Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • SIR: দিল্লিতে সিইওদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জ্ঞানেশ কুমার, আলোচ্য বিষয় কি এসআইআর?

    SIR: দিল্লিতে সিইওদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন জ্ঞানেশ কুমার, আলোচ্য বিষয় কি এসআইআর?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর (বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা)-এর (SIR) পরেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়েছিল বিহারে। বাংলায়ও কি তা-ই হতে চলেছে? এমন প্রশ্নই পাক খাচ্ছে তৃণমূল শাসিত পশ্চিমবঙ্গে। কারণ সব রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে দু’দিনের বৈঠকে বসতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ECI)। বুধ ও বৃহস্পতিবার ওই বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।

    এসআইআর (SIR)

    মাস সাতেক পরেই এ রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে যে এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনও তৎপর, তা স্পষ্ট কমিশনেরই একাধিক পদক্ষেপে। গত সপ্তাহেই ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংয়ের কাজ শেষ করতে জেলাগুলির আধিকারিকদের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। এ রাজ্যে এসআইআর শুরুর আগে এই ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন। কারণ জেলায় জেলায় ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে ২০২৫ সালের ভোটার তালিকার পার্থক্য কতটা, তা জানা যাবে ম্যাপিং অ্যান্ড ম্যাচিংয়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এতে সুবিধা হবে এসআইআরের ক্ষেত্রে। জানা গিয়েছে, যে সব রাজ্যের দুয়ারে নির্বাচন, সেগুলিতে আগেই এসআইআরের কাজ সেরে নিতে চাইছে কমিশন। সেই কারণেই এই বৈঠক বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। দু’দিনের বৈঠকের পর বাংলায় এসআইআর শুরুর ঘোষণা হবে কিনা, তা নিয়েও বাড়ছে জল্পনা।

    বাংলার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা

    হঠাৎ করেই সমস্ত রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে দু’দিনের জন্য নয়াদিল্লিতে আয়োজিত বৈঠকে ডেকে পাঠিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার চিঠি পাঠিয়ে কমিশন জানিয়েছে, দিল্লিতে ওই বৈঠক হবে বুধ ও বৃহস্পতিবার। সিইওদের সঙ্গে এই বৈঠকে থাকবেন রাজ্যের তাঁর দফতরের অন্য প্রবীণ আধিকারিকরাও। জানা গিয়েছে, এই বৈঠকে বাংলার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হবে। কারণ বিহারে এসআইআর (SIR) নিয়ে সৃষ্টি হয়েছিল রাজনৈতিক অস্থিরতা। বিরোধীরা নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে সরব হয়েছিল। যদিও কমিশনের সাফ কথা, “ভোটার তালিকা স্বচ্ছ করতেই এসআইআর প্রয়োজন।” তার পরেই প্রশ্ন ওঠে, তাহলে কি বিহারের মতো এ রাজ্যেও হবে এসআইআর? এ প্রশ্নের উত্তরে কমিশন (ECI) জানিয়ে দিয়েছে, দেশজুড়েই হবে এসআইআর। তবে যেসব রাজ্যে ভোট আসন্ন, সেগুলিতে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে শুরু হবে সমীক্ষার কাজ (SIR)।

  • JMM: বিহারে লড়বে না জেএমএম, কংগ্রেস-আরজেডিকে ধুনে দিয়ে জানাল হেমন্ত সোরেনের দল

    JMM: বিহারে লড়বে না জেএমএম, কংগ্রেস-আরজেডিকে ধুনে দিয়ে জানাল হেমন্ত সোরেনের দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসন্ন বিহার বিধানসভা নির্বাচনে (Bihar Elections 2025) অংশ নেবে না ঝাড়খণ্ডের ক্ষমতাসীন দল ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) (JMM)। সোমবার এ কথা ঘোষণা করা হয়েছে দলের তরফে। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের নেতৃত্বাধীন এই দলটি প্রকাশ্যে তাদের জোটসঙ্গী আরজেডি এবং কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ক্ষোভও উগরে দিয়েছে। বিহার বিধানসভা নির্বাচনে এই তিন দলের একই জোটে থাকার কথা ছিল, যার নাম ‘মহাগঠবন্ধন’। কিন্তু জেএমএমের অভিযোগ, আরজেডি এবং কংগ্রেস তাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র করেছে। তাদের দাবি, এই দুই দল আগে থেকেই পরিকল্পনা করে জেএমএমকে সম্পূর্ণভাবে বাইরে রেখে দিয়েছে এবং কোনও আসনেই তাদের প্রার্থী দেওয়ার সুযোগ দেয়নি।

    জেএমএমের বক্তব্য (JMM)

    প্রসঙ্গত, গত শনিবারই জেএমএম ঘোষণা করেছিল তারা ছ’টি আসনে এককভাবে লড়াই করবে। এই আসনগুলি হল চাকাই, ধামদাহা, কাটোরিয়া, মনিহারী, জামুই এবং পিরপাইন্টি। সোমবারই ছিল সেই আসনগুলিতে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। দিনের শেষে দেখা যায়, জেএমএমের তরফে কেউই এই কেন্দ্রগুলিতে মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। জেএমএমের প্রবীণ নেতা তথা ঝাড়খণ্ডের পর্যটনমন্ত্রী সুদিব্য কুমার বলেন, “এই পরিস্থিতির জন্য আরজেডি এবং কংগ্রেসই দায়ী। এর উপযুক্ত জবাব দেবে জেএমএম।” এই দুই দলকে সতর্ক করে দিয়ে তিনি বলেন, “এই পরিস্থিতিতে ঝাড়খণ্ডে জেএমএম কংগ্রেস এবং আরজেডির সঙ্গে তাদের জোট সম্পর্ক পর্যালোচনা করবে।” উল্লেখ্য, ঝাড়খণ্ডে জেএমএম সরকারে প্রধান দল। তাদের সহযোগী দল কংগ্রেস এবং আরজেডি। জেএমএমের (JMM) তরফে আরও জানানো হয়েছে যে, তারা বিহারে কোনও দলকেই সমর্থন করবে না। তাদের উপেক্ষা করার ফল ভোগ করতে হবে মহাজোটকেই।

    ‘ইন্ডি’ জোটে ফাটল

    কংগ্রেস, আরজেডি এবং জেএমএম – এই তিন দলই বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ বিরোধী ‘ইন্ডি’ জোটের শরিক। বিহার বিধানসভা নির্বাচনে আসন সমঝোতা নিয়ে দফায় দফায় আলোচনার পরেও কোনও রফাসূত্র বেরিয়ে আসেনি। তাই প্রার্থিতালিকা প্রকাশ না করেই নিজেদের মতো করে বিভিন্ন আসনে প্রার্থী দিতে শুরু করেছিল তেজস্বীর দল আরজেডি। সোমবার পর্যন্ত তারা ১৪৩টি আসনে প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করে। প্রার্থিতালিকা প্রকাশ করেছে কংগ্রেসও। ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভা নির্বাচনে (Bihar Elections 2025) কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছে ৬০টি কেন্দ্রে। এর মধ্যেই বেশ কিছু আসনে প্রার্থী দিতে দেখা গিয়েছে কংগ্রেস এবং আরজেডি – দুই দলকেই (JMM)।

  • VHP: ‘ধর্ম রক্ষা’ অভিযানে ১০ লক্ষ পরিবারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে ভিএইচপি

    VHP: ‘ধর্ম রক্ষা’ অভিযানে ১০ লক্ষ পরিবারে বিশেষ অভিযান চালাচ্ছে ভিএইচপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মের জাগরণ, ধর্ম রক্ষা (Dharma Raksha) এবং ভারতের অভ্যন্তরে হিন্দুত্বকে পুনঃ জাগরণের জন্য বিরাট কর্মসূচির ঘোষণা করেছে ভিএইচপি (VHP)। “ধর্ম রক্ষা” অভিযানে নেমেছে আরএসএস-এর এই শাখা সংগঠন। দেশজুড়ে ধর্মান্তকরণ এবং গোহত্যার বিরুদ্ধে বিরাট অভিযানে চালাতে শুরু করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ। দশ লক্ষ পরিবারকে এই ধর্মজগরণ কর্মসূচিতে যোগদান করার জন্য প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভিএইচপি।

    ৫ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে অভিযান? (VHP)

    উত্তরপ্রদেশের কাশী প্রান্তের উদ্যোগে গত ৫ অক্টোবর থেকে ৫ নভেম্বরের মধ্যে ১০ লক্ষ হিন্দু পরিবারের মধ্যে ‘ধর্ম রক্ষা’ (Dharma Raksha) এবং সচেতনতার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে ধর্ম রক্ষার (VHP) জন্য যে যে বিষয়গুলির উপর জোর দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে হল- ধর্মান্তকরণ, লাভ জিহাদ, গো-হত্যা, মন্দিরের জমি দখল, অধিকৃত জমি পুনরুদ্ধার সহ একাধিক কর্মসূচি। অভিযানের অংশ হিসেবে, ভিএইচপি কর্মীরা মোট ২২টি জেলার ২০০০টিরও বেশি গ্রাম ও শহরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে হিন্দু ধর্মরক্ষার জন্য হিন্দু পরিবারগুলিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাবে। ভিএইচপির তরফে নিতিন জানিয়েছেন, এই অভিযান মূলত হিন্দুদের মধ্যে সম্মিলিত কর্তব্যবোধকে পুনরুজ্জীবিত করার প্রচেষ্টা থাকবে। হিন্দু সমাজের কাছে অস্তিত্বের জন্য যে যে বিষয়গুলি সঙ্কটের, সেগুলিকে নিয়ে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে আলোচনা করা হবে। তাই ধর্ম সংরক্ষণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ পরিবারগুলির কাছ থেকে সব রকম সহযোগীতার আবেদন জানাই।”

    শেকড়ের কাছাকাছি নিয়ে যেতে হবে

    কাশী প্রান্তের বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (VHP) রাজ্য সভাপতি কেপি সিং বলেন,  “হিন্দু সংস্কৃতি কেন্দ্র, গোশালা, বেদ বিদ্যালয়, নার্সিং সেন্টার এবং কর্মসংস্থানের নানা কেন্দ্রগুলির সকল স্থানে হিন্দু ধর্ম জাগরণের বিষয়কে পৌঁছে দেওয়া হবে। বর্তমানে, কাশী প্রদেশে ৪০টিরও বেশি ধর্মসংস্কার মূলক কেন্দ্র এবং বেশ কয়েকটি একল বিদ্যালয় কাজ শুরু করেছে। আমাদের এই কেন্দ্রগুলির প্রধান লক্ষ্য ধর্মান্তর (Dharma Raksha) হয় এমন ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলগুলিতে সবরকম পরিষেবা এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করা। হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রত্যেক বর্গের মানুষকে মূল শিকড়ের সঙ্গে সংযুক্ত করাই আমাদের প্রধান উদ্দেশ্য।

    ২০২২ সালে ২৫,০০০ হিন্দু কন্যাকে রক্ষা

    উল্লেখ্য ২০২২ সালেও বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (VHP) ২১ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে একই রকম ধর্মরক্ষা অভিযান পরিচালনা করেছিল। যার সাফল্যও ছিল অভূতপূর্ব। ওই সময়ে ২৩ ডিসেম্বর স্বামী শ্রদ্ধানন্দজির তিরধান দিবসের সঙ্গে ভাবনাগুলি প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছিল। অভিযানের উল্লেখ্য যোগ্য সাফল্যগুলি হল, ভিএইচপি ৬২ লক্ষ হিন্দুকে ধর্মান্তরিত হওয়া থেকে রক্ষা করেছে, ৯ লক্ষ ব্যক্তিকে তাদের আসল ধর্মে ফিরিয়ে এনেছে এবং ২০ লক্ষ গরুকে নিধনের হাত থেকে উদ্ধার করেছে। একই ভাবে লাভ জিহাদের কবল থেকে ২৫,০০০ হিন্দু কন্যাকে রক্ষা করা হয়েছিল। এই উদ্যোগে দেশজুড়ে যজ্ঞ, কথকথা-প্রবচন, শোভাযাত্রা এবং ধর্মীয় সচেতনতার (Dharma Raksha) মাধ্যমে ব্যাপক অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গিয়েছিল।

  • AMU: ১০৪ বছরের ইতিহাসে প্রথম! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হল দীপাবলি উৎসব, বিলি হল মিষ্টিও

    AMU: ১০৪ বছরের ইতিহাসে প্রথম! আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হল দীপাবলি উৎসব, বিলি হল মিষ্টিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একশো চার বছরের ইতিহাসে এই প্রথম দীপাবলি (Deepawali) পালিত হল আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় (এএমইউ) প্রাঙ্গনে (AMU)। বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু পড়ুয়ারা ২ হাজার ১০০টি দীপ জ্বালান। সঙ্গে দেন ‘জয় শ্রীরাম’ এবং ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনি। ১৯ অক্টোবর দীপাবলি উদযাপিত হয় নন-রেসিডেন্ট স্টুডেন্ট সেন্টারে।

    জয় শ্রীরাম লেখা (AMU)

    জানা গিয়েছে, এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের হিন্দু শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সঙ্গে দীপাবলি পালন করেন। তাঁরা জ্বালান ২ হাজার ১০০টি প্রদীপ। প্রদীপগুলি এমনভাবে সাজানো হয়েছিল, যাতে এক ঝলক দেখলেই বোঝা যায়, জয় শ্রীরাম লেখা। এএমইউ লেখাও ছিল। ২ হাজার ১০০ কিলো মিষ্টিও বিলি করা হয়। অনুষ্ঠানের মহিমা বাড়িয়ে তোলে রাতের আকাশে আতশবাজির রোশনাই। অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোক্টর অধ্যাপক এম ওয়াসিম আলি স্বয়ং। তিনিও মিষ্টিমুখ করেন। নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে দু’টি স্থানীয় থানার পুলিশ কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছিল। এদিন বাইরের কাউকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি।

    পড়ুয়াদের বক্তব্য

    অনুষ্ঠানের উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন সমাজবিজ্ঞান ও গণযোগাযোগ বিভাগের ছাত্র আখিল কৌশল। বিশ্ববিদ্যালয় (AMU) প্রশাসনের কাছ থেকে আগেই অনুষ্ঠানের অনুমতি নিয়ে রেখেছিলেন তিনি। সেই মতো এদিন সকাল থেকেই শুরু হয় অনুষ্ঠান সুসম্পন্ন করার প্রস্তুতি। অখিল কৌশল বলেন, “এটি আমাদের সবার জন্য এক ঐতিহাসিক দিন।” তিনি বলেন, “এর আগে হিন্দু ছাত্ররা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে হোলি উদযাপনের অনুমতি পেয়েছিলেন। সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছিল ওই অনুষ্ঠান। এটাই সুগম করে দিয়েছিল দীপাবলি উদযাপনের পথ।” তিনি বলেন, “আমরা আমাদের বিশ্বাসকে শ্রদ্ধার সঙ্গে প্রকাশ করতে চেয়েছিলাম, এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতার কারণেই তা সম্ভব হয়েছে (Deepawali)।”  প্রফেসর ওয়াসিম আলি এই উদযাপনকে এএমইউয়ের ইতিহাসে প্রথম বলে বর্ণনা করেন। তাঁর দাবি, শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশেই অনুষ্ঠিত হয়েছে দীপাবলির অনুষ্ঠান (AMU)।

  • RTI: আরটিআই নিয়ে অভিযোগ, কংগ্রেসের ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিল মোদি সরকার, কীভাবে জানেন?

    RTI: আরটিআই নিয়ে অভিযোগ, কংগ্রেসের ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিল মোদি সরকার, কীভাবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় গণতন্ত্রের মেরুদণ্ড হল তথ্য জানার অধিকার আইন, সংক্ষেপে আরটিআই (RTI)। চলতি মাসে ২০ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন করছে এই আইন। এই সময়ই আইনটিকে ঘিরে সৃষ্টি হয়েছে বিতর্ক। কংগ্রেসের অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকার আরটিআইকে দুর্বল করে দিচ্ছে, গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করছে এবং স্বচ্ছতাকে ফেলছে হুমকির মুখে। রাহুলের এহেন মন্তব্যের জোরালো জবাব দিয়েছে সরকার। বিভিন্ন সরকারি প্রতিবেদন তুলে ধরে তারা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে, আরটিআই এখন আগের যে কোনও সময়ের চেয়ে আরও শক্তিশালী, দ্রুত ও স্বচ্ছ হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৯৫ শতাংশ মামলারই নিষ্পত্তি হচ্ছে। এটি একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

    কংগ্রেসের অভিযোগ (RTI)

    কংগ্রেসের সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, “মোদি সরকার ধীরে ধীরে আরটিআই আইনকে ফাঁপা করে দিচ্ছে।” তাঁর অভিযোগ, নয়া আইনগুলি, যেমন ডেটা প্রোটেকশন আইন, সাধারণ মানুষের কাছে তথ্য প্রকাশে বাধা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা জয়রাম রমেশের দাবি, সরকার আরটিআইয়ের মাধ্যমে স্বচ্ছতা এড়িয়ে যাচ্ছে। এই মামলাগুলির মধ্যে রয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রির বিস্তারিত তথ্যের দাবি, ভুয়ো রেশন কার্ড সংক্রান্ত অভিযোগ, রাফাল যুদ্ধবিমান চুক্তি, নোটবন্দি নীতি এবং বাতিল হওয়া ইলেক্টোরাল বন্ড প্রকল্প। তাঁর বক্তব্য, সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে তথ্য গোপন করছে এবং আরটিআই ব্যবস্থাকে দুর্বল করছে। কংগ্রেসের বক্তব্য হল, সরকার এই বিষয়গুলিতে কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে ভয় পেয়ে ২০১৯ সালে আরটিআইয়ে একটি সংশোধনী পাশ করে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনকে দুর্বল করা হয়েছে। কারণ এতে সরকারকে কমিশনারদের বেতন ও মেয়াদের ওপর বেশি নিয়ন্ত্রণ দেওয়া হয়েছে, যা কমিশনের স্বাধীনতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

    ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলল কেন্দ্র

    কংগ্রেসের এহেন ‘মিথ্যের মুখোশ’ খুলে দিয়েছে কেন্দ্রের মোদি সরকার। কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের প্রতিবেদন এবং সংসদে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিংয়ের দেওয়া তথ্য কংগ্রেসের দাবির উল্টো ছবিই তুলে ধরেছে। এই সংখ্যাগুলি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে আরটিআই ব্যবস্থার কার্যকারিতায় নাটকীয় উন্নতি নির্দেশ করছে। উদাহরণস্বরূপ, মামলার নিষ্পত্তির হার আগের ইউপিএ সরকারের সময় ছিল ৮১ শতাংশ। সেটা এখন হয়েছে ৯৪ শতাংশেরও বেশি। এই উচ্চ হার বজায় ছিল কোভিড-১৯ অতিমারির কঠিন সময়েও (RTI)।

    চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল মোদি সরকার

    এহ বাহ্য। আবেদনকারীদের জন্য সবচেয়ে বড় হতাশার কারণ হিসেবে বিবেচিত হয় মুলতবি মামলার জট। বর্তমানে এই জট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে প্রায় অর্ধেক (PM Modi) হয়েছে। ২০২০-২১ সালে সিআইসিতে মুলতবি মামলার সংখ্যা ছিল ৩৮ হাজার ১১৬টি। ২০২৩-২৪ সালে এটাই কমে দাঁড়িয়েছে মাত্র ১৯ হাজার ২৩৩টিতে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ব্যবস্থাটির প্রতি জনসাধারণের আস্থা এখন পৌঁছেছে সর্বকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে। জানা গিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে ১৭.৫ লাখেরও বেশি আরটিআই আবেদন দাখিল করা হয়েছে। এটি এক দশক আগের সংখ্যার দ্বিগুণ। এ থেকে একটি বিষয় স্পষ্ট, আরও বেশি নাগরিক এখন মনে করছেন আরটিআই একটি কার্যকরী হাতিয়ার এবং তাঁরা আত্মবিশ্বাসী যে এর মাধ্যমে তাঁরা সঠিক উত্তর পাবেন (RTI)।

    চোখধাঁধানো সাফল্যের সূত্র

    প্রশ্ন হল, কীভাবে মিলল এহেন চোখধাঁধানো সাফল্য? সরকারি সূত্রে খবর, সব চেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে একটি নির্দিষ্ট অনলাইন পোর্টাল চালুর মাধ্যমে। এখন দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে নাগরিকরা ২৪ ঘণ্টা আরটিআই আবেদন জমা দিতে পারেন। এতে একদিকে যেমন কাগজপত্রের ঝামেলা দূর হয়েছে, তেমনি অন্যদিকে প্রক্রিয়াটি হয়েছে অত্যন্ত সহজ। অনলাইন ব্যবস্থা এতটাই শক্তিশালী যে, অতিমারির সময় দেশজুড়ে পূর্ণ লকডাউন থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের কাজ একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি। দ্বিতীয়ত, সিআইসি চালু করেছে হাইব্রিড শুনানির ব্যবস্থা (PM Modi)। এর মাধ্যমে আবেদনকারী ও সরকারি আধিকারিকরা অডিও এবং ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হতে পারেন (RTI)। ফলে কমিশন প্রতিদিন আগের তুলনায় অনেক বেশি সংখ্যক মামলার শুনানি ও নিষ্পত্তি করতে পারছে। তৃতীয়ত, সরকার আরটিআই প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে কঠোর সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। প্রথম আপিলের জন্য ৩০ দিনের এবং দ্বিতীয় আপিলের জন্য ৪৫ দিনের সীমা নির্ধারিত রয়েছে। কোনও আধিকারিক তথ্য দিতে দেরি করলে তাঁর জরিমানা হতে পারে।

    সর্বোপরি রয়েছে সিআইসির বাজেট বৃদ্ধি। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে এটি পৌঁছেছে ১২০ কোটি টাকায়। সরকার সময় মতো কমিশনারদের শূন্যপদ পূরণের দিকেও সচেষ্ট রয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানটি সর্বদা পূর্ণ শক্তি নিয়ে দ্রুত কাজ করতে পারে। আরটিআইয়ের ধরন বিশ্লেষণ করতে এবং ভুয়ো বা পুনরাবৃত্তি হওয়া আবেদন (PM Modi) দ্রুত বাছাই করতে সিআইসি এখন এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারও শুরু করেছে। সব মিলিয়েই এসেছে সাফল্য (RTI)।

  • Brahmos Missile Latest: ঘুম উড়বে পাকিস্তানের! ৮০০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মস মিসাইলের পরীক্ষা চালাচ্ছে ভারত

    Brahmos Missile Latest: ঘুম উড়বে পাকিস্তানের! ৮০০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মস মিসাইলের পরীক্ষা চালাচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার আরও দূরে আঘাত হানতে পারবে ভারতের সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ব্রহ্মস (Brahmos Missile Latest)। পাকিস্তান সহ শত্রুদেশগুলির ঘুম উড়বে অচিরেই। ব্রহ্মস মিসাইলের নতুন সংস্করণ আসতে চলেছে। নতুন ব্রহ্মসের পাল্লা বাড়িয়ে ৮০০ কিলোমিটার করা হচ্ছে। যা এখন পরীক্ষাধীন রয়েছে। এই মিসাইলে একটি নতুন ইঞ্জিন থাকবে। সেই সঙ্গে আরও একাধিক ধরনের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রটি আগামী ২০২৬-২৭ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ ভাবে প্রস্তুত হয়ে যাবে। উল্লেখ্য পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানের সীমাকে অতিক্রম করে মোট ৯টি জঙ্গি শিবিরে আঘাত হেনেছিল ভারত। সেই সময় দেশীয় ব্রহ্মস দারুণ কার্যকর আঘাত হেনেছিল। এবার এই  ক্ষেপণাস্ত্রকে আরও উন্নীত করা হচ্ছে।

    সুখোই-৩০ বিমান থেকে পাকিস্তানে হয়েছিল আক্রমণ (Brahmos Missile Latest)

    দুই বছরের মধ্যেই ভারতীয় সেনাবাহিনীর হাতে চলে আসবে আরও উন্নত এবং আধুনিক ব্রহ্মস (Brahmos Missile Latest)। সেই সঙ্গে ২০০ কিমির বেশি পাল্লার ‘অস্ত্র’ ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন ২০২৬-২৭ থেকে শুরু হবে। বর্তমানে ব্রহ্মস ক্ষেপাস্ত্রগুলি ৪৫০ কিমি রেঞ্জের। খুব উচ্চগতি সম্পন্ন এবং দ্রুত লক্ষ্য বস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ব্রহ্মস। কয়েকমাস আগে অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) সময় সুখোই-৩০ বিমান থেকে পাকিস্তানে আক্রমণ করতে ব্যবহার হয়েছিল এই ব্রহ্মস। এবার এই মিসাইলের সফটওয়্যারকে আরও উন্নত করা হয়েছে। একইসঙ্গে, কিছু কিছু প্রযুক্তিগত উন্নতির জন্য গতিতে পরিবর্তন করা হয়েছে। সেইসঙ্গে তথ্যসূত্রে জানা গিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রের স্থল ও নৌ সংস্করণটি প্রথমে তৈরি হবে। বায়ুসেনার জন্য এয়ার-লঞ্চ ক্ষেপনাস্ত্রটি প্রস্তুত হতে আরও কিছু সময় লাগবে।

    ১৬০ কিমি থেকে ২০০ কিমির বেশি

    ‘অস্ত্র মার্ক-২’ ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা বাড়িয়ে ১৬০ কিমি থেকে ২০০ কিমি করা হচ্ছে। ভারতীয় বিমান বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র হিসেবে ২৮০টির বেশি অস্ত্র মার্ক-১ ক্ষেপণাস্ত্রকে (Brahmos Missile Latest) যুক্ত করেছে। বর্তমানে এই মিসাইলগুলি ১০০ কিমি পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে। ‘অস্ত্র মার্ক-২’ মিসাইলগুলির পরীক্ষা সফল হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে মিসাইলের উৎপাদন শুরু হতে পারে। ভারতীয় বায়ুসেনার সুখোই-৩০ এবং তেজস বিমানের জন্য ৭০০টি ‘অস্ত্র’ মার্ক-২ ক্ষেপনাস্ত্র কেনার পরিকল্পনা করা হেয়েছে। সেই সঙ্গে ৩৫০ কিমি পাল্লার মার্ক-৩ সংস্করণ নির্মাণের কাজ করছে যা আগামী বছর তিনেকের মধ্যে সম্পন্ন হয়ে যাবে।

    অপারেশন সিঁদুর ট্রেলার ছিল

    দেশের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং গত ১৮ অক্টোবর আত্মনির্ভর ভারত মিশন প্রকল্পের প্রথম ব্যাচ ব্রহ্মস মিসাইলের উদ্বোধন করেছেন উত্তরপ্রদেশে। এখানে ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস প্রোডাকশন ইউনিটে তৈরি হবে জানিয়েছেন তিনি। একটি অনুষ্ঠানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজনাথ সিং বলেছেন, “দেশ আত্মবিশ্বাসী যে আমাদের প্রতিপক্ষরা আর কোনও ভাবেই ব্রহ্মসের আঘাত থেকে পালাতে পারবে না। অপারেশন সিঁদুরে (Operation Sindoor) যা হেয়েছে তা কবেল মাত্র একটি ট্রেলার ছিল। সেই ট্রেলার বুঝেছে পাকিস্তান। ভারত যদি পাকিস্তানের জন্ম দিতে পারে তাহলে আগামীদিনে ভারত আর কী কী করতে পারে তাও বুঝে নেওয়া উচিত।” শুধু তাই নয় ভারতীয় অস্ত্রের গুরুত্ব এবং উৎপাদন ক্ষমতা ইতিমধ্যে বিশ্বের বাজারে বিরাট চাহিদা বৃদ্ধি করেছে। সেই সঙ্গে নিরাপত্তা এবং আঘাতহানার ক্ষমতা কতটা মজবুত তাও গোটা বিশ্বের মানুষ বুঝতে সক্ষম হয়েছে। ব্রহ্মসের (Brahmos Missile Latest) আধুনিক ক্ষমতা আরও কতটা শক্তিশালী হবে তা খুব সহজেই অনুমেয়।

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বিশেষ অনুদান

    বেসরকারি সংবাদ সংস্থার একটি প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে, ভারত-রাশিয়ার যৌথ উদ্যোগে ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেসের চুক্তি ৫৮০০০ কোটি টাকা ছাপিয়ে গিয়েছে। গত বছরের মার্চে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক নৌবাহিনীর জন্য ২২০ টির বেশি ব্রহ্মস ক্ষেপনাস্ত্র কেনার জন্য ১৯৫১৯ কোটি টাকার বৃহত্তম চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল। সর্বশেষ ডেস্টায়ার এবং ফ্রিগেট সহপ্রায় ২০টি যুদ্ধজাহাজ ইতিমধ্যে এই অস্ত্র দিয়ে সজ্জিত করা হয়েছে। অপারেশন সিঁদুরের জন্য রাজনাথ সিং ভারতীয় বায়ু সেনার জন্য ১০৮০০ কোটি টাকায় ১১০টি এয়ার লঞ্চ করা ব্রহ্মস (Brahmos Missile Latest) ক্ষেপনাস্ত্রের জন্য অনুমোদন করেছে।

  • PM Modi on INS Vikrant: ‘পাকিস্তানের ঘুম উড়িয়েছিল আইএনএস বিক্রান্ত’, নৌসেনার সঙ্গে গোয়ায় দীপাবলি মোদির

    PM Modi on INS Vikrant: ‘পাকিস্তানের ঘুম উড়িয়েছিল আইএনএস বিক্রান্ত’, নৌসেনার সঙ্গে গোয়ায় দীপাবলি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাকিস্তানের ঘুম উড়িয়ে দিয়েছিল ভারতীয় রণতরী আইএনএস বিক্রান্ত।’ দীপাবলির সকালে গোয়ায় আইএনএস বিক্রান্তে (PM Modi on INS Vikrant) বসে এমনটাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রতি বছরের মতো এ বছরও ভারতের সশস্ত্রবাহিনীর সঙ্গে দীপাবলি (Diwali 2025) পালন করছেন প্রধানমন্ত্রী। আত্মনির্ভর ভারতের অন্যতম গর্ব আইএনএস বিক্রান্তে দাঁড়িয়ে শত্রু পাকিস্তানকে আবারও মনে করিয়ে দিলেন, ভারতের এই যুদ্ধজাহাজ কীভাবে পাক বাহিনীর ঘুম ছুটিয়ে দিয়েছিল। এখনও সমুদ্রের তরঙ্গের মাধ্যমে পাকিস্তানে আতঙ্ক ধরায় বিক্রান্ত, হুঙ্কার মোদির (PM Narendra Modi)।

    সশস্ত্র বাহিনীকে আত্মনির্ভরতার বার্তা

    প্রতি বছরই দীপাবলি ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army) সঙ্গে কাটান প্রধানমন্ত্রী। এবার নৌবাহিনীর (Indian Navy) সঙ্গে কাটালেন। গোয়া ও কারওয়ার উপকূলে আইএনএস বিক্রান্ত-এ (INS Vikrant) রবিবার রাত্রিযাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সোমবার সেখান থেকেই দেশবাসীর উদ্দেশে বার্তা দেন। বিশেষ এই অনুষ্ঠানের জন্য সোমবার সকালে সেনার পোশাকেই দেখা গিয়েছে প্রধানমন্ত্রীকে। সঙ্গে ভারতের তিন সশস্ত্র বাহিনীকে আত্মনির্ভরতার বার্তাও দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ‘‘আজ থেকে মাত্র কয়েক মাস আগে আইএনএস বিক্রান্ত-এর নাম শুনেই গোটা পাকিস্তানের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছিল।’’ ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর (Operation Sindoor) কথা মনে করিয়ে দিয়ে মোদি বলেন, ‘‘ভারতের তিন সশস্ত্রবাহিনীর সমন্বিত শক্তিই সে সময় পাকিস্তানকে নতজানু হতে বাধ্য করেছিল। ব্রহ্মস এবং আকাশের মতো ক্ষেপণাস্ত্রগুলিও অপারেশন সিঁদুরের সময় নিজের ক্ষমতা প্রদর্শন করেছিল।’’

    বিক্রান্ত-এর নাম শুনে ভয়ে কাঁপে শত্রুরা

    প্রধানমন্ত্রীর কথায়, আইএনএস বিক্রান্ত যে দিন থেকে ভারতীয় নৌসেনার হাতে এসেছে, সে দিন থেকেই নতুন বল পেয়েছে তারা। শুধু তা-ই নয়, আত্মনির্ভর ভারত এবং মেড ইন ইন্ডিয়ার প্রতীকও হয়ে উঠেছে এই রণতরী। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘মহাসাগরের বুক চিরে এগোনো স্বদেশি এই রণতরী ভারতীয় বাহিনীর শক্তির প্রতীক, যার নাম শুনেই শত্রুরা ভয়ে কাঁপে।’’ মোদি বলেন, ‘‘সেনার আত্মনির্ভর হওয়া প্রয়োজন। বীর জওয়ানেরাও এই দেশের মাটিতেই জন্মেছেন। যে দিন আমাদের সমস্ত অস্ত্র, যানও দেশের মাটিতে তৈরি হবে, তখনই সেনা আত্মনির্ভরতার দিকে এগিয়ে যাবে।’’ তবে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, এখন সশস্ত্রবাহিনীর বেশির ভাগ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র ভারতেই তৈরি হয়। গত ১১ বছরে প্রতিরক্ষা খাতে উৎপাদন ৩০ শতাংশেরও বেশি বেড়েছে। প্রতি ৪০ দিনে একটি করে যুদ্ধজাহাজ কিংবা সাবমেরিন ভারতীয় নৌসেনায় যোগদান করছে। মোদির দাবি, এই হারে চলতে থাকলে অচিরেই বিশ্বের শীর্ষ প্রতিরক্ষা রফতানিকারকদের অন্যতম হয়ে উঠবে ভারত।

    শক্তির প্রতীক আইএনএস বিক্রান্ত

    প্রসঙ্গত, ‘ব্রহ্মস’ও ভারতের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি দূরপাল্লার সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র। পহেলগাঁও হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী সময়ে গত মে মাসে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে নির্দিষ্ট কিছু জঙ্গিঘাঁটি লক্ষ্য করে যে আক্রমণ চালিয়েছিল ভারত, তাতে নিজের ক্ষমতা দেখিয়েছিল ব্রহ্মস। আইএনএস বিক্রান্ত-এর বুকে দাঁড়িয়ে নৌসেনার সাহস ও শৃঙ্খলাকে প্রশংসায় ভরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একদিকে সীমাহীন আকাশ, অন্যদিকে অন্তহীন সাগর – তার মাঝে দাঁড়িয়ে আমাদের শক্তির প্রতীক আইএনএস বিক্রান্ত।” মোদির সংযোজন, “এই রণতরীতে কাটানো সময় আমাকে শিখিয়েছে বাঁচার গুরুত্ব। তোমাদের নিষ্ঠা এত গভীর যে আমি তার সামান্যই অনুভব করতে পেরেছি। কিন্তু বুঝতে পেরেছি, প্রতিদিন এইভাবে দায়িত্ব পালন করা কতটা কঠিন।”

    গভীর সমুদ্রের নিস্তব্ধতা আর ভোরের সূর্যোদয়

    প্রধানমন্ত্রী জানান, গভীর সমুদ্রের নিস্তব্ধতা আর ভোরের সূর্যোদয়ের দৃশ্য এই বছরের দীপাবলিকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছে তাঁর কাছে। নৌসেনার সদস্যদের দেশপ্রেমের সঙ্গীত ও সিঁদুর অভিযানের মঞ্চায়ন দেখে প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “যুদ্ধক্ষেত্রে একজন সৈনিকের মনের অবস্থা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না। আজ তোমাদের চোখে সেই জেদ, সেই গর্ব দেখলাম।” প্রধানমন্ত্রী মোদির এই সফরকে কেন্দ্র করে নৌবাহিনীর ঘাঁটিতে উৎসবের আবহ। কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, দেশের প্রথম স্বদেশী রণতরীতে প্রধানমন্ত্রীকে দীপাবলিতে স্বাগত জানানো তাদের কাছে গর্বের বিষয়। দীপাবলি উপলক্ষে অপারেশন সিঁদুর নিয়ে বিশেষ গান লিখে তা প্রধানমন্ত্রীকে শোনান আইএনএস বিক্রান্তের জওয়ানরা। সেই গান শুনে মুগ্ধ মোদি।

  • PM Modi on Diwali: ‘স্বদেশি জিনিসের প্রতি গর্ব করুন’, দীপাবলিতে দেশবাসীকে আত্মনির্ভরতার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi on Diwali: ‘স্বদেশি জিনিসের প্রতি গর্ব করুন’, দীপাবলিতে দেশবাসীকে আত্মনির্ভরতার বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির প্রাক্কালে দেশবাসীকে স্বনির্ভরতা ও দেশি পণ্যের প্রতি সমর্থন জানাতে আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi on Diwali)। স্বদেশি জিনিস নিয়ে গর্ব করার কথা বললেন। সোমবার সকালে দেশবাসীকে দীপাবলির আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে এই উৎসবকে “ইতিবাচকতা ও সমৃদ্ধিতে ভরপুর” করে তোলার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। প্রতিবছরের মতো এবারও ভারতীয় সেনার সঙ্গে দীপাবলি পালন করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এবছর তিনি সম্ভবত ভারতের যুদ্ধজাহাজ আইএনএস বিক্রান্ত-এ গিয়ে ভারতীয় নৌবাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করবেন। দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদি মুর্মুও।

    রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছাবার্তা

    দীপাবলি আলোর উৎসব হিসেবে পরিচিত, যা অধর্মের উপর ধর্মের, অন্ধকারের উপর আলোর, মন্দের উপর ভালোর এবং অজ্ঞতার উপর জ্ঞানের আধ্যাত্মিক বিজয়ের প্রতীক। এই উৎসব দেশজুড়ে অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে পালিত হয়। মানুষ প্রদীপ এবং মোমবাতি জ্বালায় এবং দেবী লক্ষ্মীর কাছে প্রার্থনা করে। এক্স হ্যান্ডেলে নিজের বিবৃতিতে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদি মুর্মু বলেন, “শুভ দীপাবলি উপলক্ষে, আমি ভারত এবং বিশ্বজুড়ে সকল ভারতীয়কে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা এবং শুভকামনা জানাই।” তিনি আরও বলেন, ‘দেশজুড়ে প্রচুর উৎসাহ-উদ্দীপনার সঙ্গে উদযাপিত দীপাবলি পারস্পরিক স্নেহ এবং ভ্রাতৃত্বের বার্তা দেয়। এই দিনে ভক্তরা সম্পদ ও সমৃদ্ধির দেবী লক্ষ্মীর পূজা করেন।’ নিজের পোস্টে সতর্কতার বার্তা দিয়ে রাষ্ট্রপতি লিখেছেন, ‘আমি সকলকে নিরাপদে, দায়িত্বশীলভাবে এবং পরিবেশবান্ধব উপায়ে দীপাবলি উদযাপন করার আহ্বান জানাচ্ছি। এই দীপাবলি সকলের জন্য সুখ, শান্তি এবং সমৃদ্ধি বয়ে আনুক।’ তিনি প্রবাসী ভারতীয়দেরও এই আলোর উৎসবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    দেশবাসীর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে লেখেন, ‘দীপাবলিতে সকলকে শুভেচ্ছা। এই আলোর উৎসব জীবনকে সুখী এবং সমৃদ্ধ করুক। আমাদের চারপাশে ইতিবাচক চেতনা অবস্থান করুক। এই উৎসব হোক ১৪০ কোটির পরিশ্রম, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনের উদযাপন। চলুন দেশীয় পণ্য কিনে বলি — গর্ব সহকারে বলুন, এটি স্বদেশি।’ প্রধানমন্ত্রী আরও অনুরোধ করেন, মানুষ যেন সোশ্যাল মিডিয়ায় তাদের কেনাকাটার ছবি শেয়ার করে অন্যদেরও অনুপ্রাণিত করেন। তাঁর কথায়, “আপনি কী কিনলেন, তা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন। এতে অন্যরাও উৎসাহিত হবেন দেশি পণ্য কেনার জন্য।” ইতিমধ্যেই দীপাবলির আনন্দে মেতেছে গোটা দেশ। রাস্তাঘাট, বাড়ি সেজে উঠেছে আলোয়। তবে কোনও ভাবেই যাতে বায়ুদূষণ না হয়, সেই জন্য একগুচ্ছ পদক্ষেপ করা হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। সুপ্রিম কোর্টও দিল্লি এবং সংলগ্ন এলাকার জন্য বাজি সংক্রান্ত একাধিক নির্দেশিকা জারি করেছে।

    নৌসেনার সঙ্গে দীপাবলি পালন প্রধানমন্ত্রীর

    উল্লেখ্য, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সৃজনশীলতা এবং স্বনির্ভরতার সমর্থনে দেশীয় পণ্য়ের উপর বরাবরই জোর দিয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী ৷ প্রতিরক্ষা, কৃষি, প্রযুক্তি প্রতিটি ক্ষেত্রেই স্বনির্ভরতার কথা বলেন তিনি ৷ এদিন আলোর উৎসব উদযাপনে দেশবাসীকে সেই কথা আরও একবার মনে করিয়ে দিলেন মোদি ৷ এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে একটি ভিডিয়োও পোস্ট করেন তিনি ৷ সেখানে দেশের কারিগরদের সহযোগিতার জন্য সকলকে আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী ৷ ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে মোদি প্রতি বছরই সীমান্তে ও দুর্গম এলাকায় মোতায়েন জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করছেন। প্রথম বছরে তিনি লাদাখের সিয়াচেন হিমবাহে মোতায়েন সৈনিকদের সঙ্গে দীপাবলি উদযাপন করেন। পরের বছর যান পাঞ্জাবের অমৃতসরে ডোগরাই ওয়ার মেমোরিয়ালে, যেখানে তিনি ১৯৬৫ সালের ভারত-পাক যুদ্ধের বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানান। এবার নৌসেনার সঙ্গে দীপাবলি পালন করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী মোদির।

  • Dhanteras 2025: ভারতীয় অর্থনীতি নাকি ‘ডেড ইকোনমি’! ট্রাম্প-রাহুলের মুখে ঝামা ঘষে দিল ধনতেরাসের বাজার

    Dhanteras 2025: ভারতীয় অর্থনীতি নাকি ‘ডেড ইকোনমি’! ট্রাম্প-রাহুলের মুখে ঝামা ঘষে দিল ধনতেরাসের বাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় অর্থনীতিকে ‘ডেড ইকোনমি’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর কথায় সায় (Indian Economy) দিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীও। তবে দিন দুয়েক আগে ধনতেরাসের (Dhanteras 2025) কেনাকাটার বাজার শুনলে চোখ কপালে উঠবে ট্রাম্প এবং গান্ধীরও। যদিও ধনতেরাসের বিকিকিনির হিসেব শুনে আর রা কাড়েননি কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল। বাণিজ্য সংগঠনের অনুমান, চলতি বছর ধনতেরাসে বিপুল কেনাকাটা করেছেন দেশবাসী। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের প্রাথমিক অনুমান, এই ধনতেরাসে সারা দেশে মানুষ প্রায় ১ লাখ কোটি টাকার কেনাকাটা করেছেন। এর মধ্যে কেবল সোনা ও রুপো বিক্রি হয়েছে ৬০ কোটি টাকারও বেশি। বাকি টাকার অন্যান্য সামগ্রী। প্রসঙ্গত, ধনতেরাসের দিন কোনও কিছু কিনলে সমৃদ্ধি বৃদ্ধি পায় বলেই বিশ্বাস ভারতীয়দের।

    ব্যাপক বিক্রি (Dhanteras 2025)

    ধনতেরাসে ভারতবাসী সাধারণত কেনেন সোনা, রুপোর পাশাপাশি বাসনকোসন, ইলেকট্রিক জিনিসপত্র, লক্ষ্মী-গণেশের মূর্তি, মাটির প্রদীপ, মোমবাতি এবং পুজোর অন্যান্য সামগ্রী। অনেকে আবার এই দিনেই কেনেন মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ এবং ট্যাবলেটের মতো ইলেকট্রনিক গ্যাজেটও। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের সম্পাদক প্রবীণ খাণ্ডেলওয়াল বলেন, “ধনতেরাসে দেশজুড়ে সোনা, রুপো এবং অন্যান্য শুভ জিনিসপত্রের মোট ব্যবসা ১ লাখ কোটি টাকারও বেশি হবে বলে অনুমান।” সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি (Dhanteras 2025) বলেন, “গত দু’দিনে সোনার বাজারে ব্যাপক ভিড় দেখা গিয়েছে। প্রাথমিক অনুমান, কেবল সোনা ও রুপোর লেনদেন হয়েছে ৬০ হাজার কোটি টাকারও বেশি (Indian Economy)।” এবার দিল্লিতে সোনা বিক্রি হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি। এটি একটি রেকর্ড। গত বছরের তুলনায় এবার বিক্রি হয়েছে ২৫ গুণ বেশি।

    সোনার দাম

    জানা গিয়েছে, দেশে সোনার দামের লেখচিত্র ঊর্ধ্বমুখী। গত বছর ১০ গ্রাম সোনার দাম ছিল প্রায় ৮০ হাজার টাকা। এবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকারও বেশি। শতাংশের বিচারে বৃদ্ধির হার ৬০-এর কাছাকাছি। ২০২৪ সালে রুপোর দাম ছিল কিলো প্রতি ৯৮ হাজার টাকা। এবার সেটাই বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। বৃদ্ধির হার ৫৫ শতাংশ। তা সত্ত্বেও ধনতেরাসে এই দুই মূল্যবান ধাতু কিনতে পিছপা হননি ভারতীয় ক্রেতারা। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের তরফে জানানো হয়েছে, সোনা ও রুপো ছাড়াও ব্যাপক বিক্রিবাটা হয়েছে অন্যান্য সামগ্রীও। এর মধ্যে রয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকার রান্নাঘরের জিনিসপত্র, ১০ হাজার কোটি টাকার ইলেকট্রনিক্স গুডস, সাজসজ্জার জিনিসপত্র, প্রদীপ এবং পুজোর অন্যান্য সামগ্রী বিক্রি হয়েছে ৩ হাজার কোটি টাকার (Dhanteras 2025)। শুকনো ফল, মিষ্টি, পোশাক, যানবাহন এবং অন্যান্য জিনিসপত্র বিক্রি হয়েছে (Indian Economy) ১২ হাজার কোটি টাকার।

    রুপোর বিক্রিবাটা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে

    ওই বাণিজ্য সংগঠনের দাবি, এবার ব্যাপক কেনাকাটার নেপথ্যে রয়েছে মূলত জিএসটি সংস্কার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভোকাল ফর লোকাল’ প্রচার। এর ফলে স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে উপকৃত হয়েছেন ছোট ব্যবসায়ী এবং পণ্য উৎপাদনকারীরা। এই দু’দিনে মানুষ যেমন দোকানে গিয়ে জিনিসপত্র কিনেছেন, তেমনি ব্যবসা হয়েছে অনলাইনেও। ইন্ডিয়া বুলিয়ন অ্যান্ড জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সচিব সুরেন্দ্র মেহতা জানান, মুম্বইয়ের জাভেরি বাজারে সোনা ও রুপোর কয়েন কেনার জন্য ভিড় উপচে পড়েছিল। জানা গিয়েছে, সোনার চড়া দামের কারণে এবার রুপোর বিক্রিবাটা বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। সোনা যাঁদের নাগালের বাইরে, তাঁরা ঝাঁপিয়েছেন রুপো কিনতে। এর জেরে রুপোর জিনিসের বিক্রি বেড়েছে গত বছরের তুলনায় ঢের বেশি।

    গয়না ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

    কল্যাণ জুয়েলার্সের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর রমেশ কল্যাণরামন বলেন, “অনেক জায়গায় সোনা-রুপোর মুদ্রার সরবরাহের চেয়ে চাহিদা বেড়েছে (Indian Economy)। কারণ খুচরো বিক্রেতারা উচ্চ মূল্যের প্রতিকূল প্রভাবের জন্য প্রস্তুত ছিলেন না (Dhanteras 2025)।” ভারতীয় সংস্কৃতিতে ধনতেরাসের সময় সোনা কেনা শুভ বলে বিবেচিত হয়। গয়না ব্যবসায়ীদের মতে, এই উৎসবের মরশুমে ভারতীয় সোনার বাজারে যে অর্থনৈতিক সঞ্চালন ঘটেছে, তা শুধু খুচরো ব্যবসাকেই চাঙা করেনি, বরং ভারতের অর্থনীতির ক্ষেত্রেও এক ইতিবাচক বার্তা দিয়েছে।

    ট্রাম্প-রাহুলের মুখে ঝামা!

    প্রসঙ্গত, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেও রাশিয়া থেকে তেল কেনা চালিয়ে যাচ্ছে ভারত। সে প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে মাস কয়েক আগে ট্রাম্প বলেছিলেন, “ভারত রাশিয়ার সঙ্গে কী করে, তাতে আমার কিছু যায় আসে না। তারা তাদের মৃত অর্থনীতিকে এক সঙ্গে ধ্বংস করতে পারে।” ট্রাম্পের এহেন মন্তব্যে যারপরনাই খুশি হয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সুরে সুর মিলিয়ে তিনি বলেছিলেন, “উনি (ট্রাম্প) ঠিকই বলেছেন। প্রধানমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী ছাড়া এটা সবাই জানেন। সবাই জানেন যে ভারতীয় অর্থনীতি একটি মৃত অর্থনীতি। আমি খুশি যে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প একটি সত্য কথা বলেছেন (Indian Economy)।”

    ধনতেরাসের বাজার কি তবে এঁদের মুখে ঝামা ঘষে দিল (Dhanteras 2025)?

  • Ayodhya Deepotsav: ২৬ লক্ষ প্রদীপে আলোকিত সরযূ! দীপাবলিতে গিনেস বুকে জোড়া রেকর্ড অযোধ্যার

    Ayodhya Deepotsav: ২৬ লক্ষ প্রদীপে আলোকিত সরযূ! দীপাবলিতে গিনেস বুকে জোড়া রেকর্ড অযোধ্যার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির আলোয় আলোকিত অযোধ্যা (Ayodhya Deepotsav)। উত্তরপ্রদেশের পবিত্র শহর ইতিহাস গড়ল বিশ্বমঞ্চে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে অযোধ্যার দীপোৎসবে তৈরি হল এক নয়, দুটি গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড। সরযূ নদীর দুই তীর সেজে উঠল ২৬ লক্ষ প্রদীপে। একসঙ্গে ২ হাজারেও বেশি মানুষ আরতি করলেন। দীপাবলিতে আগেও রেকর্ড গড়েছে উত্তর প্রদেশ। অযোধ্যায় সরযূ নদীর তীরে ধুমধাম করে পালিত হয় দীপোৎসব। জ্বালানো হয় লাখ লাখ প্রদীপ। গত বছরও গিনেস বুকে নাম তুলেছিল অযোধ্যা। এবার সেই রেকর্ড ভাঙল তারাই।

    গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে ফের অযোধ্যা

    প্রতি বছরের মতো এবারও দেশ ও বিশ্বের নজর ছিল সরযূ নদীর তীরে। দীপ উৎসব (Deepotsav 2025) উপলক্ষে রবিবার মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রামকথা পার্কের মঞ্চে রামের প্রতীকী রাজ্যাভিষেক করেন। এরপর, রাম মন্দির পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রথম তলায় রাম দরবারের সামনে মাথা নত করে আশীর্বাদ গ্রহণ ও রামলালার পুজোর পর, মুখ্যমন্ত্রী যোগী কমপ্লেক্সের প্রধান প্রবেশপথের সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে দীপোৎসবের উদ্বোধন করেন। দীপোৎসব শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অযোধ্যার মানুষ ৫৬টি ঘাটে ২৬,১৭,২১৫টি প্রদীপ জ্বালিয়ে রেকর্ড গড়া হয়। প্রথম রেকর্ডটি ‘সবচেয়ে বেশি মানুষ একসঙ্গে প্রদীপ ঘোরানোর’ জন্য। দ্বিতীয়টি ‘সবচেয়ে বড় প্রদীপ প্রজ্বলন প্রদর্শনী’র জন্য। মাত্র ১৫ মিনিটে এতগুলি প্রদীপ জ্বালিয়ে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম ওঠে রামভূমির। এই ঐতিহাসিক আয়োজনের দায়িত্বে ছিল উত্তরপ্রদেশ পর্যটন দফতর, অযোধ্যা জেলা প্রশাসন এবং রাজ্য সরকার।

    ভারতের আধ্যাত্মিক ঐক্যের প্রতীক

    গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস-এর অফিসিয়াল প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে এই অসাধারণ মুহূর্তের সাক্ষী থাকেন। তাঁরা রেকর্ডের প্রমাণ যাচাই করে উত্তরপ্রদেশ সরকারের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে দুটি সার্টিফিকেট তুলে দেন। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ নিজে মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেন, “অযোধ্যা আজ শুধু আলোয় নয়, ভক্তিতে ও ঐতিহ্যে উজ্জ্বল। এটি ভারতের আধ্যাত্মিক ঐক্যের প্রতীক।” এদিন সরযূ ঘাটে দাঁড়িয়ে লাখো দর্শক দেখেছেন এক অনন্য দৃশ্য যতদূর চোখ যায়, ততদূর পর্যন্ত সারি সারি প্রদীপ। এই দীপোৎসবে অংশ নেয় হাজার হাজার স্বেচ্ছাসেবী, স্থানীয় বাসিন্দা, ছাত্রছাত্রী এবং তীর্থযাত্রী।

    ড্রোন শো থেকে আতশবাজির প্রদর্শনী, কড়া নিরাপত্তা

    সরযূ নদীর তীরে ২,১২৮ জন বেদাচার্যের উপস্থিতিতে মহাআরতির পরই মুখ্যমন্ত্রী যোগীর হাতে তুলে দেওয়া হয় বিশ্বরেকর্ডের শংসাপত্র। তার আগে, অযোধ্যায় একটি ড্রোন শো অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ১,১০০টি ড্রোনের মাধ্যমে আকাশে রামের প্রতিচ্ছবি তৈরি করা হয়। রাম কি পৌড়িতে আয়োজিত লেজার এবং ড্রোন শো ছিল দেখার মতো। চলে আতশবাজির প্রদর্শনী। অসাধারণ সেই দৃশ্য উপভোগ করতে হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমান রাস্তায়। রামায়ণ অভিনয় করে দেখানো হয়। রামলীলা অভিনয় করতে ৫টি দেশ থেকে শিল্পীরা এসেছিলেন। কোনওরকম দুর্ঘটনা এড়াতে ছিল কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা। অযোধ্যাকে ১৮টি জোন এবং ৪২টি সেক্টরে ভাগ করে ১০ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হয় ওই অঞ্চলে। পিএসি, আরএএফ, এটিএস, বিডিএস এবং স্থানীয় পুলিশ ছিল সর্বত্র। রাম কি পৌড়ি এবং রামপথের পাশের বাড়িগুলির ছাদে মোতায়েন করা হয় সশস্ত্র সেনা। অ্যান্টি-মাইন দল, ব্যাগেজ স্ক্যানার এবং ফায়ার ব্রিগেডও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

    বিশ্ব পর্যটনের মানচিত্রেও উজ্জ্বল অযোধ্যা

    উত্তরপ্রদেশ পর্যটন বিভাগের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য অযোধ্যাকে বিশ্ব পর্যটনের মানচিত্রে আরও উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরা। তাদের মতে, দীপোৎসব আজ শুধুমাত্র এক ধর্মীয় আচার নয় এটি হয়ে উঠেছে এক বিশ্বব্যাপী সাংস্কৃতিক উৎসব। বিশেষজ্ঞদের মতে, অযোধ্যার দীপোৎসব এখন কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান নয়, এটি ভারতের ‘সফট পাওয়ার’-এর প্রতীক যা বিশ্বে ভারতের ঐতিহ্য, ঐক্য ও ভক্তির বার্তা পৌঁছে দিচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী বলেন, “রাম রাজ্যের আদর্শে আমরা এগিয়ে চলেছি। এই দীপোৎসব বিশ্বকে দেখিয়েছে যে, বিশ্বাস ও ঐতিহ্য একসঙ্গে থাকলে ইতিহাস তৈরি হয়।”

LinkedIn
Share