Author: suman-das

  • Ramakrishna 564: “তুমি ভক্তিনদীতে ডুবে যাবে কি করে? ডুবে গেলে, চিকের ভিতর যারা আছে তাদের কি হবে”

    Ramakrishna 564: “তুমি ভক্তিনদীতে ডুবে যাবে কি করে? ডুবে গেলে, চিকের ভিতর যারা আছে তাদের কি হবে”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    দশম পরিচ্ছেদ

           ১৮৮৫, ১লা সেপ্টেম্বর

                                                            জন্মাষ্টমীদিবসে নরেন্দ্র, রাম, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে

    গিরিশ ঘোষ—গুরুই ইষ্ট—দ্বিবিধ ভক্ত 

    পূর্বকথা—কেশব সেনকে উপদেশ ‘এগিয়ে পড়ো’ 

    “যত এগোবে, দেখবে, চন্দন কাঠের পরও আছে,—রূপার খনি,—সোনার খনি,—হীরে মাণিক! তাই এগিয়ে পড়।

    “আর ‘এগিয়ে পড়’ এ-কথাই বা বলি কেমন করে!—সংসারী লোকদের বেশি এগোতে গেলে সংসার-টংসার ফক্কা হয়ে যায়! কেশব সেন উপাসনা কচ্ছিল, — বলে, ‘হে ঈশ্বর, তোমার ভক্তিনদীতে (Ramakrishna) যেন ডুবে যাই।’ সব হয়ে গেলে আমি কেশবকে বললাম, ওগো, তুমি ভক্তিনদীতে ডুবে যাবে কি করে? ডুবে গেলে, চিকের ভিতর যারা আছে তাদের কি হবে। তবে এককর্ম করো — মাঝে মাঝে ডুব দিও, আর এক-একবার আড়ায় উঠো।” (সকলের হাস্য)

    বৈষ্ণবের ‘কলকলানি’—‘ধারণা করো’! সত্যকথা তপস্যা

    কাটোয়ার বৈষ্ণব তর্ক করিতেছিলেন। ঠাকুর তাঁহাকে বলিতেছেন (Kathamrita), “তুমি কলকলানি ছাড়। ঘি কাঁচা থাকলেই কলকল করে।

    “একবার তাঁর আনন্দ পেলে বিচারবুদ্ধি পালিয়ে যায়। মধুপানের আনন্দ পেলে আর ভনভনানি থাকে না।

    “বই পড়ে কতকগুলো কথা বলতে পারলে কি হবে? পণ্ডিতেরা কত শ্লোক বলে — ‘শীর্ণা গোকুলমণ্ডলী!’ — এই সব।

    “সিদ্ধি সিদ্ধি মুখে বললে কি হবে? কুলকুচো করলেও কিছু হবে না। পেটে ঢুকুতে হবে! তবে নেশা হবে। ঈশ্বরকে নির্জনে গোপনে ব্যাকুল হয়ে না ডাকলে, এ-সব কথা ধারণা হয় না।”

    ডাক্তার রাখাল ঠাকুরকে দেখিতে আসিয়াছেন। তিনি ব্যস্ত হইয়া বলিতেছেন — “এসো গো বসো।” বৈষ্ণবের সহিত কথা চলিতে লাগিল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— মানুষ আর মানহুঁশ। যার চৈতন্য হয়েছে, সেই মানহুঁশ। চৈতন্য না হলে বৃথা মানুষ জন্ম!

    পূর্বকথা — কামারপুকুরে ধার্মিক সত্যবাদী দ্বারা সালিসী

    “আমাদের দেশে পেটমোটা গোঁফওয়ালা অনেক লোক আছে। তবু দশ ক্রোশ দূর থেকে ভাল লোককে পালকি করে আনে কেন — ধার্মিক সত্যবাদী দেখে। তারা বিবাদ মিটাবে। শুধু যারা পণ্ডিত, তাদের আনে না।

    ঠাকুর বালকের মতো ডাক্তারকে বলিতেছেন (Kathamrita)— “বাবু আমার এটা ভাল করে দাও।”

    ডাক্তার — আমি ভাল করব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে) — ডাক্তার নারায়ণ। আমি সব মানি।

    Reconciliation of Free Will and God’s Will — of Liberty and Necessity — ঈশ্বরই মাহুত নারায়ণ 

    “যদি বলো সব নারায়ণ, তবে চুপ করে থাকলেই হয়, তা আমি মাহুত নারায়ণও মানি।

    “শুদ্ধমন আর শুদ্ধ-আত্মা একই! শুদ্ধমনে যা উঠে, সে তাঁরই কথা। তিনিই ‘মাহুত নারায়ণ।’

    “তাঁর কথা শুনব না কেন? তিনিই কর্তা। ‘আমি’ যতক্ষণ রেখেছেন, তাঁর আদেশ শুনে কাজ করব।”

    ঠাকুরের গলার অসুখ এইবার ডাক্তার দেখিবেন। ঠাকুর বলিতেছেন — “মহেন্দ্র সরকার জিব টিপেছিল, যেমন গরুর জিবকে টিপে।”

    ঠাকুর আবার বালকের ন্যায় ডাক্তারের জামায় বারংবার হাত দিয়ে বলিতেছেন, “বাবু! বাবু! তুমি এইটে ভাল করে দাও!”

    Laryngoscope দেখিয়া ঠাকুর হাসিতে হাসিতে বলিতেছেন — “বুঝেছি, এতে ছায়া পড়বে।”

    নরেন্দ্র গান (Ramakrishna) গাইলেন। ঠাকুরের অসুখ বলিয়া বেশি গান হইল না।

  • Padma Award: বিজয় অমৃতরাজকে পদ্মভূষণ; পদ্মশ্রী পাচ্ছেন রোহিত শর্মা ও হরমনপ্রীত কৌর

    Padma Award: বিজয় অমৃতরাজকে পদ্মভূষণ; পদ্মশ্রী পাচ্ছেন রোহিত শর্মা ও হরমনপ্রীত কৌর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের টেনিস কিংবদন্তি বিজয় অমৃতরাজকে মর্যাদাপূর্ণ পদ্মভূষণ সম্মানে (Padma Award) ভূষিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের দুই আইকন—পুরুষ দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং মহিলা দলের অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌরকে (Harmanpreet Kaur) পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছে। রবিবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ সালের পদ্ম পুরস্কারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে ভারত সরকার।

    ১৯৭৪ সালে অর্জুন পুরস্কার পান অমৃতরাজ (Padma Award)

    এ বছর ক্রীড়া জগত থেকে বিজয় অমৃতরাজ একমাত্র ব্যক্তিত্ব যিনি পদ্মভূষণ (ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান) অর্জন করেছেন। টেনিসে ভারতের অন্যতম পথিকৃৎ অমৃতরাজ  আগে অবশ্য ১৯৮৩ সালে পদ্মশ্রী (Padma Award) এবং ১৯৭৪ সালে অর্জুন পুরস্কার পেয়েছিলেন। পেশাদার টেনিস ক্যারিয়ারে তিনি দুবার উইম্বলডন এবং দুবার ইউএস ওপেনের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছিলেন।

    ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়

    ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য ২০২৫ সালটি ছিল স্মরণীয়। হরমনপ্রীত কৌরের (Harmanpreet Kaur) অসামান্য নেতৃত্বে ভারতীয় মহিলা দল দেশের মাটিতে আয়োজিত ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয় করে ইতিহাস গড়ে। অন্যদিকে, রোহিত শর্মা ২০২৫ সালে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতের অন্যতম পরাক্রমী ও নির্ভরযোগ্য ব্যাটার হিসেবে নিজের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করে চলেছেন।

    মোট ১৩১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পদ্ম পুরস্কার

    কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী, এ বছর বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য মোট ১৩১ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে পদ্ম পুরস্কারের (Padma Award) জন্য মনোনীত করা হয়েছে। যার মধ্যে ৫ জন পদ্মবিভূষণ, ১৩ জন পদ্মভূষণ এবং ১১৩ জন পদ্মশ্রী প্রাপক রয়েছেন। এই তালিকায় ১৯ জন নারী এবং ১৬ জন মরণোত্তর সম্মান প্রাপক অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। আগামী মার্চ বা এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রপতি ভবনে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে ভারতের রাষ্ট্রপতি এই সম্মাননাগুলি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করবেন।

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে কে কে পাচ্ছেন?

    পশ্চিমবঙ্গ থেকে পদ্ম সম্মান পাচ্ছেন মোট ১১ জন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অভিনয় জগত থেকে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, শিল্পকলায় বিশেষ অবদানের জন্য নাট্যব্যক্তিত্ব হরিমাধব মুখোপাধ্যায়, তাঁতশিল্পী জ্যোতিষ দেবনাথ, তবলাবাদক কুমার বসু, কাঁথাশিল্পী তৃপ্তি মুখোপাধ্যায়, সন্তুর বাদক তরুণ ভট্টাচার্য। শিক্ষা ও সাহিত্য থেকে পেয়েছেন শ্রী অশোক কুমার হালদার, এছাড়াও গম্ভীর সিংহ ইয়নজন, মহেন্দ্রনাথ রায় ও রবিলাল টুডু। চিকিৎসা ক্ষেত্রে অবদানের জন্য পাচ্ছেন হৃদ্‌রোগের চিকিৎসক সরোজ মণ্ডল।

    ক্রীড়া ক্ষেত্রে ২০২৬ সালের পদ্ম পুরস্কার প্রাপকদের তালিকা:

    • বিজয় অমৃতরাজ – পদ্মভূষণ (টেনিস)
    • রোহিত শর্মা – পদ্মশ্রী (ক্রিকেট)
    • হরমনপ্রীত কৌর ভুল্লার – পদ্মশ্রী (ক্রিকেট)
    • সবিতা পুনিয়া – পদ্মশ্রী (হকি)
    • প্রবীণ কুমার – পদ্মশ্রী (প্যারা-অ্যাথলেটিক্স)
    • বলদেব সিং – পদ্মশ্রী (হকি কোচ)
    • ভগবানদাস রাইকর – পদ্মশ্রী
    • কে পাজনভেল – পদ্মশ্রী
    • ভ্লাদিমের মেস্তভিরিশভিলি – পদ্মশ্রী (মরণোত্তর – কুস্তি কোচ)
  • Mark Tully: প্রবীণ সাংবাদিক মার্ক টুলি নতুন দিল্লিতে প্রয়াত

    Mark Tully: প্রবীণ সাংবাদিক মার্ক টুলি নতুন দিল্লিতে প্রয়াত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাংবাদিকতার জগতে আরও এক নক্ষত্রের পতন। ভারতের ইতিহাসবিদ এবং প্রশংসিত লেখক, প্রবীণ সাংবাদিক (Journalist) মার্ক টুলি (Mark Tully) রবিবার নতুন দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন, এই সংবাদ তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু জানিয়েছেন। টুলির মৃত্যুর সময় বয়স ছিল ৯০।

    সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন (Mark Tully)

    পুরস্কারপ্রাপ্ত এই সাংবাদিক টুলি (Mark Tully) বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন এবং গত এক সপ্তাহ ধরে নতুন দিল্লির সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। প্রবীণ সাংবাদিক (Journalist) এবং টুলির ঘনিষ্ঠ বন্ধু সতীশ জ্যাকব সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে এই মৃত্যুর খবর জানিয়েছেন। টুলি মৃত্যুতে তাঁর পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ মহলে ব্যাপক শোকের ছায়া।

    পদ্মভূষণ পান ২০০৫ সালে

    সতীশ জ্যাকব বলেন,“মার্ক আজ বিকেলে সাকেতের ম্যাক্স হাসপাতালে মারা গেছেন।” ১৯৩৫ সালের ২৪ শে অক্টোবর কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেছিলেন মার্ক টুলি (Mark Tully) ।

    তিনি টানা ২২ বছর ধরে নয়াদিল্লিতে বিবিসির ব্যুরো প্রধান (Journalist) ছিলেন। তিনি যেমন একজন প্রশংসিত লেখক তেমনি আবার টুলি বিবিসি রেডিও ৪-এর ‘সামথিং আন্ডারস্টুড’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপকও ছিলেন। ২০০২ সালে তিনি নাইট উপাধি লাভ করেন এবং ২০০৫ সালে ভারত সরকার থেকে পদ্মভূষণ লাভ করেন।

    টুলি ভারত সম্পর্কে বেশ কয়েকটি বই লিখেছেন। যার মধ্যে রয়েছে ‘নো ফুল স্টপস ইন ইন্ডিয়া’, ‘ইন্ডিয়া ইন স্লো মোশন’ এবং ‘দ্য হার্ট অফ ইন্ডিয়া’ ইত্যাদি। সাংবাদিক মহলে তাঁর চলে যাওয়া অপূরণীয় ক্ষতি। অভিজ্ঞ মহলে এখন শোকের ছায়া।

    কেমন ছিল কর্মজীবন

    ১৯৬৪ সালে টুলি বিবিসিতে যোগদান করেছিলেন। ভারতীয় সাংবাদিক হিসেবে ১৯৬৫ সালে ভারতে চলে আসেন। এরপর দক্ষিণ এশিয়ায় অবস্থানকালীন কর্মজীবনে তিনি অনেকগুলো প্রধান প্রধান ঘটনাবলীর স্বাক্ষ্য থাকেন। উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলি – ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ আন্দোলন, ভূপাল গ্যাস দুর্ঘটনা, অপারেশন ব্লু স্টার, ইন্দিরা হত্যাকাণ্ড, রাজীব হত্যা কাণ্ড – সহ ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়মিতভাবে বিবিসিতে তুলে ধরেছিলেন। তাঁর কর্মে তিনি খ্যাত হয়ে আছেন।

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে এই প্রথমবার বাস্তারের ৪০টি গ্রামে উদযাপিত হবে প্রজাতন্ত্র দিবস

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ে এই প্রথমবার বাস্তারের ৪০টি গ্রামে উদযাপিত হবে প্রজাতন্ত্র দিবস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন মাওবাদী জঙ্গিদের করাল গ্রাসে থাকা ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বাস্তার বিভাগে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসছে। কয়েক দশক ধরে ‘লাল সন্ত্রাস’-এর সঙ্গে লড়াই করার পর, ছত্তিশগড়ের বাস্তার বিভাগের বিভিন্ন জেলার বেশ কিছু গ্রাম প্রথমবারের মতো প্রজাতন্ত্র দিবস উদযাপনের (Republic Day Celebrations) জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত, কারণ এতদিন তাঁদের ওপর যেকোনো জাতীয় অনুষ্ঠান পালনে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ছিল।

    ৫৮টি নতুন নিরাপত্তা ক্যাম্প (Chhattisgarh)

    সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে, আগামী সোমবার, ২৬ জানুয়ারি ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বাস্তারের বিভিন্ন জেলার অন্তত ৪০টি গ্রামে প্রথমবারের মতো জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। গত এক বছরে মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকাগুলোতে ৫৮টি নতুন নিরাপত্তা ক্যাম্প (Security Camps) স্থাপিত হওয়ার ফলেই এই পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে।

    বাস্তার বিভাগের বিজাপুর, দান্তেওয়াড়া, সুকমা এবং নারায়ণপুরের মতো চরম মাওবাদী প্রভাবিত জেলাগুলোর (Chhattisgarh) মোট ৫৩টি গ্রামে এবার প্রজাতন্ত্র দিবস পালিত হবে। এর মধ্যে ৪০টি গ্রাম এমন রয়েছে, যেখানে আগে কখনও কোনোদিন জাতীয় উৎসব পালন করা সম্ভব হয়নি। এই তালিকায় রয়েছে—

    • বিজাপুর: বেলনার, কোন্ডাপালি ও উল্লুর।
    • দান্তেওয়াড়া: পিল্লুর, দোডিসোমার ও কামলুর।
    • নারায়ণপুর: আনজাগর, জাতুর, বাইপেটা ও কোডনার।
    • সুকমা: পালাগুড়া ও নাগরাম।

    দশকের পর দশক ধরে চলা লাল সন্ত্রাস কাটিয়ে মাওবাদী বিদ্রোহের স্তিমিত হওয়া এবং এই প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্বাভাবিক জনজীবন ফিরে আসার এটি এক বড় প্রতিফলন। তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সাল থেকে বাস্তার অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনী ১০০টিরও বেশি ক্যাম্প স্থাপন করেছে, যার ফলে উগ্রপন্থীদের প্রভাবাধীন এলাকাগুলোতে সরকারের নিয়ন্ত্রণ সুদৃঢ় হয়েছে।

    এই ক্যাম্পগুলো কেবল নিরাপত্তার কাজে নয়, বরং উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করতে এবং স্থানীয়দের কাছে সরকারি জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো পৌঁছে দিতে সহায়ক হচ্ছে। নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনের নিরবচ্ছিন্ন উপস্থিতির ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে সাহসের সঞ্চার হয়েছে, যার ফলে তাঁরা এখন নির্ভয়ে জাতীয় উৎসবে অংশ নিতে পারছেন।

    ২৯টি গ্রামে উত্তোলন হয়েছিল জাতীয় পতাকা

    পরিবর্তনের এই ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আরও স্পষ্ট হয়েছে। এর আগে ২০২৫ সালের আগস্টে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে বাস্তার (Chhattisgarh)  অঞ্চলের ২৯টি গ্রামে এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ২৪টিরও বেশি গ্রামে প্রথমবারের মতো তেরঙা পতাকা উত্তোলন (Republic Day Celebrations) করা হয়েছিল।

    নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রশাসনের লক্ষ্য এখন স্কুল খোলা, ব্যাংকিং পরিষেবা চালু, মোবাইল টাওয়ার বসানো এবং রাস্তাঘাট নির্মাণের মাধ্যমে এই জনপদগুলোকে মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করা। সম্প্রতি মাওবাদীদের এককালীন শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ‘জাগরগুন্ডা’-তে একটি ব্যাংক শাখা পুনরায় চালু করা হয়েছে।

    উন্নয়ন এবং আস্থার প্রতীক

    মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই সমাজমাধ্যম এক্স-এ একটি পোস্টে লিখেছেন, “জাগরগুন্ডায় (Chhattisgarh)  ব্যাংক শাখা পুনরায় চালু হওয়া কেবল একটি ভবন স্থাপন নয়; এটি পরিবর্তন, উন্নয়ন এবং আস্থার প্রতীক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দিকনির্দেশনায় বাস্তারকে লাল সন্ত্রাসের ভয় থেকে মুক্ত করে উন্নয়নের মূলধারার সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে। ভারত সরকার আগামী মার্চ মাসের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদী সমস্যা সম্পূর্ণ নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। আমরা এই লক্ষ্যেই কাজ করছি।”

  • Mirzapur: ৫টি জিম, ৫০ জন মহিলাকে টার্গেট, ধর্মান্তকরণের বড় চক্র ফাঁস, গ্রেফতার ৭ অভিযুক্ত

    Mirzapur: ৫টি জিম, ৫০ জন মহিলাকে টার্গেট, ধর্মান্তকরণের বড় চক্র ফাঁস, গ্রেফতার ৭ অভিযুক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের মির্জাপুর (Mirzapur) জেলায়, পাঁচটি জিমে একটি ইসলামিক ধর্মান্তকরণ পর্দা ফাঁস করেছে পুলিশ। দুজন হিন্দু মহিলা পৃথক ভাবে যৌন শোষণের অভিযোগ দায়ের করেছেন মুসলিম জিম প্রশিক্ষকদের বিরুদ্ধে। এছাড়াও রয়েছে চাঁদাবাজি এবং ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত (GYM Conversion) হওয়ার জন্য চাপ দেওয়ার বিষয়ও। তদন্তে জানা  গিয়েছে, ভাদোহির একজন পুলিশ কনস্টেবল, ইরশাদ খানও এই ইসলামিক ধর্মান্তকরণ চক্রের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

    ৫০ জনেরও বেশি মেয়েকে টার্গেট (Mirzapur)!

    অভিযোগ সূত্রে জানা গিয়েছে, জিআরপি কনস্টেবল ইরশাদ খান এবং তার সহযোগী ফরিদ আহমেদ আয়রন ফায়ার এবং কেজিএন ২.০ জিম চালানোর আড়ালে ৫০ জনেরও বেশি মেয়েকে টার্গেট করেছিলেন। এর আগে, মির্জাপুর কোতোয়ালি দেহাত পুলিশ মোহাম্মদ শেখ আলী আলম এবং ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল।

    খারঞ্জা জলপ্রপাতের (Mirzapur) কাছে সংঘর্ষের পর পুলিশ জিআরপি কনস্টেবল ইরশাদ খান এবং তার সহযোগী ফরিদ আহমেদকে গ্রেফতার করে। পুলিশের গুলিতে ফরিদের পায়ে লাগে। মির্জাপুর পুলিশ ফরিদের কাছ থেকে একটি অবৈধ পিস্তল এবং একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছিল।

    একটি সাধারণ ‘কেরালা স্টোরি’ দৃশ্যে, সান্নো নামে একজন মুসলিম মহিলা সক্রিয়ভাবে এই চক্রের সাথে জড়িত ছিলেন এবং তাকে হিন্দু মেয়েদের আস্থা অর্জন এবং তাদের ফাঁদে ফেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

    পাঁচটি জিমে কেজিএন-১.০, কেজিএন-২.০, কেজিএন-৩.০ বাজেআপ্ত

    অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা হিন্দু মেয়েদের নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিতো। যদি কোনও ভুক্তভোগীকে একটি জিমে আটকানো সম্ভব না হত, তবে তাকে ফাঁদে ফেলার জন্য অন্য একটি জিমে নিয়ে যাওয়ার টার্গেট করা হতো। পুলিশ এখন পর্যন্ত পাঁচটি জিম, কেজিএন-১.০, কেজিএন-২.০, কেজিএন-৩.০, বি-ফিট এবং আয়রন ফায়ার বাজেআপ্ত করেছে।

    ডিএম (Mirzapur) পবন কুমার গাঙ্গোয়ার জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ১৬৩ ধারার অধীনে এই জিমগুলির পরিচালনার উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার পর পাঁচটি জিম সিল করে দেওয়া হয়েছে। ধৃত অভিযুক্তদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন পরীক্ষা করে, পুলিশ কয়েকশ ছবি, ভিডিও এবং চ্যাট সহ অপরাধের সঙ্গে যুক্ত নানানা ডিজিটাল প্রমাণ পেয়েছে।

    গভীর রাত পর্যন্ত জিমে পার্টি হত

    পুলিশ এই জিম-ভিত্তিক ইসলামিক ধর্মান্তকরণ নেটওয়ার্কের আর্থিক লেনদেন তদন্ত করছে। জিমের বাড়িওয়ালা অমিত দুবে বলেছেন, “আমি জানি না যে বর্তমানে সিল করা কেজিএন ২.০ জিমটি (GYM Conversion) এই ধরনের অবৈধ কার্যকলাপের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে।” আবার স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, “মহিলারা প্রায়শই গভীর রাত পর্যন্ত জিমে আসতেন এবং পার্টি হত।”

    মামলায় পুলিশের পদক্ষেপ সম্পর্কে বলতে গিয়ে মির্জাপুরের এসপি সোমেন ভার্মা বলেন, “এই মামলাটি কোতোয়ালি দেহাতের। দুই ভুক্তভোগী মহিলা তাদের জিমের মালিক এবং প্রশিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ দায়ের করেছেন। জিমের মালিক এবং অন্যদের বিরুদ্ধে মহিলাদের শোষণ, তাদের কাছ থেকে টাকা আদায় এবং অবৈধভাবে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। আমরা বর্তমানে এই মামলার অভিযোগ তদন্ত করছি।” এদিকে, এএসপি সিটি নীতেশ সিং বলেন, “পাঁচটি জিমের মধ্যে চারটি তিন ভাই এবং এক শ্যালক দ্বারা পরিচালিত হয়।

    অনেক ভুক্তভোগীর মধ্যে দুজন অভিযোগ দায়ের করার পর বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। মির্জাপুর পুলিশ তৎপর হয়ে তিনটি জিম সিলগালা করে দেয় এবং মোহাম্মদ শেখ আলী আলম এবং ফয়সাল খান নামে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।

    ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও তোলে

    কোতোয়ালি দেহাত (Mirzapur) থানায় পৃথক অভিযোগ দায়ের করা দুই হিন্দু মহিলা অভিযোগ করেছেন, মির্জাপুরে জিম প্রশিক্ষক হিসেবে কর্মরত অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষরা প্রথমে তাদের সাথে বন্ধুত্ব করে এবং তাদের ফাঁদে ফেলে, ব্যক্তিগত ছবি এবং ভিডিও তোলে, তারা এআই-উত্পাদিত অশ্লীল ভিডিও এবং ছবিও তৈরি করে এবং অবশেষে হিন্দু মহিলাদের ব্ল্যাকমেইল করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের জন্য চাপ দেয়।

    ২০ জানুয়ারী, কোতোয়ালি সিটি থানার নটওয়ান মিল্লাত নগরের বাসিন্দা মোহাম্মদ শেখ আলী আলম এবং গোসাই তালাবের বাসিন্দা ফয়সাল খানের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ এবং ডিজিটাল প্রমাণের ভিত্তিতে, পুলিশ জহির এবং শাদাবকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে সকল অভিযুক্তই বিভিন্ন জিমের সাথে যুক্ত এবং একটি সংগঠিত লাভ জিহাদ নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছিল।

    অভিযুক্ত জহির কেজিএন-১ জিমের মালিক এবং কেজিএন-২, কেজিএন-৩ এবং আয়রন ফায়ার জিমের সাথেও যুক্ত ছিলেন। ভুক্তভোগীরা পূর্বে কেজিএন জিমে গিয়েছিলেন, যেখানে তারা অভিযুক্ত মুসলিম পুরুষদের সংস্পর্শে এসেছিলেন।

    পাঁচবার নামাজ পড়ার জন্য চাপ

    বি-ফিট জিমে যাওয়া একজন অভিযোগকারী জানিয়েছেন, অভিযুক্ত শেখ আলী তার সঙ্গে বন্ধুত্ব করেছিলেন, ধীরে ধীরে তাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন, শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন এবং ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও তোলেন। পরবর্তীতে শেখ আলী তাকে ব্ল্যাকমেইল করেন এবং টাকা আদায় করেন বলে অভিযোগ। এমনকি তিনি তার নামে ঋণ নেন এবং বারবার ওটিপি চান।

    ভুক্তভোগীর (GYM Conversion) অভিযোগ, অভিযুক্ত শেখ আলী আলম বেশ কয়েকবার তার বোরকা পরা ছবি তোলেন এবং তাকে দিনে পাঁচবার নামাজ পড়ার জন্য চাপ দেন। তিনি ভুক্তভোগীকে একটি দরগায় নিয়ে যান, তাকে ইসলামিক কলমা পড়তে বাধ্য করেন এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করেন।

    তবে, এই হিন্দু ভুক্তভোগী যখন প্রতিবাদ করেন, তখন অভিযুক্ত শেখ আলী আলম তাকে নির্যাতন করেন, তার অশ্লীল ভিডিও অনলাইনে ভাইরাল করার হুমকি দেন। তিনি তাকে হত্যার হুমকিও দেন। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, জিম প্রশিক্ষক ফয়সাল এবং তার সহযোগীরাও এই লাভ জিহাদ এবং ধর্মান্তকরণ চক্রের সাথে জড়িত।

    ইসলামে ধর্মান্তরিত করার এজেন্ডা

    সিল করা পাঁচটি জিম জুড়ে, অভিযুক্ত মুসলিম ব্যক্তিরা ৫০ জনেরও বেশি হিন্দু মেয়েকে প্রলুব্ধ করে, তাদের শোষণ করে, ব্ল্যাকমেইল করে এবং তাদের ইসলামে ধর্মান্তরিত (GYM Conversion) করার এজেন্ডায় কাজ করছিল। এখন, পুলিশ কেবল অভিযুক্ত সকল ব্যক্তির কল ডেটা রেকর্ডই তদন্ত করছে না, বরং প্রশ্নবিদ্ধ জিমের তহবিলও তদন্ত করছে। যদিও জিম প্রশিক্ষকদের ১০,০০০ থেকে ১৫,০০০ টাকার মধ্যে বেতন দেওয়া হত, তারা ব্র্যান্ডেড জুতা এবং পোশাক পরতেন এবং দামি মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেন। জানা গেছে যে মির্জাপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী এবং জনপ্রতিনিধিরা এই জিমগুলিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে রয়েছেন।

  • Ramakrishna 563: “শোনো! শিষ্যের মাথাটা গুরুর জিনিস, আর গুরুর পা শিষ্যের জিনিস”

    Ramakrishna 563: “শোনো! শিষ্যের মাথাটা গুরুর জিনিস, আর গুরুর পা শিষ্যের জিনিস”

    ৫১ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

     দশম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১লা সেপ্টেম্বর

                         জন্মাষ্টমীদিবসে নরেন্দ্র, রাম, গিরিশ প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে গিরিশ ঘোষ—গুরুই ইষ্ট—দ্বিবিধ ভক্ত 

    গিরিশ— হ্যাঁ গা, গুরু আর ইষ্ট; — গুরু-রূপটি বেশ লাগে — ভয় হয় না — কেন গা? ভাব দেখলে দশহাত তফাতে যাই। ভয় হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—যিনি ইষ্ট, তিনিই গুরুরূপ হয়ে আসেন। শবসাধনের পর যখন ইষ্টদর্শন হয়, গুরুই এসে শিষ্যকে বলেন — এ (শিষ্য) ওই (তোর ইষ্ট)। এই কথা বলেই ইষ্টরূপেতে লীন হয়ে যান। শিষ্য আর গুরুকে দেখতে পায় না। যখন পূর্ণজ্ঞান হয়, তখন কে বা গুরু, কে বা শিষ্য। ‘সে বড় কঠিন ঠাঁই। গুরুশিষ্যে দেখা নাই।’

    একজন ভক্ত — গুরুর মাথা শিষ্যের পা।

    গিরিশ — (আনন্দে) হাঁ।

    নবগোপাল — শোনো মানে! শিষ্যের মাথাটা গুরুর জিনিস, আর গুরুর পা শিষ্যের জিনিস। শুনলে?

    গিরিশ — না, ও মানে নয়। বাপের ঘাড়ে ছেলে কি চড়ে না? তাই শিষ্যের পা।

    নবগোপাল — সে তেমনি কচি ছেলে থাকলে তো হয়।

    পূর্বকথা—শিখভক্ত—দুই থাক ভক্ত—বানরের ছা ও বিল্লির ছা

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— দুরকম ভক্ত আছে। একথাকের বিল্লির ছার স্বভাব। সব নির্ভর — মা যা করে। বিল্লির ছা কেবল মিউ মিউ করে। কোথায় যাবে, কি করবে — কিছুই জানে না। মা কখন হেঁশালে রাখছে — কখন বা বিছানার উপরে রাখছে। এরূপ ভক্ত ঈশ্বরকে আমমোক্তারি (বকলমা) দেয়। আমমোক্তারি দিয়ে নিশ্চিন্ত।

    “শিখরা বলেছিল (Kathamrita)— ঈশ্বর দয়ালু। আমি বললাম, তিনি আমাদের মা-বাপ, তিনি আবার দয়ালু কি? ছেলেদের জন্ম দিয়ে বাপ-মা লালন-পালন করবে না, তো কি বামুনপাড়ার লোকেরা এসে করবে? এ-ভক্তদের ঠিক বিশ্বাস—তিনি আপনার মা, আপনার বাপ।

    “আর-এক থাক ভক্ত আছে, তাদের বানরের ছার স্বভাব। বানরের ছা নিজে জো-সো করে মাকে আঁকড়ে ধরে। এদের একটু কর্তৃত্ব বোধ আছে। আমায় তীর্থ করতে হবে, জপতপ করতে হবে, ষোড়শোপচারে পূজা করতে হবে, তবে আমি ঈশ্বরকে ধরতে পারব,—এদের এই ভাব।

    “দুজনেই ভক্ত (ভক্তদের প্রতি)—যত এগোবে, ততই দেখবে তিনিই সব হয়েছেন (Kathamrita)— তিনিই সব করছেন। তিনিই গুরু, তিনিই ইষ্ট। তিনিই জ্ঞান, ভক্তি সব দিচ্ছেন।”

  • Census of India: ২০২৭ সালের আদমশুমারির প্রথম পর্যায়ে ৩৩টি প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ কেন্দ্রের, কী কী রয়েছে তাতে?

    Census of India: ২০২৭ সালের আদমশুমারির প্রথম পর্যায়ে ৩৩টি প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ কেন্দ্রের, কী কী রয়েছে তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন ২০২৭ সালের আদমশুমারির (Census of India) প্রথম পর্যায়ের জন্য ৩৩টি প্রশ্নের (33 Questions) একটি তালিকা ঘোষণা করেছে মোদি সরকার। এই প্রশ্নের ভিত্তিতেই আগামী এপ্রিল মাস থেকে কাজ শুরু হবে। প্রতিটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, ১ এপ্রিল থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের সময়কালকে বেছে নিয়ে কাজ শুরু করে দিতে হবে । এই সময় হবে গৃহ ভিত্তিক তালিকা তৈরি কর্মসূচির প্রথম পর্ব। ভারতের রেজিস্ট্রার জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় কুমার নারায়ণ একটি গেজেট নোটিসের মাধ্যমে এই প্রশ্নের তালিকা প্রকাশ করেছেন। গৃহ বা আবাসনের আকার-প্রকৃতি-বিবরণ এবং পরিবারের মৌলিক সুযোগ-সুবিধা থেকে শুরু করে বিবাহিত দম্পতির সংখ্যা এবং পরিবারের প্রধানের লিঙ্গ পর্যন্ত প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে প্রশ্নের তালিকায়।

    আদমশুমারি বাড়ির নম্বর (Census of India) 

    যে যে বিষয়ের ওপর সমীক্ষা করে তথ্য সংগ্রহ করা হবে তার মধ্যে হল, ভবন বা বাড়ি নম্বর (পুরসভা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা আদমশুমারি নম্বর), আদমশুমারি বাড়ির নম্বর, আদমশুমারি বাড়ির মেঝের প্রধান উপাদান, আদমশুমারি বাড়ির দেয়ালের প্রধান উপাদান, আদমশুমারি বাড়ির ছাদের প্রধান উপাদান, আদমশুমারি বাড়ির ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, আদমশুমারি বাড়ির অবস্থা এবং পরিবারের সংখ্যা নিশ্চিত করে প্রশ্নে (33 Questions) উল্লেখ করতে হবে।

    পরিবারে ব্যক্তি সংখ্যা

    পরের ধাপে পরিবারে সাধারণত বসবাসকারী মোট ব্যক্তির সংখ্যা, পরিবারের প্রধানের নাম, পরিবারের প্রধানের লিঙ্গ, পরিবারের প্রধান তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতি/অন্যান্য কিনা, আদমশুমারি বাড়ির মালিকানার অবস্থা, পরিবারের মালিকানাধীন বাসস্থানের সংখ্যা এবং পরিবারে বসবাসকারী বিবাহিত দম্পতির সংখ্যা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা (Census of India) করতে হবে।

    পানীয় জলের উৎস

    পানীয় জলের প্রধান উৎস, পানীয় জলের উৎসের প্রাপ্যতা, আলোর প্রধান উৎস, শৌচালয় দরজা, শৌচালয় ধরণ, বর্জ্য জলের নির্গমন, রেডিও/ট্রানজিস্টর, স্নানের সুবিধার প্রাপ্যতা, রান্নাঘর এবং রান্নার গ্যাস (এলপিজি) বা পাইপযুক্ত প্রাকৃতিক গ্যাস (সিএনজি) সংযোগের প্রাপ্যতা এবং রান্নার জন্য ব্যবহৃত প্রধান জ্বালানি আছে কিনা এই সংক্রান্ত বিষয়েও প্রশ্ন করা হবে।

    কোন কোন ইলেকট্রিক জিনিসের ব্যবহার

    টেলিভিশন, ইন্টারনেট অ্যাক্সেস, ল্যাপটপ বা কম্পিউটার, টেলিফোন বা মোবাইল ফোন বা স্মার্টফোন, সাইকেল বা স্কুটার বা মোটরসাইকেল বা মোপেড, গাড়ি বা জিপ বা ভ্যান এবং পরিবারে ব্যবহৃত প্রধান খাদ্যশস্য সম্পর্কেও প্রশ্ন (Census of India)  করতে হবে। তথ্য গ্রহণের পর আদমশুমারি সংক্রান্ত চিঠিপত্রের জন্য মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করতে হবে।

    একনজরে ৩৩টি প্রশ্ন

    • ১>ভবন নম্বর (পৌরসভা বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা আদমশুমারি নম্বর)
    • ২>আদমশুমারির ঘর নম্বর
    • ৩>আদমশুমারি ঘরের মেঝের প্রধান উপাদান।
    • ৪>আদমশুমারি গৃহের প্রাচীরের প্রধান উপাদান
    • ৫>আদমশুমারি ঘরের ছাদের প্রধান উপাদান।
    • ৬>আদমশুমারি (Census of India) গৃহের সুনির্দিষ্ট ব্যবহার নিশ্চিতকরণ
    • ৭>আদমশুমারি ঘরের অবস্থা
    • ৮>পরিবারের নম্বর
    • ৯>সাধারণত পরিবারে বসবাসকারী মোট ব্যক্তির সংখ্যা
    • ১০>পরিবারের প্রধানের নাম
    • ১১>পরিবারের প্রধানের লিঙ্গ।
    • ১২>পরিবারের প্রধান তফসিলি জাতি/তফসিলি উপজাতি/অন্যান্য কিনা
    • ১৩>আদমশুমারি বাড়ির মালিকানার অবস্থা
    • ১৪>পরিবারের একচেটিয়া দখলে থাকা বাসস্থানের সংখ্যা।
    • ১৫>পরিবারে বসবাসকারী বিবাহিত দম্পতির সংখ্যা
    • ১৬>পানীয় জলের প্রধান উৎস।
    • ১৭>পানীয় জলের উৎসের প্রাপ্যতা
    • ১৮>আলোর প্রধান উৎস
    • ১৯>ল্যাট্রিনের অ্যাক্সেস
    • ২০>ল্যাট্রিনের ধরণ
    • ২১>বর্জ্য জলের নিষ্কাশন
    • ২২>স্নানের সুবিধার প্রাপ্যতা।
    • ২৩>রান্নাঘর এবং এলপিজি/পিএনজি সংযোগের প্রাপ্যতা
    • ২৪>রান্নার জন্য ব্যবহৃত প্রধান জ্বালানি
    • ২৫>রেডিও/ট্রানজিস্টর
    • ২৬>টেলিভিশন
    • ২৭>ইন্টারনেট অ্যাক্সেস।
    • ২৮>ল্যাপটপ/কম্পিউটার
    • ২৯>টেলিফোন/মোবাইল ফোন/স্মার্টফোন
    • ৩০>সাইকেল/স্কুটার/মোটরসাইকেল মোপেড
    • ৩১>গাড়ি/জীপ/ভ্যান
    • ৩২>বাড়িতে খাওয়া প্রধান শস্যদানা
    • ৩৩>মোবাইল নম্বর (শুধুমাত্র আদমশুমারি সংক্রান্ত যোগাযোগের জন্য)

    দুটি ধাপে সম্পন্ন হবে আদমশুমারি

    ভারতীয় জনগণনার ১১ হাজার ৭১৮ কোটি টাকার বিশাল এই আদমশুমারি দুটি পর্যায়ে সম্পন্ন হবে। ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে জনসংখ্যা গণনা এবং এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গৃহ-তালিকাকরণ এবং আবাসন গণনা হবে। মূল বিজ্ঞপ্তিতে লেখা ছিল, “কেন্দ্রীয় সরকার এতদ্বারা নির্দেশ দিচ্ছে যে, সমস্ত আদমশুমারি (Census of India) কর্মকর্তা, স্থানীয় এলাকার সীমানার মধ্যে, যেখানে তাদের যথাক্রমে নিযুক্ত করা হয়েছে, ভারতের ২০২৭ সালের আদমশুমারির সাথে সম্পর্কিত পরিবারের তালিকা এবং আবাসনে আদমশুমারির সময়সূচীর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহের জন্য নীচে তালিকাভুক্ত বিষয়গুলির উপর সমস্ত ব্যক্তির কাছ থেকে এই জাতীয় সমস্ত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে পারেন।”

  • Jharkhand: বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ঝাড়খণ্ডে শীর্ষ কমান্ডার সহ ১৬ মাওবাদী খতম

    Jharkhand: বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ঝাড়খণ্ডে শীর্ষ কমান্ডার সহ ১৬ মাওবাদী খতম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand) পশ্চিম সিংভূম জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে ১৬ জন মাওবাদী (Maoists) নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। তাদের মধ্যে শীর্ষ মাওবাদী নেতা পতিরাম মাঝি ওরফে আনাল দা-ও ছিল। এই সংবাদ নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    মাথার দামছিল ২ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা (Jharkhand)

    মাওবাদী নেতা আনালের মাথার দাম ছিল ২ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা। যার মধ্যে ঝাড়খণ্ডে রয়েছে ১ কোটি টাকা, ওড়িশা ১ কোটি ২ লক্ষ এবং জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা ঘোষণা করেছিল ১৫ লক্ষ টাকা। কিরিবুরু থানার সীমানার মধ্যে সারান্দা বনের কুমদি এলাকায় সিআররপিএফের কোবরা ইউনিটের প্রায় ১৫০০ সেনা এই অভিযানে নিযুক্ত ছিলেন। টানা সাত ঘণ্টা লড়াই চলে দুই পক্ষের মধ্যে। এরপর সন্ধ্যে নেমে আসলে থেমে থেমে গুলির লড়াই চলতে থাকে। এক এক করে খতম হয় ১৬ মাওবাদী। নিহত মাওবাদীদের (Maoists)  মধ্যে ৫ জন মহিলাও ছিল।

    এলাকাটিকে নকশাল মুক্ত করা হয়েছে

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজের এক্স হ্যান্ডলে বলেন, “সিআরপিএফ এবং ঝাড়খণ্ড পুলিশ যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে এলাকাটিকে নকশাল মুক্ত করা হয়েছে।” একই ভাবে সিআরপিএফের ইন্সপেক্টর জেনারেল সাকেত কুমার সিং বলেন, ঝাড়খণ্ডে সংঘর্ষে এই প্রথম ১৫ জন মাওবাদী (Maoists) মৃতদেহ একসঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে।

    আনাল ছাড়াও এই এনকাউন্টারে নিহত আরও এক শীর্ষ মাওবাদী নেতা হল বিহার-ঝাড়খণ্ড (Jharkhand)  স্পেশাল এরিয়া কমিটির সদস্য আনমোল ওরফে সুশান্ত, যে ১৪৯ টি মামলায় ওয়ান্টেড ছিল। তার জন্য ৯০ লক্ষ টাকা পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০০৬ সালের ৩ মার্চ ঝাড়খণ্ডের বোকারোতে সিআইএফ-এর ক্যাম্পে হামলা চালানোর ঘটনায় অভিযুক্ত ছিল আনমোল। একই ভাবে ২০১৯ সালের জুন মাসে সেরাইকেলা খারসোয়ান জেলার কুকরু হাটে পাঁচ নিরাপত্তা কর্মীর হত্যাকাণ্ড মামলায়ও জড়িত ছিল অভিযুক্ত হিসেবে।

  • Election Commission: ইসিআইনেট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করল নির্বাচন কমিশন, কোন কোন পরিষেবা দেওয়া হবে?

    Election Commission: ইসিআইনেট ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করল নির্বাচন কমিশন, কোন কোন পরিষেবা দেওয়া হবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের নির্বাচন কমিশন (Election Commission) বৃহস্পতিবার ইসিআইনেট (ECINET) চালু করেছে। এটি হল এমন একটি বিস্তৃত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম যা নির্বাচন সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য এবং পরিষেবাগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে এসেছে। নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র ও নির্বাচন ব্যবস্থাপনা সম্মেলন ২০২৬-এর অনুষ্ঠানে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এই অ্যাপটি উন্মোচন করেন। তিনি এই অ্যাপ পরিষেবাকে বিশ্বের বৃহত্তম নির্বাচনী পরিষেবা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করেন।

    কী কী পরিষেবা পাওয়া যাবে (Election Commission)?

    নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) ৪০টিরও বেশি বিদ্যমান অ্যাপ এবং পোর্টালকে একসঙ্গে সমাহিত করে তৈরি করা হয়েছে এই নয়া ইসিআইনেট অ্যাপ। এর মধ্যে রয়েছে— ভোটার হেল্প লাইন অ্যাপ, সিভিআইজিআইএল, ভোটার টার্নআউট অ্যাপ, সক্ষম এবং নো ইওর ক্যান্ডিডেট প্ল্যাটফর্ম, যা সম্মিলিত ভাবে ৫.৫ কোটিরও বেশি বার ডাউনলোড হয়েছে।

    নির্বাচন কমিশনের অ্যাপ ইসিআইনেট (ECINET) একসঙ্গে একাধিক পরিষেবা দিয়ে থাকে। যেমন- নাগরিক, প্রার্থী, রাজনৈতিক দল এবং নির্বাচনে কর্মীদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে। একইভাবে ভোটার নিবন্ধন, ভোটার তালিকা, অনুসন্ধান, আবেদন ট্র্যাকিং, প্রার্থীর তথ্য, ই-এপিক ডাউনলোড, ভোট দানের প্রবণতা এবং অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়ার মতো পরিষেবা প্রদান করতে পারবে।

    ১০ কোটির বেশি নিবন্ধিকরণের কাজ

    ইসিআইনেট (ECINET) প্ল্যাটফর্মটি ভারতের সংবিধান ১৯৫০ এবং ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৬০ সালে ভোটার নাম নিবন্ধিকরণ আইন, ১৯৬১ সালের নির্বাচন পরিচালনার বিধিকে মান্যতা দিয়েই তৈরি করা হয়েছে। এতে ২২টি তফশিলি এবং ইংরেজি ভাষা ব্যবহারের কথাও জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছেন। মোট ১০ কোটির বেশি নিবন্ধীকরণের কাজ করতে পারবে বলে আরও জানা গিয়েছে। তবে দৈনিক গড় সংখ্যা হবে অনুমানিক ২ লক্ষ ৭০ হাজার। এখনও পর্যন্ত ১১ লক্ষের বেশি বুথ লেভেল অফিসার এখানে কাজ করেছেন। ১৫০ কোটিরও বেশি নথি ডিজিটাইজ (Election Commission) করার কাজ হয়েছে।

  • Vande Bharat Sleeper Train: বন্দে ভারত স্লিপারে যাত্রার ৮ ঘণ্টা আগে টিকিট ক্যান্সেল করলে ফেরত নয় কোনও টাকা

    Vande Bharat Sleeper Train: বন্দে ভারত স্লিপারে যাত্রার ৮ ঘণ্টা আগে টিকিট ক্যান্সেল করলে ফেরত নয় কোনও টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের (Vande Bharat Sleeper Train) টিকিট বাতিলে কড়া নিয়ম কার্যকর করল ভারতীয় রেল। এখন থেকে যাত্রার ৮ ঘণ্টা আগে বাতিল করলে মিলবে না কোনো টাকা। টিকিট এবং ক্যান্সেল টিকিটের রিটার্ন নিয়ে কোনও ভাবেই আপস করবে না ভারতীয় রেল (Indian Rail)। তাই বন্দে ভারত স্লিপার কোচে যাত্রীদের টিকিট বাতিল প্রক্রিয়ায় দাম ফেরতে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু হওয়ার প্রাক্কালে টিকিট বাতিলের নিয়মে বড়সড় পরিবর্তন আনল রেল বোর্ড। এই প্রিমিয়াম ট্রেনের ক্ষেত্রে সাধারণ ট্রেনের তুলনায় অনেক বেশি কঠোর ‘ক্যানসেলেশন চার্জ’ ধার্য করা হয়েছে।

    টিকিট বাতিলের নতুন নিয়মাবলী (Vande Bharat Sleeper Train):

    কত সময়ে আগে টিকিট ক্যান্সেল করলে টাকা কাটা হবে।

    যাত্রার ৭২ ঘণ্টার আগে: ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের ৭২ ঘণ্টার বেশি আগে কনফার্মড টিকিট বাতিল করলে ভাড়ার ২৫% শতাংশ টাকা কেটে নেওয়া হবে।

    ৭২ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টার মধ্যে: ট্রেন (Vande Bharat Sleeper Train)  ছাড়ার ৭২ ঘণ্টা থেকে ৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত টিকিট বাতিল করলে ভাড়ার ৫০% শতাংশ টাকা মাশুল হিসেবে কাটা হবে।

    ৮ ঘণ্টার কম সময়: যাত্রার নির্ধারিত সময়ের ৮ ঘণ্টা আগে থেকে টিকিট বাতিল করলে কোনো অর্থই আর ফেরত (রিফান্ড) পাওয়া যাবে না।

    অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:

    ১. টিডিআর (TDR) জমার সময়সীমা: ট্রেন ছাড়ার ৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত যদি টিকিট বাতিল না করা হয় অথবা অনলাইনে টিডিআর (Ticket Deposit Receipt) ফাইল না করা হয়, তবে রিফান্ডের কোনও সুযোগ থাকবে না।

    ২. সর্বনিম্ন দূরত্ব ও আরএসি (RAC): বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের ক্ষেত্রে টিকিটের সর্বনিম্ন দূরত্ব ধরা হবে ৪০০ কিলোমিটার। উল্লেখ্য, এই ট্রেনে আরএসি (RAC) বা ‘রিজার্ভেশন এগেইনস্ট ক্যানসেলেশন’-এর কোনো সুবিধা থাকবে না।

    ৩. সংরক্ষণ কোটা: বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী এই ট্রেনে কেবল মহিলা, প্রতিবন্ধী, প্রবীণ নাগরিক এবং ডিউটি পাসের কোটা বহাল থাকবে। এছাড়া অন্য কোনো বিশেষ কোটা এই ট্রেনের (Vande Bharat Sleeper Train) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না।

    ৪. অমৃত ভারত-২ এক্সপ্রেস: চলতি মাসে চালু হওয়া অমৃত ভারত-২ এক্সপ্রেসের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ভাড়ার দূরত্ব ২০০ কিলোমিটার ধার্য করা হয়েছে এবং এতেও আরএসি ব্যবস্থা থাকছে না।

    রেল বোর্ডের মতে, প্রিমিয়াম ট্রেনগুলোতে (Indian Rail) শেষ মুহূর্তে টিকিট বাতিলের প্রবণতা কমানো এবং আসন সংখ্যা নিশ্চিত করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

LinkedIn
Share