Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Partha Chatterjee: ফের মুখ ফেরাল এসএসকেএম? অসুস্থ বোধ করায় পার্থকে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে, তারপর…

    Partha Chatterjee: ফের মুখ ফেরাল এসএসকেএম? অসুস্থ বোধ করায় পার্থকে নিয়ে যাওয়া হল হাসপাতালে, তারপর…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসুস্থ বোধ করায় শনিবার বিকেলে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee) এসএসকেএম (SSKM) হাসপাতালে নিয়ে গেল জেল কর্তৃপক্ষ। এদিন চিকিৎসা শেষে এসএসকেএম থেকে ফের প্রেসিডেন্সি জেলেই নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। স্বাস্থ্যপরীক্ষার পর এসএসকেএম থেকে বেরনোর সময় প্রাক্তন মন্ত্রী বলেন, ‘দলের সাথে আছি, দলের সাথেই ছিলাম’! 

    আরও পড়ুন: হাজারিবাগের হোটেলে পার্থ-ঘনিষ্ঠের খোঁজে তল্লাশি আয়কর দফতরের, কী মিলল জানেন?

    জেল সূত্রে খবর, শনিবার দুপুরে শারীরিক অসুস্থতার কথা জেল কর্তৃপক্ষকে জানান পার্থবাবু। এর পর ঝুঁকি না নিয়ে তাঁকে SSKM হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। বেলা সাড়ে তিনটে নাগাদ পার্থবাবুকে নিয়ে প্রেসিডেন্সি জেল থেকে রওনা হয় ৩টি গাড়ির কনভয়। চারটে নাগাদ কনভয় পৌঁছয় SSKM হাসপাতালে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের পিছনে সেন্ট্রাল ল্যাবরেটরির সামনে গাড়ি থেকে নামানো হয় তাঁকে। গাড়ি থেকে নামতেই তাঁকে ঘিরে ধরেন সাংবাদিকরা। জানতে চান শরীর কেমন? জবাবে ক্লান্ত, বিমর্ষ পার্থ বলেন, ‘শরীর ভালো নেই।’ এর পর হুইল চেয়ারে করে হাসপাতালের ভিতরে ঢুকে যান তিনি। হাসপাতালের রেডিওলজি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিছু ক্ষণ পর হাসপাতাল থেকে বার করা হয় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীকে।

    আরও পড়ুন: ১৪ দিনের জেল হেফাজত পার্থ-অর্পিতার! কেউ ছাড় পাবে না, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর নিশানায় কারা?

    প্রেসিডেন্সি জেল সূত্রে খবর, প্রাক্তন তৃণমূল মহাসচিবের শরীরের ক্রিয়েটিনিন বেড়েছে। স্বাভাবিকের চেয়ে রক্তে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম। পা ফুলেছে তাঁর। শরীরে অস্বস্তি রয়েছে। তাই তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষার কথা ভাবা হয়। এসএসকেএমে তাঁর একাধিক শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে। হাসপাতাল জুড়ে ছিল কড়া নিরাপত্তা। শনিবার বলে অন্যদিনের তুলনায় হাসপাতালে ভিড় কম ছিল। তবুও নিরাপত্তায় ফাঁক রাখা হয়নি। নিরাপত্তার খাতিরে জরুরি বিভাগের পিছনের গেট দিয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে হাসপাতালে ঢোকানো হয়। মোতায়েন ছিল প্রচুর পুলিশ।

  • USAID chief: মূল্যবোধই ভারতের সম্পদ! অভিমত সামান্থার

    USAID chief: মূল্যবোধই ভারতের সম্পদ! অভিমত সামান্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মূল্যবোধই ভারতের সম্পদ। অর্থ, যশ , সম্পদ নয় প্রতিটি ভারতবাসীর মূল্যবোধ এবং চেতনা দেশটিকে উন্নতির শিখরে নিয়ে গিয়েছে। অভিমত ইউসেডে-এর (United States Agency for International Development) কর্তা সামান্থা পাওয়ারের (Samantha Power)। দিল্লি আইআইটিতে (Delhi IIT)  ‘বিশ্ব এক পরিবার’ শীর্ষক এক আলোচনায় একথা বলেন তিনি।

    আরও পড়ুন: এসসিও-র বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে উজেবেকিস্তান যাচ্ছেন জয়শঙ্কর

    সামান্থার কথায়, অন্যায়ের সঙ্গে আপোশ করে না ভারত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একসঙ্গে পরিবেশ রক্ষা, সন্ত্রাস দমন, সারা বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একযোগে কাজ করতে চায়। ভারতের সঙ্গে শক্তিশালী বন্ধন গড়ে তুলতে চায় আমেরিকা। ভারত ও আমেরিকা উভয় দেশেই গণতন্ত্র এবং ব্যক্তিস্বার্থ একসঙ্গে রক্ষিত হয় বলে জানান সামান্থা। তাঁর মতে, বহুত্ববাদের মধ্যে সারা দেশকে কীভাবে একসূত্রে বেঁধে রাখা যায় তা দেখিয়ে দিয়েছে ভারত। আমেরিকা ও ভারতের মধ্যে পারস্পরিক বিশ্বাস রয়েছে। পরস্পরের উপর বিশ্বাস থাকলে বন্ধুত্বে চিড় ধরে না। বছরের পর বছর ধরে আমেরিকা এবং ভারতের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ভারতে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র বর্তমান। আর আমেরিকা সকলের জন্য উন্মুক্ত, গোটা বিশ্বকে একটাই পরিবার বলে মনে করে ভারত ও আমেরিকা। তাই দুই দেশের মধ্যে এত মিল রয়েছে বলে জানান সামান্থা। 

    আরও পড়ুন: চিনকে রুখতে ভারতের পাশে! নয়া আইন পাশ মার্কিন সংসদে

    ভারতের বিদেশমন্ত্রী (Foreign Minister) জয়শঙ্করও (S Jaishankar) জানান সাম্প্রতিক কালে নয়াদিল্লি-ওয়াশিংটনের মধ্যে সামরিক এবং আর্থিক সহযোগিতা অনেক দৃঢ় হয়েছে। চিনের মোকাবিলায়, আমেরিকা ভারতকে সাহায্য করেছে। ইউক্রেন যুদ্ধের আবহ সেই সহযোগিতার আবহ ক্ষতিগ্রস্ত করেছে কি না জানতে চাওয়া হলে জয়শঙ্কর বলেন, ‘‘আমি মনে করি না, আমেরিকা ও ভারতের সম্পর্কে চিড় ধরবে। যে কোনও পরিস্থিতিতেই ভারত তার মূল্যবোধ এবং স্বার্থের ভিত্তিতে অবস্থান নিয়েছে এবং নেবে।’’

     

  • Neeraj Chopra: স্বপ্নের সামনে সোনার ছেলে! জেনে  নিন বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কখন নামবেন নীরজ

    Neeraj Chopra: স্বপ্নের সামনে সোনার ছেলে! জেনে নিন বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে কখন নামবেন নীরজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক থ্রোয়েই ফাইনাল নিশ্চিত করেছেন। আর একটা থ্রো ভালো হলেই সোনার পদক। ইতিহাসের হাতছানি ভারতীয় জ্যাভলিন থ্রোয়ার নীরজ চোপড়ার (Neeraj Chopra) সামনে। সোনা জিতলে পুরুষ জ্যাভলিন থ্রোয়ারদের মধ্যে একই বছরে অলিম্পিক এবং বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জিতবেন নীরজ। শেষ বার এই কীর্তি গড়েছিলেন নরওয়ের আন্দ্রেস থোরকিলসন। ২০০৮ অলিম্পিকে সোনা জিতেছিলেন। এর পরই বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপে সোনা জেতেন তিনি। এ বার নীরজের সামনেও সেই সুযোগ। 

    বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নীরজের মূল প্রতিপক্ষ অ্যান্ডারসন পিটার্স। বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের (World Athletics Championship) ফাইনালে যোগ্যতা অর্জন করেছেন ১২ জন জ্যাভলিন থ্রোয়ার। তবে মূল লড়াই টোকিও অলিম্পিকে সোনাজয়ী নীরজ চোপড়া এবং বিশ্বের এক নম্বর জ্যাভলিন থ্রোয়ার অ্যান্ডারসন পিটার্সের (Anderson Peters)। সম্প্রতি স্টকহোম ডায়মন্ড লিগে ৯০.৩১ মিটার ছুড়েছেন অ্যান্ডারসন। ৮৯.৯৪ মিটারে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন নীরজ। ফাইনালে উঠেছেন আর এক ভারতীয় রোহিত যাদবও। তবে ভারতের টেক্কা নীরজই। 

    কখন নামবেন নীরজ: শনিবার বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২২ এ নীরজ চোপড়ার ফাইনাল। তবে ইভেন্টটি ভারতীয় সময় অনুযায়ী রবিবার সকাল ৭টা ০৫ মিনিটে শুরু হবে।

    কোথায় দেখবেন: বিশ্ব মিটে জ্যাভলিন থ্রো পুরুষদের ফাইনালে ভারতের নীরজ চোপড়ার পারফরম্যান্স সরাসরি দেখা যাবে Sony TEN 2 এবং Sony TEN 2 HD টিভি চ্যানেলে। পুরুষদের জ্যাভলিন থ্রো ফাইনালের লাইভ স্ট্রিমিং দেখা যাবে Sony LIV OTT প্ল্যাটফর্মে।

    আরও পড়ুন: চিনা প্রতিদ্বন্দ্বীর থেকে জয় ছিনিয়ে সিঙ্গাপুর ওপেনে চ্যাম্পিয়ন পিভি সিন্ধু

    অন্যদিকে চলতি বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের আসরে জ্যাভলিন থ্রোয়িং-য়ে মহিলাদের ফাইনালে সাত নম্বরে থামলেন ভারতীয় কন্যা অন্নু রানি (Annu Rani)। ফাইনালে এই ভারতীয় অ্যাথলিটের (Indian Athlete) সেরা পারফরম্যান্স ৬১.১২ মিটার। ছ’টি চেষ্টার মধ্যে দ্বিতীয় চেষ্টায় সবথেকে বেশি দূরত্বে জ্যাভলিন ছোড়েন অন্নু। অনেক আশা জাগিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছিলেন অন্নু। কিন্তু প্রত্যাশা পুরণ করতে ব্যর্থ তিনি। মহিলা বিভাগের ফাইনালে ৬৬.৯১ মিটার জ্যাভলিন ছুড়ে সোনা জিতেছেন অস্ট্রেলিয়ার কেলসি-লি বারবের। ৬৪.০৫ মিটার দূরত্বে জ্যাভলিন ছুড়ে রুপো জিতেছেন আমেরিকার কারা উইঙ্গার। ৬৩.২৭ মিটার জ্যাভলিন ছুড়ে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন জাপানের হারুকা কিতাগুচি। 

  • Nambi Narayanan: হিন্দু হওয়া কি অপরাধ! বায়োপিক- বিতর্কে মুখ খুললেন বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণন

    Nambi Narayanan: হিন্দু হওয়া কি অপরাধ! বায়োপিক- বিতর্কে মুখ খুললেন বিজ্ঞানী নাম্বি নারায়ণন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু হওয়া কি অপরাধ? প্রশ্ন তুললেন ইসরোর বিখ্যাত রকেট সাইন্টিস্ট নাম্বি নারায়ণন (Nambi Narayanan)। তিনি বলেন, “আমি একজন হিন্দু সন্তান। আমার বায়োপিকে তাই দেখানো হয়েছে। আমি নিয়মিত হিন্দু আচার, রীতি, নীতি মেনে চলি। আমি হিন্দু বলে গর্বিত। হিন্দু হওয়া কি কোনও অপরাধ?” যদি হিন্দু হওয়া কোনও অপরাধ না হয় তাহলে বিতর্ক কিসের অভিমত বিজ্ঞানীর। সম্প্রতি তাঁর বায়োপিক ‘রকেট্রি, দ্য নাম্বি এফেক্ট’ (Rocketry The Nambi Effect),-এ হিন্দুত্বের প্রচার করা হচ্ছে বলে সমালোচনার ঝড় ওঠে। এবার সেই নিয়ে মুখ খুললেন বিজ্ঞানী। তাঁর দাবি, “আমি যা, আমার বায়োপিকে তাই দেখানো হবে। আমি হিন্দু, আমাকে তো আর মুসলিম, খ্রীস্টান বলে দেখানো যাবে না। এটা ভারি মজার। অহেতুক বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে। এটাতে রং দেওয়া হচ্ছে। কিছু ভুল হলে আমি বলতাম।”

    [tw]


    [/tw]

    বিখ্যাত বিজ্ঞানি নাম্বি নারায়ণনের জীবন কাহিনীর উপ ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে ‘রকেট্রি, দ্য নাম্বি এফেক্ট’(Rocketry The Number Effect), নামে একটি ছবি। রকেট্রি দ্য নাম্বি ইফেক্ট এক মহাকাশ বিজ্ঞানীর গল্প বলে। নাম্বি নারায়ণ প্রাক্তন ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানী। পাশাপাশি তরল জ্বালানিতে চলা ইঞ্জিনের আবিষ্কার করেন নাম্বি নারায়ণন। তাঁরই জীবনী নিয়ে তৈরি এই ছবি। এই ছবিতে নাম্বি নারায়নের ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আর মাধবন (R Madhaban)। এই ছবিতেই প্রথমবার পরিচালনায় হাতে খড়ি হল মাধবনের। ১ জুলাই সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে ছবিটি। কেরিয়ারের মধ্যগগনে থাকতেই নাম্বির নামের পাশে সেঁটে গিয়েছিল ‘দেশদ্রোহী’ তকমা। ১৯৯৪ সালে নারায়নের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির মিথ্যা অভিযোগ এনে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। চরবৃত্তির অভিযোগে জেলও খাটতে হয়েছিল তাঁকে। সেই বদনাম কাটিয়ে উঠতে দু’দশকেরও বেশি সময় লেগে গিয়েছিল তাঁর। ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্টে চরবৃত্তির অভিযোগ থেকে রেহাই পান ৭৯ বছরের নাম্বি নারায়ণন। ভুয়ো অভিযোগ এনে তাঁকে কালিমালিপ্ত করা হয়েছিল বলে মেনে নেয় শীর্ষ আদালত। 

    আরও পড়ুন: তিন দিন ধরে ২০ কোটি বাড়িতে উড়বে জাতীয় পতাকা ! কেন্দ্রের নয়া প্রচার ‘হর ঘর তেরঙ্গা’

  • Salman Khan: হত্যার হুমকি! বন্দুক কাছে রাখার আর্জি বজরঙ্গি ভাইজানের

    Salman Khan: হত্যার হুমকি! বন্দুক কাছে রাখার আর্জি বজরঙ্গি ভাইজানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খুনের হুমকি পাওয়ার একমাস পর মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করলেন অভিনেতা সলমন খান (Salman Khan)। শুক্রবার বিকেলে পুলিশ কমিশনার বিবেক পানসলকরের সঙ্গে দেখা করেন তিনি। সেইসময়ে সেখানে উপস্থিত ছিলেন মুম্বই পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (আইনশৃঙ্খলা) বিশ্বাস নাঙ্গরে পাতিলও।

    ভক্তদের মনে প্রশ্ন হঠাৎ আবার পুলিশের কাছে কেন ‘ভাইজান’? সূত্রের খবর, প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ার পর নিজের কাছে বন্দুক রাখতে চান বলি অভিনেতা। সেজন্য পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন জানান তিনি। শুক্রবার বিকেলে মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেন সলমন খান। দক্ষিণ মুম্বইয়ের তাঁর দফতরে যান অভিনেতা। ব্যক্তিগত বন্দুক রাখার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন তিনি। 

    [tw]


    [/tw]

    জানা গিয়েছে, গতমাসে সলমন এবং তাঁর বাবা সালিম খান প্রাণনাশের হুমকি পেয়েছিলেন। পাঞ্জাবের গায়ক সিধু মুসেওয়ালা খুনের পরেই সলমনের বান্দ্রার বাড়িতে একটি চিঠি পাওয়া যায়। সেখানে লেখা ছিল, ‘তোমার অবস্থাও মুসেওয়ালার মতো হবে।’ প্রতিদিন মর্নিং ওয়াকের পর বাড়ির লনে বসে চা খান এবং খবরের কাগজ পড়েন সলমনের বাবা। সেই সময়েই তিনি ওই চিঠি পান। গোটা ঘটনা জানানো হয় মুম্বই পুলিশকে। বান্দ্রা থানায় অভিযোগও দায়ের করে খান পরিবার।  ইস্ট বান্দ্রায় সলমনের বাংলোর সামনে বাড়ানো হয় নিরাপত্তা। 

    আরও পড়ুন: ‘অলবিদা’ লিখে ইনস্টাগ্রামে সব পোস্ট ডিলিট করলেন আদনান সামি! রহস্য কী?

    প্রসঙ্গত, সেই কৃষ্ণসার হরিণ হত্যা এখনও পিছন ছাড়েনি সলমন খানের। গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই জানিয়ে দিয়েছেন, ‘এর জন্য সলমনকে ক্ষমা করা হবে না’। দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে জেলে থাকা গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই সলমন খানের বিরুদ্ধে আরেকটি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছেন। জানা গিয়েছে, এদিন সেই সূত্রেই পুলিশের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন সলমন। মিনিট ২০ কথা বলার পর দক্ষিণ মুম্বইয়ের কমিশনারেট থেকে বেরিয়ে যান অভিনেতা। এটি একটি সৌজন্য সাক্ষাৎকার। কোনও কেসের জন্য সলমন যাননি, বলে দাবি খান পরিবারের।

  • PT Usha: সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন ট্র্যাক কুইন, ঊষাকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    PT Usha: সাংসদ হিসেবে শপথ নিলেন ট্র্যাক কুইন, ঊষাকে অভিনন্দন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অ্যাথলেটিক ট্র্যাক থেকে সংসদ ভবনে। বিজেপির রাজ্যসভায় সদস্য (Rajya Sabha MP) হিসেবে শপথ নিলেন পিটি ঊষা (PT Usha)। সংসদ ভবনে তাঁকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। প্রধানমন্ত্রী এক ট্যুইট বার্তায় ঊষাকে তাঁর নতুন ভূমিকায় স্বাগতও জানান। বুধবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হিন্দিতে শপথ নেন কেরলের মেয়ে ঊষা। প্রসঙ্গত, গত ৬ জুলাই বিজেপির সরকারের তরফে তাঁকে সংসদের উচ্চকক্ষে মনোনীত করা হয়। পিটি ঊষা ছাড়াও এই তালিকায় ছিলেন সঙ্গীত কম্পোসার ইলায়ারাজা, সমাজসেবী বীরেন্দ্র হেগগড়ে এবং চলচ্চিত্র পরিচালক কে.ভি. বিজয়েন্দ্র প্রসাদ। 

    [tw]


    [/tw]

    গত সোমবার রাজধানী দিল্লি পৌঁছে গিয়েছিলেন পিটি ঊষা ৷ মঙ্গলবার দেখা করেন বিজেপি-র জাতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডার (Jagat Prakash Nadda) সঙ্গে ৷ নাড্ডাও তাঁকে অভিনন্দন জানান। নাড্ডা বলেন, তাঁর মতো প্রতিভার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তিনি খুশি।

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, ভারতের সর্বকালের সেরা ক্রীড়াবিদদের মধ্যে অন্যতম পিটি উষা ৷ কেরলের কোঝিকোড় জেলার এক গ্রামে তাঁর জন্ম ৷ লক্ষ লক্ষ ভারতীয় মেয়ের কাছে পিটি ঊষা আদতে একটি আদর্শ ও অনুপ্রেরণার নাম ৷ অনুরাগী মহলে ‘পায়োলি এক্সপ্রেস’ (Payyoli Express) এবং ‘কুইন অফ ইন্ডিয়ান ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড’ (Queen of Indian Track and Field) নামেও তিনি জনপ্রিয় ৷ ১৯৮৪ সালের অলিম্পিক্সে ভারতের জন্য পদক জিততে না পারলেও গোটা বিশ্বের নজর কাড়েন ঊষা ৷ সেবার ৪০০ মিটারের দৌড় প্রতিযোগিতায় চতুর্থ স্থানে লড়াই শেষ করেন তিনি ৷ 

    আরও পড়ুন: মেয়েকে নিয়ে ইডি দফতরে সোনিয়া, কংগ্রেসের প্রতিবাদে উত্তাল দিল্লি, প্রশ্নবাণে জর্জরিত নেত্রী

    উল্লেখ্য, এর আগে গত সোমবার ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন সদস্য তথা রাজনীতিক হরভজন সিং, লালুপ্রসাদ যাদবের মেয়ে মিসা ভারতী এবং বিসিসিআই-এর সহসভাপতি রাজীব শুক্লা-সহ প্রায় ২৫ জন রাজ্যসভার সাংসদ হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন৷

  • Presidential Election: চলছে নির্বাচন, জানুন রাইসিনা হিলের দৌড়ে অঙ্কের হিসেবে এগিয়ে কে?

    Presidential Election: চলছে নির্বাচন, জানুন রাইসিনা হিলের দৌড়ে অঙ্কের হিসেবে এগিয়ে কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ দেশের পঞ্চদশ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Presidential Election)। সংসদ ভবন সহ সারা দেশে নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে সকাল ১০ টা থেকে। চলবে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত। ২১ জুলাই ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার কথা। আগামী ২৫ জুলাই শপথ নেবেন নতুন রাষ্ট্রপতি। রাইসিনা হিলস (Raisina-Hills)-এর দৌড়ে রয়েছেন বিজেপি তথা এনডিএ-র প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu) এবং বিরোধী শিবিরের প্রার্থী যশবন্ত সিনহা (Yashwant Sinha)। ভারতের সংবিধানের ৫৪ ও ৫৫ ধারায় পরোক্ষ পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দেশের জনগন সরাসরি ভোট দেন না। তাদের হয়ে ভোট দেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা। কে রাষ্ট্রপতি হবেন তা স্থির হয় রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিধায়ক এবং সাংসদদের সম্মিলিত ভোটে।  

    আরও পড়ুন: আদিবাসী সাজে বিজেপি বিধায়কেরা! ভোটের লাইনে ইন্দ্রনীল, অগ্নিমিত্রা, শুভেন্দু, মহুয়ারা

    রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিশেষ পদ্ধতিতে সংসদ ও বিধানসভার সদস্যদের ভোটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়। প্রত্যেক অঙ্গরাজ্যের বিধানসভার প্রতিনিধি সংখ্যা এক নয়। প্রথমে সর্বশেষ জনগণনার ভিত্তিতে রাজ্যের জনসংখ্যাকে বিধানসভার নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা দিয়ে ভাগ করা হয়। সেই ভাগফলকে আবার ১০০০ দিয়ে ভাগ করা হয়। এই ভাগফলের সংখ্যাই হবে সেই রাজ্যের বিধানসভার প্রত্যেক সদস্যের মূল্য। কিন্তু ভাগশেষ যদি ৫০০ বা তার বেশি থাকে তবে ভাগফলের সঙ্গে ১ যোগ করে প্রত্যেক সদস্যের সংখ্যা ১ বাড়াতে হবে । এরপর কেন্দ্রীয় সংসদের উভয় কক্ষের নির্বাচিত সদস্যদের ভোটসংখ্যা নির্ধারিত হয়। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটের মূল্য প্রসঙ্গে উল্লেখযোগ্য যে প্রতি বিধায়কের ভোটের মূল্য সবচেয়ে বেশি হচ্ছে উত্তরপ্রদেশে — ২০৮ । এর সবচেয়ে কম মূল্য হচ্ছে সিকিমে —মাত্র ৭ । পশ্চিমবঙ্গে প্রতি বিধায়কের ভোটের মূল্য ১৫১। পশ্চিমবঙ্গে বিধায়ক সংখ্যা ২৯৪ ও এই হিসাবে রাজ্যের মোট ভোটের মূল্য ৪৪,৩৯৪। 

    আরও পড়ুন: শুরু হল রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    চলতি বছর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ৪ হাজার ৮০৯ জন ভোটার রয়েছে। তাদের ভোটের মূল্য ১০ লক্ষ ৪৬ হাজার ৪৩১। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়ের জন্য প্রয়োজন ৫,৪৩,২১৬ টি ভোট। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে শাসক দল বিজেপির সঙ্গে রয়েছে সহযোগী জেডিইউ, এআইডিএমকে, আপনা দল, এলডেপি, এনপি, নিষাদ পার্টি, এনপিএফ, এমএনএফ, এআইএনআর কংগ্রেসের মত ২০টি দল। এনডিএর দখলে রয়েছে ৫,৩৫,০০০টি ভোট। তবে দ্রোপদী মুর্মুর জয়ের জন্য আরও ১৩ শতংশ ভোটের প্রয়োজন হবে। সেক্ষেত্রে উদ্ধব ঠাকরে, নবীন পট্টনায়ক, হেমন্ত সোরেন  সরাসরি বিজেপির সঙ্গে না থাকলেও দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন জানাবেন বলে আগে থেকেই ঘোষণা করেছেন। তাই লড়াইয়ে কয়েককদম এগিয়েই রয়েছেন দ্রৌপদী। অন্যদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দৌড়ে অনেকটাই পিছিয়ে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী দলগুলি। তাদের হাতে রয়েছে মাত্র ২ লক্ষ ৫৯ হাজার ৮৯২টি ভোট। এনডিএর হাতে যেখানে ৪৮ শতাংশ নিশ্চত ভোট রয়েছে বিরোধীদের হাতে তা নেই।

  • Presidential Election: আদিবাসী সাজে বিজেপি বিধায়কেরা! ভোটের লাইনে ইন্দ্রনীল, অগ্নিমিত্রা, শুভেন্দু, মহুয়ারা

    Presidential Election: আদিবাসী সাজে বিজেপি বিধায়কেরা! ভোটের লাইনে ইন্দ্রনীল, অগ্নিমিত্রা, শুভেন্দু, মহুয়ারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুরু হয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (President Election) প্রক্রিয়া। সোমবার দুই রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু (Droupadi Murmu) বনাম যশবন্ত সিন্‌হার (Yashwant Sinha)  লড়াইয়ে দেশের প্রায় ৪,৮০০ জন সাংসদ ও বিধায়ক ভোট দেবেন। দ্রৌপদী এনডিএ-র প্রতিনিধি। বিজেপি (BJP) নেতৃত্বের হিসাব অনুযায়ী, তিনি মোট ভোটের অন্তত ৬২ শতাংশ ভোট পেয়ে জিততে চলেছেন। 

    বিধানসভায়  আজ সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলবে।  শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) সাংসদ ও বিধায়ক মিলে মোট ভোটার ২৫৪। জেলাওয়াড়ি কয়েকটি ভাগ করে বিধায়কদের ভোট-পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কয়েক জন মন্ত্রীকে। লোকসভার সাংসদদের ক্ষেত্রে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্যসভায় সুখেন্দু শেখর রায়কে দায়িত্ব দিয়েছে তৃণমূল। 

    বিরোধী দল বিজেপির হাতে রয়েছে ৭০ জন বিধায়ক এবং কার্যত ১৬ জন সাংসদ। বিজেপির তরফে রবিবারই তাঁদের নিউটাউনের একটি হোটেলে রাখা হয়। সেখান থেকেই এদিন সকালে বাসে করে বিধানসভায় আসেন বিজেপির বিধায়ক এবং সাংসদরা। তাঁদের প্রত্যেকের গলাতেই ছিল হলুদ রঙের উত্তরীয়। জানা গেল এগুলি আদিবাসী সংস্কৃতির প্রতীক। যেহেতু রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে শাসক দল বিজেপির প্রার্থী দ্রৌপদী জনজাতির প্রতিনিধি। তাঁকে প্রকাশ্যে সমর্থন জানাতে আদিবাসীদের ব্যবহৃত কাপড়ের উত্তরীয় গলায় পড়ে বিধানসভায় এসেছেন বিজেপির বিধায়কেরা। তাঁদের দাবি, আদিবাসী রীতি-নীতিকে সম্মান জানিয়ে তাঁরা এই পোশাক পরে এসেছেন। তাঁদের কথায়,  দেশ প্রথম আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি পেতে চলেছে। তাই এই সাজ। বাংলার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু ৭০ শতাংশ ভোট পেয়ে জিততে চলেছেন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।

    আরও পড়ুন: শুরু হল রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    বিধানসভার বাইরে ভোটের লম্বা লাইনে হাজির তৃণমূলের মন্ত্রী, বিধায়ক এবং সাংসদরাও। ছিলেন ইন্দ্রনীল সেন, শশী পাঁজা, মহুয়া মৈত্ররা। কলকাতার মেয়র এবং রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের দাবি, ক্রস ভোটিং হবে বাংলায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে। তিনি জানিয়েছেন, বিজেপির অনেকেই বিরোধীদের রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী যশবন্ত সিন্‌হা ভোট দেবেন। ফিরহাদের ক্রস ভোটিং মন্তব্যের জবাব দেন বিজেপি নেত্রী এবং বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল। তিনি বলেন, ‘‘ওঁরা যা-ই বলুন আমরা আমাদের ভোট দ্রৌপদী মুর্মুকেই দেব।’’ অগ্নিমিত্রার মতে,তৃণমূলের অনেকে বরং দ্রৌপদীকেই ভোট দিতে ইচ্ছুক। শেষ হাসি কে হাসবেন, তা জনাতে অবশ্য অপেক্ষা করতে হবে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত।

  • Jagdeep Dhankhar: রাজ্যে গণতন্ত্র রক্ষার্থে গর্জে উঠুন বুদ্ধিজীবীরা, আহ্বান রাজ্যপালের

    Jagdeep Dhankhar: রাজ্যে গণতন্ত্র রক্ষার্থে গর্জে উঠুন বুদ্ধিজীবীরা, আহ্বান রাজ্যপালের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ও আমলাতন্ত্র নিয়ে ফের একবার ক্ষোভ উগড়ে দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকর (governor Jagdeep Dhankhar)। রাজ্যে গণতন্ত্র রক্ষা করতে বুদ্ধিজীবী এবং সুশীল সমাজের উচিত একসঙ্গে গর্জে ওঠা, অভিমত রাজ্যপালের। ঝটিকা সফরে বুধবার দার্জিলিংয়ে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। জিটিএ (GTA) নির্বাচনের পর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতেই পাহাড়ে পা রাখেন তিনি। এদিন তিনি সকালে কলকাতা থেকে বিমানে বাগডোগরায় নেমে সোজা সড়কপথে চলে যান দার্জিলিং। বৃহস্পতিবার দার্জিলিংয়ের লালকুঠিতে জিটিএ (GTA)-র চিফ এগজিকিউটিভের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান রয়েছে।

    [tw]


    [/tw]

    এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে   রাজ্যপাল জানান, রাজ্যে প্রশাসনিক অনেক সমস্যা রয়েছে, যেটা সকলেই জানে। কিন্তু ভয়ের কারণে, কেউ সেসব বিষয়ে কথা বলতে চায় না। তিনি সমাজের বুদ্ধিজীবীদের অনুরোধ করেন, রাজ্যের সমস্যাগুলি নিয়ে যেন তাঁরা সরব হন। ট্যুইটবার্তায় তিনি জানান, ‘নাগরিক সমাজ ও বুদ্ধিজীবীদের নিশ্চুপতা আমার কাছে খুব বেদনাদায়ক। আর্থিক বিষয়ে ও আমলাতন্ত্রে সাম্প্রদায়িক পৃষ্ঠপোষকতা ও সাম্প্রদায়িক ক্ষমতায়ন কোনওভাবেই বরদাস্ত করা যায় না। সাম্প্রদায়িক পৃষ্ঠপোষকতা বাস্তবে গণতন্ত্রের মূল্যবোধ বিরোধী। নাগরিক সমাজ ও বুদ্ধিজীবীদের সেই বিষয়ে সরব হওয়া উচিৎ। হাইকোর্টের মত অনুযায়ী রাজ্যের প্রত্যেক কোনায় তোলাবাজি, সিন্ডিকেট রাজ চলছে। এসব আইনের ভূমিকা নয়। এটা একমাত্র শাসকের শাসন চললেই হয়। গণতন্ত্রে এসবের জায়গা নেই। বিভিন্ন সময়ে শাসকদল রাজ্যের সার্বিক উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, শিল্পের কথা বললেও আদতে তার দেখা নেই। বিভিন্ন সময়ে রাজ্যের মন্ত্রীদের নাম জড়িয়ে পড়ছে নানা আর্থিক দূর্নীতিতে। অথচ মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছেন সুশীল সমাজ। প্রতিবাদ করতে দেখা যাচ্ছে না বুদ্ধিজীবিদের। এটা সমাজের পক্ষে ভয়ংকর। রাজ্যের পরিস্থিতি ঠিক করতে হলে প্রথমেই এগিয়ে আসতে হবে সুশীল সমাজকে।’ যতদিন পর্যন্ত অনিয়মের বিরুদ্ধে সমাজ গর্জে না উঠবে ততদিন পর্যন্ত এ রাজ্যের হাল ফিরবে না বলেও মন্তব্য করেছেন রাজ্যপাল। 

    আরও পড়ুন: শ্যুটিং বিশ্বকাপে সোনা জয় বঙ্গকন্যা মেহুলির

    গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (GTA) নির্বাচনের পর পাহাড় সফরে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। মঙ্গলবার জিটিএর নবনির্বাচিত ৪৫ জন সদস্যের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন তিনি। তবে চেয়ারম্যান পদে এখনও শপথ নেওয়া বাকি অনীত থাপার। এমতাবস্থায় রাজভবনে অনীত থাপাকে শপথগ্রহণ করাতেই পাহাড়ে রাজ্যপাল। প্রোটোকল মেনেই এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে চলেছেন তিনি। এর পাশাপাশি জিটিএ নিয়ে পুরো বিষয়টিও বুঝে নিতে চাইছেন ধনকড়।

  • Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে ধৃত আরও এক ইসিএল কর্তা! ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল মন্ত্রী-বিধায়ক

    Coal Scam: কয়লা-কাণ্ডে ধৃত আরও এক ইসিএল কর্তা! ইডির দফতরে হাজিরা এড়ালেন তৃণমূল মন্ত্রী-বিধায়ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Scam) শুক্রবার ইডির কাছে গেলেন না রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটক (Moloy Ghatak) এবং তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতো। এদিন দিল্লির সদর দফতরে দু’জনকে তলব করেছিল ইডি (ED)। এ নিয়ে চতুর্থবার ইডির তরফে মলয়কে ডাকা হয়। কিন্তু এদিনও হাজিরা এড়ালেন মন্ত্রী। অন্যদিকে,কয়লা দুর্নীতিতে আবার ইস্টার্ন কোলফিল্ড লিমিটেডের এক প্রাক্তন কর্তাকে গ্রেফতার করে সিবিআই (CBI)। এদিন ইসিএলের প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজার সুভাষ মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে তদন্তকারী অফিসারেরা। আজ, শনিবার তাঁকে আসানসোলের সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে তোলা হয়। তাঁকে ৩ দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দেয় আসানসোল আদালত। 

    সূত্রের খবর, শুক্রবার সময় পেরিয়ে গেলেও ইডির সদর দফতরে যাননি মন্ত্রী মলয়। এমনকি বাঘমুন্ডির তৃণমূল বিধায়ক সুশান্ত মাহাতোও আসেননি। তবে সুশান্ত তদন্তকারী অফিসারদের ইমেল করে জানিয়েছেন যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য ব্যস্ত থাকায় এদিন যেতে পারেননি তিনি। আরও জানিয়েছেন, প্রয়োজনে কলকাতায় এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন অফিসাররা। কিন্তু, হাজিরা এড়ানোর বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারদের কিছুই জানাননি মলয় ঘটক। ফের মলয়কে নোটিস পাঠাতে পারে ইডি।

    আরও পড়ুন: কোটি কোটি টাকার লেনদেন! ৫ দিনের সিবিআই হেফাজতে ৭ ইসিএল আধিকারিক

    অন্যদিকে শুক্রবার সকালেই কলকাতার নিজাম প্যালেসে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই নোটিশ দিয়ে ডেকে পাঠায় ইসিএলের প্রাক্তন কর্তা সুভাষ মুখোপাধ্যায়কে। দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মাস তিনেক আগেই তিনি ইসিএলের শাঁকতরিয়ার সদর দফতরের জেনারেল ম্যানেজার পদ থেকে অবসর নেন বলে জানিয়েছেন অভিযুক্তের আইনজীবী উদয়চাঁদ মুখোপাধ্যায়। ২০২০ সালে কয়লা কাণ্ডের মামলায় সুভাষ বাবুর ফ্ল্যাটে সিবিআই তল্লাশি চালিয়ে কিছু কাগজপত্র, আবাসনের দলিল এবং ২৬ টি কিষান বিকাশ পত্র ও বেশ কয়েক লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছিল। সম্প্রতি সুভাষ মুখোপাধ্যায় কলকাতার উচ্চ আদালতে ওই জিনিসগুলি ফেরত পাওয়ার আবেদন জানান। আদালত জানিয়েছিল সিবিআই আদালতেই এর আবেদন করতে হবে। সেইমতো গত ৩০ মার্চ আসানসোলের সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী সিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বাড়ির দলিল, কিষান বিকাশ পত্র সহ বেশ কিছু কাগজ ফেরত দেওয়ার। যদিও ধৃতের আইনজীবির দাবি টাকা বাদ দিয়ে আদালতের নির্দেশ মতো বাকি সব নথিপত্রই সিবিআই ফেরত দিয়েছে। 

    এদিন সিবিআইয়ের তরফে দাবি করা হয়, সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া অনুপ মাঝি ওরফে লালার যোগসূত্র মিলেছে। তাই তাঁকে ফের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠানো হয়। কীভাবে লালা ইসিএলের জমিতে বেআইনিভাবে কয়লা তোলার সুযোগ পেল, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন করা হয় ইসিএলের প্রাক্তন জিএমকে। কোনও প্রশ্নেরই সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। তাই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

     

LinkedIn
Share