Author: ishika-banerjee

  • WB Police: পালাবদলের পরে বড় রদবদল পুলিশে, ১৭৯ অফিসারের বদলি ও পদোন্নতি বাংলায়

    WB Police: পালাবদলের পরে বড় রদবদল পুলিশে, ১৭৯ অফিসারের বদলি ও পদোন্নতি বাংলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে পালাবদলের পর পুলিশ প্রশাসনে বিরাট রদবদল। একসঙ্গে কলকাতা এবং রাজ্য পুলিশে ১৭৯ জন আইপিএস-ডব্লিউবিপিএস-কে বদলি করার নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার। বদলি করা হল কলকাতা পুলিশের জয়েন্ট সিপি (ট্রাফিক) রূপেশ কুমারকে। বিধানসভা ভোটের আগে এই রূপেশকে ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জ্যাক’ বলেছিলেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁকে সরানো হয়েছে এসটিএফে। রাজ্যের উচ্চপদস্থ কর্তাদের রদবদলের নোটিশ জারি করেছে হোম অ্যাফেয়ার্স দফতর। রাজ্য হোম অ্যাফেয়ার্স দফতেরের নোটিশ অনুযায়ী, ১৭৯ আইপিএস বদলির পাশাপাশি, একাধিক পুলিশ সুপারের বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ১২টি পুলিশ জেলার এসপি বদল করা হচ্ছে।

    কাকে কাকে বদলি

    অন্য দিকে এত দিন ফাঁকা ছিল কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম)। সেই পদেও নিয়োগ করা হয়েছে। সেখানকার যুগ্ম কমিশনারকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বদলি হয়েছেন আইপিএস মুরলীধর শর্মা। মুরলীধরকে আইজি (আইবি) পদে বসানো হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে গত এপ্রিলে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার পদ থেকে সরানো হয়েছিল মুরলীধরকে। তার আগে মুরলীধরকে ভোটের পর্যবেক্ষক হিসাবে তামিলনাড়ুতে পাঠানোর কথা বলেছিল কমিশন। পরে সেই নির্দেশে স্থগিতাদেশ দেয় তারা। বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার পদেই থেকে যান মুরলী। এ ছাড়া বেশ কয়েকটি জেলায় পুলিশ সুপারকেও বদলি করা হয়েছে। আইপিএস কুণাল আগরওয়ালকে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) নিয়োগ করা হয়েছে। সেখানে এত দিন ছিলেন যুগ্ম কমিশনার পদের এক আধিকারিক। ওই পদে ছিলেন সোমা দাস মিত্র। তাঁকে বদলি করা হয়েছে আইজি (পলিসি) পদে। রূপেশকে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক) থেকে ডিআইজি (এসটিএফ) করা হয়েছে।

    রুটিন মাফিক বদলি

    নির্বাচনের আচরণবিধি লাগু হওয়ার পরে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশে বিরাট রদবদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। ভোট মেটার পরে নতুন সরকারের সময়ে এই প্রথম এত বড় মাপের রদবদল করা হলো। রুটিনমাফিক এই বদলির সিদ্ধান্ত বলেই নবান্ন সূত্রে খবর। নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাঁকুড়া, মালদা রেঞ্জ-সহ একাধিক বিভাগের আইজিপি (ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ) পদে রদবদল হয়। পাশাপাশি একাধিক জেলার পুলিশ সুপার পদেও বদলি করা হয়েছে।

    কোথায় কোথায় বদলি

    • রাজেশ কুমার যাদবকে বাঁকুড়া রেঞ্জের আইজিপি থেকে এসটিএফ-এর আইজিপি।
    • গৌরব শর্মাকে ট্রাফিক আইজিপি পদ থেকে এসটিএফ-এর আইজিপি করা হয়েছে।
    • সুকেশ কুমার জৈনকে আইবি থেকে সিসিডব্লু-এর আইজিপি করা হল।
    • শীশ রাম ঝাঝারিয়া সংগঠন শাখা থেকে এসভিএসপিএ-র ডিরেক্টর হলেন।
    • মুরলীধর শর্মাকে আইবি-র আইজিপি হিসেবে নিযুক্ত করা হল।
    • শুভঙ্কর সিনহাকে সরকার কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার পদ থেকে আইজিপি করা হয়েছে (প্রভিশনিং)।
    • কুণাল আগরওয়ালকে কলকাতা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) পদে রাখা হয়েছে।
    • ভি. সলোমন নেসাকুমারকে আইজিপি (পার্সোনেল) পদ দেওয়া হয়েছে।
    • শঙ্খশুভ্র চক্রবর্তীকে আইজি হোম গার্ড পদ দেওয়া হয়েছে।
    • উৎপল কুমার নস্করকে আইজিপি কারেকশনাল সার্ভিসেস-এ নিযুক্ত করা হয়েছে।
    • ফারহাত আব্বাস হলেন আইজিপি ট্রেনিং।
    • অঞ্জন চক্রবর্তীকে করা হল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরির ডিরেক্টর।
    • রণেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় হলে আইবি-র আইজি।
    • স্বপন সরকারকে করা হল আইজিপি, অ্যান্টি করাপশন ব্রাঞ্চ (ACB)।
    • সঙমিত লেপচার পদোন্নতি করে আইজিপি, আর্মড পুলিশ (উত্তরবঙ্গ) করা হয়েছে।
    • মেহমুদ আখতার পদোন্নতি পেয়ে আইজি ট্রাফিক।
    • অজয় কুমার ঠাকুরের পদোন্নতি হয়ে আইজিপি, সিআইডি করা হয়েছে।
    • সোমা দাস মিত্র পদোন্নতি পেয়ে হলেন আইজিপি (পলিসি)।
    • কৃষ্ণকলি লাহিড়ীর পদোন্নতি পেয়ে আইজি, সিসিডব্লু করা হয়েছে।
    • শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের কমিশনার সৈয়দ ওয়াকার রাজা পদোন্নতি পেয়ে আইজিপি র‍্যাঙ্কে বহাল হলেন।
    • সূর্যপ্রতাপ যাদব বীরভূমের এসপি থেকে হলেন কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক)।
    • বারাসত পুলিশ জেলার এসপি পুষ্পা হলেন পূর্ব বর্ধমানের এসপি।
    • ওয়াই রঘুবংশী কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার এসপি পদ থেকে হলেন STF উত্তরবঙ্গের এসপি।
    • ঈশানী পাল ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলা থেকে কলকাতা পুলিশের ডিসি (সাউথ ওয়েস্ট) হলেন।
    • অতুল ভি. হলেন কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলার এসপি।
    • সায়ক দাসকে পূর্ব বর্ধমানের এসপি থেকে কলকাতা পুলিশের ডিসি (নর্থ) করা হল।
    • সুজাতা কুমারী বীণাপাণিকে জলপাইগুড়ির এসপি পদে বহাল করা হয়েছে।
    • জে. মার্সিকে বারাসত পুলিশ জেলার এসপি করা হল।
    • চন্দ্রশেখর বর্ধন হলেন ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার এসপি।
    • অভিষেক গুপ্ত হলেন দক্ষিণ দিনাজপুরের এসপি।
    • প্রিয়ব্রত রায় হলেন পশ্চিমবঙ্গ ট্রাফিক পুলিশের এসপি।
    • শুভেন্দ্র কুমার বারুইপুর পুলিশ জেলার এসপি হলেন।
    • সুবিমল পাল হলেন কলকাতা পুলিশের ডিসি (ইস্ট সাবার্বান ডিভিশন)।
    • বিদিত রাজ ভুন্ডেশকে বীরভূমের এসপি পদ দেওয়া হয়েছে।
    • ভি. সি. সতীশ পাসুমার্তি বাঁকুড়ার এসপি পদ পেলেন।
    • সৌম্যদীপ ভট্টাচার্যকে এসটিএফ মালদার এসপি পদ দেওয়া হয়েছে।
    • চিন্ময় মিত্রকে করা হল কলকাতা পুলিশের ডিসি (রিজার্ভ ফোর্স)।
    • অমিত ভার্মা হলেন হাওড়া (গ্রামীণ)-এর এসপি।
    • সানি রাজ হলেন পুরুলিয়ার এসপি।
    • কুনওয়ার ভূষণ সিং হুগলি (গ্রামীণ)-এর এসপি।
    • চারু শর্মা শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি।
    • ইন্দ্র বদন ঝা SRP, শিলিগুড়ি। কল্যাণ সিনহা রায় আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসি (স্পেশাল ব্রাঞ্চ।
    • মণীশ জোশী কলকাতা পুলিশের ডিসি (ওয়্যারলেস)।
    • জয়ন্ত মুখোপাধ্যায় SRP, খড়গপুর।
    • অম্লান ঘোষ হোম গার্ড সংগঠনের সিনিয়র স্টাফ অফিসার।
    • দেবরাজ দাস বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে ডিসি।
    • পল্লবতী শারন্যা ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি।
  • Jahangir Arrested: দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা! নেপাল সীমান্ত থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান

    Jahangir Arrested: দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা! নেপাল সীমান্ত থেকে গ্রেফতার তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝুঁকেছিলেন পুষ্পা, এবার ধরা পড়লেন। দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। শেষ পর্যন্ত রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)-এর জালে ফলতার তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। সূত্রের খবর, দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন জাহাঙ্গির (Jahangir Arrested)। অবশেষে নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেফতার করে তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।

    নেপালে পালানোর চেষ্টা

    এসটিএফ সূত্রে খবর, নেপাল সীমান্ত ধরে পালানোর চেষ্টা করছিলেন জাহাঙ্গির। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছে যান এসটিএফ-এর আধিকারিকেরা। ভারত-নেপাল সীমান্তে বাড়িভাড়া নিয়ে থাকতে শুরু করেছিল জাহাঙ্গির।পরিবার নিয়ে লোকচক্ষুর আড়ালে থাকাই ছিল জাহাঙ্গিরের লক্ষ্য। নেপালে পালিয়ে গিয়ে পাকাপাকি থাকার চেষ্টা করছিলেন। আগেভাগে নেপালের স্কুলে ভর্তি করেছিলেন সন্তানদের। মিলেছে জাহাঙ্গিরের সন্তানদের স্কুলে ভর্তির তথ্যও। পুলিশ বলছে, তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। তার পরিপ্রেক্ষিতেই তাঁর খোঁজ শুরু হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, পালিয়ে যাওয়ার পর নিজের অবস্থান গোপন রাখতে একাধিক সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করেছিলেন তৃণমূল নেতা। তিনি মোবাইল ফোন সম্পূর্ণ বন্ধ করে রাখেন। এমনকি হোয়াটসঅ্যাপ থেকেও লগআউট করে যান, যাতে তাঁর অবস্থান বা যোগাযোগের সূত্র খুঁজে পাওয়া না যায়। ফলে গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে যথেষ্ট বেগ পেতে হয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে।

    কী করে জাহাঙ্গিরের খোঁজ পেল পুলিশ ?

    জাহাঙ্গিরের বিভিন্ন সঙ্গীদের গ্রেফতার করে পুলিশ জানতে পারে, তিনি নেপালে যাতায়াত করতেন। সেই সূত্রেই জাহাঙ্গিরের এক কাছের লোক যে নেপালে থাকত তাকে ট্র্যাক করতে শুরু করে পুলিশ। তাকে ট্র্যাক করে জানা যায়, ঘরভাড়া নিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে থাকতে শুরু করে দিয়েছেন জাহাঙ্গির। নেপালে জাহাঙ্গিরের সন্তানকে ভর্তি করার কাজও এগোয়। পুলিশ জানতে পারে, জাহাঙ্গির বাংলা-নেপাল বর্ডারের কাছে রয়েছেন। সেইমতো টিম গঠন করা হয়। টিম গঠন করে সাদা পোশাকের ডায়মন্ডহারবার জেলা পুলিশ এবং এসটিএফের টিম সেখানকার উদ্দেশে রওনা দেয়। পুলিশ আসছে খবর পেয়ে পালাতে শুরু করেন জাহাঙ্গির। তাঁকে ধরপাকড়ের জন্য দৌড়াদৌড়িও শুরু হয়ে যায়। শেষমেশ তাঁকে ধরে ফেলে পুলিশ।

    ডায়মন্ডহারবার জেলা পুলিশ ও এসটিএফ-এর অভিযান

    ফলতায় পুনর্নির্বাচনের আগে ভোটে না লড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির। ভোটের মাত্র ৪৮ ঘণ্টা আগে লড়াই থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। বলেছিলেন, ‘আমি চাই ফলতায় শান্তি থাকুক। অনেক উন্নয়ন হোক। সোনার ফলতা হোক, এটা আমার স্বপ্ন ছিল। মুখ্যমন্ত্রী ফলতার উন্নয়নের জন্য স্পেশাল প্যাকেজ দিচ্ছেন। আগামী ২১ মে পুননির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে তাই নিজেকে সরিয়ে নিচ্ছি’। ইভিএমে তৃণমূলের প্রতীকের পাশে জাহাঙ্গিরের নাম পর্যন্ত পাল্টাতে পারেনি তৃণমূল। ২৪ মে ভোটের ফল বেরোলে দেখা যায়, ফলতায় ১ লক্ষ ৯ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে ৭৭৮৩ টি ভোট পেয়ে চতুর্থ স্থানে শেষ করেছেন জাহাঙ্গির। এরপর কার্যত অন্তর্ধানে চলে যান। কোনও খোঁজ ছিল না তাঁর। বিভিন্ন মামলায় নাম জড়ানোর পর থেকে তাঁর খোঁজে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। ডায়মন্ডহারবার জেলা পুলিশ এবং এসটিএফ যৌথভাবে একাধিক জায়গায় অভিযান চালায়।

    জাহাঙ্গিরের রক্ষাকবচ প্রত্যাহার

    ২০১৯ সালে জাহাঙ্গিরের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় রক্ষাকবচ পান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ফলতার ওই তৃণমূল নেতা। এর পাশাপাশি, ফলতা বিধানসভার পুনর্নির্বাচনের আগে হাইকোর্ট থেকে আর একটি রক্ষাকবচ পেয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির। রাজ্যে পালাবদলের পর তদন্তের স্বার্থে জাহাঙ্গির খানের অন্তর্বর্তী আইনি সুরক্ষার নির্দেশ প্রত্যাহার করার আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল খোদ রাজ্য সরকার। রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, একাধিক মামলার তদন্তের খাতিরে এই প্রভাবশালী নেতাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। কিন্তু আদালতের আইনি রক্ষাকবচ থাকার কারণে পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারছিল না। ২৬ মে কলকাতা হাইকোর্টে বড়সড় ধাক্কা খান জাহাঙ্গির। তাঁর আইনি সুরক্ষার মেয়াদ বাড়াতে অস্বীকার করে উচ্চ আদালত। গত ২৬ মে জাহাঙ্গিরকে দেওয়া সমস্ত রক্ষাকবচই প্রত্যাহার করে নেয় কলকাতা হাইকোর্ট। বিচারপতি পার্থসারথি সেন বলেন, পুলিশ যখন মামলা রুজু করেছে, তখন তদন্ত হবেই। এরপর জাহাঙ্গিরকে গ্রেফতার করার ক্ষেত্রে আর কোনও আইনি বাধা ছিল না পুলিশের। জাহাঙ্গিরের গ্রেফতারির দাবিতে সরব হন ফলতাবাসীও।

    জাহাঙ্গিরের নাম মোট ৭টি এফআইআর

    আইনি বাধা সরে যেতেই জাহাঙ্গিরকে পাকড়াও করার জল্পনা শুরু হয়। দীর্ঘ নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য এবং বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার শেষ পর্যন্ত তাঁর অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হয় এসটিএফ। নেপাল সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয়। জাহাঙ্গির খানকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই বিতর্ক রয়েছে। এলাকায় তাঁর প্রভাবশালী ভূমিকার কারণে তাঁকে অনেকেই ‘স্বঘোষিত ডন’ বলেও উল্লেখ করেন। সাধারণ মানুষকে রীতিমতো ভয়ে রেখেছিলেন বলে অভিযোগ। পুলিশ সূত্রের খবর, জাহাঙ্গির খানের বিরুদ্ধে ফলতা থানায় খুন, খুনের চেষ্টা, তোলাবাজি, হুমকি, বাড়ি ভাঙচুর, লুঠ-সহ একাধিক অভিযোগে মোট ৭টি এফআইআর দায়ের হয়েছে। অবশেষে জাহাঙ্গির গ্রেফতার হওয়ায় স্বস্তিতে ফলতাবাসী।

     

     

     

     

  • Annapurna Yojana: অন্নপূর্ণার টাকা পেয়ে গিয়েছেন ৫০ লক্ষ মহিলা! অ্যাকাউন্টে ‘ট্রান্সফার’ নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    Annapurna Yojana: অন্নপূর্ণার টাকা পেয়ে গিয়েছেন ৫০ লক্ষ মহিলা! অ্যাকাউন্টে ‘ট্রান্সফার’ নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপচে পড়েছে অন্নপূর্ণা ভান্ডার। এই যোজনায় (Annapurna Yojana) মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা করে ঢোকা শুরু হয়ে গিয়েছে। রবিবার পর্যন্ত ৫০ লক্ষ মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন, বলে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। রাজ্যের সব যোগ্য উপভোক্তা এই প্রকল্পে টাকা পাবেন বলেও জানান তিনি। অন্নপূর্ণা যোজনায় ফর্ম পূরণ আগামী ৩ মাস চলবে। একইসঙ্গে লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্পে পূর্বতন তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে শুভেন্দু এদিন বলেন, এত দুর্নীতি হয়েছে যে ব্রিগেড ময়দানকে জেল বানাতে হবে।

    সরকারের টাকা জলে ফেলা যায় না

    এদিন বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে বিজেপি পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় প্রশিক্ষণ মহা অভিযান হয়। সেখানে বক্তব্য রাখতে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “গতকাল পর্যন্ত ৫০ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে এই যোজনায় ৩ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছে। এটা সবচেয়ে বড় সাফল্য। ফর্মে প্রথমে সমালোচনা হয়েছিল ২-৩ দিন। পরে সবাই বুঝেছেন, সরকারের টাকা এভাবে জলে ফেলা যায় না।”

    পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে নিশানা

    এরপরই লক্ষ্মীর ভান্ডার প্রকল্প নিয়ে পূর্বতন তৃণমূল সরকারকে নিশানা করে শুভেন্দু বলেন, “আগের সরকার ২ কোটি ২০ লক্ষ মানুষকে লক্ষ্মীর ভান্ডার দিত। তার মধ্যে ২৭ লক্ষের নাম ভোটার তালিকায় নেই। কেবল মাত্র সিএএ-তে অ্যাপ্লাই করেছেন, ১ লক্ষ ২১ হাজার এখনও অবধি। ১৯ হাজার সার্টিফিকেট পেয়েছেন। ১ লক্ষ ২ হাজার ,সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য অপেক্ষায় আছেন। আমরা তাঁদেরও আমাদের দিক থেকে, কেন্দ্রীয় সরকারকে সাথে নিয়ে ক্লিয়ার করব।”

    পুরুষরাও লক্ষ্মী!

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “শুনলে অবাক হবেন, ৩ লক্ষ পুরুষ লক্ষ্মীর ভান্ডার পেতেন। মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর ব্লকে সাড়ে ৪ হাজার পুরুষ পাওয়া গিয়েছে। কৃষ্ণনগর ২-র একটা অঞ্চলে পাওয়া গিয়েছে ২৭৩ জন। ভাবলে অবাক হবেন, বিধবা ভাতাও পুরুষ পেয়েছে। আপনি যেখানেই হাত দেবেন, সেখান থেকে পচা দুর্গন্ধ বেরচ্ছে। এ তো ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডকে জেল বানাতে হবে।”

    স্বচ্ছতার সঙ্গে ডেটা ব্যাঙ্ক

    শুভেন্দুর কথায়, “কী ভয়ঙ্কর দুর্নীতি। হিসেব করে দেখুন, ৩০ লক্ষের টাকা বছরে কত হাজার কোটি টাকা হয়। আমরা স্বচ্ছতার সঙ্গে যা করছি, এর সুফল আগামী ৫০ বছর এই রাজ্যের সরকার পাবে। আমরা ডেটা ব্যাঙ্ক তৈরি করে নিয়েছি।” তৃণমূলের শাসনকালে একের পর এক বিজেপি কর্মীকে খুনের অভিযোগ উঠেছিল। এই নিয়ে এদিন শুভেন্দু বলেন, “আমাদের ৩১৫ জন কর্মী আত্মবলিদান দিয়েছেন। ওই বিজেপি কর্মীদের পরিবারের একজন করে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবে রাজ্য সরকার। এমাসেই চাকরির ব্যবস্থা করা হবে। একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে।”

    লক্ষ লক্ষ মহিলাদের সরাসরি আর্থিক সহায়তা

    অন্নপূর্ণা যোজনা জনকল্যাণমূলক কর্মসূচিতে রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মহিলাদের সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। সুবিধাভোগীরা সরাসরি ব্যাঙ্ক ট্রান্সফারের (DBT) মাধ্যমে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা পাবেন। বুধবার সেই প্রকল্পের প্রথম কিস্তির ৩০০০ টাকা মহিলাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে শুরু করেছে। কিন্তু যাদের অ্যাকাউন্টে কোনও টাকাই ঢোকেনি, তারা আগামী ৭ দিনে এই টাকা পাবেন, বলে খবর।

    অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের স্ট্যাটাস চেক

    অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের কত টাকা ঢুকবে তা জানতে স্ট্যাটাস চেক করতে https://www.govtschemes.in/west-bengal-annapurna-bhandar-scheme এই লিঙ্কে ক্লিক করে নিজের রাজ্য (State) বেছে নিন। স্ক্রল করে Annapurna Bhandar Scheme Official Portal Link অপশনে ক্লিক করুন। https://socialsecurity.wb.gov.in/login পেজটি আসবে। এবার Track Application Status-এ ক্লিক করুন। নিজের নাম নথিভুক্ত আছে কিনা এবং জুন মাসে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে কিনা উভয়ই এখান থেকে চেক করা যাবে। Track Application Status-এ ক্লিক করলে Search Using অপশন পাবেন। এখানে Select-এ নিজেদের ফোন নম্বর বা আধার নম্বর কিংবা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নম্বরের যে কোনও একটি অপশনে ক্লিক করবেন। এরপর Enter Value-তে সেই নম্বরটি দেবেন। এরপর ক্যাপচা সঠিকভাবে দিয়ে Search করুন। এতেই বুঝতে পারবেন নিজের অ্যাপ্লিকেশন স্ট্যাটাস, এমনকি কত টাকা অ্যাকাউন্টে ঢুকবে সেটাও।

    অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও চেক

    অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনেও চেক করতে পারবেন এই যোজনার স্ট্যাটাস। এক্ষেত্রে আপনাকে বা পরিবারের কাউকে স্থানীয় ব্লক অফিস বা পুরসভা অফিসে গিয়ে আবেদন গ্রহণের রসিদ দেখিয়ে তথ্য জেনে নিতে হবে। এই প্রকল্পের জন্য যোগ্য হতে আবেদনকারীদের কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে। আবেদনকারী অবশ্যই মহিলা হতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে। বয়স অবশ্যই ২৫-৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে। আয়করদাতা হওয়া যাবে না। স্থায়ী বা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী অথবা রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকার, পঞ্চায়েত, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, স্থানীয় সংস্থা, পৌরসভা বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে নিয়মিত বেতন বা পেনশন গ্রহণকারী হওয়া যাবে না। পশ্চিমবঙ্গের কোনও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক বা অশিক্ষক পদে নিযুক্ত থাকা যাবে না। অন্নপূর্ণা ভান্ডার আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র: আধার কার্ড, ভোটার আইডি কার্ড, বাসস্থানের প্রমাণ, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের স্টেটমেন্ট/পাসবুক, পাসপোর্ট আকারের ছবি। নির্বিঘ্নে পেমেন্ট পাওয়ার জন্য আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় এবং আপডেট রাখাও জরুরি।

     

     

     

     

     

  • Suvendu Adhikari: ৪৮০০ অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও কত, জানালেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ৪৮০০ অনুপ্রবেশকারীকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে, অপেক্ষায় আরও কত, জানালেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে কড়া রাজ্য সরকার। নতুন সরকার তৈরির পর থেকে ইতিমধ্যেই ৪৮০০ অনুপ্রবেশকারীকে (Illegal Immigrants) বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে সদ্য তৈরি হোল্ডিং সেন্টার থেকে এখন আরও ৮৩৬ জনকে সীমান্তের ওপারে পাঠানোর তোরজোড় চলছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর মতে রাজ্যে অবৈধ বাংলাদেশিদের নিয়ে সরকার চিন্তিত। যেভাবেই হোক এই সমস্যা দূর করতে বদ্ধ পরিকর তাঁরা। শুভেন্দু জানিয়েছেন, যেই সব মানুষ সিএএ-এর আওতায় আসেন না, তাঁদের সরাসরি বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়া হবে। তাদের বাংলাদেশ পাঠানো হবে।

    সামান্তে কাঁটাতার

    সরকার গঠনের পরই ইতিমধ্যে সীমান্তের ১০০ কিমিতে কাঁটাতার বসানোর জমি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনীয় ৫৫৬ কিমির মধ্যে ১০০ কিমি জমি দেওয়া হয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে সবটাই দেওয়া হবে। শুভেন্দুর মতে, সারা দেশে আইন মানা হয়। কিন্তু আগের তৃণমূল সরকার রাজ্যে আইন মেনে চলত না। তাই তাঁর সরকার অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বের করতে উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানান তিনি। তাঁর কথায়,‘‘৪৮০০ অবৈধ অনুপ্রবেশকারীকে সীমান্তের জেলাগুলির হোল্ডিং ক্যাম্প থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। বাকিদেরও দ্রুত নিয়ম মেনে ঢাকায় পাঠানো হবে।’’ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ভারতের সব রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গেই বাংলাদেশের সবথেকে লম্বা বর্ডার রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ২,২১৭ কিমি বাংলাদেশ বর্ডার। আর এই বিরাট সীমান্তের মধ্যে অনেক জায়গাতেই কাঁটাতার নেই। সেখান থেকেই অবৈধ অনুপ্রবেশ হচ্ছে বলে অভিযোগ।

    উত্তরবঙ্গের চিকেন নেক করিডরই প্রায়োরিটি

    শুভেন্দু জানান, বিএসএফ-কে জমি দেওয়া খুবই জরুরি। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থেই জমি দিতে হবে। এটাই তাঁর নতুন সরকারের অগ্রাধিকার বলে দাবি করেছেন তিনি। বিজেপির স্পেশাল ট্রেনিং ক্যাম্পে এই প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন,‘‘সীমান্তে কাঁটাতার লাগানোর জন্য ৫৫৬ কিমি জমি প্রয়োজন ছিল। তার মধ্যে ১০০ কিমি দেওয়া হয়ে গিয়েছে। এক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গের চিকেন নেক করিডরই প্রায়োরিটি।’’ মাথায় রাখতে হবে, চিকেন নেক করিডর বা শিলিগুড়ি করিডর খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি এলাকা। এটি মোটামুটি ২০ থেকে ২২ কিমি চওড়া এবং ৬০ কিমি লম্বা একটা জায়গা। এই জায়গাটি গোটা দেশকে উত্তরপূর্ব ভারতের সঙ্গে জুড়ে রাখে। তাই এই জায়গাটা ভূ-রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্য়ন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণেই এই জায়গার নিরাপত্তায় কোনও প্রকারের ঝুঁকি নিতে রাজি নয় নতুন শুভেন্দু সরকার।

  • UP 112 Model: মাত্র ৬.৫ মিনিটে পুলিশের সাড়া! উত্তরপ্রদেশের এই মডেলেই নজর পশ্চিমবঙ্গের

    UP 112 Model: মাত্র ৬.৫ মিনিটে পুলিশের সাড়া! উত্তরপ্রদেশের এই মডেলেই নজর পশ্চিমবঙ্গের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জরুরি পরিষেবা ও দ্রুত পুলিশি সাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশের ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) মডেল এখন দেশের বিভিন্ন রাজ্যের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে। সেই মডেল কাছ থেকে পর্যবেক্ষণ করতে সম্প্রতি লখনউ সফরে গেল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের (West Bengal Police) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। রাজ্যের জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও আধুনিক ও কার্যকর করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ বলে জানা গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) সুকেশ জৈন। লখনউয়ে ‘ইউপি-১১২’ সদর দফতরে গিয়ে তাঁরা কেন্দ্রীয় কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল ব্যবস্থা, প্রযুক্তিনির্ভর পরিকাঠামো এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী খতিয়ে দেখেন।

    কীভাবে কাজ করে ‘ইউপি-১১২’?

    উত্তরপ্রদেশের জরুরি পরিষেবা ব্যবস্থা ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) বর্তমানে দেশের অন্যতম সফল মডেল হিসেবে পরিচিত। অপরাধ, দুর্ঘটনা, চিকিৎসাজনিত জরুরি পরিস্থিতি, নারী নিরাপত্তা কিংবা সাধারণ মানুষের বিপদের মুহূর্তে একক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দেয় এই পরিষেবা। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিনিধিদের জানানো হয়, ‘ইউপি-১১২’-এ কোনও জরুরি ফোনকল যাতে উপেক্ষিত না হয়, তার জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। কোনও কল অপারেটর ব্যস্ত থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই কল অন্য উপলব্ধ অপারেটরের কাছে পৌঁছে যায়। ফলে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া সম্ভব হয়।

    মুহূর্তে শনাক্ত হয় কলারের অবস্থান

    প্রতিনিধিদলকে দেখানো হয় কীভাবে সিস্টেমটি কলারের অবস্থান স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করে নিকটবর্তী পুলিশের কাছে তথ্য পাঠায়। এর ফলে ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছতে পারে পুলিশ। এছাড়াও, প্রতিটি জরুরি কলের জন্য ডিজিটাল রেকর্ড তৈরি করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর থেকে পদক্ষেপ গ্রহণ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ নথিভুক্ত থাকে। ফলে পুরো প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক হয়ে ওঠে, যা সাধারণ মানুষের আস্থাও বাড়ায়।

    গড় সাড়া দেওয়ার সময় মাত্র সাড়ে ৬ মিনিট

    ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) কর্তৃপক্ষ প্রতিনিধিদলকে জানায়, উন্নত প্রযুক্তি ও সুসংহত ব্যবস্থাপনার কারণে তাদের গড় প্রতিক্রিয়া সময় প্রায় ৬.৫ মিনিট। বিশাল ভৌগোলিক বিস্তৃতির উত্তরপ্রদেশেও এই দ্রুত পরিষেবা বজায় রাখা সম্ভব হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার মাধ্যমে।

    যোগী সরকারের পুলিশি সংস্কারের ফল

    বিশেষজ্ঞদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)-এর আমলে উত্তরপ্রদেশে যে পুলিশি সংস্কার ও প্রযুক্তিগত আধুনিকীকরণ হয়েছে, তারই অন্যতম সফল ফল ‘ইউপি-১১২’ (UP-112)। এক্ষেত্রে নজরদারি ব্যবস্থা, জরুরি পরিষেবা, ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং পুলিশ পরিকাঠামোয় ব্যাপক বিনিয়োগের মাধ্যমে জননিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

    পশ্চিমবঙ্গে কি চালু হবে একই মডেল?

    সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিজেদের জরুরি প্রতিক্রিয়া ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার জন্য বিভিন্ন সফল মডেল পর্যালোচনা করছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই সফর গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এখনও পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণভাবে ‘ইউপি-১১২’ (UP-112) মডেল চালুর বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি, তবে লখনউ সফর থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা ও তথ্য ভবিষ্যতে রাজ্যের জরুরি পরিষেবা ও আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

  • Indian Cricket Team: অস্তাচলে সূর্যকুমার, উদয় সূর্যবংশীর! ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড সফরে ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক শ্রেয়স

    Indian Cricket Team: অস্তাচলে সূর্যকুমার, উদয় সূর্যবংশীর! ইংল্যান্ড-আয়ারল্যান্ড সফরে ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক শ্রেয়স

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। ভারতীয় দলের নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়স আয়ারের নাম ঘোষণা করল ভারতীয় বোর্ড। গত কয়েক দিন ধরেই এই নিয়ে জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত ভারতীয় ক্রিকেটে শুরু হয়ে গেল অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের যুগ। আয়ারল্যান্ড, ইংল্যান্ড এবং এশিয়ান গেমসের দল নির্বাচনের পরেই এই ঘোষণা করে বিসিসিআই। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব দলে জায়গা পাননি। সহ-অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছেন তিলক বর্মা। যশপ্রীত বুমরাকে আয়ারল্যান্ড এবং ইংল্যান্ড সিরিজ না রাখা হলেও এশিয়ান গেমসের দলে রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি দলে অবশেষে সুযোগ পেয়েছেন তরুণ ক্রিকেটার বৈভব সূর্যবংশী।

    নতুন অধ্যায়ের সূচনা

    আগামী ২৬ জুন থেকে শুরু হতে চলেছে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ। এর পরপরই ১ জুলাই থেকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে মুখোমুখি হবে টিম ইন্ডিয়া। তারপর রয়েছে ২০২৬ এশিয়ান গেমস। এই দল ঘোষণার সবচেয়ে বড় চমক লুকিয়ে রয়েছে অধিনায়কত্বে। ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বের ব্যাটন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন সূর্যকুমার যাদব (Suryakumar Yadav)। তাঁর পরিবর্তে আয়ারল্যান্ড সফর, ইংল্যান্ড সিরিজ এবং এশিয়ান গেমসে ভারতকে নেতৃত্ব দেওয়ার গুরুদায়িত্ব সঁপে দেওয়া হয়েছে শ্রেয়স আয়ারের (Shreyas Iyer) কাঁধে। অনেকেই মনে করছেন, অজিত আগরকরের অধীনে নির্বাচক কমিটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

    উদয় সূর্যবংশীর

    মুম্বইয়ে বোর্ডের সদর দফতরে জাতীয় নির্বাচকদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বোর্ড সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া। সেই বৈঠকেই সূর্যকুমার যাদবকে জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তে সিলমোহর পড়ে। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি দল থেকে ছেঁটে ফেলা হয়েছে হার্দিক পাণ্ডিয়া এবং রিঙ্কু সিংকে। তবে বড় চমক হিসাবে প্রথমবারের মতো ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছে মাত্র ১৫ বছর বয়সি বৈভব সূর্যবংশী। আইপিএলে দারুণ পারফরম্যান্স করে আলোচনায় আসা এই কিশোরকে নিয়ে আগে থেকেই আগ্রহ তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত ঘোষিত তিনটি দলেই তাকে রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ম্যাচে অভিষেক হলে বয়সের দিক থেকে সে ভেঙে দিতে পারে শচীন তেণ্ডুলকরের দীর্ঘদিনের রেকর্ড। ১৬ বছর ২০৫ দিন বয়সে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলেছিলেন লিটল মাস্টার। আর বৈভবের বয়স এখন মাত্র ১৫ বছর ৭১ দিন। ফলে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামলেই সেই রেকর্ড ছাপিয়ে যাবে।

    বৈভবকে নিয়ে আশাবাদী নির্বাচকরা

    জাতীয় নির্বাচক কমিটির প্রধান অজিত আগরকর সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, আইপিএলে টানা দুই মরশুম ও অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের কারণেই তাকে দলে নেওয়ার কথা ভাবা হয়েছে। তিনি বলেন, “বৈভব নিজের যোগ্যতায় সুযোগ পেয়েছে। ওর পারফরম্যান্সই ওকে দলে নিতে বাধ্য করেছে। ও খুবই তরুণ। কিন্তু আইপিএলে ও অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে ভালো খেলেছে। আমরা সবাই ওর প্রতিভা ও মানসিক দৃঢ়তা দেখতে পাচ্ছি। সুযোগ পেলে নিজের সামর্থ্য আবারও প্রমাণ করবে বলেই আমরা আশাবাদী।”

    আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরে ভারতের দল: শ্রেয়স আয়ার (অধিনায়ক), অভিষেক শর্মা, সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষন, শিবম দুবে, তিলক বর্মা, নীতীশ কুমার রেড্ডি, অক্ষর পটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, সি ভি বরুণ, রবি বিষ্ণোই, মহম্মদ সিরাজ, হর্ষিত রানা, আরশদীপ সিংহ, প্রিন্স যাদব, বৈভব সূর্যবংশী।

    এশিয়ান গেমসের নির্বাচিত দল: শ্রেয়স আয়ার (অধিনায়ক), সঞ্জু স্যামসন, ঈশান কিষন, শিবম দুবে, তিলক বর্মা, নীতীশ কুমার রেড্ডি, অক্ষর পটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, সিভি বরুণ, রবি বিষ্ণোই, হর্ষিত রানা, আর্শদীপ সিংহ, বৈভব সূর্যবংশী, যশপ্রীত বুমরা

  • Survey of Madrasa: ৫ জুলাইয়ের মধ্যে দিতে হবে রিপোর্ট, রাজ্যের সব মাদ্রাসার সমীক্ষার নির্দেশ নবান্নের

    Survey of Madrasa: ৫ জুলাইয়ের মধ্যে দিতে হবে রিপোর্ট, রাজ্যের সব মাদ্রাসার সমীক্ষার নির্দেশ নবান্নের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থার (Survey of Madrasa) প্রকৃত চিত্র, পরিকাঠামো এবং শিক্ষার মান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্যে বিশেষ সমীক্ষার নির্দেশ দিল নবান্ন। ব্লক ও পুরসভা স্তরে থাকা সমস্ত মাদ্রাসার তথ্য সংগ্রহ করতে জেলার প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ জুলাই, ২০২৬-এর মধ্যে জেলাভিত্তিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে। সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর গত ৫ জুন সমস্ত জেলাশাসকের কাছে এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা পাঠিয়েছে। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, প্রতিটি ব্লক ও পুরসভা এলাকায় সমীক্ষা চালিয়ে মাদ্রাসাগুলির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করতে হবে।

    কোনও মাদ্রাসাই সমীক্ষার বাইরে নয়

    নবান্নের নির্দেশ অনুযায়ী, সরকারি, বেসরকারি, স্বীকৃত, অস্বীকৃত এবং অনুদানপ্রাপ্ত— সব ধরনের মাদ্রাসাই এই সমীক্ষার আওতায় আসবে। রাজ্যের মাদ্রাসা শিক্ষার একটি পূর্ণাঙ্গ ও হালনাগাদ তথ্যভান্ডার তৈরি করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রশাসনের মতে, এই তথ্যভান্ডার ভবিষ্যতে শিক্ষানীতি প্রণয়ন, শিশু কল্যাণমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন এবং প্রশাসনিক নজরদারি আরও কার্যকর করতে সাহায্য করবে। সমীক্ষার সময় মূলত চারটি ক্ষেত্রে তথ্য সংগ্রহ করা হবে—

    প্রতিষ্ঠানের বর্তমান অবস্থা ও আইনি স্বীকৃতি
    পরিকাঠামো ও উপলব্ধ সুযোগ-সুবিধা
    শিক্ষা ও একাডেমিক কার্যক্রমের ধরন
    ছাত্রছাত্রীদের সংখ্যা এবং সামাজিক বিন্যাস

    উদ্বেগের কারণ নেই, জানাল নবান্ন

    সমীক্ষা ঘিরে কোনও ধরনের উদ্বেগের প্রয়োজন নেই বলেও স্পষ্ট করেছে নবান্ন। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগ শুধুমাত্র তথ্য সংগ্রহ ও নীতিনির্ধারণের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে। এর ভিত্তিতে কোনও মাদ্রাসা বন্ধ করা হবে না বা পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না। পাশাপাশি, শিক্ষাবর্ষের স্বাভাবিক কার্যক্রমও এতে ব্যাহত হবে না। তবে, ৫ জুলাইয়ের মধ্যে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা বাধ্যতামূলক, বলে জানিয়েছে নবান্ন। তাই জেলাশাসকদের অবিলম্বে সমীক্ষার কাজ শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন এই সমীক্ষাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে।

  • Bengal Football: অভিষেকের ক্লাবে কালো টাকা! অরূপ-স্বরূপ জুটির ‘সিন্ডিকেট রাজ’, যুবভারতী থেকে আইএফএ— বিস্ফোরক অভিযোগে চাঞ্চল্য

    Bengal Football: অভিষেকের ক্লাবে কালো টাকা! অরূপ-স্বরূপ জুটির ‘সিন্ডিকেট রাজ’, যুবভারতী থেকে আইএফএ— বিস্ফোরক অভিযোগে চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা-স্বাস্থ্যের পর এবার রাজ্যের ক্রীড়াক্ষেত্রেও (Bengal Football) দুর্নীতির চিত্র ফুটে উঠছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে তৃণমূলের নেতা-কর্মী তথা মন্ত্রী-সাংসদদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে একের পর এক তদন্ত শুরু করছে নয়া সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি সরকার সব স্তরের দুর্নীতি রুখতে বদ্ধ পরিকর। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এ বার তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সঙ্গে যুক্ত ডায়মন্ড হারবার এফসি-কে (Diamond Harbour FC) ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলির তদন্ত করতে চলেছে। রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nishith Pramanik) জানিয়েছেন, ক্লাবের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ এসেছে এবং প্রতিটি অভিযোগই বিস্তারিত ভাবে খতিয়ে দেখা হবে। বৃহস্পতিবার রাতে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকেও। তিনি ঘটনাচক্রে বাংলার ফুটবল সংস্থা আইএফএ-র সহ-সভাপতিও। স্বরূপ গ্রেফতার হওয়ার পরেই তাঁর এবং অরূপের বিভিন্ন দুর্নীতিমূলক কাজকর্ম নিয়ে সরব হয়েছেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্তও। তাঁর দাবি, জোর করে বৈঠক ভেস্তে দেওয়া, স্পনসর আসতে না দেওয়া, এমনকি যুবভারতীর জেনারেটর নিয়েও সিন্ডিকেটবাজি করা হয়েছে।

    অভিষেকের ক্লাব-এর অর্থের উৎস নিয়ে প্রশ্ন

    এ বছরই আই লিগ (Indian Football League) জিতে আইএসএলে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে ডায়মন্ড হারবার এফসি। ঠিক তার আগেই ক্লাবকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ক্লাবের বিরুদ্ধে একাধিক অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। শুক্রবার এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। সংবাদমাধ্যমকে নিশীথ জানান, ক্লাবের গঠন এবং কার্যকলাপ নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছে সরকারের কাছে। নিশীথের কথায়, “ডায়মন্ড হারবারের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ পেয়েছি আমরা। সঠিক নিয়ম মেনে ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে কি না তা নিয়ে অভিযোগ পেয়েছি। পাশাপাশি ক্লাব চালানোর অর্থ কোথা থেকে আসে, কোথায় অর্থ খরচ করা হয় তা নিয়েও অভিযোগ রয়েছে। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আলোচনার জন্য স্পনসরদের ডাকা হতে পারে।”

    ফুটবল-ক্লাব ঘিরেও দুর্নীতি অভিষেকের!

    ডায়মন্ড হারবার যে মাঠে অনুশীলন করে, বিধাননগর স্পোর্টস কমপ্লেক্সের সেই মাঠ জোর করে দখল করে রাখার অভিযোগও জমা পড়েছে। নিশীথ বলেছেন, “দখলমুক্ত করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। তদন্তে যা পাওয়া যাবে তার ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দ্রুত সব প্রকাশ্যে আনা হবে।”তিনি আরও বলেছেন, “ক্রীড়া দফতর তদন্ত শুরু করেছে। আমরা নিয়মিত আইএফএ-র সঙ্গে আলোচনা করছি। দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।” নিশীথের দাবি, ডায়মন্ড হারবারের কিছু ফুটবলার সরকারি চাকরি করছেন। নিশীথ বলেন, “আমরা চাই সব ক্লাব ভাল খেলুক এবং উন্নতি করুক। কিন্তু অনৈতিক কোনও কাজ করলে কোনও ভাবেই তা বরদাস্ত করা হবে না।” প্রয়োজন হলে তদন্তে ইডি-র সাহায্যও নেওয়া হবে।

    সল্টলেক স্টেডিয়ামে সিন্ডিকেট-রাজ

    রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বিশ্বাসকে নিউ আলিপুর থানার পুলিশ তোলাবাজি ও নানা অভিযোগে গ্রেফতার করেছে। সল্টলেক স্টেডিয়াম (যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন) চত্বরে তাঁর বিরুদ্ধে জেনারেটর সিন্ডিকেট ও বিভিন্ন আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার পর রাজ্য ফুটবল মহলেও তাঁর প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিগত সরকারের আমলে প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাই স্বরূপ বাংলার ফুটবল সংস্থা আইএফএ-র সহ-সভাপতিও হন। সে সময় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সল্টলেক স্টেডিয়ামে দুর্নীতির জাল বুনেছিলেন স্বরূপ। এমনই দাবি করলেন আইএফএ সচিব অনির্বাণ দত্ত। তাঁর কথায়, “সল্টলেক স্টেডিয়ামে যারাই খেলা আয়োজন করে, তাদের জেনারেটর ভাড়া নিতে হয়। অথচ সরকারের চারটে জেনারেটর রয়েছে। তবু সেগুলো ব্যবহার করা হয় না। প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী এবং স্বরূপের চেনাজানা লোকের থেকে সেটা ভাড়া নিতে হত। ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, আইএফএ— সবাইকে একই কাজ করতে হয়েছে। বাইরে থেকে কাউকে ডেকে আনা সম্ভব ছিল না। কারণ ওঁদের লোক পুরো সেট-আপ জানত।”

    সরকার ছাড়া বাংলায় খেলাধুলো চালানো সম্ভব নয়!

    ২০২৩ সালে অনির্বাণ সচিব নির্বাচিত হওয়ার সময় স্বরূপও সহ-সভাপতি হয়েছিলেন। শোনা যায়, তাতেও প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর চাপ ছিল। অনির্বাণ বললেন, “এটা মানতেই হবে যে, সরকার ছাড়া বাংলায় খেলাধুলো চালানো সম্ভব নয়। একটা ম্যাচ করতে হলেও স্টেডিয়াম লাগবে। প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রীর ‘অনুরোধ’ সেই সময়ে রাখা হয়েছিল। উনি বলেছিলেন, আমার ভাই কেন থাকতে পারবে না? ওকেও রাখতে হবে।” অনির্বাণ জানান, স্বরূপ নিজে থেকে কলকাঠি নাড়তেন না। পুরো ব্যাপারটিই করতেন আইএফএ-র গভর্নিং বডিতে থাকা স্বরূপের ‘কাছের লোকেরা’। অনির্বাণ নাম করে তাঁদের ভূমিকার তুলোধনা করলেন। বললেছন, “স্বরূপের সঙ্গে যাঁরা থাকতেন, তাঁরা দিনের পর দিন আইএফএ-কে বিরক্ত করেছেন। রবীন ঘোষ, নজরুল ইসলাম, সৌরভ পালেরা লাগাতার আইএফএ-কে অকারণে চিঠি দিয়েছেন, মামলা করেছেন। অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছেন গভর্নিং বডির বৈঠকে।”

    প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কথা চলত

    আইএফএ সচিবের দাবি, তিনি দায়িত্বে আসার পর প্রথম থেকে এতটা অসহযোগিতা ছিল না। আস্তে আস্তে বাড়তে শুরু করে। অনির্বাণের দাবি, “প্রথমে হয়তো ওঁদের ধারণা হয়েছিল যে, আইএফএ-তে আমি হাতের পুতুল হয়ে থাকব। ওঁরা ইচ্ছেমতো দাপাদাপি করবেন। যখন দেখলেন সেটা হচ্ছে না, তখন ঝামেলা করা শুরু করলেন। প্রথম বছর থেকেই ঝামেলা শুরু হয়েছিল। আইএফএ-র ঘরে বসে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন ওঁরা। অতীতে এই প্রতিষ্ঠানের ইতিহাসে কখনও এমন ঘটেনি। স্পনসর সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ক্রীড়ামন্ত্রী সব জানতেন। কিছু সুবিধা হয়নি। ছ’জন ভূমিপুত্র খেলানোর সিদ্ধান্ত প্রায় চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কোচেস কমিটির বৈঠকে ওঁদের প্রতিনিধিরা বলেছেন, বিশেষ এক জনকেই কোচ করতে হবে। তা হলে কোচেস কমিটির ভূমিকা কী?” সবক্ষেত্রেই বিগত সরকারের একনায়কতন্ত্র চলত বলে দাবি করেন আইএফএ সচিব। রাজ্যে পালা বদলের পর নতুন সরকার ক্রীড়াক্ষেত্রে দুর্নীতি দূর করবে বলেই আশা অনির্বাণের।

  • R Praggnanandhaa: ইতিহাস রচনা প্রজ্ঞানন্দের, নরওয়ে দাবায় প্রথম ভারতীয় হিসেবে চ্যাম্পিয়ন

    R Praggnanandhaa: ইতিহাস রচনা প্রজ্ঞানন্দের, নরওয়ে দাবায় প্রথম ভারতীয় হিসেবে চ্যাম্পিয়ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরওয়ে দাবায় (Norway Chess Title) খেতাব জিতলেন ভারতীয় গ্র‌্যান্ডমাস্টার আর প্রজ্ঞানন্দ (R Praggnanandhaa)। শুক্রবার শেষ রাউন্ডে তিনি হারান জার্মানির ভিনসেন্ট কেমারকে। প্রথম ভারতীয় দাবাড়ু হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন চেন্নাইয়ের ২০ বছরের তরুণ। শেষ দিনের খেলা শুরুর আগে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ছিলেন প্রজ্ঞানন্দ। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে স্নায়ুর চাপ বজায় রেখে ক্লাসিক্যাল বিভাগে জয় তুলে নেন তিনি। এই জয়ের ফলে তিন পয়েন্ট পেয়ে প্রজ্ঞার পয়েন্ট দাঁড়ায় ১৮-তে। যার ফলে তিনি বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় চ‌্যাম্পিয়ন হন।

    প্রজ্ঞানন্দের জয়ের পথ

    দ্বিতীয় বারের মতো নরওয়ে দাবায় অংশ নেওয়া প্রজ্ঞানন্দ শুরুতে কিছুটা ধীর গতিতে এগোলেও প্রতিযোগিতার দ্বিতীয়ার্ধে দুরন্ত ভাবে ঘুরে দাঁড়ান। তার অভিযানের অন্যতম বড় অর্জন ছিল নরওয়ে দাবায় সাত বারের চ্যাম্পিয়ন এবং বিশ্বের এক নম্বর খেলোয়াড় ম‌্যাগনাস কার্লসেনকে দু’বার হারানো। এই বিরল কীর্তিই তাঁর জয়ের রাস্তাটা অনেকাংশে খুলে দেয়। এদিন প্রজ্ঞানন্দের সেরার সেরা হওয়ার পথ আরও প্রশস্ত হয় যখন শেষ রাউন্ডে ১৫.৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থাকা মার্কিন গ্র্যান্ডমাস্টার ওয়েসলি সো প্রতিদ্বন্দ্বী আলিরেজা ফিরৌজার বিরুদ্ধে ড্র করেন৷ ফলে তাঁদের ম্যাচ গড়ায় আর্মাগেডন টাইব্রেকে। এই ফলাফল ভারতীয় দাবাড়ুর আত্মবিশ্বাস অনেকটা বাড়িয়ে দেয়৷ কারণ তিনি জানতেন দশম রাউন্ডে জয় পেলেই ভারতীয় দাবার ইতিহাসে নয়া অধ্যায়ের সূচনা করবেন। সেটাই সত‌্যি হল।

    প্রথম ভারতীয় হিসেবে নজির

    চলতি বছরের শুরুতে ক‌্যান্ডিডেটসে হতাশাজনক ফলের পর নরওয়ে দাবায় নিজের প্রতিভার জোরালো প্রমাণ দিলেন প্রজ্ঞানন্দ। শেষ পর্যায়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন গুকেশ শিরোপার লড়াই থেকে ছিটকে পড়লেও ভারতের আশা বাঁচিয়ে রাখেন প্রজ্ঞানন্দ এবং শেষ পর্যন্ত সেই আশা পূরণ করতেও সমর্থ হন। ২০১৩ সালে প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ার পর ভারতীয় দাবার কিংবদন্তি বিশ্বনাথন আনন্দ বা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ডি গুকেশও নরওয়ে দাবার খেতাব অর্জন করতে পারেননি।

  • Saokat Molla Arrested: বাংলাদেশ পালানোর আগেই এনআইএ-র জালে! গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা

    Saokat Molla Arrested: বাংলাদেশ পালানোর আগেই এনআইএ-র জালে! গ্রেফতার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে পালানোর আগেই গ্রেফতার ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা (Saokat Molla Arrested)। পালিয়েও মিলল না রেহাই ৷ অবশেষে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-র জালে ধরা পড়লেন শওকত। জানা গিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাতে কামালগাজি এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে এনআইএ’র আধিকারিকরা। তদন্তকারীরা অনেকদিন ধরেই তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শওকত এলাকা ছাড়া ছিলেন। এরপর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি এবং নজরদারি আরও জোরদার করা হয়। শেষে গোপন সূত্রে খবরের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয় বলে খবর। শওকত মোল্লার মেয়ে অবশ্য সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছেন যে তাঁর বাবা গ্রেফতার হননি, আত্মসমর্পন করেছেন৷

    বাংলাদেশে পালানোর চেষ্টা

    এনআইএ সূত্রে দাবি, তদন্তের চাপ বাড়তেই দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা করেছিলেন শওকত মোল্লা। এমনকী, বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন বলেও তদন্তকারী সংস্থার প্রাথমিক অনুমান। সীমান্তবর্তী কয়েকটি রুট নিয়েও খোঁজখবর নিচ্ছিলেন শওকত, এমনই দাবি এনআইএ-র (NIA Arrest Saokat)। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার এনআইএ তথ্য পায় যে শওকত আরও এক ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে সীমান্ত পার হওয়ার চেষ্টা করছেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে এনআইএ বিএসএফ-কে সতর্ক করে এবং নজরদারি বাড়ানো হয়। তবে শওকত নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিষয়টি জানতে পেরে সীমান্ত পার হওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেন বলে জানা যায়। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত শওকত মোল্লা বা তাঁর আইনজীবীর পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    কোথায় গা-ঢাকা দিয়েছিলেন শওকত

    এনআইএ সূত্রে খবর, দেশ ছাড়ার পরিকল্পনা বাতিল হতেই কলকাতার কাছাকাছি একটি জায়গায় গা-ঢাকা দিয়েছিলেন শওকত। তদন্তকারীরা পরে জানতে পারেন, শওকত তৃতীয় এক ব্যক্তির মোবাইল ফোন ব্যবহার করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করছিলেন। তদন্তের স্বার্থে এনআইএ তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং সেই যোগাযোগের সূত্র সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করে। সেই সূত্র ধরেই এনআইএ তাঁর গতিবিধি ট্র্যাক করে। শেষ পর্যন্ত কলকাতায় ফেরার চেষ্টা করার সময় এনআইএ শওকত মোল্লাকে আটক করে। সোনারপুরের কামালগাছি থেকে তাকে ধরা হয়েছে। এরপরই তাকে সরাসরি এনআইএ অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। আজ, ।

    কেন গ্রেফতার শওকত

    ভোটের আগে ভাঙড়ের দক্ষিণ বামুনিয়া এলাকায় বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় তদন্তে নেমে তৃণমূল নেতা তথা ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার বাড়িতে হানা দিয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। বুধবার ভোরে জীবনতলায় শওকত মোল্লার বাড়িতে পৌঁছন এনআইএ’র আধিকারিকরা। তবে সেখানে গিয়ে দেখা যায় বাড়িতে তালা ঝুলছে। এরপর তদন্তকারীরা আশপাশের এলাকায় খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি তাঁর দলীয় কার্যালয়ে তল্লাশি চালান। দীর্ঘ সময় ধরে চলে জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্য সংগ্রহের কাজ। তদন্তে সহযোগিতা না-করা এবং জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বারবার তলব করা হলেও হাজিরা দেননি বলে অভিযোগ ওঠে দু’বারের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার বিরুদ্ধে। প্রথমে তাঁর ছেলেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। কয়েক ঘণ্টা ধরে জেরা করার পর সন্ধ্যায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি শওকতের স্ত্রী ও মেয়ের সঙ্গেও কথা বলেন তদন্তকারীরা। এনআইএ-র এক আধিকারিক সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে বলেন, ‘‘ভাঙড় বোমা বিস্ফোরণ মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আমরা শওকত মোল্লাকে গ্রেফতার করেছি। আজ, অর্থাৎ শনিবার তাঁকে আদালতে পেশ করে এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’’

LinkedIn
Share