Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • PM Modi: দুয়ারে লোকসভা ভোট, মোদিকে দিয়ে শতাধিক সভা করাতে চাইছে বিজেপি

    PM Modi: দুয়ারে লোকসভা ভোট, মোদিকে দিয়ে শতাধিক সভা করাতে চাইছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় লোকসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে বিজেপি। বিরোধীদের অবশ্য ছন্নছাড়া দশা। এমতাবস্থায় আরও বেশি করে আসন নিয়ে এবারও কেন্দ্রের রশি হাতে নিতে চাইছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) দিয়ে ১৪০টিরও বেশি জনসভা করাতে চাইছে পদ্মশিবির।

    ‘গাঁও চলো অভিযান’

    জনগণের দোরে পৌঁছতে বিজেপি হাতে নিয়েছে ‘গাঁও চলো অভিযান’। ফেব্রুয়ারির ৪ থেকে ১১ তারিখের মধ্যে বিজেপির অন্তত একজন কর্মী দেশের সাত লাখ গ্রাম এবং শহরের বুথগুলিতে উপস্থিত থাকবেন। নরেন্দ্র মোদি সরকারের আমলে কী কী উন্নয়নমূলক এবং জনকল্যাণমূলক কাজ হাতে নেওয়া হয়েছে, ভোটারদের কাছে তা তুলে ধরতেই ‘গাঁও চলো অভিযান’ পালন করবেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি সূত্রে খবর, জনসংযোগ করতে প্রধানমন্ত্রী যোগ দিতে পারেন ১৪০টিরও বেশি কর্মসূচিতে। এর মধ্যে যেমন জনসভা রয়েছে, তেমনি রয়েছে মিছিল, রোড-শোও।

    ক্লাস্টার নেতাদের সঙ্গে কথা মোদির

    বিজেপির (PM Modi) একটি সূত্রের খবর, সাত থেকে আটটি লোকসভা নিয়ে একটি ক্লাস্টার গঠন করা হয়েছে। এই ক্লাস্টারগুলির দায়িত্বে রয়েছেন বিজেপির স্থানীয় নেতারা। এই নেতারা নির্বাচনে লড়বেন না। ক্লাস্টারগুলির অন্তত একটি লোকসভা কেন্দ্রে যাবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যোগ দেবেন জনসভা কিংবা রোড-শোয়ে। কথা বলবেন ক্লাস্টার ইনচার্জের সঙ্গে। স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গেও কথা বলবেন। ক্লাস্টারের যে কেন্দ্রটিতে তিনি যাবেন, সেটি বাদে ওই ক্লাস্টারের বাকি আসনগুলির নেতাদের সঙ্গেও কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: পরাক্রম দিবসে সন্ধ্যায় লালকেল্লার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    পদ্মশিবির সূত্রে খবর, বিভিন্ন কেন্দ্রের বর্তমান সাংসদ এবং যাঁরা প্রার্থী হতে চাইছেন একটি কমিটির মাধ্যমে তাঁদের ওপর নজর রাখছেন ক্লাস্টার ইনচার্জ। এই কমিটিতে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এবং জাতীয় সম্পাদক (সাংগঠনিক) বিএল সন্তোষ। গেরুয়া শিবিরের এক প্রবীণ নেতা জানান, দিল্লি নিজেই একটি ক্লাস্টার। আবার উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এবং রাজস্থানের বিভিন্ন লোকসভা কেন্দ্রে দলের তরফে আয়োজন করা হয়েছে ‘খেল স্পর্ধা’র (ক্রীড়া প্রতিযোগিতা)। এই ‘খেল স্পর্ধা’ হবে দেশের বাছাই করা কিছু লোকসভা কেন্দ্রে। এভাবেই ভোটারদের কাছে পৌঁছতে চাইছে পদ্ম শিবির (PM Modi)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Antibiotics Misuse: কেন দিচ্ছেন অ্যান্টিবায়োটিক্স? প্রেসক্রিপশনে কারণ জানাতে চিকিৎসকদের নির্দেশ কেন্দ্রের

    Antibiotics Misuse: কেন দিচ্ছেন অ্যান্টিবায়োটিক্স? প্রেসক্রিপশনে কারণ জানাতে চিকিৎসকদের নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্বর-জ্বালা, সর্দি-কাশি, পেটের গণ্ডগোল, দাঁতে ব্যাথা ফটাফট অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotics Misuse) খেয়ে নেওয়ার দিন শেষ। অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধের অপব্যবহার রোধ করতে বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্রীয় সরকার। নয়া সরকারি নির্দেশিকা অনুসারে, ডাক্তাররা যখন প্রেসক্রিপশনে এই ওষুধগুলি লিখবেন, তখন ঠিক কী কারণে এবং কোন পরিস্থিতিতে তিনি এই ওষুধগুলি দিচ্ছেন, তা লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই বিষয়ে একটি ‘জরুরি আবেদন’ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের শাখা, ডিরেক্টরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসেস।

    সরকারি নির্দেশিকায় কী বলা হয়েছে

    স্বাস্থ্য অধিকর্তা অতুল গোয়েল মেডিক্যাল কলেজগুলির কাছে চিঠি লিখে আর্জি জানিয়েছেন, যাতে প্রেসক্রিপশনে অ্যান্টি মাইক্রোবিয়ালগুলির নাম লেখার সময় বাধ্যতামূলক ভাবে সঠিক ইঙ্গিত, কারণ এবং যৌক্তিকতা উল্লেখ করা হয়। শুধু চিকিৎসকদেরই নয়, ওষুধ বিক্রেতাদেরও সতর্ক করা হয়েছে, যাতে কোনও রকম বৈধ প্রেসক্রিপশন ছাড়া গ্রাহকদের কোনও অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ না দেওয়া হয়। চিকিৎসকেদের নির্ধারণ করা ডোজ ও কারণ দেখে তবেই দিতে হবে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ। মেডিকেল কলেজের ডাক্তারদের আলাদা চিঠি পাঠানো হয়েছে। বলা হয়েছে, মেডিকেল কলেজগুলো শুধু স্বাস্থ্য পরিষেবা দেয় না, তরুণ প্রজন্মের চিকিৎসকদের শিক্ষাও দেয়। পরবর্তী প্রজন্মের ডাক্তাররা যাতে বিবেচনা করে অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল ওষুধগুলি ব্যবহার করেন, মেডিকেল কলেজের ডাক্তারদের সেই শিক্ষা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    কেন এই নির্দেশ

    কেন্দ্রীয় সরকারের চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ব্যাক্টেরিয়াল এএমআর-এর কারণে ২০১৯ সালে বিশ্বব্যাপী প্রায় ১০ লক্ষ ২৭ হাজার রোগীর মৃত্যু হয়েছে। যখন-তখন ইচ্ছেমতো ওষুধ সেবনে ‘অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স’ বা ‘অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স’ (এএমআর) তৈরি হতে পারে। যা আগামী দিনে মারাত্মক বিপদের আশঙ্কা বাড়িয়ে তোলে। বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে অ্যান্টিবায়োটিকের এই যথেচ্ছ ব্যবহার ২০৫০ সাল নাগাদ  এক কোটিরও বেশি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই এখন থেকেই এর বিরুদ্ধে সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি বলে অভিমত স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cheetah: কুনো ন্যাশনাল পার্কে ‘জোয়ালা’ চিতা জন্ম দিল ৩টি শাবকের

    Cheetah: কুনো ন্যাশনাল পার্কে ‘জোয়ালা’ চিতা জন্ম দিল ৩টি শাবকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের কুনো ন্যাশনাল পার্কে নামিবিয়া থেকে আনা ‘জোয়ালা’ চিতা (Cheetah), ৩টি শাবকের জন্ম দিয়েছে। কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদব এই চিতার বাচ্চা প্রসবের কথা জানিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন। একই ভাবে বন্য প্রাণী ও পশু প্রেমীদের অভিনন্দন জানান।

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Cheetah)?

    তিনটি চিতা (Cheetah) শাবকের কথা জানিয়ে বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভুপেন্দ্র যাদব বলেন, “কুনো ন্যাশনাল পার্কে চিতার নতুন তিনটি শাবক জন্মগ্রহণ করেছে। নামিবিয়া থেকে নিয়ে আসা চিতা যার নাম ‘জোয়ালা’, তার তিনটি বাচ্চার জন্ম হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ আগেই নামিবিয়া থেকে আনা আশা নামে আরও একটি চিতা বাচ্চাদের জন্ম দিয়েছে। সমস্ত বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে নিযুক্ত সকল যোদ্ধা এবং সারা দেশে বন্যপ্রাণী প্রেমীদের অভিনন্দন জানাই। ভারতের বন্যপ্রাণীরা আরও সমৃদ্ধ হোক এই কামনা করি।”

    ১৯৫২ থেকে ভারতে চিতা বিলুপ্তি

    ১৯৫২ সালে ভারতে চিতার (Cheetah) বিলুপ্তির কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০২২ সালে একটি বিশেষ প্রকল্পের ঘোষণা করে তাকে পুনরায় চালু করা হয়। এই সময় নামেবিয়া থেকে মোট ৮টি চিতা আনা হয় ভারতে। পরবর্তীকালে, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আরও ১২টি চিতা এনে ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কুনো ন্যাশনাল পার্কেই ছাড়া হয়েছিল। এর ফলে দেশের বন্যপ্রাণী ও পশু প্রেমীরা ব্যাপক ভাবে উৎসাহ পেয়ছিলেন। উল্লেখ্য গত সপ্তাহে একটি চিতার মৃত্যু ঘটেছে। এখন পর্যন্ত ২০২৩ সালের মার্চ থেকে ভারতে জন্ম নেওয়া মোট সাতটি প্রাপ্তবয়স্ক চিতা এবং তিনটি শাবকের মৃত্যু ঘটেছে। এই নিয়ে ২০২৩ সালের মে মাসে কেন্দ্র সরকারের কাছে হলফনামা দিয়ে চিতা মৃত্যুর কারণ জানতে চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: পরাক্রম দিবসে সন্ধ্যায় লালকেল্লার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: পরাক্রম দিবসে সন্ধ্যায় লালকেল্লার অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৩ জানুয়ারি। নেতাজির জন্মদিন। দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে পরাক্রম দিবস। এদিন দেশের সব চেয়ে বড় অনুষ্ঠানটি হবে লালকেল্লায়। সন্ধেবেলায় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। প্রধানমন্ত্রীর অফিস সূত্রে খবর, প্রধানমন্ত্রী ‘ভারত পর্ব’ লঞ্চ করবেন জানুয়ারির ২৩ থেকে ৩১ এর মধ্যে।

    ট্যাবলো

    প্রজাতন্ত্র দিবসের ট্যাবলোর মাধ্যমে দেশের বৈচিত্র ও সাংস্কৃতিক ভিন্নতা তুলে ধরা হবে। এই ট্যাবলোগুলি তৈরি করেছেন কেন্দ্রের ২৬টি মন্ত্রক। এই ট্যাবলোগুলির মাধ্যমেই তুলে ধরা হবে ভোকাল ফর লোকাল, সিটিজেন সেন্ট্রিক ইনিসিয়েটিভস এবং বিভিন্ন ট্যুরিস্ট আকর্ষণগুলি। লালকেল্লার সামনে মাধব দাস পার্ক ও রামলীলা ময়দানে এই ট্যাবলোগুলি প্রদর্শিত হবে। নেতাজি যেভাবে জনগণমনে ছিলেন, সেভাবেই তাঁকে তুলে ধরা হবে। তুলে ধরা হবে তাঁর আজাদ হিন্দ ফৌজকেও। এই দিনগুলিতে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বোস ও তাঁর আজাদ হিন্দ ফৌজের আর্কাইভ, পুরোনো (PM Modi) বিরল ছবি এবং ঐতিহাসিক নথিপত্র তুলে ধরা হবে প্রদর্শনীর মাধ্যমে।   

    পরাক্রম দিবস

    ২০২১ সালে নেতাজির জন্মদিনটিকে পরাক্রম দিবস হিসেবে পালনের কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তারপর থেকে দিনটি পরাক্রম দিবস বা বীরত্বের দিন হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। ১৮৯৭ সালের ২৩ জানুয়ারি দুপুর ১২টা বেজে ১০ মিনিটে ওড়িশার কটকে জন্ম হয়েছিল সুভাষের। তাঁর বাবা আইনজীবী জানকীনাথ বসু ও মা প্রভাবতী থাকতেন কটকেই। যেহেতু কর্মসূত্রে জানকীনাথ থাকতেন কটকে, তাই কলকাতার এলগিন রোডে নয়, সুভাষ জন্মেছিলেন কটকে।

    আরও পড়ুুন: “নবান্ন অভিযান ডাকুন, আমি সঙ্গে থাকব”, ডিএ আন্দোলনকারীদের আশ্বাস শুভেন্দুর

    কটকেই কেটেছে সুভাষের শৈশব-বাল্যকাল। সেখানকার প্রোটেস্ট্যান্ট ইউরোপিয়ান স্কুলে ভর্তি করা হয়েছিল ছোট্ট সুভাষকে। এখানকারই একটি স্কুল থেকে পাশ করেন ম্যাট্রিক। এরপর সুভাষ চলে আসেন কলকাতায়। ভর্তি হন স্কটিশ চার্চ কলেজে। পরে প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়াশোনা করেন দর্শন নিয়ে। অনুপ্রাণিত হন স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শেই। এই আদর্শের বলেই ছাত্রাবস্থায় সুভাষ জড়িয়ে পড়েছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামে। দেশমাতৃকার পরাধীনতার শৃঙ্খল মোচন করতে গড়ে তোলেন আজাদ হিন্দ ফৌজ। স্বাধীনতা আন্দোলনে যে ফৌজের অবদান কম নয় (PM Modi)।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • PM Modi: “আমাদের প্রভু রাম এলেন”, প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান শেষে বললেন মোদি

    PM Modi: “আমাদের প্রভু রাম এলেন”, প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান শেষে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামনগরী অযোধ্যায় প্রতিষ্ঠিত হলেন রামলালা। প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে (PM Modi) সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অনুষ্ঠান শেষে মন্দির থেকে বেরিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের প্রভু রাম এলেন।” পরে এক জনসভায় ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর আগে বক্তৃতা করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, মোহন ভাগবত।

    ‘ভগবান এলেন’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি গর্ভগৃহে ছিলাম। এই ঐশ্বরিক মুহূর্ত দেখে আবেগে আমার গলা ধরে আসছিল। এতদিনের অপেক্ষার পর ভগবান রাম আমাদের কাছে এলেন। মনে রাখবেন, আমাদের প্রভু রাম তাঁবুতে থাকবেন না। এতদিনে সেই অপেক্ষার অবসান হল। শুধু এ দেশের মানুষরা নন, গোটা পৃথিবীর রামভক্তরা আজ অনুষ্ঠানটি দেখছেন।” তিনি বলেন, “আমাদের নিশ্চিত কোনও একটা ত্রুটি ছিল। যাঁর জন্য প্রভু শ্রীরামকে অপেক্ষা করতে হয়েছে। কিন্তু আমাদের সেই অপেক্ষার দিন শেষ হয়েছে। ২২ জানুয়ারি নতুন সূর্যের কিরণ এসেছে। হাজার হাজার বছর পরেও আজকের দিনের কথা আলোচিত হবে। আমি বিচার ব্যবস্থার কাছেও কৃতজ্ঞ। তাঁরা আইনের মান রেখেছেন।”

    তাঁবুতে নয়, মন্দিরে থাকবেন রামলালা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজকের দিনে উৎসব পালিত হচ্ছে দেশের প্রতিটি গ্রামে। গোটা দেশে আজ প্রদীপ জ্বালানো হবে সন্ধ্যার পর। দিনটি পালিত হবে। আমাদের মন এখনও এতে আটকে রয়েছে। অনেক কথাই বলার আছে, কিন্তু আমার গলা অবরুদ্ধ হয়ে আসছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “রামলালা আর তাঁবুতে নয়, থাকবেন মন্দিরে (PM Modi)। অনেক কিছু বলার আছে। কিন্তু কণ্ঠ অবরুদ্ধ। ২২ জানুয়ারি ক্যালেন্ডারের তারিখ নয়, নতুন কালের শুরু। আমাদের তপস্যায় কিছু খামতি ছিল। আজ তা পূরণ হল। এজন্য প্রভু রামচন্দ্রের কাছে আমরা ক্ষমা চাইছি। গর্ভগৃহে ঐশ্বরিক চেতনার সাক্ষী হতে পেরেছি।”

    আরও পড়ুুন: প্রতীক্ষার অবসান, রামলালা প্রতিষ্ঠিত হলেন জন্মভূমিতেই

    তিনি বলেন, “রাম মন্দিরই ভারতের উন্নয়নের সাক্ষী হবে। লক্ষ্য যদি সত্য হয়, তা পূরণ হবেই। এই মন্দিরই তার প্রমাণ। কয়েক শতাব্দী প্রতীক্ষার পর আজ আমরা এখানে পৌঁছেছি। আমরা সবাই এই সময়ের জন্য অপেক্ষা করেছিলাম। আমরা আর থামব না, এবার উন্নয়নের শিখরে পৌঁছেই থামব।” নাম না করে এদিন বিরোধীদেরও নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “কেউ কেউ বলেছিলেন রাম মন্দির হলে আগুন জ্বলবে। তাই আজকের দিন শুধু বিজয়ের নয়, বিনয়ের দিন। ভারতের শান্তি, ধৈর্য, সমন্বয়ের প্রতীক। রাম মন্দির নতুন শক্তির পরিচয়। সবাইকে বলব, আসুন, বিবেচনা করুন, রাম আগুন নয়, রাম শক্তি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

     
  • Ram Mandir Inauguration: ‘রাম সিয়া রাম’-এর সুরে ভাসল সরযূতীর, রামভজনে মগ্ন অযোধ্যা

    Ram Mandir Inauguration: ‘রাম সিয়া রাম’-এর সুরে ভাসল সরযূতীর, রামভজনে মগ্ন অযোধ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম, রাম জয় রাজা রাম, রাম রাম জয় সীতা রাম…! রাম-নামে মাতল অযোধ্যা। রাম-ভজনে ভাসল সরযূ তীর। সোনু নিগম, শঙ্কর মহাদেবণ, অনুরাধা পারোয়ালের কণ্ঠে  রামসীতার ভজনে মোহিত গোটা অযোধ্যা। অযোধ্যায় গত কয়েকদিন ধরেই সাজোসাজো রব। অবশেষে এসেই গেল সেই বহু প্রতিক্ষীত দিন। ২২ জানুয়ারি রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা হল রাম মন্দিরে। অযোধ্যা জুড়ে ভারতীয় সংস্কৃতির উদযাপন চোখে পড়ল।

    সোনুর সুরে চোখে জল

    রাম মন্দির অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র পেয়েই আপ্লুত হয়েছিলেন সোনু নিগম। সেই ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে গায়ক লিখেছিলেন, ‘ঐতিহাসিক নিমন্ত্রণ’। এদিন দেখা গেল সাদা পোশাকে মঞ্চে সংগীত পরিবেশন করছেন সোনু। কপালে কমলা রঙের টিকা। তাঁর ‘রাম সিয়া রাম, সিয়া রাম জয় জয় রাম’ গানটি শুনে চোখে জল এল অনেকেরই। 

    সুরে সুরে রাম-নাম

    ইতিমধ্যেই মূল যজমান হিসেবে রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা করে ফেলেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। টিভি এবং মোবাইলের পর্দায় সেই অনুষ্ঠানের সাক্ষী থাকল গোটা দেশ। এদিন রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠায় গর্ভগৃহের মধ্যে মোদি ছাড়াও ছিলেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ছিলেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।

    অযোধ্যায় এদিন ছিল তারকার সমাহার। শিল্পপতি মুকেশ আম্বানি ও নীতা আম্বানি।  ছিলেন  রণবীর কপুর, আলিয়া ভাট, ভিকি কৌশল, ক্য়াটরিনা কাইফ, কঙ্গনা রানাওয়াত, অমিতাভ বচ্চন, অভিষেক বচ্চন। অযোধ্যায় ঐতিহাসিক মুহূর্তে উপস্থিত ছিলেন একঝাঁক ক্রীড়াতারকাও। ছিলেন সচিন তেন্ডুলকর অনিল কুম্বলে, সাইনা নেওয়াল, মিতালি রাজ, বাইচুং ভুটিয়ারা। এদিন উদ্বোধনের পুণ্য লগ্নে পুষ্পবৃষ্টি করা হয়েছে আকাশ থেকে। হেলিকপ্টার থেকে ফুল ছড়িয়ে দেওয়া হয় অযোধ্যার উপর। হাজার হাজার ভক্তের ভিড়ে মিশে যান ভগবান রাম। রাম নামে মুখরিত হয়ে ওঠে অযোধ্যা নগরী। আজ, গোটা দেশের একটাই সুর “ভজে হাম, ভজে হাম সদা রামচন্দ্রম…”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রামলালাকে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে ১১ দিনের ব্রত ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী

    Ram Mandir: রামলালাকে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে ১১ দিনের ব্রত ভাঙলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোম-শুভক্ষণে অযোধ্যার মন্দিরে (Ram Mandir) প্রতিষ্ঠিত হলেন রামলালা। এই মাহেন্দ্রক্ষণের সাক্ষী রইল তামাম ভারত। পূর্ব নির্ধারিত সময়েই মন্দির প্রাঙ্গনে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। অংশ নিলেন রামলালার বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে। রামলালার মূর্তিতে সোনার কাঠি দিয়ে কাজল পরিয়ে চক্ষুদান করলেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বিগ্রহকে দর্শন করান দর্পন। রামলালাকে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে গর্ভগৃহ থেকে বেরিয়ে ১১ দিনের ব্রত ভাঙেন প্রধানমন্ত্রী।

    যজমান প্রধানমন্ত্রী

    প্রধান যজমান মোদি পরেছিলেন ঘিয়ে রংয়ের গরদের পাঞ্জাবী। ওপরে সাদা গলাবন্ধ। সঙ্গে সাদা ধুতি ও সোনালি পাড়ের সাদা উত্তরীয়। হাতে ছিল লাল বাঁধনি ওড়নি, রামলালার জন্য রুপোর ছাতা। প্রাণপ্রতিষ্ঠার মাহেন্দ্রক্ষণে প্রধানমন্ত্রীর চোখের কোণে চিকচিক করতে দেখা গিয়েছে আনন্দাশ্রু। পুজো শেষে সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করতেও দেখা যায় তাঁকে। প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান হয়েছে মৃগশিরা নক্ষত্রে। অনুষ্ঠান শেষে আবেগঘন কণ্ঠে প্রধানমন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, রামলালাকে (Ram Mandir) আর তাঁবুর নীচে দিন কাটাতে হবে না।

    শেষ হল সংযমব্রত

    যেহেতু প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং যজমান, তাই গত এগারো দিন ধরে সংযমব্রত পালন করছিলেন তিনি। এক্স হ্যান্ডেলে সেকথা জানিয়েওছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ১২ জানুয়ারি তিনি লিখেছিলেন, “অযোধ্যায় রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠার আর মাত্র এগারো দিন বাকি। আমি সৌভাগ্যবান যে আমিও এই অনুষ্ঠানের সাক্ষী হতে পারছি। ভগবান আমায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার সময় ভারতের সমস্ত মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ দিয়েছেন। এ কথা মাথায় রেখে আমি আজ থেকে এগারো দিনের একটি বিশেষ আচার শুরু করছি। আমি সমস্ত মানুষের কাছে আশীর্বাদ চাইছি। এই মুহূ্র্তে আমি আমার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না।”

    পরে এক ভিডিও-অডিও বার্তায় তিনি বলেছিলেন, “এর জন্য (মূর্তি প্রতিষ্ঠা) বিশদ নিয়ম রয়েছে। প্রাণপ্রতিষ্ঠার বেশ কয়েকদিন আগে থেকে সেগুলি অনুসরণ করতে হয়। আমি আজ থেকে প্রাণপ্রতিষ্ঠার (Ram Mandir) দিন পর্যন্ত শাস্ত্র নির্দেশিত সমস্ত নিয়ম ও তপস্যা কঠোরভাবে পালন করব।”

    আরও পড়ুুন: প্রতীক্ষার অবসান, রামলালা প্রতিষ্ঠিত হলেন জন্মভূমিতেই

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রাম মন্দিরের সরাসরি সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছে তামিলনাড়ু সরকার, অভিযোগ সীতারামনের

    Ram Mandir: রাম মন্দিরের সরাসরি সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছে তামিলনাড়ু সরকার, অভিযোগ সীতারামনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) সরাসরি সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছে তামিলনাড়ু সরকার। এই অভিযোগই আনলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামান। সোমবারই তিনি বলেন যে তামিলনাড়ুর মানুষজনকে বাধা দেওয়া হচ্ছে অযোধ্যার রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান তাঁরা যাতে লাইভ স্ক্রিন চালাতে না পারেন। শুধু তাই নয়, নির্মলা সীতারামন নিজের এক্স হ্যান্ডেলে কতগুলি স্থানের নামও উল্লেখ করেছেন। যেগুলিতে রাম মন্দিরের লাইভ স্ক্রিনিং-এ বাধা দেওয়া হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: রাম মন্দিরের নির্মাণ ‘জাতীয় গর্বের জাগরণ’, অযোধ্যায় পৌঁছে জানালেন মোহন ভাগবত

    রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাধা তামিলনাড়ুতে

    এ নিয়ে গুচ্ছ ট্যুইটও সামনে এসেছে নির্মলা সীতারামনের। যেখানে তিনি লিখছেন, “বিখ্যাত কামাক্ষী কভিল মন্দিরে ভজন শুরু হয়েছিল বেলা আটটা থেকে, এলইডি স্ক্রিন লাগানো (Ram Mandir) হয়েছিল। কিন্তু তা খোলা হয়েছে তামিলনাড়ুর প্রশাসনের মদতে।

    ৪০০-এর বেশি স্থানে পুলিশ খুলে দেয় এলইডি স্ক্রিন

    তিনি আরও বলেছেন যে কাঞ্চিপুরম জেলাতে ৪৬৬টি এলইডি স্ক্রিনের ব্যবস্থা করা হয়েছিল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচারের জন্য। কিন্তু তামিলনাড়ুর পুলিশ বাধা দেয় ওই সম্প্রচার করতে। এর ফলে ৪০০-এরও বেশি স্থানের অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। তাঁর আরও অভিযোগ, সেখানে (তামিলনাড়ুতে) ভয় দেখানো হচ্ছে যাঁরা এলইডি সাপ্লাই (Ram Mandir) করছেন তাঁদেরকেও। হিন্দুবিরোধী ডিএমকে দল এই সন্ত্রাস চালাচ্ছে বলে অভিযোগ নির্মলা সীতারামনের। প্রসঙ্গত, তামিলনাড়ুর ক্ষমতাসীন দলের হিন্দু-বিরোধী আচরণ নতুন কিছু নয়। এর আগেও তাদের দলের নেতাদের সনাতন ধর্মের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করতে দেখা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: প্রতীক্ষার অবসান, রামলালা প্রতিষ্ঠিত হলেন জন্মভূমিতেই

    Ram Mandir: প্রতীক্ষার অবসান, রামলালা প্রতিষ্ঠিত হলেন জন্মভূমিতেই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতীক্ষার অবসান। রামলালার মূর্তিতে হল প্রাণপ্রতিষ্ঠা। জন্মভূমি অযোধ্যার রাম মন্দিরে (Ram Mandir) প্রতিষ্ঠিত হলেন রামলালা। বালক রামের এই মূর্তিটি বসানো হয়েছিল শুক্রবার। সোমবার শুভক্ষণে মূর্তিতে প্রাণপ্রতিষ্ঠা করেন প্রধান পুরোহিত। তার আগে পুজোর ডালা নিয়ে গর্ভগৃহে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেন পুষ্পাঞ্জলিও। বিগ্রহে প্রাণপ্রতিষ্ঠার সময় ফের এক প্রস্ত হেলিকপ্টার থেকে পুষ্পবৃষ্টি করা হয় মন্দিরের ওপর। ব্যাগগ্রাউন্ডে বাজছিল রাম গান। মন্দিরের অদূরে শিল্পীরা উদাত্ত কণ্ঠে গাইছিলেন রামগীতি। লোকমুখে ফিরছিল রামচরিত মানসের কলি। 

    প্রাণপ্রতিষ্ঠা

    প্রধানমন্ত্রী গর্ভগৃহে প্রবেশের পরেই খোলা হয় বিগ্রহের আবরণ। তার পরে হয় প্রাণপ্রতিষ্ঠা। রামলালাকে যে রুপোর মুকুট পরানো হবে, মন্দিরে সেটি নিয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং। মন্দিরে (Ram Mandir) প্রবেশের সময় প্রধানমন্ত্রীকে তিলক পরিয়ে স্বাগত জানানো হয়। তার পরেই শুরু করেন পুজো। তাঁকে পুজোয় সাহায্য করেন প্রধান পুরোহিত। পুজো শুরুর আগে সংকল্প করানো হয় প্রধানমন্ত্রীকে দিয়ে। পুজো শেষে তাঁর মাথায় ছিটানো হয় শান্তিজল।

    প্রধানমন্ত্রীর পুজো

    হাতে পদ্মফুল নিয়ে মন্ত্রপাঠ করে সেটি বিগ্রহের পায়ে অর্পণ করেন প্রধান যজমান প্রধানমন্ত্রী। প্রাণপ্রতিষ্ঠার যে পর্বে মন্দিরের গর্ভগৃহে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী, সেখানে তখন উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের প্রধান মোহন ভাগবত, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেল। পুজোয় অংশ নেন তাঁরাও। বিগ্রহের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করেন প্রধানমন্ত্রী। করেন আরতিও। আরতির পবিত্র তাপও নিতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। পরে হাতজোড় করে করেন প্রার্থনা।

    আরও পড়ুুন: রাম মন্দির উদ্বোধন স্মরণে শান্তিপুরের গির্জায়-মসজিদে জ্বলবে প্রদীপ

    রাম মন্দিরে (Ram Mandir) বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠা উপলক্ষে গত এগারো দিন ধরে কঠিন সংযমব্রত পালন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন প্রাণপ্রতিষ্ঠার পর পুজো শেষে ব্রত ভঙ্গ করেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে এক চামচ তরল খাইয়ে দেন ট্রাস্টের গোবিন্দদাস গিরি মহারাজ। এর পর সভাস্থলের দিকে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রামময় অযোধ্যা, মহোৎসবের অনুষ্ঠানে এলেন যজমান নরেন্দ্র মোদি

    Ram Mandir: রামময় অযোধ্যা, মহোৎসবের অনুষ্ঠানে এলেন যজমান নরেন্দ্র মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ু থেকে তিনি উড়ে এলেন অযোধ্যা বিমানবন্দরে। সেখান থেকে হেলিকপ্টারে চড়ে তিনি এলেন রাম জন্মভূমি অযোধ্যায়। গত এগারো দিন ধরে কঠোর সংযমব্রত পালন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোমবার রামলালার (Ram Mandir) প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে তিনিই মুখ্য যজমানের ভূমিকায়। সেই তিনিই এসে পৌঁছলেন অযোধ্যায় রাম মন্দিরে। প্রধানমন্ত্রী ঢুকতেই উদ্বেলিত জনতার জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে কেঁপে উঠল অযোধ্যার আকাশ। শোনা গেল, মোদি, মোদি স্লোগানও। পুলিশ ব্যান্ডেও বাজানো হতে থাকে ভক্তিগীতি। বেলা বারোটা বাজার কিছু আগে হেলিকপ্টার থেকে মন্দিরের ওপর পুষ্পবৃষ্টি করা হতে থাকে। 

    অযোধ্যায় চাঁদের হাট

    এদিন সকাল থেকেই অযোধ্যা কার্যত রামময়। চারদিকে লাউড স্পিকারে বাজছে রামগান। ভক্তদের মুখেও শোনা যাচ্ছে রামায়ন গান, রামচরিত মানসের ছন্দ। এহেন আবহে সাত সকালে অযোধ্যায় চলে এসেছেন অমিতাভ বচ্চন ও তাঁর ছেলে অভিষেক। কাকভোরে মন্দির প্রাঙ্গনে চলে আসেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তার কিছু পরে আসেন সরসংঘচালক মোহন ভাগবত। বেলা সাড়ে দশটা নাগাদ এসে পৌঁছান অভিনেতা জ্যাকি শ্রফ। তার আগে চলে এসেছেন রণবীর কাপুর, আলিয়া ভাট, মাধুরী দীক্ষিত, ভিকি কৌশল, ক্যাটরিনা কাইফ, আয়ুষ্মান খুরানা, চিরঞ্জীবী, রামচরণ, বিবেক ওবেরয়, মধুর ভাণ্ডারকর, রজনীকান্ত এবং সোনু নিগম প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তি। ভক্তিগীতি পরিবেশন করেন বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী অনুরাধা পাড়োয়াল। রামমন্দির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেলার দিকে পৌঁছন শিল্পপতি মুকেশ অম্বানী ও নীতা অম্বানি। পৌঁছন ব্যাডমিন্টন তারকা সাইনা নেহওয়ালও।

    আরও পড়ুুন: “এই অনুষ্ঠান দেশের উন্নয়নকে নিয়ে যাবে নয়া উচ্চতায়”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    ভোট ব্যাঙ্ক বাঁচাতে অনুষ্ঠান এড়ালেন যাঁরা 

    অযোধ্যার আকাশ রয়েছে ঝলমলে। সকালের দিকে হালকা কুয়াশা থাকলেও, বেলার দিকে তা কেটে যায়। অযোধ্যায় এদিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা হতে পারে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অযোধ্যার অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েও উপস্থিত হননি কংগ্রেসের সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, অধীর চৌধুরী, তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সিপিএমের সীতারাম ইয়েচুরি (Ram Mandir)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share