Category: খেলা

Get updates on Sports News Cricket, Football, Tennis, from the Madhyom news portal madhyom.com, West Bengal leading news portal Madhyom.com

  • Dilip Ghosh at Eden: গেরুয়া উত্তরীয় সঙ্গে ফুলের স্তবক! ইডেনে দিলীপ ‘বরণ’ সৌরভের, খেলার মাঠেও বিজেপি নেতাদের হাতে ঝালমুড়ি

    Dilip Ghosh at Eden: গেরুয়া উত্তরীয় সঙ্গে ফুলের স্তবক! ইডেনে দিলীপ ‘বরণ’ সৌরভের, খেলার মাঠেও বিজেপি নেতাদের হাতে ঝালমুড়ি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের ক্রিকেট প্রেম নতুন নয়। এর আগেও তাঁকে বহুবার দেখা গিয়েছে ইডনের বক্সে। বুধবারও ইডেনে কেকেআর-মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের খেলা দেখতে হাজির ছিলেন দিলীপ (Dilip Ghosh at Eden)। সঙ্গে ছিলেন বিধায়ক তাপস রায়-সহ অন্যান্য বিজেপি নেতারাও। বর্তমানে সদ্য ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন, মন্ত্রীত্ব পেয়েছেন, কাজের চাপও অনেক বেড়েছে আগের তুলনায়। তবু আইপিএল দেখতে ইডেনে হাজির দিলীপ। তাঁকে বরণ করে নেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। ম্যাচ দেখতে এসে সিএবির তরফ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয় দিলীপ ঘোষকে। সিএবির অফিসে রাজ্যের নতুন মন্ত্রীকে গেরুয়া উত্তরীয় পরিয়ে, ফুলের স্তবক দিয়ে স্বাগত জানান সিএবি সভাপতি।

    দিলীপ-বরণ ইডেনে

    রাজ্যে পরিবর্তনের হাওয়া বাইশ গজেও। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে এক মঞ্চে দেখা গিয়েছিল আগে, এবার দিলীপ ঘোষের সঙ্গে খোশ মেজাজে গল্প করতে দেখা গেল মহারাজ-কে। দিলীপ ঘোষ ও সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মধ্যে খানিক কথাও হয়। তবে দুজনের মধ্যে কোন বিষয়ে কথা হয়েছে তা জানা যায়নি। দিলীপ ঘোষকে অভ্যর্থনা জানাতে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ছাড়া অন্য সিএবি কর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। বুধবারই শিলিগুড়িতে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তারপরও শহরে ফিরেই নিজের প্রিয় খেলা ও প্রিয় দলের ম্যাচ দেখতে ইডেনে হাজির হন তিনি। এদিন মুম্বইকে ৪ উইকেটে হারিয়ে দেয় কলকাতা।

    ইডেনে ঝালমুড়ি সংস্কৃতি

    ভোটের প্রচারে এসে ঝাড়গ্রামে গিয়ে ঝালমুড়ি খেয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। যে ছবি, ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছিল। তারপর থেকেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে বারবার উঠে এসেছে ঝালমুড়ির প্রসঙ্গ। এবার ইডেন গার্ডেন্সেও ঝালমুড়ি সংস্কৃতি! ঝালমুড়ি খেতে খেতে আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (KKR vs MI) ম্যাচ দেখলেন রাজ্যের মন্ত্রী। ঘড়িতে তখন কাঁটায় কাঁটায় ৮.১৫ । ম্যাচ বন্ধ হয়ে যায় বৃষ্টিতে । প্রথমে ব্য়াট করে তখন মুম্বইয়ের স্কোর ৫৭/৪ । খেলা বন্ধ রইল এক ঘণ্টা। ঠিক সেই সময়ই ইডেনে এলেন দিলীপ। ক্লাব হাউসে বিধায়ক ও বিধানসভার স্পিকার তাপস রায়, বৈশালী ডালমিয়া, তমোঘ্ন ঘোষদের সঙ্গে বসে খেলা দেখলেন। হাতে ঝালমুড়ির ঠোঙা। বললেন, ‘উত্তরবঙ্গে গিয়েছিলাম। খানিক আগেই সেখান থেকে ফিরেছি। ফিরেই খেলা দেখতে চলে এলাম। আমি কেকেআরের সমর্থক। ওরা এখনও প্লে অফে যেতে পারে। শেষ দুই ম্যাচ জিততে হবে। শুরুর দিকে কয়েকটা ম্যাচ ভালো যায়নি। শুরুটা ভালো হলে এতদিনে আমরা প্লে অফে পৌঁছে যেতাম।’

  • Yuva Bharati Stadium: খুলছে মেসি ফাইল! যুবভারতীর সামনে থেকে ‘বিদঘুটে’ ভাস্কর্য সরানোর নির্দেশ নিশীথের

    Yuva Bharati Stadium: খুলছে মেসি ফাইল! যুবভারতীর সামনে থেকে ‘বিদঘুটে’ ভাস্কর্য সরানোর নির্দেশ নিশীথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সল্টলেকের বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের (Yuva Bharati Stadium) ভিভিআইপি (VVIP) প্রবেশদ্বারের সম্মুখে অবস্থিত পূর্বতন শাসকদলের আমলে নির্মিত বিতর্কিত ভাস্কর্যটি অপসারণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবগঠিত রাজ্য সরকার। গত রবিবার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মোহনবাগান ও ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মধ্যকার ঐতিহ্যবাহী ‘ডার্বি’ ম্যাচ উপভোগ করতে উপস্থিত হয়েছিলেন রাজ্যের  ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nisith Pramanik)। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে স্টেডিয়ামের নান্দনিক পরিবেশ ও পরিকাঠামো সংস্কারের অংশ হিসেবে এই ভাস্কর্যটি স্থানান্তরের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

    বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল (Nisith Pramanik)

    তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে নির্মিত এবং প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নকশাকৃত এই ভাস্কর্যটিতে মানব অবয়বের নিম্নাংশের ওপর ‘বিশ্ববাংলা’র প্রতীক ও ফুটবল প্রদর্শিত হয়েছে। বর্তমান সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, শিল্পসম্মত উৎকর্ষের অভাব এবং ক্রীড়াঙ্গনের (Yuva Bharati Stadium) প্রবেশদ্বারের নান্দনিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় ভাস্কর্যটি অপসারণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক মন্তব্য করেন, ‘‘শিল্পটির গঠনে এক প্রকার অসঙ্গতি রয়েছে এবং এর কোনও সুনির্দিষ্ট অর্থ বা তাৎপর্য প্রকাশ পায় না। এরকম বিদঘুটে একটা মূর্তি, একটা কাটা পা তার ওপর ফুটবল । আমার তো মনে হয় এই মূর্তি লাগানোর পর থেকেই বিগত সরকারের খারাপ দিন আসা শুরু হয়েছে। তারপর মেসি কাণ্ড হল, সরকার চলে গেল। এমন একটা মূর্তি যার কোনও অর্থ নেই, কোনও মানে নেই সেটা আমরা রাখব না, আমরা পরিবর্তন করব।’’ তিনি মজা করে আরও বলেন, ‘‘এই ভাস্কর্যটি স্থাপনের পর থেকেই পূর্বতন সরকারের শাসনব্যবস্থায় নানাবিধ জটিলতা ও বিপর্যয় দৃশ্যমান হয়েছিল।’’

    ফুড কোর্ট স্থাপন করা হবে

    ভাস্কর্য অপসারণের পাশাপাশি যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক মানের করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোগত সংস্কারের কথা ঘোষণা করেন ক্রীড়ামন্ত্রী। তিনি বলেন, “স্টেডিয়াম চত্বরে দর্শকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা যুক্ত ফুড কোর্ট (Food Court) স্থাপন করা হবে। সেখানে পরিবেশিত খাবারের গুণগত মান কঠোরভাবে বজায় রাখতে ফুড টেস্টিং অফিসার বা খাদ্য পরিদর্শকদের নিয়মিত নিয়োজিত করা হবে, যা দর্শকদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করবে।” ক্রীড়ামন্ত্রী হিসেবে তিনি আরও জানান যে, প্রশাসনিক ব্যস্ততা না থাকলে যুবভারতীতে (Yuva Bharati Stadium) আয়োজিত ফুটবল ও ক্রিকেট ম্যাচগুলোতে তিনি সশরীরে উপস্থিত থেকে খেলোয়াড় ও দর্শকদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করবেন।

    মেসি ফাইল’ ওপেন

    সাংবাদিক বৈঠকে ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীত প্রামাণিক বিগত সময়ে যুবভারতীকে (Yuva Bharati Stadium) কেন্দ্র করে ঘটা বহুল আলোচিত ‘মেসি ফাইল’ বা ম্যাচ সংক্রান্ত আর্থিক অনিয়মের তদন্ত প্রসঙ্গেও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন, যেসকল ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ কষ্টার্জিত অর্থ ব্যয় করে প্রতারিত ও অসম্মানিত বোধ করেছিলেন, সরকার তাঁদের সেই সম্মান ও অধিকার ফিরিয়ে দিতে বদ্ধপরিকর। সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী সংস্থাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং দর্শকদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে ক্রীড়া মন্ত্রক সর্বতোভাবে সহায়তা প্রদান করবে।

  • Vaibhav Sooryavanshi: সচিনের রেকর্ড ভাঙার হাতছানি, ভারত ‘এ’ দলে সুযোগ পেলেন ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশী

    Vaibhav Sooryavanshi: সচিনের রেকর্ড ভাঙার হাতছানি, ভারত ‘এ’ দলে সুযোগ পেলেন ১৫ বছরের বৈভব সূর্যবংশী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রিকেটের উদীয়মান নক্ষত্র বৈভব সূর্যবংশীর (Vaibhav Sooryavanshi) মুকুটে যুক্ত হল নতুন পালক। অনূর্ধ্ব-১৯ ও এমার্জিং দলের হয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর এবার বড়দের ক্রিকেটে পা রাখলেন ১৫ বছর বয়সি এই বাঁহাতি ওপেনার। আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে নজরকাড়া ব্যাটিংয়ের পুরস্কার হিসেবে তাঁকে ভারত ‘এ’ (India A Team) দলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    আইপিএলের বিধ্বংসী ফর্ম ও জাতীয় দলের হাতছানি (Vaibhav Sooryavanshi)

    চলতি আইপিএলে রাজস্থানের জার্সি গায়ে বৈভবের (Vaibhav Sooryavanshi) ব্যাটে রানের বন্যা বয়ে গিয়েছে। মাত্র ১১ ম্যাচে ৪০ গড় এবং ২৩৬.৫৫-এর অবিশ্বাস্য স্ট্রাইক রেটে তিনি ৪৪০ রান সংগ্রহ করেছেন। টুর্নামেন্টে একটি শতরান (১০৩ রান) ও দুটি অর্ধশতরান করে কমলা টুপির লড়াইয়েও প্রথম সারিতে রয়েছেন তিনি। বৈভবের (India A Team) এই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শৈলী দেখে বিশেষজ্ঞরা এখনই তাঁকে ভারতীয় জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ সম্পদ হিসেবে গণ্য করছেন।

    তিলক বর্মার নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কা সফর

    আগামী জুন মাসে শ্রীলঙ্কার মাটিতে একটি ত্রিদেশীয় এক দিনের সিরিজ খেলতে যাবে ভারত ‘এ’ দল। শ্রীলঙ্কা ও ভারতের পাশাপাশি এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবে আফগানিস্তান। তিলক বর্মার নেতৃত্বাধীন ১৫ জনের এই দলে বৈভবকে (India A Team) সুযোগ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৯ জুন থেকে শুরু হওয়া এই সিরিজ চলবে ২১ জুন পর্যন্ত। এরপর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দুটি চার দিনের ম্যাচও খেলবে ভারত, যার দল পরে ঘোষণা করা হবে।

    সচিন তেন্ডুলকরের রেকর্ড কি বিপন্ন?

    ক্রিকেট মহলে গুঞ্জন শুরু হয়েছে, ভারত ‘এ’ দলের হয়ে এই সফরে বৈভব (Vaibhav Sooryavanshi) যদি নিজের ফর্ম বজায় রাখতে পারেন, তবে খুব দ্রুতই জাতীয় টি-টোয়েন্টি দলে তাঁর অভিষেক হতে পারে। আর তেমনটা হলে কিংবদন্তি সচিন তেন্ডুলকরের রেকর্ড ভেঙে সর্বকনিষ্ঠ ভারতীয় ক্রিকেটার (India A Team) হিসেবে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পদার্পণ করবেন তিনি।

    অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক

    উল্লেখ্য, চলতি বছরে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ে বৈভবের (Vaibhav Sooryavanshi) অবদান ছিল অনস্বীকার্য। বিশেষ করে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ফাইনালে তাঁর ১৭৫ রানের মহাকাব্যিক ইনিংসটি ক্রিকেটপ্রেমীদের দীর্ঘকাল মনে থাকবে। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই এবার শ্রীলঙ্কার চ্যালেঞ্জ সামলাতে প্রস্তুত বিহারের এই তরুণ তুর্কি।

    ভারত ‘এ’ স্কোয়াড

    ভারত এ স্কোয়াড টিমে রয়েছে (India A Team) তিলক বর্মা (অধিনায়ক), রিয়ান পরাগ (সহ-অধিনায়ক), প্রিয়াংশ আর্য, বৈভব সূর্যবংশী, আয়ুষ বদোনি, নিশান্ত সিন্ধু, হর্ষ দুবে, সূর্যাংশ শেরগে, প্রভসিমরন সিংহ (উইকেটরক্ষক), কুমার কুশাগ্র (উইকেটরক্ষক), বিপরাজ নিগম, যশ ঠাকুর, যুদ্ধবীর সিংহ, অংশুল কম্বোজ ও আরশাদ খান।

  • Tutu Basu Died: অভিভাবকহীন সবুজ-মেরুন! প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি টুটু বসু

    Tutu Basu Died: অভিভাবকহীন সবুজ-মেরুন! প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি টুটু বসু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় ক্রীড়াপ্রশাসনের জগতে নক্ষত্র পতন। প্রয়াত মোহনবাগানের প্রাক্তন সভাপতি স্বপনসাধন বসু (Tutu Basu Died)। ময়দানে যাঁর পরিচিতি টুটু বসু নামে। মঙ্গলবার গভীর রাতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। সোমবার সন্ধ্যায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হন বর্ষীয়ান ক্রীড়া প্রশাসক। দক্ষিণ কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল তাঁকে। ভেন্টিলেশনে ছিলেন। মঙ্গলবার তাঁকে হাসপাতালে দেখতে যান রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। সঙ্গে ছিলেন সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি কল্যাণ চৌবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও টুটুবাবুর খোঁজ নিয়েছিলেন।

    মোহনবাগান আর টুটু বসু

    মোহনবাগান ক্লাব (Mohunbagan Ex President Tutu Basu) এবং টুটু বসু সমার্থক। ১৯৯১ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত তিনি মোহনবাগানের সচিব ছিলেন। ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৮ সালে ফের তিনি সচিব নির্বাচিত হন। দায়িত্ব সামলেছিলেন দু’বছর। এরপর ২০২০-২২ এবং ২০২২-২০২৫, দু’দফায় ফের তিনি সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। গত বছর মোহনবাগানের নির্বাচনের আগে তিনি সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন। শারীরিক কারণে বর্তমানে কোনও আনুষ্ঠানিক পদে থাকেননি তিনি। অঞ্জন মিত্রের সঙ্গে তাঁর ‘জুটি’ ময়দানের মিথ হয়ে আছে।

    আধুনিক মোহনবাগান তাঁর হাতেই

    টুটু বসুর হাত ধরেই মোহনবাগান ক্লাবে একের পর এক ইতিহাস তৈরি হয়। তার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য শিল্পপতি সঞ্জীব গোয়েন‌্কার হাতে ক্লাবের মালিকানা তুলে দেওয়া। মোহনবাগানের নামের আগে তখন যুক্ত হয় ‘এটিকে’। তা নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। তারও আগে তিনি মোহনবাগান ক্লাবে আরও এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেন। যে সবুজ-মেরুনে কখনও বিদেশি ফুটবলার খেলতে দেখা যায়নি, সেখানেই চিমা ওকেরিকে সই করিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন টুটু। চিমাই মোহনবাগানের প্রথম বিদেশি। তাঁর পুত্র সৃঞ্জয় এখন মোহনবাগানের সচিব পদে রয়েছেন। ফুটবল প্রশাসক ছাড়াও একাধিক পরিচয় ছিল টুটু বসুর। তিনি রাজ্যসভায় সাংসদ ছিলেন। একই সঙ্গে ব্যবসায়ী এবং সংবাদপত্রের মালিকও।

    অভিভাবক-হারা মোহনবাগান

    জানা গিয়েছে, বুধবার সকাল ৮ টায় তাঁর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে তাঁর বালিগঞ্জের বাসভবনে। সেখান থেকে খিদিরপুর ক্লাব, ভবানীপুর ক্লাব হয়ে মোহনবাগান ক্লাবে। সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ মোহনবাগানে তাঁকে শেষ শ্রদ্ধার্ঘ্য জানানো হবে। দুপুর ২.৩০ মিনিট পর্যন্ত ক্লাবেই থাকবে মরদেহ। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ কেওড়াতলা মহাশ্মশানে শেষকৃত্য হবে টুটু বসুর। পরিবারের তরফে এই খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। গত বছর মোহনবাগান দিবসের শ্রেষ্ঠ আকর্ষণ ছিলেন টুটু বসুই। তিনি প্রশাসক থাকাকালীন ‘মোহনবাগান রত্ন’ দেওয়া শুরু হয়। সেই সম্মানই গত বছর তুলে দেওয়া হয়েছিল টুটুর হাতে। মোহনবাগান ভক্ত এবং ফুটবল অনুরাগীদের মনে টুটুই ছিলেন সবুজ-মেরুনের অভিভাবক। এখন অভিভাবক-হারা মোহনবাগান।

     

     

     

     

  • Bangladesh Cricket Investigation: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতে কেন খেলেনি বাংলাদেশ? তদন্ত কমিটি গঠন তারেক প্রশাসনের

    Bangladesh Cricket Investigation: টি২০ বিশ্বকাপে ভারতে কেন খেলেনি বাংলাদেশ? তদন্ত কমিটি গঠন তারেক প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে খেলতে আসতে পারবে না, এই অজুহাতে ২০২৬ সালের আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ (Bangladesh Cricket Investigation)। আর সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হয়েছিল, তার কারণ খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করল বাংলাদেশ সরকার। সরকার বদলের পর বাংলাদেশের ক্রিকেটেও বদল এসেছে। অন্তর্বর্তী বোর্ডের সভাপতি হয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন অধিনায়ক তামিম ইকবাল। তাঁর মতে, বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়ে ঠিক করেননি তৎকালীন বিসিবি (BCB) কর্তারা। প্রথম থেকে কড়া অবস্থান ছিল না আইসিসি-র, এমনটাই মনে করেন তামিম। তাই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান বের করার সুযোগ ছিল বলেই জানালেন তিনি। তার পরেও বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ হাতছাড়া করা যে হতাশাজনক, তা স্পষ্ট জানালেন তামিম।

    তদন্ত কমিটি গঠন

    চলতি বছর সুরক্ষার কারণ দেখিয়ে ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে আসেনি বাংলাদেশ। শেষ পর্যন্ত তাদের বিশ্বকাপ থেকে বয়কট করা হয়েছিল। সেই বিষয়ে এবার শুরু হবে তদন্ত। বাংলাদেশ সরকার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বাংলাদেশের যুব ও ক্রীড়া দফতরের সচিব মাহবুব উল ইসলাম সংবাদসংস্থা এএনআই-কে বলেন, “ভারতে আয়োজিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যুব ও ক্রীড়া দফতর।”কমিটিতে রয়েছেন যুব ও ক্রীড়া দফতরের প্রশাসনিত শাখার অতিরিক্ত সচিব একেএম ওলি উল্লাহ, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন প্রধান নির্বাচক তথা দেশের ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অধিনায়ক হাবিবুল বাশার ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তথা ক্রীড়া উদ্যোক্তা ফয়সল দাস্তগির। ওলি উল্লাহকে এই কমিটিকে আহ্বায়ক করা হয়েছে।

    কী কী বিষয় খতিয়ে দেখা হবে

    জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের বিশ্বকাপে না খেলার সিদ্ধান্তের নেপথ্যে ঠিক কী কী কারণ ছিল, কোনও কূটনৈতিক ব্যর্থতার কারণে তারা এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখবে এই কমিটি। তদন্ত করে ১৫ দিনের মধ্যে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। চলতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার আগে ভারতে খেলতে আসতে আপত্তি জানায় বাংলাদেশ সরকার। বাংলাদেশের অভিযোগ ছিল, ভারতে চরমপন্থী গোষ্ঠীর হুমকির জেরে বিসিসিআই নাকি বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে আইপিএল থেকে বাদ দেয়। এমন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের দল ভারতে খেলতে আসতে চায়নি। তৎকালীন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট আমিনুল ইসলাম ভারতে বাংলাদেশী খেলোয়াড়, স্টাফ এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। যদিও তাঁর যুক্তি উড়িয়ে দেয় আইসিসি এবং বিসিসিআই। কিন্তু বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার বিসিবিকে টুর্নামেন্ট থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেয়।

    বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত ভুল!

    তৎকালীন বিসিবি কর্তাদের বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্তকে ঘিরে প্রাক্তন ক্রিকেটার ও ক্রীড়া বিশ্লেষকদের একাংশ তীব্র সমালোচনা করেন। শাকিব আল হাসানের মতো বাংলাদেশি ক্রিকেটার জানান, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হয়নি। বিশ্বকাপ খেলা উচিত ছিল বাংলাদেশের। বিসিবি-র বর্তমান অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার তামিম ইকবাল বলেন, ‘বিশ্বকাপের এই ইস্যু নিয়ে সম্ভবত আমিই প্রথম মুখ খুলেছিলাম। কিন্তু যা হয়েছে, তা একেবারেই উচিত হয়নি। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের প্রাক্তন কর্তারা যে ভাবে এই বিষয়টা সামলান, তা ভুল ছিল।’

  • ICC T-20 Ranking: টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সিংহাসনে ভারত, দু মাস মাঠে না নেমেও আইসিসির তালিকায় শীর্ষে বিশ্বজয়ীরা

    ICC T-20 Ranking: টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সিংহাসনে ভারত, দু মাস মাঠে না নেমেও আইসিসির তালিকায় শীর্ষে বিশ্বজয়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC Ranking) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ক্রমতালিকায় শীর্ষ স্থানে ভারত। ২০২৪ সালের পর ২০২৬ সালেও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। মাঠের মতো আইসিসির টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ক্রমতালিকাতেও এখন সেরা সূর্যকুমারেরা। মঙ্গলবার আইসিসি দলগুলির যে ক্রমতালিকা প্রকাশ করেছে তাতে শীর্ষে রয়েছে ভারত। ভারতীয় দলের রেটিং ২৭৫। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে হেরে যাওয়া ইংল্যান্ড। তাদের রেটিং ২৬২।

    ক্রম তালিকায় কে কোথায়

    গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ রানার্স নিউজিল্যান্ড রয়েছে চতুর্থ স্থানে। মিচেল স্যান্টনারের দলের রেটিং ২৪৭। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব বিদায় নিলেও ক্রমতালিকায় তৃতীয় স্থান ধরে রেখেছে অস্ট্রেলিয়া। তাদের রেটিং ২৫৮। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ওঠা দক্ষিণ আফ্রিকাও রয়েছে ক্রমতালিকায় পঞ্চম স্থানে। প্রোটিয়াদের রেটিং ২৪৪। ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে পাকিস্তান। তাদের রেটিং ২৪০। দু’বারের বিশ্বজয়ী ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২৩৩ রেটিং নিয়ে সপ্তম স্থানে। বিশ্বকাপ না খেলা বাংলাদেশ রয়েছে ক্রমতালিকায় আট নম্বরে। লিটন দাসের দলের রেটিং ২২৫। নয় এবং দশ নম্বরে রয়েছে এশিয়ার অন্য দুই দেশ শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তান। এই দু’দেশের রেটিং যথাক্রমে ২২১ এবং ২২০।

    সেরা ব্যাটার অভিষেক

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর সূর্যকুমার যাদবের দল এখনও মাঠে নামেনি। ২০২৪ সালের টি-২০ বিশ্বকাপ থেকেই এই ফরম্যাটে সেরা ভারত। ২০২৪ থেকে ২০২৬ বিশ্বকাপ। এই দু’বছরে একটাও সিরিজ হারেনি টিম ইন্ডিয়া। এমনকী, ২০২৬ বিশ্বকাপটাও ভারত খেতাব জেতে। যার সুফল টিম ইন্ডিয়া পেয়েছে আইসিসি ক্রমতালিকাতেও। ব্যক্তিগত ক্রমতালিকাতেও দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সেই ভারতীয়রাই। ব্যাটারদের ক্রমতালিকায় প্রথম তালিকায় রয়েছেন অভিষেক শর্মাই। দু’নম্বরে ভালো ফর্মে থাকা ঈশান কিষান। পাকিস্তানের সাহিবজাদা ফারহান তৃতীয় স্থানে। বোলারদের শীর্ষস্থান অবশ্য খুইয়েছেন বরুণ চক্রবর্তী। তিনি রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। যশপ্রীত বুমরা রয়েছেন পঞ্চম স্থানে।

  • IPL 2026: ধোনির রেকর্ড ভাঙলেন রিঙ্কু! লখনউ ম্যাচে ইতিহাস কেকেআর তারকার, সুপার ওভারে জয় নাইটদের

    IPL 2026: ধোনির রেকর্ড ভাঙলেন রিঙ্কু! লখনউ ম্যাচে ইতিহাস কেকেআর তারকার, সুপার ওভারে জয় নাইটদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাহির রেকর্ড ভেঙে এখন কেকেআর-এর ‘সঙ্কটমোচন’ রিঙ্কু সিং। দলের বিপদে রিঙ্কু যখন ক্রিজে নামেন, কেকেআর সমর্থকরা তখন ভরসা পান। মাঝে যদিও সময়টা ভালো যাচ্ছিল না কিন্তু আবারও নিজেকে প্রমাণ করলেন রিঙ্কু (Rinku Singh)। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে ৫১ বলে অপরাজিত ৮৩ রানের এক বিধ্বংসী ইনিংস খেলে কেবল দলকে জেতাননি, বরং আইপিএলের ইতিহাসে (IPL 2026) কিংবদন্তি মহেন্দ্র সিং ধোনির এক দীর্ঘস্থায়ী রেকর্ড নিজের নামে করে নিলেন কেকেআরের এই বাঁহাতি ব্যাটার।

    ধোনির রেকর্ড-এ থাবা

    আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম ইনিংসে ৬ নম্বর বা তার নিচে ব্যাট করতে নেমে ভারতীয়দের মধ্যে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটি এতদিন ছিল এমএস ধোনির দখলে। ২০১১ সালে আরসিবির বিরুদ্ধে ধোনি করেছিলেন ৭০ রান। দীর্ঘ ১৫ বছর পর সেই রেকর্ড ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়লেন রিঙ্কু সিং। লখনউয়ের বিপক্ষে তাঁর অপাজিত ৮৩ রানের ইনিংসটি এখন তালিকার শীর্ষে। এই তালিকায় তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছেন যথাক্রমে দীনেশ কার্তিক (৬৯) এবং শার্দূল ঠাকুর (৬৮)। প্রথম ইনিংসে লোয়ার অর্ডারে (৬ বা তার নিচে) নেমে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে দ্বিতীয় সর্বাধিক রানের মালিকও এখন রিঙ্কু। এখানে তাঁর আগে রয়েছেন কেবল কেকেআরের সতীর্থ আন্দ্রে রাসেল, যিনি ২০১৮ সালে চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে ৮৮ রান করেছিলেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে আইপিএল ইতিহাসে ৬ বা তার নিচে নেমে সর্বাধিক রানের এলিট ক্লাবেও এখন জ্বলজ্বল করছে রিঙ্কুর নাম। যেখানে হার্দিক (৯১), আন্দ্রে রাসেল (৮৮), জিতেশ শর্মা (৮৫) এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির (৮৪) মতো বিগ হিটাররা রয়েছেন। সেখানে পাঁচ নম্বরে রয়েছেন রিঙ্কু সিং।

    সুপার ফিনিশার রিঙ্কু

    ইডেনে রাজস্থান রয়‌্যালসের বিরুদ্ধে টিমকে প্রথম জয় এনে দিয়েছিলেন। আর লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে রিঙ্কু যা করলেন, সেটা এককথায় অতিমানবীয়। টস হেরে প্রথমে ব‌্যাট করে নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে যায় কেকেআর। ৩১ রানের মধ্যে চারটে উইকেট চলে যায়। সেখান থেকেই টিমকে টানতে থাকেন রিঙ্কু। শেষ ওভারে টানা চারটে ছয়। সেটাই কেকেআরকে লড়াই করার মতো জায়গায় পৌঁছে দেয়। তারপর ফিল্ডিংয়ে পাঁচটা ক‌্যাচ (একটা সুপার ওভারে)। রিঙ্কুর দৌলতেই সুপার ওভারে লখনউকে হারিয়ে ম্যাচে নাটকীয় জয় পায় নাইটরা। ম্যাচ শেষে হর্ষ ভোগলে তাঁকে ‘সঙ্কটমোচন’ বলে ডাকলেও ম্যাচের সের রিঙ্কু তা বিনম্রভাবে হাসিমুখে উড়িয়ে দিয়েছেন। তবে পরিসংখ্যান বলছে, ধোনির উত্তরসূরি হিসেবে একজন নিখুঁত ফিনিশারের খোঁজে থাকা ভারতীয় ক্রিকেটে রিঙ্কু সিং এখন এক অপরিহার্য নাম।

  • KKR: হাড়ে চিড় নিয়েই খেলছেন! অবশেষে জয়ের পর কেকেআরের ড্রেসিংরুমে কান্নাকাটি কেন, জানালেন বরুণ

    KKR: হাড়ে চিড় নিয়েই খেলছেন! অবশেষে জয়ের পর কেকেআরের ড্রেসিংরুমে কান্নাকাটি কেন, জানালেন বরুণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল চ্যাম্পিয়ন হয়েও চোখে জল আসেনি, কিন্তু চলতি আইপিএলে প্রথম জয় কাঁদিয়ে দিল রিঙ্কু-বরুণদের। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় চলতি আইপিএলে অবশেষে জয় পেয়ে ম্যাচের সেরা বরুণ চক্রবর্তী বললেন, ‘‘২০২৪-এ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে আমি ড্রেসিংরুমে কাউকে খুব একটা কাঁদতে দেখিনি। কিন্তু আজ জয়ের পরে অনেকের চোখেই জল দেখলাম। চোটের জন্য মরসুমের শুরু থেকে একের পর এক ক্রিকেটার ছিটকে গিয়েছে। সেই দলকে ছন্দে ফেরানো সহজ নয়। এমনই একটি জয় আমাদের প্রয়োজন ছিল। আশা করি, এই জায়গা থেকে আমরা ঘুরে দাঁড়াব।’’

    কাঁদলেন রিঙ্কু

    টানা ব্যর্থ। অবশেষে ২ পয়েন্ট এল ঝুলিতে। কেকেআর যেন কিছুটা অক্সিজেন পেল এই জয়ের পর। তবে এতগুলো ম্যাচের পর একটা জয় যেন আবেগের বিস্ফোরণ ঘটিয়ে দিল। ছ’টা ম্যাচের মধ্যে পাঁচটায় হার। একটামাত্র পয়েন্ট এসেছিল, সেটাও বৃষ্টির দৌলতে! সাত নম্বর ম্যাচের পর জয় এল। তার পরই কেকেআর ড্রেসিংরুমে অনেকেই কাঁদলেন। ২৫ কোটির গ্রিন রান পাচ্ছিলেন না। একটা ম্যাচে বড় রান করলেন। তার পর আবার সেই এক পরিস্থিতি। ক্যাপ্টেন রাহানেকে নিয়ে সব থেকে বেশি সমস্যায় নাইটরা। মিডল অর্ডার দলকে ভরসা দিতে পারছে না। রাজস্থানের বিরুদ্ধেও ১৫৫ রান করতে গিয়েও কেকেআরের কালঘাম ছুটল। রাজস্থানের বিরুদ্ধে ম্যাচের নায়ক রিঙ্কু। সেই রিঙ্কু সিং অঝোরে কাঁদলেন এদিন। অফ ফর্ম চলছে। রান পাচ্ছিলেন না। রবিবার সেই রিঙ্কুই জেতালেন। তার পর আবেগ আর ধরে রাখতে পারেননি।

    রেকর্ড বুকে বরুণ

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকেই খারাপ ফর্ম চলছিল। আইপিএলের শুরু থেকে খুব একটা ভাল খেলতে পারছিলেন না। উইকেট পেলেও প্রচুর রান দিচ্ছিলেন। রাজস্থানের বিরুদ্ধে অবশেষে প্রত্যাবর্তন হল ‘আসল’ বরুণ চক্রবর্তীর। রানও কম দিলেন। তুলে নিয়েছেন তিনটি উইকেটও। ম্যাচের পর বরুণ জানালেন, হাড়ে চিড় নিয়েই তিনি আইপিএলে খেলছেন। তাঁর মতে, এখনও ট্রফি জিততে পারে কেকেআর। এ দিন দ্বিতীয় দ্রুততম ক্রিকেটার হিসেবে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ২০০টি উইকেট নিলেন বরুণ। ১৫১টি ইনিংসে ২০০তম উইকেট পেয়েছিলেন অর্শদীপ সিং। বরুণ পেলেন ১৫৫তম ইনিংসে। কুলদীপ যাদব (১৬০), জয়দেব উনাদকাট (১৬২) এবং মহম্মদ শামি (১৬৫) রয়েছেন বরুণের পরে। রবিবার ম্যাচের সেরাও হন বরুণ। তিনি বলেন, “পিচ খুব একটা আলাদা ছিল না। আইপিএলে যেমন পিচ হয় তেমনই হয়েছে। আজ একটু মন্থর গতির ছিল, যা আমরা কাজে লাগিয়েছি। প্রথম কয়েকটা ম্যাচে আমি চোট পেয়েছিলাম। দুটো হাড়ে চিড় ধরেছিল। এখনও বাঁ হাতে চিড় দুটো রয়েছে। সেটা সামলেই খেলার চেষ্টা করছি। কাজটা কঠিন, তবু চেষ্টা তো করতেই হবে।” সাফল্যের নেপথ্যে গোটা কোচিং স্টাফকে কৃতিত্ব দিয়েছেন বরুণ।

  • Vaibhav Sooryavanshi: ভেঙে যাবে সচিনের ৩৭ বছর আগের রেকর্ড! ভারতীয় দলে অভিষেকের অপেক্ষায় বৈভব

    Vaibhav Sooryavanshi: ভেঙে যাবে সচিনের ৩৭ বছর আগের রেকর্ড! ভারতীয় দলে অভিষেকের অপেক্ষায় বৈভব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান! আর মাত্র দু’মাস পরেই সচিন তেন্ডুলকরের রেকর্ড ভেঙে দিতে পারে বৈভব সূর্যবংশী (Vaibhav Sooryavanshi)। আইপিএল শেষ হওয়ার পর জুনে আয়ারল্যান্ড সফরে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলে ১৫ বছরের বৈভবকে রাখা হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি সত্যিই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় বৈভবের, তবে সবচেয়ে কম বয়সে ভারতের হয়ে খেলার রেকর্ড গড়বে বৈভব। ভেঙে দেবে সচিনের ৩৭ বছরের পুরনো রেকর্ড।

    ভাঙার মুখে সচিনের রেকর্ড

    প্রায় চার দশক আগে বাইশ গজ দেখেছিল এক বিস্ময় বালককে। ১৯৮৯ সালে ১৬ বছর ২০৫ দিন বয়সে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলেছিলেন সচিন তেন্ডুলকর। সেই শুরু বাকিটা ইতিহাস। চলতি আইপিএল শেষের পরেই জুন মাসে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুই ম্যাচে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে টিম ইন্ডিয়া। ২৬ ও ২৮ জুন বেলফাস্টে আয়োজিত হবে ম্যাচগুলি। একাধিক রিপোর্টে প্রকাশ, এই সিরিজের জন্য পূর্ণশক্তির দল নামাবে না ভারত। তরুণ ক্রিকেটারদের দেখে নিতে চায় বিসিসিআই। তাই সুযোগ পেতে পারে বৈভব। বোর্ডের সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি বলেন, ‘আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ট্যুরে সুযোগ পাওয়ার দৌড়ে রয়েছে বৈভব। বাকি অনেক ক্রিকেটারদের সঙ্গে ওর নামও তালিকায় রেখেছেন নির্বাচকরা।’আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন টি-টোয়েন্টি সিরিজে ভারতীয় দলের হয়ে অভিষেক ঘটলে তখন বৈভবের বয়স হবে ১৫ বছর ৯১ দিন।

    আয়ারল্যান্ডের পর জিম্বাবোয়ে

    আয়ারল্যান্ডে ভাল খেলতে পারলে পরবর্তী জিম্বাবোয়ে সফরের দলেও বৈভবকে রাখা হবে বলে খবর। সেখানে ২৩ থেকে ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে ভারতের তিনটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। যেহেতু আয়ারল্যান্ড এবং জিম্বাবোয়ের মতো তুলনায় দুর্বল দু’টি দলের সঙ্গে ভারতের খেলা রয়েছে, নির্বাচকেরা এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইছেন না। বিভিন্ন মহল থেকে দাবি উঠেছে, আর অপেক্ষা না করে বৈভবকে এখনই জাতীয় দলে খেলানো হোক। বোর্ডেরই প্রাক্তন কোষাধ্যক্ষ এবং বর্তমান আইপিএল চেয়ারম্যান অরুণ ধুমল কিছু দিন আগেই সামাজমাধ্যমে লিখেছিলেন, “এ বারের আইপিএলে বৈভব সূর্যবংশীর কী অসাধারণ ব্যাটিং প্রদর্শনী! ওর পারফরম্যান্স বিবেচনা করলে এই বলতেই হয়, এই বিস্ময়কর প্রতিভা অবশ্যই সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় হিসেবে ভারতের হয়ে অভিষেকের দাবি রাখে। এত কম বয়সে এমন প্রতিভাবান কাউকে খুঁজে পাওয়া বিরল। ভারতের সর্বকনিষ্ঠ অভিষেককারী হিসেবে ওর খেলার সুযোগ পাওয়া উচিত।”

    বিস্ময় বালক বৈভব

    ইংল্যান্ডের প্রাক্তন অধিনায়ক মাইকেল ভন বিসিসিআই-এর কাছে বৈভবকে বিবেচনা করার আহ্বান জানান। এ বারের আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের প্রথম ম্যাচেই চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে বৈভব ১৭ বলে ম্যাচ জেতানো ৫২ রান করে। তার পরেই ভন এই মন্তব্য করেন। এর পর ইরফান পাঠান, হরভজন সিং-সহ আরও অনেক প্রাক্তন ক্রিকেটার বিসিসিআইকে বলেছেন, আইপিএলের পরেই বৈভবকে ভারতীয় দলে নেওয়া হোক। অজিত আগরকরের নেতৃত্বাধীন নির্বাচক কমিটি অবশেষে এই আবেদনে সাড়া দিচ্ছে বলে অনুমান ক্রিকেট মহলের। গত মরশুমে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে আইপিএল অভিষেকের পরেই চর্চায় উঠে আসে বৈভব। তারপর ভারতের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলের হয়ে নজর কেড়েছে সে। টেস্ট হোক বা টি-টোয়েন্টি, যে কোনও ফর্ম্যাটেই নিজের দক্ষতার পরিচয় দিয়েছে ১৫ বছর বয়সি এই ক্রিকেটার। তাই বৈভবকে জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়ার দাবি জোরালো হয়েছে আরও।

  • Palak Gulia-Mukesh Nelavalli: শুটিং বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জয়! তেরঙা ওড়ালেন দুই ভারতীয় শুটার পলক ও মুকেশ

    Palak Gulia-Mukesh Nelavalli: শুটিং বিশ্বকাপে বিশ্বরেকর্ড গড়ে সোনা জয়! তেরঙা ওড়ালেন দুই ভারতীয় শুটার পলক ও মুকেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আন্তর্জাতিক শুটিং স্পোর্টস ফেডারেশন (ISSF) আয়োজিত বিশ্বকাপে এক অভাবনীয় কৃতিত্বের নজির গড়ল ভারত। ১০ মিটার এয়ার পিস্তল মিক্সড টিম ইভেন্টে কেবল সোনা জয়ই নয়, বরং বিশ্বরেকর্ড গড়ে (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli) ইতিহাস সৃষ্টি করলেন ভারতের দুই কনিষ্ঠ শুটার পলক গুলিয়া এবং মুকেশ নেলাভল্লি। তাদের এই অবিস্মরণীয় জয় ভারতীয় ক্রীড়া মানচিত্রে এক নতুন মাইলফলক যোগ করল।

    অদম্য লড়াই (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli)

    প্রতিযোগিতার শুরু থেকেই পলক ও মুকেশ অসামান্য একাগ্রতা ও লক্ষ্যভেদ প্রদর্শন করেন। ফাইনালে প্রতিপক্ষকে কার্যত কোনও সুযোগ না দিয়েই তাঁরা শীর্ষস্থান দখল করে নেন। সোনা জয়ের পথে তাঁরা যে স্কোর খাড়া করেছেন, তা এই ইভেন্টের বিশ্বরেকর্ডকে (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli) ভেঙে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। বিশেষ করে চাপের মুখে পলকের শান্ত মেজাজ এবং মুকেশের নির্ভুল নিশানাবাজি দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করেছে। বিদেশের প্রতিকূল কন্ডিশনে এই দুই ভারতীয় তারকার জয় প্রমাণ করে দিল যে ভারতের তরুণ প্রজন্মের শুটাররা বিশ্বমঞ্চে রাজত্ব (ISSF) করার জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত।

    জুটির মধ্যে বোঝাপড়া আসল

    সোনাজয়ী পলক বলেছেন, “মিক্সড টিম ইভেন্টে জুটির মধ্যে বোঝাপড়া আসল। নতুন ফরম্যাটে চারটে দল ফাইনালে খেলে। ফলে লড়াই আরও বেশি। ফলে শুরুটা ভালো হওয়া জরুরি। আমরা সেটা করতে পেরেছি। আমি অবশ্য মুকেশের সঙ্গে নয়, আমার নিজের সঙ্গে লড়াই করছিলাম। মুকেশ আমার কাজটা সহজ করে দিয়েছে।” একই ভাবে সোনাজয়ী মুকেশ বলেন, “ভারতের হয়ে সিনিয়র স্তরে এটা আমার প্রথম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। নিজের সেরাটা দিয়েছি। ফাইনালে স্নায়ুর চাপ ধরে রেখেছিলাম। আমি আর পলক নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা করছিলাম। কে বেশি স্কোর করতে পারে সেই লড়াই চলছিল। সেই লড়াই করতে গিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছি।”

    ক্রীড়ামহলে উদ্দীপনা

    পলক এবং মুকেশের এই অভাবনীয় সাফল্যে (Palak Gulia-Mukesh Nelavalli) ভারতের জাতীয় রাইফেল সংস্থা এবং ক্রীড়ামন্ত্রক অভিনন্দন জানিয়েছে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে, অলিম্পিকের আগে এই ধরনের সাফল্য ভারতীয় শুটিং দলের (ISSF) আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেবে। তাঁদের এই কৃতিত্ব কেবল স্বর্ণপদকেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তা আগামীর তরুণ প্রজন্মের কাছে এক বিশাল অনুপ্রেরণা।

LinkedIn
Share