Author: suman-das

  • Banaras Road Rail Over Bridge: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান! গতি পাচ্ছে হাওড়ার বেনারস রোড রেল ওভার ব্রিজ প্রকল্প; আজ থেকে ভারী যান চলাচল নিষিদ্ধ

    Banaras Road Rail Over Bridge: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান! গতি পাচ্ছে হাওড়ার বেনারস রোড রেল ওভার ব্রিজ প্রকল্প; আজ থেকে ভারী যান চলাচল নিষিদ্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর হাওড়াবাসীর দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে গতি পেতে চলেছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বেনারস রোড রেল ওভার ব্রিজ (Banaras Road Rail Over Bridge) প্রকল্প। আজ, রবিবার থেকেই সালকিয়া এবং লিলুয়ার বামুনগাছির সংযোগকারী এই ঐতিহাসিক সেতুতে ভারী ও মাঝারি ধরনের সব রকম যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। রেল (Railway) ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণের এই সিদ্ধান্তের ফলেই দীর্ঘদিন ধরে থমকে থাকা নতুন সেতুর সংযোগকারী রাস্তা বা ‘অ্যাপ্রোচ রোড’ নির্মাণের মূল কাজ শুরু করা সম্ভব হবে।

    সেতুটির কাঠামো অত্যন্ত জীর্ণ ও বিপজ্জনক (Banaras Road Rail Over Bridge)

    ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এই বেনারস ব্রিজটি উত্তর হাওড়ার অন্যতম প্রধান জীবনরেখা। প্রতিদিন সালকিয়া, লিলুয়া, বামুনগাছি-সহ বিস্তীর্ণ এলাকার হাজার হাজার মানুষ এবং অসংখ্য যানবাহন এই সেতুর ওপর দিয়েই যাতায়াত করে। তবে দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে সেতুটির কাঠামো অত্যন্ত জীর্ণ ও বিপজ্জনক হয়ে পড়েছিল। বিশেষজ্ঞদের পক্ষ থেকে বার বার সেতুর দুর্বলতার বিষয়টি সামনে আনার পর, পূর্ব রেল (Railway) এখানে একটি নতুন সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।

    রেল (Railway) সূত্রের খবর, নতুন সেতুর মূল কাঠামোর সিংহভাগ কাজ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। তবে মূল জটিলতা তৈরি হয়েছিল অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণ নিয়ে। ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সমস্যার কারণে এই কাজ শুরুই করা যাচ্ছিল না। এই সড়ক নির্মাণের জন্য সেতুর (Banaras Road Rail Over Bridge) ওপর যানবাহন চলাচলে আংশিক বা সম্পূর্ণ বিধিনিষেধ আরোপের প্রয়োজন ছিল। রেল কর্তৃপক্ষ একাধিক বার প্রশাসনের কাছে এর অনুমতি চাইলেও, দীর্ঘদিন ধরে সেই প্রক্রিয়াটি ঝুলে ছিল বলে অভিযোগ।

    ভারী ও মাঝারি গাড়ির প্রবেশ নিষিদ্ধ

    তবে রাজ্যে প্রশাসনিক পটপরিবর্তনের পর এই থমকে থাকা প্রকল্পের জট কাটে। প্রশাসন, রেল এবং ট্র্যাফিক বিভাগের মধ্যে বেশ কয়েকটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর ধাপে ধাপে ট্র্যাফিক (Banaras Road Rail Over Bridge) নিয়ন্ত্রণ করে প্রকল্পের বাকি কাজ দ্রুত শেষ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আজ থেকে বেনারস ব্রিজে ভারী ও মাঝারি গাড়ির প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হলো। এর আগেই এই রুট দিয়ে বাস চলাচল বন্ধ করা হয়েছিল।

    তবে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতে যাতে বড় ধরনের ভোগান্তি না হয়, সে কথা মাথায় রেখে আপাতত টোটো, রিকশা, মোটরবাইক এবং অন্যান্য হালকা যান চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আগামী প্রায় দু’মাস ধরে এই অ্যাপ্রোচ রোড নির্মাণের কাজ চলবে। এই সময়ে কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী পর্যায়ে নির্দিষ্ট কিছু সময়ের জন্য সেতুতে সম্পূর্ণ ট্র্যাফিক ব্লক করা হতে পারে, যাতে বাকি পরিকাঠামোগত কাজ দ্রুত শেষ করা যায়। সব কিছু ঠিকঠাক চললে খুব শিগগিরই নতুন সেতুটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

    নিরাপদ ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা পাবেন (Banaras Road Rail Over Bridge)

    এই মেগা প্রজেক্টের কাজ শুরু হওয়া প্রসঙ্গে উত্তর হাওড়ার বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাই বলেন, “পূর্ববর্তী প্রশাসনের আমলে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হলেও, রেলকে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক সহযোগিতা করা হয়নি। সেই উদাসীনতার কারণেই বামুনগাছি-বেনারস ব্রিজ এবং বাঙালবাবু-চাঁদমারি ব্রিজের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলি দীর্ঘদিন ধরে আটকে পড়েছিল। তবে আমাদের সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, ধাপে ধাপে ট্র্যাফিক নিয়ন্ত্রণ করে দ্রুত সমস্ত কাজ সম্পূর্ণ করা হবে। মানুষের সাময়িক কিছু অসুবিধা হলেও, ভবিষ্যতে তাঁরা আরও নিরাপদ ও উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা পাবেন।”

    প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে একবাক্যে স্বাগত জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারাও। দীর্ঘদিন ধরে জীর্ণ ও দুর্বল সেতুর কারণে যেমন দুর্ঘটনার আশঙ্কা ছিল, তেমনই নিত্যদিনের যানজটের সমস্যায় ভুগতে হচ্ছিল সাধারণ মানুষকে। স্থানীয়দের মতে, নতুন সেতুটি পুরোপুরি চালু হলে শুধু যাতায়াতের সময়ই কমবে না, বরং উত্তর হাওড়ার বিস্তীর্ণ এলাকার অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক আমূল পরিবর্তন আসবে। ব্যবসা-বাণিজ্য, পরিবহণ এবং জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রেও এর অত্যন্ত ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। দীর্ঘমেয়াদি সুফলের স্বার্থে এই সাময়িক অসুবিধা মেনে নিতে সানন্দেই প্রস্তুত হাওড়াবাসী।

  • Abhishek Banerjee: “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একজন একনায়ক, তাঁর জন্যই দল ভাঙছে”, বিস্ফোরক অভিযোগে TMC সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সম্পাদক আজমল সিদ্দিকী

    Abhishek Banerjee: “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একজন একনায়ক, তাঁর জন্যই দল ভাঙছে”, বিস্ফোরক অভিযোগে TMC সংখ্যালঘু সেলের রাজ্য সম্পাদক আজমল সিদ্দিকী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে সদ্য ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ঘাসফুল শিবিরের অভ্যন্তরীণ সংকট আরও তীব্র হলো। এবার দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে একনায়কতন্ত্র ও চরম দুর্নীতির অভিযোগ এনে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) থেকে পদত্যাগ করলেন দলের রাজ্য সংখ্যালঘু সেলের সম্পাদক আজমল সিদ্দিকী। শনিবার তিনি তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে পদত্যাগপত্র পাঠান। একই সঙ্গে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee) ‘একনায়ক’ আখ্যা দিয়ে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি।

    হজ যাত্রা শেষ করে মাত্র দুদিন আগেই কলকাতায় ফিরেছেন আজমল সিদ্দিকী। ফিরে এসেই দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন এই সংখ্যালঘু নেতা। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি দলের বর্তমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন।

    “একজনের অহংকারেই দল ধ্বংস হচ্ছে (Abhishek Banerjee)

    পদত্যাগ করার পর সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কাঠগড়ায় তুলেছেন আজমল সিদ্দিকী। তিনি বলেন, “আজ তৃণমূল কংগ্রেস যদি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ার মুখে দাঁড়িয়ে থাকে, তবে তার জন্য দায়ী শুধুমাত্র একজন মানুষ— তিনি হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ওঁর একনায়কতান্ত্রিক মনোভাব এবং আমাদের ওপর চালানো দমনপীড়ন আর সহ্য করা যাচ্ছিল না। ১২-১৩ বছর পুরনো মিথ্যে মামলা (TMC) দিয়ে আমাদের হেনস্থা করা হয়েছে, টাকা দাবি করা হয়েছে, যা অত্যন্ত অসহনীয়।”

    নানারকম অনৈতিক কাজ ও কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত

    তৃণমূলে (TMC) এখন আর কোনও কাজ করার পরিবেশ নেই দাবি করে তিনি আরও বলেন, “হজ থেকে ফেরার পরই আমি সিদ্ধান্ত নিই যে এই দল এখন কেবলই কলঙ্ক বয়ে আনছে। দলের অধিকাংশ সদস্যই নানারকম অনৈতিক কাজ ও কেলেঙ্কারির সঙ্গে যুক্ত। একের পর এক দুর্নীতি সামনে আসছে, ভবিষ্যতে আরও আসবে। এই দলে থাকা আমাদের জন্য অত্যন্ত অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছিল, কারণ মানুষের জন্য এখানে কোনও প্রকৃত কাজ হচ্ছে না।”

    তোষামোদকারীদের গুরুত্ব, ব্রাত্য যোগ্যরা

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাঠানো চিঠিতে আজমল সিদ্দিকী উল্লেখ করেছেন যে, গত কয়েক বছর ধরে দলে একনায়কতন্ত্র (TMC) কায়েম হয়েছে এবং দলের পুরনো ও নিষ্ঠাবান কর্মীদের ক্রমাগত কোণঠাসা করা হচ্ছে। দলীয় স্তরে যোগ্যতার কোনো মূল্যায়ন নেই অভিযোগ করে তিনি বলেন, “এটি এখন শুধু নামেই একটি দল, এখানে ভালো উদ্দেশ্য নিয়ে কোনো কাজ করা অসম্ভব। যারা কেবল তোষামোদ বা চাটুকারিতা করে ওপরে উঠেছে, তারাই এখন দলে রাজত্ব করছে। তৃণমূলের যে গণতান্ত্রিক চরিত্র ছিল, যেখানে আলোচনা ও সম্মিলিত সিদ্ধান্তের সুযোগ থাকত, তা এখন পুরোপুরি বিলুপ্ত (Abhishek Banerjee)।”

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে ধোঁয়াশা

    তৃণমূল ছাড়ার পর তিনি ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP) বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন কিনা, তা নিয়ে অবশ্য এখনই খোলসা করতে চাননি আজমল। তিনি (Abhishek Banerjee) জানান, “ভবিষ্যত নিয়ে এখনই কিছু ভাবিনি। আমাদের একমাত্র লক্ষ্য হলো বাংলার উন্নয়ন—রাজ্যে শিল্প আসুক, গরিব মানুষের কর্মসংস্থান হোক, এটাই আমরা চাই।”

    উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের (TMC) অন্দরে যে চরম বিদ্রোহ শুরু হয়েছে, আজমলের পদত্যাগ তাকে আরও উস্কে দিল। এর আগে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ৫৮ জন বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়ক বিধানসভায় পৃথক বিরোধী গোষ্ঠী হিসেবে স্পিকারের স্বীকৃতি পেয়েছেন। সেই রাজনৈতিক ডামাডোলের মধ্যেই সংখ্যালঘু সেলের এই হেভিওয়েট নেতার পদত্যাগ এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরাসরি আক্রমণ জোড়া-ফুল শিবিরের অস্বস্তি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • RSS: সঙ্ঘের ‘শতাব্দী বর্ষ’ উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের পারস্পরিক ঐক্যের সঙ্কল্প, বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেসের আয়োজন মুম্বইয়ে

    RSS: সঙ্ঘের ‘শতাব্দী বর্ষ’ উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের পারস্পরিক ঐক্যের সঙ্কল্প, বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেসের আয়োজন মুম্বইয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হিন্দু সমাজের নেতৃত্ব, চিন্তাবিদ, শিল্পোদ্যোগী, নীতিনির্ধারক, শিক্ষাবিদ এবং সমাজকর্মীদের অন্যতম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক মঞ্চ ‘বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেস’ (WHC) এবার অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভারতে। ১৮ থেকে ২০ ডিসেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত তিন দিনব্যাপী এই মেগা সম্মেলন বসবে মুম্বইয়ের ঐতিহ্যবাহী জিও ওয়ার্ল্ড কনভেনশন সেন্টারে। বিশ্বমঞ্চে হিন্দু সমাজের জাগরণ, অন্তর্ভুক্তিমূলক অগ্রগতি এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের ভিত্তিতে যৌথ কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণই এই আয়োজনের প্রধান লক্ষ্য। এবারের সম্মেলনের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দিক হল, ২০২৬ সালটি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের (RSS) শতবর্ষ পূর্তি তথা ‘শতাব্দী বর্ষ’। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তকে সামনে রেখে ২০২৬ বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেসের মূল ভাবনা বা থিম নির্ধারণ করা হয়েছে— “সমানং ব্রতং সহ চিত্তম” (Shared Commitment: Collective Resolve)। অর্থাৎ, বৈশ্বিক স্তরে হিন্দুদের পারস্পরিক ঐক্য, অভিন্ন সঙ্কল্প এবং সম্মিলিত প্রয়াসকে আরও শক্তিশালী করাই এর উদ্দেশ্য।

    দায়িত্বে অজয় পিরামল (WHC)

    এবারের বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেসের চেয়ারম্যান (WHC) বা সভাপতি মনোনীত হয়েছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি তথা পিরামল গ্রুপের চেয়ারম্যান শ্রী অজয় পিরামল। তাঁর সঙ্গে কো-চেয়ারম্যান বা সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন শ্রী বিশদ মফাতলাল এবং শ্রী মহেশ ভাগচন্দকা। সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, তিন দিনব্যাপী এই মূল অধিবেশনের পাশাপাশি সমান্তরালভাবে সাতটি বিশেষ ক্ষেত্রে পৃথক কনফারেন্স বা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই ক্ষেত্রগুলি হল:

    • ওয়ার্ল্ড হিন্দু ইকোনমিক ফোরাম (অর্থনৈতিক মঞ্চ)
    • হিন্দু এডুকেশন কনফারেন্স (শিক্ষা)
    • হিন্দু মিডিয়া কনফারেন্স (গণমাধ্যম)
    • হিন্দু পলিটিক্যাল কনফারেন্স (রাজনীতি)
    • হিন্দু উইমেন কনফারেন্স (মহিলা নেতৃত্ব)
    • হিন্দু ইয়ুথ কনফারেন্স (যুব সমাজ)
    • হিন্দু অর্গানাইজেশনাল কনফারেন্স (প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি)

    বিশ্বমঞ্চে ক্রমবর্ধমান প্রভাব

    সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের মুম্বই অধিবেশনে বিশ্বজুড়ে ৬০টিরও বেশি দেশ থেকে প্রায় ৪,৫০০-এর বেশি প্রতিনিধি অংশ নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। ২০১৪ সালে নয়াদিল্লিতে প্রথম বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেস (WHC) অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ২০১৮ সালে শিকাগো এবং ২০২৩ সালে ব্যাংককে এই সম্মেলন হয়। পূর্ববর্তী সম্মেলনগুলিতে সব মিলিয়ে ৬০টি দেশের প্রায় ৬,৫০০ প্রতিনিধি এবং বহু বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ, আধ্যাত্মিক গুরু ও শিক্ষাবিদ অংশ নিয়েছিলেন। চার বছর অন্তর আয়োজিত এই মঞ্চটি ‘যথা ধর্মস্ততো জয়ঃ’ অর্থাৎ যেখানে ধর্ম, সেখানেই জয় আদর্শকে সামনে রেখে কাজ করে।

    ঐক্যবদ্ধ সঙ্কল্পের গতি আরও বাড়াতে হবে

    সম্মেলনের মূল রূপকার ও চিন্তাবিদ স্বামী বিজ্ঞানানন্দ বলেন, “গত এক শতাব্দীতে বিশ্বজুড়ে হিন্দু সমাজ (WHC) নিজেদের প্রতিষ্ঠা ও গ্রহণযোগ্যতা বিপুলভাবে বাড়িয়েছে। তবে বর্তমান বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলির মুখোমুখি হতে এবং সনাতন সভ্যতার মূল্যবোধ টিকিয়ে রাখতে আমাদের ঐক্যবদ্ধ সঙ্কল্পের গতি আরও বাড়াতে হবে। আরএসএসের (RSS) শতবর্ষ উদযাপনের এই ক্ষণটি সমস্ত হিন্দুর জন্য নিজেদের সভ্যতার শেকড়ে ফেরার এক অনন্য সুযোগ।”

    বিশ্বজনীন আকাঙ্ক্ষার মেলবন্ধন

    চেয়ারম্যান অজয় পিরামল জানান, বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেস এমন এক অনন্য মঞ্চ যেখানে সনাতন চিন্তাধারার সঙ্গে বিশ্বজনীন আকাঙ্ক্ষার মেলবন্ধন ঘটে। বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা হিন্দুদের মেধা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক শক্তিকে একত্রিত করে একটি সমৃদ্ধ ও ন্যায়পরায়ণ সমাজ গঠনে এই সম্মেলন অনুঘটকের কাজ করে। ডিসেম্বরের এই মেগা আয়োজনকে কেন্দ্র করে বাণিজ্যনগরী মুম্বইয়ে এখন থেকেই প্রস্তুতি তুঙ্গে। সংশ্লিষ্টমহলের মতে, আগামী দশকের অন্যতম প্রভাবশালী ও সুদূরপ্রসারী আন্তর্জাতিক সম্মেলন হতে চলেছে এই বিশ্ব হিন্দু কংগ্রেস (WHC) ২০২৬।

  • LPG: বিশ্বের মধ্যে সব চেয়ে সস্তায় রান্নার গ্যাস পাচ্ছে ভারতীয় পরিবারগুলি, উজ্জ্বলা যোজনায় আরও বাড়ানো হল ভর্তুকির পরিমাণ

    LPG: বিশ্বের মধ্যে সব চেয়ে সস্তায় রান্নার গ্যাস পাচ্ছে ভারতীয় পরিবারগুলি, উজ্জ্বলা যোজনায় আরও বাড়ানো হল ভর্তুকির পরিমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কটের জেরে বিশ্ববাজারে জ্বালানির ব্যাপক মূল্যবৃদ্ধি সত্ত্বেও, ভারতের সাধারণ মানুষ বিশ্বের উন্নত দেশ এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির তুলনায় অনেক কম দামে রান্নার গ্যাস (LPG) পাচ্ছেন। রবিবার কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের তরফে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    সিলিন্ডার প্রতি প্রায় ৭০০ টাকা ভর্তুকি (LPG)

    মন্ত্রক জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ার কারণে রবিবার থেকে ঘরোয়া এলপিজি সিলিন্ডারের দাম সিলিন্ডার প্রতি ২৯ টাকা বৃদ্ধি করা হয়েছে। তবে এই বৃদ্ধির পরেও ভারতের সাধারণ মানুষকে সিলিন্ডার প্রতি বাজারের প্রকৃত দামের চেয়ে অনেক কম টাকা দিতে হচ্ছে। দিল্লিতে বর্তমানে একটি ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ৯৪২ টাকা। ‘প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনা’র (PMUY) সুবিধাভোগীরা সিলিন্ডার প্রতি ৩০০ টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ভর্তুকি (DBT) পাওয়ায় আদতে তাঁরা গ্যাস পাচ্ছেন মাত্র ৬৪২ টাকায়। অথচ বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে সঙ্কটের জেরে একটি ১৪.২ কেজি সিলিন্ডারের প্রকৃত সরবরাহ খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১,৬০০ টাকারও বেশি। অর্থাৎ সরকার সিলিন্ডার প্রতি প্রায় ৭০০ টাকার বিপুল আর্থিক বোঝা নিজে বহন করে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিচ্ছে।

    বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা

    ভারতের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি ১৪.২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ভারতের প্রতিবেশী এবং বিশ্বের অন্যান্য উন্নত দেশে ভারতের চেয়ে অনেক বেশি।

    • ভারত: ৬৪২ টাকা (উজ্জ্বলা গ্রাহক), ৯৪২ টাকা (সাধারণ গ্রাহক)
    • পাকিস্তান: ১,০৪৬ টাকা
    • নেপাল: ১,২০৭ টাকা
    • বাংলাদেশ: ১,২২৫ টাকা
    • শ্রীলঙ্কা: ১,২৪১ টাকা
    • আমেরিকা (USA): ১,৭৫৫ টাকা
    • অস্ট্রেলিয়া: ১,৭৬৫ টাকা
    • কানাডা: ২,৪১১ টাকা

    পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কট এবং হরমুজ প্রণালীর চ্যালেঞ্জ

    ফেব্রুয়ারি মাসে পশ্চিম এশিয়ায় সঙ্কট শুরু হওয়ার আগে সৌদি আরামকো নির্ধারিত রান্নার গ্যাসের আন্তর্জাতিক চুক্তি মূল্য (Saudi CP) ছিল টন প্রতি ৫৪৩ মার্কিন ডলার। কিন্তু ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালী’ (Strait of Hormuz) অবরুদ্ধ বা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর জুন মাসে এই দাম প্রায় ৪৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে টন প্রতি ৭৯০ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। ভারতের মোট এলপিজি আমদানির প্রায় ৫৪ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমেই দেশে আসে। এই সঙ্কটের মধ্যেও ভারত অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তার নিজস্ব পতাকাবাহী ট্যাঙ্কারগুলির মাধ্যমে এই প্রণালী দিয়ে অপরিশোধিত তেল ও এলপিজি আমদানি করে চলেছে। তাই দেশে রান্নার গ্যাসের ঘাটতি তৈরি হয়নি।

    সরকারি ভর্তুকি ও ক্ষতিপূরণ

    বর্তমানে দিল্লিতে বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ৩,১১৩.৫০ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রতি মাসে সরাসরি দর পরিবর্তিত হলেও, ঘরোয়া সিলিন্ডারের ক্ষেত্রে সরকার দাম নিয়ন্ত্রণে রেখেছে। গত অর্থবর্ষের শেষে ঘরোয়া এলপিজিতে তেল সংস্থাগুলির মোট আন্ডার-রিকভারি অর্থাৎ আন্তর্জাতিক দাম ও খুচরো দামের ফারাক দাঁড়িয়েছে ৬০,০০০ কোটি টাকা। এই ঘাটতি পূরণের জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা ইতিমধ্যেই তেল বিপণন সংস্থাগুলিকে ৩০,০০০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ অনুমোদন করেছে। এর পাশাপাশি ১০.৫৮ কোটিরও বেশি উজ্জ্বলা যোজনার গ্রাহককে বছরে প্রথম ৪টি রিফিলের জন্য ৩০০ টাকা করে অতিরিক্ত সরকারি ভর্তুকি দেওয়া হচ্ছে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে সাধারণ মানুষকে এই মূল্যবান খনিজ সম্পদের ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে এবং রান্নার ক্ষেত্রে শক্তি-দক্ষ পদ্ধতি অবলম্বন করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • Nitin Nabin: “ভারতের যুবসমাজ বিদেশি মাটিতে বসে থাকা কিছু মানুষের হাতের পুতুল নয়”, ককরোচ সমর্থকদের তোপ নীতিন নবীনের

    Nitin Nabin: “ভারতের যুবসমাজ বিদেশি মাটিতে বসে থাকা কিছু মানুষের হাতের পুতুল নয়”, ককরোচ সমর্থকদের তোপ নীতিন নবীনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিজিটাল যুগের ক্ষমতা ব্যবহার করে তরুণদের নেতিবাচক দিকে প্ররোচিত করার চেষ্টা ভারতে সফল হতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন (Nitin Nabin)। রবিবার ঝাড়খণ্ডের রাঁচিতে দলের একটি অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর এই মন্তব্য এমন একটি সময়ে এল, যখন দিল্লির প্রধান প্রতিবাদস্থল যন্তর মন্তরে হাজার কিলোমিটার দূর থেকে একটি বড় ধরনের সমাবেশ চলছে। এই সমাবেশের নেতৃত্বে রয়েছেন ৩০ বছর বয়সী অভিজিৎ দিপকে, যিনি বিদেশফেরত একজন রাজনৈতিক ব্যঙ্গশিল্পী। এর আগে তিনি আম আদমি পার্টির (AAP) সোশ্যাল মিডিয়া টিমে কাজ করতেন।

    ভারতের যুবসমাজ ইতিবাচক রাজনীতি করবে (Nitin Nabin)

    এই নব্য আন্দোলনকারীদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের দিকে ইঙ্গিত করে নীতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “এই যুবসমাজের কঠোর পরিশ্রম ও শক্তির ওপর ভর করেই দেশ এগিয়ে চলেছে… তাই আমি তাঁদের সতর্ক করতে চাই যাঁরা এই দেশের যুবসমাজকে নেতিবাচক রাজনীতির দিকে টেনে নিয়ে যেতে চান। ভারতের যুবসমাজ ইতিবাচক রাজনীতি করবে। আমরা অবশ্যই গণতান্ত্রিক উপায়ে সব ধরনের প্রতিবাদ করব, কিন্তু গণতন্ত্রের মানদণ্ড ধ্বংস হতে দেব না।”

    বোস্টন ইউনিভার্সিটির জনসংযোগ (PR) বিভাগের গ্র্যাজুয়েট দিপকে আমেরিকায় থাকাকালীন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (Cockroach Janta Party) নামক ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল তৈরি করে নজর কাড়েন। তিনি এটিকে একটি ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগ বলে দাবি করেছিলেন। শুক্রবার সকালে তিনি দিল্লিতে নামেন এবং কড়া নিরাপত্তাবেষ্টিত সেন্ট্রাল দিল্লি জেলার যন্তর মন্তরের দিকে রওনা দেন। সেখানে তিনি এমন কিছু রাজনৈতিক মন্তব্য করেন, যেগুলিকে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের অনেকেই পাতি এবং চর্বিতচর্বণ আখ্যা দিয়েছেন।

    যুবসমাজ গুটি কয়েক মানুষের হাতের পুতুল নয়

    ঝাড়খণ্ডে দলীয় বৈঠকে অংশ নিতে আসা নীতিন নবীন (Nitin Nabin) তীব্র সমালোচনা করেন সেইসব বিত্তশালী ও ক্ষমতালোভী অভিজাত টুকরে টুকরে গ্যাংকে, যাঁরা ‘জেন-জি’ (Gen-Z) ট্যাগ ব্যবহার করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সুপরিকল্পিতভাবে প্রচার চালাচ্ছেন। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “বিদেশি মাটিতে বসে থাকা কিছু মানুষ ভাবছেন যে তাঁরা ভারতের যুবসমাজকে দিকনির্দেশনা দেবেন। ভারতের যুবসমাজ কৃষকদের সঙ্গে গ্রামের চাতালে বসে, গ্রামের মেঠো পথে থাকে, আমাদের কোচিং ইনস্টিটিউট এবং কলেজের ক্যাম্পাসে থাকে। ভারতের যুবসমাজ গুটি কয়েক মানুষের হাতের পুতুল হয়ে এগিয়ে যাবে না।” উল্লেখ্য, দিপকের ককরোচ জনতা পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলি মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই লাখ লাখ ফলোয়ার পেয়ে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সক্রিয় থাকা মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলির হ্যান্ডেলের ফলোয়ারকে ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    কখনওই বরদাস্ত করা হবে না

    রাঁচির এই অনুষ্ঠানে নবীন (Nitin Nabin) আরও বলেন, “আজ দেশের মানুষের কাছে একটি বড় বার্তা দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল মাধ্যমকে ইতিবাচকভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে। ডিজিটাল মাধ্যম দেশ ও যুবসমাজের উন্নয়নের কাজে লাগানো যায়। কিন্তু দেশের যুব সমাজকে নেতিবাচক দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করা কখনওই বরদাস্ত করা হবে না। তাই আমি বলব, আমার দেশের যুবসমাজ, একটি উন্নত ভারত গড়তে হলে আপনাদের সবাইকে জেগে উঠতে হবে…”

    বিজেপির এই কর্তা দু’দিনের সফরে ঝাড়খণ্ডে গিয়েছেন। আজ, রবিবার তাঁর বোকারো স্টিল সিটিতে যাওয়ার কথা। এরপর তিনি রাঁচিতে বিজেপির জেলা ইন-চার্জ, জেলা সভাপতি এবং দলের বিশেষ মিডিয়া ও যোগাযোগ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। এদিকে, যন্তর মন্তরে আন্দোলনকারীরা সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন (CBSE) এবং ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (NEET-UG) পরীক্ষায় ওঠা অনিয়মের অভিযোগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি করেছেন।

  • DMK: কংগ্রেসের সঙ্গে গোঁসা! ‘ইন্ডি’ জোটের অস্বস্তি বাড়িয়ে ৮ জুনের বিরোধী বৈঠকে গরহাজির ডিএমকে

    DMK: কংগ্রেসের সঙ্গে গোঁসা! ‘ইন্ডি’ জোটের অস্বস্তি বাড়িয়ে ৮ জুনের বিরোধী বৈঠকে গরহাজির ডিএমকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় রাজনীতিতে বিরোধী শিবিরের ‘ইন্ডি’ (India Bloc) জোটের অভ্যন্তরে বড়সড় ফাটলের ইঙ্গিত। আগামী ৮ জুন আয়োজিত হতে চলা বিরোধী দলগুলির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তামিলনাড়ুর ডিএমকে (DMK)। ডিএমকে-র এই আকস্মিক অনুপস্থিতির সিদ্ধান্ত লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী ঐক্য সুসংহত করার প্রচেষ্টায় একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এবার তামিলনাড়ুর বদলে যাওয়া রাজনৈতিক সমীকরণ ছাপ ফেলল সর্বভারতীয় স্তরের রাজনীতিতে। চিত্রতারকা-রাজনীতিক থলপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগম (টিভিকে)-এর সঙ্গে ভোট পরবর্তী জোট গড়ার কারণে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের দল ডিএমকে আগেই কংগ্রেসের সঙ্গ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছিল। এবার তারা বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র বৈঠকও বয়কটের সিদ্ধান্ত নিল।

    অনুপস্থিতির কারণ ও ডিএমকে-র যুক্তি (DMK)

    ডিএমকে (DMK) সূত্রের খবর, ৮ জুনের এই বৈঠকটিতে দলের সুপ্রিমো তথা তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এম.কে. স্ট্যালিন (India Bloc) স্বয়ং উপস্থিত থাকতে পারছেন না। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পূর্বনির্ধারিত কিছু প্রশাসনিক কর্মসূচি এবং রাজ্যে চলমান কিছু জরুরি প্রকল্পের পর্যালোচনার কারণে তিনি চেন্নাই ছাড়তে পারছেন না। তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই অনুপস্থিতির পেছনে কেবল প্রশাসনিক ব্যস্ততা নয়, বরং আসন সমঝোতা এবং জোটের নেতৃত্ব নির্ধারণ নিয়ে অভ্যন্তরীণ টানাপড়েনও কাজ করে থাকতে পারে।

    বিরোধী জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা

    আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-বিরোধী ফ্রন্টকে শক্তিশালী করতে এই বৈঠকটিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছিল। তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি এবং বাম দলগুলির মতো শীর্ষস্থানীয় দলগুলির এই বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। এমন এক পরিস্থিতিতে ডিএমকে-র (India Bloc) মতো একটি শক্তিশালী আঞ্চলিক দলের দূরত্ব বজায় রাখার সিদ্ধান্ত জোটের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা রূপায়ণে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।

    রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, জোটের (India Bloc) প্রথম সারির শরিকদের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়ার ঘাটতি যদি এখনই দূর করা না যায়, তবে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়া বিরোধী শিবিরের জন্য বেশ কঠিন চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে। আগামী সোমাবার (৮ জুন) দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে বিরোধীদের ‘ইন্ডিয়া’ মঞ্চের বৈঠক। কংগ্রেস, তৃণমূল, আরজেডি, সমাজবাদী পার্টি, উদ্ধব ঠাকরেপন্থী শিবসেনা, শরদ পওয়ারের এনসিপি (এস), ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং বাম দলগুলি তাতে যোগ দিতে পারে। স্ট্যালিনের দল ‘ইন্ডিয়া’র অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা-সদস্য। তারা যদি বৈঠকে গরহাজির থাকে , তাহলে জাতীয় রাজনীতিতে বিরোধী জোটে ফাটল স্পষ্ট হবে।

  • Southwest Monsoon: তীব্র গরমের মধ্যে বর্ষার আগমন, তিন দিন বিলম্বে কেরলে প্রবেশ করল দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু

    Southwest Monsoon: তীব্র গরমের মধ্যে বর্ষার আগমন, তিন দিন বিলম্বে কেরলে প্রবেশ করল দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্ধারিত সময়ের চেয়ে তিন দিন পিছিয়ে অবশেষে ভারতের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশ করল দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (Southwest Monsoon)। আবহাওয়া দফতরের (IMD) পূর্বাভাস অনুযায়ী, সাধারণত ১ জুন কেরলে বর্ষা প্রবেশ করার কথা থাকলেও, এবার তা ৪ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে কেরল উপকূলে এসে পৌঁছেছে।

    আবহাওয়া দফতরের (IMD) পর্যবেক্ষণ ও পরিমাপ

    একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বর্ষা এসেছে কি না, তা নির্ধারণের জন্য আবহাওয়া দফতরের কিছু সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক মাপকাঠি রয়েছে। কেরলের ক্ষেত্রে নিম্নলিখিত শর্তগুলি পূরণ হওয়ায় বর্ষা (Southwest Monsoon) আগমনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল-

    • বৃষ্টিপাতের বিস্তৃতি: কেরল এবং লাক্ষাদ্বীপের মোট ১৪টি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের মধ্যে অন্তত ৬০ শতাংশ কেন্দ্রে টানা দু’দিন ২.৫ মিলিমিটার বা তার বেশি বৃষ্টিপাত (Southwest Monsoon) নথিভুক্ত হয়েছে।
    • বায়ুর গতিপ্রকৃতি: পশ্চিমী বায়ুর গতিবেগ ভূপৃষ্ঠ থেকে নিম্ন-বায়ুমণ্ডল (প্রায় ৪.৫ কিলোমিটার উচ্চতা) পর্যন্ত উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
    • মেঘের ঘনত্ব: উপগ্রহ চিত্রে আরব সাগর এবং কেরল উপকূল সংলগ্ন এলাকায় গভীর মেঘমালার উপস্থিতি ও নিম্নমুখী বিকিরণের (Outgoing Longwave Radiation) মাত্রা উপযুক্ত পর্যায়ে রয়েছে।

    বিলম্বের কারণ ও আগামী পূর্বাভাস

    আবহাওয়া বিজ্ঞানীদের (IMD) মতে, সম্প্রতি দক্ষিণ-পূর্ব (Southwest Monsoon) আরব সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ এবং পরবর্তী সামুদ্রিক পরিস্থিতির কারণে মৌসুমি বায়ুর মূল স্রোতটি কিছুটা বাধাগ্রস্ত হয়েছিল, যার ফলে এই তিন দিনের বিলম্ব।

    দেশজুড়ে অগ্রগতির সম্ভাবনা

    দক্ষিণে বর্ষা প্রবেশ করলেও দেশের মধ্য ও উত্তর ভাগে বর্ষা পৌঁছোতে আরও কিছুটা সময় লাগে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ধীরে ধীরে উত্তরে এগোয়। দিল্লিতে ২৭ জুনের আগে বর্ষা প্রবেশ করে না। পঞ্জাব, হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থানের মতো রাজ্যে বর্ষা সাধারণত জুনের শেষে কিংবা জুলাইয়ের শুরুতে প্রবেশ করে।

    আবহাওয়া দফতর (IMD)  আশ্বস্ত করেছে যে, দেরিতে এলেও বর্তমানে মৌসুমি বায়ু (Southwest Monsoon) বেশ শক্তিশালী। আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে এটি সমগ্র কেরল, তামিলনাড়ুর কিছু অংশ এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে স্বাভাবিক নিয়মে অগ্রসর হবে।

    কৃষি ও অর্থনীতির ওপর প্রভাব

    ভারতে কৃষিকাজ এবং সার্বিক অর্থনীতির জন্য এই দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (Southwest Monsoon) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিলম্ব হলেও বর্ষার এই আগমন তীব্র দাবদাহে পুড়তে থাকা উত্তর ও মধ্য ভারতের রাজ্যগুলির জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • Ramakrishna 663: “ইন্দ্রিয়সুখের আনন্দ, আর-একদিকে ঈশ্বরকে পেয়ে আনন্দ, এই দুই কখন সমান হতে পারে? ঋষিরা এ ব্রহ্মানন্দ ভোগ করেছিলেন”

    Ramakrishna 663: “ইন্দ্রিয়সুখের আনন্দ, আর-একদিকে ঈশ্বরকে পেয়ে আনন্দ, এই দুই কখন সমান হতে পারে? ঋষিরা এ ব্রহ্মানন্দ ভোগ করেছিলেন”

    ৫৩ কাশীপুর বাগানে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    বুদ্ধদেব কি ঈশ্বরের অস্তিত্ব মানতেন? নরেন্দ্রকে শিক্ষা

    ঊনবিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৬, ২২শে এপ্রিল

    রাখাল, শশী, মাস্টার, নরেন্দ্র, ভবনাথ, সুরেন্দ্র, রাজেন্দ্র, ডাক্তার

    কাশীপুরের বাগান। রাখাল, শশী ও মাস্টার সন্ধ্যার সময় উদ্যানপথে পাদচারণ করিতেছেন। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পীড়িত—বাগানে চিকিৎসা করাইতে আসিয়াছেন। তিনি উপরে দ্বিতলের ঘরে আছেন, ভক্তেরা তাঁহার সেবা করিতেছেন (Kathamrita)। আজ বৃহস্পতিবার, ২২শে এপ্রিল ১৮৮৬ খ্রীষ্টাব্দ, গুড ফ্রাইডে-এর পূর্বদিন।

    মাস্টার — তিনি তো গুণাতীত বালক।

    শশী ও রাখাল — ঠাকুর (Ramakrishna) বলেছেন, তাঁর ওই অবস্থা।

    রাখাল—যেমন একটা টাওয়ার। সেখানে বসে সব খবর পাওয়া যায়, দেখতে পাওয়া যায়, কিন্তু কেউ যেতে পারে না, কেউ নাগাল পায় না।

    মাস্টার—ইনি বলেছেন, এ-অবস্থায় সর্বদা ঈশ্বরদর্শন হতে পারে। বিষয়রস নাই, তাই শুষ্ক কাঠ শীঘ্র ধরে যায়।

    শশী—বুদ্ধি কত রকম, চারুকে বলছিলেন। যে বুদ্ধিতে ভগবানলাভ হয়, সেই ঠিক বুদ্ধি। যে বুদ্ধিতে টাকা হয়, বাড়ি হয়, ডেপুটির কর্ম হয়, উকিল হয় সে বুদ্ধি চিঁড়েভেজা বুদ্ধি। সে বুদ্ধিতে জোলো দইয়ের মতো চিঁড়েটা ভেজে মাত্র। শুকো দইয়ের মতো উঁচুদরের দই নয়। যে বুদ্ধিতে ভগবানলাভ হয়, সেই বুদ্ধিই শুকো দইয়ের মতো উৎকৃষ্ট দই।

    মাস্টার—আহা! কি কথা!

    শশী—কালী তপস্বী ঠাকুরের কাছে বলেছিলেন, ‘কি হবে আনন্দ? ভীলদের তো আনন্দ আছে। অসভ্য হো-হো নাচছে-গাইছে।’

    রাখাল—উনি বললেন, সে কি? ব্রহ্মানন্দ আর বিষয়ানন্দ এক? জীবেরা বিষয়ানন্দ নিয়ে আছে। বিষয়াসক্তি সব না গেলে ব্রহ্মানন্দ হয় না। একদিকে টাকার আনন্দ, ইন্দ্রিয়সুখের আনন্দ, আর-একদিকে ঈশ্বরকে পেয়ে আনন্দ। এই দুই কখন সমান হতে পারে? ঋষিরা এ ব্রহ্মানন্দ ভোগ করেছিলেন।

    মাস্টার (Ramakrishna)—কালী এখন বুদ্ধদেবকে চিন্তা করেন কিনা তাই সব আনন্দের পারের কথা বলছেন।

    রাখাল—তাঁর কাছেও বুদ্ধদেবের কথা তুলেছিল। পরমহংসদেব বললেন, “বুদ্ধদেব অবতার, তাঁর সঙ্গে কি ধরা? বড় ঘরের বড় কথা।” কালী বলেছিল, “তাঁর শক্তি তো সব। সেই শক্তিতেই ঈশ্বরের আনন্দ আর সেই শক্তিতেই তো বিষয়ানন্দ হয় —”

    মাস্টার—ইনি কি বললেন?

    রাখাল—ইনি বললেন (Kathamrita), সে কি? সন্তান উৎপাদনের শক্তি আর ঈশ্বরলাভের শক্তি কি এক?

    শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে—“কামিনী-কাঞ্চন বড় জঞ্জাল”

    বাগানের সেই দোতলার ‘হল’ ঘরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। শরীর উত্তরোত্তর অসুস্থ হইতেছে, আজ আবার ডাক্তার মহেন্দ্র সরকার ও ডাক্তার রাজেন্দ্র দত্ত দেখিতে আসিয়াছেন—যদি চিকিৎসার দ্বারা কোন উপকার হয়। ঘরে নরেন্দ্র, রাখাল, শশী, সুরেন্দ্র, মাস্টার, ভবনাথ ও অন্যন্য অনেক ভক্তেরা আছেন।

  • Krishna Chakraborty: বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পদের অবসান, পদত্যাগ করলেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী

    Krishna Chakraborty: বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র পদের অবসান, পদত্যাগ করলেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের আবহে বিধাননগর পুরনিগমের (Bidhannagar Municipal Corporation) মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেন প্রবীণ তৃণমূল নেত্রী কৃষ্ণা চক্রবর্তী (Krishna Chakraborty)। ৪ জুন বৃহস্পতিবার, সল্টলেকের পুর ভবনে পুরকমিশনার রবি আগরওয়ালের কাছে তিনি তাঁর পদত্যাগপত্র জমা দেন। একইসঙ্গে এই ইস্তফাপত্রের অনুলিপি পুরনগরোন্নয়ন মন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট দফতরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিবকেও পাঠানো হয়েছে। ছোট লালা বাড়ির পর তৃণমূলের এবার হাত ছাড়া বিধাননগর পুরসভা।

    ইস্তফার কারণ ও তাঁর বক্তব্য (Krishna Chakraborty)

    যদিও মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী নিজে থেকে পদত্যাগের কারণ নিয়ে তেমন মন্তব্য করেননি। ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণকেই জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যের যে যে বিষয় উঠে এসেছে তা হল-

    • ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত: সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে কৃষ্ণা চক্রবর্তী (Krishna Chakraborty) জানান, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত। কারও প্রতি তাঁর কোনো ক্ষোভ বা অভিমান নেই।
    • পৌরপরিষেবায় ধারাবাহিকতা: মেয়র পদ থেকে ইস্তফা দিলেও গত ১৬ বছরের মতো আগামীদিনেও তিনি সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করে যাবেন এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকবেন।
    • কৃতজ্ঞতা প্রকাশ: বিধাননগরের (Bidhannagar Municipal Corporation) নাগরিকদের দীর্ঘদিনের সহযোগিতা ও ভালোবাসার জন্য তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিদায়বেলায় তিনি কিছুটা আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন।

    কার্যকালের মেয়াদ

    ২০১৯ সাল থেকে দু’দফায় বিধাননগরের (Bidhannagar Municipal Corporation)  মেয়রের দায়িত্ব সামলেছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী (Krishna Chakraborty)। বর্তমান বোর্ডে মেয়র হিসেবে তাঁর আরও প্রায় আট মাসের মেয়াদ বাকি ছিল।

    প্রশাসনিক প্রভাব

    রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে বিধাননগর পুরনিগমের (Bidhannagar Municipal Corporation) প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে এক ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছিল। তার ওপর সম্প্রতি কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমেরও পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ এবং তৃণমূলের অভ্যন্তরে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যেই এই ইস্তফা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজ্যে ক্ষমতার হাতবদলের পর পুরনিগমগুলির রাশ ধরে রাখা শাসকদলের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়ছিল। কৃষ্ণা চক্রবর্তীর এই পদত্যাগ সেই ধারাবাহিক প্রশাসনিক সংকটেরই একটি অংশ বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ।

  • BDO Shanu Bakshi: ফলতার জাহাঙ্গিরের সঙ্গে ছিল ঘনিষ্ঠতা, একাধিক বিতর্কের পর বিডিও পদ থেকে অপসারিত শানু বক্সী

    BDO Shanu Bakshi: ফলতার জাহাঙ্গিরের সঙ্গে ছিল ঘনিষ্ঠতা, একাধিক বিতর্কের পর বিডিও পদ থেকে অপসারিত শানু বক্সী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে এক বিশেষ নির্দেশিকায় ডায়মন্ড হারবার ২ নম্বর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক বিডিও (BDO Post) শানু বক্সীকে (BDO Shanu Bakshi) তাঁর বর্তমান পদ থেকে অপসারিত করা হয়েছে। অপসারিত নদিয়ার কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের বিডিও রঞ্জন সর্দারও। একাধিক প্রশাসনিক বিতর্ক এবং স্থানীয় স্তরে জনবিক্ষোভের জেরে অবশেষে রাজ্য সরকার এই কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বলে জানা গিয়েছে।

    নতুন পোস্টিং ও বর্তমান অবস্থান (Shanu Bakshi)

    • ● পদাবনতি ও নতুন দায়িত্ব: বিডিও পদ (BDO Post) থেকে সরিয়ে শানু বক্সীকে (Shanu Bakshi) তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ পদে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে তাঁকে ‘গেজেটিয়ার্স’ (Gazetteers) অফিসের ওএসডি (Officer on Special Duty) হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে।
    • ● প্রশাসনিক বার্তা: নবান্ন সূত্রের খবর, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা ধারাবাহিক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রশাসনের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    শানুর পাশাপাশি নদিয়ার কৃষ্ণনগর-১ ব্লকের বিডিও রঞ্জন সর্দারকেও স্টেট গেজেটিয়ার্স দফতরের ওএসডি পদে পাঠানো হয়েছে একই নির্দেশিকয়। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন গার্গী দাস।

    অপসারণের পটভূমি ও মূল বিতর্কসমূহ

    শানু বক্সীর (Shanu Bakshi) কার্যকালে ডায়মন্ড হারবার এলাকায় একাধিক সংঘাত ও বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছিল, যা এই অপসারণের পিছনে প্রধান কারণ বলে করেছেন ওয়াকিবহাল মহল। এই কারণগুলি হল–

    জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে সংঘাত

    স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধানদের একাংশের সঙ্গে তাঁর তীব্র প্রশাসনিক মতবিরোধ তৈরি হয়। পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের অভিযোগ ছিল, বিডিও জনপ্রতিনিধিদের মতামতকে গুরুত্ব না দিয়ে একক সিদ্ধান্ত নিচ্ছিলেন।

    উন্নয়নমূলক কাজে স্থবিরতা

    এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ থমকে যাওয়া এবং সাধারণ মানুষের বিভিন্ন পরিষেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে উদাসীনতার অভিযোগ ওঠে তাঁর (BDO Post) বিরুদ্ধে।

    দলীয় ক্ষোভ ও বিক্ষোভ

    গত বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় শাসকদলের কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকেও তাঁর অপসারণের দাবিতে দফায় দফায় বিক্ষোভ প্রদর্শন করা হয়।

    প্রশাসনিক পর্যবেক্ষণ

    তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে সমস্ত রকম অনৈতিক এবং অবৈধ কাজের প্রত্যক্ষ পরোক্ষ সহযোগিতা করতেন শানু বক্সী (Shanu Bakshi)। তাই সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সরকারি কাজের গতি বজায় রাখতে এবং স্থানীয় স্তরে তৈরি হওয়া রাজনৈতিক ও সামাজিক ক্ষোভ প্রশমন করতেই রাজ্য সরকারের এই জরুরি বদলির সিদ্ধান্ত।

LinkedIn
Share