Author: suman-das

  • PM Modi Brigade Rally: ২০২৬-এর লক্ষ্যে মোদির ব্রিগেড, বিজেপির তুরুপের তাস উত্তরবঙ্গ, ৫০ হাজার কর্মীর জন্য ১০টি ট্রেন ও কয়েকশো বাসের ব্যবস্থা

    PM Modi Brigade Rally: ২০২৬-এর লক্ষ্যে মোদির ব্রিগেড, বিজেপির তুরুপের তাস উত্তরবঙ্গ, ৫০ হাজার কর্মীর জন্য ১০টি ট্রেন ও কয়েকশো বাসের ব্যবস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Brigade Rally) মেগা সমাবেশের ডাক দিয়েছে বিজেপি। এই সমাবেশকে সফল করতে গেরুয়া শিবিরের উত্তরবঙ্গ থেকে আসবে বহু রাজনৈতিক কর্মী। আগামী ১৪ মার্চ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে এই মহাসভা অনুষ্ঠিত হতে চলেছে, যা একইসঙ্গে বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’র শেষ কার্যক্রম। পর্যাপ্ত ট্রেন (Special Trains) এবং বাসের পরিষেবা দেওয়া হবে দলের তরফে, এমনটাই জানিয়েছে বিজেপি।

    বিজেপির শক্ত ঘাঁটি উত্তরবঙ্গ (PM Modi Brigade Rally)

    রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব শুধুমাত্র উত্তরবঙ্গের জেলাগুলো থেকেই অন্তত ৫০ হাজার কর্মী-সমর্থককে কলকাতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা (PM Modi Brigade Rally) নিয়েছে। এর মধ্যে শিলিগুড়ি থেকেই প্রায় ১০ হাজার মানুষ যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের যাতায়াতের সুবিধার্থে কোচবিহার, এনজেপি (NJP) এবং মালদা থেকে ১০টি বিশেষ ট্রেন (Special Trains) ও কয়েকশ বাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    জনসভায় ভিড় উপচে পড়বে

    উত্তরবঙ্গ ঐতিহাসিকভাবেই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই অঞ্চলের ৫৪টি আসনের মধ্যে ৩০টিতেই বিজেপি জয়লাভ করেছিল। সেই দাপট বজায় রাখাই এখন দলের প্রধান চ্যালেঞ্জ। রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক বাপি গোস্বামী ব্রিগেডে জনসভার ভিড় নিশ্চিত করার দায়িত্বে রয়েছেন। এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বাপি বলেন, “প্রত্যেক জেলার নেতৃত্বকে কলকাতায় লোক নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় ভিড় (PM Modi Brigade Rally) উপচে পড়বে। অনেক সংখ্যায় ট্রেন (Special Trains), বাস থাকবে। শুধু উত্তরবঙ্গ নয়, রাজ্যের সমস্ত এলাকার মানুষের উপস্থিতি থাকবে।”

    মোদির এই সভাই অক্সিজেন

    গত পঞ্চায়েত নির্বাচন এবং উপনির্বাচনগুলোতে উত্তরবঙ্গে বিজেপির সেই একচ্ছত্র আধিপত্যে কিছুটা ভাটা লক্ষ্য করা গেছে। সাংগঠনিক ভাবে দলকে আরও মজবুত করে আগামী জয়ের লক্ষ্যে মোদির এই সভাকেই ‘অক্সিজেন’ হিসেবে দেখছেন কর্মীরা। তবে উত্তরবঙ্গের জেলা সভাপতিদের দাবি, কোনো টার্গেট বা বাধ্যবাধকতা নয়, মোদিকে (Special Trains) দেখতে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ব্রিগেডে (PM Modi Brigade Rally) ভিড় জমাবেন। সেই সঙ্গে দলীয় সূত্রে খবর, ভোটের আগে কোচবিহার ও মালদায় প্রধানমন্ত্রীর আরও দুটি জনসভা করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিলিগুড়িতেও এমন সভা হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

  • Sukanta Majumdar: ‘দুর্নীতিগ্রস্থদের আর রেয়াত নয়, দরকার বুলডোজার মডেল’, পরিবর্তন যাত্রা থেকে  তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘দুর্নীতিগ্রস্থদের আর রেয়াত নয়, দরকার বুলডোজার মডেল’, পরিবর্তন যাত্রা থেকে তৃণমূলকে তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বর্ধমানে পরিবর্তন যাত্রায় (Parivartan Yatra) অংশগ্রহণ করেন। মমতার শাসনে রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা এবং দুর্নীতির ইস্যু মারাত্মক আকার ধারন করেছে। এই নিয়ে বিজেপি এবার কড়া অবস্থান গ্রহণ করেছে। বর্ধমানের একটি সভা থেকে উত্তরপ্রদেশের আদলে পশ্চিমবঙ্গেও ‘বুলডোজার মডেল’ কার্যকর করা প্রয়োজন বলে পরিবর্তন যাত্রায় একটি মডেলর রূপ দেখানো হয়। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুভাষ সরকারকে বুলডোজারে চড়ে পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।

    র্নীতিগ্রস্তদের শায়েস্তা করতে একই পথ (Sukanta Majumdar)

    যোগী শাসনের প্রসঙ্গ নিয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন, “উত্তরপ্রদেশে অপরাধ দমনে যেভাবে বুলডোজার ব্যবহার করা হয়েছে, বাংলার প্রেক্ষাপটেও অপরাধী ও দুর্নীতিগ্রস্তদের শায়েস্তা করতে একই পথ বেছে নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়া হবে। যারা জনগণের টাকা আত্মসাৎ করে অট্টালিকা বানিয়েছে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে সেই বেআইনি সম্পত্তির ওপর বুলডোজার চালানো হবে। কর্মীরা আবদার করেছিল। কর্মীরা আয়োজন করেছিল, সেজন্য বুলডোজারে চড়ে এসেছি। এ রাজ্যের মানুষ চাইছেন বুলডোজার সরকার। বুলডোজার সরকার অর্থে সেই সরকার সবসময় বুলডোজার চালাবে তা নয়, আসলে সেই সরকার অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ (Parivartan Yatra)  করবে।”

    রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া

    তাঁর এই মন্তব্য স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলেছে। শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস একে ‘বিদ্বেষমূলক’ এবং ‘গণতন্ত্রবিরোধী’ বলে পাল্টা সমালোচনা করেছে। তবে সুকান্ত মজুমদারের মন্তব্য মূলত দলের ‘কড়া ইমেজে’র বহিঃপ্রকাশ। অপরাধীদের মনে ভয় ধরাতে এবং নিজেদের কঠোর প্রশাসনিক মানসিকতা তুলে ধরতেই এই ধরণের রূপক ব্যবহার করা হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। পরিবর্তন যাত্রার (Parivartan Yatra) প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, “চাই বিজেপির সরকার। বুলডোজার দরকার। গুঁড়িয়ে দেবে চোর তৃণমূলের সরকার।”

  • Civic Volunteers: পুলিশ না হয়েও বদলি তিন সিভিক ভলান্টিয়ার! কীভাবে? ভবানী ভবনের নির্দেশে জোর বিতর্ক

    Civic Volunteers: পুলিশ না হয়েও বদলি তিন সিভিক ভলান্টিয়ার! কীভাবে? ভবানী ভবনের নির্দেশে জোর বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের সদর দফতর ভবানী ভবন-এর (Bhawani Bhavan) এক কড়া নির্দেশে তিন মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ারকে (Civic Volunteers) তাঁদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বদলির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, তাঁরা নিজেদের নির্দিষ্ট এক্তিয়ার লঙ্খন করে পুলিশের মতো আচরণ করেছেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গেও অভব্য আচরণ করেছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সিভিক ভলান্টিয়ারদের ভূমিকা কেবল পুলিশকে সহায়তা করা, নিজের হাতে আইন তুলে নেওয়া বা পুলিশের ক্ষমতা প্রদর্শন করা নয়। তবে, বদলির বিজ্ঞপ্তি ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। সিভিক ভলান্টিয়াররা পুলিশ বা সরকারি কর্মচারী নন। তাহলে, কীসের ভিত্তিতে তাঁদের বদলি করতে পারে রাজ্য সরকার? উঠছে প্রশ্ন।

    অভিযোগের প্রকৃতি (Civic Volunteers)

    এর আগে, সিভিক ভলান্টিয়ারদের নিয়ে একটি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট তার রায়ে সাফ জানিয়েছিল, সিভিক ভলান্টিয়াররা কোনও ভাবেই পুলিশ নয়। ওই মামলায় হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) নিয়োগ করা যাবে না। সরকারি নীতিতেও পুলিশের মূল কাজে তাঁদের যুক্ত না থাকার কথা বলা হয়েছিল সেই মামলায়। এক কথায় সিভিক ভলান্টিয়াররা যে পুলিশ নন, তা সাংবিধানিক ভাবেই স্পষ্ট করেছিল রাজ্যের উচ্চ আদালত। তার পরেও কোন ভিত্তিতে ভবানী ভবন থেকে তিন মহিলা সিভিক ভলান্টিয়ারের বদলির বিজ্ঞপ্তি (Bhawani Bhavan) জারি হল? এই প্রশ্ন এখন প্রশাসনের কাছে বড় প্রশ্ন।

    ভবানী ভবনের হস্তক্ষেপ

    প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় রাজ্য পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা কঠোর অবস্থান নেন। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে তাঁদের অবিলম্বে বদলি বা দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই তিন সিভিক ভলান্টিয়ারের (Civic Volunteers) বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে অহেতুক হেনস্থা এবং ট্রাফিক বা অন্যান্য ডিউটির সময় নিজেদের ক্ষমতার অপব্যবহার করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জমা পড়েছিল।

    নির্দেশিকার অনুস্মরণ

    কলকাতা হাইকোর্ট এবং রাজ্য সরকার ইতিপূর্বেই সিভিক ভলান্টিয়ারদের (Civic Volunteers) কাজের পরিধি নির্দিষ্ট করে দিয়েছিল। এই ঘটনার মাধ্যমে প্রশাসন বার্তা দিতে চাইছে যে, সেই নির্দেশিকা অমান্য করলে কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না। পুলিশ মহলের মতে, সিভিক ভলান্টিয়াররা মূলত জনপরিষেবা ও ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে সাহায্য করার জন্য নিযুক্ত। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে তাঁদের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ ওঠায় পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এই শাস্তিমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে বাকিদেরও সতর্ক করা হল, যাতে তাঁরা নির্ধারিত গণ্ডির মধ্যে থেকে কাজ করেন।

  • Major Swathi Shantha Kumar: রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ সম্মানে ভূষিত সেনার মহিলা অফিসার মেজর স্বাতী শান্তা কুমার

    Major Swathi Shantha Kumar: রাষ্ট্রসংঘের বিশেষ সম্মানে ভূষিত সেনার মহিলা অফিসার মেজর স্বাতী শান্তা কুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বশান্তি রক্ষা এবং লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রসংঘের মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রমীলা অফিসার মেজর স্বাতী শান্তা কুমার (Major Swathi Shantha Kumar)। তাঁর পরিচালিত “ইকুয়াল পার্টনার্স, লাস্টিং পিস” (Equal Partners, Lasting Peace) প্রকল্পটি আন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ প্রশংসায় ভূষিত হয়েছে। মেজর স্বাতী বর্তমানে দক্ষিণ সুদানে রাষ্ট্রসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে (UNMISS) কর্মরত। শান্তি বজায় রাখার প্রক্রিয়ায় মহিলা ও পুরুষকে সমানভাবে শামিল করার লক্ষ্যেই তাঁর এই বিশেষ উদ্যোগ।

    পুরস্কারের প্রেক্ষাপট (Equal Partners, Lasting Peace)

    সংঘাতপূর্ণ এলাকায় শান্তি স্থাপনের (Equal Partners, Lasting Peace)  কাজে মহিলাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি এবং লিঙ্গভিত্তিক সংবেদনশীলতা প্রসারে মেজর স্বাতীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়েছে। তাঁর ‘ইকুয়াল পার্টনার্স, লাস্টিং পিস’ প্রজেক্টটি মূলত এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি যে— দীর্ঘস্থায়ী শান্তি তখনই সম্ভব, যখন সমাজের সকল স্তরের মানুষের, বিশেষ করে নারীদের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।

    বিদেশে ভারতের গৌরব

    ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন দক্ষ আধিকারিক হিসেবে বিদেশের মাটিতে এই সম্মাননা প্রাপ্তি দেশের জন্য এক বিশাল গৌরব। দক্ষিণ সুদানের মতো কঠিন ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তাঁর এই মানবিক ও প্রশাসনিক কাজ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। রাষ্ট্রসংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, মেজর স্বাতী স্থানীয় মহিলা সমাজকে মূলধারার শান্তি আলোচনায় অন্তর্ভুক্ত করতে এবং তাঁদের সুরক্ষায় বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়েছেন। শান্তিরক্ষা (Equal Partners, Lasting Peace)  মিশনে ভারতীয় সেনাদের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে। মেজর স্বাতী শান্তা কুমারের এই কৃতিত্ব কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং এটি বিশ্বমঞ্চে ভারতীয় নারীশক্তির জয়গান এবং বৈশ্বিক শান্তি রক্ষায় ভারতের দায়বদ্ধতারই প্রতিফলন।

    ৫,০০০-এরও বেশি নারীর জীবনকে সুরক্ষিত করেন

    মেজর স্বাতী শান্তা কুমারের (Major Swathi Shantha Kumar) এই প্রচেষ্টা ৫,০০০-এরও বেশি মহিলার জন্য একটি নিরাপদ এবং আরও সহায়ক পরিবেশ তৈরি করেছে, যা তাঁদেরকে সামাজিক কর্মকাণ্ডে অর্থপূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করতে সক্ষম করেছে। এই উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে আস্থা ও আত্মবিশ্বাস তৈরিতেও সাহায্য করেছে, দক্ষিণ সুদানের সংঘাত-প্রবণ অঞ্চলে প্রচারণা উন্নত করেছে। রাষ্ট্রসংঘ উল্লেখ করেছে, এই উদ্যোগ ধারাবাহিক প্রতিশ্রুতি ভবিষ্যতের শান্তিরক্ষা মিশনের (Equal Partners, Lasting Peace)  জন্য একটি শক্তিশালী উদাহরণ স্থাপন করেছে। এই কাজের ভূমিকা প্রমাণ করে কীভাবে ভঙ্গুর অঞ্চলে নারী-নেতৃত্ব স্থায়ী শান্তি ও স্থিতিশীলতায় অবদান রাখতে পারে।

  • Ramakrishna 599: “মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!”

    Ramakrishna 599: “মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    পূর্ণজ্ঞান—দেহ ও আত্মা আলাদা—শ্রীমুখ-কথিত চরিতামৃত

    পূর্বকথা—মিয়জিয়াম দর্শন ও পীড়ার সময় প্রার্থনা 

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—অনেকদিন হল,—আমার তখন খুব ব্যামো। কালীঘরে বসে আছি,—মার কাছে প্রার্থনা করতে ইচ্ছা হল! কিন্তু ঠিক আপনি বলতে পাল্লাম না। বললুম,—মা হৃদে বলে তোমার কাছে ব্যামোর কথা বলতে। আর বেশি বলতে পাল্লাম না—বলতে বলতে অমনি দপ্‌ করে মনে এলো সুসাইট্‌ (Asiatic Society’s Museum) সেখানকার তারে বাঁধা মানুষের হাড়ের দেহ (Skeleton) অমনি বললুম (Kathamrita), মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!

    “প্রথম প্রথম হৃদে বলেছিল,—হৃদের অণ্ডার (under) ছিলাম কি না—‘মার কাছে একটু ক্ষমতা চেও।’ কালীঘরে ক্ষমতা চাইতে গিয়ে দেখলাম ত্রিশ-পঁয়ত্রিশ বছরের রাঁড়—কাপড় তুলে ভড়ভড় করে হাগছে। তখন হৃদের উপর রাগ হল—কেন সে সিদ্ধাই চাইতে শিখিয়ে দিলে।”

    শ্রীযুক্ত রামতারণের গান — ঠাকুরের ভাবাবস্থা

    গান:

    আমার এই সাধের বীণে, যত্নে গাঁথা তারের হার ৷
    যে যত্ন জানে, বাজায় বীণে, উঠে সুধা অনিবার ॥
    তানে মানে বাঁধলে ডুরী, শত ধারে বয় মাধুরী ৷
    বাজে না আলগা তারে, টানে ছিঁড়ে কোমল তার ॥

    ডাক্তার (গিরিশের প্রতি) — গান এ-সব কি অরিজিন্যাল (নূতন)?

    গিরিশ — না, Edwin Arnold-এর thought (আর্নল্ড সাহেবের ভাব লয়ে গান)।

    রামতারণ প্রথমে বুদ্ধরচিত হইতে গান গাহিতেছেন (Kathamrita):

    জুড়াইতে চাই, কোথায় জুড়াই,
    কোথা হতে আসি, কোথা ভেসে যাই।
    ফিরে ফিরে আসি, কত কাঁদি হাসি,
    কোথা যাই সদা ভাবি গো তাই ॥
    কর হে চেতন, কে আছে চেতন,
    কত দিনে আর ভাঙিবে স্বপন?
    কে আছে চেতন, ঘুমায়ো না আর,
    দারুণ এ-ঘোর নিবিড় আঁধার,
    কর তম নাশ, হও হে প্রকাশ,
    তোমা বিনা আর নাহিক উপায়,
    তব পদে তাই শরণ চাই ॥

    এই গান শুনিতে শুনিতে ঠাকুর ভাবাবিষ্ট হইয়াছেন।

    গান—কোঁ কোঁ কোঁ বহরে ঝড়।

    সূর্যের অন্তর্যামী দেবতাদর্শন

    এই গানটি সমাপ্ত হইলে ঠাকুর বলিতেছেন (Ramakrishna), “এ কি করলে! পায়েসের পর নিম ঝোল! —

    “যাই গাইলে—‘কর তম নাশ’, অমনি দেখলাম সূর্য—উদয় হবা মাত্র চারদিকের অন্ধকার ঘুচে গেল! আর সেই সূর্যের পায়ে সব শরণাগত হয়ে পড়ছে!”

    রামতারণ আবার গাইতেছেন:

    (১)   —   দীনতারিণী দূরিতবারিণী, সত্ত্বরজঃতমঃ ত্রিগুণধারিণী,
    সৃজন পালন নিধনকারিণী, সগুণা নির্গুণা সর্বস্বরূপিণী।

    (২)   —   ধরম করম সকলি গেল, শ্যামাপূজা বুঝি হল না!
    মন নিবারিত নারি কোন মতে, ছি, ছি, কি জ্বালা বল না ॥

    এই গান শুনিয়া ঠাকুর (Ramakrishna) আবার ভাবাবিষ্ট হইলেন।

    রাঙা জবা কে দিলে তোর পায়ে মুঠো মুঠো।

  • Tamal Roy Chowdhury: ঘুমের মধ্যেই স্ট্রোক, প্রয়াত প্রবীণ অভিনেতা তমাল রায়চৌধুরী, চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া

    Tamal Roy Chowdhury: ঘুমের মধ্যেই স্ট্রোক, প্রয়াত প্রবীণ অভিনেতা তমাল রায়চৌধুরী, চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলা চলচ্চিত্র ও নাট্যজগতের (Tollywood Actor) এক পরিচিত মুখ, বিশিষ্ট অভিনেতা তমাল রায়চৌধুরী (Tamal Roy Chowdhury) আর নেই। বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা এবং শারীরিক নানা জটিলতার কারণে রবিবার রাতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। তাঁর প্রয়াণে টলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দীর্ঘ কয়েক দশকের অভিনয় জীবনে তিনি তাঁর সাবলীল অভিনয় এবং গম্ভীর কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছিলেন। জানা গিয়েছে তাঁর ঘুমের মধ্যেই আচমকা স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর প্রয়াণে চলচ্চিত্র জগতে শোকের ছায়া। আসুন এক নজরে দেখে নিই তাঁর বর্ণময় জীবন ও কর্ম সম্পর্কে।

    চলচ্চিত্র ও মঞ্চ (Tamal Roy Chowdhury)

    কেবল রুপালি পর্দায় নয়, পেশাদার থিয়েটার বা মঞ্চেও তমাল (Tamal Roy Chowdhury) ছিলেন সমানভাবে জনপ্রিয়। বহু কালজয়ী নাটকে তাঁর অভিনয় আজও দর্শকদের মনে অমলিন। চরিত্রাভিনেতা হিসেবে তাঁর পরিচিতি দর্শকের মন জয় করে নিয়েছিল। সত্যজিৎ রায়ের ‘শাখা-প্রশাখা’ থেকে শুরু করে সমসাময়িক বহু বাণিজ্যিক ও শৈল্পিক চলচ্চিত্রে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দেখা গিয়েছে। পার্শ্বচরিত্রেও যে গভীর প্রভাব ফেলা যায়, তিনি ছিলেন উজ্জ্বল উদাহরণ। তাঁর অভিনীত (Tollywood Actor) সিনেমার তালিকায় রয়েছে ‘চ্যালেঞ্জ’, ‘লে হালুয়া লে’, ‘বিন্দাস’, ‘জাতিশ্মর’, ‘অ্যামাজন অভিযান’ এবং ‘চাঁদের পাহাড়’। সবশেষে তাঁকে দেখা গিয়েছিল পরিচালক তথাগত মুখোপাধ্যায়ের ছবি ‘ভটভটি’-তে। টেলিভিশন জগৎ-এর বড় পর্দার পাশাপাশি বাংলা ছোটপর্দাতেও তিনি ছিলেন এক অতি পরিচিত মুখ। অসংখ্য জনপ্রিয় মেগা সিরিয়ালে তাঁর বলিষ্ঠ উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করত। ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন নাটকের দলে অভিনয় করতেন। পাড়ার নাটকেও তাঁর অভিনয় দেখে প্রশংসা করতেন সবাই। ১৯৬২ সাল থেকে থিয়েটারের প্রতি তাঁর উৎসাহ আরও বাড়তে শুরু করে। দীর্ঘদিন ধরে সিনেমা, নাটক এবং বিনোদনের জগতে কাজ করে গিয়েছেন।

    শোকবার্তা ও শেষ বিদায়

    আর্টিস্ট ফোরামের তরফে তমাল রায় চৌধুরীর (Tamal Roy Chowdhury) প্রয়াণের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোক প্রকাশ করেছেন টলিউডের বিশিষ্ট অভিনেতা, পরিচালক এবং কলাকুশলীবৃন্দ। অনেকের মতেই, তমাল রায়চৌধুরীর চলে যাওয়া মানে একটি যুগের অবসান এবং অভিনয় জগতের এক অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর অনুরাগী এবং সহকর্মীরা সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের প্রিয় অভিনেতার (Tollywood Actor) প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। প্রথাগত নিয়ম মেনেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার কথা। বাংলা সংস্কৃতি জগতের এই নিষ্ঠাবান শিল্পীর প্রয়াণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।

  • West Bengal Assembly Election: রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি, ১-২ দফায় ভোটের আর্জি

    West Bengal Assembly Election: রাজ্যে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনের দ্বারস্থ বিজেপি, ১-২ দফায় ভোটের আর্জি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ বর্তমানে কলকাতায় এসেছে। সোমবার সকালে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কমিশনের প্রতিনিধিদের যে বৈঠক হয়েছে, সেখানে ভারতীয় জনতা পার্টির (Bengal BJP) পক্ষ থেকে একগুচ্ছ সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে মূলত অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং ভীতিমুক্ত নির্বাচনী পরিবেশ তৈরির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।

    সংক্ষিপ্ত দফায় নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)

    বিজেপির (Bengal BJP) পক্ষ থেকে কমিশনকে অনুরোধ করা হয়েছে যাতে রাজ্যজুড়ে নির্বাচন (West Bengal Assembly Election) প্রক্রিয়া ১ থেকে ২ দফার মধ্যে সম্পন্ন করা হয়। তাদের মতে, পর্যাপ্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে দ্রুত ভোট গ্রহণ শেষ করলে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো সম্ভব হতে পারে। উল্লেখ্য ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোট ৮ দফায় ভোট হয়েছিল। যদিও সেই সময় নির্বাচন চলাকালীন এবং নির্বাচন উত্তর হিংসার রূপ মারাত্মক আকার নিয়েছিল। তাই বিজেপি হিংসামুক্ত করার দাবিতে অনড়।

    ১৬ দফা দাবি

    এদিন বিজেপির (Bengal BJP) তরফে প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন তাপস রায়, শিশির বাজোরিয়া এবং জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়৷ কমিশনের ফুল বেঞ্চের সামনে নির্বাচন নিয়ে (West Bengal Assembly Election) ১৬ দফা দাবি পেশ করেছে বিজেপি। কমিশনকে জানানো হয়, ৭-৮ দফায় নির্বাচন করা দরকার নেই। সেনসিনিটিভ বুথ চিহ্নিত করা প্রয়োজন৷ রাজ্য পুলিশ যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করছে, তা নিয়েও কমিশনের কাছে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বিজেপির প্রতিনিধি দল।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর কার্যকর ব্যবহার

    এদিন রাজ্য বিজেপির তরফে নির্বাচন কমিশনের কাছে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে যথাযথ ভাবে ব্যবহার করার কথা জানানো হয়েছে। প্রতিটি বুথে কেবল রাজ্য পুলিশ নয়, বরং কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী (CAPF) মোতায়েন করার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া বুথের বাইরেও যাতে বাহিনী টহল দেয়, সে বিষয়ে কমিশনকে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। ভোট কেন্দ্রে (West Bengal Assembly Election) কোনও ভাবেই দুষ্কৃতীদের দ্বারা যাতে ভোট লুট না হয় সেই বিষয়েও আবেদন করা হয়।

    ভোটার তালিকা সংশোধন

    ভোটার তালিকায় নাম বাদ যাওয়া বা ভুয়া নাম থাকা নিয়ে বিজেপির পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এবারের বিধানসভায় যাতে একটি ত্রুটিমুক্ত এবং স্বচ্ছ ভোটার তালিকা নিশ্চিত করা হয় সেই দিকে নজর দিয়ে জোরালো দাবি করেছে বিজেপি।

    নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা

    ভোটের সময় স্থানীয় প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের প্রয়োজনীয়তা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও বিজেপি সরব হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ সোমবার দিনভর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার পর বিকেলে রাজ্যের প্রশাসনিক ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। বিজেপির এই ১-২ দফায় ভোট (West Bengal Assembly Election) করানোর প্রস্তাব নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধেই নানামুখী আলোচনা শুরু হয়েছে, কারণ সাধারণত পশ্চিমবঙ্গে বড় নির্বাচনগুলো বেশ কয়েকটি দফায় অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।

    ভারতের নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ যখন পশ্চিমবঙ্গ সফরে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময়েই রাজ্যের এক রাজনৈতিক নেতার বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-এর উদ্দেশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নানা সময়ে অভব্য মন্তব্য করে সাংবিধানিক পদকে অপমান করেছেন বলে বার বার বিজেপি সরব হয়েছে।

    কল্যাণের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপের দাবি

    সম্প্রতি তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে লক্ষ্য করে অত্যন্ত অবমাননাকর ও প্রচ্ছন্ন হুমকিমূলক ভাষা প্রয়োগ করেছেন। শুধু তাই নয় জ্ঞানেশ কুমারের ‘আঙুল কাটা’-র মতো উস্কানি মন্তব্য করেছেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। বিজেপি (Bengal BJP) দাবি করেছে এই আচরণ অগণতান্ত্রিক এবং শিষ্টাচারবহির্ভূত বলে। এই বিষয়টি নিয়ে সরাসরি নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে। তাঁদের মতে, সাংবিধানিক পদের অধিকারী কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে এ ধরনের কুরুচিকর আক্রমণ কেবল ব্যক্তিগত অপমান নয়, বরং নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও মর্যাদাকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা।

  • Gyanesh kumar: নির্বাচন প্রস্তুতির পর্যালোচনায় রাজ্যে কমিশনের ফুল বেঞ্চ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ম্যারাথন বৈঠক

    Gyanesh kumar: নির্বাচন প্রস্তুতির পর্যালোচনায় রাজ্যে কমিশনের ফুল বেঞ্চ, জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে ম্যারাথন বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) নির্ঘণ্ট ঘোষণার প্রাক্কালে রাজ্যের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে তিন দিনের সফরে কলকাতায় পৌঁছেছেন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমার-এর (Gyanesh kumar) নেতৃত্বে এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলটি রবিবার রাতেই শহরে পদার্পণ করে। আজ, সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে কমিশনের ব্যস্ত কর্মসূচি। মূলত আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং ভোটগ্রহণের প্রশাসনিক প্রস্তুতি যাচাই করাই এই সফরের মূল লক্ষ্য।

    বৈঠকের সময় সূচি কেমন (Gyanesh kumar)?

    ৯ মার্চ সোমবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে বৈঠক এবং পর্যালোচনা। সকাল ১০টায় স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠক করেন কমিশনের সদস্যরা। মাঝে ৩০ মিনিটের বিরতি। এরপর দুপুর ১২টা থেকে ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কমিশনকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানানো হয়। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট থেকে ১২টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগারওয়াল। তারপর ১২টা ৫৫ মিনিট থেকে ১টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত কমিশনের পক্ষ থেকে উদ্বোধনী বক্তব্য। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২টো ১৫ মিনিট পর্যন্ত বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার শীর্ষ আধিকারিক এবং এসএসপি-এসপি পর্যায়ের আধিকারিকদের (Gyanesh kumar) সঙ্গে নির্বাচনের (West Bengal Election 2026) প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা রয়েছে। এরপর মাঝে একটা বিরতি থাকবে এবং শেষে ৩টে ১৫ মিনিট থেকে আবার বৈঠক রয়েছে কমিশনের। বিষয় থাকবে নির্বাচন প্রস্তুতির বিস্তারিত বৈঠক।

    রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতবিনিময়

    আজ সকালে প্রথমেই স্বীকৃত রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন কমিশনের কর্তারা। নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দলের অভিযোগ ও পরামর্শ শোনা হয় এই অধিবেশনে। এই সঙ্গে প্রশাসনিক ও পুলিশি পর্যালোচনা করার কথাও হয়েছে। দুপুরে রাজ্যের সব জেলার জেলাশাসক (DM) এবং পুলিশ সুপারদের (SP) সঙ্গে বৈঠকে বসেন জ্ঞানেশ কুমার। নির্বাচনী প্রস্তুতি (West Bengal Election 2026), বুথের পরিকাঠামো এবং স্পর্শকাতর এলাকাগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সফরের দ্বিতীয় ভাগে রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং রাজ্য পুলিশের মহানির্দেশকের (DGP) সঙ্গেও কমিশনের সদস্যদের বৈঠক করার কথা রয়েছে।

    কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন

    আজকের এই বৈঠকে রাজ্যের বিধানসভা (West Bengal Election 2026) ভোটকে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে রাজ্যে কত সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন এবং তাদের মোতায়েনের কৌশল নিয়েও এই সফরে চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ভোটার তালিকায় নাম সংশোধন ও অন্তর্ভুক্তি (SIR) নিয়ে সম্প্রতি যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা নিয়েও কমিশনের এই সফরে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ১০ মার্চ সফর শেষ করে দিল্লিতে ফিরে যাওয়ার পরই রাজ্যে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল ভাবে রয়েছে।

  • Ramakrishna 598: “কামিনী-কাঞ্চনের উপর ভালবাসা যদি একেবারে চলে যায়, তাহলে ঠিক বুঝতে পারা যায় যে দেহ আলাদা আর আত্মা আলাদা”

    Ramakrishna 598: “কামিনী-কাঞ্চনের উপর ভালবাসা যদি একেবারে চলে যায়, তাহলে ঠিক বুঝতে পারা যায় যে দেহ আলাদা আর আত্মা আলাদা”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    একাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৩শে অক্টোবর
    পূর্ণজ্ঞান—দেহ ও আত্মা আলাদা—শ্রীমুখ-কথিত চরিতামৃত

    সন্ধ্যা হইল। শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) শয্যায় বসিয়া মার চিন্তা ও নাম করিতেছেন। ভক্তেরা অনেকে তাঁহার কাছে নিঃশব্দে বসিয়া আছেন।

    কিয়ৎক্ষণ পরে ডাক্তার সরকার আসিয়া উপস্থিত হইলেন। ঘরে লাটু, শশী, শরৎ, ছোট নরেন, পল্টু, ভূপতি, গিরিশ প্রভৃতি অনেক ভক্তেরা আসিয়াছেন (Kathamrita)। গিরিশের সঙ্গে স্টার থিয়েটারের শ্রীযুক্ত রামতারণ আসিয়াছেন—গান গাইবেন।

    ডাক্তার (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি) — কাল রাত তিনটার সময় আমি তোমার জন্য বড় ভেবেছিলাম। বৃষ্টি হল, ভাবলুম দোর-টোর খুলে রেখেছে — না কি করেছে, কে জানে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)  ডাক্তারের স্নেহ দেখিয়া প্রসন্ন হইয়াছেন। আর বলিতেছেন, বল কিগো!

    “যতক্ষণ দেহটা আছে ততক্ষণ যত্ন করতে হয়।

    “কিন্তু দেখছি যে এটা আলাদা। কামিনী-কাঞ্চনের উপর ভালবাসা যদি একেবারে চলে যায়, তাহলে ঠিক বুঝতে পারা যায় যে দেহ আলাদা আর আত্মা আলাদা। নারকেলের জল সব শুকিয়ে গেলে মালা আলাদা, আঁস আলাদা হয়ে যায়। তখন নারকেল টের পাওয়া যায় — ঢপর ঢপর করছে। যেমন খাপ আর তরবার—খাপ আলাদা, তরবার আলাদা।

    “তাই দেহের অসুখের জন্য তাঁকে বেশি বলতে পারি না।”

    গিরিশ—পণ্ডিত শশধর বলেছিলেন (Kathamrita), ‘আপনি সমাধি অবস্থায় দেহের উপর মনটা আনবেন,—তাহলে অসুখ সেরে যাবে। ইনি ভাবে ভাবে দেখলেন যে শরীরটা যেন ধ্যাড় ধ্যাড় করছে।

    পূর্বকথা—মিয়জিয়াম দর্শন ও পীড়ার সময় প্রার্থনা

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna) —অনেকদিন হল,—আমার তখন খুব ব্যামো। কালীঘরে বসে আছি,—মার কাছে প্রার্থনা করতে ইচ্ছা হল! কিন্তু ঠিক আপনি বলতে পাল্লাম না। বললুম,—মা হৃদে বলে তোমার কাছে ব্যামোর কথা বলতে। আর বেশি বলতে পাল্লাম না—বলতে বলতে অমনি দপ্‌ করে মনে এলো সুসাইট্‌ (Asiatic Society’s Museum) সেখানকার তারে বাঁধা মানুষের হাড়ের দেহ (Skeleton) অমনি বললুম, মা, তোমার নামগুণ করে বেড়াব—দেহটা একটু তার দিয়ে এঁটে দাও, সেখানকার মতো! সিদ্ধাই চাইবার জো নাই!

  • Vande Mataram: খ্রিষ্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রধান নাগাল্যান্ডে বন্দে মাতরম গানে তীব্র আপত্তি, গাওয়া যাবে না গান!

    Vande Mataram: খ্রিষ্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রধান নাগাল্যান্ডে বন্দে মাতরম গানে তীব্র আপত্তি, গাওয়া যাবে না গান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার নাগাল্যান্ডে (Nagaland) নাগা পিপলস ফ্রন্ট (এনপিএফ) দেশাত্মবোধক গান বন্দে মাতরমের (Vande Mataram) তীব্র বিরোধিতা করেছে । এই রাজনৈতিক দলটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং রাজ্য বিধানসভায় এই গানটি বাধ্যতামূলকভাবে গাওয়াকে “জোরপূর্বক চাপিয়ে দেওয়া” বলে অভিহিত করেছে। তাদের দাবি, এই গানটি নাগাল্যান্ডের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক পরিচয়ের পক্ষে হুমকিস্বরূপ।

    সুরক্ষার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ (Vande Mataram)

    সূত্রের খবর, এনপিএফ কোহিমায় দলের কেন্দ্রীয় সদর দফতর থেকে একটি প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে দাবি করেছে, বন্দে মাতরম (Vande Mataram) গান রাজ্যের জনগণের জন্য বন্ধুত্বপূর্ণ নয়। যেখানে খ্রিস্টান সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যা রয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে এটি ভারতের সংবিধানের অধীনে নিশ্চিত মৌলিক অধিকারগুলিকে ক্ষুণ্ণ করবে। আবার রাজ্যে বিজেপির জোটসঙ্গী এনপিএফ এই সিদ্ধান্তকে ৩৭১এ ধারার অধীনে রাজ্যকে প্রদত্ত বিশেষ সাংবিধানিক সুরক্ষার সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে বর্ণনা করেছে, যার লক্ষ্য নাগা জনগণের ধর্মীয় ও প্রথাগত রীতিনীতি রক্ষা করা।

    রাজ্যের (Nagaland) শাসক দলের পক্ষে আরও বলা হয়েছে, যেহেতু রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠই খ্রিস্টান ধর্মের, তাই বন্দে মাতরম তাদের বিবেক এবং বিশ্বাসের সঙ্গে খাপ খায় না। কারণ গানটিতে হিন্দু দেবদেবীদের উল্লেখ রয়েছে। নাগরিকদের ধর্মীয় বিশ্বাস ভারতের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোর চেতনার পরিপন্থী। তাই কেন্দ্রীয় সরকারকে গানটি গাইতে বাধ্য করার পদক্ষেপ পুনর্বিবেচনা করতে হবে।

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বন্দে মাতরম গাওয়ার নির্দেশিকা

    গত জানুয়ারি মাসে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বন্দে মাতরম (Vande Mataram) গাওয়ার জন্য প্রোটোকল জারি করে একটি নির্দেশিকা দিয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের এই গানের পূর্ণাঙ্গ সংস্করণটি জাতীয় সঙ্গীত ‘জন গণ মন’-এর আগে গাইতে হবে। সরকারি অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হলে শ্রোতাদের মনোযোগ সহকারে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। মন্ত্রকের নির্দেশ, রাষ্ট্রপতির আগমন, তেরঙ্গা উত্তোলন এবং রাজ্যপালদের বক্তৃতার মতো সরকারি অনুষ্ঠানে এই পূর্ণাঙ্গ সংস্করণটি বাজাতে হবে। সমস্ত স্কুলে জাতীয় সঙ্গীতের পর এই গানের মাধ্যমে দিনের কাজ শুরু করতে হবে।”

    রাজ্যপালের ভাষণের পর থেকেই বিরোধিতা শুরু

    নাগাল্যান্ড (Nagaland) বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের প্রথম অধিবেশনে রাজ্যপাল অজয় ​​কুমার ভাল্লার ভাষণের সময় গানটি (Vande Mataram) বাজানোর সময় গানটি নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। পরের দিন, বিধায়করা সংসদে এই পদক্ষেপের বিরোধিতা করেন। এর ফলে শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী নেফিউ রিও, যিনি এনপিএফ-এর সদস্য, “বিবেচিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে” বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং আইনি পরামর্শের জন্য সংসদের একটি সিলেক্ট কমিটির কাছে পাঠানোর প্রস্তাব করেন। প্রসঙ্গত, রাজ্যে মুসলিম গোষ্ঠী, গির্জা কর্তৃপক্ষ এবং বেশ কয়েকটি ছাত্র সংগঠন দেশাত্মবোধক গানটির বিরোধিতা করছে।

LinkedIn
Share