Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Weather Update: লক্ষ্মীবারেও বইছে গরম হাওয়া, সপ্তাহ শেষে স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস

    Weather Update: লক্ষ্মীবারেও বইছে গরম হাওয়া, সপ্তাহ শেষে স্বস্তির বৃষ্টির পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষ্মীবারেও খর-তাপে জ্বলছে বাংলা। জেলায় জেলায় চলছে তাপপ্রবাহ। তবে এরই মধ্যে স্বস্তির খবর শোনাল হাওয়া অফিস। পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের জলীয়বাষ্প ঢুকল বাংলায়। আজ বৃহস্পতিবার থেকে শনিবারের মধ্যে কিছু জেলার তাপমাত্রা (Weather Update) নামবে। আগামী ৭২ ঘন্টায় গাঙ্গেয় দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলা এবং উপকূলের জেলার তাপমাত্রা গড়ে ২ থেকে ৩ ডিগ্রি নামতে পারে। শনিবার বিকেলের পর থেকে দক্ষিণবঙ্গে হাওয়া বদলের সম্ভাবনা রয়েছে।

    কলকাতার তাপমাত্রা

    বুধবার কলকাতা এবং তৎপার্শ্ববর্তী অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ৪২ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৬.৬ ডিগ্রি বেশি। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি, যা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩.৯ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতা সর্বোচ্চ ৭৬ শতাংশ। সর্বনিম্ন ২৩ শতাংশ। আজ, বৃহস্পতিবার দিনের আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। তবে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি অব্যাহত থাকবে দুপুরে। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি এবং ৩০ ডিগ্রির আশেপাশে থাকবে। কলকাতা সহ বাকি জেলাতেও তাপপ্রবাহের সতর্কবার্তা রয়েছে ।

    কবে থেকে বৃষ্টি

    হাওয়া অফিস (Weather Update) জানাচ্ছে, উত্তর-পশ্চিম ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে শুক্রবার। ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ এবং অসম, তামিলনাড়ু ও আরব সাগর সংলগ্ন এলাকায়। বিহার থেকে মণিপুর অবধি তৈরি হয়েছে অক্ষরেখা। এই অক্ষরেখা বাংলাদেশ ও অসমের উপর দিয়ে গেছে। এরই জেরে বাংলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরের জলীয়বাষ্প বাংলায় ঢোকার ফলে রাশ পড়বে পারদের ঊর্ধ্বগতিতে। আলিপুর হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, শনিবার অবধি একটু কষ্ট করতে হবে। আপাতত অতি তীব্র তাপপ্রবাহের মাত্রা কমবে। পারদ আর চড়ার সম্ভাবনা নেই ৷ শনিবার থেকে উপকূলে বৃষ্টি শুরু হবে। রবিবার বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে, তবুও গরম থেকে রেহাই মিলবে না।  দক্ষিণবঙ্গের বেশিরভাগ জেলাতেই গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়াই থাকবে। সোম এবং মঙ্গলবার ৬ ও ৭ মে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা ও মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: দিনে অসহ্য তাপপ্রবাহ ও সন্ধ্যায় স্বস্তির বৃষ্টি! কেমন কাটল বুধবার?

    Weather Update: দিনে অসহ্য তাপপ্রবাহ ও সন্ধ্যায় স্বস্তির বৃষ্টি! কেমন কাটল বুধবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাপপ্রবাহে (Heat Wave) জেরবার শহরবাসী। সকাল ৭টা থেকেই গনগনে রোদ। বৃহস্পতিবারেও অস্বস্তিকর (Weather Updat) গরম অব্যাহত। বুধবার রাজ্যের ১৩টি জায়গায় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হয়েছে। সেই তালিকায় আছে কলকাতাও। বুধবার কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার আর সম্ভাবনা নেই। তবে বেলা বাড়লে শুষ্ক গরমের মুখোমুখি হতে হবে। 

    তাপপ্রবাহ জেলায় জেলায়

    বুধবারও তাপমাত্রায় (Weather Updat) রাজ্যের বাকি সব এলাকাকে টেক্কা দিয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুরের কলাইকুন্ডা। সেখানেসর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪৫.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজ্যে সেটিই সর্বোচ্চ। এ ছাড়া অতি তীব্র তাপপ্রবাহ হয়েছে মালদহ, বালুরঘাট, উলুবেড়িয়া, ডায়মন্ড হারবার, মেদিনীপুর, ক্যানিং, হলদিয়া, মগরা, পানাগড়, আসানসোল এবং ঝাড়গ্রামে। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, বুধবার কৃষ্ণনগর, বাঁকুড়া, শ্রীনিকেতন, বহরমপুর, সল্টলেক, কাঁথি, বর্ধমান, ব্যারাকপুর, বসিরহাট এবং দমদমে তাপপ্রবাহ হয়েছে।

    কোথায় কত তাপমাত্রা

    বুধবার রাজ্যের ২৪টি জায়গায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির বেশি ছিল। দমদমে পারদ উঠেছিল ৪১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এ ছাড়া, বসিরহাটে ৪০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, উলুবেড়িয়ায় ৪১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ডায়মন্ড হারবারে ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মেদিনীপুরে ৪৩.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বাঁকুড়ায় ৪৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কৃষ্ণনগরে ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, শ্রীনিকেতনে ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বহরমপুরে ৪২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সল্টলেক ৪১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ক্যানিংয়ে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, কাঁথিতে ৪০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, হলদিয়ায় ৪১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মগরায় ডিগ্রি সেলসিয়াস, বর্ধমানে ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পানাগড়ে ৪৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আসানসোল ৪২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, পুরুলিয়ায় ৪৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ব্যারাকপুরে ৪৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ঝাড়গ্রামে ৪৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল।

    আরও পড়ুুন: গোদরেজ পরিবারে ভাঙন, বাঁটোয়ারা হল সম্পত্তি, কার ভাগে কী?

    কবে থেকে বৃষ্টি

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস (Weather Updat) অনুসারে সোমবার দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভাগ্য সুপ্রসন্ন থাকলে শনিবারই উপকূলবর্তী কয়েকটি জেলায় মিলতে পারে কালবৈশাখীর স্বস্তি। বুধবার কালবৈশাখীর বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়েছিল ওড়িশা উপকূলে। ক্রমশ তা পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে দিঘা, মন্দারমণি, হলদিয়া, নামখানা হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এর প্রভাবে দিঘা ও নামখানায় সন্ধ্যের দিকে স্বস্তির বৃষ্টি নামে। কলকাতার আাকাশেও মেঘের ঝলকানি চোখে পড়ে। গায়ে পড়ে দু-এক ফোঁটা বৃষ্টি। যদিও তাতে গা ভেজেনি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: উষ্ণতম বছর ২০২৪! দেশের ১৩টি রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    Weather Update: উষ্ণতম বছর ২০২৪! দেশের ১৩টি রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধু বাংলা নয়, তীব্র তাপপ্রবাহে কাহিল দেশের একাধিক রাজ্য। বুধবার ১৩টি রাজ্যে তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। জারি করা হয়েছে লাল সতর্কতাও। সেই তালিকায় প্রথমেই আছে উত্তরপ্রদেশ। লখনউ, বারাণসীর মতো এলাকায় তাপমাত্রা ছাড়িয়ে গিয়েছে ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি।

    ভারতের কোথায় কোথায় গরম

    মৌসম ভবন জানিয়েছে, উত্তরপ্রদেশের পূর্বাংশ, গুজরাতের কচ্ছ, সৌরাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, গোয়া, তামিলনাড়ু, তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, পুদুচেরী, কর্নাটকে তাপপ্রবাহ হতে পারে। তীব্র তাপপ্রবাহ হতে পারে ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ডেও। গরমের হাত থেকে রেহাই মিলছে না দিল্লিবাসীরও। বুধবার থেকেই তাপপ্রবাহ পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে সেখানে। তাপমাত্রা ছুঁয়ে ফেলবে ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি। আগামী তিন দিনে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই রাজধানীতে।

    উষ্ণতম বছর

    ২০২৩ সাল বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে উষ্ণ বছরের তকমা পেয়েছিল। তবে মনে করা হচ্ছে, ২০২৪ সেই রেকর্ড হেসেখেলে ভেঙে ফেলবে। নয়া রেকর্ড তৈরি হতে পারে চলতি বছর। সমস্ত রেকর্ড চুরমার করে সর্বকালের সর্বাধিক উষ্ণ বছর হতে চলেছে এটি। এমনটাই মনে করছেন বিজ্ঞানী এবং জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা। জলবায়ু বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, ২০২৩ সালের থেকেও বেশি গরম পড়বে ২০২৪ সালে। গত বছর বিজ্ঞানীদের গণনা অনুযায়ী, ০.২ ডিগ্রি তাপমাত্রা বেড়ে গিয়েছিল পৃথিবীতে। পৃথিবীর তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে এই ২০২৪ সালে। এর কারণ এল নিনো।

    দগ্ধ এপ্রিলের পর মে মাসেও গরমের লাল সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার বেশ কিছু অঞ্চলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কমলা সতর্কতা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, কর্ণাটকের বেশ কিছু অঞ্চলে। আগামী পাঁচ দিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতাও রয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • Madhyamik Result 2024: মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার, কোথায়, কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?  

    Madhyamik Result 2024: মাধ্যমিকের ফল প্রকাশ বৃহস্পতিবার, কোথায়, কীভাবে দেখবেন রেজাল্ট?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ (Madhyamik Result 2024)। ২ মে, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় মধ্য শিক্ষা পর্ষদ সাংবাদিক বৈঠক করে মাধ্যমিকের রেজাল্ট প্রকাশ করবে। তবে পরীক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল দেখতে পাবেন সকাল ৯টা ৪৫ মিনিট থেকে। ওই দিন একাধিক ওয়েবসাইট থেকে ফল জানতে পারবে ছাত্র-ছাত্রীরা। ইতিমধ্যেই যার তালিকা প্রকাশ করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। বোর্ড সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘লোকসভা ভোটের মধ্য়ে এই ফল প্রকাশের ক্ষেত্রে কোনও আইনগত বাধা নেই।’

    কোথায় দেখবেন রেজাল্ট

    এই বছর যারা মাধ্যমিক (Madhyamik Result 2024) পরীক্ষা দিয়েছেন, তারা সরাসরি পশ্চিমবঙ্গ মধ্য শিক্ষা পর্ষদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকেও পরীক্ষার ফলাফল দেখতে পাবেন। wbbse.wb.gov.in এবং Wbresults.Nic.In -এ ক্লিক করে রেজাল্ট দেখতে পাবেন পরীক্ষার্থীরা। এছাড়া মাধ্যমিকের রেজাল্ট দেখার জন্য গুগল প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারেন দুটি অ্যাপ। এগুলি হল মাধ্যমিক রেজাল্ট ২০২৪ ও মাধ্যমিক রেজাল্ট। ওই সময় তাঁদের হাতের কাছে রাখতে হবে অ্যাডমিট কার্ড। ফল জানার সময় পরীক্ষার্থীকে লিখতে হবে রোল নম্বর। তবেই স্ক্রিনে ফুটে উঠবে মার্কশিট।

    কবে হাতে মার্কশিট

    উল্লেখ্য, ওই দিনই বিভিন্ন ক্যাম্প অফিস থেকে মার্কিশট ও শংসাপত্র স্কুলগুলিকে বিলি করবে পর্ষদ। যা শুরু হবে সকাল ১০ টা নাগাদ। কলকাতার স্কুলগুলি পর্ষদের দফতর থেকে মার্কশিট ও শংসাপত্র সংগ্রহ করতে পারবে।ফলে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই স্কুলগুলি থেকে ছাত্রছাত্রীরা জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষার মার্কশিট পেতে পারবে। চলতি বছরের ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়েছিল মাধ্যমিক পরীক্ষা (Madhyamik Result 2024)। যা শেষ হয় ওই মাসের ১২ তারিখে। পরীক্ষা শেষের সঙ্গে সঙ্গেই ৯০ দিনের মধ্যে রেজাল্ট বেরনোর কথা জানিয়ে দেওয়া হয়। আগামী ১২মে সেই ডেড লাইন পূরণ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই রেজাল্ট প্রকাশ করছে পর্ষদ। 

    আরও পড়ুন: তাপপ্রবাহের কবলে একের পর এক জেলা, মঙ্গলবার রাজ্যের কোথায় তাপমাত্রা কত ছিল?

    কীভাবে রেজাল্ট দেখবেন 

    ওয়েবসাইটে লগ-ইন ক্রেডেনসিয়ালে রোল নম্বর, ডেট অব বার্থ দিয়ে পরীক্ষার্থীর ফলাফল দেখা যাবে

    — অফিশিয়াল ওয়েবসাইট wbresults.nic.in ক্লিক করুন

    — WBBSE মাধ্যমিক ক্লাস ১০ রেজাল্ট লিঙ্ক-এ ক্লিক করুন

    — রোল নম্বর, জন্ম তারিখ লাগবে লগ-ইন করতে

    —লগ-ইন করলেই দেখা যাবে রেজাল্ট

    — এখান থেকে মার্কশিটের পিডিএফ নেওয়া যাবে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে ফের পার্থর জামিন খারিজ করল হাইকোর্ট, কেন জানেন?

    SSC Scam: নিয়োগ দুর্নীতিতে ফের পার্থর জামিন খারিজ করল হাইকোর্ট, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় ফের রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের পর্যবেক্ষণ, ‘তদন্ত যে পর্যায়ে রয়েছে এই মুহূর্তে জামিন মঞ্জুর করা সম্ভব নয়।’ নিয়োগ মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর একাধিকবার জামিন চেয়েছেন পার্থ। শারীরিক অসুস্থতার প্রসঙ্গ তুলে সম্প্রতি ফের জামিনের আর্জি জানিয়েছিলেন পার্থর আইনজীবী। পাল্টা হিসেবে ইডির তরফে পার্থর বিরুদ্ধে যে সমস্ত অভিযোগে এফআইআর দায়ের হয়েছে সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়া হয়। এরপরই জামিনের আর্জি খারিজ করে দেন বিচারপতি।

    কী বলল আদালত

    গত মঙ্গলবার এই মামলার (SSC Scam) শুনানিতে পার্থকে হেফাজতে রাখার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল রাজ্যের উচ্চ আদালতে। ইডির উদ্দেশে বিচারপতি ঘোষ প্রশ্ন করেছিলেন, ‘‘পার্থকে কি আর হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে?’’ তিনি মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত এখন আর প্রাথমিক পর্যায়ে নেই। যদি ধরেও নেওয়া যায় যে, ২০২২ সালের শেষে ইডির মামলাগুলি দায়ের হয়েছিল, তা হলেও প্রায় দেড় বছরের বেশি হয়ে গিয়েছে। এখন তদন্তকারী সংস্থার অবস্থান স্পষ্ট হওয়া দরকার।’’ ইডি আদালতে সওয়াল করার সময় জানিয়েছিল, এক ‘মিডল ম্যান’-এর কাছ থেকে আরও কিছু সম্পত্তির হদিস পাওয়া গিয়েছে। যেগুলি এখনও তদন্তের আওতায় আসেনি। সঠিক পথে তদন্ত এগিয়ে চলছে। তবে পার্থের তরফে জানানো হয়, নিয়োগ মামলায় ধৃত অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট উদ্ধার হওয়া সমস্ত টাকার দায় তাঁর উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাই তিনি সমস্ত অভিযোগ থেকে নিষ্কৃতি পেতে চান।

    আরও পড়ুুন: তৃতীয় দফায় কী প্রচার করবেন, কৌশল বাতলে এনডিএ প্রার্থীদের চিঠি মোদির

    পার্থ-অর্পিতা যোগ

    নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় যতই তাঁর বান্ধবী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়কে ঝেড়ে ফেলার চেষ্টা করুন না কেন, এই দুর্নীতিতে পার্থ-অর্পিতার যোগ স্পষ্ট বলেই মনে করছে ইডি । একাধিক তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে আদালতের কাছে সেই বিষয়টি তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। পার্থ চট্টোপাধ্যায় অর্পিতার দত্তক নেওয়া সন্তানের দায়িত্ব নিতে চেয়েছিলেন। তাঁদের একাধিক জীবনবিমার পলিসি ছিল। দু’জনের নামে যৌথ সম্পত্তিও রয়েছে । স্ত্রীর মৃত্যুর পর পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কোম্পানির শেয়ারে পত্নীর নামের জায়গায় অর্পিতার নাম ঢোকানো-সহ এরকম একাধিক বিষয় রয়েছে। সেই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে । আদালত প্রাথমিকভাবে এই বিষয়গুলি অস্বীকার করা সম্ভব নয় বলেই মনে করেছে।এরপর বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ জানান, তিনি দুঃখিত। এই মুহূর্তে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের জামিন মঞ্জুর করা সম্ভব নয়। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Thumb Shapes: হাতের আঙুলের গঠন বলে দেবে আপনি কেমন! জানেন কীভাবে?

    Thumb Shapes: হাতের আঙুলের গঠন বলে দেবে আপনি কেমন! জানেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : প্রাচীন ভারতে  সমুদ্রশাস্ত্রের (Thumb Shapes) রচয়িতা ছিলেন সমুদ্র ঋষি। সমুদ্রশাস্ত্র অনেক পুরনো এক শাস্ত্র। এই শাস্ত্র অনুসারে একজন ব্যক্তির শরীরের অঙ্গগুলির গঠন অনেক গুরুত্বপূর্ণ গোপন তথ্য প্রকাশ করে। এই শাস্ত্র অনুসারে আঙুলের গঠন দেখে বলে দেওয়া যায় ব্যক্তিটি কেমন।

    আঙুল বলবে নানা তথ্য

    বুড়ো আঙুল লম্বা : যাদের বুড়ো আঙুল লম্বা হয় তারা বেশি মননশীল এবং আদর্শবাদী হন। এই ধরনের আঙ্গুলের লোকেরা সৃজনশীল এবং কল্পনাপ্রবণ কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকনে। এই ধরনের লোকেরা তাদের সমস্ত কাজ খুব নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করেন। এছাড়া শ্রম দানের চাইতে আরও স্মার্ট উপায়ে কাজ করতে পছন্দ করেন লম্বা আঙুলধারী লোকেরা।

    বুড়ো আঙুল ছোট: যাদের হাতের বুড়ো আঙুল ছোট, তারা খুব অন্যের সেবা প্রিয় হন। ছোট আঙুলের অধিকারীরা কঠোর পরিশ্রমের উপর নির্ভর করেন এবং খুব সাবধানে যে কোনও সিদ্ধান্ত নেন। শুধু তাই নয়, এই লোকেরা খুব ভালো করে জানেন কীভাবে অন্যের কাছ থেকে কাজ আদায় করতে হয়। তবে আচার-ব্যবহারের দিক থেকে এই মানুষগুলো একটু দুর্বল প্রকৃতির হন। এরা একটু বিলাস ব্যসনে থাকতে ভালোবাসেন। নিজের শখ পূরণের জন্য প্রচুর অর্থ ব্যয় করতেও এদের বাধে না।

    বুড়ো আঙুল মোটা: যে সকল ব্যক্তির বুড়ো আঙুল মোটা হয় তারা অনেক বেশি কৃপণ হন। এই ধরনের ব্যক্তিরা অর্থ সঞ্চয় করতে পছন্দ করেন। এরা মুখের উপর কথা বলতে ভালোবাসেন। রাজনীতি এদের পছন্দের বিষয়।

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

     বুড়ো আঙুলের গাঁট লম্বা: যাদের বুড়ো আঙুলের উপরের গাঁটের পরের অংশ লম্বা হয় থাকে তারা খুব বুদ্ধিমান হয়। এই ধরনের মানুষদের পড়া-লেখার প্রতি অনেক আগ্রহ থাকে। এই লোকের যে কোনও সমস্যার একটি ভাল সমাধান খুঁজে বের করার ক্ষমতা থাকে। বিশ্লেষণ করার ক্ষমতাও এদের বেশি থাকে।

    বাঁকা বুড়ো আঙুল: বাঁকা বুড়ো আঙুলযুক্ত ব্যক্তিরা খোলা মনের এবং অপ্রচলিত সমাধানগুলি অন্বেষণ করতে ইচ্ছুক হন। এই আকারটি প্রায়শই সৃজনশীলতা, নমনীয়তা এবং অভিযোজনযোগ্যতার সাথে যুক্ত থাকে। 

    প্রশস্ত বুড়ো আঙুল: একটি প্রশস্ত বুড়ো আঙুল যুক্ত ব্যক্তিদের দৃঢ়চেতা, উচ্চাকাঙ্ক্ষী এবং অবিচল বলে মনে করা হয়। তারা নেতৃত্বের ভূমিকায় আকৃষ্ট হতে পারে এবং তাদের সিদ্ধান্তে আস্থা প্রদর্শন করা যেতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISL 2024: চার ম্যাচ সাসপেন্ড সাদিকু! ফাইনালে চিন্তায় মোহন শিবির, হাবাসের চোখ কাপে

    ISL 2024: চার ম্যাচ সাসপেন্ড সাদিকু! ফাইনালে চিন্তায় মোহন শিবির, হাবাসের চোখ কাপে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর্মান্দো সাদিকু-কে ছাড়াই আইএসএল ফাইনালে (ISL 2024) দল গড়তে হবে আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস-কে। ভুবনেশ্বরের কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে সেমিফাইনালের প্রথম পর্বের দ্বৈরথে ৬৭ মিনিটে লাল কার্ড (দ্বিতীয় হলুদ) দেখেছিলেন সাদিকু। রবিবার ওড়িশার বিরুদ্ধে ফিরতি ম্যাচেও খেলেননি তিনি। সোমবার সাদিকু-কে চার ম্যাচ নির্বাসিত করল সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। তাঁকে ছাড়াই ফাইনালে নামতে হবে মোহনবাগানকে।

    সাদিকুর অভাব

    চলতি আইএসএলে  (ISL 2024) দেখা গিয়েছে হাবাস প্রায়শই সাদিকুকে পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নামিয়ে বাজিমাত করেছেন। কখনও তিনি মনবীর সিং, কিংবা লিস্টন কোলাসোকে তুলে নামিয়েছেন আলবানিয়ার স্ট্রাইকারকে। সাদিকু না থাকায় তাই কিছুটা হলেও সমস্যায় পড়তে হবে হাবাসকে। অনেক সমর্থক আবার মনে করছেন, সাদিকু মোহনবাগানের হয়ে শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। তাঁকে সামনের মরশুমে আর রাখবে না দল কর্তৃপক্ষ। সাদিকু এবার বহু ম্যাচে গোল করে দলকে উদ্ধার করলেও তাঁর সার্বিক পারফরম্যান্স ভাল নয়। তাই কামিন্স ও দিমিত্রিকে রেখে দিলেও সাদিকু বাতিল হতে পারেন। 

    ফাইনাল প্রসঙ্গে 

    ওড়িশাকে হারিয়ে সরাসরি আইএসএল ফাইনালে (ISL 2024) উঠেছে সবুজ-মেরুন। মোহনবাগান লিগ শিল্ড জয় করার ফলে ফাইনাল ম্যাচ হবে যুবভারতীতেই। কলকাতায় ঘরের মাঠে ফাইনাল হচ্ছে বলে উচ্ছ্বসিত কামিংস। তিনি বলেন,‘‘নিজেদের সমর্থকদের সামনে খেলার অনুভূতিই আলাদা। ঘরের মাঠে বাড়তি সুবিধে পাব আমরা।’’ সেমির আর এক নায়ক সাহাল আব্দুল সামাদের কথায়, ‘‘সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে চলেছি আমরা। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াইয়ে জন্য তৈরি।’’ শনিবার দশম আইএসএলের ফাইনালে যুবভারতীতে থাকতে পারেন নীতা অম্বানী। 

    আরও পড়ুন: গরমে ৪৪ বছরের রেকর্ড ভাঙল কলকাতা! চাতক পাখির মতো বৃষ্টির অপেক্ষায় বাংলা

    কী ভাবছেন স্যার হাবাস

    কলকাতায় খুব গরম। এরই মধ্যে মঙ্গলবার সকালে যুবভারতীতে হাল্কা অনুশীলন করেন মনবীর সিংরা। হাবাস জানালেন, টানা ম্যাচ খেলার ক্লান্তিই প্রধান চিন্তা তাঁর। এই কারণেই ফুটবলারদের এক দিন বিশ্রাম দিয়ে বুধবার থেকে ফাইনালে মুম্বই সিটি এফসি-কে হারানোর প্রস্তুতি শুরু করবেন তিনি। ফাইনাল নিয়ে হাবাস বলেন, ‘‘দলের মানসিক শক্তি দুর্দান্ত বলেই এখানে পৌঁছেছি। ছেলেদের উপরে পূর্ণ আস্থা রয়েছে। বিশ্বাস করি, আইএসএলে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার যোগ্যতা আমাদের রয়েছে।’’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: গরমে ৪৪ বছরের রেকর্ড ভাঙল কলকাতা! চাতক পাখির মতো বৃষ্টির অপেক্ষায় বাংলা

    Weather Update: গরমে ৪৪ বছরের রেকর্ড ভাঙল কলকাতা! চাতক পাখির মতো বৃষ্টির অপেক্ষায় বাংলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র দহনজ্বালায় জ্বলছে বাংলা। আজও রক্ষা নেই বঙ্গবাসীর। সোমবারই ৪৪ বছরের রেকর্ড ভেঙে এক লাফে কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update) পৌঁছেছিল ৪১.৭ ডিগ্রিতে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলেছে। আজও রেহাই নেই। বরং আজ মঙ্গলবার তাপপ্রবাহের মাত্রা আরও চড়বে বলেই পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। কলকাতাতে আজ তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রির কাছে যেতে পারে।

    রেকর্ড গরম কলকাতায়

    ইতিমধ্যেই নিয়মিত ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে থেকেছে কলকাতার তাপমাত্রা (Weather Update)। আবহবিদরা বলছেন, ১০০ বছরে এমন টানা তাপপ্রবাহ কলকাতা দেখেনি। ১৯ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে। টানা চলছে! কলকাতায় ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড তৈরি হয়েছে এপ্রিল মাসে। ১৯৮০ সালের ২৫ এপ্রিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ছিল। ২০২৪ সালের ২৯ এপ্রিল বেলা আড়াইটার সময় সেই তাপমাত্রা ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৯৫৪ সালের ২৫ এপ্রিল কলকাতায় ৪৩.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পারদ উঠেছিল। এখনও পর্যন্ত সেটাই সর্বকালীন রেকর্ড। আজ, মঙ্গলবারও কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বেলা ৩টের পর পারদ উঠতে পারে ৪২ ডিগ্রির ঘরে। দমদমে একটানা ৪২ ডিগ্রি যাচ্ছে। 

    আরও পড়ুন: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    তাপপ্রবাহের সতর্কতা

    চাতক পাখির মতো বৃষ্টি বৃষ্টি করলেও আবহাওয়া দফতর (Weather Update) বলছে, দক্ষিণবঙ্গের সব জেলায় আরও পাঁচ দিন চলবে তাপপ্রবাহ। অতি তীব্র তাপপ্রবাহের চরম সতর্কবার্তা দক্ষিণবঙ্গের ৮ জেলায়। পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও বাঁকুড়া এই আট জেলায় অতি তীব্র তাপপ্রবাহ। উত্তর ২৪ পরগনা-তেও চরম তাপপ্রবাহ। বেশিরভাগ জেলায় ‘লু’ বইবে। আজও বেলা বাড়লেই গরম হাওয়ার দাপটে নাস্তানাবুদ হতে হবে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি যেভাবে এগোচ্ছে, এপ্রিলেই ৪৫ পার, তাতে আগামী দিনগুলোয় কোথায় গিয়ে থামবে, তা অনুমান করাও দুরূহ হয়ে যাচ্ছে।

    ৩০.০৪.২৪ থেকে ০১.০৫.২৪ (লাল সতর্কতা): তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি বাঁকুড়া, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, মুর্শিদাবাদ, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে।

    ৩০.০৪.২৪ থেকে ০১.০৫.২৪ (কমলা সতর্কতা):  দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও তাপপ্রবাহের সতর্কতা রয়েছে।

    ০২.০৫.২৪ (লাল সতর্কতা)বাঁকুড়া, বীরভূম, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমানে জারি করা হয়েছে তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা।

    ০২.০৫.২৪ (কমলা সতর্কতা): বাকি সব জেলাতে তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি থাকবে।

    ০৩.০৫.২৪ (কমলা সতর্কতা): তীব্র তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, ঝাড়গ্রাম, পূর্ব এবং পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব এবং পশ্চিম বর্ধমানে। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গের সব জেলাতেই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি বজায় থাকবে।

    কবে থেকে বৃষ্টি

    হাওয়া অফিস সূত্রে খবর, শুক্রবার ৩ মে অবধি তাপপ্রবাহ চলবে। ৪ মে বৃষ্টি হলেও হতে পারে। ৪-৫ তারিখ নাগাদ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে রাজ্যে। রবিবার বজ্রবিদ্যুৎ-সহ হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে দুই ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ ও নদিয়ায়। কারণ, বঙ্গোপসাগরে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়বে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৭০-৮০ শতাংশের কাছাকাছি হলে বৃষ্টির সম্ভাবনা তৈরি হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    Weather Update: সোমবার রাজ্যের উষ্ণতম ছিল কলাইকুন্ডা, কলকাতার তাপমাত্রা কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিদিনই বাড়ছে গরম (Weather Update)। স্বস্তির কোনও চিহ্ন নেই। ঝলসে যাচ্ছে গাছের পাতা। ছাদে গাছ থাকলে তার করুণ দশা, সকালবেলা বাইরে বেরোলে রোদে পুড়ে যাচ্ছে চামড়া। সকাল ৮টাতেও যেন বাঘের মতো রোদ। সোমবার রাজ্যের ১১টি এলাকায় তীব্র তাপপ্রবাহ হয়েছে। ওই তালিকায় রয়েছে উত্তরবঙ্গের একাধিক এলাকা। দার্জিলিঙেও দিনের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে বৃদ্ধি পেয়েছে অনেকটাই। চালাতে হচ্ছে পাখা।

    রাজ্যের মধ্যে কোথায় কত তাপমাত্রা

    সোমবার রাজ্যের মধ্যে সব থেকে বেশি গরমের সাক্ষী থেকেছে কলাইকুন্ডা। সেখানে দিনের তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ৪৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। তার পরেই রয়েছে মেদিনীপুর। সেখানে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪৪.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বাঁকুড়া, সিউড়ির তাপমাত্রাও ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের গণ্ডি ছাড়িয়েছে। পুরুলিয়ায় ত্রাহি ত্রাহি রব। পশ্চিমের জেলাগুলিতে সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত লু-এর মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

    কোথায় তাপপ্রবাহ

    দক্ষিণবঙ্গের উলুবেড়িয়া, ডায়মন্ড হারবার, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, ক্যানিং, কলাইকুন্ডা, পানাগড়, আসানসোল, ব্যারাকপুর, সিউড়িতে চলেছে তীব্র তাপপ্রবাহ। কাঁথি, দিঘা, হলদিয়া, বসিরহাট ছাড়া সব জায়গাতেই সোমবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি। বসিরহাটে তাপমাত্রা ছিল ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে মাত্র ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। দিঘায় তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ৩৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। কাঁথিতে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৩৮.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হলদিয়ায় তাপমাত্রা ছিল ৩৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

    আরও পড়ুন: অক্ষয় তৃতীয়ায় কেনা ধনসম্পদের ক্ষয় হয় না, জানেন এই বিশেষ দিনের গুরুত্ব?

    কলকাতার তাপমাত্রা

    কলকাতায় দিনের তাপমাত্রা (Weather Update) ছিল ৪১.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। এর আগে ১৯৮০ সালে কলকাতায় এপ্রিলের তাপমাত্রার পারদ এতটা উঠেছিল। উত্তরবঙ্গের মালদহেও সোমবার চলেছে তীব্র তাপপ্রবাহ। সেখানে দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৭.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বালুরঘাটেও দিনের তাপমাত্রা ছিল ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। দার্জিলিঙে দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। পাহাড়ের রানিও এখন উত্তপ্ত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Akshaya Tritiya 2024: অক্ষয় তৃতীয়ায় কেনা ধনসম্পদের ক্ষয় হয় না, জানেন এই বিশেষ দিনের গুরুত্ব?

    Akshaya Tritiya 2024: অক্ষয় তৃতীয়ায় কেনা ধনসম্পদের ক্ষয় হয় না, জানেন এই বিশেষ দিনের গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালির বারো মাসে ১৩ পার্বণ। অক্ষয় তৃতীয়া (Akshaya Tritiya 2024) তার মধ্যে একটি। পাঁজি মতে, পয়লা বৈশাখের পর বাংলা বছরের প্রথম শুভদিন অক্ষয় তৃতীয়া। সনাতন ধর্ম মতে, এদিন ব্রহ্মার পুত্র অক্ষয় কুমারের জন্ম হয়। এদিন ধরাধামে আর্বিভূত হয়েছিলেন ভগবান পরশুরাম। পরশুরামকে ২৪ দেবতার মধ্যে ষষ্ঠ অবতার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র ও হিন্দুধর্মে অক্ষয় তৃতীয়ার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। যেকোনও শুভ কাজ যদি এই দিনে করা হয় তাহলে সে কাজে সাফল্য আসে। এতে দেবী লক্ষ্মীর বিশেষ কৃপা পাওয়া যায় বলে মনে করা হয়। বৈশাখ মাসের শুক্ল পক্ষের তৃতীয়ায় এই দিনটিতে যে ধনসম্পদ ক্রয় করা হয়, তার ক্ষয় হয় না।

    চলতি বছরে কবে অক্ষয় তৃতীয়া

    চলতি বছর অক্ষয় তৃতীয়া পড়েছে শুক্রবার, ১০ মে (Akshaya Tritiya 2024)। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে এই দিনে সূর্য এবং চন্দ্র তাদের সর্বোচ্চ রাশিতে থাকে। শাস্ত্রে অক্ষয় তৃতীয়ার তিথিকে স্বয়ংসিদ্ধ মুহূর্ত বলা হয়। কথায় বলে এর মানে বৈশাখের মতো কোনও পুণ্য-মাস নেই, সত্যযুগের মতো কোনও যুগ নেই, বেদের মতো কোনও শাস্ত্র নেই এবং গঙ্গার মতো কোনও তীর্থযাত্রা নেই। একইভাবে অক্ষয় তৃতীয়ার মতো কোনও তিথি নেই। কথিত আছে, অক্ষয় তৃতীয়ায় রোহিণী নক্ষত্র থাকলে এই দিনের গুরুত্ব হাজার গুণ বেড়ে যায় এবং এবার ১০ মে অক্ষয় তৃতীয়ার দিন রোহিণী নক্ষত্র থাকবে সকাল ১০টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত। বছরে মাত্র একবার, অক্ষয় তৃতীয়ায়, বৃন্দাবনে বাঁকেবিহারীর পা দেখা যায় বলে বিশ্বাস। 

    অক্ষয় তৃতীয়ার গুরুত্ব

    বিশ্বাস করা হয় ,অক্ষয় তৃতীয়ার (Akshaya Tritiya 2024) দিনে শুরু করা কাজ শুভ ফল দেয়। এই কারণেই এই তিথিতে মানুষ নতুন ব্যবসা শুরু করেন। হালখাতার পুজো হয়। এই দিনে নতুন কিছু কেনাও শুভ। অক্ষয় তৃতীয়ার দিনে আপনি যে কাজই করুন না কেন, তার ফল অবশ্যই পাবেন। তাই এই দিনে কোনও খারাপ বা অন্যায় কাজ করবেন না। অক্ষয় তৃতীয়া  থেকে সত্যযুগ, দ্বাপরযুগ ও ত্রেতাযুগের সূচনা হয়। কেনাকাটার পাশাপাশি অক্ষয় তৃতীয়া দান ধ্যানের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।  অক্ষয় তৃতীয়ায় যব দান করা স্বর্ণদানের সমতুল্য বলে বিবেচিত হয়। সেই সঙ্গে জমি, সোনা, পাখা, ছাতা, জল, সত্তু, কাপড় ইত্যাদিও এই দিনে দান করা যেতে পারে।

    আরও পড়ুন: নিয়মিত পুজো করেন? জেনে নিন ঠাকুরের সামনে কতক্ষণ প্রসাদ রাখা যায়

    এদিন কী কী নিয়ম মানবেন

    ব্যবসা থেকে কেরিয়ারে উন্নতির জন্য আপনি অক্ষয় তৃতীয়ার (Akshaya Tritiya 2024) দিন সোনার গয়না কিনুন। সোনার গয়না বাড়ির উত্তর দিকে রাখুন। এতে আপনার ঘরে মা লক্ষ্মী বিরাজ করবে। দেবীর আশীর্বাদে আপনি জীবনে এগিয়ে যেতে পারবেন। আয়ের নতুন পথ খুলবে এবং জীবনে উন্নতি হবে আপনার। আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে অক্ষয় তৃতীয়ায় দেবী লক্ষ্মীকে জাফরান ও হলুদ নিবেদন করুন। এতে আপনারা আর্থিক সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন। শুধু তাই নয়, নতুন সম্পত্তি করতে পারেন এবং নয়া চাকরির সুযোগ পাবেন আপনি। যদি আপনি ভাগ্যের পূর্ণ সমর্থন পেতে চান এবং সেই সঙ্গে দেবী লক্ষ্মীর কৃপা পেতে চান তাহলে অক্ষয় তৃতীয়ার দিন আপনি বাড়ির প্রধান দরজায় কাঁচা আম এবং অশোক পাতা একই সঙ্গে বেঁধে রাখুন। এতে আপনারা ভাগ্যের পূর্ণ সমর্থন পাবেন আপনি। পরিবারের উপর ইতিবাচক শক্তি বজায় থাকবে। দূর হবে নেতিবাচক শক্তি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share