Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • India-China Conflict: মোদি-জিনপিং বৈঠকের আগে পূর্ব লাদাখে মেজর জেনারেল স্তরের আলোচনা শুরু

    India-China Conflict: মোদি-জিনপিং বৈঠকের আগে পূর্ব লাদাখে মেজর জেনারেল স্তরের আলোচনা শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ আফ্রিকায় চিনের (India-China Conflict) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচ্চ-পর্যায়ের বৈঠকের আগে পূর্ব লাদাখের সীমান্ত সমস্যা মেটাতে চুসুল-মলডো সীমান্তবর্তী এলাকায় বৈঠকে বসলেন দু’দেশের সেনাকর্তারা। আগামী সপ্তাহে ব্রিকস সম্মেলনের আসরে চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে দেখা হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তার আগে দু-দেশের সীমান্ত বিরোধের একটা মুখরক্ষার সমাধান সূত্র বের হোক চাইছে দুপক্ষই। দুই দেশের পরিকল্পনা, সেনা কর্তাদের বৈঠকে অগ্রগতি হলে তা সামনে রেখে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনা এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। 

    দক্ষিণ আফ্রিকা ও গ্রিস সফর মোদির

    পূর্ব লাদাখে অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে মেজর জেনারেল পর্যায়ের আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দৌলত বেগ ওল্ডি এবং চুসুলে বর্তমান অচলাবস্থার অবসান ঘটাতে ইন্দো-চিন (India-China Conflict) সেনারা মেজর-জেনারেল পর্যায়ে আলোচনা করছে। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠকের আগে এটিকে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পঞ্চম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি মালামেলা সিরিল রামাফোসার আমন্ত্রণে শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে ২২ থেকে ২৪ অগাস্ট জোহানেসবার্গে থাকবেন। দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে গ্রিসের বিদেশমন্ত্রী কিরিয়াকোস মিতসোটাকিসের আমন্ত্রণে সরকারি সফরে গ্রিস যাবেন মোদি।

    আরও পড়ুন: আর্থিকভাবে এগিয়ে চলেছে দেশ, বেড়েছে গড় আয় ও করদাতার সংখ্যা, রিপোর্ট প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    ভারত-চিন আলোচনা

    প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে যে পূর্ব লাদাখে অচলাবস্থা কাটানোর জন্য মেজর জেনারেল পর্যায়ের আলোচনা চলছে। মোদি জিনপিংয়ের (India-China Conflict) মধ্যে আলোচনার আগে এই বৈঠকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আলোচনায় ভারতীয় পক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেন ত্রিশূল ডিভিশনের কমান্ডার মেজর জেনারেল পিকে মিশ্র এবং ইউনিফর্ম ফোর্স কমান্ডার মেজর জেনারেল হরিহরণ। ১৩-১৪ অগাস্ট চুসুল-মলডো বর্ডার মিটিং পয়েন্টে দুই পক্ষের মধ্যে অনুষ্ঠিত কোর কমান্ডার পর্যায়ের ১৯তম দফার আলোচনার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে এই আলোচনা হয়। বৈঠকে ভারতের পক্ষ থেকে তিন বছরের আগেকার স্থিতাবস্থা অবিলম্বে বহাল রাখা ও ডেপসাং ও ডেমচক থেকে চিনা সেনাদের পিছিয়ে যাওয়ার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। তিন বছর আগে গলওয়ান উপত্যাকায় ভারতীয় অংশে আচমকাই ঢুকে আসে চিন সেনা। দু’পক্ষের সংঘর্ষে ক্ষয়ক্ষতি হয় উভয় শিবিরের। তারপর থেকেই সেনা প্রত্যাহার নিয়ে আলোচনা চলছে দু’দেশের মধ্যে। যার ফল হিসাবে ২০২১ সালে গোগরা হটস্প্রিং এলাকা ও প্যাংগং লেকের বিস্তীর্ণ অংশ থেকে সেনা প্রত্যাহার করে নেয় দু’দেশই। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: আর্থিকভাবে এগিয়ে চলেছে দেশ, বেড়েছে গড় আয় ও করদাতার সংখ্যা, রিপোর্ট প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: আর্থিকভাবে এগিয়ে চলেছে দেশ, বেড়েছে গড় আয় ও করদাতার সংখ্যা, রিপোর্ট প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি জমানায় দেশ এগিয়েছে এবিষয়ে অনেক রিপোর্টই বিভিন্ন মহল থেকে তথ্যসহ তুলে ধরা হয়েছে এর আগে। এবার দেশের অগ্রগতির গবেষণামূলক রিপোর্ট পেশ করলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর জমানায় দেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি যে হয়েছে এই রিপোর্টই তার সব থেকে বড় প্রমাণ, এমনটাই বলছে ওয়াকিবহাল মহল। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, গত ৯ বছরে দেশের মানুষের আয় প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। কর জমা সংক্রান্ত যে দুটি রিপোর্ট এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) উল্লেখ করেছেন তার মধ্যে একটি স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট এবং অন্যটি হল বিশিষ্ট সাংবাদিক অনিল পদ্মনাভনের লেখা রিপোর্ট। নিজের লিঙ্কডইন অ্যাকাউন্টে ‘ইন্ডিয়া রাইসিং প্রসপারেটি’ বিষয়ে একটি লেখায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই দুটি রিপোর্টটি তুলে ধরেন। 

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) দেশের অগ্রগতি সংক্রান্ত এই রিপোর্টটি তুলে ধরে লেখেন, ‘‘এমন একটা বিষয়ে আলোচনা হতে চলেছে যা শুনে দেশের মানুষ খুব আনন্দ পাবে।’’ তাঁর লেখায় নরেন্দ্র মোদি ওই দুটি গবেষণাধর্মী রিপোর্ট থেকে কিছু নির্বাচিত অংশ তুলে ধরেন। এসবিআই রিপোর্টের অংশ থেকে তিনি লেখেন, ‘‘২০১৪ থেকে ২০২৩ সালের আর্থিকবর্ষে তুলনা করলে দেখা যাচ্ছে ২০১৪-তে যেখানে গড় আয় ছিল ৪.৪ লক্ষ টাকা তা বেড়ে ২০২৩ সালে হয়েছে ১৩ লাখ টাকা।

    স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার রিপোর্ট

    এসবিআই গবেষণা রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে যে আয়কর রিটার্নের ভিত্তিতে গত ৯ বছরে গড় আয় অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এই উন্নতিকে প্রশংসনীয়বলে উল্লেখ করেন। ২০১৪ সালের থেকে ২০২৩ সালে গড় আয় প্রায় তিনগুণ বেড়েছে। অন্যদিকে এই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে আমাদের দেশের ছোট রাজ্যগুলি, বিশেষত উত্তর-পূর্বাঞ্চলে মণিপুর, মিজোরাম, নাগাল্যান্ডে গত ৯ বছরে আয়কর দাখিলের হার ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। আয়কর দাখিলের ফলে যেমন দেখা যাচ্ছে দেশের মানুষের গড় আয়ের পরিমাণ বেড়েছে তেমনি এটা সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

    অনিল পদ্মনাভনের গবেষণার রিপোর্ট

    স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার মতো বিশিষ্ট সাংবাদিক পদ্মনাভনের রিপোর্টেও দেশের জনগণের আয় বৃদ্ধির হার দেখা গিয়েছে। এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে কর প্রদানের হার তিন থেকে চারগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০১৪ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত দেশের প্রতিটি রাজ্যে এই কর বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের সবথেকে বেশি আইটিআর দাখিল হয়েছে উত্তরপ্রদেশে। ২০১৪ সালের জুন মাসে উত্তরপ্রদেশে ১ লাখ ৬৫ হাজার বাসিন্দা আইটিআর দাখিল করেছিল আর ২০২৩ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১.৯২ লক্ষ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • 3D-Printed Post Office: ভারতে প্রথম থ্রিডি প্রিন্টেড পোস্ট অফিসের নির্মাণ, ‘দেশবাসী গর্বিত’, বললেন মোদি

    3D-Printed Post Office: ভারতে প্রথম থ্রিডি প্রিন্টেড পোস্ট অফিসের নির্মাণ, ‘দেশবাসী গর্বিত’, বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদ্বোধন হল দেশের প্রথম থ্রিডি প্রিন্টেড পোস্ট অফিসের (3D-Priented Post Office)। বেঙ্গালুরুর কেমব্রিজ লেআউটে অবস্থিত এই পোস্ট অফিসটির ছবি নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে রেল এবং তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই পোস্ট অফিসটিকে দেশের আপামর মানুষের কাছে উৎসর্গ করেছেন। অশ্বিনী বৈষ্ণব শুক্রবার এই পোস্ট অফিসের (3D-Printed Post Office) উদ্ধোধন করেন।

    পোস্ট অফিসের খুঁটিনাটি

    জানা গিয়েছে, মাত্র ৪৩ দিনেই মাথায় তৈরি হয়েছে দেশের প্রথম থ্রিডি প্রিন্টেড পোস্ট অফিস (3D-Printed Post Office)। নির্মাণকারী সংস্থা হল লার্সেন এন্ড টুবরো। নির্মাণ কাজে সম্পূর্ণভাবে সহায়তা করেছে আইআইটি মাদ্রাজ। জানা গিয়েছে, মাদ্রাজ আইআইটির অধ্যাপক মনু সন্থানম এই নির্মাণের অন্যতম স্থপতি। ১,০২১ বর্গফুট এলাকা জুড়ে অবস্থিত এই পোস্ট অফিসটিতে থ্রিডি কংক্রিট প্রযুক্তি (3D-Printed Post Office) ব্যবহার করা হয়েছে এবং অটোমেটেড নির্মাণ প্রযুক্তিতে রোবটিক্স প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়েছে। এই রোবটিক্স প্রযুক্তির জেরেই গোটা নির্মাণ পর্ব তিনদিনে সম্পন্ন হয়েছে। 

    প্রধানমন্ত্রীর ট্যুইট

    শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে এই পোস্ট অফিসের ছবি পোস্ট করেন এবং তিনি লেখেন, ‘‘প্রত্যেক ভারতবাসী এই থ্রিডি প্রিন্টেড পোস্ট অফিসের জন্য গর্বিত। যা অবস্থান করছে বেঙ্গালুরুর কেমব্রিজ আউটলেটে।  এই পোস্ট অফিস আমাদের দেশের সৃজনশীলতা এবং অগ্রগতিকে বহন করছে। এই পোস্ট অফিসের (3D-Printed Post Office) কাজ সম্পন্ন করতে যাঁরা কঠোর পরিশ্রম করেছেন তাঁদের অভিনন্দন।’’

    তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের ট্যুইট

    তথ্য ও প্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব এই পোস্ট অফিসের একটি ভিডিও পোস্ট করে লেখেন, এটা হল আত্মনির্ভর ভারতের উদ্যম। পোস্ট অফিস উদ্বোধন করার সময় তিনি বলেন, আমাদের দেশের প্রযুক্তি এবং অগ্রগতির প্রতীক হল এই পোস্ট অফিস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “২০৪৭ সালের মধ্যে প্রতিটি গ্রামে উন্নয়নের দীপ জ্বালাতে হবে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “২০৪৭ সালের মধ্যে প্রতিটি গ্রামে উন্নয়নের দীপ জ্বালাতে হবে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিজেপির আসল শক্তি তার কর্মীরা।” শুক্রবার কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন দলীয় জেলা পঞ্চায়েত সদস্যদের সম্মেলনে ভার্চুয়ালি ভাষণ দিচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সময়ই তিনি দলীয় কর্মীদের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপির আসল শক্তি তার কর্মীরা এবং তাঁরা সব সময় আমাদের সঙ্গেই থাকেন।”

    পঞ্চায়েতে বেড়েছে বরাদ্দ

    দাদরা নগর হাভেলি এবং দমন দিউয়ে ক্ষেত্রীয় পঞ্চায়েতি রাজ পরিষদের উদ্বোধন করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী জানান, তাঁর সরকার ৩০ হাজারের বেশি জেলা পঞ্চায়েত ভবন তৈরি করেছে। তিনি বলেন, “আগে জেলা পঞ্চায়েতকে দেওয়া হত ৭০ হাজার কোটি টাকা। আর এখন দেওয়া হয় ৩ লক্ষ কোটি টাকা।” উন্নয়নের ক্ষেত্রে যৌথ দায়িত্ব যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। তিনি বলেন, “আমরা সংগঠনে বিশ্বাস করি, আমরা মূল্যবোধে বিশ্বাস করি, আমরা ত্যাগে বিশ্বাস করি এবং যৌথ দায়িত্ব নিয়ে আমরা এগিয়ে চলি। আমরা প্রতিনিয়ত সক্ষমতা অর্জন করি, বাড়িয়ে চলি দক্ষতা। উন্নয়ন হওয়া উচিত ব্যক্তি মানুষের পাশাপাশি আঞ্চলিক স্তরেও।”

    উন্নয়নের দিশা

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি আপনাদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খুলতে বলছি। এর মাধ্যমে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। একে অন্যকে বলুন, আপনার জেলায় কী কী উন্নয়নমূলক কাজ হচ্ছে, অন্যের জেলায় কী কাজ হচ্ছে, তাও জানুন।” তিনি বলেন, “প্রতি বছর তিনটি সামাজিক সমস্যা খুঁজে বের করুন। সেগুলি সম্পূর্ণ করতে চার মাস করে সময় দিন। এভাবে কাজ করলে আপনি দেখবেন, পাঁচ বছরে পনেরটি সামাজিক সমস্যার সমাধান আপনি করতে পেরেছেন। একশো দিনের কাজ প্রকল্পের টাকায় পুকুর খুঁড়ুন, রাস্তার কাজ করুন কিংবা বৃক্ষরোপণ অভিযান করুন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “২০৪৭ সালের মধ্যে দেশের প্রতিটি গ্রাম, তহশিল এবং জেলায় উন্নয়নের দীপ জ্বালাতে হবে।”

    আরও পড়ুুন: নকশালপন্থী সংগঠনকে নিষিদ্ধ না করলে যাদবপুরে তালা ঝোলানোর হুঁশিয়ারি এবিভিপির

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “উন্নয়নমূলক কাজের গুরুত্ব বিচার করে কাজ সাজান। তারপর শুরু করুন।” তিনি বলেন, “যাঁরা লোকাল বডির বিভিন্ন পদে কাজ করেন তাঁরা তাঁদের গ্রাম বা জেলায় উন্নয়নমূলক কাজ করুন। কোন কাজ আগে করা প্রয়োজন, জনগণের সমর্থন নিয়ে সেই কাজ শেষ করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ragging in College: ব়্যাগিংয়ের শিকার! অন্ধ্রপ্রদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলার ছাত্র সৌরদীপের রহস্যমৃত্যু

    Ragging in College: ব়্যাগিংয়ের শিকার! অন্ধ্রপ্রদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলার ছাত্র সৌরদীপের রহস্যমৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের (Jadavpur University) বাংলা বিভাগের ছাত্রের মৃত্যুর খবর সামনে আসতেই ফের ছাত্র মৃত্যুর ঘটনার কথা জানা গেল। এবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিশ্ববিদ্য়ালয়ে (AP University) রহস্যমৃত্যু হল এ রাজ্যের এক পড়ুয়ার। বিশ্ববিদ্য়ালয়ের তরফে দাবি করা হয়েছে, এগারো তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা (suicide) করেছেন ওই ছাত্র। 

    র‍্যাগিং-এর অভিযোগ

    যাদবপুরের পড়ুয়ার মতোই সদ্য উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে একরাশ স্বপ্ন নিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ার কে এল ইউনিভার্সিটিতে পড়তে গিয়েছিলেন সৌরদীপ চৌধুরী। স্বপ্নপূরণ তো হয়-ই-নি। মা-বাবা হস্টেলে রেখে আসার ৪ দিনের মাথায় বাড়িতে এসেছে ছেলের মৃত্যুসংবাদ। মৃতের বাবা জানিয়েছেন, ১৭ জুলাই, কম্পিউটার সায়েন্সে বিটেক করতে মেদিনীপুরের বাড়ি থেকে ছেলেকে অন্ধ্রপ্রদেশের বিজয়ওয়াড়ার কে এল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি করেন। ২০ জুলাই ফিরে আসেন তাঁরা। ছেলের সঙ্গে একাধিকবার কথা হওয়ার সময়, সে ভালই আছে বলে জানিয়েছিল। সূত্রের খবর, ২৪ জুলাই সৌরদীপের বাবা সুদীপ চৌধুরীর কাছে আসে ফোন। জানানো হয় ছেলের মৃত্যুর খবর। বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের মধ্যে থাকা হস্টেলের ১১ তলা থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে সৌরদীপের। খবর পাওয়া মাত্রই অন্ধ্রপ্রদেশের উদ্দেশে পাড়ি দেয় তাঁর পরিবারের লোকজন। বাংলায় নিয়ে আসা হয় দেহ। ছেলের আকস্মিক মৃত্যুতে শোকের ছায়া নামে পরিবারে।

    আরও পড়ুন: ‘‘মমতা নয়, স্বপ্নদীপের মৃত্যুর তদন্ত হোক কোর্টের নির্দেশে’’, মৃত পড়ুয়ার বাড়িতে দাবি শুভেন্দুর

    শাস্তির দাবি পরিবারের

    ছেলের মৃত্যুর কারণ র‍্যাগিং-বলেই মনে করছে সৌরদীপের পরিবার। খুন, আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা জানার জন্য সিবিআই তদন্তের দাবিতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মৃতের বাবা। মৃত সৌরদীপের বাবার দাবি, ২৪ জুলাই অর্থাৎ ঘটনার দিন, সকাল ৬টা ও দুপুর দেড়টা নাগাদ ছেলের সঙ্গে কথা হয়। এরপর, দুপুর ৩টে ২৭-এ ছেলের মোবাইল থেকে আসা এসএমএস-এ লেখা ছিল ‘টাটা’। পরের এসএমএস ঢোকে ৩টে ৪১ মিনিটে। যেখানে লেখা ছিল- ভাল থাকবে তোমরা। তখন মেসেজটি দেখেননি তিনি। ৭ মিনিটের মাথায় অচেনা নম্বর থেকে ফোন আসে- ১১ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে সুইসাইড করেছে আপনাদের ছেলে। প্রসঙ্গত, চলতি বছর মেদিনীপুর কলেজিয়েট স্কুল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে সৌরদীপ। পেয়েছিল ৭৫ শতাংশ নম্বর। তারপরই অন্ধপ্রদেশের কে এল বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হয় বাংলার ছেলে। তারপরই এই ঘটনা। ছেলের মৃত্যুর বিচার পেতে শনিবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছেন সৌরদীপের বাবা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: ল্যান্ডার ‘বিক্রম’-এর প্রথম ডিবুস্টিং প্রক্রিয়া সফল, চাঁদের দারুণ ছবি পাঠালো ‘চন্দ্রযান ৩’

    Chandrayaan 3: ল্যান্ডার ‘বিক্রম’-এর প্রথম ডিবুস্টিং প্রক্রিয়া সফল, চাঁদের দারুণ ছবি পাঠালো ‘চন্দ্রযান ৩’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদে অবতরণ করতে এখনও দিন পাঁচেক বাকি। তার আগেই চন্দ্রপৃষ্ঠের দারুণ দারুণ ছবি পাঠাতে শুরু করলো ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। সেই ছবি ট্যুইটারে শেয়ার করেছে ইসরো। একইসঙ্গে এদিন প্রথম ‘ডিবুস্টিং’ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গতি ও উচ্চতা কমালো ল্যান্ডার মডিউল।

    আরও পড়ুন: প্রপালশন মডিউল থেকে ছিন্ন হল চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডার বিক্রম

    চন্দ্রপৃষ্ঠের ভিডিও ছবি পাঠালো ‘চন্দ্রযান ৩’

    আগামী ২৩ তারিখ চাঁদের বুকে সফট ল্যান্ডিং করতে চলেছে ‘চন্দ্রযান ৩’। বর্তমানে চাঁদের ঠিক ওপরে ঘুরপাক খাচ্ছে ভারতের চন্দ্র মহাকাশযান (ISRO Moon Mission)। তবে, এরই মধ্যে বেশ কিছু ছবি ও ভিডিও পাঠিয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। ইসরোর তরফে শুক্রবার দুটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে সংস্থার ট্যুইটার হ্যান্ডেলে। তাতে ল্যান্ডার ‘বিক্রম’-এর (Lander Vikram) শরীরে লাগানো ক্যামেরায় বন্দি হওয়া ২টি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা জানিয়েছে, একটি ভিডিও তোলা হয়েছে ১৫ তারিখ। চাঁদের সেই ভিডিও তুলেছে ল্যান্ডার পজিশন ডিটেকশন ক্যামেরা (LPDC)। অন্যদিকে, ১৭ অগাস্ট যে ভিডিও তোলা হয়েছে, সেটি তুলেছে ল্যান্ডার ইমেজার এল-১ ক্যামেরা। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, ধূসর চন্দ্রপৃষ্ঠের এবড়োখেবড়ো নানা অংশ। ফ্রেমের বড় অংশ জুড়ে শুধুই চাঁদ ও তার পৃষ্ঠে ছড়িয়ে থাকা একাধিক নামকরা সব গহ্বর। প্রসঙ্গত, এর আগেও চাঁদের বেশ কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছিল ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।

     

    সফল ল্যান্ডার ‘বিক্রম’-এর প্রথম ডিবুস্টিং প্রক্রিয়া

    এদিকে, এদিন বিকেলে ৩টে ৫০ মিনিট নাগাদ প্রথম ‘ডিবুস্টিং’ প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন করেছে ল্যান্ডার ‘বিক্রম’। এর ফলে, ল্যান্ডার ‘বিক্রম’-এর কক্ষপথ কিছুটা কমেছে। বর্তমানে এটি ১১৩ কিমি x ১৫৭ কিমি কক্ষপথে অবস্থান করছে। দ্বিতীয় ডিবুস্টিং প্রক্রিয়াটি আগামী ২০ তারিখ রাত ২টো নাগাদ হতে চলেছে। এর আগে, বৃহস্পতিবার প্রোপালশন মডিউল থেকে আলাদা হয় ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) ল্যান্ডার ‘বিক্রম’। তার পর, শুক্রবার অর্থাৎ, আজ থেকে বৃত্তাকার কক্ষপথ থেকে চন্দ্র পৃষ্ঠের দিকে আরও নামানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইসরোর তরফে জানানো হয়েছে, প্রথমে ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ (Lander Vikram) বৃত্তাকার ১০০ কিমি x ১০০ কিমি কক্ষপথে প্রবেশ করবে। এরপর ১০০ কিমি x ৩০ কিমি কক্ষপথে প্রবেশ করিয়ে ল্যান্ডারকে চাঁদের আরও কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া হবে। ২৩ অগাস্ট ল্যান্ডারটি চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে স্পর্শ করার জন্য সেখানে চূড়ান্ত অবতরণ শুরু করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Manipur: পাহাড়ি এলাকা থেকে এসে এলোপাথাড়ি গুলি, মণিপুরে সংঘর্ষ, মৃত ৩

    Manipur: পাহাড়ি এলাকা থেকে এসে এলোপাথাড়ি গুলি, মণিপুরে সংঘর্ষ, মৃত ৩

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের অশান্তির আগুন মণিপুরে। আজ, শুক্রবার ভোরে উত্তর-পূর্বের এই পাহাড়ি রাজ্যের উখরুল জেলায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। হয় গুলি বিনিময়ও। সংঘর্ষ থামলে দেহ উদ্ধার হয় কুকি অধ্যুষিত থোয়াই গ্রামের তিন যুবকের। এঁরা হলেন জামখোগিন হাওকিপ, থাঙখোকাই হাওকিপ এবং হ্যালেনসন বাইতে। হিংসা দীর্ণ এই রাজ্যের (Manipur) কুকি সংগঠনগুলির দাবি, মেইতেইরাই খুন করেছে ওই তিনজনকে।

    ফের অশান্তি চিত্রাঙ্গদার দেশে

    পক্ষকাল শান্তি থাকার পরে ফের নতুন করে অশান্তির ঘটনায় ত্রস্ত মণিপুরবাসী। অশান্তির আগুন যাতে অন্যত্র ছড়িয়ে না পড়ে, তাই অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে থোয়াই গ্রামে। উখরুলের পুলিশ সুপার এন ভাশুম বলেন, “গ্রামের পূর্ব দিকে থাকা পাহাড়ি এলাকা থেকে একদল সশস্ত্র দুষ্কৃতী এসে আচমকা গুলি চালাতে শুরু করে। তারা গ্রামের প্রহরীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়। আহতের কোনও খবর নেই।

    দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান

    ঘটনার পরে পরেই অভিযুক্তদের খোঁজে (Manipur) যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছে রাজ্য পুলিশ ও সেনা। গত ৫ অগাস্ট বিষ্ণুপুর ও চূড়াচাঁদপুর জেলায় পৃথক গুলি চালানোর ঘটনায় মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের ৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল। মৃতদের মধ্যে ছিলেন তিনজন মেইতেই এবং দুজন কুকি সম্প্রদায়ের। তার পর থেকে শান্তির সুপবন বয়ে যাচ্ছিল চিত্রাঙ্গদার দেশে। শুক্রবার ভোরে ফের অশান্তির আগুন জ্বলায় কপালে ভাঁজ প্রশাসনেরও।

    তফশিলি জাতির দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই সরব হয়েছেন মেইতেই সম্প্রদায়ের মানুষ। হিংসার সূত্রপাত তা থেকেই। সংঘর্ষের প্রথম ঘটনাটি ঘটে ৩ মে। হিংসার আগুনে পুড়েছে ঘরবাড়ি, দোকানদানি। ভাঙচুর, লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। অকালে প্রাণ হারিয়েছেন শতাধিক মানুষ। জখমও হয়েছেন বহু। হিংসার জেরে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলি হল মেইতেই অধ্যুষিত বিষ্ণুপুর, ইম্ফল পূর্ব, পশ্চিম এবং কাকচিং।

    আরও পড়ুুন: যাদবপুরে ‘হামলা’ শুভেন্দুর ওপর, আরএসএফের বিরুদ্ধে এফআইআর বিরোধী দলনেতার

    কুকি-জোমি অধ্যুষিত চূড়াচাঁদপুর ও কাঙ্গপোকপি এলাকাও ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সব মিলিয়ে পুলিশের কাছে জমা পড়েছে সাড়ে ৬ হাজারেরও বেশি অভিযোগ। মণিপুরের এই হিংসায় অবশ্য জড়িয়ে পড়েননি সে রাজ্যের নাগা সম্প্রদায়ের মানুষ। স্বাধীনতা দিবসে লালকেল্লায় ভাষণ দিতে গিয়ে মণিপুর প্রসঙ্গ টানেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেছিলেন, “মণিপুরে (Manipur) ধীরে ধীরে শান্তি ফিরছে। মণিপুরের সঙ্গে রয়েছে ভারত।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Himachal Pradesh: ১০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি! মৃত বেড়ে ৭৪, বৃষ্টি বন্ধই হচ্ছে না হিমাচল প্রদেশে

    Himachal Pradesh: ১০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি! মৃত বেড়ে ৭৪, বৃষ্টি বন্ধই হচ্ছে না হিমাচল প্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষার তাণ্ডবে বিপর্যস্ত হিমাচলের বিভিন্ন জায়গায় এখন শুধু স্বজনহারানোর কান্না। বৃষ্টির জেরে হড়পা বান আর ধসের তাণ্ডব চলছে গোটা হিমাচল প্রদেশ জুড়ে। সিমলা, সোলান, মান্ডি, চাম্বা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলিতে শুক্রবারও বিচ্ছিন্নভাবে ভারী বৃষ্টিপাত এবং বজ্রগর্ভ মেঘ-সহ মাঝারি বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে ভারতীয় হাওয়া অফিস। গত রবিবার থেকে হিমাচলে ভারী বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছিল। টানা তিন দিন ধরে নাগাড়ে বর্ষণের পর, মঙ্গলবার থেকে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমেছে। বৃহস্পতিবারও রাজ্যের কিছু কিছু জায়গায় হালকা বৃষ্টি হয়েছে। 

    একাধিক জায়গায় ধস

    রাজধানী সিমলায় গত কয়েক দিনে মুহুর্মুহু ধস নেমেছে একাধিক জায়গায়। সেই ধসে চাপা পড়ে কেউ নিখোঁজ, কারও দেহ উদ্ধার হয়েছে। কেউ পরিজনদের খোঁজে হন্যে হয়ে ঘুরছেন। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে শিউরে ওঠা ছবি ভেসে উঠেছে সিমলা-সহ হিমাচলের বেশির ভাগ অংশে। ভূমিধসের কারণে সিমলার বিভিন্ন রাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ। বর্ষার মরসুম শুরুর পর থেকে ভারী বর্ষণজনিত দুর্ঘটনায় হিমাচলে প্রায় ৩০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিগত কয়েক দিনেই মৃত্যু হয়েছে ৭৪ জনের। হিমাচলের চারিদিকে এখন শুধুই হাহাকার, মৃত্যু যন্ত্রণা।

    কেন বারবার ধস

    পরিবেশ ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, পরিবেশগতভাবে হিমালয় ভঙ্গুর। সেখানে, অবৈজ্ঞানিক উপায়ে নির্মাণ হয়েছে। বনভূমি কেটে কেটে প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হয়েছে। অবৈজ্ঞানিক নির্মাণের ফলে মাটি নীচে জলপ্রবাহ বাধা পাচ্ছে। এর ফলে ঘন ঘন ধস নামছে। চলতি বছরে বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকে গত ৫৫ দিনে উত্তরের এই পাহাড়ি রাজ্যে মোট ১১৩টি বড় মাপের ধস নেমেছে। বিগত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে হিমাচল প্রদেশের সিমলা, কাংড়া এবং মান্ডি জেলার বিভিন্ন এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত। একের পর এক ঘরবাড়ি তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে। ভেসে গিয়েছে বহু গ্রাম, চাষের জমি। এমনকি, বদ্রীনাথ, কেদারনাথ যাওয়ার রাস্তাও ধসের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সে রাজ্যের ৭০০-র বেশি রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছে। জল এবং খাদ্যাভাব দেখা দিয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায়। বিপদের মুখে পড়েছে হিমাচলের জনজীবন।

    আটকে বহু পর্যটক

    বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সূত্রে খবর, হিমাচল প্রদেশের বহু জায়গায় পর্যটক এবং স্থানীয়েরা আটকে রয়েছেন। উদ্ধারকাজ চালিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর মোট ২৯টি দলকে মোতায়েন করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৪টি দল ইতিমধ্যেই উদ্ধারকাজে হাত লাগিয়েছে। আপৎকালীন পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে বাকি ১৫টি দলও ঘটনাস্থলে উপস্থিত রয়েছে। রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর পাশাপাশি পুলিশ, সেনাবাহিনী, বায়ুসেনা এবং স্থানীয় প্রশাসনও সাহায্যের হাত বাড়িয়েছে। 

    আরও পড়ুন: আজ বেঙ্গালুরুতে পালিত হবে ‘জিরো শ্যাডো ডে’! জানেন কী এর বৈশিষ্ট্য?

    ১০ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি 

    এদিকে, হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুখু উপদ্রুত অঞ্চলগুলি পরিদর্শনের পর জানিয়েছেন, রাজ্যের বিপুল ক্ষতি হয়েছে। সাম্প্রতিক ভূমিধসের ফলে ব্যাপকভাবে ক্ষতি হয়েছে পরিকাঠামোর। সেগুলির পুনর্নির্মাণের চ্যালেঞ্জ ‘পাহাড় প্রমাণ’। হাজার হাজার মানুষের জীবন-জীবিকাও পুরোপুরি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। রাজ্য জুড়ে আনুমানিক ১০ হাজার কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পাহাড়ি এই রাজ্যের অর্থনীতি মূলত পর্যটন এবং আপেল ব্যবসার উপর নির্ভর করে। এই দুই ক্ষেত্রেই সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। হোটেল এবং গেস্ট হাউসে লোক নেই, পর্যটকদের অভাবে রোজগার নেই ট্যাক্সিচালকদেরও। হেলিকপ্টার এবং মোটর বোটের মাধ্যমেও উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Coast Guard: মধ্যরাতে দুঃসাহসিক অভিযান উপকূলরক্ষী বাহিনীর, আরব সাগরে উদ্ধার চিনা নাগরিক

    Indian Coast Guard: মধ্যরাতে দুঃসাহসিক অভিযান উপকূলরক্ষী বাহিনীর, আরব সাগরে উদ্ধার চিনা নাগরিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৬ ও ১৭ অগাস্ট মধ্যরাত্রে এক দুঃসাহসিক অভিযানের মধ্য দিয়ে ভারতের উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard) আরব সাগর থেকে উদ্ধার করল এক চিনা নাগরিককে। বৃহস্পতিবার এই গোটা ঘটনা উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা হয়। বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, বুধ ও বৃহস্পতিবারের মধ্যবর্তী রাতে একটি চিনা জাহাজ পানামার পতাকাবাহী একটি রিসার্চ ভেসেল ডং ফাং কান ট্যান-২ মুম্বই উপকূল থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে আরব সাগরে অবস্থান করছিল। ওই জাহাজটি আমিরশাহীর দিকে যাচ্ছিল।

    জানা যায়, মধ্যরাতে জাহাজটির ভিতরে থাকা এক চিনা নাগরিক হঠাৎই অসুস্থ বোধ করতে শুরু করেন এবং তিনি জানান যে, তাঁর বুকে ব্যথা হচ্ছে। জাহাজে উপস্থিত সকলে প্রাথমিকভাবে মনে করে যে, চিনা নাগরিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এরপরেই মুম্বইয়ের ইন্ডিয়ান মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টারে একটি ফোন আসে (Indian Coast Guard)। তখন তাঁরা জানতে পারেন যে জাহাজের এক কর্মী অসুস্থ হয়ে পড়েছেন এবং সম্ভবত তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত। দ্রুত তাঁকে হাসপাতাল নিয়ে যেতে হবে। পরবর্তীকালে জাহাজের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করা করা হয় এবং ফোনে প্রাথমিকভাবে কী কী করনীয় তাও বলা হয়। এরপরেই তোড়জোড় শুরু করে ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard)।

    মধ্যরাতে আরব সাগরে অভিযান  

    বুধবার মধ্যরাতে উত্তাল ছিল আরব সাগর। প্রবল বেগে বইছিল ঝড়ো হাওয়া। সেই প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেই উপকূলরক্ষী বাহিনী (Indian Coast Guard) প্রতিবেশী দেশের নাগরিককে উদ্ধার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে রাতের অন্ধকারে। এই অভিযান একেবারেই সহজ ছিল না। কিন্তু সেসব কোনও কিছুতে মাথায় রাখেননি বাহিনীর সদস্যরা। মধ্য আরব সাগরের ওই জাহাজ থেকে অসুস্থ চিনা নাগরিককে হেলিকপ্টারে থেকে স্লিদারিং পদ্ধতিতে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়। তাঁকে আনা হয় দমনে। সেখানে চিকিৎসার পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

    ট্যুইট চিনা দূতাবাসের ধন্যবাদজ্ঞাপন

    ভারতীয় উপকূল রক্ষা বাহিনীর (Indian Coast Guard) এমন কাজের জন্য প্রশংসা জানিয়ে ট্যুইট করেছে চিনা দূতাবাস। সেখানে তারা লেখে যে, অসুস্থ চিনা নাগরিককে আরব সাগর থেকে উদ্ধার করে যেভাবে চিকিৎসা করা হলো তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞ।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Zero Shadow Day: আজ বেঙ্গালুরুতে পালিত হবে ‘জিরো শ্যাডো ডে’! জানেন কী এর বৈশিষ্ট্য?

    Zero Shadow Day: আজ বেঙ্গালুরুতে পালিত হবে ‘জিরো শ্যাডো ডে’! জানেন কী এর বৈশিষ্ট্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজই ছায়া চুরি যাওয়ার দিন, সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আবার তা দৃশ্যমান হচ্ছে। আহ্নিক ও বার্ষিক গতির অক্ষ এবং সূর্যের অবস্থান। দুয়ের জেরেই আজ, বেঙ্গালুরুতে ‘জিরো শ্যাডো ডে’ (Zero Shadow Day)। আজ, দুপুর ১২টা বেজে ২৪ মিনিটে বেঙ্গালুরুর রাস্তায় মানুষ নিজের ছায়া নিজে দেখতে পাবেন না, এমনই অভিমত বিজ্ঞানীদের। যদিও বাস্তবে এই ঘটনাটি মাত্র কয়েক সেকেন্ড বা তার কম সময় নেয়, তবে এর প্রভাব এক থেকে দেড় মিনিট স্থায়ী হতে পারে। 

    ছায়াশূন্য দিবসের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

    এই ছায়াশূন্য দিবসের (Zero Shadow Day) বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা হল, ভৌগলিক অবস্থানের নিরিখে বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন দিনে ঠিক দুপুরবেলা সূর্য একেবারে মাথার ওপর আসে কয়েক মুহূর্তের জন্য। এর ফলে কোনও বস্তু বা মানুষের ছায়া পড়লেও, তা দেখা যায় না। কারণ সূর্যের অবস্থানের নিরিখে মাটিতে দাঁড়িয়ে থাকা ব্যক্তির ছায়া উল্লম্ব ভাবে তাঁরই পায়ে নিচে হারিয়ে যায়। অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার (ASI) গণনা অনুসারে, কয়েক মিনিটের জন্য সূর্য কোনও কিছুর উপর ছায়া ফেলে না। এই ঘটনা একবার নয়, ক্রান্তীয় অঞ্চলে বছরে দু’বার ঘটে। এই সময়ে সূর্য মাথার ঠিক উপরে তার সর্বোচ্চ বিন্দুতে থাকে। কিন্তু তাতেও কোনও ছায়ার সৃষ্টি হয় না। এই ঘটনাটি বিষুবরেখার কাছে ঘটে। কর্কট ক্রান্তি রেখা এবং মকর ক্রান্তি রেখার মধ্যবর্তী অংশে এমন ঘটনা ঘটতে পারে। বেঙ্গালুরুও এমনই একটি এলাকায় মধ্য়ে পড়ে। 

    আরও পড়ুন: আদিত্য এল-১ পৌঁছল শ্রীহরিকোটা, সূর্য মিশনের প্রস্তুতি তুঙ্গে ইসরোর

    কোথায় কোথায় জিরো শ্যাডো ডে

    এই বিরল ঘটনা বেঙ্গালুরুতে গত ২৫ এপ্রিল ঘটেছিল। আজকের পর আবার আগামী বছর ২৫ এপ্রিল এই ঘটনা ফের ঘটতে পারে। শুক্রবার দক্ষিণ ভারতের কিছু অংশে কিছু সময়ের জন্য ছায়া (Zero Shadow Day) পড়বে না। ম্যাঙ্গালোর, বান্টওয়াল, সাক্লেশপুর, হাসান, বিদাদি, বেঙ্গালুরু, দাসারহাল্লি, বাঙ্গারাপেট, কোলার, ভেলোর, আরকোট, আরাককোনাম, শ্রীপেরামবুদুর, তিরুভাল্লুর, আভাদি, চেন্নাই, ইত্যাদিতে শুক্রবার শূন্য ছায়া দিন হবে।  শূন্য ছায়া দিবসকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। বিজ্ঞানীরাও পৃথিবীর পরিধি পরিমাপের জন্য এই ঘটনাটি ব্যবহার করেন। আমাদের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ২০০০ বছর আগেও এই ধরনের গণনা করতেন। এর মাধ্যমে আজ পৃথিবীর ব্যাস এবং পৃথিবীর ঘূর্ণনের গতিও পরিমাপ করা হয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share