও ২টি কানাডার।

    বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়ে সমালোচনা

    বিশ্বকাপ আয়োজন করতে গিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছে আমেরিকা। সেখানকার অভিবাসন নীতি বা ভিসা দেওয়ার ক্ষেত্রে কড়াকড়ি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এই বিষয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল ফিফা। বিশ্বকাপ শুরুর আগে সাংবাদিক বৈঠকে ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, আয়োজক দেশ নিরাপত্তা বা ভিসার ক্ষেত্রে কী নিয়ম করবে তা তাদের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সেখানে ফিফার কিছু বলার নেই। ইনফান্তিনো বলেন, “আমার কথা বিশ্বাস করতে পারেন, বা না-ও করতে পারে। আমরা সব সমস্যার সমাধানের কথাই সব সময় ভেবেছি। কিন্তু আমরা তো বিশ্বের শাসক নই। আয়োজক দেশে নিরাপত্তা বা ভিসা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেবে সেটা তাদের বিষয়। আমরা ক্রীড়া সংস্থা। আমাদের কাজ খেলা ঠিক ভাবে হচ্ছে কিনা সেটা দেখা। বাকি বিষয়ে আমাদের হাত বাঁধা।”

    বলের নাম রাখা হয়েছে ত্রিয়োন্দা

    বিশ্বকাপ ২০২৬-এর বলের নাম রাখা হয়েছে ত্রিয়োন্দা। ২০২২ বিশ্বকাপের মতো এই বলেও থাকবে বিশেষ মাইক্রো চিপ। ১৪ গ্রাম ওজনের এই চিপের ক্ষমতা ৫০০ হার্ৎজ। প্রতি মুহূর্তে বলের পজিশন, গতিবেগ ও গতিপথ জানা যাবে এই চিপ থেকে, যা আরও সাহায্য করবে ফিফাকে। বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ৫ কোটি মার্কিন ডলার (ভারতীয় মূল্যে প্রায় ৪৭৭ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা)। রানার্স দল পাবে ৩ কোটি ৩০ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মূল্যে প্রায় ৩১৫ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা)। তৃতীয় স্থানের দল পাবে ২ কোটি ৯০ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মূল্যে প্রায় ২৭৭ কোটি ৫৯ লক্ষ টাকা) ও চতুর্থ স্থানের দল পাবে ২ কোটি ৭০ লক্ষ ডলার (ভারতীয় মূল্যে প্রায় ২৫৮ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা)।

    টিভিতে কোথায় লাইভ দেখবেন

    জি-৫ এই বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ব্রডকাস্টার। বিশ্বকাপের ম্যাচগুলি জি-৫-এর নতুন চালু হওয়া ইউনিট৮ স্পোর্টস নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভারতে টিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। প্রথম ম্যাচটি ডিডি স্পোর্টসে ফ্রি ডিশের মাধ্যমে বিনামূল্যে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। যদিও ডিডিতে শুধুমাত্র নির্বাচিত ম্যাচগুলিই দেখা যেতে পারে। পুরো টুর্নামেন্ট দেখতে হলে আপনাকে জি-৫-এর সাবস্ক্রিপশন নিতে হবে। টিভির জন্য কেবল অপারেটরকে বলতে হবে ইউনিট৮ চ্যানেলের কথা। ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচগুলির লাইভ স্ট্রিমিং জি-৫ অ্যাপ এবং ওয়েবসাইটে হবে, যার মাধ্যমে আপনি মোবাইল, ল্যাপটপ এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে টুর্নামেন্টটি দেখতে পারবেন।

  • Cash Recovered from School: স্কুলে উদ্ধার ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা ও কন্ডোমের প্যাকেট! রাতভর তল্লাশি, আটক ২

    Cash Recovered from School: স্কুলে উদ্ধার ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা ও কন্ডোমের প্যাকেট! রাতভর তল্লাশি, আটক ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার নগদ টাকার সন্ধান (Cash Recovered from School) মিলল স্কুল থেকে। উত্তর ২৪ পরগনার কাঁচরাপাড়ার একটি বেসরকারি স্কুল থেকে উদ্ধার হল ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। বুধবার গভীর রাতে ইংরেজি মাধ্যমের ওই বেসরকারি স্কুলে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়। বৃহস্পতিবার ভোর ৪টে পর্যন্ত চলে তল্লাশি। কিছু দিন আগে কলকাতায় সুরেন্দ্রনাথ কলেজে ছাত্র সংসদের কার্যালয়ের আলমারি থেকে সুটকেস ভর্তি উই-ধরা টাকা উদ্ধার হয়েছিল। মিলেছিল অস্ত্র এবং গর্ভনিরোধকের প্যাকেটও। এ বার কাঁচরাপাড়ার (Kanchrapara) স্কুলেও মিলল নগদ টাকা এবং কন্ডোমের প্যাকেট।

    টাকা গোনার যন্ত্র এনে তল্লাশি

    বুধবার গভীর রাতে বীজপুর থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে কাঁচরাপাড়ার ফোরম্যান কলোনি এলাকার হারনেট বিদ্যালয়ে তল্লাশি অভিযান চালায়। রাতভর খোঁজাখুঁজির পর বিদ্যালয়ের দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একটি ঘর থেকে উদ্ধার হয় ১ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ এত বেশি ছিল যে তা গোনার জন্য তিনটি টাকা গোনার যন্ত্র নিয়ে আসতে হয়। ভোর পর্যন্ত চলে গণনার কাজ। কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে টাকা গণনা শেষে নগদ অর্থ বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। তল্লাশির সময় বিদ্যালয়ের সিক রুমের একটি আলমারি থেকে গর্ভনিরোধকের প্যাকেটও উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা নিয়ে।

    কীভাবে মিলল টাকার হদিশ

    রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে বীজপুরের নতুন বিধায়ক সুদীপ্ত দাস তাঁর বিধানসভা এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির ‘ডেটা ব্যাঙ্ক’ তৈরির কাজ শুরু করেছেন। সেই কাজের সূত্র ধরেই এই স্কুলের বিষয়ে খবর পান বিধায়কের প্রতিনিধিরা। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রাতেই স্কুলে পৌঁছে যান বিধায়ক। খবর দেওয়া হয় থানাতেও। কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং স্থানীয় থানার পুলিশও ঘটনাস্থলে পৌঁছোয়। নগদ উদ্ধারের পর রাতেই টাকা গোনার যন্ত্র নিয়ে যাওয়া হয় স্কুলে। পুলিশ সূত্রে খবর, উদ্ধার হওয়া অর্থের উৎস এবং স্কুলে এত বিপুল পরিমাণ নগদ কী ভাবে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এলে পুরো বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে বলে মনে করছে প্রশাসন। সূত্রের খবর, এই টাকা উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময়ে কথাবার্তায় অসঙ্গতি মেলায় স্কুলের ক্যাশিয়ার অভীক নাথ, অ্যাসিস্ট্যান্ট অ্যাকাউন্ট্যান্ট সায়ন ঘোষকে আটক করেছে বীজপুর থানা পুলিশ।

    কালো টাকা লুকনো হত স্কুলে

    টাকা উদ্ধারের ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক বলেন, “পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘর থেকে যেমন টাকা পাওয়া গিয়েছিল, সে রকম টাকা। এমন ক্যাশ টাকা স্কুলের মধ্যে আছে মানে… স্কুলে তো বেনিয়মের পর বেনিয়মের অভিযোগ। তার পরে আজকে এই ঘটনা ধরা পড়েছে।” বিধায়ক আরও বলেন, “এই টাকা স্কুলের টাকাও নয়। এটা কমল অধিকারী, সুবোধ অধিকারী, পার্থ ভৌমিকের ব্ল্যাক মানি। এখন যা বোঝা যাচ্ছে, এত টাকা তারা ইডি-সিবিআইয়ের ভয়ে এই স্কুলে লুকোত। স্কুলে এত টাকা কোথা থেকে থাকবে!” বিধায়কের দাবি, এই স্কুলের পরিচালন সমিতির প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান কমল। অন্যদিকে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিকাশচন্দ্র পালের দাবি, উদ্ধার হওয়া অর্থ ছাত্রভর্তির ফি বাবদ জমা পড়া টাকা। তাঁর বক্তব্য, কয়েক মাস ধরে সেই অর্থ জমা ছিল এবং তা ব্যাঙ্কে পাঠানোর কথা ছিল। তবে অসুস্থদের বিশ্রামকক্ষে গর্ভনিরোধকের প্যাকেট কীভাবে এল, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে দাবি করেছেন।

     

     

     

     

     

LinkedIn
Share