Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Mangal Milan: ‘মঙ্গল মিলন’-এ মোদি-শাহদের হাতে তেরঙ্গা, ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে মুখর সংসদ

    Mangal Milan: ‘মঙ্গল মিলন’-এ মোদি-শাহদের হাতে তেরঙ্গা, ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনিতে মুখর সংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের বাদল অধিবেশনের শেষ প্রান্তে মঙ্গলবার দেশাত্মবোধের আবহে বসেছিল এনডিএ-র সাপ্তাহিক সংসদীয় বৈঠক ‘মঙ্গল মিলন’ (Mangal Milan)। সংসদ ভবনের লাইব্রেরি বিল্ডিংয়ে আয়োজিত এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন-সহ এনডিএ-র একাধিক শীর্ষ নেতা হাতে তেরঙ্গা নিয়ে জাতীয় পতাকা ওড়ান। অনুষ্ঠানে ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে জিএমসি বালাযোগী অডিটোরিয়াম। ২০২৬ সালের বাদল অধিবেশনে এনডিএ-র এটাই ছিল শেষ সংসদীয় দলের বৈঠক। এর আগে এনডিএ-র সাপ্তাহিক সংসদীয় বৈঠকটি ‘মঙ্গল মিলন’ নামে পরিচিতি পেয়েছে। বৈঠকের মূল লক্ষ্য হল শরিক দলগুলির মধ্যে সংসদে যৌথ কৌশল নির্ধারণ, ফ্লোর ম্যানেজমেন্টে সমন্বয় বাড়ানো এবং অধিবেশনের বাকি সময়ের জন্য আইন প্রণয়নের অগ্রাধিকার চূড়ান্ত করা। এদিনের বৈঠকেও হাজির ছিলেন এনসিপিআই সাংসদেরা।

    বিরোধীদের বিরুদ্ধে সরব এনডিএ সাংসদরা

    ‘মঙ্গল মিলন’ বৈঠক শেষ হওয়ার পরই সংসদের দিকে মিছিল করে এগিয়ে যান এনডিএ-র সাংসদরা। তাঁদের হাতে ছিল বিরোধীদের বিরুদ্ধে লেখা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড। ছাত্র বিক্ষোভ ঘিরে ২০ জুলাই পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বিবৃতির দাবিতে বিরোধীদের অবস্থানের বিরুদ্ধে সরব হন তাঁরা। এনডিএ সাংসদদের অভিযোগ, সরকার আলোচনার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও বিরোধীরা সংসদ অচল করে দিচ্ছে এবং আলোচনায় অংশ নেওয়া থেকে পালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজেই এই বিষয়ে আলোচনায় অংশ নিয়ে বিরোধীদের বক্তব্যের জবাব দিতে প্রস্তুত।

    আলোচনায় প্রস্তুত কেন্দ্র

    এর আগে সোমবার সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানিয়েছিলেন, ছাত্র বিক্ষোভ এবং ২০ জুলাই পুলিশের পদক্ষেপ-সহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিষয় নিয়ে সংসদে আলোচনার জন্য কেন্দ্র প্রস্তুত। রিজিজুর বক্তব্য, শুধু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতি নয়, আলোচনায় বিরোধীরা যে সমস্ত বিষয় তুলবেন, তারও জবাব দেবেন অমিত শাহ। তবে একই সঙ্গে সংসদে হট্টগোল না করে নিয়ম মেনে আলোচনায় অংশ নেওয়ার জন্য বিরোধীদের আহ্বান জানান তিনি। সরকারের অবস্থান, ছাত্র বিক্ষোভ নিয়ে যে কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে তারা প্রস্তুত এবং বিরোধীরা যে বিষয়গুলি উত্থাপন করবেন, সেগুলির প্রতিটি পয়েন্টের জবাব দেওয়া হবে। অন্যদিকে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিবৃতির দাবিতে বিরোধীদের অবস্থানের জেরে বাদল অধিবেশনের একাধিক দিন সংসদের কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে অধিবেশনের শেষ পর্যায়ে সরকার ও বিরোধী শিবিরের সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

  • NDA: ছাত্র আন্দোলন নিয়ে অযথা সংসদ অচল করছেন রাহুল, অভিযোগ এনডিএ সাংসদদের

    NDA: ছাত্র আন্দোলন নিয়ে অযথা সংসদ অচল করছেন রাহুল, অভিযোগ এনডিএ সাংসদদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীদের লাগাতার অচলাবস্থার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সংসদের দিকে মিছিল করলেন এনডিএ (NDA) সাংসদরা। তাঁদের হাতে ছিল বিভিন্ন স্লোগান লেখা প্ল্যাকার্ড। সেখানে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ছাত্র আন্দোলন নিয়ে সংসদে বিতর্ক এড়িয়ে (Jharkhand) যাওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।

    এনডিএর বিক্ষোভ (NDA)

    সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলন এবং ঝাড়খণ্ডে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে টানাপোড়েনের মধ্যেই এই বিক্ষোভ হল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বারবার সংসদের অধিবেশন ব্যাহত হয়েছে। বিরোধীরা পুলিশের পদক্ষেপের ব্যাখ্যা দাবি করছে। এদিকে, রাহুল গান্ধী কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জবাবদিহি করেছেন। সরকার অবশ্য এই বিষয়ে সংসদে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছে এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর জবাব দেওয়ার কথা রয়েছে।সোমবার ঝাড়খণ্ডে ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশনের পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ এবং জলকামান ব্যবহারের ঘটনায়ও রাহুলের কাছে জবাব চেয়েছেন এনডিএ সাংসদরা। বিজেপি সাংসদ কঙ্গনা রানাউত বলেন, “এখন ওরা আলোচনা করতে অস্বীকার করছে। এর আগে ওরাই আলোচনার দাবি জানিয়েছিল—যে পদক্ষেপকে স্বাগত জানানো হয়েছিল। কিন্তু পরে ওরা পিছিয়ে গেল। ওরা দেশকে বিভ্রান্ত করছে। সংসদ চলতে দিচ্ছে না।”

    কী বলছে বিজেপি

    বিজেপি নেতা তরুণ চুঘ রাহুলের বিরুদ্ধে দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে বলেন, “এটি দ্বিচারিতার ঘটনা। ঝাড়খণ্ডে ছাত্রদের ওপর লাঠিচার্জের ঘটনায় রাহুল গান্ধী সংসদ থেকে পালিয়ে যাচ্ছেন এবং নীরব রয়েছেন। গোটা দেশ সব কিছু দেখছে (NDA)।” বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজ বলেন, “পুরো বিরোধী দল কোনও ধরনের আলোচনাই চায় না। ছাত্রদের বিষয়টির ক্ষেত্রে তাদের নীতি এক এক জায়গায় এক এক রকম, এবং ঝাড়খণ্ডের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ আলাদা।” বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় জয়সওয়াল বলেন, “আমরা আলোচনার জন্য প্রস্তুত, কিন্তু রাহুল গান্ধী প্রস্তুত নন। তিনিই লোকসভাকে অচল করে রেখেছেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জবাব দিতে প্রস্তুত।” বিজেপি সাংসদ মনোজ তিওয়ারি বলেন, “অমিত শাহজি জবাব দেবেন, রাহুল গান্ধী পালাবেন না… রাহুল গান্ধী লজ্জা করুন, ঝাড়খণ্ডে ছাত্রদের উপর এতটা বর্বরতা হয়েছে…”  অন্যদিকে, জাতীয়তাবাদী কংগ্রেস পার্টির সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “সবাই তাঁদের (বিরোধীদের) কাছে জবাব চাইছে। তাঁদের জবাব দিতেই হবে।”

    গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল

    এর আগে সোমবার রাহুল জানিয়েছিলেন, বিরোধীরা অমিত শাহের মতামত শুনতে আগ্রহী নয়। বরং পুলিশের দমন-পীড়নের নির্দেশ কে দিয়েছিলেন, তা জানতে চান বিরোধীরা। রাহুল বলেন, “অমিত শাহের সংসদে এসে আমাদের সামনে দাঁড়ানোর সাহস নেই। গত ১৫ দিনে তাঁরা সেটাই দেখিয়েছেন। নরেন্দ্র মোদি কিংবা অমিত শাহ—কারও সাহস নেই… তাঁর মতামত নিয়ে কারও আগ্রহ নেই। আমরা শুধু জানতে চাই, গুলি চালানোর নির্দেশ কে দিয়েছিল। তিনি যদি নির্দেশ না দিয়ে থাকেন, তাহলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কে সেই নির্দেশ দিয়েছিলেন? আমরা জানতে চাই, এর দায় কার, নাকি এটি অদক্ষতার ফল?” টানা কয়েক দিন ধরে সরকার ও বিরোধী দলগুলির মধ্যে এই সংঘাতের জেরে (Jharkhand) সংসদের অধিবেশন ব্যাহত হওয়ার পর সরকার ফের জানিয়েছে, তারা সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুত। অন্যদিকে, বিরোধীরা পুলিশের পদক্ষেপের নির্দেশদাতা এবং তার দায়বদ্ধতা নিয়ে সরাসরি জবাব দাবি করছে (NDA)।

     

  • RSS: অন্ধ্রপ্রদেশে সংঘ-প্রাণিত ৩২ সংগঠনের বার্ষিক সমন্বয় বৈঠক, আলোচনায় জনসংখ্যার ভারসাম্য-পঞ্চ পরিবর্তন

    RSS: অন্ধ্রপ্রদেশে সংঘ-প্রাণিত ৩২ সংগঠনের বার্ষিক সমন্বয় বৈঠক, আলোচনায় জনসংখ্যার ভারসাম্য-পঞ্চ পরিবর্তন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ বছর রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) প্রেরণায় পরিচালিত বিভিন্ন সংগঠনের বার্ষিক অখিল ভারতীয় সমন্বয় বৈঠক (RSS) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম জেলার গুডিলোভায়। আগামী ১৯ থেকে ২১ অগাস্ট এই (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak) তিন দিন ধরে হবে এই বৈঠক। হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, দিনগুলি যুগাব্দ ৫১২৮, বিক্রম সংবৎ ২০৮৩ এবং শ্রাবণ শুক্ল সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী।

    বৈঠকে অংশ নেবে কারা (RSS)

    এই বৈঠকে সংঘের প্রেরণায় পরিচালিত মোট ৩২টি সংগঠন অংশ নেবে। সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলির অখিল ভারতীয় সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সংগঠন সম্পাদক এবং নির্বাচিত পদাধিকারীরা বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই সংগঠনগুলি দেশের সামাজিক জীবনে সক্রিয়ভাবে কাজ করে চলেছে। জনজীবনের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পাশাপাশি জাতীয় স্বার্থে জনসচেতনতা গড়ে তোলা এবং ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পরিবর্তনের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে সংগঠনগুলি। বৈঠকে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলি নিজেদের কাজের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরবে। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ ও মতামত পেশ করা হবে। সব সংগঠনের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয় ও সহযোগিতাকে আরও কার্যকর করার বিষয়েও আলোচনা হবে। জনকল্যাণ এবং নীতি-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়েও মতামত বিনিময় হওয়ার কথা রয়েছে।

    বৈঠকে আলোচ্যসূচি

    বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে সম্পর্কিত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বৈঠকের আলোচনায় ঠাঁই পাবে বলে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জনসংখ্যাগত ভারসাম্যহীনতা, নেশামুক্তি, যুবসমাজের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, ‘পঞ্চ পরিবর্তন’ কর্মসূচির বাস্তবায়ন এবং ভারতীয় দৃষ্টিভঙ্গিতে উন্নয়নের ধারণা (RSS)। বৈঠকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সরসংঘচালক মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে, সমস্ত সহ-সরকার্যবাহ এবং অখিল ভারতীয় কার্যবিভাগের প্রধানরা উপস্থিত থাকবেন (Akhil Bharatiya Samanvay Baithak)। বৈঠকে ভারতীয় মজদুর সংঘ, ভারতীয় কিষান সংঘ, ভারতীয় জনতা পার্টি, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ, অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ, সক্ষম এবং রাষ্ট্র সেবিকা সমিতি-সহ ৩২টি সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদাধিকারীরা অংশ নেবেন (RSS)।

     

  • 80th Independence Day: থিম ‘যুব শক্তি’! স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় প্রথম গাওয়া হবে ‘বন্দে মাতরম’

    80th Independence Day: থিম ‘যুব শক্তি’! স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় প্রথম গাওয়া হবে ‘বন্দে মাতরম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতা দিবসে (80th Independence Day) লালকেল্লায় (Red Fort) এবার যুক্ত হতে চলেছে এক নতুন অধ্যায়। ইতিহাস তৈরি করে প্রথম বার জাতীয় মঞ্চে গাওয়া হবে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ (Vande Mataram in Red Fort)। আর ‘বিকশিত ভারত’ গঠনে তরুণ প্রজন্মের ভূমিকাকে স্বীকৃতি দিতেই স্বাধীনতা দিবসে এ বারের মূল ভাবনা ‘যুব শক্তি’। সোমবার এই সিদ্ধান্তের কথা জানালেন প্রতিরক্ষা সচিব আরকে সিং। সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আবহে দু’টি ঘোষণাই যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    জাতীয় সঙ্গীতের আগে গাওয়া হবে ‘বন্দে মাতরম’

    প্রতি বছর ১৫ অগস্ট প্রধানমন্ত্রী লালকেল্লায় জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পর প্রথা অনুযায়ী কেবল জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’ গাওয়া হত। তবে এ বছর থেকে সেই বিধিতে বদল আসছে। নতুন সূচি অনুযায়ী, জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মুখেই প্রথমে গাওয়া হবে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’ এবং তার পরেই বাজানো হবে জাতীয় সঙ্গীত। ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত এই কালজয়ী দেশাত্মবোধক রচনার ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে জাতীয় গানের মর্যাদা পুনর্প্রতিষ্ঠায় কেন্দ্র নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। খবর অনুযায়ী, এ বারের স্বাধীনতা দিবসের প্রাতিষ্ঠানিক নিমন্ত্রণপত্রেও ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবককেই অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    ‘বন্দে মাতরম’-এর গুরুত্ব প্রতিষ্ঠা

    চলতি বছরে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত দেশাত্মবোধক গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি উদযাপিত হচ্ছে। ১৮৭৫ সালে লেখা এই গান প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৮২ সালে ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসে। ১৮৯৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রথম এই গান গেয়েছিলেন। ব্রিটিশ-বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জুড়ে গিয়েছিল ‘বন্দে মাতরম’-এর কথা ও ভাবনা। কংগ্রেস জমানায় জাতীয় গানের মর্যাদা বৃদ্ধির পক্ষে বার বার সওয়াল করে এসছিল বিজেপি। বস্তুত, চলতি বছরেই জাতীয় গান পরিবেশনের নিয়মবিধি স্থির করে কেন্দ্র। জানিয়ে দেয়, জাতীয় সঙ্গীত ‘জনগণমন’র মতো এ বার থেকে সরকারি অনুষ্ঠানে পরিবেশন করতে হবে জাতীয় গানও। সময়ও স্থির করে দেওয়া হয়। বিধি অনুযায়ী, ‘বন্দে মাতরম’-এর ছ’টি স্তবক ১৯০ সেকেন্ড (৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড)-এ পরিবেশন করতে হবে। কেন্দ্রের গত ফেব্রুয়ারির নির্দেশিকা অনুযায়ী, জাতীয় পতাকা উন্মোচন-সহ যে সব সরকারি অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের রীতি রয়েছে— সেখানে জাতীয় সঙ্গীতের আগে জাতীয় গান পরিবেশন করা হবে। ‘বন্দে মাতরম’-এর অপমানকে শাস্তিযোগ্য করতে সম্প্রতি সংসদে বিল পাস করিয়েছে কেন্দ্র। এ বার লালকেল্লায় স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানেও ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার বিষয়টি বিবৃতি প্রকাশ করে জানাল কেন্দ্রীয় সরকার।

    ভারতীয় বায়ুসেনার বিশেষ স্যালুট

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ফুলের মাধ্যমে ‘বন্দে মাতরম’-র আবহ প্রদর্শিত হবে। এনসিসির ক্যাডেট এবং এবং মাই ভারতের স্বেচ্ছাসেবকরা লালকেল্লার প্রাচীরের উল্টোদিকের জ্ঞানপীঠে ‘বন্দে মাতরম’ ফুটিয়ে তুলবে। সেইসঙ্গে ‘বন্দে মাতরম’-র ১৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতীয় বায়ুসেনার এমআই-১৭ হেলিকপ্টার একটি ব্যানার বহন করবে এবং লালকেল্লায় সমবেত জনতার উপরে পুষ্পবৃষ্টি করবে।

    মূল ভাবনা যুব শক্তি!

    ২০৪৭-এর মধ্যে বিকশিত ভারত গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দেশের তরুণ প্রজন্মের অবদান মনে করিয়ে দিতেই এ বারে যুবশক্তি থিম করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিরক্ষা সচিব। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে পৌঁছতে যুবসমাজের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাঁরাই এই দেশকে গড়ে তুলবেন। ভবিষ্যতে তার সুফলও পাবেন।’ তবে এর সঙ্গে যন্তর মন্তরে ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক নেই বলেও স্পষ্ট করে দিয়েছেন তিনি। আরকে সিংয়ের কথায়, ‘স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে যুবসমাজের সাফল্য ও অবদানকে তুলে ধরার পরিকল্পনা অনেক আগেই করা হয়েছিল।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘যন্তর মন্তরে আন্দোলনের অনেক আগে।’ কেন্দ্র জানিয়েছে, এ বারের স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের মূল বিষয় হবে ‘যুব শক্তি’। এর মাধ্যমে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে দেশের তরুণদের অবদানের কথা তুলে ধরা হবে। ঘটনাচক্রে, সম্প্রতি প্রশ্নফাঁস কাণ্ডের প্রতিবাদে দেশ জুড়ে ছাত্র-যুবদের বিক্ষোভ হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে বার বার দেশের তরুণদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এ অবস্থায় লালকেল্লার অনুষ্ঠানেরও মূল বিষয় হিসেবে ‘যুব শক্তি’-কে তুলে ধরা তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। লালকেল্লার অনুষ্ঠানে দেশ গঠনে ছাত্র-যুবদের গুরুত্ব বোঝাতে চাইছে কেন্দ্র।

    আমন্ত্রিতদের তালিকা

    স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে প্রায় ৫,০০০ বিশেষ অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, জাতীয় উদ্ভাবন কর্মসূচির আওতাধীন তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবক, প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ প্রকল্পের আওতাধীন ইন্টার্নরা, বিভিন্ন প্রকল্পের আওতাধীন স্টার্ট আপের প্রতিনিধিরা, প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনায় সেরা হওয়া প্রতিনিধি, স্টার্ট-আপ ইন্ডিয়া সিড ফান্ডের আওতাধীন সেরা স্টার্ট-আপের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে থাকবেন । সংবাদ সংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা এবং গণিত অলিম্পিয়াডে এ বছরে পদকজয়ী ১৯ পড়ুয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে অনুষ্ঠানে। দিল্লির বিভিন্ন সরকারি স্কুলের পড়ুয়াদেরও আমন্ত্রণ জানানো হবে লালকেল্লায়। প্রতিরক্ষাসচিব আরকে সিং জানিয়েছেন, লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। বস্তুত, বিরোধী দলনেতার পদ ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমতুল। সে ক্ষেত্রে প্রতিরক্ষাসচিব জানান, পদমর্যাদা অনুযায়ীই তাঁর বসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ক্যাবিনেট মন্ত্রীদের ঠিক পরেই তাঁর আসন থাকবে।

  • India Bangladesh Talks: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী! কী নিয়ে হল দীনেশ-তারেক বৈঠক?

    India Bangladesh Talks: ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে আসছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী! কী নিয়ে হল দীনেশ-তারেক বৈঠক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন করে তৎপরতা দেখা দিয়েছে ঢাকার সঙ্গে নয়াদিল্লির কূটনৈতিক সম্পর্কে (India Bangladesh Talks)। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের (Tarique Rahman) সঙ্গে সোমবার বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। দুই দেশের সম্পর্কের নানা টানাপোড়েনের মধ্যে এই বৈঠক তাৎপর্যপূর্ণ বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের। সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে হবে ব্রিকস সম্মেলন। এই সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ নিয়ে যখন জল্পনা তুঙ্গে, ঠিক সেই সময়ই হল এই বৈঠক। আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা নয়াদিল্লিতে। সম্মেলনের আয়োজক দেশ হিসেবে ভারত ব্রিকসের সব সদস্য রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানাবে বলেই আশা। বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ উদীয়মান অর্থনীতি ও উন্নয়নশীল দেশগুলির সমন্বয়ে গঠিত এই আন্তঃসরকারি সংগঠনে বর্তমানে ১১টি দেশ সদস্য হিসেবে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সম্মেলনে যোগ দেবেন কি না, তা নিয়ে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ, গত কয়েক মাসে বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয়কে কেন্দ্র করে অস্বস্তি ও টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে।

    ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে তারেকের বৈঠক (India Bangladesh Talks)

    বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ঢাকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করছেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকের সময় ভারতীয় হাইকমিশনারকে দেখা যায় তারেককে একটি শাল উপহার দিতে। প্রধানমন্ত্রী তারেক হাসিমুখে সেই উপহার গ্রহণ করেন। এর এক দিন আগে, রবিবার বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক করেছিলেন ভারতীয় হাইকমিশনার। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই বৈঠক প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলে। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। আলোচনাকে অর্থবহ হিসেবে উল্লেখ করেছে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে দুই দেশের মধ্যে যে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা কিছুটা কমাতেও এই বৈঠকের ভূমিকা রয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রে খবর, আলোচনায় নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য ব্রিকস সম্মেলনে তারেকের অংশগ্রহণের বিষয়টিও উত্থাপন করা হয়। একই সঙ্গে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ঘিরে চলমান বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে বলেও খবর। তবে বৈঠকে ঠিক কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ কিংবা ভারত—কোনও পক্ষই এখনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।

    ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়া নিয়ে জল্পনা

    তারেকের সঙ্গে বৈঠকের আগে ভারতীয় হাইকমিশনার জানিয়েছিলেন, দুই দেশের মধ্যে যেসব সমস্যা রয়েছে, সেগুলি দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্বের সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব। এর মধ্যেই শেখ হাসিনাকে ঘিরে বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ দাবির বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ঢাকার পক্ষ থেকে হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানানো হলেও নয়াদিল্লির অবস্থানে এখনও বড় কোনও পরিবর্তন আসেনি বলেই কূটনৈতিক মহলে চলছে আলোচনা। হাসিনা বর্তমানে ভারতে রয়েছেন। ভারত সরকার তাঁকে অতিথি হিসেবে বিবেচনা করছে এবং তাঁকে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তরের বিষয়ে নয়াদিল্লি এখনও পর্যন্ত কোনও ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেয়নি। ফলে হাসিনার প্রত্যর্পণ ইস্যুটি দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অমীমাংসিত বিষয় হয়েই রয়ে গিয়েছে। এদিকে, ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে এই বার্তাও দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেককে দিল্লিতে দ্বিপাক্ষিক সফরে স্বাগত জানাতে নয়াদিল্লি আগ্রহী। অর্থাৎ শুধু ব্রিকস সম্মেলনে যোগদানের জন্য নয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেকের পৃথক রাষ্ট্রীয় সফরের বিষয়েও ভারত আগ্রহ দেখাচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে (Tarique Rahman)।তবে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারেকের নয়াদিল্লির ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা কম। যদিও ঢাকার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত ঘোষণা করা হয়নি।

    শেখ হাসিনার বক্তব্য ঘিরে নতুন করে অস্বস্তি

    বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের অন্যতম কারণ হিসেবে হাসিনার সাম্প্রতিক বক্তব্যকে দেখা হচ্ছে। গত বুধবার বিদেশি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় হাসিনা জানিয়েছিলেন, তিনি আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফেরার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ (India Bangladesh Talks)। হাসিনার বক্তব্য অনুযায়ী, বাংলাদেশকে আবার উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার পথে ফিরিয়ে নেওয়াই তাঁর লক্ষ্য। দেশে ফেরার ক্ষেত্রে কারাবাস কিংবা মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি থাকলেও, পিছিয়ে যাবেন না বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি। হাসিনা বলেন, “আমি জানি, তারা আমাকে জেলে দিতে পারে অথবা হত্যা করতে পারে। তবে আমি আমার জনগণের সঙ্গে থাকার জন্য দেশে ফিরে যাব।” হাসিনার এই বক্তব্যের পর বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রক তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। ঢাকার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নয়াদিল্লিকে আগে থেকেই ওই অনুষ্ঠানের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের কথা জানানো হয়েছিল। তারপরেও অনুষ্ঠানটি হওয়ায় বাংলাদেশ ক্ষুব্ধ ও উদ্বিগ্ন। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য, হাসিনার ওই বক্তব্য দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, তা নিয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতকে সতর্ক করা হয়েছিল। ফলে বিষয়টি দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক অস্বস্তির জন্ম দেয়।

    ভারতকে ‘মহান বন্ধু’ আখ্যা হাসিনার

    তবে একই বক্তব্যে শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ইতিবাচক দিকও তুলে ধরেন। তিনি ভারতকে বাংলাদেশের “মহান বন্ধু” হিসেবে উল্লেখ করেন। সংকটের সময় ভারত সবসময় বাংলাদেশের পাশে থেকেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নিজের দেশে বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও বক্তব্য রাখেন হাসিনা। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ বর্তমানে যেসব সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, সেগুলি নিয়েও তিনি কথা বলেন। তাঁর দাবি, দেশে ফেরার উদ্দেশ্য ক্ষমতা দখল করা নয়। বরং বাংলাদেশকে আবার উন্নয়ন, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমৃদ্ধির পথে ফিরিয়ে নেওয়াই তাঁর লক্ষ্য (India Bangladesh Talks)। হাসিনার এই বক্তব্যের পর থেকেই ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। এর মধ্যেই ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং বিদেশমন্ত্রীর ধারাবাহিক বৈঠককে তাই বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন কূটনৈতিক (Tarique Rahman) পর্যবেক্ষকেরা।

    সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বার্তা কি মিলছে?

    পরপর দু’দিনে বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠক হওয়ায় দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন কোনও কূটনৈতিক উদ্যোগ শুরু হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে ব্রিকস সম্মেলনে তারেকের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ এবং হাসিনাকে ঘিরে বিরোধ—এই দু’টি বিষয়ই এখন ঢাকা-নয়াদিল্লির আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ হলে তা দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক বার্তা দিতে পারে বলে মনে (India Bangladesh Talks) করা হচ্ছে। আবার তিনি সম্মেলনে না গেলে সাম্প্রতিক কূটনৈতিক অস্বস্তির প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হতে পারে। তবে এখনই কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর সুযোগ নেই। কারণ, ব্রিকস সম্মেলনে তারেকের অংশগ্রহণের বিষয়ে ঢাকার তরফে এখনও কোনও ঘোষণা করা আসেনি। আবার, ভারতীয় হাইকমিশনারের বৈঠকে হাসিনা এবং তারেকের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নিয়ে ঠিক কী আলোচনা হয়েছে, তারও বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়নি। ফলে আগামী কয়েক দিনে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে (Tarique Rahman) কূটনৈতিক যোগাযোগ কোন দিকে এগোয় এবং ব্রিকস সম্মেলনে তারেক যোগ দেন কি না, এখন সেটাই দেখার (India Bangladesh Talks)।

     

  • Jharkhand Protest: পুলিশের লাঠিচার্জ, আন্দোলনকারীদের উপর জলকামান! পরীক্ষা ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে বিধানসভা অভিযান ঘিরে উত্তাল ঝাড়খণ্ড

    Jharkhand Protest: পুলিশের লাঠিচার্জ, আন্দোলনকারীদের উপর জলকামান! পরীক্ষা ও নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে বিধানসভা অভিযান ঘিরে উত্তাল ঝাড়খণ্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঝাড়খণ্ডে জেপিএসসি ও জেএসএসসি (JPSC-JSSC) নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে আন্দোলন ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। আন্দোলনকারীদের (Jharkhand Protest) মূল দাবি, ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (JPSC) এবং ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশন (JSSC)-র নিয়োগ পরীক্ষার অনিয়মের জন্য সিবিআই তদন্ত করতে হবে। সোমবার আন্দোলনকারীদের ‘বিধানসভা ঘেরাও’ অভিযানে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। রাঁচীর পথে ব্যারিকেড টপকে প্রতিবাদীরা এগোতে থাকেন বিধানসভার দিকে। পড়ুয়ারা পিছিয়ে যেতে অস্বীকার করলে পুলিশ একাধিক দফায় জলকামান ব্যবহার করে। এরপরও আন্দোলনকারীরা বিধানসভার দিকে এগিয়ে যেতে থাকায় তাঁদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।

    আন্দোলনকারীদের উপর লাঠিচার্জ

    ১৬ দিন ধরে চলা এই আন্দোলনের অন্যতম কর্মসূচি হিসেবে সোমবার সকালে ট্রেন, বাস ও নিজস্ব গাড়িতে ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জেলা থেকে হাজার হাজার পরীক্ষার্থী রাঁচিতে পৌঁছন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আগে থেকেই শহরজুড়ে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে পুলিশ। প্রধান রাস্তা ও সীমানায় তল্লাশি চালানো হয়, বন্ধ রাখা হয় শহরের অধিকাংশ স্কুল। কিন্তু সমস্ত বাধা অতিক্রম করে আন্দোলনকারীরা বিধানসভার দিকে এগোলে তৈরি হয় তীব্র উত্তেজনা। অভিযানের জন্য পুলিশের দেওয়া ব্যারিকেড ভেঙে বিধানসভার দিকে এগোতে শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এরপরেই পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ শুরু করে। ওয়াটার ক্যানন ব্যবহার করে আন্দোলন ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টাও চালায়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসনের তরফে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গত ৫ জুলাই ১৪তম জেপিএসসি সিভিল সার্ভিস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর থেকেই অনিয়মের অভিযোগ তুলে আন্দোলনে নামেন চাকরিপ্রার্থীরা। সেই থেকে ধীরে ধীরে তীব্র হচ্ছে আন্দোলন।

    বিজেপি নেতাদের আটক

    মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের বাসভবনের বাইরে বিক্ষোভ দেখানোর সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডি এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি আদিত্য সাহু-সহ একাধিক বিজেপি নেতাকে আটক করা হয়েছে। বিধানসভা অভিমুখে রওনা হওয়ার আগে জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জমায়েত হন পড়ুয়ারা। মিছিল এগোতে শুরু করার পর পুলিশের একাধিক ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগিয়ে যান আন্দোলনকারীরা। সোমবার বিধানসভা ঘেরাওয়ের ডাকের ঠিক আগের দিন, রবিবার ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (JPSC)-এর তিন সদস্য ইস্তফা দিয়েছেন। একইসঙ্গে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সিআইডি তদন্তের পাশাপাশি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে ইডি তদন্তের কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। তবে সরকারের এই পদক্ষেপেও সন্তুষ্ট নন আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীরা। তাঁদের মূল দাবি—সিবিআই তদন্ত। সেই দাবিতে তাঁরা এখনও অনড়। রবিবার রাঁচিতে আন্দোলনরত জেপিএসসি ও জেএসএসসি পরীক্ষার্থীরা জাতীয় পতাকা হাতে ফ্ল্যাশলাইট মিছিল করেন। নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা, অনিয়মের তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে আন্দোলনকারীরা স্লোগান দেন।

    ইস্তফা ৩ জেপিএসসি সদস্যের

    রাজ্য সরকারের সুপারিশের পর জেপিএসসি সদস্য অজিতা ভট্টাচার্য, অনিমা হাঁসদা এবং জামাল আহমেদের ইস্তফা গ্রহণ করেছেন ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সন্তোষ কুমার গঙ্গওয়ার। গত তিন দিন ধরে আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সরকারের আলোচনা চলছিল। সেই আলোচনার পর একাধিক দাবিতে সরকার সম্মতি জানিয়েছে বলে জানিয়েছেন ঝাড়খণ্ডের মন্ত্রী সুদিব্য কুমার সোনু। মন্ত্রী জানান, ১৪তম জেপিএসসি পরীক্ষা এবং ২০২৩ ও ২০২৫ সালের ব্যাকলগ নিয়োগ পরীক্ষায় ওঠা অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের বক্তব্য, এই বিষয়ে দুটি দিক থেকে তদন্ত এগোনো হবে। অভিযোগের ফৌজদারি দিক খতিয়ে দেখবে সিআইডি। অন্যদিকে আর্থিক অনিয়ম বা বেআইনি আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেলে ইডি তদন্তের জন্য অনুরোধ জানানো হবে। সোনুর দাবি, দ্রুত বিচার প্রক্রিয়ার জন্য ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠন করা হবে এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে চার্জশিট পেশের চেষ্টা করা হবে। তিনি আরও জানান, আন্দোলনকারীদের উত্থাপিত প্রায় ৯৮ শতাংশ দাবি সরকার মেনে নিয়েছে। তদন্তের উপর নজরদারি এবং আন্দোলনকারীদের অভিযোগের সমাধানের জন্য অবসরপ্রাপ্ত হাইকোর্টের বিচারপতির নেতৃত্বে একটি মনিটরিং কমিটি গঠনের প্রস্তাবও দিয়েছে সরকার। এছাড়া নিয়োগ পরীক্ষার কাঠামোগত সংস্কারের জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

    সিবিআই ছাড়া কোনও সমাধান নয়, বলছেন আন্দোলনকারীরা

    সরকারের ঘোষণায় একাধিক দাবি পূরণ হলেও সিবিআই তদন্তের দাবি না মানায় আন্দোলনকারীরা সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট নন। ছাত্রনেতা রবীন্দ্র পাসওয়ান বলেন, “আমাদের আন্দোলন চলবে। আমরা এখনও সিবিআই তদন্তের দাবিতে অনড়। এই দাবিতে আমরা কোনও আপস করব না।” জেপিএসসি-র তিন সদস্যের ইস্তফাকে আন্দোলনকারীরা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখলেও শুধুমাত্র ইস্তফা দিয়ে দায়বদ্ধতা শেষ হতে পারে না বলে জানিয়েছেন তাঁরা। আন্দোলনকারী অনিশ ফতিমার দাবি, কমিশনের ভিতরে অনিয়মের অভিযোগ যে গুরুতর, তিন সদস্যের পদত্যাগে তারই ইঙ্গিত মিলছে। তাঁর অভিযোগ, সিআইডি তদন্তে শুধু ছোট পর্যায়ের অভিযুক্তরা ধরা পড়তে পারেন, কিন্তু “বড় মাথাদের” সামনে আনতে সিবিআই তদন্ত প্রয়োজন। আন্দোলনকারী অর্চনা কুমারীর কথায়, “শুধু পদত্যাগ করলেই দায়বদ্ধতা নিশ্চিত হয় না। তাঁদের মেয়াদে যে ভুলের কারণে যোগ্য ও সৎ পরীক্ষার্থীরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দোষীদের কঠোর শাস্তি প্রয়োজন।”

    দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি

    ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেছেন, নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগের স্বচ্ছ তদন্ত হবে এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, যুবকদের তাঁদের অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন করতে হচ্ছে। তাঁদের ন্যায়বিচার দেওয়া হবে এবং অনিয়মের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। তবে, আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের সমর্থনে ঝাড়খণ্ড লোকতান্ত্রিক ক্রান্তিকারী মোর্চা (JLKM)-র বিধায়ক জয়ারাম মাহতো রাঁচিতে একদিনের অনশনে বসেন। তিনিও সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। মাহতো অভিযোগ করেন, নিয়োগ পরীক্ষায় লক্ষ লক্ষ টাকার বিনিময়ে আসন বিক্রি এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের জড়িত থাকার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন ঝাড়খণ্ড শিক্ষামন্ত্রী নীরা যাদবও সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, চাকরিপ্রার্থীদের মূল সমস্যার সমাধান না করে সরকার তাঁদের বিভ্রান্ত করছে। তিনি সিবিআই তদন্ত, ইডি তদন্ত এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

  • Parliament Address: সংসদে ছাত্র আন্দোলন নিয়ে আলোচনায় রাজি শাহ, বাধা দেওয়া চলবে না, দেওয়া হল শর্ত

    Parliament Address: সংসদে ছাত্র আন্দোলন নিয়ে আলোচনায় রাজি শাহ, বাধা দেওয়া চলবে না, দেওয়া হল শর্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ২০ জুলাই দিল্লিতে “সংসদ চলো” মিছিলে অংশ নেওয়া ছাত্রছাত্রী ও অন্যদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপের বিষয়টি নিয়ে সংসদে বক্তব্য (Parliament Address) রাখতে রাজি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তবে তাঁর বক্তব্য এবং পরবর্তী আলোচনা চলাকালীন বিরোধীরা কোনওরকম বাধা সৃষ্টি করতে পারবেন না—সরকারের পক্ষ থেকে এমনই শর্ত দেওয়া হয়েছে।

    সরকারের তরফে শর্ত (Parliament Address)

    সোমবার কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, “সরকারের দেওয়া প্রস্তাব একেবারেই স্পষ্ট। আমি জানিয়েছি, ছাত্র আন্দোলন এবং তার সঙ্গে সম্পর্কিত কার্যকলাপ নিয়ে পূর্ণাঙ্গ ও বিস্তারিত আলোচনা করতে সরকার প্রস্তুত।” সংসদের কার্যক্রম যাতে নির্বিঘ্নে চলে, তার ওপর জোর দিয়ে রিজিজু বিরোধীদের উদ্দেশে বলেন, সরকারি বক্তব্য দেওয়ার সময় কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা উচিত নয়। তিনি বলেন, “বিরোধীদের কাছে আমার একটাই কথা, তা অত্যন্ত স্পষ্ট করে বলেছি। আলোচনা এবং জবাব দেওয়ার সময় তাঁরা যেন কোনওধরনের বাধা সৃষ্টি না করেন, যাতে সংসদের কাজ ব্যাহত হয় বা মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্য রাখতে না পারেন। আলোচনা শুরু হলে আমাদের বিষয়টি খুঁটিনাটি পর্যন্ত আলোচনা করতে হবে।”

    সংসদের কাজে বাধায় ক্ষুব্ধ কংগ্রেসের শশীও!

    কংগ্রেস সাংসদ তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ আরও তীব্র করার পরেই রিজিজুর এই মন্তব্য সামনে এল (Parliament Address)। ঘটনার তদন্ত সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে করার দাবি জানিয়েছেন রাহুল। তাঁর অভিযোগ, নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রতিবাদ করছিলেন যেসব ছাত্রছাত্রী তাঁদের বিরুদ্ধে ছররা বন্দুক, পেরেক বসানো লাঠি এবং কাঁদানে গ্যাসের গোলা ব্যবহার করা হয়েছে। মহিলা ছাত্রছাত্রীদের পুলিশকর্মীরা মারধর করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর আরও দাবি, কয়েকজন নাবালকের হাড়ও ভেঙে গিয়েছে (Amit Shah)। ঘটনার পর থেকেই সংসদের অধিবেশন চলাকালীন বিরোধীরা বারবার প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দেখিয়ে কার্যকর্ম ব্যাহত করছেন। রবিবার কংগ্রেস সাংসদ শশী থারুরও এই পরিস্থিতির বিরুদ্ধে মুখ খোলেন। তাঁর বক্তব্য, সংসদের কাজ চলতে দেওয়া উচিত। বিরোধী সাংসদদের সংসদের ভিতরে বিক্ষোভ না দেখিয়ে রাস্তায় প্রতিবাদ করার আহ্বান জানান তিনি (Parliament Address)।

     

  • Chhattisgarh: শিবলিঙ্গ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, ছত্তিশগড়ে খ্রিস্টান ফোরামের সভাপতি গ্রেফতার

    Chhattisgarh: শিবলিঙ্গ নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, ছত্তিশগড়ে খ্রিস্টান ফোরামের সভাপতি গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভগবান শিব ও শিবলিঙ্গকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে ছত্তিশগড় (Chhattisgarh) খ্রিস্টান ফোরামের সভাপতি অরুণ পান্নালালকে গ্রেফতার করল রায়পুর পুলিশ (Shivling Remarks)। ৭ অগস্ট রাতে বছর পঁচাত্তরের পান্নালালকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর মন্তব্যে হিন্দু ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে বলে অভিযোগ পুলিশের। অভিযোগ, হংসরাজ গোয়েল নামে এক ব্যক্তির ফেসবুক পোস্টে ভগবান শিবকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন পান্নালাল। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিজেপির মুখপাত্র অমিত চিনমানি সিভিল লাইনস থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পোস্ট ও মন্তব্যের পর্দার ছবি এবং তার ঠিকানাও পুলিশের কাছে জমা দেন তিনি। এর পর পান্নালাল এবং হংসরাজ গোয়েলের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে শত্রুতা বা বিদ্বেষ উসকে দেওয়া, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার উদ্দেশ্যে কাজ করা এবং শান্তিভঙ্গের প্ররোচনা দেওয়ার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত অপমানের মতো অভিযোগে মামলা হয়েছে।

    বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পান্নালাল (Chhattisgarh)

    সিভিল লাইনস থানার পরিদর্শক যমন দেওয়াঙ্গন জানান, শুক্রবার রাতে পান্নালালকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন শনিবার, ৮ অগাস্ট তাঁকে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পেশ করা হলে আদালত তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। দেওয়াঙ্গন বলেন, “শুক্রবার রাতে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার তাঁকে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে পেশ করা হয়। আদালত তাঁকে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়েছে।” পুলিশ কর্তা তারকেশ্বর পটেল জানান, ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়ার পরেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্তকে শনাক্ত ও গ্রেফতারের কাজে সাইবার শাখা-সহ পুলিশের একাধিক দলকে কাজে লাগানো হয় (Chhattisgarh)। পটেল বলেন, “ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা একটি পোস্ট নিয়ে সিভিল লাইনস থানায় অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়। এরপর তদন্ত শুরু হয়। সাইবার শাখা এবং পুলিশের অন্যান্য দলের সহায়তায় তল্লাশি ও প্রযুক্তিগত নজরদারি চালানো হয়। এই মামলায় অভিযুক্ত অরুণ পান্নালালকে গ্রেফতার করা হয়েছে (Shivling Remarks)।”

    পুলিশি পদক্ষেপকে সমর্থন মুখ্যমন্ত্রীর

    পান্নালালের গ্রেফতারি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই। তাঁর বক্তব্য, সনাতন ধর্মে শ্রদ্ধেয় ভগবান শিব এবং শিবলিঙ্গকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করা হয়েছে। সাই বলেন, “আমাদের সনাতন ধর্মে শ্রদ্ধেয় ভগবান শিব ও শিবলিঙ্গকে নিয়ে তিনি আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে, তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে (Chhattisgarh)।” এদিকে মামলা দায়েরের পর রায়পুরে পান্নালালের বাড়ির বাইরে বজরং দলের একদল কর্মী বিক্ষোভ দেখান। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ।

     

  • PM Modi: ভারতের বিকৃত মানচিত্র নিয়ে আপত্তি, লভলিনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: ভারতের বিকৃত মানচিত্র নিয়ে আপত্তি, লভলিনার প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্লাসগোর একটি রেস্তোরাঁয় ভারতের বিকৃত মানচিত্র প্রদর্শনের (Distorted India Map) প্রতিবাদ করায় কমনওয়েলথ গেমসে রুপোজয়ী বক্সার লভলিনা বরগোহাঁইয়ের দেদার প্রশংসা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ক্রীড়া সাফল্য উদ্‌যাপনের সময়ও দেশের মানচিত্রের গুরুত্বের বিষয়টি নজরে রাখার জন্য লভলিনার এই উদ্যোগ দীর্ঘদিন মানুষের মনে থাকবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রবিবার নিজের বাসভবনে কমনওয়েলথ গেমসের পদকজয়ী ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের সঙ্গে এক ঘরোয়া আলাপচারিতায় এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে সেই কথোপকথনের একটি ভিডিও প্রকাশ করা হয়।

    ভারতের বিকৃত মানচিত্র (PM Modi)

    গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমসে মহিলাদের ৭৫ কেজি বিভাগে রুপোর পদক জিতেছিলেন অসমের লভলিনা। আলাপচারিতার এক পর্যায়ে মজা করে তাঁকে রেস্তোরাঁর কর্মীদের সঙ্গে তাঁর বচসার বিষয়টি জানতে চান মোদি। তিনি বলেন, “কী হয়েছিল, রেস্তরাঁর লোকজনের সঙ্গে ঝগড়া করছিলেন?” হেসে লভলিনা জানান, গেমসে সাফল্য পাওয়ার পর ভারতীয় ক্রীড়াবিদরা রেস্তোরাঁয় গিয়ে উদ্‌যাপন করছিলেন। সেখানেই তিনি ভারতের একটি বিকৃত মানচিত্র দেখতে পান। তাঁর কথায়, “স্যার, সেটি আনন্দের মুহূর্ত ছিল। আমরা সাফল্য উদ্‌যাপন করছিলাম। কিন্তু ভারতের বিকৃত মানচিত্রটি দেখে আমার ভালো লাগেনি। আমি তাঁদের বিষয়টি বিনয়ের সঙ্গে জানিয়েছিলাম এবং তাঁরা পরে সেটি সংশোধনও করেন।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    লভলিনার এই সচেতনতার প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনারা যখন সাফল্য উদ্‌যাপন করছিলেন এবং গেমস শেষ হয়ে গিয়েছিল, সেই সময়ও আপনি ওই মানচিত্রের গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন। আমি সত্যি বলছি, ওই ভিডিওটি সাধারণ কোনও ঘটনা ছিল না। বহুদিন ধরে মানুষ একে মনে রাখবে।” ঘটনাটি সামনে আসে গ্লাসগোর ওই রেস্তরাঁয় প্রদর্শিত ভারতের মানচিত্রে উত্তর-পূর্বাঞ্চল অনুপস্থিত থাকার পর। সহ-খেলোয়াড়দের সঙ্গে সাফল্য উদ্‌যাপন করার সময় বিষয়টি লভলিনার নজরে পড়ে। তিনি রেস্তরাঁ কর্তৃপক্ষের কাছে আপত্তি জানান। পরে কর্তৃপক্ষ মানচিত্রটি সংশোধন করতে সম্মত হয় (PM Modi)। গ্লাসগোতেই লভলিনা প্রথম কমনওয়েলথ গেমস পদক অর্জন করেন। প্রতিযোগিতায় তিনি অলিম্পিক পদকজয়ী মীরাবাই চানুর সঙ্গে ভারতের পতাকাবাহকদের অন্যতম ছিলেন।

    কমনওয়েলথ গেমসে ঐতিহাসিক সাফল্য

    প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপচারিতায় ক্রীড়াবিদরা গেমসের আগে ও গেমস চলাকালীন (Distorted India Map) তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা জানান। পাশাপাশি পদকজয়ীদের সঙ্গে বিভিন্ন হালকা মুহূর্তও ভাগ করে নেন প্রধানমন্ত্রী। উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের গ্লাসগো কমনওয়েলথ গেমস ২৩ জুলাই থেকে ২ অগাস্ট পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়। পদক তালিকায় ভারত ছিল চতুর্থ স্থানে (PM Modi)। এদিকে, গ্লাসগোয় অনুষ্ঠিত ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসে ঐতিহাসিক সাফল্যের জন্য ভারতের পদকজয়ী ক্রীড়াবিদদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁদের কৃতিত্বের প্রশংসাও করেন তিনি। একই সঙ্গে দেশের তরুণ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করে যাওয়ার জন্য ক্রীড়াবিদদের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) লেখেন, “যাঁরা খেলবেন, তাঁরাই এগিয়ে যাবেন। সব সময় ভারতের জন্য গলা মেলান। ভারত মাতা কি জয়!” ২০২৬ সালের কমনওয়েলথ গেমসে ভারত মোট ৩৯টি পদক জিতেছে। এর মধ্যে রয়েছে ১৩টি সোনা, ১৭টি রুপো এবং ৯টি ব্রোঞ্জ। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এবারের প্রতিযোগিতায় ভারতের অংশগ্রহণ ছিল তুলনামূলকভাবে সীমিত। কুস্তি, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস, হকি এবং শুটিংয়ের মতো ভারতের পদকসমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি খেলা এবারের সূচিতে ছিল না।

    বক্সিংয়ে দুর্দান্ত সাফল্য ভারতের

    গ্লাসগো থেকে ভারতের বক্সিং দল ফিরেছে মোট ১০টি পদক নিয়ে। এর মধ্যে রয়েছে (Distorted India Map) ৭টি সোনা এবং ৩টি রুপো। সোনাজয়ীদের মধ্যে রয়েছেন প্রীতি পাওয়ার (৫৪ কেজি), জ্যাসমিন লাম্বোরিয়া (৫৭ কেজি), সাক্ষী চৌধুরী (৫১ কেজি), প্রিয়া ঘাংহাস (৬০ কেজি), অরুন্ধতী চৌধুরী (৭০ কেজি), সচিন সিওয়াচ (৬০ কেজি) এবং অঙ্কুশ পাংঘাল (৮০ কেজি)। রুপো জিতেছেন যদুমণি সিং (৫৫ কেজি), অলিম্পিক পদকজয়ী লভলিনা বরগোঁহাই (৭৫ কেজি) এবং নরেন্দর বেরওয়াল (৯০ কেজির বেশি)। ভারতের বক্সিং দলের সোনাজয়ী সাক্ষী চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, “কমনওয়েলথ গেমসের সমস্ত পদকজয়ীকে আমাদের সম্মানীয় প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আমরা অত্যন্ত গর্বিত। তাঁর সঙ্গে দেখা করার অভিজ্ঞতা ছিল অসাধারণ। তিনি অত্যন্ত বিনয়ী। তাঁর সঙ্গে দেখা করে আমরা খুবই আনন্দিত।” এবারের সাতটি সোনা কমনওয়েলথ গেমসে ভারতীয় মহিলা বক্সারদের সর্বকালের সেরা সাফল্যও এনে দিয়েছে।

    জুডোতেও ভারতের নজির

    জুডোতেও নিজেদের সেরা কমনওয়েলথ গেমস সাফল্য অর্জন করেছে ভারত। গ্লাসগোয় ভারত ১২টি জুডো ইভেন্টে অংশ নিয়ে মোট চারটি পদক জিতেছে—দুটি সোনা, একটি রুপো এবং একটি ব্রোঞ্জ। ২০২২ সালের প্রতিযোগিতায় তিনটি পদক পেলেও, সেবার একটিও সোনা জিততে পারেনি ভারত। ভারতের জুডো সাফল্যের অন্যতম প্রধান মুখ খেলো ইন্ডিয়ার ক্রীড়াবিদ অস্মিতা দে এবং হর্ষ সিং। তাঁরা জুডোয় কমনওয়েলথ গেমসে ভারতের প্রথম সোনা জিতে ইতিহাস তৈরি করেছেন। অস্মিতা প্রথম ভারতীয় মহিলা জুডোকা হিসেবে কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতেন। আর হর্ষ সিং প্রথম ভারতীয় পুরুষ জুডোকা হিসেবে এই কৃতিত্ব অর্জন করেন। অ্যাথলেটিক্স থেকে ভারত (PM Modi) পেয়েছে ১০টি পদক। এর মধ্যে রয়েছে পাঁচটি রুপো এবং পাঁচটি ব্রোঞ্জ। ভারতের গুলভীর সিং কমনওয়েলথ গেমসের এক আসরে ব্যক্তিগতভাবে দু’টি পদকজয়ী প্রথম ভারতীয় ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ড ক্রীড়াবিদ হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন। পুরুষদের ১০ হাজার মিটার দৌড়ে তিনি রুপো এবং ৫ হাজার মিটারে ব্রোঞ্জ জিতেছেন (Distorted India Map)।গ্লাসগোর এই সাফল্যকে দেশের ক্রীড়া ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবেই দেখা হচ্ছে। সীমিত সংখ্যক খেলায় অংশ নিয়েও ভারতীয় ক্রীড়াবিদদের এমন সাফল্য আগামী দিনে দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে আরও বড় প্রত্যাশা তৈরি করেছে।

     

  • ABVP: উমর খালিদের বই নিয়ে আলোচনা সভা বাতিল জেএনইউতে, কী বলছে এবিভিপি?

    ABVP: উমর খালিদের বই নিয়ে আলোচনা সভা বাতিল জেএনইউতে, কী বলছে এবিভিপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের তরফে অভিযুক্ত উমর খালিদকে (Umar Khalid) নিয়ে একটি বই আলোচনা সভার আয়োজনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। আজ ১০ অগাস্ট বিকেল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ওই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল। তবে (ABVP) অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) জেএনইউ শাখার তীব্র আপত্তি ও ধারাবাহিক প্রতিবাদের পর শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানটি বাতিল করা হয়েছে।

    খালিদের বিরুদ্ধে গুচ্ছের অভিযোগ (ABVP)

    খালিদ ২০২০ সালের দিল্লি হিংসা মামলায় অভিযুক্ত। ২০১৬ সালে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে দেশবিরোধী স্লোগান দেওয়ার ঘটনায়ও তাঁর নাম জড়িয়েছিল। কাশ্মীর নিয়ে নানা সময় তাঁর করা বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্যও ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিল। জেএনইউয়ের এবিভিপির অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে খালিদের বইকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে তাঁর পক্ষে একটি ইতিবাচক বয়ান তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছিল। অনুষ্ঠানের পোস্টার প্রকাশ্যে আসার পরেই সংগঠনটি এ ব্যাপারে সরব হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচারের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে অনুষ্ঠানটি অবিলম্বে বাতিল করার দাবিও জানানো হয়।

    এবিভিপির প্রতিবাদ

    এবিভিপির পক্ষ থেকে লাগাতার প্রতিবাদ ও চাপ তৈরির পর অনুষ্ঠানটি বাতিল করা হয়েছে বলে সংগঠনটির দাবি। একইসঙ্গে, গুরুতর দেশবিরোধী কার্যকলাপ ও হিংসার মামলায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে মহিমান্বিত করার উদ্দেশ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের জন্য প্রাথমিকভাবে অনুমতি দেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক আধিকারিকদেরও নিন্দা করেছে তারা। এবিভিপি (ABVP) জেএনইউয়ের সভাপতি ময়ঙ্ক পাঞ্চাল বলেন, “গুরুতর দেশবিরোধী কার্যকলাপ ও হিংসার সঙ্গে যুক্ত মামলায় অভিযুক্ত কোনও ব্যক্তিকে মহিমান্বিত করার মঞ্চ জেএনইউ চত্বর হতে পারে না। আমরা এই কর্মসূচির বিরুদ্ধে সরব হয়েছি এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে স্পষ্টভাবে আমাদের আপত্তির কথা জানিয়েছি। কর্মসূচি বাতিল হওয়া এবিভিপির ধারাবাহিক প্রচেষ্টার জয়।”

    দেশবিরোধী মানসিকতার প্রতিবাদ

    এবিভিপির জেএনইউয়ের সম্পাদক প্রবীণ পীযূষ বলেন, “দেশের ঐক্য ও অখণ্ডতার পক্ষে এবিভিপি সবসময় দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। দেশবিরোধী মানসিকতাকে স্বাভাবিক করে তোলার যে কোনও প্রচেষ্টার আমরা তীব্র বিরোধিতা করব। এবিভিপি জেএনইউ এই কর্মসূচির বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে আওয়াজ তুলেছিল এবং শেষ পর্যন্ত কর্মসূচিটি বাতিল হয়েছে।” প্রসঙ্গত, পরবর্তী সময়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি (Umar Khalid) করা হয়, আয়োজকদের পক্ষ থেকে অনুষ্ঠানের প্রকৃত উদ্দেশ্য গোপন করে অনুমতি নেওয়া (ABVP) হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কাছে ‘আদিবাসী দিবস’ পালনের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

     

LinkedIn
Share