Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: ‘‘এলপিজি পরিস্থিতি নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা চলছে’’, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে এলপিজি (LPG) পরিস্থিতি নিয়ে যারা অযথা আতঙ্ক সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, বৃহস্পতিবার তাদের একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “এই ধরনের কাজের মাধ্যমে তারা শুধু জনগণের সামনে নিজেদের স্বরূপ উন্মোচিতই করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এনএক্সটি সামিটে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান সঙ্কট থেকে কোনও দেশই রেহাই পায়নি। তাছাড়া ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা রক্ষায় সরকার সব রকম পদক্ষেপ করছে।” তিনি জানান, বর্তমান পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু মানুষ কিছু পণ্যের কালোবাজারি করার চেষ্টা করছে। এই ধরনের অসাধু ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কিছু মানুষ এলপিজি নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক মন্তব্য না করেই বলছি, তারা শুধু নিজেদের স্বরূপ জনগণের সামনে উন্মোচিত করছে না, দেশেরও ক্ষতি করছে।”

    সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে

    তিনি এও বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার সংঘাত থেকে তৈরি হওয়া বর্তমান সঙ্কট মোকাবিলায় প্রত্যেকেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে, তা সে রাজনৈতিক দল, গণমাধ্যম, যুবসমাজ, শহর কিংবা গ্রাম যাই হোক না কেন। বহু বৈশ্বিক সঙ্কট থাকা সত্ত্বেও বিশ্বনেতা ও বিশেষজ্ঞরা ভারতের দিকে অনেক আশা নিয়ে তাকিয়ে রয়েছেন (PM Modi)। এর ফলে ভারতের দায়িত্বও আরও বেড়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “আজ পুরো বিশ্ব জানে, ভবিষ্যতের অংশ হতে চাইলে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে এবং ভারতে উপস্থিত থাকতে হবে (LPG)।”

    প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের একটি লক্ষ্য, একটি গন্তব্য-উন্নত ভারত। ভারত শুধু এগোচ্ছে না, বরং পরবর্তী স্তরে পৌঁছনোর পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” তিনি বলেন, “বিশ্ব বর্তমানে একটি কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু ভারত দ্রুত ও স্থিতিশীল গতিতে এগিয়ে চলেছে।” প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “অনেক বিশ্বনেতা বলছেন যে ভারত এখন (LPG) পুরো বিশ্বের জন্য এক ধরনের ‘সেন্টার অফ গ্র্যাভিটি’ হয়ে উঠছে (PM Modi)।”

  • Lieutenant Deeksha Tripathi: নারীশক্তির নয়া নজির! আর্মি মার্শাল আর্টস রুটিন কমব্যাট কোর্সে সফল প্রথম মহিলা অফিসার দীক্ষা ত্রিপাঠী

    Lieutenant Deeksha Tripathi: নারীশক্তির নয়া নজির! আর্মি মার্শাল আর্টস রুটিন কমব্যাট কোর্সে সফল প্রথম মহিলা অফিসার দীক্ষা ত্রিপাঠী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নতুন ইতিহাস গড়লেন লেফটেন্যান্ট দীক্ষা ত্রিপাঠী। তিনি কঠোর ও চ্যালেঞ্জিং আর্মি মার্শাল আর্টস রুটিন (AMAR) কমব্যাট কোর্স সফলভাবে সম্পন্ন করলেন। এই প্রথম কোনও মহিলা সেনা অফিসার এই নজির স্থাপন করেছেন। পুনের আর্মি ইনস্টিটিউট অব ফিজিক্যাল ট্রেনিং (AIPT)-এ এই কঠোর প্রশিক্ষণ কোর্সটি সম্পন্ন করেন তিনি। সেনাবাহিনীর মতে, আর্মি মার্শাল আর্টস রুটিন কোর্সটি অন্যতম কঠিন কমব্যাট প্রশিক্ষণ, যেখানে একজন সেনার শারীরিক সহনশীলতা, মানসিক দৃঢ়তা এবং যুদ্ধক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেওয়ার ক্ষমতাকে কঠোরভাবে পরীক্ষা করা হয়।

    অসাধারণ দৃঢ়তা, অধ্যবসায়ের ফল

    লাদাখভিত্তিক সেনার ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি কর্পস মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জানায়, “লেফটেন্যান্ট দীক্ষা ত্রিপাঠী এই কোর্সের কঠিন চ্যালেঞ্জ শুধু সহ্যই করেননি, বরং অসাধারণ দৃঢ়তা, অধ্যবসায় এবং সংকল্পের মাধ্যমে কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছেন।” এতে ধারণা করা হচ্ছে যে তিনি লাদাখ অঞ্চলে দায়িত্বে রয়েছেন। ২০২৩ সালে চালু হওয়া এই কোর্সটি একটি আধুনিক ও কাঠামোবদ্ধ কমব্যাট প্রশিক্ষণ পদ্ধতি, যা ভারতীয় ঐতিহ্যবাহী মার্শাল আর্ট এবং আন্তর্জাতিক কৌশলের সমন্বয়ে তৈরি। এতে খালি হাতে যুদ্ধ, অস্ত্রসহ লড়াই, স্ট্যামিনা বৃদ্ধি এবং উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলে যুদ্ধের জন্য মানসিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।

    উচ্চ পার্বত্য ও প্রতিকূল পরিবেশে যুদ্ধের জন্য প্রয়োজনীয়

    এই প্রশিক্ষণের মূল লক্ষ্য হল কাছাকাছি সংঘর্ষের পরিস্থিতিতে সৈনিকদের দক্ষ করে তোলা, যেখানে আগ্নেয়াস্ত্র সবসময় ব্যবহারযোগ্য নাও হতে পারে। এতে আক্রমণাত্মক কৌশল, অস্ত্রভিত্তিক যুদ্ধ এবং ধারালো বা তাৎক্ষণিকভাবে তৈরি অস্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত থাকে। বিশেষ করে উচ্চ পার্বত্য ও প্রতিকূল পরিবেশে যুদ্ধ করার জন্য এই কোর্স অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এমন এলাকায় শারীরিক সক্ষমতা ও মানসিক দৃঢ়তা দুটিই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

    ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীতে নারী শক্তি

    গত কয়েক বছরে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীতে মহিলাদের অংশগ্রহণ দ্রুত বেড়েছে। আগে যেখানে অনেক ক্ষেত্রেই মহিলাদের প্রবেশ সীমিত ছিল, এখন তারা বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় কাজ করছেন। এর আগে, ২০২২ সালের ডিসেম্বর মাসে, আর্মি মেডিক্যাল কর্পসের মেজর দীক্ষা সি. মুদুদেভান বিশেষ বাহিনীর সদস্যদের পরিচয়বাহী সম্মানজনক ‘বলিদান ব্যাজ’ পাওয়া প্রথম মহিলা হন। বর্তমানে ইনফ্যান্ট্রি ও আর্মার্ড কর্পস বাদে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রায় সব শাখাতেই মহিলা অফিসাররা কাজ করছেন। এছাড়াও ২০১৬ সালে ভারতীয় বায়ুসেনায় প্রথমবারের মতো মহিলা ফাইটার পাইলট অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মাধ্যমে একটি বড় মাইলফলক তৈরি হয়। এখন তারা রাফাল ও সুখোই-৩০-এর মতো আধুনিক যুদ্ধবিমান চালাচ্ছেন এবং নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজেও দায়িত্ব পালন করছেন। লেফটেন্যান্ট দীক্ষা ত্রিপাঠীর এই সাফল্য ভারতীয় সেনাবাহিনীতে মহিলাদের ক্রমবর্ধমান ভূমিকার আরেকটি উজ্জ্বল উদাহরণ।

  • Modi Pezeshkian Discussion: ‘জ্বালানির অবাধ যাতায়াত নিশ্চিতই ভারতের প্রধান অগ্রাধিকার’ ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা মোদির

    Modi Pezeshkian Discussion: ‘জ্বালানির অবাধ যাতায়াত নিশ্চিতই ভারতের প্রধান অগ্রাধিকার’ ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তির বার্তা নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ডক্টর মাসুদ পেজেশকিয়ানের (Masoud Pezeshkian) সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। মধ্যপ্রাচ্য যখন কার্যত বারুদের স্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে, ঠিক সেই সময়েই গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিলেন মোদি (Modi Pezeshkian Discussion)। একই সঙ্গে জানিয়ে দিলেন ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা, সেইসঙ্গে পণ্য ও জ্বালানির অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করাই এখন ভারতের প্রধান অগ্রাধিকার। ১২ মার্চ অনুষ্ঠিত এই আলোচনায় ওই অঞ্চলে বাড়তে থাকা সংঘাত, সাধারণ মানুষের প্রাণহানি এবং গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মোদি। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের মধ্যে বর্তমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে দীর্ঘক্ষণ কথা হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী নিজেই সোশ্যাল হ্য়ান্ডেলে সেই আলোচনার কথা তুলে ধরলেন।

    আন্তর্জাতিক মহলকে উদ্যোগী হওয়ার বার্তা

    সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমান পরিস্থিতিতে মানবিক দিকটি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখা জরুরি এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য আন্তর্জাতিক মহলকে উদ্যোগী হতে হবে। মোদি বলেন, “ওই অঞ্চলের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট ডক্টর মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে আলোচনা করেছি।” পশ্চিম এশিয়ায় যেভাবে যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে, যেভাবে একের পর এক হামলায় সাধারণ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে, তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। স্পষ্ট ভাষায় লেখেন, “ইরানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আলোচনায় যেভাবে উত্তেজনার আবহে সাধারণ মানুষের প্রাণহানি হচ্ছে, প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হচ্ছে সে বিষয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।”

    ভারতীয়দের নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক স্বার্থে জোর

    আলোচনায় প্রধানমন্ত্রী মোদি স্পষ্ট করে জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলে বসবাসকারী ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা ভারতের কাছে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। পাশাপাশি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সরবরাহ এবং পণ্য পরিবহণ যাতে নির্বিঘ্নে চলতে পারে, সেই বিষয়টিও তিনি গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেন। মোদি নিজেই তাঁর পোস্টে জানান, যুদ্ধের আবহে ভারতের স্বার্থ রক্ষার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত কয়েক লক্ষ ভারতীয়র সুরক্ষাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।

    ভারত শান্তি এবং সুস্থিতির পক্ষে

    ভারত সরকার এই সংকট সমাধানে কূটনৈতিক সংলাপ ও আলোচনার পথেই জোর দিচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সব পক্ষকে সংযম ও আলোচনার পথে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। ভারত যে কোনওভাবেই যুদ্ধ চায় না, বরং আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান খোঁজার পক্ষপাতী, তা আবারও বিশ্বমঞ্চে মনে করিয়ে দিয়েছেন মোদি। তিনি তাঁর পোস্টে লেখেন, “শান্তি ও স্থিতিশীলতার প্রতি ভারতের অঙ্গীকারের কথা আবারও ওনাকে বলেছি। আলোচনা ও কূটনীতির পথে হাঁটার আহ্বান জানিয়েছি।” প্রধানমন্ত্রী মোদির এই বার্তা আবার প্রমাণ করেছে ভারত শান্তি এবং সুস্থিতির পক্ষে।

    মোদিকে বার্তা পেজেশকিয়ানের

    মোদিকে পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করতে চায় না। তবে তারা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই এবং ইরানের স্কুল ছাত্রীদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে বদ্ধপরিকর। এদিকে এই অঞ্চলে শান্তি বজায় রাখতে ব্রিকস গোষ্ঠীর ভূমিকার তাৎপর্য তুলে ধরেন পেজেশকিয়ান। এর আগে ১১ মার্চ রুশ এবং পাক নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পরে পেজেশকিয়ান জানিয়েছিলেন, তিন শর্তে ইরান যুদ্ধ বন্ধে রাজি হবে- আন্তর্জাতিক স্তরে ইরানের ন্যায্য অধিকার মেনে নিতে হবে। সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের যে ক্ষতি হয়েছে, তার জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এবং ভবিষ্যতে যাতে আর কোনও হামলা না ঘটে সে বিষয়ে নিশ্চয়তা দিতে হবে।

    উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগ

    বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) ইতিমধ্যেই ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির (Abbas Araghchi) সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন। এই আলোচনায় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা এবং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। বিশেষ করে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে ভারতীয় তেলবাহী জাহাজের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

    ইরানে থাকা ভারতীয়দের সহায়তা

    বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, বর্তমানে ইরানে প্রায় ৯ হাজার ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন, যাদের মধ্যে ছাত্র ও তীর্থযাত্রীরা আছেন। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত সরকার সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। সংকটের সময় অনেক ভারতীয়কে ইতিমধ্যেই দূতাবাসের সহায়তায় দেশে ফেরানো হয়েছে এবং প্রয়োজনে আরও সহায়তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ওই অঞ্চলে থাকা ভারতীয়দের নিরাপদ এলাকায় স্থানান্তর করার কাজও চলছে। সামগ্রিকভাবে ইরানে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার একাধিক পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস যারা দেশ ছাড়তে চান তাদের জন্য বিশেষ সহায়তা দিচ্ছে। প্রয়োজনে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের স্থলপথ ব্যবহার করে সেখান থেকে বাণিজ্যিক বিমানে ভারতে ফেরার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দূতাবাস ভিসা প্রক্রিয়া, সীমান্ত পারাপার এবং যাত্রাপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও সক্রিয়ভাবে সাহায্য করছে।

    ‘হরমুজ প্রণালী’

    এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে এই সংকটের আবহে বৃহস্পতিবার সংবাদসংস্থা রয়টার্স প্রথমে ভারতীয় সূত্রকে উদ্ধৃত করে দাবি করে, ভারত এবং ইরান, দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীদের মধ্য়ে কথা হওয়ার পর, ভারতের জাহাজগুলিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসার অনুমতি দিয়েছে ইরান। কিন্তু পরে সংবাদসংস্থা রয়টার্স-ই ইরানের একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানায় যে, ভারতের সঙ্গে ইরানের এরকম কোনও চুক্তি হয়নি। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারতের বিদেশমন্ত্রী ও ইরানের বিদেশমন্ত্রীর মধ্যে সম্প্রতি ৩ বার কথোপকথন হয়েছে। শেষ কথা হয়েছে জাহাজ পরিবহণের নিরাপত্তা এবং ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে। এর বেশি আমার পক্ষে বলা সম্ভব নয়।” তবে বুধবারই হরমুজ পার করে আসা একটি জাহাজ মুম্বইতে পৌঁছেছে। এর আগে অবশ্য গোটা বিশ্বের উদ্বেগ বাড়িয়ে ইরানের সদ্য় মনোনীত সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনেই হুঙ্কারের সুরে জানিয়ে দিয়েছেন, কোনওভাবেই ‘হরমুজ প্রণালী’ (Strait of Hormuz) খোলা হবে না। এটাকে আমেরিকা ও ইজরায়েলকে চাপে রাখার কৌশল হিসাবে ব্যবহার করা হবে। তাঁর আরও হুঁশিয়ারি, “শহিদদের মৃত্যুর বদলা আমরা নেবই। কারণ, তাঁরা আমাদের সর্বোচ্চ নেতার জন্য জীবন দিয়েছেন।”

    মোদির বার্তা, ভারত-ইরান যোগ কূটনৈতিক উদ্যোগ

    আমেরিকা-ইজরায়েলের সঙ্গে ইরানের (US-Iran Conflict) অবিরাম যুদ্ধ চলছে। কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলছে না। একের পর এক প্রাণহানি হচ্ছে। এদিকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ যেতে না দিয়ে ইজরায়েল-আমেরিকার পাশাপাশি কার্যত গোটা বিশ্বের মাথাব্য়াথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরান। কারণ এই রুট দিয়েই তেলবহনকারী জাহাজগুলি যাতায়াত করে। একমাত্র রাশিয়া ও চিনকে ‘হরমুজ প্রণালী’ দিয়ে জাহাজ চলাচল করার অনুমতি দিয়েছে ইরান। এই পরিস্থিতিতে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গতমাসে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর এই প্রথম তাঁদের কথা হল। যা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের মতে, আমেরিকা-ইজরায়েল তো বটেই এবং ইরানের সঙ্গেও ভারতের সুসম্পর্ক রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারসাম্য বজায় রেখে প্রধানমন্ত্রী যেভাবে শান্তি ও কূটনীতির বার্তা দিলেন, তা বিশ্বমঞ্চে ভারতের কূটনৈতিক অবস্থানের দৃঢ়তাই আরও স্পষ্ট করছে।

  • Telegram: পাইরেটেড কন্টেন্ট রুখতে টেলিগ্রামকে কেন্দ্রের নোটিশ, ৩১০০টিরও বেশি চ্যানেল চিহ্নিত

    Telegram: পাইরেটেড কন্টেন্ট রুখতে টেলিগ্রামকে কেন্দ্রের নোটিশ, ৩১০০টিরও বেশি চ্যানেল চিহ্নিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্টারনেটে পাইরেসি বা স্বত্ব লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল ভারত সরকার। পাইরেটেড কন্টেন্ট (Pirated Content) অর্থাৎ অবৈধভাবে চলচ্চিত্র বা বই সরবরাহ করার মতো প্রচারের অভিযোগে মেসেজিং অ্যাপ টেলিগ্রামকে (Telegram) একটি নোটিস পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক।

    বিপুল সংখ্যক চ্যানেল চিহ্নিত (Telegram)

    কেন্দ্রীয় সরকার টেলিগ্রামের (Telegram) প্রায় ৩,১০০টিরও বেশি চ্যানেলকে চিহ্নিত করেছে, যেগুলি বেআইনিভাবে সিনেমা, ওয়েব সিরিজ, বই এবং অন্যান্য শিক্ষামূলক সামগ্রী শেয়ার করছিল। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক (MIB) তথ্য প্রযুক্তি আইন, ২০০০-এর অধীনে টেলিগ্রামকে একটি নোটিশ জারি করেছে, যাতে প্ল্যাটফর্মটিকে পাইরেসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এবং অবৈধ বিষয়বস্তু অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়। জিও সিনেমা এবং অ্যামাজন প্রাইম ভিডিও কেন্দ্রের কাছে অভিযোগ দায়ের করে জানায় যে, তাদের কপিরাইটযুক্ত সামগ্রী টেলিগ্রামে অনুমতি ছাড়াই ব্যাপকভাবে শেয়ার করা হচ্ছে। ওটিটি প্ল্যাটফর্মগুলির অভিযোগ পাওয়ার পরেই, এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশ

    নোটিসে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, এই চিহ্নিত চ্যানেলগুলি দ্রুত বন্ধ করতে হবে। যদি টেলিগ্রাম (Telegram) কর্তৃপক্ষ এই নির্দেশ পালনে ব্যর্থ হয়, তবে আইটি আইনের আওতায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মূলত চলচ্চিত্র প্রযোজক, প্রকাশনা সংস্থা এবং বিভিন্ন এডু-টেক (Edu-tech) প্ল্যাটফর্মের দীর্ঘদিনের অভিযোগের ভিত্তিতেই সরকার এই পদক্ষেপ নিয়েছে। তাদের দাবি, টেলিগ্রামের এই চ্যানেলগুলোর (Pirated Content) কারণে তারা বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

    অশ্লীল প্ল্যাটফর্ম বন্ধ

    কেন্দ্র আগেও বেশ কিছু ওটিটি প্ল্যাট ফর্মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তার মধ্যে হল- ২০২৫ সালের জুলাই মাসে, কেন্দ্র ২৫টি OTT প্ল্যাটফর্মের ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ ব্লক করার নির্দেশ দেয়। অভিযোগ ছিল যে তারা পর্নোগ্রাফি বা অশ্লীল বিষয়বস্তু স্ট্রিম করছে। এই প্ল্যাটফর্মগুলির মধ্যে ছিল ALTT, ULLU, Big Shots App, Desiflix, Boomex, Navarasa Lite, Gulab App, Kangan App, Bull App, Jalva App, ShowHit, Wow Entertainment, Look Entertainment, Hitprime, Feneo, ShowX, Sol Talkies, Adda TV, HotX VIP, Hulchul App, MoodX, NeonX VIP, Fugi, Mojflix এবং Triflicks।

    নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা

    টেলিগ্রামের (Telegram) ‘এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন’ ফিচারের সুযোগ নিয়ে অনেকেই পরিচয় গোপন করে এই ধরনের বেআইনি কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সরকার এবার এই প্ল্যাটফর্মটিকে আরও দায়বদ্ধ করতে চাইছে। ডিজিটাল দুনিয়ায় মেধাস্বত্ব রক্ষা (Pirated Content) এবং সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ভারত সরকারের এই পদক্ষেপ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে পর্নোগ্রাফি এবং শিশু যৌন নির্যাতনের কন্টেন্ট ছড়ানোর বিরুদ্ধেও টেলিগ্রামকে সতর্ক করা হয়েছিল। ফলে সামাজিক মাধ্যমে খারাপ দিকগুলি সম্পর্কে সরকার লাগাতার পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

  • TMC: মনরেগা প্রকল্পের লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়নি তৃণমূল সরকার, তাই মজুরি দিতে দেরি, লোকসভায় জানাল কেন্দ্র

    TMC: মনরেগা প্রকল্পের লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়নি তৃণমূল সরকার, তাই মজুরি দিতে দেরি, লোকসভায় জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র বারংবার মনে করিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন বা মনরেগা  (MGNREGA) প্রকল্পের আওতায় লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দেয়নি পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল (TMC) সরকার। এই তথ্য প্রকাশ্যে আসার পর বিরোধী দলগুলি তীব্র সমালোচনা শুরু করেছে। তাদের অভিযোগ, এই দেরির ফলে গ্রামীণ কর্মসংস্থান প্রকল্পের আওতায় হাজার হাজার শ্রমিক বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁদের প্রাপ্য মজুরি থেকে।

    কী জানাল কেন্দ্র (TMC)

    প্রসঙ্গত, এই বিষয়টি গুরুত্ব পেল তখনই, যখন বঙ্গের শাসক দল তৃণমূলেরই (TMC) এক সাংসদ পশ্চিমবঙ্গে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইনের বকেয়া অর্থ দেওয়ার অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এই প্রশ্নেরই জবাবে কেন্দ্রীয় সরকার লোকসভায় বিবৃতি দিয়ে জানায়, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় লেবার বাজেট প্রস্তাব এখনও পাওয়া যায়নি এবং তার জন্যই অপেক্ষা করছে কেন্দ্র। আরও বলা হয়েছে, রাজ্যগুলির পক্ষ থেকে লেবার বাজেট জমা দেওয়া মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইনের আওতায় তহবিল পরিকল্পনা ও অনুমোদনের জন্য একটি বাধ্যতামূলক প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। এই প্রস্তাব ছাড়া কেন্দ্র সংশ্লিষ্ট অর্থবর্ষের জন্য মজুরি দিতে ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দ করতে পারে না। নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই বকেয়া প্রস্তাব জমা দেওয়ার বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে একাধিকবার মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন

    এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তুঙ্গে। সমালোচকদের দাবি, এই দেরি রাজ্য সরকারের সেই অভিযোগের সঙ্গে মেলে না, যেখানে তারা বারবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দ অর্থ আটকে রাখার অভিযোগ তুলেছে (MGNREGA)।মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন ভারতের বৃহত্তম সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির একটি। এই প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ পরিবারের সদস্যদের প্রতি অর্থবর্ষে অন্তত ১০০ দিনের কাজ দেওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়া হয় (TMC), যদি তাঁরা অদক্ষ কায়িক শ্রম করতে ইচ্ছুক হন। অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জীবিকা রক্ষায় এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বক্তব্য

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বিতর্ক কেন্দ্র–রাজ্য সংঘাতকে আরও তীব্র করতে পারে, বিশেষ করে কল্যাণমূলক প্রকল্প ও তহবিল বণ্টন নিয়ে দু’পক্ষে যে বিরোধ চলছে, তার প্রেক্ষাপটে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন রাজ্য সরকার বারবার অভিযোগ করেছে, কেন্দ্র মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইন- সহ বিভিন্ন প্রকল্পের অর্থ আটকে রেখেছে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

    নির্ধারিত তহবিল বরাদ্দে প্রভাব

    লোকসভায় যে নথি পেশ করা হয়েছে, তা প্রকাশ্যে আসার পর বিতর্ক এখন ঘুরে গিয়েছে প্রশাসনিক দায়বদ্ধতার দিকে। প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যস্তরের প্রক্রিয়াগত দেরিই কি গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য নির্ধারিত তহবিল বরাদ্দে প্রভাব ফেলছে? বিতর্ক বাড়তে থাকায় এখন দাবি উঠছে, দ্রুত লেবার বাজেট প্রস্তাব জমা দিয়ে মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান নিশ্চয়তা আইনের আওতায় (MGNREGA) ফের মজুরি দেওয়া শুরু করতে সময়সূচি ঘোষণা করা হোক (TMC)।

     

  • Monalisa Khan Marriage: মোনালিসা খান বিবাহে কনে নাবালিকা! এই অভিযোগে কেরালার মন্ত্রী-সাংসদের বিরুদ্ধে পকসো মামলার দাবি ভিএইচপি-র

    Monalisa Khan Marriage: মোনালিসা খান বিবাহে কনে নাবালিকা! এই অভিযোগে কেরালার মন্ত্রী-সাংসদের বিরুদ্ধে পকসো মামলার দাবি ভিএইচপি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেরালার একটি সাম্প্রতিক বিবাহ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও আইনি বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ‘মোনালিসা খান’ (Monalisa Khan Marriage) নামক এক তরুণীর বিবাহে উপস্থিত থাকা রাজ্যের একজন মন্ত্রী এবং একজন সংসদ সদস্যের (Kerala Minister MP) বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপের দাবি তুলেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP)। অভিযোগ উঠেছে যে, ওই বিবাহে কনে আদতে নাবালিকা ছিল, যা ভারতীয় আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ।

    ঘটনার সূত্রপাত ও মায়ের অভিযোগ (Monalisa Khan Marriage)

    এই বিতর্কের মূলে রয়েছে কনের মায়ের একটি বিস্ফোরক বক্তব্য। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি দাবি করেছেন যে, তাঁর মেয়ে মোনালিসা (Monalisa Khan Marriage) এখনো আঠারো বছর পূর্ণ করেনি, অর্থাৎ সে আইনত নাবালিকা। মায়ের অভিযোগ অনুযায়ী, বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র এবং বয়স সংক্রান্ত প্রমাণাদি জাল করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই বিবাহ তাঁর অমতে এবং প্রভাবশালীদের চাপে সম্পন্ন হয়েছে।

    বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) অবস্থান

    নাবালিকা কন্যার বিয়েকে ঘিরে ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসতেই কড়া অবস্থান নিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। সংগঠনের পক্ষ থেকে একাধিক দাবি করা হয়েছে। যথা-

    ১. পকসো (POCSO) মামলা

    যেহেতু কনে নাবালিকা (Monalisa Khan Marriage) বলে দাবি করা হয়েছে, তাই এই ঘটনার সাথে জড়িত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ‘প্রটেকশন অফ চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস’ (POCSO) আইনের আওতায় মামলা দায়ের করতে হবে।

    ২. মন্ত্রী ও সাংসদের ভূমিকা

    বিবাহ অনুষ্ঠানে কেরালার একজন প্রভাবশালী মন্ত্রী এবং একজন সাংসদ (Kerala Minister MP) উপস্থিত ছিলেন। ভিএইচপি-র মতে, জনপ্রতিনিধি হয়েও একটি বাল্যবিবাহে অংশগ্রহণ করে তাঁরা আইন লঙ্ঘন করেছেন এবং এই বেআইনি কাজকে পরোক্ষভাবে উৎসাহ দিয়েছেন। তাই তাঁদের বিরুদ্ধেও তদন্ত ও মামলা হওয়া প্রয়োজন।

    ৩. নথি জালিয়াতি

    বিয়ের জন্য ব্যবহৃত বয়স সংক্রান্ত নথিপত্র কীভাবে তৈরি হলো, তার জন্য সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদেরও জবাবদিহি করতে হবে।

    ‘বাল্যবিবাহ নিরোধক আইন’ অনুযায়ী পদক্ষেপ

    ভারতে বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধ (Monalisa Khan Marriage) এবং নাবালিকা বিবাহের ক্ষেত্রে পকসো আইনের প্রয়োগ অত্যন্ত কঠোর। যদি তদন্তে প্রমাণিত হয় যে মোনালিসা খান বিয়ের সময় নাবালিকা ছিলেন, তবে কেবল বর বা পরিবার নয়, ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও আইনি জটিলতা এবং সমস্যায় পড়তে পারেন। ‘বাল্যবিবাহ নিরোধক আইন’ অনুযায়ী, এই ধরনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা বা সহায়তা করাও অপরাধের শামিল। এই ক্ষেত্রে অভিযুক্তদের শাস্তি অবধারিত।

    বিষয়টিতে ধামাচাপা দেওয়া যাবে না

    বর্তমানে এই পরিস্থিতিতে কেরালায় রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাটি এখন আলোচনার কেন্দ্রে। হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলো রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তাদের বক্তব্য, প্রভাবশালীদের দাপটে যাতে এই স্পর্শকাতর বিষয়টি ধামাচাপা না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে। অন্যদিকে, অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো জোরালো আইনি ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

    মোনালিসা খানের (Monalisa Khan Marriage) এই বিবাহ বিতর্ক কেবল একটি পরিবারের বিষয় হয়ে থাকেনি, বরং এটি নারী সুরক্ষা, নাবালিকা অধিকার এবং জনপ্রতিনিধিদের নৈতিক দায়বদ্ধতার প্রশ্নে একটি বড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ এবং সঠিক তদন্তই বলে দেবে এই অভিযোগের সত্যতা কতখানি।

  • Lok Sabha: লোকসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ, মুখ পুড়ল বিরোধীদের

    Lok Sabha: লোকসভায় স্পিকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ, মুখ পুড়ল বিরোধীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার (Lok Sabha) স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) বিরুদ্ধে বিরোধী দলগুলোর আনা অনাস্থা প্রস্তাবটি ভোটাভুটিতে পরাজিত হয়েছে। দীর্ঘ বিতর্ক এবং রাজনৈতিক উত্তাপের পর শাসক দল ধ্বনিভোটের মাধ্যমে এই প্রস্তাবটি খারিজ করতে সক্ষম হয়। বিজেপির দাবি বিরোধিরা কাজ করার জন্য সংসদে আসেন না। রাজনীতি আর সংসদের ভাবমূর্তি খারাপ করতেই সংসদে আসছেন।

    প্রস্তাব পেশ (Lok Sabha)

    লোকসভার (Lok Sabha) বিরোধী দলগুলো স্পিকারের (Om Birla) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে এই অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল। তাদের অভিযোগ ছিল যে, সংসদীয় কার্যপ্রক্রিয়ায় বিরোধীদের পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হচ্ছে না এবং কণ্ঠরোধ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, “স্যার, ওরা আচরণের কথা বলছে। যখন তাদের সর্বোচ্চ নেতা নিজেই চোখ টিপে, গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে, আর উড়ন্ত চুম্বন দেন, স্যার, তখন বোঝা যায় তিনি উস্কানি দিচ্ছেন।”

    রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই পদক্ষেপ

    সরকারের পক্ষ থেকে স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শাসক দলের দাবি, স্পিকার অত্যন্ত নিরপেক্ষভাবে এবং সংসদীয় নিয়ম মেনেই সভা (Lok Sabha) পরিচালনা করছেন। বিরোধীরা কেবল রাজনৈতিক ফায়দা তুলতেই এই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এদিন সংসদে বিরোধীদের ২৩৮ জন সাংসদ উপস্থিত ছিলেন। যার মধ্যে ৯৯ জন কংগ্রেসের এবং বাকিরা সমাজবাদী পার্টি, ডিএমকে, তৃণমূল কংগ্রেস এবং অন্যান্যরা।পাশাপাশি সরকারের পক্ষে ২৯৩ জন সাংসদের উপস্থিতি ছিল। সেখানে ছিলেন বিজেপির ২৪০ জন, জেডিইউর ১৬ জন, টিডিপির ১২ জন এবং অন্যান্য এনডিএ দলের সাংসদরা।

    বিতর্কের শেষে যখন প্রস্তাবটি ভোটের জন্য তোলা হয়, তখন সরকারি পক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠতার কারণে তা অনায়াসেই বাতিল হয়ে যায়। স্পিকারের প্রতি সংসদের আস্থা অটুট রয়েছে বলে জানিয়ে দেওয়া হয় সংসদে।

    সংসদে নৈতিক জয়

    সংসদে (Lok Sabha) এই জয়কে সরকার পক্ষ তাদের নৈতিক জয় হিসেবে দেখছে। অন্যদিকে, বিরোধীরা জানিয়েছে যে সংখ্যাতত্ত্বে হারলেও তারা স্পিকারের কার্যপদ্ধতি নিয়ে তাদের আপত্তির কথা দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে পেরেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে স্পিকার পদের মর্যাদা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ হওয়ার ফলে বর্তমান স্পিকার তাঁর দায়িত্ব পালন জারি রাখবেন। তবে এই ঘটনাটি শাসক ও বিরোধী শিবিরের মধ্যে বিদ্যমান তিক্ততাকে আরও একবার প্রকাশ্যে নিয়ে এল।

    ঘটনা কি ঘটেছিল?

    বিরোধীরা লোকসভায় (Lok Sabha) স্পিকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিশে তাঁর বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনেছিল। অবাধ্য আচরণের জন্য বিরোধী সাংসদদের বরখাস্ত করার পর তিক্ততা চরমে পৌঁছেছিল। বাজেট অধিবেশনের সময় স্পিকার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধিকে প্রাক্তন সেনাপ্রধান জেনারেল এমএম নারাভানে এবং অন্যান্য বিরোধী নেতাদের লেখা একটি অপ্রকাশিত বই থেকে কিছু অংশ পড়তে দেননি। সেই সঙ্গে আটজন বিরোধী সাংসদকে পুরো বাজেট অধিবেশনের জন্য বরখাস্ত করা করেন। এরপর থেকেই বিরোধীরা শোরগল করতে শুরু করে এবং অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসে।

  • Strait of Hormuz: বড় কূটনৈতিক জয় দিল্লির! জয়শঙ্করের ফোনের পরেই হরমুজ দিয়ে ভারতগামী ট্যাঙ্কার ছাড়ল ইরান, তেল পৌঁছল মুম্বই

    Strait of Hormuz: বড় কূটনৈতিক জয় দিল্লির! জয়শঙ্করের ফোনের পরেই হরমুজ দিয়ে ভারতগামী ট্যাঙ্কার ছাড়ল ইরান, তেল পৌঁছল মুম্বই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড় কূটনৈতিক সাফল্য ভারতের। বুধবার ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘচির সঙ্গে ফোনে কথা হয় ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের (S Jaishankar)। এর পরেই হরমুজ প্রণালীতে সেফ প্যাসেজ পেল ভারতের অশোধিত তেলবাহী জাহাজ। ভারতের জ্বালানি বহনকারী ট্যাঙ্কারকে হরমুজ প্রণালী পার হওয়ার সবুজ সঙ্কেত দিল ইরান। বুধবার সন্ধ্যায় মুম্বই বন্দরে একটি জাহাজ পৌঁছেও গিয়েছে।  বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, হরমুজে (Strait Of Hormuz) আটকে থাকা ভারতের বাকি জাহাজগুলিও সেফ প্যাসেজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তেহরান। যুদ্ধের ১৩তম দিনে তেল সঙ্কটে ভোগা ভারতে স্বস্তি।

    ভারতের পতাকাবাহী জাহাজগুলি যাতায়াতের অনুমতি

    মধ্যপ্রাচ্যে ভয়ংকর যুদ্ধের জেরে জ্বালানি সংকটে ধুঁকছে বিশ্ব। ইরানের হামলার আতঙ্কে থমকে গিয়েছে হরমুজ প্রণালী দিয়ে তৈল বাণিজ্য। কার্যত গোটা বিশ্বের জন্য হরমুজ বন্ধ করে দেয় ইরান। ব্যতিক্রম ছিল রাশিয়া এবং চিন। এবার সেই তালিকায় নাম জুড়ে গেল ভারতের। সূত্রের খবর, ইরানের বিদেশমন্ত্রক মৌখিকভাবে ভারতের পতাকাবাহী জাহাজগুলি যাতায়াতের অনুমতি দিয়েছে। ভারতীয় পতাকা লাগানো জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যেতে দেবে ইরান, আক্রমণ করা হবে না তাকে। এমনটাই জানিয়েছে ইরান। তবে ইজরায়েল, আমেরিকা, এবং ইউরোপের সব জাহাজে এখনও নিষেধাজ্ঞা জারি রেখেছে ইরানের ইসলামিক রেভেলুশনারি গার্ড কোর।

    মোদি সরকারের কূটনৈতিক ‘কৌশল’

    মোদি সরকারের কূটনৈতিক ‘কৌশলে’ মন গলল ইরানের। হরমুজ প্রণালি (Strait of Hormuz) দিয়ে ভারতের জাহাজ চলাচলের অনুমতি দল ইরান। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই পুস্পক এবং পরিমল নামের দুই পণ্যবাহী জাহাজও নিরাপদে হরমুজ পেরিয়ে ভারতের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে বলেও খবর। শীঘ্রই ভারতের বন্দরে এই জাহাজ দু’টি পৌঁছবে। এছাড়া দেশ মহিমা, দেশ অভিমান, স্বর্ণ কমল, বিশ্ব প্রেরণা, জগ বিরাট, জগ লোকেশ এবং এলএনজিসি অসীম নামের জাহাজগুলি ইতিমধ্যেই আরব সাগরে পৌঁছে গিয়েছে হরমুজ প্রণালী পার করে। একদিন আগেই ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আরাঘচির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। জানা যাচ্ছে, এই ফোনালাপে পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলির নিরাপত্তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে। হরমুজে ভারতীয় জাহাজ চলাচল নিয়েও আলোচনা হয় আরাগাছি এবং জয়শঙ্করের মধ্যে। এর আগেও বার দু’য়েক ইরানের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন জয়শঙ্কর। বস্তুত গত দুসপ্তাহ ধরে লাগাতার ব্যাক চ্যানেলে আলোচনা চলছে দু’দেশের। তাতেই মিলল সাফল্য। আপাতত অন্তত হরমুজের ওপারে আটকে থাকা জাহাজগুলি নিরাপদে ফেরানোর অনুমতি পাওয়া গিয়েছে বলে খবর।

    কেন ভারতকে অনুমতি

    ইরান যুদ্ধে শুরু থেকেইপ্রকাশ্যে ‘নিরপেক্ষ’ অবস্থান নিয়েছে। অন্তত । কিন্তু ভারত মহাসাগরে ভারতীয় জলসীমার অদূরে ইরানের রণতরীতে মার্কিন হামলার পর ভারত সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। এর মধ্যে আবার হরমুজেই আক্রান্ত হয় ভারতীয় পণ্যবাহী একটি তাইল্যান্ডের জাহাজ। তাতে ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুও হয়। তারপরই মোদি সরকার ইরানের সঙ্গে আলোচনায় তৎপরতা বাড়ায়। সেটারই সুফল মিলল। এর ফলে দ্রুত দেশের জ্বালানি সমস্যা মিটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    হরমুজ পার করে মুম্বই বন্দরে

    এদিকে বুধবার হরমুজ পার করে আসা একটি জাহাজ মুম্বইতে পৌঁছেছে। লাইবেরিয়ার পতাকা লাগানো ওই জাহাজটির নাম শেনলং সুয়েজম্যাক্স (Shenlong Suezmax)। ওই জাহাজে ছিল ভারতের জন্য জ্বালানি। গত ১ মার্চ জাহাজটি সৌদি আরবের রাস টানুরা বন্দরে ক্রুড অয়েল ভরেছিল । তার দু’দিন পরে সেটি ওই বন্দর থেকে রওনা দেয়। জাহাজের ক্যাপ্টেন ছিলেন এক ভারতীয়। ৮ মার্চ ওই জাহাজের শেষ সিগন্যাল পাওয়া গিয়েছিল হরমুজ প্রণালীতে। জাহাজটিতে ছিল ১ লক্ষ ৩৫ হাজার ৩৩৫ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল। মুম্বই পোর্ট অথরিটির ডেপুটি কনজারভেটর প্রবীণ সিং জানিয়েছেন, জাহাজে থাকা ক্রুড অয়েল পূর্ব মুম্বইয়ের মাহুলের রিফাইনারিতে নিয়ে যাওয়া হবে। মুম্বইয়ে শেনলংয়ের প্রতিনিধি জিতেন্দ্র যাদব জানান, শেনলং সুয়েজম্যাক্স জাহাজে ছিলেন ২৯ জন ভারতীয়, পাকিস্তানি এবং ফিলিপাইন্সের ক্রু। জাহাজে ক্যাপ্টেনের ভূমিকায় ছিলেন সুকান্ত সিং সান্ধু।

    কীভাবে ভারতে এল তেলবাহী জাহাজ

    লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজটি ১ মার্চ সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দর থেকে রওনা দেয়। সামুদ্রিক ট্র্যাকিং তথ্য থেকে জানা যায় যে, জাহাজটির সিগন্যাল শেষবার ৮ মার্চ হরমুজ প্রণালীর ভিতরে পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থায় দেখা গিয়েছিল, তারপর নিখোঁজ হয়ে যায়। এর থেকে বোঝা যায় যে, জাহাজের ক্রুরা বিপজ্জনক জলপ্রপাত অতিক্রম করার সময় জাহাজের স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা (AIS) এবং ট্রান্সপন্ডার বন্ধ করে দিয়েছিলেন। ফার্স্টপোস্টের এক প্রতিবেদন অনুসারে, উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা সফলভাবে অতিক্রম করার পর, পরের দিন ভারতের দিকে যাত্রা শুরু করার সময় জাহাজটি আবার সামুদ্রিক ট্র্যাকিং সিস্টেমে দেখা দেয়।

    হরমুজ নিয়েই গত কয়েকদিনে উত্তেজনা

    গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের উপর ইজরায়েল এবং আমেরিকার যৌথ হামলার পর ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছিল। হরমুজ দিয়ে কোনও জাহাজ পার করার চেষ্টা করলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল তেহরান। এই হরমুজ নিয়েই গত কয়েকদিনে আরও চড়েছে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাতের পারদ। একদিকে, ইরানের হুঁশিয়ারি—নিজেদের নিয়ন্ত্রণাধীন এই প্রণালী দিয়ে এক বিন্দু তেলও রফতানি হতে দেবে না তারা। অন্যদিকে আমেরিকার হুমকি—ইরান যদি হরমুজ প্রণালীতে মাইন পুঁতে অন্য দেশের জাহাজকে ধ্বংসের চেষ্টা করে, তবে ফল ভালো হবে না। সবমিলিয়ে এই জলপথ দিয়ে আন্তর্জাতিক জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়ায় বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহে বড় সমস্যা তৈরি হয়।

    হরমুজ প্রণালীর আশে পাশে ভারতীয় জাহাজের অবস্থান

    ভারতের শিপিংয়ের ডিরেক্টর জেনারেল জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ২৮টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ এখনও হরমুজে আটকে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার ঠিক আগে হরমুজ প্রণালী পার করে আটটি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ সমুদ্রের সুরক্ষিত অঞ্চলে পৌঁছে গিয়েছিল। এদিকে ভারতের জাহাজ পরিবহন মন্ত্রক জানিয়েছে, বর্তমানে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে ২৮টি ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজ চলাচল করছে। এর মধ্যে ৬৭৭ জন ভারতীয় নাবিকসহ ২৪টি জাহাজ হরমুজ প্রণালীর পশ্চিমে এবং ১০১ জন ভারতীয় নাবিকসহ চারটি জাহাজ প্রণালীর পূর্ব দিকে অবস্থান করছে। ভারতীয় জাহাজ ও নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২৪ ঘণ্টার একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু করা হয়েছে বলে মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখতে এবং প্রয়োজনে দ্রুত সহায়তা সমন্বয় করতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

  • Russian Oil Imports: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জের, জ্বালানি কৌশলে পরিবর্তন আনছে ভারত

    Russian Oil Imports: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের জের, জ্বালানি কৌশলে পরিবর্তন আনছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্রুত পরিবর্তন আসছে ভারতের জ্বালানি কৌশলে। মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের (Middle East War) জেরে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহণ পথ হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দিয়ে জাহাজ চলাচল অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। জ্বালানি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে নয়াদিল্লি রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল (Russian Oil Imports) কেনার পরিমাণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

    বিকল্প উৎসের সন্ধানে (Russian Oil Imports)

    উপসাগরীয় অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী সরবরাহকারীদের কাছ থেকে আসা অপরিশোধিত তেলের চালান আসতে দেরি হচ্ছে। সেই কারণেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম ক্রুড তেল আমদানিকারী দেশ ভারত এখন তার বিশাল চাহিদা পূরণ এবং অভ্যন্তরীণ বাজার স্থিতিশীল রাখতে বিকল্প উৎস খুঁজছে। সংবাদ সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের জেরে সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটছে। এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে মার্চ মাসে ভারতের রুশ অপরিশোধিত তেলের আমদানি ব্যাপক বেড়েছে। আগের মাসের তুলনায় আমদানির পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়েছে। জাহাজ ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে ভারত প্রতিদিন প্রায় ১.৫ মিলিয়ন ব্যারেল রুশ তেল কিনেছে। ফেব্রুয়ারিতে এর পরিমাণ ছিল প্রতিদিন ১.০৪ মিলিয়ন ব্যারেল।

    রুশ তেল কেনার পরিমাণ বাড়াল ভারত

    রুশ তেল কেনার এই পরিমাণ বৃদ্ধি এমন একটা সময়ে হয়েছে যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভারতকে ৩০ দিনের একটি ছাড় দিয়েছে, যাতে নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও ভারত রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনতে পারে। এই ছাড় দেওয়া হয়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং ভারত-সহ বড় আমদানিকারী দেশগুলিকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতজনিত সরবরাহ সঙ্কট মোকাবিলায় সাহায্য করতে (Russian Oil Imports)। ভারত প্রতিদিন প্রায় ৫.৮ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড ওয়েল খরচ করে, যার প্রায় ৮৮ শতাংশই আসে আমদানির মাধ্যমে। এই সরবরাহের বড় অংশই সাধারণত আসে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ সৌদি আরব, ইরাক এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে (Middle East War)। তবে এই তেলবাহী জাহাজগুলির বেশিরভাগই হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করে। এই প্রণালী আদতে একটি সংকীর্ণ জলপথ। বর্তমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই প্রণালীই হয়ে উঠছে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভরকেন্দ্র।

    হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব

    সাধারণত ভারতের জ্বালানি আমদানির একটা বড় অংশই আসে হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে। প্রতিদিন ২.৫ থেকে ২.৭ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড ওয়েল এই পথে আসে ভারতে। এই পথ দিয়ে ভারতে আসে রান্নার গ্যাসের (LPG) প্রায় ৫৫ শতাংশ এবং তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG)-এর প্রায় ৩০ শতাংশ। বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার উৎপাদন এবং গৃহস্থালির রান্নার জন্য এগুলি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জ্বালানি বিশ্লেষক সংস্থা কেপলারের বিশ্লেষক সুমিত রিটোলিয়া বলেন, “মার্চ মাসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন প্রায় ২.৬ মিলিয়ন ব্যারেল ক্রুড ওয়েল আমদানির কথা ছিল ভারতের। একই সময়ে রাশিয়া থেকে তেলের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে (Russian Oil Imports)।” তিনি বলেন, “জাহাজ ট্র্যাকিং ও বাজার সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, মার্চে রাশিয়া থেকে অতিরিক্ত ক্রুড ওয়েল আমদানির পরিমাণ প্রতিদিন পৌঁছতে পারে ১ থেকে ১.২ মিলিয়ন ব্যারেল। ফলে হরমুজ প্রণালীতে সরবরাহ ঝুঁকির কারণে যে ঘাটতি তৈরি হতে পারত, তা কমে প্রায় ১.৬ মিলিয়ন ব্যারেল প্রতিদিনে নেমে এসেছে (Middle East War)।

    বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা

    যদিও ক্রুড ওয়েল সরবরাহ বিভিন্ন উৎস থেকে আংশিকভাবে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া সম্ভব, তবুও বিশ্লেষকদের সতর্কবার্তা- যদি উপসাগরীয় অঞ্চলে অশান্তি অব্যাহত থাকে, তাহলে এলপিজি সরবরাহের বিকল্প খুঁজে পাওয়া কঠিন হতে পারে (Russian Oil Imports)। ভারত প্রতিদিন প্রায় ১ মিলিয়ন ব্যারেল এলপিজি ব্যবহার করে। অথচ দেশের অভ্যন্তরীণ উৎপাদন মোট চাহিদার মাত্র ৪০–৪৫ শতাংশ পূরণ করে। বাকি ৫৫–৬০ শতাংশই আমদানি করতে হয়, যার অধিকাংশই আসে হরমুজ প্রণালী দিয়ে।রিটোলিয়ার মতে, ভারতের ৮০–৯০ শতাংশ এলপিজি আমদানি করা হয় মধ্যপ্রাচ্য থেকে। তাই আঞ্চলিক অস্থিরতার কারণে এই সরবরাহ ব্যবস্থা যথেষ্ট ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভারত প্রতিদিন ৯ থেকে ১০ লাখ ব্যারেল এলপিজি ব্যবহার করে, যার মধ্যে প্রায় ৬ লাখ ব্যারেল আমদানি করা হয় (Middle East War)।

     

  • Char Dham Yatra 2026: চারধাম যাত্রা শুরুর আগে ৪৭টি মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করল উত্তরাখণ্ড মন্দির কর্তৃপক্ষ

    Char Dham Yatra 2026: চারধাম যাত্রা শুরুর আগে ৪৭টি মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করল উত্তরাখণ্ড মন্দির কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের চারধাম যাত্রা (Char Dham Yatra 2026) শুরু হওয়ার ঠিক আগে উত্তরাখণ্ডের বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটি (BKTC) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বদ্রীনাথ ও কেদারনাথসহ তাদের আওতাধীন ৪৭টি মন্দিরে এখন থেকে অহিন্দুদের (Non Hindu) প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। হিন্দু তীর্থধামে হিন্দু ব্যাতিত অন্য ধর্মের লোকজনকে প্রবেশের অধিকার না দেওয়ার ঘোষণায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষায় সিদ্ধান্ত (Char Dham Yatra 2026)

    বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির (Char Dham Yatra 2026) চেয়ারম্যান অজেন্দ্র অজয় এই ঘোষণাটি করেছেন। তিনি বলেন, “মন্দিরের পবিত্রতা ও দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষা করার লক্ষ্যেই এই কঠোর পদক্ষেপ (Non Hindu) নেওয়া হয়েছে। কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাব পাস হয়েছে যে, যারা সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী নন, তাদের এই পবিত্র মন্দিরগুলোর চত্বরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।”

    ‘‘মূর্তিপুজোয় বিশ্বাস করেন না যাঁরা, তাঁরা আসবেন না’’

    কমিটির (Char Dham Yatra 2026) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত কয়েক বছরে বিভিন্ন তীর্থস্থানে অ-সনাতনীদের (Non Hindu) অশোভন আচরণ এবং ভিডিও রেকর্ডিং সংক্রান্ত অনেক অভিযোগ জমা পড়েছিল। মন্দিরের ‘মর্যাদা’ (Decorum) এবং ‘পবিত্রতা’ (Sanctity) বজায় রাখতেই এই বোর্ড বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যান অজেন্দ্র অজয় বলেন, “যাঁদের হিন্দু ধর্মে আস্থা নেই বা যাঁরা দেব-দেবীর মূর্তিপুজোয় বিশ্বাস করেন না, তাঁদের মন্দির প্রাঙ্গণে আসার কোনো প্রয়োজন নেই। এটি কোনও পিকনিক স্পট নয়, এটি একটি পবিত্র আধ্যাত্মিক স্থান।”

    সাইন বোর্ড স্থাপন

    ৪৭টি মন্দিরের প্রবেশপথে স্পষ্ট করে সাইন বোর্ড লাগানো হবে যেখানে লেখা থাকবে— ‘অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ’। পরিচয়পত্র (Char Dham Yatra 2026) পরীক্ষা করা হবে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মন্দির চত্বরে প্রবেশের সময় পরিচয়পত্র (আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড) পরীক্ষা করা হতে পারে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভীষণ ভাবে জোরদার করা হবে। পুলিশ এবং মন্দির প্রশাসনের নিরাপত্তা কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং নিয়মটি কঠোরভাবে (Non Hindu) পালিত হয়। যদিও এর আগে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে মন্দির চত্বরে মোবাইল ফোন ব্যবহার, রিল বানানো এবং ফটোগ্রাফি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এবার প্রবেশাধিকার নিয়ে এই বড় সিদ্ধান্ত এল।

    চারধাম যাত্রার সূচি

    ২০২৬ সালের চারধাম যাত্রা (Char Dham Yatra 2026) শুরু হতে চলেছে এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি থেকে। গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রীর দরজা খোলার মাধ্যমে এই যাত্রা শুরু হবে। কেদারনাথ ও বদ্রীনাথের দরজা খোলার তারিখও ঘোষণা করা হয়েছে। মন্দিরের পরি কাঠামো উন্নয়নের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থ বর্ষে ১২১.৭ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। এই টাকায় মন্দির রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ। তীর্থ যাত্রীদের সুযোগ সুবিধা, এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন। বেতন এবং প্রশাসনিক ব্যয় থাকবে বাজেটে। ভক্তদের আগমনকে সুগম্য করতে সব ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

    কমিটির প্রশংসায় সাধু-সন্তরা

    এই সিদ্ধান্তের ফলে হিন্দু সংগঠনগুলো এবং সাধু-সন্তরা কমিটির প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, এই পদক্ষেপ তীর্থযাত্রার (Char Dham Yatra 2026) আধ্যাত্মিক পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করবে। তবে রাজনৈতিক মহলে এবং মানবাধিকার কর্মীদের একাংশ এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন, তাঁদের মতে এটি সংবিধানের মূল চেতনার পরিপন্থী। উল্লেখ্য যে, এর আগেও উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি রাজ্যে ‘ল্যান্ড জিহাদ’ (Non Hindu) এবং জনবিন্যাস পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন। মন্দির কমিটির এই সিদ্ধান্ত সেই একই ভাবধারার প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।

LinkedIn
Share