Category: দেশ

Get updates on India News Headlines National News from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Air India: নতুন রূপে আসছে এয়ার ইন্ডিয়া! নতুন লোগো ও রং প্রকাশ সংস্থার

    Air India: নতুন রূপে আসছে এয়ার ইন্ডিয়া! নতুন লোগো ও রং প্রকাশ সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন রূপে আসতে চলেছে এয়ার ইন্ডিয়া! দেশের অন্যতম বিমান সংস্থা, এয়ার ইন্ডিয়া (Air India)-কে ইতিমধ্যে অধিগ্রহণ করেছে টাটা গোষ্ঠী। যার প্রেক্ষিতে বদলে গেল এয়ার ইন্ডিয়ার লোগো ও রং। বৃহস্পতিবার টাটা গ্রুপের (Tata Group) মালিকানাধীন বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া নতুন লোগো এবং লিভারির রঙ প্রকাশ করেছে। এয়ার ইন্ডিয়ার লোগোর অংশ হিসেবে, এয়ার ইন্ডিয়া লাল এবং সাদা রং ধরে রেখেছে, তবে এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে বেগুনি রঙ। নতুন লোগোটির নাম হবে ‘দ্য ভিস্তা’। 

    লাল, সাদা রঙের সঙ্গে বেগুনির মিশেল

    নতুল লোগো প্রকাশ করে টাটা গোষ্ঠীর চেয়ারম্যান এন.চন্দ্রশেখরন বলেন, “এটি ‘সীমাহীন সম্ভাবনা’র ইঙ্গিত দেয়।” এয়ার ইন্ডিয়া মানেই চোখে ভেসে ওঠে আভিজাত্যপূর্ণ লাল-সাদা রঙের বিমান। সেই লাল, সাদা রং ধরে রেখেছে টাটা গোষ্ঠী। লোগোতেও থাকবে এই রং। তবে তার সঙ্গে সংযুক্ত হয়েছে বেগুনি রং। এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) বিমান আরও স্টাইলিশ করে তোলা হচ্ছে। সেজন্য এয়ার ইন্ডিয়া এয়ারলাইন্সের আইকনিক মহারাজা ম্যাসকটের আধুনিক রূপ লোগোয় তুলে ধরা হয়েছে। লাল, সাদা রঙের সঙ্গে বেগুনি রঙের মিশেলে এই নতুন লোগো করা হয়েছে।

    মিলবে ভিস্তারাও

    আগে এয়ার ইন্ডিয়ার (Air India) লোগো হিসাবে উঠে আসত কোনারক চক্র সম্বলিত একটি লাল রাজহাঁস। এদিন সংস্থার নতুন লোগোর সূচনা করে টাটা গোষ্ঠীর তরফে বিবৃতিতে বলা হয়, এয়ার ইন্ডিয়ার নতুন লোগোর প্রতীক ‘দ্য ভিস্তা’, সীমাহীন সম্ভাবনা, প্রগতিশীলতার দ্বারা অনুপ্রাণিত এবং ভবিষ্যতের জন্য সাহসী, আত্মবিশ্বাসী দৃষ্টিভঙ্গির ইঙ্গিত দেয়। উল্লেখ্য, কয়েক বছর ধরেই লোকসানে চলছিল, ভারত সরকার অধীনস্থ বিমান সংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া। ২০২২ সালে এটি অধিগ্রহণ করে টাটা সন্স। পরবর্তীতে সংস্থার তরফে ঘোষণা করা হয় যে, টাটা সন্সের আরেকটি এয়ারলাইন্স ভিস্তারাও এয়ার ইন্ডিয়ার সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া হবে। আগামী বছরের মার্চের মধ্যে এই কাজ সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী টাটা গোষ্ঠী।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • PM Modi: “২০২৮ সালে ফের অনাস্থা আনার চেষ্টা করুন”, সংসদে বিরোধীদের বললেন প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “২০২৮ সালে ফের অনাস্থা আনার চেষ্টা করুন”, সংসদে বিরোধীদের বললেন প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ২০২৪ সালে প্রত্যাবর্তন করবে বিজেপি (BJP)।” বৃহস্পতিবার অনাস্থা-বিতর্কের জবাবি ভাষণে অংশ নিয়ে একথা বলেন প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব বিজেপি এবং এনডিএর জন্য শুভ বলেও মনে করেন তিনি।

    “বিরোধীদের অনাস্থা আমাদের জন্য শুভ”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঈশ্বরের ইচ্ছা এবং আশীর্বাদে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন বিরোধীরা। ২০১৮ সালেও আমি তা-ই বলেছিলাম। আসলে অনাস্থা প্রস্তাব বিরোধীদেরই পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়। ২০১৮ সালের শেষেও দেখা গেল ভোটাভুটিতে নিজেদের হাতে থাকা সব ভোট বিরোধীরা পাননি। জনতাও ২০১৯-এ বিরোধীদের ওপর অনাস্থা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন। বিজেপি, এনডিএ আগের তুলনায় বেশি আসন পেয়েছিল। অর্থাৎ বিরোধীদের অনাস্থা আমাদের জন্য শুভ হয়। আমি (PM Modi) দেখছি এনডিএ এবং বিজেপি পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে ২০২৪-এ জনতার আশীর্বাদ নিয়ে ফেরত আসবে।”

    “বিজেপিকে জিতিয়ে আনার সিদ্ধান্ত”

    তিনি বলেন, “আপনারা (বিরোধীরা) সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এনডিএ এবং বিজেপিকে রেকর্ড ভোটে জিতিয়ে আনবেন।” তিনি বলেন, “এর পর ২০২৮ সালে বিরোধীরা যখন অনাস্থা প্রস্তাব আনবেন, তখন বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার তিন নম্বরে থাকবে ভারত।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা যখন বলি, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকার তিন নম্বরে থাকবে, তখন দায়িত্বশীল বিরোধীদের উচিত ছিল কীভাবে তা সম্ভব, সে প্রশ্ন করা। এটাও কী আমাকে শিখিয়ে দিতে হবে?”

    বিজেপি বিরোধী ২৬টি দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’কে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বিরোধীদের সমস্যা হল তাঁদের বাঁচিয়ে রাখতে এনডিএর সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু ‘আমিত্বে’র ঔদ্ধত্য তাঁদের ছেড়ে যায় না। সেই কারণে ঔদ্ধত্যের প্রতীক হিসেবে তাঁরা এনডিএতে দু’-দুটো ‘আই’ যোগ করেছেন। প্রথম ‘আই’ ২৬ দলের ঔদ্ধত্য, আর দ্বিতীয় ‘আই’ একটি পরিবারের ঔদ্ধত্য। তাঁরা এনডিএকেও চুরি করেছেন। তাঁরা ‘এনডিএ’কে ভেঙে ‘আইএনডিআইএ’ করেছেন।”

    আরও পড়ুুন: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এই ঔদ্ধত্যের কারণেই তাঁরা বাস্তবটাকে দেখতে পাচ্ছেন না। ১৯৬২ সালে তাঁরা জিতেছিলেন তামিলনাড়ুতে। তারপর থেকে তামিলনাড়ুর বাসিন্দারা বলছেন, ‘নো কংগ্রেস’।” পশ্চিমবঙ্গে তাঁরা জিতেছিলেন ১৯৭২ সালে। তার থেকে পশ্চিমবঙ্গবাসী বলছেন, ‘নো কংগ্রেস’। ১৯৮৫ সালে তাঁরা জিতেছিলেন উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং গুজরাটে। তার পর থেকে এই তিন রাজ্যের বাসিন্দারাও বলছেন, ‘নো কংগ্রেস’।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।    

     

  • PM Modi: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়, তাতে ওঁর দাপট রয়েছে।” বৃহস্পতিবার সংসদে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর এই খোঁচার অভিমুখ পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর দিকে। এদিন ছিল অনাস্থা বিতর্কের শেষ দিন। সংসদে এই বিতর্কে অংশ নেন অধীর। অগ্নিবাণ তাক করেন বিজেপির দিকে। অন্য দু’দিন সংসদে নিজের চেম্বারে বসে অনাস্থা বিতর্ক শুনলেও, এদিন অধীরের ভাষণ শুরু হতেই সংসদে চলে আসেন প্রধানমন্ত্রী। মন দিয়ে শোনেন অধীরের বক্তৃতা।

    ছক্কা হাঁকালেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিন যে প্রধানমন্ত্রী জবাবি ভাষণ দেবেন, তা ঠিকই ছিল। সেই মতো বলতে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই হাঁকান ছক্কা। শান্ত এবং রসিকতার সুরে অধীরকে লক্ষ্য করে একের পর এক গোলা ছুড়তে শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “২০০৩ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ীর সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল কংগ্রেস। সেবার বলেছিলেন বিরোধী দলনেত্রী সোনিয়া গান্ধী। আর এবার সব থেকে বড় বিরোধী দলের লোকসভার নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরীর নাম বলার সূচিতেই ছিল না। কেন অধীরবাবুকে কোণঠাসা করা হল? মনে হয় কলকাতা থেকে কোনও ফোন এসেছিল। আমি অধীরবাবুর প্রতি পূর্ণ সমবেদনা জানাচ্ছি। এটা অমিত শাহের উদারতা যে তিনি অধীরবাবুকে সময় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস ওঁকে বারবার অপমান করে। অধীরবাবুকে কেন ঠিক মতো কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না?”

    ‘ঈশ্বরের আশীর্বাদ’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “দেশের মানুষ বারবার আমাদের সরকারের প্রতি আস্থা প্রকাশ করছে। এজন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ। ঈশ্বর অত্যন্ত দয়ালু এবং তিনি কোনও না কোনও উপায়ে তাঁর ইচ্ছে পূরণ করেন। আমি এটাকে ঈশ্বরের আশীর্বাদ বলে মনে করি যে ঈশ্বর বিরোধীদের পরামর্শ দিয়েছেন এবং তাঁরা প্রস্তাব নিয়ে এসেছেন। ২০১৮ সালে অনাস্থা প্রস্তাবের সময় আমি বলেছিলাম যে এটি আমাদের জন্য ফ্লোর টেস্ট নয়, এটি তাদের জন্য একটি ফ্লোর টেস্ট এবং ফলস্বরূপ তারা নির্বাচনে হেরেছে। একভাবে বিরোধীদের অবিশ্বাস আমাদের জন্য ভাল। আজ আমি দেখছি যে আপনারা (বিরোধীরা) সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে জনগণের আশীর্বাদে ২০২৪ সালের নির্বাচনে এনডিএ এবং বিজেপি আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে একটি দুর্দান্ত জয় নিয়ে ফিরে আসবে।”

    আরও পড়ুুন: বোর্ড হাতছাড়া হচ্ছে দেখে এবার বিজেপির জয়ী প্রার্থীর শংসাপত্র ছিঁড়ে টপাটপ মুখে!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • PM Modi: অনাস্থা বিতর্কে জবাবি ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, আজ কোন অস্ত্রে বধ বিরোধীদের?

    PM Modi: অনাস্থা বিতর্কে জবাবি ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী, আজ কোন অস্ত্রে বধ বিরোধীদের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত দুদিন ধরে লোকসভায় চলছে অনাস্থা বিতর্ক। আজ, বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টে নাগাদ জবাবি ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বুধবার বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। বাগ্মিতায় তিনি যতটা না মাত দিতে পেরেছেন সরকার পক্ষকে, তার চেয়েও বেশি ফাউল করে ফেলেছেন রাহুল। অভিযোগ, মহিলা সাংসদদের উদ্দেশে ফ্লাইং কিস ছুড়েছেন রাহুল। এ নিয়ে স্পিকারের কাছে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছেন বিজেপির জনা কুড়ি মহিলা সাংসদ।

    সকালে একপ্রস্ত বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

    আজ, বৃহস্পতিবার অনাস্থা বির্তকে জবাবি ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন তিনি যে রীতিমতো প্রস্তুত হয়েই লোকসভায় যাচ্ছেন, তার ইঙ্গিত মিলেছে এদিন দিনের শুরুতেই। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল ও অর্জুন রাম মেঘওয়ালের সঙ্গে একপ্রস্ত বৈঠক করে ফেলেছেন প্রধানমন্ত্রী। গত দুদিন ধরে নিজের চেম্বারে বসে অনাস্থা-বিতর্ক শুনেছেন প্রধানমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার দেবেন জবাবি ভাষণ। বুধবারই রাজনাথ জানিয়েছিলেন, অনাস্থা প্রস্তাবের জবাবি ভাষণ দিতে ১০ অগাস্ট সংসদে আসবেন প্রধানমন্ত্রী।

    “শেষ বলে ছক্কা মারব”

    কংগ্রেসের তরফে অনাস্থা প্রস্তাবটি এনেছিলেন গৌরব গগৈ। মঙ্গলবার অনাস্থা বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন, “মণিপুর ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) মৌনব্রত ভাঙতে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে বাধ্য হয়েছিলেন বিরোধীরা।” প্রধানমন্ত্রী যে এদিন ছক্কা হাঁকাবেন, মঙ্গলবার বিজেপির সংসদীয় বৈঠকে  সেই ইঙ্গিত দিয়েই রেখেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, “শেষ বলে ছক্কা মারব।” তাই এদিন তিনি কী ছাক্কা মারেন, তা-ই দেখতে মুখিয়ে গোটা দেশ।

    মোদি সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে আসা হয়েছিল আগেও একবার, ২০১৮ সালে। তবে সেবার আনা অনাস্থার সঙ্গে এবার আনা অনাস্থার বিস্তর ফারাক। কারণ সেবার বিরোধীরা সংঘবদ্ধ ছিলেন না। এবার তাঁরা গড়েছেন বিজেপি বিরোধী ২৬টি রাজনৈতিক দলের জোট। নাম দেওয়া হয়েছে ‘ইন্ডিয়া’। রাজনৈতিক মহলের মতে, এদিন ‘ইন্ডিয়া’র নানা দুর্নীতিকেই নিশানা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী।

    আরও পড়ুুন: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবে বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব ধোপে টিকবে না। মঙ্গলবার তাই বিজেপি সাংসদদের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেই দিয়েছিলেন, “অনাস্থা প্রস্তাবের আলোচনায় বিরোধীদের প্রত্যেকটি বল পাঠিয়ে দিতে হবে মাঠের বাইরে।” ৯ অগাস্ট ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলনের দিন ট্যুইট-বার্তায় প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, “দুর্নীতি কুইট ইন্ডিয়া, পরিবারতন্ত্র কুইট ইন্ডিয়া, তোষণের রাজনীতি কুইট ইন্ডিয়া।” রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, এদিনও প্রধানমন্ত্রীর তুরুপের তাস হতে পারে ‘কুইট ইন্ডিয়া’র এই তিন ‘মন্ত্র’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Uttarakhand: প্রবল বৃষ্টি, ধস, পৃথক ঘটনায় উত্তরাখণ্ডে মৃত ৯

    Uttarakhand: প্রবল বৃষ্টি, ধস, পৃথক ঘটনায় উত্তরাখণ্ডে মৃত ৯

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বৃষ্টি উত্তরাখণ্ডে (Uttarakhand)। বিপদসীমা ছাড়িয়েছে গঙ্গার জল। বৃষ্টিজনিত নানা দুর্ঘটনায় গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ন জনের। পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখতে জেলাশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামী। একজনের নিখোঁজ হওয়ার খবর মিলেছে। জখম হয়েছেন প্রায় ১২ জন। ধসের কারণে বাড়ি চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে দুই শিশুর। জখম হয়েছে একজন। গৌরীকুণ্ড এলাকার ওই ঘটনায় নেমেছে শোকের ছায়া।

    গৌরীকুণ্ডে ধস 

    প্রসঙ্গত, এই গৌরীকুণ্ড থেকেই শুরু হয় কেদারনাথ যাত্রা। গত পাঁচ দিনে এ নিয়ে ধস নামল দ্বিতীয়বার। উত্তরাখণ্ড প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, দেবপ্রয়াগে বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে গঙ্গা। হরিদ্বারেও গঙ্গার জল বিপদসীমা ছুঁইছুঁই। মৌসম ভবন জানিয়েছে, আগামী পাঁচ দিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে উত্তরাখণ্ড (Uttarakhand), হিমাচল প্রদেশ এবং উত্তরপ্রদেশে। অতিবৃষ্টি ও ধসের কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বদ্রীনাথ জাতীয় সড়ক। চামোলি জেলার ছিঁকাও এলাকায় বন্ধ রাখা হয়েছে সাত নম্বর জাতীয় সড়কও। 

    সঙ্কট বিদ্যুৎ, পানীয় জলের

    বৃষ্টি ও ধসের কারণে নানা জায়গায় বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে যোগাযোগ। সঙ্কট দেখা দিয়েছে বিদ্যুৎ ও পানীয় জলের। বিপন্নদের উদ্ধার করতে নেমেছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। হাত মিলিয়েছে রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীও। গৌরীকুণ্ডের যে এলাকায় এদিন দুর্ঘটনাটি ঘটেছে, সেখান থেকে মেরেকেটে আধ কিলোমিটার হবে ৪ অগাস্ট যেখানে ধস নেমেছিল, সেই জায়গাটি। সেই ধসে মৃত্যু হয়েছিল তিনজনের। নিখোঁজ ২০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরাখণ্ডের পউরি জেলায় পৃথক পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে পাঁচজনের। জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন।

    প্রবল বৃষ্টির জেরে জলবন্দি হয়েছেন হৃষিকেশের (Uttarakhand) ধালওলা ও খারার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দারা। হৃষিকেশে বহু বাড়ি ডুবে গিয়েছে জলে। দুর্গতদের উদ্ধার করতে নামানো হয়েছে রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে। তারা উদ্ধার করেছেন ৫০ জন দুর্গতকে।

    আরও পড়ুুন: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিংহ ধামি বলেন, “রাজ্যের বহু এলাকা জলমগ্ন। বিপর্যয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষে বসে আমরা পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করছিলাম। দিল্লির সঙ্গে কথাও বলেছি। উদ্ধার কাজ করছে রাজ্য এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দল। উদ্ধারকাজে আমরা কোনও খামতি রাখতে চাই না।” তিনি বলেন, আমি তীর্থযাত্রীদের অনুরোধ করব, আবহাওয়ার খবর নিয়েই যেন বাড়ির বাইরে বের হন তাঁরা।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Repo Rate: ফের অপরিবর্তিত রইল রেপো রেট, জানালেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর

    Repo Rate: ফের অপরিবর্তিত রইল রেপো রেট, জানালেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপরিবর্তিতই রইল রেপো রেট (Repo Rate)। বৃহস্পতিবার একথা জানিয়ে দেওয়া হল রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) তরফে। তার আগে মানিটারি পলিসির বৈঠকে একথা জানিয়েছিলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। তিনি বলেন, “ভারতীয় অর্থনীতি ক্রমেই আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল হচ্ছে।” শক্তিকান্ত জানান, ভারতীয় অর্থনীতিকে স্থিতিশীল রাখতেই রেপো রেট নিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর ফলে এই ত্রৈমাসিকে রেপো রেট থাকবে ৬.৫ শতাংশ। গত বছরের মে মাস থেকে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক মুদ্রাস্ফীতির উদ্বেগের কারণে ধাপে ধাপে রেপো রেট বাড়িয়েছিল ২৫০ বেসিস পয়েন্ট। যদিও গত তিনটি মনিটারি পলিসি কমিটির বৈঠকে রেপো রেট অপরিবর্তিতই রাখা হয়েছে।

    রেপো রেট

    রেপো রেটের (Repo Rate) ওপর ভিত্তি করেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অন্য ব্যাঙ্কগুলিকে ধার দিয়ে থাকে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শেষবারের মতো রেপো রেট ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়েছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। এপ্রিল ও জুন মাসে তা অপরিবর্তিত রাখে কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক। এবার ফের অপরিবর্তিত রাখা হল। রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট বৃদ্ধি করলে ব্যাঙ্কের ঋণ মহার্ঘ হয়ে ওঠে। গত দেড় বছরে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট বৃদ্ধি করেছে অনেকটাই। রেপো রেট বৃদ্ধির অর্থ হল ঋণের ওপর সুদের হার বৃদ্ধি হওয়া। দিন কয়েক আগে অর্থনীতিবিদদের একটা বড় অংশই জানিয়েছিলেন, রেপো রেট পুরনো স্তরেই থাকবে এবারও। মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ ও ইউরোপিয় কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের সুদের হার বৃদ্ধি সত্ত্বেও তাঁরা জানিয়েছিলেন, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখতে পারে। তাঁদের হিসেব যে নিছক অমূলক ছিল না, এদিন শক্তিকান্তের ঘোষণাই তার প্রমাণ।

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের পদক্ষেপ

    এপ্রিলেও রেপো রেট (Repo Rate) অপরিবর্তিত রেখেছিল রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। অপরিবর্তিত ছিল জুন মাসেও। অগাস্টেও যে রেপো রেট একই রইল, তা জানিয়ে দেন রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কর্তা। শক্তিকান্ত জানান, অগাস্টে মানিটারি পলিসি কমিটির বৈঠকে রেপো রেট অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে, রিজার্ভ ব্যাঙ্কের তরফে তিনজন এবং সরকারের তরফে মনোনীত তিনজন থাকেন মানিটারি কমিটিতে।

    আরও পড়ুুন: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর জানান, এপ্রিল থেকে জুন ২০২৪ সালের জন্য জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস নির্ধারণ করা হয়েছে ৬.৬। ২০২৩-২৪ সালের জন্য মুদ্রাস্ফীতির পূর্বাভাস ৫.১ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৫.৪ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Consensual Sex: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    Consensual Sex: সম্মতিতেই যৌন সম্পর্ক! পকসোতে অভিযুক্তকে জামিন দিল্লি হাইকোর্টের, অভিযোগ খারিজ কর্নাটকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুটি পৃথক মামলা, পৃথক হাইকোর্ট! সম্মতিক্রমে শারীরিক সম্পর্ককে (Consensual Sex) ধর্ষণ বলতে রাজি নয় দিল্লি ও কর্নাটক হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণে এমনই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। ‘পকসো আইনের প্রকৃত উদ্দেশ্য হল ১৮ বছরের কম বয়সি মেয়েদের যৌনশোষন থেকে রক্ষা করা। আইনটি তরুণ প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে স্বেচ্ছায় প্রেম বা শারীরিক সম্পর্ককে অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত করে না।’ একটি পকসো মামলায় এমনই পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাইকোর্টের। বিচারপতি আরও উল্লেখ করেছেন, জেলে অপরাধীদের সঙ্গে রাখা একজন যুবকের ভাল হবে না, আরও খারাপের দিকে চলে যাবে সে। এই বলে অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছে আদালত।

    দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    অভিযোগ, ১৭ বছর বয়সি এক কিশোরী ২০ বছর বয়সি এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এরপর তাদের মধ্যে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ হলে শারীরিক সম্পর্ক হয়। ঘটনায় গর্ভবতী হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। তখন পরিবারের সদস্যরা ওই যুবকের বিরুদ্ধে কিশোরীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সহবাসের অভিযোগ তোলে। সেই ঘটনায় ২০২১ সালে ওই যুবককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তারপর থেকে জেলে রয়েছে ওই যুবক। জামিনের জন্য দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানায় ওই যুবক। মামলাটি ওঠে বিচারপতি বিকাশ মহাজনের বেঞ্চে। আদালতের মতে, ১৭ বছর বয়সি ওই মেয়েটির সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।  বিচারপতি বিকাশ মহাজনের পর্যবেক্ষণ, ‘যখন তাদের শারীরিক সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল তখন যুবতীর বয়স ছিল প্রায় সাড়ে ১৭ বছর। একটা প্রেমের সম্পর্ক বোঝার জন্য এই বয়স যথেষ্ট। এছাড়া অভিযুক্তের সঙ্গে সহমতেই সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। শারীরিক সম্পর্কের পথে তারা এগিয়েছিল নিজেদের ইচ্ছায়।’

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর

    কর্নাটক হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    অন্যদিকে ৬ বছর ধরে সম্মতিক্রমেই শারীরিক সম্পর্ক। বিয়ের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই মহিলাকে বিয়ে করেননি এক ব্যক্তি। এরপর ধর্ষণের অভিযোগ আনেন ওই মহিলা। তবে কর্নাটক হাইকোর্ট ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে। প্রসঙ্গত সোশ্য়াল মিডিয়ার মাধ্য়মে তাদের মধ্য়ে পরিচয় হয়েছিল। তবে দীর্ঘ ৬ বছর ধরে তাদের মধ্য়ে শারীরিক সম্পর্ক হয়। সেই ২০১৯ সাল থেকে তাদের মধ্য়ে সম্পর্ক। তবে কর্নাটক হাইকোর্ট জানিয়েছে, ৬ বছর ধরে যাদের মধ্য়ে শারীরিক সম্পর্ক রয়েছে সেটাকে কখনওই ধর্ষণ বলে বলা যাবে না। আদালত জানিয়েছে ৫ বছর ধরে সম্মতিক্রমে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হলে সেটা কোনওভাবেই তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে নয়। এরপর কর্নাটক হাইকোর্ট ধর্ষণের অভিযোগকে খারিজ করে দিয়েছে।  বিচারপতি এম নাগাপ্রসন্ন জানিয়েছেন, প্রথম দিন থেকে তাঁদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মতিতে যৌন সম্পর্ক হয়েছে। ২০১৯ সালের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত এটা হয়েছিল। তবে পারস্পরিক সম্মতিতে যে যৌনক্রিয়া সেটাকে ধর্ষণ বলে উল্লেখ করা যাবে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • S Jaishankar: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর   

    S Jaishankar: লক্ষ্য চিন! নেপাল-ভুটানের সঙ্গে রেলপথে জুড়তে চাইছে ভারত, জানালেন জয়শঙ্কর   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ন’ বছরে সীমান্ত এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা দুই-ই মজবুত করেছে ভারত। সম্প্রতি সাংবাদিক বৈঠকে একথাই জানালেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তিনি জানান, জাতীয় সুরক্ষার স্বার্থেই দেশের উত্তরে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও মজবুত করা হচ্ছে। দেশের নিরাপত্তা আরও সুরক্ষিত করতেই এসব করছে মোদি সরকার। তিনি জানান, খুব শীঘ্রই ভারত-কাঠমান্ডু রেলপথে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হবে। জয়শঙ্কর বলেন, শেষ পর্যায়ে রয়েছে রক্সৌল-কাঠমান্ডু ক্রস বর্ডার রেলওয়ে প্রজেক্ট। প্রজেক্টটি সম্পূর্ণ হলে ভারতের সঙ্গে কাঠমাণ্ডুর যোগাযোগ হবে সুগম। বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “অসম থেকে ভুটান পর্যন্ত রেলপথে যোগাযোগ স্থাপন করার কথাও ভাবছে মোদি সরকার।”

    ভারত-নেপাল যোগ

    জানা গিয়েছে, বিহারের চম্পারণের রক্সৌল থেকে বীরগঞ্জ, নিজগড়, সিন্সেনারি এবং খোকনা হয়ে পৌঁছবে রেলপথ পৌঁছবে কাঠমান্ডুর কাছের জেলা ললিতপুরে। নেপালে চিনের প্রভাব ঠেকাতেই এই রেললাইন গড়ায় তড়িঘড়ি করছে নয়াদিল্লি। এই পথে কার্গো এবং টু-টায়ার দু ধরণের ট্রেনই চালানো হবে। এতে যেমন কাঠমান্ডু যাওয়া অনায়াস হবে, তেমনি অন্য দেশে জিনিসপত্র পাঠানোও সহজ হবে। মোট রাস্তার ৪২ কিমি হবে টানেলের মধ্যে। পথে পড়বে ৪০টি বাঁক। তৈরি করতে হবে ১২৪টি ব্রিজ।

    ভারত-ভুটান সেতুবন্ধন

    কেবল নেপাল নয়, ভুটানের সঙ্গেও রেলপথে যোগাযোগ গড়ে তুলতে চাইছে ভারত। এজন্য অসমের কোকরাঝাড় থেকে ভুটানের জিলেপেউ পর্যন্ত ব্রডগেজ লাইন পাতা হবে। খরচ ধরা হয়েছে হাজার কোটি টাকা। দুই দেশের এই সেতুবন্ধনে তৈরি করতে হবে ৫৭.৫ কিলোমিটার রেলপথ। বিদেশমন্ত্রী (S Jaishankar) বলেন, “ভারত-ভুটান রেলপথ চালু হয়ে গেলে ভুটানে আরও বেশি করে পর্যটক যেতে পারবেন।”

    আরও পড়ুুন: বাঁকুড়ার ৭ শিক্ষককে তলব করে চার-ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ সিবিআইয়ের

    জানা গিয়েছে, নেপাল, ভুটান ও বাংলাদেশের সঙ্গে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা ভারতের পক্ষে যতটা সহজ, ততটাই কঠিন হয়েছে মায়ানমার সীমান্তে ত্রিস্তরীয় হাইওয়ে তৈরির কাজ শেষ করা। জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, “হাইওয়ের কাজ অর্ধেক হয়ে পড়ে রয়েছে। বাকি থাকা কাজ শেষ করতে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।” তিনি জানান, এই হাইওয়ের দৈর্ঘ দাঁড়াবে ১৪০০ কিলোমিটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Greenhouse Gas Emissions: গত ১৪ বছরে ভারতে দ্রুত হারে কমেছে কার্বন নিঃসরণ, নেপথ্যে কোন কারণ?

    Greenhouse Gas Emissions: গত ১৪ বছরে ভারতে দ্রুত হারে কমেছে কার্বন নিঃসরণ, নেপথ্যে কোন কারণ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে দ্রুত হারে কমেছে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের (Greenhouse Gas Emissions) পরিমাণ। গত ১৪ বছরে নিঃসরণের পরিমাণ কমেছে ৩৩ শতাংশ। দেশে জঙ্গলের আয়তন বৃদ্ধি ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তির ব্যবহার বাড়ায় এটা সম্ভব হয়েছে। সম্প্রতি রাষ্ট্রসংঘের কনভেনশন অফ ক্লাইমেট চেঞ্জে একটি রিপোর্ট জমা দিয়েছে নয়াদিল্লি। সেই রিপোর্টেই জানানো হয়েছে এ কথা। রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে, ২০০৫ সাল থেকে ২০১৯ এই চোদ্দ বছরে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ কমেছে ৩৩ শতাংশ। যদিও ২০১৬ থেকে ২০১৯ এই তিন বছরে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছিল তিন শতাংশ। ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালে এর পরিমাণ ছিল ১.৫ শতাংশ।

    কার্বন নিঃসরণের শীর্ষে ছিল চিন

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা ও পরামর্শদাতা প্রতিষ্ঠান রোডিয়াম গ্রুপের এক গবেষণায় জানা গিয়েছিল, ২০১৯ সালে বিশ্বে নিঃসৃত গ্রিনহাউস গ্যাসের (Greenhouse Gas Emissions) ২৭ শতাংশ নিঃসরণ ঘটেছে চিনে। ওই তালিকায় চিনের পরেই ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ ছিল ১১ শতাংশ। ওই তালিকায় তৃতীয় দেশ ছিল ভারত। সেখানে নিঃসরণের পরিমাণ ৬.৬ শতাংশ।

    ভারতের হার 

    রাষ্ট্রসংঘের কনভেনশন অফ ক্লাইমেট চেঞ্জে রিপোর্ট জমা দেয় বিভিন্ন দেশ। সম্প্রতি রিপোর্ট জমা দিয়েছে ভারতও। তখনই জানা গিয়েছে, গত ১৪ বছরে ভারতে কমেছে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ। আশা করা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের পরিমাণ কমবে ৪৫ শতাংশ।

    আরও পড়ুুন: উদ্বেগ বাড়াচ্ছে করোনার নয়া প্রজাতি ইজি-৫, মৃত্যুর ঝুঁকি সবথেকে বেশি বলছে ‘হু’

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভারতে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের (Greenhouse Gas Emissions) হার কমার নেপথ্যে রয়েছে সরকারি নীতি। সরকার পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তির ওপর জোর দিয়েছে। সূত্রের খবর, ভারত অর্থনৈতিক উন্নয়নের থেকে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের বিষয়টিকে আলাদা করে দেখিয়েছে। ভারত বুঝিয়ে দিয়েছে, উন্নত দেশ মানেই প্রচুর গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ নয়। নিঃসরণের হার কমার অন্যতম প্রধান কারণ বনভূমির আয়তন বৃদ্ধি। ২০১৯ সালে ভারতের প্রায় ৮.০৭৩ কোটি হেক্টর জমি জঙ্গলাকীর্ণ ছিল। অর্থাৎ দেশের মোট আয়তনের ২৪.৫৬ শতাংশ এলাকা সবুজে ঢাকা। তাছাড়া গ্রিন হাইড্রোজেনের ওপরও জোর দিয়েছে সরকার। জলের অণু বিয়োজন করে এই শক্তি উৎপাদন করা হচ্ছে। এসব কারণেও কমছে গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণের হার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • Amit Shah: “দিনের ১৭ ঘণ্টাই কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি”, অনাস্থা বিতর্কে শাহি জবাব

    Amit Shah: “দিনের ১৭ ঘণ্টাই কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি”, অনাস্থা বিতর্কে শাহি জবাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কোনও ছুটি না নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৭ ঘণ্টাই কাজ করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশবাসীর নয়, মোদি সরকারের ওপর অবিশ্বাস কেবল বিরোধীদের।” বুধবার সংসদে অনাস্থা বিতর্কে যোগ দিয়ে কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন মোদি সরকারের প্রশংসার পাশাপাশি তিনি আক্রমণ শানালেন বিরোধীদেরও।  

    অনাস্থা বিতর্কে রাহুল

    ২০১৮ সালের পর এবার ফের মোদি সরকারের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন বিরোধীরা। কংগ্রেসের পক্ষে প্রস্তাবটি পেশ করেন সাংসদ গৌরব গগৈ। সাড়ে চার মাস পরে মঙ্গলবার সংসদে যোগ দিয়ে বুধবার অনাস্থা বিতর্কে অংশ নেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তাঁর বক্তৃতার আগাগোড়াই ছিল বিজেপির বিরুদ্ধে শানিত আক্রমণ। রাহুল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী মণিপুরে যাননি, কারণ তিনি এটাকে ভারতের অংশ বলে মনেই করেন না।”

    রাহুলকে নিশানা শাহের 

    এর পর অনাস্থা বিতর্কে অংশ নিয়ে নাম না করে রাহুলকে নিশানা করেন শাহ (Amit Shah)। বলেন, “এই হাউসে একজন সাংসদ রয়েছেন, যাঁকে রাজনীতিতে ১৩ বার নামানো হয়েছে। ১৩ বারই তিনি ব্যর্থ হয়েছেন। সেরকম এক শুরুর সাক্ষী ছিলাম আমি, যখন তিনি বুন্দেলখণ্ডে কলাবতী নামে এক গরিব মহিলার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু আপনি তাঁর জন্য কী করেছিলেন? তাঁকে বাড়ি, রেশন, বিদ্যুতের জোগানও দিয়েছিল মোদি সরকার।” কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ইউপিএ জমানার কলঙ্কজনক অধ্যায় দেখেছে গোটা দেশ। ইউপিএর চরিত্রটাই দুর্নীতিতে ভরা। এনডিএ সিদ্ধান্তের রাজনীতি করে। মোদি সরকারের ওপর দেশবাসীর অগাধ আস্থা রয়েছে। ইউপিএ জমানার দুর্নীতি সবাই দেখেছে। অনাস্থা ঠেকাতেও নরসিংহ রাওয়ের সময় দুর্নীতি হয়েছিল। নরসিংহ রাওয়ের সময় অনাস্থা ঠেকাতে ঘুষ দেওয়া হয়েছিল। অটলবিহারী বাজপেয়ীর সময় অনাস্থায় এক ভোটে হেরে গিয়েছিল সরকার। কিন্তু অটলবিহারী বাজপেয়ী বলেছিলেন, আমরা সংসদের আদেশ মেনে নেব।”

    আরও পড়ুুন: “প্রাক্তন না করতে পারলে আমরা ক্ষুদিরামের দেশের লোক নই”, শুভেন্দুর তোপ মমতাকে

    শাহ (Amit Shah) বলেন, “মণিপুরে হিংসার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক, সরকার কোনওভাবেই সমর্থন করে না। দুঃখজনক ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করাটা আরও লজ্জার।” তিনি বলেন, “মণিপুরে বিজেপি সরকারের আমলে একদিনও সেখানে কারফিউ জারি করতে হয়নি। মায়ানমার সীমান্তে অনুপ্রবেশের সমস্যা রয়েছে। গুজব থেকেই মণিপুরে হিংসার সূত্রপাত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

LinkedIn
Share