Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Champions Trophy: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে  যাবে ভারত! কী শর্ত দিল বিসিসিআই?

    Champions Trophy: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে যাবে ভারত! কী শর্ত দিল বিসিসিআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) খেলতে পাকিস্তানে যেতে পারে ভারত। কেন্দ্র সরকারের অনুমতি মিললে লাহোরে ম্যাচ খেলতে যাবেন রোহিতরা বিসিসিআই -এর তরফে এমনই জানানো হয়েছে। 

    কী বলল বিসিসিআই

    ২০০৮ সালে এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে গিয়েছিল ভারতীয় দল। ভারত-পাকিস্তান শেষ দ্বিপাক্ষিক সিরিজ হয়েছে ২০১২-২০১৩ মরসুমে। ভারতের মাটিতে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে এসেছিল পাকিস্তান। কয়েক মাস আগেই আইসিসি ওয়ান ডে বিশ্বকাপ হয়েছে ভারতে। সেখানে অনেক শর্ত আরোপের পর খেলতে এসেছিল বাবররা। তার আগে এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে যায়নি ভারত। ভারতীয় দল না যাওয়ায় হাইব্রিড মডেলে হয় টুর্নামেন্ট। ফাইনাল সহ ভারতের সব ম্যাচই শ্রীলঙ্কায় হয়েছিল। এবার আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আসর বসার কথা পাকভূমে। 

    ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সহ সভাপতি রাজীব শুক্ল বলেছেন, একটা শর্তেই পাকিস্তানে খেলতে যাবে ভারত। বোর্ডের সহ সভাপতি পরিষ্কার বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে যাওয়া প্রসঙ্গে আমরা একটা কথাই বলতে পারি, সরকার যা বলবে আমরা তাই করব। সরকার অনুমতি দিলে অবশ্যই টিম পাঠানো হবে। সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে সরকারের অনুমতির উপরই।’

    আরও পড়ুন: জাতীয় দলে মোহনবাগানের ৮ ফুটবলার! স্টিমাচের শিবিরে ৪১ জন

    ভারত যদি না যায়

    ২০১৭ সালের পর আর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (Champions Trophy) হয়নি। আগামী বছর পাকিস্তানকে এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের দায়িত্ব দিয়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা। কিন্তু পাকিস্তানে আদৌ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি হবে কিনা, এ নিয়ে ধোঁয়াশা থাকছেই। ভারতীয় দল যদি খেলতে না যায়, সেক্ষেত্রে টুর্নামেন্ট হতে পারে হাইব্রিড মডেলেই। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড চাইছে, ভারতীয় দল খেলতে যাক। আইসিসির কাছে খসরা সূচিও দিয়েছে পাকিস্তান। মোট তিনটি ভেনু বাছাই করা হয়েছে। এর মধ্যে ভারতের ম্যাচ রাখা হয়েছে লাহোরের গদ্দাফি স্টেডিয়ামে। এই ভেনুতে ফাইনালও হওয়ার কথা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি, জেলায় জেলায় ঝড়বৃষ্টি চলবে কতদিন?

    Weather Update: গরম থেকে সাময়িক স্বস্তি, জেলায় জেলায় ঝড়বৃষ্টি চলবে কতদিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গগনে গরজে মেঘ”! আজ, ২৫ বৈশাখ, শহরের আকাশে কালো মেঘের দল ভেসে বেড়াচ্ছে। কবিগুরুর জন্মদিনে ধারা-স্নানে স্নিগ্ধ হয়েছে ধরিত্রী। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Update) অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ১২টার কিছু পরেই কলকাতা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকায় বৃষ্টি শুরু হয়। বুধবার সকালেও বইছে ঝোড়ো হাওয়া। টানা তাপপ্রবাহের পর দুদিনের বৃষ্টি, ঝোড়ো হাওয়া এবং রাতের কালবৈশাখীর জেরে কলকাতায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা নেমেছে কয়েক ধাপ। শনিবার পর্যন্ত রাজ্যের কোথাও তাপপ্রবাহের সতর্কতা নেই।

    কোথায় কোথায় বৃষ্টি

    মঙ্গলবার রাজ্যের প্রায় সব জেলায় বৃষ্টি (Weather Update) হওয়ার কথা থাকলেও সারা দিন তার দেখা মেলেনি। তবে সারা দিন তাপমাত্রা ছিল বেশ কম। আর্দ্রতার কারণে কিছুটা ভ্যাপসা ছিল আবহাওয়া। তবে গত কয়েক দিন যে গরম ছিল, সেই তুলনায় আবহাওয়া ছিল অনেকটাই স্বস্তিদায়ক। পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল-সহ বেশ কিছু জায়গায় রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি শুরু হয়। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরে রাত প্রায় ৯টা নাগাদ হয়েছে ঝড়বৃষ্টি। পূর্ব বর্ধমানেও বৃষ্টি হয়েছে। বিকেলে পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডায় হয়েছে অল্প বৃষ্টি। ঝাড়গ্রামের দিকে রাত সাড়ে ১১টার পর হয়েছে বৃষ্টি। উত্তরের বেশির ভাগ জেলাতেই মঙ্গলবার হয়েছে বৃষ্টি। কলকাতায় বৃষ্টি শুরু হয় মাঝ রাতে। 

    বৃষ্টির পূর্বাভাস

    বুধবার ও বৃহস্পতিবার দক্ষিণবঙ্গের প্রায় সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ৩০-৪০ কিমি বেগে দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। তাপমাত্রা আরও প্রায় ১-২ ডিগ্রি করে কমতে পারে প্রায় সব জেলায়। এমনটাই বলছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শুক্রবার ফের বৃষ্টি বাড়বে। সেদিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস নদিয়া, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলাতে। বৃষ্টির সঙ্গে দমকা ঝোড়ো হাওয়া ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে বীরভূম মুর্শিদাবাদ নদিয়া এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতে এবং উত্তরবঙ্গের মালদা উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর এবং জলপাইগুড়ি জেলাতে। বাকি জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সঙ্গে হালকা ঝোড়ো হাওয়া। শনিবার বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিবেগে দমকা ঝড় হবে পূর্ব মেদিনীপুর উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলাতে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাতে এবং উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সঙ্গে হালকা ঝড়ের সম্ভাবনা।

    আরও পড়ুন: জাতীয় দলে মোহনবাগানের ৮ ফুটবলার! স্টিমাচের শিবিরে ৪১ জন

    কেন বৃষ্টি

    বাংলাদেশ ও মধ্যপ্রদেশে ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। যা বর্তমানে ওড়িশা থেকে রাজস্থান পর্যন্ত বিস্তৃত। এই অক্ষরেখা ছত্তীসগঢ় এবং মধ্যপ্রদেশের ওপর দিয়ে গিয়েছে। এর টানেই প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। আবহাওয়া দফতরের তরফে আগামী ২৪ ঘন্টা সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে।  আজও মৎস্যজীবীদের দীঘার উপকূলে সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সমুদ্র উত্তাল থাকবে। সমুদ্রের ভেতরে ৫৫ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা ঝোড়ো হাওয়া বইবে। সমুদ্র উপকূলে জলোচ্ছ্বাসের পূর্বাভাস রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: এক লহমায় পারদ নামল ৮ ডিগ্রি, আজও বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা-সহ জেলায় জেলায়

    Weather Update: এক লহমায় পারদ নামল ৮ ডিগ্রি, আজও বৃষ্টির পূর্বাভাস কলকাতা-সহ জেলায় জেলায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দহন জ্বালা জুড়িয়ে স্নিগ্ধ ধরণী। সোমবারের বৃষ্টিতে (Kolkata Rainfall) এক লহমায় পারদ নেমেছে বেশ খানিকটা। রবিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার সন্ধ্যায় বৃষ্টির পর তা-ই নেমে ২১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে যায়। আগের দিনের তুলনায় পারদ নামে ৮ ডিগ্রি। আজ, মঙ্গলবারও সকাল থেকে শহরের আকাশে মেঘের আনাগোনা। ঝড়বৃষ্টির পূর্বাভাস (Weather Update) রয়েছে কলকাতা-সহ জেলায় জেলায়। ঝড় ও বৃষ্টির প্রভাবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক এর থেকে নিচেই থাকবে, বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। সোমবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৪ ডিগ্রি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৬৬ থেকে ৯৮ শতাংশ। 

    আজও বৃষ্টির পূর্বাভাস

    একটানা তাপপ্রবাহে নাজেহাল হয়ে উঠেছিল জনজীবন। সোমবার সন্ধ্যায় ঝড় উঠতেই কচি-কাচারা ভিজতে শুরু করে। যদিও ঝড়ের দাপট ছিল বেশ। আলিপুর হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, কলকাতা, হাওড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, হুগলি, এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা-সহ  ১১ জেলায় আজও কালবৈশাখীর সতর্কতা রয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টাই ঝড় বৃষ্টি হতে পারে। বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি চলবে শনিবার পর্যন্ত। পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন এলাকায় আজ আকাশ বেশিরভাগ সময়ই মেঘলা থাকতে পারে। ভারী বৃষ্টির সতর্কতা (Weather Update) রয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর এবং উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে। থাকবে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট। ৪০ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইবে। 

    দুর্যোগের প্রভাব

    দীর্ঘ আড়াই তিন মাস রোদে গরমে পুড়ে যাওয়ার পরে অবশেষে সোমবার সন্ধ্যায় দক্ষিণবঙ্গজুড়ে নামল স্বস্তির বৃষ্টি ((Kolkata Rainfall))৷ তবে এর মধ্যেও দুর্যোগের হাতছানি৷ সূত্রের খবর, সোমবারের বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়বৃষ্টিতে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ৬ জন৷ মৃতেরা নদিয়া, পুরুলিয়া এবং পূর্ব বর্ধমান জেলার বাসিন্দা৷ ঝড়বৃষ্টির জেরে সোমবার সন্ধ্যায় প্রায় ১ ঘণ্টা ব্যাহত হয় শিয়ালদা ডিভিশনের শিয়ালদা-ক্যানিং শাখার ট্রেন চলাচল৷ ওভারহেডের তার ছিঁড়ে ঘটে বিপত্তি। সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ৯টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত বন্ধ ছিল ট্রেন পরিষেবা৷ দুর্যোগের জেরে কলকাতা বিমানবন্দরে নামতে পারেনি একাধিক কলকাতাগামী বিমানও৷

    আরও পড়ুন: “নিজেকে নাচতে দেখে আনন্দ পেয়েছি”, ভোট আবহে ভিডিও শেয়ার করে মমতাকে বার্তা মোদির

    কতদিন চলবে বৃষ্টি

    আবহাওয়া দফতর (Weather Update) জানিয়েছে, আগামী ১০ মে পর্যন্ত এই দুর্যোগের পরিবেশ বহাল থাকবে দক্ষিণবঙ্গে৷ দক্ষিণ ঝাড়খণ্ডের উপরে বর্তমানে অবস্থান করছে একটি ঘূর্ণাবর্ত৷ বঙ্গোপসাগর থেকে দক্ষিণবঙ্গে ঢুকছে জলীয়বাষ্পপূর্ণ বাতাস৷ যার জেরে আগামী কয়েকদিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় কালবৈশাখী এবং বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস বজায় থাকবে৷ উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি চলবে সপ্তাহভর। রবিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমতে পারে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: শিক্ষকদের আদর্শ আচরণবিধি নিয়ে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    Calcutta High Court: শিক্ষকদের আদর্শ আচরণবিধি নিয়ে নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আচারণ কেমন হওয়া উচিত তা স্পষ্ট করল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্ট এক নির্দেশিকায় শিক্ষকদের রাজনীতিতে যুক্ত হয়ে না পড়ারও পরামর্শ দিয়েছে। যে কোনও বিষয়ে রাজনীতি টেনে আনতে মানা করা হয়েছে। সম্প্রতি একটি মামলার শুনানি চলাকালীন,  শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কেমন আচরণ মেনে চলতে হবে, সেটি পরিষ্কার করে জানিয়ে দিয়েছেন হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের বিচারপতি শম্পা দত্ত (পাল)। 

    বিচারপতির নির্দেশিকা

    ১। শিক্ষার্থীদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন: শিক্ষার্থীদের মর্যাদা ও সুবিচার দিন। সর্বাত্মক এবং পড়াশোনার সহায়ক পরিবেশ গড়ে তুলুন।

    ২। দক্ষতা: পড়ুয়াদের পাঠ্য বিষয়ে দক্ষতা ও যোগ্যতা অবলম্বন এবং শিক্ষাদানের পদ্ধতির ক্ষেত্রেও তার পরিদর্শন জরুরি। 

    ৩। সততা: সততার সঙ্গে পেশাকে বেছে নিন এবং শিক্ষাগত ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা অবলম্বন করুন।

    ৪। পেশাদারিত্ব: শিক্ষার্থী, সহকর্মী এবং কর্মীদের সঙ্গে পারস্পরিক আলাপ-আলোচনায় যথাযথ সীমানা এবং আচরণ বজায় রাখুন।

    ৫। ন্যায্যতা এবং নিরপেক্ষতা: পড়ুয়াদের পড়াশোনা ও কাজকে ইতিবাচক চোখে দেখা এবং গঠনমূলক সদুপদেশ দেওয়া।

    ৬। ধারাবাহিক উন্নতি: পেশাদারি অগ্রবর্তন অর্থাৎ নিজেকে আধুনিক রাখা যাতে আপনার পাঠ্য বিষয়ে কোথায় কী ঘটছে তা যেন আপনার নখদর্পণে থাকে।

    ৭। সহকর্মীদের প্রতি সহানুভবতা: সহকর্মীদের সঙ্গে সহযোগিতা বজায় রাখা এবং শিক্ষা মহলে ইতিবাচক অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা।

    ৮। প্রাতিষ্ঠানিক নীতির প্রতি দায়বদ্ধতা: শিক্ষা, গবেষণা ও পড়ুয়াদের সহায়তার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নিয়মনীতি অনুসরণ ও পালন করে চলা।

    আরও পড়ুুন: ‘‘অনেক লোককে আজকাল কেনা–বেচা যায়’’, সন্দেশখালির ভিডিও নিয়ে তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

    কোন মামলার প্রেক্ষিতে নির্দেশ

    হুগলি উইমেন্স কলেজের প্রিন্সিপালের এক আবেদনের শুনানিতে আদালত এই সুপারিশগুলি দিয়েছে। অধ্যক্ষা তাঁর বিরুদ্ধে আনা কলেজেরই এক অধ্যাপিকার মানহানির মামলা খারিজের আবেদন জানিয়েছিলেন। বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, ‘রাজনৈতিক প্রভাবে শিক্ষা প্রদানের প্রাথমিক উদ্দেশ্যকে পুরোপুরি উপেক্ষা করা হয়। এই বিষয়টি খুবই দুর্ভাগ্যজনক। একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের প্রতিকূল পরিবেশ শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গড়ার পরিপন্থী। আদালত বলেছে,’এই মামলায় লিখিত অভিযোগে বর্ণিত তথ্যগুলি ধারা ৪৯৯ এর অধীনে নির্ধারিত নবম ব্যতিক্রমের আওতায় আসে এবং এইভাবে ৫০০ ধারার অধীনে অভিযুক্ত অপরাধ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলি বর্তমান মামলায় স্পষ্টভাবে অনুপস্থিত।’ সমস্ত নথি পরীক্ষা করে আদালত (Calcutta High Court) বলেছে, অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে বা জ্ঞান বা বিশ্বাস নিয়ে অভিযোগকারীর সুনাম ক্ষুণ্ণ হতে পারে এমন কোনও কাজের প্রমাণ নেই। মামলাটি খারিজ করে দিয়েছে আদালত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Mohun Bagan: কোচ থাকছেন হাবাস! মোহনবাগানে আসছেন অস্ট্রেলিয় বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন

    Mohun Bagan: কোচ থাকছেন হাবাস! মোহনবাগানে আসছেন অস্ট্রেলিয় বিশ্বকাপার জেমি ম্যাকলারেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএল ট্রফি জিততে না পারলেও দুরন্ত ছন্দে রয়েছে মোহনবাগান। লিগ শিল্ড জিতেছে সবুজ-মেরুন (Mohun Bagan)। মুম্বইয়ের দাপটে ফাইনালে হারতে হলেও আগামী মরশুমে ট্রফি জয়ের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে শক্তিশালী দল গঠনে ব্যস্ত সবুজ-মেরুন কর্তারা। কামিন্স, দিমিত্রির পরে আরও এক অস্ট্রেলীয়কে পছন্দ বাগান কর্তাদের। মেলবোর্ন সিটির নামী ফুটবলার জেমি ম্যাকলারেনকে সই করাতে পারে মোহনবাগান। বছরেই সাড়ে চার কোটি টাকা নেবেন বলে জানিয়েছেন জেমি। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে সদ্য আইএসএল জয়ী মুম্বইও। জেমি যে ক্লাবে বেশি অর্থ পাবেন, সেখানেই যাবেন বলে জানিয়েছেন তাঁর এজেন্ট।

    কে এই জেমি ম্যাকলারেন

    অস্ট্রেলিয়া (এ) লিগের ইতিহাসে সর্বাধিক গোলদাতা ৩০ বছর বয়সি ম্যাকলারেন। কাতার বিশ্বকাপেও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে তিনটি ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। গ্রুপ পর্বে টিউনিশিয়ার বিরুদ্ধে ৬৪ মিনিটে নেমেছিলেন। ডেনমার্কের বিরুদ্ধে নামেন ৮২ মিনিটে। আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে শেষ ষোলোর ম্যাচে ৭১ মিনিটে মাঠে নেমেছিলেন ম্যাকলারেন। মেলবোর্ন সিটির হয়ে ১৬৩ ম্যাচে ১১৫ গোল করেছেন তিনি। চার বার সোনার বুট পেয়েছেন তিনি। ট্রফি জিতেছেন ছ’টি। একটি ক্লাবের হয়ে ‘এ’ লিগে ১০০তম গোল করার নজিরও ম্যাকলারেনের দখলে।

    হাবাস কি থাকছেন

    সামনের মরশুমে সবুজ-মেরুন শিবিরে কোচের দায়িত্বে কে থাকবেন তা নিয়েও জল্পনা চলছে। শোনা গিয়েছিল, স্প্যানিশ কোচ হাবাস দলকে ট্রফি জিতিয়ে বিদায় নেবেন কিন্তু খেতাব অধরা থাকায় হয়তো আগামী বছরও মোহন-কোচের ভূমিকায় দেখা যাবে হাবাসকে। ক্লাব সূত্রে জানা গিয়েছে হাবাসকে আরও একবছর রাখতে চান কর্তারা। একটা হারে যে তাঁর সম্পর্কে ধারণা বদলাচ্ছে না, সেটি বেশ পরিষ্কার। মরশুমের মাঝপথে দায়িত্ব নিয়ে মোহনবাগানকে (Mohun Bagan) বদলে দিয়েছিলেন হাবাস-ই, তা ভুলতে নারাজ সবুজ-মেরুন কর্তারা। হাবাস নিজেও থাকতে চান মোহনবাগানে। তবে এও শোনা যাচ্ছে হাবাসকে দলের টিডি হিসেবে রেখে অন্য কোনও লাইসেন্স কোচকে আনা হবে। হাবাসও জানিয়েছেন তিনি ভারত থেকেই কোচিংয়ে ইতি টানবেন।

    হাবাসের বদলি

    সবুজ মেরুন ম্যানেজমেন্ট হাবাসকেই কোচ হিসেবে ধরে রাখতে মরিয়া নতুন মরশুমের জন্য। কিন্তু যদি তিনি সরে দাঁড়ান, তাহলে শোনা যাচ্ছে মোহনবাগানের (Mohun Bagan) কোচ হতে আগ্রহী সের্খিও লোবেরা। ওডিশা এফসির নতুন মরসুমে বাজেট কমাচ্ছে। সেখানে তাই থাকতে নারাজ আইএসএলের আর এক সফল কোচ লোবেরা। বাগান ম্যানেজমেন্টও চায় ভারতে কাজ করা কোনও সফল বিদেশি কোচকে। সেখানে লোবেরাই প্রথম চয়েস।

    আরও পড়ুন: কলকাতায় মুম্বইকে হারালেই প্লে অফে কেকেআর! লখনউ-এর বিপক্ষে বড় জয় নাইটদের

    দল গঠন নিয়ে আলোচনা

    আগামী মরশুমে আরও শক্তিশালী দল চায় মোহনবাগান। দলের তিন বিদেশি বদল হচ্ছেই। হেক্তর ইয়ুৎসে, ব্র্যান্ডন হ্যামিলের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়ে গিয়েছে। তাঁদের রাখা হচ্ছে না। আর্মান্দো সাদিকুর সঙ্গে আর এক বছর চুক্তি থাকলেও চলতি মরশুমে পারফরম্যান্স খারাপ হওয়ার ক্লজ দেখিয়ে আগেই তাঁকে টার্মিনেট করতে পারে ক্লাব। প্রশ্ন, জনি কাউকোরও চুক্তি শেষ। মোহনবাগানে ভারতীয় ফুটবলার বদল হওয়ার খুব একটা সুযোগ নেই। চেন্নাইয়িন এফসি-তে যাচ্ছেন কিয়ান নাসিরি, লালরিনলিয়ানা হামতে। দীপেন্দু বিশ্বাস, রাজ বাস্ফোর, অভিষেক সূর্যবংশী, আমনদীপদের পরে জুনিয়র টিমের আরও কিছু ফুটবলারকে সিনিয়র টিমে তুলে আনতে চাইছে শতাব্দী প্রাচীন ক্লাব। রবিবার কলকাতা ছাড়ার আগে কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস বললেন, ‘‘আরও শক্তিশালী দল গড়ব আমরা। ফুটবলারদের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ করার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।’’ সূত্রের খবর, নেওয়া হতে পারে এক জন ভারতীয় ডিফেন্ডারও। আগামী সপ্তাহেই হাবাসের সঙ্গে দল গঠন নিয়ে আলোচনায় বসতে পারেন ক্লাব কর্তারা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

     

     

  • CISCE: এগিয়ে ছাত্রীরা, ফলপ্রকাশ আইসিএসই ও আইএসসির, জেনে নিন কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

    CISCE: এগিয়ে ছাত্রীরা, ফলপ্রকাশ আইসিএসই ও আইএসসির, জেনে নিন কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশিত হল আইসিএসই (দশম শ্রেণি) ও আইএসসি(দ্বাদশ শ্রেণি)-র ফল। সকাল ১১টায় ফল প্রকাশ করা হয়। কাউন্সিল ফর দ্য ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেট এগজামিনেশন-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার্থীরা ফলাফল দেখতে পারবেন। নয়া দিল্লির পুষ্প বিহারে বোর্ডের অফিস থেকেই সাংবাদিক বৈঠক করে ফল প্রকাশ করা হয়। এ বছর দশমের ফলাফল পরীক্ষা শেষের ৩৭ দিনের মাথায় এবং দ্বাদশের ফলাফল পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৪৮ দিনের মাথায় প্রকাশ করা হল।

    ছাত্রীদের পাশের হার বেশি

    রাজ্যে আইসিএসই-এর পাশের হার ৯৯.৪৭ শতাংশ। আইএসসি-র পাশের হার ৯৮.১৯ শতাংশ। আইএসসিই-তে ছাত্রীরা উল্লেখযোগ্য ফল করেছে ছাত্রদের তুলনায়। ছাত্রীদের পাশের হার আইএসসিই-তে ৯৯.৪১ শতাংশ, ছাত্রদের পাশের হার ৯৯.০৭ শতাংশ। আইএসসি তেও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের পাশের হার বেশি। আইএসসি-তে রাজ্যে ছাত্রীদের পাশের হার ৯৮.৪৬ শতাংশ, ছাত্রদের পাশের হার ৯৬.৮৮ শতাংশ। ২০২৩ সালে আইসিএসই-তে পাশের হার ছিল ৯৮.৯৪ শতাংশ। এ বছর রাজ্য থেকে আইসিএসই (ISCE) পরীক্ষা দিয়েছে ৪২,৩৭২ জন, আইএসসি (ISC) পরীক্ষা দিয়েছেন ২৭,৬২১ জন। চলতি বছরে ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৮ মার্চ অবধি আইসিএসই পরীক্ষা হয়েছিল। দ্বাদশ শ্রেণির (ISC) পরীক্ষা হয়েছিল ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত।

    কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট 

    আইসিএসই, আইএসসি-র ছাত্র-ছাত্রীরা বোর্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজেদের রোল নম্বর দিয়ে ফলাফল দেখতে পাবে।  এছাড়া ৯২৪৮০৮২৮৮৩ (9248082883) নম্বরে ৭ ডিজিটের ইউনিক আইডি পাঠালেও রেজাল্ট দেখা যাবে। যে ওয়েবসাইটগুলিতে ফল জানা যাবে সেগুলি হল-

    cisce.org

    results.cisce.org

    results.digilocker.gov.in

    কত নম্বর পেলে পাশ

    আইসিএসই পরীক্ষায় পাশ করতে ন্যূনতম ৩৩ নম্বর পেতে হবে। আইএসসি পরীক্ষায় পাশের জন্য ন্যূনতম ৪০ নম্বর পেতে হবে। উল্লেখ্য, এবার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে আইসিএসই ও আইএসসি-র কম্পার্টমেন্ট পরীক্ষা। কোনও পরীক্ষার্থী যদি কোনও বিষয়ে কম নম্বর পেতেন, তবে এই পরীক্ষা দিতেন। এবার থেকে একই বছরের মধ্যে নিজের নম্বর বা গ্রেড বাড়ানোর জন্য পরীক্ষার্থীরা ইমপ্রুভমেন্ট এগজামিনেশন দিতে পারবেন। তবে সর্বাধিক দুটি বিষয়েই পরীক্ষা দেওয়া যাবে। আগামী জুলাই মাসে এই পরীক্ষা হবে। ফলপ্রকাশের পর ১০ মে পর্যন্ত করা যাবে পুনর্মূল্যায়নের আবেদন।

     

    আরও পড়ুন: দেশবাসীর মঙ্গলে পুজো, করলেন সন্ধ্যারতি, অযোধ্যায় রামলালা দর্শনে মোদি

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: কলকাতায় মুম্বইকে হারালেই প্লে অফে কেকেআর! লখনউ-এর বিপক্ষে বড় জয় নাইটদের

    IPL 2024: কলকাতায় মুম্বইকে হারালেই প্লে অফে কেকেআর! লখনউ-এর বিপক্ষে বড় জয় নাইটদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি, মুম্বই-এর পর লখনউকেও তাদের ঘরের মাঠে হারিয়ে দিল কেকেআর (KKR vs LSG)। পয়েন্ট তালিকায় শীর্ষে উঠে এল তারা। চলতি আইপিএলে (IPL 2024) জয়ের হ্যাটট্রিক করে কলকাতায় ফিরছে নাইটরা। আগামী শুক্রবার, ১১ মে ইডেনে নাইটদের প্রতিপক্ষ মুম্বই। শেষ হোম ম্যাচটা জিততে পারলেই প্লে অফে পৌঁছে যাবে নাইটরা। ফের একবার শাহরুখ-শো দেখার অপেক্ষায় কলকাতা।

    লিগ টেবিলের শীর্ষে

    এত দিন লিগ এক নম্বর জায়গা ছিল রাজস্থান রয়্যালসের। রবিবার লখনউকে হারিয়ে লিগ শীর্ষে কলকাতা। এখন তাদের পয়েন্ট ১৬। একই পয়েন্ট পেয়েছে রাজস্থানও। যদিও তারা কলকাতার থেকে একটি ম্যাচ কম খেলেছে। এই দুই দলের প্লে-অফে ওঠা প্রায় নিশ্চিত। কলকাতা ১১টি ম্যাচের মধ্যে আটটি জিতেছে। আরও একটি জিতলে কলকাতার ১৮ পয়েন্ট হবে। প্লে-অফে জায়গা পাকা করতে ১৮ পয়েন্ট প্রয়োজন। কলকাতার পরের ম্যাচ মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে। সেই ম্যাচ জিতলেই ১৮ পয়েন্ট হয়ে যাবে কেকেআরের। তা হলেই প্লে-অফে জায়গা করে ফেলবে তারা। 

    লজ্জার নজির

    রবিবার আইপিএল ২০২৪-এ (IPL 2024) কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে লজ্জার নজির গড়ে ফেলল লখনউ সুপার জায়ান্টস। এদিন নিজেদের ঘরের মাঠেই হেরে বসে কেএল রাহুলের টিম। তাও ৯৮ রানের বিশাল ব্যবধানে। কেএল রাহুলের নেতৃত্বাধীন লখনউ সুপার জায়ান্টস টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এই প্রথম বার এত বড় রানের ব্যবধানে কোনও ম্যাচ হারল। রানের ব্যবধানের ক্ষেত্রে এটি তাদের সবচেয়ে বড় পরাজয়।

    মুম্বইয়ের রেকর্ডে ভাগ

    এক আইপিএল (IPL 2024) মরশুমে এই নিয়ে মোট ছ’বার ২০০ বা তার বেশি রান করার নজির গড়ে ফেলেছে কেকেআর। ছুঁয়ে ফেলেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের রেকর্ড। এর আগে ২০২৩ সালে মুম্বইয়েরও এক আইপিএল মরশুমে মোট ছ’বার ২০০ বা তার বেশি রান করার নজির ছিল। যা টুর্নামেন্টের ইতিহাসে এক বিরল কৃতিত্ব। সেই কৃতিত্বে রবিবার (৫ মে) ভাগ বসাল কেকেআর। এদিন তারা একানা স্টেডিয়ামে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে ২৩৫ রান করে। চলতি আইপিএলে এর আগে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, দিল্লি ক্যাপিটালস, রাজস্থান রয়্যালস, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু এবং পঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধেও ২০০-এর বেশি রান সংগ্রহ করেছিল কেকেআর।

    ম্যাচ আপডেট

    এদিন টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে কেকেআর (KKR vs LSG)। ফিল সল্ট ও সুনীল নারিনের ব্যাটিং তান্ডব দেখে মনে হয়েছিল, আড়াইশো পেরোনে নিশ্চিত। যদিও নারিন ফিরতেই কেকেআরের রানে লাগাম। শেষ অবধি ৬ উইকেটে ২৩৫ করে কেকেআর। লখনউতে এটিই সর্বাধিক স্কোরের রেকর্ড। রান তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় লখনউ। ব্যাট হাতে এই ম্যাচে বড় রান পাননি আন্দ্রে রাসেল। বোলিংয়ে পুষিয়ে দিয়েছেন। দুটি গুরুত্বপূর্ণ উইকেট নেন তিনি। নির্বাসন কাটিয়ে ফেরা হর্ষিত রানা নেন তিন উইকেট। ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছেন মিস্ট্রি স্পিনার বরুণ চক্রবর্তীও। তাঁর নামেও তিন উইকেট। এর মধ্যে একটা দুর্দান্ত কট অ্যান্ড বোল রয়েছে। শেষ পর্যন্ত ১৩৭ রানেই অলআউট হয়ে যায় লখনউ। আর প্লে-অফ প্রায় নিশ্চিত করে ফেলে কেকেআর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISL 2024: স্বপ্নভঙ্গ যুবভারতীর! ত্রিমুকুট জয় হল না মোহনবাগানের, আইএসএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই

    ISL 2024: স্বপ্নভঙ্গ যুবভারতীর! ত্রিমুকুট জয় হল না মোহনবাগানের, আইএসএল চ্যাম্পিয়ন মুম্বই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাঁদল কলকাতা। যুবভারতীতে ৬০ হাজার মোহনবাগান সমর্থককে চুপ করিয়ে দিল মুম্বই সিটি এফসি। ত্রিমুকুট জয়ের স্বপ্ন অধরাই থাকল মোহনবাগানের। ২৩ বছর পর যে সুযোগ এসেছিল সবুজ-মেরুনের কাছে, তা তারা কাজে লাগাতে পারল না। ডুরান্ড কাপ, আইএসএল (ISL 2024) লিগ-শিল্ডেই সন্তুষ্ট থাকতে হল তাদের। আইএসএলের ফাইনালে বদলা নিল মুম্বই সিটি এফসি। শনিবার সল্টলেক স্টেডিয়ামে আয়োজিত এই ম্যাচে মুম্বইয়ের হয়ে একটি করে গোল করলেন জর্জ পেরেইরা দিয়াজ, বিপিন সিং এবং জ্যাকুব ভোজতাস। মোহনবাগানের হয়ে একমাত্র গোলটি করলেন জেসন কামিন্স। 

    যোগ্য দল মুম্বই

    শনিবার যোগ্য দল হিসাবে জিতেছে মুম্বই। দুই অর্ধেই তাদের দাপট ছিল। ম্যাচের বেশির ভাগ সময়ে বল নিয়ন্ত্রণ করেছে তারাই। নিখুঁত পরিকল্পনামাফিক ফুটবল খেলেছে। এক দিকে যেমন একের পর এক আক্রমণ শাণিয়েছে শুভাশিস বসুর দিক থেকে, তেমনই অকেজো করে দেওয়া হয়েছে জনি কাউকোকে। খেলতে পারেননি দিমিত্রি পেত্রাতোস বা লিস্টন কোলাসোরাও। লিগ-শিল্ডের ম্যাচে যে খেলা মোহনবাগান খেলেছিল, তার ছিটেফোঁটাও দেখা গেল না এ দিন। দেখা গেল অন্য মুম্বইকে। 

    মুম্বইয়ের দাপট

    মোহনবাগান দল প্রথম থেকে গোলের সুযোগ পায়। তারা ৪১ মিনিটে একটি আক্রমণ করে। লিস্টন কোলাসো আক্রমণ শানান, কিন্তু আটকে যান। এরপর ৪৩ মিনিটে আক্রমণ করেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। দূরপাল্লার শট নেন তিনি। বলটা মুম্বইয়ের গোলরক্ষক ফুরবা। কিন্তু তাঁর হাতে লাগায় বলটা চলে যায় কামিন্সের কাছে। আর তিনি সেটা থেকে গোল করতে কোনও ভুল করেননি। গোল করে দলকে এগিয়ে দেন। ম্যাচের প্রথমার্ধে পিছিয়ে পড়েও ৫৩ মিনিটে মুম্বই সিটি এফসি সমতা ফেরায়। বাগানের ডিফেন্ডারদের অনেকটাই ক্লান্ত দেখায় এদিন। শুভশিস, হেক্টর সকলেই মুম্বইকে যথেষ্ট জায়গা ছেড়ে দিয়েছে।

    মোহনবাগান সমর্থকদের এদিন আবারও কাঁদালেন মুম্বই সিটি এফসির বিপিন সিং। ২০২০-২১ মরশুমে তিনি বাগানের ট্রফি জয়ের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। এবারও ম্যাচের ৮১ মিনিটে তাঁর পা থেকেই বেরিয়ে আসে দুর্দান্ত একটা গোল। একেবারে শেষ বেলায় বাগানের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতলেন জ্যাকুব ইয়াকুবু। ৯০+৭ মিনিটে জ্যাকুবের গোল যে মোহনবাগানের লজ্জা বাড়াল, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই। বাগানের রক্ষণের কারণে এই ফাইনাল ম্যাচটা মেরিনার্সদের হাতছাড়া করতে হল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dubai Flood: মরুদেশে বানভাসি রাস্তা! বিশ্বে পাল্টে যাওয়া আবহাওয়ার নয়া নজির নয় তো?

    Dubai Flood: মরুদেশে বানভাসি রাস্তা! বিশ্বে পাল্টে যাওয়া আবহাওয়ার নয়া নজির নয় তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ এপ্রিলের পর, ২ মে। ২ সপ্তাহে দ্বিতীয়বার। ফের প্লাবিত দুবাই (Dubai Flood)। মরু শহরে বন্যা অবাক করেছে সকলকে। শুষ্ক আবহাওয়ার দেশে বারবার বাঁধ ভাঙা বৃষ্টি কেন হচ্ছে? এর নেপথ্যে কি জলবায়ু পরিবর্তন? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে আবহাওয়াবিদদের মাথায়। পশ্চিম এশিয়ার অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গণ্য করা হয় দুবাইকে। কিন্তু আপাতত প্রবল বৃষ্টিতে নাজেহাল এই মরু শহর। জলমগ্ন গোটা দুবাই। কার্যত থমকে গিয়েছে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত শহর দুবাই।

    কেন বৃষ্টি দুবাইয়ে

    আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় এবার বেনজির পরিস্থিতি দুবাইয়ে (Dubai Flood)। প্রবল বৃষ্টিতে রাস্তাঘাট, বাড়িঘর, বিমানবন্দর, এমনকি শপিং মলগুলিও জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। প্রবল ঝড়বৃষ্টিতে বিঘ্ন ঘটেছে বিমান পরিষেবাতেও। বিমানের উড়ান এবং অবতরণ, বিঘ্নিত হয়েছে দুই ই। তেল সমৃদ্ধ আমিরশাহি একটি মরুদেশ। সেখানে বৃষ্টির দেখাই পাওয়া যায় ন। তাই আচমকা ভারী বৃষ্টি, বন্যা কেন হল প্রশ্ন উঠছে তাই নিয়ে। এর জন্য জলবায়ু পরিবর্তনকেই দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে আবহাওয়ার আচরণ খামখেয়ালি বলে দাবি করছেন আবহবিদরা। 

    ক্লাউড সিডিং

    শুষ্ক মরুঝড়ে অভ্যস্ত দুবাই (Dubai Flood) শহরের চেনা ছবিটা পুরোপুরি পাল্টে গিয়েছে। কার্যত শহরের আনাচকানাচও জলে ভেসে গিয়েছে।  শুষ্ক মরুশহরের নিকাশি ব্যবস্থা ততটাও জোরদার নয়। আর তার ফলই ভুগতে হয়েছে আমজনতাকে। গত ৭৫ বছরে এত বৃষ্টি দুবাইয়ে হয়নি। বরং বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহার করে কৃত্রিম উপায়ে বৃষ্টিপাতের চল বা ক্লাউড সিডিং এখানে শুরু হয়েছিল সেই ২০০২ সাল থেকে। অনেকে এই বৃষ্টিপাত বারবার ক্লাউড সিডিং-এর ফল বলেও মনে করছেন। কিন্তু আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা এই যুক্তি মানতে নারাজ। ক্লাউড সিডিং হল এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে জলের ঘাটতি মেটাতে একটি উদ্বেগজনক পরিবেশে কৃত্রিম উপায় বৃষ্টিপাত ঘটানো হয়। বৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় রাসায়নিকগুলি মেঘের মধ্যে বসানো হয়। 

    জলবায়ু পরিবর্তন

    ঠিক কোন কারণে এত কম সময়ের মধ্যে এতটা বৃষ্টিতে ভাসল রুক্ষ-শুষ্ক মরুভূমির এই দেশ? বিশ্ব উষ্ণায়নকেই দুষছেন পরিবেশবিদরা। দ্রুত পাল্টে যাওয়া বিশ্বের আবহাওয়ার নতুন নজির— মরুদেশের বানভাসি রাস্তা! সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে শুরু করে আরব উপদ্বীপের অন্য কোথাও এত বৃষ্টিপাত বিরল ঘটনা। গরমে এখানে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপর তাপমাত্রা থাকে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দুবাইয়ে (Dubai Flood) বিপুল বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। সে দেশের আবহবিদদের মতে, উপরের বায়ুমণ্ডলে একটি নিম্নচাপ ব্যবস্থা, ভূপৃষ্ঠে নিম্নচাপের সাথে মিলিতভাবে বায়ুতে চাপের মতো কাজ করেছে। স্থল স্তরে উষ্ণ তাপমাত্রা এবং উচ্চতর ঠান্ডা তাপমাত্রার মধ্যে বৈপরীত্যের কারণে এই চাপটি শক্তিশালী বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি করেছে। এর ফলেই নেমেছে বৃষ্টি। জলবায়ু উষ্ণ হওয়ার সাথে সাথে সারা বিশ্বে বৃষ্টিপাত অনেক বেশি হয়ে উঠছে কারণ একটি উষ্ণ বায়ুমণ্ডল আরও আর্দ্রতা ধরে রাখতে পারে। তাই আবহবিদরা, ভারী বৃষ্টিপাতের কারণ হিসেবে ক্লাউড সিডিং নয় জলবায়ু পরিবর্তনের কথাই বলছে।

    কী বলছেন গবেষকরা

    “ক্লাউড সিডিং কিছুই থেকে মেঘ তৈরি করতে পারে না। এটি ইতিমধ্যে আকাশে থাকা জলকে দ্রুত ঘনীভূত করতে এবং নির্দিষ্ট জায়গায় জল ফেলতে উত্সাহিত করে। অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ইনস্টিটিউট ফর ক্লাইমেট, এনার্জি অ্যান্ড ডিজাস্টার সলিউশনের ডিরেক্টর মার্ক হাউডেন বলেছেন, গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের ফলে দুবাইয়ের (Dubai Flood) আশেপাশের সমুদ্রগুলিতে উষ্ণ জল দেখা দিয়েছে। এর উপরে রয়েছে খুব উষ্ণ বাতাস। হাউডেনের কথায়, “এটি সম্ভাব্য বাষ্পীভবনের হার এবং সেই জল ধরে রাখার জন্য বায়ুমণ্ডলের ক্ষমতা উভয়ই বাড়িয়ে দেয়, যা আমরা দুবাইতে দেখেছি। এর ফলেই অঝোরে বৃষ্টি হচ্ছে।”

    আরও পড়ুুন: হামিদা বানুর লড়াইকে কুর্নিশ গুগল ডুডুলের, চেনেন এই মহিয়সীকে?

    ২ মাসে ২ বার রেকর্ড বৃষ্টি

    গত মাসে, ১৭ এপ্রিল সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং ওমানে একটি প্রবল ঝড় আঘাত হানে। যার জেরে রেকর্ড বৃষ্টি হয়েছিল দুবাইয়ে। প্লাবিত হয়েছিল দুবাইয়ের বিস্তীর্ন এলাকা। ওমানে বন্যায় কমপক্ষে ২০ জনের মৃত্যুর খবর জানা গিয়েছিল। এছাড়াও দুবাইয়ে সরকারি অফিস ও স্কুলগুলো কয়েকদিন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল। ফের লাগাতার ভারী বৃষ্টিতে জলের তলায় দুবাই। ভারী বৃষ্টির জেরে জলমগ্ন দুবাইয়ের রাস্তা। বৃহস্পতিবার ভারী বৃষ্টির ফলে ফের জলমগ্ন হয়ে পড়ল দুবাই ও আবু ধাবির একাংশ। বজ্রপাত সহ ভারী বৃষ্টির জেরে নাজেহাল দুবাইয়ের জনজীবন। ভারী বৃষ্টির জেরে জলের তলায় বিমানবন্দর। জল জমেছে রানওয়েতেও, যার জেরে ব্যাহত বিমান পরিষেবা। দুবাইয়ের কোনও কোনও রাস্তায় হাটু পর্যন্ত জল। এছাড়াও বেশ কিছু এলাকায় শিলাবৃষ্টিরও পূর্বাভাস রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISL Final 2024: বদলার লড়াই মুম্বইয়ের, আজ যুবভারতীতে ত্রিমুকুটে নজর মোহনবাগানের

    ISL Final 2024: বদলার লড়াই মুম্বইয়ের, আজ যুবভারতীতে ত্রিমুকুটে নজর মোহনবাগানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইএসএলে (ISL Final 2024) লিগ-শিল্ড জিতেছে মোহনবাগান। এবার খেতাব জিততে পারলে ষোলকলা পূর্ণ হবে সবুজ-মেরুন শিবিরের। যুবভারতীতে মোট ৬৬ হাজার দর্শকের সামনে খেলতে নামা মানে মানসিকভাবে অনেকটা এগিয়ে যাওয়া। দলের অধিনায়ক শুভাশিস বসু থেকে গোলমেশিন দিমিত্রি পেত্রাতোসও সমর্থকদের কথা বললেন। জানালেন অনুরাগীদের জন্যই ভাল খেলতে হবে। ২০২৪ সালে মুম্বইয়ের সঙ্গে একবারই খেলেছে মোহনবাগান। সেই ম্যাচে ২-১ গোলে জেতে মোহনবাগান। ২০২৩ সালে দুইবার মুখোমুখি খেলেছিল এই দল। দুটি ম্যাচই ২-১ ও ১-০ গোলে জিতে মুম্বই। ২০২২ সালেও দুইবার মুখোমুখি খেলেছে এই দুই দল। দুটি ম্যাচই স্কোর ড্র হয়। এবার খেতাবি লড়াই।

    সমর্থকরা মনোবল বাগানের

    মোহনবাগান (Mohun Bagan vs Mumbai City) ফুটবলাররা নিজেদের মাঠে নামছেন বলে বাড়তি চাঙ্গা। মুম্বই দলের খেলোয়াড়রা মাঠে নেমে বাজিমাতের অপেক্ষায়। বিপক্ষ দল নিয়ে অবশ্য সমীহের সুর মোহন ফুটবলারদের মুখে। দলের অধিনায়ক শুভাশিস বসু বলেন, “ওরা ফাইনালে উঠেছে, ভাল দল বলেই। তবে আমরা আমাদের ছক অনুযায়ী খেলব। আমাদের লক্ষ্য হল ট্রফি। এত সমর্থকের সামনে খেলতে নামলেই আমরা চাঙ্গা হয়ে উঠি। সমর্থকদের জন্যই আমাদের ভাল খেলতে হবে।” অনুরাগীদের ভালবাসার কথা তুলে ধরেন, সবুজ-মেরুনের গোলমেশিন দিমিত্রি পেত্রাতোস। তাঁর কথায়, ‘‘ কলকাতার সমর্থকদের ভালবাসা অন্যরকম, অনেক বেশি আবেগ। আমি এত দেশে খেলেছি, তাই পার্থক্যটা বুঝতে পারি।’’ কোচ হাবাসের প্রশংসা করে শুভাশিস বলেন, “হাবাস স্যার আছে মানে আমরা কাপ জিতব। ওঁর যা কৌশল, সেটি সবাই আমরা বুঝতে পারি। ওই কৌশলে আমাদের খেলাও ভাল হয়। উনি আমাদের দলকে বদলে দিয়েছেন। ট্রফি জিতে আমরা কোচ ও সমর্থকদের উৎসর্গ করব।”

    বদলার ম্যাচ মুম্বইয়ের

    মোহনবাগান (Mohun Bagan vs Mumbai City) এসজি-র বিরুদ্ধে আইএসএলের লিগের শেষ ম্যাচ হেরে শিল্ড জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মুম্বই সিটি এফসি-র। সেই ধাক্কা কাটিয়ে সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ এফসি গোয়াকে দুই লেগেই হারিয়ে ফাইনালে ওঠে মুম্বই। ফাইনালে ফের তারা মুখোমুখি মোহনবাগানের। আবার সেই যুবভারতীতেই ফাইনাল খেলতে হবে মুম্বইকে। এই মাঠেই তো লিগ শিল্ড হাতছাড়া করেছিল আর সাগরের পারের টিম। তবে এবার ফাইনালে বাগানকে হারিয়ে লিগ শিল্ডের বদলা নিতে মরিয়া মুম্বই সিটি এফসি। জয়ের জন্য মরিয়া থাকলেও, মোহনবাগানকে সমীহ করে মুম্বই কোচ ক্রাটকি বলেন, ‘মোহনবাগান ভালো দল। গোটা ম্যাচেই আক্রমণ এবং রক্ষণে নিখুঁত থাকতে হবে। তবে আমি আর আমার দলের খেলোয়াড়েরা শান্ত রাখছি। কোনও চাপ নেই দলে। আমি জানি ফুটবলারেরা কী করতে পারে।’

    আরও পড়ুন: বোলারদের দিনে ৪ উইকেট নিয়ে জবাব স্টার্কের, এক যুগ পর ওয়াংখেড়েতে জয় কলকাতার

    কখন দেখবেন

    আজ, শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে যুবভারতীতে ভারত সেরার দৌড়ে নামেব মোহনবাগান ও মুম্বই সিটি। টেলিভিশনে আইএসএলের ম্যাচ সরাসরি দেখানো হয় স্পোর্টস ১৮ চ্যানেলে। তা ছাড়া জিয়ো সিনেম্যা অ্যাপেও খেলা দেখা যায়। কিন্তু শনিবারের ফাইনাল আরও একটি চ্যানেলে দেখানো হবে। বাঙালি দর্শকদের কথা মাথায় রেখে কালার্স বাংলা সিনেমা চ্যানেলেও সরাসরি দেখানো হবে আইএসএলের ফাইনাল। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share