Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Assam: “রবিবারই শুরু মিঞা মুসলমানদের বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ অভিযান”, ঘোষণা হিমন্তর

    Assam: “রবিবারই শুরু মিঞা মুসলমানদের বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ অভিযান”, ঘোষণা হিমন্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই ৯ নভেম্বর। এদিন থেকেই ফের শুরু হবে অসমের (Assam) বনভূমিতে বাংলাদেশি মিঞা মুসলমানদের বেআইনি দখলদারি উচ্ছেদ অভিযান (Eviction Drives)। সোশ্যাল মিডিয়ায় এ খবর জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা স্বয়ং। তিনি বলেন, “কিছু মানুষ জনপ্রিয় গায়ক জুবিন গর্গের মৃত্যুর আবেগকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে অসমে নেপালের মতো অস্থিরতা সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিল। তাদের ধারণা ছিল, এভাবে সরকারকে চাপের মুখে ফেলে উচ্ছেদ অভিযান থামানো যাবে। কিন্তু দুঃখিত, আমি আপনাদের সেই আশা পূরণ করতে পারিনি। ৯ নভেম্বর থেকে গোয়ালপাড়া জেলার দোহিকোটা সংরক্ষিত বনে ফের শুরু হবে উচ্ছেদ অভিযান।”

    দখলদার উচ্ছেদ অভিযান (Assam)

    জানা গিয়েছে, বনবিভাগ জেলা প্রশাসন ও পুলিশের সহযোগিতায় দোহিকোটা সংরক্ষিত বনে ১ হাজার ১৪৩ বিঘে বনভূমি থেকে দখলদার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবে। ৯ নভেম্বরের আগেই বনভূমি খালি করার নির্দেশ দিয়ে ৩০০-রও বেশি বাংলাদেশি মুসলিম পরিবারকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর বহু অবৈধ দখলদার বনভূমি ছেড়ে চলে গিয়েছে। দোহিকোটা সংরক্ষিত বনাঞ্চলটি হাতির বাসস্থান হলেও, অবৈধ দখলদারির জেরে ব্যাঘাত ঘটছে হাতির জীবনযাত্রার। তাই গোয়ালপাড়া জেলায় মানুষ–হাতি সংঘাত বাড়ছে দ্রুত।

    অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা

    প্রসঙ্গত, গায়ক জুবিন গর্গের মর্মান্তিক মৃত্যুর পর অসমে একদল মানুষ অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করছিল। গায়কের অকাল প্রয়াণের বিচার দাবি করার নামে ওই গোষ্ঠী রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি সৃষ্টি করার চেষ্টা করেছিল। ১৫ অক্টোবর বকসা জেলা জেলের সামনে পুলিশ ও সংবাদ মাধ্যমের ওপর ব্যাপক হামলা হয় (Assam)। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয় যানবাহনে (Eviction Drives)। ওই ঘটনায় ২৫ জনেরও বেশি মানুষ জখম হন। পরে জানা যায়, এই হিংসার উসকানি দেওয়া হয়েছিল বেঙ্গালুরু থেকে পরিচালিত একাধিক হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে। ঘটনার পর পুলিশ ১১ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে। এদের মধ্যে ৯ জনই মুসলমান, বাকিরাও স্থানীয় নয় (Assam)।

  • HAL-GE Jet Engine Deal: মার্কিন জিই এরোস্পেস থেকে ১১৩টি জেট ইঞ্জিন কিনছে ভারত, ৮ হাজার ৮৭০ কোটির চুক্তি স্বাক্ষর

    HAL-GE Jet Engine Deal: মার্কিন জিই এরোস্পেস থেকে ১১৩টি জেট ইঞ্জিন কিনছে ভারত, ৮ হাজার ৮৭০ কোটির চুক্তি স্বাক্ষর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে শুল্ক-সংঘাতের আবহের মধ্যে মার্কিন সংস্থার সঙ্গে বিরাট বড় প্রতিরক্ষা চুক্তি করল ভারত। দেশীয় তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানের জন্য ১১৩টি অত্যাধুনিক শক্তিশালী ‘এফ-৪০৪ আইএন২০’ ইঞ্জিন কিনতে প্রায় ৮ হাজার ৮৭০ কোটি টাকার চুক্তি সম্পন্ন করেছে রাষ্ট্রায়ত্ত যুদ্ধবিমান উৎপাদনকারী সংস্থা হিন্দুস্থান এরোনটিক্স লিমিটেড বা হ্যাল। শুক্রবারই এই চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।

    তেজস জেট উৎপাদনের সমস্যা দূর হবে

    এই চুক্তি অনুযায়ী, ২০২৭ সাল থেকে ইঞ্জিন পেতে শুরু করবে ভারত। ২০৩২ সালের মধ্যে সবকটি ইঞ্জিন ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হবে। হ্যালের তরফে জানানো হয়েছে, এই চুক্তির ফলে ভারতের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি তেজস মার্ক-১এ যুদ্ধবিমান উৎপাদনে বিশেষ সুবিধা হবে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর প্রতিরক্ষা মন্ত্রক ভারতীয় বায়ুসেনার জন্য ৬২,৩৭০ কোটি টাকায় ৯৭টি ৪.৫ প্রজন্মের হালকা ‘মাল্টি রোল সুপারসনিক’ যুদ্ধবিমান তেজস মার্ক-১এ কেনার চুক্তি করেছিল। ২০২৭-২৮ থেকে সরবরাহ শুরু হওয়ার কথা। ছ’বছরের মধ্যে তা সম্পন্ন হবে। মার্কিন সংস্থার সঙ্গে এই ইঞ্জিন-চুক্তি তেজস সরবরাহ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন ইঞ্জিন পেলে সময়মতো যুদ্ধবিমান সরবরাহে সমস্যা হবে না বলে হ্যাল সূত্রের খবর।

    ১০ বছরের প্রতিরক্ষা সমঝোতা ভারত-আমেরিকার

    গতমাসের শেষ দিকে, আগামী এক দশকে প্রতিরক্ষা খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করতে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে ভারত ও আমেরিকা। সেখানে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয় মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিটার হেগসথের৷ ওই বৈঠকের পর মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিবের দাবি করেন, ওই চুক্তি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও প্রতিরোধমূলক সক্ষমতার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। এটি দুই দেশের মধ্যে সমন্বয়, তথ্য বিনিময় ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আরও জোরদার হবে এর মাধ্যমে। তার এক সপ্তাহের মধ্যেই স্বাক্ষরিত হল হ্যাল-জিই ইঞ্জিন চুক্তি। মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে দশ বছরের জন্য হওয়া এই চুক্তি ভারত ও আমেরিকাকে দ্বিপাক্ষিক সমঝোতার প্রশ্নে আরও কাছাকাছি এনে দিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে৷

  • Rajnath Singh on Nuclear Test: ‘সঠিক সময়ে পদক্ষেপ করবে ভারত’, দিল্লির পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে রাজনাথ

    Rajnath Singh on Nuclear Test: ‘সঠিক সময়ে পদক্ষেপ করবে ভারত’, দিল্লির পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি যে, পাকিস্তান থেকে শুরু করে রাশিয়া, চিন এবং উত্তর কোরিয়ার মতো কয়েকটি দেশ গোপনে পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে। এই আবহে আমেরিকাও পারমাণবিক পরীক্ষা শুরু করতে চলেছে বলে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ভারত এই প্রেক্ষিতে কী করবে, এবার তা স্পষ্ট করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি জানিয়েছেন, অন্য দেশগুলো তাদের মতো করে কাজ করছে, আর ভারত সঠিক সময়ে নিজের মতো সিদ্ধান্ত নেবে। সম্প্রতি এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে নানা বিষয় নিয়ে নিজের খোলাখুলি মত জানান প্রতিরক্ষামন্ত্রী।

    পরমাণু পরীক্ষা নিয়ে অকপট রাজনাথ

    পাকিস্তান, আমেরিকা পরমাণু বোমা পরীক্ষা নিয়ে যে জল্পনা শুরু হয়েছে, তা নিয়ে রাজনাথ সিং বলেন, “ওরা যদি করতে চায়, করুক। ভবিষ্যতই বলবে ভারত কী করবে। এই বিষয়ে আমাদের কিছু বলার নেই। পাকিস্তান হোক বা আমেরিকা — যে যা করছে, করছে। ভারত কখনও ভয় বা চাপে পড়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করে না।” তিনি আরও যোগ করেন, “ভারত যা উপযুক্ত মনে করবে, সেই পদক্ষেপই করবে। আমরা সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ করব।” এর আগে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প অভিযোগ করেন, রাশিয়া থেকে শুরু করে চিন ও পাকিস্তান পর্যন্ত অনেক দেশই নীরবে ভূগর্ভস্থ পারমাণবিক পরীক্ষা চালাচ্ছে, যা জনসমক্ষে প্রকাশিত নয়।

    ট্রাম্পের দাবি

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ঘোষণা করেছেন যে, ৩০ বছরেরও বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্র আবার পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা শুরু করতে পারে। তিনি বলেন, রাশিয়া, চিন, পাকিস্তান ও উত্তর কোরিয়া যদি পরীক্ষা চালায়, তবে আমেরিকা একা হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না। এই কারণে তিনি পেন্টাগনকে অবিলম্বে প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, যাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘পারমাণবিক সমতা’ বজায় রাখতে পারে। অন্যদিকে, চিনের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র মাও নিং এক বিবৃতিতে বলেন, “চিন সর্বদা শান্তিপূর্ণ উন্নয়নের পথে চলেছে, পারমাণবিক অস্ত্রের প্রথম ব্যবহার না করার নীতি অনুসরণ করে, আত্মরক্ষামূলক পারমাণবিক কৌশল গ্রহণ করেছে এবং পারমাণবিক পরীক্ষা স্থগিত রাখার অঙ্গীকার পালন করছে।”

    প্রসঙ্গ বাংলাদেশ

    পরমাণু পরীক্ষা ছাড়াও এই সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসকে মুখ সামলে কথা বলার পরামর্শ দিলেন ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। রাজনাথ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করতে চায় না নয়াদিল্লি। নিজেদের চিরন্তন রীতি মেনে ভারত সব প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে চায়। কিন্তু ভারত যে কোনও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে ভয় পায় না বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজনাথ। ওই সাক্ষাৎকারে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক চাই না। কিন্তু ইউনূস যা বলছেন, তা নিয়ে সতর্ক থাকা উচিত।’ ইউনুসের আমলে বাংলাদেশের একটি অংশে ভারত-বিরোধী বীজ রোপণ করা হয়েছে। যে ভারতের কারণে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল, সেই দেশকেই নিয়ে ভুলভাল মন্তব্য করেন ইউনূস, যেটা কাম্য নয়।

  • PM Modi In Bhutan: আগামী সপ্তাহেই ভুটান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী! রেল সংযোগ, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে বিশদ ভাবনা

    PM Modi In Bhutan: আগামী সপ্তাহেই ভুটান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী! রেল সংযোগ, জলবিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে বিশদ ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই দিনের সরকারি সফরে ভুটান যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In Bhutan)। আগামী সপ্তাহে ভুটানের বর্তমান রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুকের পিতা প্রাক্তন রাজা জিগমে সিংয়ে ওয়াংচুকের ৭০তম জন্মদিন উপলক্ষে ভুটানে যাওয়ার কথা রয়েছে মোদির। বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সফরসূচি ঘোষণা করা হয়নি, তবু সূত্রমতে, এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হবে জ্বালানি সহযোগিতা ও আঞ্চলিক সংযোগ আরও দৃঢ় করা। আগামী ১১ ও ১২ নভেম্বর ভুটান সফরে যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রীর। ২০১৪ সালের পর এটি হবে তাঁর চতুর্থ ভুটান সফর।

    জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধন

    সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী মোদি ভুটান (Bharat-Bhutan Relation) সফরের সময় সেখানকার পরিকাঠামো প্রকল্পের উদ্বোধন করতে পারেন এবং সেখানকার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারেন। ভুটানের সংবাদ মাধ্যম কুয়েনসেলের তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মোদি প্রাক্তন রাজার ৭০তম জন্মদিন উদযাপনের সময় সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি সেখানে পুনাতসাংছু-দ্বিতীয় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের উদ্বোধনও করবেন বলেও জানা গিয়েছে। ২০২৫ সালের শুরু থেকে চালু হওয়া এই প্রকল্প ভুটানের বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রায় দ্বিগুণ করবে এবং ভারতের কাছে বিদ্যুৎ রফতানিতেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।

    ভারত–ভুটান রেল সংযোগ প্রকল্পের অগ্রগতি

    প্রধানমন্ত্রী মোদি সফরের সময় ভারত–ভুটান রেল সংযোগ প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। ভারত-ভুটান দুটি রেলপথের মধ্যে রয়েছে— আসামের কোকরাঝাড় থেকে দক্ষিণ ভুটানের গ্যালেফু পর্যন্ত ৬৯ কিমি লাইন এবং পশ্চিমবঙ্গের বানারহাট থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম ভুটানের সামতসে পর্যন্ত ২০ কিমি লাইন। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ঘোষিত এই দুই প্রকল্প সীমান্তপারের যোগাযোগ ও বাণিজ্য বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কোকরাঝাড়–গ্যালেফু প্রকল্প, যার ব্যয় প্রায় ₹৩,৪৫৬ কোটি, এতে থাকবে ৬টি স্টেশন, ২টি গুরুত্বপূর্ণ সেতু, ২৯টি বড় ও ৬৫টি ছোট সেতু, ২টি পণ্যবাহী টার্মিনাল, ১টি উড়ালপুল এবং ৩৯টি আন্ডারপাস। নির্মাণের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে চার বছর। অন্যদিকে বানারহাট–সামতসে প্রকল্পের ব্যয় ₹৫৭৭ কোটি, যেখানে থাকবে ২টি স্টেশন, ১টি বড় সেতু, ২৪টি ছোট সেতু, ১টি ওভারপাস এবং ৩৭টি আন্ডারপাস। এটি তিন বছরের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা।

    পারস্পরিক সংযোগকে আরও গভীর করবে

    বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি জানান, এই প্রকল্পগুলো ভারত ও ভুটানের পারস্পরিক সংযোগকে আরও গভীর করবে। তিনি বলেন, “গ্যালেফু হলো ‘গ্যালেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু, যা ভুটানের রাজা স্বপ্নদর্শীভাবে পরিকল্পনা করেছেন। ভারত এই প্রকল্পে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে। আসামের সীমান্তবর্তী এই অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলবে।” সামতসে রেল প্রকল্প সম্পর্কে মিশ্রি আরও জানান, এই শহরটি শিল্পকেন্দ্র হিসেবে বিকশিত হচ্ছে এবং এখান থেকে ডোলোমাইট, ফেরো-সিলিকন, কোয়ার্টজাইট ও পাথরচিপস ভারতের বাজারে রফতানি করা হতে পারে।

    ভারত-ভুটান সম্পর্কের বিকাশের উপর গুরুত্ব

    সোমবার ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে ভারত-ভুটান সম্পর্কের বিকাশের উপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ‘ভারত-ভুটানের সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে উঠেছে হাজার বছর আগে, যা এখনও আমরা উপভোগ করছি। কারণ ভারতের অনেক আধ্যাত্মিক গুরু ভুটানে বা কখনও কখনও হিমালয়ের অন্যান্য অংশে ভ্রমণ করেছেন। অনেকে ভুটানে বাড়িও বানিয়েছেন।’ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং টোবগে আরও বলেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদির সহযোগিতায়, ভুটানের গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটিকে বজ্রযান অনুশীলনের কেন্দ্র হিসেবে রূপান্তরিত করা হতে পারে। আগামী দিনে মোদির সহযোগিতায় গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটিকে একটি বজ্রযান কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। ভুটানের প্রধানমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের মধ্যে যথেষ্ট সদিচ্ছা রয়েছে এবং এই অংশগ্রহণ থেকে উপকৃত হয়েছে ভুটান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী থেকে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে আমাদের রাজাদের এবং বর্তমান রাজার সম্পর্কও অত্যন্ত বন্ধুত্বপূর্ণ।’

     

     

     

     

     

     

  • Supreme Court: স্কুল, হাসপাতাল, বাস স্ট্যান্ড, স্টেশন চত্বর থেকে সরাতে হবে সব পথকুকুর, বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: স্কুল, হাসপাতাল, বাস স্ট্যান্ড, স্টেশন চত্বর থেকে সরাতে হবে সব পথকুকুর, বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথকুকুরদের নিয়ে বড় নির্দেশ দিয়েছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বাস স্ট্যান্ড, খেলাধুলোর মাঠ, রেল স্টেশন থেকে পথকুকুরদের সরিয়ে নিতে হবে। এই সমস্ত জায়গায় যেসব কুকুরগুলি (Stray Dogs) থাকে তাদের ডগ শেল্টারে পাঠাতে হবে। পথকুকুরদের কামড়ে দিন দিন জনবহুল এলাকায় জলাতঙ্ক রোগের একটা বিরাট প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। হাসপাতালগুলিতে দৈনিক রোগী ভর্তির সংখ্যাও উত্তরোত্তর বাড়ছে। বছরে শহরাঞ্চলে জলাতঙ্কে মারা যাওয়া রোগীর সংখ্যাও প্রচুর। তাই সামাজিক স্বাস্থ্যের কথা ভেবে এই নির্দেশ বলে মনে করছেন সমাজকর্মীদের একাংশ।

    সরানোর পর যেন ফেরত না আনা হয় (Supreme Court)

    শুক্রবার দেশের শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) তরফে পথকুকুর মামলায় একটি শুনানিতে বলা হয়েছে সমস্ত জনবহুল এবং গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলি থেকে কুকুরদের সরিয়ে নিতে হবে। হাসপাতাল, বাস স্ট্যান্ড, রেলস্টেশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে দ্রুত সরাতে হবে কুকুর। আগামী ৮ সপ্তাহের মধ্যেই এই পথকুকুরদের ব্যবস্থা করতে হবে। সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি বিক্রম নাথ, বিচারপতি সন্দীপ মেহেতা এবং বিচারপতি এনভি আঞ্জারিয়ার বিশেষ বেঞ্চ এই পথকুকুরদের সম্পর্কে স্বতঃপ্রণোদিত মামলার শুনানি করেছেন। বিচারপতিরা সহমত হয়ে নির্দেশ দেন, যেসব জায়গা থেকে কুকুরদের সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে সেখানে যেন আবার ফিরিয়ে না আনা হয়। কুকুরদের শেল্টার পয়েন্টে রাখতে হবে। প্রয়োজনীয় যা যা ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, সরকার পক্ষকে অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। সমস্ত কাজের খতিয়ান নির্দেশমতো অ্যামিকাস ক্যুরির (আদালত বন্ধু) মাধ্যমে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৩ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী নির্দেশ দেওয়া হবে।

    নজরদারি রাখার বিশেষ টিম গঠন

    সম্প্রতি রাজস্থান হাইকোর্ট জাতীয় সড়ক এবং রাজ্য সড়কের এক্সপ্রেসওয়ে থেকে গরু সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। সরকারি আধিকারিক, পুরসভা, সড়ক, পরিবহণ দফতর এই নির্দেশ পালন করবে। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) এদিন রাজস্থানের নির্দেশকে দৃষ্টান্ত রেখে নির্দেশ দেয় সমস্ত কেন্দ্র শাসিত এবং রাজ্য শাসিত অঞ্চলে জাতীয় সড়ক, রাজ্য সড়ক এবং যত্রতত্র ঘোরাঘুরি করা গরুদের দ্রুত সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন। পশু রাখার নির্দিষ্ট জায়গায় রাখতে হবে। প্রয়োজনে হেল্প লাইন নম্বর দিতে হবে। প্রয়োজনে হাইওয়ে নজরদারি রাখার বিশেষ টিম গঠন করতে হবে। রাজ্যের মুখ্যসচিবদের প্রত্যক্ষ ভাবে নজরে রাখতে হবে।

    সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ বলেছে বেঞ্চ জানিয়েছে, এলাকা থেকে পথকুকুরদের সরিয়ে নিয়ে অ্যানিমাল বার্থ কন্ট্রোল রুল অনুযায়ী, ভ্যাক্সিনেশন এবং স্টেরিলাইজেশন দিয়ে দূরে ডগ শেল্টারে পাঠাতে হবে। পাঠানোর সম্পূর্ণ দায় স্থানীয় প্রশাসনের৷ তবে সমস্ত এলাকা থেকে পথকুকুরগুলিকে নিয়ে যাওয়ার পরে, তাদের ওই সমস্ত জায়গায় আবার কোনও ভাবেই ফিরিয়ে নিয়ে আসা যাবে না৷ আর এমনটা করলে এই সমস্ত এলাকা থেকে পথকুকুর সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যটাই ব্যর্থ হবে৷ তাই নির্দেশ অমান্য করা যাবে না।

    র‍্যাবিসে আক্রান্ত কুকুরগুলিকে ছাড়া হবে না

    উল্লেখ্য চলতি বছরের জুলাই মাসে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) দিল্লি এবং এনসিআর লাগোয়া এলাকা থেকে সমস্ত পথকুকুরদের সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছিল। কুকুরদের যথাস্থানে রাখার যেমন নির্দেশ দেওয়া হয়, ঠিক একই ভাবে বেশ কিছুকে হত্যার নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এই রায়ের পর ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয়। এরপর রায় পুনর্বিবেচনা করে বলা হয় পথকুকুরদের টিকাকরণ এবং নির্বীজকরণ করতে হবে এবং তাদের সরিয়ে ফেলতে হবে। তবে যে কুকুরগুলি র‍্যাবিসে আক্রান্ত বা হিংস্র তাদের ছাড়া হবে না। তাদের শেল্টারে রাখতে হবে। কুকুরকে যেখানে সেখানে খাওয়ানো যাবে না। কুকুরকে খাওয়াতে নির্দিষ্ট স্থানে রাখতে হবে। নিয়ম না মানলে কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ কড়া হবে। কুকুর নিয়ে কোনও রকম অবহেলাকে মেনে নেওয়া হবে না।

    তবে পথকুকুর (Stray Dogs), গৃহহীন পশুদের নজরদারিতে এবং যত্নে কোনও খামতি রাখা যাবে না। তাদের জন‍্য প্রয়োজনীয় সবরকম ব‍্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সব রাজ‍্য এবং কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলের মুখ‍্য সচিবদের ৮ সপ্তাহের মধ‍্যে কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট দিতে হবে। তবে এই রায়ে কুকুরপ্রমীরা কিছুটা হতাশা প্রকাশ করেছেন। অপর দিকে পরিবেশ এবং সমাজকর্মীদের মতে জনস্বাস্থ্যকে মাথায় রেখে সব দিকগুলিকে খতিয়ে দেখা ভীষণ দরকার।

  • Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়! সব আইনে গ্রেফতারের কারণ লিখিত আকারে জানানো বাধ্যতামূলক

    Supreme Court: সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়! সব আইনে গ্রেফতারের কারণ লিখিত আকারে জানানো বাধ্যতামূলক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যে কোনও আইনের অধীনে গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে তার গ্রেফতারের কারণ লিখিত আকারে অবশ্যই জানাতে হবে। শুধু তাই নয় সেই কারণটি এমন ভাষায় জানাতে হবে যা অভিযুক্ত ব্যক্তি বুঝতে পারেন। ব্যক্তিগত স্বাধীনতার সাংবিধানিক নিশ্চয়তা আরও দৃঢ় করে, দেশের সর্বোচ্চ আদালত বৃহস্পতিবার এমনই এক ঐতিহাসিক রায়ে ঘোষণা করেছে। মুম্বইয়ের একটি ‘হিট অ্যান্ড রান’ মামলার জেরে বৃহস্পতিবার বিচারপতি বিআর গাভাই ও বিচারপতি এজি মাসিহের বেঞ্চ এই রায় দেয়।

    কেন এই রায়

    কোনও মামলায় কোনও ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হলেও বহু ক্ষেত্রে পুলিশ গ্রেফতারির কারণ জানায় না ধৃতকে— এমন অভিযোগ ওঠে। এই নিয়ে বহু মামলা হয়েছে বিভিন্ন আদালতে। এবার তেমনই একটি মামলায় পুলিশকে কঠোর নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালতের প্রধান বিচারপতি বিআর গভাই ও বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহ–র বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, এখন থেকে গ্রেফতারির দু’ঘণ্টার মধ্যে ধৃতকে তিনি যে ভাষা বুঝতে পারেন, সেই ভাষায় লিখিত ভাবে গ্রেফতারির কারণ জানাতে হবে। একইসঙ্গে শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, কোনও ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পরে আদালতের কাছে হাজির করার কমপক্ষে দু’ঘণ্টা আগে কারণ জানাতে হবে। না হলে সেই গ্রেফতারি বেআইনি বলে চিহ্নিত হবে।

    কী বলল শীর্ষ আদালত

    শুধু পিএমএলএ বা ইউএপিএ ধারায় নয়, ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (পূর্বতন ভারতীয় দণ্ডবিধি) যে কোনও ধারায় গ্রেফতারির ক্ষেত্রেও একই নির্দেশ প্রযোজ্য। কেন এই নির্দেশ সেই প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের ব্যাখ্যা, অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হলে তার কারণ যদি ধৃতকে না–জানানো হয়, তা হলে তা তাঁর মৌলিক অধিকার হরণের সামিল। এই নির্দেশ দিতে গিয়ে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, গ্রেফতারির কারণ ধৃতের ভাষায় জানানো বাধ্যতামূলক। যদি কোনও ক্ষেত্রে গ্রেফতারকারী অফিসার গ্রেফতারির মুহূর্তে লিখিত কারণ জানানোর অবস্থায় না–থাকেন, তা হলে ধৃতকে ওই সময়েই মৌখিক ভাবে কারণ জানাতে হবে। তারপরে যত দ্রুত সম্ভব, তাঁকে আদালতে পেশ করার অন্তত দু’ঘণ্টা আগে লিখিত ভাবে সেই তথ্য জানাতেই হবে পুলিশকে। আর যদি আদালতে পেশের অন্তত দু’ঘণ্টা আগে লিখিত ভাবে কারণ না–জানানো হয়, তা হলে সেই গ্রেফতারি বেআইনি এবং তাঁকে মুক্তি দিতে হবে।

    সবাইকে মানতে হবে এই রায়

    মামলাটি শুরু হয় মিহির রাজেশ শাহের পক্ষ থেকে, যিনি অভিযোগ করেন যে তাকে গ্রেফতারের সময় লিখিতভাবে কারণ জানানো হয়নি। বোম্বে হাইকোর্ট বিষয়টি স্বীকার করলেও অপরাধের গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে গ্রেফতারকে বৈধ ঘোষণা করে। তবে সুপ্রিম কোর্ট একে বৃহত্তর সাংবিধানিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখে স্পষ্ট জানায় যে, অপরাধের গুরুত্ব কখনও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার অধিকারের ক্ষতি করতে পারে না। সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) তার রায়ের কপি সব হাইকোর্টে রেজিস্ট্রার জেনারেলের মাধ্যমে এবং সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য সচিবদের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে, যাতে সারা দেশে অভিন্নভাবে এই রায় কার্যকর করা হয়। বিচারপতিরা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন—কোনও তদন্ত সংস্থা, যেমন পুলিশ, ইডি, সিবিআই বা অন্য কোনও সংস্থা, এই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্ত নয়।

  • 150 Years of Vande Mataram: ‘বন্দে মাতরম শব্দ হাজার অনুভূতি দ্বারা আবৃত, খুব সহজে মাতৃভূমির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে এই মন্ত্র’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    150 Years of Vande Mataram: ‘বন্দে মাতরম শব্দ হাজার অনুভূতি দ্বারা আবৃত, খুব সহজে মাতৃভূমির সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে এই মন্ত্র’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাল ১৮৭৬। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সংস্কৃত ও বাংলার মিশ্রণে লিখলেন ‘বন্দে মাতরম’। জাতীয়তাবোধে কেঁপে উঠল বাঙালি। উদ্বেলিত হল আসমুদ্র হিমাচল। ১৮৮২ সালে গানটি প্রকাশিত হল আনন্দমঠ উপন্যাসে। আগামী বছর সেই ‘বন্দে মাতরম’ স্তোত্রের দেড়শো বছর পূর্ণ হতে চলেছে। তাই সেই বিশেষ সময়কে আরও বিশেষ করে তুলতে উদ্যোগী হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নয়া দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইন্ডোর স্টেডিয়ামে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম্‌’ – এর সার্ধশতবর্ষ পূর্তি উপলক্ষ্যে বর্ষব্যাপী উদযাপনের সূচনা করলেন মোদি। ৭ নভেম্বর, ২০২৫ থেকে শুরু হয়ে এই উদযাপন চলবে ৭ নভেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত।

    বর্ষব্যাপী অনুষ্ঠানের সূচনা

    ভারতের জাতীয় স্তোত্র-এর দেড়শো বছর উপলক্ষে এদিন বিশেষ উদযাপনের কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জনসাধারণের কাছেও আর্জি রাখলেন, ‘বন্দেমাতরম’-এর দেড়শো বছরকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য। এদিন সকাল সাড়ে নটা নাগাদ অনুষ্ঠানের সূচনা করেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী এই উপলক্ষ্যে একটি স্মারক ডাকটিকিট ও স্মারক মুদ্রার আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করেন। যে কালজয়ী রচনা ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে প্রেরণা যুগিয়েছিল এবং এখনও জাতীয় গর্ব ও ঐক্যবোধ’কে জাগিয়ে তোলে, তার সার্ধশতবর্ষ পূর্তি উদযাপনের সূচনা হল এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে মূল অনুষ্ঠানের পাশাপাশি, সকাল ৯টা ৫০ মিনিট নাগাদ দেশজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় ‘বন্দে মাতরম্‌’ – এর পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ সমবেতভাবে গাওয়া হয়। সমাজের সর্বস্তরের নাগরিকরা এতে অংশগ্রহণ করেন।

    ভারতের ঐক্য ও আত্মসম্মানবোধের জাগ্রত চেতনা

    ১৮৭৫ সালের ৭ নভেম্বর অক্ষয় নবমীর পুণ্যতিথিতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই গান লিখেছিলেন বলে মনে করা হয়। তাঁর আনন্দমঠ উপন্যাস যখন বঙ্গদর্শন পত্রিকায় পর্বে পর্বে প্রকাশিত হচ্ছিল, তখন তাতে এই গানটি প্রথম দেখা যায়। পরবর্তীকালে ১৮৮২ সালে আনন্দমঠ উপন্যাসটি বই হিসেবে প্রকাশিত হয়। সেই সময়ে ভারত সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে ব্যাপক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে চলছিল এবং জাতীয় পরিচয় ও ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চেতনা ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছিল। মাতৃভূমিকে শক্তি, সমৃদ্ধি ও দেবত্বের মূর্ত প্রতীক হিসেবে অভিবাদন জানিয়ে এই গানটি ভারতের ঐক্য ও আত্মসম্মানবোধের জাগ্রত চেতনাকে কাব্যিক রূপ দেয়। অচিরেই এটি স্বদেশপ্রেমের মূর্ত প্রতীক হয়ে ওঠে।

    বন্দেমাতরম সভ্যতার ভিত্তি

    অনুষ্ঠান থেকে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতের জাতীয় স্তোত্র বন্দেমাতরম সভ্যতার ভিত্তি স্থাপন করে। এই গানের প্রথম লাইনটাই প্রতিটি ভারতীর মনে অনুভূতির জোয়ার তৈরি করতে সক্ষম। কারণ, বন্দেমাতরম এই একটা শব্দই হাজার অনুভূতি দ্বারা আবৃত। যা খুব সহজ ভাবে মাতৃভূমির সঙ্গে আকর্ষণ তৈরি করে।’ তিনি আরও বলেন, ‘দেশের ১৪০ কোটি জনগণকে ঐক্যবদ্ধ রাখার ক্ষমতা রয়েছে বন্দেমাতরমের মধ্যে। যদি কোনও বিপদ আসে, তখন বন্দেমাতরম স্তুতি করুন। এটাই আমাদের দেশাত্মবোধকে জাগিয়ে রাখতে সক্ষম হবে।’

    কংগ্রেসকে নিশানা মোদির

    প্রধানমন্ত্রী মোদির কথায়,  বেদ ভারতীয় সভ্যতার ভিত্তি স্থাপন করার সময় এই অনুভূতি জাগিয়ে তুলেছিল যে, পৃথিবী মাতা এবং আমি তার সন্তান। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ‘বন্দেমাতরম’ লিখে মাতৃভূমি এবং তার সন্তানদের মধ্যে সম্পর্ককে একই ভাবে আবেগের জগতের এক মন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। সেই সঙ্গে কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী শুক্রবার বলেন, ‘‘ভোটব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখতে দেশের সুরক্ষার সঙ্গে আপস করা হয়েছে। কংগ্রেস ব্রিটিশের দাস ছিল। ওরা বন্দেমাতরমের একটি অংশ বাদ দিয়ে দিয়েছিল। এর মধ্যেই নিহিত ছিল দেশভাগের বীজ।

    বন্দে মাতরম্-এর মূল অনুভূতি হলো ভারত, মা ভারতী

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে দেশের ঐক্য, আত্মবিশ্বাস ও অবিচল দেশপ্রেমের বার্তা প্রতিধ্বনিত হয়। তাঁর মতে, বন্দে মাতরম্ কেবল একটি গান নয়, বরং এটি ভারতের আত্মা ও মাতৃভূমির প্রতি অসীম শ্রদ্ধা ও গৌরবের প্রতীক, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ভারতবাসীকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে। তিনি আরও বলেন, “বন্দে মাতরম্-এর মূল অনুভূতি হলো ভারত, মা ভারতী। ভারত এক এমন জাতি, যে অতীতের প্রতিটি আঘাত সহ্য করেও আরও উজ্জ্বল রূপে উঠে এসেছে, এবং ঐক্য ও সহযোগিতার মাধ্যমে অমরত্ব অর্জন করেছে।” আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, “আমাদের এমন একটি জাতি গড়ে তুলতে হবে, যা জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষে থাকবে।”  তিনি আরও বলেন, “যখন শত্রু আমাদের নিরাপত্তা ও সম্মানে সন্ত্রাসবাদের মাধ্যমে আঘাত করার সাহস দেখিয়েছিল, তখন বিশ্ব দেখেছে — ভারত কীভাবে দুর্গার রূপ ধারণ করে নিজের সম্মান রক্ষা করতে জানে।” প্রধানমন্ত্রী মোদির কথায়, “‘বন্দে মাতরম্‌’ ছিল ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের কণ্ঠস্বর, এটি প্রতিটি ভারতবাসীর অনুভূতিকে প্রকাশ করেছিল। এই শব্দবন্ধ আজও আমাদের বর্তমানকে আত্মবিশ্বাসে ভরিয়ে তোলে এবং এমন সাহস দেয় যে কোনও লক্ষ্যই আমাদের নাগালের বাইরে নয়।”

  • India: ‘পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই রাশিয়া থেকে তেল কিনে চলেছে ভারত’, দাবি রুশ রাষ্ট্রদূতের

    India: ‘পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই রাশিয়া থেকে তেল কিনে চলেছে ভারত’, দাবি রুশ রাষ্ট্রদূতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার ওপর আরও কঠোর হয়েছে পশ্চিমী নিষেধাজ্ঞা। তা সত্ত্বেও ভারত (India) এখনও রাশিয়া (Russian Oil Imports) থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল আমদানি করছে বলে জানিয়েছেন ভারতের রাশিয়ান রাষ্ট্রদূত ডেনিস আলিপভ। সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “২০২৫ সালের অক্টোবর মাসের হিসেবে ভারত প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ১৭ লাখ ব্যারেল রুশ তেল কিনছে। এ মাসেও গড়ে এই পরিমাণ তেল কেনা চলছে।”

    রাশিয়ান ফিডস্টক (India)

    আলিপভ বলেন, “অক্টোবরের পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যায়, ভারত এখনও বিপুল পরিমাণ রাশিয়ান ফিডস্টক কিনছে। সাম্প্রতিক সময়ের মতোই প্রায় প্রতিদিন ১৭.৫ লাখ ব্যারেল।” তিনি বলেন, “এই সংখ্যাটি আগেও ওঠানামা করেছে, এখনও করছে। কখনও কিছু মাসে বেশি, কখনও কম। তবে গড় প্রায় একই রয়েছে।” ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন নিষেধাজ্ঞা কঠোর করার পর পরই এমন মন্তব্য করেন আলিপভ (India)।

    নতুন করে নিষেধাজ্ঞা

    প্রসঙ্গত, সম্প্রতি রসনেফত এবং লুকোইলের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ওয়াশিংটন। এরাই একসঙ্গে রাশিয়ার মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ৫৭ শতাংশ উৎপাদন করে। নয়া নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে আগামী ২১ নভেম্বর থেকে। ইউরোপীয় ইউনিয়নও রাশিয়ান ক্রুড এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যের ওপর তাদের নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে। ভারতের অবস্থান নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে ভারতের বিদেশমন্ত্রক ফের একবার জানিয়ে দিয়েছে যে, দেশের জ্বালানি নীতি জাতীয় অগ্রাধিকারের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হয়। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল ফের বলেন, “ভারতের তেল ক্রয়–নীতি বৈশ্বিক বাজারের পরিস্থিতি এবং দামের ওঠানামার ওপর নির্ভর করে নির্ধারিত হয়। দেশের ১৪০ কোটি নাগরিকের জন্য স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করাই সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। তাই শক্তি–সংক্রান্ত সিদ্ধান্তগুলি জাতীয় দায়বদ্ধতা এবং অর্থনৈতিক প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই নেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই দিব্যি রাশিয়া (Russian Oil Imports) থেকে তেল কিনে চলেছে ভারত। তার জেরে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়েছে ভারতকে। তা সত্ত্বেও দেশবাসীর স্বার্থে রাশিয়া থেকে তেল কিনে চলেছে নয়াদিল্লি (India)।

  • PM Modi: বিশ্বের সেরা সমবায়ের শিরোপা পেল আমূল, তালিকায় দ্বিতীয় ইফকো, অভিনন্দন মোদির

    PM Modi: বিশ্বের সেরা সমবায়ের শিরোপা পেল আমূল, তালিকায় দ্বিতীয় ইফকো, অভিনন্দন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বের সেরা ১০টি সমবায়ের মধ্যে প্রথম দুটি স্থান অর্জনের জন্য আমূল এবং ইফকোকে (Amul-IFFCO) অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আইসিএ ওয়ার্ল্ড কো-অপারেটিভ মনিটর ২০২৫ অনুসারে জানা গিয়েছে, বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সমবায়গুলির মধ্যে প্রথম দুটি স্থান অর্জন করেছে এই দুই সমবায়। একই ভাবে অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সমবায় খাতে ভারতের যোগদান কতটা মহৎ এবং প্রভাবশালী হতে চলেছে সেই দিক থেকে এই খবর অত্যন্ত ইঙ্গিতবহ।

    সমবায় অত্যন্ত প্রাণবন্ত (PM Modi)

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) নিজের এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে বলেন, “ভারতের সমবায় অত্যন্ত প্রাণবন্ত এবং উদ্দীপ্ত। আমূল এবং ইন্ডিয়ান ফার্মার্স ফার্টিলাইজার কোঅপারেটিভ লিমিটেডকে বিশেষ ভাবে অভিনন্দন জানাই। সরকার এই ক্ষেত্রকে উৎসাহী করতে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। এই সমবায় মানুষের জীবনকে বদলে দিচ্ছে। সরকার সবসময় এই ধরনের উদ্যোগে উৎসাহ দেওয়ার কাজ করছে।”

    আইসিএ ওয়ার্ল্ড কোঅপারেটিভ মনিটর ২০২৫ অনুসারে, মাথাপিছু জিডিপি-র ভিত্তিতে গুজরাট কোঅপারেটিভ মিল্ক মার্কেটিং ফেডারেশন লিমিটেড আমূল (Amul-IFFCO) বিশ্বের ১ নম্বর সমবায় হিসেবে স্থান পেয়েছে। কাতারের দোহায় আইসিএ সিএম ৫০ সম্মলেনে এই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। গুজরাটের জিসিএমএমএফ ভারতের বৃহত্তর খাদ্য পণ্য বিপণন সংস্থা, যার বার্ষিক টার্নওভার ২০২৩-২৪ সালে ৭.৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ১৮ হাজার ৬০০টি গ্রামীণ দুগ্ধ সমবায় সমিতি, ৩৩টি জেলায় ১৮টি সদস্য ইউনিয়ন এবং ৩৬ লক্ষের বেশি দুধ উৎপাদনকারী সদস্য থেকে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে তিন কোটি লিটার দুধ সংগ্রহ হয়।

    ধন্যবাদ অমিত শাহের

    তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ইন্ডিয়ান ফার্মার্স ফার্টিলাইজার কোঅপারেটিভ (Amul-IFFCO)। ১৯৬৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়, নতুন দিল্লিতে প্রধান কার্যালয়। এখানে সদস্য ৩৫০০০ এবং ৫ কোটি কৃষকের কাছে পৌঁছে গিয়েছে ইতিমধ্যে। এই সমবায় সার তৈরি এবং তাকে বাজারজাত করে থাকে।

    কেন্দ্রীয় সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “ভারতের কাছে এই সময় অত্যন্ত গর্বের। বিশ্বের প্রথম ১০টি সমবায়ের মধ্যে ভারতের দুটি সমবায় জায়গা করে নিয়েছে। এই দুই সমবায়ে লক্ষ লক্ষ মহিলা এবং কৃষকরা অক্লান্ত পরিশ্রম করে কাজ করছেন। এটাই দেশের আত্মনির্ভর ভারতের মহামন্ত্র।”

  • Himanta Biswa Sarma: “রাহুল গান্ধী পাগল হ্যায়”, বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত

    Himanta Biswa Sarma: “রাহুল গান্ধী পাগল হ্যায়”, বললেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাহুল গান্ধী পাগল হ্যায়” অর্থাৎ রাহুল গান্ধী পাগল। ভারতীয় সেনাবাহিনীকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীকে পাগল বলে ঘোষণা করেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। ইতিমধ্যেই অসম মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। উল্লেখ্য, রাহুল (Rahul Gandhi) দেশে এবং দেশের বাইরে একাধিকবার ভারত সম্পর্কে বেফাঁস মন্তব্য করে সব মহলেই সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। এক একবার তো মামলা গড়িয়েছিল আদালত পর্যন্ত।

    সেনা বাহিনীতে সংরক্ষণ (Himanta Biswa Sarma)!

    বৃহস্পতিবার সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) রাহুলের করা মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। দেশের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষা নিয়ে রাহুল পরিণত নন। তাঁর বাস্তব জ্ঞানের অভাব বলে মন্তব্য করেন হিমন্ত। সেনাবাহিনীতে শক্তিশালী এবং বিচক্ষণ ব্যক্তিদের কাজ করা উচিত। রাহুল কথিত শতাংশের হারে ব্যক্তি নিয়োগের সিদ্ধান্ত কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    হিমন্ত সাংবাদিকদের বলেন, “রাহুল (Rahul Gandhi) পাগল। তাঁর সম্পর্কে কথা বলাই উচিত নয়। তিনি মুখে যা আসে তা-ই বলেন। এখন যদি ভারত-পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধ ঘোষণা হয় তাহলে কি সেনাবাহিনীতে ১০-২০ শতাংশ ডিভিশন করবেন। সেনাবাহিনীতে কে থাকা উচিত? যে সবচেয়ে বেশি শক্তিশালী যে সেই তো পাকিস্তানের সঙ্গে লড়াই করতে পারেবেন। কিন্তু রাহুল গান্ধী আলাদা কথা বলছেন। সেনাবাহিনীতে যদি ১০-২০ শতাংশ বিভাজন হয় তাহলে তো সেনাবাহিনীকে দুর্বলই করা হবে। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে রাহুলকে পাগল ঘোষণা করা উচিত।”

    সেনাবাহিনী, আমলাতন্ত্র, বিচারবিভাগকে টার্গেট

    ২০২৫ সালের বিহার বিধানসভা নির্বাচনের একটি জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে বেফাঁস মন্তব্য করেছেন রাহুল (Rahul Gandhi)। তাঁর দাবি ভারতীয় সেনাবাহিনী, আমলাতন্ত্র, বিচারবিভাগ এবং একাধিক প্রতিষ্ঠানে দলিত, মহাদলিত, অনগ্রসর, মুসলিম এবং নানা প্রকারের সংরক্ষণ রাখা উচিত। তবে লোকসভার বিরোধী দলনেতা হয়ে নরেন্দ্র মোদি সরকারের নানা সমালোচনা করতে করতে বিভিন্ন সময়ে সাংবিধানিক নানা প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছেন। আর তাতেই শাসকদলের নেতারা পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিতে পিছিয়ে থাকেননি। বিশেষ করে প্রতিরক্ষায় সংরক্ষণ করে পুনর্মূল্যায়ণ করা উচিত-এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই তোপ দাগেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)।

LinkedIn
Share