Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • DA Protest: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ থেকে দিল্লিতে ধর্না রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    DA Protest: বকেয়া ডিএ-র দাবিতে আজ থেকে দিল্লিতে ধর্না রাজ্য সরকারি কর্মীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যায়ে বকেয়া ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে আজ, সোমবার থেকে দিল্লির যন্তর-মন্তরে দু’দিনের অবস্থানে বসছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীরা। একইসঙ্গে কলকাতাতেও আন্দোলন চলবে বলে জানিয়েছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছিল, দিল্লিতে ধর্নায় বসবেন ১২০০ ডিএ আন্দোলনকারী। তবে অমিত শাহের মন্ত্রকের শর্তে সেই সংখ্যা কমিয়ে ৫০০ করতে হয়েছে আন্দোলনকারীদের।

    রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে অবস্থান বিক্ষোভে যোগ দিতে অফিসে ছুটি নিয়ে রবিবার সকালেই দিল্লি পৌঁছে গিয়েছিলেন প্রায় আড়াইশো জন রাজ্য সরকারি কর্মচারী। আরও শ’তিনেক কর্মী এদিন সকালে পৌঁছেছেন। বকেয়া (DA Protest) আদায়ে আন্দোলনকারীরা রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন। মঞ্চ নেতৃত্বের দাবি, সকলেই তাঁদের দেখা করার সময় দিয়েছেন। এ দিকে দিল্লিতে এই অবস্থান চলাকালীনই কাল, মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে ডিএ মামলার শুনানি হওয়ার কথা। সেদিকেও নজর থাকবে ডিএ ধর্নায় অংশ নেওয়া সরকারি কর্মীদের। 

    কড়া পদক্ষেপ নবান্নের!

    এদিকে জানা গিয়েছে, মহার্ঘ ভাতার দাবিতে দিল্লিতে দু’দিনের ধর্নায় অংশ নিতে যাওয়া সরকারি কর্মীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে পারে নবান্ন। তবে তাঁদের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ করা হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানা গিয়েছে। তবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার চিন্তা ভাবনা চলছে উচ্চ পর্যায়ে। তবে তাতে দিল্লি ধর্না কর্মসূচি বাতিল হচ্ছে না বলেই জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: কেষ্টর গড়ে দাঁড়িয়ে পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে উত্খাতের ডাক দিলেন শুভেন্দু

    মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষের বক্তব্য, ‘সরকারি কর্মীরা দিল্লির অবস্থানে গিয়েছেন ছুটি নিয়ে। কলকাতা ময়দানেও তাঁরা ছুটি নিয়েই অবস্থান চালাচ্ছেন।’ কিন্তু নবান্নর কর্তাদের প্রশ্ন, সকলে মিলে এ ভাবে ছুটি নিয়ে সরকার-বিরোধী আন্দোলনে অংশ নেওয়া যায়? সরকারের মত, কর্মচারীদের ধর্নার ফলে সরকারি পরিষেবা বিঘ্নিত হচ্ছে। সমস্যা হচ্ছে আমজনতার। তাই ধর্নায় যোগ দেওয়া সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। অপরদিকে ডিএ (DA Protest) আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে সরকারকে মৌখিক নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আন্দোলনকারীদের তরফে ৩ প্রতিনিধি এবং সরকারের তরফে মুখ্যসচিব ও অর্থসচিব সেই বৈঠকে থাকবেন। আগামী ১৭ এপ্রিল সেই বৈঠক হওয়ার কথা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kamarhati: তোলার টাকা না পেয়ে কামারহাটিতে অটো চালকসহ তিনজনকে বেধড়ক মার! কাঠগড়ায় তৃণমূলের ছাত্র নেতা

    Kamarhati: তোলার টাকা না পেয়ে কামারহাটিতে অটো চালকসহ তিনজনকে বেধড়ক মার! কাঠগড়ায় তৃণমূলের ছাত্র নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ  রাস্তায় অটো চালাতে গেলেও তোলা দিতে হবে। কামারহাটি (Kamarhati) এলাকায় রানা বিশ্বাস নামে এক তৃণমূলের ছাত্র নেতার এটাই নিদান। আর যে তাঁর কথার খেলাপ করেছে তাঁর কপালে জুটেছে মার। কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার ২০ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সন্দীপ রায়। তিনি পেশায় অটো চালক। রথতলা রুটে তিনি অটো চালান। আর তৃণমূল কর্মী হিসেবে পরিচিত। তাঁর কাছেও রানা ও তার দলবল গিয়ে তোলা চায়। সন্দীপ তা দিতে অস্বীকার করে। এটাই তাঁর অপরাধ। শনিবার রানা ও তাঁর দলবল মিলে সন্দীপ ও তাঁর দুই বন্ধুকে বেধড়ক পেটায় বলে অভিযোগ। সন্দীপসহ দুজনের চোট গুরুতর হওয়ায় তাঁদের সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সন্দীপের পরিবারের পক্ষ থেকে বেলঘরিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই ইন্দ্রজিত্ মহান্তি এবং অক্ষয় শর্মাকে গ্রেফতার করেছে।

    হামলা নিয়ে কী বললেন আক্রান্ত পরিবারের লোকজন?

    রানা বিশ্বাস কামারহাটির (Kamarhati) তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি। আর শাসকদলের না ভাঙিয়ে এলাকায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তিনি। এমনই অভিযোগ আক্রান্ত তৃণমূল কর্মীর আত্মীয় বাবু রক্ষিতের। তিনি বলেন, রানা বিধায়কের নাম ভাঙিয়ে তোলাবাজি করে। আমার শ্যালক সন্দীপ রথতলায় অটো চালায়। ওর নিজের অটো। ওর কাছে থেকে রানা তোলা চেয়ে ছিল। ও তা দিতে রাজি হয়নি। এটাই ওর অপরাধ। শনিবার রানা তার দলবল নিয়ে এসে আমার শ্যালক আর তাঁর সঙ্গে দুই বন্ধুকে বেধড়ক মারধর করেছে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আক্রান্ত অটো চালকের মা বলেন, রানা একজন গুন্ডা। তৃণমূলের নাম করে এলাকায় দাপিয়ে বেড়ায়। সবার কাছে তোলা চায়। আমার ছেলেকে ও খুব মেরেছে। আমরাও তৃণমূল করি। আমরা কী বিচার পাব না। আমাদের দাবি, অবিলম্বে রানাকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

    কী বললেন কামারহাটি (Kamarhati) পুরসভার চেয়ারম্যান?

    এই ঘটনা নিয়ে কামারহাটি (Kamarhati)  পুরসভার চেয়ারম্যান গোপাল সাহা বলেন, বিষষয়টি শুনেছি। তবে, তোলাবাজি না অন্য কোনও কারণে মারধর করা হয়েছে তা জানি না। ইতিমধ্যেই সমস্ত ঘটনা দলীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    হামলার ঘটনা নিয়ে কী বলল বিজেপি নেতৃত্ব?

    এই ঘটনায় সরব হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা কিশোর কর বলেন, এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক ও নিন্দনীয়। তৃণমূলের নিজেদের মধ্যে গোষ্ঠী সংঘর্ষ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় হচ্ছে। কামারহাটি (Kamarhati)  তার ব্যতিক্রম নয়। দোষীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • DA Protest: যন্তর-মন্তরে ধর্না, রাষ্ট্রপতির কাছে আর্জি! ডিএ-র দাবিতে দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা

    DA Protest: যন্তর-মন্তরে ধর্না, রাষ্ট্রপতির কাছে আর্জি! ডিএ-র দাবিতে দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদের ন্যায়ে ডিএ-র (DA Protest) দাবিতে এবার দিল্লি যাচ্ছেন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীরা। দিল্লির যন্তরমন্তরে কয়েকশো আন্দোলনকারী ১০ এবং ১১ এপ্রিল বকেয়া ডিএ-র দাবিতে ধর্না দেবেন। কলকাতায় শহিদ মিনারের নীচেও কর্মসূচি চলবে। যন্তর মন্তরে ধর্না কর্মসূচি ঘোষণা করেছে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। 

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত

    সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের তরফে জানানো হয়েছে, প্রায় ৫০০ জন সরকারি কর্মচারী হাওড়া রাজধানী আর শিয়ালদহ রাজধানী ধরে দিল্লি যাবেন। হাওড়া দিয়ে ২০০ জনের মতো যেতে পারেন। আন্দোলনের মূল নেতা ভাস্কর ঘোষও সম্ভবত হাওড়া দিয়েই যাবেন৷ যাত্রা চলবে আগামিকালও। রাজধানীতে ধর্না কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তাঁরা। একই সঙ্গে কেন্দ্রের নিয়ম মেনে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করবেন তাঁরা। রাষ্ট্রপতির কাছে নিজেদের ন্যায্য দাবির (DA Protest) কথা তুলে ধরবেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, দিল্লি গিয়ে রাষ্ট্রপতি ছাড়াও উপ রাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের কাছে ডেপুটেশন দেবেন সরকারি কর্মচারীরা।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অনুমতি

    শহিদ মিনার চত্বরে টানা ৪৪ দিন ধর্নার পরেও সরকারের কাছ থেকে বকেয়া ডিএ (DA Protest) নিয়ে আশার আলো দেখতে পায়নি রাজ্য সরকারি কর্মীরা। অন্যান্য রাজ্যের মহার্ঘ্য ভাতার অঙ্ক তুলনায় বেশি হলেও এ রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে তা কেন্দ্রীয় হারের তুলনায় অনেকটাই কম। এই অভিযোগে শহিদ মিনারের নীচে কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার দাবি সহ একগুচ্ছ দাবি নিয়ে এক ছাতার তলায় আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মচারীরা। এবার সংগ্রামী যৌথ মঞ্চকে দিল্লির যন্তর মন্তরে ধর্নার অনুমতি দিল অমিত শাহের মন্ত্রক। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সেই অনুমতি মেলার পরেই আন্দোলনের ঝাঁঝ বাড়াতে এবার রাজধানী সফরের তোড়জোড় তুঙ্গে এরাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের একাংশের।  

    আরও পড়ুন: অচেনা সাজ! সুখোই-৩০ এমকেআই ওড়ালেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু

    সম্প্রতি ডিএ (DA Protest) ইস্যু নিয়ে রাজ্যকে বিশেষ নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। আদালতের তরফে জানানো হয়েছে, আগামী ১৭ এপ্রিলের মধ্যে যৌথ মঞ্চের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে রাজ্য সরকারকে। গত বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, “ডিএ আবেদন নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত। সরকারের সঙ্গে ডিএ আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা শুরু হওয়া উচিত। আন্দোলনকারীদের তরফে ৩ জন থাকতে পারেন। সরকারের তরফে মুখ্যসচিব বা এই স্তরের আধিকারিক আলোচনায় থাকুন।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Weather Update: বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, রাজ্যে আরও বাড়বে তাপমাত্রা  

    Weather Update: বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই, রাজ্যে আরও বাড়বে তাপমাত্রা  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ৭২ ঘণ্টায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি বাড়বে রাজ্যের তাপমাত্রা (Weather Update)। পশ্চিমাঞ্চলের জেলায় এই বৃদ্ধির হার আরও সামান্য বাড়তে পারে। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত কলকাতার তাপমাত্রা বাড়তে বাড়তে ৩৯ ডিগ্রির কোঠায় পৌঁছাবে। ১৪ তারিখের পর তা ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলতে পারে। শুক্রবার বাঁকুড়ার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৯ ডিগ্রি। রাতের দিকে তাপমাত্র ছিল ২৩ ডিগ্রির আশেপাশে।

    তাপমাত্রা (Weather Update)…

    কেবল দক্ষিণবঙ্গ নয়, উত্তরবঙ্গেও আপাতত বৃষ্টির সম্ভবনা নেই। রবিবার শুধু দার্জিলিং জেলায় হালকা বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বাকি রাজ্যে শুষ্ক গরম। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় তপ্ত বাতাস বইতে পারে। চৈত্রের শেষ তো বটেই, বাংলা নববর্ষেও তাপপ্রবাহের আশঙ্কা গোটা রাজ্যে। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানান আলিপুর আবহাওয়া (Weather Update) দফতরের বিজ্ঞানী দেবব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। আগামী বুধবার থেকে শনিবার কলকাতায়ও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি। কলকাতার তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির ঘরে।

    আরও পড়ুুন: সাত রাজ্যে টেক্সটাইল পার্ক গড়বে কেন্দ্র, কর্মসংস্থান হবে ২০ লক্ষ তরুণের

    আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, দুই পর্যায়ে বাড়বে তাপমাত্রা। ১০ এপ্রিল পর্যন্ত ধীরে ধীরে বাড়বে তাপমাত্রা। তিন-চার দিনে তা বাড়তে পারে ২ থেকে ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১০ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত দক্ষিণবঙ্গের পশ্চিমের জেলা সহ উপকূল সংলগ্ন গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে এবং উত্তরবঙ্গের মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরে তাপপ্রবাহের আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে শনিবার পর্যন্ত বাড়বে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। বাংলার ছয় থেকে সাতটি জেলায় স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি বা তারও বেশি বাড়তে পারে তাপমাত্রা। ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে। জানা গিয়েছে, রাজ্যে থাকবে গরম ও শুকনো আবহাওয়া।

    উধাও হবে এ রাজ্যে যে ধরনের আর্দ্রতাজনিত (Weather Update) অস্বস্তি থাকে, তা। আগামী সপ্তাহে কলকাতার তাপমাত্রা ছুঁতে পারে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘর। ১৫ এপ্রিলের মধ্যে গরমের জেরে ত্বকে জ্বালা ভাব আসতে পারে। সূতির জামা ও বেশি করে জল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। সকাল ১১টা থেকে বিকেল ৪টে পর্যন্ত যতটা কম সম্ভব বাইরে বেরনোর পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: শহিদ মিনারে যুবরাজের সভার জন্য টেন্ডার ডেকে ঝাঁপিয়ে পড়ল সরকার! এ কোন রাজত্ব?

    Abhishek Banerjee: শহিদ মিনারে যুবরাজের সভার জন্য টেন্ডার ডেকে ঝাঁপিয়ে পড়ল সরকার! এ কোন রাজত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর ঘাসফুলের ব্যাটন এখন তাঁর হাতে। তিনি তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকও (Abhishek Banerjee), পাশাপাশি যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতিও তিনিই। দলে বর্ষীয়ান সাংসদরা থাকলেও যুবরাজ থাকলে কারও নাকি কথা বলারই সাহস থাকে না, এমনটাই জনশ্রুতি। অভিষেক (Abhishek Banerjee) কোনও জেলা সফরে গেলে পুলিশ-প্রশাসনের কর্তাদের থরহরিকম্প অবস্থা হয়। সভায় যাওয়ার রাস্তা খারাপ থাকলে প্রশাসন সঙ্গে সঙ্গে সেই রাস্তা মেরামত করে দেয়। 

    ২৯ মার্চ কী  ছিল শহিদ মিনারে?

    এবার ২৯ মার্চ কলকাতার শহিদ মিনারে যুব তৃণমূলের সভার আয়োজন ছিল। রাজ্যের সমস্ত জেলার ছাত্র, যুব এবং মাদারের কর্মীরা সেই সভায় হাজির হয়েছিলেন। আর সভার প্রধান বক্তা ছিলেন তৃণমূলের এই যুবরাজ (Abhishek Banerjee)। ফল যা হওয়ার, তাই-ই হয়েছে। পার্টির প্রোগ্রাম, ঝাঁপিয়ে পড়েছিল সরকার। তাঁর সভার ব্যারিকেড, এমনকী অস্থায়ী প্যান্ডেল তৈরির জন্য টেন্ডার ডেকে দেয় খোদ পূর্ত দফতর। পূর্ত দফতরের পক্ষ থেকে যেভাবে টেন্ডার ডেকে যুবরাজের (Abhishek Banerjee) সভার পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে, সেই বিষয়টি সামনে আসতেই রাজ্য জুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। দলীয় সভার আয়োজন প্রশাসন কী করে করতে পারে, তা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। যদিও প্রশাসনের সাফাই, নিরাপত্তার স্বার্থেই যা করার করা হয়েছে। এর সঙ্গে তৃণমূলের মিটিংয়ের কোনও সম্পর্ক নেই।

    দেখা যাক, টেন্ডারে কী রয়েছে?

    অনুষ্ঠানের আগেই শহিদ মিনার ও রেড রোড চত্বরে অস্থায়ী প্যান্ডেল, ব্যারিকেড, বাফার ব্যারিকেড এবং একটি ওয়াচ টাওয়ার তৈরির জন্য টেন্ডার ডাকা হয়। ২৫ মার্চ এই টেন্ডার ডাকা হয়েছিল। নোটিশে শুধু ২৯ মার্চ শহিদ মিনারে অস্থায়ী প্যান্ডেলসহ পরিকাঠামো তৈরির কথা বলা হয়। কোনও দলের উল্লেখ নেই। তবে, ওইদিন যুবরাজের সভা ছাড়া শহিদ মিনারে আর কোনও কর্মসূচি ছিল না। ফলে, নোটিশে উল্লেখ না থাকলেও অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সভার জন্যই যে এই আয়োজন করা হয়েছিল, তা বলাই বাহুল্য। এই ধরনের সভার জন্য দলীয় ফান্ড থেকেই খরচ করে প্যান্ডেল তৈরি করার কথা। তাহলে সরকারি টাকা খরচ করে দলীয় সভার আয়োজন করা হল কেন? উত্তর নেই। স্বাভাবিকভাবেই দলীয় সভার জন্য টেন্ডার ডাকায় পূর্ত দফতরের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

    রাস্তার জন্য মাথা খুঁড়ে মরছেন বাসিন্দারা। আর….!!

    সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। তার আগেই রাজ্যের একাধিক পঞ্চায়েত এলাকায় বেহাল রাস্তার জন্য গ্রামবাসীরা ভোট বয়কটের ডাক দিচ্ছেন। শুক্রবারই মালদহের গাজোলে রাস্তা না হওয়ায় বহু বাসিন্দা বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন। রাজ্য জুড়ে অনুন্নয়নের ছবি সামনে আসছে। সেখানে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে দলীয় সভার প্যান্ডেল করা কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। বিরোধীদের বক্তব্য, দলীয় সভার জন্য পূর্ত দফতর এই ধরনের উদ্যোগ কি নিতে পারে? সরকারি টাকা জনগনের কাজে ব্যবহার হবে। তা না করে একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের নেতাকে তুষ্ট করতে আসরে নেমেছে সরকার। এই রাজ্যে এতদিন দলদাস ছিল পুলিশ। এখন প্রশাসনও দলদাসে পরিণত হয়েছে। বাংলার মানুষ এই ধরনের ঘটনার সাক্ষী আগে কখনও হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: কেষ্ট-কন্যাকে ফের দিল্লিতে তলব ইডির, হাজিরা দেবেন সুকন্যা?

    Anubrata Mondal: কেষ্ট-কন্যাকে ফের দিল্লিতে তলব ইডির, হাজিরা দেবেন সুকন্যা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় তিহাড় জেলে রয়েছেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। তাঁর সঙ্গে তাঁর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডলকে (Sukanya Mondal) মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করতে চাইছে ইডি। তবে ইডির নাগাল এড়িয়ে চলছেন সুকন্যা। মার্চ মাসে প্রথমে তলব করা হয় অনুব্রতকে। সেবার হাজিরা এড়ান তিনি। প্রথমবার আইনজীবী মারফত চিঠি দিয়ে আরও কিছু দিন সময় চেয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয়বার ফের ইডি তলব করে সুকন্যাকে। নোটিশ পেয়েও ইডি দফতরে হাজিরা দেননি তিনি। তারপর আবার এবার তলব করা হল কেষ্ট-কন্যাকে। সোমবার তাঁকে দিল্লিতে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।

    অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)…

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, গ্রেফতার হওয়া অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) চার্টার্ড অ্যাকাউন্টেন্ট মণীশ কোঠারিকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কয়েকটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। নতুন কিছু সম্পত্তিরও হদিশ মিলেছে। এর সবেই নাম রয়েছে সুকন্যার। সেসব নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই ফের তলব করা হয়েছে সুকন্যাকে। জানা গিয়েছে, সিউড়ি থানার আইসি মহম্মদ আলিকে দফতরে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। তাঁকে আপাতত দিল্লির বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। তাঁকে যে কোনও সময় তলব করা হতে পারে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

    আরও পড়ুুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেও বাধ্যতামূলক আধারকার্ড, এ কোন ‘মমতা’?

    ইডির আগে সুকন্যাকে দিল্লিতে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল আর এক কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সেটা ছিল গত বছরের অগাস্ট মাস। সিবিআইয়ের দাবি, সেবার বিপুল সম্পত্তি সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়েছিল সুকন্যার কাছে। সিবিআই সূত্রে খবর, সুকন্যা কোনও সদুত্তর দেননি। তিনি জানিয়েছিলেন, সম্পত্তি সংক্রান্ত সব প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন তাঁর বাবা (Anubrata Mondal) ও হিসাবরক্ষক মণীশ কোঠারি। ইডি সূত্রে খবর, সেই কারণেই কেষ্ট ও তাঁর মেয়ে সুকন্যাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা প্রয়োজন। তদন্তকারীদের ধারণা, তাতেই জানা যাবে বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির উৎস কী। তবে সোমবারও যদি ইডির নাগাল এড়ান সুকন্যা, তাহলে বিলম্বিত হতে পারে পিতা-পুত্রীকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার পরিকল্পনা। এখন দেখার, এবারও সুকন্যা ইডির নাগাল এড়ান কি না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lakshmir Bhandar: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেও বাধ্যতামূলক আধারকার্ড, এ কোন ‘মমতা’?

    Lakshmir Bhandar: লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেও বাধ্যতামূলক আধারকার্ড, এ কোন ‘মমতা’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় তিনি ছিলেন আধার (Aadhar) কার্ডের ঘোরতর বিরোধী। ২০১৪ সালে ক্ষমতায় আসার পর নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সরকার যখন বিভিন্ন ক্ষেত্রে আধার কার্ড বাধ্যতামূলক করে, তখন তার কড়া সমালোচনা করেছিল তৃণমূল (TMC) পরিচালিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। সেই তিনিই এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar) প্রকল্পে বাধ্যতামূলক করে দিলেন আধারকার্ড।

    লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar)…

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সস্তা জনপ্রিয়তা কুড়োতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করে মমতা সরকার। তখন আধার বাধ্যতামূলক ছিল না। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প মমতাকে ফের নিয়ে আসে নবান্নের কুর্সিতে। পরে সেই লক্ষ্মীর ভাণ্ডারই বুমেরাং হয়ে দাঁড়ায় রাজ্য সরকারের। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে সাধারণ মহিলাদের মাসে ৫০০ টাকা করে দেওয়া হয়। তফশিলি জাতি কিংবা উপজাতির মহিলারা মাসে পান ১০০০ টাকা করে। ফি মাসে এক ধাক্কায় বিপুল পরিমাণ টাকার জোগান দিতে হিমশিম খায় রাজ্য সরকার। বাধ্য হয়ে প্রকল্পের (Lakshmir Bhandar) বরাদ্দ জোগান দিতে কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা ব্যয় করা হতে থাকে খয়রাতি প্রকল্পে। তার পরেও সমস্যার সমাধান হয়নি। ভুয়ো ডকুমেন্ট দিয়ে অনেকেই মুফতের টাকা লুটেপুটে নিতে থাকেন। তার পরেই টনক নড়ে সরকারের। যার জেরে এবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও বাধ্যতামূলক করা হল আধার কার্ড।

    আরও পড়ুুন: রাজু ঝা–কে খুনের পিছনে রয়েছে বড় মাথা, প্রাণহানির শঙ্কা লতিফেরও! চাঞ্চল্যকর দাবি অর্জুন সিং-এর

    এর আগে ভুয়ো রেশন কার্ড ধরতে হাতিয়ার করা হয়েছিল আধার। আধার অস্ত্র প্রয়োগ করতেই ধরা পড়ে ৬০ লক্ষ ভুয়ো গ্রাহক। রাতারাতি ছেঁটে ফেলা হয় তাঁদের। ফি মাসে সরকারের বাঁচে কয়েক কোটি টাকা। ভুয়ো রেশন কার্ডই নয়, জাল জবকার্ড বানিয়ে লুঠে নেওয়া হচ্ছিল সরকারের কোটি কোটি টাকা। অভিযোগ, তৃণমূলের বহু নেতা-কর্মীও ভুয়ো জবকার্ডের সাহায্যে দিব্যি চালাচ্ছিলেন লুঠের কারবার। আধার অস্ত্র প্রয়োগ করে সেই কারবারেও ইতি টানা হয়েছে। এক ধাক্কায় বাদ গিয়েছে প্রায় এক কোটি ভুয়ো জবকার্ড। এবার জাল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmir Bhandar) গ্রাহক ধরতে বাধ্যতামূলক করা হল সেই আধার কার্ড। এক সময় যে কার্ডের বিরোধিতা করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং। দুয়ারে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগে এহেন গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত নিলেন তৃণমূল নেত্রী। এই মর্মে জারি করা হয়েছে নয়া নির্দেশিকা। এখন দেখার, পঞ্চায়েত নির্বাচনে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারই তৃণমূলের শিরঃপীড়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায় কিনা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kolkata Metro: অপেক্ষার অবসান, রবিবারই গঙ্গার নিচ দিয়ে ছুটবে মেট্রো

    Kolkata Metro: অপেক্ষার অবসান, রবিবারই গঙ্গার নিচ দিয়ে ছুটবে মেট্রো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্জিকা মতে রবিবারই মিলেছে শুভক্ষণ। তাই এই দিনেই গঙ্গার (Ganga) নিচ দিয়ে ছুটবে মেট্রো (Kolkata Metro)। এদিনই হবে ট্রায়াল রান। রেলের তরফে এই ঘোষণার পরেই সাজ সাজ রব হাওড়ায়। মঙ্গলবার দুপুরে ট্রায়াল রান হওয়ার কথা ছিল। শেষমেশ ঠিক হয়, মঙ্গলের পরিবর্তে ট্রায়াল রান হবে রবিবার। এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহেই যে গঙ্গার নিচ দিয়ে মেট্রো দৌড়বে, সে খবর জানা গিয়েছিল আগেই। মহাকরণ থেকে হাওড়া ময়দান ট্রায়াল রান শুরু হবে ৮ এপ্রিল। বউবাজারের পূর্বমুখী টানেল দিয়ে আসবে মেট্রোর রেক।

    মেট্রো (Kolkata Metro)…

    জানা গিয়েছে, হাওড়া ময়দান থেকে মহাকরণ পর্যন্ত রেলের (Kolkata Metro) লাইন বসানোর কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গিয়েছে। বউবাজারের কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় আপাতত হাওড়া ময়দান থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত পরিষেবা চালুর চিন্তাভাবনা করছেন মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ। এপ্রিলের দ্বিতীয় সপ্তাহেই হতে পারে ট্রায়াল রান। মেট্রো সূত্রে খবর, শিয়ালদহ থেকে এসপ্ল্যানেড পর্যন্ত বিদ্যুতায়নের কাজ শেষ না হওয়ায় রেক আনা হবে টেনে। বউবাজারে সাইড ওয়াল তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। দেওয়াল হবে ৯ মিটারের মতো। কাজ হয়েছে ২ মিটারের মতো। দেওয়াল তৈরি হয়ে গেলে শুরু হবে ছাদের কাজ। এখানে কিছু ব্র্যাকিং রয়েছে। সাপোর্টিং স্ট্রাকচার হিসেবে এগুলি তৈরি হয়েছিল। সেই ব্র্যাকিংগুলি সরিয়ে ফেলতে হবে। তার পরেই হাওড়া ময়দান এবং সল্টলেক সেক্টর ৫ এর সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাবে বউবাজার।

    আরও পড়ুুন: ভরা বাজারে গুলি করে খুন তৃণমূল নেতাকে, শিথিল হচ্ছে মুখ্যমন্ত্রীর রাশ?

    প্রসঙ্গত, গঙ্গার গভীরতা ১৩ মিটার। তারও ১৩ মিটার নিচে তৈরি হয়েছে টানেল (Kolkata Metro)। ২০১৮ সালে ৬৬ দিনে শেষ হয় গঙ্গার নিচে টানেল তৈরি। গঙ্গার নিচে লাইনের দৈর্ঘ্য সাড়ে ৫০০ মিটার। ২০১৯ সালে প্রথমবার বউবাজারে বিপর্যয় ঘটে। ২০২২ সালে দ্বিতীয়বার ফাটল দেখা দেয়। দ্বিতীয় বিপর্যয় কাটিয়ে ওঠার আগেই আসে তৃতীয় বিপর্যয়। তার জেরে বউবাজারকে নিয়ে বারংবার সমস্যায় পড়তে হয় মেট্রো কর্তৃপক্ষকে। তাই এবার হাওড়া ময়দান থেকে মহাকরণ পর্যন্ত ছুটবে মেট্রো।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • Pond: পুকুরে ডুব দিলেই মনোবাসনা পূরণ, কোলে আসছে সন্তানও! জেনে নিন কোথায় এই “কামনা পুকুর”?

    Pond: পুকুরে ডুব দিলেই মনোবাসনা পূরণ, কোলে আসছে সন্তানও! জেনে নিন কোথায় এই “কামনা পুকুর”?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর।” কিন্তু এখানে বিশ্বাস অন্ধ বিশ্বাস কি না, তা নিয়ে যেমন শিক্ষিত মহলে প্রশ্ন আছে , তেমনি অনেকেরই আবার দাবি, এ আসলে ঠাকুরের অপার মাহাত্ম্য। বাস্তব যাই হোক না কেন, এমনই একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার হাবড়ায়। পুকুরে ডুব দিলেই নাকি হচ্ছে মনোবাসনা পূরণ। শুধু তাই নয়, ডুব দিলেই মিলছে চাকরি, অসুস্থ শরীর হচ্ছে সুস্থ, এমনকী মিলছে সন্তানও। এমনটাই নাকি ঘটছে বানিপুরের ইতনা কলোনির এক পুকুরে, স্থানীয়রা যার নাম রেখেছেন “কামনা পুকুর”।  

    স্থানীয়দের কী দাবি এই পুকুর নিয়ে ?

    স্থানীয় সূত্রে খবর, এই পুকুরের জলে নাকি রয়েছে বিশেষ মাহাত্ম্য। এলাকার মানুষজন তাই পুকুরপাড়ে তৈরি করে ফেলেছেন হরিচাঁদ গুরুচাঁদ-এর মন্দির। শুধু তাই নয়, দূর থেকে ঠাকুরবাড়ির পুকুরের ১০১ ঘটি জল এনে শোধনও করেছেন। এই পুকুরের খবর ছড়িয়ে যায় সর্বত্র। ভক্তরা আসতে শুরু করেন দূরদূরান্ত থেকে, তাদের মনোবাসনা পূরণের জন্য। আবার অনেকের, যাদের চিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ কাজ করছে না, তাদের নাকি এই জলে ডুব দিলে শারীরিক সমস্যা দূর হচ্ছে। দীর্ঘদিন সন্তান না হওয়ায় সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছিল এক গৃহবধূকে। মনের ইচ্ছা নিয়ে এই পুকুরে ডুব দিতেই কয়েক মাসের মধ্যে নাকি চলে আসে সন্তান। সকাল থেকেই ভক্তদের তাই লাইন পড়ছে এই এলাকায়, পুকুর সংলগ্ন হরিচাঁদ গুরুচাঁদ মন্দিরেও পড়ছে লম্বা লাইন। সঙ্গে খিচুড়ি ভোগ প্রসাদ বিতরণ, কাঁসর, ডঙ্কা, নিশান নিয়ে হরিনাম সংকীর্তন। উপস্থিত ছিলেন মতুয়া ভক্ত দলপতি গোসাই পাগল রাও। সব মিলিয়ে স্নান ঘিরে যেন উৎসবের মেজাজ গোটা এলাকায়।

    শুনুন, এক বৃদ্ধা কী বলছেন

    এখানেই দেখা হয়েছিল এক বৃদ্ধার সঙ্গে। নাতির পায়ে এতই যন্ত্রণা যে তারা কেউই রাতে ঘুমাতে পারতেন না। তাই তিনি এখানের শরণাপন্ন হলেন। নাতির রোগ সারলে এক মন চাল মানসিক হিসেবে দেব বলেছিলেন। তিনি এসেছিলেন সেই মানসিক দিতে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arjun Singh: রাজু ঝা–কে খুনের পিছনে রয়েছে বড় মাথা, প্রাণহানির শঙ্কা লতিফেরও! চাঞ্চল্যকর দাবি অর্জুন সিং-এর

    Arjun Singh: রাজু ঝা–কে খুনের পিছনে রয়েছে বড় মাথা, প্রাণহানির শঙ্কা লতিফেরও! চাঞ্চল্যকর দাবি অর্জুন সিং-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমানের ল্যাংচা হাবের সামনে শক্তিগড়ে কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা–কে পরিকল্পনা করেই খুন করা হয়েছে। আর এই খুনের পিছনে রয়েছে বড় মাথা। দীর্ঘদিন ধরে চক্রান্ত করে এই খুন করা হয়েছে বলে দাবি করলেন ব্যারাকপুরের সাংসদ (বিজেপি থেকে তৃণমূলে ফেরা) অর্জুন সিং (Arjun Singh)।  

    রাজু বিজেপি করেনি

    কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা (Raju Jha) খুন হয়েছিলেন ১ এপ্রিল সন্ধ্যায়। সেই খুনের ঘটনায় সিট গঠন হয়েছে। কিন্তু শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত রাজু খুনের কিনারা করে উঠতে পারেনি বিশেষ তদন্তকারী দল। এরমধ্যেই শুক্রবার রাজুর দুর্গাপুরের বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন অর্জুন। রাজুর বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে অর্জুন বলেন, ‘‘আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। ওর (রাজুর) সঙ্গে কোনও ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছিল না আমার। আসলে ওর গ্রামের বাড়ি (বিহারে) এবং আমার বাড়ি একই জায়গায় ছিল। সেই সূত্রে পরিচয়।’’ পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ এবং তাঁর উপস্থিতিতে রাজু বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন সে কথা উল্লেখ করে সাংসদ বলেন, ‘‘ও পার্টি (বিজেপি) করেনি। পরে আমরা ওকে তৃণমূলে কাজে লাগানোর চেষ্টা করেছিলাম। তার মধ্যেই এমন ঘটনা ঘটে গেল।’’

    আরও পড়ুন: আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে রাজ্যপালের অনুমোদন নিতে হবে! নয়া নির্দেশিকা রাজভবনের

    লতিফেরও প্রাণহানির শঙ্কা

    ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দিলেও পরে সে ভাবে পশ্চিম বর্ধমানের কয়লা ব্যবসায়ী রাজু ঝাকে আর রাজনীতির ময়দানে দেখা যায়নি। রাজু যেদিন খুন হন সেদিন ওই গাড়িতেই ছিলেন গরু পাচার মামলায় অভিযুক্ত তথা সিবিআইয়ের খাতায় ফেরার আবদুল লতিফ। অর্জুনের দাবি, ‘এটা পাকা মাথার কাজ। বাইরের রাজ্য থেকে শার্প শ্যুটার এসেছিল। রহস্য ভেদ করতে একটু তো সময় লাগবেই!’ রাজুর খুনের দিন তাঁর সঙ্গে এক গাড়িতেই ছিলেন লতিফ। আর এই ঘটনার পর থেকে গা–ঢাকা দিয়েছেন তিনি। অর্জুনের কথায়, ‘আমার মনে হয় লতিফ এই মার্ডার কেসে একটা লিঙ্ক!’ আবদুল লতিফের নাম এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িয়েছে তারও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। ওকে পুলিশ না ধরতে পারলে হয়তো লতিফকেও সরিয়ে দেওয়া হবে। গরু-পাচার মামলায় কিং-পিন লতিফ। ইতিমধ্যেই তাঁকে দিল্লিতে তলব করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এই আবহে অর্জুনের এরকম দাবি চাঞ্চল্য ফেলেছে রাজনৈতিক মহলে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share