Category: রাজ্য

Get West Bengal News, Bengali Breaking News, Latest News in Bengali only from মাধ্যম | Madhyom, Bengali News Portal for সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর

  • Duare Sarkar: দুয়ারে সরকার প্রকল্পে ব্যাপক হয়রানি,  শিবিরে ভাঙচুর চালাল ক্ষুব্ধ জনতা

    Duare Sarkar: দুয়ারে সরকার প্রকল্পে ব্যাপক হয়রানি, শিবিরে ভাঙচুর চালাল ক্ষুব্ধ জনতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকারি প্রকল্পের সুবিধা রাজ্যবাসীর মধ্যে পৌঁছে দিতে দুয়ারে সরকার (Duare Sarkar) প্রকল্প নিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু সেই কর্মসূচিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হতে হল উপভোক্তাদের। ফলে শিবিরে ভাঙচুর চালালেন ক্ষুব্ধ উপভোক্তারা। গোটা ঘটনায় বৃহস্পতিবার চাঞ্চল্য ছড়াল উত্তর দিনাজপুর জেলার ইসলামপুরের আগডিমটিখন্তি অঞ্চলের দিঘলবস্তি এলাকায়। 

    ঠিক কী ঘটেছিল এদিন ?

    জানা গিয়েছে, স্থানীয় দিঘলবস্তি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এদিন এই ক্যাম্প (Duare Sarkar) অনুষ্ঠিত হয়। সরকারি সুবিধা পেতে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই গ্রামবাসীরা হাজির হয়েছিলেন শিবিরে। কিন্তু সকাল সাড়ে দশটায় ক্যাম্প চালু হওয়ার কথা থাকলেও, বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ কর্মীরা ক্যাম্পে উপস্থিত হতে শুরু করেন। একেই সময়ের অনেক পরে কাজ চালু হয়, তার ওপর সরকারি প্রকল্পের আবেদনপত্র অপ্রতুল হওয়ায়, ফর্ম না পেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন দূরদূরান্ত থেকে আসা গ্রামবাসীরা। গোটা ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

    দিঘলবস্তি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশেই বাড়ি তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি আকবর আলির। সাধারণ মানুষকে সাহায্য করতেই সকাল সকাল তিনি ক্যাম্পে হাজির হয়েছিলেন। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও ক্যাম্প চালু না হওয়ায় সরকারি কর্মী ও স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগড়ে দেন তিনি। অন্যদিকে এদিন দেরি করে ক্যাম্প চালু ও ফর্ম না পেয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন উত্তেজিত গ্রামবাসীরা। এমনকী ক্যাম্পের আসবাবপত্রে ভাঙচুরও চালানো হয়। এই ঘটনায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয় শিবির চত্বরে। খবর পেয়ে ইসলামপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। শুরু হয় শিবিরের কাজকর্ম।

    কী বলছেন পঞ্চায়েত সদস্যের প্রতিনিধি ?

    যদিও কর্মীদের দেরীতে আসার কথা মেনে নিয়েছেন স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের প্রতিনিধি নজরুল ইসলাম। তবে পর্যাপ্ত ফর্ম শিবিরে (Duare Sarkar) রয়েছে বলে জানান তিনি। অন্যদিকে ক্যাম্পে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্লক অফিসের কর্মী সাগরাম সোরেন জানিয়েছেন, ক্যাম্পে পর্যাপ্ত ফর্ম আছে। বিভাগের নাম দেওয়া হয়নি বলে সমস্যায় পড়েছিলেন গ্রামবাসীরা। দ্রুত  বিভাগের নাম লিখে চিহ্নিতকরণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purulia: ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে খুন করে গোপনাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী, অবশেষে গ্রেফতার প্রেমিক যুগল

    Purulia: ঘুমের ওষুধ খাইয়ে স্বামীকে খুন করে গোপনাঙ্গ কেটে নিল স্ত্রী, অবশেষে গ্রেফতার প্রেমিক যুগল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসতের মনুয়াকাণ্ডের ছায়া ধরা পড়ল পুরুলিয়ার (Purulia) জয়পুরে। ২০১৭ সালে বারাসতের মনুয়া (Monua) মজুমদার তার প্রেমিক অজিত রায়কে দিয়ে স্বামী অনুপম সিংকে খুন করিয়েছিল। আর সমস্ত ঘটনাটি বাপের বাড়িতে বসে সে ফোনে লাইভ শুনেছিল। পুরুলিয়ার (Purulia) জয়পুরের রাঙ্গুনিটাড় গ্রামের ঘটনাটি অনেকটাই সেরকম। গ্রামের বাড়িতে বসে প্রেমিককে ফোন করে স্বামীকে খুন করে দেহ লোপাট করার লাইভ আপডেট দেয় স্ত্রী। পরে, প্রেমিকের পরামর্শে নিজের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কের মধ্যে দেহ পুঁতে দেয়। মৃতদেহে পচন ধরাতে সেখানে লবনও ঢেলে দেয় সে। গোয়ায় বসেই প্রেমিক ফোনে তার প্রেমিকাকে সমস্ত কিছু নির্দেশ দিয়েছিল। ২০ মার্চ রহস্যজনকভাবে জুড়ন মাহাত নামে এক ব্যক্তির রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশের সামনে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য উঠে আসে। ইতিমধ্যে পুলিশ জুড়নের স্ত্রী উত্তরা মাহাতকে গ্রেফতার করেছে। আর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে তাঁর প্রেমিক ক্ষেত্রপাল মাহাতকে পুলিশ গ্রেফতার করে।

    প্রেমিকের সঙ্গে কীভাবে আলাপ হয়েছিল বধূর?

    উত্তরার দুই সন্তান রয়েছে। আর প্রেমিক ক্ষেত্রপালও চার সন্তানের বাবা। সে সেপটিক ট্যাঙ্ক তৈরির কাজ করে। বছর পাঁচেক আগে উত্তরাদের বাড়িতে সেপটিক ট্যাঙ্ক তৈরির কাজ করার সময় তার সঙ্গে ক্ষেত্রপালের আলাপ হয়। পরে, ফোন দেওয়া-নেওয়া হয় দুজনের মধ্যে। সময় সুযোগ পেলেই ফোনেই তাদের দুজনের মধ্যে কথাবার্তা চলত। পরে, দুজনের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে। পাঁচ বছর ধরে তাদের মধ্যে বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক রয়েছে। বছর দুয়েক আগে উত্তরার স্বামী সমস্ত বিষয়টি জেনে যান। আর এই নিয়ে বাড়িতে অশান্তি লেগেই থাকত। তাই, প্রেমের মধুর এই সম্পর্কের মাঝে পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায় স্বামী। প্রেমিকের সঙ্গে ছক কষেই স্বামীকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেয় উত্তরা।

    কী করে খুন করা হল?

    ২০ মার্চ রাতে জুড়নকে পরিকল্পিতভাবে খুন করে তার স্ত্রী উত্তরা। সেদিন রাতে স্বামীকে ডিমের তরকারি দিয়ে ভাত খেতে দেয়। আর তরকারির মধ্যে সে ২৫টি ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেয়। ফলে, খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই জুড়ন বেহুঁশ হয়ে পড়েন। এরপরই উত্তরা আসল খেলা শুরু করে। প্রথমে নিজেদের দোকানের বাটখারা করে স্বামীর মাথায় আঘাত করে। পরে, ঘরে তরকারি কাটার ছুরি দিয়ে তাঁর গোপনাঙ্গ কেটে নেয়। আর এই কাজ করার সময় মোবাইলের অন্যপ্রান্তে গোয়ায় বসেই শুনছিল ক্ষেত্রপাল। পরে, স্বামীর মৃত্যু নিশ্চিত জানার পর উত্তরা একাই তাকে টানতে টানতে সেপটিক ট্যাঙ্কে নিয়ে গিয়ে পুঁতে দেয়।

    কী বললেন জেলা পুলিশ সুপার?

    পুরুলিয়া (Purulia) জেলা পুলিশ সুপার অভিজিৎ বন্দোপাধ্যায় বলেন, “২০ ই মার্চ বছর ৪৫ এর জুড়ন মাহাত নিখোঁজ হন। ২২ ই মার্চ তার স্ত্রী উত্তরা মাহাত ও বড় ছেলে অপূর্ব মাহাত থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর ২৫ তারিখ জুড়নের ছেলে জানায়, তাদের বাড়ির সেপটিক ট্যাঙ্কের ভিতর থেকে পচা গন্ধ বের হচ্ছে। এরপরই তদন্তে নেমে জুড়ন মাহাতোর বাড়ির বাইরে থাকা সেপটিক ট্যাঙ্ক থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পরের দিন উত্তরা মাহাতকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তার প্রেমিক ক্ষেত্রপাল মাহাতকে গ্রেফতার করা হয়।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • ABVP: বিভিন্ন দাবিতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভে এবিভিপি! পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ

    ABVP: বিভিন্ন দাবিতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভে এবিভিপি! পুলিশের বিরুদ্ধে লাঠিচার্জের অভিযোগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ দেখাল এবিভিপি (ABVP)। পুলিশ এসে বিক্ষোভ সরাতে গেলে শুরু হয় দুপক্ষের ধস্তাধস্তি। পুলিশের বিরুদ্ধে এদিন লাঠিচার্জেরও অভিযোগ তুলেছে এবিভিপি (ABVP)। তাদের আরও দাবি, ধস্তাধস্তির সময় রাজ্যনেত্রী শিল্পা মণ্ডলের পোশাক ছিঁড়ে দেয় পুলিশ। সম্প্রতি শিক্ষাক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। এমন সময় সঙ্ঘের ছাত্র সংগঠনও এই ইস্যুতে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়েছে। আজকের বিক্ষোভ সেই কর্মসূচিরই একটা অংশ, এমনটাই জানা গেছে এবিভিপি (ABVP) সূত্রে।

    আরও পড়ুন: অবাককাণ্ড! কাঠের তৈরি খাটে বা চৌকিতে ঘুমোন না এই গ্রামের বাসিন্দারা, কেন জানেন?

    কেন এই বিক্ষোভ কর্মসূচি ?

    এবিভিপি (ABVP) সূত্রে খবর, বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ, ছাত্র সংসদ নির্বাচন চালু, দুর্নীতি এবং সন্ত্রাসমুক্ত ক্যাম্পাস গড়া সহ একাধিক দাবিতে এদিন তারা কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় অভিযানের ডাক দেয়। কলকাতা সমেত শহরতলির বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রায় ৫০০ অধিক এবিভিপি কর্মী এদিনের বিক্ষোভে হাজির ছিলেন বলে দাবি এবিভিপির। মিছিল শুরু হয় স্বামী বিবেকানন্দের বাড়ি থেকে। সংগঠনের জাতীয় সম্পাদক বিরাজ বিশ্বাস এবং রাজ্য সম্পাদক সঙ্গীত ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে মিছিল চলতে শুরু করে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছেই মিছিলের পথ আটকায় পুলিশ। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। এবিভিপি(ABVP) কর্মীরা জোর করে এগিয়ে যেতে চাইলে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ।

    কী বলছেন এবিভিপির নেতৃত্ব ?

    সংগঠনের জাতীয় সম্পাদক বিরাজ বিশ্বাস বলেন, রাজ্য সরকার দেওলিয়া হয়ে গিয়েছে। পুরো শিক্ষা দফতর রয়েছে জেলের ভিতরে। শিক্ষাক্ষেত্রে একের পর এক দুর্নীতি সামনে আসছে প্রতিদিন। পুলিশ এদিনের মিছিলে অন্যায়ভাবে লাঠিচার্জ করেছে, এমনটাই অভিযোগ এবিভিপির (ABVP) রাজ্য নেতা মৃদাঙ্ক সাহার। তিনি বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশ আজকে লাঠিচার্জ করেছে। অন্যায়ভাবে ৫০ জনেরও বেশি কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে তারা। শুধু তাই নয় ধস্তাধস্তির সময় রাজ্য সহ সম্পাদিকা শিল্পা মন্ডলের পোশাক পর্যন্ত ছিঁড়েছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Train Canceled: যাত্রী দুর্ভোগের আশঙ্কা! ফের শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন বন্ধ

    Train Canceled: যাত্রী দুর্ভোগের আশঙ্কা! ফের শিয়ালদহ শাখায় ট্রেন বন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সপ্তাহশেষে ভোগান্তির শিকার হতে পারেন রেল যাত্রীরা। রক্ষণাবেক্ষণের জরুরি কাজের জন্য আগামী শনিবার রাত ১০টা ২০ মিনিট থেকে পরদিন সকাল ৮টা ২০ মিনিট পর্যন্ত শিয়ালদহ স্টেশন থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। প্রায় ১০ ঘণ্টা শিয়ালদহ শাখায় (Sealdah branch) ট্রেন চলাচল ব্যহত হবে।

    দুঃখপ্রকাশ পূর্ব রেলের

    পূর্ব রেল সূত্রে খবর, শিয়ালদহ স্টেশনে লাইনের রক্ষণাবেক্ষণের কাজের জন্য বেশকিছু লোকাল ট্রেন (Local train) বাতিল করা হয়েছে। তার পাশাপাশি কয়েকটি দূরপাল্লা ট্রেনের রুট (long distance) পরিবর্তনও করা হয়েছে। যার জেরে ফের যাত্রী দুর্ভোগের আশঙ্কা করা হচ্ছে। যাত্রীদের হয়রানির জন্য রেলের পক্ষ থেকে আগাম দুঃখপ্রকাশ করেছেন পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র।

    লোকাল ট্রেনে প্রভাব

    শনিবার রাতে শিয়ালদহ থেকে একটি করে নৈহাটি, বনগাঁ, হাবড়া, ডানকুনি, কল্যাণী সীমান্ত এবং বারাকপুর লোকাল বাতিল করা হচ্ছে। পরদিন, রবিবার সকালে শিয়ালদহ থেকে তিন জোড়া রানাঘাট লোকাল ছাড়াও বনগাঁ, হাবড়া, ডানকুনি, কল্যাণী সীমান্ত এবং ব্যারাকপুরের মধ্যে দু’জোড়া করে লোকাল ট্রেন বন্ধ থাকবে। এ ছাড়াও, শিয়ালদহ থেকে দত্তপুকুর, হাসনাবাদ, নৈহাটি, শান্তিপুর ও গেদের মধ্যে এক জোড়া করে লোকাল ট্রেন এবং একটি কৃষ্ণনগর লোকাল বন্ধ থাকবে। 

    আরও পড়ুন: আপাতত বৃষ্টি নেই, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই গরমে নাজেহাল শহরবাসী

    দূরপাল্লার ট্রেনে প্রভাব

    লোকাল ট্রেন ছাড়াও প্রভাব পড়বে দূরপাল্লা ট্রেনের সূচিতেও। পূর্ব রেল সূত্রে খবর, শনিবার পদাতিক ও আজমের এক্সপ্রেস শিয়ালদহে আসবে না। দূরপাল্লার ট্রেনের ক্ষেত্রে শিয়ালদহমুখী পদাতিক এবং অজমের এক্সপ্রেস শনিবার কলকাতা স্টেশনে আসবে। ওই দু’টি ট্রেন শনিবার কলকাতা টার্মিনাল থেকেই ছাড়বে। এ ছাড়া, ওই দু’দিনের মধ্যে শিয়ালদহ অভিমুখে আসা গৌড়, দার্জিলিং মেল, পদাতিক, কাঞ্চনজঙ্ঘা, বালুরঘাট-মালদহ টাউন প্যাসেঞ্জার-সহ একাধিক ট্রেন তাদের নির্ধারিত সময়ের চেয়ে কয়েক ঘণ্টা পরে শিয়ালদহ অভিমুখে রওনা হবে। যাত্রীরা যাতে সমস্যায় না পড়েন, তাই আগে থেকেই ট্রেন বন্ধের বিষয়টি জানিয়ে দিল রেল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Weather Update: আপাতত বৃষ্টি নেই, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই গরমে নাজেহাল শহরবাসী

    Weather Update: আপাতত বৃষ্টি নেই, এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহ থেকেই গরমে নাজেহাল শহরবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চৈত্রের শেষ থেকেই গরমে নাজেহাল (Weather Update) বঙ্গবাসী। বৃহস্পতিবার তাপমাত্রার পারদ চড়েছে হু হু করে। বেলা যত বাড়ছে সূর্যের গনগনে তেজে চাঁদিফাটা দশা হওয়ার জোগাড় বঙ্গে। এপ্রিল মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকেই দক্ষিণবঙ্গের পারদ ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী। গরম আরো বাড়বে, পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। বৃষ্টির সম্ভাবনা কার্যত নেই।

    দক্ষিণবঙ্গে গরম

    এপ্রিলের শুরু থেকেই দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে অস্বস্তিকর গরমে নাজেহাল পরিস্থিতি হওয়ার উপক্রম। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আপাতত চার থেকে পাঁচদিন দক্ষিণবঙ্গের কোনও জেলাতেই বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আগামী তিন-চারদিনে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলির তাপমাত্রা চার ডিগ্রি পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে অস্বস্তিকর গরম বেশি থাকবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। জলীয় বাষ্প থাকায় বেলা বাড়লে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি বাড়বে। তবে আগামী কয়েকদিন শুকনো গরম থাকবে। আগামী সপ্তাহেই ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁতে পারে কলকাতার তাপমাত্রা। আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের তুলনায় ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। শহরে সকালের দিকে আকাশে হালকা মেঘের দেখা মিললেও, বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যায়। ঝাঁ ঝাঁ রোদে জ্বালাপোড়া গরম বাড়তে থাকে। তবে তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

    উত্তরে হালকা বৃষ্টি

    হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস, দক্ষিণবঙ্গে গরম বাড়লেও কিছুটা স্বস্তিতে থাকবে উত্তরের পাহাড়ি জেলাগুলো। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলাতে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা বৃষ্টি হতে পারে। দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ে বৃষ্টি বেশি হবে। মালদহ ও দুই দিনাজপুরে আবার তাপমাত্রা বাড়বে।

    আরও পড়ুন: ফাইট, মোস্তাক ফাইট! ৬৫ বছর বয়সেও শনশন করে টমটম ছোটাচ্ছেন মোস্তাক

    দেশের আবহাওয়া

    দেশের আবহাওয়ায় গত কয়েকদিন যাবৎ পরিবর্তন অব্যাহত রয়েছে। কখনও তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণে উচ্চ তাপ ও আর্দ্রতা অনুভূত হচ্ছে আবার কখনও পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে চলছে বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি। ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের মতে, আজ ও আগামিকাল প্রায় ১৫টি রাজ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, পাহাড়েও তুষারপাত হতে পারে। হিমালয় অঞ্চলে ৬ এবং ৭ এপ্রিল, বৃহস্পতি ও শুক্রবার বজ্রঝড়ের সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। পূর্ব ভারতের কিছু অংশে হালকা বৃষ্টি, বিদর্ভ এবং ছত্তিশগড়ে আগামী ৫ দিনের মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে৷ আইএমডি-র সতর্কতা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের উত্তরভাগে এবং সিকিমে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতের পূর্বাভাস রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Bakhtiyar khilji: অবাককাণ্ড! কাঠের তৈরি খাটে বা চৌকিতে ঘুমোন না এই গ্রামের বাসিন্দারা, কেন জানেন?

    Bakhtiyar khilji: অবাককাণ্ড! কাঠের তৈরি খাটে বা চৌকিতে ঘুমোন না এই গ্রামের বাসিন্দারা, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্মান নাকি কুসংস্কার! ইতিহাসকে ঘিরে জনশ্রুতিতে বিশ্বাসী হয়ে কুসংস্কারে এখনও পর্যন্ত কাঠের তৈরি চৌকি বা খাটে কেউই ঘুমোন না দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের পীরপাল গ্রামের বাসিন্দারা। কাঠের নয় মাটিরই তৈরি ঢিপিতে বা মাটি দিয়ে খাট তৈরি করে অথবা মাটিতে ঘুমোন গ্রামবাসীরা। ইতিহাসবিদ সমিত ঘোষ বলেন, পীরপালের মাটিতে ইখতিয়ার- উদ্দিন -মহম্মদ- বিন- বখতিয়ার খিলজির (Bakhtiyar Khilji) দেহ সমাধিস্থ করা হয়। এরপর তিনি তুর্কি বীর থেকে পীরে পরিণত হন। বীর যোদ্ধাকে (Bakhtiyar Khilji) এই গ্রামের মাটিতে সমাধিস্থ করার পর থেকে গ্রামবাসীরা কাঠের তৈরি খাটে বা চৌকিতে ঘুমোন না। ঘুমোলে তাদের স্বপ্নাদেশে মেরে ফেলার ভয় দেখানো হয় বলে জনশ্রুতি রয়েছে। এই ভয়ে কয়েকশো বছর থেকে পীরপালের গ্রামের মানুষ কাঠের তৈরি চৌকি বা খাটে ঘুমোন না। পাশাপাশি বখতিয়ার খিলজিকে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য গ্রামবাসীরা মাটিতে ঘুমোন।

    পীরপাল গ্রামে কার সমাধি আছে, জানেন?

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর, তপন, হরিরামপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন রয়েছে। এর মধ্যে গঙ্গারামপুর এলাকার পীরপাল অন্যতম। জেলার ইতিহাসবিদদের থেকে জানা গিয়েছে, বাংলায়  সুলতানি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে বখতিয়ার খিলজি (Bakhtiyar Khilji) সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে সংগ্রামপুর, দেবীকোর্ট সহ গোটা গৌড় দখল করে নেন। লক্ষ্মণ সেন অন্যত্র পালিয়ে প্রাণে রক্ষা পান। তাঁর সৈন্যরা পরাজিত হয়ে নদিয়া ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। এরপর বখতিয়ার খিলজি (Bakhtiyar Khilji) তিব্বত ও কামরুপ অভিযানে যান। সেখানে বিফল হয়ে তিনি দেবীকোর্টে ফিরে আসেন। তিব্বত অভিযান বিফল এবং সৈন্যবাহিনীর ব্যাপক ক্ষতির কারণে মুসলিম রাজ্যের প্রজাদের মধ্যে বিদ্রোহ ও বিরোধ দেখা দিতে শুরু করে। নানাবিধ চিন্তা এবং পরাজয়ের গ্লানিতে বখতিয়ার খিলজি প্রচন্ডভাবে অসুস্থ ও শয্যাশায়ী হয়ে পড়েন। এর অল্প কিছুদিন বাদে তিনি শয্যাশায়ী অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। কেউ কেউ অনুমান করেন যে বখতিয়ার খিলজির (Bakhtiyar Khilji) মৃত্যুর পিছনে তার প্রধান সেনাপতি আলীমর্দান খিলজির হাত ছিল। এরপর বখতিয়ারের মৃতদেহ পীরপালে সমাধিস্থ করা হয়।

    কী বললেন গ্রামের বাসিন্দারা?

    পীরপাল গ্রামের এক বাসিন্দা বলেন, চৌকি বা খাটে ঘুমোলে স্বপ্নাদেশে তাদের ভয় দেখানো হয়। বাপ-ঠাকুরদার সময় থেকে আমরা গল্প শুনে আসছি, রাতে চৌকি বা খাটে শুলে স্বপ্নে ঘোড়া ছোটার আওয়াজ পাওয়া যায়। কে যেন আবার খাট থেকে ফেলে দেয়। আর এরপর সেই পরিবারের সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই কাঠের তৈরি চৌকি বা খাটে কেউ ঘুমোয় না। অন্যদেরও ঘুমোতে দিই না। মাটি দিয়ে বা সিমেন্ট দিয়ে খাট তৈরি করে, সেখানে বিছানা পেতে আমরা ঘুমোই। এই পীর বাবার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই প্রতি বছর বৈশাখ মাসে বড় করে মেলা বসে। বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ দেখতে আসেন। এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, বর্তমানে দরগাটির করুণ দশা। সরকার থেকে পর্যটন কেন্দ্র করা হবে বললেও কোনও হেলদোল নেই। ধীরে ধীরে ভগ্নদশায় পরিণত হচ্ছে তুর্কি বীরের (Bakhtiyar Khilji) এই পীরের দরগা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Recruitment Scam: ‘কেস ডায়েরিতে রয়েছে প্রভাবশালীর নাম’, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে দাবি ইডির

    Recruitment Scam: ‘কেস ডায়েরিতে রয়েছে প্রভাবশালীর নাম’, নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে দাবি ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই নামগুলো দেখলেই বুঝবেন, ভবিষ্যতে কী হবে। নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ডে (Recruitment Scam) বুধবার নিম্ন আদালতে কেস ডায়েরি পেশ করে একথা জানালেন ইডির (ED) আইনজীবীরা। যার অর্থ, প্রভাবশালীদের নির্দেশেই সব কাজ হয়েছে। ইডির জেরায় বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রভাবশালীদের নির্দেশেই সব কাজ করেছেন শান্তনু। সেই নির্দেশ পালনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল কুন্তল ঘোষকে। এই প্রভাবশালীদের নাম জানতে কুন্তলকে লাগাতার জেরা করছেন তদন্তকারীরা।

    নিয়োগ কেলেঙ্কারিকাণ্ড (Recruitment Scam)…

    কেস ডায়েরি হল সেই গোপন গুরুত্বপূর্ণ নথি, যাতে তদন্তের যাবতীয় অগ্রগতি লিপিবদ্ধ করা হয়। এবং যেটা শুধু তদন্তকারী সংস্থা এবং বিচারকই দেখতে পান। এদিন বিচারকের উদ্দেশে ইডির আইনজীবীরা বলেন, হুজুর, কেস ডায়েরিটা ভালভাবে পর্যবেক্ষণ করুন। তাতে উল্লিখিত প্রভাবশালীদের নামগুলো দেখুন। প্রকাশ্য আদালতে সেই নামগুলো দেখুন। প্রকাশ্য আদালতে সেই নামগুলো (Recruitment Scam) বলতে পারছি না। দেখলেই বুঝবেন, ভবিষ্যতে কী ঘটতে চলেছে। এদিন আদালতে শান্তনুর আইনজীবীরা বলেন, তদন্তকারী সংস্থা আমাদের মক্কেলের যেসব বিষয় সম্পত্তির কথা উল্লেখ করেছে, তা ঋণ নিয়ে কেনা হয়েছে। আমাদের মক্কেল প্রতিষ্ঠিত পরিবারের ছেলে। তিনি এত বোকা নন যে, তাঁর বাড়িতে তিনশোটি ওএমআর শিট সাজিয়ে রাখবেন।

    বাবার মৃত্যুর পরে উনি তাঁর চাকরিটি পেয়েছিলেন। গ্রেফতারের পর সেই চাকরি চলে গিয়েছে। বিচারক শান্তনুর পেশা সম্পর্কে জানতে চাইলে তাঁর আইনজীবী বলেন, ওঁর হোটেল ব্যবসা, অতিথিশালা ও মোবাইলের দোকান রয়েছে। বিচারক শান্তনুর শিক্ষাগত যোগ্যতা জানতে চাইলে শান্তনু বলেন, উচ্চ মাধ্যমিক পাশ। মাল্টিমিডিয়ায় ডিপ্লোমা রয়েছে। এদিন শান্তনুর জামিনের আবেদনের বিরোধিতা করে ইডির আইনজীবীরা বলেন, এই অভিযুক্ত সরকারি কর্মী। উনি তো ব্যবসা করতে পারেন না। ওঁর বার্ষিক বেতন ছ লক্ষ টাকা, কিন্তু সম্পত্তি ২০ কোটি টাকার।

    আরও পড়ুুন: ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর লক্ষ্যে কাজ করে যান! বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে বার্তা মোদির

    ইডির আইনজীবীর দাবি, ড্যামি ডিরেক্টরদের নামে বেনামি সম্পত্তি (Recruitment Scam) কেনা হয়েছিল। সম্পত্তি কেনা হত নগদ টাকায়। শান্তনুর ছেলের নামে তৈরি করা হয়েছিল কোম্পানি। জানা গিয়েছে, অধস্তন কর্মীদের মাধ্যমে স্ত্রী প্রিয়ঙ্কার সঙ্গে যৌথভাবে কোম্পানি খুলেছিলেন শান্তনু। খাতায় কলমে ডিরেক্টর বানানো হয়েছিল তাঁদের। ইডির দাবি, শান্তনুর মোবাইল ফোন থেকে যতদূর জানা গিয়েছে, তাতে প্রাথমিক শিক্ষকদের চাকরি দেওয়ার বিনিময়ে বিপুল টাকা নিতেন শান্তনু। শান্তনু সরকারি কর্মী ছিলেন। বার্ষিক আয় ৬ লক্ষ টাকা। আদালতের কাছে সাবমিশন লেটারে ইডির দাবি, নির্দিষ্ট বেতনের চাকরি করেও প্রায় ২০ কোটি টাকার সম্পত্তি করেছিলেন শান্তনু।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     

     

  • DA: ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে রাজ্যকে আলোচনায় বসার নির্দেশ হাইকোর্টের

    DA: ডিএ নিয়ে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে রাজ্যকে আলোচনায় বসার নির্দেশ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ (DA) সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারকে আলোচনায় বসার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। কেন্দ্রীয় হারে ও বকেয়া ডিএর দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ। সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের ব্যানারে শহিদ মিনার চত্বরে চলছে আন্দোলন। প্রাপ্য ডিএ না পাওয়ায় কর্মবিরতি পালনও করেছেন তাঁরা। বৃহস্পতিবার ফের ডাক দেওয়া হয়েছে কর্মবিরতির। পালন করেছেন ধর্মঘটও। এসব কারণে একাধিক সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজে ব্যাঘাত ঘটেছে বলে অভিযোগ।

    ডিএ (DA) মামলা…

    এরই প্রতিবাদে হাইকোর্টে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। বৃহস্পতিবার এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম এবং বিচারপতি হিরণ্ময় ভট্টাচার্যের নির্দেশ, ১৭ এপ্রিল কর্মী সংগঠনের তিন সদস্যের সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে রাজ্যকে। আলোচনা (DA) যাতে ফলপ্রসূ হয়, সে দিকেও নজর রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, ডিএ সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। এদিন শুনানি চলাকালীন জরুরি পরিষেবা সচল রয়েছে কিনা, জানতে চান ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি। হাসপাতালগুলির অবস্থা নিয়েও প্রশ্ন করেন। বিচারপতির প্রশ্নের উত্তরে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, জরুরি পরিষেবা সব চলছে। সব দফতরে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা গ্রহণের ব্যবস্থা নেই বলেও জানান তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘এক ভারত, শ্রেষ্ঠ ভারত’-এর লক্ষ্যে কাজ করে যান! বিজেপির প্রতিষ্ঠা দিবসে বার্তা মোদির

    এর পরেই ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বলেন, তাহলে নির্দিষ্ট করে কীভাবে জানবেন কতজন কর্মী দফতরে এসেছেন, আর কাজ করছেন?  বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, সুপ্রিম কোর্টে এই মামলা বিচারাধীন। কর্মচারি সংগঠনগুলি তার জন্য অপেক্ষা করতে পারছে না? এখনই কেন কর্মবিরতির মতো পদক্ষেপ? মামলাকারীর দাবি, কর্মবিরতির ফলে ৪৩৬ কোটি টাকার ক্ষতি হবে। এটা তো ভাবার বিষয়। এর জন্য অবিলম্বে সমাধান প্রয়োজন। ১৫ দিন পর আবার এমন পদক্ষেপ করলে তখন কী হবে? কর্মচারি (DA) সংগঠনের তরফে আইনজীবী জানান, এই আন্দোলনের বিরুদ্ধে মুখ্যমন্ত্রী বেশ কিছু আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন। তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার কর্মবিরতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পরেই বেঞ্চ আলোচনায় বসার নির্দেশ দেয় রাজ্যকে। বেঞ্চের মন্তব্য, ডিএ সংক্রান্ত জটিলতার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: মুখ্যমন্ত্রীর সাধের ত্রিফলা নিয়ে স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির অভিযোগ, উত্তাল পুরুলিয়া

    TMC: মুখ্যমন্ত্রীর সাধের ত্রিফলা নিয়ে স্বজনপোষণ ও দুর্নীতির অভিযোগ, উত্তাল পুরুলিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেই দুর্নীতি, সেই স্বজনপোষণের অভিযোগ। এবার বিতর্কে মুখ্যমন্ত্রীর সাধের ত্রিফলা। অকেজো হয়ে পড়া ত্রিফলার নিলাম ঘিরেই শুরু হয়েছে জলঘোলা। লোকদেখানো নিলাম ডেকে বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বে থাকা কাউন্সিলারের ছেলেকে অকেজো ত্রিফলা পাইয়ে দেওয়া হয়েছে, এই অভিযোগ ঘিরে উত্তপ্ত পুরুলিয়া পুরসভা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, শাসকদলেরই একাধিক কাউন্সিলার এনিয়ে সরব হয়েছেন। যদিও পুর কর্তৃপক্ষের দাবি, আইন মেনেই নিলাম হয়েছে। কাউকে পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। প্রসঙ্গত, অকেজো ত্রিফলা বাতিস্তম্ভের কেটে ফেলা অংশ নিলাম করা নিয়েই ঘটনার সূত্রপাত। গত শনিবার ওই ত্রিফলা বাতিস্তম্ভগুলির নিলাম হয়। নিলামে এই সমস্ত সামগ্রী পান বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বে থাকা তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার আনোয়ারি বিবির ছেলে শেখ সাহিদ।

    দলের বিরুদ্ধেই অভিযোগ, কী বলছে তৃণমূল ?

    পুরুলিয়া পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলার রবিশঙ্কর দাস বলেন, ওই ত্রিফলা মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প। ত্রিফলা আলো কেটে দেওয়ার সময়ই আপত্তি করেছিলাম। কারণ কিছু ত্রিফলা খারাপ হয়ে থাকলে তা সারানো যেত। তিনি আরও বলেন, বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বে থাকা চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল ও ২২ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার আনোয়ারি বিবির ছেলেই নিলামে ওই ত্রিফলা বাতিস্তম্ভগুলি পেয়েছে। আর এর ফলেই উঠেছে প্রশ্ন। কাউন্সিলারের ছেলেকে এই নিলাম পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে অনেকেই অভিযোগে সরব হয়েছেন।

    এ বিষয়ে ২০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার সমীরণ রায় বলেন, নিলাম নিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই, প্রশ্ন উঠেছে আমাদের দলেরই কাউন্সিলার তথা বিদ্যুৎ বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্তের ছেলেই নিলামে সব জিনিস পাচ্ছেন বলে। এই কারণেই সবাই দল এবং পুরসভার বিরুদ্ধে আঙুল তুলছেন। ৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলার সুনয় কবিরাজ বলেন, নিলাম হয়তো নিয়ম মেনে হয়েছে। কিন্তু বাইরে কে কী সেটিং করেছে, সেটা বলা সম্ভব নয়। কিন্তু আমি থাকলে নৈতিকভাবে এরকম নিলামে অংশগ্রহণ করতাম না।

    কী বলছেন পুরুলিয়া পুরসভার বিরোধী দলনেতা ?

    অন্যদিকে পুরুলিয়া পুরসভার বিরোধী দলনেতা প্রদীপ মুখার্জি বলেন, কাউন্সিলারের ছেলে ছাড়া আর কি কোনও ব্যবসায়ী নেই শহরে? গোটা নিলাম প্রক্রিয়া প্রশ্নের মুখে পড়ছে। একই সুর বিজেপি বিধায়ক সুদীপ মুখার্জির গলাতেও। এবিষয়ে পুরুলিয়া পুরসভার বিদ্যুৎ বিভাগের চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল ও তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলর আনোয়ারি বিবির কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তাঁর ছেলে ও বরাত পাওয়া ঠিকাদার শেখ সাহিদের ভাই সেখ সাব্বির বলেন, সমস্ত আইন মেনেই ভাই নিলামে অংশগ্রহণ করে সবচেয়ে বেশি দাম দিয়ে ওই সামগ্রী পেয়েছে। কাউন্সিলারের ছেলে বলে নিলামে অংশ নিতে পারবে না, এমন কোনও আইন নেই। মিথ্যা অভিযোগ করা হচ্ছে। 

    অভিযোগ সঠিক নয়, দাবি করে কী যুক্তি দিলেন পুরপ্রধান ?

    পুরপ্রধান নবেন্দু মাহালি বলেন, বিরোধীদের অভিযোগ সঠিক নয়। সমস্ত আইন মেনেই নিলাম করা হয়েছে। নিলামে পাঁচজন অংশগ্রহণ করেছিলেন। প্রত্যেককে নিলামের আগে ৩ লক্ষ টাকা জমাও করতে হয়েছিল। ওপেন নিলামে যে কেউ অংশ নিতেই পারেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: ভাই ও তাঁর স্ত্রীর রহস্যমৃত্যু! মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়ে কী দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক?

    Jalpaiguri: ভাই ও তাঁর স্ত্রীর রহস্যমৃত্যু! মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দিয়ে কী দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ  ভাই ও তাঁর স্ত্রীর রহস্যমৃত্যুর ঘটনা নিয়ে পাঁচদিন আগেই  জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন ডাবগ্রাম ফুলবাড়ির বিজেপি বিধায়ক শিখা চট্টোপাধ্যায়। ১ এপ্রিল জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) শহরের পান্ডাপাড়া রোড এলাকার বাসিন্দা বিশিষ্ট সমাজসেবী সুবোধ ভট্টাচার্য এবং জলপাইগুড়ি পুরসভার প্রাক্তন ভাইস চেয়ারম্যান অপর্ণা ভট্টাচার্যের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান। এই ঘটনা নিয়ে সুবোধবাবুর দিদি তথা বিজেপি বিধায়ক জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) কোতোয়ালি থানায় কয়েকজনের নামে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ করেছিলেন। কিন্তু, পুলিশ ব্যবস্থা না নেওয়ায় বুধবার বিকেলে তিনি জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) কোতোয়ালি থানায় ফের যান। থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করে অভিযোগ দায়ের করার পরেও কেন অভিযুক্তরা গ্রেফতার হল না, তা তিনি জানতে চান। পরে, এই ঘটনার তদন্তের দাবি জানিয়ে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) চিঠি দেন। বিজেপি বিধায়ক বলেন, “এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান তথা যুব তৃণমূলের সভাপতি সৈকত চট্টোপাধ্যায় একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি। তাই তিনি ওই পদে যতক্ষণ বসে থাকবেন ততক্ষণ পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করবে না। তাই পুলিশের তদন্তের উপর আমাদের কোনও ভরসা নেই। যেহেতু মুখ্যমন্ত্রী আমাদের সকলের, তাই তাঁর কাছে চিঠির মাধ্যমে অনুরোধ জানালাম সৈকত চট্টোপাধ্যায় সহ যাঁরা অভিযুক্ত রয়েছেন, তাঁদের সরকারি এবং দলীয় পদ থেকে সরিয়ে পুলিশকে গ্রেফতার করার নির্দেশ দিন। অনুরোধ, মুখ্যমন্ত্রী যেন নিজেই এই ঘটনার সিবিআই তদন্ত চান।” পাশাপাশি জেলা বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে আদালতের নজরদারিতে ঘটনার তদন্তের দাবি জানানো হয়। 

    সুইসাইড নোটে কোন নেতার নাম লেখা রয়েছে?

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারপার্সন অপর্ণা ভটাচার্য এবং বিশিষ্ট সমাজসেবী সুবোধ ভট্টাচার্যের রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে সুইসাইড নোট উদ্ধার হওয়ার পর থেকেই তা নিয়ে চাপানউতর শুরু হয়েছে। সূত্রের খবর, সুইসাইড নোটে তাঁদের আত্মহত্যার কারণ হিসেবে তৃণমূলের জলপাইগুড়ি জেলা যুব সভাপতি তথা পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় ছাড়াও আরও তিন জনের নাম পাওয়া যায়। জানা গিয়েছে, অপর্ণা ভট্টাচার্য ২০০০ সালে ফরওয়ার্ড ব্লকের কাউন্সিলর হিসেবে জলপাইগুড়ি পুরসভার ভাইস চেয়ারপার্সন ছিলেন। পরবর্তীকালে তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। বর্তমানে তিনি জলপাইগুড়ি ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের চাইল্ডলাইনে কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্বামী সুবোধবাবুও চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির প্রাক্তন সদস্য। কয়েক বছর আগে তাঁদের অভিযোগের ভিত্তিতে শিশু পাচার কাণ্ডের পর্দা ফাঁস হয়েছিল। 

    এনিয়ে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান কী বললেন?

    জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সৈকত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “আমাকে যাঁরা জমি মাফিয়া বলছে, আমি তাঁদের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করব।” পাশাপাশি তিনি বলেন, “মনোময় সরকারের কাছ থেকে শিখা চট্টোপাধ্যায় ২১ লক্ষ টাকা নিয়েছেন বলে কোতোয়ালিতে অভিযোগ জমা পরেছে। ৪ এপ্রিল তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে শিখা চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন। আমি চাই এই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হোক।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share