Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Commonwealth Games: পঞ্চম দিনে নয়টি সোনার হাতছানি! কমনওয়েলথে ইতিহাস গড়ার পথে দেশ

    Commonwealth Games: পঞ্চম দিনে নয়টি সোনার হাতছানি! কমনওয়েলথে ইতিহাস গড়ার পথে দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কমনওয়েলথে গেমসের (Commonwealth Games 2022) চতুর্থ দিন মোট তিনটি পদক জিতেছে ভারত। দুটি পদক এল জুডোতে। একটি ভারোত্তোলনে। সব মিলিয়ে পদক সংখ্যা পৌঁছল ৯। ভারোত্তোলনে ৭১ কেজি বিভাগে ব্রোঞ্জ হরজিন্দর কৌরের। জুডোতে রুপো সুশীলা দেবী (Sushila Devi) এবং ব্রোঞ্জ জিতলেন বিজয় যাদব (Vijay Kumar Yadav)।

    চতুর্থ দিনে তিনটি পদক জিতলেও পঞ্চম দিনে ভারতের সামনে পাঁচটি সোনার হাতছানি। ইতিমধ্যে লন বল মহিলা ফোরস ইভেন্টে, মিশ্র দল ব্যাডমিন্টন এবং পুরুষদের টেবিল টেনিসে রুপো  নিশ্চিত করেছে ভারত। সোমবার পুরুষদের টেবিল টেনিসে টিম ইভেন্টে নাইজেরিয়াকে ৩-০ ব্যবধানে হারায় ভারত। গোল্ড মেডেল ম্যাচে ভারতের প্রতিপক্ষ সিঙ্গাপুর। ব্যাডমিন্টনে মিক্সড টিম ইভেন্টের সেমিফাইনালে সিঙ্গাপুরকে ৩-০ হারিয়েছে ভারত। গোল্ড মেডেল ম্যাচে ভারতের সামনে মালয়েশিয়া। 

    কমনওয়েলথ গেমসে প্রথমবার লন বল খেলায় পদক নিশ্চিত করেছে ভারতের মহিলা লন বল টিম। মঙ্গলবার ফাইনাল। সোনা না হয় রুপো একটা আসছেই। অর্থাৎ ইতিহাস গড়ে ফেলেছে ইন্ডিয়ান ওমেন্স ফোরস লন বল টিম।

    আরও পড়ুন: রাজ্যের মন্ত্রী কি জানতেন গ্রামের ছেলে বিশ্ব মঞ্চে লড়াই করছে! প্রশ্ন সোনা জয়ী অচিন্ত্যর দাদার

    আজ মঙ্গলবার ব্যাডমিন্টন, টেবল টেনিস, ডিসকাস থ্রো, জিমন্যাস্টিক, ভারোত্তোলন, লন বল- সব মিলিয়ে গেমসের পঞ্চম দিনে একাধিক ফাইনাল রয়েছে। পঞ্চম দিনে ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের সূচি-

    সাঁতার:

    পুরুষদের ২০০ মিটার ব্যাকস্ট্রোক হিট দুইয়ে – শ্রীহরি নটরাজ (বেলা ৩.০৪)

    পুরুষদের ১৫০০ মিটার ফ্রিস্টাইল হিট – অদ্বৈত পেজ, কুশাগরা রাওয়াত (বিকেল ৪.১০)

    আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিক্স:

    পুরুষদের ভল্ট ফাইনাল – সত্যজিৎ মন্ডল (বিকেল ৫.৩০)

    পুরুষদের প্যারালাল বারস ফাইনাল – সাইফ সাদিক তাম্বোলি (সন্ধ্যে ৬.৩৫)

    অ্যাথলেটিক্স:

    পুরুষদের লং জাম্প কোয়ালিফাইং রাউন্ড – এম শ্রীশঙ্কর, মুহম্মদ আনিস ইয়াহিয়া (দুপুর ২.৩০)

    পুরুষদের হাই জাম্প কোয়ালিফাইং রাউন্ড – তেজস্বিন শঙ্কর (বেলা ১২.০৩)

    মহিলাদের ডিসকাস থ্রো ফাইনাল – সীমা পুনিয়া, নভজিত কাউর ঢিলন (মাধরাত ১২.৫২)

    ব্যাডমিন্টন:

    মিশ্র দলের ফাইনাল – ভারত বনাম মালয়েশিয়া (রাত ১০.০০)

    বক্সিং:

    পুরুষদের ৬৭ কেজি রাউন্ড অফ ১৬ – রোহিত টোকাস (রাত ১১.৪৫)

    হকি:

    মহিলাদের পুল এ – ভারত বনাম ইংল্যান্ড (বিকেল ৬.৩০)

    লন বল:

    মহিলাদের জোড়া রাউন্ড ১ – ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড (বেলা ১.০০)

    মহিলাদের ট্রিপল রাউন্ড ১ – ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড

    পুরুষদের একক রাউন্ড ১ – মৃদুল বোরগোহাঁই (বিকেল ৪.১৫)

    মহিলাদের ফোরস গোল্ড মেডেল ম্যাচ – ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা (বেলা ৪.১৫)

    পুরুষদের ফোরস রাউন্ড ১ – ভারত বনাম ফিজি (রাত ৮.৪৫)

    মহিলাদের ট্রিপল রাউন্ড ২ – ভারত বনাম ইংল্যান্ড (রাত ৮.৪৫)

    স্কোয়াশ:

    মহিলাদের একক প্লেট সেমি-ফাইনাল – সুনয়না সারা কুরুভিলা (রাত ৮.৩০)

    পুরুষদের একক সেমি-ফাইনাল – সৌরভ ঘোষাল (রাত ৯.১৫)

    টেবিল টেনিস:

    পুরুষদের দল গোল্ড মেডেল ম্যাচ (সন্ধ্যে ৬.০০)

    ভারোত্তোলন:

    মহিলাদের ৭৬ কেজি – পুনম যাদব (দুপুর ২.০০)

    পুরুষদের ৯৬কেজি – বিকাশ ঠাকুর (সন্ধ্যে ৬.৩০)

    মহিলাদের ৮৭ কেজি – উষা বান্নুর এনকে (রাত ১১.০০)

  • Ramsar list: চিনের সমান! রামসার সাইটের তালিকায় আরও ১০টি নতুন জলাভূমি যোগ করল ভারত

    Ramsar list: চিনের সমান! রামসার সাইটের তালিকায় আরও ১০টি নতুন জলাভূমি যোগ করল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পরিবেশ সুরক্ষা ও সংরক্ষণের ক্ষেত্রে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল ভারত সরকার। নতুন তথ্যে জানা গিয়েছে, ভারতের আরও দশটি জলাভূমিকে রামসার সাইটে (Ramsar site) অন্তর্ভুক্ত করা হল। এর ফলে দেশে মোট ৬৪টি জলাভূমি রামসার সাইট হিসাবে স্বীকৃতি পেল। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দর যাদব (Bhupender Yadav) ট্যুুইটে এই বিষয় জানিয়েছেন।

    জলাভূমি সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে বিভিন্ন দেশ মিলে কনভেনশন অন ওয়েটল্যান্ডস নামে একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষর করে, যেটি রামসার কনভেনশন নামে পরিচিত। রামসার কনভেনশন হল সারা বিশ্বে জৈব পরিবেশ রক্ষার একটি সম্মিলিত প্রয়াস। এই কনভেনশনের অধীনে তালিকাভুক্ত সমস্ত জলাভূমিকে রামসার সাইট বলা হয়। আন্তর্জাতিক এই তালিকায় চিনেও রামসার সাইটের সংখ্যা ৬৪টি। রামসার কনভেনশনের অধীনে  ভারতে দশটি নতুন রামসর সাইট মনোনীত হওয়ায় পরিবেশ সুরক্ষার নিরিখে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে চিনের সঙ্গে এক সারিতে উঠে এল ভারত। 

    গাছপালা হ্রাস, অত্যধিক বন্যা, জল দূষণ, শিল্পায়ন, ঘরবাড়ি, রাস্তা, সেতু নির্মাণ প্রভৃতি দেশের জলাভূমিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। জলাভূমিগুলো সংরক্ষণের জন্যই আন্তর্জাতিক স্তরে এই চুক্তি করা হয়। এর ফলে  জলাভূমিগুলোর আশেপাশে কোনও শিল্প তৈরি করা যাবে না। ভারত সরকার এ বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রক। এই জলাভূমিগুলি বায়ুমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। খরা-বন্যা রোধ করতে, জলের জোগান দিতে জলাভুমির গুরুত্ব অপরিসীম।

    আরও পড়ুন: জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সঠিক নিয়ম জানেন তো? মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি

    ভারতের ১০টি নতুন রামসার সাইটগুলির মধ্যে তামিলনাড়ুতে ছয়টি, ওড়িশা, গোয়া, মধ্যপ্রদেশ এবং কর্ণাটকের একটি করে রয়েছে। ভারতের রামসার সাইটগুলি এখন মোট 12,50,361 হেক্টর এলাকা জুড়ে রয়েছে। ভারতে প্রথম রামসার সাইটই হল ওড়িশার চিল্কা হ্রদ। ভারতের সবচেয়ে বড় রামসার সাইট হল সুন্দরবন। সবচেয়ে ছোট হল হিমাচল প্রদেশের রেণুকা হ্রদ। এই তালিকা ক্রম পরিবর্তনশীল। স্বাধীনতার ৭৫ বছর চলছে। এই বছরেই দেশে রামসার সাইটের সংখ্যা ৭৫-এ নিয়ে যেতে চায় ভারত।

  • Asia Cup: প্রতীক্ষার অবসান! এশিয়া কাপের ক্রীড়াসূচি ঘোষিত, ২৮ অগাস্ট মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

    Asia Cup: প্রতীক্ষার অবসান! এশিয়া কাপের ক্রীড়াসূচি ঘোষিত, ২৮ অগাস্ট মুখোমুখি ভারত-পাকিস্তান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের শেষ রবিবার মুখোমুখি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান। এ বারের এশিয়া কাপ (Asia Cup 2022) শুরু ২৭ অগস্ট থেকে। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনই ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ। এ বছর শ্রীলঙ্কাতে (Sri Lanka) এই প্রতিযোগিতা হওয়ার কথা থাকলেও সে দেশের রাজনৈতিক অবস্থার কারণে প্রতিযোগিতা সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে (UAE)। টুর্নামেন্টের তিনটি ম্যাচ হবে শারজায়। বাকি সমস্ত ম্যাচ আয়োজিত হবে দুবাই স্টেডিয়ামে। সবকটি ম্যাচ হবে স্থানীয় সময় সন্ধে ৬টায়। টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচেই আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে শ্রীলঙ্কা। আর পরের দিন অর্থাৎ ২৮ আগস্ট রোহিত শর্মার (Rohit Sharma) ভারত নামবে বাবর আজমের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে।

    এদিন টুর্নামেন্টের সূচি প্রকাশ করে বিসিসিআই (BCCI) সচিব জয় শাহ লেখেন, “অপেক্ষার অবসান। এশিয়া কাপের সূচি জানিয়ে দিল ACC। বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য এই টুর্নামেন্ট দারুণ প্ল্যাটফর্ম হতে চলেছে।” গ্রুপ এ-তে রয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। সেই গ্রুপে আরও একটি দল আসবে যোগ্যতা অর্জন পর্ব থেকে। সেই দলের সঙ্গে ভারতের ম্যাচ ৩১ অগাস্ট। ফাইনাল হবে ১১ সেপ্টেম্বর। গ্রুপ পর্বে ভারতের দু’টি ম্যাচই হবে দুবাইতে। ফাইনালও দুবাইয়ে। বি গ্রুপের দলগুলি হল বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান। ৩০ আগস্ট অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের প্রথম প্রতিপক্ষ আফগানিস্তান। সুপার ফোরের ম্যাচ শুরু হবে ৩ সেপ্টেম্বর। চলবে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। 

    আরও পড়ুন: কমনওয়েলথ গেমসে রেকর্ড গড়ে সোনা জিতলেন বাংলার অচিন্ত্য, মণিপুরের জেরেমি

    ১৫তম এশিয়া কাপ প্রতিযোগিতাকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতি হিসাবেই দেখছে দলগুলি। শেষ বার ২০১৮ সালে রোহিত শর্মার নেতৃত্বেই এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। এবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে ফের দলকে সাফল্য এনে দেওয়ার গুরু দায়িত্ব তাঁর কাঁধেই। প্রথমে ঠিক ছিল ২০২০ সালে পাকিস্তানে এশিয়া কাপ আয়োজিত হবে। কিন্তু পাকিস্তানে খেলতে আপত্তি জানায় ভারত। এরই মধ্যে করোনা মহামারীও আঘাত হানে। যার ফলে সাময়িকভাবে স্থগিত রেখে শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তরিত করা হয় টুর্নামেন্ট। ঠিক করা হয় ২০২১ সালের জুন মাসে এশিয়া কাপ আয়োজন করা হবে। কিন্তু তখনও করোনার জেরে তা আয়োজন সম্ভব হয়নি। তারপর অনেক ভাবনা চিন্তার পর এ বছর বিশ্বকাপের আগে এশিয়া কাপ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গত মার্চে সেই সিদ্ধান্তে সরকারি সিলমোহরও পড়ে। এবার অপেক্ষা ঢাকে কাঠি পড়ার।
  • Commonwealth Games: রাজ্যের মন্ত্রী কি জানতেন গ্রামের ছেলে বিশ্ব মঞ্চে লড়াই করছে! প্রশ্ন সোনা জয়ী অচিন্ত্যর দাদার

    Commonwealth Games: রাজ্যের মন্ত্রী কি জানতেন গ্রামের ছেলে বিশ্ব মঞ্চে লড়াই করছে! প্রশ্ন সোনা জয়ী অচিন্ত্যর দাদার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভাবকে হারিয়ে কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জিতেছে ভাই অচিন্ত্য। এরকম আনন্দের দিনেও উচ্ছ্বাসে ভাসতে পারছেন না দাদা অলোক শিউলি। ভাইয়ের লক্ষ্য যে অলিম্পিক। প্যারিস অলিম্পিকে যেতে হবে তাঁকে। কিন্তু তার জন্য দরকার টাকা। “এখানকার কেউ তো সাহায্য করে না।” ক্ষোভ অলোকের গলায়। মুখ্যমন্ত্রী ট্যুইট করে অভিনন্দন জানিয়েছেন তো! তাহলে হয়তো এবার সাহায্য আসতে পারে। তবুও নিশ্চিত নয় দাদা অলোক। ভাইয়ের সাফল্যের দিনে তাঁর গলায় ক্ষোভের সুর। বললেন, ‍‘‍‘অভাবকে হারিয়ে আমি না পারলেও ভাই সেই যুদ্ধে জিতেছে। হরিয়ানা-সহ অন্য রাজ্যে এ রকম সাফল্য আনলে সরকার পুরস্কার দেয়। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ,  কী করবেন জানি না! যুব বিশ্বচ্যাম্পিয়নশিপে রুপো জিতেছিল ভাই। এই সাফল্যের পরে কেউ খোঁজই নেননি। গত বছর জাতীয় প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছিল ও। দ্বিতীয় হওয়া ছেলেটিকে তাঁর রাজ্য কিন্তু পুরস্কৃত করেছে। আমাদের স্থানীয় সাংসদ বা বিধায়করা তো চেনেনই না অচিন্ত্য শিউলিকে! আমাদের রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী বোধহয় জানেনই না ভাই কমনওয়েলথের আসরে নেমেছে।”

    আরও পড়ুন: আশা করি এবার একটা সিনেমা দেখার সময় পাবে! অচিন্ত্যর প্রশংসায় মোদি

    বাবা রিকশা চালাতেন। অচিন্ত্যর তখন ৮ বছর বয়স। বাবা মারা গেলেন। অলোক একটু বড়। স্বামীর মৃত্যুর পর সেলাই, জরির কাজ করা শুরু করেন অচিন্ত্যর মা পূর্ণিমা শিউলি। দুই ভাইও সময় পেলেই মাকে সাহায্য করত। তাঁদের সাপ্তাহিক আয় ছিল মাত্র ৫০০ টাকা। সেই টাকাতেই চলত সংসার। বাবার মৃত্যুর ধাক্কা, সংসার সামলে পড়াশোনা, কাজ ও ভারোত্তোলক হওয়ার স্বপ্নে ক্ষান্ত দেন অলোক। তবে ভাই অচিন্ত্যর ভারোত্তোলক হওয়ার স্বপ্নে ধুলো জমতে দেননি। চলতি কমনওয়েলথ গেমসে ৭৩ কেজি বিভাগে সোনা জয়ের পর সে কথা জানাতে ভোলেননি ভাই অচিন্ত্য। প্রতিক্রিয়ায় অচিন্ত্য বললেন, “এই পদক উৎসর্গ করছি দাদাকে।” যাঁর পরিশ্রম, উৎসাহ ছাড়া এতটা পথ হয়তো আসাই হত না। যাঁর জন্য পাতিয়ালায় জাতীয় শিবিরে নিশ্চিন্তে অনুশীলনে মগ্ন থাকতে পারতেন। বললেন, “দাদা ভারোত্তোলক হতে চেয়েছিল। বাবার মৃত্যুর পর তা হয়ে ওঠেনি। আমাকে সাপোর্ট করতে দিনরাত পরিশ্রম করে গিয়েছে। এখনও পরিবারের দায়িত্ব একমাত্র দাদার কাঁধে। এই সোনার পদক দাদা এবং আমার কোচদের উৎসর্গ করছি।” 

    এখন অচিন্ত্য ভারতীয় সেনাবাহিনীতে হাবিলদারের কাজ করেন। ন্যাশনাল ওয়েট লিফটিং প্রতিযোগিতায় অচিন্ত্য চতুর্থ হওয়ার পরেই সেনাবাহিনীর নজরে পড়ে যান তিনি। পরে অল ইন্ডিয়া ট্রায়ালে অংশ নিয়ে সে সেখানে সুযোগ পান। পরে ২০১৪ সালে হরিয়ানায় ন্যাশানাল গেমসে তৃতীয় হয়ে সেনাবাহিনীর স্পোর্টস ইন্সটিটিউটে (Military Sports Institute) যোগ দেন। এরপরে পাতিয়ালায় ভারতীয় শিবিরে ডাক পান অচিন্ত্য। ইতিমধ্যেই অচিন্ত্য ২০১৫ সালে ভারতে যুব কমনওয়েলথ গেমসে রূপো, ২০১৭ সালে ইউথ ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়ানশিপে রূপো, ২০১৯ সালে জুনিয়র বিভাগে সোনার পদক, ২০২১ সালে ওয়ার্ল্ড জুনিয়র প্রতিযোগিতায় রূপো এবং জুনিয়র ও সিনিয়র বিভাগে জোড়া সোনার পদক জয় করেছেন। এবার লক্ষ্য ২০২৪ সালের প্যারিস অলিম্পিক্সে পদক জেতা। 

  • Commonwealth Games: বাবাই প্রেরণা! চানু দিদি উৎসাহ দেন, জানালেন কমনওয়েলথে সোনা জয়ী রোনাল্ডোর ভক্ত লালরিনুঙ্গা

    Commonwealth Games: বাবাই প্রেরণা! চানু দিদি উৎসাহ দেন, জানালেন কমনওয়েলথে সোনা জয়ী রোনাল্ডোর ভক্ত লালরিনুঙ্গা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় স্তরে জুনিয়র বক্সিং চ্যাম্পিয়ন ছিলেন আইজলের বক্সার লালমাইথুয়াভা রালতে। কোনওদিন সিনিয়র পর্যায়ে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেননি। পরিবারের দায়িত্ব কাঁধে চাপায় বক্সিংয়ে কেরিয়ার গড়ার স্বপ্ন বিসর্জন দিয়ে পিডব্লিউডিতে কাজ শুরু করেন। পরিবারে স্ত্রী ও পাঁচ ছেলে। নিজের অপূর্ণ স্বপ্ন ছেলেদের মাধ্যমে পূরণ করতে চেয়েছিলেন। চার ছেলে বক্সার হলেও ব্যতিক্রম জেরেমি লালরিনুঙ্গা (Jeremy Lalrinnunga)। তবে, বক্সিংয়ের পাঞ্চে নাই বা হল, ৩০০ কেজি ওজন তুলে সে-ই বাবার স্বপ্ন পূরণ করল। কমনওয়েলথ গেমসে  বাজিমাত করলেন ১৯ বছরের জেরেমি। জয় উৎসর্গ করলেন বাবাকে। বললেন, “বাবাই ছিল প্রেরণা। ছোটবেলা থেকে বাবা নিজের লড়াইয়ের গল্প বলত। জয়ের স্বপ্ন দেখাত। বাবার চেষ্টাতেই আজ এই সাফল্য।”  

    কমনওয়েলথে পোডিয়াম ফিনিশের পর জেরেমির মনে পড়ে যাচ্ছে নানান কথা। দু’বছর বাড়ি যাননি। পরিবারের সঙ্গে ক্রিসমাস পালন করা হয়নি, সেটাও নয় নয় করে পাঁচবছর হয়ে গেল। তবে অ্যথলিট দলেই নিজের পরিবার খুঁজে পেয়েছেন জেরেমি। জানালেন দিদি চানুর কথা। বললেন, “এদিন ম্যাচ শুরু হওয়া থেকেই দর্শকাসনের প্রথম সারিতে ছিলেন চানু দিদি। হাতে তেরঙা নিয়ে উৎসাহ দিচ্ছিলেন। তাঁর আশাপূরণ করতে পেরে আমি খুশি।” ভারোত্তলন ছাড়া ভাল লাগে ফুটবল। ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর ভক্ত জেরেমি পাহাড় প্রমাণ কাঠিন্যকে সঙ্গে নিয়ে এবার অলিম্পিকের স্বপ্নে ডুব দিতে চান।

    চানু দিদির পরিবারেও এখন খুশির আমেজ। এ বারের কমনওয়েলথ থেকে মীরাবাঈ ভারতকে প্রথম সোনার পদক এনে দেওয়ার পর, দেশের সকলের মতোই স্বাভাবিকভাবেই তাঁর পরিবারের সদস্যরাও ভীষণ খুশি। আর সেই খুশি ফুটে উঠেছে চানুর শেয়ার করা ভিডিওতে। সেই ভিডিওতে দেখা যায় চানুর মা ও তাঁর আত্মীয়রা হাতে হাত রেখে নাচ করছেন গোল করে। সঙ্গে রয়েছে ভারতের পতাকাও। সেই ভিডিওর ক্যাপশনে মীরাবাঈ লেখেন, “আমার বাড়িতে আমার মা এবং আত্মীয়েরা আমার জয় উদযাপন করছে।”

    কমনওয়েলথে চানুর সোনা জয়ের পরই তাঁর পরিবারের সদস্যরা মেতে উঠেছেন উৎসবে। তেরঙ্গা উড়িয়ে রীতিমতো মীরাবাঈ চানুর বিজয়োৎসবে সামিল হয়েছেন তাঁর প্রিয়জনেরা। নেটদুনিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে চানুর শেয়ার করা ভিডিও। 

  • India-US-China:  চড়ছে উত্তেজনার পারদ! চিন সীমান্তে ভারত আমেরিকা সেনা মহড়া

    India-US-China: চড়ছে উত্তেজনার পারদ! চিন সীমান্তে ভারত আমেরিকা সেনা মহড়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন সীমান্তের কাছে উত্তরাখণ্ডের আউলিতে যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজন করেছে ভারত ও আমেরিকা। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে ভারতের এই পার্বত্য অঞ্চলে ১৮ থেকে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সামরিক মহড়া চলবে বলে জানা গিয়েছে। লাদাখ ও অরুণাচলে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক খুব একটা মধুর নয়। দুই বছর আউলিতে ইন্দো-চিন সীমান্তে ভারত সেনা মোতায়েন করছে। সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর ঘিরে চিন ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, ভারতের সঙ্গে গত দুই বছর ধরে চাপা উত্তেজনা চলছে চিনের। এই পরিস্থিতিতে উত্তরাখণ্ডে চিন সীমান্তের কাছে ভারত ও আমেরিকার যৌথ মহড়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক মহল।

    আরও পড়ুন: অভিবাদন প্রিয়তমা! যুদ্ধ ভুলে ভারতে হিন্দু রীতিতে বিয়ে ইউক্রেনীয়-রুশ যুগলের

    নয়াদিল্লির তরফে জানানো হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে সামরিক সম্পর্ক আরও মজবুত করতে এই যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। বেশ কয়েক মাস আগেই এই যৌথ সামরিক মহড়ার আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মূলত এই সামরিক মহড়ায় সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চালানোর কৌশল রপ্ত করা হবে। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করতে ভারত ও আমেরিকার এটি ১৮ তম যৌথ সামরিক মহড়া। এর আগে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারাতে ভারত ও আমেরিকার একসঙ্গে সামরিক মহড়ায় অংশ নিয়েছিল। সূত্রের খবর, এবারে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের যৌথ সামরিক মহড়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এত উচ্চতায় আগে আমেরিকার সঙ্গে ভারত সামরিক মহড়ায় অংশ নেয়নি। এই মহড়ার ফলে উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে যুদ্ধের কৌশল দুই দেশের সামরিক বাহিনীর মধ্যে আদানপ্রদান  করা যাবে। পাশাপাশি দুই দেশের সেনা এখানে বেশ কিছু নতুন প্রযুক্তির সামরিক কৌশল রপ্ত করবে।

    আরও পড়ুন: ফের রেপোরেট বাড়াল রিজার্ভ ব্যাংক, কত হল জানেন?

    মার্কিন কংগ্রেসের হাউস স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে চিন-আমেরিকার চাপা উত্তেজনা সকলের সামনে এসেছে। গত দুই বছর ধরে এলএসি-তে ভারত ও চিনের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় দুই দেশের সেনারা নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ফলে ভারতের ২০ জন সেনা শহিদ হন। এরপর থেকে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে পড়ে। দুই দেশের কূটনৈতিক ও সামরিক স্তরে একাধিক বৈঠক হয়। তবে এখনও পর্যন্ত কোনও ফলপ্রসূ সমাধান পাওয়া যায়নি।

  • Commonwealth Games: কমনওয়েলথে ইতিহাস! প্যারা পাওয়ারলিফটিংয়ে সোনা সুধীরের, লং জাম্পে রুপো মুরলী শ্রীশংকরের

    Commonwealth Games: কমনওয়েলথে ইতিহাস! প্যারা পাওয়ারলিফটিংয়ে সোনা সুধীরের, লং জাম্পে রুপো মুরলী শ্রীশংকরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারোত্তলনের মতোই প্যারা পাওয়ারলিফটিংয়েও (Para Powerlifting) সোনা ভারতের (India)। হরিয়ানার সোনিপতের ছেলে সুধীর (Sudhir) বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে প্যারা পাওয়ারলিফটিংয়ে গেমসে রেকর্ড গড়ে সোনা জিতেছেন। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে তোয়াক্কা না করে তাঁর এই সাফল্যকে কুর্নিশ জানাচ্ছে গোটা দেশ। সুধীরকে অভিন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)।

    প্যারা পাওয়ারলিফটিংয়ে পয়েন্টের হিসেবে জেতা-হারা নির্ধারিত হয়। মোট তিনবার সুযোগ মেলে। ভার তোলা, শরীরের ওজন এবং টেকনিক অনুসারে পয়েন্ট দেওয়া হয়। শরীরের ওজনের থেকে ভার বেশি হলে সেক্ষেত্রে পয়েন্ট বেশি পাওয়া যায়। ৮৭.৩০ কেজির সুধীর প্রথম প্রয়াসে ২০৮ কিলো ওজন তোলেন। দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় তোলেন ২১২ কিলো। এরইসঙ্গে গেমসে নয়া রেকর্ড গড়েন তিনি। তবে তৃতীয় প্রচেষ্টায় ২১৭ কিলো ওজন তুলতে পারেননি তিনি। ১৩৪.৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে সোনা জিতে নেন ২৭ বছরের সুধীর। হরিয়ানার কৃষক পরিবারের ছেলে সুধীর। চার বছর বয়সেই পোলিও আক্রান্ত হন। তবু শারীরিক প্রতিবন্ধকতা তাঁর ইচ্ছেকে হারাতে পারেনি। ছোট থেকেই খেলাধুলোর প্রতি ভালোবাসা। ২০১৬ সালে প্রথম জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় সোনা জেতেন। আন্তর্জাতিক স্তরে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ আসে ২০১৮ সালে। জাকার্তা প্যারা এশিয়ান গেমসে অভিষেকেই ব্রোঞ্জ পদক জিতে নেন। অ্যাথলেটিক মহলে ‘স্ট্রং ম্যান অব ইন্ডিয়া’ এই নামে ডাকা হয় সুধীরকে।

    চলতি কমনওয়েলথ গেমসে ভারতীয় অ্যাথলিটরা চমক দিয়েই যাচ্ছেন। এদিনই ইতিহাস গড়ে লং জাম্পে রুপো এনেছেন মুরলী শ্রীশংকর (M. Sreeshankar)। তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন অবশ্য খানিক দুর্ভাগ্যের শিকার হয়েছেন তিনি। সোনাজয়ীর সমান লাফিয়েও সোনা পাননি ভারতের লং জাম্পার। বৃহস্পতিবার বাহামাসের ল্যাকুয়ান নাইরনের মতো তিনিও ৮.০৮ মিটার লাফিয়েছেন। কিন্তু দ্বিতীয় সেরা লাফের বিচারে পিছিয়ে থাকায় রুপো জিতেছেন শ্রীশংকর। সুরেশ বাবু, অঞ্জু ববি জর্জ, এম এ প্রাজুসা এর আগে কমনওয়েলথ গেমসে পদক জিতেছেন। একমাত্র প্রাজুসা রুপো পেয়েছেন, বাকিরা ব্রোঞ্জ।

    আরও পড়ুন: পদক তালিকায় সপ্তম স্থানে ভারত! একনজরে বার্মিংহামের অষ্টম দিন

    এদিকে পুরুষদের হকিতে (Men’s Hockey) পুল ‘বি’-এর ম‌্যাচে ভারতীয় দল ৪-১ ব‌্যবধানে ওয়েলসকে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌঁছে গিয়েছে। হ‌্যাটট্রিক করেছেন ভারতের সহ-অধিনায়ক হরমনপ্রীত। অন্যদিকে, বক্সিংয়ে সেমিফাইনালে উঠে পদক নিশ্চিত করেছেন ভারতের চার বক্সার। পুরুষদের ৫১ কেজি বিভাগে অমিত পাঙ্ঘাল, ৯২ কেজি বিভাগে সাগর অহলত, ৬৭ কেজি বিভাগে রোহিত টোকাস এবং মহিলাদের ৬০ কেজি বিভাগে জেসমিন ল‌্যাম্বোরিয়া শেষ চারে পৌঁছেছেন। 

  • Narendra Modi: ২০২৪-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি-ই! জানুন কী বললেন অমিত শাহ

    Narendra Modi: ২০২৪-এ প্রধানমন্ত্রী মোদি-ই! জানুন কী বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জার্মানির বার্লিন থেকেই ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের স্লোগান পেয়ে গিয়েছিল বিজেপি (BJP)। আওয়াজ উঠেছিল, টোয়েন্টি টোয়েন্টি ফোর, মোদি ওয়ান্স মোর (Twenty Twenty Four, Modi once more) । অর্থাৎ ২০২৪-এ মোদি আরও একবার ক্ষমতায় আসছেন। বিজেপি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বার্লিন সফর থেকেই বিজেপির পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনের স্লোগান মিলেছিল। এবার সেই দাবিতেই শিলমোহর দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    আগামী ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি জেডিইউ এক সঙ্গেই লড়বে। আর এনডিএ-র প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী থাকছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। রবিবার পাটনায় অনুষ্ঠিত বিজেপি দু’দিনের যৌথ জাতীয় কার্যনির্বাহী সভার সমাপ্তি অধিবেশনে এ কথাই বললেন অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি জানান আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হচ্ছেন নরেন্দ্র মোদিই। তাঁর প্রশাসনিক ক্ষমতা এবং যুক্তিবাদী, আধুনিক চিন্তাভাবনার সুফল পেয়েছে ভারত এমনই অভিমত ব্যক্ত করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর কাজ আজ শুধু ভারতে নয় সারা বিশ্বে আদৃত।

    আরও পড়ুন: হর ঘর তিরঙ্গা আন্দোলনে অংশ নিন, মন কি বাতে অনুরোধ মোদির

    এই প্রসঙ্গে বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অরুণ সিং বলেন, “২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি ও জেডিইউ একসঙ্গে লড়বে। ২০২৫-এর বিধানসভা নির্বাচনেও বিজেপি জেডিইউ জোট সক্রিয় থাকবে। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে এনডিএ নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই লড়বে। ফের তিনিই হবেন প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী। এনিয়ে কোনও ধোঁয়াশা নেই।”

    এই বৈঠকে উপস্থিত সকল সদস্যকে এক কাশ্মীরি মহিলার হাতে তৈরি তেরঙ্গা পতাকা দেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলের ধারণা, এই কাজের মাধ্যমেই বোঝানো হয়, ৩৭০ ধারা রদের পর কাশ্মীরের মনোভাব অনেকটাই ইতিবাচক। এদিন অমিত শাহ আরও বলেন, “স্বাধীনতা দিবসে দেশের প্রতিটি কোণে উড়বে জাতীয় পতাকা। স্বাধীনতার পর মোদি সরকারের আমলেই গ্রাম থেকে দলিত ও উপজাতিরা সবথেকে বেশি মন্ত্রিত্ব পেয়েছেন। দেশভক্তি দেখানোর সময় এসেছে এবার ১৩ অগাস্ট থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত দেশের প্রতিটি কোণে জাতীয় পতাকার উত্তোলন হবে। বিষয়টি সুনিশ্চিত করবেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।”

  • Asteroid Nearing Earth: ধেয়ে আসছে গগণচুম্বী গ্রহাণু!  আজই সবচেয়ে কাছে, কী হবে পৃথিবীর

    Asteroid Nearing Earth: ধেয়ে আসছে গগণচুম্বী গ্রহাণু! আজই সবচেয়ে কাছে, কী হবে পৃথিবীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রহাণুদের আসার বিরাম নেই। গত বছর ধরে দফায় দফায় গ্রহাণুরা পৃথিবীর আশপাশে ঘুরে গেছে। কেউ একেবারে কোল ঘেঁষে আবার কেউ একটু তফাৎ রেখে দূর দিয়ে। গত সপ্তাহে দুটি ভিন্ন আকারের গ্রহাণুর সঙ্গে মুখোমুখি দেখা হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একটি ছিল ৪০০ ফুট চওড়া, অন্যটি ৬০০ ফুট চওড়া। তবে এবার তার থেকে অনেক বড় অনুমান, কুতুব মিনারের চেয়ে ৬ গুণ বড় একটি গ্রহাণু আজই পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে চলে আসবে। এবার কি তবে সত্যিই পৃথিবীর ধ্বংস আসন্ন? একথা উঠছে, কারণ, এই মহাজাগতিক ঘটনা নিয়ে সতর্ক করেছে নাসা (NASA)।

    আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টারও কম সময়ে নিজের কক্ষপথ প্রদক্ষিণ পৃথিবীর, ভাঙল সবচেয়ে ছোট দিনের রেকর্ড

    যে কোনও আকারের গ্রহাণুই পৃথিবীর পক্ষে ভয়ের। কেননা, যে ভরবেগ নিয়ে তারা ছুটে আসে, তাতে পৃথিবীর সঙ্গে ধাক্কা লাগলে কোনও না কোনও বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু সাধারণ আকারের চেয়ে যদি ছুটে আসতে থাকা গ্রহাণুর আকার ও আকৃতি অনেকটাই বড় হয়, তাহলে বিপদ বেড়েই যায়। নাসা আগেই এই গ্রহাণু নিয়ে সতর্ক করেছিল। এই বিশাল গ্রহাণু (Asteroids) তেড়েফুঁড়ে এগিয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। আজ ৩ অগাস্ট পৃথিবীর একেবারে কাছাকাছি চলে আসবে। এখন টক্কর লাগবে নাকি পৃথিবীর কোল ঘেঁষে বেরিয়ে যাবে তা নিশ্চিত করতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। তবে তাঁরা সর্বদা এর গতিপথের দিকে নজর রাখছে।

    আরও পড়ুন: সরাসরি পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে সৌর ঝড়! ফল কী হতে পারে? জানুন

    প্রায় ১২০০ ফুট বিস্তৃত ৩৬৫ মিটার চওড়া দীর্ঘ আকারের এই অ্যাস্টেরয়েড ভয়ংকর গতিতে ধেয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে। এখন পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে এটা। প্রদক্ষিণ করতে করতেই ক্রমশ সামনে চলে আসছে। বিজ্ঞানীরা বিষয়টিকে এই ভাবে বোঝাচ্ছেন, যে গ্রহাণু ধেয়ে আসছে, সেটি আকারে স্ট্যাচু অব লিবার্টির ৩ গুণ। এত বৃহৎ একটি পাথর যে কোনও ভাবেই আসুক না কেন তা যে কোনও সময়েই বিপদের বার্তা বহন করে আনে।  

  • Partition Painful: দেশভাগ যন্ত্রণার! এক হোক ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ, চান হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী

    Partition Painful: দেশভাগ যন্ত্রণার! এক হোক ভারত-পাকিস্তান-বাংলাদেশ, চান হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশভাগ খুব বেদনাদায়ক। পূর্ব এবং পশ্চিম জার্মানির ( East Germany and West Germany) মতোই যদি আবার বাংলাদেশ (Bangladesh) এবং পাকিস্তানের (Pakistan) সঙ্গে ভারত (India) এক হয়ে যায়, তাহলে স্বপ্নপূরণ হবে।  এমনই মন্তব্য করলেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী (Haryana Chief Minister) মনোহরলাল খট্টর (Manohar Lal Khattar)। ঐক্যবদ্ধ ভারত এক স্বপ্ন বলে জানান তিনি।

    আরও পড়ুন: আগামী ৭৮ বছরে জনসংখ্যা হ্রাস পাবে ৪১ কোটি ! জানুন কী বলছে সমীক্ষা

    সোমবার গুরুগাঁওয়ে বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে ভারতের একতার কথা বলতে গিয়ে খট্টর টেনে আনেন দেশভাগের প্রসঙ্গ। তাঁর কথায়, ‘‘যখন পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি এক হতে পারে, তখন পাকিস্তান ও বাংলাদেশও ভারতের সঙ্গে জুড়ে এক হতে পারে। খুব বেশি দিন আগে তো নয়। এই তো ১৯৯১ সালে বার্লিন প্রাচীর ভেঙে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তেমনি ভারতও আবার অখণ্ড হতে পারে।’’ তাঁর সংযোজন, ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতার সময় ‘দেশভাগ খুব যন্ত্রণার।’ এর মাধ্যমেই ধর্মীয় বিভাজন তৈরি করা হয়। এর পর দেশে সংখ্যালঘুদের উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে খট্টর বলেন, ‘‘সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের ‘সংখ্যালঘু’ তকমা দেওয়ার কারণ ছিল। যাতে তাঁরা ভয়ে এবং নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে না থাকেন, তাই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।’’

    আরও পড়ুন: ‘ভারতে গরীব শুধু স্বপ্ন দেখে না, পূরণও হয়

    বিজেপি নেতার দাবি, মোদি (Modi) সরকারের আমলে প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘‘ভারত সব সময় চায়, প্রতিবেশী দেশগুলির সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকুক।’’ কংগ্রেসকে খোঁচা দিয়ে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে বরাবর সঙ্ঘের নামে মিথ্যা ভয় দেখিয়েছে কংগ্রেস। কিন্তু মানুষ এখন সত্যিটা বুঝতে পারছে। কংগ্রেসের আদর্শ ধরা পড়ে গিয়েছে। চিরকাল সংখ্যালঘুদের নিয়ে ভোটের রাজনীতি করেছে কংগ্রেস দাবি মনোহর লাল খট্টরের। সেখানে বিজেপির লক্ষ্য় ”সবকা সাথ, সবকা বিকাশ, সবকা বিশ্বাস।” 

LinkedIn
Share