Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Same Sex Marriage: নাগরিকদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে! সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপত্তি জানাল কেন্দ্র

    Same Sex Marriage: নাগরিকদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে! সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আপত্তি জানাল কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমলিঙ্গ বিবাহকে (Same Sex Marriage) স্বীকৃতি দিলে দেশের প্রতিটি নাগরিকের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে, বলে মনে করে কেন্দ্র সরকার। সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রীয় সরকারের যুক্তি, শহুরে অভিজাত শ্রেণির কিছু মানুষ সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা পেতে সমলিঙ্গ বিবাহকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। 

    কেন্দ্রের অভিমত

    সোমবার সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রের দাখিল করা হলফনামায় আরও জানানো হয়েছে যে, বিয়ে এমন একটা বিষয় যে তার সঙ্গে গ্রামীণ, আধা গ্রামীন এবং শহরের মানসিকতা ভিন্ন ভিন্ন। দেশে বিয়ে নিয়ে ভিন্ন ধর্মের ভিন্ন আইনও রয়েছে। সেখানে এই ধরনের বিয়ের কোনও স্থান ও স্বীকৃতি নেই। আদালত এই বিয়েকে আইনি স্বীকৃতি দিলে প্রচলিত আইনগুলি ধাক্কা খাবে। গোটা বিষয়টি দেশের ক্ষতিসাধন করবে। তাই সুপ্রিম কোর্টকে অনুরোধ তাঁরা যেন এই বিষয়টি সংসদের হাতেই ছেড়ে দেয়। আদালত এই নিয়ে যেন কোনও সিদ্ধান্ত না নেয়। সমলিঙ্গের (Same Sex Marriage) মানুষদের অধিকার, সম্পর্কের স্বীকৃতি, সেই স্বীকৃতির আইনি অধিকার এই সব কিছু দেখা ও তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র দেশের সংসদের। সংবিধানের সপ্তম তপশিলের ৩ নম্বর তালিকার পঞ্চম স্থানে এই বিষয়ে সংসদকে পূর্ণ অধিকার দেওয়া আছে। সুপ্রিম কোর্ট সেই ধারাও লঙ্ঘণ করছে। সমলিঙ্গের বিয়ের বৈধতা বা স্বীকৃতির দাবি কখনওই মৌলিক অধিকার হতে পারে না, বলে মত কেন্দ্রের।

    বিবাহ একটি ‘অসমকামী প্রতিষ্ঠান’

    বিবাহকে চরিত্রগত দিক থেকে একটি ‘অসমকামী প্রতিষ্ঠান’ বলেও উল্লেখ করেছে কেন্দ্র। তাদের যুক্তি ভিন্ন দুই লিঙ্গের মানুষের মধ্যে বিবাহই এ দেশ সামাজিক ভাবে স্বীকৃত। এর অন্যথা কাম্য নয়। সুপ্রিম কোর্টে আসা সমলিঙ্গের বিবাহ (Same Sex Marriage) নিয়ে একাধিক পিটিশনের নিরিখে বিরোধিতার রাস্তায় হেঁটে নিজের অবস্থান জানিয়েছে জমিয়ত- উলেমা-ই-হিন্দ-ও। একটি ইন্টারভেনশন আর্জিতে এই ধর্মীয় সংগঠন জানিয়েছে, সমলিঙ্গের বিবাহ পরিবারের ব্যবস্থাপনাকে হামলা করে। এটি পশ্চিমী সংস্কৃতির আমদানি বলেও উল্লেখ করে সংগঠন।

    সুপ্রিম কোর্টের অবস্থান

    প্রসঙ্গত, এর আগে, সুপ্রিম কোর্ট, ঐতিহাসিক রায়ে জানিয়েছে দেশে সমলিঙ্গের সম্পর্ক বৈধ। সেই সূত্র ধরেই এই বিবাহ যাতে মান্যতা পায়, সেই নিরিখেই আর্জি জমা পড়েছে। সমলিঙ্গ বিবাহকে স্বীকৃতি জানানোর দাবিতে শীর্ষ আদালতে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। সব মামলাগুলিকে একত্র করে এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে মতামত জানাতে বলে সুপ্রিম কোর্ট। এই বিষয়ে আগেই নিজেদের আপত্তির কথা জানিয়েছিল কেন্দ্র। সোমবারও তারা জানায়, এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত আইনবিভাগের, বিচারবিভাগের নয়। 

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবার নিজাম প্যালেসে তলব! অভিষেককে নোটিস পাঠাল সিবিআই

    ইতিমধ্যেই এই মামলা শুনতে পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শীর্ষ আদালত। এই বেঞ্চে রয়েছেন দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি এসকে কউল, বিচারপতি রবীন্দ্র ভাট, বিচারপতি হিমা কোহলি এবং বিচারপতি পিএস নরসীমহা। আগামী কাল, মঙ্গলবার মামলাটি শুনবে সুপ্রিম কোর্ট।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bhatinda Military Station Firing: চার সহকর্মীকে গুলি করে হত্যা! ভাটিন্ডা সেনা ছাউনি কাণ্ডে গ্রেফতার জওয়ান

    Bhatinda Military Station Firing: চার সহকর্মীকে গুলি করে হত্যা! ভাটিন্ডা সেনা ছাউনি কাণ্ডে গ্রেফতার জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসের ১২ তারিখ পঞ্জাবের ভাটিন্ডার সেনা ছাউনিতে (Bhatinda Military Station Firing) গোলন্দাজ বাহিনীর মেসে গুলি চলে। সেই ঘটনায় প্রাণ হারায় ৪ জওয়ান। ওই গুলিকাণ্ডে এক জওয়ানকে গ্রেফতার করল পঞ্জাব পুলিশ। প্রসঙ্গত, ১২ তারিখ ঘটনার পর সেনার তরফে মেজর পদমর্যাদার এক অফিসার স্থানীয় থানায় FIR দায়ের করেন। FIR-এ দু’জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

    ধৃত সেনা জওয়ানের নাম মোহন দেশাই

    পঞ্জাব পুলিশ সোমবার সেনা জওয়ানকে গ্রেফতার করার পরেই সাংবাদিক সম্মেলন করেন ভাটিন্ডার SSP গুলনীত সিং খুরানা। ধৃত সেনা জওয়ানের নাম মোহন দেশাই। ব্যক্তিগত আক্রোশের জেরে এই খুন বলে অনুমান তদন্তকারীদের। উল্লেখ্য, অভিযুক্তের হদিশ পেতে রবিবার ছাউনির চার জওয়ানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

    গুলি কাণ্ডের পূর্ণ বিবরণ 

    ওই মেসে গুলি চলার পর সন্দেহভাজন দুই ব্যক্তি মুখে মাস্ক বাঁধা অবস্থায় কুর্তা-পাজামা পরে সেনা ছাউনি (Bhatinda Military Station Firing) থেকে বেরিয়ে যান। এমনটাই দাবি সেনা অফিসারদের। দু’জনের মধ্যে একজনের কাছে একটি INSAS অ্যাসল্ট রাইফেল ও একটি কুড়ুল ছিল বলেও পুলিশকে জানায় ফৌজ। সেনার তরফে দায়ের করা FIR-এ আরও বলা হয়, ঘটনার পর সন্দেহভাজন ওই দু’জনকে ছাউনি সংলগ্ন জঙ্গলের দিকে চলে যেতে দেখা গিয়েছিল। উল্লেখ্য, ঘটনার পর থেকেই ভাটিন্ডা জুড়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। ১২ তারিখের ঘটনায় সাগর বান্নে, যোগেশ কুমার জে, সন্তোষ এম নগরাল ও কমলেশ আর নামের চার জওয়ানের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে সাগর ও সন্তোষের বয়স ২৫। বাকি দু’জন ২৪ বছর বয়সী বলে জানিয়েছে সেনা। প্রাথমিক তদন্তে সেনার দাবি, ঘুমন্ত অবস্থায় এই চার জওয়ানের উপর গুলি চালানো হয়েছিল। একটি ঘরে সাগর ও যোগেশ এবং অপর ঘরে সন্তোষ ও কমলেশকে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bihar: বিষমদের জেরে বিহারে ফের মৃত্যু মিছিল! বিরোধীদের নিশানায় নীতীশ সরকার

    Bihar: বিষমদের জেরে বিহারে ফের মৃত্যু মিছিল! বিরোধীদের নিশানায় নীতীশ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বিষমদের জেরে বিহারে (Bihar) মৃত্যু মিছিল। প্রশাসন সূত্রে খবর, রাজধানী পাটনা থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে মতিহারি জেলায় এই ঘটনা ঘটে। এই জেলার লক্ষ্মীপুর, পাহাড়পুর ও হরিসিদ্ধির মতো গ্রামগুলিতে অনেকে বিষ মদ পান করেন বলে অভিযোগ। বিষমদ খেয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৬ জন। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আরও ৪৮। মদ নিষিদ্ধ রাজ্যে এই ঘটনা ঘটায় প্রশ্নের মুখে পড়েছে নীতীশ কুমারের জোট সরকার।

    প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

    বিহার (Bihar) সরকার ২০১৬ থেকে ওই রাজ্য়ে মদ নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। তারপরেও এভাবে বিষাক্ত মদ খেয়ে এতজনের মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকে নিশানা করে ইতিমধ্যেই তির ছুঁড়তে শুরু করেছেন বিরোধীরা। এদিকে জাতীয় মানবাধিকার রক্ষা কমিশন সম্প্রতি বিহারের সরন জেলায় বিষাক্ত মদ খেয়ে ৪০ জনের মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছিল। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। তার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এই ঘটনা। 

    তদন্তে বিশেষ দল

    স্থানীয় সূত্রে খবর, শুক্রবার বিকেলে লক্ষ্মীপুর থেকে প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। কিছুক্ষণের মধ্যে ওই এলাকার হাসপাতালগুলিতে ভিড় বাড়তে শুরু করে। এই ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা বিহার প্রশাসনের। মতিহারির বিষমদকাণ্ডের তদন্ত করছে পাঁচ পুলিশ অফিসারের একটি বিশেষ টিম। দুইজন ডিএসপি ও তিনজন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার অফিসার সেই দলে রয়েছেন। অসুস্থদের একাধিক হাসপাতালে চিকিৎসা করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে কয়েকজন মিলে এই মদের আসর বসিয়েছিল। 

    আরও পড়ুন: নিয়োগ দুর্নীতির কাঁটা! পূর্ব মেদিনীপুরে গোপাল দলপতির বাড়িতে সিবিআই হানা

    গত বছরের ডিসেম্বরে ছাপরা ও সিওয়ানে বিষ মদ পানের জেরে বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে ছাপরায় প্রাণ হারান ৫০ জন। অন্যদিকে সিওয়ানে মৃত্যু হয় পাঁচ জনের। এর পরই এই নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের হয়। প্রবল অস্বস্তির মুখে পড়ে সিট গঠন করে নীতীশ কুমারের সরকার। সম্প্রতি বিহার সফরে গিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছিলেন, “সরকারে লালুপ্রসাদ যাদবের মতো মানুষ থাকলে সুশাসন আসা সম্ভব নয়। বিহারে জঙ্গলের রাজত্ব চলছে।” বিষমদ-কাণ্ডে বিহারে দাবি, নামেই বিহারে মদ নিষিদ্ধ। কিন্তু এটা ওপেন সিক্রেট যে বাড়ির দরজায় মদ পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। বিজেপি নেতা সঞ্জয় জয়সওয়াল বলেন, ব্যাপারটা হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে, আর মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্নে বিভোর রয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Narendra Modi: উদ্বোধন করলেন এইমসের! বিহুর আগে অসমকে ১৪,৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প উপহার মোদির

    Narendra Modi: উদ্বোধন করলেন এইমসের! বিহুর আগে অসমকে ১৪,৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প উপহার মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘যখনই আমি গত ৯ বছরে দেশের উন্নয়নের কথা বলি, তখনই কিছু মানুষ অস্বস্তিতে পড়ে যায়। কারণ তাঁরা দেশের এই অগ্রগতির কোনও কৃতিত্ব নিতে পারে না। তাঁরা এখন অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে পাশে বসিয়ে গুয়াহাটিতে একথা বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi)। এদিন অসমের ঐতিহ্যবাহী বসন্ত উৎসব বিহুতেও অংশ নিতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে (Narendra Modi)।  

    অসমের জন্য বিভিন্ন প্রকল্পের সূচনা

    উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলির জন্য একাধিক প্রকল্প নিতে দেখা গিয়েছে মোদি সরকারকে। শুক্রবার ফের একবার অসমের মানুষের জন্য ১৪,৩০০ কোটি টাকার প্রকল্পের ঘোষণা করেন তিনি। এদিন অসমের মানুষের জন্য অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্স অর্থাৎ AIIMS-এরও উদ্বোধন করেন তিনি। প্রসঙ্গত, গুয়াহাটি AIIMS-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছিল ৬ বছর আগে অর্থাৎ ২০১৭ সালে। জানা গেছে এই প্রকল্পে মোট ব্যয় হয়েছে  ১১২০ কোটি টাকা। এছাড়াও ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট তিনটি মেডিকেল কলেজেরও উদ্বোধন করেন তিনি। নলবাড়ি মেডিক্যাল কলেজ, নগাঁও মেডিক্যাল কলেজ এবং কোকরাঝাড় মেডিক্যাল কলেজ।

    আয়ুষ্মান কার্ডও বিতরণ করেন এদিন তিনি

    এদিন এক কোটি আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের কার্ড বিলি করেন প্রধানমন্ত্রী। এর দ্বারা ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত চিকিৎসা বিনামূল্যে করাতে পারবেন উপভোক্তারা।

    এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শুক্রবারই আইআইটি গুয়াহাটির উদ্যোগে অসমাই অ্যাডভান্সড হেলথ কেয়ার ইনোভেশন ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। পাশাপাশি এদিন তিনি গুয়াহাটি হাইকোর্টের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে একটি অনুষ্ঠানেও অংশ নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cyber Attack: দেশের ১২ হাজার সরকারি ওয়েবসাইটে সাইবার হানার আশঙ্কা! সতকর্তা জারি কেন্দ্রের

    Cyber Attack: দেশের ১২ হাজার সরকারি ওয়েবসাইটে সাইবার হানার আশঙ্কা! সতকর্তা জারি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সভ্যতার অগ্রগতির সঙ্গে পাল্টাচ্ছে অপরাধেরও ধরন। সাইবার ক্রাইম, হ্যাকারদের আনাগোনাও বেড়ে চলেছে। চাঞ্চল্যকর খবর, হ্যাকারদের লক্ষ্যে ভারতের ১২ হাজার সরকারি ওয়েবসাইট! যা নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গেছে রাজধানী নয়া দিল্লিতে। রাজধানীর অন্দরের খবর, কেন্দ্র সরকার এই হানার ঘটনা আঁচ করে আগেভাগেই সাইবার সিকিউরিটি অ্যালার্ট জারি করেছে।

    সাইবার অ্যাটাকের পরিকল্পনা

    কীভাবে ইন্দোনেশিয়ার একটি গ্রুপ হামলার ছক কষছে তারও আভাস দেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে তারা ‘ডেনিয়েল অফ সার্ভিস’ (Dos) লঞ্চ করার পরিকল্পনা করছে। যার ফলে অনেকগুলি কম্পিউটার বা ডিভাইস থেকে একযোগে এত ডেটা পাঠাবে যাতে গোটা সিস্টেম স্তব্ধ হয়ে যায়।
    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, হ্যাকারদের গ্রুপটি একটি তালিকাও প্রকাশ করেছে, যেসব সরকারি ওয়েবসাইটে তারা হামলা করার ছক কষেছে। এই জন্য সরকারি কর্মচারীদের উদ্দেশে সতর্কতা অবলম্বন করার বার্তা দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, যেকোনও অজানা ইমেল বা লিঙ্ক যাতে কেউ ক্লিক না করেন সেটা সতর্ক করা হয়েছে। সমস্ত সফ্টওয়্যার আপ-টু-ডেট রাখতেও বলা হয়েছে। এছাড়াও সম্প্রতি ওয়েবসাইট সুরক্ষিত রাখার নির্দেশিকাও জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেখানে কীভাবে এইসব আক্রমণ (Cyber Attack) প্রতিহত করা যায় তার পুঙ্খানুপুঙ্খ ব্যাখ্যা রয়েছে।

    কী বলছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার একটি হ্যাকার গ্রুপ রয়েছে এই সাইবার হানার (Cyber Attack) পিছনে। যাদের নিশানায় রয়েছে ভারতের বিভিন্ন সরকারি ওয়েসাইট। আরও জানা গেছে, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আক্রমণ (Cyber Attack) করতে পারে এই দল। তাই সরকারি কর্মীদের এখন থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে অমিত শাহের মন্ত্রক থেকে।

    কী বলছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা

    সাইবার বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের হামলার (Cyber Attack) মূল লক্ষ্য দু’টি— প্রথমত, সফ্‌টওয়্যার ভাইরাস ব্যবহার করে প্রতিরক্ষা-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গোপন তথ্য হাতিয়ে নেওয়া। দ্বিতীয়ত, নানা ভুল তথ্য ঢুকিয়ে দিয়ে পরিষেবা ক্ষেত্রের ওয়েবসাইটগুলিকে বিকল করে দেওয়া। প্রসঙ্গত, অতিমারি পরিস্থিতিতেও দেশের স্বাস্থ্য সংস্থাগুলির তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থাকে ‘ডিজিটাল হস্টেজ’ বানানোর লক্ষ্যে হামলা চালিয়েছিল পাক এবং চিনা হ্যাকারেরা। উদ্দেশ্য ছিল, যাতে প্রয়োজনের সময়ে রোগীর চিকিৎসার তথ্য না-মেলে, প্রয়োজনীয় পরীক্ষার ফাইল পাওয়া না-যায়। অর্থাৎ একে ভার্চুয়াল যুদ্ধ বলা যেতেই পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘ভারত বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিন’, সুনককে বললেন মোদি

    PM Modi: ‘ভারত বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিন’, সুনককে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক সপ্তাহ আগেই লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। তার পর বৃহস্পতিবার ভারতের (India) প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) ফোন করলেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনক (Rishi Sunak)। সূত্রের খবর, এদিন দুই রাষ্ট্রনেতার কথোপকথনের সময় ব্রিটেনে অবস্থিত ভারতীয় কূটনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সুনককে ভারত বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও মোদি-সুনক কথোপকথনে আলোচনা হয় দুই দেশের বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক বিষয়ের অগ্রগতি, বিশেষ করে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। অর্থনৈতিক অপরাধীদের দেশে ফেরানোর বিষয়ে অগ্রগতি সম্পর্কেও জানতে চান ভারতের প্রধানমন্ত্রী। শনিবার বাংলা সহ ভারতের কয়েকটি রাজ্যে পালিত হবে নববর্ষ। সেজন্য মোদিকে নববর্ষের শুভেচ্ছাও জানান ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী।

    নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) উদ্বেগ…

    মাসখানেক আগে লন্ডনের ভারতীয় দূতাবাসে হানা দিয়েছিল খালিস্তানপন্থীরা। ভারতের জাতীয় পতাকা টেনে নামিয়ে দিয়েছিল তারা। দূতাবাসের ভবনের প্রথম তলের বারান্দা থেকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল খালিস্তানপন্থীদের ব্যানার। খালিস্তানপন্থী স্বঘোষিত ধর্মগুরু ওয়ারিস পঞ্জাব দি সংগঠনের প্রধান অমৃতপাল সিংহ ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে পঞ্জাব পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়েছিল তারা। বিচ্ছিন্নতাবাদী ও চরমপন্থীদের পদক্ষেপের প্রতিবাদে নয়া দিল্লির শীর্ষস্থানীয় ব্রিটিশ কূটনীতিককে তলব করেছিল ভারত সরকার। এবার সুযোগ পেয়ে সরাসরি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তার পরেই ভারতীয় হাইকমিশনের হামলা ব্রিটিশ সরকার একেবারেই মেনে নেয়নি জানিয়ে ভারতীয় দূতাবাস ও দূতাবাসের কর্মীদের নিরাপত্তার আশ্বাস দেন সুনক।

    আরও পড়ুুন: ‘ডিএ দিতে পারছেন না, ৪৪০ কোটির অডিটোরিয়াম করছেন’! মমতাকে নিশানা দিলীপের

    প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এদিন টেলিফোনিক কথোপকথনের সময় ভারতের কূটনৈতিক এস্টাবলিশমেন্টের নিরাপত্তা নিয়ে ইউকের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। ভারত-বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তিনি। সুনক জানিয়েছেন, ভারতীয় দূতাবাসে হামলার ঘটনাটি ব্রিটেন ভালভাবে নেয়নি। ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নিরাপত্তারও।

    জানা গিয়েছে, ভারত-ব্রিটেন রোডম্যাপ ২০৩০ এর অংশ হিসেবে বেশ কয়েকটি দ্বিপাক্ষিক বিষয়ের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দফতর সূত্রে খবর, এই বিষয়ে দুই রাষ্ট্রনেতাই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। দুই দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্যের বিষয়ে দ্রুত একটি চুক্তি (PM Modi) স্বাক্ষর করা প্রয়োজন বলেও সহমত হয়েছেন দুই রাষ্ট্রনেতা। অর্থনৈতিক অপরাধীদের দ্রুত ভারতে ফেরানোর বিষয়েও কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ব্রিটেনের জেলে বন্দি রয়েছে পলাতক ভারতীয় অর্থনৈতিক অপরাধী নীরব মোদি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • RSS: ‘আরএসএস সদস্যরা অপরাধী নন’, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের, দিল মিছিলের অনুমতিও  

    RSS: ‘আরএসএস সদস্যরা অপরাধী নন’, পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের, দিল মিছিলের অনুমতিও  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) সদস্যরা অত্যাচারের শিকার, অপরাধী নন। এমনই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। সেই সঙ্গে আরএসএসের মিছিল নিয়ে মাদ্রাজ হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের রায়ই বহাল রাখল দেশের শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্ট তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) এমকে স্ট্যালিন সরকারের আবেদন খারিজ করে দেওয়ায় এবার আর মিছিল করতে কোনও বাধা রইল না আরএসএসের। প্রসঙ্গত, সাম্প্রদায়িক অশান্তি ছড়াতে পারে এই আশঙ্কায় আরএসএসের মিছিল বন্ধ করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল স্ট্যালিন সরকার। সেখানেই পুড়ল মুখ।

    আরএসএস (RSS)…

    আজাদি কা অমৃত মহোৎসব ও গান্ধী জন্মবার্ষিকী পালনের জন্য গত অক্টোবরে রুট মার্চ করার জন্য স্ট্যালিন সরকারের কাছে আবেদন জানিয়েছিল আরএসএস (RSS)। এই মিছিলকে ঘিরে সম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে পারে, এই আশঙ্কায় সেই আবেদন খারিজ করে দেয় তামিলনাড়ুর স্ট্যালিন সরকার। স্ট্যালিন সরকারের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নভেম্বর মাসে মাদ্রাজ হাইকোর্টে যায় আরএসএস। সংঘ পরিবারের এই আবেদন খারিজ করে দেয় হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। এই বেঞ্চের বিচারপতি সংঘের কর্মসূচি বন্ধ রাখার নির্দেশও দেন।

    আরও পড়ুুন: ‘ব্রাহ্মণরা ইব্রাহিমের বংশধর’! বিতর্কিত মন্তব্য করে ক্ষমা চাইলেন লাকি আলি

    সিঙ্গল বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ফেব্রুয়ারি মাসে ফের ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় আরএসএস। সিঙ্গল বেঞ্চের রায় খারিজ করে আরএসএসকে মিছিল করার অনুমতি দেয় ডিভিশন বেঞ্চ। সেই সঙ্গে বাকস্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব তামিলনাড়ু সরকারের ওপর চাপিয়ে দেন বিচারপতিরা। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে ধাক্কা খেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় তামিলনাড়ু সরকার। সংঘের (RSS) মিছিলের জেরে রাজ্যে অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হতে পারে এই আশঙ্কা প্রকাশ করে মামলা দায়ের করে তামিলনাড়ু সরকার।

    আরএসএসের মিছিলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা উচিত বলেও জানানো হয়েছিল আবেদনে। সেই মামলায় তামিলনাড়ু সরকারের আপত্তি খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্টও। বিচারপতি ভি রামসুব্রহ্মণিয়ন ও পঙ্কজ মিথালের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, রাজ্য সরকার যে চার্ট দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে আরএসএসের সদস্যরাই বিভিন্ন ক্ষেত্রে অত্যাচারের শিকার হয়েছে। তারা কখনওই অপরাধী ছিল না। তাই আগের বিচারপতিরা যে রায় দিয়েছেন, তাতে আমরা কোনও ত্রুটি খুঁজে পাচ্ছি না। তাই এই আবেদন খারিজ করা হল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lucky Ali: ‘ব্রাহ্মণরা ইব্রাহিমের বংশধর’! বিতর্কিত মন্তব্য করে ক্ষমা চাইলেন লাকি আলি

    Lucky Ali: ‘ব্রাহ্মণরা ইব্রাহিমের বংশধর’! বিতর্কিত মন্তব্য করে ক্ষমা চাইলেন লাকি আলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ব্রাহ্মণরা ইব্রাহিমের বংশধর! এমন বিতর্কিত মন্তব্য করে বেকায়দায় গায়ক লাকি আলি (Lucky Ali)। দিন কয়েক আগে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন তিনি। তাতে লেখেন, ব্রাহ্মণ (Brahmin) নামটির উৎপত্তি ব্রহ্ম থেকে, যা এসেছে আব্রাম থেকে…আব্রাহাম বা ইব্রাহিম থেকে। তাই ব্রাহ্মণরা ইব্রাহিম আলাহিসালামের উত্তরসূরি। যিনি সমগ্র বিশ্বের অধিপতি। তাই অকারণে নিজেদের মধ্যে এত লড়াই ও ঝগড়া কেন? লাকির এই বিতর্কিত পোস্ট ছড়িয়ে পড়তেই ঝড় ওঠে দেশজুড়ে। মঙ্গলবার পোস্টটি মুছে দেন লাকি। শেষমেশ চান ক্ষমাও।

    লাকি আলির (Lucky Ali) বিতর্কিত মন্তব্য...

    তার আগে অবশ্য বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে লাকির ওপর দিয়ে কার্যত ঝড় বয়ে যায়। অভিযোগ, তাঁকে লাগাতার হুমকি দেওয়া হতে থাকে। তার পরেই বিতর্কিত পোস্টটি মুছে দেন লাকি। বাধ্য হন প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে। ফেসবুক পোস্টে লাকি লেখেন, আমার আগের পোস্টে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে বুঝতে পারছি। কাউকে আঘাত করা বা কষ্ট দেওয়া আমার উদ্দেশ্য ছিল না এবং আমি গভীরভাবে দুঃখিত। আমি আসলে সকলকে এক ছাদের তলায় হাজির করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু বুঝতে পেরেছি, যা বলতে চেয়েছিলাম, সেটা স্পষ্ট করতে পারিনি।

    এর পর থেকে আমি কিছু পোস্ট করার আগে শব্দচয়ন সম্পর্কে সচেতন থাকব। কারণ আমি বুঝেছি, আমার বক্তব্য অনেক হিন্দু ভাই-বোনের ভাবাবেগে আঘাত করেছে। তিনি লেখেন, আমি (Lucky Ali)  আপনাদের সকলকে ভালবাসি।

    বলিউডের প্রয়াত অভিনেতা মেহমুদের ছেলে লাকি। ১৯৯৬ সালে হিট অ্যালবাম ‘সুনোহ’ দিয়ে সঙ্গীতের জগতে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। জিতেছেন অসংখ্য পুরস্কার। সঙ্গীত জীবনের সাফল্যের আগে শিশু শিল্পী হিসেবেও অভিনয় করেছিলেন লাকি। ১৯৬২ সালে মুক্তি পায় তাঁর প্রথম সিনেমা ‘ছোটে নাওয়াদ’। ছবিটির পরিচালনা করেছিলেন মেহমুদ স্বয়ং। সাত এবং আটের দশকে ‘ইয়ে হ্যায় জিন্দেগি’, ‘হামারে তুমহারে’, ‘ত্রিকাল’, ‘সুর’, ‘কাঁটে’ এবং ‘কসাকে’র মতো সিনেমায়ও অভিনয় করেন। পরে আর অবশ্য সিনেমায় দেখা যায়নি তাঁকে। তবে দেশ-বিদেশে এখনও লাইভ শো করেন (Lucky Ali)। সঙ্গীতপ্রেমীদের কাছে এখনও রয়েছে তাঁর তুঙ্গ জনপ্রিয়তা। যে জনপ্রিয়তা কিছুটা হলেও টোল খেয়েছে তাঁর এই বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে।

    আরও পড়ুুন: অনুব্রতর গড়ে কাজল-কেরিমকে কড়া বার্তা দিলেন সুকান্ত! কী বললেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Nil Sasthi: আজ নীল ষষ্ঠী, কেন এই ব্রত পালন করা হয়? জানুন এর মাহাত্ম্য

    Nil Sasthi: আজ নীল ষষ্ঠী, কেন এই ব্রত পালন করা হয়? জানুন এর মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফি বছর চৈত্র সংক্রান্তির আগের দিন পালিত হয় নীল ষষ্ঠী (Nil Sasthi)। এদিন অবশ্য ষষ্ঠী তিথি নয়। পুজো হয় না মা ষষ্ঠীরও। তা সত্ত্বেও পালিত হয় নীল ষষ্ঠী। পুজো হয় দেবাদিদেব মহাদেবের (Lord Shiva)। মা ষষ্ঠী মা দুর্গারই এক রূপ। বছরভর নানাভাবে তাঁকে আমরা পুজো করি। মূলত সন্তানের মঙ্গল কামনায় পুজিত হন দেবী ষষ্ঠী। দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী, জামাই ষষ্ঠী, অশোক ষষ্ঠী এই সব দিনে পুজো হয় মা ষষ্ঠীর। এক মাত্র নীল ষষ্ঠীর দিন পুজো হয় মহাদেবের।

    নীল ষষ্ঠী (Nil Sasthi) ব্রত…

    পুরাণ অনুসারে, এই দিনেই মহাদেবের সঙ্গে বিয়ে হয় নীল চণ্ডিকার। মহাদেবের আর এক নাম নীলকণ্ঠ। সব মিলিয়ে এই দিনটি নীল ষষ্ঠী নামেই খ্যাত। এদিন মহাদেবের পাশাপাশি দেবী দুর্গারও পুজো হয়ে থাকে। সন্তান লাভের আশায় এবং সন্তানের মঙ্গল কামনায় অনেকেই নীল ষষ্ঠীর ব্রত করেন। ধন-সম্পদের পাশাপাশি সাংসারিক সুখের আশায়ও অনেকে এই ব্রত (Nil Sasthi) করেন। ব্রতের আগের দিন নিরামিষ খাবার খান ব্রতীরা। পরের দিন সকাল থেকে শুরু হয় নির্জলা উপোস। রাতে শিবের মাথায় জল ঢেলে, পুজো শেষে প্রসাদ গ্রহণ করেন ব্রতীরা। তার পরেই ভঙ্গ হয় ব্রত।

    এ বছর নীল ষষ্ঠী পুজো হবে ১৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার। শিবরাত্রিতে যেমন এক রাতে চারবার পুজো হয় মহাদেবের, নীল ষষ্ঠীর দিন তা নয়। এদিন পুজো হবে একবারই। এদিন শিবের সঙ্গে সঙ্গে পুজো হয় দেবী দুর্গারও। যাঁরা মৃতবৎসা তাঁরাও সন্তান কামনায় এদিন ভক্তি ভরে ব্রত করেন নীল ষষ্ঠীর।

    শিবের প্রিয় ফুল ধুতরা, আকন্দ, কলকে এবং অপরাজিতা। এই ফুলগুলির সঙ্গে অবশ্যই দিতে হবে বেলপাতা। শিবের আর এক নাম পঞ্চানন। তাঁর পাঁচটি মুখ। সেই কারণে শিবলিঙ্গের মাথায় যে ফল অর্পণ করা হয়, তা প্রসাদ হিসেবে ভক্ষণ করতে নেই। লোকবিশ্বাস, এই মুখেই গরল পান করে নীলকণ্ঠ হয়েছিলেন দেবাদিদেব (Nil Sasthi)। তবে থালায় যেসব ফলমূল শিবকে নিবেদন করা হয়, সেই প্রসাদ ভক্ষণ করা হয়। এদিন শিবের মাথায় দুধ, গঙ্গাজল ঢালা হয়। কেউ কেউ অবশ্য মধু দিয়েও স্নান করান শিবকে।

     

  • Environment: লক্ষ্য পরিবেশ বাঁচানো, টানা ৫২ দিন হেঁটে দিল্লিতে রাষ্ট্রপতির দরবারে দুর্গাপুরের দম্পতি

    Environment: লক্ষ্য পরিবেশ বাঁচানো, টানা ৫২ দিন হেঁটে দিল্লিতে রাষ্ট্রপতির দরবারে দুর্গাপুরের দম্পতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদল মানুষ যখন পরিবেশ (Environment) ও প্রকৃতিকে ধ্বংস করার খেলায় মত্ত, ঠিক তখনই দুর্গাপুরের এক দম্পতি নজির সৃষ্টি করলেন। দেশ ও দশের জন্য তাঁদের উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠা দেখে অনেকেই মুগ্ধ। পরিবেশ রক্ষার আর্জি সরাসরি দেশের রাষ্ট্রপতির কাছে পৌঁছে দিতে তাঁদের উদ্যোগও প্রশংসনীয় বলে অনেকে মনে করছেন।

    কী উদ্যোগ নিলেন দুর্গাপুরের ওই দম্পতি?  

    দুর্গাপুর জবরপল্লির বাসিন্দা শ্রী পৃথ্বীরাজ সঞ্জয় চক্রবর্তী এবং তাঁর স্ত্রী শ্রীমতি রমা চক্রবর্তী বিগত ৫২ দিন ধরে পায়ে হেঁটে প্রায় ১৫০০ কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে দুর্গাপুর থেকে দিল্লি পৌঁছেছেন। রাষ্ট্রপতি শ্রীমতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে একবার দেখা করে তাঁদের আর্জি সরাসরি তাঁর কাছে পৌঁছে দেবেন, একমাত্র উদ্দেশ্য এটাই। যে মহৎ উদ্দেশে এতদূর পথ পায়ে হেঁটে তাঁরা রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছেছেন, তা হল, আমাদের এই ধরিত্রীকে (Environment) রক্ষা করা এবং তার জন্য কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করার অনুরোধ। 
    দুর্গাপুর থেকে তাঁরা যাত্রা শুরু করেছিলেন চলতি বছরের ২৫ জানুয়ারি। রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া চিঠিতেই তাঁরা জানিয়েছেন, টানা ৫২ দিনে অতিক্রম করেছেন ১৫০০ কিলোমিটার পথ। 

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করে কী কী আর্জি তাঁরা জানালেন?

    ছোট্ট চিঠিতে খুবই সংক্ষেপে তাঁরা যেসব আর্জি জানিয়েছেন, সেগুলি হল: “সেভ রিভার গঙ্গা”, ভারতবর্ষের লাইফলাইন এবং পবিত্রতম নদী মা গঙ্গাকে বাঁচানো। পরিবেশকে (Environment) বাঁচাতে প্রতিটি বাড়িতে, স্কুলে, রাস্তার পাশে গাছ লাগানো। মাটিকে শুদ্ধ রাখার তাগিদে বজ্র্য পদার্থকে প্রকৃত ব্যবস্থাপনা করা। বৃষ্টির জল ধরে রেখে তার সঠিক ব্যাবহারের অভ্যাস বাড়ানো। সৌরবিদ্যুৎ চালিত আলো রাস্তায় এবং ঘরে ব্যাবহারের অভ্যাস বাড়ানো। মহিলা স্বশক্তিকরণের উদ্দেশে আরও বেশি করে পদক্ষেপ গ্রহণ করা। থ্যালাসেমিয়া মুক্ত সমাজ গড়ার উদ্দেশে পদক্ষেপ গ্রহণ করা এবং যে কোনও কৃষকের মৃত্যু হলে তাঁর হাসপাতালের বিল মুকুব করা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share