Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Char Dham Yatra 2026: চারধাম যাত্রা শুরুর আগে ৪৭টি মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করল উত্তরাখণ্ড মন্দির কর্তৃপক্ষ

    Char Dham Yatra 2026: চারধাম যাত্রা শুরুর আগে ৪৭টি মন্দিরে অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করল উত্তরাখণ্ড মন্দির কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের চারধাম যাত্রা (Char Dham Yatra 2026) শুরু হওয়ার ঠিক আগে উত্তরাখণ্ডের বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটি (BKTC) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বদ্রীনাথ ও কেদারনাথসহ তাদের আওতাধীন ৪৭টি মন্দিরে এখন থেকে অহিন্দুদের (Non Hindu) প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। হিন্দু তীর্থধামে হিন্দু ব্যাতিত অন্য ধর্মের লোকজনকে প্রবেশের অধিকার না দেওয়ার ঘোষণায় ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    মন্দিরের পবিত্রতা রক্ষায় সিদ্ধান্ত (Char Dham Yatra 2026)

    বদ্রীনাথ-কেদারনাথ মন্দির কমিটির (Char Dham Yatra 2026) চেয়ারম্যান অজেন্দ্র অজয় এই ঘোষণাটি করেছেন। তিনি বলেন, “মন্দিরের পবিত্রতা ও দীর্ঘদিনের ধর্মীয় ঐতিহ্য রক্ষা করার লক্ষ্যেই এই কঠোর পদক্ষেপ (Non Hindu) নেওয়া হয়েছে। কমিটির বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাব পাস হয়েছে যে, যারা সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী নন, তাদের এই পবিত্র মন্দিরগুলোর চত্বরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।”

    ‘‘মূর্তিপুজোয় বিশ্বাস করেন না যাঁরা, তাঁরা আসবেন না’’

    কমিটির (Char Dham Yatra 2026) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিগত কয়েক বছরে বিভিন্ন তীর্থস্থানে অ-সনাতনীদের (Non Hindu) অশোভন আচরণ এবং ভিডিও রেকর্ডিং সংক্রান্ত অনেক অভিযোগ জমা পড়েছিল। মন্দিরের ‘মর্যাদা’ (Decorum) এবং ‘পবিত্রতা’ (Sanctity) বজায় রাখতেই এই বোর্ড বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চেয়ারম্যান অজেন্দ্র অজয় বলেন, “যাঁদের হিন্দু ধর্মে আস্থা নেই বা যাঁরা দেব-দেবীর মূর্তিপুজোয় বিশ্বাস করেন না, তাঁদের মন্দির প্রাঙ্গণে আসার কোনো প্রয়োজন নেই। এটি কোনও পিকনিক স্পট নয়, এটি একটি পবিত্র আধ্যাত্মিক স্থান।”

    সাইন বোর্ড স্থাপন

    ৪৭টি মন্দিরের প্রবেশপথে স্পষ্ট করে সাইন বোর্ড লাগানো হবে যেখানে লেখা থাকবে— ‘অহিন্দুদের প্রবেশ নিষিদ্ধ’। পরিচয়পত্র (Char Dham Yatra 2026) পরীক্ষা করা হবে। সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে মন্দির চত্বরে প্রবেশের সময় পরিচয়পত্র (আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড) পরীক্ষা করা হতে পারে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা ভীষণ ভাবে জোরদার করা হবে। পুলিশ এবং মন্দির প্রশাসনের নিরাপত্তা কর্মীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে এবং নিয়মটি কঠোরভাবে (Non Hindu) পালিত হয়। যদিও এর আগে মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে মন্দির চত্বরে মোবাইল ফোন ব্যবহার, রিল বানানো এবং ফটোগ্রাফি নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এবার প্রবেশাধিকার নিয়ে এই বড় সিদ্ধান্ত এল।

    চারধাম যাত্রার সূচি

    ২০২৬ সালের চারধাম যাত্রা (Char Dham Yatra 2026) শুরু হতে চলেছে এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি থেকে। গঙ্গোত্রী ও যমুনোত্রীর দরজা খোলার মাধ্যমে এই যাত্রা শুরু হবে। কেদারনাথ ও বদ্রীনাথের দরজা খোলার তারিখও ঘোষণা করা হয়েছে। মন্দিরের পরি কাঠামো উন্নয়নের জন্য ২০২৬-২৭ অর্থ বর্ষে ১২১.৭ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। এই টাকায় মন্দির রক্ষণাবেক্ষণ ও সংরক্ষণ। তীর্থ যাত্রীদের সুযোগ সুবিধা, এবং পরিকাঠামো উন্নয়ন। বেতন এবং প্রশাসনিক ব্যয় থাকবে বাজেটে। ভক্তদের আগমনকে সুগম্য করতে সব ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।

    কমিটির প্রশংসায় সাধু-সন্তরা

    এই সিদ্ধান্তের ফলে হিন্দু সংগঠনগুলো এবং সাধু-সন্তরা কমিটির প্রশংসা করেছেন। তাঁদের মতে, এই পদক্ষেপ তীর্থযাত্রার (Char Dham Yatra 2026) আধ্যাত্মিক পরিবেশ বজায় রাখতে সাহায্য করবে। তবে রাজনৈতিক মহলে এবং মানবাধিকার কর্মীদের একাংশ এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন, তাঁদের মতে এটি সংবিধানের মূল চেতনার পরিপন্থী। উল্লেখ্য যে, এর আগেও উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি রাজ্যে ‘ল্যান্ড জিহাদ’ (Non Hindu) এবং জনবিন্যাস পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছিলেন। মন্দির কমিটির এই সিদ্ধান্ত সেই একই ভাবধারার প্রতিফলন বলে মনে করা হচ্ছে।

  • LPG Crisis: অযথা আতঙ্ক নয়! গ্যাস বুকিংয়ের আড়াই দিনের মধ্যে সিলিন্ডার মিলবে, আশ্বাস কেন্দ্রের

    LPG Crisis: অযথা আতঙ্ক নয়! গ্যাস বুকিংয়ের আড়াই দিনের মধ্যে সিলিন্ডার মিলবে, আশ্বাস কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। এমনটাই দাবি করল কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের পেট্রলিয়াম মন্ত্রক বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছে,  গ্যাস সিলিন্ডার (LPG Crisis) নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই। প্রয়োজন ছাড়া শুধুমাত্র ভয়ে-ভয়ে আগেভাগে বুকিং করারও দরকার নেই। সরকারের মতে, বর্তমানে দেশে এলপিজি সিলিন্ডার বুকিং করার প্রায় ২.৫ অর্থাৎ আড়াই দিনের মধ্যেই ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে।

    কোনও আতঙ্কের কারণ নেই

    পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ও হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বুধবার কেন্দ্রের পেট্রলিয়াম মন্ত্রক জানিয়েছে, দেশে গৃহস্থালির জন্য ১০০ শতাংশ এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে এবং অযথা আতঙ্কিত হয়ে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বুক করার কোনও প্রয়োজন নেই। পাশাপাশি, কেন্দ্র আশ্বাস দিয়েছে, রান্নার গ্যাস বুকিংয়ের দু’-আড়াই দিনের মধ্যে সরবরাহ করা হবে। পেট্রলিয়াম মন্ত্রকের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করেন মন্ত্রকের যুগ্মসচিব সুজাতা শর্মা। তিনি জানিয়েছেন, সঙ্কট আঁচ করে বাড়তি গ্যাস যাতে কেউ বুক করে না-রাখেন, তা নিশ্চিত করতে দু’টি গ্যাস বুকিংয়ের মধ্যেকার ন্যূনতম ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণেই রয়েছে। খনিজ তেলের সরবরাহও নিয়ন্ত্রণে। ভারতে ঘরোয়া এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বেড়েছে। ঘরোয়া নয়, এমন এলপিজি (নন-ডোমেস্টিক)-র ক্ষেত্রে হাসপাতাল এবং অন্য জরুরি পরিষেবাগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

    কেন ২৫ দিনের আগে গ্যাস বুক নয়

    পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের কারণে দেশে জ্বালানি নিয়ে যে উদ্বেগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে ভয় পেয়ে অনেকে আগেভাগে গ্যাস বুক করে রাখছেন। এই ‘প্যানিক বুকিং’ মূলত ভুল তথ্যের কারণে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সুজাতা। এই অহেতুক বুকিং যাতে বন্ধ করা যায় তাই দু’টি গ্যাস বুকিংয়ের মধ্যেকার ন্যূনতম ব্যবধান ২১ দিন থেকে বাড়িয়ে ২৫ দিন করা হয়েছে। অতিরিক্ত বুকিং করলে সাপ্লাই সিস্টেমের উপর চাপ বাড়তে পারে এবং কৃত্রিম ঘাটতি তৈরি হতে পারে। তাই এই সিদ্ধান্ত। তবে, গ্যাসের অপচয় বন্ধ করার আর্জিও জানিয়ে সুজাতা বলেছেন, ‘‘সম্ভব হলে গ্যাস সংরক্ষণ করুন।’’ ৭ মার্চ থেকে কলকাতায় ১৪.২ কেজির গৃহস্থালিতে ব্যবহৃত সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা বেড়ে হয়েছে ৯৩৯ টাকা। হোটেল-রেস্তরাঁয় রান্নার ১৯ কেজির বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১১৪.৫০ টাকা বেড়ে হয়েছে ১৯৯০ টাকা।

    অন্য পথে আসছে খনিজ তেল

    খনিজ তেল, স্বাভাবিক গ্যাসের জোগানের উপর পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির কী প্রভাব পড়েছে, দেশের জোগান কতটা, তার হিসেব দিয়েছে কেন্দ্র। সুজাতা বলেছেন, ‘‘খনিজ তেলের জোগান আমাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। দেশে তেলের দৈনন্দিন খরচ প্রায় ৫৫ লক্ষ ব্যারেল। অন্তত ৪০টি দেশ থেকে খনিজ তেল আমদানি করি আমরা। হরমুজ প্রণালী দিয়ে যে তেল আসে, তা ব্যাহত হয়েছে। তবে ৭০ শতাংশ জোগানই আসছে অন্য রাস্তা দিয়ে। আর কিছু দিনের মধ্যে তেলবোঝাই আরও দু’টি জাহাজ আসছে। ফলে জোগান বাড়বে।’’ স্বাভাবিক গ্যাসের ক্ষেত্রে ভারতের মোট খরচ দৈনন্দিন ১৮.৯ কোটি মেট্রিক আদর্শ ঘনমিটার (এমএসসিএমডি)। তার মধ্যে ৯.৭৫ কোটি এমএসসিএমডি গ্যাস ঘরোয়া ভাবে উৎপাদন করা হয়। বাকিটা আমদানি করা হয়। সরকার জানিয়েছে, ৪.৭৪ কোটি এমএসসিএমডি-র জোগান পশ্চিম এশিয়ার সঙ্কটের কারণে প্রভাবিত হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য বিকল্প রুটে জোগান বৃদ্ধির চেষ্টা চলছে।

    দেশীয় এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা

    বর্তমানে ভারতের এলপিজি আমদানির প্রায় ৬০ শতাংশ বিদেশ থেকে আসে, যার প্রায় ৯০ শতাংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে আসে। সঙ্কট মোকাবিলায় দেশীয় এলপিজি উৎপাদন ২৫ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, হাসপাতাল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে গৃহস্থালি গ্রাহকের মতো অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। অন্যদিকে রেস্তোরাঁ ও হোটেল শিল্পের পক্ষ থেকে বাণিজ্যিক এলপিজি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এ বিষয়ে তাদের দাবিগুলি খতিয়ে দেখতে একটি আলাদা কমিটি গঠন করা হবে বলে জানানো হয়েছে। সরকারের দাবি, এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই উল্লেখযোগ্য ভর্তুকি দেবে। বর্তমানে দিল্লিতে একটি গৃহস্থালি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম প্রায় ৯১৩ টাকা, যা সরকারি হস্তক্ষেপ না থাকলে আরও বেশি হতে পারত বলে জানানো হয়েছে।

    গ্যাসের জোগান চক্রে কোনও পরিবর্তন হয়নি

    সুজাতা জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজি-র দাম যে পরিমাণ বেড়েছে, সেই অনুপাতে দেশে বাড়েনি। তা ছাড়া অনেক পড়শি দেশের চেয়েও ভারতে এলপিজি-র দাম কম। সুজাতা বলেন, ‘‘গ্যাসের জোগানের চক্রে কোনও পরিবর্তন হয়নি। বুকিং করলে আড়াই দিনের মধ্যেই গ্যাস পাওয়া যাবে। আগে থেকে সিলিন্ডার বুক করার কোনও প্রয়োজন নেই। এটা একটা সঙ্কটময় পরিস্থিতি। কিন্তু ভারতে জোগান নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকার পরিস্থিতির দিকে নজর রেখেছে। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে। নাগরিকদের কাছে আমাদের অনুরোধ, ভয় পেয়ে বুকিং করবেন না। যেখানে সম্ভব গ্যাস সংরক্ষণ করুন।’’

    আসছে আরও দু’টি এলপিজি পরিপূর্ণ কারগো

    চিন্তার কোনও কারণ নেই, স্বাভাবিক থাকবে এলপিজি সরবরাহ। দেশের দিকে আসছে আরও দু’টি এলপিজি পরিপূর্ণ কারগো। এক কথায় তৃণমূল স্তরে তৈরি হওয়া জ্বালানি-উদ্বেগকে কাটাতে তৎপর হয়েছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। নয়াদিল্লি সূত্রে খবর, ইতিমধ্য়ে প্রতিটি রাজ্যকে সেই গ্যাস ও জ্বালানির কালোবাজারি রুখতে পদক্ষেপ করতে বলেছে পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক। গোটা বিশ্বের ৫৫ শতাংশ অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ নির্ভর করে থাকে হরমুজ প্রণালির উপর। ভারতে আসা ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল আসে এই পথেই। যদিও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের যৌথ সচিব জানিয়েছেন, “এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে যে বিরাট বিপদ এগিয়ে এসেছে এমনটা নয়। ভারতের দৈনিক ৫৫ লক্ষ ব্যারল অপরিশোধিত তেলের প্রয়োজন। আমরা হরমুজের পরিবর্তে থাকা বিকল্প পথগুলি ব্যবহার করে যথেষ্ট তেল মজুত করেছি।”

  • Omar Abdullah: জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে খুনের চেষ্টা, নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন ওমরের

    Omar Abdullah: জম্মু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাকে খুনের চেষ্টা, নিরাপত্তা নিয়েই প্রশ্ন ওমরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লার (Omar Abdullah) বাবা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ন্যাশনাল কনফারেন্স সুপ্রিমো ফারুক আবদুল্লার ওপর হামলার চেষ্টা। ঘটনায় যারপরনাই বিস্মিত মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রশ্ন, ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG)-এর জেড প্লাস নিরাপত্তা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও হামলাকারী কীভাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এত কাছে পৌঁছে গেল?

    পিছন থেকে গুলি, বরাতজোরে বাঁচল প্রাণ

    বুধবার সন্ধ্যায় জম্মুতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে প্রবীণ ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ফারুখ আবদুল্লাকে গুলি করে খুনের চেষ্টা করা হয়। ঘটনাটি ঘটে গ্রেটার কৈলাশ এলাকার রয়্যাল পার্কে আয়োজিত একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে। সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, অনুষ্ঠানে উপস্থিত এক ব্যক্তি পিস্তল হাতে আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা করেন। তবে তাঁর জেড প্লাস নিরাপত্তা বলয়ের দায়িত্বে থাকা এনএসজি-র নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দেন এবং গুলিটি প্রতিহত করেন। ফলে অল্পের জন্য বড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়। ইতিমধ্যেই হামলার সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তার ঘেরাটোপে বিয়ে বাড়ি থেকে বেরোচ্ছেন ফারুখ আবদুল্লা। ঠিক সেইসময় পিছন দিক থেকে নিরাপত্তার ঘেরাটোপে ঢুকে পড়েন ওই অভিযুক্ত। ফারুখ আবদুল্লাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। কী কারণে এই হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলি। ঘটনার জেরে এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। ওই অভিযুক্তের দাবি, ২০ বছর ধরে তিনি ফারুখ আবদুল্লাকে হত্যার চেষ্টা করে আসছেন।

    জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য (Omar Abdullah)

    ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “জম্মুর গ্রেটার কৈলাশ এলাকার রয়্যাল পার্কে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ফারুককে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা করে এক ব্যক্তি। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় প্রাণে বেঁচে যান ফারুক।” এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে ওমর লেখেন, “আল্লাহ্ দয়ালু। আমার বাবা অল্পের জন্য বেঁচে গিয়েছেন। এই মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য স্পষ্ট নয়, তবে জানা গিয়েছে যে এক ব্যক্তি পিস্তল নিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করেছিল। নিরাপত্তা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ করে অভিযুক্তকে আটক করে, ব্যর্থ হয় হত্যার চেষ্টা। এখন উত্তরের চেয়ে প্রশ্নই বেশি, এর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, এনএসজির জেড প্লাস নিরাপত্তায় থাকা একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এত কাছে কেউ কীভাবে পৌঁছতে পারল?”

    ফারুক আবদুল্লা সুস্থ

    জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা নাসির আসলাম ওয়ানি জানান, ঘটনায় কেউ আহত হননি, অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, “এমন কিছু নয়। আল্লাহ্ খুব দয়ালু।” পুলিশি ব্যবস্থার বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে (Omar Abdullah) তিনি বলেন, “এখনই কিছু বলা ঠিক হবে না। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করবে। তাই এখনই কোনও মন্তব্য করা ঠিক হবে না।” তিনি বলেন, “অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্ত শেষ হলে বোঝা যাবে অভিযুক্ত কেন গুলি করার চেষ্টা করেছিল, তার উদ্দেশ্যই বা কী ছিল।” তিনি জানান, ফারুক আবদুল্লা (Farooq Abdullah) সম্পূর্ণ সুস্থ, তিনি বিশ্রাম নিচ্ছেন।

    কী বললেন উপমুখ্যমন্ত্রী

    জম্মু-কাশ্মীর পুলিশও জানিয়েছে, ফারুক আবদুল্লার প্রাণনাশের চেষ্টা করা হয়েছিল। তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এনএসজি সদস্যরা দ্রুত পদক্ষেপ করায় ব্যর্থ হয় হামলার চেষ্টা। অভিযুক্তের নাম কামাল সিং। তাকে আটক করা হয়েছে। সে জম্মুর পুরানি মান্ডি এলাকার বাসিন্দা। অভিযুক্তের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে আগ্নেয়াস্ত্রটিও। পুলিশ জানিয়েছে, মামলা দায়ের করা হয়েছে, চলছে তদন্তও। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী সুরিন্দর চৌধুরী। তিনিও জানান, ঘটনায় কেউ আহত হননি। নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনিও। জম্মু জোনের (Farooq Abdullah) পুলিশের আইজিপি (IGP) গাংগিয়াল থানায় পৌঁছন। এখানেই ফারুক আবদুল্লার ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় রয়েছে অভিযুক্ত (Omar Abdullah)।

     

  • Maoists Surrender: ছত্তিশগড়ের বস্তারে আত্মসমর্পণ ১০৮ মাওবাদীর, উদ্ধার রেকর্ড পরিমাণ সামগ্রী

    Maoists Surrender: ছত্তিশগড়ের বস্তারে আত্মসমর্পণ ১০৮ মাওবাদীর, উদ্ধার রেকর্ড পরিমাণ সামগ্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আত্মসমর্পণ মাওবাদীদের। বুধবার ছত্তিশগড়ের বস্তার জেলায় অন্তত ১০৮ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, এদের সম্মিলিত মাথার মোট পুরস্কার মূল্য ছিল ৩.৯৫ কোটি টাকা। বিপুল পরিমাণ অস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, একটি নকশাল ঘাঁটি থেকে একসঙ্গে এত টাকা ও মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার হওয়ার ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি।

    নকশাল ঘাঁটি থেকে উদ্ধার বিপুল নগদ, সোনা (Maoists Surrender)

    এদিন যারা আত্মসমর্পণ করেছে, তারা নিষিদ্ধ সংগঠন কমিউনিস্ট পার্ট অফ ইন্ডিয়া (মাওবাদী)-র দণ্ডকারণ্য স্পেশাল জোনাল কমিটির সদস্য। তারা বস্তার জেলার সদর শহর জগদলপুরে আত্মসমর্পণ করে। বস্তার রেঞ্জের পুলিশের আইজি সুন্দররাজ পি জানান, আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি নকশাল ঘাঁটি থেকে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নগদ অর্থ ও মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ৩.৬১ কোটি টাকা নগদ, প্রায় ১ কেজি সোনা, ১০১টি অস্ত্র। এই অস্ত্রগুলির মধ্যে রয়েছে একে ৪৭ রাইফেল, ইনসাস রাইফেল, এসএলআর, লাইট মেশিনগান, .৩০৩ রাইফেল এবং ব্যারেল গ্রেনেড লঞ্চার।

    ছত্তিশগড় পুলিশের বক্তব্য

    আত্মসমর্পণকারী গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের মধ্যে রয়েছে ডিভিশনাল কমিটির সদস্য রাহুল তেলাম, পান্ড্রু কোভাসি ও ঝিত্রু ওয়াম (পশ্চিম বস্তার বিভাগ), রামধর ওরফে বীরু (পূর্ব বস্তার বিভাগ) এবং মল্লেশ (উত্তর বস্তার বিভাগ)। এছাড়াও ছিলেন পিপলস লিবারেশন গেরিলা আর্মি (PLGA) ব্যাটেলিয়নের কমান্ডার মুচাকি এবং অন্ধ্র-ওডিশা সীমান্ত এলাকার ডিভিশনাল কমিটির সদস্য কোসা মান্দাভি। ছত্তিশগড় পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “পুনা মার্গেম: রিহ্যাবিলিটেশন টু রিজুভেনেশন” কর্মসূচির আওতায় ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখে বস্তার বিভাগীয় সদর দফতর জগদলপুরে এই ১০৮ জন মাওবাদী মূলধারায় ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। হিংসা ত্যাগ করা এই ক্যাডারদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় নকশাল অস্ত্রভান্ডারের হদিশ মিলেছে।

    কী বলছেন উপমুখ্যমন্ত্রী

    ছত্তিশগড়ের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা স্বরাষ্ট্র দফতরের দায়িত্বেও রয়েছেন। তিনি জানান, আত্মসমর্পণকারী ছ’জন ডিভিশনাল কমিটি সদস্যের মাথার ওপর প্রতি জনের জন্য ৮ লাখ টাকা করে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল। এদের মধ্যে ছিল ৩ জন কোম্পানি প্লাটুন কমিটি কমান্ডার, ১৮ জন প্লাটুন পার্টি কমিটি সদস্য, ২৩ জন এরিয়া কমিটির সদস্য, ৫৬ জন সাধারণ পার্টির সদস্য। জেলাওয়াড়ি পরিসংখ্যানটি হল, বীজাপুরে ৩৭ জন, দান্তেওয়াড়ায় ৩০ জন, সুকমায় ১৮ জন, বস্তারে ১৬ জন, নারায়ণপুরে ৪ জন এবং কঙ্কেরে ৩ জন। পুলিশের মতে, মাওবাদীদের এই বিরাট সংখ্যায় আত্মসমর্পণ মাওবাদী মতাদর্শের প্রতি ক্রমবর্ধমান হতাশা এবং বস্তার অঞ্চলে নিরাপত্তা বাহিনীর তীব্র অভিযানের ফল।

    মাওবাদীদের আত্মসমর্পণ

    পুলিশের দেওয়া তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, গত ২৬ মাসে ছত্তিশগড়ে মোট ২,৭১৪ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৯ মার্চ পর্যন্ত বস্তার বিভাগেই আত্মসমর্পণ করেছে ২,৬২৫ জন। প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দেশে নকশালবাদের অবসানের জন্য ডেডলাইন দিয়েছেন চলতি বছরের ৩১ মার্চ পর্যন্ত। এদিকে, বর্তমানে নিষিদ্ধ সংগঠন সিপিআই (মাওবাদী)-এর কেন্দ্রীয় কমিটির দু’জন সদস্য এখনও পলাতক। গত বছরের শুরুতে এই কমিটিতে ২১ জন সদস্য ছিল, যার মধ্যে ১৯ জনই আত্মসমর্পণ করেছে বা সংঘর্ষে নিহত হয়েছে। ২০০০ সালের শুরুর দিকে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিল ৪০-৪৫জন সদস্য।

    মাওবাদীদের নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্রা

    উপমুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, রাজ্যে মাওবাদের অবসান হলে ২০২৭ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে বস্তার অঞ্চল থেকে অধিকাংশ আধাসামরিক বাহিনী প্রত্যাহার করে নেওয়া হতে পারে। বিধানসভায় বাজেট আলোচনায় তিনি বলেন, সরকার ৩১ মার্চ ২০২৬-কে সশস্ত্র মাওবাদীদের নির্মূল করার লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করেছে। এরপর ধাপে ধাপে বাহিনী প্রত্যাহার করা শুরু হবে। উল্লেখ্য যে, এই বাজেটে পুলিশ বিভাগের জন্য ৭,৭২১.০১ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের পুনর্বাসন ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে ৩৮ কোটি টাকার স্থায়ী আমানত। রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল বলেন, “সবাই চায় মাওবাদের অবসান হোক, এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক।” তাঁর প্রস্তাব, ৩১ মার্চ রাজ্যে মাওবাদ নির্মূলীকরণ উপলক্ষে বিধানসভার একটি বিশেষ অধিবেশন ডাকা যেতে পারে। আলোচনার শেষে ভোটাভুটিতে কাট মোশন ৩৭ বনাম ২৪ ভোটে খারিজ হয় এবং পরে বিধানসভা শর্মার দফতরগুলির বাজেট প্রস্তাব অনুমোদন করে।

     

  • Love jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদ! সাবিরের অনলাইন ফাঁদে নাবালিকা, বাংলাদেশে অপহৃত মেয়েকে ফিরিয়ে আনার আকুতি মায়ের

    Love jihad: ওড়িশায় লাভ জিহাদ! সাবিরের অনলাইন ফাঁদে নাবালিকা, বাংলাদেশে অপহৃত মেয়েকে ফিরিয়ে আনার আকুতি মায়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার (Odisha) পুরী জেলার এক মা তাঁর মেয়েকে ফিরে পেতে সরকারের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছেন। তাঁর অভিযোগ, একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে তাঁর মেয়েকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাংলাদেশে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পরিবারটি এই ঘটনাকে “লাভ জিহাদ” (Love jihad) বলে অভিহিত করেছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে মেয়ের উদ্ধার চেয়ে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে। মুসলিম যুবক কীভাবে নিজের পরিচয় গোপন রেখে প্রমের ফাঁদে ফেলে বিবাহের নামে অন্যত্র নিয়ে চলে যায় তার আরও একটি ঘটনার প্রমাণ মেলায় শোরগোল পড়েছে দেশজুড়ে।

    অনলাইন যোগাযোগ (Love jihad)

    অভিযোগকারী মা জানিয়েছেন, সাবির নামে এক যুবক নিজেকে বাঙালি পরিচয় দিয়ে অনলাইনে তাঁর মেয়ের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে। ধীরে ধীরে আবেগপ্রবণ কথাবার্তার মাধ্যমে সে ১৬ বছর বয়সি ওই নাবালিকাকে পরিচয় গোপন রেখে প্রতারণা (Love jihad) করে সম্পর্কের জালে জড়ায়। এরপর প্রেম এবং বিয়ের কথা বলে পালিয়ে যায় অন্যত্র।

    নিখোঁজ ও প্রাথমিক খোঁজ

    মেয়েটি ২০২১ সালের ২৭ নভেম্বর নিখোঁজ হয়। পরিবার পুরী (Odisha) পুলিশে নিখোঁজ ডায়েরি করেছে। তদন্তের এক পর্যায়ে জানা গিয়েছে মেয়েটি পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে রয়েছে। মা পুলিশের সাহায্যে সেখানে গেলেও অভিযুক্ত সাবির মেয়েটিকে নিয়ে সেখান থেকে অন্যত্র পালিয়ে যায়। মায়ের সাফ দাবি, প্রেমের ফাঁদে ফেলে পাচার (Love jihad) করা হয়েছে মেয়েকে এবং বর্তমানে সে বাংলাদেশে বন্দি অবস্থায় রয়েছে। মেয়েকে উদ্ধারের জন্য ওড়িশা ও কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কূটনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানাই।

    সীমান্ত পার ও নির্যাতন

    নিখোঁজ মেয়ের মা অভিযোগ করেছেন, বর্তমানে তাঁর মেয়েকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে নিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। মেয়েটি মাঝেমধ্যে ফোনে যোগাযোগ করতে পারে এবং জানিয়েছে তাঁর ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন (Love jihad) চালানো হচ্ছে। তাকে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। গত ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে মেয়ের সঙ্গে শেষবার মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছিল মায়ের।

    পুলিশের পদক্ষেপ

    পুরীর (Odisha) পুলিশ সুপার প্রতীক সিং জানিয়েছেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের পর স্পেশাল ব্রাঞ্চ এবং সংশ্লিষ্ট হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। মেয়েটিকে নিরাপদে (Love jihad) ফিরিয়ে আনতে সব রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

  • RSS: দেশজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি পরিবারে হয়েছে সংঘের গৃহ সম্পর্ক অভিযান, বললেন সুনীল আম্বেকর

    RSS: দেশজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি পরিবারে হয়েছে সংঘের গৃহ সম্পর্ক অভিযান, বললেন সুনীল আম্বেকর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) গত এক বছরের কাজের পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে হরিয়ানার (Haryana) সমলখায় তিন দিনব্যাপী এক গুরুত্বপূর্ণ অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভার বৈঠক শুরু হতে চলেছে। আগামী ১৩ মার্চ থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই বৈঠক। সংঘের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সংস্থা ‘অখিল ভারতীয় প্রতিনিধি সভা’র (ABPS) এই বৈঠকে সংঘ প্রধান মোহন ভাগবত, সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে সহ অন্যান্য শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকবেন। আজ অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর সাংবাদিক সম্মেলন করে সংঘের এই অনুষ্ঠান সম্পর্কে মতামত প্রকাশ করেছেন।

    বৈঠকের মূল বিষয়সমূহ (Haryana)

    সুনীল আম্বেকর জানিয়েছেন, হরিয়ানায় (Haryana) আরএসএস-এর (RSS) এই বৈঠকে সংঘ এবং সংঘের বিবিধ সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। যেমনসংঘ প্রধান মোহন ভাগবত ছাড়াও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন এবং আরএসএস-এর ৩২টি সহযোগী সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা এই বৈঠকে অংশ নেবেন। মোট ১,৪৮৭ জন প্রতিনিধি এতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গিয়েছে।

    শতবর্ষ উদ্‌যাপন

    এবছর আরএসএস-এর (RSS) শতবর্ষ পূর্ণ হওয়ায়, উদ্‌যাপনের অঙ্গ হিসেবে নেওয়া বিভিন্ন কর্মসূচি যেমন— গৃহসম্পর্ক অভিযান, হিন্দু সম্মেলন, যুব সম্মেলন এবং সামাজিক সম্প্রীতি সভা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। সংঘের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে এখনও পর্যন্ত, ‘গৃহসম্পর্ক’ অভিযানের মাধ্যমে তারা ১০ কোটিরও বেশি পরিবারের কাছে পৌঁছাতে পেরেছে।

    শাখা বিস্তার

    গত এক বছরে সংঘের কাজের পরিধি বেড়েছে। সারা দেশে প্রায় ৬,০০০ নতুন শাখা (RSS) খোলা হয়েছে। বৈঠকে এই বৃদ্ধির বিশদ রিপোর্ট পেশ করা হবে।  সংঘের অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর আরও বলেন, “এই বৈঠকে আগামী বছরের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হবে এবং সংঘের প্রশিক্ষণ শিবির অর্থাৎ সংঘ (RSS) শিক্ষা বর্গ ও কার্যকর্তা বিকাশ বর্গ নিয়ে রূপরেখা তৈরি হবে।”

    অনলাইন আগ্রহ

    জানুয়ারী ২০২৫ থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ২৬,৪৪৫ জন মানুষ ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আরএসএস-এ যোগ দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।

    গুরু রবিদাস জয়ন্তী

    বৈঠকে গুরু রবিদাসের ৬৫০তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন নিয়েও আলোচনা হবে। ফেব্রুয়ারি ২০২৬ থেকে ফেব্রুয়ারি ২০২৭ পর্যন্ত বছরব্যাপী সংঘের স্বেচ্ছাসেবকরা (RSS) দেশজুড়ে তাঁর জীবন ও আদর্শ প্রচারের কর্মসূচি পালন করবেন। হরিয়ানার (Haryana) পানিপথ জেলার সমলখায় আরএসএস-এর এই বার্ষিক সভাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এখানে সংগঠনের ভবিষ্যৎ অভিমুখ এবং শতবর্ষের কর্মসূচিগুলো চূড়ান্ত করা হবে।

  • India-Bangladesh Relation: দুঃসময়ে পাশে ভারত, ইরান যুদ্ধের আবহে বাংলাদেশে ৫০০০ টন ডিজেল পাঠাল দিল্লি

    India-Bangladesh Relation: দুঃসময়ে পাশে ভারত, ইরান যুদ্ধের আবহে বাংলাদেশে ৫০০০ টন ডিজেল পাঠাল দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্দিনে বাংলাদেশকে সাহায‍্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত (India-Bangladesh Relation)। যুদ্ধ চলছে মধ্য প্রাচ্যে। গোটা বিশ্বেই প্রায় জ্বালানি সঙ্কটের এক প্রবল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইরান ও পশ্চিম এশিয়ার সংঘাতের কারণে জ্বালানি সঙ্কটে বাংলাদেশও। ভারতেও গ্যাসের সমস্যা উত্তরোত্তর বাড়ছে। তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের হাত ছাড়ল না ভারত। দুঃসময়ে সে দেশে পাঁচ হাজার টন ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। এই জ্বালানি সরবরাহ করা হচ্ছে বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন-এর মাধ্যমে।

    সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি

    রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারত থেকে ৫,০০০ টন ডিজেল পাঠানো হয়েছে, যা দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত জ্বালানি চুক্তির অংশ। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ রেজানুর রহমান নিশ্চিত করেছেন যে, এই ডিজেল সরবরাহ ১,৮০,০০০ টন বার্ষিক ডিজেল সরবরাহ চুক্তির অংশ। তিনি বলেন, “আমাদের ভারতের সঙ্গে চুক্তি রয়েছে এবং আগামী ছয় মাসে অন্তত ৯০,০০০ টন ডিজেল আমদানি করতে হবে। এই ৫,০০০ টন তারই অংশ।” বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর এক কর্তা জানিয়েছেন, সোমবার বিকেল ৩টে বেজে ২০ মিনিটে ভারতের অসমের নুমালিগড় তৈলশোধনাগার থেকে ডিজেল পাম্পিং শুরু হয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে পাঠানো এই জ্বালানি প্রায় ৪৪ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার পর্বতপুরী ডিপোতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। তিনি আরও জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতার মধ্যে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এই পাইপলাইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। ভারত থেকে সরাসরি পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানি হওয়ায় পরিবহণ খরচ ও সময় দুটোই কমছে।

    ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্প

    ভারত ডিজেল সরবরাহ করছে ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে, যা ২০১৭ সালে কার্যকর করা হয়। উল্লেখ্য, ইউনূসের সময় বিবিধ ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়। সেই সময় ডিজেলের রফতানি বন্ধ রাখা হয়েছিল ভারতের পক্ষ থেকে। পরবর্তীতে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর দু’দেশের সম্পর্ক ধীরে-ধীরে মজবুত হচ্ছে। আর এরই মধ্যে বাংলাদেশে ডিজেল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা জোরদার করতে তৈরি হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্প। এটি দুই দেশেরই অর্থনৈতিক ও জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এর মাধ্যমে নিয়মিতভাবে ডিজেল সরবরাহ করা সম্ভব হয়। বাংলাদেশ অতিরিক্ত ডিজেল চাইলেও ভারতের সরকার বলেছে, তা বাজার ও জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে বিশ্বজুড়ে তেলের সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল যায়। যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ায় বাংলাদেশ ও অন্যান্য দেশগুলোর জ্বালানি বাজারও প্রভাবিত হয়েছে।

  • West Bengal Assembly Election: দিল্লিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপি, কী নিয়ে আলোচনা?

    West Bengal Assembly Election: দিল্লিতে কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে বঙ্গ বিজেপি, কী নিয়ে আলোচনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় ভোটের (West Bengal Assembly Election) বাদ্যি বেজে গিয়েছে। এখন সবার মুখে শুধুই ভোট-ঘোষণা ও প্রার্থী বাছাইয়ের কথা। রাজ্য নেতৃত্বরাও তাদের ভোট প্রচারে ব্যস্ত। এই আবহে আজ, বুধবারই বঙ্গ বিজেপি (Bengal Bjp) নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বসতে চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি (BJP Central Committee)। দিল্লির বিজেপির সদর দফতরে এই বৈঠক বসতে চলেছে বিজেপির কেন্দ্রীয় কমিটি। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সহ রাজ্য সংগঠনের একাধিক পদস্থ নেতৃত্ব। নির্বাচনী রণকৌশল সহ কথা হতে পারে প্রার্থী তালিকা নিয়েও।

    প্রার্থী তালিকা নিয়ে প্রাথমিক আলোচনা

    মঙ্গলবারই পরিবর্তন যাত্রার সমাপ্তির ঘোষণা করা হয়েছে। ১৪ তারিখ শনিবার ব্রিগেডে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারই মধ্যে বুধবার বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। দলীয় সূত্রে খবর, বিধানসভা নির্বাচনে রণকৌশল নির্ধারণই এই বৈঠকের অন্যতম লক্ষ্য। দলীয় সংগঠকে আরও শক্তিশালী করতে বুথস্তরে কর্মসূচি জোরদার করা ও বিরোধী রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্লেষণ-সব কিছু নিয়ে আলোচনা হবে। সেইসঙ্গে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা নিয়েও প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা হতে পারে। মার্চ মাসের শেষের দিকেই রাজ্যের নির্বাচনেই নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে যাবে। সে ক্ষেত্রে ২৯৪ জন প্রার্থী বাছাই করে মার্চের শেষ থেকেই রাজ্য জুড়ে প্রচার পর্বে ঝাঁপিয়ে পড়তে তৎপর বঙ্গ বিজেপি শিবির। তারই রূপরেখা তৈরি হয়ে যেতে পারে বুধবারের বৈঠক।

    জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা

    রাজ্য নেতৃত্বের কাছ থেকে জেলার রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং সংগঠনের প্রস্তুতি সম্পর্কের রিপোর্ট চাইতে পারে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। কোথায় প্রচার জোরদার করতে হবে, কোন আসনে কোন দল শক্তিশালী তা নিয়েও আলোচনা হতে পারে। সেই বুঝেই প্রাথমিক ভাবে স্থির করা হতে পদ্ম শিবিরের প্রার্থীর নামও। রাজ্যে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র ফল নিয়েও আলোচনা হতে পারে। সূত্রের খবর, নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে করা ‘পরিবর্তন যাত্রা’র ফল নিয়ে আলোচনা হতে পারে এই বৈঠকে। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরেই বিকেল ৩টে নাগাদ এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেন রাজ্য বিজেপির সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য-সহ রাজ্য সংগঠনের একাধিক পদাধিকারীরা। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় কমিটির থেকে উপস্থিত থাকবেন নিতিন নবীন, অমিত শাহের মতো বিজেপির শীর্ষ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

    ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচি

    মার্চ মাসের শুরু থেকেই জেলায় জেলায় জনসংযোগে বাড়তি নজর দিয়েছিল পদ্ম শিবির। রাজ্যের শীর্ষ বিজেপি নেতারা তো ছিলেনই, বাইরের রাজ্যের বিধায়ক, মন্ত্রীদের নিয়ে এসে রাজ্য জুড়ে চলল ‘পরিবর্তন যাত্রা’ কর্মসূচি। রাজ্যে ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হওয়ার আগেই পরিবর্তন যাত্রার মধ্য দিয়ে নেতারা গোটা রাজ্য একবার চষে ফেলেছেন এবং কর্মীদের সঙ্গে একদফা দেখাসাক্ষাৎ, আলাপ-আলোচনা সেরে নিয়েছেন। যা ‘ফাইনাল ম্যাচ’ শুরুর আগে ‘ওয়ার্ম-আপ’ হিসাবে কাজ করবে। প্রত্যেকটি জেলা তো বটেই, ‘যাত্রা’য় অধিকাংশ বিধানসভা কেন্দ্রও ছুঁয়ে ফেলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। জমায়েত বা কর্মসূচির চেহারা যেমনই হোক, সর্বত্র দলের কর্মীদের অন্তত রাস্তায় নামাতে পেরেছেন তাঁরা। ভোটের আগে কর্মীদের মধ্যে যে উৎসাহ জাগানো জরুরি ছিল, ‘পরিবর্তন যাত্রা’ তা পেরেছে বলে বিজেপি নেতৃত্ব মনে করছেন।

    রাজ্যে পরিস্থিতি নিয়ে শঙ্কিত

    ইতিমধ্যেই কলকাতায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চের সঙ্গে দেখা করে গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে রাজ্য বিজেপি। বিজেপি চাইছে ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যেন তিনটির বেশি দফায় না হয়। পাশাপাশি, রাজ্যে একটি হিংসাত্মক কার্যকলাপমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশনকে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার কথাও বলা হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বিজেপি একটি ১৬-দফা দাবি সনদ জমা দিয়েছে। বিজেপি প্রতিনিধি দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্বেগ ছিল রাজ্যে বর্তমানে মোতায়েন প্রায় ৪০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার এবং পরিচালনা নিয়ে। দলের পক্ষ থেকে এসব বাহিনীর সদ্ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাজ্য পুলিশের ভূমিকার সমালোচনাও করা হয়েছে। দলীয় সূত্রে খবর, রাজ্য পুলিশ যেভাবে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ব্যবহার করছে, তাতে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব অসন্তুষ্ট। একটি সহিংসতামুক্ত ও নির্ভীক পরিবেশ তৈরি করতে চাইলে, ভোটারদের ভোটদানে বাধাদানকারী রাজ্য পুলিশ ও সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কমিশনকে অবশ্যই ব্যবস্থা নিতে হবে। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, স্পর্শকাতর এলাকার পরিবর্তে ইচ্ছাকৃতভাবে তুলনামূলক শান্ত এলাকায় রুট মার্চ চালানো হচ্ছে।

    তৎপরতা বাড়াচ্ছে গেরু শিবির

    সম্প্রতি দুদিনের রাজ্য সফরে এসে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) বুঝিয়ে দিয়ে গিয়েছে সুষ্ঠু, অবাধ ভোট হবে বাংলায়। তার জন্য প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar)। এবার শুধু নির্বাচনের নির্ঘন্ট ঘোষণার পালা। ভোটমুখী এই বঙ্গে আরও তৎপরতা বাড়াতে চলেছে বিজেপিও (Bjp)। বিশেষজ্ঞমহলের মতে, এখনও ভোট ঘোষণা হয়নি। সবে মাত্র একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়ে আর বাংলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে দিল্লি পাড়ি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ভোট ঘোষণার আগে নিজেদের আরেকটু ঝালাই করে নিচ্ছে গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা নির্বাচনের এখনও কিছুটা সময় থাকলেও বিজেপি এখন থেকেই সংগঠনকে প্রস্তুত করার কৌশল নিচ্ছে। সেই কারণেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে এই বৈঠককে ভবিষ্যৎ নির্বাচনী প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বৈঠকের পর রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বার্তা বা কৌশলের ইঙ্গিত মিলতে পারে।

  • Harish Rana Case: ১৩ বছর কোমায় থাকা যুবককে নিষ্কৃতিমৃত্যুর অনুমতি, হরিশ রানা মামলায় ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    Harish Rana Case: ১৩ বছর কোমায় থাকা যুবককে নিষ্কৃতিমৃত্যুর অনুমতি, হরিশ রানা মামলায় ঐতিহাসিক রায় সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া (Passive Euthanasia) বা নিষ্কৃতিমৃত্যু নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক রায় দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। ১৩ বছর ধরে কোমায় থাকা ৩২ বছর বয়সি হরিশ রানাকে (Harish Rana Case) চিকিৎসা প্রত্যাহারের অনুমতি দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত। এর ফলে কার্যত ‘মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যু’ (Death with Dignity) পাওয়ার পথ খুলে গেল তাঁর সামনে। আদালতের নির্দেশে এটি দেশের প্রথম প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া সংক্রান্ত ঘটনা হিসেবে ধরা হচ্ছে। এই রায় দেন বিচারপতি জেবি পারদিওয়ালা এবং বিচারপতি কেভি বিশ্বনাথন–এর বেঞ্চ। আবেগঘন পর্যবেক্ষণে আদালত ২০১৮ সালের ঐতিহাসিক রায়ের বিভিন্ন দিক আরও স্পষ্ট করে দেয়, যেখানে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়াকে (Supreme Court Passive Euthanasia) আইনি স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।

    ফিডিং টিউবের মাধ্যমে খাবারও চিকিৎসার অংশ: আদালত

    হরিশ রানা মামলায় (Harish Rana Case) একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন ছিল—ফিডিং টিউবের মাধ্যমে দেওয়া খাবার ও পুষ্টি কি চিকিৎসার অংশ হিসেবে ধরা হবে কি না। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে টিউবের মাধ্যমে দেওয়া পুষ্টি ও জলও চিকিৎসারই অংশ। ফলে যদি প্রাথমিক ও দ্বিতীয় মেডিক্যাল বোর্ড মনে করে যে এই চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া রোগীর স্বার্থে নয়, তাহলে তা বন্ধ করা যেতে পারে।

    জীবন ও মৃত্যু নিয়ে আদালতের আবেগঘন পর্যবেক্ষণ

    রায় ঘোষণার (Supreme Court Passive Euthanasia)  সময় বেঞ্চ জীবন ও মৃত্যুর জটিলতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করে। আদালত মার্কিন ধর্মপ্রচারক হেনরি ওয়ার্ড বিচারের উক্তি উদ্ধৃত করে জানায়— “ঈশ্বর মানুষকে জিজ্ঞেস করেন না সে জীবন গ্রহণ করবে কি না। জীবন গ্রহণ করতেই হয়, প্রশ্ন হল কীভাবে।” এছাড়া উইলিয়াম শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত ‘To be or not to be’ দ্বিধার কথাও উল্লেখ করেন বিচারপতিরা।

    কী ঘটেছিল হরিশ রানার সঙ্গে

    ২০১৩ সালে একটি বহুতলের চতুর্থ তলা থেকে পড়ে গুরুতরভাবে আহত হন হরিশ রানা (Harish Rana Case)। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। দুর্ঘটনার পর থেকেই তিনি পারসিস্টেন্ট ভেজিটেটিভ স্টেটে (Persistent Vegetative State) চলে যান এবং সম্পূর্ণ কোয়াড্রিপ্লেজিয়ায় (Quadriplegia) আক্রান্ত হন। মেডিক্যাল রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর ঘুম ও জেগে ওঠার চক্র থাকলেও কোনও অর্থপূর্ণ নড়াচড়া বা প্রতিক্রিয়া নেই। দুর্ঘটনার পর থেকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে বসানো ফিডিং টিউবের সাহায্যে তাঁকে খাবার দেওয়া হচ্ছিল।

    আদালতের দ্বারস্থ হন বাবা-মা

    বছরের পর বছর কোনও উন্নতি না হওয়ায় হরিশ রানার (Harish Rana Case) বাবা-মা আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁদের দাবি ছিল, তাঁদের ছেলে কৃত্রিমভাবে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে এবং এই চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার আর কোনও বাস্তব উপকার নেই। সব দিক বিবেচনা করে সুপ্রিম কোর্ট চিকিৎসা প্রত্যাহারের অনুমতি দেয় (Supreme Court Passive Euthanasia)।

    গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ

    রায়ে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এ ধরনের ক্ষেত্রে মূল প্রশ্ন মৃত্যু নয়, বরং চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া রোগীর সর্বোত্তম স্বার্থে কি না। আদালতের মতে, যতক্ষণ চিকিৎসা রোগীর উপকারে আসে ততক্ষণ তা চালিয়ে যাওয়া চিকিৎসকদের দায়িত্ব। কিন্তু যখন চিকিৎসা কেবলমাত্র আরোগ্যের কোনও সম্ভাবনা ছাড়াই জৈবিক জীবন দীর্ঘায়িত করে, তখন সেই চিকিৎসা বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই রায় ভবিষ্যতে ভারতে প্যাসিভ ইউথেনেশিয়া সংক্রান্ত মামলাগুলিতে (Supreme Court Passive Euthanasia)  গুরুত্বপূর্ণ দিশা দেখাবে। বিশেষ করে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে, যাঁরা দীর্ঘদিন ভেজিটেটিভ স্টেটে থেকে শুধুমাত্র চিকিৎসা প্রযুক্তির সাহায্যে বেঁচে আছেন, সেখানে এই রায় একটি সুস্পষ্ট আইনি কাঠামো তৈরি করল।

  • Inspiring Story: দেশের জন্য মন কাঁদে, মোটা অঙ্কের চাকরির হাতছানি এড়িয়ে দেশেই ফিরলেন বিশ্ববিশ্রুত বাঙালি বিজ্ঞানী

    Inspiring Story: দেশের জন্য মন কাঁদে, মোটা অঙ্কের চাকরির হাতছানি এড়িয়ে দেশেই ফিরলেন বিশ্ববিশ্রুত বাঙালি বিজ্ঞানী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজের হরিশ্চন্দ্র রিসার্চ ইনস্টিটিউটে গিয়েছেন কখনও? গেলেই হয়তো দেখবেন, আপনার পাশ দিয়ে অতি সাধারণ পোশাক পরে সাইকেল চালিয়ে চলে গেলেন একজন মানুষ (Inspiring Story)। এই ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী  তিনি। আপনি ভাবতেই পারবেন না যে আপনি পৃথিবীর অন্যতম সেরা একজন পদার্থবিদের পাশ দিয়ে চলে গেলেন, কিংবা সেই সাইকেল চালানো মানুষটি একজন কোটিপতি। ইনি প্রফেসর অশোক সেন (Indian Scientist Ashoke Sen)। একজন ভারতীয় বিজ্ঞানী যিনি নোবেল পুরস্কারের চেয়েও তিনগুণ বেশি অর্থমূল্যের একটি পুরস্কার পেয়েছেন, তবুও তিনি অত্যন্ত সহজ-সরল জীবন যাপন করেন।

    কলকাতায় বেড়ে ওঠা অশোকের

    ১৯৫৬ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন অশোক। তাঁর বাবা ছিলেন স্কটিশ চার্চ কলেজের পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক। মা গৃহিণী। ছোটবেলা থেকেই তাঁদের পরিবারে বিজ্ঞানকে খুব সম্মান করা হত। ছোটবেলায় অশোক কোনও বিস্ময়কর প্রতিভাধর শিশু ছিলেন না, তিনি ছিলেন শুধুই কৌতূহলী। তিনি একাদশ শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা মাধ্যমের স্কুলে পড়াশোনা করেছিলেন, বোর্ডের পরীক্ষাও বাংলায় দিয়েছিলেন। কলেজে ওঠার পর তাঁকে পদার্থবিজ্ঞানের উত্তর ইংরেজিতে লেখা অনুশীলন করতে হয়, কারণ পরীক্ষাগুলি সেই ভাষায় হত। এটি সহজ ছিল না। তিনি ধীরে ধীরে শিখে নেন। কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি একটি নতুন প্রতিষ্ঠানের কথা শোনেন, আইআইটি কানপুর। সেখানে যাওয়া মানে ছিল বাড়ি ছেড়ে অচেনা শহরে চলে যাওয়া, কিন্তু তাতে ছিল বড় সুযোগ। এক বন্ধুকে নিয়ে তিনি সেই ঝুঁকি নেন, ভর্তি হন আইআইটি কানপুরে। সেই সিদ্ধান্তই বদলে দেয় তাঁর জীবন (Inspiring Story)।

    দেশের জন্য মন কাঁদে

    আইআইটির পাঠ চুকিয়ে উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে গিয়েছিলেন তিনি। প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পিএইচডি করেন, পরে গবেষণার জন্য গিয়েছিলেন বিশ্বের নামী গবেষণাগারগুলিতে। এর মধ্যে রয়েছে ফার্মিল্যাব এবং স্ট্যানফোর্ড। তাঁর সামনে ছিল অসংখ্য সুযোগ (Indian Scientist Ashoke Sen)। তিনি চাইলে আমেরিকায় মোটা অঙ্কের বেতনের চাকরি নিয়ে স্বচ্ছন্দে জীবন কাটাতে পারতেন। কিন্তু অশোকের মন কাঁদত ভারতের জন্য। তাই বিদেশে থাকার অনেক আকর্ষণীয় প্রস্তাব পাওয়া সত্ত্বেও, তিনি দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন। আটের দশকের শেষ দিকে তিনি মুম্বইয়ের টাটা ইন্সটিটিউট অফ ফান্ডামেন্টাল রিসার্চে যোগ দেন। ১৯৯৫ সালে তিনি আসেন প্রয়াগরাজের এই প্রতিষ্ঠানে। বড় শহরের কোলাহল থেকে দূরে তিনি পুরোপুরি গবেষণার কাজে ডুবে যান।

    স্ট্রিং থিওরি

    সেই সময় বিজ্ঞানীরা স্ট্রিং থিওরি নামে একটি জটিল তত্ত্ব নিয়ে লড়াই করছিলেন, যা মহাবিশ্বের মৌলিক নিয়ম ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করে। নয়ের দশকে প্রফেসর সেনের কাজ ছিল যুগান্তকারী। তিনি নতুন ধারণা দেন, যার মধ্যে রয়েছে বিখ্যাত ‘সেন কনজেকচার’-ও। এই ধারণা স্ট্রিং থিওরির বিভিন্ন রূপকে একসঙ্গে যুক্ত করতে সাহায্য করে (Indian Scientist Ashoke Sen)। তাঁর গবেষণা এতটাই গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে বিজ্ঞানীরা একে “সেকেন্ড সুপারস্ট্রিং রেভেলিউশন” বলে অভিহিত করেন (Inspiring Story)। সহজ কথায়, তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মকেই নতুনভাবে লিখতে সাহায্য করেছেন অশোক। ২০১২ সালে প্রফেসর সেন একটি ফোন কল পান, যা যে কাউকে বিস্মিত করবে। তাঁকে ‘ব্রেকথ্রু প্রাইজ ইন ফান্ডামেন্টাল ফিজিক্সে’র প্রথম বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। পুরস্কারের অর্থ? তিন মিলিয়ন ডলার। তুলনা করলে দেখা যায়, এটি নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্যের প্রায় তিন গুণ। প্রতিদিন সাইকেল চালিয়ে অফিসে যাওয়া সেই অধ্যাপকই রাতারাতি হয়ে গেলেন কোটিপতি। সবাই ভাবল তাঁর জীবন বদলে যাবে। তিনি কি দামী গাড়ি কিনবেন? বড় বাড়ি বানাবেন? হয়তো বিলাসবহুল জীবন কাটাবেন?

    অচেনা অশোক

    কিন্তু তাঁরা অশোককে (Indian Scientist Ashoke Sen) চিনতেন না। তিনি পুরস্কারের বড় একটি অংশ দান করে দেন ছাত্রদের সাহায্য এবং ভারতে বৈজ্ঞানিক গবেষণার কল্যাণে। আর পরের দিনই তিনি আবার সাইকেলে চেপে তাঁর ছোট, সাধারণ অফিসে চলে যান। সেখানে তিনি আবার চক হাতে নেন এবং ব্ল্যাকবোর্ডে সমীকরণ লেখা শুরু করেন (Inspiring Story)। তাঁর কাছে আসল আনন্দ ছিল কাজের মধ্যেই, মহাবিশ্ব কীভাবে কাজ করে সেই রহস্যের সমাধান করার নিঃশব্দ আনন্দে। লাখ লাখ ডলার ছিল শুধু একটি উপায়, যাতে তরুণ বিজ্ঞানীরা তাঁদের স্বপ্ন পূরণ করতে পারেন । অশোকের গল্প আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। এমন এক পৃথিবীতে যেখানে মানুষ সম্পদ আর বাহাদুরি দেখাতেই ব্যস্ত, সত্যিকারের মহত্ত্ব প্রায়ই নীরব রূপে আসে। এটি এমন এক মানুষের মধ্যে দেখা যায়, যিনি চাইলে অনেক গাড়ির মালিক হতে পারতেন (Inspiring Story) কিন্তু বেছে নেন সাইকেল, যিনি পৃথিবীর যে কোনও বোর্ডরুমে বসতে পারতেন, কিন্তু বেছে নেন ধুলোমাখা একটি ব্ল্যাকবোর্ড (Indian Scientist Ashoke Sen)।

LinkedIn
Share