Author: pranabjyoti

  • Iran: ভারতগামী দু’টি এলপিজি ট্যাঙ্কারকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দিল ইরান

    Iran: ভারতগামী দু’টি এলপিজি ট্যাঙ্কারকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার অনুমতি দিল ইরান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতগামী দু’টি এলপিজি ট্যাঙ্কারকে হরমুজ প্রণালী (Hormuz Strait) দিয়ে পার হওয়ার অনুমতি দিয়েছে ইরান (Iran)। ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ফাথালির বক্তব্যের কয়েক ঘণ্টা পরেই মিলেছে এই খবর। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, গুরুত্বপূর্ণ এই বৈশ্বিক নৌপথ (হরমুজ প্রণালী) দিয়ে নিরাপদে চলাচলের অনুমতি দুই থেকে তিন ঘণ্টার মধ্যেই পেতে পারে ভারত। মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত চলছে, তার  পরিপ্রেক্ষিতেই ইরানি রাষ্ট্রদূতের এই মন্তব্য। এই সংঘাতের জেরে পারস্য উপসাগরকে বৈশ্বিক বাজারের সঙ্গে যুক্ত করা হরমুজ প্রণালীতে জাহাজ চলাচলের ওপর নজর রাখছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।

    ইরানি রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য (Iran)

    ইরানের রাষ্ট্রদূতকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়েছিল ভারত কি হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদে চলাচল করতে পারবে, তখনই তিনি ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, “হ্যাঁ, হ্যাঁ, ভবিষ্যতেই আপনি তা দেখতে পাবেন। আমার মনে হয় দুই বা তিন ঘণ্টার মধ্যেই।” ফাথালি বলেন, “ভারত ইরানের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। এই অঞ্চলে দুই দেশেরই অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে।” তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি ইরান ও ভারতের এই অঞ্চলে অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে।” ইরানি রাষ্ট্রদূত নয়াদিল্লি ও তেহরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা মনে করিয়ে দেন। এই সম্পর্ককে তিনি বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা সম্পর্ক হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি ইরান ও ভারত বন্ধু। আমাদের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে, রয়েছে অভিন্ন বিশ্বাসও।” কঠিন সময়ে ইরানকে যে ভারত সাহায্য করেছিল, তাও এদিন মনে করিয়ে দেন ফাথালি। তিনি বলেন, “ভারতে রাষ্ট্রদূত হিসেবে আমি বলতে পারি, যুদ্ধের পর এই পরিস্থিতিতে ভারত সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের সাহায্য করেছে।”

    হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব

    প্রসঙ্গত, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ। এই পথ দিয়েই বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ করা হয় (Iran)। এই পথে চলাচলে কোনও বিঘ্ন ঘটলে তা জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ওপর বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে। ভারতের ক্ষেত্রেও এর গুরুত্ব রয়েছে। কারণ দেশটি তার বড় অংশের অপরিশোধিত তেল এই অঞ্চল থেকেই আমদানি করে (Hormuz Strait)। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বিভিন্ন সরকার ও শিপিং কোম্পানি হরমুজ প্রণালীর পরিস্থিতির ওপর নিরন্তর নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটেই ভারতের জন্য নিরাপদ পথের ইঙ্গিত দেন ফাথালি।

    ভারতে আসছে একের পর এক জাহাজ

    যে দুটি এলপিজি ট্যাঙ্কারকে হরমুজ পার করার অনুমতি দিয়েছে ইরান, সেগুলি হল— শিবালিক ও নন্দাদেবী। এরমধ্যে ভারতীয় পতাকাবাহী এলপিজি ট্যাঙ্কার শিবালিক ভারতীয় নৌবাহিনীর নিরাপত্তায় হরমুজ প্রণালী পার করে আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রবেশ করেছে। দ্বিতীয় জাহাজ নন্দাদেবী আজ, শনিবার ভোরের দিকে ওই প্রণালী অতিক্রম করবে বলেই খবর। মেরিনট্র্যাফিকের ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, ১২ মার্চ শিবালিকের অবস্থান সংযুক্ত আরব আমিরশাহির উপকূল থেকে ২৪ নটিক্যাল মাইল দূরে, তাদের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনের মধ্যেই ছিল। অন্যদিকে, নন্দাদেবীকে শুক্রবার ইরানের জলসীমায় হরমুজ প্রণালীর প্রবেশমুখের কাছে দেখা গিয়েছে বলে মেরিনট্র্যাফিকের তথ্য জানিয়েছে। জানা গিয়েছে, জাহাজটি ২৭ ফেব্রুয়ারি কাতারের রাস লাফান নোঙরস্থলে অবস্থান করেছিল এবং পরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির জলসীমার দিকে যাত্রা করে। এছাড়াও, আরও একটি অপরিশোধিত তেলবাহী ট্যাঙ্কারের শনিবার ভারতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এই জাহাজে আসছে সৌদি আরবের তেল। লাইবেরিয়া পতাকাবাহী স্মিরনি সুয়েজম্যাক্স ক্রুড অয়েল ট্যাঙ্কার (সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০ লাখ ব্যারেল), অচিরেই ভারতের একটি বন্দরে পৌঁছবে বলেও আশা করা হচ্ছে (Hormuz Strait)। এই তেল নেবে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (Iran)।

  • Bangladesh: হাসিনা-পরবর্তী জমানায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটেছে প্রায় ৩১০০টি হিংসার ঘটনা!

    Bangladesh: হাসিনা-পরবর্তী জমানায় বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ঘটেছে প্রায় ৩১০০টি হিংসার ঘটনা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দু ও অন্য সংখ্যালঘুদের ওপর প্রায় ৩,১০০টি হিংসার (Violence) ঘটনা ঘটেছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছ থেকেই এই তথ্য পাওয়া গিয়েছে বলে সংসদকে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।

    কী বললেন ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী (Bangladesh)

    বৃহস্পতিবার রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে ভারতের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্ঘেরিটা  জানান, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাগুলি, যার মধ্যে তাদের বাড়িঘর, সম্পত্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং উপাসনালয়ে হামলাও রয়েছে, ভারত সরকার নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে। তিনি বলেন, “মানবাধিকার সংগঠনগুলির কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের অগাস্ট থেকে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাংলাদেশজুড়ে হিন্দু ও অন্য সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে প্রায় ৩,১০০টি হিংসার ঘটনা ঘটেছে।” তিনি জানান, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি ভারত সরকার সবসময়ই বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে, এমনকি সর্বোচ্চ স্তরেও উত্থাপন করেছে।

    জরুরি হেল্পলাইন নম্বর চালু

    এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে সে দেশের কূটনৈতিক মহলের সঙ্গেও। মন্ত্রী বলেন, “ভারত সরকারের আশা যে, বাংলাদেশ সরকার এসব ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে এবং সংখ্যালঘুদের হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও হিংসায় জড়িত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনবে।” তিনি এও বলেন, “সংখ্যালঘু-সহ বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জীবন ও স্বাধীনতা রক্ষার প্রধান দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারেরই। বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের কোনও সমস্যা হলে যাতে দ্রুত সাহায্য করা যায়, সেই বিষয়টিও নিশ্চিত করে বাংলাদেশে ভারতের মিশন ও বিভিন্ন পোস্ট।” মন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ২৪ ঘণ্টা চালু একটি জরুরি হেল্পলাইন নম্বরও রয়েছে (Bangladesh)।

    ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় মিশনে ভারতীয় নাগরিকদের অভিযোগ (Violence) ও উদ্বেগ মোকাবিলার জন্য একজন বিশেষ কনস্যুলার আধিকারিক রয়েছেন। এই মিশনটি নিয়মিত বাংলাদেশে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। তাদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের জন্যই এই মিশন। মন্ত্রী জানান, ভারতীয় নাগরিকদের জন্য নিয়মিত ‘ওপেন হাউস’ কর্মসূচির আয়োজনও করা হয় (Bangladesh)।

     

  • RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    RSS: “আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া উৎসাহজনক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ মুকুন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আরএসএসের (RSS) শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মসূচিগুলিতে সমাজের প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত উৎসাহজনক এবং অনুপ্রেরণামূলক”, বললেন সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ। আরএসএসের জাতীয় স্তরের বার্ষিক সাধারণ সভা অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা শুরু হয়ছে কেরলের সমালখায়। কেরালায় স্বয়ংসেবকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাজার হাজার মুসলিম ও খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন (Centenary Programmes)। সেখানে তাঁদের আন্তরিকভাবে স্বাগত জানানো হয় এবং তাঁদের কাজের প্রশংসা করা হয়। সভার আনুষ্ঠানিক সূচনা হয় আজ, শুক্রবার, ১৩ মার্চ। ভারতমাতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে সভার উদ্বোধন করেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত এবং সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে।

    কেরলে আরএসএসের তিনদিনের সভা (RSS)

    তিনদিনের এই সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে কেরলের সমালখার পট্টিকল্যাণায় অবস্থিত মাধব সৃষ্টি ক্যাম্পাসে। সহ সরকার্যবাহ সিআর মুকুন্দ সাংবাদিকদের সভার উদ্বোধন এবং সভা সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় ও কর্মসূচি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান। এই সময় উপস্থিত ছিলেন আরএসএসের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রধান সুনীল আম্বেকরও। মুকুন্দ জানান, যেহেতু এই সভাটি আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তাই সারা দেশ থেকে ১৪০০-রও বেশি প্রতিনিধি যোগ দিয়েছেন। সভার শুরুতে সম্প্রতি প্রয়াত কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এঁদের মধ্যে ছিলেন শিবকথা বর্ণনাকারী সৎগুরু দাস মহারাজ, পরিবেশবিদ মাধব গাডগিল, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা লোকসভার স্পিকার শিবরাজ পাটিল, পরিবেশকর্মী সালুমারাদা থিম্মাক্কা, প্রত্নতত্ত্ববিদ কেএন দীক্ষিত, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার, অভিনেতা ধর্মেন্দ্র দেওল, তামিল চলচ্চিত্র প্রযোজক এভিএম সারাভানন, মিজোরামের প্রাক্তন রাজ্যপাল স্বরাজ কৌশল, শিক্ষাবিদ বিনয় হেগড়ে, কমিউনিস্ট নেতা আর নল্লাকান্নু এবং প্রবীণ সাংবাদিক তথা সম্পাদক প্রফুল্ল গোবিন্দ বরুয়া।

    কী জানালেন সহ সরকার্যবাহ

    সহ সরকার্যবাহ জানান, আরএসএসের শতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষে সারা দেশে নানা কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। সমাজের সজ্জন শক্তির সমর্থন ও অংশগ্রহণ স্বয়ংসেবকদের অত্যন্ত উৎসাহিত করেছে (Centenary Programmes)। আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ২ অক্টোবর ২০২৫ নাগপুরে শুরু হয়েছিল। যেখানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং সরসংঘচালক মোহন ভাগবত। এর একদিন আগে ভারত সরকার আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে একটি স্মারক ডাকটিকিট এবং একটি স্মারক মুদ্রা প্রকাশ করে। তিনি জানান যে আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে দুই ধরনের কর্মসূচির পরিকল্পনা করা হয়েছে-এক, সংগঠনের বিস্তার এবং দুই, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে সৌহার্দ্য ও সামাজিক সম্প্রীতি বাড়ানো। এই প্রেক্ষিতেই গৃহ সম্পর্ক অভিযান চালানো হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত কিছু প্রান্তে স্বয়ংসেবকরা ১০ কোটিরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছেছেন এবং প্রায় ৩.৯ লক্ষ গ্রামে গিয়েছেন। অন্যান্য অঞ্চলেও এই কর্মসূচি চলছে (RSS)। এই কর্মসূচিতে স্বয়ংসেবকরা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং কোনও জাতি বা সম্প্রদায়গত পক্ষপাত ছাড়াই আরএসএস সম্পর্কে আলোচনা করেন।

    সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করাই লক্ষ্য

    কেরালার উদাহরণ দিয়ে মুকুন্দ জানান, সেখানে স্বয়ংসেবকরা ৫৫,০০০-এরও বেশি মুসলিম পরিবার এবং ৫৪,০০০-এরও বেশি খ্রিস্টান পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। তাঁরা আন্তরিকভাবে তাঁদের স্বাগত জানিয়েছেন (Centenary Programmes)। তিনি এও জানান, সারা দেশে এখনও পর্যন্ত ৩৬,০০০-এরও বেশি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এগুলি শহর, গ্রাম এবং দূরবর্তী জনজাতি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। অরুণাচল প্রদেশের একটি প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, তাঁরা প্রথমবার এমন উষ্ণতা ও আত্মীয়তার অনুভূতি পাচ্ছেন। মুকুন্দ জানান, সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করার উদ্দেশ্যে নাগরিক সংগোষ্ঠীরও আয়োজন করা হয়েছে।

    পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ

    এই কর্মসূচিগুলির মাধ্যমে সমাজে পঞ্চ পরিবর্তন বাস্তবায়নের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। এই পাঁচটি পরিবর্তন হল, সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সংরক্ষণ সম্পর্কে সচেতনতা, আত্মগৌরব ও স্বদেশি ভাবনা, পরিবার ব্যবস্থা সংরক্ষণ এবং নাগরিক কর্তব্য সম্পর্কে সচেতনতা। এই পরিবর্তনের মাধ্যমেই জাতি ও সমাজকে মহান করা সম্ভব (RSS)। তিনি জানান, সরসংঘচালক মোহন ভাগবত রাজ্য রাজধানী ও চারটি প্রধান বড় শহরে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে সমাজের বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সঙ্গে আলোচনা করছেন। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, এই চার মহানগরের অনুষ্ঠানে তিনি সরাসরি নাগরিকদের সঙ্গে আলোচনা করেন এবং অংশগ্রহণকারীদের ১০০০-এরও বেশি প্রশ্নের উত্তর দেন। এই প্রশ্নোত্তর পর্ব চলে ২০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে (Centenary Programmes)।

    ক্রমেই বাড়ছে আরএসএসের শাখা

    সংগঠনের বিস্তার সম্পর্কে তিনি জানান, গত এক বছরে দেশের বহু নতুন জায়গায় নতুন শাখা শুরু হয়েছে। আগামী বছরগুলিতে গ্রাম ও ছোট শহরে আরও বেশি শাখা শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে (RSS)। আরএসএস নকশাল-প্রভাবিত এলাকায় শান্তি ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে। মণিপুরে শান্তি ও স্থিতিশীলতার উন্নত পরিস্থিতিও উৎসাহজনক। এই প্রচেষ্টায় আরএসএস স্বয়ংসেবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলেও জানান তিনি। পড়শি দেশ বাংলাদেশে হিন্দুদের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুকুন্দ। যদিও আশা করেন, আগামী দিনে তাঁদের অবস্থার উন্নতি হবে। মুকুন্দ বলেন, “আরএসএসের উদ্দেশ্য হল সমাজের গঠনমূলক শক্তিগুলিকে একত্রিত করে জাতি গঠনের কাজে এগিয়ে যাওয়া।”

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি

    আরএসএসের শতবর্ষ কর্মসূচি চলবে চলতি বছরের অক্টোবর পর্যন্ত। এই সময়ে বিভিন্ন ধরনের কর্মসূচি পালন করা হবে (RSS)।তিনি জানান, আরএসএস সারা বিশ্বের মানুষের শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে (Centenary Programmes)। এই সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন অখিল ভারতীয় সহ প্রচার প্রধান নরেন্দ্র ঠাকুর, প্রদীপ জোশি এবং অন্যান্য কর্মকর্তা। আরএসএসের বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছর দেশের ৫১,৭৪০টি জায়গায় ৮৩,১২৯টি শাখা পরিচালিত হয়েছিল। বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ৫৫,৬৮৩ টি জায়গায় ৮৮,৯৪৯টি শাখা। অর্থাৎ এক বছরে ৩,৯৪৩টি নয়া জায়গা যেমন যুক্ত হয়েছে, তেমনি মোট শাখাও বেড়েছে ৫,৮২০টি। এটি সংগঠনের ধারাবাহিক বিস্তারকে নির্দেশ করে।

    জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সারা দেশে ৩৭,০৪৮টি হিন্দু সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে, অংশগ্রহণ করেছেন প্রায় ৩.৫ কোটি মানুষ। এই সম্মেলনগুলি শহর, গ্রাম, জনজাতি ও দূরবর্তী অঞ্চলেও অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে পঞ্চ পরিবর্তনের আহ্বান জানানো হয়েছে, যার মূল বিষয় হল সামাজিক সম্প্রীতি, পরিবেশ সচেতনতা (Centenary Programmes), কুটুম্ব প্রবোধন, আত্মগৌরব এবং নাগরিক কর্তব্য পালন (RSS)।

     

  • India: সীমান্তপার সন্ত্রাসে ভারতকে জড়ানোর চেষ্টা, পাকিস্তানের দাবি পত্রপাঠ খারিজ নয়াদিল্লির

    India: সীমান্তপার সন্ত্রাসে ভারতকে জড়ানোর চেষ্টা, পাকিস্তানের দাবি পত্রপাঠ খারিজ নয়াদিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তপার সন্ত্রাসের ঘটনায় ভারতকে (India) জড়ানোর চেষ্টা পাকিস্তানের। ইসলামাবাদের অভিযোগ পত্রপাঠ খারিজ করে দিয়েছে নয়াদিল্লি (Terrorism Link)। বিদেশমন্ত্রক জানিয়ে দিয়েছে, এটি এমন একটি দেশের মরিয়া চেষ্টা, যার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীকে আশ্রয় ও মদত দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে এমনই জানালেন ভারতের বিদেশমন্ত্রকের (MEA) মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। পাকিস্তান একটি বিবৃতিতে সাম্প্রতিক কিছু জঙ্গি কার্যকলাপের জন্য ভারতকে কাঠগড়ায় তুলেছে। তারই প্রেক্ষিতে জয়সওয়াল বলেন, “আমরা এই সব ভিত্তিহীন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করছি। নিজেদের অপকর্মের দায় ভারতের ওপর চাপানো পাকিস্তানের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। কয়েক দশক ধরে রাষ্ট্রীয়ভাবে সন্ত্রাসবাদে মদতদাতা হিসেবে পরিচিত পাকিস্তানের সীমান্তপার সন্ত্রাসবাদ নিয়ে কোনও বিশ্বাসযোগ্যতাই নেই। যত গল্পই বানানো হোক না কেন, বাস্তবতা বদলাবে না, আর পাকিস্তানের এই তথাকথিত ‘ভুক্তভোগী’ হওয়ার দাবিতে কেউ আর বিভ্রান্তও হবে না।”

    পাকিস্তানের চেষ্টা ব্যর্থ (India)

    তিনি বলেন, “নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে তুলে ধরতে পাকিস্তানের এই দীর্ঘ প্রয়াস আন্তর্জাতিক মহলে এখন আর কোনও গুরুত্ব পায় না। কারণ বিশ্বব্যাপী নিষিদ্ধ ঘোষিত বহু জঙ্গি এবং জঙ্গি সংগঠনকে আশ্রয় দেওয়ার ইতিহাস পাকিস্তানের রয়েছে।” এদিনই জয়সওয়াল পাকিস্তানের আর একটি বিবৃতিরও জবাব দেন। ওই বিবৃতিতে পাকিস্তান ভারত এবং কানাডার মধ্যে সম্প্রতি হওয়া পারমাণবিক ও রফতানি-নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তির সমালোচনা করেছে। ইসলামাবাদের দাবি, এই চুক্তি পারমাণবিক বিস্তারের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে।

    কী বললেন জয়সওয়াল

    এর জবাবে জয়সওয়াল বলেন, “এই বিষয়ে পাকিস্তানের দেওয়া বিবৃতি আমরা প্রত্যাখ্যান করছি। পারমাণবিক বিস্তার রোধের ক্ষেত্রে ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা নিখুঁত এবং আন্তর্জাতিক মহলে তা সুপরিচিত। গোপনে পারমাণবিক প্রযুক্তি ছড়িয়ে দেওয়ার সুপরিচিত ইতিহাস রয়েছে যে দেশের, তাদের মুখে রফতানি নিয়ন্ত্রণ বা বিস্তার-ঝুঁকি নিয়ে নীতিকথা বড়ই হাস্যকর। এই ধরনের অবান্তর কথা আসলে পাকিস্তানের নিজেদের দুর্বল রেকর্ড থেকে দৃষ্টি সরানোর একটি প্রচেষ্টা (Terrorism Link)।”

    কী বলছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা

    কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের এই দু’টি বিবৃতি আন্তর্জাতিক মহলের মনোযোগ তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যর্থতা এবং পারমাণবিক বিস্তার সংক্রান্ত অতীত থেকে সরিয়ে নেওয়ার একটি যৌথ প্রচেষ্টার অংশ (India)। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছে, ইসলামাবাদ জঙ্গি পরিকাঠামো ভেঙে না ফেলা পর্যন্ত এবং রাষ্ট্রনীতির হাতিয়ার হিসেবে সন্ত্রাসবাদের ব্যবহার বন্ধ না করা পর্যন্ত পাকিস্তানের অভিযোগে কান দেবে না ভারত। প্রসঙ্গত, এই ঘটনাগুলি ঘটছে নিয়ন্ত্রণরেখা (Line of Control) বরাবর উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এবং পাকিস্তানের সন্ত্রাসবিরোধী প্রতিশ্রুতি নিয়ে (Terrorism Link) আন্তর্জাতিক মহলের নতুন করে নজরদারির মধ্যেই (India)।

     

  • President Murmu: “সময় নেই”, তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান রাষ্ট্রপতির দফতরের

    President Murmu: “সময় নেই”, তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান রাষ্ট্রপতির দফতরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সময় নেই”। ঠিক এই ভাষায়ই তৃণমূলের (TMC) এক প্রতিনিধি দলের সাক্ষাতের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে দিল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর (President Murmu) দফতর। এর আগে তৃণমূলের এক প্রবীণ নেতা রাষ্ট্রপতির কাছে চিঠি লিখে দলের ১২ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়েছিলেন। প্রতিনিধি দলটি পশ্চিমবঙ্গে আদিবাসী সম্প্রদায়ের জন্য বাস্তবায়িত বিভিন্ন কল্যাণমূলক উদ্যোগের বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরতে চেয়েছিল। তারই প্রেক্ষিতে সময়ের অভাবের কারণ দেখিয়ে তৃণমূলের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করা হয়। প্রথমবার অনুরোধের পর দলটি নাকি পরের সপ্তাহে আর একটি সময় চেয়ে আবেদন করেছিল। সেই প্রস্তাবটিও নাকচ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, তৃতীয়বার আবেদন করেছে তৃণমূল।

    রাষ্ট্রপতির অসন্তোষ প্রকাশ (President Murmu)

    এই ঘটনা ঘটেছে রাষ্ট্রপতি এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মধ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে। সম্প্রতি শিলিগুড়িতে অনুষ্ঠিত আদিবাসী কল্যাণ সম্মেলনে মতবিরোধের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। এই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আয়োজন নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি জানান, প্রশাসন যে জায়গাটি অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন করেছে, তা আদিবাসী সম্প্রদায়ের বাসস্থানের থেকে অনেক দূরে। তাই সবাই আসতে পারেননি। তিনি বলেন, “আমি খুব দুঃখিত যে এখানে অনেক মানুষ সম্মেলনে পৌঁছতে পারেননি।  কারণ অনুষ্ঠানটি এত দূরে আয়োজন করা হয়েছিল।” রাষ্ট্রপতির (President Murmu) ইঙ্গিত, “প্রশাসন হয়ত ইচ্ছাকৃতভাবে এমন একটি জায়গা নির্বাচন করেছে, যাতে মানুষের অংশগ্রহণ সীমিত হয়।”

    ‘লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন’ বললেন প্রধানমন্ত্রী

    রাষ্ট্রপতি এও জানান, তাঁকে স্বাগত জানাতে রাজ্য সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের সদস্যদের কেউ উপস্থিত ছিলেন না। এর মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি যখন কোনও জায়গায় যান, তখন মুখ্যমন্ত্রী ও মন্ত্রীদেরও সেখানে থাকা উচিত।” নিজেকে ‘বাংলার মেয়ে’ বলে উল্লেখ করেন তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তাঁর ‘ছোট বোন’ বলে সম্বোধন করেন। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর অনুপস্থিতি কি ইচ্ছাকৃত ছিল?” বাংলা সফরে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে ‘অসম্মান’ নিয়ে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরব হন। এক্স হ্যান্ডেলে  প্রধানমন্ত্রী একটি পোস্টে শিলিগুড়ির অনুষ্ঠানে প্রোটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগকে ‘লজ্জাজনক এবং নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতির মন্তব্য দেশবাসীকে ব্যথিত করেছে। তৃণমূল (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির (President Murmu) পদকে যথাযথ সম্মান না দেখানোর অভিযোগও তোলেন প্রধানমন্ত্রী।

    মমতাকে তুলোধনা বিজেপির

    মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির এহেন (TMC) মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি বলেন, “আসন্ন রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে এই জাতীয় মন্তব্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।” মুখ্যমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে অনুরোধ করেন, তিনি যেন তাঁর পদমর্যাদার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় এমন মন্তব্য না করেন। তাঁর অভিযোগ, রাষ্ট্রপতি একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের সমস্যা তুলে ধরলেও, অন্যান্য সম্প্রদায়ের বিষয়গুলি উপেক্ষা করেছেন। ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় আদিবাসী ভোটারদের ক্ষেত্রে অনিয়ম হয়েছে। এই বিতর্কে দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানায় বিজেপি।  বিধানসভার বিরোধী দলের নেতা শুভেন্দু অধিকারী এই ইস্যুতে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করেন। নবম  আন্তর্জাতিক সাঁওতালি সম্মেলনের ভেন্যু বরাদ্দ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে  লিখেছেন, “সংবিধানিক মর্যাদা ও আদিবাসী সম্মানের প্রতি দৃষ্টান্তহীন আক্রমণ। স্পষ্টতই তৃণমূল সরকারের  শাসনের পতনের চিহ্ন।” বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি কী বলছেন সেটা আমরা সবাই দেখেছি। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী বলছেন দুটোকে পাশাপাশি রাখুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন কে দায়ী। বুঝতে পারবেন কে সংবিধানের এক্তিয়ারের মধ্যে বলেছে, আর কে সংবিধানের বাইরে গিয়ে বলেছে। ভারতবর্ষের মতো রাষ্ট্র বলে হয়তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বেঁচে যাচ্ছেন। অন্য দেশ হলে এতক্ষণে জেলের ভিতরে থাকতেন।” মালদা উত্তরের বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু তৃণমূলকে নিশানা করলেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রপতি কত নম্রভাবে বলেছেন, মমতা আমার বোনের মতো। আর মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতি করছেন।” রাষ্ট্রপতিকে সম্মান জানানো হল না বলে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি। বলেন, “দ্রৌপদী মুর্মু যখন রাষ্ট্রপতি হন, তখন সবাই কত খুশি হয়েছিলেন। এ রাজ্যের আদিবাসীরাও আনন্দিত হন। আজ সবকিছু ধুলোয় মিশিয়ে দেওয়া হল।”

  • PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে এলপিজি (LPG) পরিস্থিতি নিয়ে যারা অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, বৃহস্পতিবার তাদের একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “এই ধরনের কাজের মাধ্যমে তারা শুধু জনগণের সামনে নিজেদের স্বরূপ উন্মোচিতই করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এনএক্সটি সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সঙ্কট থেকে কোনও দেশই রেহাই পায়নি। তাছাড়া ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার সব রকম পদক্ষেপ করছে।” তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ কিছু পণ্যের কালোবাজারি করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু মানুষ এলপিজি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক মন্তব্য না করেই বলছি, তারা শুধু নিজেদের স্বরূপ জনগণের সামনে উন্মোচিত করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে

    তিনি এও বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত থেকে তৈরি হওয়া বর্তমান সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তা সে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম, যুবসমাজ, শহর কিংবা গ্রাম যাই হোক না কেন। বহু বৈশ্বিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও বিশ্বনেতা ও বিশেষজ্ঞরা ভারতের দিকে অনেক আশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছেন (PM Modi)। এর ফলে ভারতের দায়িত্বও আরও বেড়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “আজ পুরো বিশ্ব জানে, ভবিষ্যতের অংশ হতে চাইলে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে এবং ভারতে উপস্থিত থাকতে হবে (LPG)।”

    প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের একটি লক্ষ্য, একটি গন্তব্য-উন্নত ভারত। ভারত শুধু এগোচ্ছে না, বরং পরবর্তী স্তরে পৌঁছনোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “বিশ্ব বর্তমানে একটি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ভারত দ্রুত ও স্থিতিশীল গতিতে এগিয়ে চলেছে।” প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “অনেক বিশ্বনেতা বলছেন যে ভারত এখন (LPG) পুরো বিশ্বের জন্য এক ধরনের ‘সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি’ হয়ে উঠছে (PM Modi)।”

  • TMC: মনরেগা প্রকল্পের লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়নি তৃণমূল সরকার, তাই মজুরি দিতে দেরি, লোকসভায় জানাল কেন্দ্র

    TMC: মনরেগা প্রকল্পের লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়নি তৃণমূল সরকার, তাই মজুরি দিতে দেরি, লোকসভায় জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র বারংবার মনে করিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন বা মনরেগা  (MGNREGA) প্রকল্পের আওতায় লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়নি পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল (TMC) সরকার। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী দলগুলি তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে। তাদের অভিযোগ, এই দেরির ফলে গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় হাজার হাজার শ্রমিক বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁদের প্রাপ্য মজুরি থেকে।

    কী জানাল কেন্দ্র (TMC)

    প্রসঙ্গত, এই বিষয়টি গুরুত্ব পেল তখনই, যখন বঙ্গের শাসক দল তৃণমূলেরই (TMC) এক সাংসদ পশ্চিমবঙ্গে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইনের বকেয়া অর্থ দেওয়ার অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এই প্রশ্নেরই জবাবে কেন্দ্রীয় সরকার লোকসভায় বিবৃতি দিয়ে জানায়, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় লেবার বাজেট প্রস্তাব এখনও পাওয়া যায়নি এবং তার জন্যই অপেক্ষা করছে কেন্দ্র। আরও বলা হয়েছে, রাজ্যগুলির পক্ষ থেকে লেবার বাজেট জমা দেওয়া মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইনের আওতায় তহবিল পরিকল্পনা ও অনুমোদনের জন্য একটি বাধ্যতামূলক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। এই প্রস্তাব ছাড়া কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট অর্থবর্ষের জন্য মজুরি দিতে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ করতে পারে না। নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই বকেয়া প্রস্তাব জমা দেওয়ার বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একাধিকবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন

    এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে। সমালোচকদের দাবি, এই দেরি রাজ্য সরকারের সেই অভিযোগের সঙ্গে মেলে না, যেখানে তারা বারবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দ অর্থ আটকে রাখার অভিযোগ তুলেছে (MGNREGA)।মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন ভারতের বৃহত্তম সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির একটি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ পরিবারের সদস্যদের প্রতি অর্থবর্ষে অন্তত ১০০ দিনের কাজ দেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হয় (TMC), যদি তাঁরা অদক্ষ কায়িক শ্রম করতে ইচ্ছুক হন। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবিকা রক্ষায় এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিতর্ক কেন্দ্র–রাজ্য সংঘাতকে আরও তীব্র করতে পারে, বিশেষ করে কল্যাণমূলক প্রকল্প ও তহবিল বণ্টন নিয়ে দু’পক্ষে যে বিরোধ চলছে, তার প্রেক্ষাপটে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার বারবার অভিযোগ করেছে, কেন্দ্র মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন- সহ বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আটকে রেখেছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    নির্ধারিত তহবিল বরাদ্দে প্রভাব

    লোকসভায় যে নথি পেশ করা হয়েছে, তা প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্ক এখন ঘুরে গিয়েছে প্রশাসনিক দায়বদ্ধতার দিকে। প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যস্তরের প্রক্রিয়াগত দেরিই কি গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত তহবিল বরাদ্দে প্রভাব ফেলছে? বিতর্ক বাড়তে থাকায় এখন দাবি উঠছে, দ্রুত লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দিয়ে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইনের আওতায় (MGNREGA) ফের মজুরি দেওয়া শুরু করতে সময়সূচি ঘোষণা করা হোক (TMC)।

     

  • Assembly Elections 2026: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে দু’দফায়! জোর জল্পনা, ভোট ঘোষণা কবে?

    Assembly Elections 2026: রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে দু’দফায়! জোর জল্পনা, ভোট ঘোষণা কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে রাজ্য বিধানসভা নির্বাচন। দু’দিন আগেই বঙ্গ সফর শেষ করে নয়াদিল্লি ফিরে গিয়েছে নির্বাচন কমিশনের (EC) ফুল বেঞ্চ। তার পরেই শুরু হয়েছে রাজ্যে নির্বাচন কবে এবং ক’দফায় হবে, তা নিয়ে জোর জল্পনা। জানা (Assembly Elections 2026) গিয়েছে, বঙ্গে নির্বাচন হতে পারে দু’দফায়। অন্তত নির্বাচন কমিশনের এক শীর্ষ আধিকারিক সূত্রেই এমন ইঙ্গিত মিলেছে। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার নির্বাচন হতে পারে দু’দফায়। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করেই ভোট গ্রহণের দফা কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর। নয়াদিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী পর্যায়ের বৈঠক এবং রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার পরেই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট এবং ভোট গ্রহণের দফার বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা করা হবে।

    বৈঠক রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে (Assembly Elections 2026)

    এ রাজ্যে এসে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বৈঠক করে রাজ্যের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে, আলোচনা করেন রাজ্যের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গেও। বৈঠকে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি, বিশেষত বিজেপি, সিপিআই(এম) এবং কংগ্রেস কমিশনের কাছে এক বা সর্বাধিক দু’দফায় নির্বাচন করানোর জোরালো দাবি জানিয়েছে। বিরোধীদের বক্তব্য, বেশি দফায় নির্বাচন হলে দুষ্কৃতীদের এক কেন্দ্র থেকে অন্যত্র যাওয়ার সুযোগ থাকে। তাই অবাধ, সুষ্ঠু এবং শান্তিপূর্ণ ভোটের স্বার্থে কম দফায় নির্বাচন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

    হিংসার ঘটনা

    এর আগে রাজ্যে যেসব নির্বাচন হয়েছে, সেগুলিতে প্রায়ই হিংসার ঘটনা ঘটেছে। তাই নির্বিঘ্নে এ রাজ্যে ভোট সাঙ্গ করা কমিশনের কাছেও বড়ই উদ্বেগের। তাই এবার নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার অনেক আগে থেকেই রাজ্যে বিপুল সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যাতে ভোটারদের আস্থা তৈরি করা যায়। প্রসঙ্গত, রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরাও কমিশনকে আশ্বস্ত করেছেন, ভোটের আগে ও পরে রাজ্যে কড়া নিরাপত্তা বজায় রাখা হবে।

    রাজ্যে পৌঁছল নির্দেশিকা

    এদিকে, ইতিমধ্যেই নির্দেশ চলে এসেছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে। নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়েছে রাজ্যের সব জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছেও। তাতে বলা হয়েছে, চলতি সপ্তাহেই সব বুথ তৈরি করে ফেলতে হবে। পানীয় জল, দরজা, জানলা, বিদ্যুৎ-সহ বয়স্কদের জন্য ঢোকা ও বেরোনোর জায়গা ঠিক করতে হবে। বুথের ভেতরে ক্যামেরা লাগানোর জায়গা ঠিক করতে হবে। যে গাড়িগুলি ভোটের দিন টহলদারির কাজে ব্যবহার করা হবে, সেই গাড়ির মাথায় এখনই ক্যামেরা লাগিয়ে টেস্ট করে রাখতে হবে (Assembly Elections 2026)। যেসব বুথে ১২০০-র বেশি ভোটার রয়েছেন, সেগুলিকে দু’ভাগে ভাগ করে অক্সিলিয়ারি বুথ চিহ্নিতকরণ করতে হবে। সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করা হলে, তা এর সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে প্রতি মুহূর্তে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হবে। জাতীয় কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী একটুও খামতি রাখতে চাইছে না নির্বাচন কমিশন (EC)।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি

    এবার বঙ্গ সফরে এসে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বৈঠক করে রাজ্যের ২৩টি জেলার জেলাশাসক, জেলা ও পুলিশ জেলার সুপার এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার স্বয়ং। শুধু ভোটের সময় নয়, নির্বাচনোত্তর হিংসার ঘটনা নিয়েও রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনকে কড়া বার্তা দেন জ্ঞানেশ কুমার। রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর কমিশনের ফুল বেঞ্চ মনে করছে, ক্ষেত্রবিশেষে কোথাও কোথাও কিছু সমস্যা রয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি খুব খারাপ রয়েছে বলেও মনে করছে না কমিশন (Assembly Elections 2026)।

     

  • Russian Oil Imports: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জের, জ্বালানি কৌশলে পরিবর্তন আনছে ভারত

    Russian Oil Imports: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জের, জ্বালানি কৌশলে পরিবর্তন আনছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্রুত পরিবর্তন আসছে ভারতের জ্বালানি কৌশলে। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের (Middle East War) জেরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণ পথ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দিয়ে জাহাজ চলাচল অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে নয়াদিল্লি রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল (Russian Oil Imports) কেনার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

    বিকল্প উৎসের সন্ধানে (Russian Oil Imports)

    উপসাগরীয় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সরবরাহকারীদের কাছ থেকে আসা অপরিশোধিত তেলের চালান আসতে দেরি হচ্ছে। সেই কারণেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ক্রুড তেল আমদানিকারী দেশ ভারত এখন তার বিশাল চাহিদা পূরণ এবং অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিকল্প উৎস খুঁজছে। সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে মার্চ মাসে ভারতের রুশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি ব্যাপক বেড়েছে। আগের মাসের তুলনায় আমদানির পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে ভারত প্রতিদিন প্রায় ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল রুশ তেল কিনেছে। ফেব্রুয়ারিতে এর পরিমাণ ছিল প্রতিদিন ১.০৪ মিলিয়ন ব্যারেল।

    রুশ তেল কেনার পরিমাণ বাড়াল ভারত

    রুশ তেল কেনার এই পরিমাণ বৃদ্ধি এমন একটা সময়ে হয়েছে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে ৩০ দিনের একটি ছাড় দিয়েছে, যাতে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ভারত রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনতে পারে। এই ছাড় দেওয়া হয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং ভারত-সহ বড় আমদানিকারী দেশগুলিকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত সরবরাহ সঙ্কট মোকাবিলায় সাহায্য করতে (Russian Oil Imports)। ভারত প্রতিদিন প্রায় ৫.৮ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড ওয়েল খরচ করে, যার প্রায় ৮৮ শতাংশই আসে আমদানির মাধ্যমে। এই সরবরাহের বড় অংশই সাধারণত আসে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ সৌদি আরব, ইরাক এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে (Middle East War)। তবে এই তেলবাহী জাহাজগুলির বেশিরভাগই হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করে। এই প্রণালী আদতে একটি সংকীর্ণ জলপথ। বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই প্রণালীই হয়ে উঠছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভরকেন্দ্র।

    হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব

    সাধারণত ভারতের জ্বালানি আমদানির একটা বড় অংশই আসে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে। প্রতিদিন ২.৫ থেকে ২.৭ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড ওয়েল এই পথে আসে ভারতে। এই পথ দিয়ে ভারতে আসে রান্নার গ্যাসের (LPG) প্রায় ৫৫ শতাংশ এবং তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG)-এর প্রায় ৩০ শতাংশ। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার উৎপাদন এবং গৃহস্থালির রান্নার জন্য এগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জ্বালানি বিশ্লেষক সংস্থা কেপলারের বিশ্লেষক সুমিত রিটোলিয়া বলেন, “মার্চ মাসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২.৬ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড ওয়েল আমদানির কথা ছিল ভারতের। একই সময়ে রাশিয়া থেকে তেলের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে (Russian Oil Imports)।” তিনি বলেন, “জাহাজ ট্র্যাকিং ও বাজার সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মার্চে রাশিয়া থেকে অতিরিক্ত ক্রুড ওয়েল আমদানির পরিমাণ প্রতিদিন পৌঁছতে পারে ১ থেকে ১.২ মিলিয়ন ব্যারেল। ফলে হরমুজ প্রণালীতে সরবরাহ ঝুঁকির কারণে যে ঘাটতি তৈরি হতে পারত, তা কমে প্রায় ১.৬ মিলিয়ন ব্যারেল প্রতিদিনে নেমে এসেছে (Middle East War)।

    বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা

    যদিও ক্রুড ওয়েল সরবরাহ বিভিন্ন উৎস থেকে আংশিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব, তবুও বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা- যদি উপসাগরীয় অঞ্চলে অশান্তি অব্যাহত থাকে, তাহলে এলপিজি সরবরাহের বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে (Russian Oil Imports)। ভারত প্রতিদিন প্রায় ১ মিলিয়ন ব্যারেল এলপিজি ব্যবহার করে। অথচ দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন মোট চাহিদার মাত্র ৪০–৪৫ শতাংশ পূরণ করে। বাকি ৫৫–৬০ শতাংশই আমদানি করতে হয়, যার অধিকাংশই আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে।রিটোলিয়ার মতে, ভারতের ৮০–৯০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্য থেকে। তাই আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণে এই সরবরাহ ব্যবস্থা যথেষ্ট ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভারত প্রতিদিন ৯ থেকে ১০ লাখ ব্যারেল এলপিজি ব্যবহার করে, যার মধ্যে প্রায় ৬ লাখ ব্যারেল আমদানি করা হয় (Middle East War)।

     

  • Omar Abdullah: জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে খুনের চেষ্টা, নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন ওমরের

    Omar Abdullah: জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে খুনের চেষ্টা, নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন ওমরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার (Omar Abdullah) বাবা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লার ওপর হামলার চেষ্টা। ঘটনায় যারপরনাই বিস্মিত মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG)-এর জেড প্লাস নিরাপত্তা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও হামলাকারী কীভাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এত কাছে পৌঁছে গেল?

    পিছন থেকে গুলি, বরাতজোরে বাঁচল প্রাণ

    বুধবার সন্ধ্যায় জম্মুতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রবীণ ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে গুলি করে খুনের চেষ্টা করা হয়। ঘটনাটি ঘটে গ্রেটার কৈলাশ এলাকার রয়্যাল পার্কে আয়োজিত একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক ব্যক্তি পিস্তল হাতে আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা করেন। তবে তাঁর জেড প্লাস নিরাপত্তা বলয়ের দায়িত্বে থাকা এনএসজি-র নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেন এবং গুলিটি প্রতিহত করেন। ফলে অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। ইতিমধ্যেই হামলার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বিয়ে বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন ফারুখ আবদুল্লা। ঠিক সেইসময় পিছন দিক থেকে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে ঢুকে পড়েন ওই অভিযুক্ত। ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। কী কারণে এই হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। ঘটনার জেরে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। ওই অভিযুক্তের দাবি, ২০ বছর ধরে তিনি ফারুখ আবদুল্লাকে হত্যার চেষ্টা করে আসছেন।

    জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (Omar Abdullah)

    ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জম্মুর গ্রেটার কৈলাশ এলাকার রয়্যাল পার্কে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ফারুককে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা করে এক ব্যক্তি। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় প্রাণে বেঁচে যান ফারুক।” এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে ওমর লেখেন, “আল্লাহ্ দয়ালু। আমার বাবা অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছেন। এই মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য স্পষ্ট নয়, তবে জানা গিয়েছে যে এক ব্যক্তি পিস্তল নিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করেছিল। নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ করে অভিযুক্তকে আটক করে, ব্যর্থ হয় হত্যার চেষ্টা। এখন উত্তরের চেয়ে প্রশ্নই বেশি, এর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, এনএসজির জেড প্লাস নিরাপত্তায় থাকা একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এত কাছে কেউ কীভাবে পৌঁছতে পারল?”

    ফারুক আবদুল্লা সুস্থ

    জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা নাসির আসলাম ওয়ানি জানান, ঘটনায় কেউ আহত হননি, অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “এমন কিছু নয়। আল্লাহ্ খুব দয়ালু।” পুলিশি ব্যবস্থার বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে (Omar Abdullah) তিনি বলেন, “এখনই কিছু বলা ঠিক হবে না। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করবে। তাই এখনই কোনও মন্তব্য করা ঠিক হবে না।” তিনি বলেন, “অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে বোঝা যাবে অভিযুক্ত কেন গুলি করার চেষ্টা করেছিল, তার উদ্দেশ্যই বা কী ছিল।” তিনি জানান, ফারুক আবদুল্লা (Farooq Abdullah) সম্পূর্ণ সুস্থ, তিনি বিশ্রাম নিচ্ছেন।

    কী বললেন উপমুখ্যমন্ত্রী

    জম্মু-কাশ্মীর পুলিশও জানিয়েছে, ফারুক আবদুল্লার প্রাণনাশের চেষ্টা করা হয়েছিল। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এনএসজি সদস্যরা দ্রুত পদক্ষেপ করায় ব্যর্থ হয় হামলার চেষ্টা। অভিযুক্তের নাম কামাল সিং। তাকে আটক করা হয়েছে। সে জম্মুর পুরানি মান্ডি এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্তের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্রটিও। পুলিশ জানিয়েছে, মামলা দায়ের করা হয়েছে, চলছে তদন্তও। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সুরিন্দর চৌধুরী। তিনিও জানান, ঘটনায় কেউ আহত হননি। নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনিও। জম্মু জোনের (Farooq Abdullah) পুলিশের আইজিপি (IGP) গাংগিয়াল থানায় পৌঁছন। এখানেই ফারুক আবদুল্লার ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় রয়েছে অভিযুক্ত (Omar Abdullah)।

     

LinkedIn
Share