Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Cyclone Biparjoy: সাইক্লোন ‘বিপর্যয়’-এর মোকাবিলায় বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    Cyclone Biparjoy: সাইক্লোন ‘বিপর্যয়’-এর মোকাবিলায় বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শক্তি ও গতি বাড়িয়ে শক্তিশালী থেকে অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে সাইক্লোন ‘বিপর্যয়’ (Cyclone Biparjay)। ইতিমধ্যেই ভারতের (India) পশ্চিম উপকূলে এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ঝোড়ো হাওয়ার দাপটে উত্তাল হয়ে উঠেছে সমুদ্র। ‘বিপর্যয়’-এর মোকাবিলায় প্রশাসনের তরফে প্রস্তুতি কেমন, তা খতিয়ে দেখতে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সোমবার ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তি বৃদ্ধি করে উত্তর দিকে এগিয়ে চলেছে। আগামী বৃহস্পতিবার গুজরাটের কচ্ছ উপকূলে সেটি আছড়ে পড়তে পারে।

    কোথায় কোথায় আসছে ‘বিপর্যয়’

    মৌসম ভবন জানিয়েছে, বুধবার পর্যন্ত সৌরাষ্ট্র ও কচ্ছ উপকূল বরাবর সমুদ্র প্রবল উত্তাল থাকবে। বৃহস্পতিবার আরও বাড়বে ঘূর্ণিঝড়ের দাপট। বিশাল উঁচু উঁচু ঢেউ আছড়ে পড়বে। বৃহস্পতিবারই ‘বিপর্যয়’-এর (Cyclone Biparjay) ল্যান্ডফল হওয়ার কথা গুজরাট ও পাকিস্তানের মধ্যবর্তী মাণ্ডবী এলাকায়। এর ফলে গুজরাটের কচ্ছ ও পাকিস্তানের করাচিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। ১৫০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড় হাওয়া, সঙ্গে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতও হবে। গুজরাট, কেরালা, কর্নাটক ও লাক্ষাদ্বীপের মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। ১৪ জুন পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে গুজরাটের সৈকত। ইতিমধ্যেই কচ্ছ উপকূল থেকে বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল রবিবারই রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা কেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেছেন। গুজরাটের কচ্ছ, জামনগর, মোরবি, গির সোমনাথ, পোরবন্দর ও দ্বারকা জেলাতে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। পাকিস্তান সরকারও সিন্ধু ও বালুচিস্তানের কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ‘দিদিকে বলো’-র ফোন নম্বরেই কেন ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’! কমিশনে যাচ্ছে বিজেপি

    উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী

    সোমবার এই দুর্যোগ (Cyclone Biparjay) ঠেকাতে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক ডাকেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। দুর্যোগ মোকাবিলায় এবং সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি রুখতে প্রশাসনের তরফে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা সবিস্তারে প্রধানমন্ত্রীকে জানান সরকারি আধিকারিকরা। জাতীয় আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, ‘বিপর্যয়’-এর জেরে মুম্বই এবং মহারাষ্ট্রের নানা এলাকায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে মুম্বই বিমানবন্দরের একাধিক বিমান বাতিল করে দেওয়া হয়। আবহাওয়ার কারণে মুম্বই বিমানবন্দরে একটি রানওয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Assam: ফের অসমে সক্রিয় আল কায়েদা! এনআইএ-এর জালে ৪

    Assam: ফের অসমে সক্রিয় আল কায়েদা! এনআইএ-এর জালে ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে অসমে (Assam) গ্রেফতার করা হয়েছে ৪ জনকে। গোয়ালপাড়া এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়েছে । অসম পুলিশ ও এনআইএ-এর যৌথ অভিযানে ওই ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ৪ জনই নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়দা (Al-Qaeda Indian Subcontinent) শাখার সঙ্গে যুক্ত। এই ৪ জনের মধ্যে ৩ জনই আগে পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল। আদালতে জামিন পেয়ে বাইরে ছিল তারা। 

    যৌথ অভিযান (Assam)

    অসম (Assam) পুলিশ এবং এনআইএ-র একটি যৌথ দল গোয়ালপাড়া এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় তিনটি অভিযান চালায়। ওই অভিযানের ফলে গোয়ালপাড়া থেকে ৩ জন এবং নিকটবর্তী বোঙ্গাইগাঁও জেলা থেকে আরেক জেহাদিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত ৪ জঙ্গি হল গোয়ালপাড়া থানার গোবিন্দপুরের আবদুস সোবাহান, মারনাই থানার তিনকোনিয়ার আবদুস সোবাহান ও মাটিয়া টিলাপাড়ার জালালউদ্দিন শেখ এবং বোঙ্গাইগাঁও থানার কাবাইতারির হাফিজুর রহমান। এদের মধ্যে অনেকের সঙ্গেই আনসারুল্লা বাংলা টিম-এর যোগাযোগ রয়েছে। এবার রাজ্যে ভারতীয় উপমহাদেশে আল-কায়দা (আল কায়দা-ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট বা একিউআইএস) শাখার চার সদস্য গ্রেফতার হওয়ার পরেই গোয়েন্দাদের সামনে এসেছে জঙ্গি সংগঠন বিস্তারের তথ্য। ধৃতদের জেরা চলছে। 

    আরও পড়ুন: ছন্দে ফিরছে মণিপুর, ড্রপবক্সে পড়ছে ছিনতাই হওয়া অস্ত্রও

    জঙ্গি দমনে সক্রিয়

    গত এক বছরে অসমে (Assam) জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার করা হয়েছে প্রায় ৪০ জনকে, যারা সকলেই আনসারুল্লা বাংলার সঙ্গে যুক্ত। অসম প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, এই রাজ্যকে তারা কিছুতেই জঙ্গিদের ঘাঁটি হতে দেবে না। অসমে মাদ্রাসায় শিক্ষা দেওয়ার নামে এলাকার যুবকদের জঙ্গি এবং অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলেও জানতে পেরেছে অসম পুলিশ (Assam Police)। বাইরের কেউ রাজ্যে জিহাদি কার্যকলাপ চালাচ্ছে কী না তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দফতর এবং এনআইএ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coromandel Express: করমণ্ডল দুর্ঘটনার নেপথ্যে জঙ্গিদের হাত! প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি বিশিষ্টজনদের

    Coromandel Express: করমণ্ডল দুর্ঘটনার নেপথ্যে জঙ্গিদের হাত! প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি বিশিষ্টজনদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার (Coromandel Express) নেপথ্যে জঙ্গিদের হাত! অন্তত এমনই আশঙ্কা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) চিঠি দিলেন অবসরপ্রাপ্ত আমলা, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, অবসরপ্রাপ্ত র এবং এনআইএ অধিকর্তাদের একাংশ। চিঠিতে তাঁরা বলেছেন, “বালাসোরে ট্রেন দুর্ঘটনার পিছনে মানুষের হাত থাকতে পারে। কোনও জঙ্গিগোষ্ঠীর অন্তর্ঘাতমূলক কাজ হতে পারে।” রেল ট্র্যাকে যাতে কোনও নাশকতামূলক কাজ না হয়, সেটা দেখার জন্যও প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেছেন তাঁরা।

    চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন যাঁরা

    চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন ২৭০ জন। এঁদের মধ্যে ১৪ জন আদালতের প্রাক্তন বিচারপতি, ১১৪ জন প্রাক্তন সেনা আধিকারিক এবং ১১৫ জন প্রাক্তন আমলা। চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন প্রাক্তন প্রতিরক্ষা সচিব যোগেন্দ্র নারাইন, সিবিআইয়ের প্রাক্তন ডিরেক্টর নাগেশ্বর রাও, এনআইএর প্রাক্তন ডিরেক্টর যোগেশ চান্দের মোদি এবং র-র অবসরপ্রাপ্ত ডিরেক্টর সঞ্জীব ত্রিপাঠী। জম্মু-কাশ্মীর, মহারাষ্ট্র এবং উত্তর প্রদেশের পুলিশের ডিজিপিরাও সই করেছেন ওই চিঠিতে।

    অন্তর্ঘাতের ইঙ্গিত?

    চিঠিতে বলা হয়েছে, “ওড়িশার বালাসোরের ঘটনায় (Coromandel Express) আমরা মর্মাহত। দ্রুত গতিতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে সেজে উঠেছে ভারতীয় রেল। এই অবস্থায় এই দুর্ঘটনা মেনে নেওয়া কষ্টকর।” তাঁরা লিখেছেন, “সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানতে পেরেছি, রেলকর্মীদের ভুলে বেলাইন হওয়ার জেরেই ঘটেছে ভয়াবহ এই ট্রেন দুর্ঘটনা। আর এখানেই জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে অন্তর্ঘাতের একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।” 

    আরও পড়ুুন: নজিরবিহীন! পঞ্চায়েত ভোটে পর্যবেক্ষক নিয়োগ কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের

    তাঁরা লিখেছেন, “রেল পরিষেবা বিপর্যস্ত করতে এর আগেও একই রকমের পরিকল্পনা করেছে জঙ্গিরা। অন্তর্ঘাতের সাহায্যে ট্রেনকে লাইনচ্যুত করেছে সন্ত্রাসবাদীরা। সাধারণ জনগণকে জীবন দিয়ে যার মূল্য দিতে হয়েছে।” উদাহরণ দিয়ে তাঁরা লিখেছেন, “১৯৯০ সাল থেকে ২০০০-র শুরুর দিক পর্যন্ত বারবার রেললাইনকে (Coromandel Express) টার্গেট করেছে জঙ্গিরা। পাঠানকোট থেকে জম্মু পর্যন্ত ট্র্যাকে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। ফলে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রেললাইন। এই সময়ের মধ্যে বাহিনী ও কর্মীদের তৎপরতায় অন্তত আটটি বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছিল।” রেললাইনের ধারে অবৈধ নির্মাণ নিয়েও সরব হয়েছেন তাঁরা। লিখেছেন, “পূর্ব ও উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতে রেললাইনের ধারে অবৈধ নির্মাণ বেশি লক্ষ্য করা গিয়েছে। অবিলম্বে সেগুলিকে সরিয়ে দিয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • S Jaishankar: “ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার কোনও ভাবনা ভারতের নেই”, সাফ জানালেন জয়শঙ্কর

    S Jaishankar: “ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার কোনও ভাবনা ভারতের নেই”, সাফ জানালেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাটোয় (NATO) যোগ দেওয়ার কোনও ভাবনা ভারতের (India) নেই। সাফ জানিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি জানান, পশ্চিমি বিশ্বের ওই জোটে যোগ দিলে ভারতের খুব একটা উপকার হবে না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত হয় নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন। পথ চলা শুরু হয় ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল। সদস্য দেশগুলিতে শান্তি রক্ষাই ন্যাটোর উদ্দেশ্য।

    ন্যাটোর সদস্য

    ন্যাটোয় এখনও পর্যন্ত ৩১টি দেশ যুক্ত হয়েছে। এই দেশগুলির মধ্যে রয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেন, জার্মানি এবং ইটালির মতো দেশ। তবে ন্যাটোয় নেই ভারত। যদিও চলতি বছর এপ্রিলেই নর্থ আটলান্টিক মিলিটারি অ্যালায়েন্সে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি জুলিয়ানে স্মিথ এক বার্তায় বলেছিলেন, ভারতের সংযুক্ত হওয়ার জন্য ন্যাটোর দরজা খোলা রয়েছে। ন্যাটোয় অন্তর্ভুক্ত হতে ভারত কতটা আগ্রহী, সেটাও জানতে চেয়েছিল ওয়াশিংটন। আমেরিকা চাইলেও, ভারত এ ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহ দেখায়নি।

    ন্যাটো (NATO) নিয়ে ভারতের অবস্থান

    জয়শঙ্কর (S Jaishankar) তো জানিয়েই দিলেন, ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার কোনও ভাবনা ভারতের নেই। অথচ ভারত সহ আরও ৬টি দেশকে ন্যাটো প্লাসে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এই দেশগুলি হল, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড, ইজরায়েল এবং দক্ষিণ কোরিয়া। বিশ্ব নিরাপত্তা শক্তপোক্ত করতেই ন্যাটের শক্তি বাড়ানো প্রয়োজন বলেই মনে করেছিলেন ন্যাটোর কর্তাব্যক্তিরা।

    আরও পড়ুুন: ঠাকুরনগরে তুমুল বিক্ষোভ মতুয়াদের, অভিষেককে গো-ব্যাক স্লোগান

    তবে ভারত যে ন্যাটোয় যোগ দেবেই না, তা জানাই ছিল। কারণ আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতানোর পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গে থাকা পুরানো সম্পর্ক নষ্ট করতে চাইছে না ভারত (S Jaishankar)। বিশ্ব রাজনীতিতে ভারত বরাবরই ভারসাম্যের নীতি নিয়েছে। ন্যাটোয় যোগ দিলে রাশিয়ার বিরাগভাজন হতে হবে ভারতকে। তাই ন্যাটোয় যোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তই নিয়েছে নয়াদিল্লি।

    যদিও আমেরিকা বিশ্বাস করে চিনকে ঠেকানো এবং ভারত-প্রশান্ত মহাসাগর অঞ্চলে চিনা আগ্রাসন রুখতে ভারতের ন্যাটোয় যোগ দেওয়া প্রয়োজন। তবে ভারত যে চিনা আগ্রাসনের মোকাবিলা করতে সক্ষম, তা জানিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। তাই ন্যাটোয় যোগ দিচ্ছে না ভারত।

    এখন দেখার, ভারত-মার্কিন সম্পর্কের জল কোনদিকে গড়ায়!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Coromandel Express Accident: এআই পোর্টাল ‘সঞ্চার সাথী’র সাহায্যে করমণ্ডল দুর্ঘটনায় বহু মৃতদেহ শনাক্ত

    Coromandel Express Accident: এআই পোর্টাল ‘সঞ্চার সাথী’র সাহায্যে করমণ্ডল দুর্ঘটনায় বহু মৃতদেহ শনাক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার বালাসোরে করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় (Coromandel Express Accident) নিহত অনেক মানুষের পরিচয় এখনও মেলেনি। দুর্ঘটনার পর ৯ দিন কেটে গেলেও এখনও বেওয়ারিশ লাশের মত পড়ে রয়েছে বহু দেহ। এমন পরিস্থিতিতে ওড়িশা সরকারের সাহায্যে এই মৃতদেহগুলি শনাক্ত করতে রেলওয়ে নতুন প্রযুক্তি কাজে লাগাচ্ছে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সিম ট্রায়াঙ্গুলেশনের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। রেলওয়ে এআই (AI) চালিত ওয়েবসাইট ‘সঞ্চার সাথী’ এবং সিম কার্ডের ব্যবহার করা হচ্ছে।

    কী ভাবে দেহগুলিকে শনাক্ত করা হল 

    রেলের তরফে জানানো হয়েছিল, মোট ৮৩টি দেহ এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ইতিমধ্যেই ডিএনএ নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। কিন্তু, তাতেও অধরা অনেকের পরিচয়। ফলে এবার আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে রেল। কী ভাবে মৃতদেহগুলিকে (Coromandel Express Accident) শনাক্ত করল এআই পোর্টাল? জানা গিয়েছে, এই আর্টিফিসিয়াল ইন্টালিজেন্স মূলত গ্রাহকদের নামে ইস্যু হওয়া মোবাইল নম্বরগুলিকে ট্র্যাক করে। এরপর নম্বর ব্লক করে স্মার্টফোনের লোকেশন খুঁজে বের করে। এক রেল আধিকারিকের কথায়, “নিরুপায় হয়ে আমরা শেষ পর্যন্ত সঞ্চার সাথী এআই পোর্টালের সাহায্য নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। ৬৪টি দেহের শনাক্তকরণের জন্য এই পোর্টালের সাহায্য নেওয়া হয়। ৪৫টি ক্ষেত্রে সফল হয়েছে সেটি।”

    আরও পড়ুন: প্রতি জিবি ডেটা ৩০৮ থেকে কমে ১০ টাকারও নিচে! প্রযুক্তি ক্ষেত্রে সাফল্য মোদি সরকারের

    এআই পোর্টাল কী?

    রেল প্রাথমিকভাবে ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি অব ইন্ডিয়া (ইউআইডিএআই) এর একটি দলকে ডেকেছিল এই মৃতদের পরিচয় জানতে। তাঁদের আঙুলের ছাপ নিতে ডাকা হয়। কিন্তু এটি শেষ পর্যন্ত কাজ করেনি। কারণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বুড়ো আঙুলের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং ছাপ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। উল্লেখ্যে, এই সঞ্চার সাথী পোর্টাল সম্প্রতি উদ্বোধন করেছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, যিনি দেশের তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রীও বটে। মৃতদেহের ছবির সাহায্যে এই এআই পোর্টাল তাঁদের ফোন নম্বর এবং আধার কার্ডের তথ্য বের করে ফেলছে। আর সেই তথ্যের সাহায্য়েই দুর্ঘটনায় (Coromandel Express Accident) মৃতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু, এই এআই পোর্টালের সাহায্যে মৃতদেহের চিহ্নিতকরণও দুর্বিসহ কাজ। কারণ অধিকাংশ মৃতদেহে ইতিমধ্যে পচন ধরেছে। দুর্ঘটনার জেরে বহু মানুষের মুখ বিকৃত হয়ে গিয়েছে। অধিকাংশের মুখ পুড়ে ঝলসে গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • PM Modi: দিল্লিতে ন্যাশনাল ট্রেনিং কনক্লেভের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: দিল্লিতে ন্যাশনাল ট্রেনিং কনক্লেভের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের প্রথম ন্যাশনাল ট্রেনিং কনক্লেভের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। রবিবার দিল্লির প্রগতি ময়দানের ইন্টারন্যাশনাল এক্সিবিশন অ্যান্ড কনভেনশন সেন্টারে ওই কনক্লেভের উদ্বোধন করা হয়। দেশের সমস্ত সিভিল সার্ভিস ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন এদিনের কনক্লেভে। কনক্লেভের মূল লক্ষ্য ছিল, দেশের বিভিন্ন সিভিল সার্ভিস ট্রেনিং ইন্সটিটিউটের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। ওই প্রতিষ্ঠানগুলির পরিকাঠামো শক্তিশালী করাও এর অন্যতম উদ্দেশ্য।

    কনক্লেভে যাঁরা ছিলেন

    এদিনের কনক্লেভে ট্রেনিং প্রতিষ্ঠানগুলির দেড় হাজারেরও বেশি প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। এঁদের মধ্যে ছিলেন সেন্ট্রাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউটস, স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রেনিং ইন্সটিটিউটস, রিজিওনাল ও জোনাল ট্রেনিং ইন্সটিটিউট এবং রিসার্চ ইন্সটিটিউটসের প্রতিনিধিরাও। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার, রাজ্য সরকার এবং স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন দফতরের সিভিল সার্ভিস আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন এদিনের কনক্লেভে। যোগ দিয়েছিলেন বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার বিশেষজ্ঞরাও।

    মত বিনিময়

    সরকারের তরফে জারি করা বিবৃতিতে (PM Modi) বলা হয়েছে, এই যে বিভিন্ন দফতরের লোকজন ছিলেন, তাঁদের মধ্যে মত বিনিময় হয়েছে। বর্তমানে কোন কোন চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা করতে হবে, সুযোগই বা কী কী রয়েছে, সমস্যার সমাধানই বা কীভাবে করা যায়, দক্ষতা বাড়ানোর জন্যই বা কী কী করা যেতে পারে, এসব নিয়েও আলোচনা হয়েছে। কনক্লেভে আটটি প্যানেল ডিসকাসন হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: ‘মমতা চাইছেন গন্ডগোল হোক, সেই ফাঁকে তাঁরা জিতে যাবেন’, দাবি দিলীপের

    সবগুলিই সিভিল সার্ভিস ট্রেনিং ইন্সটিটিউট সংক্রান্ত। কীভাবে ফ্যাকাল্টি উন্নত করা যায়, ট্রেনিং ইমপ্যাক্ট অ্যাসেসমেন্ট করা যায়, কনটেন্ট ডিজিটাইজেশন করা যায়, এসব বিষয় নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এদিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শাসন পদ্ধতি ও পলিশি উন্নয়নের ওপর জোর দেন। প্রসঙ্গত, যাঁরা সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় (PM Modi) পাশ করে কাজে যোগ দেন, প্রথমে তাঁদের পাঠানো হয় ট্রেনিংয়ে। সেখানের পাঠ শেষ হলে নিয়োগ করা হয় তাঁদের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: নামল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিমান, অন্ধকারে ডুবে চেন্নাই, চাপানউতোর

    Amit Shah: নামল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিমান, অন্ধকারে ডুবে চেন্নাই, চাপানউতোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাত ৯.২০। চেন্নাই (Chennai)  বিমানবন্দরে নামলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। নিকষ কালো অন্ধকারে তখন ডুবে বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকা। শহরের বিস্তীর্ণ এলাকাও তখন অন্ধকারে ডুবে। তমশার বুক চিরেই শহরের উদ্দেশে ছুটল শাহের কনভয়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তামিলনাড়ুর শাসক দল ডিএমকের সঙ্গে চাপানউতোর বিজেপির।

    বিজেপির অভিযোগ

    পদ্ম নেতৃত্বের অভিযোগ, শাহের মতো একজন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গলদ ছিল। ঘটনার তদন্ত দাবি করেছে গেরুয়া শিবির। তামিলনাড়ুর বিজেপির সহ সভাপতি কারু নাগারাজন বলেন, “একজন গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আমাদের দলের নেতা বিমানবন্দরে নামার সময় কীভাবে বিদ্যুৎ চলে যেতে পারে? এর তদন্ত হওয়া উচিত।”

    ডিএমকের দাবি

    বিজেপির অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে ডিএমকের দাবি, তীব্র (Amit Shah) গরমের কারণে বিদ্যুতের বিপুল চাহিদা রয়েছে। পাওয়ার গ্রিডগুলোর ওপর চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এর মধ্যে কোনও অভিসন্ধি বা চক্রান্ত ছিল না বলেই দাবি শাসক দলের। ডিএমকের মুখপাত্র টিকেএস এলানগোভান বলেন, “অন্যান্য সময়ের তুলনায় এখন বিদ্যুতের চাহিদা বেশি। তাই মাঝেমধ্যেই বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। বিজেপি চাইলে এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে দিতে পারে। এটা নিয়ে ওরা অহেতুক রাজনীতি করছে।”

    আরও পড়ুুন: ঠাকুরনগরে তুমুল বিক্ষোভ মতুয়াদের, অভিষেককে গো-ব্যাক স্লোগান

    তামিলনাড়ুর বিদ্যুৎ দফতর সূত্রে খবর, বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকায় যে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের লাইন রয়েছে, তা পাওয়ার গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে (Amit Shah) যাওয়ায়ই এই ঘটনা। কেবল বিমানবন্দরই নয়, পোরুর, সেন্ট থমাস মাউন্ট, পুনামাল্লের মতো এলাকাও বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। বিদ্যুৎ বিভ্রাট ঘটেছে রাত সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

    আরও পড়ুুন: ‘মমতা চাইছেন গন্ডগোল হোক, সেই ফাঁকে তাঁরা জিতে যাবেন’, দাবি দিলীপের

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: ছন্দে ফিরছে মণিপুর, ড্রপবক্সে পড়ছে ছিনতাই হওয়া অস্ত্রও

    Manipur: ছন্দে ফিরছে মণিপুর, ড্রপবক্সে পড়ছে ছিনতাই হওয়া অস্ত্রও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধীরে হলেও, শান্তি ফিরছে মণিপুরে (Manipur)। শান্তি ফেরাতে এ মাসেও মোতায়েন রাখা হয়েছে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র বাহিনী। গড়া হয়েছে বিশেষ শান্তিরক্ষক কমিটি। এই জোড়া পদক্ষেপের জেরে শান্তি ফিরতে শুরু করেছে উত্তর পূর্বের এই রাজ্যে। যেহেতু রাজ্যের পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে, তাই শিথিল করা হয়েছে কারফিউ। তবে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকছে ১৫ জুন বেলা ৩টে পর্যন্ত।

    কারফিউ শিথিল

    সরকারের মুখপাত্র সপম রঞ্জন বলেন, কিছু সরকারি প্রতিষ্ঠান যেখানে জরুরি পরিষেবা দেওয়া হয়, সেখানে আমরা ইন্টারনেট পরিষেবা দিচ্ছি। পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে কতদিন। জানা গিয়েছে, ইম্ফল পূর্ব এবং ইম্ফল পশ্চিম সহ আরও কয়েকটি জেলায় কারফিউ শিথিল করা হয়েছে। ইম্ফলে ভোর ৫টা থেকে রাত্রি ৮টা পর্যন্ত কারফিউ শিথিল করা হয়েছে। এর আগে ছিল সন্ধে ৬টা পর্যন্ত। 

    অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি

    প্রশাসন সূত্রে খবর, ৪ জুনের পর এখনও পর্যন্ত অশান্তির কোনও ঘটনা ঘটেনি রাজধানীতে (Manipur)। সরকারের ওই মুখপাত্র বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা ঘটেনি। এ থেকে প্রমাণ হয় রাজ্যে ক্রমেই ফিরছে শান্তি। ছন্দে ফিরছে গোটা রাজ্য।

    এদিকে, ফের অস্ত্র সমর্পণ করতে শুরু করেছেন তরুণরা। ছিনতাই হওয়া অস্ত্র সমর্পণের একটি পোস্টার টাঙানো হয়েছিল এক বিজেপি বিধায়কের বাড়ির সামনে। ইংরেজি এবং মেইতেই ভাষায় অস্ত্র সমর্পণের অনুরোধ জানানো হয়েছিল। বলা হয়েছিল, যাঁরা অস্ত্র ফেরাবেন, তাঁদের নামধাম জানানোর প্রয়োজন নেই। রাখা হয়েছিল একটি ড্রপবক্সও। দেখা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই ড্রপবক্সে জমা পড়েছে এক (Manipur) জোড়া অটোমেটিক রাইফেল সহ মোট ১৩০টি আগ্নেয়াস্ত্র। স্থানীয় বিধায়ক সুশীন্দ্র বলেন, ড্রপবক্সের চাবি পুলিশের কাছে রয়েছে। তারা যখন খুশি এসে অস্ত্র নিয়ে যেতে পারে। এর পাশাপাশি চলছে অস্ত্র উদ্ধার অভিযানও। আধাসেনা ও রাজ্য পুলিশের যৌথ অভিযানে কেবল শুক্রবারই ৩৫টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: “টাকার বিনিময়ে প্রার্থী করা হচ্ছে,” সরব তৃণমূলের প্রাক্তন ব্লক সভাপতি

    অন্যদিকে, শনিবার ইম্ফলে (Manipur) গিয়ে মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির এন বীরেন সিংহের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন পদ্ম-শাসিত রাজ্য অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। মণিপুরের হিংসা নিয়েই আলোচনা হয়েছে দুই মুখ্যমন্ত্রীর। প্রসঙ্গত, মাসাধিককাল ধরে অশান্তির আগুনে জ্বলছিল মণিপুর। হিন্দু মেইতেই ও কুকি উপজাতির (যাদের সিংহভাগই খ্রিস্টান) মধ্যে চলছিল সংঘর্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Bahanaga Bazar Station: ওড়িশার বাহানগা বাজার স্টেশনে আর দাঁড়াবে না ট্রেন, কেন জানেন?

    Bahanaga Bazar Station: ওড়িশার বাহানগা বাজার স্টেশনে আর দাঁড়াবে না ট্রেন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার এক অখ্যাত রেলস্টেশন বাহানগা বাজার (Bahanaga Bazar Station)। করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার পরে রাতারাতি বিখ্যাত হয়ে উঠেছিল এই স্টেশন। ২ জুনের অভিশপ্ত সেই রাতের সাক্ষী ছিল অখ্যাত এই স্টেশনই। এই স্টেশনেই আপাতত আর কোনও ট্রেন থামবে না। শালিমার চেন্নাই করমণ্ডল এক্সপ্রেস দুর্ঘটনার তদন্ত করছে সিবিআই (CBI)। সেই তদন্ত শেষ না হওয়া ইস্তক আর কোনও ট্রেন থামবে না বালাসোর জেলার বাহানগা বাজারে।

    রেলের বক্তব্য

    দুর্ঘটনাস্থলটি দক্ষিণ পূর্ব রেলের জোনের মধ্যে পড়ে। এই জোনের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক আদিত্য কুমার চৌধুরী বলেন, “সিবিআই ইতিমধ্যেই বাহানাগা বাজার স্টেশন সিল করে দিয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে লগ বুক, রিলে প্যানেল এবং অন্যান্য সরজ্ঞাম। রিলে ইন্টারলকিং সিস্টেম সিল করে দেওয়ার ফলে রেলকর্মীদের পক্ষে সিগন্যালিং পয়েন্ট অপারেট করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও প্যাসেঞ্জার বা মালগাড়ি এই স্টেশনে থামবে না। যতক্ষণ না পর্যন্ত সিবিআই পরবর্তী নোটিশ দিচ্ছে, ততক্ষণ এই নির্দেশ জারি থাকবে।”

    বাহানগা বাজার (Bahanaga Bazar Station)

    বালাসোর জেলার এই স্টেশনে (Bahanaga Bazar Station) এক্সপ্রেস, লোকাল কিংবা মালগাড়ি নিয়মিত দাঁড়াত না কোনওকালেই। তবে সিগন্যাল না পেলে দাঁড়িয়ে পড়ত। অপেক্ষা করতে হত সবুজ সংকেতের। দুর্ঘটনার পর এবার আর সেটাই হবে না। বাহানগা বাজারের নিকটবর্তী সোরো এবং খান্তাপাদা স্টেশনেই আপাতত সিগনালের জন্য অপেক্ষা করতে হবে ট্রেনগুলিকে।

    আরও পড়ুুন: ‘উদ্ধব ঠাকরে বিজেপির সঙ্গে প্রতারণা করেছিলেন’, মহারাষ্ট্রের সভায় শাহি তোপ

    ২ জুন দুর্ঘটনার করলে পড়েছিল চেন্নাইগামী করমণ্ডল এক্সপ্রেস। মৃত্যু হয়েছিল ২৮৮ জন যাত্রীর। জখম হয়েছিলেন ১১০০-র বেশি মানুষ। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। নেমেছিল বায়ুসেনা, এনডিআরএফের ৯টি দল। হেলিকপ্টারের সাহায্যে চলছিল উদ্ধারকাজ। ট্রেনের দরজা ভেঙে, গ্যাস কাটারের সাহায্যে উদ্ধার করা হয়েছিল জীবিত ও মৃত যাত্রীদের। উদ্ধারকাজে গতি আনতে অকুস্থলে (Bahanaga Bazar Station) পাঠানো হয়েছিল মালদহ ডিভিশনের ২২৪ জন আরপিএফ জওয়ানকে। দুর্ঘটনার জেরে বাহানাগা বাজারে ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল ৫১ ঘণ্টা। লাইনচ্যুত হওয়া ১৫টি কামরা সরিয়ে ফেলে ফের চালু করা হয় ট্রেন চলাচল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

      

  • PM Modi: ব্রিকস সম্মেলনের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টকে ফোন মোদির, কী আলোচনা হল জানেন?

    PM Modi: ব্রিকস সম্মেলনের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্টকে ফোন মোদির, কী আলোচনা হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগাস্ট মাসে ব্রিকস (BRICS) সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ আফ্রিকা যাওয়ার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi)। তার আগে শনিবার টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রী কথা বললেন সে দেশের প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসার সঙ্গে। দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। ব্রিকস সম্মেলনে সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে দুই রাষ্ট্রনেতার। শনিবার বিবৃতি জারি করে একথা জানানো হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতরের তরফে।

    জি-২০র সভাপতিত্বকে সমর্থন

    বর্তমানে জি-২০র সভাপতিত্ব করছে ভারত। তাকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট। বিবৃতিতে এও জানানো হয়েছে, দুই রাষ্ট্রনেতাই দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চান। দুই দেশের ঐতিহাসিক এবং মানুষে মানুষে বন্ধনের কথাও উঠে এসেছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনায়।

    ব্রিকসের অন্যতম সদস্য রাশিয়াও

    অগাস্ট মাসে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে হবে ব্রিকস সম্মেলন। এ বছর এই সম্মেলনের নেতৃত্ব দেবে রামাফোসার দেশ। সেই সম্মেলনে যাওয়ার আগে একপ্রস্ত আলোচনা সেরে রাখলেন মোদি-রামাফোসা। ভারতকে ১২টি চিতা দেওয়ার জন্য রামাফোসাকে ধন্যবাদও জানান মোদি (PM Modi)। ব্রিকসের অন্যতম সদস্য দেশ রাশিয়া। সেই রাশিয়াই বর্তমানে পড়শি দেশ ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত। ভারতের পাশাপাশি দক্ষিণ আফ্রিকাও চায়, বন্ধ হোক যুদ্ধ। স্থায়ী শান্তি ফিরে আসুক রাশিয়া-ইউক্রেনে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে বলেওছেন, এটা যুদ্ধের সময় নয়। তার পরেও যুদ্ধ থামেনি। দুই দেশকেই আলোচনার টেবিলে বসে সমস্যার সমাধান করতে বলেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।

    আরও পড়ুুন: ‘উদ্ধব ঠাকরে বিজেপির সঙ্গে প্রতারণা করেছিলেন’, মহারাষ্ট্রের সভায় শাহি তোপ

    গত সপ্তাহে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে ব্রিকসের সদস্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপ টাউনে গিয়েছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি দেখেছিলেন, কীভাবে পশ্চিম বিশ্বকে মাত দিতে ক্রমেই এগোচ্ছে দক্ষিণ বিশ্ব। ১৫তম ব্রিকস সম্মেলনের আলোচ্যসূচি কী হবে, তাও চূড়ান্ত হয়েছে বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, একটি হল ব্রিকসের সদস্য সংখ্যা বাড়ানো (PM Modi) এবং সদস্য দেশগুলির মধ্যে অভিন্ন মুদ্রা চালু করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share