Author: শুভ্র চট্টোপাধ্যায়

  • Pak Spy: ভারতীয় সেনার তথ্য পাচার! জামনগর থেকে এটিএস-এর হাতে গ্রেফতার পাক চর

    Pak Spy: ভারতীয় সেনার তথ্য পাচার! জামনগর থেকে এটিএস-এর হাতে গ্রেফতার পাক চর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির (Pak Spy) অভিযোগে পলাতক এক যুবককে গ্রেফতার করল গুজরাটের (Gujarat) ‘অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড (এটিএস)’। অভিযুক্ত যুবকের নাম মহম্মদ সাকলাইন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, সাকলাইন একটি ভারতীয় সিম কার্ড কিনেছিলেন এবং সেখান থেকে একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের সঙ্গে যোগ রাখতেন। ওই গ্রুপটি পাকিস্তান থেকে পরিচালনা করা হত।

    কে এই সাকলিন

    গুজরাটের (Gujarat) জামনগরের বাসিন্দা সাকলাইন। রবিবার তাঁকে গ্রেফতার করেন এটিএস আধিকারিকরা। অভিযোগ, একটি ভারতীয় সিম কার্ড কিনে হোয়াটস্‌অ্যাপের মাধ্যমে পাকিস্তানের একটি চক্রের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন সাকলাইন। বিভিন্ন তথ্যও পাচার করতেন। এটিএস সূত্রে খবর, জম্মু ও কাশ্মীরে মোতায়েন ভারতীয় সেনাদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির জন্যও সাকলাইনের নম্বর ব্যবহার করা হয়েছিল। সীমান্তের ওপার থেকে বরাবরই এভাবে গুপ্ত তথ্য সংগ্রহ করে পাকিস্তান।

    আরও পড়ুুন: হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধিদের দল

    এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে, পাকিস্তানের (Pak Spy) হয়ে চরবৃত্তি করার অভিযোগে গুজরাট থেকে লাভশঙ্কর মহেশ্বরী নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল এটিএস। পরে জানা যায়, লাভশঙ্কর পাকিস্তানের বাসিন্দা। স্ত্রীর চিকিৎসার নাম করে পাকিস্তান থেকে ভারতে এসে কোনও ভাবে ভারতীয় হওয়ার ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করিয়েছিলেন তিনি। মহেশ্বরীর বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনা আধিকারিকদের ফোনে স্পাইওয়্যার পাঠানোর অভিযোগও উঠেছিল। সূত্রের খবর, সেই লাভশঙ্করকে সিম কার্ড সরবরাহ করেছিলেন সদ্য এটিএসের হাতে ধৃত সাকলাইন।  ২০২৩ সালের অক্টোবরে লাভশঙ্কর গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই সাকলাইন পলাতক ছিলেন। তবে এটিএস সূত্রে খবর সাকলাইনের সঙ্গে লাভশঙ্করের সরাসরি যোগাযোগ ছিল না, তাঁরা মিডলম্যান ব্যবহার করতেন। কে বা কারা আর এই চ্ক্রের সঙ্গে যুক্ত তার খোঁজ করছে এটিএস। গোয়েন্দাদের ধারণা এই মিডলম্যানদের ধরা গেলে দেশের নানা প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা এরকম বহু গুপ্তচর ধরা পড়বে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • ISL 2024: সমর্থকদের কুর্নিশ হাবাসের, ওড়িশাকে হারিয়ে আইএসএল ফাইনালে মোহনবাগান

    ISL 2024: সমর্থকদের কুর্নিশ হাবাসের, ওড়িশাকে হারিয়ে আইএসএল ফাইনালে মোহনবাগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে অপরাজেয় মোহনবাগান (ISL 2024)। সোজাসুজি আইএসএল সেমিফাইনালে ফিরতি লেগের ম্যাচে রবিবার যুবভারতীতে ওড়িশাকে ২-০ গোলে হারিয়ে দিল মোহনবাগান। সমর্থকদের আনন্দে ভেসে আইএসএল ফাইনালে চলে গেল সবুজ মেরুন। এবার ট্রফি জয়ের অপেক্ষা। জেসন কামিংস এবং সাহাল আব্দুল সামাদ গোল করলেন। দুই পর্ব মিলিয়ে ৩-২ জিতে ফাইনালে উঠে গেল হাবাসের ছাত্ররা। প্রথম পর্বে তারা হেরেছিল ১-২ গোলে।

    ম্যাচে মেহনবাগান

    এদিন ঘরের মাঠে ৬৬ হাজার দর্শকের সামনে প্রাধান্য বেশি ছিল মোহনবাগানেরই (ISL 2024)। দিমিত্রি পেত্রাতোসের পাশাপাশি কামিংসকে প্রথম একাদশে রেখেছিলেন মোহনবাগানের কোচ আন্তোনিয়ো লোপেস হাবাস। কামিংস গোল করে আস্থার দাম রেখেছেন। চোট সারিয়ে দীর্ঘ দিন পরে নেমে গোল করেছেন সাহালও। এদিন ২২ মিনিটে গোলের দরজা খুলে দেন বাগানের অজি স্ট্রাইকার জেসন কামিন্স। বক্সের বাইরে থেকে প্রতিপক্ষের দূর্গ লক্ষ্য করে একটা শট নিয়েছিলেন পেত্রাতোস। কিন্তু, অমরিন্দরের কাছে তা প্রতিহত হয়। বাগানের ভাগ্য ভালো যে অমরিন্দর বলটা তালুবন্দি করতে পারেননি। তিনি ঠেলে সামনের দিকে পাঠিয়ে দেন। ফিরতি শটে ফাঁকা জালে বল জড়িয়ে দেন কামিংস। এরপর আক্রমণ বাড়াতে থআকে ওড়িশা। প্রথমার্ধে আর গোল হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে ফের আক্রমণের ঝড় ওঠে। ৭১ মিনিটে অনিরূদ্ধ থাপার পরিবর্তে মাঠে নামলেন আবদুল সাহাল। হাবাস যেন কোনওক্রমে ম্যাচটা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে চাইছিলেন। নির্ধারিত ৯০ মিনিটের পর আরও ৭ মিনিট অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়। ৯৩ মিনিটে মোহনবাগানের হয়ে জয়সূচক গোলটি করলেন সাহাল আবদুল সামাদ। 

    সাহালের স্বপ্ন

    জাতীয় দলের হয়ে খেলতে গিয়ে চোট পেয়েছিলেন। সেই চোট সারতে লেগে গেল প্রায় তিনটে মাস। অপেক্ষা ছিল কবে সবুজ-মেরুন জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন তিনি। মাঠে তো নামলেনই, গোল করে মোহনবাগানকে আইএসএলের ফাইনালে তুলে দিলেন সাহাল আব্দুল সামাদ। ম্যাচের পর সাহাল বলেন, “মাঠে নেমে যে ভাবেই হোক দলকে সাহায্য করতে চেয়েছিলাম। কোচ বলেছিলেন, বুদ্ধি দিয়ে খেলো। মাঠে খোলা মনে থাকো। কোনও রকম চাপ মাথার মধ্যে নেবে না। আমি সেটাই করেছি। এত দিন ধরে এই মুহূর্তটার জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে আমাকে। চোট-আঘাত ফুটবলেরই অংশ। আমি ধৈর্য রেখেছিলাম। কঠোর পরিশ্রম করেছি। ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে আমরা ফাইনালে উঠেছি।” সাহাল বলেন, “মাঠে আসার পর একটাই লক্ষ্য ছিল, বক্সের মধ্যে যতটা সম্ভব থেকে সুযোগের অপেক্ষা করা। মনবীর অসাধারণ খেলেছে। আমার নয়, ওটা ওর গোল। আমরা একটা দল হিসাবে খেলি। এটা দলেরই গোল।”

    আরও পড়ুন: আগামী তিন দিন তাপপ্রবাহের সতর্কতা, সপ্তাহান্তে বৃষ্টির পূর্বাভাস, কী বলছে আলিপুর?

    তৃপ্ত হাবাস

    লিগ-শিল্ড (ISL 2024) আগেই জিতেছিল সবুজ-মেরুন। এ বার ফাইনাল জিতে ‘ডাবল’ করার সুযোগ তাদের সামনে। ম্যাচের পর তৃপ্ত স্যার হাবাস। সেমিফাইনালে পরিকল্পনা কী ছিল? হাবাসের সাফ জবাব, “আমি আর আমার দল হারার আগে হারতে জানে না। ৯০ মিনিট লড়াই করতে হবে এই বার্তা দিয়েছিলাম দলকে। দল সেটা করে দেখিয়েছে। দ্রুত সম্ভব গোল করার লক্ষ্য নিয়েই আমরা নেমেছিলাম। কিন্তু ম্যাচটা অনেক লম্বা হবে, এই আশঙ্কাও ছিল। শারীরিক ভাবে আমরা অনেক ভাল জায়গায় ছিলাম। সেটাই পার্থক্য গড়ে দিয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।” 

    রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় কানায় কানায় পূর্ণ ছিল যুবভারতী। শিল্ড জয়ের দিন ৬১,৭৭৭ আর সেমিফাইনালে সেটাও ছাপিয়ে গিয়ে যুবভারতী গর্জন শুনল ৬২,০০৭ সমর্থকের। তারও ভুয়সী প্রশংসা শোনা গেল হাবাসের গলায়। জানালেন, “সমর্থকদের গর্জন ফুটবলারদের এনার্জি জুগিয়েছে। বিশ্বাস ছিল আমরা পারব। এত সমর্থক পুরো ম্যাচে আমাদের পাশে থেকেছে। চাপের ম্যাচে এটা অত্যন্ত জরুরি ছিল।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: চাকরি বাতিল নিয়ে আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে, হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশের আর্জি

    SSC Scam: চাকরি বাতিল নিয়ে আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে, হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশের আর্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। আজ, সেই মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার, এসএসসি এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করেছিল মামলা। সোমবার এই মামলাটির শুনানি হতে চলেছে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের এজলাসে।

    কী ভাবছেন চাকরিহারারা

    চাকরিহারাদের দাবি, কেন কিছু অযোগ্য ব্যাক্তির জন্য যোগ্যরা এই কষ্ট ভোগ করবে। এর দায় এসএসসি, (SSC Scam) রাজ্য সরকারকে নিতে হবে। চাকরিহারাদের আর্জি, সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি মানবিক দিক থেকে বিচার করুক। কয়েকজন অযোগ্যর জন্য সমস্ত যোগ্যদের চাকরি যেন না যায়। গত সোমবার এসএসসি মামলায় ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল করে দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চের ওই রায়ের ফলে ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর চাকরি চলে যায়। হাই কোর্টের চাকরি বাতিলের ওই রায়ের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। শীর্ষ আদালতে মামলা করে এসএসসি, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং চাকরিহারাদের একাংশ। মূল মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের বক্তব্য, “২০১৬ সালের ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও নিয়মই মানা হয়নি। আদালতের নজরে একাধিক ত্রুটি ধরা পড়েছে। এ ছাড়া দুর্নীতি তো হয়েছেই। তাই পুরো প্যানেল বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে হাই কোর্ট। এমনকি বার বার বলা সত্ত্বেও যোগ্যদের তালিকা আদালতে জমা দেয়নি এসএসসি। ফলে অনেক যোগ্য ব্যক্তির চাকরি চলে যায়। আশা করছি, সুপ্রিম কোর্টেও ওই রায় বহাল থাকবে।” 

    আরও পড়ুুন: “ওয়েনাড়ে জিততে কংগ্রেস নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের সাহায্য নিচ্ছে”, তোপ মোদির

    প্রধান বিচারপতি শুনবেন মামলা

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ ওই মামলা শুনবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি সময়ে বাংলায় নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত কোনও মামলা সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হলেও ‘মাস্টার অফ দি রোস্টার’(মামলার গুরুত্ব বুঝে নিজের কাছে রাখা) প্রধান বিচারপতি নিজের কাছে রাখেননি। কিন্তু, এই প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীর চাকরি চলে যাওয়ার মামলাটি তিনি নিজেই শুনবেন বলে ঠিক করেছেন। শীর্ষ আদালতের আইনজীবীদের একাংশ এই নিয়োগ বাতিল মামলাটি অন্য কারও এজলাসে না দিয়ে নিজের হাতে রাখার বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে দেখছেন। রাজ্যের হয়ে দাঁড়াতে পারেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি, কপিল সিব্বল। আইনজীবী মুকুল রোহতগি সওয়াল করতে পারেন চাকরিহারাদের হয়ে। সিবিআইয়ের হয়ে লড়বেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল (এসজি) তুষার মেহতা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • SSC Scam: চাকরি বাতিল নিয়ে আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে, হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশের আর্জি

    SSC Scam: চাকরি বাতিল নিয়ে আজ শুনানি সুপ্রিম কোর্টে, হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশের আর্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিল করেছে কলকাতা হাইকোর্ট। প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মী চাকরি হারিয়েছেন। আজ, সেই মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে। হাইকোর্টের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে রাজ্য সরকার, এসএসসি এবং মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করেছিল মামলা। সোমবার এই মামলাটির শুনানি হতে চলেছে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের এজলাসে।

    কী ভাবছেন চাকরিহারারা

    চাকরিহারাদের দাবি, কেন কিছু অযোগ্য ব্যাক্তির জন্য যোগ্যরা এই কষ্ট ভোগ করবে। এর দায় এসএসসি, রাজ্য সরকারকে নিতে হবে। চাকরিহারাদের আর্জি, সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি মানবিক দিক থেকে বিচার করুক। কয়েকজন অযোগ্যর জন্য সমস্ত যোগ্যদের চাকরি যেন না যায়। গত সোমবার এসএসসি মামলায় ২০১৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ প্যানেল বাতিল করে দেয় হাইকোর্ট। বিচারপতি দেবাংশু বসাক এবং বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চের ওই রায়ের ফলে ২৫,৭৫৩ জন শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মীর চাকরি চলে যায়। হাই কোর্টের চাকরি বাতিলের ওই রায়ের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। শীর্ষ আদালতে মামলা করে এসএসসি, মধ্যশিক্ষা পর্ষদ এবং চাকরিহারাদের একাংশ। মূল মামলাকারীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিমের বক্তব্য, “২০১৬ সালের ওই নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনও নিয়মই মানা হয়নি। আদালতের নজরে একাধিক ত্রুটি ধরা পড়েছে। এ ছাড়া দুর্নীতি তো হয়েছেই। তাই পুরো প্যানেল বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে হাই কোর্ট। এমনকি বার বার বলা সত্ত্বেও যোগ্যদের তালিকা আদালতে জমা দেয়নি এসএসসি। ফলে অনেক যোগ্য ব্যক্তির চাকরি চলে যায়। আশা করছি, সুপ্রিম কোর্টেও ওই রায় বহাল থাকবে।” 

    আরও পড়ুুন: “ওয়েনাড়ে জিততে কংগ্রেস নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের সাহায্য নিচ্ছে”, তোপ মোদির

    প্রধান বিচারপতি শুনবেন মামলা

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বে তিন বিচারপতির বেঞ্চ ওই মামলা শুনবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি সময়ে বাংলায় নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত কোনও মামলা সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হলেও ‘মাস্টার অফ দি রোস্টার’(মামলার গুরুত্ব বুঝে নিজের কাছে রাখা) প্রধান বিচারপতি নিজের কাছে রাখেননি। কিন্তু, এই প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মীর চাকরি চলে যাওয়ার মামলাটি তিনি নিজেই শুনবেন বলে ঠিক করেছেন। শীর্ষ আদালতের আইনজীবীদের একাংশ এই নিয়োগ বাতিল মামলাটি অন্য কারও এজলাসে না দিয়ে নিজের হাতে রাখার বিষয়টিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে দেখছেন। রাজ্যের হয়ে দাঁড়াতে পারেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি, কপিল সিব্বল। আইনজীবী মুকুল রোহতগি সওয়াল করতে পারেন চাকরিহারাদের হয়ে। সিবিআইয়ের হয়ে লড়বেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল (এসজি) তুষার মেহতা। দুপুর ১২টা নাগাদ প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি মনোজ মিশ্রের বেঞ্চে মামলাটি ওঠার কথা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Archery World Cup: বিশ্বমঞ্চে জয়জয়কার ভারতীয় তিরন্দাজদের, তিনটি সোনা, রুপো-সহ পাঁচটি পদক

    Archery World Cup: বিশ্বমঞ্চে জয়জয়কার ভারতীয় তিরন্দাজদের, তিনটি সোনা, রুপো-সহ পাঁচটি পদক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরন্দাজি বিশ্বকাপে (Archery World Cup) ভারতের জয়জয়কার।  চিনের সাংহাইয়ে বিশ্বকাপ তিরন্দাজির কমপাউন্ড বিভাগে তিনটি সোনা জয় করলেন তিন ভারতীয়। মহিলা বিভাগে সোনা জিতেছেন জ্যোতি সুরেখা, অদিতি স্বামী ও পর্ণিত কাউর। শুধু মেয়েরাই নন, এই বিশ্বমিটে পাল্লা দিয়ে সোনা জিতেছেন ছেলেরাও। পুরুষ বিভাগে সোনা জিতেছেন অভিষেক ভার্মা, প্রিয়াংশরা। ব্যাক্তিগত বিভাগে রুপোও জিতেছেন প্রিয়াংশ।  এই সাফল্য প্যারিস অলিম্পিক্সের আগে ভারতীয় তিরন্দাজদের মনোবল অনেকটাই বেড়ে গেল।

    জ্যোতির সাফল্য

    একের পর এক সোনা এনে দিলেন জ্যোতি সুরেখা ভেন্নম। তীরন্দাজি বিশ্বকাপের (Archery World Cup) স্টেজ ওয়ানে করলেন সোনার পদকের হ্যাটট্রিক। একাই জিতলেন তিনটি স্বর্ণপদক, আলাদা ইভেন্টে বিভিন্ন পার্টনারকে নিয়ে। এবারের বিশ্বকাপের প্রথম ইভেন্ট থেকেই ছন্দে ছিলেন তিনি। এশিয়ান গেমসের স্বর্ণপদকজয়ী জ্যোতি ব্যক্তিগত, দলগত বিভাগের তিন ইভেন্টেই তীরন্দাজি বিশ্বকাপে দেশকে এনে দিলেন সোনা। অন্ধ্র প্রদেশের ২৭ বছর বয়সি জ্যোতি ব্য়ক্তিগত ইভেন্টে হারিয়ে দিলেন মেক্সিকোর আন্দ্রি বেরেক্কাকে। নির্ধারিত সময় ফল না আসায়, টাইব্রেকার হয়। সেখানেই অনবদ্য ছন্দে মেক্সিকান প্রতিপক্ষকে হারিয়ে জয়ের হ্যাটট্রিক করেন জ্যোতি। 

    প্রিয়াংশদের পদক

    মহিলাদের পাশাপাশি সাফল্য পান ভারতীয় পুরুষ তিরন্দাজরাও। টিম গেমে নেদারল্যান্ডকে ২৩৮-২৩১ পয়েন্টে হারিয়ে সোনা জয় করেন অভিষেক ভর্মা, প্রিয়াংশ এবং প্রথমেশ ফিউজ। মিক্সড টিমেও বাকিদের পিছনে ফেলে সোনা ঘরে তুলল ভারত। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে লিসেল ও রবিনকে হারিয়ে প্রথম স্থান দখল করেন জ্যোতি ও অভিষেক। ম্যাচের ফল ১৫৮-১৫৭। বিশ্ব মিটে এই সাফল্যে খুশি কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রক।

    রবিবারের ইভেন্ট

    রবিবারও তীরন্দাজি বিশ্বকাপের (Archery World Cup) স্টেজ ওয়ানে রয়েছে একাধিক ইভেন্ট। যার মধ্যে রয়েছে অলিম্পিক্সে থাকা ইভেন্টও। অর্থাৎ রবিবারে ইভেন্টে প্রিয়াংশরা যদি ভারতের হয়ে জিততে পারেন সেক্ষেত্রে প্যারিস অলিম্পিক্সের আগে ভারতীয় তীরন্দাজরা ঠিক কী অবস্থায় রয়েছে তা বোঝা যাবে। ভারতের সামনে দুটি স্বর্ণপদক জয়ের সুযোদ রয়েছে দুই বিভাগে। স্বর্ণপদকের লক্ষ্যে ভারতীয় পুরুষ দল খেলবে দঃ কোরিয়ার বিপক্ষে, অন্যদিকে রিকার্ভ ইভেন্টে মহিলাদের তীরন্দাজিতে ভারতের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় দীপিকা কুমারি সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবেন কোরিয়ান প্রতিপক্ষের। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Missile Attack: রাশিয়া থেকে ভারতে আসা তেল ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হানা হুথি জঙ্গিদের 

    Missile Attack: রাশিয়া থেকে ভারতে আসা তেল ট্যাঙ্কারে ক্ষেপণাস্ত্র হানা হুথি জঙ্গিদের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোহিত সাগরে (Red Sea) ফের তান্ডব চালাল ইয়েমেনের হুথি জঙ্গিরা। তাদের ছোঁড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র (Missile Attack) শুক্রবার লোহিত সাগরের একটি তেলের ট্যাঙ্কারে আঘাত করেছে। যেটি রাশিয়া থেকে ভারতে আসছিল। ক্ষেপণাস্ত্র হানায় তেল ট্যাঙ্কারটিতে বেশ কিছু ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওই জাহাজটি ব্রিটেনে তৈরি। ব্রিটেনেরই মালিকানা ছিল ওই জাহাজের উপর। তবে সম্প্রতি তা বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে।

    কীভাবে হামলা

    গাজায় যুদ্ধের সময় ইজরায়েলের বিরুদ্ধে প্রচার চালায় ইয়েমেনের হুথি জঙ্গিরা ৷ সেই প্রচারের পরে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক হামলা (Missile Attack) চালাচ্ছে তারা ৷ লোহিত সাগর এলাকায় গত কয়েক মাস ধরে তাদের আক্রমণের মুখে পড়তে হচ্ছে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য জাহাজগুলিকে। হুথিদের বক্তব্য, ইজরায়েল এবং তার সঙ্গী আমেরিকা, ব্রিটেনের মতো দেশের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কযুক্ত যে কোনও জাহাজই লোহিত সাগর, এডেন উপসাগরের মতো এলাকায় তাদের টার্গেট। প্রাইভেট সিকিউরিটি ফার্ম অ্যামব্রে বলেছে, এদিন ব্রিটেনে তৈরি রাশিয়ার ওই জাহাজের ওপর তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালানো হয় ৷ ক্ষেপণাস্ত্রগুলি পানামা-পতাকাবাহী সেশেলস-রেজিস্টার ট্যাঙ্কারের মাধ্যমে মোচা থেকে হামলা চালিয়েছে। ব্রিটিশ সমুদ্র নিরাপত্তা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ওই তেলবাহী জাহাজের মালিক পূর্ব আফ্রিকার দেশ সেশেলস। জাহাজটি তেল পরিবহণের কাজে ব্যবহার করছিল রাশিয়া। সেখান থেকেই লোহিত সাগর হয়ে গুজরাটের উদ্দেশে পাড়ি দিয়েছিল। গন্তব্য ছিল গুজরাটের বন্দর শহর ভাডিনার।

    আরও পড়ুুন: দীর্ঘদিন ধরে চলে ফাঁদ পাতার কাজ! হিন্দু মহিলাদের কীভাবে টার্গেট করছে জেহাদিরা?

    কেন হামলা

    গত নভেম্বর থেকে হুথিদের আক্রমণের (Missile Attack) ভয়ে লোহিত সাগর এলাকায় আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছে। ভয়ে নাবিকেরা বিকল্প রাস্তা খুঁজতে বাধ্য হচ্ছেন। অভিযোগ, যে কোনও পণ্যবাহী জাহাজের দিকেই ধেয়ে আসছে ক্ষেপণাস্ত্র। নির্বিচারে চলছে আক্রমণ। শনিবার ভারতগামী জাহাজও সেই আক্রমণের শিকার হল। ইউএস মেরিটাইম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অনুযায়ী, নভেম্বর থেকে হুথিরা ৫০টিরও বেশি জাহাজের উপর হামলা চালিয়েছে ৷ একটি জাহাজ আটক করেছে এবং অন্য একটিকে ডুবিয়েছে। হুথিরা বলেছে যে, গাজায় ইজরায়েলের যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তারা তাদের হামলা চালিয়ে যাবে ৷

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • IPL 2024: বেয়ারস্টোর বাজিমাত! ইডেনে নজিরের পর নজির, কোথায় গেলেন বাদশা?

    IPL 2024: বেয়ারস্টোর বাজিমাত! ইডেনে নজিরের পর নজির, কোথায় গেলেন বাদশা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইডেনে ইতিহাস তৈরি হল শুক্রবার। পয়েন্ট তালিকায় অনেক পিছনে থাকা পাঞ্জাবের কাছে হারটা যেন মেনে নিতে পারছিল না কলকাতার ক্রিকেট ভক্তরা।  কিন্তু হার মানলেও এই ম্যাচ যেন ছিল ঘোরের মতো। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের আসল নির্যাসটুকু ধরে রাখল এই ম্যাচ। বন্যা বইল চার-ছয়ের। এক দল আগে ব্যাট করে করল ২৬১ রান। অপর দল সেই রান তাড়া করে দিল ৮ বল বাকি থাকতেই। অতীতে এত রান তাড়া করে কোনও দল জিততে পারেনি। এই নজির অবশ্য মেনে নিতে পারেননি কেকআর কর্ণধার শাহরুখ খান। ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই মাঠ ছাড়লেন তিনি। কেকেআর হারলেও ভগ্ন হৃদয়ে একবার বাদশা-কে দেখার আশায় রাত ১২টা পর্যন্ত ইডেনের গ্যালারিতে অপেক্ষা করছিলেন দর্শকরা। তিনি যে বাজিগর, ‘হার কর জিত যাতে হ্যায়’। হারলেও বারবার অনুরাগীদের মন জিতেছেন বাদশা। কিন্তু শুক্রবার ইডেনে যেন উলাট পুরান। নজিরের পর নজির। 

    রেকর্ড রান তাড়া করে জয়

    শুক্র-রাতে ইডেন গার্ডেন্স ব্যাটিং প্যারাডাইসে পরিণত হয়েছিল। কেকেআরের দেওয়া ২৬২ রানের টার্গেট যে কারণে সফল ভাবে তাড়া করতে পেরেছে পঞ্জাব কিংস। টি-২০ ক্রিকেটে এটাই সর্বাধিক রান তাড়ার রেকর্ড। গত মার্চে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দেওয়া ২৫৯ রানের টার্গেট তাড়া করে জিতেছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই রেকর্ড ভেঙে গেল ইডেনে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের মতো আইপিএলের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রান তাড়া করে জয়ের নিরিখে এটি প্রথম স্থানে। এর আগে ২০২০ সালে রাজস্থান শারজায় ২২৪ তাড়া করে জিতেছিল এই পঞ্জাবের বিরুদ্ধে। এ বছর ইডেনে কিছু দিন আগে এই রাজস্থানই ২২৪ রান তাড়া করে জিতেছিল কলকাতার বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে ২১৯ তাড়া করে চেন্নাইকে হারিয়েছিল মুম্বই।

    সর্বাধিক ছয়

    আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে একটি ম্যাচে সর্বাধিক ছয়ের রেকর্ড হচ্ছে চলতি আইপিএলে। কলকাতা-পঞ্জাব ম্যাচে মোট ৪২টি ছয় রয়েছে। দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে হায়দরাবাদ-মুম্বই এবং হায়দরাবাদ-বেঙ্গালুরু ম্যাচ। দু’টিতেই ৩৮টি করে ছয় হয়েছে। আইপিএলের একটি ম্যাচে এক ইনিংসে সবচেয়ে বেশি ছয়ের রেকর্ড হয়েছে ইডেনে (কেকেআর বনাম পঞ্জাব ম্যাচে)। কেকেআরের বিরুদ্ধে ২৪টি ছয় মেরেছে পাঞ্জাব কিংস।

    কেকেআরের ওপেনিং জুটিতে সর্বাধিক রান

    আইপিএলে দুই দলের করা সর্বাধিক রানের দিক থেকে আজকের ম্যাচ দ্বিতীয় স্থানে। কেকেআর ও পঞ্জাব মিলে ৫২৩ রান করেছে। চলতি আইপিএলেই হায়দরাবাদ-মুম্বই ম্যাচেও মোট ৫২৩ রান হয়েছিল। সর্বাধিক ৫৪৯ রান হয়েছিল আরসিবি বনাম সানরাইজার্স ম্যাচে। চলতি আইপিএলে কেকেআরের হয়ে ওপেনিং জুটিতে সবচেয়ে বেশি রান করেছেন সুনীল নারিন এবং ফিল সল্ট। পঞ্জাবের বিরুদ্ধে তাঁরা ১৩৮ রানের পার্টনারশিপ গড়েছেন। যা আবার কেকেআরের হয়ে সর্বাধিক ওপেনিং পার্টনারশিপের তালিকায় দ্বিতীয়। এই তালিকায় প্রথমে রয়েছেন গৌতম গম্ভীর ও ক্রিস লিন। তাঁরা ২০১৭ সালে রাজকোটে ১৮৪ রানের অবিচ্ছিন্ন পার্টনারশিপ গড়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Manipur Violence: ভোট মিটতেই রক্তাক্ত মণিপুর! পুলিশ ফাঁড়িতে কুকি জঙ্গিদের হানা, হত দুই জওয়ান

    Manipur Violence: ভোট মিটতেই রক্তাক্ত মণিপুর! পুলিশ ফাঁড়িতে কুকি জঙ্গিদের হানা, হত দুই জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটপর্ব মিটতেই ফের অশান্ত মণিপুর (Manipur Violence)। শুক্রবার গভীর রাতে বিষ্ণুপুর জেলার নারানসেনা জঙ্গিদের হামলায় নিহত হয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী সিআরপিএফের দুই জওয়ান। দুই জওয়ান গুরুতর জখম হয়েছেন। এটিকে সন্ত্রাসবাদী হামলা বলেই মনে করা হচ্ছে। নতুন করে অশান্তি শুরু হতেই মণিপুর জুড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বিষ্ণুপুরে শুরু হয়েছে তল্লাশি অভিযান।

    সেনা জঙ্গি  সংঘর্ষ

    পুলিশ সূত্রের খবর, শুক্রবার রাত সওয়া ২টো নাগাদ কুকি জঙ্গিদের একটি দল স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র এবং গ্রেনেড নিয়ে নারানসেনা ফাঁড়িতে হামলা চালায়। হামলায় নিহত হয়েছেন সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) দুই সদস্য। বেশ কিছুক্ষণ ধরে গুলির লড়াই চলে। দুষ্কৃতীরা বোমা ছোড়ে আউটপোস্ট লক্ষ্য করে। শক্তিশালী বিস্ফোরণের আহত চারজন সিআরপিএফ জওয়ান (CRPF Jawan Killed)। তড়িঘড়ি তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে দুই জওয়ানকে বাঁচানো যায়নি। বাকি দুইজন গুরুতর আহত। বর্তমানে তাঁরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। যে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে তাঁরা নারানসিনায় নিযুক্ত সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্সের (সিআরপিএফ) ১২৮ ব্যাটালিয়নের সাব-ইন্সপেক্টর এন সরকার এবং হেড কনস্টেবল অরূপ সাইনি। ইন্সপেক্টর যাদব দাস ও কনস্টেবল আফতাব দাস গুরুতর আহত হয়েছেন।

    আরও পড়ুন: নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, “দ্বিতীয় দফায় বিপুল জনসমর্থন পেতে চলেছে এনডিএ”, অভিমত মোদির

    জঙ্গিদের লক্ষ্য

    গত ডিসেম্বরে মোরেকে ফাঁড়িতে একই কায়দায় ভোররাতে হামলা চালিয়েছিল কুকি জঙ্গিরা। প্রসঙ্গত, শুক্রবার হিংসাদীর্ণ আউটার মণিপুর লোকসভা কেন্দ্রের একাংশে ভোট ছিল। চলতি মাসের গোড়া থেকে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব) বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ)-এর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই কয়েক জন জঙ্গি নিহতও হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মণিপুরের কুকি জঙ্গিগোষ্ঠীগুলির সহায়তায় কেএনএফ জঙ্গিরা সীমান্ত এলাকা দিয়ে অনুপ্রবেশ করতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এদিন জঙ্গিদের নিশানা ছিল পুলিশ ব্যারাক। প্রথমে জঙ্গিদের একটি দল গুলি চালায় নারানসিনা গ্রামের একটি পাহাড় থেকে উপত্যকা অঞ্চলের দিকে। হামলা হয় কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর পোস্ট লক্ষ্য করে। উল্লেখ্য, মণিপুরে (Manipur Violence) গত বছর থেকে শুরু হয়ে হিংসার ধারা এখনও চলছে। এখনও পর্যন্ত হিংসার ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ২০০-এরও বেশি মানুষ। গুরুতর আহত হয়েছেন কয়েক হাজার জন। বহু মানুষ ঘরছড়া। তাঁদের বাড়ি ফেরানোর চেষ্টা করছে সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, “দ্বিতীয় দফায় বিপুল জনসমর্থন পেতে চলেছে এনডিএ”, অভিমত মোদির

    Lok Sabha Election 2024: নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, “দ্বিতীয় দফায় বিপুল জনসমর্থন পেতে চলেছে এনডিএ”, অভিমত মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ১৩ রাজ্যের ৮৯ কেন্দ্রে শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। সারা দেশে নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) মোটের উপর শান্তিপূর্ণ, বলে জানাল কমিশন। দ্বিতীয় দফার লোকসভা নির্বাচনের পর দেশবাসীর উদ্দেশে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে বিশেষ পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি জানান, দ্বিতীয় দফায় বিপুল জনসমর্থন পেতে চলেছে এনডিএ। একই সঙ্গে বিরোধীদের কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি তিনি।  লিখেছেন, বিরোধীরা আরও হতাশ হতে চলেছেন।

    মোদির মতামত

    নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) কমিশনের পরিসংখ্যান বেরোনোর পরেই শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী মোদি পোস্ট করেন, দারুণ ভোট হয়েছে। সন্ধ্যা ৬.৫০ নাগাদ মোদি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “দারুণভাবে শেষ হল দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। দেশ জুড়ে যারা আজ ভোট দিয়েছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। দ্বিতীয় দফায় এনডিএ-র প্রতি জনগণের বিপুল সমর্থন বিরোধীদের আরও হতাশ করতে চলেছে। ভোটাররা চান দেশে এনডিএ-র সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হোক। দেশের যুব ও মহিলা ভোটাররা এনডিএকে আরও শক্তিশালী করছে।”

    শান্তিপূর্ণ ভোটদান

    দেশে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) সবকটি আসন মিলিয়ে মোট ভোটদানের হার ৬০. ৯শতাংশ। দেশের ১৩টি রাজ্যের মধ্যে মণিপুর, ছশত্তিশগড়, পশ্চিমবঙ্গ, অসম এবং ত্রিপুরায় ৭০ শতাংশের বেশি ভোট পড়েছে। অন্যদিকে, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মহারাষ্ট্রে ভোটদানের হার সবচেয়ে কম, সেখানে ভোট পড়েছে যথাক্রমে ৫২.৬ শতাংশ, ৫৩ শতাংশ এবং ৫৩.৫ শতাংশ। তৃতীয় দফায় ভোট হবে আগামী ৭ মে। পরবর্তী ধাপগুলোর ভোট হবে যথাক্রমে, ১৩ মে, ২০ মে, ২৫ মে এবং ১ জুন। আর ৪ জুন নির্বাচনের ভোট গণনা এবং ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

    আরও পড়ুন:লক্ষ্য আন্তর্জাতিক ফ্লাইট! ৩০টি চওড়া এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ বিমান কিনছে ইন্ডিগো

    বাংলাতেও ভোট নির্বিঘ্নেই

    নির্বাচন (Lok Sabha Election 2024) কমিশন সূত্রে খবর, বিক্ষিপ্ত কয়েকটি ‘চোখ রাঙানি’র ঘটনা ছাড়া লোকসভার দ্বিতীয় দফায় উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রের ভোট ছিল পুরোপুরি শান্তিপূর্ণ। কয়েকটি জায়গায় অল্পবিস্তর ঝামেলা হলেও তা সাম্প্রতিক সময়ে ভোট হিংসার কাছে কিছুই না বলে মত রাজনৈতিক মহলের। তবে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ৭১.৮৪ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যা প্রথম দফার তুলনায় কম। গরমের জন্যই ভোটারদের বুথে আসার হার কম বলে মনে করা হচ্ছে। ভারতের ১৮ তম লোকসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় ভোটদানের হার ছিল  প্রায় ৬১ শতাংশ। শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের ১৩টি রাজ্য এবং ৮৮ টি লোকসভা আসনে ভোট হয়। সাত দফার এই নির্বাচনের প্রথম পর্বের ভোট হয়েছিল ১৯ এপ্রিল। ওইদিন ২১টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ১০২টি আসনে ভোট হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • T20 Cricket: ৩ ওভার ০ রান ৭ উইকেট! টি-২০ ক্রিকেটে নজির ইন্দোনেশিয়ার কিশোরীর

    T20 Cricket: ৩ ওভার ০ রান ৭ উইকেট! টি-২০ ক্রিকেটে নজির ইন্দোনেশিয়ার কিশোরীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক ম্যাচেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নজর কাড়লেন ইন্দোনেশিয়ার ১৭ বছরের মেয়ে। জীবনের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচেই মহিলাদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বিশ্বরেকর্ড করলেন রোমালিয়া। অভিষেক ম্যাচে ৩.২ ওভার বল করে একটিও রান না দিয়ে ৭ উইকেট তুলে নিলেন তিনি।

    অনন্য নজির

    মহিলাদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সেরা বোলিংয়ের নজির তৈরি করলেন ইন্দোনেশিয়ার ১৭ বছরের অফ স্পিনার রোমালিয়া। অভিষেক ম্যাচে ৩.২ ওভার বল করেছেন ইন্দোনেশিয়ার অফ স্পিনার। তাঁর বলে একটি রানও নিতে পারেননি মঙ্গোলিয়ার ব্যাটারেরা। প্রথম বলেই উইকেট পেয়েছেন তিনি। আরও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় হল রোমালিয়ার বলে আউট হওয়া সাত ব্যাটারই সাজঘরে ফিরেছেন কোনও রান না করে। এমন নজির পুরুষদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতেও নেই। পুরুষদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে একটি ম্যাচে সেরা বোলিংয়ের নজির রয়েছে মালয়েশিয়ার সিয়াজরুল ইজাত ইদরুসের দখলে। গত বছর তিনি চিনের বিরুদ্ধে ৭ উইকেট নিয়েছিলেন ৮ রান খরচ করে

    ১৭ বছর বয়সী এই অফ স্পিনারের আগে মহিলা টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে সেরা বোলিং ফিগার ছিল নেদারল্যান্ডসের ফ্রেডেরিক ওভারডিকের নামে। তিনি ২০২১ সালের আইসিসি মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ইউরোপ জোন কোয়ালিফায়ারে ফ্রান্সের বিপক্ষে ৪ ওভার বল করে ২টি মেডেন দিয়েছিলেন। ৩ রান দিয়ে ৭ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন ফ্রেডেরিক। সেই নজির ছাপিয়ে গেলেন রোমালিয়া। তাঁর এই বোলিংয়ে ভর করে বালিতে পঞ্চম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মঙ্গোলিয়ার বিপক্ষে ইন্দোনেশিয়া সহজেই জয় তুলে নেয়। প্রথমে ব্যাট করে ইন্দোনেশিয়া ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫১ রান করে। তিনিই ম্যাচের সর্বোচ্চ স্কোরার হন। জবাবে মঙ্গোলিয়া ১৬.২ ওভারে মাত্র ২৪ রানে অলআউট হয়ে যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share